25/08/2026
নতুন বিধান অনুযায়ী বাংলাদেশ, ভারত, মিয়ানমার, পাকিস্তান ও নেপাল থেকে কর্মী নেওয়ার ক্ষেত্রে অবশ্যই নিবন্ধিত ও অনুমোদিত রিক্রুটিং এজেন্সি ব্যবহার করতে হবে। অননুমোদিত যেকোনো মাধ্যম ব্যবহার সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ এবং তা কঠোর শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে গণ্য করা হবে বলে মন্ত্রণালয় থেকে সতর্ক করা হয়েছে।
নিয়োগ প্রক্রিয়াটি সুনির্দিষ্ট কাঠামোর অধীনে আনতে নিয়োগকর্তাদের জন্য বাধ্যতামূলক ৮টি ধাপ নির্ধারণ করা হয়েছে। প্রথম ধাপে মালিকপক্ষকে শ্রম বিভাগের ধারা ৬০কে অনুসরণ করে ‘মাই ফিউচার জবস’ পোর্টালে চাকরির শূন্যপদের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করতে হবে। দ্বিতীয় ধাপে মানবসম্পদ মন্ত্রণালয়ের ‘এফডব্লিউসিএমএস’ পোর্টালে প্রয়োজনীয় নথি অনলাইন যাচাই ও সাক্ষাৎকারের মাধ্যমে কোটার চূড়ান্ত অনুমোদন নিতে হবে। এরপর তৃতীয় ও চতুর্থ ধাপে ইমিগ্রেশন ডিপার্টমেন্টের মাধ্যমে নির্ধারিত লেভি ও কর পরিশোধ সাপেক্ষে পোর্টাল থেকে শর্তসাপেক্ষ অনুমোদনপত্র সংগ্রহ করতে হবে।
পঞ্চম ধাপ থেকে শুরু হবে কর্মী প্রেরণকারী দেশগুলোর আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া। এ ধাপে সংশ্লিষ্ট দেশের মালয়েশীয় দূতাবাসে গিয়ে প্রয়োজনীয় নথি যাচাই ও সত্যায়ন করতে হবে। ষষ্ঠ ধাপে প্রেরক দেশগুলোর নির্ধারিত ও অনুমোদিত রিক্রুটিং এজেন্সির মাধ্যমে চূড়ান্ত কর্মী নির্বাচন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হবে।
সপ্তম ধাপে সফলভাবে নির্বাচিত কর্মীদের জন্য ‘এফডব্লিউসিএমএস’ পোর্টালে ‘ভিসা উইথ রেফারেন্স’ বা প্রবেশ ভিসার আবেদন প্রক্রিয়া পরিচালনা করা হবে। আর অষ্টম ও শেষ ধাপে, আইনি ছাড়পত্র প্রাপ্ত কর্মীরা নিরাপদে মালয়েশিয়ায় পৌঁছে নির্ধারিত কর্মস্থলে যোগ দিলেই পুরো নিয়োগ প্রক্রিয়ার সমাপ্তি ঘটবে।