10/10/2024
★৫৮ সেকেন্ড এর গল্প (৮৩)★
"ছয় দিনে কসমসের সৃষ্টি! "
আল্লাহ ছয় দিনে যে মহাবিশ্ব সৃষ্টি করেন, তাই Cosmos।এতে রয়েছে মহাবিশ্বের অগণিত বিলিয়ন বিলিয়ন গ্যালাক্সি, নক্ষত্র, গ্রহ, উপগ্রহ, নাইট্রোজেন, অক্সিজেন, অন্যান্য গ্যাস, স্থান, কাল এবং আল্লাহর সৃষ্টির যাবতীয় কিছুর অস্তিত্বের এক নাম Cosmos। মহাবিশ্ব বা কসমস এর বৃত্তে আলো পৌঁছাতে সময় লাগে ৯৩ বিলিয়ন আলোক বর্ষ। যা কোনদিন সম্ভব নয়। পৃথিবীতে আলো পৌঁছাতে লাগে ১/৭ সেকেন্ডের একটু বেশি। অর্থাৎ আলোর গতি প্রতি সেকেন্ডে ১ লাখ ৮৬ হাজার মাইল। পৃথিবীর ব্যাস ২৫০০০ মাইল।
Cosmos আরবি শব্দ কাউন।বাংলা মহাবিশ্ব, গ্রিক প্রতিশব্দ Kosmos।কোটি কোটি বছর চলে যাবে কসমসের অনুসন্ধান শেষ হবে না।
মহাবিশ্ব সৌর জগতের এক ক্ষুদ্রতম অংশ। এই পৃথিবীতে ১৯৫টি স্বাধীন রাষ্ট্র। ১৭ টি জাতিসংঘের সদস্য নন। পাঁচটি মহাদেশ অসংখ্য পাহাড়-পর্বত নদীনালা খাল-বিল মালভূমি, সমভূমি লেক ইত্যাদির মধ্যে কসমস বিচরণ করেছে, আপনাকে নিয়ে এন্টাকটিকা বাদে সমগ্র বিশ্বে।
দেখুন আপনাদের নিয়ে মাত্র 12 বছরে কসমসের পর্যটক দুনিয়ার, এক প্রান্ত থেকে আরেক প্রান্ত, এক মহাদেশ থেকে আরেক মহাদেশ, এক মহাসাগর থেকে আরেক মহাসাগর এক, দেশ থেকে আরেক দেশ, এক পর্বত থেকে অন্য আরেক পর্বত বিচরণ করে প্রমাণ করেছে কসমস হলিডে, আপনার হাতের মুঠোয় দুনিয়া।
আমরা শুরু করেছি, নিজ দেশ থেকে পৃথিবীর সর্বোচ্চ স্থান নেপালের মাউন্ট এভারেস্ট,ধর্মীয় স্থান পশুপতি, কপিলাবস্তু, ভারতের মোগল সম্রাট শাহজাহানের ভালবাসার অমর কীর্তি তাজমহল, ভূস্বর্গ কাশ্মীর, ভালবাসার গার্ডেন নিশাতবাগ, শালিমার বাগ, শিখদের স্বর্ণমন্দির এবং হিন্দুদের মথুরা, ভুটানের থিম্পু চাঁদের মাটি, চীনের মহাপ্রাচীর, আন্ডারগ্রাউন্ড ক্যাপিটাল, টেম্পল অফ হেভেন বেইজিং, হংকং দ্বীপ, কুনমিং ২ কোটি ৭০ লক্ষ বছর পূর্বের সমুদ্র যা এখন হিমালয় পর্বত, রাশিয়ার ট্রান্স সাইবেরিয়ান রেল, বৈকাল লেক, সেন্ট পিটার্সবার্গ, ইউ ক্যাটেরিন বার্গ, ইউরাল পর্বত এশিয়া-ইউরোপ বর্ডার,রেড স্কয়ার, মঙ্গোলিয়ার গোবি মরুভূমি, ভিয়েতনামের হাংলংবে,মালয়েশিয়ার টুইন টাওয়ার ও কে এল মিনারা, সিঙ্গাপুরের মেরিনা বে ও সেন্ট্রোসা, ইন্দোনেশিয়ার বালি ও জাকার্তা, মিশরের পিরামিড, মিশর মিউজিয়ামে ফেরাউন এর মমি, পৃথিবীর দীর্ঘতম নীলনদ, ভূমধ্যসাগর সুয়েজ খাল,কেনিয়ার মাছাইমারার হিংস্র জীব জন্তুর সাথে বাস, উজবেকিস্তান এর তাসখন্দে পৃথিবীর বৃহত্তম ও ক্ষুদ্রতম পবিত্র কোরআন শরীফ দেখা। ফারগানায় সম্রাট বাবুরের শৈশব স্মৃতি, আড়াল সাগর,খিবা,সিল্করোড কাজাকিস্তানের আলমাটি, কিরগিজিস্থানের বিশকেক, ছোট ছোট বাচ্চাদের চমৎকার সালাম বিনিময় প্রথা।
জর্ডানের সাহাবা ট্রি,সুরা কাহাফের গুহায় ৭ ব্যাক্তির কবর। রেড সী, লোহিত সাগর, হযরত মুসা (আঃ )মাজেজা পানির ঝরনা প্রবাহ, সৌদি আরবের পবিত্র মক্কাতে ওমরা পালন, আরাফাত, মিনা, মুজদালিফা ও তায়েফ এবং মদিনা শরীফ জিয়ারত ও ওহুদ যুদ্ধের ময়দান পরিদর্শন।
২৪০০ বছর পূর্বের পেট্রা সভ্যতা, ওয়াদিরাম, হযরত ঈসা (আঃ ) এর পাহাড়, সিটাড্রল, বৃহত্তম থিয়েটার, তুরস্কের অটোম্যানের টপকাপি, ক্যাপাডোসিয়ায় ১৫ লক্ষ বছর আগের মানব সভ্যতা, ব্ল্যাক সি বশফরাস প্রণালী (ইউরোপ এশিয়ার সংযোগস্থল) এডরিনে ইউরোপের প্রবেশ দ্বার, গ্রিস বুলগেরিয়া ও তুরস্কের সংযুক্ত স্থল, ম্যারীর পবিত্র স্থান ইফেসাস এবং আংকারা দর্শন।
জার্মান বার্লিন ও বন সিটি, হিটলারের ব্যাংকার, মিউজিয়াম, ভূস্বর্গ সুইজারল্যান্ড, ফ্রান্স আইফেল টাওয়ার, লুইবার মিউজিয়াম, মুনালিসার ভাস্কর্য, যুয়ান অফ আর্ক ফ্রান্সের জাতীয় নেত্রী।
যুক্তরাষ্ট্রের রাজধানী ওয়াসিংটন ডিসি,হোয়াইট হাউজ, জাতিসংঘের সদর দপ্তর নিউইয়র্ক, মানহাট্টান টাইম স্কয়ারে দিনরাত মেলা, আটলান্টিক মহাসাগরে স্ট্যাচু অব লিবার্টি, ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টার ( টুইন টাওয়ার ) ধ্বংসপ্রাপ্ত পরিদর্শন।
যুক্তরাজ্যের বাকিংহাম,টাওয়ার হিল মিউজিয়াম (কোহিনূর হিরা), টেমোস নদীর উপর গিনিস মান টাইম +-ঘড়ি,
কানাডার অটোয়া পরিদর্শন শেষে টরেন্টোর সুন্দর ও মনোরম এবং বেশি জনপ্রিয় শহর দেখে, আড়াই ঘন্টায় পথ অতিক্রম করে নায়াগ্রা জলপ্রপাত দেখা। ইহা আমেরিকা থেকেও দেখা যায়। ভ্যানকুভার প্রশান্ত মহাসাগরের সি বিচ পশ্চিম প্রশান্ত মহাসাগরে, পূর্বে প্রশান্ত মহাসাগর টোকিও সঙ্গে যুক্ত মাঝখানে প্রশান্ত মহাসাগর। এলবার্টা ক্যালনভেরী সুন্দর লেক ও স্বচ্ছ পানির জন্য বিখ্যাত। লস এঞ্জেলসে হলিউড, ভিক্টোরিয়া জাহাজে কোস্টারিকা যাতায়াত চলে।
গ্রান্ডক্যালিয়ন বড় গিরিখাত। লাসভেগাস পৃথিবীর বড় ক্যাসিনো গ্রাউন্ড। ফ্লোরিডা পৃথিবীর বিখ্যাত সী বিচ মায়ামী।
মেক্সিকো চিচেন ইটজা পিরামিড, কোস্টারিকা পৃথিবীর বনভূমি ও সৌন্দর্যের লীলাভূমি। অস্ট্রেলিয়ার সিডনিতে বিখ্যাত অপেরাহাউস,তিমি মাছের বাস। মেলবোর্ন দি গ্রেট ও ওসান ড্রাইভে ৭ স্টপেজ পাহাড়। এখানে মানুষের চেয়ে ক্যাঙ্গারো বেশি। রাস্তায় বনে জঙ্গলে সর্বত্র ক্যাঙ্গারো।
শ্রীলংকার এডাম ফিট পাহাড়ে হযরত আদম (আঃ) বেহেস্ত থেকে অবতরণ করেছিলেন।
মহাবিশ্বের তুলনায় পৃথিবী ছোট অথচ বৈচিত্র্যে ভরা।, অগণিত দর্শনীয় স্থানে আমরা আপনাদের নিয়ে পদচারণ করেছি। স্বচক্ষে দেখেছি। ভবিষ্যতে আপনাদের নিশ্চয়ই অবশিষ্ট স্থানগুলোও নিয়ে যাবো ইনশাআল্লাহ।
আপনারা শুনে খুশি হবেন যে, কসমস হলিডের প্রধান অফিস ধানমন্ডিসহ, বনানী ও উত্তরা থেকে ১০০ জন কর্মী একযোগে বিশ্বব্যাপী কসমসের কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। আপনাদের দোয়া ও সহযোগিতাই আমাদের একমাত্র অবলম্বন। আপনারা আমাদের সাথে থাকুন, আমরা আছি আপনাদের সাথে ইনশাল্লাহ।
পৃথিবীর যেকোনো প্রান্ত থেকে যেকোনো ভ্রমন সংক্রান্ত প্রয়োজনে যোগাযোগ করুন -
০১৭১৪৩৯৫১৯৫ / ০১৯৭৪৩৯৫১৯৫