Six Seasons Tourism

Six Seasons Tourism Govt. Approved Tour Operator In Bangladesh
www.sixseasonstourism.com The trade name “Six Seasons” was adopted in the six climatic seasons of Bangladesh.

Each season contains unique characteristic and it can be observed by the way how nature changes. With this idea, we are offering season-based packages to our guest to attain utmost satisfaction in their behalf.

বৃষ্টি ভেজা হাতিরঝিল। কী সতেজ লাগছে! বন্ধুরা আমাদের দেশ সত্যি-ই অনেক সুন্দর! আমাদেরকে এমন সৌন্দর্য সব সময় ধরে রাখতে হবে।...
30/04/2018

বৃষ্টি ভেজা হাতিরঝিল। কী সতেজ লাগছে! বন্ধুরা আমাদের দেশ সত্যি-ই অনেক সুন্দর! আমাদেরকে এমন সৌন্দর্য সব সময় ধরে রাখতে হবে। এ দায়িত্ব আমার- আপনার। সবুজ বাংলাদেশ, ফটোজনিক বাংলাদেশ, ভালোবাসার বাংলাদেশ।
"We love beautiful Bangladesh"

16/04/2018
One of the most beautiful place in@Bandarban,Chittagong
10/04/2018

One of the most beautiful place in@Bandarban,Chittagong

Cox's Bazar Sea Beach
09/04/2018

Cox's Bazar Sea Beach

ভিসা ছাড়াই কাতারে যেতে পারবেন ৮০ দেশের নাগরিক৮০টি দেশের নাগরিকেরা ভিসা ছাড়াই কাতারে যেতে পারবেন। থাকতে হবে কেবল বৈধ পাসপ...
10/08/2017

ভিসা ছাড়াই কাতারে যেতে পারবেন ৮০ দেশের নাগরিক

৮০টি দেশের নাগরিকেরা ভিসা ছাড়াই কাতারে যেতে পারবেন। থাকতে হবে কেবল বৈধ পাসপোর্ট। আকাশপথে পরিবহন ও পর্যটন খাতকে চাঙা করতে গতকাল বুধবার ভিসা ছাড়াই প্রবেশাধিকারের ঘোষণা দিয়েছে কাতার।

দোহায় এক সংবাদ সম্মেলনে কাতারের পর্যটন বিভাগের কর্মকর্তা হাসান আল-ইব্রাহিম বলেন, ভিসা ছাড়াই তাঁদের দেশে যাওয়ার এই পরিকল্পনা কাতারকে ওই অঞ্চলে সবচেয়ে মুক্ত দেশে পরিণত করেছে।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা মোহাম্মদ রাশেদ আল-মাজরউই বলেন, ৮০টি দেশের নাগরিকদের এখন কেবল বৈধ পাসপোর্ট লাগবে কাতারে প্রবেশ করার জন্য। যদিও কোন কোন দেশের নাগরিকেরা ভিসা ছাড়া প্রবেশাধিকার পাবেন কিংবা কবে নাগাদ এই কর্মসূচি চালু হবে, সে-সংক্রান্ত কিছু গতকাল জানানো হয়নি।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, ভিসা ছাড়া কাতার গিয়ে ৩৩টি দেশের নাগরিকেরা ১৮০ দিন এবং বাকি ৪৭টি দেশের নাগরিকেরা ৩০ দিন পর্যন্ত থাকতে পারবেন। প্রয়োজনে সেখানে থাকার মেয়াদ আরও একবার বাড়াতে পারবেন।

কাতার এয়ারওয়েজের প্রধান আকবার আল-বাকের বলেন, তিনি মনে করছেন যে নতুন কর্মসূচির প্রাথমিক সুফলভোগী হবেন তাঁরা।

উল্লেখ্য, ২০২২ সালে অনুষ্ঠেয় ফুটবল বিশ্বকাপের আয়োজক দেশ কাতার। ২৪ লাখ জনসংখ্যার দেশটিতে ৯০ শতাংশই বিদেশি নাগরিক। দেশটির বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবাদে মদদদানের অভিযোগ তুলে গত ৫ জুন সৌদি আরবের নেতৃত্বে বাইরাইন, মিসর, সংযুক্ত আরব আমিরাতসহ কয়েকটি দেশ কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করে। যদিও সেসব অভিযোগ অস্বীকার করেছে দোহা।

সূত্রঃ প্রথম আলো (১০/০৮/২০১৭ইং)

পাসপোর্ট অফিস যদি একবারে দশবছরের ফি নিয়েও দশবছরের জন্য পাসপোর্ট দিয়ে দেন- তাহলে মানুষ অনেক হয়রানি থেকে বেঁচে যায়। তাছাড়া...
23/07/2017

পাসপোর্ট অফিস যদি একবারে দশবছরের ফি নিয়েও দশবছরের জন্য পাসপোর্ট দিয়ে দেন- তাহলে মানুষ অনেক হয়রানি থেকে বেঁচে যায়। তাছাড়া ওতে পাসপোর্ট অফিসের জন্য ভালো হয়। তাই সরকারের নজরে আসা দরকার এই বিষয়টি। কী বলেন? আপনার মতামত দিন। শেয়ার করে সবাইকে মতামতের জন্য উৎসাহ দিন। ধন্যবাদ।

15/07/2017

বাংলাদেশি পাসপোর্ট এখনো কম দামি
বাংলাদেশ যখন মধ্যম আয়ের দেশের দিকে যাওয়ার যাত্রা শুরু করেছে, তখনো বিশ্ববাসীর কাছে এ দেশের পাসপোর্টের দাম খুবই কম। পর্যটক হিসেবে বাংলাদেশের সাধারণ মানুষ আগে থেকে ভিসা না নিয়ে ঢুকতে পারে বিশ্বের মাত্র পাঁচটি দেশে। দেশগুলো এশিয়া মহাদেশের।

পাঁচ দেশের মধ্যে আবার শ্রীলঙ্কা, নেপাল, ভুটান ও মালদ্বীপ—এই চারটিই হচ্ছে নিকটতম প্রতিবেশী, দক্ষিণ এশিয়ার এবং সার্কের সদস্য। বাকি দেশটি ইন্দোনেশিয়া।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী ভিসা ছাড়া বিভিন্ন দেশে বাংলাদেশিদের যাওয়ার যে তালিকা গত ২৮ জুন জাতীয় সংসদে দিয়েছেন, তা বিশ্লেষণ করে এ তথ্য জানা গেছে। পররাষ্ট্রমন্ত্রীর দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, শ্রীলঙ্কা, নেপাল ও ইন্দোনেশিয়া বাংলাদেশি পর্যটকদের তাদের দেশের এয়ারপোর্টে আগমনী (অন অ্যারাইভাল) ভিসা দেয় ৩০ দিনের জন্য। এ ছাড়া মালদ্বীপ ৯০ দিনের এবং ভুটান ১৫ দিনের ভিসা দেয় বাংলাদেশি পর্যটকদের।

তবে দ্বিপক্ষীয় ভিসা চুক্তির আওতায় কূটনৈতিক ও অফিশিয়াল পাসপোর্টধারী বাংলাদেশিরা যেতে পারেন মোট ২১টি দেশে (পাঁচটিসহ)। বেশির ভাগই এশিয়া মহাদেশের। দেশগুলো হচ্ছে ভারত, ভুটান, নেপাল, মালদ্বীপ, শ্রীলঙ্কা, মিয়ানমার, চীন, সিঙ্গাপুর, ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া, ফিলিপাইন, লাওস, ভিয়েতনাম, কম্বোডিয়া, দক্ষিণ কোরিয়া, তুরস্ক, বেলারুশ, কুয়েত, রাশিয়া, জাপান ও চিলি।

কূটনৈতিক ও অফিশিয়াল পাসপোর্টধারী বাংলাদেশিদের ভিসা ছাড়া ঢুকতে দেওয়া দেশগুলোর মধ্যে ইউরোপের রয়েছে মোট তিনটি দেশ—রাশিয়া, বেলারুশ ও তুরস্ক। দক্ষিণ আমেরিকায় রয়েছে একমাত্র দেশ চিলি। এর মধ্যে রাশিয়া ৩০ দিন ও অন্য তিন দেশ সর্বোচ্চ ৯০ দিনের আগমনী ভিসা দেয়। জাপান অফিশিয়াল পাসপোর্টধারীদের ঢুকতে দেয় না, তবে ৯০ দিনের জন্য ঢুকতে দেয় শুধু কূটনৈতিক পাসপোর্টধারী বাংলাদেশিদের।

মোট ২১ দেশ ধরে হিসাব করলে ৯টি দেশ ৯০ দিন, ১টি দেশ ৪৫ দিন, ৯টি দেশ ৩০ দিন ও ১টি দেশ ১৫ দিনের আগমনী ভিসা দেয় বাংলাদেশিদের। আগমনী ভিসায় চীন কত দিনের জন্য কূটনৈতিক ও অফিশিয়াল পাসপোর্টধারীদের ভিসা দেয়—পররাষ্ট্রমন্ত্রীর দেওয়া তালিকায় তার কিছু উল্লেখ নেই।

বহিরাগমন ও পাসপোর্ট অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, ৪ জুলাই পর্যন্ত দেশের মোট জনগোষ্ঠীর মধ্যে ১ কোটি ৭৪ লাখ ৩ হাজার ৭৯৮ জন সাধারণ পাসপোর্টধারী রয়েছেন। এর বাইরে সরকারি কর্মচারী বা অফিশিয়াল পাসপোর্টধারী রয়েছেন ২ লাখ ৩১ হাজার ৮৯৫ জন এবং কূটনৈতিক পাসপোর্টধারী রয়েছেন ৫ হাজার ৩৬৭ জন।

জানতে চাইলে বহিরাগমন ও পাসপোর্ট অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মো. মাসুদ রেজওয়ান প্রথম আলোকে বলেন, ‘ভিসার সঙ্গে অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি জড়িত। বাংলাদেশকে আরও বেশি দেশ আগমনী ভিসা দেবে, যদি আমরা আরও উন্নত দেশ হতে পারি।’

সর্বনিম্ন ১০-এর তালিকায় বাংলাদেশ

বৈশ্বিক ভিসামুক্ত চলাচল স্বাধীনতার ওপর এক যুগ ধরে গবেষণা ও সূচক প্রকাশ করে আসছে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক সংস্থা দ্য হ্যানলি অ্যান্ড পার্টনারস। বিশ্বের ২০১টি দেশের ওপর পরিচালিত ২০১৭ সালের সূচকে দেশগুলোর ১০৪তম পর্যন্ত মান বা অবস্থান নির্ধারণ করেছে সংস্থাটি।

আন্তর্জাতিক বিমান পরিবহন সংস্থার (আইএটিএ) ভ্রমণ তথ্যভান্ডারের সহযোগিতা নিয়ে হ্যানলি অ্যান্ড পার্টনারস এই সর্বশেষ সূচকটি তৈরি করে। মান বা অবস্থানের পাশাপাশি দেশওয়ারি নম্বরও (স্কোর) দেওয়া রয়েছে এই সূচকে। এই নম্বর হচ্ছে একটি দেশ আগে থেকে ভিসা ছাড়া অর্থাৎ আগমনী ভিসা নিয়ে কতটি দেশে যেতে পারেন, তার নির্দেশক।

সে অনুযায়ী বিশ্বের সবচেয়ে কম দামি পাসপোর্টধারী দেশ হচ্ছে আফগানিস্তান। দেশটির অবস্থান সর্বনিম্নতম অর্থাৎ ১০৪তম। আফগানিস্তানের মানুষ আগমনী ভিসা নিয়ে যেতে পারে মোট ২৪টি দেশে।

এ ছাড়া ১০৩তম অবস্থানে ইরাক; ১০২তম পাকিস্তান; ১০১তম সিরিয়া; ১০০তম সোমালিয়া; ৯৯তম লিবিয়া, ৯৮তম ইরিত্রিয়া ও ইয়েমেন; ৯৭তম নেপাল, ফিলিস্তিন ও সুদান; ৯৬তম ইথিওপিয়া, কসোভো, লেবানন ও দক্ষিণ সুদান এবং ৯৫তম অবস্থানে রয়েছে বাংলাদেশ, ইরান ও শ্রীলঙ্কা।

হ্যানলি অ্যান্ড পার্টনারসের তথ্য অবশ্য বলছে, বাংলাদেশের মানুষ আগমনী ভিসা নিয়ে যেতে পারে ৩৮টি দেশে।

বাংলাদেশের চেয়ে দুই ধাপ ওপরে অর্থাৎ ৯৩তম অবস্থানে রয়েছে মিয়ানমার। মিয়ানমারের মানুষ আগমনী ভিসায় যেতে পারে ৪১ দেশে। ভারতের অবস্থান ৮৭তম, এ দেশের মানুষ যেতে পারে ৪৯টি দেশে। ভুটানের অবস্থান ভারতের চেয়েও ভালো, ৮৫তম। ভুটানের মানুষ পারে ৫১টি দেশে যেতে। ভুটান ও চীন আবার একই অবস্থানে রয়েছে।

দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে সবচেয়ে ভালো অবস্থান মালদ্বীপের। তাদের অবস্থান ৬০তম। মালদ্বীপের মানুষ আগমনী ভিসায় যেতে পারে ৮০টি দেশে। তেলসমৃদ্ধ ধনী দেশ কুয়েতের অবস্থানও নেপালের সমান।

শীর্ষ ১০-এ ২৮ দেশ

হ্যানলি অ্যান্ড পার্টনারসের সূচক অনুযায়ী বিশ্বের সবচেয়ে দামি পাসপোর্টধারী দেশ জার্মানি। জার্মানির লোকেরা আগে থেকে ভিসা না নিয়ে যেতে পারে ১৭৬টি দেশে। ১৭৫ দেশে যাওয়ার সুযোগ নিয়ে সুইডেন রয়েছে দ্বিতীয় অবস্থানে। তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে ৫টি দেশ—ডেনমার্ক, ফিনল্যান্ড, ইতালি, স্পেন ও যুক্তরাষ্ট্র; দেশগুলোর নাগরিকেরা ১৭৪টি দেশে যেতে পারে। চতুর্থ অবস্থানে ৮ দেশ—অস্ট্রিয়া, বেলজিয়াম, ফ্রান্স, লুক্সেমবার্গ, নেদারল্যান্ডস, নরওয়ে, সিঙ্গাপুর ও যুক্তরাজ্য।

এ ছাড়া পঞ্চম অবস্থানে আয়ারল্যান্ড, জাপান ও নিউজিল্যান্ড; ষষ্ঠ অবস্থানে কানাডা, গ্রিস, পর্তুগাল ও সুইজারল্যান্ড; সপ্তম অবস্থানে অস্ট্রেলিয়া ও দক্ষিণ কোরিয়া; অষ্টম অবস্থানে আইসল্যান্ড; নবম অবস্থানে চেক রিপাবলিক এবং ১৬৭ দেশে যাওয়ার সুযোগ নিয়ে দশম অবস্থানে রয়েছে হাঙ্গেরি ও মাল্টা।

বাংলাদেশিদের কাছে বেশি পরিচিত দেশগুলোর মধ্যে ইসরায়েলের অবস্থান ২৪তম, তুরস্ক ৫২তম, থাইল্যান্ড ৬৭তম, সৌদি আরব ৬৮তম এবং ফিলিপাইন ৭৫তম অবস্থানে রয়েছে। ফিলিপাইনের মানুষেরা আগমনী ভিসায় যেতে পারে ৬১টি দেশে।

ভিসা ছাড়া বাংলাদেশে আগমন

বিনা ভিসায় বাংলাদেশে যাঁরা আসেন, তাঁদের ৩০ দিনের জন্য আগমনী ভিসা দেওয়া হয়। ২০১৬ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জারি করা পরিপত্র অনুযায়ী যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, অস্ট্রেলিয়াসহ ১৯টি দেশ এবং ইউরোপের সব দেশের (৫১ দেশ) নাগরিকই বাংলাদেশের কাছে আগমনী ভিসা পায়।

অবশ্য তাঁরা যদি সরকারি কাজে, ব্যবসায়, বিনিয়োগ ও পর্যটনের উদ্দেশে বাংলাদেশে আসেন, তবেই তা দেওয়া হয়। ভিসার জন্য বিদেশি বিনিয়োগকারী ও ব্যবসায়ীদের ক্ষেত্রে বাংলাদেশি আমন্ত্রণকারী প্রতিষ্ঠানের আমন্ত্রণপত্র এবং বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা) বা বাংলাদেশ রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চল (বেপজা) থেকে নেওয়া প্রত্যয়নপত্র লাগতে পারে।

যেসব দেশে বাংলাদেশের দূতাবাস নেই, যেসব দেশ থেকে যাঁরা বাংলাদেশে আসবেন এবং বাংলাদেশে অবস্থিত বিদেশি দূতাবাস, জাতিসংঘ ও এর অঙ্গসংগঠনের কর্মকর্তারাও আগমনী ভিসা পেয়ে থাকেন। বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত বিদেশি নাগরিক, তাঁদের স্বামী-স্ত্রী ও সন্তানদেরও দেওয়া হয় এ ভিসা।

আরও দেশে যেতে পারেন বাংলাদেশিরা!

সংসদে পররাষ্ট্রমন্ত্রী যে তথ্য দিয়েছেন, তার বাইরেও কিছু দেশে ভিসা ছাড়া অর্থাৎ আগমনী ভিসা নিয়ে বাংলাদেশি নাগরিকেরা যেতে পারেন বলে জানা গেছে। তবে এসব ক্ষেত্রে দেশগুলোর কিছু শর্ত থাকে, যা পূরণ করতে হয়। এ দেশগুলোর সঙ্গে সরকারের কোনো দ্বিপক্ষীয় ভিসা চুক্তি নেই বলেই সংসদে দেওয়া পররাষ্ট্রমন্ত্রীর তথ্যেও কিছু বলা হয়নি।

কেনিয়ার নাইরোবিতে ২০১৫ সালের ডিসেম্বরে অনুষ্ঠিত বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার (ডব্লিউটিও) সম্মেলন কাভার করতে গিয়েছিলেন যেসব সাংবাদিক, তাঁরা আগমনী ভিসা পেয়েছিলেন বলে প্রথম আলোকে জানান।

ঢাকায় বেসরকারি কিছু ভিসা প্রক্রিয়াকরণ সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান রয়েছে। ‘ভিসা থিং’ নামক একটি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যোগাযোগ করে জানা যায়, ঢাকায় দূতাবাস নেই এমন ৭০টি দেশের ভিসা প্রক্রিয়াকরণের কাজও করছে তারা।

অর্থাৎ বাংলাদেশ যেসব দেশ থেকে আগমনী ভিসা পায় বলে সরকার বলছে, তার বাইরেও কিছু দেশ রয়েছে, যারা বাংলাদেশিদের এ ভিসা দিয়ে থাকে। দেশগুলোর বেশির ভাগই অবশ্য আফ্রিকার। এগুলো হচ্ছে জিবুতি, মাদাগাস্কার, মোজাম্বিক, টোগো, উগান্ডা, লেসোথো, ভানুয়াতু, গাম্বিয়া, ত্রিনিদাদ ও টোবাগো, হাইতি, বারবাডোস, বাহামা ইত্যাদি।

ভিসা থিংয়ের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ফেরদৌস মোত্তাকিন প্রথম আলোকে বলেন, ‘সরকারি তালিকাই ঠিক আছে। তবে যাঁদের পাসপোর্ট ভারী অর্থাৎ যাঁরা অনেক দেশে গিয়েছেন, তাঁরা সরকারি তালিকার বাইরেও অনেক দেশে যেতে পারেন। আমরা অনেকের কাগজপত্র প্রক্রিয়াকরণ করেছি এবং এখনো করছি।’

শেয়ার করে আমাদের মালয়শিয়া প্রবাসী বন্ধুদের জানিয়ে দিন।
05/07/2017

শেয়ার করে আমাদের মালয়শিয়া প্রবাসী বন্ধুদের জানিয়ে দিন।

29/01/2017

ভারত ভ্রমণে ই-টোকেন লাগবে না
অনলাইন ডেস্ক | আপডেট: ১৫:১২, জানুয়ারি ২৯, ২০১৭

ভারতে যাওয়ার নিশ্চিত টিকিটের (বিমান/সড়ক/রেল) বিপরীতে বাংলাদেশি পর্যটকদের ই-টোকেন লাগবে না। তাঁরা কোনো ধরনের অ্যাপয়েন্টমেন্ট ছাড়াই সরাসরি ‘ট্যুরিস্ট ভিসার’ জন্য আবেদন করতে পারবেন। ঢাকার মিরপুরের ভিসা অ্যাপ্লিকেশন সেন্টারের (আইভিএসি) পাশাপাশি রাজশাহী, রংপুর, সিলেট, চট্টগ্রাম, খুলনা, যশোর, ময়মনসিংহ ও বরিশাল শাখায় ট্যুরিস্ট ভিসার আবেদনপত্র জমা দেওয়া যাবে।

ভারতীয় হাইকমিশনের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আজ রোববার এ তথ্য জানানো হয়েছে। বর্তমানে ঢাকার মিরপুর আইভিএসিতে এটি কার্যকর আছে। আগামী ১ ফেব্রুয়ারি থেকে ঢাকার বাইরের আইভিএসিতে এটি কার্যকর হবে।

হাইকমিশনের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বাংলাদেশি ভ্রমণকারী যাঁরা সরাসরি ট্যুরিস্ট ভিসা পাওয়ার আশা করছেন, তাঁদের অবশ্যই ভারত যাওয়ার বিমান, রেল অথবা বাসের নিশ্চিত টিকিট (যথাযথ অপারেটর কর্তৃক ইস্যুকৃত) থাকতে হবে। ভ্রমণের তারিখ অবশ্যই আইভিএসিতে ভিসা আবেদনপত্র জমা​ দেওয়ার তারিখের এক মাসের মধ্যে হতে হবে। পরবর্তী বিস্তারিত তথ্য www.ivacbd.com—এই ঠিকানায় পাওয়া যাবে।

এই প্রক্রিয়াটি ভারতের ভিসাপ্রাপ্তি প্রক্রিয়া চলমান ও সহজ করার একটি ধারাবাহিক প্রচেষ্টা বলে হাইকমিশনের বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, ২০১৬ সালের অক্টোবরে নারী ভ্রমণকারী ও তাঁদের পরিবারের সদস্যদের জন্য প্রথম সরাসরি ট্যুরিস্ট ভিসা স্কিম চালু করা হয় এবং পরে ১ জানুয়ারি ২০১৭ তারিখে এটি সব বাংলাদেশি ভ্রমণকারীর জন্য বর্ধিত করা হয়। এই প্রক্রিয়াটির মূল উদ্দেশ্য ভারত ও বাংলাদেশের মানুষের মধ্যে যোগাযোগ দৃঢ় করা।

Welcome to the website of The Indian Visa Application Centre (IVAC). We are the only outsource agency of the High Commission of India, Dhaka for accepting Indian visa applications from Indian visa seekers (except Diplomatic and Official passports) and to return the processed passports to the applica...

28/12/2016

ই-টোকেন ছাড়াই ভারতীয় টুরিস্ট ভিসা

ভ্রমণকারীদের জন্য আগাম অ্যাপয়েন্টমেন্ট প্রয়োজন নেই

১ জানুয়ারি ২০১৭ থেকে ভারতীয় ভিসা প্রাপ্তি প্রক্রিয়া সুবিন্যস্ত, উন্মুক্ত ও সহজ করার চলমান প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে ভারতীয় হাই কমিশন নিশ্চিত বিমান, ট্রেন বা বাসের (যথাযথ বাংলাদেশ-ভারত বাস সার্ভিস কর্তৃপক্ষের ইস্যুকৃত) টিকেটসহ সকল বাংলাদেশী ভ্রমণকারী ই-টোকেন/আগাম অ্যাপয়েন্টমেন্ট তারিখ ছাড়াই তাদের টুরিস্ট ভিসা আবেদনপত্র জমা দিতে পারবেন।

২. ভ্রমণেচ্ছুরা ভ্রমণের টিকেটসহ তাদের পূরণকৃত ভিসা আবেদনপত্র আইভিএসি মিরপুর, আলামিন আপন হাইটস, ২৭/১/বি (২য় তলা), শ্যামলী (শ্যামলী সিনেমা হলের বিপরীতে), মিরপুর রোড, ঢাকা-১২০৭-এ সকাল ০৮.০০টা থেকে দুপুর ০১.০০টা পর্যন্ত জমা দিতে পারবেন। ভ্রমণের তারিখ ভিসা আবেদনপত্রের জমাদানের ৭ দিন পরের তবে ১ মাসের মধ্যে হতে হবে।

৩. নিশ্চিত বিমান, ট্রেন বা বাসের (যথাযথ বাংলাদেশ-ভারত বাস সার্ভিস কর্তৃপক্ষের ইস্যুকৃত) টিকেটসহ নারী ভ্রমণকারী ও তাদের নিকটতম পরিবারের সদস্যদের অ্যাপয়েন্টমেন্ট ছাড়া সরাসরি আবেদনপত্র জমাদানের স্কিমটি আইভিএসি উত্তরার পরিবর্তে ১ জানুয়ারি ২০১৭ থেকে আইভিএসি মিরপুর কেন্দ্রে অব্যাহত থাকবে।

৪. অ্যাপয়েন্টমেন্ট তারিখ/ই-টোকেনধারী আবেদনকারীরা তাদের টুরিস্ট ভিসা আবেদনপত্র আইভিএসি গুলশান, উত্তরা, মতিঝিল, ময়মনসিংহ, বরিশাল, খুলনা, যশোর, রংপুর, রাজশাহী, চট্টগ্রাম ও সিলেটে জমাদান অব্যাহত রাখতে পারবেন। আইভিএসি মিরপুর ১ জানুয়ারি ২০১৭ থেকে নিশ্চিত ভ্রমণকারী ও প্রবীণ নাগরিকদের সরাসরি টুরিস্ট ভিসা আবেদপত্র গ্রহণ করবে।

৫. এসব ব্যবস্থা প্রবর্তনের ফলে ভারত ভ্রমণের নিশ্চিত টিকেটসহ বাংলাদেশের কোন আবেদনকারীর আর ই-টোকেন/অনলাইন অ্যাপয়েন্টমেন্ট তারিখের প্রয়োজন হবে না। ভারত ভ্রমণেচ্ছু বাংলাদেশীদের ভারতীয় ভিসা প্রাপ্তি সহজ এবং দু’দেশের মধ্যে মানুষে-মানুষে যোগাযোগ ও সম্পর্ক বৃদ্ধি করার লক্ষ্যে এসব ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
****
২৮ ডিসেম্বর, ২০১৬

NO PRIOR APPOINTMENTS REQUIRED FOR TRAVELLERS FROM JANUARY 1, 2017

As part of the ongoing efforts to streamline, liberalize and ease the process of securing Indian visas, the High Commission of India will allow all Bangladesh travellers with confirmed air, train or bus tickets (issued by authorised operators for Bangladesh-India bus services) to submit their tourist visa applications without e-token/prior appointment dates from 1 January 2017.

2. Travellers can submit their completed visa application forms along with confirmed journey tickets at IVAC Mirpur, Alamin Apon Heights 27/1/B (1st Floor) Shyamoli, (Opposite of Shyamoli Cinema Hall) Mirpur Road, Dhaka-1207 from 0800 hours to 1300 hours. The date of journey should be after 7 days but within one month of submission of the visa application form.

3. The scheme for walk-in/appointment-free Tourist visas for women travellers and their immediate family members with confirmed air, rail or bus tickets (issued by authorised operators for Bangladesh-India bus services) will continue to be applicable at IVAC Mirpur instead of IVAC Uttara w.e.f 1 January 2017. This facility, introduced as a pilot measure in October, 2016, has been very successful.

4. Applicants with appointment dates/e-tokens may continue to deposit their Tourist Visa applications at the following IVACs: Gulshan, Uttara, Motijheel, Mymensingh, Barisal, Khulna, Jessore, Rangpur, Rajshahi, Chittagong and Sylhet. IVAC Mirpur will only receive walk-in Tourist visa applications from confirmed travellers and senior citizens from 1 January, 2017.

5. With the introduction of these measures, no applicant in Bangladesh with a confirmed journey ticket to India (by air, train or bus) will require an e-token/online appointment date. These measures are aimed at facilitating ease of securing Indian visas for Bangladesh visitors to India and strengthening people-to-people contacts between India and Bangladesh.
****
28 December 2016

Address

28/1/B Toyenbee Circular Road, B. N. Tower (5th Floor), Fakirapool, Motijheel C/A
Dhaka

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Six Seasons Tourism posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Six Seasons Tourism:

Share

Category