Ghurtecholo

Ghurtecholo Tour & Travel agency

১০ ঘন্টার ফ্লাইটে, একজন কোরিয়ান মা তার চার মাস বয়সের সন্তান নিয়ে সিউল থেকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সান ফ্রান্সিসকো যাচ...
01/04/2024

১০ ঘন্টার ফ্লাইটে, একজন কোরিয়ান মা তার চার মাস বয়সের সন্তান নিয়ে সিউল থেকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সান ফ্রান্সিসকো যাচ্ছিলেন। এই মা বিমানের ২০০ জনেরও বেশি যাত্রীকে প্রত্যেকের জন্য একটি প্লাস্টিকের ব্যাগ বিতরণ করেছিলেন। ব্যাগটিতে ক্যান্ডি, চুইংগাম এবং ইয়ারপ্লাগ ছিল যেগুলি ফ্লাইটের সময় তার 4 মাস বয়সী শিশুর চিৎকারের ঘটনাতে ব্যবহার করার জন্য অনুরোধ করা হয় এবং অগ্রীম ক্ষমাপ্রার্থনা করা হয়।

ব্যাগটিতে একটি বার্তাও ছিল,"হ্যালো, আমি জান উ। আমার বয়স 4 মাস এবং আজ আমি আমার মা এবং দাদির সাথে আমার খালার সাক্ষাতের জন্য আমেরিকা ভ্রমণ করছি। আমি একটু নার্ভাস এবং ভয় পেয়েছি। এটি আমার জীবনের প্রথম ফ্লাইট। কান্না করা বা কিছু ঝামেলা সৃষ্টি করা আমার পক্ষে স্বাভাবিক। আমি শান্ত থাকার চেষ্টা করব, কিন্তু আমি আপনাকে প্রতিশ্রুতি দিতে পারি না। আমার চিৎকার খুব জোরে হলে দয়া করে এটি ব্যবহার করুন.. আপনার ভ্রমণ উপভোগ করুন, ধন্যবাদ" ।

কি দারুন অন্যের স্বাধীনতাকে সম্মান করার সংস্কৃতি.কি চমৎকার ভদ্রতা, এটা অর্জন করতে দরকার মানবিকতা, নৈতিক শিক্ষা যা আমাদের কাছে বিরল।

Courtesy. Jawad Gilani

30/03/2024

বৃষ্টি ভ্রমণ বাংলাদেশ

কোলকাতা টু লন্ডনের বাস রুট ছিলো বিশ্বের দীর্ঘতম বাস রুট। 1957 সাল থেকে1976 সাল পর্যন্ত চালু ছিলো এই রুট। আলবার্ট ট্রাভেল...
30/03/2024

কোলকাতা টু লন্ডনের বাস রুট ছিলো বিশ্বের দীর্ঘতম বাস রুট। 1957 সাল থেকে1976 সাল পর্যন্ত চালু ছিলো এই রুট। আলবার্ট ট্রাভেল নামে একটা কোম্পানী এটা পরিচালনা করতো। এই রুটের দুরুত্ব ছিলো প্রায় 32669 কি.মি.। কোলকাতা থেকে লন্ডন পৌছাতে সময় লাগতো প্রায় 50 দিন। লন্ডন থেকে বেলজিয়াম, যুগস্লাভিয়া, তুরস্ক, ইরান, আফগানিস্থান ও পাকিস্থান হয়ে কোলকাতায় পৌছাতো। থাকা খাওয়াসহ বাসের টিকেটের মূল্য ছিলো 145 পাউন্ড। এই বাসে বই পড়ার ব্যবস্থা ছিলো, রেডিও ও গান শোনার ব্যবস্থা ছিলো। ছিলো ঘুমানোর জন্য বাঙ্কার, খাবারের জন্য ছিলো সুসজ্জিত কিচেন। যাত্রাপথে তাজমহলসহ বিভিন্ন দর্শনীয় স্থান ঘুরে দেখার জন্য বিরতি দেওয়া হতো। এছাড়া ও শপিং করার জন্য ভিয়েনা, ইস্তানবুল, কাবুল ও তেহেরানে বিরতী দেওয়া হতো।

বিশ্ব এস্তেমার এলাকা ভিত্তিক স্থান ও নং। #এস্তেমা  #ইসলাম  #তাবলিগ
30/01/2024

বিশ্ব এস্তেমার এলাকা ভিত্তিক স্থান ও নং।
#এস্তেমা #ইসলাম #তাবলিগ

সমুদ্র যাত্রায় বিশ্বের সবচেয়ে বড় প্রমোদতরি, ৭ সুইমিংপুলসহ কী আছে এতেসাগরের বুকে যাত্রা শুরু করেছে বিশ্বের বৃহত্তম প্রমোদ...
28/01/2024

সমুদ্র যাত্রায় বিশ্বের সবচেয়ে বড় প্রমোদতরি, ৭ সুইমিংপুলসহ কী আছে এতে

সাগরের বুকে যাত্রা শুরু করেছে বিশ্বের বৃহত্তম প্রমোদতরি ‘আইকন অব দ্য সিজ’। যুক্তরাষ্ট্রের মিয়ামি, ফ্লোরিডা থেকে জাহাজটি তার প্রথম সমুদ্রযাত্রায় যাত্রা করেছে। প্রথম যাত্রায় এতে যত সংখ্যক যাত্রী উঠেছেন, তা ছোটখাটো একটি শহরের জনসংখ্যার সমান। তবে জাহাজ থেকে মিথেন নির্গমন নিয়ে উদ্বেগ রয়েছে।

৩৬৫ মিটার দীর্ঘ (১ হাজার ১৯৭ ফুট) আইকন অব দ্য সিস-এ ২০টি ডেক রয়েছে এবং এটিতে সর্বোচ্চ ৭ হাজার ৬০০ জন যাত্রী উঠতে পারে। জাহাজটি রয়্যাল ক্যারিবিয়ান গ্রুপের মালিকানাধীন। প্রথম সমুদ্র যাত্রায় জাহাজটি ক্যারিবীয় অঞ্চলের দ্বীপ-হপিংয়ে সাত দিনের সফরে যাচ্ছে।

গত মঙ্গলবার আর্জেন্টাইন ফুটবল তারকা লিওনেল মেসি প্রমোদতরিটির উদ্বোধন করেন।
পরিবেশবাদীরা সতর্ক করে বলেছেন, তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) চালিত জাহাজ থেকে বাতাসে ক্ষতিকারক মিথেন গ্যাস নির্গমন হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে।
#ট্রাভল #ভ্রমন #ঘুরতেচল

ফিনল্যান্ডের তুর্কুর শিপইয়ার্ডে জাহাজটি নির্মাণ করতে ৯০০ দিন সময় লেগেছে। বাহামা-নিবন্ধিত জাহাজটিতে ৭টি সুইমিং পুল ও ছয়টি ওয়াটার স্লাইড রয়েছে। এটি তৈরিতে খরচ হয়েছে ২০০ কোটি ডলার। এতে রয়েছে ৪০টির বেশি রেস্তোরাঁ, বার এবং লাউঞ্জ। এর ক্রুর সংখ্যা ২ হাজার ৩৫০।

যাত্রীদের একঘেয়েমী কাটাতে প্রমোদতরিতে বিভিন্ন ধরনের সুব্যবস্থা রয়েছে। আছে ৪০ হাজার গ্যালন পানির একটি ‘হ্রদ’। এতকিছুর পরেও এরপরও যাত্রীদের একঘেয়ে লাগলে তাদের জন্য সুরের জগতে হারানোর বন্দোবস্ত রেখেছে কর্তৃপক্ষ। প্রমোদতরিটিতে আছেন ৫০ জন সংগীতশিল্পী ও কমেডিয়ান। আছে অর্কেস্ট্রার আয়োজনও।
২০০ কোটি ডলার ব্যয়ে নির্মিত প্রমোদতরিতে অত্যাধুনিক সব প্রযুক্তি ব্যবহার করেছে রয়্যাল ক্যারিবিয়ান ইন্টারন্যাশনাল। নির্মাতা প্রতিষ্ঠানটি বলছে, প্রমোদতরিটি পরিবেশবান্ধব তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসে (এলএনজি) চলবে।

রয়্যাল ক্যারিবিয়ান ইন্টারন্যাশনাল প্রমোদতরিটিতে বেতারতরঙ্গ ব্যবস্থায় পরিচালিত পাইরোলাইসিস প্রযুক্তিও ব্যবহার করা হচ্ছে। এ প্রযুক্তির সাহায্যে বর্জ্যকে জ্বালানি গ্যাসে পরিণত করা হয়। জাহাজে বিশুদ্ধ পানি সরবরাহ নিশ্চিত করতে রিভার্স অসমোসিস ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে।
প্রথম যাত্রার টিকিট সব আগেই বিক্রি হয়ে গেছে। কোম্পানি বলেছে, টিকিটের জন্য নজিরবিহীন চাহিদা দেখা গেছে। এক সপ্তাহ ধরে ক্যারিবীয় সাগরে ঘুরে বেড়ানোর পর মায়ামিতে ফিরে আসবে প্রমোদতরিটি।

এর আগে বিশ্বের সবচেয়ে বড় প্রমোদতরির খেতাব ছিল রয়েল ক্যারিবিয়ানেরই তৈরি ‘ওয়ান্ডার অব দ্য সিজ’-এর দখলে।

25/01/2024

জমিদার বাড়ির খোঁজ-খবর
বাংলাদেশের আনাচে কানাচে শত শত জমিদার বাড়ি রয়েছে। যেগুলো ইতিহাস ঐতিহ্য ও আভিজাত্যের সাক্ষী। নানান ধরনের পৌরাণিক ইতিহাসের জানা-অজানা অনেক তথ্য মিলে সেই সব জমিদার বাড়িগুলোতে জমিদারদের জীবনযাপন থেকে শুরু করে তাদের অনেক ধরনের তথ্যই এই জমিদারদের বাড়িগুলোয় পাওয়া যায় । ইতিহাসের টানে হলেও এই জমিদার বাড়িগুলো অবশ্যই ঘুরে দেখুন।

1. শশী লজ
শশী লজ ময়মনসিংহ জেলা সদরে অবস্থিত একটি রাজবাড়ি। ঊনবিংশ শতকে মুক্তাগাছার জমিদার মহারাজ সূর্যকান্ত আচার্য চৌধুরী দৃষ্টিনন্দন প্রাসাদ নির্মাণ করেন। মহারাজ সূর্যকান্ত তার দত্তক ছেলে শশীকান্ত আচার্য চৌধুরীর নামানুসারে প্রাসাদটির নামকরণ করেন শশী লজ। স্থানীয়ভাবে ময়মনসিংহ রাজবাড়ি নামেও পরিচিত। ১৮৯৭ সালের ভূমিকম্পে ভবনটি ক্ষতিগ্রস্ত হলে শশীকান্ত আচার্য চৌধুরী পুনরায় নির্মাণ করেন। ৯ একর জায়গা ওপর নির্মিত শশী লজ ভবনের প্রধান ফটকে ১৬ টি গম্বুজ রয়েছে।
শশী লজের মূল ভবনের সামনে একটি চমৎকার বাগান রয়েছে। বাগানের মাঝখানে শ্বেতপাথরের ফোয়ারার সাথে গ্রিক দেবী ভেনাসের এক মর্মর মূর্তি স্থান পেয়েছে। ১৮ টি বিশাল কক্ষের মূল ভবনের পেছনে আছে দোতলা স্নানঘর, পুকুর ও মার্বেল পাথরে নির্মিত ঘাট। ১৯৫২ সালে শশী লজে মহিলা টিচার্স ট্রেনিং কলেজ প্রতিষ্ঠিত হলে বাড়িটির মূল ভবন অধ্যক্ষের কার্যালয় এবং দপ্তর হিসেবে করা হতো। ২০১৫ সালে ৪ এপ্রিল জাদুঘর স্থাপনের জন্য বাংলাদেশ সরকারের প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তর শশী লজটি অধিগ্রহণ করে।
কিভাবে যাবেন
ঢাকা থেকে এনা, আলম এশিয়া, শামীম এন্টারপ্রাইজ, শৌখিন কিংবা নিরাপদ পরিবহনের বাসে করে ২৬০ টাকা ভাড়ায় ময়মনসিংহ যেতে পারবেন। ঢাকা থেকে ময়মনসিংহ যেতে আড়াই থেকে তিন ঘণ্টা সময় লাগে। মাসাকান্দা বাস স্ট্যান্ডে নেমে অটো অথবা রিকশায় চড়ে শশী লজ ঘুরে আসতে পারবেন। রিক্সা ভাড়া নেবে ৩০-৪০ টাকা।

2. তাজহাট জমিদার বাড়ি
তাজহাট জমিদার বাড়ি দেখতে হলে রংপুর বিভাগীয় শহর থেকে প্রায় ৬ কিলোমিটার দূরে মাহিগঞ্জের তাজহাট গ্রামে যেতে হবে। অষ্টাদশ শতাব্দীর শেষ ভাগে রত্ন ব্যবসায়ী মান্নালাল ব্যবসায়িক কারণে মাহিগঞ্জে এসে বসবাস এবং পরবর্তীতে তাজহাট জমিদারির প্রতিষ্ঠাতা করেন। জমিদার মান্নালাল মারা যাবার পর তাঁর দত্তক পুত্র গোপাল লাল রায় বাহাদুর জমিদারি পরিচালনা শুরু করেন। বিংশ শতাব্দীর শুরুতে প্রায় ২০০০ রাজমিস্ত্রির নিরলস পরিশ্রমে বর্তমান তাজহাট জমিদার বাড়ি পূর্ণতা লাভ করে। ১৯১৭ সালে সম্পূর্ণ হওয়া এই জমিদার বাড়িটি নির্মাণ করতে তৎকালীন সময়ে প্রায় দেড় কোটি টাকা খরচ হয়।
তাজহাট জমিদার বাড়ির চত্বরে রয়েছে গাছের সারি, বিশাল মাঠ এবং প্রাসাদের দুই পাশে আছে দুইটি পুকুর। আর আছে বিভিন্ন রকম ফুল ও মেহগনি, কামিনী, আম এবং কাঁঠাল বাগান। জমিদার বাড়িটি দেখতে ঢাকার আহসান মঞ্জিলের মতো। লাল ইট, শ্বেত ও চুনা পাথর দ্বারা নির্মিত চারতলা বিশিষ্ট তাজহাট জমিদার বাড়ির তৃতীয় ও চতুর্থ তলায় জমিদার গোপালের ব্যবহৃত বিভিন্ন জিনিস রাখা আছে। এছাড়া রয়েছে থাকার কক্ষ, গোসলখানা ও অতিথিদের জন্য কক্ষ। প্রায় ২১০ ফুট প্রস্থের প্রাচীন মুঘল স্থাপত্যের অনুকরণে নির্মিত তাজহাট জমিদার বাড়িতে ইতালীয় মার্বেল পাথরে তৈরী ৩১ টি সিঁড়ি আছে। রাজবাড়ীর পেছনদিকে রয়েছে গুপ্ত সিঁড়ি পথ, যা বর্তমানে বন্ধ রয়েছে।
১৯৯৫ সালে বাংলাদেশ প্রত্নতত্ত্ব বিভাগ তাজহাট জমিদার বাড়িকে সংরক্ষিত স্থাপনা হিসেবে নথিভুক্ত করে এবং ২০০৫ সালে রংপুর জাদুঘরকে তাজহাট জমিদার বাড়ির দ্বিতীয় তলায় স্থানান্তরিত করে। জাদুঘরের প্রদর্শনী কক্ষে দশম ও একাদশ শতাব্দীর বেশকিছু টেরাকোটা শিল্পকর্ম স্থান পেয়েছে। এছাড়াও জাদুঘরে সংরক্ষিত রয়েছে মুঘল সম্রাট আওরাঙ্গজেবের সময়ের কুরআন, মহাভারত ও রামায়ণসহ বেশকিছু আরবি এবং সংস্কৃত ভাষায় লেখা প্রাচীন পাণ্ডুলিপি। কাল পাথরের বিষ্ণুর প্রতিকৃতি ছাড়াও জাদুঘরে প্রায় ৩০০ টি মূল্যবান নিদর্শন রয়েছে।

কিভাবে যাবেন
রাজধানী ঢাকার কল্যাণপুর, গাবতলী ও মহাখালী বাস টার্মিনাল হতে নিয়মিত ভাবে বিভিন্ন পরিবহণের বাস রংপুরের উদ্দেশ্যে যাত্রা করে। এসব বাসে চড়ে রংপুর যেতে জনপ্রতি ৬০০ থেকে ১০০০ টাকা ভাড়া লাগে। রংপুর বাসষ্ট্যান্ড থেকে রিকশাযোগে তাজহাট জমিদার বাড়ি যেতে মাত্র ২০ টাকা ভাড়া লাগে। তবে ঢাকা থেকে কুড়িগ্রামগামী বাসে চড়লে সরাসরি তাজহাট জমিদার বাড়ির সামনে নামা যায়।

3. উত্তরা গণভবন
নাটোরের বিখ্যাত দিঘাপতিয়া রাজবাড়ি বর্তমানে উত্তরা গণভবন নামে পরিচিত। নাটোরের রানী ভবানী তার নায়েব দয়ারাম রায়কে দিঘাপতিয়া পরগনা উপহার দেন। পরবর্তীতে নায়েব সেখানে কয়েকটি প্রাসাদ গড়ে তোলেন। প্রায় ৪৩ একর আয়তনের লেক ও প্রাচীর বেষ্টিত রাজবাড়িটিতে মোট ১২ টি ভবন রয়েছে। উত্তরা গণভবনের পিরামিড আকৃতির চারতলা প্রবেশদ্বারের চূড়ায় বিখ্যাত কোক অ্যান্ড টেলভি কোম্পানির তৈরি একটি ঘণ্টা ঘড়ি স্থাপন করা হয়েছে। আর মূল প্রাসাদ ভবনে প্রবেশ করলে রাজার সিংহাসন, আক্রমণ ঠেকানোর বর্ম এবং তলোয়ার দেখতে পাওয়া যায়। রাজ প্রাসাদের প্রাঙ্গণে ইতালি থেকে সংগৃহীত ভাস্কর্যে সুসজ্জিত বাগান রয়েছে। মনোমুগ্ধকর এই বাগানে স্থান পেয়েছে হাপরমালি, নীলমণিলতা, রাজ-অশোক, পারিজাত, কপূর, সৌরভী, হৈমন্তী, যষ্টিমধু, বনপুলক, পেয়ালি, সেঁউতি, তারাঝরা, সাইকাস, মাধবী ইত্যাদি বিভিন্ন প্রজাতির গাছ। এছাড়া আছে রাজা প্রসন্ননাথের অবক্ষমূর্তি, জমিদার দয়ারামের ভাস্কর্য, চারটি কামান, কুমার ভবন, তহশিল অফিস ও অতিথিশালা।
নাটোর জেলা শহর থেকে মাত্র ৩ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত উত্তরা গণভবনটি বর্তমানে উত্তরবঙ্গে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর স্থানীয় কার্যালয় এবং বাসভবন হিসাবে ব্যবহৃত হচ্ছে। তাই উত্তরা গণভবন পরিদর্শন করতে জেলা প্রশাসনের অনুমতি নিতে হয়।
কিভাবে যাবেন
ঢাকা থেকে সড়ক ও রেলপথে নাটোর যাওয়া যায়। নাটোর বাস স্টপ কিংবা রেলস্টেশন থেকে সিএনজি চালিত অটোরিকশায় উত্তরা গণভবন যেতে মাত্র ১৫ মিনিট সময় লাগে। অথবা নাটোরের যে কোন জায়গা থেকেই উত্তরা গণভবনে যাওয়ার পর্যাপ্ত রিক্সা বা অটোরিক্সা পাবেন। নাটোরের মাদ্রাসা মোড় থেকে উত্তরা গণভবন যেতে ৩০ টাকা রিকশা ভাড়া লাগে।

4.মহেরা জমিদার বাড়ি
মহেড়া জমিদার বাড়ির মত সুন্দর এবং যত্নে সংরক্ষিত জমিদার বাড়ি বাংলাদেশে খুঁজে পাওয়া কঠিন। টাঙ্গাইল সদর থেকে প্রায় ১৮ কিলোমিটার দূরে আট একর জায়গা জুড়ে মহেড়া জমিদার বাড়ি বিস্তৃত। মহেড়া জমিদার বাড়ি প্রাচীন সভ্যতা ও ঐতিহ্যের অমূল্য নিদর্শন স্বরূপ মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে আছে। জমিদার বাড়ির সাথেই ছোট পার্ক, চিড়িয়াখানা, পিকনিক স্পট ও বোট রাইডের ব্যবস্থা রয়েছে। রাজধানী ঢাকার বেশ কাছে হওয়ায় সকালে রওনা দিলে এক দিনেই জমিদার বাড়ি থেকে ঘুরে আসা যায়।
এই জমিদার বাড়ির প্রবেশ পথেই রয়েছে বিশাল দুইটি সুরম্য গেট। বিশাল তিনটি প্রধান ভবনের সাথে নায়েব সাহেবের ঘর, কাছারি ঘর, গোমস্তাদের ঘর, দীঘি ও আরো তিনটি লজ রয়েছে। প্রবেশ পথের আগেই বিশাখা সাগর নামে একটি দীঘি আছে। মূল ভবনে পিছনের দিকে পাসরা পুকুর ও রানী পুকুর নামে আরো দুইটি পুকুর রয়েছে।

কীভাবে যাবেন
ঢাকার মহাখালী বাস টার্মিনাল থেকে বিনিময়, ঝটিকা, ধলেশ্বরী ইত্যাদি বাস টাঙ্গাইলের উদ্দেশ্যে যাত্রা করে। এই সমস্ত বাস ভাড়া লাগে ১২০ থেকে ১৬০ টাকা। পছন্দমত কোন বাসে চড়ে নাটিয়াপাড়া বাস ষ্ট্যান্ডে আসতে হবে। নাটিয়াপাড়ায় বাস থেকে নেমে সিএনজি, রিকশা বা বেবী টেক্সী যোগে মহেরাপাড়া পুলিশ প্রশিক্ষন কেন্দ্রে আসতে হবে। মহেরা জমিদার বাড়িটিই বর্তমানে পুলিশ প্রশিক্ষণ কেন্দ্র হিসাবে ব্যবহৃত হচ্ছে।

5. বালিয়াটি জমিদার বাড়ি
বালিয়াটি জমিদার বাড়ি দেখতে হলে আপনাকে যেতে হবে মানিকগঞ্জ জেলা থেকে প্রায় ৮ কিলোমিটার দূরে সাটুরিয়া উপজেলার বালিয়াটি গ্রামে। সাতটি ঐতিহ্যবাহী স্থাপনা নিয়ে বালিয়াটি জমিদার বাড়ি গৌরবের সাক্ষী হয়ে মাথা তুলে দাঁড়িয়ে আছে। দৃষ্টিনন্দন এই জমিদার বাড়ির বিভিন্ন ভবন একেক জন উত্তরাধিকারীদের মাধ্যমে পৃথক পৃথক সময়ে নির্মিত হয়েছে। বালিয়াটি জমিদার বাড়িটি বর্তমানে বাংলাদেশ প্রত্নতাত্ত্বিক বিভাগের মাধ্যমে সংরক্ষণ ও পরিচালনা করা হচ্ছে। আর জমিদার বাড়ির কেন্দ্রীয় ব্লকে রংমহল খ্যাত ভবনে যাদুঘর গড়ে তোলা হয়েছে। বালিয়াটি প্যালেস নামেও পরিচিত এই জমিদার বাড়ি।
ঊনবিংশ শতকে নির্মিত ঐতিহ্যবাহী প্রাসাদের চত্বরটি প্রায় ১৬ হাজার ৫৫৪ বর্গমিটার এলাকা জুড়ে অবস্থিত। জমিদার বাড়ির প্রবেশ ফটকের দুই পাশে স্থাপিত রয়েছে দুটি সিংহের মূর্তি। সমস্ত জমিদার চত্বর উঁচু প্রাচীর দিয়ে ঘেরা এবং জমিদার বাড়ির মূল ফটক দিয়ে প্রবেশ করলেই সুপ্রশস্ত সবুজের ঢাকা আঙ্গিনা চোখে পড়ে। আঙ্গিনায় গড়ে তোলা হয়েছে সুন্দর ফুলের বাগান। আঙ্গিনার পরেই পাশাপাশি চারটি বহুতল ভবন রয়েছে। এই ভবনগুলোর পেছনেই আছে চারটি পুকুর ও জমিদার অন্দরমহল। প্রাসাদের কক্ষ সংখ্যা ২০০ টি এবং প্রতিটি কক্ষেই সুনিপুণ কারুকাজ লক্ষ্য করা যায়। চুন-সুরকি, লোহার পাত আর কাদামাটিতে নির্মিত ভবনগুলোর প্রতিটি দেয়াল প্রায় ২০ ইঞ্চি পুরু। অনন্য নির্মাণ কৌশল আর কারুকার্য পূর্ণ বালিয়াটি জমিদার বাড়ী তৎকালীন জমিদারদের অভিজাত্যকেই ফুটিয়ে তোলে।

কিভাবে যাবেন
ঢাকার গাবতলী বাস টার্মিনাল থেকে আরিচা বা মানিকগঞ্জগামী যে সব বাস সাটুরিয়া হয়ে যায় সেইসব বাসে করে যেতে পারবেন। ভালো হয় গাবতলী থেকে সাটুরিয়া গামী এস বি লিংক পরিবহণে গেলে। সাটুরিয়া পার হয়ে সাটুরিয়ার জিরো পয়েন্টে নেমে যেতে হবে। বাসের সুপারভাইজারকে বালিয়াটি জমিদার বাড়ির কথা বললেই নামিয়ে দিবে। ঢাকা থেকে বাসে সাটুরিয়া জিরো পয়েন্ট যেতে সাধারণত ২ ঘন্টার চেয়ে একটু বেশি সময় লাগে। তবে জ্যামের কথা মাথায় রেখেই আপনাকে রওনা দিতে হবে। জিরো পয়েন্ট সেখানে থেকে জমিদার বাড়ির দূরত্ব ১ কিলোমিটার। ইজিবাইক বা সিএনজি দিয়ে ২০-৩০ টাকা ভাড়া দিয়েই যেতে পারবেন বালিয়াটি প্যালেসে। এছাড়া সাটুরিয়া বাস স্ট্যান্ডে নেমেও সিএনজি/ইজিবাইক দিয়ে যেতে পারবেন ৫০-৬০ টাকা ভাড়ায়
#ভ্রমন #ট্রাভল

21/01/2024

 #প্রেসিডেন্টক্যাফ রুফটপ রেস্টুরেন্টPresident Café rooftop restaurantVideo link
21/01/2024

#প্রেসিডেন্টক্যাফ রুফটপ রেস্টুরেন্ট
President Café rooftop restaurant
Video link

#প্রেসিডেন্টক্যাফ রুফটপ #রেস্টুরেন্ট rooftop restaurant. প্রেসিডেন্ট ক্যাফে এর কথা অনেকের অজানা। যারা ডেমরা এর চিটাগং ....

18/01/2024
18/01/2024

🇧🇩🇧🇩🇧🇩আবাসিক হোটেল সেন্ট মার্টিন🇧🇩🇧🇩🇧🇩
সেন্ট মার্টিনের আবাসিক হোটেলের তালিকা দেওয়া হলো। এ ভাড়াগুলো আগের তাই ভাড়া সম্পর্কে বিস্তারিত জেনে রুম বুকিং করার পরামর্শ রইলো।
💢💢💢💢💢
✅ব্লু মেরিনজেটি থেকে সামান্য দূরে অবস্থিত হোটেলটির অবকাঠামো চমৎকার। তিন তলা বিশিষ্ট এ হোটেলে ৩৪টি বিলাসবহুল রুমসহ নিজস্ব রেস্টুরেন্ট রয়েছে। বাজারের কাছে বলে এর আশপাশে মানুষের সমাগম খুব বেশি। এছাড়া রুম থেকে সরাসরি বিচ দেখা যায় না।

➡️ যোগাযোগ: ০১৭১৩৩৯৯০০০ (ঢাকা), ০১৭১৩৩৯৯২৫০ (সেন্টমার্টিন)।
💥💥💥💥💥
✅সী ভিউজেটি থেকে ৭ মিনিট হাঁটতে হয়। এখানে নিজস্ব রেস্টুরেন্টসহ ১৬টি রুম ও ৪টি তাবু রয়েছে। এর অধিকাংশ রুম থেকে সমুদ্র দেখা যায়। এছাড়া ফ্রি ওয়াইফাই ও স্পোর্টসের সুবিধা রয়েছে। তবে নিজস্ব রেস্টুরেন্টটি প্রায় ত্রিশ মিটার দূরে অবস্থিত।
➡️ যোগাযোগ: ০১৮৪০৪৭৭৭০৭ (ঢাকা), ০১৮৪০৪৭৭৯৫৬ (সেন্টমার্টিন)।
💢💢💢💢💢
✅নীল দিগন্তদ্বীপের দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থিত রিসোর্টটির রুমের সংখ্যা ৩৮টি। রেস্টুরেন্টও রয়েছে এখানে। এর সব রুমই টিনশেড।
➡️ তবে জেটি থেকে দূরে হওয়ায় ভ্যান ভাড়া পরে ২শ’ টাকা। এছাড়া রুম থেকে বিচ দেখারও সুযোগ নেই। অন্যান্য সবকিছু ঠিকঠাক আছে। যোগাযোগ: ০১৭৩০০৫১০০৫, ০১৭৩০০৫১০০৬, ০১৭৩০০৫১০০৭।
💥💥💥💥💥
✅লাবিবা বিলাসরিসোর্টের ৪৩টি রুম, একটি রেস্টুরেন্ট ও একটি ছোট্ট সেমিনার রুম রয়েছে। এর অবস্থান নর্থ বিচে। শিপঘাট থেকে যেতে একটু বেশি সময় লাগে, তবে হাঁটাপথে ১৫-২০ মিনিট।
➡️ রিসোর্টে সবরকম আধুনিক সুবিধার পাশাপাশি খেলাধুলার ব্যবস্থা রয়েছে। যোগাযোগ: ০১৭৪৪১৩৬১৪৫ (ঢাকা), ০১৮৩৪২৬৭৯২২ (সেন্টমার্টিন)।
💢💢💢💢💢
✅প্রাসাদ প্যারাডাইজএর অবস্থান ব্লু মেরিনের কিছুটা উত্তরে। এখানে মোট ১৬টি কক্ষ। হোটেলের সাথে রেস্টুরেন্টও আছে। বিচ থেকে একটু দূরে বলে অল্প কয়েকটি রুম থেকে সমুদ্রের কিছুটা দেখা যায়।
➡️যোগাযোগ: ০১৫৫৬৩৪৭৭১১।
💥💥💥💥💥
✅সী ইনসেন্টমার্টিন বাজারের মূল রাস্তা ধরে পাঁচ মিনিট হাঁটলেই এর অবস্থান। এতে ২৬টি কক্ষ রয়েছে। নিজস্ব রেস্টুরেন্ট নেই, তবে আশেপাশে রয়েছে।
➡️ এখান থেকে সমুদ্র দেখার কোনো উপায় নেই। নির্জনতা উপভোগের সুযোগও কম। যোগাযোগ: ০১৭২২১০৯৬৭০, ০১৭৩৫৫৮১২৫১, ০১৭৭৫০১১২০৮।
💢💢💢💢💢
✅সীমানা পেরিয়েএর অবস্থান ওয়েস্ট বিচে, ভ্যানে করে যেতে হয়। এতে ১৪টি রুম ও একটি রেস্টুরেন্ট আছে। বিচের কাছাকাছি বলে কয়েকটি রুম থেকে সমুদ্র দেখা যায়।
➡️ যোগাযোগ: ০১৯১১১২১২৯২, ০১৮১৯০১৮০২৭।
💥💥💥💥💥
✅কোরাল ভিউরিসোর্টটি নৌবাহিনী পরিচালনা করে। ইস্ট বিচে এর অবস্থান। জেটি থেকে দূরে বলে ভ্যান বা বোট নিয়ে যেতে হয়। এর আয়তন অনেক বড়ো এবং রুম থেকে সমুদ্র দেখা যায়। রিসোর্টের সামনে একটি সবুজ মাঠ রয়েছে। একে হেলিপ্যাড হিসেবে ব্যবহার করা হয়। আছে নিজস্ব রেস্টুরেন্ট।
➡️ যোগাযোগ: ০১৯৮০০০৪৭৭৭, ০১৯৮০০০৪৭৭৮।
💢💢💢💢💢
✅প্রিন্স হ্যাভেননর্থ বিচের পাশে এর অবস্থান। এখান থেকে সমুদ্র বেশ ভালো দেখা যায়। রিসোর্টে ২৪টি কক্ষ ও রেস্টুরেন্ট আছে।
➡️ যোগাযোগ: ০১৮৩৩৩৬০৩৩৩।
💥💥💥💥💥
✅সী প্রবালনর্থ বিচের রিসোর্টটি সী ভিউ থেকে সামান্য দূরে। এখানে ১৬টি রুম ও একটি রেস্টুরেন্ট আছে। এর চারটি রুম ছাড়া অন্য রুম থেকে সমুদ্র দেখার উপায় নেই।
➡️ যোগাযোগ: ০১৮১৬৪৬৭৪০৬, ০১৭৬১২০০৬৮৯।
❤️❤️❤️❤️❤️❤️❤️❤️❤️❤️❤️❤️❤️❤️
🛑সেন্টমার্টিনে হোটেল বা রিসোর্ট বুকিং দেওয়ার সময় এর অবস্থান, দূরত্ব, রেস্টুরেন্ট, নিরাপত্তা ইত্যাদি দেখে নেওয়া ভালো। রুম ভাড়ার ক্ষেত্রেও ভালোভাবে খোঁজ নিয়ে যাওয়ার পরামর্শ রইলো। তবে ডিসেম্বরের মাঝামাঝি থেকে জানুয়ারির মাঝামাঝি পর্যন্ত রুম ভাড়া বেশি থাকে।
❤️❤️❤️❤️❤️❤️❤️❤️❤️❤️
#সেন্টমার্টিন
#হোটেলরিসোর্ট
#আবাসিকহোটেলতালিকা
#সেন্টমার্টিনট্যুর




#কপি_পেস্ট
#সংগৃহীত

Address

Dhaka
1430

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Ghurtecholo posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share