H&H Holidays

H&H Holidays H&H Holidays provides In Bound and Out Bound Tour Operation Services from Bangladesh to around the g We offer the cheapest price in the country.

N&H Holidays offers Package Tours, Hotel Booking, Air Ticket, Guide Service, Visa Assistance and so on for making your Holiday enjoyable and memorable. You'll get one stop service for your travel related any assistance from our office. To learn more please visit our office.

20/09/2019

== বিদেশে পড়ালেখাঃ জাষ্ট ওয়ান চান্স ==

অনেকেই বিদেশে স্কলারশীপ নিয়ে পড়ালেখা করতে যেতে চায়। কারো ভাগ্যে হয় আবার কারো হয় না ।

যদি কেউ জীবনে একটা স্কলারশীপের জন্য আবেদন করতে পারে তাহলে সে অনেক কিছু শিখতে পারে। আর লেগে থাকলে একসময় একটা ভালো স্কলারশীপ হবেই হবে !!!

যেমন, জীবনের প্রথম জাপানে এক বছরের একটা ফেলোশীপের আবেদন করেছিলাম ।

দেখা যাক কি কি লেগেছিলঃ

(১) একটা স্কলারশীপের খবর জেনেছিলামে আর একজন প্রফেসার ম্যানেজ করেছিলাম।

(২) সব সার্টিফিকেট ইংরেজিতে উঠাতে হয়েছিল ।

(৩) স্কলারশীপের জন্য একটা আবেদন ফর্ম পূরণ করা লেগেছিল ।

(৪) মেডিক্যাল সার্টিফিকেটের জন্য একজন ডাক্তারের কাছে গিয়েছিলাম ।

(৫) একটা ইংলিশ সার্টিফিকেট লেগেছিল ।

(৬) একটা রিসার্চ প্লান লিখতে হয়েছিল ।

(৭) রিকমেনডেশন লেটার নিতে হয়েছিল ।

(৮) তারপর সেটা কুরিয়ার সার্ভিসে জাপানে পাঠিয়েছিলাম ।

এই ধাপগুলো অতিক্রম ছিল কঠিন সেই সময়ে।

আবেদন করার পর থেকে শুরু হবে ভাগ্যের খেলা !!! এবার আপনাকে অপেক্ষা করতে হবে নিয়তির সিদ্ধান্তের উপর ।

দেখবেন আপনি কি সৌভাগ্যবান নাকি অন্যকিছু !!!!

এই অধমকে বরাবরই ভাগ্য একটু বেশী ফেভার করে !!! একদিন একটা বড় ইনভেলাপ আসল আমার ঠিকানায়। আমি পাগল হয়ে গেলাম সেই মুহুর্তে !!!ইনভেলাপে ছিল ভিসার জন্য প্রয়োজনীয় সব কাগজপত্র !!!

এবার নতুন জীবন শুরু । জাপান এম্বেসীতে আসা যাওয়া । ভিসার আবেদন করাও একটা ভাগ্যের বিষয় ।

একদিন ভিসা হয়ে গেল । তারপর অধীর আগ্রহ কোন এয়ারলাইনস এ যাবো জাপানে ।

এয়ার টিকেট চলে আসল । একটা পয়সাও দেয়া লাগল না অথচ দাম লেখা ১২ শত ডলার, ওয়ান ওয়ের টিকেট ।

ঢাকা থেকে ব্যাংকক, থাই এয়ারে তারপর ব্যাংকক থেকে নারিতা (টোকিও বিমানবন্দরের নাম), জাল মানে JAL, Japan Airlines । অসাধারণ !!!

বিমান সঠিক সময়েই পৌছে ছিল তবে জীবন করে দিয়েছিল এলোমেলো !!! টোকিও যেয়েই পেয়েছিলাম ৮০ হাজার ইয়েনের এক ইনভেলাপ !!! জীবনের প্রথম এত টাকা আমার হাতে !!! আমার স্কলারশীপের টাকা !!! আমার ভাগ্য !!!

আমার দুঃখ, আমার কষ্টকে উড়িয়ে নিয়ে গেল !!!

তারপর ?

তার আর পর নাই আমার জীবনে !!!! নাই কোন ঠিকানা !!! চলে এলাম অন্য দুনিয়ায় !!! এই পৃথিবীর এক পথিক হয়ে গেলাম !!!

টোকিও-লন্ডন-মনট্রিয়াল-ভ্যাংকুভার-ক্যালিফোর্নিয়া-ঢাকা !!! গন্তব্য আজ অজানায় !!!

তাই প্রিয় বন্ধুদের বলবঃ জাষ্ট ওয়ান চান্স মানে শুধু মাত্র একটা সুযোগ !!! তারপর নতুন জীবন !!!

সবার ছুটি ভালো কাটুক ।

Ruhul Khan ভাই এর দেয়াল থেকে নেয়া।

Thailand is a good hub for bikers. Super bikes & Cars found at a cheap price to ride/drive. Feel free to contact us for ...
20/01/2018

Thailand is a good hub for bikers. Super bikes & Cars found at a cheap price to ride/drive. Feel free to contact us for driving your dream.

বাংলাদেশর সর্ব দক্ষিণের জেলা ভোলার অধিকাংশ অংশ নিয়ে কুকরির অবস্থান।কুকরিমুকড়ি ইউনিয়নের একটি অংশ হল, চর কুকরিমুকড়ি।আর সো...
27/08/2017

বাংলাদেশর সর্ব দক্ষিণের জেলা ভোলার অধিকাংশ অংশ নিয়ে কুকরির অবস্থান।কুকরিমুকড়ি ইউনিয়নের একটি অংশ হল, চর কুকরিমুকড়ি।আর সোনার চর কে বলা হয় লনলি আইল্যান্ড’ (lonely island) ।আর তারুয়া সমুদ্র সৈকতে ভ্রমনকারীরা একই সঙ্গে উপভোগ করতে পারেন বিশাল সমুদ্রের বিস্তীর্ণ জলরাশি, নানা ধরনের পাখিদের কল-কাকলি, বালুকাময় মরুপথ ও ম্যানগ্রোভ বনাঞ্চলের ছায়াঘন মনকাড়া নিবিঢ় পরিবেশ সাথে বৈচিত্রময় প্রাণী আর সাগরের উত্তাল গর্জন।
কুইন আইসল্যান্ড অফ বাংলাদেশ (চর কুকরিমুকড়ি, তারুয়া সমুদ্র সৈকত, ঢালচর পশ্চিম, সোনার) – H&H Holidays এর সাথে।
দিন- ০০
ঢাকা থেকে লঞ্চে চর-ফ্যাশনের উদ্দেশ্যে আমাদের যাত্রা শুরু হবে ২৮শে সেপ্টেম্বর, ২০১৭ সন্ধ্যা ৭টায় ডেক অথবা কেবিনে।

প্রথম দিন (২৯শে সেপ্টেম্বর,২০১৭ ) :- সকালে চর-ফ্যাশন পৌছে সকালের নাস্তা করে লেগুনায় কসিভা ঘাট এর উদ্দেশ্যে রওনা দিবো। কসিভা পৌছে লঞ্চে করে আমরা পৌছে যাব চরকুকরিমুকড়িতে।সেখানের হোটেলে ফ্রেস হয়ে, আমরা দুপুরের খাবার খেয়ে নিব । এরপর আমরা ঘুরতে বের হব সোনারচর ও তারুয়া সৈকতে।রাতের খাবার(বার বি কিউ)চরকুকরিমুকড়িতে এবং কুকরি রেষ্ট হাউজে’ রাতে অবস্থান।

দ্বিতীয় দিন (৩০শে সেপ্টেম্বর,২০১৭ ) :- সকালের নাস্তা খেয়ে আমরা ‘ঢালচর’ উদ্দেশ্যে রওনা দিবো ফিরার পথে আমরা ঘুরে দেখব চরকুকরির নারিকেল বাগান। দুপুরে খাবো চর-ফ্যাশনের জনপ্রিয় ‘কুকরি রেস্টুরেন্টে’। বেতুয়া রিভার সাইড ও জ্যাকব টাওয়ার দেখেনিব যা চর-ফ্যাশেনের অন্যতম দর্শনীয় স্থান। ঘুরাঘুরি শেষে বিকেল ৫ টায় লঞ্চে করে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা দিবো।

প্যাকেজ মূল্য ৪,৭০০/- (জনপ্রতি)
কেউ লঞ্চের কেবিনে যেতে চাইলে ডাবল কেবিন’(২২০০টাকা) এর ভাড়া যোগ হবে।
বুকিং মানিঃ ৩,০০০ টাকা (জনপ্রতি)
বুকিং শেষ সময়: ২৫শে সেপ্টেম্বর,২০১৭

বুকিং মানি জমা দেওয়ার পদ্ধতিঃ
১. সরাসরি অফিসে এসে বুকিং মানি জমা দেয়া যাবে।
২. বিকাশ করা যাবে
৩. সরাসরি ব্যাংক ডিপোজিট করে বুকিং করা যাবে।

বুকিং এর জন্য কল করন :01711442684, 01952149747

প্যাকেজের অন্তর্ভূক্ত-
# তিনটি ডিনার, দুইটি লাঞ্চ ও দুইটি ব্রেকফাস্ট
#ঢাকা থেকে লঞ্চের ডেকে/কেবিনে যাতায়াত
# রিজার্ভ ট্রলার/স্পিডবোট
# চাহিদা মোতাবেক হোটেল রুম (স্ট্যান্ডার্ড হোটেল)
# লাইফ জ্যাকেট

Visit Singapore with H&H Holidays' transfixed package for 4 days 3 Nights @ 49,000/- only
27/08/2017

Visit Singapore with H&H Holidays' transfixed package for 4 days 3 Nights @ 49,000/- only

Royal Bengal Tiger! The cop of jungle....
23/08/2017

Royal Bengal Tiger! The cop of jungle....

মালেশিয়ায়তে জরুরী নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিঃ খরচ ভিসার পরে দেওয়ার সুযোগ রয়েছে।সম্পূর্ন নতুন নিয়মে এবং নতুন পদ্ধতিতে সল্প খরচে অল্...
21/08/2017

মালেশিয়ায়তে জরুরী নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিঃ

খরচ ভিসার পরে দেওয়ার সুযোগ রয়েছে।
সম্পূর্ন নতুন নিয়মে এবং নতুন পদ্ধতিতে সল্প খরচে অল্প সময়ের মধ্যে ১০০% বৈধ ভাবে দ্রুত যারা মালেশিয়ায় চাকরির জন্য যেতে চান তারা অতি শিগ্রহী আমাদের সাথে যোগাযোগ করতে পারেন । আমাদের কাছে যে সব কাজ রয়েছে তা নিচে উল্ল্যেখ করা হল :

কাজের ধরন :
১।হোটল রিসিপশনিস্ট (বেতন: ১৬০০ রিঙ্গিত+ওভার টাইম)
২।ওয়েটার (বেতন: ১৪০০ রিঙ্গিত+ওভার টাইম)
৩।ডিশওয়াসার (বেতন: ১৪০০ রিঙ্গিত+ওভার টাইম)
৪।রুম বয় (বেতন: ১৪০০ রিঙ্গিত+ওভার টাইম)
৫।বেল বয় (বেতন: ১৪০০ রিঙ্গিত+ওভার টাইম)
৬।কিচেন স্টাফ (বেতন: ১৪০০ রিঙ্গিত+ওভার টাইম)
৭। সাধারন নার্সারী ( বেতন : ১০০০ রিঙ্গিত+ওভার টাইম)
৮।পামওয়েল ( বেতন : ১০০০ রিঙ্গিত+ওভার টাইম )
৯। কৃষি কাজ ( বেতন : ১০০০ রিঙ্গিত+ওভার টাইম )
কন্ট্রাক্ট প্রিয়ড : তিন বছর
বাড়ি ভাড়া : ফ্রি
খাবার : ফ্রি
যাতায়াত : ফ্রি
মেডিকেল : ফ্রি
ওভার টাইম : মালেশিয়া সরকারের শ্রম আইন অনুযায়ী সুযোগ আছে
ওয়ার্কিং ডে : সপ্তাহে ৬ দিন
ওয়ার্কিং ঘন্টা : প্রতি দিন ০৮ ঘন্টা + ওভার টাইম
প্রয়োজনিয় কাগজ পত্রঃ
১. পাসপোর্ট , নূন্যতম ০১ বছর মেয়াদ থাকতে হবে
2. ৮ কপি ছবি (35mm / 45mm – white Background , Lab Print )
অন্যান্যঃ
 বয়সঃ ১৮ থেকে ৪৫ বছর
অন্যান্য সুবিধা :-
মালেশিয়া যাওয়ার পর সর্বক্ষনক সহযোগিতা । এয়ারপোর্ট পিকআপ । কোম্পানির মাধ্যমে ভিসা নবায়ন ও মেডিকেল চেকআপ ফ্রি ।
 যারা আগে মালেশিয়া থেকে আসছেন আবার যেতে চাইছেন তাদের জন্য আছে সুবর্ন সুযোগ ।
 আমরা বিশ্বের সকল দেশের বিমান টিকেট , ট্যুর প্যাকেজ ও হোটেল বুকিং করে থাকি !
 এছাড়া ও আমরা বিদেশে কাজের দক্ষতা বাড়ানোর উদ্দেশ্যে উন্নত ট্রেনিং এর ব্যাবস্থা করে থাকি !
> আগ্রহী প্রাথিরা অতি সত্তর যোগাযোগ করুন।আবেদনের শেষ তারিখঃ যত দ্রুত সম্ভব, আসন সংখ্যা সীমিত।
> প্রত্যেক আগ্রহী প্রার্থীদেরকে প্রবাসী কল্যান ব্যাংক, জনতা ব্যাংক, এবং সোনালী ব্যাংক থেকে লোন নেয়ার ব্যাপারে সহযোগিতা করা হবে।
বিস্তারিত জানতে আমাদের অফিস ভিজিট করুন:

এমন কিছু ব্যাপার যাকে চাইলেই খুব সহজেই বিশেষায়িত করা যায় না।সুন্দরবনে বাঘ দেখার অভিজ্ঞতাটা ঠিক তেমনই একটা ঘটনা। একটু ধা...
21/08/2017

এমন কিছু ব্যাপার যাকে চাইলেই খুব সহজেই বিশেষায়িত করা যায় না।
সুন্দরবনে বাঘ দেখার অভিজ্ঞতাটা ঠিক তেমনই একটা ঘটনা।
একটু ধারনা দেই...

সুন্দরবন ট্যুর আমাদের দেশের অন্যান্য এলাকার ট্যুর গুলোর চাইতে তুলনামূলক কিছুটা ব্যয়বহুল এবং সময়সাপেক্ষ। তাই খুব কম মানুষের সুযোগ হয় সেখানে একাধিকবার যাবার। সুন্দরবনে যাবার আগে মোটামুটি ৯০% পর্যটকের ধারনা এমন থাকে যে সুন্দরবনে গেলেই বাঘ দেখা যাবে। কিন্তু আসল ঘটনা পুরোপুরি ভিন্ন। আমি এমন অনেককেই জানি যারা, বনবিভাগে চাকুরির সুবাধে সুন্দরবনে থাকেন কিংবা পর্যটন ব্যাবসার সাথে জড়িত, যারা কয়েকশ বার সুন্দর বন গিয়েছেন কিন্তু কখনও বাঘের দেখা পান নাই। আমিতো এমন একজন পর্যটককেই চিনি যিনি শুধুমাত্র বাঘ দেখার জন্য এখন পর্যন্ত ১৫০ বারের উপর সুন্দরবন গিয়েছেন কিন্তু আজ পর্যন্ত ফলাফল “শুন্য”।
তাহলে কি সুন্দরবনে রয়েল বেঙ্গল টাইগার নেই? তাহলে ওখানে গিয়ে মানুষ কি দেখে? সবই কি তাহলে মিডিয়ার সৃষ্টি?
নারে ভাই, সবই আছে, তবে তার নিজের যায়গায়। সুন্দরবনে প্রচুর পরিমাণে গোলপাতা, সুন্দরী, গেওয়া, গরান এবং কেওড়া গাছের পাশাপাশি হরিন, বানর, কুমির, শূকর, ভোদর, গুইসাপ, ডলফিন, আজগর, অসংখ্য প্রজাতির পাখি ইত্যাদি হরহামেশাই দেখতে পাওয়া যায়। তবে সমস্যা হচ্ছে রয়েল বেঙ্গল টাইগারকে নিয়ে। ওনার দর্শন পাওয়ার সৌভাগ্য/ দুর্ভাগ্য প্রতি ১০,০০০ জনের মধ্যে ১ জন পর্যটকের কপালে থাকে। আর বাকি ৯৯৯৯ জন বাঘের পায়ের ছাপ আর শিকাড় করে ফেলে যাওয়া সামান্য কিছু নিদর্শনের দর্শন নিয়েই সন্তুষ্ট থাকেন।
সুন্দরবনটা আমাদের আগে যেকোন বন থেকে অনেকটাই ভিন্ন। প্রচন্ড ঘন। নদী বা খালের উপর দিয়ে চলার সময় আপনি সবসময়ই পাড়ের প্রথম সারির গাছ গুলোকে দেখবেন। এর পরের গাছগুলো দেখা প্রায় অসম্ভব। আর গাছগুলোর মাঝের ফাকা গুলোকে গুহার মত দেখায়। দিনের বেলাতেও এই গুহাগুলো গাঢ় অন্ধকারে ঢেকে থাকে। প্রতিটি গুহাগুলোকে প্রচণ্ড রহস্যময় লাগে। চোখ খোলা রাখতে হয় এ সব জায়গায় যে কোন কিছুই থাকতে পারে। পুরোটা বন প্রচণ্ড নিস্তব্ধ। ভয়ঙ্কর নিস্তব্ধ। চলমান জাহাজের মৃদু আওয়াজ আর পাখির কলতান ব্যাতিত অন্য আওয়াজ খুবই বেমানান লাগে। এই পরিবেশে যে কেউ নিজে থেকেই সতর্ক আর নিশ্চুপ হয়ে যায়। আর হঠাৎ হঠাৎ জঙ্গল ফুড়ে বের হয়ে আসা বিভিন্ন প্রানীগুলো আপনার উত্তেজনা বাড়িয়ে দেবে।
আগের সবই ছিল আপনার প্রস্তুতি মূলক আয়োজন। এবার যখন আপনি ডাঙ্গায় নামছেন তার কিছুক্ষনের মদ্ধ্যেই আপনি উপলব্ধি করবেন যে আপনি এতোদিন যে বাঘটাকে বন্দি দেখেছেন আপনার এলাকায়। এখন ঠিক সেই বাঘটাকে দেখবেন তার বাড়িতে স্বাধীন অবস্থায়। আর তার নাম রয়েল বেঙ্গল টাইগার। এই বনের রাজা সে। তার হুঙ্কারে প্রানীরা দিক-বেদিক দৌড় দিতে গিয়ে গাছে বাড়ি খেয়ে নিজে নিজে আহত হয়, গাছের উপরের বানরা চেতনা হারিয়ে মাটিতে পড়ে। এই আওয়াজ শুনতে পাওয়া যায় বনের ৩ কিমি এলাকা জুড়ে। সে শুকনো পাতার উপর দিয়েও চলাফেরা করে পুরোপুরি নিঃশব্দে, তার গায়ের রঙ তাকে অদৃশ্য করে রাখে বনের যেকোন যায়গায়। সে হিংস্র এবং খুনি। সে ভয়ংকর থেকে ভয়ংকরতম রূপ ধারন করে যখন সে ক্ষুদার্থ। তার নরম মাংসল থাবার ভেতর লুকিয়ে রাখে অনেকগুলো ধারাল নখ। এক কামড়ে প্রান নেবার জন্য চারটা বিশেষ দাঁত তার চেহারায় হিংস্রতা প্রকাশ করে। সে আছে এখানেই, যেকোন স্থানে। আপনার সকল ইন্দ্রীয় সজাগ হয়ে যাবে তার ভয়ে। আপনার নিরাপত্তার জন্য থাকবে রাইফেলধারী বনরক্ষী। তারা সব সময় সতর্ক অবস্থায় থাকে। এরা বনে অনেক অভিজ্ঞ। সবসময় এদের সাথে সাথে থাকবেন এবং পরামর্শ শুনবেন। জানবেন বিপদ আসতে পারে যখন তখন। বনরক্ষী আর গাইডের পিছন পিছন সম্পুর্ন নিশ্চুপ থাকবেন। কথা বলবেন ইশারায়। তাহলে হরিন, বানর,শুকর সহ বেশ কিছু প্রানী কাছ থেকে নিশ্চিত দেখতে পারবেন। চলতে চলতে হঠাৎ বনরক্ষী দাড়িয়ে গিয়ে কিছু দেখার আর শোনার চেস্টা করতে পারে। ওই মুহূর্তে আপনার হার্টবিটের শব্দও আপনি শুনতে পারবেন। ভয় দেখানোর জন্য না, ওরা যা দেখতে আর শুনতে পায় আপনার-আমার মত শহুরে চোখ আর কান তা দেখতে পায় না। আর যার বাসায় এসেছেন সে আগুন্তক পছন্দ করে না। অতএব সাবধান। বনরক্ষী রয়েল বেঙ্গল টাইগারের পায়ের ছাপ দেখতে পেলে আপনাকেও দেখাবে। দেখুন আর ছবি তুলুন তবে সবই নিঃশব্দে।
এভাবে নিরাপদে একের পর এক স্পট আর বন্যপ্রানী দেখতে দেখতে যখন সন্ধ্যা হয়ে যাবে তখন সবাই জাহাজে ফিরে আসবেন। এর পর শুধু ভাববার পালা। কি দেখলাম আর কি দেখলাম না। যার বাড়িতে আসলাম তার সাথেই দেখা হল না! কেমন কথা?

মন খারাপ করার কিছু নেই। দেখা ঠিকই হয়েছে তবে একতরফা। এক জোড়া চোখ আপনাকে ঠিকই দেখেছে। এটা তার বন তার রাজ চলে এখানে। এখানে কে আসে কে যায় এর সবই তার লক্ষ্যের আওতায় থাকে। কিন্তু সে থাকে সব কিছুর আড়ালে। সে এত সস্তা নয় যে চাইলেই তার দেখা পাবেন। তাই আপনার আমন্ত্রন বা বিদায় নিয়ে সে খুব একটা চিন্তিত নয়। তবে যেহেতু আপনি তার বাড়ির অতিথি তাই সে বিনা কারনে কখনই আপনার ক্ষতি করবে না। এই বনের গাছগুলো যেমন তার বাড়ী, প্রানী গুলো যেমন তার খাবার। তেমনি এক গাছ আর প্রানীগুলোকেও রক্ষার দায়িত্বও হাজার হাজার বছর ধরে সে-ই বহন করে আসছে। সে অদৃশ্য থেকেই তার কাজ করে। কপাল খারাপ না হলে তার দেখা কেউ পায় না। তার ভয়েই দুষ্কৃতিকারীরা বনে ঢুকতে হাজার বার চিন্তা করে। সে-ই এই বনের প্রধান রক্ষাকর্তা। একারনেই সবাই তাকে এত সমীহ করে। যেদিন সুন্দরবন থেকে শেষ রয়েল বেঙ্গল টাইগারটি শেষ হবে সেদিন থেকে সুন্দরবনও পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে যাবে।

আপনি যখন সুন্দরবন থেকে ফিরে আসবেন তখন আপনি বুঝতে পারবেন কেন আমরা এই রাজকীয় ভয়ঙ্কর প্রানীটিকে এতো ভালোবাসি।
আবার যখন চিড়িয়াখানায় রয়েল বেঙ্গল টাইগারের খাঁচার সামনে যাবেন,গভীর ভাবে লক্ষ্য করে এই প্রাণীটিকে আরেকবার দেখবেন। এর সামনা সামনি দাঁড়িয়ে শুধু কল্পনা করবেন মাঝখানের গ্রীল গুলো নাই আর জায়গাটা জঙ্গলের ভিতরে। ওর চোখের দিকে তাকিয়ে আপনি যখন ভীত হয়ে চোখ সরিয়ে নেবেন, দেখবেন আপনার পাশে আরেকজন লম্বা মতন ছেলেও ঠিক ওর দিকে গভীর শ্রদ্ধা মিশ্রিত ভয় নিয়ে তাকিয়ে আছে।

সুন্দর বন ভ্রমন সব সময়ের জন্যই এক অসাধারন এক অভিজ্ঞতা আর যদি তা হয় H&H Holidays এর সাথে তবে তো সোনায় সোহাগা।  সুন্দরবন প...
06/08/2017

সুন্দর বন ভ্রমন সব সময়ের জন্যই এক অসাধারন এক অভিজ্ঞতা আর যদি তা হয় H&H Holidays এর সাথে তবে তো সোনায় সোহাগা।
সুন্দরবন পৃথিবীর সবচেয়ে বড় ম্যানগ্রোভ বন। এখানে আপনি পাবেন এক সাথে চারটি সৌন্দর্য্য ।
১) নৌ বিহার
২) ওয়াইল্ড লাইফ
৩) প্রকৃতি
৪) সাগর
বাংলাদেশের আর কোথাও নৌযানে করে তিনদিন ভ্রমনের সুযোগ নাই একমাত্র সুন্দরবন ছাড়া, আপনি এখানে সেই সুযোগ পাচ্ছেন সাথে বোনাস হিসাবে পাচ্ছেন প্রকৃতি,ওয়াইল্ড লাইফ, সুমুদ্র ।

নভেম্বর-ডিসেম্বর মাসে বা শীতকালে প্রকৃতি তার আসল রূপে ফিরে আসে, তাই এই সময় প্রকৃতি উপভোগ করার আসল সময়। শুধু তাই না এই সময় বনে পর্যটক এর সংখ্যাও থাকে কম আর সেই সুযোগে খুব কাছে থেকে বন্যপ্রানী দেখার এক অপূর্ব সুযোগ পাওয়া যায়। এমন কি এই সময় পৃথিবী বিখ্যাত রয়েল বেঙ্গল টাইগার ও দেখার সম্ভবনাও খুব বেশী।

এই সময় সুমুদ্রকে পাবেন আপনার মনের মত করে।

আর হ্যাঁ সুন্দরবনে আপনাদের জন্য থাকছে বিশেষ আকর্ষণ হিসাবে
বার- বি- কিউ নাইট।

আরও সাথে থাকছে অভিজ্ঞ গাইড।

আমাদের ভ্রমনের স্থানঃ
১ঃ হারবাড়িয়া
২ঃ কটকা জামতলা সী বিচ
৩ঃ টাইগার টিলা
৪ঃ কচিখালি
৫ঃ টাইগার পয়েন্ট
৬ঃ করমজল

ভ্রমনের সময়: ৩ দিন ২ রাত

আমাদের ভ্রমন তরীঃ
এম এল কটকা এক্সপ্রেস

আসন সংখ্যা ঃ ৪০ (প্রতি জাহাজ)

খাবারঃ
ওয়েলকাম ড্রিংকস সহ তিন বেলা খাবারের পাশাপাশি থাকছে দুই বেলা স্ন্যাকস এবং প্রতিবেলা খাবারে থাকবে ভিন্নতার ছোয়া। আরও থাকছে সবসময় চা/ কফির ব্যাবস্থা।

নিরাপত্তাঃ আপনাদের নিরাপত্তার জন্য বাংলাদেশ বনবিভাগ থেকে থাকবে দুই জন নিরাপত্তা কর্মী ।

ভ্রমনকালে যা যা সাথে বহন করবেনঃ
কেডস, ব্রাশ, পেস্ট, সানব্লক লোশন, রেইনকোট, ছাতা, টর্চ লাইট, পাওয়ার ব্যাঙ্ক, চার্জার ও প্রয়োজনীয় ওষুধ।

ট্যুরের বিস্তারিত :
খুলনার উদ্দেশ্যে আমাদের যাত্রা শুরু হবে নির্দিষ্ট্য রাতে নির্ধারিত বাস কাউন্টার/ট্রেন স্টেশন থেকে।

>>১ম দিন :
নির্ধারিত দিনে ঢাকা থেকে খুলনাগামী বাসে/ট্রেনে করে খুলনা শহরের রয়েল মোড়/রেল স্টেশন থেকে অটোরিক্সাতে করে ৫ মিনিটে জেলখানা ঘাটে সকাল ৭ টার মধ্যে পৌঁছানো। আপনাকে আমাদের ট্যুর গাইড রিসিভ করে ট্রলারে শীপে নিয়ে আসবে। তারপর ফ্রেশ হয়ে সকালের নাস্তা পরিবেশন। জাহাজ মংলা পোর্টে পৌঁছানোর পূর্বে রুপসা ব্রীজ, খুলনা শীপ ইর্য়াড ও রামপাল বিদ্যুৎ কেন্দ্র দেখা যাবে। দুপুর ১ টা থেকে ২:৩০ মিনিটের মধ্যে আমরা চাঁদপাই ফরেস্ট অফিস পৌছাবো। বন বিভাগের অনুমোদনপত্র ও গার্ড নিয়ে বিকাল ৩:৩০- ৪ টার মধ্যে হাড়বাড়িয়ায় পৌছানো যেখানে বন বিভাগের ইকো ট্যুরিজম স্পট দেখতে পাওয়া যাবে। এরপর বনের ভিতর দিয়ে ছোট ছোট ক্যানেল পার হয়ে কটকার উদ্দেশ্যে রওনা হয়ে রাত ১ টায় পৌছানো এবং রাতে জাহাজে অবস্থান।

>> ২য় দিন :
ভোরে ট্রলারে করে কটকার আশেপাশে ক্যানেল ক্রুজিং। প্রাকৃতিক সৌন্দর্যকে গভীরভাবে উপলব্দি করার জন্যে জাহাজ বন্ধ করে বিভিন্ন প্রকার প্রানী যেমন হরিন,মাছরাঙা, বানর, বনমোরগ, হরিণ, বন্য শূকর এবং বিভিন্ন প্রজাতির পাখির কলকাকলী উপভোগ করা হবে। ওয়াচ টাওয়ার, কটকার অফিস পার, জামতলা সী বীচে নেমে ঘু্রাঘুরি করব এবং হেঁটে টাইগার টিলাতে যাব। টাইগার টিলাতে প্রচুর হরিণ দেখতে পাওয়া যাবে এবং ভাগ্য সুপ্রসন্ন থাকলে বাঘ ও দেখা যেতে পারে। লাঞ্চ করার পূর্বে ডিমের চর ও বিকাল ৪ টায় ভয়ংকর কিন্তু সুন্দর কচিখালীতে ঘুরাঘুরি করে বিকাল নাগাদ ট্যুরিষ্ট শীপে চলে আসব। রাতে বার-বি-কিউ ডিনার করে জাহাজে রাত্রি যাপন।

>>৩য় দিন :
সকালে ঢাংমারি ক্যানেল ক্রুজিং ও সকালের নাস্তা খেয়ে করমজল ইকো ট্যুরিজম স্পট পরিদর্শন। সকালে ১০ টায় করমজলে নেমে প্রচুর বানর, হরিন, কুমিরের প্রজননকেন্দ্র দেখতে পাওয়া যাবে। দুপুরের দিকে খুলনার উদ্দেশ্যে রওনা। আনুমানিক রাত ৬/৭ টা নাগাদ খুলনা আসা এবং রাতের বাসে/ ট্রেনে করে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা দেয়া হবে।

প্যাকেজ মুল্য :
জনপ্রতি ১০,০০০ টাকা (ঢাকা-সুন্দরবন-ঢাকা) ।

চাইল্ড পলিসি : ০-২ বছরের বাচ্চাদের জন্য চার্জ প্রযোজ্য নয়, ৩-৬ বছরের বাচ্চার জন্য ৩৫০০/- প্রযোজ্য।
*বিদেশীদের জন্যে অতিরিক্ত ৫২০০/- টাকা ফরেষ্ট এন্ট্রি ফি দিতে হবে।

প্যাকেজে যা থাকবে নাঃ
> ব্যক্তিগত কোন ঔষধ।
> পারসোনাল নেচার।
> সফট বা হার্ড ড্রিংস্।
> ক্যামেরা বা ভিডিও ক্যামেরার এন্ট্রি ফি।

বুকিং মানি ৫,০০০ টাকা (জনপ্রতি)
বুকিং মানি জমা দেওয়ার পদ্ধতিঃ
১. সরাসরি অফিসে এসে জমা দেও্য়া যাবে।
২. বিকাশের করা যাবে।
৩. ব্যাংক ডিপোজিট করে বুকিং দেওয়া যাবে।
বুকিং মানি জমা দেওয়ার শেষ তারিখঃ ১৭ আগস্ট, ২০১৭
বুকিং এর জন্য কল করন : ০১৯৫২১৪৯৭৪৭, ০১৭১১৪৪২৬৮৪

Beautiful aesthetic structure....
14/07/2017

Beautiful aesthetic structure....

এইচ এস সি পরিক্ষার পর পরই আমরা নেমে পড়ি এক মহা সমরে। এই সংগ্রামের প্রথম অংশ শুরু হয় বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি কোচিং থেকে এবং এ...
14/07/2017

এইচ এস সি পরিক্ষার পর পরই আমরা নেমে পড়ি এক মহা সমরে। এই সংগ্রামের প্রথম অংশ শুরু হয় বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি কোচিং থেকে এবং এর ব্যাপ্তি ভর্তির সময় পর্যন্ত। বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি কোচিং ব্যবসায়ী রা যেভাবে তাদের প্রপাগেন্ডা চালান তা দেখে ছাত্র-ছাত্রীরা অর্ধেক হেরে যায় এই যুদ্ধে। বেশির ভাগ ক্ষেত্রে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় গুলোতে ভর্তি ইচ্ছুক রা ভর্তি হতে না পারলে চরম হতাশা গ্রস্থ হয়ে নিতে থাকে একের পর এক ভুল স্বিদ্ধান্ত। আর এভাবেই ঝড়তে থাকে মেধা গুলো।

এখানেই শেষ না হয়ে বরং শুরু হচ্ছে আসল সমস্যা! নামি-বেনামি প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয় গুলোতে ভর্তির করানোর জন্য প্রতিষ্ঠান গুলো দিতে থাকে প্যাকেজ স্কিম। সত্যি বলতে কি, শিক্ষা সে তো চরম এক ব্যবসায়! আমি বলছি না সকল প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয় গুলো এমন করে তবে পত্রিকার পাতা খুললেই দেখতে পাওয়া যায় বাস্তব উদাহরণ। আবার বেশ কিছু শিক্ষার্থির স্বপ্ন থাকে দেশের বাহির গিয়ে পড়া শুনা করার। হয়তো হাতে গুনা কিছু শিক্ষার্থির পরিবার তাদের খরচ এফোর্ড করতে পারে কিন্তু বাকিরা ভাবে কাজ করে চালিয়ে নিবে সকল কিছু। এক বার যেতে পারলেই হলো।

বাস্তব চিত্র কিন্তু সম্পূর্ন ভিন্ন। দেশের বাহিরে যাবার জন্য এ সকল কোমলমতি শিক্ষার্থিরা খুজতে থাকে সস্তা বা ভিসা কলেজ গুলোকে। যেখানে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নামে করা হয় মানব পাচার বা হিউম্যান ট্রাফিকিং। প্রতি বছর থাকা-খাওয়া, টিউশন ফি এবং ভিসা রিনিউ করতে যে পরিমান অর্থ খরচ হবে তা জোগাড়ের চিন্তায় আর ক্লাসে উপস্থিত থাকা হয়ে উঠে না। এর মধ্যে যদি পরিবার থেকে কোন আবদার আসে তাহলে তো কোন কথাই নাই। আস্তে আস্তে এই মেধা গুলো ঝড়তে থাকে এ ভাবেই। আর বহি:র্বিশ্বে ক্ষুন্ন হতে থাকে আমাদের সম্মান।

আমার কথার মূল উদ্দেশ্য হলো পড়া শুনা ও কাজ দুই টা কখনোই এক সাথে চলতে পারে না। ছাত্র অবস্থায় ক্যাম্পাসে আড্ডা, বন্ধুদের সাথে ঘুরতে যাওয়া বা লাইব্রেরী তে সময় দেয়া সব ই পড়া শুনার অংশ। তাই দেশের বাহিরে পড়ার ক্ষেত্রে হ নিজের, পরিবারের এবং অন্যান্য সকল বিষয়াদি ভেবে চিন্তে সিদ্ধান্ত নিলে আমাদের মেধা গুলো হারাবে না য় অতল গহ্বরে।

সারা বিশ্বে এখনো অনেক দেশ আছে যেখানে পড়া শুনার জন্য আন্তর্জাতিক ছাত্র-ছাত্রীদের নিকট থেকে নেয়া হয় না কোন খরচ। অর্থাৎ সুযোগ রয়েছে বিনা বেতনে অধ্যয়নের। পূর্বে সুইডেন, ফিনল্যান্ড এবং ইউরোপের বেশ কিছু দেশে এই সুযোগ টি ছিল কিন্তু এখন তা আর বহুল প্রচলিত অবস্থায় নেই। তবে নরওয়ে, চায়না, কোরিয়া জার্মানি সহ বেশ কিছু দেশে এখনো এই ব্যাবস্থা চালু রয়েছে। যাদের পরিবার উক্ত দেশ গুলোতে থাকা খাওয়ার আনুষাঙ্গিক খরচ গুলো বহন করতে সক্ষম তাদের আমি বলব, সেখান থেকে ডিগ্রী অর্জন করে দেশের কল্যানে তা ব্যাবহার করার জন্য।

বিশেষ করে চায়না তে যারা পড়তে আগ্রহী তাদের জন্য আমরা কোন প্রকার সার্ভিস চার্জ ছাড়াই করে দিবো ভর্তি ও ভিসার ব্যাবস্থা। এছাড়াও যারা মাস্টার্স প্রোগ্রাম এ যারা যেতে চায় তাদের জন্য চেষ্টা করি স্টাইপেন্ড এর ব্যাবস্থা করে দিতে। প্রকৌশল বা ইঞ্জিনিয়ারিং বিষয় গুলোতে স্টাইপেন্ড পাওয়াটা অনেক সহজ।

দেশের বাহিরে যারা উচ্চশিক্ষার স্বপ্ন দেখছেন তাদের স্বপ্নকে আরও প্রজ্বলিত করবে গল্পটি ।“তুই জাপানে আবেদন করলি কোন আন্দাজ...
11/07/2017

দেশের বাহিরে যারা উচ্চশিক্ষার স্বপ্ন দেখছেন তাদের স্বপ্নকে আরও প্রজ্বলিত করবে গল্পটি ।
“তুই জাপানে আবেদন করলি কোন আন্দাজে ? জাপানি ডিগ্রীর তো দুই পয়সার দাম নাই”, কথা গুলো আমাকে বলেছিলেন, আমার বাবা-মায়ের সামনেই, আমার আপন খালাতো ভাই, যিনি একজন এডভোকেট । কথা গুলো শুনে আমার মন একটু খারাপ হলেও আমার বাবা-মায়ের মুখে একটা অপমানের ছাপ দেখতে পেয়েছিলাম । বলছি, আজ থেকে ২০ বছর আগের কথা । ১৯৯৫ সন, সবে মাত্র অর্নাস পরীক্ষার ফল প্রকাশিত হয়েছে, আমি প্রথম শ্রেনী পেয়েছি, একটু ভাবের উপর আছি । ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময়ই সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম, দেশের বাইরে চলে যাবো । তখন দেখতাম, কেমিষ্ট্রি আর বায়ো-কেমিষ্ট্রি থেকে ছেলে-মেয়েরা একে একে জাপানে চলে যাচ্ছে । আমি ছিলাম এপলাইড কেমিষ্ট্রির ছাত্র । তখন জাপানের মনোবুশো স্কলারশীপের পরিমান ছিলো প্রায় এক লাখ টাকা । মজার কথা হলো, তখন প্রথম শ্রেনীর কর্মকর্তাদের বেতন স্কেল ছিলো মাত্র ২৮৫০ টাকা বেসিক । তখন কিন্তু আজকের দিনের মতো ইমেইল ছিলো না । আমরা তখন চিঠি লিখতাম বিদেশের প্রফেসারদের কাছে । দেখা যেতো ১০০ টা চিঠি লিখলে মাত্র ৫ থেকে ৬ টার উত্তর আসতো । অনেক কষ্টকর ছিলো বিদেশের তথ্য পেতে । জীবনের প্রথম, এক বছরের একটা স্কলারশীপ পেয়েছিলাম জাপানে । সেটাই আমার পুরো জীবন পরিবর্তন করে দিলো । জাপান থেকে লিখলাম ইংল্যান্ডে, হয়ে গেলো আমার পিএইচডির স্কলারশীপ । ২০০৬ সনে রুহুল খান হয়ে গেলো ডঃ রুহুল খান । বেশ কয়েক বছর পার করেছি কানাডাতে, ভালোই আছি ম্যাপেল-লিফের দেশে । আমার বিদেশ পর্বটা কিন্তু জাপান দিয়েই শুরু হয়েছিলো । আজ জাপানের কথা মনে হওয়ার কারন হলো, গত সপ্তাহে কথা হচ্ছিলো আমাদের ডিন সাহেবের সাথে । কথায় কথায় জানতে পারলেন, আমি জাপানে এক বছর ছিলাম । তিনি আমার কাছে জানতে চেয়েছিলেন, আমি জাপান থেকে কি শিক্ষা লাভ করেছি । আমি বলেছিলাম, কিভাবে দিন-রাত কঠোর পরিশ্রম করা যায়, জাপানের কাছ থেকে সেটাই আমার জীবনের শিক্ষা । ডিন সাহেব আমাকে বলেছিলেন, পারলে কানাডিয়ান ছেলে-মেয়েদের জাপানি শিক্ষাটা একটু দিয়ে দিয়েন । আজকের লেখার উদ্দেশ্য হলোঃ মানুষের কথায় কান দিলে চলবে না । কোন হেলা-ফেলাকে পাত্তা দেয়া যাবে না । আশ পাশের অনেকেই বলবে নানা কথা । কেউ বলবে ওমুক দেশের ডিগ্রীর দাম নাই, তমুক দেশ খুব ঠান্ডা, ওই দেশে টাকা কম দেয়, এরকম হাজারো কথা । আমার কথা হলো, প্রথমবার কোন ভাবে দেশের বাইরে যেতে পারলেই হলো, তারপর অনেক সুযোগ চলে আসবে । অনেকেই অনেক আজে-বাজে কথা বলবে বিভিন্ন দেশ নিয়ে । মনে রাখতে হবেঃ “আংগুর ফল টক” নামক প্রবাদটি । দেশের বাইরে যেয়ে খুব ভালো করার চেষ্টা করতে হবে । তাহলে অনেক ভালো কিছু পাওয়া যাবে । আমার এক ভারতীয় বন্ধু আমাকে বলেছিলো, আমরা কানাডাতে ইমিগ্রেন্ট তাই আমাদের লোকাল কানাডিয়ানদের চেয়ে বেশী পরিশ্রম করতে হবে তাহলেই আমরা “সারভাইব” করতে পারবো । আমি মেনে চলেছি আমার সেই ভারতীয় বন্ধুর কথা । অনেক সময়, এক ধাপে আমেরিকা বা কানাডাতে নাও যাওয়া যেতে পারে । তাই দুই বা তিন ধাপের কথা মাথায় রাখতে হবে । বেশ কিছু দেশের কথা উল্লেখ করছি, যেখানে একটু সহজে যাওয়া যেতে পারে আর টাকা পয়সাও একটু কম খরচ হবে । যেমনঃ জাপান, কোরিয়া, মালয়েশিয়া, চায়না, হংকং, দুবাই, নরওয়ে, ফিনল্যান্ড, সুইডেন, জার্মানী, অস্টিয়া, বেলজিয়াম । তোমরা এই দেশগুলো থেকে এমএস বা পিএইচডি করে অনেক সহজেই আমেরিকা বা কানাডাতে চলে যেতে পারবে । পিএইচডি ডিগ্রী থাকলে কানাডাতে মাইগ্রেসন করতে পারবে সহজেই । তাই যাদের আর্থিক অবস্থা খারাপ তাদেরও চিন্তার কোন কারন নেই । অহেতুক TOEFL+GRE নিয়ে চিন্তা না করে ভালো মতো পড়া-লেখা করো আর জাপান, কোরিয়া, চায়না, মালয়েশিয়ার মতো দেশে যেয়ে পড়া-লেখা শেষ করে নর্থ-আমেরিকাতে যাওয়ার চেষ্টা করো । আমার গতকালের লেখার পর, আমার এক বন্ধু "মেঘ" জানতে চেয়েছিলো, জাপান থেকে পিএইচডি করে কি কানাডা বা আমেরিকা যাওয়া যাবে কিনা ? আজকের লেখাটা শেষ করবো, মেঘের প্রশ্নের উত্তর সম্পর্কিত এক মজার কাহিনী দিয়ে । কয়েক সপ্তাহ আগে, বিকেল বেলা বাসার সামনের পার্কে দাড়িয়ে আছি, এমন সময় খুব উন্নত মানের একটা জীপ গাড়ী থেকে নামলো এক ভদ্র ছেলে । খুব পরিচিত মনে হলো, কে হতে পারে ? মনে হয় অনেক চেনা । আমি এক দৃষ্টিতে তাকিয়ে আছি ছেলেটার দিকে । দেখলাম, ছেলেটাও আমার দিকে তাকিয়ে আছে । আমি এগিয়ে যেয়ে বললাম, আপনি কি বাংলাদেশী ? ছেলেটা কোন কথা না বলে সরাসরি আমাকে জড়িয়ে ধরে বললোঃ রিপন (আমার ডাক নাম) তুই এইখানে !!!! আমিতো বিশ্বাস করতে পারছি না, কতদিন তুই কানাডাতে ? ছেলেটার সাথে আমার সবশেষ দেখা ২০০৩ সনে জাপানের টোকিও ইনষ্টিটিউট অব টেকনোলজীতে যেখান থেকে ছেলেটা পিএইচডি করেছে । সে ছিলো ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেমিষ্ট্রির ছাত্র । আমার সাথে বেশ ভালো পরিচয় ছিলো তখন থেকেই । খুব দরিদ্র ঘরের ছেলে, সারা জীবন টিউশনি করে পড়া-লেখা করেছে । আমার বন্ধু আমাকে বললো, গাড়ীতে উঠ । আমাকে নিয়ে চললো কাছের এক ম্যাক্সিকান ফাষ্ট ফুডের দোকানে । জানতে পারলাম, বন্ধুটি জাপানে ছিলো ১০ বছর । কানাডাতে মাইগ্রেসন করেছে বছর দুয়েক আগে । এখন বিখ্যাত এক কানাডিয়ান কোম্পানীতে উচ্চ-পদস্থ কর্মকর্তা হিসেবে কাজ করছে । ঢাকার উত্তরাতে ফ্লাট কিনেছে, কানাডাতে বাড়ী-গাড়ী আছে । আমার বন্ধুটিকে আমি বলেছিলাম, তোর কি সেই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টং ঘরের কলা-পাউরুটির কথা মনে আছে ? টিউশনির পর রাত ১১ টার দিকে যখন ঐ সব খেয়ে থাকতে হতো আর নীল-ক্ষেত থেকে মাসে দুইবার জুতার সুকতলী পরিবর্তন করা লাগতো ? আমার বন্ধুটি প্রচন্ড জোরে হাসতে হাসতে বললো, বাদ দে তো ঐসব দিনের কথা, এখন ভালো লাগে না ঐ কষ্টের দিনের কথা মনে করে, স্পাইসী ফ্রাইড ম্যাক্সিকান চিকেনটা খেয়ে দেখ, খুব ভালো । আমি ফ্রাইড চিকেন খেতে খেতে জিজ্ঞাসা করলাম, তোর গাড়ীটার দাম কত ? সে জানালো ৮৭ হাজার টাকা (কানাডাতে বাংলাদেশীরা ডলার কে টাকা বলে থাকে) । আমি বললাম, ৮৭ হাজার ডলার মানে বাংলাদেশী টাকায় তো প্রায় ৫৫ লাখ টাকা । আমার বন্ধু মৃদু হেসে বললো, এখন এটা আমার কাছে কোন ব্যাপার না । আমার মনে হয়েছিলো, আমার বন্ধুটির কাছে এখন এক ডলার সমান এক টাকা । অর্থাৎ ৮৭ হাজার ডলার আজ তার কাছে ৮৭ হাজার টাকা মাত্র । আমার বন্ধুটির জীবনের পরিবর্তন ডাবল বা রি-ডাবল হয়নি, হয়েছে বহুগুন কারন এক ডলার সমান তো ১ টাকা না । তাহলে কি প্রায় ৭০ গুন পরিবর্তন হলো আমার সেই দরিদ্র বন্ধুটির ? যে কিনা শহীদুল্লাহ হল আর ফজলুল হক হলের (ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়) টং ঘরগুলো থেকে ৪ টাকা দিয়ে কলা-পাউরুটি কিনে খেতো আজ থেকে ২০ বছর আগে । By Dr. Ruhul Khan , UBC, CANADA; Collected from Mehedi Hasan Shahin bhi's' wall

মালয়েশিয়ায় উচ্চ শিক্ষা।==========================100% ভিসার নিশ্চয়তায় মাত্র ৩০ দিনে Visa Approval. ► মালয়েশিয়ার TOP RANK...
08/07/2017

মালয়েশিয়ায় উচ্চ শিক্ষা।
==========================
100% ভিসার নিশ্চয়তায় মাত্র ৩০ দিনে Visa Approval.

► মালয়েশিয়ার TOP RANKING কলেজ/ইউনিভার্সিটিতে সরাসরি ভর্তির ব্যাবস্থা।
► সর্বনিন্ম প্যাকেজ এ মালয়েশিয়া যাওয়ার ব্যবস্থা।
► নূন্যতম এস এস সি / O level / দাখিল পাশ অথবা সমমানের পাশ হতে হবে।
► স্টাডি গ্যাপ গ্রহনযোগ্য।
► IELTS/Bank Sponsor এর প্রয়োজন হয় না।

আরও বিস্তারিত জানতে নিম্নলিখিত Address এ যোগাযোগ করুনঃ
H&H Holidays 40, New Eskaton, Noor Nagar, Ramna Dhaka-1217
☎ HOTLINE:
+8801952149747
01711442684

Address

No. 87, New Eskaton
Dhaka
1217

Opening Hours

Monday 10:00 - 18:00
Tuesday 10:00 - 18:00
Wednesday 10:00 - 18:00
Thursday 10:00 - 18:00
Saturday 10:00 - 18:00
Sunday 10:00 - 18:00

Telephone

+8801952149747

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when H&H Holidays posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to H&H Holidays:

Share

Category