Scorpions Traveller

Scorpions Traveller Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Scorpions Traveller, Tourist Information Center, Dhaka.

স্কুলিং ভিসায় CANADA তে যারা যেতে আগ্রহী তারা যেকোন ধরনের পরামর্শের জন্য ইনবক্সে যোগাযোগ করতে পারেন। স্কুলিং ভিসায় শিক্ষ...
09/11/2021

স্কুলিং ভিসায় CANADA তে যারা যেতে আগ্রহী তারা যেকোন ধরনের পরামর্শের জন্য ইনবক্সে যোগাযোগ করতে পারেন। স্কুলিং ভিসায় শিক্ষার্থীর সাথে বাবা ও মা যেতে পারবে। বয়সসীমা ১৮ বছরের নীচে এবং কেজি থেকে এ লেভেল পর্যন্ত আবেদন করতে পারবেন।

 ুরিষ্ট (B1-B2) ভিসাঃ আজকে আমরা জানবো কিভাবে ইউএস টুরিষ্ট নিজেই নিজেরটা করবো। প্রথমে জেনে নেই কয়টা ধাপে ভিসা প্রক্রিয়াটা...
11/02/2020

ুরিষ্ট (B1-B2) ভিসাঃ

আজকে আমরা জানবো কিভাবে ইউএস টুরিষ্ট নিজেই নিজেরটা করবো।

প্রথমে জেনে নেই কয়টা ধাপে ভিসা প্রক্রিয়াটা সম্পন্ন হবে -

১। স্টুডিওতে গিয়ে ছবি তুলা।
২। DS-160 ফর্ম পূরণ করা।
৩। ভিসা ফি ব্যাংক জমা দেয়া।
৪। সাক্ষাৎকারের জন্য এপোয়েন্টমেন্ট নেয়া।
৫। বায়োমেট্রিক বা ফিঙ্গারপ্রিন্ট নেয়া।
৬। সাক্ষাৎকার প্রদান।

আমরা ছয়টি ধাপ জানলাম এবার প্রতিটি ধাপ কিভাবে সম্পন্ন করবেন তা জেনে নেই-

১। যেকোন ভালো স্টুডিওতে গিয়ে আপনি ইউএস ভিসার জন্য ছবি তুলবেন বললেই তারা তুলে দিবে। সেটা স্টুডিওগুলো সাধারণত জানে তারপরও আপনি জেনে রাখলে ভালো। আপনাকে ২ বাই ২ ইঞ্চি ছবি তুলতে হবে যার ব্যাকগ্রাইন্ড হবে সাদা। ছবির তুলার পর যদি স্টুডিওতে থাকে অথবা যেকোন স্থান থেকে স্ক্যান করে আপনার মেইল বা পেনড্রাইভে সংরক্ষণ করে নিবেন, কেননা অনলাইনে এপ্লিকেশনের সময় আপনাকে এপ্লিকেশনের এটাচ করতে হবে। ছবির সাইজ অবশ্যই যেন ২০৪ কেবির বেশী না হয়।

এই লিঙ্কে আপনি ছবি সম্পর্কে আরো বিস্তারিত জানতে পারবেনঃ https://travel.state.gov/content/travel/en/us-visas/visa-information-resources/photos/photo-examples.html

২। এবার অনলাইনে আপনাকে DS-160 ফর্ম পূরণ করতে হবে। ফর্ম পূরণ করার সময় আপনি একটি এপ্লিকেশন আইডি পাবেন, সেটা সংরক্ষণ করবেন। কেননা ফর্ম আপনি যেকোন তথ্য না জানা থাকলে যেন পরবর্তীতে আবার পূরণ করতে পারেন। ফর্ম পূরণ করার জন্য যেসব তথ্য প্রয়োজন তা আপনি আপনার নিজের পাশপোর্ট, এনআইডি কাছে রাখলেই হবে, এছাড়া আপনার বাবা-মা, বিবাহিত হলে স্বামী/স্ত্রী'র এবং সন্তান থাকলে তাদের প্রয়োজনীয় কাগজপত্রীদি যেমন- পাশপোর্ট, এনআইডি, অফিস আইডি অথবা স্কুল আইডি সাথে রাখবেন। কোন তথ্য তৎক্ষণাৎ না পেলে এপ্লিকেশন কন্টিনিউ করে রাখবে আবার পরে সেটা জেনে পূরণ করবেন সঠিক টা। ইউএসতে অবস্থান করেন এমন একজন যিনি আপনার পরিচিত তার নাম, ফোন নাম্বার, ঠিকানা এবং ইমেইল নাম্বার এর প্রয়োজন পড়বে, যিনি আপনাকে একটি সাদা কাগজে ইনভাইটেশন লেটার পাঠাবেন। ইনভাইটেশন লেটারের ফরমেট লিঙ্কঃ https://drive.google.com/open?id=1iZrylFTVgpaw-g-CXu9oRxPHMDSAgaDD

ফর্ম পূরণ করার পর আপনি একটি কনফার্মেশন পাবেন যা প্রিন্ট করে রাখতে হবে।

৩। এবার আপনার ব্যাংক ফি জমা দিতে, যা শুধু বাংলাদেশে একমাত্র ইবিএল ব্যাংকই জমা দিয়ে থাকে। তাদের যেকোন ব্রাঞ্চেই আপনি জমা দিতে পারবেন। জমা দেয়ার সময় আপনাকে আরো একটা কাজ করতে হবে অনলাইন তা হলো https://cgifederal.secure.force.com/ - এই লিঙ্কে আপনার একটা প্রফাইল ক্রিয়েট করতে হবে এবং ধাপে ধাপে সব ইনফো পূরণ করার পর আপনার ব্যাংক ফি'র জন্য একটা পেইজ আসবে যেখান থেকে আপনি ক্লিক করে একটা ডক পাবেন যা প্রিন্ট আউট করে পূরণ করে ব্যাংকে যাওয়ার পর ব্যাংক রশিদ পূরণ করে জমা দিতে হবে। দেয়ার ২৪ ঘণ্টার মধ্যে আপনি একটা মেইল পাবেন যে আপনার MRV FEE জমা হয়েছে। মেইলে আসা নাম্বারটা আপনাকে আবার প্রফাইলে ব্যাংক ফি'র পেইজে একটা শূন্যস্থান পাবেন সেখানে লিখে কন্টিনিউ করলেই আপনি ক্যালেন্ডার পাবেন যা থেকে আপনাকে ডেট কনফার্ম করে এপোয়েন্টমেন্ট নিয়ে আপনাকে সেই ডেটে এমব্যাসিতে যেতে হবে।

এবার আসি আপনি কি কি কাগজপত্র আপনার সাথে নিবেন।
১। ছবি
২। DS-160 এপ্লিকেশন কনফার্মের লেটার।
৩। ব্যাংক রশিদ।
৪। প্রফাইলে ব্যাংক ফি এবং এপোয়মেন্ট নেবার পর আপনি আরো একটি কনফার্মেশন লেটার পাবেন, তা নিতে হবে।
৫। ইউএস থেকে মেইলের মাধ্যমে আসা ইনভাইটেশনের কপি, আমন্ত্রণদাতার ব্যাংক স্টেটম্যান্ট, সোশ্যাল কার্ড, পার্শপোর্টের কপি। আপনার প্রফেশনাল সব ধরণের কাগজপত্র, ব্যাংক স্টেষ্টমেন্ট (ব্যাক্তিগত), শেষ ৩ বছরের ট্যাক্স রিটার্ন (ব্যাক্তিগত), চাকুরীজীবী হলে ছুটির দরখাস্ত, বেতনের পে-স্লিপ, ব্যাক্তিগত আইডেন্টিটির কাগজপত্র, যদি হোটেলে উঠেন তাহলে হোটেলের বুকিং, ফ্লাইট বুকিং।

যেকোন দেশের যেকোন ভিসা সম্পর্কিত সহযোগিতার জন্য যোগাযোগ করতে পারেন -

বদ্বীপ
বাড়ি - ৪৮৫, রোড - ৭, এভিনিউ - ৬, মিরপুর ডিওএইচএস, ঢাকা।
ফোন - ০১৬৭০১৫২৫৬২

আজকের আলোচনার বিষয় থাকছে  #থাইল্যান্ড এর টুরিস্ট ভিসার উপরে। থাইল্যান্ড ভিসা করা খুবই সহজ আবার খুবই ঝামেলারও। আপনি যদি ন...
11/12/2019

আজকের আলোচনার বিষয় থাকছে #থাইল্যান্ড এর টুরিস্ট ভিসার উপরে।

থাইল্যান্ড ভিসা করা খুবই সহজ আবার খুবই ঝামেলারও। আপনি যদি নিজেই জমা দিতে চান সেক্ষেত্রে সকাল ৬/৭টার দিকে ভিএফএস এর সামনে গিয়ে ২/৩ ঘণ্টা দাঁড়িয়ে থাকতে হবে। আবার অনেক ট্র্যাভেল এজেন্সি আছে যারা খুবই অল্প টাকার বিনিময়ে ভিসা করিয়ে দেয়। সেক্ষেত্রে আপনার কিছু কাগজপত্র নিজে থেকে করতে হয় না তারাই করে দেয়, কভার লেটার, আপ-ডাউন টিকেট এবং আইটেনারি।

এবার আসি আপনার কি কি কাগজপত্র লাগবে থাইল্যান্ডের জন্যঃ

১। স্বাক্ষর এবং পূরণকৃত ভিসা এপ্লিকেশন ফর্ম
( ফরম ডাউনলোড লিঙ্কঃhttps://www.vfsglobal.com/Thailand/Bangladesh/pdf/New_Visa_Application_Form_1.3.2013.pdf )
২। পাসপোর্ট (অবশ্যই মনে রাখবেন যেকোন দেশের ভিসা এপ্লিকেশনের জন্য মিনিমাম পাশপোর্টের ৭/৮ মাস থাকতে হয়)।
৩। পাসপোর্টের ইনফো পেইজের ফটোকপি এবং পুর্বে যদি থাইল্যান্ড যাওয়া থাকে থাকে সেই ভিসার ফটোকপি।
৪। ৩৫এম*৪৫এম সাইজের ২ কপি পাসপোর্ট সাইজ ছবি। ছবির ক্ষেত্রে একটা বিষয় সময় মনে রাখতে হবে ছবি সদ্য তোলা হতে হবে এবং যদি পুরাতন ছবি দেনও সেটা যেন অন্য কোন ভিসায় না লাগানো থাকে।
৫। ৬ মাসের ব্যাংক স্টেটমেন্ট এবং ব্যাংক সলভেন্সি সার্টিফিকেট। ব্যাংক এ অবশ্যই ৭০/৮০ হাজার টাকা জমা থাকতে হবে স্টেটম্যান্ট তোলাকালীন সময়ে, ফ্যামিলি হলে ১ লাখ ৫০ হাজার বা অধিক।
৬। কভার লেটারঃ ব্যবসায়ীদের ক্ষেত্রে কোম্পানি প্যাডে প্রিন্ট করতে হবে
৭। ট্র্যাভেল আইটেনারি
৮। হোটেল বুকিং
৯। চাকরিজীবিদের ক্ষেত্রে করলে এওসি এবং ব্যবসায়ীদের ক্ষেত্রে ট্রেড লাইসেন্স এর ট্রান্সলেট কপি।
১০। ভিজিটিং কার্ড।
১১। ন্যাশনাল আইডি কার্ডের ফটোকপি।

এর বাইরেও আরো কিছু কাগজপত্র লাগবে আপনার যদি ফ্যামিলি ভ্রমন হয়, সেক্ষেত্রে আপনাকে ম্যারিজ সার্টিফিকেট, সন্তানদের ক্ষেত্রে বার্থ সার্টিফিকেট দিতে হবে।

ইন্ডিয়ান ভিসা পর্ব - ২ এবারের পর্বঃ কিভাবে নিজের মেডিক্যাল ভিসা নিজেই করবেন গত পর্বে ছিলো কিভাবে ইন্ডিয়ার ভিজিট ভিসা নিজ...
23/11/2019

ইন্ডিয়ান ভিসা পর্ব - ২

এবারের পর্বঃ
কিভাবে নিজের মেডিক্যাল ভিসা নিজেই করবেন

গত পর্বে ছিলো কিভাবে ইন্ডিয়ার ভিজিট ভিসা নিজেই নিজেরটা করবেন। আজকে থাকছে কিভাবে মেডিক্যাল ভিসা নিজেই করবেন।

মেডিক্যাল ভিসার ক্ষেত্রে অবশ্যই রোগীর সাথে আরেকজনের ভিসার প্রয়োজন হয় যিনি রোগীর রক্তের সম্পর্কের। যদি ভিসা থেকে থাকে তাহলে মেডিক্যাল এটেনডেন্স ভিসার প্রয়োজন হবে না।

প্রথমে আসি আপনার কি কি কাগজপত্র জমা দিতে হবে ভিসার জন্যঃ

১। এক কপি ২X২ সাইজের সদ্য তোলা ছবি অথবা যেকোন স্টুডিওতে গিয়ে বললেই হবে ইন্ডিয়ান ভিসা আবেদন সাইজের ছবি।
২। আপনার ন্যাশনাল আইডি কার্ড (এনআইডি) বা জন্ম নিবন্ধনের ফটো কপি।
৩। বর্তমানে আপনি যেখানে থাকেন সেখানকার বিদ্যুৎ বিলের কপি অথবা যাদের প্রি-পেইড মিটার তাদের মিটারের কার্ডের ফটোকপি।
৪। আপনার ব্যাংকে একাউন্ট থাকলে মিনিমাম ৫০০০০টাকা রেখে ৬ মাসের ষ্টেটমেন্ট এবং ব্যাংক সলভেন্সি।
৫। আপনার পেশার পরিচয় পত্র
৬। চাকুরীজীবী হলে এনওসি সার্টিফিকেট।
৭। পাসপোর্টের ফটোকপি এবং পুর্বের ভিসা থাকলে তার ফটোকপি
৮। বাংলাদেশে চিকিৎসার জন্য যে ডাক্তার দেখিয়েচন তার বা তাদের প্রেসক্রিপশন, যে সব মেডিক্যাল রিপোর্ট আসে সেগুলোর ফটোকপি এবং অরিজিলান
৯। ইন্ডিয়ার যে ডাক্তার/হসপিটাল এ দেখাবেন সেখান থেকে আমন্ত্রণ পত্র।

১ থেকে ৮ পর্যন্ত কাগজপত্র গুলো সবার কাছে থাকে তাই সেগুলো যোগাড় করা বড় কোন সমস্যা নয়। হাতে থাকলো ইন্ডিয়া থেকে আমন্ত্রণ পথ আনা। এটা খুবই সহজ একটা পন্থা। প্রথমে আপনি জানুন কোথায় আপনি আপনার চিকিৎসা করাবেন। এটাও হয়ত অনেকে জানেন না আসলে কোন ধরণের রোগের জন্য কোথায় ভালো চিকিৎসা হয়। ভালো চিকিৎসা সেবার জন্য ভারতে রয়েছে - Fortis Escorts Heart Institute, Narayana Institute of Cardiac Sciences, Christian Medical College (CMC), Apollo Hospitals, Manipal Hospitals, Tata Memorials, Sankara Netralaya, BLK, Lilabati Hospital, Ambani Hospital ইত্যাদি।

আপনার পছন্দমতো যে হসপিটালে ডাক্তার দেখাতে চান তাদের ওয়েব সাইটে ঢুকে তাদের মেইল এড্রেস নিয়ে তাদের মেইল দিবেন যে আপনি এই এই সমস্যায় আছে, তাই আপনি তাদের ওখানে ডাক্তার দেখাতে চান। আপনাকে তার রিপ্লাই দিবে। তারা আপনাকে বর্তমানে যে ডাক্তার দেখাচ্ছেন যে যেসব মেডিক্যাল ডায়াগনিষ্টিক করেছে তার রিপোর্ট চাইবে। সেক্ষেত্রে রিপোর্টগুলো স্ক্যান করে মেইল করে পাঠালে তারা ডাক্তারের এপোয়ন্টমেন্টসহ আমন্ত্রণ পত্র পাঠাবে।

এবার আসি উপরোক্ত কাগজ পত্র যোগাড় পর আপনাকে কি করতে হবে -

১। স্টুডিও থেকে তুলে আনা ছবিটাকে স্ক্যান করে কম্পিউটারে রাখা।
২। https://indianvisa-bangladesh.nic.in/visa/ এই সাইটে গিয়ে ভিসা আবেদনের ফর্ম পুরন করতে হবে, এই কাজটি আপনি নিজেই করতে পারবেন চাইলে। যত্ন সহকারে প্রতিটি প্রশ্নের উত্তর লিখবেন। ফর্ম পুরন করার পর সেটি প্রিন্ট আউট করবেন এবং উপরে ছবি লাগানোর স্থানে ছবি লাগাবেন, এরপর ছবির নিচে এবং ফর্মের দ্বিতীয় পাতার একদম নীচে স্বাক্ষর করা স্থানে স্বাক্ষর করা।
৩। ভিসা আবেদনের জন্য ফি ৮০০ টাকা জমা দিবেন। সেটা আপনি নিজেই https://payment.ivacbd.com/ এই সাইট গিয়ে সঠিক ইনফোগুলো পুরন করে আপনার ব্যাংকের কার্ড বা বিকাশের মাধ্যমে দিতে পারবেন।
এবার উপরের উল্লেখিত কাগজপত্র এবং ফর্ম নিয়ে নির্ধারিত ভিসা সেন্টারে গিয়ে জমা দিয়ে আসা। মনে রাখবেন ভিসা সেন্টারে কোন ধরনের মোবাইল এবং মানিব্যাগ ব্যাতিত অন্যকোন ব্যাগ নেয়া যাবে। চেষ্টা করবেন শুধু কাগজপত্র ছাড়া অন্য কোন কিছুই না নেওয়ার।

যেকোন ধরনের সহযোগিতার জন্য যোগাযোগ করতে পারেন -
বদ্বীপ
বাড়ি - ৪৮৫, রোড - ৭, এভিনিউ - ৬, মিরপুর ডিওএইচএস, ঢাকা।
ফোন - ০১৭৫৫৩০৬০২১

পরের পর্বে পাবেন ট্রানজিট ভিসা নিয়ে বিস্তর আলোচনা।

ইন্ডিয়ান ভিসা পর্ব - ১এবারের পর্বঃ ভারতীয় ভিসা (টুরিষ্ট) কিভাবে করবেনকম খরচে ভারতের সুন্দর সুন্দর জায়গায় ঘুরতে যাওয়া যায়...
13/11/2019

ইন্ডিয়ান ভিসা পর্ব - ১

এবারের পর্বঃ
ভারতীয় ভিসা (টুরিষ্ট) কিভাবে করবেন

কম খরচে ভারতের সুন্দর সুন্দর জায়গায় ঘুরতে যাওয়া যায়, তাই এখন সবাই ভারত ভ্রমনে যেতে চান কিন্তু নির্দেশনার অভাবে অনেকের ভিসা প্রত্যাখান হয় আবার অনেকে ভিসা করার জন্য সঠিক পথ খুজে পান না। আমার আজকের এই পোষ্টটি তাদের জন্য।

প্রথমে আসি কি কি কাগজপত্র জমা দিতে হবে আপনাকে ভিসার জন্য -

১। এক কপি ২X২ সাইজের সদ্য তোলা ছবি অথবা যেকোন স্টুডিওতে গিয়ে বললেই হবে ইন্ডিয়ান ভিসা আবেদন সাইজের ছবি।
২। আপনার ন্যাশনাল আইডি কার্ড (এনআইডি) বা জন্ম নিবন্ধনের ফটো কপি।
৩। বর্তমানে আপনি যেখানে থাকেন সেখানকার বিদ্যুৎ বিলের কপি অথবা যাদের প্রি-পেইড মিটার তাদের মিটারের কার্ডের ফটোকপি।
৪। আপনার ব্যাংকে একাউন্ট থাকলে মিনিমাম ২০০০০টাকা রেখে ৬ মাসের ষ্টেটমেন্ট অথবা অনুমোদিত ব্যাংক থেকে ১৫০ ডলার এন্ড্রোসমেন্ট।
৫। আপনার পেশার পরিচয় পত্র
৬। চাকুরীজীবী হলে এনওসি সার্টিফিকেট।
৭। পাসপোর্টের ফটোকপি এবং পুর্বের ভিসা থাকলে তার ফটোকপি

এবার আসি উপরোক্ত কাগজ পত্র যোগাড় পর আপনাকে কি করতে হবে -

১। স্টুডিও থেকে তুলে আনা ছবিটাকে স্ক্যান করে কম্পিউটারে রাখা।
২। https://indianvisa-bangladesh.nic.in/visa/ এই সাইটে গিয়ে ভিসা আবেদনের ফর্ম পুরন করতে হবে, এই কাজটি আপনি নিজেই করতে পারবেন চাইলে। যত্ন সহকারে প্রতিটি প্রশ্নের উত্তর লিখবেন। ফর্ম পুরন করার পর সেটি প্রিন্ট আউট করবেন এবং উপরে ছবি লাগানোর স্থানে ছবি লাগাবেন, এরপর ছবির নিচে এবং ফর্মের দ্বিতীয় পাতার একদম নীচে স্বাক্ষর করা স্থানে স্বাক্ষর করা।
৩। ভিসা আবেদনের জন্য ফি ৮০০ টাকা জমা দিবেন। সেটা আপনি নিজেই https://payment.ivacbd.com/ এই সাইট গিয়ে সঠিক ইনফোগুলো পুরন করে আপনার ব্যাংকের কার্ড বা বিকাশের মাধ্যমে দিতে পারবেন।

এবার উপরের উল্লেখিত কাগজপত্র এবং ফর্ম নিয়ে নির্ধারিত ভিসা সেন্টারে গিয়ে জমা দিয়ে আসা। মনে রাখবেন ভিসা সেন্টারে কোন ধরনের মোবাইল এবং মানিব্যাগ ব্যাতিত অন্যকোন ব্যাগ নেয়া যাবে। চেষ্টা করবেন শুধু কাগজপত্র ছাড়া অন্য কোন কিছুই না নেওয়ার।

যেকোন ধরনের সহযোগিতার জন্য যোগাযোগ করতে পারেন -

বদ্বীপ
বাড়ি - ৪৮৫, রোড - ৭, এভিনিউ - ৬, মিরপুর ডিওএইচএস, ঢাকা।
ফোন - ০১৭৫৫৩০৬০২১

পরের পর্বে পাবেন মেডিক্যাল ভিসা নিয়ে বিস্তর আলোচনা।

ঘুরে এলাম কুতুবদিয়া থেকে- বাতিঘর, বেলাভূমি, লবণ উৎপাদন, বায়ুবিদ্যুৎ কেন্দ্র আর দারুন এক সমুদ্র সৈকতের জনপদ কুতুবদিয়া।
16/04/2018

ঘুরে এলাম কুতুবদিয়া থেকে- বাতিঘর, বেলাভূমি, লবণ উৎপাদন, বায়ুবিদ্যুৎ কেন্দ্র আর দারুন এক সমুদ্র সৈকতের জনপদ কুতুবদিয়া।

শিলং ট্যুরের একাংশ - সোনাংপেডাং এর কিছু ছবি
23/03/2018

শিলং ট্যুরের একাংশ - সোনাংপেডাং এর কিছু ছবি

শিলং-চেরাপুঞ্জি-মাওলিনং ভ্রমন:--------------------------------------প্যাকেজ মুল্যঃ ১৩,০০০ টাকা (জনপ্রতি)দিন-০০ (২০ ফেব্র...
29/01/2018

শিলং-চেরাপুঞ্জি-মাওলিনং ভ্রমন:
--------------------------------------
প্যাকেজ মুল্যঃ ১৩,০০০ টাকা (জনপ্রতি)

দিন-০০ (২০ ফেব্রুয়ারি,২০১৮)

রাতে ঢাকা উত্তরা বাস কাউন্টার থেকে সিলেটের উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু।

দিন-১ (২১ ফেব্রুয়ারি, ২০১৮)

সকালের নাস্তা সেরে তামাবিলের উদ্দেশ্যে রওনা। তামাবিল পৌছে বর্ডার ক্রস করে শিলংয়ের উদ্দেশ্যে নিজস্ব পরিবহনে করে রওনা। পথে ডাউকি ব্রিজ, বোরহিল ফলস, মাউলিনং গ্রাম(এশিয়ার সবচেয়ে পরিস্কার গ্রাম) , লিভিং রুট ব্রিজ হয়ে প্রাচ্যের স্কটল্যান্ড খ্যাত মেঘালয়ের রাজধানী শিলং শহরে পৌছাবো বিকাল নাগাদ। হোটেলে চেক ইন করে ফ্রেশ হয়ে আশেপাশে হাঁটাচলা এবং রাত্রি যাপন।

দিন-২ (২২ ফেব্রুয়ারি, ২০১৮)

সকালের নাস্তা সেরে ৯.৩০ মিনিটে চেরাপুঞ্জিতে সারাদিন। চেরাপুঞ্জি কে সোহরা অথবা চুররা বলা হয়। ওখানে আমরা নোহকলিকাই ফলস, ডাবল ডেকার ব্রিজ,, ইকো পার্ক, মৌসুমি গুহা, সেভেন সিস্টার ফলস হয়ে আবার শিলং ফেরত আসবো। সন্ধ্যায় আশেপাশে নিজেদের মতো করে ঘুরবো এবং হোটেলে রাত্রিযাপন।

দিন-৩ (২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০১৮)

সকারের নাস্তা সেরে সকাল ১০.০০ আমাদের নিজস্ব যানে শিলং সাইটসিয়িং। শিলংয়ে আমরা যে পয়েন্টগুলো দেখব তা হলো- শিলং পিক, এলিফ্যান্ট ফল্স, ওমিয়াম লেক, গলফ্ কোর্স, লেডি হায়দারী পার্ক, চিড়িয়াখানা, ক্যাথলিক চার্চ, ওয়ার্ডস লেক, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বাড়ি। সাইটসিয়িং এর মাঝেই হোটেল এ এসে দুপুরের খাবার খেয়ে পুনরায় সাইটসিয়িং করব। শিলং হোটেলে রাত্রিযাপন।

দিন-৪ (২৪ ফেব্রুয়ারি, ২০১৮)

সকালের নাস্তা সেরে সকাল ৭.৩০ মিনিটে স্বচ্ছ পানির দেশ সোনাংপেডাং উদ্দেশ্যে রওনা হবো। সেখানে কিছুসময় গোসল, লাফালাফি এবং আশপাশের সাইট সিয়িং করে দেশের উদ্দেশ্যে রওনা দিবো।

প্যাকেজ মুল্যঃ ১৩,০০০ টাকা (জনপ্রতি)

বুকিং এর শেষ সময় :
১৫ ফেব্রুয়ারী, ২০১৮ ইং। (আসন সংখ্যা থাকা সাপেক্ষে)
বুকিং মানিঃ ৫০০০ টাকা জন প্রতি। (বিকাশ করলে অতিরিক্ত ৯০ টাকা প্রদান করতে হবে)

বিকাশঃ ০১৬৭০১৫২৫৬২

ব্যাংক একাউন্টঃ
Account Name: Aminur Rahman
Account No. 4020-551036-300
AB BANK LIMITED

প্যাকেজের অন্তর্ভূক্তঃ
১। সবধরনের যাতায়াতের জন্য পরিবহন ব্যবস্থা
২। থাকার জন্য হোটেল।
৩। প্রতিবেলার খাবার।

যোগাযোগঃ
বাড়ী নং - ১৪, রোড নং- ০৩, ব্লক - ডি, শহীদবাগ, পল্লবী, ঢাকা।
(সাগুফতা ইসিবি-১৬ ক্যান্টিনের নিকটে)
যোগাযোগঃ ০১৭৫৫৩০৬০২১

Address

Dhaka
1216

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Scorpions Traveller posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Scorpions Traveller:

Share