B.R Travels & Tickets

B.R Travels & Tickets A travel agency is a private retailer or public service that provides travel and tourism-related ser

শারদ ষষ্ঠী: দুর্গোৎসবের শুভ সূচনাশারদীয় দুর্গোৎসব বাঙালির অন্যতম শ্রেষ্ঠ উৎসব। প্রতি বছর আশ্বিন মাসের শুক্লপক্ষের ষষ্ঠী...
28/09/2025

শারদ ষষ্ঠী: দুর্গোৎসবের শুভ সূচনা

শারদীয় দুর্গোৎসব বাঙালির অন্যতম শ্রেষ্ঠ উৎসব। প্রতি বছর আশ্বিন মাসের শুক্লপক্ষের ষষ্ঠী তিথিতে শুরু হয় এই মহোৎসব। শারদ ষষ্ঠী হল মা দুর্গার বোধন ও আহ্বানের দিন। এই দিন থেকেই মূলত দুর্গাপূজার আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয় এবং ভক্তমনে আনন্দের জোয়ার বয়ে যায়।

ষষ্ঠীর মাহাত্ম্য

পুরাণ মতে, মহিষাসুর বধের জন্য দেবতাদের সম্মিলিত শক্তি থেকে উদ্ভূত হয়েছিলেন দেবী দুর্গা। মহালয়ার দিনে দেবীর আগমনের আহ্বান জানানো হয়, আর ষষ্ঠীর দিন দেবীকে পূজার মাধ্যমে আবাহন করা হয়। দেবীর বোধন, অধিবাস ও আমন্ত্রণের মাধ্যমে ষষ্ঠী পূজার পর্ব সম্পন্ন হয়।

ষষ্ঠীর আচার

এই দিনে ভোরে কলাবউ (কলাগাছকে দেবীর অঙ্গরূপে সাজানো) স্নান করানো হয় এবং নবপত্রিকা স্থাপন করা হয়। সন্ধ্যায় হয় ষষ্ঠী বোধন, আমন্ত্রণ ও অধিবাস। দেবীর চোখ এঁকে প্রাণ প্রতিষ্ঠা করা হয়, যা ভক্তদের কাছে অত্যন্ত শুভ ও আবেগঘন মুহূর্ত।

সামাজিক ও সাংস্কৃতিক তাৎপর্য

শারদ ষষ্ঠী মানেই উৎসবের আমেজ শুরু। নতুন পোশাক, আলো-ঝলমলে মণ্ডপ, ঢাক-ঢোলের শব্দ, আর আনন্দে মেতে ওঠে শহর ও গ্রাম। এদিন থেকেই দুর্গোৎসবের আনন্দ মানুষের প্রাণে রঙ ছড়ায়।

উপসংহার

শারদ ষষ্ঠী শুধু পূজার আনুষ্ঠানিকতার সূচনা নয়, এটি বাঙালির সাংস্কৃতিক ও সামাজিক ঐক্যের প্রতীক। ভক্তি, আনন্দ ও ঐতিহ্যের মিলনে ষষ্ঠীর দিনটি দুর্গোৎসবকে এক নতুন মাত্রা দেয়।

বাংলাদেশ থেকে ফ্রান্সের ভিসার জন্য আবেদন করার প্রক্রিয়া বেশ কিছু ধাপ ও ডকুমেন্টেশনের প্রয়োজন হয়। ফ্রান্সের ভিজিট ভিসা...
16/11/2024

বাংলাদেশ থেকে ফ্রান্সের ভিসার জন্য আবেদন করার প্রক্রিয়া বেশ কিছু ধাপ ও ডকুমেন্টেশনের প্রয়োজন হয়। ফ্রান্সের ভিজিট ভিসা (শেঞ্জেন ভিসা) ৯০ দিনের কম সময়ের জন্য ভ্রমণকারীদের জন্য হয়। নিচে বিস্তারিত প্রক্রিয়া তুলে ধরা হলো:

ধাপ ১: ভিসার ধরন নির্ধারণ
আপনার ভ্রমণের উদ্দেশ্য এবং সময়কাল অনুযায়ী, আপনি কোন ধরনের ভিসার জন্য আবেদন করবেন তা নির্ধারণ করুন। সাধারণত, ফ্রান্সের জন্য শেঞ্জেন ভিজিট ভিসা (শর্ট স্টে) পর্যটন, ব্যবসা, বা পরিবার ও বন্ধুদের সাথে দেখা করার জন্য হয়ে থাকে।

ধাপ ২: আবেদন ফর্ম পূরণ
ফ্রান্সের শেঞ্জেন ভিজিট ভিসার জন্য আবেদন ফর্ম পূরণ করতে হবে।

ধাপ ৩: প্রয়োজনীয় ডকুমেন্টস সংগ্রহ
নিম্নলিখিত ডকুমেন্টসগুলি সাধারণত ফ্রান্সের ভিজিট ভিসার জন্য প্রয়োজন হয়:

1. পাসপোর্ট: আপনার পাসপোর্টটি ভিসার আবেদন জমা দেওয়ার তারিখ থেকে কমপক্ষে তিন মাস পর পর্যন্ত বৈধ হতে হবে এবং এতে অন্তত দুটি খালি পৃষ্ঠা থাকতে হবে।

2. আবেদন ফর্ম: সম্পূর্ণ পূরণ করা এবং স্বাক্ষর করা শেঞ্জেন ভিসা আবেদন ফর্ম।

3. ফটো: সাম্প্রতিক পাসপোর্ট সাইজের ছবি (বায়োমেট্রিক ফটো)।

4. ফ্লাইট বুকিং: ফ্রান্সে আসা-যাওয়ার নিশ্চিত ফ্লাইট টিকেট।

5. হোটেল রিজার্ভেশন: ফ্রান্সে থাকার সময়কালীন হোটেল বুকিং বা থাকার ব্যবস্থা।

6. বীমা: ভ্রমণ স্বাস্থ্য বীমা, যা শেঞ্জেন অঞ্চলে আপনার পুরো থাকার সময়কালের জন্য অন্তত ৩০,০০০ ইউরো পর্যন্ত কভার করবে।

7. আর্থিক ক্ষমতার প্রমাণ: আপনার ভ্রমণ এবং ফ্রান্সে থাকার সময়কালের জন্য পর্যাপ্ত অর্থের প্রমাণ। এটি ব্যাংক স্টেটমেন্ট, চাকরির সার্টিফিকেট, বা স্পনসরশিপ লেটার হতে পারে।

8. কাভার লেটার: আপনার ভ্রমণের উদ্দেশ্য এবং বিস্তারিত বিবরণ সহ একটি চিঠি।

9. ভিসা ফি: নির্ধারিত ভিসা ফি জমা দেওয়া।

ধাপ ৪: ভিসা আবেদন জমা
ফ্রান্সের ভিসা আবেদন গ্রহণের জন্য নির্ধারিত ভিসা আবেদন কেন্দ্র (VFS Global) বা ফ্রান্সের দূতাবাসে ভিসা আবেদন জমা দিতে হবে। VFS Global বাংলাদেশের বিভিন্ন স্থানে অবস্থিত।

ধাপ ৫: বায়োমেট্রিক তথ্য প্রদান
ভিসা আবেদন জমা দেওয়ার সময়, আপনাকে আপনার বায়োমেট্রিক তথ্য (ফিঙ্গারপ্রিন্ট এবং ছবি) প্রদান করতে হবে।

ধাপ ৬: সাক্ষাৎকার
কিছু ক্ষেত্রে, ভিসা অফিসার সাক্ষাৎকারের জন্য আপনাকে ডাকতে পারেন। এই সময় আপনার ভ্রমণের উদ্দেশ্য এবং অন্যান্য প্রাসঙ্গিক তথ্য সম্পর্কে প্রশ্ন করা হতে পারে।

ধাপ ৭: ভিসা প্রসেসিং সময়
ভিসা আবেদন জমা দেওয়ার পর সাধারণত ১৫ কার্যদিবসের মধ্যে ফলাফল জানা যায়। তবে, কিছু ক্ষেত্রে এটি আরও বেশি সময় নিতে পারে।

ধাপ ৮: পাসপোর্ট সংগ্রহ
ভিসা অনুমোদিত হলে, আপনাকে ভিসা স্ট্যাম্প করা পাসপোর্ট সংগ্রহ করতে হবে। আপনি VFS Global বা দূতাবাস থেকে এটি সংগ্রহ করতে পারেন।

21/11/2023

ব্রেকিং নিউজ
ঢাকা-কক্সবাজার রুটে ট্রেনের টিকিট বিক্রি বৃহস্পতিবার থেকে 😍

সূত্র: Independent tv

Wishing a Happy Bijoya to all.
24/10/2023

Wishing a Happy Bijoya to all.


দেশ ও দেশের বাইরে আমাদের সকল শুভানুধ্যায়ীদের জানাই জন্মাষ্টমীর প্রীতি ও শুভেচ্ছা।শুভ জন্মাষ্টমীB.R Travels & Tickets   ...
06/09/2023

দেশ ও দেশের বাইরে আমাদের সকল শুভানুধ্যায়ীদের জানাই জন্মাষ্টমীর প্রীতি ও শুভেচ্ছা।
শুভ জন্মাষ্টমী

B.R Travels & Tickets

বাংলাদেশের অর্জন আগামী ৭ই অক্টোবর ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল উদ্বোধনের মধ্য দিয়ে আরো এ...
26/08/2023

বাংলাদেশের অর্জন আগামী ৭ই অক্টোবর ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল উদ্বোধনের মধ্য দিয়ে আরো একধাপ এগিয়ে যাবে বাংলাদেশ।
এরি মধ্যে তৃতীয় টার্মিনালকে কেন্দ্র করে ঢাকা থেকে বিশ্বের ৩১ টি নতুন এয়ারলাইন্স তাদের ফ্লাইট পরিচালনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ।

1. Lufthansa Airlines ( Germany)
2. ITA Airways ( Italy)
3. Swiss Air ( Switzerland)
4. virgin Atlantic ( UK)
5. British Airline ( UK)
6.American Airlines ( USA)
7. Cyprus Air ( Cyprus)
8. Finn Air ( Finland)
9. Royal Brunei Air ( Brunei)
10. Japan Airlines ( Japan)
11. Korean Air ( South Korea)
12. Azur Air ( Russia)
13.Air Canada ( Canada)
14. ANA air ( Japan)
15.Qantas Airlines ( Australia)
16. Spirit of Australia Airlines ( Australia)
17.Air France ( France)
18. United Air ( USA)
20.Alaska Air ( Alaska)
European Airlines list
21. Wiss air ( Hungary)
22.KLM ( Netherlands)
23.Pegasus Airlines
24. Eurowings Airlines
25.EsyJet
26.LOT polish Airlines ( Poland)
27.Danish Air ( Denmark)
28. Greece Air ( Greece)
29. Austrian Airlines ( Austria)
30. TAROM Air ( Romania)
31.SAS Airlines ( Sweden)

বিশ্বের সকল বিমানের মিলনমেলায় পরিনত হবে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর।
বাংলাদেশের অর্থনিতি এগিয়ে যাবে প্রায় ৩৭% ।

ডিজিটাল ব্যাংক করতে চায় ৫২ প্রতিষ্ঠান।অর্থনীতিটিবিএস রিপোর্ট20 August, 2023, 03:45 pmডিজিটাল ব্যাংকের কোনো শাখা, উপশাখা...
20/08/2023

ডিজিটাল ব্যাংক করতে চায় ৫২ প্রতিষ্ঠান।
অর্থনীতি
টিবিএস রিপোর্ট
20 August, 2023, 03:45 pm

ডিজিটাল ব্যাংকের কোনো শাখা, উপশাখা, এটিএম বুথ বা কোনো স্থাপনা থাকবে না। মোবাইল বা অ্যাপ ব্যবহার করে গ্রাহকরা লেনদেন করতে পারবেন। তাদের সশরীরে ব্যাংকের কোনো শাখায় যেতে হবে না।

নতুন ধারার 'ডিজিটাল ব্যাংক' করতে আবেদন করেছে দেশি-বিদেশি ৫২টি প্রতিষ্ঠান। এর মধ্যে আছে বাণিজ্যিক ব্যাংক, মোবাইল আর্থিক সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান (এমএফএস), রাইড শেয়ারিং, ফুড ডেলিভারি, তথ্য প্রযুক্তি সেবাদানকারী, ওষুধ কোম্পানির মতো দেশি ও বহুজা‌তিক প্রতিষ্ঠান।

প্রতিষ্ঠানগুলো লাইসেন্স পেতে কেউ এককভাবে আবেদন করেছে, আবার যৌথ উদ্যোগও আছে।

রোববার (২০ আগস্ট) এ বিষয়ে জানতে চাইলে বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র মো. মেজবাউল হক বলেন, "ডিজিটাল ব্যাংকের ওয়েব পোর্টাল খোলা হয়। নির্ধা‌রিত সম‌য়ে ৫২টি প্রতিষ্ঠান আবেদন করেছে। এটা আমা‌দের প্রত্যাশার চে‌য়ে বে‌শি। এসব আ‌বেদন যাচাই-বাছাই ক‌রা হ‌বে। ‌ নীতিমালা অনুযায়ী শর্ত মেনে যারা আবেদন করেছে এবং যেগুলো যোগ্য হবে তাদের লাইসেন্সের জন্য এলওআই (লেটার অব ইন্টেন্ট) দে‌বে কেন্দ্রীয় ব্যাং‌কের বোর্ড।"

শাখা, উপশাখা, এটিএম বুথ ছাড়াই পুরোপুরি প্রযুক্তি নির্ভর চলবে 'ডিজিটাল ব্যাংক'। থাকবে না সশরীরে লেনদেনের কোনো ব্যবস্থা।

ডিজিটাল ব্যাংকিংয়ে ঝুঁকছে সবাই, বড় পরিবর্তন আসছে প্রথাগত ব্যাংকিংয়ে
গতানুগতিক পদ্ধতিতে কাগুজে নথি জমা দিয়ে নয়, ডিজিটাল পদ্ধতিতেই ডিজিটাল ব্যাংকের জন্য আবেদন করতে হবে। অর্থাৎ প্রয়োজনীয় সব নথিপত্র ডিজিটাল উপায়েই জমা দিতে হবে। আবেদন ফি হবে পাঁচ লাখ টাকা, যা অফেরতযোগ্য।

এই ব্যাংকের লাইসেন্সের জন্য লাগবে ১২৫ কোটি টাকা, পরিচালক হতে লাগবে কমপক্ষে ৫০ লাখ টাকা। নতুন ধারার এ ব্যাংক চালু করতে আগ্রহীদের আবেদন নিতে নতুন ওয়েব পোর্টাল খোলে বাংলাদেশ ব্যাংক।

এর আগে গত ১৪ জুন বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ 'ডিজিটাল ব্যাংক' চালুর অনুমোদন দেয়। ১৫ জুন এ বিষয়ে নীতিমালা জারি করে। এরই ধারাবাহিকতায় 'ডিজিটাল ব্যাংক'- এর জন্য অনলাইনে আবেদন জমা দিতে গত ২১ জুন একটি ওয়েব পোর্টাল চালু করে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। ১ আগস্টের মধ্যে আগ্রহীদের লাইসেন্সের জন্য আবেদন করতে বলা হয়। কিন্তু নির্ধারিত সময়ে কেউ আবেদন না করায় ১৭ আগস্ট পর্যন্ত আবেদনের সময় বাড়ানো হয়।

নীতিমালায় কেন্দ্রীয় ব্যাংক জানায়, ডিজিটাল ব্যাংকের কোনো শাখা, উপশাখা, এটিএম বুথ বা কোনো স্থাপনা থাকবে না। মোবাইল বা অ্যাপ ব্যবহার করে গ্রাহকরা লেনদেন করতে পারবেন। তাদের সশরীরে ব্যাংকের কোনো শাখায় যেতে হবে না। ব্যাংক কোম্পানি আইন ও নীতিমালা অনুযায়ী এ ব্যাংক চলবে।

নীতিমালায় আরোও বলা হয়, ডিজিটাল ব্যাংকের উদ্যোক্তাদের মূলধন সংরক্ষণ চুক্তি করতে হবে। কোনো ব্যাংক মূলধন ঘাটতিতে পড়লে তা উদ্যোক্তাদের জোগান দিতে হবে। ঋণখেলাপি কেউ ডিজিটাল ব্যাংকের উদ্যোক্তা হতে পারবেন না। এমনকি ডিজিটাল ব্যাংকের উদ্যোক্তাদের কারও বিরুদ্ধে ঋণখেলাপি সংক্রান্ত কোনো মামলা আদালতে চলমান থাকলে তারা আবেদন করার জন্য যোগ্য বলে বিবেচিত হবেন না।

ডিজিটাল ব্যাংক স্থাপনে ১২.৫ কোটি টাকা বিনিয়োগ করবে ব্যাংক এশিয়া
প্রসঙ্গত, দেশের বেসরকারি খাতের ১০ ব্যাংক মিলে ডিজিটাল ব্যাংক করার উদ্যোগ নিয়েছে। যার নাম দেয়া হয়েছে 'ডিজি ১০ ব্যাংক পিএলসি'। একসঙ্গে ১০ ব্যাংক মিলে এ ধরনের উদ্যোগ দেশে এখন পর্যন্ত এটিই প্রথম। ব্যাংকগুলো হচ্ছে- সিটি ব্যাংক, মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক (এমটিবি), ইস্টার্ন ব্যাংক লিমিটেড (ইবিএল), ডাচ-বাংলা ব্যাংক লিমিটেড (ডিবিবিএল), ট্রাস্ট ব্যাংক, প্রাইম ব্যাংক, পূবালী ব্যাংক, ন্যাশনাল ক্রেডিট অ্যান্ড কমার্স ব্যাংক (এনসিসিবি), মার্কেন্টাইল ব্যাংক ও মিডল্যান্ড ব্যাংক।

রাষ্ট্রায়ত্ত চারটি ব্যাংক মিলেও ডিজিটাল ব্যাংক করতে চায়। এগুলো হলো- সোনালী, অগ্রণী, জনতা ও রূপালী।

এছাড়াও ডিজিটাল ব্যাংকের জন্য আবেদন করেছে মোবাইলের আর্থিক সেবাদাতা (এমএফএস) প্রতিষ্ঠান 'নগদ', 'বিকাশ' ও মোবাইল অপারেটর কোম্পানি 'বাংলালিংক', রাইড শেয়া‌রিং 'পাঠাও'।

যতদিন রবে পদ্মা যমুনাগৌরী মেঘনা বহমানততদিন রবে কীর্তি তোমার,শেখ মুজিবুর রহমান!দিকে দিকে আজ অশ্রুগঙ্গারক্তগঙ্গা বহমানতবু ...
14/08/2023

যতদিন রবে পদ্মা যমুনা
গৌরী মেঘনা বহমান
ততদিন রবে কীর্তি তোমার,
শেখ মুজিবুর রহমান!
দিকে দিকে আজ অশ্রুগঙ্গা
রক্তগঙ্গা বহমান
তবু নাই ভয়, হবে হবে জয়,
জয় মুজিবুর রহমান!

১৫ ই আগস্ট
জাতীয় শোক দিবসে,
বিনম্র শ্রদ্ধা জানাই ।


আগামী তিন অক্টোবর উদ্বোধন হতে যাচ্ছে শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের অত্যাধুনিক থার্ড টার্মিনাল। পরিচালনার দায়িত্ব জাপ...
03/08/2023

আগামী তিন অক্টোবর উদ্বোধন হতে যাচ্ছে শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের অত্যাধুনিক থার্ড টার্মিনাল। পরিচালনার দায়িত্ব জাপান কে দেয়া নি:স্বন্দেহে সময়ের সেরা সিদ্ধান্ত।


শাহজালাল বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল-উদ্বোধন অক্টোবরে-বছরে সেবা পাবেন ১ কোটি যাত্রী .
03/08/2023

শাহজালাল বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল

-উদ্বোধন অক্টোবরে
-বছরে সেবা পাবেন ১ কোটি যাত্রী

.

লালমন্দির, শোভাবাজার=================ভাবছেন রাস্তায় মাঝে মন্দির করা হয়েছে, আজ্ঞে না, তা হয়নি। বরং মন্দিরের দুই পাশ দিয়ে ...
27/06/2023

লালমন্দির, শোভাবাজার
=================

ভাবছেন রাস্তায় মাঝে মন্দির করা হয়েছে, আজ্ঞে না, তা হয়নি। বরং মন্দিরের দুই পাশ দিয়ে রাস্তা হয়েছে। যখন মন্দিরটি তৈরী হয়েছিল, আজকের এই রাস্তা তখন তৈরী হয়নি। তখন যতীন্দ্রমোহন এভিনিউ বা গিরিশ এভিনিউ ছিল না।

কেউ কেউ বলেন, যখন রাস্তা তৈরি হচ্ছিল, মন্দিরটা ভাঙ্গার চেষ্টা হয়েছিল। কিন্তু সেই সময় রাস্তা তৈরীর কাজে কর্মরত কিছু লোকের মৃত্যু হয়। বাকীরা তখন মন্দির ভাঙতে নারাজ হয়। পুরানো দিনের মানুষদের কাছে শোনা যায়, ইংরেজরা রাস্তা তৈরী করার সময়ে যে কোনো কারণেই হোক মন্দিরটি অক্ষত রেখেই রাস্তা তৈরী করে। সম্ভবত এই কারণেই...

আবার কেউ বলেন যখন রাস্তা তৈরী হয় যে ইঞ্জিনিয়ার এটি ভাঙার চেষ্টা করেন তিনি মারা যান। এরপর যারা চেষ্টা করেন তারাই মারা যান। এইভাবে ৩ জন ইঞ্জিনিয়ার মারা যায়। তখন কর্পোরেশন থেকে ঠিক করা হয়, মন্দিরটি রেখে দেওয়া হবে।

শোনা যায় পরবর্তীকালে গভর্মেন্ট একবার প্রস্তাব দিয়েছিলো যে লাল মন্দির না সরিয়ে যদি রাস্তাটাকেই সরানো যায়, কিন্তু সেটাও পাশ হয়নি। আর একবার বলা হয়েছিল একটা ওভার ব্রিজ যদি লাল মন্দিরের ওপর দিয়ে করা যায়, কিন্তু শোনা যায় যতবার হয়েছে মায়ের কৃপায় ভেঙে পরে গেছে বা ঝড়ে উড়ে গেছে। (প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, নতুন রাস্তা তৈরির পর গনেশ চন্দ্র এভিনিউ ক্রসিং থেকে ভূপেন বোস এভিনিউ ক্রসিং পর্যন্ত সেন্ট্রাল এভিনিউ নামকরণ হয়। এই সেন্ট্রাল এ্যভিনিউ নামকরণের বহু আগে এই রাস্তার নাম ছিল মহারাজা স্যার নরেন্দ্র কৃষ্ণ দেব স্ট্রীট।

CIT যখন সেন্ট্রাল এভিনিউ সম্প্রসারণ করে, তখন এই মন্দির না ভেঙ্গে যেমনটি ছিল তেমনটি-ই রাখা হয় এবং দুদিকে রাস্তা বার করে। যেমন গিরিশ ঘোষের বাড়ির দুদিকে রাস্তা বার করে বাড়ি টাকে অক্ষুণ্ণ রাখা হয়েছে (এই সময় রাস্তা তৈরির জন্য CIT বিডন স্ট্রিট থিয়েটার ভেঙে ফেলে)।

মেট্রো হবার সময়ও সরানোর কথা হয়েছিল মানুষ প্রতিবাদ করায় যা আজও একই স্থানে রয়ে গেছে।

বর্তমানে সেন্ট্রাল এভিনিউ রাস্তা দুভাগে ভাগ হয়ে নাম হয়েছে চিত্তরঞ্জন এভিনিউ ও যতীন্দ্র মোহন এভিনিউ। বর্তমানে মন্দিরটি যতীন্দ্র মোহন এভিনিউ-তে পড়ে। (তবে এখনও বহু মানুষ বলেন এটা সেন্ট্রাল এভিনিউ রাস্তার ওখানে। এটা তো বহুদিন অাগে চিত্তরঞ্জন এভিনিউ হয়ে গেছে।)

শোনা যায় যে এই মন্দিরটি দেবেদের বাড়ির মন্দির। নিচ দিয়ে রাজবাড়ী থেকে এই কালী মন্দির অবধি রাজবাড়ীর মেয়েদের জন্য সুড়ঙ্গ (টানেল) ছিল মন্দিরে যাওয়ার জন্য। ওনাদের গৃহ দেবতা কৃষ্ণ, তাই তিনি ঘরে থাকতেন আর ইনি বাড়ির পাশে মন্দিরে।
কেউ বলেন মন্দিরটি রাজা নবকৃষ্ণ দেব তৈরী করেছিলেন, আবার কেউ বলেন এটি রাজা কালীকৃষ্ণ দেব (শোভাবাজার রাজবাড়ীর ছোটোরাজা) তৈরী করেছিলেন। যেহেতু সুড়ঙ্গ পথ মন্দির অবধি রয়েছে, সেহেতু ধরে নেওয়া হয়, মন্দিরটি রাজবাড়ী থেকেই বানানো হয়েছিল।
মন্দিরটি বানানোর পেছনে যা গল্প শোনা যায় তা হলো, একদিন মধ্যরাতে কার্তিক নামের একজন লোক কালী প্রতিমা এনে রাজা নবকৃষ্ণ দেব বাহাদুরের রাজবাড়ীর কাছে পুজো করা শুরু করেন। রাজবাড়ীর সামনে এই পুজো করা রাজা মেনে নিতে পারেননি, তাই একদিন রাতে তাঁর দাড়োয়ানকে বলেন ওই পূজারী এবং তার সাথে তার কালী প্রতিমাকে দূরে ছুড়ে দিতে। (প্রসঙ্গত উল্লেখ্য রাজা নবকৃষ্ণ দেব কালী ভক্ত ছিলেন না, ইটা হবারও যথেষ্ট কারণ ছিল, ওই সময় কালী পুজো গৃহস্থে প্রচলন ছিলোনা। কালী পুজোয় বিশ্বাসী তান্ত্রিক গোষ্ঠীই শুধুমাত্র কালী আরাধনা করতো। যখন রানী রাসমণি মা কালী-কে গৃহস্থে পূজা করার জন্য স্থান দিয়েছিলেন তখন থেকে কালী পুজো গৃহস্থে স্থান পেয়েছিলো।) সেইদিন রাতে মা কালী রাজার স্বপ্নে আসেন এবং আদেশ করেন তাঁকে ওই পূজারী কার্তিক এবং তার প্রতিমাকে ওখানে ফিরিয়ে আনতে ও একটি মন্দির প্রতিষ্ঠা করতে। প্রথম দিকে এই মন্দিরটিকে স্থানীয় লোকেরা "ফেলা কার্তিকের মন্দির" নামে ডাকতো, কিন্তু পরবর্তীকালে এটি "লাল মন্দির" নামে পরিচিত হয়েছে।

এই মন্দিরের আসল বিশেষবত্বটা অনেক কম লোক জানেন, এখানে শ্রী বিষ্ণুর দশম অবতার শ্রী কল্কি দেবকে সমর্পিত। যেটা সাধারণত দেখা যায় না। একটি প্রস্তর অবয়বে দেখতে পাবেন মন্দিরে। (প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, ঠিক এরকম একটি মন্দির রাস্তার মাঝখানে পাবেন ঠিক এর অদূরে বি. কে. পাল পার্ক এর সামনে বি. কে. পাল এভিনিউ তে। তবে সেটি সাদা আর তুলনামূলক ছোটো।) (কল্কি অবতারের পুজো বিড়লা মন্দিরেও হয়। ওখানে তো ১০ অবতারের মন্দির আছে একসাথে।)

শোনা যায়, বিমল মিত্রের সাহেব বিবি গোলাম উপন্যাস সেন্ট্রাল এভিনিউ তৈরী হওয়ার গল্প থেকেই আখ্যায়িত। উপন্যাসটি সিনেমাতে দেখানো হলে সিনেমাতে একদম শেষে যে রাস্তার কথা বলা হয়েছে সেটা এই জায়গাটিতেই। এখানে সরকারদের বাড়ি ছিল যা ভেঙে রাস্তাটিকে আগে বাড়িয়ে নিয়ে যাওয়া হয় রাস্তা তৈরির সময়।.

তথ্যঃ সংগৃহীত

পুনশ্চঃ শোভাবাজার দেব বাড়ী থেকে # Narayan Deb এর কাছ থেকে প্রাপ্ত আরো কিছু তথ্যঃ
" মুর্তিটা আমাদের বাড়ির পুকুর থেকে পাওয়া গেছিল আর জমিটাও আমাদের ছিল।মন্দিরটি তৈরি হবার আগে থেকেই এই মুর্তির পূজা করতেন আমাদের বাড়ির তন্ত্রধারক ।

Address

39-40 Subash Bose Avenue, Luxmibazar, Sutrapur
Dhaka
1100

Opening Hours

Monday 09:00 - 19:00
Tuesday 09:00 - 19:00
Wednesday 09:00 - 19:00
Thursday 09:00 - 19:00
Saturday 09:00 - 19:00
Sunday 09:00 - 19:00

Telephone

+8801303846981

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when B.R Travels & Tickets posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to B.R Travels & Tickets:

Share