Weekend Fun - ছুটির মজা

Weekend Fun - ছুটির মজা Have Fun With Weekend Fun - ছুটির মজা

25/05/2021
07/01/2019

Fresh CoCo BD

16/09/2018

Happy Week End.

বর্ষায় মেঘ, ঝর্ণা আর চায়ের রাজ্য সিলেট ভ্রমন।Detailsবর্ষায় মেঘ, ঝর্ণা আর চায়ের রাজ্য সিলেট ভ্রমন।৩রা আগস্ট রাত ১০টা থেকে...
22/07/2017

বর্ষায় মেঘ, ঝর্ণা আর চায়ের রাজ্য সিলেট ভ্রমন।

Details
বর্ষায় মেঘ, ঝর্ণা আর চায়ের রাজ্য সিলেট ভ্রমন।

৩রা আগস্ট রাত ১০টা থেকে ৬ই আগস্ট সকাল ৫ টা পর্যন্ত।

ট্যুর প্যাকেজ: ৫০০০ /- টাকা। (এসি রুমে থকার ব্যবস্থা, প্রতিরুমে ৪ জন)
৫৫০০/- টাকা।(এসি রুমে থাকার ব্যবস্থা, প্রতিরুমে ২ জন)

যেখানে যেখানে ঘুরবো: রাতারগুল, বিছানাকান্দি, পান্তুমাই ঝর্ণা, সংগ্রামপুঞ্জি ঝর্ণা, জাফলং জিরো পয়েন্ট, হযরত শাহজালাল (রা) এর দরগাহ, চা বাগান। এছাড়াও আরো অনেকগুলো ঝর্ণা দেখা হবে যেগুলো ভারতীয় সীমানায় অবস্থিত।

যাদের যাওয়ার আগ্রহ আছে কিন্তু নিশ্চিত না তারা interested এ ক্লিক করে রাখলে সব আপডেট পাবেন। আর যারা নিশ্চিত যাচ্ছেন তারা Going এ ক্লিক করে রাখলে সফরসঙ্গী সম্পর্কে ধারনা পাওয়া যাবে এবং আমাদের জন্য যোগাযোগের সুবিধা হবে।

বিস্তারিত ট্যুর প্লান:

৩রা আগস্ট
রাত ১০ টায় ঢাকা কলাবাগান থেকে নন এসি চেয়ার কোচ বাসে যাত্রা শুরু।

৪ঠা আগস্ট
ভোরে সিলেট পৌছে রিজার্ভ লেগুনা করে চলে যাবো নির্ধারিত হোটেলে। হোটেলে ফ্রেশ হয়ে সকালের নাস্তা খেয়ে লেগুনা করে চলে যাবো হাদারপাড় বাজার। সেখান থেকে ট্রলারে করে পান্তুমাই ঝর্ণা। ঝর্ণাটা ইন্ডিয়ার সীমানায়। মন ভরে ঝর্ণা দেখে ট্রলারে করে চলে যাবো বিছানাকান্দি। সেখানে গোসল করে কিছুক্ষন সময় কাটিয়ে হাদারপাড় বাজারে দুপুরের খাবার খেয়ে রাতারগুলের উদ্দেশ্যে রওনা দিব। নৌকায় রাতারগুল ঘুরে ফিরে আসবো সিলেট শহরে। রাতের খাবার পাচ ভাই বা পানশী হোটেলে। রাতে হোটেলে থাকার ব্যবস্থা। এসি রুম। প্রতিরুমে ৪ জন।

৫ই আগস্ট
সকালের নাস্তা করে লেগুনা করে জাফলং এর উদ্দেশ্যে যাত্রা। ট্রলারে করে ঘুরবো জাফলং জিরো পয়েন্ট, সংগ্রামপুঞ্জি ঝর্ণা। জাফলং এ দুপুরের খাবার খেয়ে বিকালে যাবো চা বাগান ঘুরতে। সন্ধায় হযরত শাহজালালের মাজার জিয়ারত করবো। এরপর হোটেল রুমে ফ্রেশ হয়ে রাতের খাবার খেতে বের হবো। এরপর ঢাকার উদ্দেশ্যে যাত্রা।

৬ আগস্ট
সকাল ৫ টার আগেই ঢাকা পৌছে যাবো ইনশাল্লাহ।

প্যাকেজে যা যা থাকছে:
# ঢাকা – সিলেট – ঢাকা নন এসি চেয়ার কোচ বাসের টিকিট
# দুই দিনের জন্য রিজার্ভ লেগুনা
# পান্তুমাই ঝর্ণা ও বিছানাকান্দি যাওয়ার রিজার্ভ ট্রলার
# রাতারগুলে রিজার্ভ নৌকা
# জাফলং জিরো পয়েন্ট ও সংগ্রামপুঞ্জি যাওয়ার রিজার্ভ ট্রলার
# প্রতিদিন তিনবেলা খাবার
# রাতে থাকার জন্য হোটেল রুম। (এসি রুম)।
# অভিজ্ঞ সমন্বয়কারী।

খাবার:
সকালে: ডিম, পরটা/রুটি, সবজি/ডাল, চা।
দুপুর: মাছ/মাংস, সবজী/ভর্তা, ডাল, ভাত
রাত: মাছ/মাংস, সবজী/ভর্তা, ডাল, ভাত

যা যা মনে রাখা দরকার:
# ভ্রমন পিপাসু মন থাকতে হবে। যেখানে সেখানে অপচনশীল দ্রব্য ফেলে প্রকৃতিকে নষ্ট করা যাবে না।
# সিলেটে এখন প্রতিদিন যখন তখন বৃষ্টি হচ্ছে। রাস্তায় যে কোন সময় বৃষ্টির দেখা পেতে পারি। ফলে ছাতা বা রেইন কোট সাথে নিতে হবে। হ্যাট ও সানগ্লাস সাথে নিতে পারেন।
# ট্যুরে অনেকটা সময় কাটবে ট্রলারে এবং পনিতে। সাতার জানা না থাকলে নিজের নিরাপত্তার জন্য লাইফ জ্যাকেট সাথে নিতে পারেন।
# যার যার প্রয়োজন মত ঔষধ সাথে নিতে হবে। হাঁটাহাটির জন্য আরামদায়ক স্পঞ্জের /রাবারের স্যান্ডেল নিতে হবে।
# রাতারগুলে যাওয়ার রাস্তার অবস্থা ভালো না। বেশ ভালো রকমের ঝাক্কি পোহাতে হবে।

বুকিং এর শেষ সময় ৩১ শে জুলাই ২০১৭।

01972897787 (পারসোনাল) এই নম্বরে ২৫৫০ টাকা বিকাশ করে অথবা সরাসরি অফিসে এসে ২৫০০ টাকা বুকিং দিতে পারেন।

09/06/2017

9th match Cardiff and vs newzealand all sounds good to me.

আপনার কি মন খারাপ? বাসায় মন বসছে না? অফিসের কাজে মন বসে না? হতাশাবোধ করছেন? তাহলে চলুন ঘুরে আসি সাজেক ভ্যালির মনোরম পরিব...
26/11/2016

আপনার কি মন খারাপ?
বাসায় মন বসছে না?
অফিসের কাজে মন বসে না?
হতাশাবোধ করছেন?
তাহলে চলুন ঘুরে আসি সাজেক ভ্যালির মনোরম পরিবেশে। এর মন কারা দৃশ্য আপনার সকল ক্লান্তি ও অবশাদ দূর করে আপনাকে দিবে আনন্দের এক নতুন তৃপ্ততা।
খাগড়াছড়ির দিঘীনালা থেকে মারিশ্যা রাস্তার উপর দিয়ে কাচালাং পার হয়ে মাচালাং হয়ে রুইলুই পাড়ায় রাঙ্গামাটির বাঘাইছড়ি উপজেলার সবচেয়ে বড় ইউনিয়ন সাজেক ভ্যালীতে আসতে হবে।
সাজেকে কি আছে যা নিয়ে এত হাউ কাউ?
সাজেকের পাহাড় চূঁড়া থেকে মিজোরামের লুসাই পাহাড়ের অদ্ভুত দৃশ্য দেখে সকল ক্লান্তি ও কষ্ট নিমিষেই মিলিয়ে যায়।

সাজেক ভ্যালী ভ্রমণের বিস্তারিত পোষ্টঃ
সাম্প্রতিক সময়ে ভ্রমণ পিপাসু মানুষদের কাছে যে কয়টি ভ্রমণ গন্তব্য সবচেয়ে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে তার মধ্যে অন্যতম হল সাজেক ভ্যালী। তাই আমরা আপনাদের ভ্রমণের সুবিধার্থে নিয়ে এলাম সাজেক ভ্রমণের বিস্তারিত ।
প্রকৃতির অপার সৌন্দর্য্যের এক অনন্য আঁধার আমাদের মাতৃভূমি রূপসী বাংলা । আমরা বিভিন্ন দেশের গ্রীন ভ্যালী দেখতে যাই বা দেখার স্বপ্ন দেখি। কিন্তু আমাদের দেশেও আছে তেমনই এক অপরূপা গ্রীন ভ্যালী, যার নাম সাজেক। ঢাকা থেকে মাত্র ৭/৮ ঘণ্টা দূরত্বে পার্বত্য অঞ্চলের রাঙামাটি জেলার সাজেক ভ্যালী অবস্থান। হাতে দুই দিন সময় নিয়ে বেড়িয়ে পড়ুন এ সৌন্দর্য অবলোকন করার জন্য, যা আপনার কল্পনায় গেঁথে থাকবে অনেক অনেক দিন।
সাজেক রাঙামাটি জেলার বাঘাইছড়ি উপজেলায় অবস্থিত । সাজেক হলো বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় ইউনিয়ন । যার আয়তন ৭০২ বর্গমাইল । সাজেকের উত্তরে ভারতের ত্রিপুরা , দক্ষিনে রাঙামাটির লংগদু , পূর্বে ভারতের মিজোরাম , পশ্চিমে খাগড়াছড়ির দীঘিনালা । সাজেক রাঙামাটি জেলায় অবস্থিত হলেও এর যাতায়াত সুবিধা খাগড়াছড়ির দীঘিনালা থেকে । রাঙামাটি থেকে নৌপথে কাপ্তাই হয়ে এসে অনেক পথ হেঁটে সাজেক আসা যায় । খাগড়াছড়ি জেলা সদর থেকে এর দূরত্ব ৭০ কিলোমিটার । আর দীঘিনালা থেকে ৪৯ কিলোমিটার । বাঘাইহাট থেকে ৩৪ কিলোমিটার ।
খাগড়াছড়ি থেকে দীঘিনালা আর্মি ক্যাম্প হয়ে সাজেক যেতে হয় । পরে পরবে ১০ নং বাঘাইহাট পুলিশ ও আর্মি ক্যাম্প । যেখান থেকে আপনাকে সাজেক যাবার মূল অনুমতি নিতে হবে । তারপর কাসালং ব্রিজ, ২টি নদী মিলে কাসালং নদী হয়েছে । পরে টাইগার টিলা আর্মি পোস্ট ও মাসালং বাজার । বাজার পার হলে পরবে সাজেকের প্রথম গ্রাম রুইলুই পাড়া যার উচ্চতা ১৮০০ ফুট । এর প্রবীণ জনগোষ্ঠী লুসাই । এছাড়া পাংকুয়া ও ত্রিপুরারাও বাস করে । ১৮৮৫ সালে এই পাড়া প্রতিষ্ঠিত হয় । এর হেড ম্যান লাল থাংগা লুসাই । রুইলুই পাড়া থেকে অল্প সময়ে পৌঁছে যাবেন সাজেক । সাজেকের বিজিবি ক্যাম্প বাংলাদেশের সর্বোচ্চ বিজিবি ক্যাম্প । এখানে হেলিপ্যাড আছে । সাজেকের শেষ গ্রাম কংলক পাড়া । এটিও লুসাই জনগোষ্ঠী অধ্যুষিত পাড়া । এর হেড ম্যান চৌমিংথাই লুসাই । কংলক পাড়া থেকে ভারতের লুসাই পাহাড় দেখা যায় । যেখান থেকে কর্ণফুলী নদী উৎপন্ন হয়েছে ।সাজেক বিজিবি ক্যাম্প এর পর আর কোন ক্যাম্প না থাকায় নিরাপত্তা জনিত কারনে কংলক পাড়ায় মাঝে মাঝে যাওয়ার অনুমতি দেয় না । ফেরার সময় হাজাছড়া ঝর্ণা , দীঘিনালা ঝুলন্ত ব্রিজ ও দীঘিনালা বনবিহার দেখে আসতে পারেন । একদিনে এই সব গুলো দেখতে হলে যত তারাতারি সম্ভব বেড়িয়ে পড়বেন ।
খাগড়াছড়ি থেকে জীপগাড়ি (লোকাল নাম চাঁন্দের গাড়ি) রিজার্ভ নিয়ে একদিনে সাজেক ভ্যালী ঘুরে আসতে পারবেন । ভাড়া নিবে ৫০০০-৫৫০০ টাকা । এক গাড়িতে ১৫ জন বসতে পারবেন । অথবা খাগড়াছড়ি শহর থেকে দীঘিনালা গিয়ে সাজেক যেতে পারবেন । বাসে দীঘিনালা জন প্রতি ৪৫ টাকা এবং মোটর সাইকেলে জন প্রতি ভাড়া ১০০ টাকা । দীঘিনালা থেকে ১০০০-১২০০ টাকায় মোটর সাইকেল রিজার্ভ নিয়েও সাজেক ঘুরে আসতে পারবেন । ফেরার সময় অবশ্যই সন্ধ্যার আগে আপনাকে বাঘাইহাট আর্মি ক্যাম্প পার হতে হবে । তা না হলে অনেক প্রশ্নের সম্মুখীন হতে হবে । ক্যাম্পের ছবি তোলা নিষেধ। এই বিষয়টি অবশ্যই মাথায় রাখবেন ।

ফোন: 01972897787,
E-mail:[email protected]
https://www.facebook.com/Weekend-Fun-ছুটির-মজা-1606011533028522

জেনে নিন কিভাবে কম খরচেই কক্সবাজার, মহেশখালী, হিমছড়ি ও ইনানী ঘুরে আসবেন (কোথায় কত টাকা এবং কত সময় লাগবে)ঢাকা থেকে সরাসরি...
10/11/2016

জেনে নিন কিভাবে কম খরচেই কক্সবাজার, মহেশখালী, হিমছড়ি ও ইনানী ঘুরে আসবেন (কোথায় কত টাকা এবং কত সময় লাগবে)

ঢাকা থেকে সরাসরি কক্সবাজার যেতে ভাড়া পড়বে ৭০০ টাকা থেকে ৮৫০ টাকার মধ্যে (নন এসি)। সৌদিয়া, এস আলম , হানিফ এন্টারপ্রাইজ, শ্যামলী পরিবহন, সোহাগ পরিবহন, মডার্ন লাইন, শাহ্ বাহাদুর, সেন্টমার্টিনসহ বিভিন্ন বাসে সব সময় আসা যাওয়া করা যায়। বেশ কিছু ভাল এসি বাস-ও চলে এই রুটে, ভাড়া ১৫০০-২০০০ টাকা । যদি ট্রেনে যেতে চান, তাহলে কমলাপুর থেকে উঠতে হবে, চট্টগ্রাম নেমে ওখান থেকে কক্সবাজারের জন্যে বাসে উঠতে হবে, ভাড়া ২৪০ টাকা ।
১ । সকালে গাড়ি থেকে নেমে যেকোনো হোটেলে উঠতে পারেন । ফ্রেশ হয়ে হাল্কা নাশতা করে নেমে যেতে পারেন সমুদ্রে তবে নামার আগে অবশ্যই জোয়ার ভাঁটার সময় জেনে নিবেন।
২। তারপর হোটেল এ এসে কাপড় পরিবর্তন করে শৈবাল সুইমিং পুল এ যেতে পারেন ।জন প্রতি ১৫০ টাকা লাগবে প্রবেশ মূল্য।
৩। দুপুরের খাবার যেকোনো বাংলা হোটেল থেকেই খেতে পারেন খুবই কম খরচে।
৪। খাবার খেয়ে হালকা রেস্ট নিয়ে চলে যেতে পারেন দেশের একমাত্র পাহাড়ী দ্বীপ মহেশখালীর উদ্দেশ্যে । ৬ নং ঘাট নামক স্থান থেকে মাত্র ১৫ মিনিট স্পীড বোটে চড়ে যেতে পারেন এই দ্বীপে, ভাড়া নিবে জনপ্রতি ৭৫ টাকা । মহেশখালী ঘাটে নেমে একটা রিক্সা বা অটো নিয়ে আশেপাশের স্পট গুলো ঘুরে দেখতে পারেন, ভাড়া ২০০-৩০০ টাকা, অবশ্যই ভাল মত দরদাম করে নিবেন । স্পীড বোটে চড়ার অনুভুতিটার সাথে কোন কিছুর তুলনা হবে না, একবার গিয়েই দেখুন না ।
৫ । সন্ধ্যার আগেই মহেশখালী থেকে ফিরে বাকিটা সময় ব্যয় করতে পারেন কেনাকাটা করার জন্য । কম টাকায় কেনাকাটা করতে চাইলে আপনাকে যেতে হবে বার্মিজ মার্কেটে ।
৬। রাতের বেলা সমুদ্র পাড়ে বসে কাটাতে পারেন আর শুনতে পারেন সমুদ্রের শো শো গর্জন ।বসে থাকার জন্য চেয়ার ভাড়া করা প্রতি ঘণ্টা মাত্র ৩০ টাকা ।
৭। পরের দিন সকালে সূর্যোদয় দেখতে চাইলে খুব ভোরেই আপনাকে যেতে হবে সমুদ্র পাড়ে।
৮। সকাল বেলার নাশতা টা খুব কম খরচে করতে পারেন যেকোনো বাংলা হোটেল থেকেই । রিটার্ন টিকেট কেটে হোটেলে এসে সকাল সকাল বেরিয়ে পড়তে পারেন হিমছড়ি, ইনানির উদ্দেশে।
তবে যাবার আগে অবশ্যই হোটেল চেক আউট করে যাবেন আর ব্যাগপত্র লবিতে চেক-আউট লাগেজ হিসেবে রেখে যেতে পারেন। ফিরে এসে নিতে পারবেন, এই জন্য আপনাকে কোন অতিরিক্ত টাকা পয়সা দিতে হবে না ।
কক্সবাজার শহর থেকে ইনানীর দূরত্ব মাত্র ২২ কিলোমিটার। খোলা জীপ, রিকশা কিংবা ব্যাটারী চালিত রিকশাতে করে সেখানে যাওয়া যাবে। খোলা জীপে গেলে জনপ্রতি ভাড়া ১৫০-১৭০ টাকা পড়বে। রিজার্ভ নিলে এটি পড়বে ১২০০ -১৫০০টাকা।রিকশা করে যেতে হলে ভাড়া লাগবে ৩০০-৪০০ টাকা। আর সি এন জি নিয়ে গেলে আসা যাওয়ার ভাড়া পড়বে ৫০০-৬০০টাকা। সৈকত লাগোয়া আকাশ ছোঁয়া পাহাড় এর সৌন্দর্য উপভোগ করতে পারবেন যাওয়ার পথেই।
যাত্রা পথেই কক্সবাজার শহর থেকে মাত্র ১২ কিলোমিটার আসলেই পাবেন হিমছড়ি । উপভোগ করতে পারবেন পাহাড়ের হিম শীতল ঝরণা।
হিমছড়ি পাড় হয়ে আরও ৮কি.মি গেলেই আপনি পৌছে যাবেন ইনানী, যাকে বলা হয়, মিনি সেন্টমার্টিন। উপভোগ করতে পারবেন বিস্তীর্ণ পাথুরে সৈকত। সমুদ্র থেকে ভেসে এসে প্রচুর প্রবাল বেলাভূমিতে জমা হয়েছে । বিচে চলার উপযোগী চার চাকার বেশ কয়েকটি বাইক সৈকতে চলাচল করে। ১ কিলোমিটার দূরত্বে ভ্রমণ করতে রাউন্ড প্রতি ৫০ টাকা করে দিতে হবে আপনাকে।
কক্সবাজার শহরে ফিরে আপনি হোটেল থেকে ব্যাগ পত্র বুঝে নিয়ে বিকেল এর সময়টা কেনা কাটা করতে পারেন অথবা সমুদ্র পাড়ে চেয়ার ভাড়া করে শেষ সময় টা সূর্যাস্ত দেখতে পারেন গাড়ির সময় এর আগ পর্যন্ত।
Mobile: 01712897787

পরিবারের আপন মানুষগুলো নিয়ে যদি ঢাকার আশেপাশে বা দূরে কোথাও দুই-একটা দিন ছুটি কাটিয়ে আসতে চান তাহলে এই পোস্টটা আপনার খুব...
10/11/2016

পরিবারের আপন মানুষগুলো নিয়ে যদি ঢাকার আশেপাশে বা দূরে কোথাও দুই-একটা দিন ছুটি কাটিয়ে আসতে চান তাহলে এই পোস্টটা আপনার খুব কাজে দিবে !

সারা দেশের ৬৭ টি রিসোর্টের বর্ণনা, ঠিকানা ও যোগাযোগের নম্বর দেয়া আছে এখানে !

১/ ভাওয়াল জাতীয় উদ্যান [/u]গাজীপুর
সরকারি পিকনিক স্পটগুলোর মধ্যে অন্যতম গাজীপুরের এ ভাওয়াল উদ্যান। চত্ত্বর গাজীপুর সদর ও শ্রীপুর থানা জুড়ে অবস্থিত ভাওয়াল জাতীয় উদ্যান। খেলাধুলার জন্য রয়েছে বড় একটি মাঠ। তাছাড়া রয়েছে এখানে একটি চিড়িয়াখানা। পৃথিবীর অন্যান্য জাতীয় উদ্যানের আদলে ৬,৪৭৭ হেক্টর জমিতে ১৯৭৩ সালে এ উদ্যান সরকারিভাবে গড়ে তোলা হয়। ভাওয়াল জাতীয় উদ্যানের মূল উদ্ভিদ হলো শাল। এছাড়াও নানারকম গাছ-গাছালিতে পরিপূর্ণ এ উদ্যান। জাতীয় উদ্যানের ভেতরে বেশকয়েকটি বনভোজন কেন্দ্র, ১৩টি কটেজ ও ৬টি রেস্ট হাউস রয়েছে। উদ্যানে প্রবেশমূল্য জনপ্রতি ৬ টাকা। এছাড়া পিকনিক স্পট ব্যবহার করতে হলে, বন বিভাগের মহাখালী কার্যালয় (০২-৮৮১৪৭০০) থেকে আগাম বুকিং দিয়ে আসতে হবে।
সফিপুর আনসার একাডেমি গাজীপুর
জেলার কালিয়াকৈর উপজেলায় অবস্থিত আনসার-ভিডিপি একাডেমির বিশাল চত্বর বেড়ানোর জন্য একটি উপযুক্ত যায়গা। অনুমতি সাপেক্ষে বনভোজন করারও ব্যবস্থা আছে এখানে । Mobile:+8801972897787, (০২-৭২১৪৯৫১-৯)

২/ নুহাশপলস্নী
জনপ্রিয় কথাসাহিত্যিক ও চলচ্চিত্র নির্মাতা হুমায়ূন আহমেদের বাগানবাড়ি ও শুটিং স্পট। প্রায় ৯০ বিঘা জায়গা নিয়ে এই নন্দন কাননে আছে একটি ছোট আকারের চিড়িয়াখানা, শান বাঁধানো ঘাটসহ একটি বিশাল পুকুর, দৃষ্টিনন্দন কটেজ, ট্রি হাউস বা গাছবাড়িসহ আরো অনেক আয়োজন। নুহাশ পলস্নীর ভেতরের বিশেষ আকর্ষণ হলো_এর ঔষধি গাছের বাগান। এত সমৃদ্ধ ঔষধি বাগান এদেশে বিরল। সবমিলিয়ে নুহাশপলস্নী একটি ছবির মতো সাজানো-গোছানো এক প্রান্তর, যেখানে গেলে ভালো লাগবে সবার। ডিসেম্বর, জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারি এই তিনমাস বনভোজনের অনুমতি মেলে নুহাশপলস্নীতে। Mobile:+8801972897787 ০১৭১২০৬০৯৭১

৩/ রাঙ্গামাটি ওয়াটার ফ্রন্ট রিসোর্ট গাজীপুর
গাজীপুরের চন্দ্রায় অবস্থিত আরেকটি রিসোর্ট ও বনভোজন কেন্দ্র রাঙ্গামাটি। এখানে আছে বনভোজন কেন্দ্র, লেকে মাছ ধরা ও বেড়ানোর ব্যবস্থা এবং কটেজে অবকাশ যাপনের ব্যবস্থা। Mobile:+8801972897787 (০১৮১১৪১৪০৭৪)
http://www.rangamatiwaterfront.com/

৪/ আফরিন পার্ক রিসোর্ট গাজীপুর
জয়দেবপুর চৌরাস্তা থেকে প্রায় দশ কিলোমিটার দূরে গাজীপুর-ময়মনসিংহ সড়কের পাশেই আফরিন পার্ক রিসোর্ট। নানান গাছ-গাছালিতে ঘেরা এ পার্কে আছে বিশাল শান বাঁধানো পুকুর, লেকে নৌকায় বেড়ানোর ব্যবস্থাসহ অবকাশ যাপনের জন্য রিসোর্ট Mobile:+8801972897787 (০১৮১৯২৫৩৩৩৯)। 45000/-

৫/ উৎসব পিকনিক স্পট গাজীপুর
ঢাকা থেকে প্রায় ৫০ কিলোমিটার দূরে ঢাকা-ময়মনসিংহ সড়কের হোতাপাড়ার কাছেই এ বনভোজন কেন্দ্রটি। উৎসব পিকনিক স্পটে আছে খোলা চত্বর, কয়েকটি কটেজ ও ট্রি হাউজ। ঢাকার ফুলবাড়িয়া থেকে শ্রাবণ পরিবহনে এসে নামতে হবে হোতাপাড়া বাসস্ট্যান্ডে। ভাড়া ৩৫ টাকা। সেখান থেকে রিকশায় দশ টাকা ভাড়া উৎসব পিকনিক স্পট পর্যন্ত। Mobile: 01972897787, ০১৭১৩০৪৪৫৯১।8626376,01718425228, 25000/-20%

৬/ পুষ্পদাম পিকনিক স্পট গাজীপুর
ঢাকা থেকে ৫৫ কিলোমিটার দূরে গাজীপুর জেলার বাঘের বাজারে পুষ্পদাম অবস্থিত। এখানে বিশাল পরিসরে রয়েছে দেশি-বিদেশি বাহারি গাছের সমাহার। প্রবেশপথেই রয়েছে বিশাল দেবদারু গাছের সারি। এ পথ পেরিয়ে একটু ভেতরে ঢুকলেই রয়েছে ফুলে ফুলে ঘেরা কয়েকটি কটেজ। এখানে রয়েছে বিশাল খেলার মাঠ, কৃত্রিম লেক, ঝরনা ও সুইমিংপুল। পর্যাপ্ত রান্নাঘর, টয়লেট ছাড়াও এখানে আছে একই সাথে এক হাজার লোকের খাবারের জায়গা। যোগাযোগ :০১৮১৯২১৬১৫৭।http://pushpadumresort.com/index1.html

৭/ হ্যাপি ডে ইনন : গাজীপুর
ভাওয়াল জাতীয় উদ্যানের ঠিক বিপরীত দিকে রয়েছে বেসরকারি এ পিকনিক স্পট। উন্নতমানের হলরুম, আবাসিক রুমসহ দেশীয়, থাই, চায়নিজ খাদ্যের ব্যবস্থা রয়েছে পিকনিকের জন্য। পিকনিকের আয়োজন করে গাজীপুরের এই সবুজ বনে হারিয়ে যেতে কে না চায়। Mobile:+8801972897787, ০১৯৩৯-০৪৭৫৮৬-৮।

৮/ অঙ্গন : গাজীপুর
গাজীপুরের সুর্য্যনারায়নপুর, কাপাসিয়া থানায় অবস্থিত। বাকী জানতে লিংকে গুতান [url=http://www.anganaresort.com/]অঙ্গনা[/url]] Mobile:+8801972897787

৯/ ফ্যান্টাসি কিংডম আশুলিয়া
আশুলিয়ার জামগড়ায় গড়ে উঠেছে বিশ্বের আধুনিক সব রাইড নিয়ে বিনোদনকেন্দ্র ফ্যান্টাসি কিংডম। পাশেই হেরিটেজ পার্কে আছে ঐতিহ্যের পরিপূর্ণ ভাণ্ডার। বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহাসিক স্থাপনাগুলোর অনেকগুলোই চোখে পড়বে এখানে। এগুলো মূল স্থাপনার অবিকল আদলেই তৈরি করা হয়েছে হেরিটেজ পার্কে। এ জায়গা দুটিতে বনভোজন করার জন্য রয়েছে সব ধরনের সুযোগ-সুবিধা। Mobile:+8801972897787 :৭৭০১৯৪৪-৪৯।

১০/ রিসোর্ট আটলান্টিস , আশুলিয়া
ওয়াটার কিংডমের ভিতরে অবিস্থিত রিসোর্ট আটলান্টিস ,
মোহাম্মদী গার্ডেন
মহিশাষী, ধামরাই এ অবস্থিত
ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের পাশে ধামরাইয়ের মহিষাশী। এখানেই এই গার্ডেন অবস্থিত। নিজে না দেখলে বিশ্বাস করা যায় না এটা একটা স্বপ্নপুরী নাকি স্বর্গভূমি। বিনোদনের জন্য গার্ডেনের ভিতরে রয়েছে পুকুর। সেই পুকুরে ভেসে বেড়াচ্ছে নৌকা, কাঠের রাজহাঁস, মাটির শাপলা।
Contact for booking:
House No. 93/B, Road - $, Block – F
Chairman Bari, Banani, Dhaka – 1213
Contact No. Phone- 8361156
Mobile: 01972897787
Mobile – 01717 374 904, 01190 257 062

১১/ হাসনাহেনা গাজীপুর
ঢাকার পাশেই গাজীপুর জেলার পুবাইল কলেজগেটে অবস্থিত তেমনি একটি বেসরকারি বিনোদন পর্যটন কেন্দ্র "হাসনাহেনা"। টঙ্গী থেকে এর দূরত্ব ৮ কিলোমিটার। পরিবারের সবাইকে নিয়ে কিংবা অফিস বা সংগঠনের দিনব্যাপী পিকনিক বা বনভোজনে এখানে আসা যেতে পারে অনায়াসে। যোগাযোগ :হাসনাহেনা, হাড়িবাড়ীর টেক, পুবাইল কলেজগেট, পুবাইল গাজীপুর। Mobile:+8801972897787, ০১১৯৯৮৭৫৫৭৬, ০১৯১১৪৯৫১২৩, ০১৭১৪০০৩১০৩, ০১৭৩৬৬৭২৪০৮।

১২/ জল জঙ্গলের কাব্য, পূবাইল
যোগাযোগের নাম্বার : 01919782245
পুবাইল রিসোর্ট
It has another name "Bon-Jungle". Just 30mins from Uttara/Tangi to Gorasal Road... There are 3 rail Crossing on this road. You need to go the No. 3 rail crossing. And only about 3 Kilometer (Left Side) from this 3rd no. rail gate. Contact Details
Mr Saheb ali
(incharge of this resort)
Mobile:+8801972897787, 01719523016

১৩/ অরন্যবাস , পুবাইল, গাজীপুর
picnic spot located only 15 km from Hazrat Shahjalal International Airport at the village Bilashara (Vadune), Pubail, Gajipur.
Contact Us:
Mobile : 8801972897787, 01711477468 , 01712799801
http://aronnobashbd.com/Ab/index.php

১৪/ রিসোর্ট "নক্ষত্রবাড়ি"
জনপ্রিয় অভিনেতা ও নির্মাতা তৌকীর আহমেদ গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলার রাজাবাড়ি এলাকা গড়ে তুলেছেন আধুনিক এক রিসোর্ট।
প্রায় ১০ বিঘা জমির উপর তৌকীর আহমেদ গড়ে তুলেছেন “নক্ষত্রবাড়ি”। এখানে নাটক ও চলচ্চিত্রের শুটিংয়ের পাশাপাশি অবকাশ যাপনের জন্য রয়েছে বিশেষ ব্যবস্থা। রিসোর্টে আরো আছে একটি সাজানো গোছানো কনফারেন্স সেন্টার। সারা বছর পিকনিক করার পাশাপাশি সপরিবারে রাত্রি যাপনের জন্য সবধরণের সুযোগ-সুবিধাসহ এখানে আছে কয়েকটি কটেজ। বিশাল দীঘি, দীঘিতে শান বাঁধানো ঘাট, কৃত্রিম ঝরনা, সুইমিং পুল. দোলনা, শালবন সবই আছে এখানে।
http://nokkhottrobari.com/ Mobile:+8801972897787

১৫/ আরশিনগর হলিডে রিসোর্ট
ঢাকা থেকে মাত্র ত্রিশ কিলোমিটার দূরে গাজীপুরের ভাওয়ালে অত্যাধুনিক সুযোগ-সুবিধা সম্বলিত হলিডে রিসোর্ট ও পিকনিক স্পট। ভাওয়ালের গ্রাম ও শালবনের মাঝে অসাধারণ প্রাকৃতিক আবহাওয়ায় আধুনিক সব সুযোগ সুবিধা নিয়ে সাজানো আরশিনগর।
অফিষ: 21/1 ইস্কাটন গার্ডেন , ফ্্যাট 4/এ , রমনা ঢাকা, ফোন 9344889, 9336332
রিসোর্ট অফিস
পাজৃলিয়া, জয়দেবপুর, গাজীপুর
Mobile: 01972897787,01732354007, 01923117056
http://www.arshinagarpicnicspot.com/

১৬/ শালবন পিকনিক স্পট
Sonartori tower(14th Floor), Dhaka
LOCATION: Nanduyan-Gazipur
:ময়মনসিংহে রয়েছে তেপান্তর পিকনিক স্পট। পিকনিক স্পটের সঙ্গেই রয়েছে একটি শুটিং স্পট। এখানে পিকনিকের আয়োজন করতে এসে দেখা হতে পারে আপনার পছন্দের কোনো তারকার সঙ্গে। Mobile:+8801972897787-৮৩১৩৫২১।

১৭/ শ্যামলী পিকনিক স্পট
185,Elephant road,1205
LOCATION: Monipur-Gazipur
Mobile:+8801972897787

১৮/ বি সি ডি এম পিকনিক স্পট
Brac centre,mohakhali,Dhaka
LOCATION: Rajendrapur,Gazipur
Mobile:+8801972897787

১৯/ সাবাহ গার্ডেন
Tongi Super Market(Gf flr), Gazipur
LOCATION: Bagher Bazar, Gazipur
Mobile:+8801972897787

২০/ তেপান্তর পিকনিক স্পট ময়মনসিংহ
:ময়মনসিংহে রয়েছে তেপান্তর পিকনিক স্পট। পিকনিক স্পটের সঙ্গেই রয়েছে একটি শুটিং স্পট। এখানে পিকনিকের আয়োজন করতে এসে দেখা হতে পারে আপনার পছন্দের কোনো তারকার সঙ্গে। Mobile:+8801972897787, -৮৩১৩৫২১।

২১/ রাসেল পার্ক নারায়ণগঞ্,রূপগঞ্জ
ঢাকা থেকে প্রায় ২৫ কিলোমিটার দূরে রূপগঞ্জে রয়েছে মনোমুগ্ধকর এ পিকনিক স্পট। প্রায় ৩০ বিঘার মতো জায়গা জুড়ে এখানে রয়েছে সবুজের সমারোহ। রাসেল পার্কে রয়েছে তিনটি পিকনিক স্পট। এছাড়াও রাসেল পার্কের ভেতরেই রয়েছে ছোট একটি চিড়িয়াখানা। নানারকম পশুপাখি রয়েছে এ চিড়িয়াখানায়। যোগাযোগ Mobile:+8801972897787, :০১৭১৫৪৬০৬৪।

২২/ জিন্দাপার্ক, রূপগঞ্জ, নারায়ণগঞ্জঃ
বেসরকারী পর্যায়ে রূপগঞ্জে গড়ে উঠেছে পর্যটন কেন্দ্র। নাম ঐক্যতান অপস মডেল রিজোর্ট (জিন্দাপার্ক)। ঢাকা থেকে ত্রিশ কিলোমিটার দূরে এই জিন্দাপার্কের অবস্থান। বনভোজনের স্পট রয়েছে তিনটি। বড় স্পটে ৭/৮ হাজার মানুষ অনায়াসে অংশগ্রহণ করতে পারে। বনভোজনের স্পটে সব সময় থাকে মানুষের সমাগম। পার্কের তিনটি লেকেই নৌবিহারের জন্য রয়েছে ৭/৮টি সুসজ্জিত নৌকা

২৩/ সোনার গাঁও
ঢাকার কাছেই আরেক আকর্ষণীয় পিকনিক স্পট হলো সোনার গাঁও। এখানকার লোক ও কারুশিল্প ফাউন্ডেশনের বিশাল চত্বরে রয়েছে বেশ কয়েকটি পিকনিক স্পট। এখানে বনভোজনের পাশাপাশি দেখে আসতে পারেন বাংলার ঐতিহাসিক নানান স্মৃতি। এখানকার লোক ও কারুশিল্প ফাউন্ডেশন যাদুঘর, ঐতিহাসিক পানাম নগর , গোয়ালদী মসজিদ, গিয়াস উদ্দিন আযম শাহের মাজার ছাড়াও আরো অনেক ঐতিহাসিক জায়গা দেখে আসতে পারেন।
Mobile:+8801972897787

২৪/ ড্রিম হলিডে পার্ক নরসিংদী
নরসিংদীতে গড়ে উঠছে আর্ন্তজাতিক মানের বিনোদন কেন্দ্র ড্রিম হলিডে পার্ক। দেশের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় শিল্প গোষ্ঠি ফনিক্স গ্রুপ রাজধানী ঢাকা থেকে ৪২ কিলোমিটার দূরে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের
বিনোদন কেন্দ্রটিতে রয়েছে বিভিন্ন ধরনের এগারটি রাইট। এদের মধ্যে ওয়াটার পার্ক, এয়ার বাই সাইকেল, ফাইটার বোট, সোয়ান বোট, হ্যাপী ক্যাসেল, ন্যাকেট ক্যাসেল, রর্কি হর্স, হ্যাপী স্লাইট ও গ্রাউন সীট উল্লেখযোগ্য।
http://www.dreamholidayparkbd.com/index.html
Mobile:+8801972897787

২৫/ পদ্মা রিসোর্ট লৌহজং, মুন্সীগঞ্জ
এখানে আছে ১৬টি ডুপ্লেঙ্ কটেজ। প্রতিটি কটেজে আছে একটি বড় বেডরুম, দুটি সিঙ্গেল বেডরুম, একটি ড্রইংরুম। আছে দুটি ব্যালকনি এবং একটি বাথরুম। শীতে কটেজের চারপাশ রঙ-বেরঙের ফুলে ভরে ওঠে আর বর্ষায় পানির রাজ্য। রিসোর্টের উঠোনে ইজি চেয়ারে রাতের তারা গুনতে পারেন। দিনে পারেন দেশি নৌকায় পদ্মা বেড়াতে। রিসোর্ট রেস্টুরেন্টে টাটকা ইলিশ পাবেন। শাকসবজি, গরু, মুরগি আর হাঁসের মাংসও পাবেন। মৌসুমি ফলফলাদিও মিলবে। এক দিনে কটেজ ভাড়া (সকাল ১০টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা) দুই হাজার টাকা। ২৪ ঘণ্টার জন্য (সকাল ১০টা থেকে পরদিন সকাল ১০টা) তিন হাজার টাকা। দুপুর বা রাতের খাবারের জন্য খরচ হবে ৩০০ টাকা। ঢাকা থেকে রিসোর্টের দূরত্ব ৪০ কিলোমিটার। মাওয়া ফেরিঘাট থেকে রিসোর্টের নিজস্ব স্পিডবোট আছে। যোগাযোগ : ৮৬২৮৮৭৮,০১৭১২-১৭০৩৩০। http://padmaresort.net/
Mobile:+8801972897787

২৬/ মেঘনা ভিলেজ রিসোর্ট
নামের সঙ্গেই যেহেতু “ভিলেজ” যুক্ত অতএব এই রিসোর্ট গ্রামের মতোই সবুজ শ্যামল হবে, এটাই স্বাভাবিক। আসলেও তাই। মেঘনা রিসোর্ট ভিলেজের অবস্থান মুন্সীগঞ্জ জেলার গজারিয়া উপজেলায়। যা মেঘনা ব্রিজ থেকে এক কিলোমিটার দূরে। এখানে অবকাশ যাপনকারীদের জন্য রয়েছে থাকা-খাওয়া এবং বিনোদনের সব ব্যবস্থা। এখানে রয়েছে এসি-ননএসি উভয় প্রকার ক। আর এখানকার প্রতিটি ঘর একটু ভিন্নভাবে তৈরি করা হয়েছে, যা দেখতে অনেকটাই নেপালি কটেজের মতো। এখানে রয়েছে একটি বড় সবুজ মাঠ। যেখানে ইচ্ছে করলেই খেলাধুলায় মেতে ওঠা যায়। রয়েছে ফুটবল, ক্রিকেট, ব্যাডমিন্টনসহ প্রচলিত বিভিন্ন খেলার সামগ্রী। এখানে যে খাবার পরিবেশন করা হয় সেসব খাবারে ঘরোয়া স্বাদ পাওয়া যাবে নিঃসন্দেহে। রাতের বেলা আরাম কেদারায় বসে চাঁদনী দেখতে চাইলে সেই ব্যবস্থাও রয়েছে। বিশেষ করে জায়গাটি যেহেতু খোলামেলা তাই আকাশ কিংবা চাঁদ দেখা যায় সহজেই।
http://megnavillage.webs.com/
Mobile:+8801972897787

২৭/ ব্লুস্টার রিসোর্ট
দিনের পর দিন ব্যস্ততার পর প্রতিটি মানুষই চায় একটু নির্মল বিনোদন। তাই সবাই ছুটে যাই প্রকৃতির নিবিড় সান্নিধ্যে। সবুজ ঘাসের গালিচায় খালি পা ফেলার অনুভূতি, স্বচ্ছ পানির মাঝে সাঁতার দেয়ার তৃপ্তি, নৌকা ভ্রমণের আনন্দ অথবা ছিপ ফেলে পুকুরে মাছ ধরে কাটাতে চান একটি সুন্দর দিন, তবে ঘুরে আসুন ঢাকার কাছে অপরূপ ব্লুস্টার রিসোর্ট।
মুন্সিগঞ্জের সিরাজদিখানে উপজেলার ইছাপুরার চালতা তলায় ব্লূস্টার রিসোর্টের অবস্থান ।
Mobile:+8801972897787

২৮/ মাওয়া রিসোর্ট
ঢাকা থেকে মাত্র ৩৮ কিলোমিটার দক্ষিণে বিক্রমপুরের লৌহজং উপজেলার মাওয়া ১নং ফেরিঘাট হতে সামান্য দক্ষিণে মাওয়া-ভাগ্যকুল রাস্তার কান্দিপাড়া গ্রামে নির্মিত এ রিসোর্ট সেন্টারটি যেন প্রকৃতির নৈসর্গিক সৌন্দর্যম-িত একটি অন্য রকম পর্যটন কেন্দ্র।। দীঘিতে রয়েছে দুটি বাঁধানো পাকা ঘাট। দীঘিতে ঘুরে বেড়াতে রয়েছে আধুনিক বোট। দীঘির পার ধরে বাম দিকে এগিয়ে গিয়ে আবার ডানে গেলে হাতের বামে পড়বে একটি ক্যাফেটেরিয়া। পর্যটকদের চাহিদামতো খাবার পাওয়া যায় এ ক্যাফেটেরিয়ায়। পুকুরের পূর্ব প্রান্তে পর্যটকদের থাকার জন্য রয়েছে সারি সারি বেশ কয়েকটি কটেজ। পর্যটকদের থাকার জন্য মোট ১১টি কটেজ রয়েছে। ৫টি সিঙ্গেল ৪টি ডাবল ও একটি সুইট রয়েছে এখানে। তবে কটেজে যাবার সময় সাদা আর সবুজ রঙের কাঠের পুলটি পর্যটন কেন্দ্রটির সৌন্দর্য আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। পিকনিক ও ছবির শূটিং করার জন্যও এটি হতে পারে একটি অনন্য স্থান। রিসোর্টের কটেজগুলো ইটের দেয়ালে তৈরি করা হলেও এতে ছাদ না দিয়ে গ্রামের স্বাদ দিতে গোলপাতা দিয়ে তৈরি করা হয়েছে চাল। বাঁশের চটা দিয়ে নানান আলপনা তৈরি করা সিলিং পর্যটকদের মন কেড়ে নেবে। ভেতরে আধুনিক আসবাবপত্র, বাথরুম আর টাইলসের মেঝে দেখে মনে হয় এ যেন কোন ফাইভ স্টার হোটেল।
http://mawaresort.com/home
Mobile:+8801972897787

২৯/ ঘাসবন রিসোর্ট ,কুমিল্লা
ঢাকা থেকে মাত্র ৬০ কি:মি মোটামুটি ১ ঘণ্টা এর পথ । ঢাকা থেকে মেঘনা ব্রিজ এর পর গোমতী ব্রিজ পার হয়ে শহীদনগর নামে একটা জায়গা আছে... ওইখানে ট্রমা সেন্টার এর পাশের রাস্তা দিয়ে চরগোয়ালী গ্রামে। এখানে যেকোন ধরণের হানিমুন ট্যুর , ফ্যামিলি ট্যুর , মিনি পিকনিক ,শুটিং এর জন্য স্পট ভাড়া দেয়া হয়:
যেকোন ধরনের জিজ্ঞাসা ও বুকিং এর জন্য --Mobile:+8801972897787
Nafis Rahman (Ovic) ০১৬৭১০২৫০০৬
01671025006

৩০/ মেঘনা সরোবর রিসোর্ট এন্ড গলফ, চাদপুর
Meghna Shorobor Resort and Golf Course Ltd.
Reservations :Mobile:+8801972897787 +880-1781634094
Meghna Shorobor, Beltoli Bazar
Matlab North, Chandpur
http://meghnashorobor.com/

৩১/ গজনী অবকাশ কেন্দ্র শেরপুর
শেরপুর জেলা শহর থেকে চবি্বশ কিলোমিটার দূরে গারো পাহাড়ের পাদদেশে অপরূপ প্রাকৃতিক সৌন্দর্যমণ্ডিত গজনীতে গড়ে তোলা হয়েছে অবকাশ কেন্দ্র। এটি ঝিনাইগাতি উপজেলার কাংশা ইউনিয়নের গজনীতে অবস্থিত। যাবার পথে রাংটিয়া ছেড়ে কিছু দূর এগোলে দুপাশে গজারি গাছের ছাউনিতে ঢাকা কালো পিচঢালা পথটি সবার মন কাড়বে। এ পথ গিয়ে শেষ হয়েছে একটি হ্রদের সামনে। পাহাড়ি ঝরনার জল আটকিয়ে এখানে তৈরি করা হয়েছে কৃত্রিম হ্রদ। এর মাঝখানে আছে ছোট্ট একটি দ্বীপ। দ্বীপে যেতে হবে দোদুল্যমান ঝুলন্ত সেতু পেরিয়ে। লেকে নৌ-ভ্রমণের জন্য আছে পা চালিত নৌকাসহ ময়ূরপঙ্খী নাও। এখানে দূর পাহাড়ের সৌন্দর্য উপভোগ করতে পাহাড় চূড়ায় নির্মাণ করা হয়েছে পর্যবেক্ষণ টাওয়ার। সিঁড়ি ভেঙে উপরে উঠে যেদিকেই দৃষ্টি যাবে সবুজ আর সবুজ। দূরে পাহাড় চূড়ার সঙ্গে মেঘের মিতালী। এখানকার কৃত্রিম পাতালপথটির নাম পাতালপুরী।

৩২/ লাউচাপড়া জামালপুর
জামালপুর জেলার বকশিগঞ্জের লাউচাপড়ায় অবস্থিত পাহাড়িকা অবকাশ কেন্দ্র। এখানে চারদিকে গারো পাহাড়ের সবুজ বন। পাহাড়ের গা বেয়ে আঁকাবাঁকা একটি সিঁড়ি উঠে গেছে একেবারে চূড়ায়। সেখানে আবার রয়েছে মস্তবড় এক ওয়াচটাওয়ার। দশ-বারোটি সিঁড়ি ভেঙে উপরে উঠলে চারদিকে সবুজ ছাড়া কিছুই আর চোখে পড়ে না। দূরে দেখা যায় ভারতের মেঘালয় রাজ্যের আকাশছোঁয়া সব পাহাড়। চারদিকটা যেন ছবির মতো। এই পাহাড়ি জঙ্গলে আছে নানা জাতের পশু-পাখি। পুরো জায়গাটি অবসর বিনোদন কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তুলেছে জামালপুর জেলা পরিষদ। এ অবসর কেন্দ্রে প্রবেশে কোনো টাকা লাগে না। তবে কোনো বাহন নিয়ে গেলে তার জন্য পার্কিং ফি দিতে হবে। পার্কিং ফি প্রতিটি বাস কিংবা কোস্টারের জন্য ২০০ টাকা, মাইক্রোবাস ১০০ টাকা, জিপ, টেম্পো, কার ৫০ টাকা, বেবি টেক্সি, ঘোড়ার গাড়ি ২০ টাকা, মোটর সাইকেল, ভ্যান গাড়ি ১০ টাকা, রিকশা ৫ টাকা, বাইসাইকেল ২ টাকা। এ ছাড়া লেকে নৌবিহার করতে জনপ্রতি লাগবে ১০ টাকা, ওয়াচ টাওয়ারে উঠতে ৩ টাকা এবং পিকনিক পার্টির রান্নাঘর ও প্রতি চুলা ব্যবহারের জন্য দিতে হবে ৫০ টাকা।
Mobile:+8801972897787

৩৩/ রয়েল রিসোর্ট ধনবাড়ী, টাঙ্গাইল
জমিদারবাড়িতে থাকতে চাইলে যেতে পারেন রয়েল রিসোর্টে। এটি আসলে নবাব নওয়াব আলীর প্রাসাদ। এখানে আছে এলিফ্যান্ট গেট, ৭০০ বছরের পুরনো মসজিদ ও রাবার বাগান। দিঘিতে ভাসতে পারবেন, ঘোড়া নিয়ে ছুট দিতে পারেন। নবাব প্যালেস, ভিলা, কটেজ এবং বাংলো_এ চার ধরনে থাকতে পারেন। প্যালেসে থাকতে খরচ হবে তিন হাজার ৫০০ থেকে সাত হাজার টাকা। ভিলা এবং কটেজে খরচ হবে এক হাজার থেকে দুই হাজার ৫০০ টাকা। বাংলোর ভাড়া দুই হাজার ৫০০ থেকে তিন হাজার টাকা। ঢাকার গাবতলী বা মহাখালী থেকে বাসে টাঙ্গাইলের এলেঙ্গায় যেতে হবে। তারপর টাঙ্গাইল-জামালপুর সড়কে ৫০ কিলোমিটার এগোলে রয়েল রিসোর্টে। যোগাযোগ : Mobile:+8801972897787, ৯১৩০৯০০, .০১৯১১৯৫৬৩৫৭,০১৭৪৯৪১৯৯৪০। http://www.royalresortholidays.com/

৩৪/ যমুনা রিসোর্ট টাঙ্গাইল
ঢাকা থেকে ৯৫ কিলোমিটার এবং টাঙ্গাইল থেকে ১৯ কিলোমিটার দূরে বঙ্গবন্ধু সেতুর কাছেই আধুনিক একটি অবকাশ কেন্দ্র যমুনা রিসোর্ট। রিসোর্টের পশ্চিম পাশে যমুনার তীর ঘেঁষে এখানে আছে সাজানো গোছানো বনভোজন কেন্দ্র। যমুনা রিসোর্টে বনভোজনে যেতে হলে আগে থেকে যোগাযোগ করতে হবে এই নম্বরে_Mobile:+8801972897787, ৮১৪২৯৭১-৩, ০১৭১১৮১৬৮০৭।
http://www.jamunaresortbd.com/

৩৫/ এলেঙ্গা রিসোর্ট : টাঙ্গাইল
রাজধানী ঢাকা থেকে গাড়ি যোগে মাত্র দুই ঘণ্টার পথ। টাঙ্গাইল শহর থেকে সাত কি.মি. উত্তরে এলেঙ্গায় গড়ে উঠেছে ১৫৬.৬৫ হেক্টর জুড়ে এই রিসোর্ট। রিসোর্টের চারপাশজুড়ে বিভিন্ন গাছের সারি। একটা ছায়াঢাকা গ্রামীণ পরিবেশ। সঙ্গে আছে রেস্তোরাঁসহ নানা আধুনিক সুযোগ-সুবিধা। পাঁচটি ভিআইপি এসি স্যুট ছাড়াও আছে ১০টি এসি ডিলাক্স স্যুট, ১৬টি নানা-এসি কক্ষ, পাঁচটি পিকনিক স্পট, সভাকক্ষ, ছোট যাদুঘর ও প্রশিক্ষণ কক্ষ ইত্যাদি। খেলাধুলার জন্য রয়েছে টেনিস, টেবিল টেনিস, ব্যাডমিন্টন কোর্ট। বাড়তি সুযোগ হিসেবে আরও রয়েছে ইন্টারনেট ও টেলিযোগাযোগ ব্যবস্থা ইত্যাদি। ছোটদের বিনোদনের জন্য গড়ে তোলা হয়েছে কিড্স রুম। আছে ঘোড়ায় চড়ার ব্যবস্থা ও হেলথ ক্লাব। বিভিন্ন ধরনের দেশী খাবারের পাশাপাশি রয়েছে চীনা, ভারতীয় ও কন্টিনেন্টাল খাবার। নৌ-ভ্রমণের জন্য রয়েছে ট্রলার, দেশীনৌকা ও স্পিডবোড। কাছেই টাঙ্গাইলের তাঁতিবাজার। ইচ্ছে করলে সেখান থেকে কেনাকাটাও করতে পারেন কোনো পর্যটক। এছাড়া রিসোর্টের নিজস্ব গাড়িতে বেড়ানো যায় করটিয়া জমিদারবাড়ি, মধুপুরের গড় আর ধনবাড়ীর জমিদারবাড়ি।
http://www.elengaresort.com/
Mobile:+8801972897787

৩৬/ পাকশী রিসোর্ট। ঈশ্বরদী, পাবনা
যমুনা সেতু থেকে এক ঘণ্টার পথ পাকশী রিসোর্ট। পদ্মা নদীর পাড়ে ৩৬ বিঘা জমির ওপর এই রিসোর্ট। আছে তিন তলাবিশিষ্ট দুটি আধুনিক ভবন। প্রতিটি কক্ষই শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত। আসবাব অভিজাত, শয়নকক্ষে রয়েছে মখমলের বিছানা। রিসোর্টের "ষড়ঋতু" রেস্টুরেন্টে বাংলাদেশি, ইন্ডিয়ান, চাইনিজ ও থাই ডিশ পাবেন। জুস, বেকারি ও পেস্ট্রিশপও আছে। রিসোর্টের ভেতরে খেলতে পারেন লন টেনিস, বাস্কেট বল, ব্যাডমিন্টন, টেবিল টেনিস, বিলিয়ার্ড ইত্যাদি। ফুলবাগানে হাঁটতে পারেন, সুইমিং পুলে সাঁতার কাটতে পারবেন। ব্যায়ামাগারও আছে। রিসোর্টে আছে দেশি-বিদেশি প্রায় ৪০০ প্রজাতির গাছ। রিসোর্টের একেকটি রুমের ভাড়া চার হাজার টাকা। ঢাকার মহাখালী বা কল্যাণপুর থেকে বাসে পাকশী যাওয়া যায়। পাবনা, কুষ্টিয়া ও নাটোর শহর থেকে রিসোর্ট আধঘণ্টার পথ। যোগাযোগ : Mobile:+8801972897787০১৭৩০৭০৬২৫১, ০১৭৩০৭০৬২৫২। ফোন :০৭৩২-৬৬৩৬৬০। হটলাইন : ০১৭৩০-৭০৬২৫৭।http://www.pakshiresort.net/

৩৭/ অরুনিমা কান্ট্রিসাইড নড়াইল
নড়াইল জেলার কালিয়া উপজেলার মধুমতির তীরে পানি পাড়া গ্রামে প্রায় ৫০ একর জায়গা নিয়ে অরুনিমা কান্ট্রিসাইড রিসোর্ট। আধুনিক বাংলো, চিড়িয়াখানা, পুকুর, লেক, গোলাপ বাগান, বাটার ফ্লাই পার্ক, ছেড়াদ্বীপ, ঘোড়ার গাড়ি, গরুর গাড়ি, গলফ খেলার মাঠসহ আরো অনেক আয়োজন আছে অরুনিমায়। নানান গাছপালার মাঝে এখানে বনভোজন করতে ভালো লাগবে সবার। যোগাযোগ Mobile:+8801972897787, :০১৭১১৪২২২০৩।http://shabaztourism.com/ http://arunimacountryside.com/argc/

৩৮/ চিত্রা রিসোর্ট নড়াইল
নড়াইল শহরের চিত্রা নদীর তীরে অবস্থিত চিত্রা রিসোর্ট। প্রায় সাত বিঘা জায়গাজুড়ে এ রিসোর্টে আছে কটেজ, শিশুপার্ক এবং চিত্রা নদীতে নৌ-ভ্রমণের ব্যবস্থা। বনভোজন, অবকাশ যাপন কিংবা পারিবারিক ভ্রমণের জন্য চিত্রা রিসোর্ট একটি উপযুক্ত জায়গা। যোগাযোগ :+8801972897787, ০১৭১৩০৬৩৬১০।

৩৯/ পানিগ্রাম রিসোর্ট , যশোর
http://www.panigram.com/
সাতছড়ি উদ্যান হবিগঞ্জ, সিলেট
সিলেট বিভাগের হবিগঞ্জ জেলার চুনারুঘাট উপজেলায় সাতছড়ি জাতীয় উদ্যান বনভোজনের জন্য একটি আদর্শ জায়গা। রাজধানী থেকে প্রায় ১৩০ কিলোমিটার উত্তর-পূর্বে অবস্থিত জাতীয় এ উদ্যানটিতে রয়েছে কয়েকটি বনভোজন কেন্দ্র। সঙ্গে সঙ্গে উপভোগ করা যাবে এখানকার নানান জীব বৈচিত্র্য। সাতছড়িতে রয়েছে প্রায় ১৪৯ প্রজাতির পাখি, ২৪ প্রজাতির স্তন্যপায়ী, ১৮ প্রজাতির সরীসৃপ এবং ৬ প্রজাতির উভচর প্রাণী। মুখপোড়া হনুমান, চশমা হনুমান, উলস্নুক, লজ্জাবতী বানর, কুলু বানরের মতো বিরল প্রাণীর দেখা মেলে এ উদ্যানে। এ ছাড়া মায়া হরিণ, খিদির শুকর, বন্য শুকর, বেজি, গন্ধ গোকুল, বনবিড়াল, মেছো বাঘ, কটকটি ব্যাঙ, গেছো ব্যাঙ, গিরগিটি, বিভিন্ন রকম শাপ, গুই সাপ প্রভৃতি রয়েছে এ বনে। ফিঙ্গে, কাঠঠোকরা, মথুরা, বন মোরগ, ধনেশ, লাল ট্রগন, পেঁচা, সুই চোরা এ বনের উলেস্নখযোগ্য পাখি। সাতছড়ি জাতীয় উদ্যানের বনভোজন কেন্দ্র ব্যবহার করতে চাইলে জনপ্রতি ১০ টাকা হিসেবে দিতে হবে। এ ছাড়া কার, জিপ ও মাইক্রোবাস পার্কিং ২৫ টাকা। Mobile:+8801972897787

৪০/ নাজিমগড় রিসোর্ট সিলেট
পাঁচ একর জায়গার ওপর নির্মিত রিসোর্টটি সব বয়সীদের জন্যই উপযোগী। পাহাড়ের ঢেউ দেখার দারুণ জায়গা এটি। ১৫টি কটেজ আছে এখানে। রেস্টুরেন্টে অনেক পদের খাবার পাবেন। রিসোর্টে আছে বিশাল এক বাগান, পিকনিক ও ক্যাম্পিং স্পট। ঘুরে আসতে পারবেন নুড়ি পাথরের রাজ্য জাফলংয়ে। সিলেট শহর থেকে রিসোর্ট বাসে মাত্র ১৫ মিনিটের পথ। কটেজ ভাড়া পাঁচ থেকে ১০ হাজার টাকা। যোগাযোগ : Mobile:+8801972897787, ০১৭১২০২৭৭২২, .০১৭১২৪৯৫৭৯১।
http://www.nazimgarh.com/

৪১/ শ্রীমঙ্গল টি রিসোর্ট মৌলভীবাজার
শ্রীমঙ্গল শহর থেকে তিন কিলোমিটার দূরে এ রিসোর্ট। চা বাগানের মাঝখানে এর অবস্থান। এখানে বাংলোর সংখ্যা ১০টি। বুকিং নিতে হবে কমপক্ষে এক সপ্তাহ আগে। যাঁরা প্রকৃতি ভালোবাসেন, তাঁদের জন্য এটি স্বর্গরাজ্য। সব ধরনের খাবার পাবেন, সঙ্গে পাহাড়ি খাবারও। বাংলো ভাড়া তিন থেকে ছয় হাজার টাকা। রিসোর্টের নিজস্ব গাড়ি শহর থেকে আপনাকে নিয়ে যাবে।
যোগাযোগ :+8801972897787 ০১৭১২৯১৬০০১, ০১৭১২০৭১৫০২

৪২/ জেসটেট হলিডে রিসোর্ট
সিলেট-তামাবিল মহাসড়কের পাশে দেশের প্রথম রিসোর্ট জাকারিয়া সিটি জেসটেট হলিডে রিসোর্ট। এখানে আছে কৃত্রিম হ্রদ, ৫০০ প্রজাতির ১ লাখেরও বেশি গাছগাছালি, স্পোর্টস কমপ্লেক্স, টেনিস কোর্ট, লং টেনিস কোর্ট, জিমনেশিয়াম ও অডিটরিয়াম।
জাকারিয়া সিটি জেসটেট হলিডে রিসোর্টের সহকারী ব্যবস্থাপক ইকবাল করিম মজুমদার বলেন, তাদের ৪৭টি কক্ষের ৯০ শতাংশ ১ থেকে ৪ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বুকিং হয়ে গেছে। এ রিসোর্টে প্রতি রাত থাকার জন্য খরচ পড়বে সাড়ে ৩ হাজার থেকে ১০ হাজার টাকার মধ্যে।জেসটেট হলিডে রিসোর্ট
Mobile:+8801972897787, (০৮২১-২৮৭০০৪০) ০৮২১-২৮৭০৭৬০ http://zastatholidayresort.com/go.html

৪৩/ জৈন্তা হিল রিসোর্ট, সিলেট
http://jaintiaresort.com/
আমতলী নেচার রিসোর্ট শ্রীমঙ্গল,মৌলভীবাজার
আমতলী নেচার রিসোর্ট ঠিক এমনই এক সবুজে ঘেরা জায়গা। ঢাকা থেকে মাত্র চার ঘণ্টার দূরত্বে মৌলভীবাজার জেলার শ্রীমঙ্গল থানার খুব কাছেই আমতলী চা বাগান। আর এই চা বাগানেই রয়েছে একটি দারুণ রিসোর্ট। একদিকে চা বাগান, অন্যদিকে রবারের বন_ এই দুয়ে মিলে তৈরি হয়েছে এক নৈসর্গিক পরিবেশ, যা আপনাকে মুহূর্তে ভুলিয়ে দেবে যান্ত্রিক জীবনের ক্লান্তি। স্বল্প পরিসরে তৈরি এই রিসোর্টটিতে রয়েছে থাকা-খাওয়ার আধুনিক সব ব্যবস্থা। দিনের বেলা বেড়ানোর জন্য বেছে নিতে পারেন আশপাশের চা বাগান, বন্যপ্রাণীদের সাহচর্য, সীতেশ বাবুর চিড়িয়াখানা, বাইক্কা বিলের অপূর্ব সৌন্দর্য আর সেই সঙ্গে জিভে জল আনা সব খাবার, এর সঙ্গে রাতে চাঁদের আলোয় বারবিকিউ পার্টি_ সব মিলিয়ে আপনার ছুটির দিন হয়ে উঠতে পারে অনেক বেশি আনন্দময় ও উত্তেজনাপূর্ণ। বছরের সব ঋতুতেই আপনি যেতে পারেন আমতলী। এদিক-ওদিক যাওয়ার জন্য প্রয়োজনে বাগান কর্তৃপক্ষ আপনাকে গাড়ির ব্যবস্থা করে দেবে। নিঃসন্দেহে বলা যেতে পারে, ভ্রমণপিপাসুদের মন জয় করে নিতে পারে আমতলী নেচার রিসোর্ট।
Mobile:+8801972897787

৪৪/ মৌ ভ্যালি পর্যটন ও পিকনিক স্পট
শ্রীমঙ্গল-মৌলভীবাজার সড়ক ধরে যে কোন যানবাহনে মৌলভীবাজার থেকে ৫ কিলোমিটার এবং শ্রীমঙ্গল শহর থেকে ১৫ কিলোমিটার অদূরে অবস্থিত মোকাম বাজার। বাজারের ভেতর দিয়ে দেওরাছড়া-কমলগঞ্জ সড়কের প্রায় অর্ধ কিলোমিটার সামনে এগোলেই প্রেমনগর চা বাগান। এ চা বাগান সংলগ্ন্ন এলাকায় পাহাড়ি টিলায় ২ হাজারের অধিক বৃক্ষবেষ্টিত নয়নাভিরাম বিশাল এলাকাজুড়ে পর্যটন ও পিকনিক স্পট মৌ ভ্যালির অবস্থান। সবুজ প্রকৃতিকে নিবিড়ভাবে উপভোগ করতে এখানে গড়ে তোলা হয়েছে পর্যটননির্ভর নানাবিদ অবকাঠামো। সাজানো রয়েছে শিশুদের মনোরঞ্জনের জন্য বিভিন্ন খেলনার সামগ্রী দিয়ে। বিশাল টিলাঘেরা এ স্পটটির প্রতিটি গাছ সাজানো হয়েছে রঙিন করে। গাছনির্ভর এ স্পটটিতে গাছের ওপরে, তাঁবুতে এবং বিশেষ কাগজের তৈরি কটেজে থাকার ব্যবস্থাও রয়েছে। স্পটটিতে আছে পাকা কটেজও।
Mobile:+8801972897787

৪৫/ শান্তি বাড়ী ইকো কটেজ
রাধানগর শ্রীমঙ্গল, মৌলভীবাজার
https://www.facebook.com/shantibari
দুসাই হোটেল অ্যান্ড রিসোর্ট লিমিটেড মৌলভীবাজার
একটি অত্যাধুনিক, অভিজাত, বিলাসবহুল পাঁচ-তারকা ইকো রিসোর্টের জন্য বাংলাদেশের এখন সময়ের অপেক্ষা মাত্র। এটিই হতে যাচ্ছে দেশের প্রথম সত্যিকারের ইকো-বুটিক রিসোর্ট। দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় বিভাগ সিলেটের চিরহরিৎ অঞ্চলেই গড়ে উঠছে এই রিসোর্ট। কাজ শুরু হয়ে গেছে গত মার্চ থেকে। ২০১২ অক্টোবরে আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হবে এমনটাই প্রত্যাশা আয়োজকদের।
[img=http://dusairesorts.com/]দুসাই রিসোর্ট
Mobile:+8801972897787

৪৬/ রেইন ফরেস্ট রিসোর্ট , শ্রীমঙ্গল
http://www.srimangal-rainforestresort.com/
rangautiresort
http://rangautiresortbd.com/web/
অ্যামাজন ফরেস্ট রিসোর্ট
অ্যামাজন ফরেস্ট রিসোর্ট নতুন এ রিসোর্ট চালু হয়েছে সিলেটের শ্রীমঙ্গলে। যেকোনো বাংলা খাবার পাবেন এখানে। চা-বাগানে বেড়ানোর পাশাপাশি পাহাড়ের কোলে অবকাশে আপনার আনন্দের মাত্রা বাড়িয়ে দেবে।Mobile:+8801972897787 ফোন: ০১৭১৭৫৪০৮২০

৪৭/ গ্র্যান্ড সুলতান টি রিসোর্ট অ্যান্ড গলফ
শ্রীমঙ্গল-ভানুগাছ সড়কের পাশে শ্রীমঙ্গল শহর থেকে প্রায় ৪ কিলোমিটার দূরে রাধানগর এলাকায় ১৪ একর উঁচু-নিচু টিলাভূমির ওপর এ রিসোর্ট গড়ে তোলা হচ্ছে। এক্সার্শন অ্যান্ড রিসোর্টস বাংলাদেশ লিমিটেড বিলাসবহুল এ পাঁচ তারকা হোটেল ও রিসোর্টটি নির্মাণ করছ
http://www.grandsultanresort.com/
Mobile:+8801972897787

৪৮/ শুকতারা নেচার রিসোর্ট
শুকতারা নেচার রিসোর্ট সিলেটের খাদিমনগরে গড়ে উঠেছে শুকতারা নেচার রিসোর্ট। পাহাড় আর জঙ্গল মিলেমিশে আছে এখানে। ঘরে বসেই উপভোগ করা যাবে পাহাড়ের মোহনীয় রূপ। ওয়েব: http://www.shuktararetreat.com
নিসর্গ ইকো রিসোর্ট , শ্রীমঙ্গল
http://nishorgocottage.com/
Mobile:+8801972897787

৪৯/ প্রজাপতি পার্ক /রিসোর্ট , চট্টগ্রাম
দেশের প্রথম প্রজাপতি পার্ক চট্টগ্রামে, নগরীর পতেঙ্গা নেভাল একাডেমি রোডে ছয় একর জমির ওপর প্রতিষ্ঠিত পার্কটি।চট্টগ্রামের উত্তর পতেঙ্গায় কর্ণফুলী মোহনায় নির্মিত হয়েছে এই বাটারফ্লাই পার্কটি। আজ থেকে তিন বছর আগে এয়ারপোর্ট সংলগ্ন প্রায় ৬ একর ভূমিতে নান্দনিক পরিবেশে প্রজাপতি পার্কটির যাত্রা শুরু করেছে।
http://www.bangladeshbutterflypark.com.bd/
Mobile:+8801972897787

৫০/ ফয় স লেক রিসোর্ট চট্টগ্রাম
ভ্রমণপ্রিয় মানুষের কাছে অত্যন্ত প্রিয় একটি স্থান ফয় স লেক। একটু অবসর পেলেই সেখানে ছুটে যান বিনোদনপ্রেমীরা। তাদের সেবায় ফয় স লেক কর্তৃপ প্রদান করে থাকে বেশকিছু সুযোগ-সুবিধা। যেমন শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত ক, রঙিন ক্যাবল টেলিভিশন, রেস্টুরেন্ট, ক্রেডিট কার্ড সুবিধা, টেলিফোন, এটাচ বাথরুম, রুম সার্ভিস, গাড়ি পার্কিংয়ের সুবিধা, কেনাকাটা সুবিধা ইত্যাদি। ফয় স লেকে সাধারণত বিনোদনের জন্যই যাওয়া হয়। তাই বিনোদনের জন্য যা যা দরকার তার প্রায় সবই রয়েছে সেখানে। যেমন সেখানে রয়েছে মজার মজার সব রাইড। এ রাইডে ছোট বড় সবাই চড়তে পারে। রয়েছে বার্বিকিউ নাইটস, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের ব্যবস্থা, লেকে নৌকা ভ্রমণ করার সুযোগ। এছাড়া প্রতিদিন স্বনামধন্য শিল্পীদের পরিবেশনায় জমকালো সঙ্গীতানুষ্ঠান তো থাকছেই। Mobile:+8801972897787

৫১/ চট্টগ্রামে ঠান্ডছড়ি রিসোর্ট , চট্টগ্রাম
চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন নগরীর দক্ষিণ পাহাড়তলী ওয়ার্ড এলাকায় নতুন একটি রিসোর্ট ও পিকনিক স্পট প্রতিষ্ঠা করেছে। এর নাম দেয়া হয়েছে ঠান্ডছড়ি রিসোর্ট ও পিকনিক স্পট।
দক্ষিণ পাহাড়তলীর ঠান্ডছড়িতে প্রায় ১০ একর জমি নিয়ে পর্যটকদের জন্য নতুন এ স্পটটি প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে।
Mobile:+8801972897787

৫২/ কাপ্তাই নেভি ক্যাম্প রিসোর্ট , কাপ্তাই, রাঙামাটি
টুক টুক রিসোর্ট রাঙামাটি
পাহাড় ঘেরা টুক টুক রিসোর্ট আপনার মন কেড়ে নেবে দ্রুত। কটেজ আছে চারটি। লোকেশনের ওপর কটেজের ভাড়া নির্ভর করে ৮০০ থেকে এক হাজার টাকা। রেস্টুরেন্টে পাহাড়ি খাবারও পাবেন। এখান থেকে সুবলং ঝরনা ও পেদা টিং টিং রেস্টুরেন্ট কাছে। রাঙামাটি সদরের রিজার্ভ বাজার গিয়ে ইঞ্জিনবোটে বালুখালী ঘাটে নামতে হবে। রিসোর্ট ঘাটেও নামতে পারেন। যোগাযোগ :
Mobile: +8801972897787, ০১৫৫৬৬৪৩১২৮।

৫৩/ নীলগিরি রিসোর্ট বান্দরবান
শহর থেকে ৪৭ কিলোমিটার দূরে চিম্বুক পাহাড়ের মাথায় নীলগিরি রিসোর্ট। এ রিসোর্টে আপনি মন উজাড় করা দুটি জিনিস পেয়ে যাবেন। একটি পাহাড়, অন্যটি সবুজ বনানী। আশপাশে বৌদ্ধমন্দির এবং ঝরনাও পাবেন। পাহাড়ি খাবারও পাবেন। কটেজ ভাড়া পাঁচ হাজার থেকে আট হাজার টাকা। সেনাবাহিনী পরিচালিত রিসোর্টটিতে থাকার জন্য বান্দরবান ডিসি অফিসে যোগাযোগ করতে হবে।nilgiriresort.com
Mobile:+8801972897787

৫৪/ গিরিছায়া গার্ডেন রিসোর্ট :বান্দরবান
বান্দরবানে পর্যটন শিল্পের বিকাশে প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের সাথে যুক্ত হলো শৈল্পিক ছোঁয়া। জেলা শহরের টাউনহল সংলগ্ন পুলিশ কোয়ার্টারের একখন্ড জমিতে পুলিশ প্রশাসনের অর্থায়নে নির্মাণ করা হয়েছে গিরিছায়া গার্ডেন রিসোর্ট।রিসোর্ট বুকিং দিতে হলে বান্দরবান পুলিশ সুপার অফিসের সাথে যোগাযোগ করতে হবে।।http://girichayagardenresort.wordpress.com/
Mobile:+8801972897787

৫৫/ হিল সাইড রিসোর্টঃ বান্দরবান
বান্দরবান জেলা থেকে ৪.২ কিঃমিঃ দূরে চিম্বুক সড়কের মিলনছড়িতে রয়েছে দি গাইড টু্রস লিঃ

Address

Dhaka
1222

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Weekend Fun - ছুটির মজা posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Weekend Fun - ছুটির মজা:

Share

Category