Transform Outing

Transform Outing Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Transform Outing, Tour Agency, Dhaka.

27/08/2016
15/08/2016

-ঢাকা শহরে আমার একটানা দুই দিন না খাওয়ার রেকর্ড আছে।
--দুইইই দিন!
-জ্বি ভাই দুই দিন। এছাড়া পুরো দিন না খেয়ে ছিলাম এমন দিনের সংখ্যাও কম নয়। বাবা মারা যাওয়ার পরে ঢাকায় নতুন আসছি, যেই মেসে উঠছিলাম সেখানে দুই মাসের ভাড়া বাকী পড়ছিল, দেড় মাসের মিল খরচও দিতে পারি নাই। পরে ওরা আমার মিল বন্ধ করে দেয়। ওদেরই বা কী দোষ বলেন, ওরদেরও তো নুন আনতে পান্তা ফুরায় অবস্থা। আরেকজনকে মাসের পর মাস ফ্রী খাওয়ানোর মত অবস্থা নাই।

--তারপর?
-তারপরে আর কী? ক্ষুধার জ্বালায় অস্থির হয়ে রাগ জমল আমার সার্টিফিকেটের উপরে। ডিগ্রীর সার্টিফিকেত ছিঁড়ে ফেললাম। এই সার্টিফিকেট আমার পেটে ভাত দিচ্ছিল না। চাকরি চাইতে গেলে মানুষ দূর দূর করে তাড়িয়ে দেয়।
--তারপরে?
-তারপরে... তারপরে মেস থেকে অনেক দূরে ফার্মগেইটের একটা ছালাদিয়া হোটেলের সামনে গিয়ে লাজ লজ্জার মাথা খেয়ে ভাত খুঁজি। বললাম "দুই দিন ধরে খাই নাই, পকেটে টাকাও নাই, শুধু একটা প্লেট ভাত দিলেই হবে। আমি পানি মিশিয়ে খেয়ে ফেলব।

-- (এবার আমি কোন প্রশ্ন করলাম না) উনি নিজেই বলতে শুরু করল-
-ছালাদিয়া হোটেলের মালিকের মনে দয়া হল। উনি আমাকে এক প্লেট ভাত দিলেন। সাথে অবশ্য কোন এক তরকারীর পাতিল থেকে একটু ঝোলও দিলেন। আমি দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে খেলাম। তিরিশ সেকেন্ডে খাওয়া শেষ। দোকানি বুঝলেন আমার পেটের সিকি ভাগও পূরণ হয় নি। উনি আমাকে বললেন "এভাবে ফ্রী দিলে তো আমার চালান শেষ হয়ে যাবে। আমি গরিব মানুষ। তুমি এক কাজ কর, এই প্লেট গুলো ধুয়ে দেও, তাহলে আরো ভাত দিব।"
আমি আরো ভাত খাওয়ার জন্য সবগুলো প্লেট ধুলাম। একের পর এক কাস্টমার আসছে, কারো প্লেট, কারো বাটি সবই ধুতে হল। এরপরে এক টেবিলে এক কাস্টমার অনেকক্ষণ ধরে বসে আছেন। ওনার টেবিল ময়লা, কেউ পরিষ্কার করছে না। আমার হাতে কাজ নেই, আমি গিয়ে টেবিল পরিষ্কার করে দিলাম। এভাবে পাশের টেবিলটাও। এভাবে কখন যে তিন ঘন্টা পার হয়ে গেল তের পেলাম না। তিন ঘন্টা পরে দকান ফাঁকা। দোকানদার আমাকে পাতিলে থাকা অবশিষ্ট ভাত খেতে দিলেন। আমি মাছের ঝোল দিয়ে পুরো ভাতই খেলাম। পাতিলে অবশ্য মাছ ছিল না। আর মাছ থাকলেও আমি খেতাম না। কারণ উনি মাছ বিক্রি করছিলেন বিশ টাকা পিস হারে। আমার কারণে বিশ টাকা কম বিক্রি হলে উনি রাগ করতে পারেন। আমাকে ভাত খেতে দিয়েছেন এটাই তো বেশি।
আসার সময় উনি বললেন "আমার ছেলেটার দুই দিন হল জ্বর তাই দোকানে আসছে না। তুমি ইচ্ছে করলে এই কয় দিন আমার ছেলের বদলে কাজ করতে পার। তিন বেলা খেতে পারবে, কোন বেতন পাবে না।"
দুই দিন কাজ করলাম। ওনার ছেলে দিরে এল। তিনি আমাকে কাজ থেকে বাদ দিলেন না। ওনাকে বললাম "আমার মেস থেকে তাড়িয়ে দিয়েছে"
উনি আমাকে হোটেলেই থাকার ব্যবস্থা করে দিলেন।
ছয় মাস পরে পুলিশ এসে হোটেলটা গুড়িয়ে দেয়, ঐ জায়গাটা অবৈধ ছিল। উনি এবার টং দোকান দিলেন, চা বেচা শুরু করলেন, সেখানে আমার জায়গা হল না। চা বিস্কুট এক একাই বেচা যায়। আমি আবার বেকার হয়ে পড়লাম।

--তারপরে কী করলেন?
-ইতিমধ্যে গত ছয় মাসে আমি রান্না বান্নার কাজ ভালই শিখেছি। বিশেষ করে ছোলা, পেঁয়াজু, আলুর চপ, বেগুণি ভালই পারতাম। ভাইকে (দোকানদারকে) অনুরোধ করে ওনার টং এর পাশেই ফুটপাথে একটা চুলা, কয়েকটা পাতিল নিয়ে বসে পড়লাম। এক মাসে ভালই মার্কেট পেলাম। চুলা, পাতিল সব ভাই (দোকানদার) এর আগের দোকানের। ওনার কাছ থেকে বাকীতে কিনেছি। এই দোকান যখন লাভের মুখ দেখা শুরু করেছিল পুলিশ এসে দোকান ভেঙ্গে দিল। অবশ্য আমি জানতাম এই দোকান পুলিশ ভাঙবে। আমি এজন্য সব সময় প্রস্তুত ছিলাম। পরদিন আরেক স্থানে দোকান খুললাম, এটাও ফুটপাথে। কিন্তু এবার পড়লাম আরেক বিপদে, বর্ষা কাল শুরু হয়ে গেছে। সব পানিতে ভিজে যায়। কাপড়ের ছাদ মানায় না। দোকান আবারো বন্ধ হয়ে গেল। আমি যেহেতু কাজ জানি তাই হতাশ হলাম না। বিভিন্ন দোকানে দোকানে গিয়ে খোঁজ লাগালাম তাদের ছোলা পেঁয়াজু বানানোর লোক লাগবে কিনা। এক দোকান পেলাম যারা এই লোক খুঁজছে। না খুঁজে যাবেই বা কোথায়, এখন তো ছোলা পেঁয়াজুর অনেক চাহিদা। ওখানে সকাল বেলা কাজ করতে হবে, কারণ ঐ দোকানটা একটা স্কুলের সামনে, স্কুলের কাস্টমার ধরাই মুল লক্ষ্য। দৈনিক একশ টাকা হাজিরায় কাজ করলাম। বিকালে চলে যেতাম আরেক এলাকায়, সেখানেও এক কাজ পেলাম। সেখান দিত দেড়শ টাকা। দিন আড়াইশ টাকা দিয়ে ভালই চলছিল। ইতিমধ্যে আমার বাড়ী থেকে আসার এক বছর বয়স পূর্ণ হল। যে মেসে সিট ভাড়া ও দেড় মাসের খাবার বাকী পড়েছিল সেই মেসে গিয়ে টাকা শোধ করলাম। হুজুর বলেছেন "এক টাকাও যদি আমার কাছে থেকে কেউ পায় তাহলে যতই আমল করি লাভ নাই, সেই টাকা মাফ না করা পর্যন্ত বেহেশতে যাওয়া যাবে না।"

মেস তখন অনেক বড় হয়ে গেছে। পুরা বিল্ডিং ই মেস মালিক ভাড়া নিয়েছে। পাঁচ তলা বিল্ডিং এ প্রায় দুইশ লোক থাকে। গিয়ে শুনি ওদের রান্না বান্নার লোকজন কাজের চাপে চলে গেছে। আমি সুযোগ লুফে নিলাম। দৈনিক তিনশ টাকা হাজিরায় ফুল টাইম কাজ নিলাম। আগের দুই চাকরি (সকালে ও বিকালের) ছেড়ে দিলাম। এখন মাসে নয় হাজার টাকা ইনকাম শুরু হল। যে আমাকে ঠিক এক বছর আগে এই মেস থেকে বের করে দেয়া হয়েছিল আজ আমি এই মেস থেকে মাসে নয় হাজার টাকা আয় করি। আমার ভাগ্য মনে হয় ছয় মাস পর পর বদলায়। মেসের মিল নিয়ে মেস মালিক ও মেস মেম্বারদের মধ্যে ঝগড়া হল, সে এক তুমুল ঝগড়া। মেস মালিকের বিরুদ্ধে অভিযোগ উনি নাকি মিল থেকে টাকা মারেন! লম্বা সময় ধরে সবাই মিলে বৈঠক করলেন। শেষ মেষ বৈঠকে সিদ্ধান্ত হল- মেস মালিকের অধীনে মেসের ডাইনিং থাকবে না। ডাইনিং অন্য কারো তত্বাবধানে ছেড়ে দিতে হবে।
কিন্তু সমস্যা হল -কে নিবে ডাইনিং এর দায়িত্ব?
একজন লোক ডাইনিং এর দায়িত্ব নিলেন। তিনি দায়িত্ব নেয়ার পরে অবস্থা আরো খারাপ হল। দুই মাস পরে ডাইনিং এর টাকা (সামান্য) নিয়ে উধাও। এবার আমিই সাহস করে সিদ্ধান্ত নিলাম- আমি ডাইনিং চালাব। যেহেতু ডাইনিং এর মালিক পলাতক, তাই ওনার হাড়ি পাতিল এখন সবা আমার। আমি রান্নাঘরটা মাসে ছয়শ টাকায় ভাড়া নিলাম। নিজেই বাজার করতে লাগলাম, নিজেই টাকা কালেকশন করা শুরু করলাম। দেখা গেল এক মিল থেকে অনায়াসেই এক টাকা লাভ করা যায়। সকাল বেলায় দুইশ মিল, দুপুরে পঞ্চাশ মিল আর রাতে আড়াইশ মিল, সব মিলে দৈনিক পাঁচশ টাকা লাভ থাকত।

--বাহ বাহ, আপনি তো দেখছি আলাদীনের চেরা হাতে পেয়েছেন!
-এই কথাটা শুনলেই মেজাজ খারাপ হয়ে যায়। আলাদীনের চেরাগ তো শুধু ঘষা দিলেই সব কিছু হয়ে যায়। আমার তো কাজ করে করতে হয়েছে, যাকে বলে হাড় ভাঙ্গা খাটুনি।
--তা এই হোটেলের মালিক হলেন কীভাবে?
-আরে সেই কথাই তো বলছি।

-আমার নজর শুধু পাঁচশ টাকার দিকে না, আমার নজর ছিল আরো উপরে। ডিগ্রীর সার্টিফিকেট যেহেতু ছিঁড়েই ফেলেছি তাই অফিসার লেভেলের চাকরি জীবনে করাও হবে না আর ইচ্ছাও নেই। এই তো বেশ আছি। চিন্তা করছিলাম কীভাবে ব্যবসাটাকে আরো উপরে উঠানো যাবে। এক দিন রাস্তা পেয়ে গেলাম।
খেয়াল করলাম মেসের আড়াইশ মেম্বারের মধ্যে দুইশ জন লোকই সিগারেট খায়। আর যারা সিগারেট খায় তারা সিগারেটের সাথে সাথে চাও হায়। এক বৃষ্টির রাতে শুয়ে পড়েছিলাম। এক মেস মেম্বার এসে ডাকলেন "মামা, তোমার কাছে সিগারেট হবে?"
আমি বললাম "আমি সিগারেট খাই না"
"আরে খাওয়ার কথা বলছি না। দুই তিন কার্টন সিগারেট এনে রাখলে ভালই বিক্রি হত। এই বৃষ্টির রাতে বাইরে সিগারেত আনতে যেতে পারছি না। সাথে ছাতাও নেই।"
আমি বললাম "আমি বাইরে যাচ্ছি, ছাতা আছে।"
ওনার জন্য সিগারেট কিনতে গিয়ে দেখি চায়ের দোকানে ভালই ভীড়। রাত বারোটায় মেসের লোকজন সিগারেট খেতে এসেছে। পরদিন চা বানানোর জন্য প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম কিনে আনলাম। তিন পদের সিগারেট রাখলাম। সন্ধ্যা সাতটার পরে আমার রাতের রান্নার কাজ শেষ হয়ে যায়। এর পরে শুরু হয় চা বানানোর পালা, টার্গেট একশ কাপ। মাস খানেক পরে দেখি দুইশ কাপ চা বিক্রি হচ্ছে- সময় রাত নয়টা থেকে বারোটা।

--চায়ে লাভ কত থাকত?
-চারশ টাকা।
--আর সিগারেটে?
-চারশ থেকে ছয় টাকা।
--কী বলেন?
-অনেকে পুরো প্যাকেট কিনত। অনেকে ছয়টা, অনেকে তিনটা। খুব কম লোক একটা করে কিনতেন।
--তার মানে আপনার আয় তখন কত ছিল?
-দিনে দেড় হাজারের উপরে!
--সেটা কোন সালের ঘটনা?
-এইতো ২০০৪/৫ এর দিকে।
--তার মানে ২০০৪/৫ সালে আপনার দৈনিক আয় ছিল দেড় হাজার করে মাসে ৪৫ হাজার টাকা! তখন একজন ম্যাজিস্ট্রেট বেতন পেতেন ১২ হাজার টাকা। বিশাল ব্যপার সেপার।
-সবই আল্লাহর ইচ্ছা। আমার ক্লাসমেটরা যখন বছরের পর বছর ধরে চাকরি খুঁজছিল আমার তখন ভালই ইনকাম। কিন্তু সেই সুখ বেশিদিন টিকল না। একদিন দেখি বাড়ীওয়ালা কয়েকজন লোক নিয়ে মেসে হাজির। সেই লোকজন বাড়ী ঘর মাপামাপি করল।

কিছুদিন ধরেই শোনা যাচ্ছিল এই বাড়ী নাকি ডেভেলাপার কোম্পানিকে দেয়া হবে। তখন এপার্টমেন্ট ফ্ল্যাটের ব্যবসা জমজমার ছিল। তারাই বিল্ডিং মাপতে এসেছে। বাড়ীওয়ালা সহ সেই লোকগুলো দুপুরে আমার ডাইনিং এ খাওয়া দাওয়া করল। পরের সপ্তাহে মেসের সামনে একটা সাইনবোর্ড বসানো হল। এখানে দশ তলা বিল্ডিং হবে।
সুতরাং, ছয় মাসের মধ্যে মেস খালি করে দিতে হবে। আমি আবার ভবিষ্যতের ভাবনা ভাবতে লাগলাম।

চার মাসের মাথায় মেস খালি হয়ে গেল। আমার ব্যবসা পুরোপুরি বন্ধ। অবশ্য এই কয়দিন আমি পুরো ঢাকা শহর চষে বেড়িয়েছি, কোথায় কী কাজ করা যায়। উত্তরা রাজলক্ষী মার্কেটের সামনে ভাজা পোড়া আইটেম নিয়ে ভ্যানে বসে পড়লাম। মার্কেট পেতে সময় লাগল না। তখন টিকার রোল জনপ্রিয় ছিল। উত্তরা এলাকায় আমিই প্রথম এটা চালু করেছি। এখন অবশ্য এরকম অনেক দোকান আছে। সেই ভ্যান থেকে দিনে হাজার খানেক লাভ থাকত। কিন্তু আমার যে এতে পোষায় না। এর আগে আয় ছিল ৪৫ হাজারের উপরে। রাজলক্ষীর পাশের এক হোটেল মালিক আমায় ধরলেন কিছু আইটেম রান্না করে দিতে। হাঁড়ি হিসেবে টাকা দিবেন। আমি খিঁচুড়ীর কন্ট্রাক্ট নিলাম। পাতিল প্রতি ৫০০ টাকা। কামারপাড়ায় তখন মানুষ কম থাকত। আমি একতা খোলা জায়গা ভাড়া নিয়ে রান্না শুরু করেছিলাম। ভ্যানের দায়িত্ব দিলাম আরেকজনকে। ভ্যানের রান্না বান্না এখান থেকেই করে দিতাম। ভ্যানে শুধু বিক্রিই হত।

দুই একজন লোককে গ্রাম থেকে এনে চাকরি দিলাম। কেউ তরকারী কেটে দেয়, কেউ হেল্পারের কাজ করে।
এই এক পাতিলের সুনাম আশেপাশের হোটেলে ছড়িয়ে পড়েছিল। আরো দুই তিনটা হোটেল থেকে অফার আসল। আমি তাদের জন্যেও রান্না করে দিতাম। বছর খানেক পরে দেখি আমি পাঁচটা হোটেলে খিঁচুড়ী সাপ্লাই দিচ্ছি ও আট টা ভ্যানের ভাজা পোড়া সাপ্লাই দিচ্ছি। আমার তখন দৈনিক আয় ৫ হাজারের উপরে!!!

--সেটা কোন সালের ঘটনা?
-২০০৬/৭ এর দিকে। তখন বয়স ছিল ২৬ কি ২৭
--তার মানে আপনার ২৭ বছর বয়সে মাসিক আয় ছিল দেড় লাখ টাকা!!! গলা শুকিয়ে গেছে, এক গ্লাস পানি দেন।
-আরে পানি খাবেন কেন কোক খান। আর এসি কি বাড়িয়ে দেব?

এতক্ষন যার কথা বললাম উনি ঢাকার একটা রেস্টুরেন্ট গ্রুপের মালিক। ওনার ছয়টা রেস্টুরেন্ট আছে। মাসে দশ বারো লাখ টাকা আয় করেন। বিশেষ একটা কারণে ওনার সাথে আমার এক বন্ধুর (আয়কর কর্মকর্তা) কথপোকথন এর অংশ বিশেষ তুলে ধরলাম যাতে অনেকে এই লেখা পড়ে উৎসাহ পায়।

সারমর্মঃ কোন কাজ ছোট নয়। বেকার বসে না থেকে যেকোন একটা কাজে নেমে পড়ুন।

সংগৃহীতঃ ফখরুল ইসলাম

একসাথে কক্সবাজার, সেন্টমার্টিন, বান্দরবান, রাঙ্গামাটি, খাগড়াছড়ি, সাজেক ভ্যালি, কুয়াকাটা, সিলেট, নিঝুম দ্বীপ ও বিরিশির...
13/08/2016

একসাথে কক্সবাজার, সেন্টমার্টিন, বান্দরবান, রাঙ্গামাটি, খাগড়াছড়ি, সাজেক ভ্যালি, কুয়াকাটা, সিলেট, নিঝুম দ্বীপ ও বিরিশিরির হোটেলের ভাড়া ও ফোন নম্বরের তালিকাঃ

ছুটি পেলে আমাদের দেশের মানুষ সবচেয়ে বেশি যেসব জায়গায় ঘুরতে যায় তার প্রত্যেক জায়গার বেশ কিছু হোটেলের ভাড়া এবং ফোন নম্বর দেয়া হল, যারা ঘুরতে পছন্দ করেন তারা নিজের সংগ্রহে রাখতে পারেন, পরে কাজে দিবে ।

বান্দরবানঃ
হোটেল হিল ভিউ: শহরের কাছেই এ হোটেলের ভাড়া রুমপ্রতি ১০০০-৪০০০ টাকা। ফোন: ০৩৬১-৬৩০৪৫।
পর্যটন মোটেল: ভাড়া রুম প্রতি ৮৫০ থেকে ২০০০ টাকার মধ্যে। ফোন: ০৩৬১-৬২৭৪১ এবং ০৩৬১-৬২৭৪২।
হলি ডে ইন: ভাড়া রুম প্রতি ১৫০০-৩০০০ টাকা পর্যন্ত। ফোন: ০৩৬১-৬২৮৯৬
ভেনাস রিসোর্ট: ফোন- ০৩৬১-৬৩৪০০, ০১৫৫২৮০৮০৬০।
হোটেল প্লাজা: ফোন: ০৩৬১-৬৩২৫২।
হিলসাইড রিসোর্ট: ভাড়া রুম প্রতি ১৫০০-৪০০০ টাকার মধ্যেই। ফোন: ০১৫৫৬৫৩৯০২২, ০১৭৩০০৪৫০৮৩।
সাকুরা হিল রিসোর্ট: ভাড়া রুম প্রতি ১৫০০-৩০০০ টাকা পর্যন্ত।
হোটেল ফোর স্টার: এটি বান্দরবান বাজারে অবস্থিত। রুম প্রতি ভাড়া ৩০০-১২০০ টাকা। ফোন:-০৩৬১-৬৩৫৬৬, ০১৮১৩২৭৮৭৩১,০১৫৫৩৪২১০৮৯।
হোটেল থ্রী স্টার : এটি বান্দরবান বাসস্ট্যান্ডের পাশে অবস্থিত। এটি ৮/১০ জন থাকার মতো ৪ বেডের এমন একটি ফ্ল্যাট। প্রতি নন এসি ফ্ল্যাট-২৫০০ টাকা, এসি-৩০০০ টাকা। ফোন:- ০১৫৫৩৪২১০৮৯।

সিলেট-
১. হোটেল মেট্রো ইন্টারন্যাশনাল (বন্দর, শিশুপার্কের কাছে): ০১৭৩১৫৩৩৭৩৩, +৮৮০৮২১২৮৩৩৪০৪
২. হোটেল নির্ভানা ইন (রামের দিঘির পাড়, মির্জা জাঙ্গাল, সিলেট): +৮৮০৮২১২৮৩০৫৭৬, ০১৭৩০০৮৩৭৯০, ০১৯১১৭২০২১৩, ০১৭১১৩৩৬৭৬১ ৩. হোটেল স্টার প্যাসিফিক (ইস্ট দরগাহ গেইট): ০১৭১৩৬৭৪০০৯, ০১৯৩৭৭৭৬৬৩৩, ০৮২১-২৮৩৩০৯১
৪. হোটেল অনুরাগ (ধোপা দীঘি নর্থ): ৭১৫৭১৭, ৭১৪৪৮৯, ০১৭১২০৯৩০৩৯
৫. হোটেল সুপ্রীম, জাফলং রোড, মিরাবাজার, সিলেট-৩১০০, মোবাইল: ০১৭১১১৯৭০১২, ফোন: ৮৮-০৮২১-৭২০৭৫১, ৮১৩১৬৯, ৮১৩১৭২, ৮১৩১৭৩, ৮১৩১৬৮
৬. হোটেল সানফ্লাওয়ার (বন্দর, শিশুপার্কের কাছে): ফোন:৮৮-০৮২১-৭১৩৯১৪
৭. হোটেল এশিয়া (বন্দরবাজার): ০১৯২২৫৯৫৮৪১, ০১৯২২৫৯৫৮৪০
৮. সুরমা ভ্যালি গেস্ট হাউস (জেলা প্রশাসক/পুলিশ সুপারের কার্যালয়ের পাশে): ০১৭১৬০৯৫৮৩৬
৯. হোটেল সিলেট ইন (মিরবক্সটুলা): ফোন: ৮৮-০৮২১-৮১১৯৪৫
১০. হোটেল আল-আরব: হযরত শাহজালাল (র: ) মাজার শরীফ পূর্ব দরগাহ্ হেইট, সিলেট, ফোন: ০৮২১-৭২৪০৫৯, ০১৭২১৮১২৬৬২
১১. হোটেল উর্মি: হযরত শাহজালাল (র: ) মাজার শরীফ পূর্ব দরগাহ্ হেইট, সিলেট, ফোন: ০৮২১-৭১৪৫৬৩, ০১৭৩৩১৫৩৮০৫

কক্সবাজারঃ
পাঁচ তারকা বলে দাবিদার হোটেল সি-গালে সর্বনিম্ন ৩ হাজার ৭৫৭ টাকা থেকে শুরু করে সর্বোচ্চ ৯ হাজার ৮৭০ টাকা প্রতিরাতের জন্য কক্ষপ্রতি ভাড়া নেয়া হয়। এরা রেগুলার হিল সাইড ৩ হাজার ৭৫৭ টাকা, রেগুলার সি-সাইড ৪ হাজার ০৩৫ টাকা, ডিলাক্স হিল সাইড ৯ হাজার ৫৯২ টাকা, ডিলাক্স ৯ হাজার ৮৭০ টাকা এবং স্যুইট রুম ৯ হাজার ৭৪১ টাকা ভাড়া নেয়। এদের অফ সিজনে ডিসকাউন্ট থাকে। হোটেল সি-গালের টেলিফোন নাম্বার হলো ০৩৪১-৬২৪৮০ থেকে ৬২৪৯১ পর্যন্ত।
তিন তারকা মানের হোটেল সি-প্যালেসে দু’টি ভিন্ন ক্যাটাগরির আবাসন ব্যবস্থা করা হয়েছে। যারা আভিজাত্য বজায় রাখতে চান তাদের জন্য ক্রাউন প্লাজায় ৩ হাজার টাকায় রিগুলার রুম, ৪ হাজার টাকায় ডিলাক্স রুম, ৪ হাজার ৫০০ টাকায় সুপার ডিলাক্স ও ৫ হাজার টাকায় স্যুইটের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। তাছাড়াও ইকোনমি রুম হিসেবে ওয়েস্টার্ন প্লাজায় নন-এসি ১ হাজার ৬০০ টাকা ও এসি রুম ২ হাজার টাকা ধরা হয়েছে। এদেরও অফ সিজনে ডিসকাউন্টের ব্যবস্থা রয়েছে। টেলিফোন কিংবা সরাসরি এদের সঙ্গে যোগাযোগ করে রুম বুকিং দেয়া যায়। হোটেল সি-প্যালেসের টেলিফোন নাম্বার হলো : ০৩৪১-৬৩৬৯২, ০৩৪১-৬৩৭৯২, ০৩৪১-৬৩৭৯৪।
হোটেল মিডিয়া ইন্টারন্যাশনালে সর্বনিম্ন ৯৬০ টাকা থেকে শুরু করে সর্বোচ্চ ৩ হাজার ৭০০ টাকা রুম ভাড়া রয়েছে। এগুলোর মধ্যে নন-এসি ডিলাক্স ৯৬০ টাকা, নন-এসি ডিলাক্স ১ হাজার২০০ টাকা, নন-এসি ডিলাক্স ১ হাজার ০২০ টাকা, নন-এসি ডিলাক্স ১ হাজার ৩৮০ টাকা, এসি ডিলাক্স ১ হাজার ৩৮০ টাকা ও ১ হাজার ৭৪০ টাকা এবং স্যুইট ৩ হাজার ৭০০ টাকা। হোটেল মিডিয়ার টেলিফোন নাম্বার হলো ০৩৪১-৬২৮৮১ থেকে ৬২৮৮৫ পর্যন্ত। মোবাইল ০১৮১৯৫১৯৭১৯ ও ০১৭১১৩৪১১৬৪।
কক্সবাজার শহরে মাঝারি মানের যে হোটেল ও গেস্ট হাউসগুলো রয়েছে তার মধ্যে অন্যতম হলো ঐতিহ্যবাহী হোটেল সায়মান (০৩৪১-৬৩৯০০), হোটেল প্যানোয়া (০৩৪১-৬৩২৮২), হোটেল সি-ক্রাউন (০৩৪১-৬৪৪৭৪, ০৩৪১-৬৪৭৯৫), হোটেল কল্লোল (০৩৪১-৬৪৭৪৮), হোটেল মিশুক (টেলিফোন ০৩৪১-৬৪৩২০, ০৩৪১-৬২৮০৮), হোটেল অভিসার (০৩৪১-৬৩০৬১), হোটেল প্রাসাদ প্যারাডাইজ (০১৭ ১১ ১৯৩১৯৬), সুগন্ধা গেস্ট হাউস, ডায়মন্ড গেস্ট হাউস (০৩৪১-৬৩৬৪২), সি-পার্ক গেস্ট হাউস (০৩৪১-৫১০৭৮), ০৩৪১-৫১০৪৫), ইউনি রিসোর্ট (০৩৪১-৬৩১৮১, ০৩৪১-৬৩১৯১), উর্মি গেস্ট হাউস, নিলয় বে রিসোর্ট (০৩৪১-৬৩৬৭৭, ০৩৪১-৬৪২৭৮), সি-হ্যাভেন গেস্ট হাউস (০৩৪১-৬৩৭৮৭), জিয়া গেস্ট ইন, সাইমম গেস্ট হাউস, হানিমুন গেস্ট হাউস, সি-আলিফ গেস্ট হাউস, হোটেল সি-হিল, তাহের ভবন অন্যতম।
এই হোটেল গেস্ট হাউসগুলোয় নির্ধারিত একটি ভাড়ার তালিকা থাকলেও পিক-সিজনে ওই তালিকার সঙ্গে ভাড়ার কোনো মিল থাকে না। যারা নির্ধারিত ভাড়ার কথা চিন্তা করে কক্সবাজারে আসবেন তারা যদি পিক-সিজনে আসেন তাহলে ‘বাজেট ফেল’ করা আশঙ্কা থেকে যাবে।
মাঝারি মানের এ হোটেলগুলোতে ৩০০ টাকা থেকে শুরু করে ৫ হাজার টাকাও ভাড়া আদায় করা হয়। তাই আসার আগেই রুম ভাড়া জেনে ও অগ্রিম বুকিং দিয়ে এলে সবার জন্যই ভালো হয়।

সেন্টমার্টিনঃ
ব্লু মেরিন রিসোর্ট (ঢাকা অফিস-৯৫৫৬২৫১, ০১৭১৩৩৯৯০০০, সেন্টমার্টন-০১৭১৩৩৯৯২৫০), প্রিন্স হেভেন (০১৮৩৩৩৬০৩৩৩), সীমানা পেরিয়ে (০১৯১১১২১২৯২, ০১৮১৯০১৮০২৭), প্রাসাদ প্যারাডাইস (৮৮১৭৪০০, ৯৮৯১৯২২, ০১৫৫৬৩৪৭৭১১), কোরাল ব্লু রিসোর্ট (০১৭১৩১৯০০১৩, ০১৭১৩১৯০০০৭), লাবিবা বিলাস (০১৭৪৪১৩৬১৪৫, ০১৭১৪৬৩৪৭৬২), পর্যটন হোটেল অবকাশ (০১৮৬৬৯৮৯৮৫৫,০১৮৬৬৯৮৯৮৫৬,০১৮৬৬৯৮৯৮৬০) ইত্যাদি। ভাড়া পড়বে রুম ভেদে ১৫০০-৫০০০ টাকা।
এছাড়াও সেখানে বিভিন্ন বাসা বাড়ীতে পর্যটকদের থাকার ব্যবস্থা রয়েছে যার ভাড়া পড়বে ৮০০-১০০০ টাকা।

রাঙ্গামাটি-
(১) পর্যটন হলিডে কমপ্লেক্স
১২ টি শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত রুম রয়েছ। প্রতিটির ভাড়াঃ ১৮০০-২০০০ টাকা
৭টি শীতাতপ নিয়ন্ত্রনহীন রুম রয়েছে প্রতিটির ভাড়াঃ ৮০০-১০০০ টাকা
ফোনঃ ০৩৫১-৬৩১২৬
(২) হোটেল সুফিয়া
২৭ টি শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত রুম রয়েছ। প্রতিটির ভাড়াঃ ১০০০-১৫০০ টাকা।
৩৫টি শীতাতপ নিয়ন্ত্রনহীন রুম রয়েছে প্রতিটির ভাড়াঃ ৭০০-৮০০ টাকা
যোগাযোগ ০৩৫১-৬২১৪৫, ৬১১৭৪, ০১৫৫৩৪০৯১৪৯
(৩) হোটেল গ্রীন ক্যাসেল
৭ টি শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত রুম রয়েছ। প্রতিটির ভাড়াঃ ১২০০ হতে ১৮০০ টাকা পর্যন্ত
১৬টি শীতাতপ নিয়ন্ত্রনহীন রুম রয়েছে প্রতিটির ভাড়াঃ ৭০০ হতে ১৬০০ টাকা পর্যন্ত
যোগাযোগঃ ০৩৫১-৭১২১৪, ৬১২০০, ০১৭২৬-৫১১৫৩২, ০১৮১৫-৪৫৯১৪৬
এছাড়াও রয়েছে আরো বেশ কয়েকটি উল্লেখযোগ্য হোটেল যেমন * হোটেল জজ * হোটেল আল মোবা * হোটেল মাউন্টেন ভিউ * হোটেল ডিগনিটি * হোটেল সাফিয়া * হোটেল ড্রিমল্যান্ড ইত্যাদি। এছাড়া কেউ ইচ্ছা করলে পেদা টিং টিং, টুকটুক ইকো ভিলেজেও থাকতে পারেন।

খাগড়াছড়ি:
পর্যটন মোটেলঃ এটি শহরে ঢুকতেই চেঙ্গী নদী পার হলেই পরবে । মোটেলের সব কক্ষই ২ বিছানার । ভাড়াঃ এসি ২১০০ টাকা, নন এসি ১৩০০ টাকা । মোটেলের অভ্যন্তরে মাটিতে বাংলাদেশের মানচিত্র বানানো আছে । যোগাযোগঃ ০৩৭১-৬২০৮৪৮৫ ।
গিরি থেবার : এটি খাগড়াছড়ি শহরের কাছে খাগড়াছড়ি ক্যন্টনমেন্টের ভিতরে অবস্থিত। এখানে সিভিল ব্যক্তিরাও থাকতে পারে। সব রুমই শীতাতাপ নিয়ন্ত্রিত। যার মধ্যে ২ টি ভি আই পি রুম, প্রতিটির ভাড়া ৩০৫০ টাকা। ডাবল রুম ভাড়া ২০৫০ টাকা। একটি সিংগেল রুম যার ভাড়া ১২০০ টাকা। যোগাযোগ : কর্পোরেল রায়হান- ০১৮৫৯০২৫৬৯৪।
হোটেল ইকো ছড়ি ইনঃ খাগড়াপুর ক্যান্টর্মেন্ট এর পাশে পাহাড়ী পরিবেশে অবস্থিত । এটি রিসোর্ট টাইপের হোটেল । যোগাযোগঃ ০৩৭১-৬২৬২৫ , ৩৭৪৩২২৫ ।
হোটেল শৈল সুবর্নঃ ০৩৭১-৬১৪৩৬ , ০১১৯০৭৭৬৮১২ ।
হোটেল জেরিনঃ ০৩৭১-৬১০৭১ ।
হোটেল লবিয়তঃ ০৩৭১-৬১২২০ , ০১৫৫৬৫৭৫৭৪৬ , ০১১৯৯২৪৪৭৩০ ।
হোটেল শিল্পীঃ ০৩৭১-৬১৭৯৫ ।

সাজেক ভ্যালি:
সাজেক রিসোর্ট : এটি বাংলাদেশ সেনাবাহিনী পরিচালিত রিসোর্ট। যা সাজেকে অবস্থিত। যার দ্বিতীয় তলায় চারটি কক্ষ আছে। ভি আই পি কক্ষ ১৫,০০০ টাকা। অন্যটি ১২,০০০ টাকা। অপর দুইটি ১০,০০০ টাকা করে প্রতিটি। খাবারের ব্যবস্থা আছে। যোগাযোগ : খাগড়াছড়ি সেনানিবাসের গিরি থেবার মাধ্যমে বুকিং দিতে হবে। যার নম্বর : ০১৮৫৯০২৫৬৯৪। আরেকটি নম্বর : ০১৮৪৭০৭০৩৯৫।
রুন্ময় : এটি সাজেকে অবস্থিত। এর নীচ তলায় তিনটি কক্ষ আছে। প্রতিটির ভাড়া ৪৪৫০ টাকা। প্রতিটি কক্ষে ২ জন থাকতে পারবেন। ৬০০ টাকা দিয়ে অতিরিক্ত বেড নিতে পারবেন। উপরের তলায় দুইটি কক্ষ আছে ভাড়া ৪৯৫০ টাকা। প্রতিটি কক্ষে দুই জন থাকতে পারবেন। এটাতেও ৬০০ টাকা দিয়ে অতিরিক্ত বেড নিতে পারবেন। চারটি তাবু আছে প্রতি তাবুতে ২৮৫০ টাকা দিয়ে চার জন থাকতে পারবেন। যোগাযোগ : ০১৮৬২০১১৮৫২।
আলো রিসোর্ট : এটি সাজেকের একটু আগে রুইলুই পাড়াতে অবস্থিত। এটিতে মোট ৬ টি রুম আছে। ডাবল রুম ৪ টি ( ২টি খাট করে) । যার প্রতিটির ভাড়া ১০০০ টাকা। সিংগেল রুম ২ টি । প্রতিটির ভাড়া ৭০০ টাকা । যোগাযোগ : পলাশ চাকমা - ০১৮৬৩৬০৬৯০৬।
রুইলুই পাড়া ক্লাব হাউজ : এটি সাজেকের একটু আগে রুইলুই পাড়াতে অবস্থিত। এখানে ১৫ জনের মত থাকতে পারবেন। ভাড়া জনপ্রতি ১০০ টাকা করে দিতে হবে। নিজেরা রান্না করে খেতে পারবেন। এর কেয়ার টেকার মইয়া লুসাই দাদা সব ব্যবস্থা করে দিবে। লক্ষন নামেও একজন আছে, প্রয়োজনে আপনাদের সহযোগীতা করবে। এখানে দুইটি টয়লেট আছে। একটি ফ্রি ব্যবহার করতে পারবেন। অন্যটির জন্য ২০০ টাকা প্রদান করতে হবে। যোগাযোগ : মইয়া লুসাই - ০১৮৩৮৪৯৭৬১২। লক্ষন - ০১৮৬০১০৩৪০২।

কুয়াকাটা-
সবচেয়ে ভালো আবাসন ব্যবস্থা পর্যটন করপোরেশনের ইয়ুথ ইন কুয়াকাটা (০৪৪২৮-৫৬২০৭)। এ হোটেলে ১ হাজার ৫শ’ থেকে ৫ হাজার টাকায় বিভিন্ন মানের কক্ষ আছে।
এছাড়া এখানে পর্যটন করপোরেশনের অন্য একটি হোটেল হল পর্যটন হলিডে হোম (০৪৪২৮-৫৬০০৪)। এ হোটেলে ৮শ’ ২ হাজার ১শ’ টাকায় কক্ষ আছে। দুটি হোটেলেরই বুকিং দেওয়া যাবে ঢাকায় পর্যটনের প্রধান কার্যালয় থেকে। যোগাযোগ ০২-৮৮১১১০৯, ০২-৯৮৯৯২৮৮।
এছাড়া কুয়াকাটায় অন্যান্য ভালো মানের হোটেল হল হোটেল বনানী প্যালেস (০৪৪২৮-৫৬০৪২), হোটেল কুয়াকাট ইন (০৪৪২৮-৫৬০৩১), হোটেল নীলাঞ্জনা (০৪৪২৮-৫৬০১৭), হোটেল গোল্ডেন প্যালেস (০৪৪২৮-৫৬০০৫) ইত্যাদি। এসব হোটেলে ৬শ’ থেকে ২ হাজার

নিঝুম দ্বীপ-
থাকার জন্য আদর্শ স্থান ‘নামার বাজার’। এখান থেকে আপনি খুব সহজেই মূল বনে ঢুকতে পারবেন। এছাড়া এই এলাকাটি দক্ষিণ প্রান্তে হওয়ায় আপনি সাগরের কাছাকাছি থাকতে পারবেন।
থাকার জন্য নামার বাজারের উত্তরে রয়েছে অবকাশ পর্যটনের ‘নিঝুম রির্সোট’ । এখানে ২ শয্যার কক্ষ ভাড়া ১০০০ টাকা, ৩শয্যার কক্ষ ১২০০ টাকা, ৪ শয্যার কক্ষ ১৮০০ টাকা, ৫ শয্যার ডরমিটরির ভাড়া১০০০ টাকা, ১২ শয্যার ডরমিটরি ২৪০০ টাকা। ঢাকা থেকে এ রিসোর্টের বুকিং দেয়াযায়। যোগাযোগঃ অবকাশ পর্যটন লিমিটেড, শামসুদ্দিন ম্যানশন, ১০ম তলা, ১৭ নিউইস্কাটন, ঢাকা। ফোন- ৮৩৫৮৪৮৫, ৯৩৪২৩৫১, ০১৫৫২৪২০৬০২।
এছাড়া, ‘মসজিদ বোডিং’। বাজারের উত্তর প্রান্তে মসজিদ বোডিংএ থাকলে ভাড়া পড়বে মাত্র ৬০-৮০ টাকা জন প্রতি। এখানে রুমগুলো পরিপাটিএবং সুন্দর। রয়েছে গোসলের সুব্যবস্থা। আর মসজিদের ইমামের অনুমতি নিয়ে কম দামে সুস্বাদু ডাব খেতে পারবেন।
তাছাড়া বন বিভাগেরবাংলো, জেলা প্রশাসকের ডাকবাংলো, রেড-ক্রিসেন্ট ইউনিট ও সাইক্লোন সেন্টারেওথাকার ব্যবস্থা করা যায়। তবে এগুলোর জন্য পূর্বেই অনুমতি নিতে হয়।

বিরিশিরি-
থাকার ব্যবস্থা খুবই ভালো – সর্বজন পরিচিত YMCA এবং YWCA নামক দুটি রেস্ট হাউজ আছে, যেখানে আরাম করে থাকা যাবে। YWCA এর জন্য ‘অমিতা সাংমা – ০১৭১২০৪২৯১৬’ এবং YMCA এর জন্য সলিল চাম্বু গং – 01731039769 / 01916622684 – কে ফোন দিতে পারেন। YWCA te সাধারণ রুম পড়বে ৬০০ টাকা (২ বেড) আর VIP রুম এর হিসাব জানিনা (থাকিনাই), এচাড়াও অদের বিরাট একটা হলরুম আছে যেখানে একসাথে ১৮ জন থাকতে পারবে, সেক্ষেত্রে পার বেডে খরচ পড়বে ২০০ টাকা করে। YWCA এর ছাদটা সবচাইতে সুন্দর, সেখান থেকে পূর্ণিমা দেখতে অসাধারণ লাগে।

টিপসঃ
ঈদের ছুটিতে বাঁ অন্য কোন সরকারী বন্ধের দিন ঘুরতে গেলে আগে থেকে হোটেল বুকিং দিয়ে গেলে ভাল, তাইলে পরে আর ঝামেলায় পড়তে হয়না । আর হ্যাঁ, অফ সিজনে বা বন্ধের দিন বাদে অন্যদিন গেলে হোটেল আগে থেকে বুকিং না দিলেই আপনি লাভবান হবেন ।
ভ্রমণে গিয়ে যে কোন ধরণের বিপদে পড়লে ট্যুরিস্ট পুলিশের সহায়তা নিন, এদের ২৪ ঘন্টা হটলাইন নম্বর- ০১৭৬৯৬৯০৭৪০
(সিজন ভেদে ভাড়া কম বেশি হতে পারে)

13/08/2016

Address

Dhaka
1207

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Transform Outing posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Transform Outing:

Share

Category