Mega Tours BD

Mega Tours BD Mega Tours BD Travel Agency
We Provide
Tour Package
Visa
Air Ticket
Hotel Booking

টোয়াব ইন্টারন্যাশনাল ট্যুরিজম এওয়ার্ড ২০২৬ এর Best outbound Tour operator হিসেবে কসমস হলিডেকে পুরস্কৃত করায় মহান আল্লাহ্...
20/05/2026

টোয়াব ইন্টারন্যাশনাল ট্যুরিজম এওয়ার্ড ২০২৬ এর Best outbound Tour operator হিসেবে কসমস হলিডেকে পুরস্কৃত করায় মহান আল্লাহ্‌র প্রতি শুকরিয়া প্রকাশ করছি। এ সফলতার জন্য আমাদের সকল কর্মকর্তা, ব্যাবস্থাপকের অবদান শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করছি। স্মরণ করছি আমাদের প্রিয় শুভাকাঙ্ক্ষী ভ্রমণপিপাসু মানুষ গুলোকে। আমাদের শ্রেষ্ঠত্বের জন্য মূলত আপনারাই সহায়ক । এ কৃতিত্ব আপনাদেরই । ভবিষ্যতে আপনাদের সকলের সহযোগিতা আন্তরিকতা ও পরামর্শ পেলে আমাদের আকাঙ্ক্ষার স্তর আরো উচুতে পৌছবে ইনশাআল্লাহ্‌ ।

10/02/2026
Happy New Year 2026
01/01/2026

Happy New Year 2026

13/09/2025
★৫৮ সেকেন্ড এর গল্প (৯৫)★"আনন্দ বেদনা পাশাপাশি চলে।" মিশর সফর করছি। এ সফরে ফেরাউনদের সম্পর্কে জেনেছি। মিশরের প্রতিটি পদক...
03/11/2024

★৫৮ সেকেন্ড এর গল্প (৯৫)★

"আনন্দ বেদনা পাশাপাশি চলে।"

মিশর সফর করছি। এ সফরে ফেরাউনদের সম্পর্কে জেনেছি। মিশরের প্রতিটি পদক্ষেপে মনে হয় যেন, রামাসেস ২ মানে ফেরাউন, যিনি মুসা আ: এর সাথে আল্লাহ তালার বিরুদ্ধে কট্টর ভূমিকায় ছিলেন। তিনি এখনো জীবিত কারন, দেশের স্থানে স্থানে রয়েছে তার স্ট্যাচু। মোসা আঃ লোহিত সাগরের অলৌকিক রাস্তা অতিক্রম করলেন দলবল সহ, আর ফেরাউন সাগরের ওই রাস্তায় ডুবে মারা গেলেন। লুক্সরে যেখানে তার জন্মভূমিতে কবর খোঁড়া হয়েছিল, দেখলাম।কিন্তু তিন হাজার বছর পর্যন্ত লাশ খুজে পাওয়া যায়নি। সমুদ্রে পরে পাওয়া যায়, বর্তমানে তার মমি রয়েছে,মিশর মিউজিয়ামে।

লোক্সরে প্রাচীন ধ্বংসাবশেষ রাজপ্রাসাদ, পৃথিবীর দীর্ঘতম নীলনদ রাস্তার দু'ধারে অববাহিকা অঞ্চলে, কৃষি ভূমি মিশরকে সকল আফ্রিকার দেশ থেকে আলাদা করেছে। এই নদের তীরে বিশ্বের সবচাইতে প্রভাবশালী রানী ক্লিপেট্রার প্রাসাদ, পানির নিচে এবং উপরে এখনো কালের সাক্ষী হয়ে আছে।
পবিত্র কোরআনে হযরত ইউসুফ আ: এর স্মৃতি বিজড়িত দেশ মিশর, প্রাচীন সভ্যতার লীলাভূমি দেখা, অতি সৌভাগ্যের বিষয়।

অনেকবার মিশরকে দেখেছি। প্রতিবারই নতুনভাবে দেখেছি, মিশরের পিরামিড সপ্তম আশ্চর্যের একটি। এর কাহিনী ছোট্ট পরিসরে লেখা সম্ভব নয়। ফারাও যুগের রাজাদের নাম সংরক্ষনে এই পিরামিড নির্মিত হয়েছিল। আলেকজান্দ্রিয়ায় কোথাও কোথাও মাটির নিচে প্যাঁচানো সিঁড়ি বেয়ে, অনেক নিচ পর্যন্ত তাদের স্মৃতি ধারণ করা আছে। রোমান থিয়েটার আশ্চর্য এক নিদর্শন। বিশ্বের প্রাচীন বিশ্ববিদ্যালয় আছে আল আজহার এবং বিশ্বের বৃহত্তম লাইব্রেরী শোভা পাচ্ছে ভূমধ্যসাগর তীরে।

আলেকজান্দ্রিয়ার প্রাচীন বাতিঘর, ক্যান্টনমেন্ট ভূমধ্যসাগরকে অলংকৃত করেছে। আলেকজান্দ্রিয়ার মুরতাজা গার্ডেন দেখতে আসেন প্রতি বছর বিশ্ব নেতৃ বৃন্দ। আলেকজান্ডার দি গ্রেট এর লুক্কায়িত কবর, আলেকজান্ডারীয়ায়। আসুয়ান ডাম, কায়রো, মিশরের রাজধানী এবং সুয়েজ খাল দেখে দেশের ফেরার কথা ভাবছি।

রওনা হবার দুই দিন আগে ঢাকায় খবর পেলাম, আমার স্ত্রী সাবেক বিএনপি'র এমপি নূর আফরোজ জ্যোতির বিরুদ্ধে অন্যায় ভাবে বগুড়া কোর্টে মামলা করা হয়েছিল। মামলাটিতে তিনি জামিনে ছিলেন। রাজনীতি বিদদের মতে ফর্মাইসি আদালত জামিন বাতিল করলেন। আদালতে সময় চাওয়া হলেও, না মঞ্জুর হল । সাফাই সাক্ষী চাওয়া হল, নামঞ্জুর হল।নিজে সাক্ষী দিতে চাইলেন, তাও না মঞ্জুর হলো।
ঢাকা থেকে উকিল নেয়া হল। তারিখের দিন উকিল কে, কোন কিছু বলতে অনুমতি দেয়া হলো না। তারিখের দিন আমাদের টিম কায়রো থেকে শারজাহ হয়ে ঢাকা পৌঁছে। এর মধ্যে টিমের কেউ বুঝতে পারেনি আমার বিষয়টি, আমার উপর দিয়ে প্রবাহিত ঝড়ের গতি।

এয়ারপোর্ট থেকে টিম চলে গেলেন, নিজ নিজ বাড়িতে। আমি স্ত্রীর খোঁজখবর নিতে বাসায় গিয়ে জানতে পারলাম, স্ত্রী জেলে। এক সপ্তাহের মধ্যে দেখা করা সম্ভব নয়, প্রস্তুতি নিলাম হাইকোর্টে আপিল করতে। বগুড়ায় চেষ্টা নিলাম এমপি হিসেবে ভিআইপি মর্যাদা পাবার। প্রশাসন থেকে বলা হল, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অনুমতি নিতে, ইতোমধ্যে ভিআইপি আসনটি দেয়া হল এক হিজরাকে। আর ভি আই প্রাপ্যকে দেয়া হলো মেঝেতে। খামাখা সময় নষ্ট না করে হাইকোর্টে জামিনের চেষ্টা করি।

বন্ধুদের অনুরোধে, আমি টোয়াব নির্বাচনে অংশ গ্রহণের জন্য আবেদন করেছিলাম। প্রতিদিন নির্বাচন ক্যাম্পেইনে অংশ নিতে হয়। ঢাকা, সিলেট, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, খুলনা, রাজশাহী, বগুড়া, ময়মনসিংহ প্রতিটি অঞ্চলে সফর করতে হচ্ছে। সপ্তাহে একদিন বগুড়ায় জেলখানায় স্ত্রীর সঙ্গে দেখা করি। ঈদে চোখের পানিতে পরিবারকে নিয়ে কোরবানির মাংস খেতে বসি। প্রত্যেকের চোখের পানিতে খাওয়া হয় না। জেল খানায় মাংস পাঠানোর ব্যবস্থা করা হলেও তা ঠিকমতো পৌঁছেনি। অফিস, নির্বাচন, জেলখানায় খোঁজখবর, হাইকোর্ট সব জায়গায় দায়িত্ব পালনের জন্য শারিরীক অবস্থা অসহনীয়, খারাপ আকার ধারণ করে। তবু যেন কিছু হয়নি। নিকটতম বন্ধুরা জানলেও কিছুই তাদের করার ছিল না তাদের মুখে সান্ত্বনা দেয়ার ভাষা ছিল না। তারাও ভীষণভাবে মর্মাহত। হৃদয়বিদারক ঘটনা, সান্তনা দেবার ভাষা নেই বলে, তারাও স্বাভাবিক।

নির্বাচনে ফার্স্ট ভাইস প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হলাম।
আমার স্ত্রী বগুড়ায় একটি কলেজের অধ্যক্ষ ছিলেন। ২০১০ সালে সাসপেন্ড করা হলো। কোন কারণ দর্শানো হয়নি। হাই কোর্ট, সুপ্রিম কোর্টের রায় গুলো আমাদের পক্ষে, কিন্তু কলেজে যেতে দেয়া হয়নি গুন্ডাবাহিনী দিয়ে। ন্যায় সঙ্গত অধিকার আদায়ে বারবার গিয়েছেন, বারবার অন্যায় ভাবে প্রবেশে বাধা দেয়া হয়েছে। কলেজের বেতন ব্যক্তিগত হিসাব থেকে অন্যায় ভাবে তুলে নেয়া হয়েছে।

প্রশাসন সরকারি মদদে প্রমোশন এর আশায় যা তা খারাপ ব্যবহার করেছে। আইন আদালত কিছুই মানেনি। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়েরকে মিথ্যা ভাবে কাগজপত্র দেখিয়ে হয়রানি চরম সীমায় পৌছে। মাঝে মাঝেই জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় বিভিন্ন আদেশ কে জালিয়াতি করে আমল আসল সত্যকে গোপন করা হয়। শিক্ষা অধিদপ্তরের আদেশে পাওনা বেতন আনতে গেলে কলেজ থেকে বিল করতে দেওয়া হয়নি। এমন অনেক অত্যাচারের কাহিনী যা সইতে হয়েছে।

মামলায় হাইকোর্টে জামিন হল। বিচারপতি শুনানিতে বলেন, শুধু কি বিএনপি বলেই ! ........।

৮৩ দিন জেলে থাকার একটি নির্মম বর্ণনা। এ ঘটনা শুধু বগুড়া, রাজশাহী নয়, পুরো দেশ জানে। এসব পত্রপত্রিকা টেলিভিশনেও সম্প্রচারিত হয়েছে। আজকে আল্লাহর নিকট প্রার্থনা আল্লাহ পরম শত্রুকেও এমন শাস্তি যেন না দেন।

মিশর ভ্রমণ পুরোপুরি আনন্দদায়ক হয়েছে। মানুষ নামে অমানুষের জুলুম বেদনাদায়ক হলেও আনন্দ ও বেদনা পাশাপাশি চলে। যারা বোঝে না, তারা ভুল করে।

পৃথিবীর যেকোনো প্রান্ত থেকে যেকোনো ভ্রমন সংক্রান্ত প্রয়োজনে যোগাযোগ করুন -
০১৭১৪৩৯৫১৯৫ / ০১৯৭৪৩৯৫১৯৫

★৫৮ সেকেন্ড এর গল্প (৯৪)★"রাজনীতিবিদদের নিকট দেশবাসী কি চায়?" আমি রাজনীতিবিদ নই। অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক, সরকারি কর্মকর্তা,...
02/11/2024

★৫৮ সেকেন্ড এর গল্প (৯৪)★

"রাজনীতিবিদদের নিকট দেশবাসী কি চায়?"

আমি রাজনীতিবিদ নই। অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক, সরকারি কর্মকর্তা, সচেতন নাগরিক। আমার মনে পড়ে গোপাল ভাঁড়ের একটা গল্প। রাজা কৃষ্ণচন্দ্র কয়েকজন চিকিৎসক নিয়োগের জন্য, গোপাল ভাঁড় কে সাক্ষাৎকার নেয়ার আদেশ দিলেন। গোপাল ভাঁড় প্রথম প্রার্থীকে প্রশ্ন করলেন, চিকিৎসক হিসেবে এ যাবৎ কতজন রোগী মারা গেছেন? উত্তরে চিকিৎসক বললেন, এযাবৎ আমার কোন রোগী মারা যায়নি। দ্বিতীয় জনকে একই প্রশ্ন করলেন, তিনি উত্তরে বললেন, দুইজন রোগী মারা গেছেন। তৃতীয় জনকেও একই প্রশ্ন করলেন, তিনি বললেন ৫ জন। চতুর্থ জন ১০ জন, পঞ্চম জন 20 জন, এভাবে ১০ জন পর্যন্ত চিকিৎসকের সাক্ষাৎকার নিয়ে গোপাল ভাঁড় বললেন, ১০ জন চিকিৎসকের হাতে শহরের যত বাড়ি থেকে লোক মারা গেছেন , এই শহরের প্রতি পরিবারের গড়ে, একজন করে মারা গেছেন। বাকিদের হাতে আর মারার সুযোগ নেই। তাই পরীক্ষা বন্ধ।প্রতিজন চিকিৎসক ভাবতেন, ওর অল্প রোগী মারা যাওয়ায় পরীক্ষক সন্তুষ্ট নন । তাই বাড়িয়ে বলা যুক্তি সঙ্গত। এভাবে সবাই মৃতের সংখ্যা বাড়াতে গিয়ে অযোগ্য হয়ে গেলেন।

বাংলাদেশ পৃথিবীর মানচিত্রে এক গুরুত্বপূর্ণ স্থানে অবস্থান করছে। এর ঐতিহাসিক, ভৌগোলিক, অর্থনৈতিক ও সামাজিক অবস্থান দৃঢ়। জাতি হিসেবে পৃথিবীতে সম্মানজনক স্থানে প্রতিষ্ঠিত হলেও গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হয়নি। এটা ইতিহাসের নির্মম শিকার, এ দেশের ১৮ কোটি মানুষ এবং সাক্ষী বিশ্বের ৭০০ কোটি মানুষ।

সম্প্রীতি ৫ আগস্ট দেশের বৈষম্যহীন ছাত্রসমাজ ও জনতার গণঅভ্যুত্থানে স্বৈরাচার সরকারের পতন হয়েছে। শেখ হাসিনা ভারতে আশ্রয় নিয়েছে।

দেশে জানামতে,৬১টি রাজনৈতিক দল রয়েছে। এর মধ্যে কিছু কিছু নাম সর্বস্ব হলেও জনগণের জন্য কথা বলেন। এজন্য সম্মান করি। এর চেয়ে বেশি দল থাকতে পারে, তাদের সকলের প্রতি সম্মান রেখে কিছু ভাবছি।

আমাদের রাজনীতিবিদদের ভাবনা থেকেই বলছি। ১৬ বছরের মহা সংগ্রাম পেরিয়ে ৫ আগস্ট থেকে কথা বলার সুযোগ পেয়ে কেউ কেউ বলছেন, আমরা ক্ষমা করে দিয়েছি। কিন্তু আপনি ক্ষমা করার কে? ক্ষমা করবে কোর্ট অথবা ভবিষ্যৎ আইন পরিষদ।

ক্ষমতায় থেকে বলা যায় না, এক স্বৈরাচার বিদায় করে দিয়েছি অন্য স্বৈরাচার আসতে দেবো না। কাউকে বহিষ্কার না করে, অভিযোগের মীমাংসার না হওয়া পর্যন্ত অস্থায়ী বহিষ্কার বা রাজনীতি করার স্থগিত চিন্তা করা যেতে পারে, এটাই হওয়া উচিত। বিচার না হওয়া পর্যন্ত দল রাজনীতি করতে পারবে না।

একমাস পর সরকার উচ্ছেদ করব, এমন কথাও বলা উচিত নয়। মনে রাখতে হবে, এটা রাজনৈতিক সরকার নয়। সময় দিতে হবে।ধৈর্য ধরতে হবে। অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের কাজ সীমিত। তাদের প্রধান কাজ সুষ্ঠু নির্বাচনের ব্যবস্থা করা। এজন্য আইন শৃঙ্খলা ও দেশের স্বাধীনতা ও সর্বভৌমত্ব বজায় রাখা। পরিবেশের মতো কোনো জটিল কাজে হাত দিয়ে, জাতীয় ও আন্তর্জাতিক সমস্যায় হাত দেয়া, সেন্ট মার্টিন পর্যটনে হাত দেয়া সমস্যা বাড়ানোর সামিল। এ কাজ করতে হলে রাজধানীর বুড়িগঙ্গা নদী ও সদরঘাটের সর্বাগ্রে সংস্কার প্রয়োজন।

১৬ বছরের রাজনৈতিক মামলাগুলো খারিজ করা ও অপরাধীদের ন্যায় বিচার নিশ্চিত করা।যারা জীবন দিয়েছেন, তাদের ক্ষতিপূরণ এবং যারা আহত তাদের চিকিৎসা করা একান্ত আবশ্যক।দেশের রাষ্ট্রপতিকে সরাতে বাঁধা থাকার কথা নয়। এটা বিপ্লবী সরকার। দেশের শাসনতান্ত্রিক সরকার নেই। প্রয়োজনবোধে এই সরকারকে সহযোগিতা করা আবশ্যক। শপথ ভঙ্গ কারী রাস্ট্রপতির ক্ষমতা থাকার আইনগত কোনো অধিকার নেই। সর্বাগ্রে নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা করে এ লক্ষ্যে এগিয়ে যান। দেশের পঞ্চম বাহিনী অবিরত কাজ করে যাচ্ছে। জনপ্রিয় কাজ নিয়ে এগিয়ে যান। পঞ্চম বাহিনী ধ্বংস হয়ে যাবে। শক্ত হাতে আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণ করুন। অপরাধীরা অনুতপ্ত হোন, এই দেশ আপনারও। দেশকে ভালোবাসা ঈমানের অঙ্গ। দেশকে গড়ে তুলতে সহযোগিতা করুন।

নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের দাম যাতে বৃদ্ধি না পেতে পারে, সেজন্য চাল ডাল তেল লবণ ইত্যাদি রেশনে দিন।

প্রতিদিন নিত্যনতুন দাবি নিয়ে, বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রয়োজনে অপ্রয়োজনে মিটিং, মিছিল করে যাচ্ছে। রাজনীতিবিদদের সাথে অন্তরবর্তী কালীন সরকারকে ঘন ঘন মিটিং করতে হবে। তাদের পরামর্শ নিয়ে, জাতির প্রয়োজনে যা করা দরকার তাই করবেন। নির্বাচনকে অগ্রাধিকার দিন, নইলে ভবিষ্যতে সমস্যার সমাধান দুরুহ হয়ে উঠতে পারে।

অপরাধীদের গ্রেপ্তার করে নিয়ে, বিচারের মাধ্যমে, দেশে শান্তি ফিরিয়ে আনুন। নির্বাচন দিতে বেশি সময় নিলে, নানা জন নানা, দাবী উঠিয়ে সরকারকে চাপের সম্মুখীন করবে।

সকল রাজনীতিবিদ ও দলকে বিশেষ অনুরোধ করবো, দেশবাসী চায়, জাতীয় স্বার্থে সর্বোচ্চ ঐক্য প্রতিষ্ঠা করতে। নির্বাচনে দলকে জনগণের নিকট মেনুফেস্টু ও ইশতেহার নিয়ে যথা সময় হাজির হবেন। নির্বাচনের আগ পর্যন্ত সর্বোচ্চ ত্যাগ স্বীকারে ঐক্যবদ্ধ হন। নইলে ঈগল ছু দিতে পারে। গোপাল
ভাঁড়ের চিকিৎসকদের মতো হবেন না। কসাইয়ের ছুরি ব্যবহার করবেন না। ডাক্তারের ছুরি ব্যবহার করে দেশকে রাহু মুক্ত রাখুন।

পৃথিবীর যেকোনো প্রান্ত থেকে যেকোনো ভ্রমন সংক্রান্ত প্রয়োজনে যোগাযোগ করুন -
০১৭১৪৩৯৫১৯৫ / ০১৯৭৪৩৯৫১৯৫

★৫৮ সেকেন্ড এর গল্প (৮৮)★"৮২১ বছর যাবত লক্ষন সেনের পদত্যাগপত্র খুজছি"আমার এক প্রাক্তন ছাত্র সিনিয়র বি.সি.এস অবসর প্রাপ্...
24/10/2024

★৫৮ সেকেন্ড এর গল্প (৮৮)★

"৮২১ বছর যাবত লক্ষন সেনের পদত্যাগপত্র খুজছি"

আমার এক প্রাক্তন ছাত্র সিনিয়র বি.সি.এস অবসর প্রাপ্ত কর্মকর্তা, আমাকে ইনবক্স করে জানান, "পেছনে দরজা দিয়ে নদীয়া পালিয়ে যাওয়ায় লক্ষণ সেনের পদত্যাগ পত্র এখন পর্যন্ত পাওয়া যায়নি "। সুতরাং, লক্ষ্মণ সেনই বাংলাদেশের বৈধ অধিপতি।

বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ৫ আগস্ট গণ অভ্যুত্থানে ভারতে পালিয়ে যান।যাবার সময় বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতির নিকট পদত্যাগপত্র পেশ করেন বলে, উক্ত তারিখে রাত ১১.২০ মিনিটে দেশবাসীকে জানান রাষ্ট্রপতি। পরবর্তীতে সুপ্রিম কোর্টের রেফারেন্সে, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের উপদেষ্টাদের শপথ বাক্য পাঠ করান রাষ্ট্রপতি । ২১ অক্টোবর তারিখ তিনি পত্রিকার এক সম্পাদক কে বলেন,রাষ্ট্রপতি অনেক খুঁজেছেন, পদত্যাগ পত্রটি, কোথাও পাননি। তার কাছে পদত্যাগের কোনো দালিলিক প্রমাণ নেই।

মহামান্য রাষ্ট্রপতিকে ৫ আগস্ট এবং ২১ অক্টোবর " দু-দিন, দু চেহারায় দেখলাম"। গণতান্ত্রিক অধিকার হিসেবে বলতেই পারি, তিনি শপথ ভঙ্গ করেছেন। এজন্য অভি সংসন হতো যদি পার্লামেন্ট ভেঙ্গে দেয়া না হত এবং প্রধানমন্ত্রী স্বপদে থাকতেন। এখন তার কার্যকলাপে রাষ্ট্রপতি তার যোগ্যতা হারিয়েছেন।

যেহেতু বিপ্লবী সরকার, সেজন্য সংবিধান তো কার্যকরী নেই। এখন বিপ্লবী অন্তর্বর্তীকালীন সরকার, দেশ ও জাতির প্রয়োজনে যে কোন সিদ্ধান্ত নিতে পারেন।

ধান নেই খড় ভেঙে লাভ নেই। এটা বিশেষ মহলের একটা কারসাজী, যারা গত তিনটে নির্বাচনে জাতিকে ঠকিয়েছে,এ কথা তাদেরই। সাবেক প্রধানমন্ত্রী পদত্যাগ দেন বা না দেন এটা প্রযোজ্য নয়। সাবেক প্রধানমন্ত্রী কে আল্লাহর প্রতি শুকরিয়া করা উচিত। না পালালে তার কি পরিণতি হত,তা আল্লাহই ভালো জানেন।

লক্ষণ সেন ১২০৩ খ্রিস্টাব্দে ইখতিয়ার উদ্দিন মোহাম্মদ বখতিয়ার খিলজির আগমন বার্তায়, তিনি পিছনের দরজা দিয়ে পালিয়ে যান। ৮২১ বছর হয়ে গেল, কিন্তু কেউ তার পদত্যাগপত্র খুঁজে পায়নি।

এ খবরে পৃথিবীর অন্যতম স্বৈরাচারী উগান্ডার ইদি আমিন এর বংশধরগন নড়ে চরে উঠেছেন।ইদি আমিন পালিয়েছেন ১৯৭৯ সালে কিন্তু তার পদত্যাগ পত্র,আজ পর্যন্ত কেউ খুজে পাননি। তার কবর যাতে উগান্ডায় হয়, মৃত্যুর আগে দেশে আসার আকুল আবেদন জানিয়েছিলেন। কিন্তু দেশবাসী গ্রহণ করেনি তার আবেদন।

বাংলাদেশের বর্তমান খবরের বিস্মিত ইরানের রেজা শাহ পাহলবীর বংশধর। যদিও তার ছেলে বা মেয়ে উত্তরশুরী কেউ জীবিত নেই। জ্ঞাতি গুষ্টির লোকজন ভাবছিল, রেজা শাহ নিজেও পদত্যাগ পত্র দেননি। কাজেই ইরানের ময়ূর সিংহাসন নিশ্চয়ই তারা ফিরে পেতে পারেন।
এই ময়ূর সিংহাসন রক্ষার জন্য নিঃসন্তান রেজা শাহ রানী সুরাইয়ার ঘরে কোন সন্তান না হওয়ায়, তিনি মিশরের বাদশা ফারুকের বোন প্রিন্সেস ফারাহ ডিবাকে বিয়ে করেন।///

ফারাহ ডিবা এক পুত্র ও এক কন্যার জন্ম দেন ঠিকই, কিন্তু রাষ্ট্র ক্ষমতা হারান রেজা শাহ। পালিয়ে যাবার সময় এক ঝাঁপি রঙের মাটি নিয়ে গিয়েছিলেন তার কবরে দেওয়ার জন্য। তিনি জানতেন তাকে দেশে আসতে দেওয়া হবে না। রেজা শাহকে কেউ স্থান দেয়নি। সবশেষে ক্যান্সার রোগীকে মানবিক কারণে যুক্তরাষ্ট্র স্থান দেয়ার বিনিময়ে, পৃথিবীর সবচাইতে সাহসী কাজটি বিপ্লবী আয়তুল্লাহ খোমেনি সরকার করেন। ইরানের এম্বাসিতে অবস্থানরত যুক্তরাষ্ট্রের ৩০জন কুটনৈতিককে বন্দী করে ইরানের জেলে পুড়েন।বন্দীদের মুক্ত করতে জাতিসংঘের সকল প্রচেষ্টা ব্যর্থ হয়।১৯৭৯ সাল থেকে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের মধ্যে আজ অবদি বৈর সম্পর্ক চলে আসছে।

গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি যদি জিহবা উলটান শুধু বাংলাদেশ নয়, বিশ্ব শান্তির জন্য হুমকি। মারাত্মক হুমকি।

পৃথিবীর যেকোনো প্রান্ত থেকে যেকোনো ভ্রমন সংক্রান্ত প্রয়োজনে যোগাযোগ করুন -
০১৭১৪৩৯৫১৯৫ / ০১৯৭৪৩৯৫১৯৫

★৫৮ সেকেন্ড এর গল্প (৮৭)★"চেস্টা করবেন না মানুষকে বানর বানাতে। "দেশখ্যাত এক জাদুকরের অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছিলাম। জাদুকর এক...
23/10/2024

★৫৮ সেকেন্ড এর গল্প (৮৭)★

"চেস্টা করবেন না মানুষকে বানর বানাতে। "

দেশখ্যাত এক জাদুকরের অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছিলাম। জাদুকর একটি বড় সিন্দুকে উপস্থিত জনতার সামনে একজন মেয়েকে প্রবেশ করতে বলেন। মেয়েটি যথারীতি কাঠের সিন্দুকে প্রবেশ করেন। দর্শকদের মধ্যে থেকে একজনকে যাদুকর সিন্দুকটি পরীক্ষা করে দেখতে বলেন। পরীক্ষা শেষে জাদুকর সিন্দুকটি তালা বদ্ধ করেন এবং চাবিটি একজন দর্শকের হাতে দিয়ে দেন। কিছুক্ষণ পর জাদুকর দর্শককে বলেন, সিন্দুকটি খুলুন। খুলে দেখা গেল মেয়েটি বাক্সের মধ্যে নেই। সিন্দুকটি কাত করে সকলকে দেখানো হলো, কিন্তু কেউ মেয়েটিকে দেখতে পেলেন না। এক দর্শক বলে উঠলেন, আফসোস দেখতে পেলাম না! দর্শকদের হাততালি আর কন্ঠে আফসোস, প্যান্ডেল ময় হয়েছিল।

কয়েকদিন পর আমার এক প্রতিবেশীর বাড়িতে গেলাম বেড়াতে। বাড়িতে প্রবেশ করতেই দেখি ৭/৮ বছরের এক কিশোর লজেন্স খাচ্ছিল।আমি ওর বাবা-মার উপস্থিতিতে জিজ্ঞেস করলাম, কি খাচ্ছ বাবা? ও সোজা উত্তর দিল, "আফসোস খাচ্ছি"। ওর বাবা-মা, আমি হেসে উঠলাম। ওর বাবা আমাকে বললেন, ভাই জাদুর অনুষ্ঠানে গিয়ে, কি ভুল না করেছিলাম! লজেন্স খেতেও যদি আফসোস খায়, তাহলে এর প্রভাব কোথায় পড়তে পারে?

চার্লস ডারউইন ১৮০৯ সালের ২ ফেব্রুয়ারি ইংল্যান্ডে জন্মগ্রহণ করেন এবং ১৮৮২ সালের ১৯ এপ্রিল দেহত্যাগ করেন। তিনি পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ প্রাকৃতিক প্রাণী তত্ত্ববিদ। তিনি বিবর্তনবাদের প্রবক্তা। তিনি বলেন, দীর্ঘকাল এক প্রাণীর অস্তিত্ব চলতে থাকলে, একসময় বিবর্তন শুরু হয়। তিনি মানুষের চিন্তা জগতে দারুন ভাবে প্রভাবিত করেন। অসংখ্য বিজ্ঞানী এই নিয়ে গবেষণা করেন। কোন গবেষণাই ফলপ্রসু হয়নি। কারণ তাদের ধারণা, ক্ষুদ্র প্রাণী বিবর্তনের মধ্যে দিয়ে উন্নত প্রাণীতে পরিণত হয়েছে। তারা মনে করেন, মানুষ একসময় বানর ছিল। ধীরে ধীরে বিবর্তন হতে হতে আজ মানুষে উন্নীত হয়েছে। এভাবে মানুষ বানরের বংশধর। অন্যান্য প্রাণী ও বিবর্তনের মধ্য দিয়ে আজকের বিশ্বে স্থান করে নিয়েছে। স্থান করে নিয়েছে প্রাকৃতিক নির্বাচনের মাধ্যমে। মানুষ বিবর্তনের মাধ্যমে পরিবর্তন হয়ে যদি থাকে, তাহলে পরে কি হবে? বিবর্তন যদি হয়, তাহলে চলমান থাকার কথা এবং এতদিন তো কোন বানর,
"বানর" থাকার কথা নয়। মানুষও বিবর্তনের মাধ্যমে পরবর্তী লক্ষ্যে পৌঁছার কথা। শুধু বানর কেন? অন্য প্রাণীদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য।

মানুষ বানরের সাথে মেশা মেশি শুরু করে অনেক অঘটন ঘটিয়েছে। যদি মেনে নেই মানুষ বানরের পূর্বপুরুষ, অনেক বানর ভক্তকে দেখি যারা বানর নিয়ে দিন কাটায়, কিন্তু ওরা একটি বানরকেও মানুষ বানিয়ে দেখাতে পারেনি। বানর যদি মানুষের পূর্বপুরুষ হয়ে থাকে, তাহলে সংসার করতে আপত্তি থাকার কথা নয়।

মতবাদে আপত্তি আছে বলেই, দেশের সচেতন মানুষকে প্রতিবাদ করতে দেখেছি। তারা বলতে চায়, কোমলমতি কিশোরদের মধ্যে ভ্রান্ত ধারণা ছড়িয়ে, বিশ্বাসে চিড় ধরিয়ে, মানুষকে অমানুষ বানাতে চেষ্টা করবেন না। জনতার এই দাবির জবাব তারা দিতে পারেননি।
খোদ চার্লস ডারউইন নিজেই এই উদ্ভট বিশ্বাস উড়িয়ে দিয়েছেন। ঊনবিংশ শতাব্দীতে যে বিবর্তনবাদের জন্ম হয়েছিল, তা এই শতাব্দীতে সকল বিজ্ঞানী বাতিল করে গেছেন।

মানুষ সৃষ্টির সর্বশ্রেষ্ঠ জীব মানুষের আদি পুরুষ ও নারী হযরত আদম (আঃ) এবং বিবি হাওয়া( রাঃ)। ইহা অনুসরণ ও বিশ্বাস করে জ্ঞান চর্চা করছি। মানুষকে অমানুষ বানানোর ঘৃন্য চেষ্টা করে, ওই কিশোরের মত আফসোস খাই সুত্রে, কোমলমতি শিশুদের আফসোস খাইয়ে আর বিপথে চালাবেন না। ওদের সিলেবাসে আফসোস ডুকাবেন না। সারা পৃথিবী যে তথ্যকে মৃত বলেছে, তাকে জীবিত করার অপপ্রয়াস কেন? পৃথিবীর চারদিকে সূর্য ঘুরে, তত্ত্বটি গ্যালিলিওর যুগে চারশত বছর আগেই মৃত। সেটা আর জীবিত হবে না, জীবিত হবে না ডারউইন তত্ত্বও।

স্কুলের পাঠ্য থেকে বিবর্তন উঠান এবং চেস্টা করবেন না মানুষকে বানর বানাতে।

পৃথিবীর যেকোনো প্রান্ত থেকে যেকোনো ভ্রমন সংক্রান্ত প্রয়োজনে যোগাযোগ করুন -
০১৭১৪৩৯৫১৯৫ / ০১৯৭৪৩৯৫১৯৫
পৃথিবীর যেকোনো প্রান্ত থেকে যেকোনো ভ্রমন সংক্রান্ত প্রয়োজনে যোগাযোগ করুন -
০১৭১৪৩৯৫১৯৫ / ০১৯৭৪৩৯৫১৯৫

Address

Dhaka
1205

Opening Hours

Monday 10:00 - 18:00
Tuesday 10:00 - 18:00
Wednesday 10:00 - 18:00
Thursday 10:00 - 18:00
Saturday 10:00 - 18:00
Sunday 10:00 - 18:00

Telephone

8801974395195

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Mega Tours BD posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Mega Tours BD:

Shortcuts

Share

Category