05/01/2022
ইতালির ভিসা আবেদন পদ্ধতি, যোগ্যতা, খরচ???
ইতালিতে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে বাংলাদেশসহ 32টি দেশ থেকে সর্বমোট 80,000জন কর্মী নিবে। এ সংখ্যা বাড়তে পারে।
কোথায় কিভাবে আবেদন করবেন??
সরাসরি বা দেশ থেকে আবেদন করতে পারবেন না। তবে আপনারা দুইটি পদ্ধতিতে আবেদন করতে পারবেন:-
প্রথম পদ্ধতি: কোন আত্মীয়-স্বজন ইতালিতে থাকলে অথবা পরিচিতজন বা কাছের কাউকে দিয়ে আপনি আবেদন করতে পারেন। আবেদন করতে খরচ হবে 200 ইউরো।
দ্বিতীয় পদ্ধতি: কোন প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে তাদের সাথে চুক্তি করে আবেদন করাতে পারেন। আবেদন করতে খরচ হবে 200 ইউরো।
আবেদন করা মানে ইতালিতে চলে যাওয়া না। আবেদন করার পর আপনি নির্বাচিত হলে বাকি কাজগুলো করতে হবে। মনে রাখবেন এই প্রক্রিয়ায় ইতালি যাওয়ার সময় সাপেক্ষ্য ব্যাপার।
আবেদন করার যোগ্যতা: আবেদন করার সময় আপনার বয়স 18-50বছরের মধ্যে হতে হবে। আবেদন খরচ হবে 200ইউরো বাংলাদেশী টাকায় ২০,০০০/- থেকে ২২,০০০/- টাকা। আপনি আবেদন করার পরে যদি আপনি নির্বাচিত হন তাহলে -পাসপোর্ট, ভোটার আইডি কার্ড, শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদ, কাজের অভিজ্ঞতার সনদপত্র (যদি থাকে) লাগবে। ছেলে মেয়ে উভয় আবেদন করতে পারবেন।
খরচ: এই অংশটুকু বোঝার জন্য দুই-তিনবার পড়বেন এবং আপনি যত কম টাকা দিয়ে পারেন।
অবশ্যই মাথায় রাখবেন এখানে দুই ধরনের ভিসা একটা সিজনাল ভিসা আরেকটা হচ্ছে নন সিজনাল ভিসা।
যারা নন সিজনাল ভিসায় যাবেন তারা ২বছরের জন্য যাবেন ভিসার মেয়াদ বাড়ানো যাবে। সেখানে পার্মানেন্ট থেকে কাজ করতে পারবে। নন সিজনাল ভিসায় যেতে হলে অবশ্যই তাদের অতিরিক্ত কিছু যোগ্যতা লাগবে।
আর যারা সিজনাল ভিসায় যাবে তারা সেখানে 6 থেকে 9 মাস পর্যন্ত থাকতে পারবেন। তারপর দেশে ফিরে আসতে হবে।
এখন আপনি এই সময়ে কত টাকা ইনকাম করতে পারবেন এবং কত টাকা দিয়ে আপনার যাওয়া উচিত হবে এটা আশা করি বুঝতে পেরেছেন। আর আপনি যার মাধ্যমে যাবেন অথবা যেই প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে যাবেন তারা আপনার কাছ থেকে কত টাকা নিবে এটা আসলেই তাদের একান্ত ব্যক্তিগত ব্যাপার। আর এই 80,000 জন লোক শুধুমাত্র বাংলাদেশ থেকে না 32টা দেশ থেকে নিবে।
কিছু মানুষ এই সুযোগটার জন্য বসে আছে, তারা আপনাকে ভুলিয়ে-ভালিয়ে টাকা পয়সা নেয়ার জন্য ওৎ পেতে আছে। তাদের খপ্পরে পরে টাকা-পয়সা সব উজার করে দিবেন না। বুঝে শুনে জেনে লেনদেন করবেন। আমি আবারও বলি যদি আপনার কোনো আত্মীয়-স্বজন বা কাছের মানুষ ইতালি থাকে তাদের মাধ্যমে এপ্লাই করাটাই বুদ্ধিমানের কাজ হবে। কারো সাথে চুক্তিভিত্তিক এপ্লাই করলে সেটা নিজ দায়িত্বে করবেন।
কেউ এই চিন্তা করবেন না যে সিজনাল ভিসায় গিয়ে সেখান থেকে যাবেন। তাহলে হয়তো আমাদের জন্য ইতালির দরজা আবার বন্ধ হয়ে যাবে। সেখানে গিয়ে অবৈধভাবে থাকা এবং ভিসার মেয়াদ শেষে ফিরে না আসার জন্যই 2012 সাল থেকে এই পর্যন্ত বাংলাদেশীদের জন্য ইতালির ভিসা বন্ধ ছিল।
বিঃ দ্রঃ আমাদের SADIA INTERNATIONAL এর মাধ্যমে আবেদন করতে পারবেন। আবেদন করতে চাইলে দ্রুত যোগাযোগ করুন। আবেদন জানুয়ারি মাসের ২য় বা ৩য় সপ্তাহে শুরু হবে।।
আরো বিস্তারিত তথ্যের জন্য যোগাযোগ করুন:-
সাদিয়া ইন্টারন্যাশনাল
হেড অফিসঃ- হাউজ # গ-৯৭/১ (৪র্থ তলা), গুলশান কমার্স কলেজের পাশ্ববর্তী বিল্ডিং, বাড্ডা লিংক রোড বাসস্ট্যান্ডের পূর্ব পাশে, মধ্যবাড্ডা, ঢাকা-১২১২।
☎ +88 09638-437925 ☎ +88 09696-270487
📳 +88 01711870487 (WhatsApp/ IMO/ Viber)