Traveling n Friends

Traveling n Friends we make it possible.

চলুন দেখা যাক বাংলাদেশ কতটুকু ঘোরা হল:
22/04/2022

চলুন দেখা যাক বাংলাদেশ কতটুকু ঘোরা হল:

Mark your visit on the map and challenge your friends by sharing your coverage. It's simple. Have fun!!! We love to travel but we more like to tell the story of our fantastic journey to our dear one. mytravmap.com is a great platform to make your travel diary, share your excellent moments with frien...

দীর্ঘ প্রতীক্ষার পরে ইন্ডিয়া বাই রোড বর্ডার ওপেন করেছে৷  যারা সিকিম বা দার্জিলিং যাওয়ার জন্য মুখিয়ে আছেন তাদের জন্য গাইড...
07/04/2022

দীর্ঘ প্রতীক্ষার পরে ইন্ডিয়া বাই রোড বর্ডার ওপেন করেছে৷
যারা সিকিম বা দার্জিলিং যাওয়ার জন্য মুখিয়ে আছেন তাদের জন্য গাইড লাইন -

সিকিম বা দার্জিলিং যেখানেই যান না কেন আপনাকে প্রথমে শিলিগুড়ি যেতে হবে।

বর্তমানে পঞ্চগড়ের, বাংলাবান্ধা-ফুলবাড়ি বর্ডার দিয়ে পার্মিশন দিচ্ছে না ।
তাই লালমনিরহাটের বুড়িমারী-চেংড়াবান্ধা বর্ডার দিয়ে ঢুকতে হবে।

যশোরের বেনাপোল-হড়িদাশপুর বর্ডার দিয়ে ঢোকা যাবে তবে সেটা সময় সাপেক্ষ ও খরচ বেশি।

➤ ঢাকা টু লালমনিরহাট বুড়িমারী বর্ডারঃ
রাতে কল্যানপুর থেকে হানিফ, এস আর ট্রাভেলস, বরকত, মানিক সহ বেশ কিছু বাস বুড়িমারী ছেড়ে যায়।
এ্যাভারেজ ভাড়া এসি ১১০০ আর নন এসি ৯০০ টাকা৷

➤বর্ডার ফর্মালিটিসঃ
সকাল ৯ টায় বর্ডার ওপেন করে।
ইচ্ছা করলে সোনালি ব্যাংকের যে কোন কর্পোরেট শাখা থেকে আগেই ট্রাভেল ট্যাক্স বাবদ ৫০০/- পরিশোধ করে ট্যাক্স পেপার সাথে রাখতে পারেন৷ বা বর্ডারে গিয়েও দিতে পারেন৷

#ইমিগ্রেশন_লিগাল_পদ্ধতি -
সকালে ফ্রেস হয়ে ইমিগ্রেশনের জন্য বুড়িমারী স্থলবন্দর অফিসে দাড়িয়ে যান। কর্তবর‌্যর অফিসারের কাছ থেকে ডিপার্টচার ফর্ম নিয়ে নিজেই ফিল-আপ করে, পাসপোর্ট জমা দিয়ে ছবি তোলার জন্য অপেক্ষা করুন৷
সবার শেষে আপনার ডাক আসবে যত তারাতারি-ই পাসপোর্ট জমা দেন না ক্যানো!

#ইললিগাল_পদ্ধতিঃ
যে গাড়িতে যাবেন তাদের কাউন্টারের ম্যানেজারকে ট্রাভেল ট্যাক্স বাবদ ৫০০/- এবং সাহায্যের (ঘুস) ১৫০/২০০ টাকা দিয়ে দেন, তারাই আপনার সব ব্যাবস্থা করবে।
সবার আগেই খুব দ্রুত ইমিগ্রেশন পার হতে পারবেন৷

ইন্ডিয়ান পাশে ওদের লোক থাকে তারা চেংড়াবান্ধা পাশে সব ফর্মালিটিস-এ সাহায্য করবে, বিনিময়ে বাধ্যতামূলক ১০০ রুপি দিতে হবে।

➤মানি এক্সচেঞ্জঃ (ডলার বা টাকা কনভার্ট)
ইন্ডিয়ার চেংড়াবান্ধা বর্ডারে প্রচুর মানি এক্সচেঞ্জের দোকান রয়েছে৷
কয়েকটিতে কথা বলে সর্বোচ্চ দামে ডলার বা টাকা, রুপিতে কনভার্ট করে নিন৷
প্রয়োজনে গুগোল থেকে ঐ দিনের রুপি রেট জেনে নিন৷

➤চেংড়াবান্ধা-শিলিগুড়িঃ চেংড়াবান্ধা থেকে সরাসরি জীপ রিজার্ভ নিয়ে শিলিগুড়ি যেতে পারেন।
৪ জনের গ্রুপে ১০০০ থকে ১২'শ রুপি লাগবে।

বিকল্প হিসবে- প্রথমে, জন প্রতি ৩০ রুপিতে অটোতে চেংড়াবান্ধা বাইপাস মোড়ে যাবেন। সেখান থেকে ১৫ মিনিট পর পর ছেড়ে আসা সরকারি বাসে ৮০ রুপিতে ২ ঘন্টায় শিলিগুড়ি ।
মনে রাখবেন সরাকারি বাস মানে আমাদের দেশের মত লক্কর ঝক্কর বাস না!

➤শিলিগুড়ি টু সিকিম(গ্যাংটক)/দার্জিলিংঃ
শিলিগুড়ি দালালে ভরপুর!
কারো সাথে কথা না বলে জীপ স্টান্ড থেকে #দার্জিলিং যেতে চাইলে ২৫০ রুপি আর #সিকিমের গ্যাংটক যেতে চাইলে ৪০০ রুপিতে শেয়ার জীপে উঠে পরুন৷

দার্জিলিং থেকে সিকিম যেতে চাইলে নিচের লেখাগুলা ধৈর্য্য ধরে পড়ুন৷
(সিকিমের অংশ পড়তে চাইলে দার্জিলিং এর অংশ স্কিপ করে নিচে চলে যান)

সাপের মত আঁকাবাকা পাহাড়ি রাস্তার ৩ ঘন্টার একটা এক্সসাইটিং জার্নি শেষে আপনাকে নামিয়ে দিবে দার্জিলিং এর চকবাজারে।

দুই পা হেটে কারো কাছে জিজ্ঞেস করে বিগ বাজারের আশ পাশে ১২০০/১৫০০ রুপিতে ভাল মানের একটা হোটেল নিয়ে নেন৷
হোটেলে ২৪ ঘন্টা WIFI ও গরম পানির সুব্যস্থা না থাকলে মুশকিলে পরবেন।

রাতে ১২০/১৫০ রুপিতে ভরপুর খেয়ে রাস্তায় থাকা কোন একটা জীপের ড্রাইভারের সাথে কথা বলে নিন। আগামিকাল দার্জিলিং সিটি ঘুরে দেখার জন্য৷

৪ জনের জন্য তিন হাজার রুপিতে একটা জিপ পেয়ে যাবেন (জন প্রতি ৭৫০ রুপি) ৷ গ্রুপ মেম্বার কম হলে শেয়ার জীপ স্টান্ড থেকে সেইম খরচে শেয়ারে ঘুরতে পারবেন৷
জীপ খুঁজে না পেলে হোটেলে কথা বলুন, তারা ম্যানেজ করে দিবে একই টাকার মধ্যে৷

স্পট হিসাবে প্রথমে নিয়ে যাবে টাইগার হিল যেখান থেকে পাহাড়ের বুক চিড়ে সূর্যাদয় ও স্বপ্নের কাঞ্চনজঙ্ঘা দেখতে পাবেন, এর পরে ধারাবাহিক ভাবে, জাপানিজ ট্যাম্পেল, পিচ গ্যাগোডা, রক গার্ডেন (ঝর্ণা), ঘুম মনেস্ট্রি, বাতাসিয়া লুপ, চা-বাগান, তানজিং রক, জু ও সর্বশেষ রোপ ওয়ে বা ক্যাবেল কার।

স্পট ফি হিসাবে, বাতাসিয়া লুপে ২০ রুপি, জু তে ৬০ রুপি ও ক্যাবেল কারে উঠতে চাইলে ২৫০ রুপি লাগবে৷

সারা দিন ঘোরাঘুরি শেষে সন্ধায় দার্জিলিং এর কিছু স্ট্রিড ফুড ট্রাই করতে পারেন। বিশেষ করে মমস এবং ঝাল চিকেন ফ্রাই মিস করবেন না।

কেনাকাটা করতে চাইলে দার্জিলিং থেকে করে নিবেন কারন গ্যাংটকের তুলনায় দার্জিলিং-এ জিনিস পত্রের দাম সস্তা৷

☞দিন-৩ঃ দার্জিলিং টু গ্যাংটক
ভোরে দার্জিলিং হোটেল ছেড়ে সিকিমের গ্যাংটকের উদ্দেশ্যে রওয়ানা হয়ে যান৷
দার্জিলিং এর চকবাজার থেকে শেয়ার ৪০০ রুপিতে জীপে উঠে পারুন।

৫ ঘন্টায় পাহাড়ি রাস্তা ধরে চলে যান ইন্ডিয়ার বরফের রাজ্য সিকিম!
পথিমধ্যে 'রং পো' থেকে ১ কপি ভিসা ও পাসপোর্টের ফটোকপি সাথে ২*২ একটা ছবি জমা দিয়ে ৫ মিনিটে সিকিম ঢোকার পার্মিশন পেপার নিয়ে নিন৷

জীপ ড্রাইভার আপনাকে সর্বোচ্চ সাহায্য করবে চিন্তা নাই৷

কেউ সরাসরি শিলিগুড়ি থেকে গ্যাংটক যেতে চাইলেও একই ভাবে 'রং পো' থেকে পার্মিশন নিতে হবে৷

সিকিম ইনার পার্মিট পেপার বাংলাদেশের ইন্ডিয়ান হাইকমিশনার অফিস বা ভিসা অফিস থেকেও নেয়া যায় তবে তা সময় সাপেক্ষ সাথে ৩০০ টাকা এক্ট্রা খরচ।

বিকাল বা সন্ধার আগে আপনাকে গ্যাংটকের দেওর আলী জীপ স্টান্ডে নামিয়ে দিবে৷ সেখান থেকে শেয়ার ট্যাক্সি বা জীপ থেকে জন প্রতি ৩০ রুপি দিয়ে গ্যাংটকের MG মার্গ চলে আসেন৷

MG মার্গের আসে পাশের হোটেল গুলোতে গলাকাটা দাম চায় তাই একটু কষ্ট করে রাস্তা ধরে উপরে উঠবেন। ১২০০/১৫০০ রুপিতে ভাল হোটেল পেয়ে যাবেন।

দরদাম করতে হবে, নয়তো ঐ একই রুম চার/ পাঁচ হাজার রুপিতে ধরিয়ে দিবে।

রাতের গ্যাংটকের একটা আলাদা সৌন্দর্য আছে ঘুরে ঘুরে দেখে নিন৷

১২০/১৫০ রুপিতে রাতের খাবার শেষ একটা ফ্রেস ঘুম৷

দিন-৪ঃ সকালের নাস্তা শেষে MG মার্গের থাকা কিছু এজেন্সি থেকে কথা বলে আগামি কালের লাচুং যাওয়ার প্যাকেজ ঠিক করে নিন৷

ফরেনারদের জন্য ২ দিন ১ রাতের প্যাকেজ ২৫০০/- এর মত লাগবে।
প্যাকেজে যা যা থাকবে- লাচুং যাওয়া আসা , যাওয়ার সময়ে বিভিন্ন স্পট ও লাচুং সাইট সিয়িং ( ইয়ামথাম ভ্যালি, জিরো পয়েন্ট), ৪ বেলা খাবার, রাতে হোটেলে থাকা।

৮ জনের গ্রুপ হলে ২০/২৫ হাজারের মধ্যে রিজার্ভ জীপ পেয়ে যাবেন এজেন্সি থেকে৷

লাচুং যাওয়ার জন্য এজেন্সিকে, আপনার ছবি, পাসপোর্ট ও ভিসার ফটোকপি সাথে সিকিম ইনার পার্মিশন পেপারের ফটোকপি দিতে হবে।

লাচুং প্যাকেজ হয়ে গেলে, গ্যাংটক সিটি টুর দেয়ার জন্য একটা জীপ রিজার্ভ করে নিন ১৪০০/১৫০০ এর মধ্যে।

গ্যাংটক শহরে বেশ কিছু জায়গা রয়েছ ঘোরার জন্য, প্রথমে নিয়ে যাবে চিতেনস্তুপা এর পরে মিউজিয়াম, প্যারাগ্লাইডিং পয়েন্ট, রোপ ওয়ে, রুমটেক মনেস্ট্রি, গনেষ টক, তাসি ভিউ পয়েন্ট, অর্গানিক ভিউ পয়েন্ট, বাঞ্ঝাক্রিরি ঝর্ণা, হ্যান্ডিক্রাফ্ট সহ বেশ কিছু জায়গা।

সারাদিন ঘোরাঘুরি শেষে রাতে ফ্রেস ঘুম দিয়ে রেডি হয়ে যান বরফে ঝাঁপাঝাপির জন্য লাচুং!

দিন-৫ঃ সকালে জন প্রতি ২০ রুপি দিয়ে এজেন্সির কথা মত চলে যান বাঝড়া টেক্সি স্টান্ডে, যেখান থেকে গাংটক থেকে লাচুং এর জীপ গুলো ছেড়ে যায়।

আবারো পাহাড়ি রাস্তার হার হিম করা ঠন্ডায় কাঁপতে কাঁপতে চলে যান স্বপ্নের লাচুং।

লাচুং যাওয়া পথে আপনারা ঘুরতে পারবেন, বাটারফ্লাই ওয়াটার ফলস, নাগা ওয়াটার ফলস, অমিতাভ বচ্চন ওয়াটার ফলস, তিস্তা ভিউ পয়েন্ট, বাকথাং ওয়াটার ফলস সহ বেশ কিছু জাগয়া৷

বিকেল নাগাদ পৌছে যাবেন সমভূমি থেকে প্রায় ২৯০০ মিটার উচ্চতায় বরফের রাজ্যে৷

এজেন্সির ঠিক করা হোটেলে উঠে, আসে পাশের জাগয়া ঘুরে দেখতে পারেন৷

কপাল ভাল থাকলে যে কোন সময়ে স্নো ফল পেতে পারেন ( আমি পেয়েছিলাম)।
বরফের মধ্যে গরম গরম একটা কফি সেই স্বাদ এনে দিতে পারে, চেষ্টা করে দেখতে পারেন৷

রাতে ডাবল কম্বল মুড়ি দিয়ে ঘুময়ে পরুন কারন রাতে তাপমাত্রা মাইনাসে নেমে যায়৷

দিন-৬ঃ সকালের নাস্তা শেষে যাত্রা ইয়ামথাম ভ্যালি ও জিরো পয়েন্টের উদ্দেশ্যে। যে জীপে এসেছেন সেই জীপে করেই ঘুরবেন৷

অতিরিক্ত বরফে রাস্তা আটকে থাকলে কপালে জিরো পয়েন্টে বা ইয়ামথাম ভ্যালি জুটবে না৷ যে পর্যন্ত যাওয়া যায় ঐ পর্যন্ত যেতে পারবেন৷

বরফের লাফালাফি, ঝাঁপাঝাপি করে দুপুরের খাবার শেষে আবার রওয়ানা হয়ে যান গ্যাংটকের উদ্দেশ্যে।
রাতে সেই আগের হোটেলে উঠবেন।

এ ভাবেই কথা বলে যাবেন হোটেল ম্যানেজারের সাথে যে, লাচুং এক রাত থেকে আবার এই হোটেলেই আসবো। এবং আপনাদের লাগেজ গুলো এই হোটেলের লকারে লক করে রেখে যাবেন নিরাপদে।

দিন-৭ঃ ইচ্ছা করলে ছাঙ্গু লেক বা গুরু দুম্বার লেক ঘুরে আসতে পারেন। যাওয়া আসা জীপ ভাড়া ২০০০+ রুপি পড়বে৷ সেটাও ঐ এজেন্সির সাথে আগেই কথা বলতে হবে কারন এখানেও পার্মিশনের একটা ব্যাপার রয়েছে।

ছাঙ্গু লেক ঘুরে পরের দিন বা ছাঙ্গু লেক না গেলে ঐ দিনই গ্যাংটকের দেওর আলী জীপ স্টান্ড থেকে ৪০০ রুপিতে শিলিগুড়ি চলে আসেন৷

পথে 'রং পো' থেকে ইনার পার্মিশন পেপার জমা দিয়ে বের হওয়ার মার্মিশন নিয়ে শিলিগুড়ি চলে আসেন।

এর পরে যে ভাবে বাংলাদেশ থেকে শিলিগুড়ি আসছিলেন ঐ একই ভাবে শিলিগুড়ি থেকে বাংলাবান্ধা, বুড়িমারী বা বেনাপোল বর্ডার দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করুন৷

সিকিম ও দার্জিলিং এর ভিডিও সহ আরো বিস্তারিত দেখতে চাইলে আমার প্রফাইলে ঘুরে আসতে পারেন বা ইউটিউব চ্যানেল Traveller Shahid BD চ্যানেল ঘুরে আসতে পারেন।

কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় মাথায় রাখতে হবেঃ
☞ উল্লেখিত খরচের মধ্যে হালকা ১৯/২০ থাকতে পারে। তাই বলে ৭/১৭ হবে না।

☞ ১২০০/১৫০০ রুপিতে ভাল হোটেল পাওয়া যায় তবে একটু ঘোরাঘুরি আর দরদাম করতে হবে।

☞ শীতের কাপড় নিয়ে একদম কিপ্টামি না, কারন আপনি বরফে যাচ্ছেন।

☞ ভিসা করার সময় যে ল্যান্ডপোর্ট উল্লেখ করবেন সেইখান থেকেই ঢুকতে হবে এবং বের হতে হবে অন্য ল্যান্ডপোর্টে গিয়ে সারা দিন কান্না করলেও কাজ হবে না৷

তবে যে ল্যান্ড পোর্ট উল্লেখ করেন না কেনো, বেনাপোলের-হরিদাশপুর ও বাই এয়ার সবার জন্য ওপেন থাকে৷

☞ ১২০/১৫০ রুপিতে ভাল খাবার খেতে পারবেন সাথে ৫০ রুপিতে সকালের নাস্তা।
যদি তিন বেলা ফাইভ স্টার মানের খাবার চান সেটা আলাদা হিসাব৷

☞ ভিসা, পাসপোর্ট ও ২*২ ছবি মিনিমাম ১০ সেট পেপার সাথে রাখবেন।

☞ ইনার পার্মিশন পেপার ছাড়া সিকিমে ঢোকার মত ভুল করবেন না। এর ফলে জেলে গেলে কতৃপক্ষ দায়ী না৷

☞ পেটের ইঞ্জিন দূর্বল হলে স্ট্রিট খাবার পরিহার করুন৷ এক জনের পেট খারাপ মানে গ্রুপের সবার জার্নি মাটি৷

☞ সাথে কিছু ইমারজেন্সি ম্যাডিকেল এইড, যেমন ঠান্ডার সিরাপ, পর্যাপ্ত নাপা, জ্বর, কাশি, ব্যান্ডেজ সহ প্রয়োজনীয় ঔষধ রাখুন৷

☞ গ্রুপে ৪/৬/৮ জন হলে ভাল হয়।
গ্রুপ মেম্বার বেশি হলে খরচ কিছুটা কমে (হোটেল + জীপ ভাড়া)।

☞ যে কোন প্রয়োজনে পুলিশের সাথে কথা বলুন তারা অনেক হেল্পফুল৷

☞ এমন কিছু করবেন না যেটা আমার দেশের জন্য লজ্জার৷ পরিবেশ পরিস্কার রাখুন।
গ্যাংটক প্লাস্টিক ও ডাস্ট ফ্রি।
নোংড়া করলে জরিমানা গুনতে হবে তাই সাবধান৷
হ্যাপি জার্নি। ❤️

অভিজ্ঞতাঃ Md Shahidul Islam
For better information

সিকিম বা দার্জিলিং যেখানেই যান না কেন আপনাকে প্রথমে শিলিগুড়ি যেতে হবে। বর্তমানে পঞ্চগড়ের, বাংলাবান্ধা-ফুলবাড়ি ব....

17/12/2021
27/10/2021
31/03/2021

নিঝুম দ্বীপের অরণ্যে আনন্দময় ভ্রমণে কিছু দরকারি টিপস্
নোয়াখালী জেলার সর্ব দক্ষিণের দ্বীপ হল হাতিয়া। হাতিয়া থেকে সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন আরেকটি দ্বীপ হলো নিঝুম দ্বীপ। একে ‘দ্বীপ’ বলা হলেও মূলত এটি হল চর। বঙ্গোপসাগর ও মেঘনার নদীর মোহনায় গড়ে ওঠা নিঝুম দ্বীপ প্রাণী ও উদ্ভিদ সম্পদের বিশাল ভাণ্ডার। প্রাকৃতিক পরিবেশে পশু-পাখির জন্য দেশের একমাত্র অভয়ারণ্য এ দ্বীপটি।
নিঝুম দ্বীপ এর ইতিহাসঃ
নিঝুম দ্বীপের উত্পত্তির ইতিহাস বেশ চমত্কার। যতদূর জানা যায়, প্রায় একশ’ বছরেরও বেশি সময় আগে গভীর রাতে মাছ ধরতে গিয়ে জেলেরা এই একটি ডুবো চরের সন্ধান পান । গভীর রাতে বঙ্গোপসাগর আর প্রমত্ত মেঘনার মোহনায় হঠাৎ সাগরের উথাল-পাতাল ঢেউ দেখে প্রথমে জেলেরা ভাবেন—হয়তো সাগর মোহনা দিয়ে বিশাল সব তিমির বিশাল ঝাঁক পথ হারিয়ে এদিক সেদিক ছোটাছুটি করছে। উথাল পাথাল ঢেউ এর তাণ্ডব দীর্ঘস্থায়ী হওয়ায় দুঃসাহসী জেলেরা রাতেই সেদিকে এগিয়ে যায় এবং বিশাল এক ডুবোচরের সন্ধান পান। সেই ডুবোচরই আস্তে আস্তে পলি জমে একটি দ্বিপের আকার ধারন করে । যা আজকের নিঝুম দ্বীপ । কিছুদিন পর স্থানীয় জেলেরা পাখির আনাগোনা দেখে মাছ ধরতে এই এলাকায় যাওয়া-আসা শুরু করেন। বালুয়ার চর নামে এই দ্বীপটি জেলেদের কাছে পরিচিতি লাভ করে। পরবর্তীতে নিঝুম দ্বীপের বালুর রঙ স্বর্ণের রঙের মতো হওয়ায় কিছুদিন পর এর নামকরণ করা হয় স্বর্ণদ্বীপ। তখন ওসমান নামের একজন বাথানিয়া তার মহিষের বাথান নিয়ে প্রথম নিঝুম দ্বীপে বসবাস শুরু করেন । এ কারনে তার নামেই এই দ্বীপটির নামকরণ করা হয় চর ওসমান । এর পর হাতিয়ার একজন সাংসদ এই দ্বীপটির নাম বদলে নাম রাখেন নিঝুম দ্বীপ । ১৯৭০ সালের আগে পর্যন্ত এখানে লোকজনের বসবাস ছিলো না। ১৯৭০ সালে বনবিভাগ এই দ্বীপে তাদের কার্যক্রম শুরু করে চার জোড়া হরিণ অবমুক্ত করণের মাধ্যমে। পরবর্তীতে ১৯৯৬ সালে এক হরিণশুমারীতে পাওয়া তথ্যে জানা যায় সেই ১৯৭০-১৯৯৬ এই ২৬ বছরে হরিণের সংখ্যা বেড়ে দাড়িয়েছে ২২,০০০ এ। সেই থেকে এই দ্বীপটিকে হরিণের অভয়ারণ্য হিসেবে ঘোষণা করা হয়। বর্তমানেও অসংখ্য হরিণ রয়েছে দ্বীপটিতে।
অন্য আরেকটি সূত্র হতে জানা যায়, ১৯৪০- এর দ্বীপটি বঙ্গোপসাগর হতে জেগে ওঠা শুরু করে। চর গঠনের বিভিন্ন ধাপ অতিক্রম করে ৪০-এর দশকের শেষদিকে নিঝুম দ্বীপ তৃণচর বা গোচারণের উপযুক্ত হয়ে ওঠে। হাতিয়ার জেলেরা মাছ ধরতে গিয়ে এই দ্বীপের সন্ধান পায়। ৫০-এর দশকের মাঝামাঝি সময়ে নিঝুম দ্বীপে জনবসতি শুরু হয় বলে ধারনা করা হয় । মূলত হাতিয়ার জাহাজমারা ইউনিয়ন থেকে কিছু জেলে পরিবার প্রথম নিঝুম দ্বীপে বসবাসের জন্যে আসেন । তখন নিঝুম দ্বীপ সংলগ্ন এলাকায় প্রচুর ইছা মাছ (চিংড়ি মাছ) ধরা পড়ত বিধায় জেলেরা এ দ্বীপের নাম দেয় ‘ইছামতির দ্বীপ’। আবার এ দ্বীপটিতে মাঝে মাঝে বালির ঢিবি বা টিলার মতো ছিল বিধায় স্থানীয় লোকজন এ দ্বীপকে বাইল্যার ডেইল বলেও ডাকত। কালক্রমে ইছামতি দ্বীপ নামটি হারিয়ে গেলেও স্থানীয় লোকেরা এখনো এ দ্বীপকে বাইল্যার ডেইল বলেই সম্বোধন করে।
১৯৬৯ সালের দিকে একদল জরিপকারী এই চরে জরিপ করতে আসেন। তখন ওসমান নামের স্থানীয় এক বাসিন্দা জরিপকারীদের সহযোগিতা করেন। জরিপকারী দলটি চর ওসমান নামে এই চরের নামকরণ করেন । কালের পরিক্রমায় সমুদ্রের পানিতে বিভিন্ন প্রজাতির বৃক্ষরাজির বীজ ভেসে আসায় দ্বীপটিতে গড়ে ওঠে এক বিশাল প্রাকৃতিক বনাঞ্চল । চলে এই দ্বীপজুড়ে নেমে আসে গভীর নির্জনতা । পরে লোকের মুখে মুখে নির্জন দ্বীপ নামে আত্মপ্রকাশ করে । ১৯৭৯ সালে তৎকালীন প্রয়াত সংসদ সদস্য প্রতিমন্ত্রী আমিরুল ইসলাম পরিদর্শনে এসে নির্জন দ্বীপের শান্ত ও মনোমুগ্ধকর পরিবেশ দেখে মুগ্ধ হয়ে দ্বীপটির নামকরণ করেন নিঝুম দ্বীপ।
কীভাবে যাবেন নিঝুম দ্বীপঃ
যদি বাসে যেতে চানঃ
ঢাকার মহাখালী, কমলাপুর ও সায়েদাবাদ থেকে এশিয়া লাইন, এশিয়া ক্লাসিক, একুশে এক্সপ্রেস ও হিমাচল এক্সপ্রেসের চলাচল করে নোয়াখালীর সোনাপুর রুটে। ভাড়া পড়বে ৩৫০-৪৫০ টাকার মধ্যে।
বাসে সোনাপুর নেমে সিএনজি অটোরিকশায় করে চলে যান চেয়ারম্যান ঘাট। ভাড়া গুনতে হবে ১০০ টাকা।
এরপর ট্রলারে চড়ে যেতে হবে নলচিরা ঘাটে। জনপ্রতি ভাড়া ১৫০ টাকা। সেখান থেকে আবারও বাসে জাহাজমারা বাজার। জনপ্রতি ভাড়া দিতে হবে ৭০টাকা।
জাহাজমারা বাজার থেকে মোটর সাইকেলে মুক্তারিয়া ঘাট। ভাড়া পড়বে ৭০টাকা করে। সেখান থেকে ইঞ্জিন চালিত নৌকায় নিঝুম দ্বীপ ঘাট। ভাড়া জনপ্রতি ১০টাকা।
এরপর আবারও ভাড়ায় চালিত মোটরসাইকেলে করে যেতে হবে নামার বাজারে (নিঝুম দ্বীপ)। সেজন্য আপনাকে ভাড়া দিতে হবে ৬০ টাকা।
লঞ্চে যেতে চাইলেঃ
লঞ্চে যেতে চাইলে ঢাকা থেকে হাতিয়ায় যাওয়ার জন্য প্রতিদিন ১ টা লঞ্চ বরাদ্দ রয়েছে একটার নাম “এম.ভি ফারহান – ৩” অন্যটা “এম.ভি ফারহান – ৪”। দুইটা লঞ্চ রোটেশন পদ্ধতিতে ডেইলি ১ টা করে ছেড়ে যায়, প্রতিদিন বিকাল ৫.৩০ মিনিটে লঞ্চ সদরঘাট ছেড়ে যায়, লঞ্চ ১ মিনিট ও লেট করে না, আপনি দেরি করলেও কিন্তু লঞ্চ দেরি করে না তাই সাবধান। হাতিয়ার উদ্দেশ্যে সদরঘাট থেকে বিকেল সাড়ে ৫ টায় ছেড়ে যাওয়া লঞ্চ কালিগঞ্জ (মেহেন্দীগঞ্জ) – বিশ্বরোড (ভোলা) – দৌলত খাঁ (ভোলা) – মির্জাকালু – শরাশগঞ্জ – ভোলা তজুমুদ্দিন – মনপুরা (রামনেওয়াজ লঞ্চ ঘাট) হয়ে হাতিয়ার তমুরদ্দী ঘাটে সাধারণত পৌঁছায় পরদিন সকাল সাড়ে সাতটা থেকে নয়টার মধ্যে। নিঝুম দ্বীপ এ যেতে হলে নামতে হবে লাস্ট ঘাট হাতিয়ার তমুরদ্দী । আবার ঢাকায় ফেরত যাবার লঞ্চ ছাড়ে দুপুর সাড়ে ১২ টায়।
যোগাযোগঃ- এম.ভি ফারহান ৩- ০১৭৮৫৬৩০৩৬৬। এম.ভি ফারহান ৪- ০১৭৮৫৬৩০৩৬৮, ০১৭৮৫৬৩০৩৬৯, ০১৭৮৫৬৩০৩৭০।
ভাড়াঃ ডেকে ৩৫০ টাকা, আবার ২৫০ টাকা দিয়েও যাওয়া যায়। কেবিন সিঙ্গেল- ১২০০ টাকা, ডাবল কেবিন -২২০০ টাকা, ভিআইপি কেবিন -৩৫০০-৪০০০ টাকা।
তমুরদ্দী ঘাটে নেমে বেবি টেক্সিতে (৫০০-৬০০ টাকা) সরাসরি মোক্তারিয়া ঘাটে যেতে পারেন আবার সরাসরি মোটর সাইকেলযোগেও মোক্তারিয়া ঘাট এ যাওয়া যায় সে ক্ষেত্রে ভাড়া দুই জন ৩০০ – ৩৫০ টাকা, দর দাম করে নেওয়াই ভাল। সেখান থেকে ট্রলারে ১০ মিনিট লাগবে নিঝুম দ্বীপের বন্দরটিলা ঘাটে ভাড়া জনপ্রতি ২০ টাকা করে । এরপর আপনি নামার বাজার থাকতে চাইলে ভ্যান/রিক্সা/মোটর সাইকেল এ যেতে হবে। ভাড়া দুইজন ৮০-১০০ টাকা মটরসাইকেলে । এছাড়া আপনি ট্রলার রিজার্ভ করে যেতে পারেন নিঝুম দ্বীপের নামার বাজার ভাড়া ট্রলার সাইজ অনুযায়ী ৩৫০০ থেকে ৫০০০ টাকার মত । সে ক্ষেত্রে অবশ্যই ভাল ট্রলার নেওয়া উত্তম মাঝ নদীতে না হলে ধুকতে ধুকতে আপনার জার্নির বারটা বাজিয়ে ছাড়বে।
ভ্রমণে দরকারি টিপস্ঃ
শুধুমাত্র রবি এবং গ্রামীনফোন এর নেটওয়ার্ক পাবেন। তাই যাবার আগে এই দিকে খেয়াল রাখা উচিত । বিদ্যুতের ঘাটতি আছে দ্বীপে শুধুমাত্র রাতে বাজারে সোলারে চার্জ দিতে পারবেন। তাই পাওয়ার ব্যাংক নেওয়া বুদ্ধিমানের কাজ হবে।
খাওয়া-দাওয়ার ব্যবস্থা আর খরচ?
মোটর সাইকেল ওয়ালারা নিঝুম দ্বীপে নামার সাথে সাথে ঘিরে ধরে , ভুলেও এদের নিয়ে কোন হোটেলে যাওয়া উচিত না।
১. নিঝুম রিসোর্ট (অবকাশ হোটেল) নামার বাজারঃ অবকাশ পর্যটন লিমিটেড এর একটা রিসোর্ট হল নিঝুম রিসোর্ট যা নামার বাজার সী বীচ এর কাছে অবস্থিত। নিঝুম রিসোর্ট থাকার জন্য একটি ভালো মানের রিসোর্ট।
ভাড়াঃ ২ বেড এর VIP রুমের ভাড়া ২০০০ টাকা , ২ বেড এর Executive রুমের ভাড়া ১৫০০ টাকা, ৩ বেড এর Executive রুম ভাড়া ১৮০০ টাকা, ৪ বেডের Executive রুম ভাড়া ২০০০ টাকা, আর ৫ বেড এর ফ্যামিলি রুমের ভাড়া হল ৩০০০ টাকা এবং ৫ বেড এর ডরমেটরি রুম ভাড়া ১৮০০ টাকা ও ১২ বেড এর ডরমেটরি রুম ভাড়া ৩০০০ টাকা।
ডরমেটরি রুমে অতিরিক্ত প্রতি জন থাকলে ২০০ টাকা করে দিতে হবে। প্রতিটিতে এটাচ ওয়াশরুম আছে।
দুপুর ১২ টার আগে চেক আউট করতে হবে। অফ সিজনে রুম ভাড়ায় ৫০% ডিসকাউন্ট পাওয়া যায় ( এপ্রিল ১৫- সেপ্টেম্বর ৩০ )।
যোগাযোগঃ ঢাকা অফিসঃ অবকাশ পর্যটন লি., আলহাজ সামসুদ্দিন ম্যানসন (নবম তলা), ১৭ নিউ ইস্কাটন রোড, ঢাকা। ফোন : ৮৩৫৮৪৮৫, ৯৩৪২৩৫১, ৯৩৫৯২৩০, ০১৫৫২৩৭২২৬৯।
নিঝুম দ্বীপ অফিসঃ সবুজঃ ০১৭২৪-১৪৫৮৬৪, ০১৮৪৫৫৫৮৮৯৯ , ০১৭৩৮২৩০৬৫৫
২. মসজিদ বোর্ডিং, নামার বাজারঃ এটা থাকার ব্যবস্থার মধ্যে সবচেয়ে সস্তা । স্থানীয় মসজিদ থেকে এই ব্যবস্থা করেছে, দুইটা সিঙ্গেল এবং দুইটা ডবল রুম আছে, আর সব ডরমেটরি । ডরমেটরি – ভাড়া ২০০ – ৩০০ টাকার মত । এই বোর্ডিং-এ কোনো এটাচ বাথরুম এবং জেনারটরের ব্যবস্থা নাই। ২টি কমন বাথরুম এবং একটি টিউবওয়েল আছে।
৩. হোটেল শাহিন, নামার বাজারঃ এই হোটেলটি নতুন। ১০০০ টাকার রুমের ভাড়া ২৫০০ টাকা চাইবে। যাই হোক ফোন নম্বরঃ ০১৮৬৩১৫০৮৮১
এই বোর্ডিং-এ থাকার জন্য বুকিং করতে যোগাযোগঃ মোঃ আব্দুল হামিদ জসিম, কেন্দ্রিয় জামে মসজিদ, নামার বাজার, হাতিয়া, নোয়াখালী। ফোনঃ ০১৭২৭-৯৫৮৮৭৯।
৪. হোটেল দ্বীপ সম্পদ নামার বাজারঃ ফোনঃ ০১৭২০ ৬০১ ০২৬, ০১৭৬০ ০০৮১০৬। (সৈয়দ চাচার থাকা এবং খাওয়ার হোটেল)
৫. নিঝুম ড্রিম ল্যান্ড রিসোর্ট, বন্দরটিলাঃ নতুন খোলা এই রিসোর্টের পরিবেশ ভালোই। যোগাযোগঃ ঢাকা বুকিং অফিসঃ০১৮৪৭১২৩৫৭৩ নিঝুমদ্বীপ বুকিং অফিসঃ০১৮৪৭১২৩৫৭২
৬. জেলা প্রশাসন ডাক বাংলো।
ক্যাম্পিং সুবিধাঃ
ক্যাম্পিং হতে পারে খুব মজার একটা আইডিয়া। আপনাকে ক্যাম্পিং এর জন্যে স্থান নির্বাচনে তেমন চিন্তা ভাবনা করতে হবে। পুরো দ্বীপেই প্রায় সব জায়গায় আপনি ক্যাম্পিং করতে পারেন চাইলে। স্থানীয়দের সাথে কথা বলে যতটুকু জানা যায় নিরাপদেই দ্বীপে ক্যাম্পিং করা যায়।
সূত্রঃ blog.monju.me

Address

Dhaka
1229

Telephone

01818382238

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Traveling n Friends posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Traveling n Friends:

Share

Category