Foreign Travels System

Foreign Travels System Tours and Travels

Get Ready for Dubai... অবশেষে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের পিসিআর ল্যাবের অনুমোদন দিয়েছেন  আরব আমিরাত কর্তৃপক্...
29/09/2021

Get Ready for Dubai...
অবশেষে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের পিসিআর ল্যাবের অনুমোদন দিয়েছেন আরব আমিরাত কর্তৃপক্ষ।

🇺🇸 USA 🇺🇸5 Years multiple Visit Visa.   ✅ পৃথিবীর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ও ক্ষমতাধর দেশ আমেরিকা। Land of Opportunity নামে প...
24/09/2021

🇺🇸 USA 🇺🇸
5 Years multiple Visit Visa.

✅ পৃথিবীর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ও ক্ষমতাধর দেশ আমেরিকা। Land of Opportunity নামে পরিচিত এই দেশে ভ্রমন করার শখ সবার ই থাকে। আমেরিকার ৫ বছরের মাল্টিপল ভিজিট ভিসা নিয়ে আপনিও চাইলে ঘুরে আসতে পারেন Dreamland USA তে। ৫ বছরের মাল্টিপল ভিসার জন্য আপনি নিজে বা পরিবার সহ আবেদন করতে পারেন। এই ভিসার আবেদন প্রক্রিয়া অনেকটাই সহজ। আপনি নিজে আবেদন করতে পারেন অথবা এক্সপার্ট কারো সাহায্য নিতে পারেন। মনে রাখবেন, আপনার ভিসা অন্য কেউ করে দিতে পারবে না, শুধুমাত্র প্রসেসিং এ সাহায্য করতে পারবে।
🇺🇸কিছু Question জেনে রাখা ভালো 🇺🇸
✅কিভাবে ভিসা প্রসেসিং শুরু করবেন ?
✅Single এপ্লাই করবেন নাকি Family সহ ?
✅ ব্যাংক এ কেমন টাকা থাকলে ভালো হয় ?
✅ জমিজমার পেপারস কি কোন কাজে লাগবে ?
✅ মাসিক ইনকাম কত থাকলে ভিসা পাবার যোগ্য ?
✅ FDR বা DPS তেমন কোন কাজে আসে কি না ?
✅ যারা বাড়ি ভাড়া পান তাদের কি পেপারস লাগবে ?
✅ যারা বিদেশে আছেন তারা কিভাবে এপ্লাই করবেন ?
✅সরকারী চাকুরীজিবীদের ভিসা পেতে কি দরকার হয় ? 🇺🇸✅প্রস্তুতি নিবেন কিভাবে ?
🇺🇸আপনার কোন হেল্প লাগলে
আমরা অবশ্যই আপনাকে সহযোগিতা করবো।
🇺🇸আপনার সপ্ন যদি হয় আমেরিকার ৫ বছরের মাল্টিপল ভিজিট ভিসা পাওয়ার, তাহলে সেই কাংখিত সপ্ন পুরনের জন্য আমরা আছি আপনার পাশে।
USA 5 Years multiple visit visa নির্ভুল প্রসেসিং এর জন্য আমাদের সাথে একটা meeting session বদলে দিবে সব ধারনা।
আপনার সপ্ন পুরনে শুভ কামনা রইলো।

🇺🇸 USA 🇺🇸 ✅ 5 Years  multiple visit visa.  ✅ Visa Category - B1/B2.  ✅ 2/3 Country Visited.  ✅ Businessman / Job Holder....
17/09/2021

🇺🇸 USA 🇺🇸

✅ 5 Years multiple visit visa.
✅ Visa Category - B1/B2.
✅ 2/3 Country Visited.
✅ Businessman / Job Holder.
✅ Family / Single Both.
✅ Submission within 1 month.
✅ High Success rate.
✅ Best B2B Service.
✅ Payment After Visa.
♦️ Knock me for more details.

Explore Dubai with us
17/09/2021

Explore Dubai with us

17/09/2021
নতুন প্রানে, নতুন ঘ্রানে ফুল ফুটুক সবার মনে। শুভ নববর্ষ ১৪২৮ বাংলা। সবাইকে পহেলা বৈশাখ - নতুন বংগাব্দ এর শুভেচ্ছা।
14/04/2021

নতুন প্রানে, নতুন ঘ্রানে
ফুল ফুটুক সবার মনে।

শুভ নববর্ষ ১৪২৮ বাংলা।

সবাইকে পহেলা বৈশাখ - নতুন বংগাব্দ এর শুভেচ্ছা।

সামনে ছুটি- ঘুরে আসুন ঝরনা রানী- খৈয়াছড়া(খুব অল্প খরচে দেখে আসুন বাংলা রুপ)আজ আমরা আপনাদের নিয়ে যাব সীতাকুণ্ডের পার্শ্বব...
23/04/2018

সামনে ছুটি- ঘুরে আসুন ঝরনা রানী- খৈয়াছড়া
(খুব অল্প খরচে দেখে আসুন বাংলা রুপ)
আজ আমরা আপনাদের নিয়ে যাব সীতাকুণ্ডের পার্শ্ববর্তী এলাকা মীরসরাই। যেখানে রয়েছে প্রকৃতির এক আজব খেয়াল খৈয়াছড়া ঝর্না। খৈয়াছড়া অভিযান রোমাঞ্চকর অনুভূতিতে পরিপূর্ণ। এই অভিযানের শুরুতে যে জিনিসটা সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন সেটি হল সাবধানতা এবং কিছুটা সাহস। কেননা খৈয়াছড়া ঝর্ণা যেতে হলে আপনাকে বেশ কিছুটা দুর্গম পথ পাড়ি দিয়ে যেতে হবে। তবে একজন গাইড ছাড়া এইখানে না যাওয়াই ভালো, এতে করে আপনাদের অভিযান আরো অনেকাংশে কঠিন হয়ে পড়বে।

Khoiachora1
আপনি যদি ঢাকার দিক থেকে যান তাহলে চট্টগ্রামের মিরসরাই পার হয়ে বারটাকিয়া বাজারের আগে খৈয়াছড়া আইডিয়াল স্কুলের সামনে ঢাকা চট্টগ্রাম রোডে নামবেন। বরটাকিয়ার প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পূর্ব দিকের রাস্তা ধরে দশ মিনিট হাঁটলে পথে রেললাইন পরবে, রেললাইন পার হয়ে আরো দশ মিনিট হাঁটলে ঝিরি পাবেন। ইচ্ছে করলে ঢাকা চট্টগ্রাম রোড থেকে ঝিরি পর্যন্ত আপনি সি.এন.জি নিয়েও যেতে পারবেন। ঐখান থেকে আপনাকে খৈয়াছড়া ঝর্ণার মূল ট্র্যাকিং শুরু করতে হবে। ঝিরি থেকে শেষ স্টেপ পর্যন্ত সোয়া দুই ঘন্টার মত সময় লাগবে। বৃষ্টি বা পাহাড়ি ঢল সমস্যার কারণ হতে পারে সেজন্য অবশ্যই দড়ি সাথে নিবেন, প্রয়োজনে কাজে লাগতে পারে। খৈয়াছড়া ঝর্ণা ট্র্যাকিং বাংলাদেশের অন্য ঝর্ণাগুলো থেকে একটু আলাদা। তাই সবসময় সতর্কতার সাথে পা ফেলবেন। এই অভিজানে অবশ্যই খাবার পানি, শুকনো খাবার ও প্রাথমিক চিকিৎসার সরঞ্জাম সাথে রাখবেন। কেননা বিপদ তো আর বলে কয়ে আসেনা। আর খাবার খেয়ে খাবারের প্যাকেট কিংবা খোসা যেখানে সেখানে ফেলে দয়া করে প্রকৃতির বারোটা বাজাবেন না।

Khoiachora2
এই ঝর্নাটি স্থানীয়দের কাছে চতল নামে পরিচিত। এই ঝর্নাটির উপরে আরো দুটি ধাপ রয়েছে, যেগুলো যথাক্রমে শিমুলতলি ও আমতলি নামে পরিচিত। এই পাহাড়ের সৌন্দর্য বর্ণনা করার কিছু নেই, নিজের চোখে না দেখলে এর সৌন্দর্য অনুধাবন করা অসম্ভব।
পর্যটকদের থাকার জন্য সীতাকুন্ডে খুব সাধারণ মানের কিছু হোটেল আছে তবে পর্যটকরা চাইলে এখানে অবস্থিত মন্দিরগুলোতে অনুমতি নিয়ে থাকতে পারেন। আর এটাই হবে এডভেঞ্চার প্রিয় ভ্রমণপীপাষুদের সবচেয়ে ভাল অভিজ্ঞতা। সীতাকুণ্ড থেকে বারটাকিয়া বাজারের দুরত্ব ১৮ কিলোমিটার। তবে থাকার জন্য ভুল করেও চট্টগ্রাম শহরকে বেঁছে নিবেন না, তাহলে শহরের যানযট ঠেলে এটুকু আসতে আপনার সারাটা দিনও নষ্ট হয়ে যেতে পারে।

ফটো ও লেখা- google মামা

আবার শুরু হবে............পাখিদের মিলন্মেলা.।।  পাখি দেখতে...............পাখিদের নগরে
27/10/2017

আবার শুরু হবে............পাখিদের মিলন্মেলা.।।
পাখি দেখতে...............পাখিদের নগরে

AMAZING VIETNAM..............
09/10/2017

AMAZING VIETNAM..............

এখন ই সময়...............কাশবনের মাজে নিজেকে লুকানোর শরতের আকাশে সাদা মেঘের ভেলা আর সাদা কাশফুল
05/10/2017

এখন ই সময়...............কাশবনের মাজে নিজেকে লুকানোর

শরতের আকাশে সাদা মেঘের ভেলা আর সাদা কাশফুল

বাংলাদেশে বনাঞ্চলের পরিমান এমনিতেই কম। তার মাঝে উত্তরাঞ্চলে তো বন খুঁজে পাওয়াই কঠিন। যমুনা ইকো পার্ককে বলা যায় উত্তরবঙ্গ...
05/10/2017

বাংলাদেশে বনাঞ্চলের পরিমান এমনিতেই কম। তার মাঝে উত্তরাঞ্চলে তো বন খুঁজে পাওয়াই কঠিন। যমুনা ইকো পার্ককে বলা যায় উত্তরবঙ্গের সব থেকে বড় কৃত্রিম বন। বিশেষজ্ঞরা উত্তরবঙ্গের আবহাওয়া নিয়ে এই আশংকা করে থাকেন যে অদূর ভবিষ্যতে হয়তবা এইখানে মরুভুমিকরন প্রক্রিয়া শুরু হবে। সেটা সময়ই বলে দিবে। কিন্তু আপনি যদি একবারের জন্য হলেও ঘুরে আসতে পারেন যমুনা ইকো পার্ক থেকে, তাহলে সেই আশংকা আপনার মনে দানা বেঁধে উঠতে পারবে না। চলুন, যান্ত্রিক এই নগর থেকে কিছুক্ষণের জন্য বিরতি নিয়ে সবুজের আলিঙ্গনে বাঁধা পড়ি।
আমার যা ঘোরাঘুরি হয় তার বেশিরভাগই হয় অফিসিয়াল কাজে। এইরকম এক অফিসিয়াল ট্যুরে গত বছরের এপ্রিল মাসে গিয়েছিলাম রাজশাহীতে। ৭ দিনের ট্যুরে রাজশাহী থেকে পাবনা এবং সিরাজগঞ্জ হয়ে ঢাকা ফিরেছিলাম। সিরাজগঞ্জ ছিলাম দুইদিন দিনরাত। এর মাঝে একদিন বিকেলে সময় পেয়ে এরিয়া ম্যানেজারের বাইকে চড়ে বসলাম যমুনা পার্কে যাব বলে। সেদিন বিকেলে প্রচণ্ড বাতাস ছিল। যমুনার পাড়ে সবসময়ই বাতাস থাকে। তাঁর উপর আগের রাতেই একপশলা বৃষ্টি হয়েছিল। তাই এপ্রিল মাস হওয়া সত্ত্বেও প্রচন্ড ঠান্ডায় কাঁপছিলাম। এমন হিমশীতল আবহাওয়ায় কাঁপতে কাঁপতেই পৌঁছে গেলাম ইকো পার্কের প্রবেশপথে।

সন্ধ্যায় ইকো পার্ক বন্ধ করে দেয়। আমরা যখন গিয়েছি তখন দর্শনার্থীরা বেরিয়ে যাচ্ছিল। কিছুটা অনুরোধ আর ১০০ টাকার একটা নোটের কল্যাণে গেটকিপারকে ম্যানেজ করে আধা ঘণ্টার জন্য পার্কের ভিতরে প্রবেশ করলাম। বাইক থাকায় পুরো পার্ক ঘুরে দেখার জন্য আধা ঘন্টাই যথেষ্ট ছিল। গেট দিয়ে ঢুঁকেই দুটি রাস্তা। একটা রাস্তা বামে চলে গেছে; আরেকটা সোজা চলে গেছে যমুনা নদী পর্যন্ত। আমরা সোজা রাস্তা ধরে এগিয়ে চললাম।

নদীতীরে এসে দেখি মোটা তারের জাল। এই জাল দিয়ে পুরো পার্কটাকে ঘিরে রাখা হয়েছে যেন পার্কের অধিবাসীদের (বানর, হরিণ ইত্যাদি) কোন সমস্যা না হয়। তাঁরের জালের ভেতর দিয়ে যমুনা নদী এবং ত্র উপর এশিয়ায় দ্বিতীয় বৃহত্তম সেতু বঙ্গবন্ধু সেতু দেখা যায়।

ডানদিকে যাবার রাস্তা বন্ধ। অতএব বাম দিকের রাস্তা ধরে বাইক ছুটে চলল।

মনে মনে তপুর সেই গানটার প্যারোডি করে ফেললাম।
একপাশে অরণ্য, আর একপাশে নদী।
আমার ১২০ সিসির বাইক, যাবে কি?
(তপুপ্রেমীরা দয়া করে মাইন্ড খাইবেন না প্লীজ)।

চলার পথেই চোখে পড়ে দর্শনার্থীদের বিশ্রামের জন্য কিছু ছোট কুঁড়েঘর কিংবা যাত্রী ছাউনি।

বাইকের রাস্তায় ইটের খোয়া বিছানো ছিল। বা পাশের জঙ্গল আমাদের কাছে টানছিল। কতক্ষণ আর সে আকর্ষণ উপেক্ষা করা যায়। তাই জঙ্গলে ঢোকার পথ চোখে পড়তেই বাইক চালিয়ে জঙ্গলের ভিতর ঢুকে পড়লাম।

চারদিক ছিল অসম্ভব নির্জন। সন্ধ্যা ঘনিয়ে আসছিল। তাই ঝিঁঝিঁ পোকার ডাক ছাড়া আর কিছুই শোনা যাচ্ছিল না।

চলার পথে হঠাত করেই চোখে পড়ছিল বানর যারা কিচকিচ শব্দ তুলে এ দাল থেকে ও ডালে লাফাচ্ছিল আর আমাদের দেখে ভেঙচি কাটছিল।

পার্কের ভিতর আরও আছে হরিণ, সজারু, ময়ূর এবং খরগোশ।

মজার ব্যাপার হচ্ছে পার্কের চারপাশের রাস্তাটা হচ্ছে উপবৃত্তাকার। তাই হঠাত করেই আমরা দেখলাম যে আমরা পার্কের প্রবেশ্মুখে চলে এসেছি। যাত্রা শুরু করেছিলাম সোজা রাস্তা ধরে। ঘুরতে ঘুরতে ফিরে এসেছি বামপাশের রাস্তা ধরে। শখ মিতে নি পুরোপুরি। তাই আর একবার চক্কর দিয়ে ইকো পার্ক ভ্রমণ শেষ করলাম।
যমুনা ইকো পার্কের কিছু তথ্য জেনে নিন। ১২৪ একর আয়তনের এই পার্কের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন হয় ২০০৮ সালের মার্চ মাসের ৯ তারিখ। উদ্বোধন করেন সেতু বিভাগের তৎকালীন সচিব খান মোহাম্মদ ইব্রাহীম। উদ্বোধনের সময় পার্কে ৮ টি হরিণ ছাড়া হয়। পরবর্তী কিছুদিনের মাঝেই পার্কে ১০ টি খরগোশ, ২১ টি হরিণ, ৫ টি সজারু, ২ টি বানর এবং ২ টি ময়ূর ছাড়া হয়। এরপর পযায়ক্রমে আরো বিভিন্ন সময় এসব প্রাণী ছাড়া হয় পার্কে। কিন্তু দুঃখের বিষয় শেয়াল আর কুকুরের আক্রমণে অনেকগুলই মারা যায় তাই বেশ কিছু প্রাণীকে খাচাবন্দী করে রাখা হয়। প্রতিদিন গড়ে ১০০ পর্যটক এই পার্ক দেখতে আসেন। পিকনিক পার্টিও মাঝে মাঝেই আসে। যার ফলে বন্যপ্রাণীদের অবাধ বিচরণ প্রতিনিয়তই বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।
এক দিনের প্যাকেজ ট্যুরের জন্য যমুনা ইকো পার্ক চমৎকার জায়গা। হাতে সময় থাকলে বেরিয়ে পড়ুন। খুব ভোরে রওনা দিলে পার্ক ঘুরে রাতেই ঢাকা ফেরা যাবে। শেষ করার আগে চলুন দেখে নেই উপগ্রহ থেকে যমুনা ইকো পার্ককে কি চমৎকার লাগে দেখতে।

photos from google
collected from ইস্টিশন

Address

ROAD #06, HOUSE # 408, 1ST FLOOR, Avenue # 03, MIRPUR DOHS
Dhaka
1216

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Foreign Travels System posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Foreign Travels System:

Share

Category