Bogra holiday

Bogra holiday we promote beautiful bangladesh in the world

we like my country beautiful Bangladesh
we want to earning foreign currency in Bangladesh because we committed my country people so we also love my motherland

http://www.banglanews24.com/%E0
08/04/2016

http://www.banglanews24.com/%E0

‘দেশের মধ্যে ভ্রমণ করুন, দেশকে জানুন ও পর্যটন হোক টেকসই উন্নয়নের হাতিয়ার’ – স্লোগানকে সামনে রেখে ‘ভিজিট বগুড়া অ্যান্ড বাংলাদেশ’-২০১৬ এর দ্বিতীয় সপ্তাহের প্রচারণার উদ্বোধন করা হয়েছে। শুক্রবার (৮ এপ্রিল) বিকেলে শহরের প্রাণকেন্দ্র সাতমাথা এলাকায় এ কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়।

http://newsbdn.com/2016/03/20/পর্যটন-হোক-বগুড়া-জেলার-জা/
20/03/2016

http://newsbdn.com/2016/03/20/পর্যটন-হোক-বগুড়া-জেলার-জা/

শহিদুল ইসলাম সাগরঃ দক্ষিণ এশিয়ায় পর্যটন খাতে বাংলাদেশের আয় সবচেয়ে কম, আর বগুড়া জেলার আয় নাই বললেই চলে। অথচ পর্যটকদের আকর্ষণ করার মতো উপাদান বগুড়া জেলায় অনেক

বগুড়া টুরিস্ট ক্লাব এর পক্ষ থেকে আগামি ১৫ই মে ২০১৬ইং বগুড়া থেকে ৩৬ জনের গ্রুপ ভারতে ও ভূটানে বেড়াতে যাব। খরচ মোট= ৩৮,৩০০...
14/02/2016

বগুড়া টুরিস্ট ক্লাব এর পক্ষ থেকে আগামি ১৫ই মে ২০১৬ইং বগুড়া থেকে ৩৬ জনের গ্রুপ ভারতে ও ভূটানে বেড়াতে যাব। খরচ মোট= ৩৮,৩০০/- টাকা। যারা যেতে চান, তারা ট্যাক্স বক্সে তাদের নাম্বার দিন। ভ্রমণ করব। বিমানে ৪রাত ৫ দিন। আগে এলে আগে পাবেন-ভিত্তিতে কাউন্ট করা হবে। এডমিন ০১৮৬৮৩৫৮৮৮৫

ভ্রমনে অবিশ্বাসও ছাড়!  এখন প্রায় অর্ধেক খরচে ঘুরে আসুন আমেরিকা, লন্ডন ও অস্ট্রেলিয়া।অস্ট্রেলিয়ার ৬ দিনের প্যাকেজ ১,০৫,৫০...
05/02/2016

ভ্রমনে অবিশ্বাসও ছাড়! এখন প্রায় অর্ধেক খরচে ঘুরে আসুন আমেরিকা, লন্ডন ও অস্ট্রেলিয়া।
অস্ট্রেলিয়ার ৬ দিনের প্যাকেজ ১,০৫,৫০০/- (পূর্বের মূল্য ১,৯৫,৫০০/-)
লন্ডনের ৬ দিনের প্যাকেজ ১,৩৫,৫০০/- (পূর্বের মূল্য ১,৫৫,৫০০/-)
আমেরিকার ৬ দিনের প্যাকেজ ১,৬৫,৫০০/- (পূর্বের মূল্য ২,৪৫,৫০০/-)
আমেরিকা
রাউন্ডট্রীপ এয়ার টিকেট ও ৩ স্টার হোটেল (ইউনিয়ন হোটেল )
বুফে ব্রেকফাস্ট
সিটি ট্যুরঃ হপ অন হপ অফ বাস ট্যুর ২ দিন
এয়ারপোর্ট পিকআপ ড্রপ
লন্ডন
রাউন্ডট্রীপ এয়ার টিকেট ও ৩ স্টার হোটেল (হোটেল পেমব্রীজ অথবা হোটেল বারজায়া হাইড পার্ক)
বুফে ব্রেকফাস্ট
হপ অন হপ অফ বাস ট্যুর ২ দিন (রিভার ক্রুজ সহ)
এয়ারপোর্ট পিকআপ ড্রপ
অস্ট্রেলিয়া
রাউন্ডট্রীপ এয়ার টিকেট ও ৩ স্টার হোটেল (ওয়াই হাইড পার্ক হোটেল অথবা আইবিস ওয়ার্ল্ড একয়ার )
বুফে ব্রেকফাস্ট
সিটি ট্যুরঃ সিডনি সিটি ট্যুর এবং বণ্ডাই বিচ ট্যুর
এয়ারপোর্ট পিকআপ ড্রপ
প্যাকেজে অন্তর্ভুক্ত নয়ঃ
সার্ভিস চার্জ ১৫,০০০/-,আমেরিকার ভিসা ফী ১২,৬৪০/-,লন্ডনের ভিসা ফী ১০,৬২৫/-,অস্ট্রেলিয়ার ভিসা ফী ১২,২০০/-
বি; দ্র; (ভিসা দেওয়ার ক্ষমতা দুতাবাসের হাতে)
BOGRA TOURS & TRAVELS
476/B, DIT road Malibag, dhaka-1219.
Paltan branch- 17 th floor city heart comlex dhaka
Phone: 01913133387
Office : 01670184940
E-mail: [email protected], [email protected], [email protected]
Web : www.bogratours.com ; www.facebook.com/bograholiday
Facebook: www.facebook.com/bogratours,
Bangla news; www.newsbdn.com

১২তম শুভ জন্মদিন আমাদের প্রিয় ফেসবুকের
03/02/2016

১২তম শুভ জন্মদিন আমাদের প্রিয় ফেসবুকের

চায়না ও হংকং ভিসার দাম কমলো। এছাড়াও কমলো সিঙ্গাপুর ভিয়েতনাম ইন্দোনেশিয়া মায়ানমার মালয়েশিয়া ও থাইল্যান্ডের ভিসার খরচ । যে...
31/01/2016

চায়না ও হংকং ভিসার দাম কমলো। এছাড়াও কমলো সিঙ্গাপুর ভিয়েতনাম ইন্দোনেশিয়া মায়ানমার মালয়েশিয়া ও থাইল্যান্ডের ভিসার খরচ । যেনে নিন কোন দেশের ভিসার খরচ কত।
১) চায়না ভিসা ১২,৫০০/- (পূর্বে চায়না যাওয়া থাকতে হবে)
২) চায়না ভিসা ১৭,৫০০/- (সিঙ্গাপুর মালয়েশিয়া এর মত ২ দেশ ভ্রমন থাকতে হবে)
৩) চায়না ভিসা ২২,৯০০/- (ইন্ডিয়া ও নেপাল ভ্রমন থাকতে হবে)
৪) চায়না ভিসা ২০,৯০০/- (ডাবল এন্ট্রী ভিসা)
৫) চায়না ভিসা ২৭,৯০০/- (১ বৎসর এর মাল্টীপল ভিসা)
৬) চায়না ভিসা ৩৯,৯০০/- (২ বৎসর এর মাল্টীপল ভিসা)
৭) হংকং ভিসা ২৮,৯০০/-
৮) সিঙ্গাপুর ভিসা ৬,৫০০/-
৯) ইন্দোনেশিয়া ভিসা ৬,০০০/-
১০) মালয়েশিয়া ভিসা ৩,৯০০/-
১১) থাইল্যান্ড ভিসা ৩,৯০০/-
১২) মায়ানমার ভিসা ৪,৯০০/-
১৩) ভিয়েতনাম ভিসা ১০,০০০/- অনলি পাসপোর্ট ও ফটো
১৪) আমেরিকা ৮,০০০/- সার্ভিস চার্জ + ভিসা ফী ১৮,৬৪০/-
১৫) লন্ডন ৮,০০০/- সার্ভিস চার্জ +ভিসা ফী ১৮,৬২৫/-
১৬) অস্ট্রেলিয়া ৮,০০০/- সার্ভিস চার্জ + ভিসা ফী ১৯,২০০/-
১৭) সেনজেন ৮,০০০/- সার্ভিস চার্জ + ভিসা ফী + ইন্সুরেন্স ৩৫,০০০/-
:
BOGRA TOURS & TRAVELS
476/B, DIT road Malibag, dhaka-1219.
Paltan branch- 17 th floor city heart comlex dhaka
Phone: 01913133387
Office : 01670184940
E-mail: [email protected], [email protected], [email protected]
Web : www.bogratours.com ; www.facebook.com/bograholiday
Facebook: www.facebook.com/bogratours,
Bangla news; www.newsbdn.com

25/01/2016

এই আবৃত্তিটা আপনার দৃষ্টিভঙ্গি বদলে দিতে পারে! অবশ্যই দেখবেন ....

দেবব্রত সিংহের 'ত্যাজ' কবিতার অসাধারণ আবৃত্তি করেছেন মেধা বন্দ্যোপাধ্যায়। সত্যিই অসাধারণ এক আবৃত্তি। সম্ভব হলে এদেশের প্রত্যেকটি মানুষের একবার অন্তত শোনা উচিত।

শহিদুল ইসলাম সাগরঃ বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক অঙ্গনের ইতিহাস ঐতিহ্য বলতে বাংলা সংস্কৃতি বা বাঙ্গালির সংস্কৃতি বুজায়। আর বাঙ্গ...
24/01/2016

শহিদুল ইসলাম সাগরঃ বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক অঙ্গনের ইতিহাস ঐতিহ্য বলতে বাংলা সংস্কৃতি বা বাঙ্গালির সংস্কৃতি বুজায়। আর বাঙ্গালির সংস্কৃতির গোঁড়া পত্তন হয়ে ছিল আজকের বগুড়ায় অর্থাৎ প্রাচীন নগরী পুন্ড্রবর্ধন থেকে। এই প্রাচীন বাংলা সংস্কৃতির সাধ নিতে সুদূর আফ্রিকার তানজানিয়া থেকে ছুটে এসেছিলেন বিশ্বখ্যাত মহাপর্যটক দার্শনিক ইবনে বতুতা, চৈনিক পরিব্রাজক হিউয়েন সাং, রাজা জয়পীড় সহ পৃথিবীর অনেক মহা মানব। বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক অঙ্গনে বগুড়া জেলার সুনাম সব সময় ছিল। স্বাধীন বাংলাদেশে একমাত্র সরকারী টেলিভিশনে সুনামের সহিত অংশগ্রহণ করত বগুড়া ইয়থকয়ার সহ অন্যান্য সাংস্কৃতিক সংগঠন ৯০ আর দশক পর্যন্ত। কিন্তু তার পর থেকে আর সেভাবে দেখা যায়না সাংস্কৃতিক অঙ্গনে বগুড়া জেলার অবস্থান। তবে কি আমরা ধরে নিতে পারি যে আমরা বগুড়াবাসীরা ভুলে যাচ্ছি আমাদের ঐতিহ্যকে। গত ২/৩ বছর আগে সংগীত শিল্পী মিলার ফোক গান “ হাজার দর্শক মন মজাইয়া নাচেগো সুন্দরী কমলা/ প্রেমিক পুরুষ আরে রহিম মিয়া রুপবানে নাচে কোমর দুলাইয়া। আসলে এটা ফোক গান হলেও বাঙ্গালীর তাল ঝুমুরের নর্তকী কমলা ও রুপবান এর সাংস্কৃতিক অঙ্গন বগুড়াতে এবং বাঙ্গালির সংস্কৃতির গোঁড়া পত্তন বগুড়াতে। কালের আবর্তে ইথারের ঢেউয়ে ভেসে আসা পশ্চিমা সংস্কৃতির কবলে নুতুন প্রজন্ম ভুলতে বসেছে নিজের সংস্কৃতিকে। সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোট সহ সবাইকে অনুরধ করবো আপনারা যদি পারেন, যদি সম্ভব হয়, তবে কমলা ও রুপবান ফিরিয়ে দিন নতুন প্রজন্মের মাঝে। এবার সাংস্কৃতিক অঙ্গনের শেকড়ের সন্ধান করা যাক।
করতোয়া বিধোত প্রাচীন নগরী পুন্ড্রবর্ধনের রাজ নর্তকী সেবাদাসী কমলার নেউরে যে তাল সৃষ্টি হয়েছিল তা মহিত করেছিল সদূর কাশ্মির থেকে আগত রাজা জয়াপীড়কে নৃত্য পটিয়োসী সুন্দরী কমলার অনুপম তালে কেঁপে কেঁপে উঠতো নীল অম্বর। হৃদি পদ্মদলে আলোকের আনন্দ সঙ্গীতে মূর্ত হয়েছিল স্কন্ধ দেবতা। কাশ্মীররাজ জয়াপীড় কমলার নৃতের ছন্দে তার অশান্তমনে ফিরে পেয়েছিল হৃদয়ের ভাষা, নির্মল ধারাস্রোতে জাগ্রত হয়েছিল প্রনয়। সেই হাজার হাজার বছর আগে প্রাচীন পুন্ড্রবর্ধনে এক রূপসী নৃত্য বিভঙ্গে প্রকৃতির চাঞ্চল্যের কথা কলহনের ‘রাজতরঙ্গিনীতে লিখিত আছে। রাজ তরঙ্গিনী’র সেই উপজীব্য কাহিনী থেকে আবিস্কৃত হয় এজনপদের প্রথম নৃত্য শিল্পী নৃত্যকী কমলার।
শ্যামল বঙ্গে নৃত্যের অনুপম ছন্দে সেই কবে বেজেছিল নৃত্যকী কমলার পায়ের ঘুঙ্ঘুর, জানি না আমরা। হাজার বছরের ঐতিহ্য বিমূখ এই জাতি কখনও এ জনপদের সমৃদ্ধ সংস্কৃতিকে অনুপম উপাখ্যানে তুলে আনতে পারেনি। খনন হয়নি এদেশের সমৃদ্ধ সংস্কৃতির জমি। অবহেলা আর অবহেলিত থেকেছে আমাদের উৎসের সন্ধান। উত্তাল নদীর তীরে একদা যে চিরায়ত বাংলার নিজস্ব সংস্কৃতি গড়ে ওঠেছিল,কালের চক্রে আজ তা লুপ্ত। প্রাচীন নগরী পুন্ড্রবর্ধনের জলকাদায় আর প্রাচীন নদী কলতু (আজকের করতোয়া)’র সমাতটে লৌকিক উৎসব কিংবা ধর্মীয় বা প্রাত্যেহিক জীবনের বিচিত্র জীবন ভাষ্য নিয়ে নির্মিত হয়েছিল যে অনুপম উপাখ্যানের ধারা,আজ হারিয়ে গেছে নি:শব্দে এই চরাচরে। অথচ আমাদেরও ছিলো সহস্র বছরের প্রবহমানতায় একটি সমৃদ্ধ সংস্কৃতি। আর সেই সমৃদ্ধশীল নিজস্ব সংস্কৃতির শিকড়ের সন্ধানে প্রয়োজন পৌন্ড্রনগরের লুপ্ত প্রায় ইতিহাসের অনুসন্ধান।
“পৌন্ড্র বর্ধনং ক্ষেত্রং নৈব মুনচতি কেশব
ধারিত্রা নাভি কমলাং প্লুতং করজৈলম
করতোয়া সদানীরে সবিৎ সুশ্রিতে
পৌন্ড্রান প্লায়েসে নিত্যং পাপং করোদ্ভাবে”
সেই ঐতিহাসিক পৌন্ড্রবর্ধন। কত অতীত ঠিক করে বলা যাবেনা। প্রাচীনতম মহাকাব্যে বর্নিত আছে এর কথা। এর বর্ননা করেছেন এক অজ্ঞাত কবি” করতোয়া মহাত্ম গ্রন্থে। কাশ্মীরের কবি কালহনের ‘রাজতরঙ্গিনীতে লেখা আছে পৌন্ড্রবর্ধনের সামাজিক,রাজনৈতিক এবং সংস্কৃতির উত্থ্যান পতনের কথা। প্রত্নতান্ত্রিক গবেষনা হতে জানা যায়,খৃষ্ট পূর্ব ৩য় শতাব্দীরও পূর্বে এই নগরের পত্তন হয়েছিল। এই নগরীতে এসেছিলেন ভগবান তথাগত ধর্ম প্রচারের জন্য। বিশ্বখ্যাত মহাপর্যটক দার্শনিক ইবনে বতুতা ও চৈনিক পরিব্রাজক হিউয়েন সাং, অভিভুত হয়েছিলেন পৌন্ড্রবর্ধনের ঐশ্বর্য দেখে। নাথ সিদ্ধাচার্য মৎসন্দ্রে বা মিনাথের সাধন ক্ষেত্র ‘যৌগীর ভবন’ আজও কালের ভ্রু”কুটি এড়িয়ে টিকে আছে। সুধুর বল্লখ দেশ থেকে ইসলাম প্রচার করার জন্য এসেছিলেন আরেক সাধক হযরত শাহ সুলতান বল্লখী মাহীসাওয়ার। ইতিহাসের অসংখ্য টানা পোড়নের স্বাক্ষী,অমিত শৌর্য বীর্য অদৃষ্ট পূর্ব বিস্ময়কর, জয়পরাজয়, কমলার অমেয় প্রেম কাহিনী , লৌকিক উৎসব, সঙ্গীত, নৃত্য, আর সভ্যতার চিহ্ন নিয়ে ধংসস্তপের মধ্যে এখনো টিকে আছে প্রাচীন নগরী পৌন্ড্রবর্ধন, আজকের বগুড়া জেলার ‘মহাস্থানগড়’।
অনবরত সংগ্রামূখর পৌন্ড্রনগরের মানুষের বিচিত্র কর্ম কাহিনী নিয়ে সৃষ্টি হতে পারতো আমাদের সমৃদ্ধ, ঐতিহ্যবাহী সংস্কৃতির উৎস। পৌন্ড্রবর্ধনের পাদপীঠেই সর্বপ্রথম পরিবেশিত হয়েছিল গীতনৃত্য আর নাটক। স্কন্দ মন্দিরের নাট মন্দিরে এসব অনুষ্ঠান হতো। এখানেই ধর্ম প্রচারের কারনে ধর্মের আচার/আচরনে স্তরে স্তরে একদিন জমে ওঠেছিল সমৃদ্ধশীল সংস্কৃতির। রন্ধে রন্ধে তার স্পন্দমান ছিলো সংগীত,দেবতাকে তুষ্ট করার জন্য প্রার্থনারত নর্তকীর সবল শরীরের ভঙ্গিমাসহ রমনীর পায়ের নূপুর ধ্বনি।
পূর্বেই উল্লেখ করেছি পৌন্ড্রনগর এ জনপদের প্রাচীন নগরী। খ্রীষ্ট পূর্ব ৩য় শতাব্দীতে গড়ে ওঠা এই প্রাচীন জনপদ ইতিহাসের অন্যান্য সভ্যতার নিদর্শন নগরী থেকে অনেক পুরনো। প্রকৃত ইতিহাস অনুসন্ধান করলেই প্রকাশিত হবে আমাদের কাংখিত অনুপম সংস্কৃতির পরিচয়। দু:খজনক হলেও সত্য আজ পর্যন্ত পৌন্ড্রনগরের পুঞ্জভুত সংস্কৃতিজনেরা যে চর্চা করে যাচ্ছেন তাতে কোন দিনই এ জনপদের ঐশ্বর্যশালিনী, সমৃদ্ধশীল সংস্কৃতির চিত্র তেমনভাবে প্রকাশিত হয়নি। এজন্য প্রয়োজন শিকড় সন্ধানী অভিযাত্রী দলের। তবে আশার কথা বাংলাদেশ গ্রাম থিয়েটার দেশের বিশিষ্ট নাট্যকার ড.সেলিম আল দীন এর চেতনায় প্রখ্যাত নিদের্শক নাসির উদ্দিন ইউসুফের নেতৃত্বে সারা দেশে সংস্কৃতির শিকড় সন্ধানী অভিযাত্রীরা কাজ করে যাচ্ছে। গ্রাম থিয়েটারের সাহসী সৈনিকরা আলোক বর্তিকা হয়ে সমস্ত আধারদূর করে শানিত করছে আমাদের শুভ চেতনাকে। আমার এ নিবন্ধে আমি বলতে চাই মহাভারতে লিখিত প্রাচীন পূণ্যনদী করতোয়ার মহাত্ত প্রকাশিত হোক। পৌন্ড্র নগরীর জলমাটিতে যে সভ্যতার আলো দেখা দিয়েছিল তা অনুসন্ধান করা হোক। এ জনপদের রন্ধে রন্ধে যে গীত রচিত হয়েছিল তা উঠে আসুক আমাদের সংস্কৃতিতে। অভয় অরণ্যে পর্বতে, নাট মন্দিরে শরব ডোমনীরা, সেবাদাসীরা ফুলের মালা খোঁপায় জড়িয়ে, মাথায় ময়ূরের পাখ গুজে নেচেছিল। ৬৪টি মূদ্রার সেই অনুপম নৃত্য-তা বেজে উঠুক আমাদের নৃত্য শিল্পীর পায়ের ঘুঙ্ঘুরে। তবেই আমরা ফিরে পাব আমাদের নিজস্বতা, ফিরে পাব হাজার বছরের ঐতিহ্যকে। এখন বড় প্রয়োজন এ জনপদের মানুষের সংস্কৃতির শিকড় সন্ধানী অভিযাত্রীর।
উত্তরবঙ্গের প্রান কেন্দ্র,ঐতিহ্য সংস্কৃতির ধারক বগুড়া জেলায় রয়েছে বেশ কয়কটি সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান। রয়েছে ১৫/২০টি দৈনিক আর সাপ্তাহিক পত্রিকা। এতোগুলো পত্রিকা ঢাকার বাহিরে আর কোথাও প্রকাশিত হয় না।
সেদিক থেকে বগুড়া জেলার সমৃদ্ধ সংস্কৃতির বলিষ্ঠতা প্রকাশ পায়। সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠানগুলোর বিভিন্ন কার্যক্রমে উত্তর জনপদের ঐতিহ্য আর গর্বিত সংস্কৃতি তুলে ধরার চেষ্টা করছে। কোন কোন সংগঠন তার দক্ষতার পরিচয় দিয়েছে। এরমধ্যে বগুড়া থিয়েটার ‘হাতের মুঠোয় হাজার বছর আমরা চলেছি সামনে’ শ্লোগানে নিজস্ব সংস্কৃতির ধারা প্রতিষ্ঠিত করার লক্ষ্যে একের পর এক নাটক মঞ্চায়ন করে যাচ্ছে। এর মধ্যে তৌফিক হাসান ময়না রচিত ‘কথা পুন্ড্রবর্ধন’ উল্লেখযোগ্য। এ নাটকটি বৃটিশ থেকে বর্তমান পর্যন্ত এই প্রথম বগুড়া জেলা থেকে দেশের বাইরে ভারতে মঞ্চস্থ হয়েছে এবং ব্যাপক প্রশংসিত হয়েছে। বর্তমানে বগুড়া থিয়েটার আরো একটি নাটক ‘কৈবর্ত বিদ্রোহ’ মঞ্চস্থ করে যাচ্ছে এবং ‘দ্রোহ’ এর মহড়া দিয়ে যাচ্ছে। যার কাহিনী গড়ে ওঠেছে এ উত্তর জনপদের জলকাদায়। এ ধারায় বগুড়া ইয়ৃথ কয়্যার বেশ কিছু উল্লেখযোগ্য কাজ করেছে। বগুড়া জেলার প্রাচীন নাট্য সংগঠন বগুড়া নাট্যগোষ্ঠীরও সংস্কৃতি অঙ্গনে আছে বলিষ্ঠ অবদান। গ্র“প থিয়েটার ফেডারেশান আন্দোলনে বিশ্বাসী এ নাট্যদল সর্বপ্রথম বগুড়ায় সুস্থ্য নাট্য চর্চা শুরু করে। বগুড়া নাট্যগোষ্ঠী বগুড়া জেলার নাট্যজগতের পথিকৃত। দেশের অন্যতম নাট্য সংগঠক শ্যামল ভট্রাচার্য এ দলের নেতৃত্বে ছিলেন। সংশপ্তক থিয়েটার,বগুড়া নাট্যদল,নান্দনিক নাট্যদল,করতোয়া নাট্যগোষ্ঠী নাট্য আন্দোলনে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রেখে যাচ্ছে। শিশুদের নিয়ে প্রদর্শিত সাংস্কৃতিক কর্মকান্ড করে যাচ্ছে উচ্চারন একাডেমী,লিটল থিয়েটার,আইডিয়াল থিয়েটার,সিডিএল,শিশু একাডেমী, ও নৃত্যে আমরা ক’জন শিল্পীগোষ্ঠী,ক্রিয়েটিভ কালচারাল,নৃত্যছন্দম অনেক ভাল কাজ করছে। এরমধ্যে আমরা ক’জন শিল্পীগোষ্ঠী ও ক্রিয়েটিভ কালচারাল একাডেমী পরপর দু’টি নৃত্য উৎসব করেছে। যা অত্র জেলার সকল মহলে প্রশংসিত হয়েছে। দৈনিক করতোয়ার সম্পাদক মোজাম্মেল হক লালুর প্রধান পৃষ্ঠপোষতায় আমরা ক’জন নৃত্য উৎসব ভিন্ন মাত্রার যোগ করেছে। বগুড়া লেখক চক্র সাহিত্য অঙ্গনে নিয়মিত সাহিত্য চর্চা করে যাচ্ছে।
সংগীতে জাতীয় রবীন্দ্র সংগীত সম্মিলন পরিষদ,উদীচী,অনুশীলন’৯৫,চর্চা একাডেমী,সুরের ছোয়া ও বন্ধন শিল্পীগোষ্ঠী উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রেখেছে। জাতীয় রবীন্দ্র সংগীত সন্মিলন পরিষদ বছর দুয়েক আগে বগুড়া জেলায় সার্থক ও প্রশংসিতভাবে ‘জাতীয় রবীন্দ্র মেলা’ অনুষ্ঠিত করেছিল। আশার কথা আগামীতে বিদ্রোহী কবি নজরুল মেলা আয়োজন করার প্রস্তুতি চলছে। পদাতিক গ্রাম বাংলার ঐতিহ্য যাত্রা পালার উৎসবের আয়োজন করে দারুন প্রশংসিত হয়েছে। এতো আয়োজন এতো সাফল্য তবুও যেন বগুড়া জেলার সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠানগুলো মূল লক্ষ্যের দিকে এগোতে পারছেনা। ভাল মঞ্চের অভাব,যে কয়েকটা আছে তার অতিরিক্ত হারে ভাড়া, আধুনিক লাইট,সাউন্ড এর কোন ব্যবস্থা নেই। নেই সরকারী/বেসরকারী কোন পৃষ্টপোষকতা। আর্থিক দৈন্যতার জন্য বগুড়ার সাংস্কৃতিক সংগঠনগুলো ইচ্ছা থাকলেও ভাল কোন অনুষ্ঠান করতে পারছেনা। নাটকে মহিলা শিল্পীর অভাব এখনও আগের মতোই রয়ে গেছে। খুব কম মহিলা শিল্পী নাটকে অভিনয়ে আগ্রহী হয় তবুও যে কয়েকজন নারী শিল্পী সাহস নিয়ে এগিয়ে আসে,তবে তাদের ওপর আসে নানা বাধা বিপত্তি। তবে আশার কথা সংগীতে এবং নাচে মেয়েদের অংশগ্রহন আগের তুলনায় বেড়েছে। একটা পেশা ভিত্তিক আন্দোলন গড়ে তুলেছে যা অনেকটা সফলও হয়েছে। আর একটা দিক বগুড়া সাংস্কৃতিক অঙ্গনে দেখা যায়, যেন তেন ভাবে আর কেউ অনুষ্ঠান করেনা বা অংশগ্রহন করতে চায় না। সবার মধ্যে একটা ভাল পারফমেন্স করার ইচ্ছা আছে যা বগুড়া জেলার সাংস্কৃতিক অঙ্গনকে আরো গতিশীল আর উজ্জলতা বাড়াবে। এতো কিছুর পরেও বগুড়া জেলার সাংস্কৃতিক অঙ্গন আরো উজ্জীবিত হতে পারছেনা,সকল সাংস্কৃতিক কর্মীদের মধ্যে ঐক্য আর সহনশীলতার অভাব। ঈর্ষা,সিনিয়ারদের অসম্মান.বেশী মাত্রা বানিজ্যিকতাসহ আরো অন্যান্য কারনে এ জনপদের সংস্কৃতিক অঙ্গন মাঝে মাঝে ঝিমিয়ে পরছে। সিনিয়র সম্মানীয় সাংস্কৃতিক ব্যাক্তিত্বগনের–দুরে সরে যাওয়ার ফলেও এ সংকট আরো বাড়ছে। এ ছাড়া সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ন সংকট দলগতভাবে কমিটমেন্টের অভাব। বেশীর ভাগ দলেই কোন উদ্দেশ্য নিয়ে কার্যক্রম করেনা,নেই তাদের রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি। কিভাবে শুরু কোথায় শেষ জানা নেই কারো। ফলে দিকহীন হয়ে একই বৃত্তে ঘুরপাক খাচ্ছে। প্রাচীন জনপদ পৌন্ড্রবর্ধনের এই বগুড়া জেলার ঐতিহ্যবাহী সংস্কৃতি তাই থেকে যাচ্ছে আধাঁরের গহ্বরে। অত্যান্ত সমৃদ্ধশীল এই সংস্কৃতি ভান্ডার প্রকাশিত হচ্ছেনা বগুড়া জেলার সংস্কৃতি অঙ্গনে।
আমাদের কথাঃ আমরা নিউজবিডিএন এর প্রকাশক, সম্পাদক সহ নিউজবিডিএন পরিবারের সকল সদস্য বগুড়া জেলার সম্ভাবনাময় সকল বিষয়কে পর্যটন শিল্পের স্বার্থে বিশ্বদরবারে তুলে ধরতে অঙ্গীকারবদ্ধ। তাই এই পর্বে বগুড়া জেলার সংস্কৃতি নিয়ে সংবাদ পরিবেশন করা। সাংস্কৃতিক অঙ্গনের সকল সাংস্কৃতিক সংগঠক, নাট্যকার, শিল্পনির্দেশক, কবি, সাহিত্যিক, সাংবাদিক, সামাজিক সংগঠক, রাজনিতিবীদ সহ সবাইকে অনুরোধ করবো তিন হাজার বছরের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের ইতিহাস বিশ্ব দরবারে তুলে ধরার পাশা পাশী আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নিজেদের ঐতিহ্যে বিকশিত করুন। ২০১৬ সালের মার্চ থেকে ২০১৬ ডিসেম্বর পর্যন্ত বগুড়া সার্ক এর রাজধানী। এসময়ে বেশ কিছু প্রোগ্রাম হবে যৌথভাবে আমরা যেন অগ্রিম তৈরি থাকি কমলা ও রুপবানকে বিশ্ব দরবারে পরিচিত করার জন্য। সেই সাথে বগুড়া জেলার সিনিয়র সম্মানীয় সাংস্কৃতিক ব্যাক্তিত্বগনের কাছে নিউজবিডিএন ডটকম পরিবারের পক্ষ থেকে অনুরোধ করব অভিমান ভুলে সামনে আসুন। আপনারা নবপ্রজন্মের আলোর দিশারী।
১৮৬০ – খেমটাওয়ালী (এক ধরনের আদি-রসাত্মক নাচ, তখনকার বাঙালি উচ্চবিত্তদের বিনোদন ) ও তার দল।

উত্তরবঙ্গের সব চেয়ে বড় মাছ উৎসব; বগুড়ার ঐতিহ্যবাহী পোড়াদহ মেলা।                আগামি ১০ই ফেব্রুয়ারি ২০১৬ থেকে বগুড়ায় ঐতি...
23/01/2016

উত্তরবঙ্গের সব চেয়ে বড় মাছ উৎসব; বগুড়ার ঐতিহ্যবাহী পোড়াদহ মেলা।

আগামি ১০ই ফেব্রুয়ারি ২০১৬ থেকে বগুড়ায় ঐতিহাসিক পোড়াদহ মাছের মেলা। মাছের মেলা! নাম শুনলেই চোখের সামনে ভেসে উঠে বড় বড় মাছের কাল্পনিক সব সংগ্রহ। এ কল্পনাকে বাস্তবে নিয়ে আসে প্রতি বছরের শীতের শেষে অনুষ্ঠিত বগুড়ার পোড়াদহের ঐতিহ্যবাহী মাছের মেলা। এ যেন কেবল একটি মেলা নয় বরং তার চেয়েও বেশী কিছু। নামে মাছের মেলা হলেও কী নেই এতে! বড় বড় আর লোভনীয় মাছের বিশাল সংগ্রহ, প্রদর্শনী আর বিকিকিনি, সংসারের যাবতীয় প্রয়োজনীয় উপকরণ, বিনোদনের জন্য সার্কাস, নাগরদোলা, পালাগান ইত্যাদি। কিন্ত এ সবকিছু ছাপিয়ে যায় যখন এ মেলা লক্ষ মানুষের মিলনমেলায় পরিণত হয়। এ লেখায় রইল এ মেলারই আদ্যপান্ত।
ঐতিহাসিক পটভূমি: মেলা শুরুর সঠিক দিন ক্ষণ জানা যায় না। তবে একাধিক সূত্র হতে জানা যায়, প্রায় চার শত বছর পূর্বে পোড়াদহ সংলগ্ন মরা বাঙালী (মতান্তরে মহিষাবান নদী) নদীতে প্রতি বছর মাঘের শেষ বুধবারে অলৌকিকভাবে বড় একটি কাতলা মাছ (মতান্তরে অজ্ঞাত মাছ) সোনার চালুনি পিঠে নিয়ে ভেসে উঠত। মাঘের শেষ বুধবারের এ অলৌকিক ঘটনা দেখার জন্য প্রচুর লোকজন জড়ো হত। পরে স্থানীয় একজন সন্ন্যাসী স্বপ্নাদিষ্ট হয়ে অলৌকিক এ মাছের উদ্দেশ্যে অর্ঘ্য নিবেদনের জন্য সবাইকে উদ্বুদ্ধ করেন। সন্ন্যাসীর আহবানে সাড়া দিয়ে পোড়াদহ বটতলায় মাঘের শেষ বুধবারে অলৌকিক মাছের উদ্দেশ্যে স্থানীয় লোকজন অর্ঘ্য নিবেদন শুরু করেন। কালক্রমে এটি সন্ন্যাসী পূজা নাম পরিগ্রহ করে। পূজা উপলক্ষে লোক সমাগম বাড়তে থাকে ও বৃহদাকৃতির মাছ ক্রয়-বিক্রয়ের জন্য মেলাটি প্রসিদ্ধ হয়ে ওঠে।
তবে বৈজ্ঞানিক দৃষ্টিকোণ থেকে বিচার করলে দেখা যায়, পোড়াদহ মেলার এ স্থানটি একটি প্লাবনভূমি এবং ভৌগোলিকভাবে এটি নদী, খাল ও বিলের মোহনা অঞ্চলে অবস্থিত। এখান থেকে বেশ নিকটেই আছে রানীরপাড়া মৌজাধীন কাতলাহার বিল ও ঢিলেগারা বিলসহ পোড়াদহ খাল ও মরা বাঙালী (মহিষাবান) নদী। ফলে অতীতে এটি যে যমুনার সাথে খুব ভালভাবে সংযুক্ত ছিল তা সহজে অনুমেয়। বর্ষাকালে বিভিন্ন নদীপথে আগত প্রচুর মাছ এখানে থেকে যাওয়ার সম্ভাবনা প্রবল। জলবায়ুগত পরিবর্তনে মাঘের শেষে এখানকার পানি প্রায় শুকিয়ে আসায় তখন এখানে থেকে যাওয়া কোন বড় কাতলা মাছের বৃত্তাকার আঁইশ সোনার চালুনির মত মনে হতে পারে। কেননা দেশী বড় কাতলা মাছের আঁইশ বেশ সোনালি বর্ণ ধারণ করে, অল্প পানিতে সাঁতরানো অবস্থায় রোদের ঝিলিকে তা কোন ধ্যানমগ্ন সন্ন্যাসীর কাছে আরো আকর্ষণীয় স্বর্ণের চালুনির মত মনে হতেই পারে।

প্রকৃতি ও বিবরণ: মেলার অন্যতম আকর্ষণ বিভিন্ন প্রজাতির বৃহদাকৃতির মাছ। নানা প্রজাতির বড় বড় মাছ এখানে পাওয়া যায়; বিশেষ করে নদীর বড় বড় বাঘাইর, আইড়, বোয়াল, কাতলা, পাঙ্গাস, সামুদ্রিক টুনা, ম্যাকরেল ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য পরিমাণে বেচা-কেনা হয়। তবে চাষকৃত বিভিন্ন ছোট বড় আকারের মাছও পর্যাপ্ত পরিমাণে পাওয়া যায়। মেলা চলাকালে একসাথে প্রচুর বড় ও জীবিত মাছ পাওয়া যাওয়ার কারণ অনুসন্ধানকালে জানা যায়, এ এলাকার অনেক মৎস্যচাষী কেবল মেলায় অধিক লাভে বড় মাছ বিক্রয়ের জন্য মাছ বড় করেন। তাছাড়া মেলায় বিক্রয়ের জন্য বেশ আগে থেকেই নদীতে ধৃত বাঘাইর, আইড় ইত্যাদি মাছ স্থানীয় পুকুরগুলিতে বা অন্য জলাশয়ে হাপা করে বা বেঁধে রাখা হয়। আবার মেলা চলাকালে পার্শ্ববর্তী গোলাবাড়ী আড়তে আসা মাছবাহী গাড়ীগুলি সরাসরি মেলাতেই চলে আসে, মেলা থেকেই বাইরের বিক্রেতারা মাছ সংগ্রহ করেন। মেলার সময় অতিথি ও ঝি-জামাই আপ্যায়নের জন্য বড় মাছের ব্যাপক চাহিদা থাকায় গাবতলীর অন্যান্য বাজারেও দেখা যায় বড় বড় মাছে একাকার। এছাড়াও কাঠের আসবাবপত্র, বাঁশ ও বেতের সামগ্রী, লৌহজাত দ্রব্যাদি, ফলমূল, নানা ধরণের মিষ্টি ও মিষ্টিজাত দ্রব্য এবং প্রচুর চুন মেলায় পাওয়া যায়। তাছাড়া মেলা উপলক্ষে বিনোদনের জন্য সার্কাস, নাগরদোলা ও পালাগানের আয়োজন করা হয়। মেলাকে কেন্দ্র করে আশপাশের গ্রামগঞ্জের সবাই তাদের জামাই-ঝিকে নিমন্ত্রণ করেন ও বড় আকৃতির মাছ দ্বারা আপ্যায়ন করেন। কৃষকেরা প্রয়োজনীয় ঘরোয়া সামগ্রী ছাড়াও সারা বছরের পান খাওয়ার চুন পর্যন্ত মেলা থেকে সংগ্রহ করেন।

সময়কাল ও ব্যাপ্তি: প্রতি বঙ্গাব্দের মাঘ মাসের শেষ তিন দিনের মধ্যে আগত বুধবার অথবা ফাল্গুন মাসের প্রথম বুধবার। তবে এই বুধবারের আগের ০৩ দিনের সাথে পরের ০২ দিন পর্যন্ত এ মেলা চলতে থাকে। উল্লেখ্য যে মেলার প্রধান দিন, বুধবারের পরদিন অর্থাৎ বৃহস্পতিবার বসে বৌমেলা। এদিন কেবল বিভিন্ন গ্রামের নববধূরা এবং স্বামীর বাড়ি থেকে বাবার বাড়িতে বেড়াতে আসা কন্যারা তাদের স্বামীদের সাথে মেলায় আসেন। মেলার সাথে পর্যটন শিল্পের সম্পর্কে জানতে চাইলে বগুড়া ট্যুরস এন্ড ট্রাভেলস এর সত্ত্বাধিকারী জনাব শহিদুল ইসলাম সাগর জানান আমরা প্রতি বছর এ মেলাকে কেন্দ্র করে ঢাকা থেকে বেশ বড় গ্রুপ ট্যুর এর ব্যবস্থা করে থাকি যা থেকে বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষ লাভবান হয় ।

গুরুত্ব: ঐতিহ্যবাহী এ মেলা সকল ধর্ম, বর্ণ, গোত্র ও মতের মানুষের এক মহামিলন কেন্দ্র। এটি হাজারো কাজের ব্যস্ততায় বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়া লক্ষ মানুষের বছরে অন্তত একটি বারের জন্য হলেও একত্রিত হওয়ার সুযোগ করে দেয়।
অর্থনৈতিকভাবেও এর গুরুত্ব অপরিসীম। প্রতি বছর এ মেলায় কোটি টাকার বেশী লেনদেন হয় এবং লেনদেনের একটা বড় অংশ উচ্চবিত্ত থেকে নিম্নবিত্ত গামী হওয়ায় এর গুরুত্ব আরও অনেক বেশী হয়ে দেখা দেয়।
কিভাবে যাওয়া যায়: সড়ক যোগাযোগের পথ: ঢাকা থেকে বগুড়া পর্যন্ত ২০২ কিমি এবং বগুড়া থেকে চেলোপাড়ার ফতেহ আলী ব্রিজ হয়ে চন্দনবাইসা রোড ধরে গোলাবাড়ি বাজারের পর পরেই মেলাস্থল পোড়াদহ পর্যন্ত ১২.৭ কিমি। যোগাযোগের ব্যবস্থা: বগুড়া হতে সরাসরি বাসে অথবা অটোরিক্সায় পোড়াদহ আসা যায়। মেলা চলার সময় বগুড়া হতে বাসে বা অটোরিক্সায় প্রথমে গোলাবাড়ি পর্যন্ত এসে পুনরায় অন্য অটোরিক্সা বা রিক্সাযোগে পোড়াদহ মেলা স্থলে আসা যাবে। ঢাকা থেকে ভাল মানের বাসে সাড়ে চার থেকে পাঁচ ঘণ্টায় বগুড়ায় আসা যায়। যাদের হাতে সময় কম তারা রাতের শেষ বাসে রওনা দিয়ে ভোরে বগুড়ায় পৌঁছে বাস বদল করে সকাল সকাল মেলা স্থলে পৌঁছে যেতে পারবেন এবং দিন শেষ বগুড়া ফিরে ঐ রাতেই ঢাকায় ফিরতে পারেন। তবে হাতে সময় নিয়ে আসলে মাছের মেলার পাশাপাশি দেখে যেতে পারবেন বাংলার প্রাচীন নগরী পুণ্ড্রবর্ধন যা বর্তমানে মহাস্থানগড় নামে পরিচিত।

কোথায় থাকবেনঃ বগুড়ায় থাকার জন্য রয়েছে বেশ কিছু হোটেল ও মোটেল। এগুলোর মধ্যে হোটেল নাজ গার্ডেন, পর্যটন মোটেল, সেফওয়ে মোটেল, নর্থওয়ে মোটেল, সেঞ্চুরি মোটেল, মোটেল ক্যাসল এমএইচ, হোটেল আকবরিয়া উল্লেখযোগ্য।

মেলার স্থান: পোড়াদহ বটতলা, গোলাবাড়ী, মহিষাবান, গাবতলি, বগুড়া।
তথ্যসুত্র- জেলা তথ্য বাতায়ন

✬ ঢাকা ——- ১৭৭২ সাল।✬ মুন্সীগঞ্জ ——- ১৯৮৪ সাল।✬ নরসিংদী ——- ১৯৮৪ সাল।✬ নারায়ণগঞ্জ ——- ১৯৮৪ সাল।✬ মানিকগঞ্জ ——- ১৯৮৪ সাল...
19/01/2016

✬ ঢাকা ——- ১৭৭২ সাল।
✬ মুন্সীগঞ্জ ——- ১৯৮৪ সাল।
✬ নরসিংদী ——- ১৯৮৪ সাল।
✬ নারায়ণগঞ্জ ——- ১৯৮৪ সাল।
✬ মানিকগঞ্জ ——- ১৯৮৪ সাল।
✬ ময়মনসিংহ ——- ১৭৮৭ সাল।
✬ গাজীপুর ——- ১৯৮৪ সাল।
✬ কিশোরগঞ্জ ——- ১৯৮৪ সাল।
✬ জামালপুর ——- ১৯৮৪ সাল।
✬ শেরপুর ——- ১৯৮৪ সাল।
✬ নেত্রকোণা ——- ১৯৮৪ সাল।
✬ টাঙ্গাইল ——- ১৯৬৯ সাল।
✬ ফরিদপুর ——- ১৮১৫ সাল।
✬ গোপালগঞ্জ ——- ১৯৮৪ সাল।
✬ শরীয়তপুর ——- ১৯৮৪ সাল।
✬ মাদারীপুর ——- ১৯৮৪ সাল।
✬ রাজবাড়ি ——- ১৯৮৪ সাল।
✬ চট্টগ্রাম ——- ১৬৬৬ সাল।
✬ কক্সবাজার ——- ১৯৮৪ সাল।
✬ বান্দবান ——- ১৯৮১ সাল।
✬ রাঙামাটি ——- ১৮৬০ সাল।
✬ খাগড়াছড়ি ——- ১৯৮৪ সাল।
✬ ফেনী ——- ১৯৮৪ সাল।
✬ ব্রাহ্মণবাড়িয়া ——- ১৯৮৪ সাল।
✬ চাঁদপুর ——- ১৯৮৪ সাল।
✬ রাজশাহী ——- ১৭৭২ সাল।
✬ নাটোর ——- ১৯৮৪ সাল।
✬ নওগাঁ ——- ১৯৮৪ সাল।
✬ নওয়াবগঞ্জ ——- ১৯৮৪ সাল।
✬ বগুড়া ——- ১৮২১ সাল।
✬ পাবনা ——- ১৮৩২ সাল।
✬ সিরাজগঞ্জ ——- ১৯৮৪ সাল।
✬ জয়পুরহাট ——- ১৯৮৪ সাল।
✬ রংপুর ——- ১৮৭৭ সাল।
✬ লালমনিরহাট ——- ১৯৮৪ সাল।
✬ কুড়িগ্রাম ——- ১৯৮৪ সাল।
✬ নীলফামারী ——- ১৯৮৪ সাল।
✬ গাইবান্ধা ——- ১৯৮৪ সালে।
✬ পঞ্চগড় ——- ১৯৮০ সাল।
✬ দিনাজপুর ——- ১৭৮৬ সাল।
✬ খুলনা ——- ১৮৮২ সাল।
✬ ঠাকুরগাঁও ——- ১৯৮৪ সাল।
✬ সাতক্ষীরা ——- ১৯৮৪ সাল।
✬ বাগেরহাট ——- ১৯৮৪ সাল।
✬ যশোর ——- ১৭৮১ সাল।
✬ ঝিনাইদহ ——- ১৯৮৪ সাল।
✬ নড়াইল ——- ১৯৮৪ সাল।
✬ মাগুরা ——- ১৯৮৪ সাল।
✬ কুষ্টিয়া ——- ১৮৬৩ সাল।
✬ চূয়াডাঙ্গা ——- ১৯৮৪ সাল।
✬ মেহেরপুর ——- ১৯৮৪ সাল।
✬ বরিশাল ——- ১৭৯৭ সাল।
✬ ঝালকাঠি ——- ১৯৮৪ সাল।
✬ পিরোজপুর ——- ১৯৮৪ সাল।
✬ পটুয়াখালী ——- ১৯৮৪ সাল।
✬ বরগুনা ——- ১৯৮৪ সাল।
✬ ভোলা ——- ১৯৮০ সাল।
✬ সিলেট ——- ১৭৭৫ সাল।
✬ হবিগঞ্জ ——- ১৯৮৪ সাল।
✬ মৌলভীবাজার ——- ১৯৮৪ সাল।
✬ নোয়াখালী ——- ১৮২১ সালে।
✬ লক্ষ্মীপুর ——- ১৯৮৪ সাল।
✬ কুমিল্লা ——- ১৭৯০ সাল।
✬ চাঁদপুর ——- ১৯৮৪ সাল।

http://newsbdn.com/2016/01/13/ভ্রমনের-জন্য-প্রাকিৃতিক/
12/01/2016

http://newsbdn.com/2016/01/13/ভ্রমনের-জন্য-প্রাকিৃতিক/

মাহাবুবা পারভীন; স্টাফ রিপোর্টারঃ বৃহত্তর নওগাঁ, দিনাজপুর, বগুড়া ও গাইবান্ধা জেলার মধ্যবর্তী রাজশাহী বিভাগের অন্তর্ভুক্ত প্রাকিৃতিক সৌন্দর্যমন্ডিত একটি বিখ্যাত

08/01/2016

http://newsbdn.com/2016/01/09/দেখে-আসুন-রাজশাহী-বিশ্বব/

পৃথিবীর ইতিহাসে বাঙ্গালি জাতি ছাড়া আর কোন জাতি ভাষার জন্য জীবন দেয়নি। মহান ভাষা আন্দোলনের পটভূমিতে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্ম। তার ভেতরেই একটি অবকাঠামো শহীদ

Address

Dhaka
1219

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Bogra holiday posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Bogra holiday:

Share