Air Cross Tours and Travels

Air Cross Tours and Travels WORLD WIDE AIR TICKETS,WORLD WIDE TOURIST VISA; WORLD WIDE PACKAGE TOUR; WORLD WIDE HOTEL Air Cross Tours and Travel is a leading travel company in Bangladesh.

We are companion for all travelers, with skilled human resources handling all kinds of travel services. We offer series of tours and trekking in Nepal, Bhutan, Tibet, India and more with a combination of enchanting nature, culture and adventures. We believe our prestige lies in making your vacation full of fun, excitement and a life time experience.

14/12/2015
আঠার শতকের রাজধানি ঢাকার কিছু অবাক করা ছবি।_______________________________________আমাদের রাজধানি ঢাকার পূর্ব চেহারা কতটা...
13/12/2015

আঠার শতকের রাজধানি ঢাকার কিছু অবাক করা ছবি।
_______________________________________
আমাদের রাজধানি ঢাকার পূর্ব চেহারা কতটা সুন্দর আর কতটা খোলামেলা ছিল টা এই ছবি গুলো না দেখলে বুঝা খুব কঠিন। এই ছিব গুলো অধিকাংশই আঠার শতকের দিকে তোলা। এই ছবি গুলো ব্রিটিশ লাইবেরি থেকে সংগ্রহীত।
১. এটা ১৮৮০ তে তোলা বুড়িগঙ্গা নদীর পাড়ের ছবি। এখন সেখানে গড়ে উঠেছে শত শত দোকান পাট।
২. ঢাকার চক বাজার এর ছবি ১৮৮৫ সালে এমন ছিল দেখতে খুব অবাক লাগে। আজ সেখানে ১০ কদম হাঁটতে ১০ মিনিট লেগে যায় আর দোকান পাট এরতো হিসাব নেই।
৩. ১৮৭২ সালে সম্পূর্ণ ঢাকা কলেজের চিত্র এমন ছিল! আর এখন সেই বিশাল প্রশস্থ বিল্ডিং কোথায় আর গাছপালা কোথায়!
৪. ১৯০৪ সালে ঢাকা কলেজের মূল ভবনের ছবি এটি। ১৮০০ শতকে তৈরি হলেও ভবনটি ছিল বেশ শৈল্পিক।
৫. ঢাকার সব চেয়ে পুরাতন মন্দির – ঢাকেশ্বরী মন্দির। ১৯০৪ সালে ঢাকেশ্বরী মন্দির এর চিত্র এমনটা ছিল।
৬. ১৮৭২ সালের ঢাকার লালবাগ কেল্লার চিত্র এমন ছিল। এখন অবশ্য সরকারী সহয়তায় অনেক আকর্ষণীয় করে তোলা হয়েছে।
৭. ১৯০৪ সালে তোলা ধোলাই খালের উপর ষ্টীল এর ব্রিজ। যেটাকে বর্তমানে মানুষ লাহোর পুল বলে।
৮. ১৯০৪ সালে ঢাকার মিটফোর্ড হাসপাতাল এর চেহারা ছিল এমন। এখন এটা সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ।

চলুন যাই পতঙ্গোয়____________পতেঙ্গা হচ্ছে বন্দরনগরী চট্টগ্রাম শহর থেকে ১৪ কিমি দূরে অবস্থতি বাংলাদেশের অন্যতম দর্শনীয় সম...
12/12/2015

চলুন যাই পতঙ্গোয়
____________
পতেঙ্গা হচ্ছে বন্দরনগরী চট্টগ্রাম শহর থেকে ১৪ কিমি দূরে অবস্থতি বাংলাদেশের অন্যতম দর্শনীয় সমুদ্র সৈকত। দ্বিতীয় কক্সবাজার। কর্ণফুলী নদীর মোহনায় এ সমুদ্র সৈকত অন্য আর্কষনীয় ভ্রমন স্পট। এখানে ভ্রমনে দেবে নতুনত্ব আর দেবে নতুন স্বাদ।

পতেঙ্গা সমুদ্র সৈকত ভ্রমন করতে চট্টগ্রাম শহরের বিভিন্ন আবাসকি হোটেলে রাতযাপন করতে পারেন। অলংকার বা জিইসি/সিইপি রোডে বিভিন্ন দাম ও মানের থাকা ও খাওয়ার হোটেল রয়েছে।

ঢাকা থেকে চলে আসুন বন্দরনগরী চট্টগ্রাম। তারপর অলংকার মোড় থেকে সী বিচ লেখা বাসে অথবা সিএনজি/অটোবাইকে চড়ে ১০-১৫ মিনিটের মধ্যেই চলে আসতে পারবেন পতেঙ্গা সী বিচে।

সী চিচের দোকান থেকে হস্তশল্পিসহ বিভিন্ন জিনিস ক্রয় করতে পারবেন। বিভিন্ন সামুদ্রকি মাছ ক্রয়রে জন্য বিভিন্ন দোকান রয়েছে- যেখান থেকে আপনার পছন্দ মতো কেনাকাটা করতে পারবেন

কানাডানায়াগ্রা জলপ্রপাত : _______________________________নায়াগ্রা কানাডার ওন্টারিও প্রদেশে অবস্থিত। জায়গাটি কানাডা এবং আ...
12/12/2015

কানাডা
নায়াগ্রা জলপ্রপাত :
_______________________________
নায়াগ্রা কানাডার ওন্টারিও প্রদেশে অবস্থিত। জায়গাটি কানাডা এবং আমেরিকার সীমান্ত। সুবিশাল নায়াগ্রা জলপ্রপাত আমেরিকা এবং কানাডা দুই দেশজুড়েই বিস্তৃত। দুই দেশ থেকেই পর্যটকরা নায়াগ্রা দর্শন করলেও মূলত কানাডা থেকেই বেশি দর্শক নায়াগ্রার সৌন্দর্য উপভোগ করে থাকে। কানাডা ভ্রমণ করতে যান অথচ নায়াগ্রা জলপ্রপাত দেখেননি এমন একজন পর্যটকও খুঁজে পাওয়া যাবে না। নায়াগ্রা জলপ্রপাতের পানি পতিত হয়ে দুই পাহাড়ের মাঝখানে বিশাল খরস্রোতা নদীর সৃষ্টি হয়েছে। নদীর এক পাড়ে আমেরিকা অন্য পাড়ে কানাডা। নায়াগ্রায় প্রবেশ করার পর মনে হয়েছে আমরা বিরাট এক শহরে প্রবেশ করেছি। আমি আমার সফরসঙ্গীদের জিজ্ঞাসা করলাম, কোথায় জলপ্রপাত? এত দেখি নতুন এক শহরে নিয়ে এসেছেন। সারি সারি আধুনিক বিপণি বিতান, শপিংমল, শত শত আবাসিক হোটেল, মোটেল, ক্যাসিনো, বার, সিনেমা হল, ম্যাসেজ পার্লার, পানশালা, থিম পার্ক, সার্কাস আরও কত কি! বিনোদনের হাজারও পসরা নিয়ে তারা পর্যটক আকর্ষণে থাকে সদা সচেষ্ট। বড়দের জন্য যেমন বিভিন্ন বিনোদনের ব্যবস্থা আছে তেমনি আছে ছোট বাচ্চাদের জন্য অসংখ্য চিত্তাকর্ষক খেলাধুলার আয়োজন। তারা মৃদু হেসে বলল, পর্যটকরা কি শুধু জলপ্রপাতের পানি দেখতেই আসবে? তার সঙ্গে বিনোদনের আরও উপকরণওতো দরকার। মূলত নায়াগ্রা জলপ্রপাতকে কেন্দ্র করেই এ বিশাল বিনোদন সিটি গড়ে উঠেছে। নায়াগ্রা আসার আগে সবাই আমাকে অবহিত করেছিল, তাড়াহুড়া করে নায়াগ্রা না দেখে কমপক্ষে ১ দিন যেন নায়াগ্রায় অবস্থান করি। এখানে এসে মনে হল ৪-৫ দিন নায়াগ্রায় অবস্থান করলেও সাধ মিটবে না। শফিক ভাই এবং আলী ভাইও আমার কথায় সায় দিল। এখানে অনেকেই পুরো পরিবার নিয়ে ৩-৪ দিন কাটিয়ে যায়।
দূর থেকেই নায়াগ্রার গর্জন শুনতে পাচ্ছিলাম। বহুদিনের লালিত স্বপ্ন আজ বাস্তবে পরিণত হওয়ার কারণে আমার দেহমন অব্যক্ত এক শিহরণে বার বার রোমাঞ্চিত হয়ে উঠছিল। আমার আর তর সইছিল না। তাই অতি অল্প সময়ের মধ্যেই ফলসের কাছাকাছি প্যারাডাইজ গেস্ট হাউসে একটি সুসজ্জিত কক্ষ ভাড়া নিয়ে মালপত্র রেখে তাড়াতাড়ি বেরিয়ে পড়লাম। তখন রাত ১টা। রাতের নায়াগ্রা যেন এক স্বপ্নপুরী। বহু বর্ণের আলোকমালায় জলপ্রপাতের চারপাশকে মোহময় করে তোলা হয়েছে। আলোকরশ্মির রঙ বদলের সঙ্গে সঙ্গে জলপ্রপাতের পানির রঙও ক্ষণে ক্ষণে পাল্টে যাচ্ছিল। সে এক অনির্বচনীয় দৃশ্য। বিশাল এলাকাজুড়ে কয়েকশ’ ফুট উঁচু থেকে অনেকগুলো জলের ধারা নামছে প্রবল বেগে। কাছাকাছি যেতেই এর ভয়ংকর রূপ দেখে যুগপৎ ভয় আর আনন্দে শিশুর মতো চিৎকার করে উঠলাম। শ্বেতশুভ্র বিপুল জলরাশি মহাগর্জন করে বহুদূর থেকে এমনই দুর্দম বেগে ধেয়ে আসে যার দিকে তাকালে গা শিউরে ওঠে। চোখের সামনে একি দেখছি! বিস্ময়ে অভিভূত হয়ে সামনের দিকে তাকিয়ে আছি। মনে হল আমার বাহ্যিক সব চেতনা লুপ্ত হয়ে গেছে। আমার এবারকার আমেরিকা ও কানাডার সর্বক্ষণের সফরসঙ্গী হাসান ভাইয়ের প্রচণ্ড ধাক্কায় সম্বিত ফিরে পেলাম। আমার দু’নয়ন যেন আজ সার্থক। বহু সময় কেটে গেছে। তবুও হোটেলে ফিরতে মন সায় দিচ্ছিল না। অবশেষে সফরসঙ্গীদের অনুরোধে ক্যাসিনোতে প্রবেশ করে বাকি রাতটা কাটিয়ে দিলাম। উলে¬খ্য, নায়াগ্রা ভ্রমণ করতে এসে রাতে কেউ হোটেল কক্ষে ঘুমায় না। আবাল-বৃদ্ধবনিতা সারারাত মেতে থাকে নানা বিনোদনে। নায়াগ্রায় চিত্তাকর্ষণের এতই আয়োজন, কখন সকাল আর কখন সন্ধ্যা টেরই পাওয়া যায় না। বলা বাহুল্য, ২ রাত নায়াগ্রায় অবস্থান করলেও এক রাতেও আমাদের হোটেল কক্ষে ঘুমানোর সুযোগ হয়নি। দুর্নিবার এক আকর্ষণে বারবার ছুটে গিয়েছি প্রকৃতির ওই মহাবিস্ময়ের কাছে। প্রকৃতপক্ষে নায়াগ্রা একটি জলপ্রপাত নয়। অনেকগুলো জলপ্রপাতের সমষ্টি। আমেরিকা এবং কানাডা দু’দেশজুড়েই এর বিপুল বিস্তার। এর বিশালত্ব চোখে না দেখলে বিশ্বাস করা কঠিন। পৃথিবীর অন্য জলপ্রপাত থেকে এর পার্থক্য হল আর সব জলপ্রপাত অনেক উঁচু পাহাড় থেকে পানির ধারা নিচে পতিত হয়। পানির উৎস দেখা যায় না। কিন্তু নায়েগ্রা জলপ্রপাত ভিন্ন প্রকৃতির। মনে হয় বিশাল কয়েকটি নদী উদ্দাম বেগে বিপুল জলরাশি নিয়ে কয়েকশ’ ফুট নিচে ঝাঁপিয়ে পড়ছে। প্রধান জলপ্রপাতটির পানির ধারা এতই বেগে পতিত হয়, জলের ছটায় চারদিকে কয়েক কিলোমিটার এলাকাজুড়ে কুয়াশার মতো পানি ভাসতে থাকে এবং জলকণা বৃষ্টির মতো নিচে পড়তে থাকে। ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র জলকণা ধোঁয়ার মতো কুণ্ডলি পাকিয়ে আকাশের ১ কিলোমিটার পর্যন্ত উপরে ওঠে থাকে। সে এক বিস্ময়কর, অবিশ্বাস্য, অবর্ণনীয় দৃশ্য, যা ভাষায় প্রকাশ করা কঠিন। একমাত্র চোখে দেখলেই প্রকৃতির এ মহাবিস্ময় উপলব্ধি করা সম্ভব। শুধু দূর থেকেই নয়, একেবারে কাছ থেকেও জলপ্রপাতের পতন দৃশ্য দেখার ব্যবস্থা আছে। বিশাল জাহাজ দিয়ে জলপ্রপাতের একেবারে কাছাকাছি নিয়ে যাওয়া হয়। বিশেষ ধরনের রেইনকোট দিয়ে আপাদমস্তক ঢেকে জাহাজে চড়তে হয়। অবশ্য এর জন্য নগদ ১৪ কানাডিয়ান ডলার গুনতে হয়। দুই দিন প্রকৃতির এ অপার সৌন্দর্য অবলোকন করে অবশেষে নায়াগ্রা ত্যাগ করতে হল। কিন্তু স্মৃতিপটে চিরদিনের জন্য অংকিত হয়ে রইল বিশ্বের সর্ববৃহৎ জলপ্রপাতের দৃশ্য। এখনও কান পাতলে শুনতে পাই নায়াগ্রার গর্জন; চক্ষু মুদিত করলে দেখতে পাই বরফশুভ্র বিশাল জলরাশির দুর্দম বেগে ছুটে চলা। হয়তো আমৃত্য কর্ণকুহরে অনুরণিত হবে এর মহাগর্জন।

ভারত-----------------------------দার্জিলিং যাবেন কিভাবে? কোনপথে?__________________________________দেশ দেখে বেড়ানোটা আনন্...
12/12/2015

ভারত-----------------------------
দার্জিলিং যাবেন কিভাবে? কোনপথে?
__________________________________

দেশ দেখে বেড়ানোটা আনন্দের। কিন্তু সেটা যদি হয় আর্থিক সঙ্গতির মধ্যে, তবেই তা সম্ভব। বিভিন্ন মানুষের দেশ দেখে বেড়ানো বিভিন্ন রকম। বিলাসবহুল জীবনযাপন যারা করেন তারা একটু আভিজাত্যের ছাপ রেখেই দেশ-বিদেশ ভ্রমণ করে বেড়ান। কিন্তু সবার সঙ্গতি তো আর সমান নয়। আর সমান নয় বলেই কি দেশ-বিদেশ ভ্রমণ করা যাবে না?
যাবে। অবশ্যই যাবে। চারদিক থেকে নিজের আভিজাত্যকে একটু কাটছাঁট করে নিলেই তা সম্ভব। স্বল্প খরচে, অল্প আরামে মনটাকে মানিয়ে নিতে পারলেই আমাদের চোখের সামনে খুলে যাবে সৃষ্টির অনেক অজানা দুয়ার। আর সেই দুয়ার খুলেই চলুন চট করে বেড়িয়ে আসা যাক, হিমালয়ের কোল ঘেঁষে দাঁড়িয়ে থাকা ছবির মতো সুন্দর স্বপ্নপুরী দার্জিলিং থেকে।

কিভাবে যাবেন?
প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে বিভোর নগরী পাহাড়ে ঘেরা অপূর্ব চিরহরিৎ ভূমির দার্জিলিংয়ে স্থলপথে রাজধানী ঢাকা থেকে সরাসরি দার্জিলিং যেতে চাইলে উত্তরবঙ্গের বুড়িমারি সীমান্ত অতিক্রম করে যাওয়াটাই সবচেয়ে সুবিধাজনক। ঢাকার গাবতলী থেকে প্রতিদিন অসংখ্য যাত্রীবাহী বাস চলাচল করে উত্তরবঙ্গের বুড়িমারী সীমান্তের উদ্দেশে। ঢাকার ভারতীয় দূতাবাস থেকে পাসপোর্টে নির্দিষ্ট সময়ের ভিসা নিয়ে রাত ১০টার সুপার সেলুন চেয়ার কোচে উঠে পড়–ন বুড়িমারী সীমান্তের উদ্দেশে। ভাড়া জনপ্রতি আর কত সামর্থের মধ্যেই। ভোর ৭টা নাগাদ আপনি অনায়াসে পৌঁছে যাবেন বুড়িমারী চেকপোস্টে। ইমিগ্রেশন অফিসের কাছেই সব বাস থামে। প্রাতঃরাশ সম্পন্ন করে ইমিগ্রেশনের দায়িত্বে নিয়োজিত ব্যক্তির সঙ্গে সম্পন্ন করে নিন ভ্রমণ কর ও কাস্টমসের সব প্রক্রিয়া। অবশ্য আপনি চাইলে ঢাকা থেকেই ভ্রমণ কর প্রদান করে যেতে পারেন সোনালী ব্যাংকের যে কোন শাখায়। বুড়িমারী অতিক্রম করে ওপারে চ্যাংড়াবান্দা সীমান্তে পৌঁছে একইভাবে সম্পন্ন করে নিন আপনার ইমিগ্রেশন ও কাস্টমসের সব প্রক্রিয়া। ও ভালো কথা, আপনার বহনকৃত ইউএস ডলার চ্যাংড়াবান্দায় অবস্থিত সরকার অনুমোদিত ডিলারদের কাছ থেকেই ভারতীয় মুদ্রায় পরিবর্তন করে নেবেন। অন্যথায় পরবর্তী সময়ে টাকা ভাঙাতে আপনাকে বেশ বেগ পেতে হবে।
চ্যাংড়াবান্দা থেকে সরাসরি ময়নাগুড়ির বাস ধরে দেড় ঘণ্টায় পৌঁছে যাবেন শীর্ষেন্দু-সমরেশের উপন্যাসখ্যাত শিলিগুড়ি জিপ স্টেশনে। ভাড়া জনপ্রতি ৭০ ভারতীয় রুপি। সেখান থেকে ঝটপট ১২০ ভারতীয় রুপির বিনিময়ে সংগ্রহ করে নিন দার্জিলিংগামী কমান্ডার জিপের টিকিট। হাতে শীতের পোশাক নিয়ে বসে পড়–ন আপনার নির্ধারিত আসনে। ব্যস, মাত্র আড়াই ঘণ্টায় আপনি পৌঁছে যাবেন মেঘের দেশ স্বপ্নিল ভুবনের দার্জিলিংয়ে।
তাছাড়া কলকাতা থেকে যেতে চাইলে আপনাকে শিয়ালদহ রেলওয়ে স্টেশন থেকে সন্ধ্যা ৭টা ১৫ মিনিটের দার্জিলিং মেল ধরতে হবে। টিকিট সংগ্রহ করবেন ট্যুরিস্টদের জন্য নির্ধারিত কাউন্টার ফেয়ারলি প্যালেস থেকে। অতঃপর প্রায় ৫৭৬ কিলোমিটার অর্থাৎ ১৪ ঘণ্টার এক ট্রেন ভ্রমণ করে পরদিন সকাল ১০টা নাগাদ নিউ জলপাইগুড়ি স্টেশনে পৌঁছে যাবেন। স্টেশন থেকে প্রাতঃরাশ সম্পন্ন করে রিকশাযোগে চলে আসুন শিলিগুড়ি জিপ স্টেশনে। ১০-১২ রুপি ভাড়া পড়বে। সেখান থেকে ওই কমান্ডার জিপে চড়ে পৌঁছে যেতে পারেন স্বপ্নপুরী দার্জিলিংয়ে।

কোথায় থাকবেন?
পুঞ্জীভূত মেঘের কণা ভেদ করে আঁকাবাঁকা পথের ধারে পুরো দার্জিলিং শহরে রয়েছে অসংখ্য আবাসিক হোটেল। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হোটেলে প্রতিদিনের থাকা এবং খাওয়াসহ জনপ্রতি ভাড়া প্রায় ৮৫০-১২০০ রুপি করে। প্রায় প্রতিটি হোটেলেই রয়েছে দর্শনীয় স্থানসমূহ ঘুরে বেড়ানোর জন্য আকর্ষণীয় জিপ, সার্বক্ষণিক গরম পানির ব্যবস্থা, ঠাণ্ডা প্রতিরোধে ওষুধসহ যে কোন মুহূর্তে যে কোন সমস্যার তাৎক্ষণিক সেবা।

খাবার-দাবার
ট্যুরিস্টদের জন্য হোটেলগুলোতে সব ধরনের খাবারের ব্যবস্থা করা হয়। ফলে পুষ্টিকর ও রুচিসম্মত খাবার নিয়ে দুশ্চিন্তার কিছু নেই। বাংলাদেশ থেকে প্রতিবছর অসংখ্য ট্যুরিস্টের আগমনের ফলে এখানকার হোটেল মালিকরা বাংলাদেশীদের জন্য বিশেষ ব্যবস্থায় একেবারে বাঙালি রুচিসম্মত খাবার-দাবারের জোগান দিয়ে থাকেন। ব্রেকফাস্ট, লাঞ্চ এবং ডিনার ছাড়াও হোটেল কর্তৃপক্ষ ভোরবেলায় বেড-টি এবং ডিনারের আগে ইভনিং-টি’র ব্যবস্থাও করে থাকেন।

কোথায় বেড়াবেন?
ছোট বড় মিলিয়ে বেড়ানোর জন্য প্রায় ১৭টি আকর্ষণীয় স্থান রয়েছে দার্জিলিং জুড়ে। পৃথিবীর সবচেয়ে উঁচুতে অবস্থিত রেলওয়ে স্টেশন ‘ঘুম’ ছাড়াও আরও যেসব দর্শনীয় স্থান দেখে আপনার আনন্দময় অভিজ্ঞতা অর্জিত হবে তা হচ্ছে;
সমুদ্র-পৃষ্ঠ থেকে প্রায় ১০,০০০ ফুট উঁচু পাহাড়ের চূড়া থেকে অপূর্ব সুন্দর সূর্যোদয় দেখা। পৃথিবীর বিখ্যাত প্রার্থনা-স্থান ঘুম মোনাস্ট্রি। ছবির মতো অপূর্ব সুন্দর স্মৃতিসৌধ বাতাসিয়া লুপ বিলুপ্ত-প্রায় পাহাড়ি বাঘ Snow Lupard খ্যাত দার্জিলিং চিড়িয়াখানা। পাহাড়ে অভিযান শিক্ষাকেন্দ্র ‘হিমালয়ান মাউন্টেনিয়ারিং ইন্সটিটিউট’।
সর্বপ্রথম এভারেস্ট বিজয়ী তেনজিং-রক- এর স্মৃতিস্তম্ভ। কেবল কারে করে প্রায় ১৬ কিলোমিটার এক পাহাড় থেকে অন্য পাহাড়ে ভ্রমণ।
হ্যাপি ভ্যালি টি গার্ডেনে বসে তাৎক্ষণিকভাবে পৃথিবীখ্যাত ব্ল্যাক টি পানের অপূর্ব অভিজ্ঞতা।
যুদ্ধবিধ্বস্ত শরণার্থী কেন্দ্র তিব্বতিয়ান সেলফ হেলপ্ সেন্টার। সমুদ্র-পৃষ্ঠ থেকে প্রায় ৮,০০০ ফুট উঁচুতে অবস্থিত মনোরম খেলাধুলার স্থান দার্জিলিং গোরখা স্টেডিয়াম।
নেপালি জাতির স্বাক্ষর বহনকারী দার্জিলিং মিউজিয়াম। পৃথিবীর বিখ্যাত বৌদ্ধ বিহার জাপানিজ টেম্পল ব্রিটিশ আমলের সরকারি নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্র কাউন্সিল হাউস ‘লাল কুঠির’ অসাধারণ শৈল্পিক নিদর্শন খ্যাত ‘আভা আর্ট গ্যালারি’। শতবর্ষের প্রাচীন মন্দির ‘দিরদাহাম টেম্পল’। এসব নিদর্শন ছাড়াও আপনার মনের চিরহরিৎ জগতকে শুধু আনন্দময় নয়, এক নতুন জীবনের যাত্রা শুরু করাতে চলে যেতে পারেন পাথর কেটে তৈরি ‘রক গার্ডেন’ এবং গঙ্গামায়া পার্কে উপরোল্লিখিত দর্শনীয় স্থানগুলো ছাড়াও আপনার হদয় গহিন থেকে রোমাঞ্চিত করবে মহান সৃষ্টিকর্তার বিশাল উপহার হিমালয় কন্যা ‘কাঞ্চন-জংঘা’, বিশুদ্ধ পানির অবিরাম ঝর্ণাধারা ‘ভিক্টোরিয়া ফলস্’ এবং মেঘের দেশে বসবাসরত এক সুসভ্য জাতির সংস্কৃতি।

কেনাকাটা
দার্জিলিং শহরের লাডেন-লা রোডের কোল ঘেঁষে রয়েছে অসংখ্য ছোট-বড় মার্কেট। দৈনন্দিন জীবনের ব্যবহার্য প্রায় সব জিনিসই আপনি পেয়ে যাবেন আপনার ক্রয়- ক্ষমতার মধ্যে। সবচেয়ে ভালো পাবেন শীতের পোশাক। হাতমোজা, কানটুপি, মাফলার, সোয়েটারসহ যে কোন প্রকারের লেদার জ্যাকেট পেয়ে যাবেন আপনার পছন্দমতো মূল্যে। তাছাড়া ১০০ থেকে ৫০০ রুপির মধ্যে পেয়ে যাবেন অসাধারণ কাজ করা নেপালি শাল এবং শাড়ি যা আপনার পছন্দ হতে বাধ্য। প্রিয়জনকে উপহার দিতে সর্বনিু ২০ রুপি থেকে ২৫০ রুপির মধ্যে পেয়ে যাবেন বিভিন্ন অ্যান্টিক্স ও নানাবিধ গিফট আইটেম, যা আপনার প্রিয়জনের ভালোবাসা কেড়ে নিতে সক্ষম। তাছাড়া আকর্ষণীয় লেদার সু আর বাহারি সানগ্লাস তো আছেই। কেনাকাটা করতে গিয়ে প্রতারিত হওয়ার আশংকা একেবারেই নেই। তবে হোটেলগুলোতে কিছু নেপালি তরুণ-তরুণী ভ্রাম্যমাণ ফেরি করে শাল, শাড়ি বিক্রয় করে থাকে। তাদের কাছ থেকে না কেনাটাই উত্তম।

ঝুঁকি
মানুষের জীবনটাই একটা বড় ঝুঁকি। তার পরেও সাবধানতা অবলম্বন করে ঝুঁকি এড়িয়ে স্বাচ্ছন্দ্যে বেঁচে থাকার প্রয়াস পেয়েছে মানুষ দীর্ঘকাল। দার্জিলিং ভ্রমণেও ছোটখাটো কিছু ঝুঁকি রয়েছে। মাঝে-মাঝেই পাহাড়ি অঞ্চলে ছোটখাটো ধস নামে। তবে সেটা বেশি হয় বর্ষা মৌসুমে। শীত বা গরমে সে ঝুঁকিটা একেবারেই নেই। আর গরম জামাকাপড় ব্যবহারে অবহেলা না করলে ঠাণ্ডা লাগার ঝুঁকিটাও কমে যায় একেবারেই। তাছাড়া হোটেল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সবরকম বিষয়ে পরামর্শ করে চলাফেরা করলে স্থানীয় দালাল বা হারিয়ে যাওয়ার আশংকা থেকেও আপনি পেয়ে যাবেন পুরোপুরি মুক্তি।

মোট খরচ
স্বল্প খরচে, অল্প আরামে মনটাকে মানিয়ে নিতে পারলে শীত মৌসুমে মাত্র ১০,০০০ টাকার মধ্যেই আপনি সেরে নিতে পারেন স্বপ্নপুরী দার্জিলিং দেখার যাবতীয় কার্যক্রম। ভালো কথা, এ হিসাবটা শুধু বুড়িমারী সীমান্ত পথের। কলকাতার শিয়ালদহ হয়ে গেলে এ হিসাব বেড়ে দাঁড়াবে সর্বসাকুল্যে ১৫০০০ টাকায়। আমাদের দেশে রয়েছে অসংখ্য ট্যুরিজম কোম্পানি, যারা দার্জিলিংসহ বিশ্বের বিভিন্ন স্থানে প্যাকেজ ট্যুরের আয়োজন করে থাকে।

মণিপুরী উপজাতি গ্রাম__________________বাংলাদেশের যে কয়েকটি জেলা প্রাকৃতিক সৌন্দর্য এ ভরপুর মৌলভীবাজার জেলা তার মধ্যে অন্...
12/12/2015

মণিপুরী উপজাতি গ্রাম
__________________

বাংলাদেশের যে কয়েকটি জেলা প্রাকৃতিক সৌন্দর্য এ ভরপুর মৌলভীবাজার জেলা তার মধ্যে অন্যতম। সিলেট বিভাগের মৌলভীবাজার জেলায় বিভিন্ন উপজাতিরা বসবাস করে। মণিপুরী উপজাতিদের বসবাস এই মৌলভীবাজার জেলাতেই।



কোথায় অবস্থিত

সিলেট বিভাগের মৌলভীবাজার জেলার কমলগঞ্জ উপজেলার ৬নং আলিনগর ইউনিয়নে ঐতিহাসিক মংগলপুর গ্রাম অবস্থিত। এই গ্রামেই মণিপুরী উপজাতিরা বসবাস করে।



দেখতে পাবেন

ভূ-মানচিত্রে ২৪°২০'০০" উত্তর অক্ষাংশে এবং ৯১°৫৩'০০" পূর্ব দ্রাঘিমাংশে কমলগঞ্জ অবস্থিত। কমলগঞ্জের পূর্বে সবুজ শ্যামল সুনছড়া চা বাগান । কমলগঞ্জ থেকে মাত্র আড়াই মাইল পূর্বে ভারতের সীমান্ত । সীমান্তের অপর পাড়ে ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের উত্তর ত্রিপুরার কৈলাসর মহকুমার অন্তর্গত মূর্তিছড়া চা বাগানের অবস্থান। পশ্চিম পাশ জুড়ে বিখ্যাত লাগাটা নদী, তার পশ্চিম কূলে প্রাচীন ঐতিহাসিক মংগলপুর গ্রাম, এখানে মণিপুরী সম্প্রদায়ের লোক বাস । তার পশ্চিমে ডবল-ছড়া, লাউয়া ছড়া পর্যটন কেন্দ্র এবং চায়ের রাজধানী শ্রীমঙ্গল । দক্ষিণ পাশ দিয়ে ঝির ঝির করে বহে চলছে ভারতের পাহাড় থেকে নেমে আসা পাহাড়ি কন্যা খুব ছোট্ট নদী যার নাম সুনছড়া। প্রস্থে ছোট বলে অনেকে নদী না বলে ঝিরি বা ছড়া বলে থাকেন। শুধু বৈশাখ মাসে নয়, বারোমাসই পা ভেজানো পানি থাকে । তবে যখন অতিবর্ষণ হয় তখন পানিতেলে টইটম্বুর প্রবল বেগে ভাটির দিকে নেমে চলে। সেই সময়ে সাময়িক ভাবে দুইপাশের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। তখন গরু ঘোড়া কেন কোন মানবও খরস্রোতকে উপেক্ষা করে পাড় হতে পারেনা। সুনছড়ার দক্ষিণ পাশে চিৎলীয়া গ্রাম ও বিশাল হলদির হাওড়। আরও দক্ষিণে ইতিহাস প্রসিদ্ধ আদমপুর, তারও দক্ষিণে পর্যটন কেন্দ্র মাধবপুর লেক, এখানেও মনিপুরী সম্প্রদায়ের বাস । আরও দক্ষিণে সদ্য লোক নজরে আসা নয়ন কাড়া বাংলাদেশের বৃহত্তম জলপ্রপাত হামহাম। গ্রামের উত্তর পাশে লাংলিয়া গ্রাম। তার উত্তরে আলিনগর চা বাগান, ৪ মাইল উত্তরে ঐতিহাসিক শমশের-নগর এয়ারপোর্ট অবস্থিত। আরও উত্তরে লংলার পৃথিমপাশার ঐতিহ্যবাহী নবাব বাড়ি এবং পর্যটন কেন্দ্র মাধবকুণ্ড জলপ্রপাত।



প্রধান আকর্ষণ

মণিপুরীদের জীবনযাত্রা খুব কাছ থেকে দেখা, তাদের কৃষ্টি-আচার ব্যবহারের সাথে পরিচিতি হওয়া, মণিপুরী নৃত্য, মণিপুরী গান বাজনা, মণিপুরীদের সভ্যতা অবলোকন করা।



কিভাবে যাবেন

ঢাকার সায়েদাবাদ বাসটার্মিনাল, গাবতলী বাসটার্মিনাল থেকে বাসে করে ও কমলাপুর রেলষ্টেশন থেকে ট্রেনে করে মৌলভীবাজার যাওয়া যায়। মৌলভীবাজার থেকে বাসে বা যে কোন যানবহনে করে মংগলপুর গ্রামে যাওয়া যায়।



কোথায় থাকবেন

মনিপুরীদের সাথে সখ্যতা গড়ে উঠলে তাদের বাড়িতেই থাকা যাবে। এছাড়া মৌলভীবাজার, কমলগঞ্জে থাকার মতো অনেক আবাসিক হোটেল আছে, ইচ্ছা করলে সেখানেও থাকা যায়।

মহেশখালী_______বাংলাদেশের একমাত্র পাহাড়ী দ্বীপ মহেশখালী। চার পাশে সমুদ্র মাঝখানে পাহাড় আর সমতল ভূমি। এই দ্বীপে শীতকালে প...
12/12/2015

মহেশখালী
_______
বাংলাদেশের একমাত্র পাহাড়ী দ্বীপ মহেশখালী। চার পাশে সমুদ্র মাঝখানে পাহাড় আর সমতল ভূমি। এই দ্বীপে শীতকালে পর্যটকদের ভীড় বেশী থাকে। বাংলাদেশের মূল ভূখন্ড থেকে এখানে যাওয়ার বাহন শুধুমাত্র লঞ্চ, স্পীডবোর্ট এবং নৌকা।





দর্শণীয় স্থান

বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের মন্দির
উপজাতীয়দের তাঁতবস্ত্রের দোকান
মৈনাক পাহাড়ের চূড়ায় আদিনাথ মন্দির
জেলে পাড়া
আদিনাথ বাজার
জয়ের খাতা
হরিয়ার চরা
জেমঘাট
পাকুয়া
মাতার বাড়ি
পশ্চিম পাড়া
পাহাড়
সমুদ্র সৈকত
শুটকির তৈরীর জায়গা


ঢাকা থেকে যাওয়ার ব্যবস্থা

ঢাকা থেকে বাসে সরাসরি কক্সবাজার যাওয়ার ব্যবস্থা রয়েছে।
এসি এবং ননএসি দুধরনের বাসই চলাচল করে।
ঢাকা থেকে গ্রীণ লাইন, সোহাগ পরিবহন, এস আলম, ইউনিক, সৌদিয়া, চ্যালেঞ্জার, হানিফ এন্টারপ্রাইজ এবং ঈগল পরিবন নিয়মিত চলাচল করে কক্সবাজারের উদ্দেশ্য।
সকাল ৬ টা থেকে রাত ১২ টা পর্যন্ত গাড়ীগুলো কক্সবাজারের উদ্দেশ্যে ছেড়ে যায়।
কক্সবাজারের কস্তুরী ঘাট থেকে লঞ্চ, স্পীডবোর্ট এবং নৌকা ছেড়ে যায় মহেশখালীর উদ্দেশ্যে।
কক্সবাজার থেকে মহেশখালী পৌঁছাতে সময় লাগে ১ ঘন্টা থেকে ১.৫ ঘন্টা

আলুটিলা রহস্য গুহা_______________পর্যটক আকর্ষণের দিক দিয়ে বাংলাদেশে সর্ব প্রথম হচ্ছে কক্সবাজার। এ বিষয় নিয়ে কারো কোনো দ্...
11/12/2015

আলুটিলা রহস্য গুহা
_______________

পর্যটক আকর্ষণের দিক দিয়ে বাংলাদেশে সর্ব প্রথম হচ্ছে কক্সবাজার। এ বিষয় নিয়ে কারো কোনো দ্বিমত পোষণ করার অবকাশ নেই। শুধু বাংলাদেশী নয় সারা বছর জুড়েই বিদেশী পর্যটকদের আনাগোনায়ও পৃথিবীর এই বৃহত্তম ব-দ্বীপটি মুখরিত থাকে। কক্সবাজার জেলারই একটি দৃষ্টিনন্দন স্থান হলো মহেশখালী দ্বীপ। কক্সবাজার ভ্রমণে গিয়ে মহেশখালী না গেলে ভ্রমণটাই বৃথা আর মহেশখালী যাওয়ার অন্যতম কারণ হলো সোনাদিয়া দ্বীপ দর্শন।

কক্সবাজার জেলা থেকে মহেশখালীর দূরত্ব ১২ কিলোমিটার। কক্সবাজার থেকে উত্তর-পশ্চিমে এবং মহেশখালি দ্বীপের দক্ষিনে সোনাদিয়া দ্বীপটি অবস্থিত। একটি খাল দ্বারা এটি মহেশখালি দ্বীপ থেকে বিছিন্ন হয়েছে। আর মহেশখালী থেকে ৭ কিলোমিটার দূরে সাগরের বুকে সোনাদিয়া দ্বীপটি অবস্থিত। মহেশখালী উপজেলার অর্ন্তগত হোয়ানক ইউনিয়নে অবস্থিত সোনাদিয়া দ্বীপটির আয়তন ৯ বর্গকিলোমিটার। ম্যানগ্রোভ ও উপকূলীয় বনের সমন্বয়ে গঠিত এই দ্বীপটি। সাগরের গাঢ় নীল জল, লাল কাঁকড়া, কেয়া বন, সামুদ্রিক পাখি সবমিলিয়ে এক ধরনের রোমাঞ্চিত পরিবেশ সবসময় এই দ্বীপে বিরাজ করে।



মহেশখালী থেকে সোনাদিয়া দ্বীপ যাওয়ার পথের সবকিছুই মনে হবে শিল্পীর তুলিতে আঁকা কোনো এক অকৃত্রিম ছবি চোখের সামনে ভাসছে। এ দৃশ্য যেনো কোনোদিন ভোলার নয়। এখানকার খালের পানি এতোটাই স্বচ্ছ ও টলটলে দেখে মনে হবে যেনো কোনো কাচের উপর দিয়ে নৌযানটি এগিয়ে চলেছে। যা দেখলে শত বছরের দু:খ-কষ্ট এক নিমেষেই ভুলে যেতে বাধ্য। সমুদ্র থেকে সৃষ্টি হয়ে ভিতরের দিকে গিয়ে খালটি কয়েকটি শাখা প্রশাখায় ছড়িয়ে অনেক দূর পর্যন্ত প্রবাহিত হয়েছে। খালের দু-পাশে সবুজ বন। এসব বনে রয়েছে কেওড়া, হারগোজা, উড়িঘাস এবং কালো ও সাদা বাইন বৃক্ষ।

আয়নার মত স্বচ্ছ পানি পাহাড়ের শরীর বেঁয়ে আছড়ে পড়ছে বড় বড় পাথরের গায়ে। গুড়ি গুড়ি জলকনা আকাশের দিকে উড়ে গিয়ে তৈরি করছে কুয়া...
11/12/2015

আয়নার মত স্বচ্ছ পানি পাহাড়ের শরীর বেঁয়ে আছড়ে পড়ছে বড় বড় পাথরের গায়ে। গুড়ি গুড়ি জলকনা আকাশের দিকে উড়ে গিয়ে তৈরি করছে কুয়াশার আভা। বুনোপাহাড়ের ১৫০ ফুট উপর হতে গড়িয়ে পড়া স্রোতধারা কলকল শব্দ করে এগিয়ে যাচ্ছে পাথরের পর পাথর কেটে সামনের দিকে তার গন্তব্যে। চারিপাশ গাছ গাছালি আর নাম না জানা হাজারো প্রজাতীর লাত পাতা ও লতা গুল্মে আচ্ছাদিত হয়ে আছে পাহাড়ী শরীর। স্রোতধারা সে লতাগুল্মকে ভেদ করে গড়িয়ে পড়ছে ভুমিতে।



প্রকৃতির অপরূপ লীলাভুমি মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলায় নতুন সন্ধান পাওয়া রোমাঞ্চকর নয়নাভিরাম হামহাম জলপ্রপাত একনজর দেখার জন্য দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে পর্যটকদের আগমনে মুখরিত হয়ে উঠছে দিনে দিনে। দীর্ঘ পাহাড়ের আঁকাবাঁকা উঁচু-নিচু পথে অনেক কষ্টে গহীন অরন্যে এই জলপ্রপাতকে দেখতে প্রতিদিন আগমন ঘটছে দিনে দিনে পর্যটকদের ঢল।

সিলেট বিভাগের মৌলভীবাজার জেলার কমলগঞ্জ উপজেলার রাজকান্দি রিজার্ভ ফরেস্টের কুরমা বনবিটের গহিন অরণ্যঘেরা দুর্গম পাহাড়ী এলাকার এই জলপ্রপাতটি অবস্থিত। স্থানীয় বাসিন্দারা একে হামহাম ঝর্না বা অনেকে হাম্মাম ঝর্না বলে ডাকে। এ জলপ্রপাতে যাবার কোনো রাস্তা না থাকলেও পর্যটকরা দূর্গম পাহাড় ও ছোট ছোট আকাবাকা এবং উচু উচু পাহাড় ডিংগিয়ে অনেক কষ্ট করে এখানে ছুটে যান প্রকৃতির নির্মল বিনোদন লাভের আশায়।

সরকারী পৃষ্ঠপোষকতা ও উদ্যোগের অভাবে এখানকার যোগাযোগ ব্যবস্থা একেবারেই নাজুক। এছাড়া প্রচার প্রচারনার অভাবেও বাংলাদেশের অন্যতম এই জলপ্রপাতটি দীর্ঘদিন পর্যন্ত লোকচক্ষুর অন্তরালে ছিলো।


পথের দু পাশের বুনো গাছের সজ্জা যে কোনো পর্যটকের দৃষ্টি ফেরাতে সক্ষম। জারুল, চিকরাশি ও কদম গাছের ফাঁকে ফাঁকে রঙিন ডানা মেলে দেয় হাজারো প্রজাপতি। চশমা বানরের আনাগোনা ডুমুর গাছের শাখায় । চারদিকে গাছগাছালি ও প্রাকৃতিক বাঁশবনে ভরপুর এ বনাঞ্চল। ডলু, মুলি, মিটিংগা, কালি ইত্যাদি অদ্ভুত নামের বিভিন্ন প্রজাতির বাঁশ এ বাগানগুলোকে দিয়েছে ভিন্ন এক রূপ। পাথুরে পাহাড়ের ঝিরি পথে হেঁটে যেতে যেতে সুমধুর পাখির কলরব মনকে ভাললাগার অনুভূতিতে ভরিয়ে দেবে। দূর থেকে কানে ভেসে আসবে বিপন্ন বন মানুষের ডাক। কিছুদূর এগিয়ে যাওয়ার পর শুরুতে আপনার দু’চোখের সামনে ভেসে উঠবে পাহাড় থেকে ধোঁয়ার মতো ঘন কুয়াশা ভেসে উঠার অপূর্ব দৃশ্য। মনে হবে যেন ওই নয়নাভিরাম পাহাড় আপনাকে হাতছানি দিয়ে ডাকছে। এভাবেই হাটতে হাটতে একসময় পৌঁছে যাবেন আপনার কাঙ্খিত হামহাম জলপ্রপাতের খুব কাছাকাছি। কিছু দূর এগুলেই শুনতে পাবেন হামহাম জলপ্রপাতের শব্দ।

চারিদিকে এক শীতল শান্ত পরিবেশ। ডানে বামে চোখ ফেরানোর উপায় নেই। কেবলই ইচ্ছে করবে তাকিয়ে থাকি সৃষ্টিকর্তার এই অনন্য সৃষ্টির জন্য। জঙ্গলে উল্লুক, বানর আর হাজার পাখির ডাকাডাকির সাথে ঝর্নার ঝড়ে পড়ার শব্দ মিলে মিশে তৈরি হয়েছে অদ্ভুত এক রোমাঞ্চকর পরিবেশ। ক্ষনিকের জন্য ভূলেই যেতে হবে কোথায় আছি, কিভাবে আছি। উপরে আকাশ, চারিদিকে বন, পায়ের নিচে ঝিরির স্বচ্ছ জল আর সম্মুখে অপরূপ ঝর্না।

কমলগঞ্জ শহর থেকে প্রায় ৩৮কিঃমিঃ পূর্ব-দক্ষিণে রাজকান্দি বন রেঞ্জের কুরমা বনবিট এলাকায় এ জলপ্রপাতের অবস্থান। এ দর্শনীয় স্থানে যেতে হলে কমলগঞ্জ ও শ্রীমঙ্গল শহর থেকে স্থানীয় মিনিবাস, জীপ, মাইক্রোবাস ও সিএনজি নিয়ে কমলগঞ্জের-কুরমা চেকপোষ্ট পর্যন্ত প্রায় ২৫কিঃ পাকা রাস্তা বাকী ১৫/২০ কিঃ মিঃ মাটির রাস্তায় পায়ে হেঁটে চাম্পা রায় চা বাগানের ভেতর দিয়ে কলাবন বস্তি হয়ে মোকামটিলায় গেলে দেখা পাওয়া যায় ১৫০ফুট উচ্চতা ও ৮০ ফুট প্রস্তের এই হাম্মাম জলপ্রপাত।

Address

29/A Toyenbee Circular Road, Motijheel
Dhaka
1000

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Air Cross Tours and Travels posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Air Cross Tours and Travels:

Share

Category