DeshiTrip

DeshiTrip Tours & Travels....

19/10/2025

Mumbai Adani Lounge.

Thai Embassy.
06/08/2025

Thai Embassy.

23/07/2025

ভিয়েতনাম।

21/07/2025

বিমান দুর্ঘটনা। উত্তরা দিয়া বাড়ী।

17/07/2025
কথা বললে গ্রেপ্তার, প্রতিবাদ করলে গুম, আর রাজপথে নামলে গুলি — এই নিয়মে মিশরে ৩০ বছর স্বৈরশাসন চালিয়েছেন হোসনি মোবারক।২০১...
22/05/2025

কথা বললে গ্রেপ্তার, প্রতিবাদ করলে গুম, আর রাজপথে নামলে গুলি — এই নিয়মে মিশরে ৩০ বছর স্বৈরশাসন চালিয়েছেন হোসনি মোবারক।
২০১১ সালে গণঅভ্যুত্থানে পতন ঘটে মোবারকের।
তারপর প্রথমবারের মতো মিশর পেল গণতন্ত্র — ক্ষমতায় এলেন মোহাম্মদ মুরসি।

আর গণতন্ত্র পেয়ে জনগণ চাইলো সবকিছু একসাথে — এটা চাই, ওটা চাই, এমন সংবিধান চাই, তেমন সংবিধান চাই। কেউ বলল ডানপন্থিদের নিপাত যেতে হবে, আবার কেউ বলল বামপন্থিদের ধ্বংস চাই।
শেষমেশ আন্দোলনের ভিড়ে আওয়াজ উঠল — মুরসিকেই চাই না।

এই সুযোগে শুরু হলো আন্তর্জাতিক চাপ, প্রতিবেশী দেশগুলোর হস্তক্ষেপ। অভ্যন্তরীণ বিরোধীরা এক হলো। ফলাফল? রক্তাক্ত রাজনৈতিক পতন।
সরকার অচল, শিক্ষা-অর্থনীতি সবকিছু বন্ধ। এই অরাজকতার সুযোগ নিয়ে ক্ষমতা দখল করলেন জেনারেল সিসি।

এরপর? মিশরে যেন নীরব মৃত্যুর রাজত্ব।
কেউ আর টু শব্দটি পর্যন্ত করে না।
মুরসি-সমর্থকদের দমন করে, বামদের আদর্শে লাথি মেরে, মোবারকের লোকদের জেল থেকে বের করে এনে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় ঘরবন্দি করা হলো।

অভ্যুত্থানকারীদের কেউ জেলে, কেউ বিদেশে, বাকিরা দৌড়ে পালাতে ব্যস্ত।
১২ বছর ধরে এই চক্রাকারে চলছে "সিসি-তন্ত্র"।

এবার ইতিহাস থেকে বাংলাদেশের বর্তমান ও ভবিষ্যৎ কল্পনায় আসি।

গত ১৬ বছর ধরে একচ্ছত্র শাসনব্যবস্থা চলেছে, যা ছিল অনেকটা মোবারক শাসনের প্রতিচ্ছবি।
প্রতিপক্ষ দমন, গণগ্রেফতার, গুম, মামলা, দমনপীড়ন — কিছুই বাদ যায়নি।

অবশেষে দেশজুড়ে শুরু হলো স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলন। জনগণ চাইল পরিবর্তন।
ক্ষমতায় এলো এক ভিন্নমতাবলম্বী গণতন্ত্রপন্থী নেতৃত্ব, যিনি হঠাৎ করেই হয়ে উঠলেন "বাংলাদেশি মুরসি"।

গণতন্ত্র ফিরে পেয়ে জনতার একটাই কাজ — দাবি, দাবি আর দাবি।
এটা চাই, ওটা চাই, এমন সংবিধান চাই, তেমন ব্যাখ্যা চাই, এদিকে অবরোধ, ওদিকে বিক্ষোভ।
সবাই চায় সবকিছু, কিন্তু দায়িত্ব কেউ নিতে চায় না।

যিনি ক্ষমতায় এসেছেন, তিনি একটার পর একটা সংকটে পড়ে গেলেন।
একদিকে রাজনৈতিক চাপ, অন্যদিকে আন্তর্জাতিক প্রভাব — প্রতিবেশীদের চাপ, করিডোর বিতর্ক, ধর্মীয়-সামাজিক সংস্কার নিয়ে দ্বন্দ্ব।
মনে হচ্ছে কেউ-ই তাকে স্থিরভাবে কিছু করতেই দিচ্ছে না।

এর মধ্যেই একদিন হঠাৎ শুনবেন, ‘উনি’ আর নেই।
ঠিক মুরসির মতো, বিদায় জানাতে হলো তাকে — হয়তো অগণতান্ত্রিকভাবে,নয়তো গনতান্ত্রিকভাবে কিংবা রক্তপাতের মধ্য দিয়ে।

তারপর আবার সেই পুরনো চিত্রনাট্য।
এক নতুন "জেনারেল" আবির্ভূত হবেন, যিনি নিজেকে জাতির ত্রাতা হিসেবে প্রতিষ্ঠা দেবেন।
স্বৈরতন্ত্রের নতুন সংস্করণ শুরু হবে — আগের চেয়েও ভয়ংকরভাবে।

যারা ২০২৪-২৫ সালে স্বপ্ন দেখেছিল পরিবর্তনের, তারা এবার হবে শোষণের শিকার।

এই জাতির সমস্যা একটাই — ক্ষমতার প্রতি লোভ এবং গোমালিপনার স্বভাব।
আর এই দুই মিলেই জাতির ভবিষ্যৎ হয়ে উঠেছে অন্ধকার।

রাজনৈতিক পরিস্থিতি যেভাবে গড়াচ্ছে, তাতে মনে হয়— সামনে আসছে আরও দুর্দিন।
এখানে রাজনীতি মানেই ক্ষমতা, আদর্শ নয়।
এখানে দেশপ্রেম মানেই বিপদ।
এখানে সত্য বললে শত্রু বানানো হয়।
(সংগৃহীত)

আসিফ মাহমুদের রক্তঝরা সংগ্রামের দিন আছে, হাসিনা-শাহীর গদি কাঁপানো স্লোগান আছে, ফ্যাসিস্ট পতনের বীরোচিত ইতিহাস আছে। আবার ...
19/05/2025

আসিফ মাহমুদের রক্তঝরা সংগ্রামের দিন আছে, হাসিনা-শাহীর গদি কাঁপানো স্লোগান আছে, ফ্যাসিস্ট পতনের বীরোচিত ইতিহাস আছে। আবার যদি দেশের প্রয়োজনে দরকার হয়, আসিফ মাহমুদ আবারও রাজপথে আসবে, স্লোগানে কন্ঠ মিলাবে।

তাকে অপদস্ত কইরেন না, অন্যায্যতা চাপিয়ে দিয়েন না, বেইনসাফি কইরেন না। অপদস্ত কইরা, রক্ত ঝরায়া পতিত ফ্যাসিস্ট আসিফদের থামাতে পারে নাই, আপনারাও অপরাজনীতি কইরেন না।

©️Hasnat Abdullah

রাত যতই গভীর হয়, প্রবাসীর চোখ ততই ভিজে ওঠে। দেয়ালে ঘড়ির কাঁটা এগিয়ে চলে, কিন্তু তার সময় থেমে থাকে দেশের এক কোনায়—মায়ের অ...
06/05/2025

রাত যতই গভীর হয়, প্রবাসীর চোখ ততই ভিজে ওঠে। দেয়ালে ঘড়ির কাঁটা এগিয়ে চলে, কিন্তু তার সময় থেমে থাকে দেশের এক কোনায়—মায়ের অসুস্থ মুখ, বাবার নীরব দৃষ্টি, স্ত্রীর অভিমানী চোখ, সন্তানের ফেলে রাখা ছোট জুতোজোড়া। হাজার হাজার মাইল দূরে বসে সে শুধু একটাই প্রশ্ন করে নিজেকে—“এই জীবন কি শুধুই টাকার জন্য?”

একটা প্রবাসীর দিন শুরু হয় ভোরবেলা, ঠান্ডা বা উত্তপ্ত আবহাওয়ায় ক্লান্ত দেহ টেনে নিয়ে কাজের উদ্দেশ্যে বেরিয়ে পড়ে সে। সারাদিন কাজ, ঝাড়পোঁছ, নির্মাণ, হোটেল, কিংবা কারখানার শব্দে কানে তালা লাগে। কেউ গা*লি দেয়, কেউ হুকুম দেয়। কিন্তু সে চুপচাপ সহ্য করে, শুধু পরিবারের কথা মনে করে।

প্রতিদিন সন্ধ্যায় তার চারপাশে ভিড় থাকে—অচেনা মুখের, অচেনা ভাষার। অথচ তার নিজের মনের চারপাশে থাকে নিঃসঙ্গতা, হাহাকার আর অনাহূত কান্না। দেশে ফোন করে যখন মায়ের কাঁপা গলা শোনে—“তুই খেয়েছিস রে বাবা?”—তখন বুকটা হুহু করে ওঠে। সন্তানের কণ্ঠে যখন শোনা যায়—“আব্বু, তুমি কবে আসবে?”—তখন নিজের চোখের জল লুকিয়ে বলে—“খুব তাড়াতাড়ি, বাবা!”

রাত হলেই শুরু হয় আসল যু*দ্ধ। চারদিকে নিস্তব্ধতা, কিন্তু তার ভেতরটা তখন যেন ঝড়। খালি বিছানায় শুয়ে সে ঘুমাতে পারে না—কারণ ঘুম তার কাছে বিলাসিতা। চোখ বন্ধ করলেই ভেসে ওঠে পরিবারের অভাব, মা’র অসুস্থতা, সন্তানের স্কুল ফি, কিংবা স্ত্রীর দুঃখী মুখ। একসময় চোখের কোণ বেয়ে গড়িয়ে পড়ে চুপচাপ একটা অশ্রু। কেউ দেখে না, কেউ জানেও না।

লোকেরা ভাবে প্রবাসীরা রাজা—ডলার-পাউন্ডে ভাসে তারা। কেউ জানে না, তারা কতটা না-পাওয়া নিয়ে বাঁচে। জীবনের সোনালি সময়টা অন্যের মাটিতে ফেলে আসতে হয় তাদের। নিজ জন্মভূমিতে ম*রে পড়ে থাকে শিকড়, আর তারা বেঁচে থাকে একটা অচেনা ভূখণ্ডে—চোখে নির্ঘুম রাত আর বুকে চাপা কান্না নিয়ে।

তবুও সে বাঁচে—পরিবারের মুখে হাসি ফোটানোর আশায়। হয়তো নিজের জীবনের সবচেয়ে সুন্দর দিনগুলো সে খরচ করে দেয় নিঃশব্দে, অন্ধকারের গহীনে। কেউ না জানুক, প্রতিটি প্রবাসী জানে—এই পৃথিবীর সবচেয়ে দীর্ঘ রাতগুলোর নাম নির্ঘুম প্রবাসজীবন।

লেখা- আরিফুল হাসান
#জীবন_চক্র
#আমিরাতসংবাদ #প্রবাসী

আগামীকাল ০৬ মে ২০২৫ তারিখে, বিশেষ করে সকাল ৮টা থেকে দুপুর ২:৩০মিনিট এর মধ্যে যাদের ফ্লাইট রয়েছে, তাদেরকে নির্ধারিত সময়ে ...
05/05/2025

আগামীকাল ০৬ মে ২০২৫ তারিখে, বিশেষ করে সকাল ৮টা থেকে দুপুর ২:৩০মিনিট এর মধ্যে যাদের ফ্লাইট রয়েছে, তাদেরকে নির্ধারিত সময়ে বিমানবন্দরে উপস্থিত থাকার জন্য অনুরোধ করা যাচ্ছে।

_______________________________________________________________________
আগামীকাল এয়াপোর্ট অভিমুখী রাস্তায় তীব্র যানজটের আশংকা রয়েছে।
সুতরাং ফ্লাইট মিসের সম্ভাবনা এড়াতে সময় হাতে নিয়ে রওনা দিন।

এগুলো ঢাকার রাস্তায় পুলিশ প্রটেকশন ছাড়া ১ রাত পার করতে পারলে নগদে পুরস্কৃত করতে হবে 🤠যারা ফিলিস্তিনের পক্ষে গিয়ে জুতা চু...
04/05/2025

এগুলো ঢাকার রাস্তায় পুলিশ প্রটেকশন ছাড়া ১ রাত পার করতে পারলে নগদে পুরস্কৃত করতে হবে 🤠

যারা ফিলিস্তিনের পক্ষে গিয়ে জুতা চুরি করতে পারে তাদের জন্য🙏😳

বাবার কাঁধভোরের আলো তখনো ঠিকমতো ছড়ায়নি। গ্রামটা কুয়াশায় মোড়া। সেই কুয়াশা ভেদ করে দূর থেকে ভেসে আসে একটানা হাঁক—“হাড়ি কড়া...
29/04/2025

বাবার কাঁধ
ভোরের আলো তখনো ঠিকমতো ছড়ায়নি। গ্রামটা কুয়াশায় মোড়া। সেই কুয়াশা ভেদ করে দূর থেকে ভেসে আসে একটানা হাঁক—
“হাড়ি কড়াই লাগবে, নতুন কড়াই, মজবুত হাড়ি…!”

সে হাঁকের সঙ্গে একটানা টুং টাং শব্দ—ধাতব বাসনের ঠোকাঠুকি। গ্রামের রাস্তায় একটা ছায়ামূর্তি এগিয়ে আসে ধীরে ধীরে। কাঁধে বাঁশের লাঠি, তাতে দুলছে নানা মাপের হাড়ি, কড়াই, বালতি, কলস।

এই মানুষটা আমার বাবা।

তিনি ছিলেন ফেরিওয়ালা—গাঁয়ে গাঁয়ে ঘুরে হাড়ি-কড়াই বিক্রি করতেন। মানুষ তাঁকে “রহিম ফেরিওয়ালা” বলে চিনত, আর আমি চিনতাম পৃথিবীর সবচেয়ে শক্তিশালী মানুষ হিসেবে।

বাবার কোনো জমি ছিল না, গরু ছিল না, দোকানও ছিল না। কিন্তু ছিল অদম্য পরিশ্রম, সীমাহীন ভালোবাসা, আর একরাশ স্বপ্ন—আমার জন্য।

সকালে বাড়ি থেকে বেরিয়ে যেতেন তিনি—ঝোলা হাতে, পায়ে ছেঁড়া স্যান্ডেল, মুখে হাঁক। কখনো রোদে, কখনো বৃষ্টিতে, কখনো হাটে, কখনো গ্রামে। কখনো একটা কড়াই বিক্রি হত, কখনো দিন কেটে যেত এক টাকাও না কামিয়ে। তবু ফিরে আসতেন মুখে হাসি নিয়ে।

মাঝেমধ্যে আমি বলতাম, “বাবা, তুমি তো এত কষ্ট পাও। আমার খরচ কমিয়ে দাও না।”
তিনি মাথায় হাত বুলিয়ে বলতেন, “তুই মানুষ হবি বাবা, তোর লেখাপড়া বন্ধ হবে না। আজ না হোক, একদিন তোর কলমের শব্দই হবে আমার গলার হাঁকের চেয়েও জোরালো।”

আজ আমি শহরের এক কলেজে পড়াই। কোমরে আইডি কার্ড, ঘাড়ে ঝোলা ব্যাগ, ক্লাসে ঢোকার আগে আয়নায় নিজের মুখটা দেখি। কিন্তু কানে তখনো বাজে সেই পুরনো হাঁক—
“হাড়ি কড়াই লাগবে...”

ওটা আমার বাবার গলা ওটা আমার শিকড়।
ওটাই আমার জীবনের প্রথম গান....

©️

Address

Dhaka
1212

Telephone

8801675557671

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when DeshiTrip posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to DeshiTrip:

Share

Category