Stem Cell Nutrition Therapy

Stem Cell Nutrition Therapy Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Stem Cell Nutrition Therapy, Rampura, Dhaka.

07/04/2026
দুর্বলতা ও ক্লান্তি দূর করতে প্রাকৃতিক ৫টি শক্তিশালী উপাদান দিয়ে তৈরি  প্রাইম কিং কফি 🌿বর্তমান ব্যস্ত জীবনে অনেকেই শরীরে...
11/03/2026

দুর্বলতা ও ক্লান্তি দূর করতে প্রাকৃতিক ৫টি শক্তিশালী উপাদান দিয়ে তৈরি প্রাইম কিং কফি 🌿
বর্তমান ব্যস্ত জীবনে অনেকেই শরীরের দুর্বলতা, ক্লান্তি ও কর্মক্ষমতা কমে যাওয়ার সমস্যায় ভুগছেন। প্রাকৃতিক কিছু উপাদান আছে, যেগুলো শরীরের শক্তি, স্ট্যামিনা এবং যৌন শক্তি বৃদ্ধিতে সহায়ক হতে পারে।
☕ এরাবিকা (Arabica)
উন্নত মানের কফি বীজ।
✔ শরীরে প্রাকৃতিক এনার্জি বাড়ায়
✔ মস্তিষ্ককে সতেজ ও সক্রিয় রাখে
✔ ক্লান্তি কমাতে সাহায্য করে
✔ অ্যান্টিঅক্সিডেন্টে সমৃদ্ধ
☕ রাবুস্টা (Robusta)
ক্যাফেইন বেশি থাকা আরেক ধরনের কফি বীজ।
✔ দ্রুত শক্তি প্রদান করে
✔ মনোযোগ ও কর্মক্ষমতা বাড়ায়
✔ শরীরের ক্লান্তি দূর করতে সহায়ক
🌱 মাকা রুট (Maca Root)
পেরুর পাহাড়ি অঞ্চলের একটি শক্তিশালী ভেষজ মূল।
✔ শরীরের শক্তি ও সহনশীলতা বাড়ায়
✔ হরমোনের ভারসাম্য বজায় রাখতে সাহায্য করে
✔ যৌন শক্তি ও কর্মক্ষমতা বৃদ্ধিতে সহায়ক
🌿 টংকাত আলী (Tongkat Ali)
দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বিখ্যাত ভেষজ উদ্ভিদের শিকড়।
✔ স্ট্যামিনা ও শক্তি বাড়াতে সহায়ক
✔ পুরুষদের হরমোন ও যৌন শক্তি বৃদ্ধিতে সাহায্য করে
✔ শরীরের কর্মক্ষমতা উন্নত করে
🌰 গুয়ারানা (Guarana)
ব্রাজিলের একটি উদ্ভিদের বীজ, প্রাকৃতিক ক্যাফেইনে সমৃদ্ধ।
✔ শরীরে দ্রুত এনার্জি দেয়
✔ মনোযোগ ও সতর্কতা বাড়ায়
✔ দীর্ঘ সময় সক্রিয় থাকতে সাহায্য করে
🌿 প্রাকৃতিক এই উপাদানগুলো শরীরের শক্তি, স্ট্যামিনা ও সার্বিক কর্মক্ষমতা উন্নত করতে সহায়ক।

❤️সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক খাদ্য ব্যবস্থাপনায় কিডনি রোগ প্রতিরোধ সম্ভব!🔴দেহের বিস্ময়কর একটি অঙ্গের নাম কিডনি। পেটের ঠিক পেছন...
09/03/2026

❤️সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক খাদ্য ব্যবস্থাপনায় কিডনি রোগ প্রতিরোধ সম্ভব!

🔴দেহের বিস্ময়কর একটি অঙ্গের নাম কিডনি। পেটের ঠিক পেছনে কোমরের একটু সামান্য উপরে স্থাপিত শিমের বিচি আকৃতি ক্ষুদ্র একটি অঙ্গ। লম্বায় ৫ ইঞ্চি চওড়া আড়াই ইঞ্চির মত ওজন ১৫০ গ্রাম। এ ক্ষুদ্র অঙ্গ দুটি প্রতি ২৪ ঘন্টায় ১৮০ লিটার রক্ত পরিশোধন করে দেড় লিটার মুত্র তৈরি করে। দেহের ৫/৬ লিটার রক্ত দিনে প্রায় ৩০ বার কিডনির ভিতর গমন করে। প্রতি মিনিটে ১২০০ মিলিলিটার রক্ত পরিশোধন করে ১ মিলিলিটার মুত্র তৈরি করে।

কিডনি অঙ্গটি অনেক ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র অঙ্গ সমন্বয়ে তৈরি। প্রতি কিডনিতে ১০ লক্ষ ছাঁকনি বা নেফ্রন দু'ই কিডিনিতে ২০ লক্ষ ছাঁকনী রয়েছে। কিডনির মাথার উপর টোপরের মত দুই কিডনিতে দুটি গ্ল্যান্ড (এড্রেনাল গ্ল্যান্ড) রয়েছে।

কিডনির প্রতিটি অঙ্গ বিষেশায়িত কোষ দ্বারা তৈরি। এ বিষেশায়িত কোষগুলোর সম্মিলিত কাজ হচ্ছে কিডনির কাজ। বিষেশায়িত কোষগুলোর অকার্যকারিতাই হচ্ছে কিডনির অকার্যকারিতা।

🔴কিডনির প্রধান প্রধান কাজ নিয়ে আলোচনা করব।
♦ফিলট্রেশন বা রক্ত ছাঁকা: প্রতিমিনিটে প্রায় ১ লিটারের বেশী রক্ত কিডনির ২০ লাখ ছাঁকানী দিয়ে রক্তকনিকা ( রেড,হোয়াইট ও প্লাটিলেট) ও প্রোটিন ছাড়া বাকী সব
( পুষ্টি,মিনারেলস,ভিটামিনস,ইউরিয়া,ইউরিক এসিড, পানি ও ক্রিয়াটিনিন) উপাদান ছাঁকনি দিয়ে বের করে দেয়। ছাঁকনিতে সরবরাহকৃত রক্তের মাত্র ৫ ভাগের ১ ভাগ পরিস্রুত হয় বাকীটা অপরিশোধিত অবস্থায় মুল রক্তস্রোতে ফিরে যায়।
♦রিএবজরবেশন বা পুনরায় শোষন: এ ছাঁকনির আরেকটি অংশ পরিস্রুত সব উপাদান শোষন করে পুনরায় দেহ রক্তে পাঠিয়ে দেয়। কিছু পরিস্রুত উপাদান যেমন ক্রিয়াটিনিন পুনরায় দেহ রক্তে ফিরে যায়না। এটি মুত্র মারফত দেহ থেকে অপসারিত হয়।
♦সিক্রেশন বা নিঃসরন: এ ছাঁকনির অন্য একটি অংশ দেহ রক্ত থেকে অপ্রয়োজনীয় যেমন পটাসিয়াম,হাইড্রোজেন আয়ন ছাঁকনিতে প্রেরন করে।

এ ছাঁকনীকে মেডিকেলের ভাষায় নেফ্রন বলে। দুটি কিডনির ২০ লাখ নেফ্রনকে লম্বা করলে প্রায় ১০০ মাইল হবে। এ নেফ্রন এর অালাদা অালাদা অংশে ফিলট্রেশন, রিএবজরবেশন ও সিক্রেশন সংগঠিত হয়ে সবশেষে বর্জ সহ মুত্র তৈরি হয়। এ মুত্র মুত্রনালী বাহিত হয়ে মুত্র থলিতে জমা হয়। ২৪ ঘন্টায় দুই কিডনি ১৮০ লিটার রক্ত পরিশোধন করে দেড় লিটার বর্জ সহ মুত্র তৈরি করে।

নেফ্রন এর প্রতিটি অংশের কাজ যদি সঠিক ভাবে সম্পন্ন না হয় তবে দেহ রক্তের ভারসাম্যা নষ্ট হয়। যেমন,পানির ভারসাম্যা নষ্ট হয়ে দেহে পানি বেড়ে বা কমে যেতে পারে।সোডিয়াম,পটাসিয়াম ও ক্যালসিয়াম এর ভারসাম্য নষ্ট অর্থাৎ বেড়ে বা কমে যেতে পারে। দেহ বর্জ্য অপসারিত না হয়ে রক্ত জমে যেতে পারে। যেমন ক্রিয়াটিনিন,ইউরিক এসিড। অতিরিক্ত হাইড্রোজেন আয়ন অপসারিত না হতে পেরে দেহ রক্তে জমে রক্তকে এসিডিক করে তোলে। একজন কিডনি রোগীর দেহ তরলের ভারসাম্যহীনতাই প্রধান অসুস্থতা। কিডনির কাজ হচ্ছে দেহ তরলের ভারসাম্য রক্ষা করা।

🔴দুটি কিডনির উপরে টোপরের মত দুটি গ্ল্যান্ড থাকে এটিকে এড্রেনাল গ্ল্যান্ড বলে। এ গ্ল্যান্ডের দুটি অংশ। উপরের অংশকে বলে কর্টেক্স এবং ভিতরের অংশকে মেডুলা বলে। এ দু অংশ থেকেই দেহ ও কিডনি পরিচালনাকারী বেশ কয়েকটি অতি প্রয়োজনীয় হরমোন তৈরি হয়ে দেহ রক্ত স্রোতে মিশে যায়।

যেমন রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা দমনকারী (ইমিউন সাপ্রেসিভ) হরমোন কর্টিকোস্টেরয়েড, পানির ভারসাম্য রক্ষাকারী হরমোন (এন্টি ডাইইউরেটিক), রক্তচাপ নিয়ন্ত্রনকারী হরমোন (এলডোসটেরন), দেহকে সর্তককারী হরমোন (এড্রেনালিন), যৌন উত্তেজনাকারী হরমোন (এন্ড্রোজেন)। এড্রেনাল গ্ল্যান্ডের বিভিন্ন অংশে অবস্থিত বিষেশায়িত কোষ এ ভিন্ন ভিন্ন হরমোনগুলো তৈরি করে।

এছাড়া কিডনির কাজকে নিয়ন্ত্রন করে দেহের উচ্চরক্তচাপ নিয়ন্ত্রন করে এমন হরমোন তৈরি হয় হৃদপেশীতে। এ হরমোনটির নাম এএনপি(আট্রিয়াল ন্যাট্রাই ইউরেটিক পেপটাইড )। দেহে যখন উচ্চ রক্তচাপ হয় তখন হার্ট এ হরমোনটি তৈরি করে রক্তে ছেড়ে দেয়। হরমোনটি কিডনিতে রক্ত সরবরাহ বাড়ায় ফলে অতিরিক্ত ফিলট্রেশন হয় এবং অতিরিক্ত মুত্র তৈরি হয়। বাড়তি পানি বেড় করার মাধ্যমে রক্তচাপ নিয়ন্ত্রনে অাসে।

কিডনি নিজেই একটি হরমোন তৈরি করে এটির নাম রেনিন। এ হরমোনটিও দেহের নিন্ম রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে কাজ করে। দেহে যখন নিন্মরক্তচাপ হয় তখন কিডনি এ রেনিন হরমোনটি তৈরি করে রক্তে ছেড়ে দেয়। এটি ফুসফুস থেকে নিঃসৃত একটি প্রোটিন এনজিওটেনসিন এর মিশে এনজিওটেনসিন + রেনিন যৌগ তৈরি করে। এ যৌগটি সরাসরি কিডনির পানি পুনশোষন ক্ষমতা বৃদ্ধি করে রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করে।

উপরিউক্ত আলোচনা থেকে বুঝা যায় এ ক্ষুদ্র অঙ্গটি দেহের প্রয়োজনে অনেক জটিল জটিল কার্য সম্পন্ন করে। পুরো অঙ্গটি অনেক ধরনের বিষেশায়িত কোষ দ্বারা নির্মিত। প্রতিটি কোষের নিজস্ব দায়িত্ব সম্পাদনের মাধ্যমে পুরো প্রক্রিয়াটি সঠিক ভাবে সম্পাদন হলেই সুস্থ কিডনি দাবী করা যায়। অর্থাৎ রক্ত ফিলট্রেশন শুরু থেকে মুত্র তৈরি হওয়া পর্যন্ত।

কিডনি ক্ষতির মুল কারন এসিডিক ফুড ও অতিরিক্ত লবন। আমাদের প্রতিদিনের খাবার রসায়নের ভাষায় ৩ টি শব্দে দেহ বুঝে নেয়। এ ৩ টি শব্দ হচ্ছে এসিডিক,এলকালাইন ও ক্যালোরি।

এসিডিক খাবার বলতে যা বুঝায় অপ্রাকৃত খাবার। অপ্রাকৃত বলতে বুঝায় যে খাবার তাপ ও সংরক্ষনের কারনে এর প্রাকৃতিক গুনবলী হারিয়ে ফেলেছে। আমেরিকায় খাদ্য নিয়ে গবেষনায় জানা গেছে মাত্র ৬৫ ডিগ্রি সেঃগ্রেড তাপমাত্রায় খাদ্যের প্রাকৃতিক গুনাবলী কমতে থাকে। প্রোটিন ও চর্বি জাতীয় খাবারের বিপাকের ফলে বর্জ হিসাবে শক্তিশালী এসিড তৈরি হয় যা বের হওয়ার একমাত্র পথ কিডনি।

সরাসরি প্রকৃতির উৎস থেকে আসা সব খাবারই এলকালাইন ফুড। এ ফুডই দেহের উপযুক্ত খাবার।

প্রতিটা খাদ্যের ভিতর গোপন শক্তি লুকায়িত থাকে। এ শক্তি ভাঙ্গার সময় তাপ উৎপাদন হয়। এ তাপকেই ক্যালোরি বলে। দেহ ব্যবস্থা পরিচালনার জন্য একটি নির্দিষ্ট ক্যালোরি প্রয়োজন হয়। আর এ ক্যালোরির জোগান আসে খাদ্য থেকে। প্রতিগ্রাম প্রোটিন ও কার্ব থেকে ৪ ক্যালোরি এবং প্রতি গ্রাম চর্বি থেকে ৯ ক্যালোরি তাপ উৎপন্ন হয়। দেহের প্রয়োজনের অতিরিক্ত অব্যবহৃত ক্যালোরি চর্বিতে পরিনত হয়। এ চর্বি রক্তনালীতে জমে নালীপথ সরু করে ফেলে। ফলে দেহরক্ত চলাচল বিঘ্ন ঘটে। কিডনির অভ্যন্তরে অনেক ঘন রক্ত জালিকা থাকে। রক্ত পরিশোধনের জন্য ২৪ ঘন্টায় ১৮০ লিটার রক্ত কিডনির ভিতর প্রবেশ করে। এতে দুর্বল কিডনির রক্ত জালিকা ক্ষতিগ্রস্ত হয়। কিডনির সুস্থতায় ক্যালোরি নিয়ন্ত্রন করা জরুরি।

সোডিয়াম ক্লোরাইড বা খাওয়ার লবন কিডনির স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর। অতিরিক্ত লবন দেহ রক্ত ঘন করে। ফলে কিডনি দিয়ে ঘন রক্ত প্রবেশের ফলে ফিলট্রেশন প্রক্রিয়া ব্যহত হয় এবং ঘনত্বের ভারসাম্য রক্ষার জন্য জলীয় অংশ বেশী ঘনত্ব থেকে কম ঘনত্বে ধাবিত হয়। এককথায় অসমোসিস প্রক্রিয়া ব্যহত হয়। দেহের ভিতর কোষ এবং কোষ বহিস্ত: সকল বস্তুর আদান প্রদান এ অসমোসিস প্রক্রিয়ায় সম্পন্ন হয়। অতিরিক্ত লবন ও গ্লুকোজ এ প্রক্রিয়া ব্যহত করার মাধ্যমে দেহের ভারসাম্য নষ্ট করে।

প্রাথমিক কিডনি সমস্যা নির্ধারন করা হয় রক্তে ক্রিয়াটিনিন এর উপস্থিতি দেখে। রক্তে ক্রিয়াটিনিন এর উপস্থিতি ১ এর নিচে থাকে। ক্রিয়াটিন ( এক ধরনের জৈব অনু যা লিভার ও কিডনিতে তৈরি হয়ে দেহ পেশী ও ব্রেইনে জমা থাকে। এটি পেশীর শক্তি তৈরিতে ব্যায় হয়) দেহ পেশীত শক্তি হিসাবে ব্যয় হয়ে বর্জ হিসাবে দেহে ক্রিয়াটিনিন তৈরি হয়। এ বর্জ প্রায় পুরোটা কিডনি দিয়ে মুত্র মারফত বেরিয়ে যায়। কিডনির সঠিক ভাবে কাজ করছে কিনা তা দেখার জন্য রক্তের ক্রিয়াটিনিন মাপা হয়। কারন সুস্থ কিডনি রক্তে ক্রিয়াটিনিন জমতে দেয়না। ক্রিয়াটিনিন কিডনির কোন রোগ নয়। সুস্থ কিডনি সবচেয়ে বেশী যে বর্জ্যটি বের করে দেয় সেটি হচ্ছে ক্রিয়াটিনিন। এজন্য রক্তে বেশী মাত্রায় ক্রিয়াটিনিন এর উপস্থিতিকে কিডনির দুর্বলতা মনে করা হয়।

🔴আমার জানা মতে আধুনিক চিকিৎসায় কিডনি সুস্থ করার কোন ড্রাগ নেই। যা আছে রোগ ব্যবস্থাপনা। কিডনি সমস্যায় আধুনিক চিকিৎসায় যে যে ব্যবস্থাপনা দেয়া হয় তা নিয়ে একটু আলোচনা করব।

কিডনি রোগীদের উচ্চরক্তচাপ, শরীরে পানি আসা অর্থাৎ হাত,পা,মুখমন্ডলে ফুলে যাওয়া প্রধান সমস্যা। দেহ রক্তে অতিরিক্ত ক্রিয়াটিনিন থাকলে এ সিমটোম প্রকাশ করবে। এ সব ব্যবস্থাপনার জন্য চিকিৎসক যে ড্রাগ ব্যবহার করেন সেগুলো হচ্ছে; এমলোডিপিন, লসার্টান (উচ্চরক্তচাপ কমানোর ড্রাগ), এটরভাসটাটিন (কোলেষ্টেরল কমানোর ড্রাগ,ফ্রুসেমাইড (শরীরের পানি কমানোর ড্রাগ)।

🔴ক্রিয়াটিনিন কমানোর কোন ড্রাগ নেই। এটি পানিতে দ্রবনীয়। তাই অতিরিক্ত মুত্র নিঃসরনে এটি দেহ থেকে কিছুটা বেড় হয়ে যায়। সাথে অন্যান্য বর্জ্যও মুত্র দিয়ে বের হয়। কিন্তু কিডনি একেবারেই অকেজো হলে এ ড্রাগ ম্যানেজমেন্ট কাজ করেনা। তখন দেহ বর্জ্য অপসারনের জন্য ডায়ালাইসিস করতে হয়। ডায়ালাইসিস একটি যন্ত্র যা দেহের বাইরে কৃত্রিম কিডনি হিসাবে কাজ করে। ডায়ালাইসিস রোগীদের গড় আয়ু ৫ বৎসর।

কিডনি বিকল রোগীদের সবশেষ ব্যবস্থাপনা কিডনি ট্রান্সপ্ল্যান্ট। একটি কিডনি দেহে প্রতিস্থাপন করার নামই হচ্ছে কিডনি ট্রান্সপ্ল্যান্ট। এটি অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। কিডনি ট্রান্সপ্ল্যান্ট রোগীদের গড় আয়ু ১০ থেকে ১৫ বছর। মৃত্যুঅবধি ব্যবস্থাপনা খরছ অনেক।

উপরিউক্ত আলোচনা থেকে এটি পরিষ্কার যে, কিডনি অকেজো হলে আধুনিক চিকিৎসায় কিছু সময় বেঁচে থাকা যায় সুস্থ হওয়া যায়না।

এখন আলোচনা করব প্রাকৃতিক ব্যবস্থাপনায় কিডনির সুস্থতা দেয়া যায় কিনা। এ অংশটুকুর আলোচনার গুরুত্ব অনেক।

কিডনির গঠন নিয়ে পূর্বের আলোচনায় জেনেছি এটি বিশেষায়িত কয়েক ধরনের কোষ দ্বারা নির্মিত। এ কোষগুলোর একটি বিশেষ ক্ষমতা রয়েছে। ক্ষমতাটি হচ্ছে রিপেয়ার, রিপ্লেইস এবং রিজেনারেট। বিজ্ঞানীরা নিশ্চিত করেছেন কিডনি সারা জীবনই রিপেয়ার, রিপ্লেইস ও রিজেনারেট করে।(https://med.stanford.edu/news/all-news/2014/06/adult-kidneys-constantly-grow.html)

💚কোষের নির্দিষ্ট খাদ্য পুষ্টি সরবরাহ করলে দেহ কোষের এ ক্ষমতার পুর্নবহাল করা সম্ভব হয়। কিডনি রোগীরা টানা ৬ মাস নিচের খাদ্য তালিকা অনুসরন করলে পুরো কিডনি নতুন ভাবে তৈরি হতে পারে।
♦ প্রোটিনের উৎস হিসাবে প্রানিজ আমিষ পরিহার করতে হবে। উদ্ভিজ্জ আমিষ যোগ করতে হবে। যেমন, স্পাইরুনিলা ও সয়াপ্রোটিন উদ্ভিজ্জ আমিষের সেরা উৎস। ৩০ গ্রাম সয়াপ্রোটিন ও ১৫ গ্রাম স্পাইরুনিলা প্রতিদিনের খাদ্যে রাখলে প্রোটিন চাহিদা পূর্ণ হবে।
♦পরিমিত পরিমান কার্বোহাইড্রেট (শাক সবজি, ফল ভাত রুটি) খেতে হবে যা সারা দিনে ৩০০ থেকে ৩৫০ গ্রামের বেশী না হয়।
♦চর্বির উৎস হিসাবে ওমেগা ৩ খেতে হবে দৈনিক ২০০০ মিলিগ্রাম।
♦এ টু জেড ভিটামিনস ও মিনারেলস খেতে হবে ১ টি করে টেবলেট বা ক্যাপসুল।
♦সব ধরনের তেলে ভাজা ও বেকারী খাবার বাদ দিতে হবে।
♦কিছু বিশেষায়িত প্রাকৃতিক ঔষধী খাদ্য খেতে হবে যেটি কোষ রিজেনারেটকে উদ্দীপিত করে।

Written by:
Dr.Shebendra karmakar
Honorary PhD IUM USA
PhD in Natural Medicine USA

It was thought that kidney cells didn't reproduce much once the organ was fully formed, but new research shows that the kidneys are regenerating and repairing themselves throughout life.

❤️হলুদ একটি প্রাকৃতিক স্টেরয়েড মেডিসিন🔴আধুনিক ড্রাগ চিকিৎসায় যে কোন প্রদাহ বিরোধী ড্রাগ হিসাবে অত্যন্ত কার্যকর ড্রাগ হচ্...
20/02/2026

❤️হলুদ একটি প্রাকৃতিক স্টেরয়েড মেডিসিন

🔴আধুনিক ড্রাগ চিকিৎসায় যে কোন প্রদাহ বিরোধী ড্রাগ হিসাবে অত্যন্ত কার্যকর ড্রাগ হচ্ছে ‘স্টেরয়েড’। যার জেনেরিক নাম‘গ্লুকোকর্টিকোস্টেরয়েড’ যার একটি বানিজ্যিক নাম হচ্ছে প্রেডনিসোলন’ (C21H28O5)। এটি ল্যাবে প্রস্তুত একটি কৃত্রিম হরমোন। অত্যন্ত মারাত্মক প্রদাহে আধুনিক ডাক্তারগন ইনজেকশান আকারে এটি ব্যবহার করেন।

🔴‘গ্লুকোকর্টিকোস্টেরয়েড’ একটি হরমোন যেটি মানুষের কিডনির এড্রেনাল গ্ল্যান্ডে তৈরি হয়। এ হরমোন এর কাজ হচ্ছে দেহ কে সর্বদা প্রস্তুত রাখা যাতে যে কোন ধরনের বিপদ মোকাবেলা করার জন্য দেহের অঙ্গ প্রত্যঙ্গ গুলো মুহুর্তের মধ্যে প্রস্তুতি নিতে পারে। যেমন যে কোন জীবানুর আক্রমন তাৎক্ষনিক প্রতিহত করে দেহকে জীবানু মুক্ত করা আবার যে কোন খারাপ সংবাদে বা ভাল সংবাদে দেহকে অভিযোজিত করা এর কাজ। যে কান ভয়ংকর বিপদের মুখোমুখি থেকে চমৎকার আত্মরক্ষার কৌশলের নির্দেশনা আসে এ হরমোন থেকে।

কিডনির এড্রেনাল গ্ল্যান্ডের কর্টেক্স অংশ এর কোষ এ হরমোন উৎপাদন করে। এ হরমোনের কাঁচামাল হচ্ছে ফ্যটিএসিড। আর ফ্যাটি এসিডের উৎস হচ্ছে প্রাকৃতিক খাদ্য। শুধু উদ্ভিদ এই ফ্যাটিএসিড প্রস্তুত করে থাকে। প্রাকৃতিক খাদ্যের স্বল্পতা এবং অধিক টক্সিক খাদ্যের কারনে কিডনির এড্রেনালগ্ল্যানড ‘ কর্টিকোস্টেরয়েড’ উৎপাদন ক্ষমতা হারিয়ে ফেলে। ফলে দেহের পুরো ভারসাম্য নষ্ট হয়ে নানা মুখি রোগে আক্রান্ত হয়।

হলুদ একটি প্রাকৃতিক ‘স্টেরয়েড’। হলুদের একটি প্রাকৃতিক উপাদান হচ্ছে ‘কারকিউমিন’(C21H20O6)। রাসায়নিক গঠন বিশ্লেষন করলে দেখা যায় গ্লুকোকর্টিকোস্টেরয়েড’
(C21H28O5) ও ‘কারকিউমিন’
(C21H20O6) এ কার্বন সংখ্যায় পুরোপুরি মিল রয়েছে। আর কার্বন সংখ্যায়ই নির্ধারন করে ঐ উপাদানটির ব্যবহারিক কার্যকারীতা। মূলতঃ প্রকৃতিতে যত হলুদ রং আছে এর সবই কারকিউমিন (C21H20O6)।

🔴কারকিউমিন (C21H20O6) একটি প্রাকৃতিক স্টেরয়েড যা কিছু উদ্ভিদ কোষ সূর্য়ের হলুদ বর্ণালীকে কোষে সংরক্ষন করে। সুতরাং মানুষের জীবনী শক্তির উৎস সূর্যের আলো। উদ্ভিদ সেই রশ্মিকে কোষে সংরক্ষন করে জীব সেই উদ্ভিদ ভক্ষনের মাধ্যমে সূর্য শক্তিকে ব্যবহার করে বেঁচে থাকে। কৃত্রিম ড্রাগ চিকিৎসা কখনোই প্রাকৃতিক চিকিৎসার বিকল্প হতে পারে না। প্রাকৃতিক কারকিউমিন নিয়মিত সেবনে দেহে প্রাকৃতিক ভারসাম্য প্রতিষ্ঠিত হয়। হলুদ প্রাকৃতিক কারকিউমিন এর একটি চমৎকার উৎস। হার্বাল মেডিসিন হিসাবে কারকিউমিন ,স্টেরয়েড ড্রাগ এর পরিবর্তে ব্যবহার করা যায়।

ড.শিবেন্দ্র কর্মকার
পিএইচডি ইন ন্যাচারোপ্যাথি, ইউএসএ

STEMCELL is a type of cell exist throughout the body.They remain in a non-dividing state for years until activated by disease .Stem cell can divide or self renewal indefinitely enabling them to generate a range of cell types from the originating organ or even regenerates the entire original organ. S...

14/02/2026

♥শিশুদের জেনিটিক্যাল ডিজিজ "ডিএমডি" নিয়ে সচেতন হউন!

🔴ডিএমডি (DMD:Douchen Muscular Distrophy) একটি জেনিটিক্যাল ডিজিজ। ৩ থেকে ৪ বৎসর বয়সী পুরুষ শিশুদের আক্রান্তের লক্ষন পরিলক্ষিত হয়। দুর্বল পেশী,হাঁটতে না পারা,সিঁড়ি বাইতে না পারা,দাঁড়ানো অবস্থা থেকে হঠাৎ পড়ে যাওয়া এর প্রাথমিক লক্ষন। ধীরে ধীরে হার্টপেশী ও স্নায়ু বেশী অকার্যকর হয়ে ২০/২৫ বৎসর বয়সে মৃত্যুবরণ করে। এ রোগের কোন নিরাময় চিকিৎসা বের হয়নি। আধুনিক ডাক্তারী চিকিৎসা স্টেরয়েড ও ইমিউন সাপ্রেসিভ ড্রাগ ও ম্যানেজমেন্ট দিয়ে মৃত্যুটা আরামপ্রদ করা হয় মাত্র। লাখে ৬ জন শিশু আক্রান্ত হয়। এর জন্য মায়ের ক্রমোজম দায় মনে করা হয়।

🟠এ ডিজিজটি ১৮৮০ সালে প্রথম নজরে আনেন ফ্রান্সের নিউরোলজিস্ট ডুচেন। তার নামানুসারে এ রোগটির নামকরন করা হয় ডিএমডি( ডুচেন মাসকিউলার ডিসট্রপি)। ১৯৮০ সাল পর্যন্ত এর কারণ নির্নয় সম্ভব হয়নি। ১৯৮৬ সালে প্রথম জানা যায় যে,একটি জিন(জেনিটিক্যাল কোড নাম ডিএমডি) এ সমস্যার জন্য চিহৃিত হয়। ১৯৮৭ সালে নিশ্চিত হওয়া যায় যে, এ জিনটি ডিসট্রপিন নামে একটি প্রোটিন তৈরির কোড। এ প্রোটিনটি দেহের মাসেল (পেশী) পুনর্নিমান করে দেহের মাসেল ঠিক রাখে।

আরো জানা যায় এটি দেহের সবচেয়ে বড় প্রোটিন যা ৩৬৮৫ টি এমাইনোএসিডের (একটি খাদ্য পুষ্টি) চেইন। ৪৮ লাখ(২.৪ মিলিয়ন বেইস পেয়ার) নিউক্লিটাইড ( ডিএনএ তৈরির যৌগ অনু) দিয়ে এ জিনটি (জেনিটিক্যাল কোড) তৈরি।এটি দেহ কোষের সবচেয়ে বড় প্রোটিন যার নাম ডিসট্রপিন। এ প্রোটিনটিই দেহের মাসেল তৈরি চলমান রাখে।

প্রত্যেক দেহ কোষে ২৩ জোড়া ক্রমোজম থাকে। একটি ক্রমোজম বাবার ও একটি ক্রমোজম মায়ের কাছ থেকে প্রাপ্ত।

২৩ নম্বর ক্রমোজমটি নির্ধারন করে নতুন জন্ম নেয়া ভ্রুণটি ছেলে নাকি মেয়ে হয়ে জন্ম নেবে। মায়ের ক্রমোজম (XX), বাবার ক্রমোজম (XY)। (X) ক্রমোজমের ভিতর এ জিনটি (ডিএমডি জিন) রয়েছে। কোন কারনে এ জিনটি ড্যামেজ হলে বা নতুন ভ্রুণে স্থানান্তর না হলে এ জিনটির অনুপস্থিতি বা নিষ্ক্রিয়তার কারণে এ মাসেল প্রোটিন (ডিসট্রপিন) তৈরি হয়না।

🔴ডিএমডি নিয়ে আমার নিজস্ব কিছু মতামত আছে। প্রথম কথা হচ্ছে, যেহেতু X ক্রমোজম এ জিনটি বহন করে সেহেতু মা বা বাবার যে কোন ত্রুটিপূর্ণ জিন সন্তানের দেহ কোষের স্থানান্তরের সম্ভবনা থাকে। যেহেতু মায়ের ক্রমোজম XX, সেহেতু মায়ের ত্রুটিপূর্ণ জিন স্থানান্তরিত হওয়ার সম্ভবনা বেশী থাকে। সন্তানের দেহে জিনটি যদি একেবারেই অনুপস্থিত থাকে তবে সন্তানটি ভ্রুণ অবস্থায় মৃত্যু হতে পারে কারণ জিনটির অনুপস্থিতির কারণে দেহ মাসেল তৈরি হবেনা।

যদি সন্তানের ক্রমোজমটি একটি জিনের(ক্রমোজমে প্রতিটি জিন এক জোড়া থাকে) ত্রুটি নিয়ে জন্মায় তাহলে প্রোটিন তৈরি কিছুটা কম হবে। দুটি জিনই যদি ত্রুটিযুক্ত হয় তবে প্রোটিন তৈরি সম্ভব নয়।

🟢আমার প্রশ্ন শিশুর জন্মের ৩/৪/৫ বৎসর পর এ সমস্যা শুরু হয় কেন।এর পেছনের কারন দেহের বাহিরের কোন রাসায়নিক আঘাত (ডাক্তারী ড্রাগ,বিকিরন,রাসায়নিক বিষ) এ জিনটির প্রকৃতি পরিবর্তনের জন্য (মিউটেশন) দায়ী। মায়ের গর্ভ অবস্থায় যদি মা জীবানুর (ব্যাকটেরিয়া,ভাইরাস) দ্বারা আক্রান্ত হয় তার চিকিৎসা নিতে গিয়ে বিভিন্ন ডাক্তারী ড্রাগের পার্শ্বক্রিয়ায় এ ধরনের সর্বনাশ হওয়ার সমূহ সম্ভবনা থাকে।

🟢সঠিক প্রাকৃতিক খাদ্য ব্যবস্থাপনায় দেহ কোষের সঠিক যত্নে এ ডিএমডি রোগীরা অনেকদিন সুস্থতা নিয়ে বাঁচতে পারে।যেহেতু জিন রিপেয়ার হয়( ২০১৫ সালের রসায়নে নোবেল) সেহেতু রিপেয়ারিং সিসটেমকে সচল রাখলে ডিএমডি রোগীরা ভাল থাকতে পারে। একজন ডিএমডি রোগীর উপর'স্টেমসেল নিউট্রেশন ' ব্যবহার করতে গিয়ে এ বিষয়টি নজরে এসেছে।

🟢Dr.Shebendra karmakar
PhD in Natural Medicine,USA

14/02/2026

🔴পাইলস বা অর্শ নিয়ে ভাবনা আর না আর না। এ লেখনিতে পাবেন স্থায়ী সমাধানটা!

🟢পাইলস বা অর্শকে ইংরেজীতে হ্যামোরয়েড বলে। পাইলস শব্দটি ল্যাটিন যার অর্থ বল বা স্তুুপ। পায়খানার রাস্তায় মাংসের স্তুুুপ দেখা যায় বলে এমনটা নাম হয়েছে। এটি মলদ্বারের একটি বিরক্তিকর সমস্যা।

হ্যামোরয়েড শব্দটি ফ্রান্স ভাষা থেকে আসা যার অর্থ রক্ত সহ প্রবাহ।সম্ভবত মলের সাথে রক্ত প্রবাহ থাকায় এ নামকরণ। শুনলে অবাক হবেন এ সমস্যাটির পুরোটা জুড়েই আছে খাদ্য ত্রুটি।

শুরুতে পাইলসের সমাধান নিলে এটি জটিল আকার ধারন করেনা। সমস্যাটি বুঝার জন্য দেহের খাদ্য গ্রহন,হজম,শোষন ও মল নিঃসরন পদ্ধতি নিয়ে একটু আলোচনা করব। কারন এ পাইলস মুলতঃ খাদ্য গ্রহন থেকে মলত্যাগ পর্যন্ত পুরো প্রক্রিয়া এর সাথে সম্পৃক্ত।

🟠মুখ থেকে পায়ু পর্যন্ত দীর্ঘ এ নালীপথ লম্বায় ৩০ ফিট। অর্থাৎ আমরা প্রতিদিন যে খাবার খাই তা এ দীর্ঘ পথ অতিক্রম করে সবশেষে মলরূপে দেহ থেক বের হয়।

আমাদের প্রতিদিনের খাবারগুলো থেকে কিভাবে মল তৈরি হয় এবং দেহ কিভাবে সে মলত্যাগ করে সে কৌশল জানার চেষ্টা করব। কৌশলটি মনযোগের সাথে পড়বেন কারন পাইলস বা হ্যামোরয়েড এর সাথে এর সম্পর্ক আছে।

আমরা যত শত ধরনের খাবার খাইনা কেন দেহ রসায়ন মাত্র ৬টি খাবারকে সনাক্ত করবে। খাবার মুখে প্রবেশের পর থেকে এ সনাক্তকরন প্রক্রিয়া শুরু হয়। এ ৬ টি খাবার হচ্ছে :
১) এমাইনোএসিড
২) ফ্যাটিএসিড
৩) গ্লুকোজ
৪) ভিটামিনস
৫) মিনারেলস
৬) পানি।
জেনে নিশ্চয় অবাক হচ্ছেন তা হলে এত এত রেসিপি কেন আমরা খাচ্ছি। হ্যা এ মুহুর্ত থেকে বিষয়টি মনে রাখতে হবে মুখের খাবার আর দেহের খাবার এক নয়। পাইলস সমস্যার শুরুটা এখান থেকে।

➡️সবধরনের প্রাণিজ উৎস থেকে ডিম, দুধ ও মাংসকে দেহ চিহৃিত করে প্রোটিন।

➡️সবধরনের উদ্ভিজ্জ উৎস থেকে খাবারকে দেহ চিহৃিত করে শর্করা বা কার্বোহাইড্রেট।

➡️সবধরনের তৈল জাতীয় খাবারকে দেহ চিহৃিত করে ফ্যাট বা চর্বি।

🟢প্রকৃতির সব প্রানিজ ও উদ্ভিদে নানা অনুপাতে ৬ টি খাবারই পাওয়া যায়।

সুস্বাদু খাবারটির সেন্ট থেকে শুরু হয় পরিপাক প্রক্রিয়া। অর্থাৎ আমাদের নাকে সেন্ট রিসেপ্টর কোষ রয়েছে। নাকের সে কোষ খাদ্যের গন্ধটি মস্তিষ্কে পৌঁছে দেয়। মস্তিষ্ক সাথে সাথে মুখের স্যালিভারি গ্ল্যাডকে উত্তেজিত করে। এ গ্ল্যাডটি খাবারটি হজমকারী কিছু রস (এনজাইম এমাইলেজ,লাইপেজ ও মিউকাস) মুখে অবস্থিত খাদ্যে ছেড়ে দেয়। মুখের দন্তের পেষনের ফলে খাবার টুকরা টুকরা হয়। রস ও মিউকাস মিশে নরম ও পিচ্ছিল হয়। সে খাবারটি খাদ্যনালী (ইসোপেগাস) বাহিত হয়ে পাকস্থলীতে পৌঁছে। মনে রাখতে হবে খাদ্য পরিপাকের এ অংশে খাদ্যে থাকা বিভিন্ন জীবানুও ধ্বংস হয়। স্যালিভারি গ্ল্যাড থেকে নিঃসরিত লালায় লাইসোজম নামে একটি এনজাইম থাকে যা খাদ্যে থাকা জীবাণু মেরে ফেলে। এ জন্যই খাদ্য দ্রব্যকে ভাল করে চিবিয়ে খেতে হয়।

খাদ্যদ্রব্য পাকস্থলীতে প্রবেশের পর পাকস্থলীর পাচক রস ( হাইড্রোক্লোরিক এসিড,পেপসিন) এর সাথে মিশ্রিত হয়। পাকস্থালীতে খাদ্য প্রায় ১/২ ঘন্টা অবস্থান করে। এ সময় পাকস্থলীর অভ্যন্তরের পেশী অনবরত মোচড়ায়। ফলে খাদ্য দ্রব্য পিষে তুলারমত (কাই) হয়ে যায়। পাকস্থলীর এসিড খাদ্যে থাকা জীবানুও ধ্বংস করে।

এ মিশ্রিত খাদ্য পাকস্থলী থেকে ক্ষুদ্রান্তে (স্মল ইনটেসটাইন) প্রবেশ করে। ক্ষুদ্রান্তের ডিওডেনাম অংশে যকৃত(লিভার)থেকে পিত্ত এবং অগ্নাশয়ের (প্যানক্রিয়াস) এর মিলিত রস একটি নালী হয়ে খাদ্যের সাথে মিশে। এ ক্ষুদ্রান্ত লম্বায় ২২ ফিট (৭ মিটার)। প্রায় ৬/৮ ঘন্টা এ খাবার ক্ষুদ্রান্তে অবস্থান করে।

২২ ফিট দৈর্ঘ্যের ক্ষুদ্রান্তটি সাপের চলার মত একমুখী প্রবাহ তৈরি করে। এর ফলে খাদ্যগুলো নিচের দিকে এগুতে থাকে।

ক্ষুদ্রান্তের ভিতরের আস্তরন বিষেশায়িত কোষ দিয়ে তৈরি। এ বিষেশায়িত কোষটির নাম এন্টারোসাইট। এ এন্টারোসাইট খাদ্যে থাকা উপরেউল্লেখিত ৬টি খাবারকে (পুষ্টি)শোষন করে কোষের ভিতর ঢুকিয়ে নেয়। এ শোষিত খাবার ক্ষুদ্রান্ত থেকে রক্তে মিশে এবং সরাসরি লিভারে প্রবেশ করে।

প্রতিটি এন্টারোসাইটে পুষ্টি ধরার জন্য মাইক্রোভিলাই (চিকন নালী) থাকে। এ মাইক্রোভিলাই বিভিন্ন এনজাইম ধারন করে। যার মাধ্যমে খাদ্যকনা ভেঙ্গে সরল কনায় পরিনত করে দেহে প্রবেশ করায়। যেমন গ্লুকোজ,ল্যাকটোজ ইনটলারেন্স পেটের একটি সমস্যা। অনেকই অভিযোগ করেন যে দুধ খেলে সমস্যা হয়। কারনটা হলো দুধের মধ্যে লেকটোজ আছে। ল্যাকটেইজ একটি এনজাইম যা ল্যাকটোজকে কোষে ঢুকাতে সাহায্য করে। এন্টারোসাইট এর মাইক্রোভিলাই যদি এ এনজাইম তৈরি না করে তবে ল্যাকটোজ কোষে ঢুকতে পারেনা। এ সমস্যাই হচ্ছে মিল্ক ইনটলারেন্স। এ ভাবে এনজাইমের অভাবে নানা খাদ্যপুষ্টি শোষিত হতে পারেনা। ভিলাই ক্ষতিগ্রস্ত হলে খাদ্যপুষ্টি দেহ অভ্যন্তরে প্রবেশ করতে পারেনা। ২২ফিট লম্বা ক্ষুদ্রান্তের পুষ্টি শোষন আস্তরন ভিলাই মেলে ধরলে প্রায় ২৫০ বর্গমিটার হবে।

🟢খাদ্যপুষ্টি শোষিত হওয়ার পর অপাচ্য অংশ বৃহদান্ত্রে (লার্জ ইনটেসটাইন) প্রবেশ করে। বৃহদান্তে এটি ৩৬ ঘন্টার মত অবস্থান করে। এ সময়ে অধিকাংশ পানি ও মিনারেল শোষিত হয়। বৃহদান্ত্রে ৪০০ ধরনের প্রায় ১০০ ট্রিলিয়ন ব্যাকটেরিয়া বাস করে। মেডিকেলের ভাষায় একেই গাট ফ্লোরা বলে। এ ব্যাকটেরিয়ার প্রধান কাজ হচ্ছে অপাচ্য খাদ্য পচন করে মল তৈরি করা। বৃহদান্ত্র ৫ ফিট লম্বা। বৃহদান্ত্রের শেষ অংশকে রেকটাম মলথলি বলে। তৈরিকৃত মল রেকটামে জমা হয়। রেকটাম থেকে এনাস (মল নির্গমন পথ) ৪ সেন্টিমিটার লম্বা পথ। রেকটাম থেকে এনাস পর্যন্ত এ জায়গাটুকুর নাম এনাল ক্যানাল। এনাল ক্যানাল স্প্রিং এর মত আসা যাওয়া করে।

🔴মলথলি (রেকটাম) মলে ভরে গেলে মলথলির গাত্রে নার্ভ তন্তু একটি সাড়া মস্তিষ্কে পাঠিয়ে দেয়।মস্তিষ্ক থেকে আসা সংকেত এনাল ক্যানালকে চাপ দেয় এবং একই সময়ে রেকটাম সংকোচিত হয়। ফলে মলথলি থেকে মল দেহের বাহিরে আসে। অটোমেটিক ভাবে এনাল ক্যানাল পূর্ব অবস্থানে ফিরে যায়। এনাল ক্যানালের শেষ প্রান্ত এনাস(পায়ুপথ) ঘন রক্ত জালিকা দিয়ে তৈরি বিশেষ টিস্যু দ্বারা পায়ুপথ বন্ধ থাকে। পাইলস সমস্যাটা হয় এনাল ক্যানাল থেকে এনাস পর্যন্ত।

🔴সময়মত মলত্যাগ না হলে মল রেকটাম থেকে বৃহদান্ত্রে ফিরে যায়। সে সময়ে আরও পানি শোষিত হয়ে মল শক্ত হয়ে যায়। এ শক্ত মল এনাল ক্যানালকে অতিরিক্ত চাপ দেয়। এর ফলে এনাল ক্যানালের লিগামেন্ট ঢিলা হয়ে যায়। মলের চাপে বেড়িয়ে গেলে আর ভিতরে যেতে পারেনা। শক্ত মলের চাপে ভিতরের রক্তজালিকা আঘাত প্রাপ্ত হয় ফুলে যায় ফেটে গিয়ে রক্তপাত হয়। মলদ্বারের এ সমস্যাকেই পাইলস বা হ্যামোরয়েড বলে।

🔴এবার আলোচনা করব এ সমস্যার আধুনিক চিকিৎসা সমাধান কি দেয়া হয় সে বিষয় নিয়ে;

আধুনিক ড্রাগ চিকিৎসায় এর সুনির্দিষ্ট চিকিৎসা নাই। যে সব ব্যবস্থাপনা দেয়া হয় সেগুলো সংক্ষেপে আলোচনা করা হলো;

♦রাবার ব্যান্ড লিগেশন: একটি রাবার দিয়ে পাইলসের রক্ত সরবরাহকারী নালী বল্ক করে দেয়া হয়। রক্ত সরবরাহ বন্ধ থাকার কারনে ধীরে ধীরে পাইলসটি চিবিয়ে আসে। রোগের প্রাথমিক অবস্থায় এটি করা যায়।

♦স্কেলেরোথেরাপী: এটি ইনজেকশন থেরাপী। পাইলস এর শিরার ভিতর এটি পুশ করা হয়। এতে শিরাগুলো ধ্বংস হয়ে পাইলসটি ছোট হয়ে যায়।

♦ক্যাটেরাইজেশন: বিভিন্ন রে প্রয়োগ করে পাইলস অপসারণ বা ধ্বংস করা হয়।

♦অপারেশন: এর মাধ্যমে সার্জন পাইলসটি কেটে বাদ করেন।

উপরিউক্ত একটি পদ্ধতিও পাইলস সমস্যার স্থায়ী সমাধান করতে পারেনা। কিছু সময় পর আবারও পাইলস ফিরে আসে।

🟢পাইলস বা হ্যামোরয়েড এর স্থায়ী সমাধান প্রাকৃতিক ঔষধী খাদ্যে দেয়া সম্ভব। উপরিউক্ত আলোচনায় এটি পরিষ্কার যে,দীর্ঘদিনের ত্রুটিযুক্ত খাবার এবং ত্রুটিযুক্ত মলত্যাগই পাইলস সমস্যার মুল কারন।

🟢নিচের উপদেশ গুলো মেনে চললে পাইলস থেকে মুক্তি মিলতে পারে;
♥খাবারের ৭০% থাকতে হবে কম সিদ্ধ ভেজিটেবল, সালাদ ও ফলমুল।
♥৬/৮ গ্রাম স্পাইরুনিলা, ৬/৮ মাশরুম,২ গ্রাম ওমেগা খেতে হবে।
♥এ টু জেড ভিটামিনস /মিনারেলস খেতে হবে।
♥ বিশেষায়িত ন্যাচারাল মেডিসিন খেতে হবে।
♥ভাজাপোড়া তৈলাক্ত খাবার বর্জন করতে হবে।
♥ সবধরনের পশু ও পাখির মাংস বর্জন করতে হবে।
♥মাছ খাওয়া যাবে তবে ৩০/৪০ গ্রামের বেশী নয়।
♥যে খাবারে ডাইজেস্টিভ সিসটেম কমপ্লেইন করে সেটি খাওয়া যাবেনা।
♥ বেশীক্ষণ বসে থাকা যাবেনা।
♥প্রতিদিন ২ বার ৩/৪ মিনিট এনাস ও হিপে কুসুম গরম পানির ঝাপটা দিতে হবে।
♥এনাস অর্থাৎ পায়ুপথে এন্টিসেপটিক লোশন বা ক্রীম (এনাসট্রেট) লাগাতে হবে। অলিভ ওয়েল হলুদ ও মধু মিশিয়ে লাগাতে পারেন।
♥ব্যাথার জন্য সাময়িক পেরাসিটামল খেতে পারেন।
♥ ইনফ্যাকশন হলে ৩/৫ দিন এন্টিবায়োটিক চলতে পারে।
♥প্লেবোটনিক ড্রাগ যেমন হেমোরিফ(হেসপেরিডন + ডায়োসমিন) খেতে পারেন ৭/ ১৫ দিন।
যদি পাইলস মুক্তজীবন চান ত্রুটি মুক্ত খাবার ও ভাল জীবন অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে।

🟢গবেষবায় জানা গেছে অামাদের পরিপাকতন্ত্র ৫/৬ দিনে পুর্নগঠিত হয়। অর্থাৎ এর কোষগুলোর জীবনকাল মাত্র ৩/৪ দিন। যথাযত পুষ্টি ও ভাল লাইফস্টাইল পুর্নবহালের কারনে কোষ দ্রুত রিজেনারেট করে।

Dr.Shebendra karmakar
Honorary Doctorate IUM USA
PhD in Natural Medicine USA

14/02/2026

চিকিৎসা বিজ্ঞানের
সর্বাধুনিক চিকিৎসা চিন্তা
🟢স্টেমসেল নিউট্রেশন থেরাপি🟢
রোগের নাম যাইই হোক
একটি চিকিৎসায়ই
ভাল হবে সব রোগ
-----------------------------------------------
👉 স্টেমসেল নিউট্রেশন থেরাপি
ও এলোপ্যাথ চিকিৎসার
প্রধান পার্থক্যগুলো
নিন্মে যৎসামান্য উল্লেখ করা হলো:

🍏দেহ জীবন্ত কোষে তৈরি,
তাইই অসুস্থতাও কোষরই। এটি দেহ কোষকে সুস্থ করে তুলে।
🚭এটি কোষের সুস্থতা ফিরিয়ে দেয়না। অসুস্থ দেহের উপসর্গ দমন করে রাখে।

🍏ওষধ হিসাবে ব্যবহার হয় প্রকৃতির খাবার ও বিদেশের উঁচু মানের ল্যাবে প্রস্তুত প্রকৃতির ওষধ ও নির্যাস ব্যবহার হয় যা রোগ নিরাময়ে শতভাগ ক্ষমতা রাখে।
🚭ওষধ হিসাবে ব্যবহার হয় প্রধানত সিনথেটিক ক্যামিকেল যা রোগ লক্ষণকে বন্ধ করে রাখে।

🍏এ পদ্ধতির উপকরনগুলোকে মেডিসিন বা ওষধ বলে।
🚭এ পদ্ধতির উপকরনগুলোকে ড্রাগ বলে।

🍏এটির পার্শ্বক্রিয়া নাই আজীবন খাওয়া যায়।
🚭 চিকিৎসা বিজ্ঞানে ১৫ দিনের বেশী ড্রাগ খাওয়া নিষেধ আছে এবং মারাত্মক ক্ষতির সম্ভাবনা থাকে।

🍏এটির ফলাফল পেতে ১ মাস অপেক্ষা করতে হয় এবং ৩ থেকে ৬ মাসের মধ্যে অধিকাংশ রোগ ভাল হয়। তবে সময় লাগলেও রোগ ভাল হয়।
🚭এটি তাৎক্ষণিক রোগীকে আরাম দেয় কিন্তু কখনোই রোগ ভাল করেনা বরং দীর্ঘ ব্যবহারে রোগ জটিল আকার নেয়।

🍏অন্য যে কোন চিকিৎসার সাথে এটি চালানো যায় যেমন ডাক্তারী ড্রাগের সাথে এ চিকিৎসা নিলে ড্রাগের ক্ষতিকারক প্রভাব কমিয়ে আনা যায়।
🚭ড্রাগ ডাক্তারী চলার সময় অন্য চিকিৎসা বাদ দিতে বলা হয়।

🟢স্টেমসেল নিউট্রেশন থেরাপি সর্ব রোগের একটি নিরাময় চিকিৎসা। এটি সম্পূর্ণ আধুনিক চিকিৎসা বিজ্ঞান দ্বারা সমর্থিত। এ পদ্ধতির কৌশলগুলো ইতিমধ্যে ২০১২,২০১৫ ও ২০১৬ সালের চিকিৎসা বিজ্ঞান ও রসায়নে নোবেল স্বীকৃত। এ বিষয়ে আমার তৈরি স্লাইড প্রেজেন্টেশন আমেরিকার ইউএস আর্মি পরিচালিত কলেজ "➡️সেন্ট্রাল টেক্সাস কলেজ"এ স্টুডেন্টদের জন্য আপলোড দেয়া হয়েছে। আমেরিকার "➡️হার্ভাড ইউনির্ভাসিটি"র নার্সিং কোর্সে এ বিষয়ে আমার লেখা আপলোড দেয়া হয়েছে।

🔴রোগের শুরুতে
ডায়বেটিস ও কিডনি রোগে এ পদ্ধতি দ্রুত রোগ নিয়ন্ত্রণ ও নিরাময় করে তুলে।

Dr.Shebendra karmakar
Honorary Doctorate IUM USA
PhD in Natural Medicine USA

❤️বি:দ্র:
স্টেমসেল নিউট্রেশন থেরাপি,
স্টেমসেল থেরাপি
দুটি ভিন্ন চিকিৎসা পদ্ধতি।

🟢"স্টেমসেল নিউট্রেশন থেরাপি" সঠিক পুষ্টি ব্যবস্থাপনার দেহের নিজস্ব স্টেমসেল কে জেনারেট করা হয়। অত্যন্ত কম খরচে এটি করা যায় ও সম্পূর্ণ ঝুঁকিমুক্ত ফলাফল সম্ভবনা শতভাগ।

🔴"স্টেমসেল থেরাপি " নিজ দেহের স্টেমসেল সংগ্রহ করে ল্যাবে নিয়ে কালটিভেশন করে অনেক বেশী স্টেমসেল তৈরি করে আবার দেহে ঢুকানো হয়। এ পদ্ধতিতে অন্য দেহের স্টেমসেলও একই প্রক্রিয়াই দেহে প্রবেশ করানো হয়। এটি অত্যন্ত ব্যয়বহুল ও ঝুঁকিপূর্ণ। দেহের ভিতর প্রবেশের পর জেনারেট না করলে ফলাফল শুন্য। কারন স্টেমসেল জেনারেট করার জন্য সঠিক "স্টেমসেল নিউট্রেশন" দিতে হবে।

11/02/2026

🔴সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক খাদ্য ব্যবস্থাপনায় কিডনি রোগ প্রতিরোধ সম্ভব!

🟢দেহের বিস্ময়কর একটি অঙ্গের নাম কিডনি। পেটের ঠিক পেছনে কোমরের একটু সামান্য উপরে স্থাপিত শিমের বিচি অাকৃতি ক্ষুদ্র একটি অঙ্গ। লম্বায় ৫ ইঞ্চি চওড়া আড়াই ইঞ্চির মত ওজন ১৫০ গ্রাম। এ ক্ষুদ্র অঙ্গ দুটি প্রতি ২৪ ঘন্টায় ১৮০ লিটার রক্ত পরিশোধন করে দেড় লিটার মুত্র তৈরি করে। দেহের ৫/৬ লিটার রক্ত দিনে প্রায় ৩০ বার কিডনির ভিতর গমন করে। প্রতি মিনিটে ১২০০ মিলিলিটার রক্ত পরিশোধন করে ১ মিলিলিটার মুত্র তৈরি করে।

কিডনি অঙ্গটি অনেক ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র অঙ্গ সমন্বয়ে তৈরি। প্রতি কিডনিতে ১০ লক্ষ ছাঁকনি বা নেফ্রন দু'ই কিডিনিতে ২০ লক্ষ ছাঁকনী রয়েছে। কিডনির মাথার উপর টোপরের মত দুই কিডনিতে দুটি গ্ল্যান্ড (এড্রেনাল গ্ল্যান্ড) রয়েছে।

কিডনির প্রতিটি অঙ্গ বিষেশায়িত কোষ দ্বারা তৈরি। এ বিষেশায়িত কোষগুলোর সম্মিলিত কাজ হচ্ছে কিডনির কাজ। বিষেশায়িত কোষগুলোর অকার্যকারিতাই হচ্ছে কিডনির অকার্যকারিতা।

🔴কিডনির প্রধান প্রধান কাজ নিয়ে আলোচনা করব।
♦ফিলট্রেশন বা রক্ত ছাঁকা: প্রতিমিনিটে প্রায় ১ লিটারের বেশী রক্ত কিডনির ২০ লাখ ছাঁকানী দিয়ে রক্তকনিকা ( রেড,হোয়াইট ও প্লাটিলেট) ও প্রোটিন ছাড়া বাকী সব
( পুষ্টি,মিনারেলস,ভিটামিনস,ইউরিয়া,ইউরিক এসিড, পানি ও ক্রিয়াটিনিন) উপাদান ছাঁকনি দিয়ে বের করে দেয়। ছাঁকনিতে সরবরাহকৃত রক্তের মাত্র ৫ ভাগের ১ ভাগ পরিস্রুত হয় বাকীটা অপরিশোধিত অবস্থায় মুল রক্তস্রোতে ফিরে যায়।
♦রিএবজরবেশন বা পুনরায় শোষন: এ ছাঁকনির আরেকটি অংশ পরিস্রুত সব উপাদান শোষন করে পুনরায় দেহ রক্তে পাঠিয়ে দেয়। কিছু পরিস্রুত উপাদান যেমন ক্রিয়াটিনিন পুনরায় দেহ রক্তে ফিরে যায়না। এটি মুত্র মারফত দেহ থেকে অপসারিত হয়।
♦সিক্রেশন বা নিঃসরন: এ ছাঁকনির অন্য একটি অংশ দেহ রক্ত থেকে অপ্রয়োজনীয় যেমন পটাসিয়াম,হাইড্রোজেন অায়ন ছাঁকনিতে প্রেরন করে।

এ ছাঁকনীকে মেডিকেলের ভাষায় নেফ্রন বলে। দুটি কিডনির ২০ লাখ নেফ্রনকে লম্বা করলে প্রায় ১০০ মাইল হবে। এ নেফ্রন এর আলাদা আলাদা অংশে ফিলট্রেশন, রিএবজরবেশন ও সিক্রেশন সংগঠিত হয়ে সবশেষে বর্জ্য সহ মুত্র তৈরি হয়। এ মুত্র মুত্রনালী বাহিত হয়ে মুত্র থলিতে জমা হয়। ২৪ ঘন্টায় দুই কিডনি ১৮০ লিটার রক্ত পরিশোধন করে দেড় লিটার বর্জ সহ মুত্র তৈরি করে।

নেফ্রন এর প্রতিটি অংশের কাজ যদি সঠিক ভাবে সম্পন্ন না হয় তবে দেহ রক্তের ভারসাম্যা নষ্ট হয়। যেমন,পানির ভারসাম্যা নষ্ট হয়ে দেহে পানি বেড়ে বা কমে যেতে পারে। সোডিয়াম,পটাসিয়াম ও ক্যালসিয়াম এর ভারসাম্য নষ্ট অর্থাৎ বেড়ে বা কমে যেতে পারে। দেহ বর্জ্য অপসারিত না হয়ে রক্ত জমে যেতে পারে। যেমন ক্রিয়াটিনিন,ইউরিক এসিড। অতিরিক্ত হাইড্রোজেন আয়ন অপসারিত না হতে পেরে দেহ রক্তে জমে রক্তকে এসিডিক করে তোলে। একজন কিডনি রোগীর দেহ তরলের ভারসাম্যহীনতাই প্রধান অসুস্থ্যতা। কিডনির কাজ হচ্ছে দেহ তরলের ভারসাম্য রক্ষা করা।

দুটি কিডনির উপরে টোপরের মত দুটি গ্ল্যান্ড থাকে এটিকে এড্রেনাল গ্ল্যান্ড বলে। এ গ্ল্যান্ডের দুটি অংশ। উপরের অংশকে বলে কর্টেক্স এবং ভিতরের অংশকে মেডুলা বলে। এ দু অংশ থেকেই দেহ ও কিডনি পরিচালনাকারী বেশ কয়েকটি অতি প্রয়োজনীয় হরমোন তৈরি হয়ে দেহ রক্ত স্রোতে মিশে যায়।

যেমন রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা দমনকারী (ইমিউন সাপ্রেসিভ) হরমোন কর্টিকোস্টেরয়েড, পানির ভারসাম্য রক্ষাকারী হরমোন (এন্টি ডাইইউরেটিক), রক্তচাপ নিয়ন্ত্রনকারী হরমোন (এলডোসটেরন), দেহকে সর্তককারী হরমোন (এড্রেনালিন), যৌন উত্তেজনাকারী হরমোন (এন্ড্রোজেন)। এড্রেনাল গ্ল্যান্ডের বিভিন্ন অংশে অবস্থিত বিষেশায়িত কোষ এ ভিন্ন ভিন্ন হরমোনগুলো তৈরি করে।

এছাড়া কিডনির কাজকে নিয়ন্ত্রন করে দেহের উচ্চরক্তচাপ নিয়ন্ত্রন করে এমন হরমোন তৈরি হয় হৃদপেশীতে। এ হরমোনটির নাম এএনপি(অাট্রিয়াল ন্যাট্রাই ইউরেটিক পেপটাইড )। দেহে যখন উচ্চ রক্তচাপ হয় তখন হার্ট এ হরমোনটি তৈরি করে রক্তে ছেড়ে দেয়। হরমোনটি কিডনিতে রক্ত সরবরাহ বাড়ায় ফলে অতিরিক্ত ফিলট্রেশন হয় এবং অতিরিক্ত মুত্র তৈরি হয়। বাড়তি পানি বেড় করার মাধ্যমে রক্তচাপ নিয়ন্ত্রনে অাসে।

কিডনি নিজেই একটি হরমোন তৈরি করে এটির নাম রেনিন। এ হরমোনটিও দেহের নিন্ম রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে কাজ করে। দেহে যখন নিন্মরক্তচাপ হয় তখন কিডনি এ রেনিন হরমোনটি তৈরি করে রক্তে ছেড়ে দেয়। এটি ফুসফুস থেকে নিঃসৃত একটি প্রোটিন এনজিওটেনসিন এর মিশে এনজিওটেনসিন + রেনিন যৌগ তৈরি করে। এ যৌগটি সরাসরি কিডনির পানি পুনশোষন ক্ষমতা বৃদ্ধি করে রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করে।

উপরিউক্ত আলোচনা থেকে বুঝা যায় এ ক্ষুদ্র অঙ্গটি দেহের প্রয়োজনে অনেক জটিল জটিল কার্য সম্পন্ন করে। পুরো অঙ্গটি অনেক ধরনের বিষেশায়িত কোষ দ্বারা নির্মিত। প্রতিটি কোষের নিজস্ব দায়িত্ব সম্পাদনের মাধ্যমে পুরো প্রক্রিয়াটি সঠিক ভাবে সম্পাদন হলেই সুস্থ কিডনি দাবী করা যায়। অর্থাৎ রক্ত ফিলট্রেশন শুরু থেকে মুত্র তৈরি হওয়া পর্যন্ত।

কিডনি ক্ষতির মুল কারন এসিডিক ফুড ও অতিরিক্ত লবন। আমাদের প্রতিদিনের খাবার রসায়নের ভাষায় ৩ টি শব্দে দেহ বুঝে নেয়। এ ৩ টি শব্দ হচ্ছে এসিডিক,এলকালাইন ও ক্যালোরি।

এসিডিক খাবার বলতে যা বুঝায় অপ্রাকৃত খাবার। অপ্রাকৃত বলতে বুঝায় যে খাবার তাপ ও সংরক্ষনের কারনে এর প্রাকৃতিক গুনবলী হারিয়ে ফেলেছে। আমেরিকায় খাদ্য নিয়ে গবেষনায় জানা গেছে মাত্র ৬৫ ডিগ্রি সেঃগ্রেড তাপমাত্রায় খাদ্যের প্রাকৃতিক গুনাবলী কমতে থাকে। প্রোটিন ও চর্বি জাতীয় খাবারের বিপাকের ফলে বর্জ হিসাবে শক্তিশালী এসিড তৈরি হয় যা বের হওয়ার একমাত্র পথ কিডনি।

সরাসরি প্রকৃতির উৎস থেকে আসা সব খাবারই এলকালাইন ফুড। এ ফুডই দেহের উপযুক্ত খাবার।

প্রতিটা খাদ্যের ভিতর গোপন শক্তি লুকায়িত থাকে। এ শক্তি ভাঙ্গার সময় তাপ উৎপাদন হয়। এ তাপকেই ক্যালোরি বলে। দেহ ব্যবস্থা পরিচালনার জন্য একটি নির্দিষ্ট ক্যালোরি প্রয়োজন হয়। আর এ ক্যালোরির জোগান আসে খাদ্য থেকে। প্রতিগ্রাম প্রোটিন ও কার্ব থেকে ৪ ক্যালোরি এবং প্রতি গ্রাম চর্বি থেকে ৯ ক্যালোরি তাপ উৎপন্ন হয়। দেহের প্রয়োজনের অতিরিক্ত অব্যবহৃত ক্যালোরি চর্বিতে পরিনত হয়। এ চর্বি রক্তনালীতে জমে নালীপথ সরু করে ফেলে। ফলে দেহরক্ত চলাচল বিঘ্ন ঘটে। কিডনির অভ্যন্তরে অনেক ঘন রক্ত জালিকা থাকে। রক্ত পরিশোধনের জন্য ২৪ ঘন্টায় ১৮০ লিটার রক্ত কিডনির ভিতর প্রবেশ করে। এতে দুর্বল কিডনির রক্ত জালিকা ক্ষতিগ্রস্ত হয়। কিডনির সুস্থ্যতায় ক্যালোরি নিয়ন্ত্রন করা জরুরি।

সোডিয়াম ক্লোরাইড বা খাওয়ার লবন কিডনির স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর। অতিরিক্ত লবন দেহ রক্ত ঘন করে। ফলে কিডনি দিয়ে ঘন রক্ত প্রবেশের ফলে ফিলট্রেশন প্রক্রিয়া ব্যহত হয় এবং ঘনত্বের ভারসাম্য রক্ষার জন্য জলীয় অংশ বেশী ঘনত্ব থেকে কম ঘনত্বে ধাবিত হয়। এককথায় অসমোসিস প্রক্রিয়া ব্যহত হয়। দেহের ভিতর কোষ এবং কোষ বহিস্ত: সকল বস্তুর অাদান প্রদান এ অসমোসিস প্রক্রিয়ায় সম্পন্ন হয়। অতিরিক্ত লবন ও গ্লুকোজ এ প্রক্রিয়া ব্যহত করার মাধ্যমে দেহের ভারসাম্য নষ্ট করে।

প্রাথমিক কিডনি সমস্যা নির্ধারন করা হয় রক্তে ক্রিয়াটিনিন এর উপস্থিতি দেখে। রক্তে ক্রিয়াটিনিন এর উপস্থিতি ১ এর নিচে থাকে। ক্রিয়াটিন ( এক ধরনের জৈব অনু যা লিভার ও কিডনিতে তৈরি হয়ে দেহ পেশী ও ব্রেইনে জমা থাকে। এটি পেশীর শক্তি তৈরিতে ব্যায় হয়) দেহ পেশীত শক্তি হিসাবে ব্যয় হয়ে বর্জ হিসাবে দেহে ক্রিয়াটিনিন তৈরি হয়। এ বর্জ প্রায় পুরোটা কিডনি দিয়ে মুত্র মারফত বেরিয়ে যায়। কিডনির সঠিক ভাবে কাজ করছে কিনা তা দেখার জন্য রক্তের ক্রিয়াটিনিন মাপা হয়। কারন সুস্থ কিডনি রক্তে ক্রিয়াটিনিন জমতে দেয়না। ক্রিয়াটিনিন কিডনির কোন রোগ নয়। সুস্থ্য কিডনি সবচেয়ে বেশী যে বর্জটি বের করে দেয় সেটি হচ্ছে ক্রিয়াটিনিন। এজন্য রক্তে বেশী মাত্রায় ক্রিয়াটিনিন এর উপস্থিতিকে কিডনির দুর্বলতা মনে করা হয়।

আমার জানা মতে আধুনিক চিকিৎসায় কিডনি সুস্থ করার কোন ড্রাগ নেই। যা আছে রোগ ব্যবস্থাপনা। কিডনি সমস্যায় আধুনিক চিকিৎসায় যে যে ব্যবস্থাপনা দেয়া হয় তা নিয়ে একটু আলোচনা করব।

কিডনি রোগীদের উচ্চরক্তচাপ, শরীরে পানি আসা অর্থাৎ হাত,পা,মুখমন্ডলে ফুলে যাওয়া প্রধান সমস্যা। দেহ রক্তে অতিরিক্ত ক্রিয়াটিনিন থাকলে এ সিমটোম প্রকাশ করবে। এ সব ব্যবস্থাপনার জন্য চিকিৎসক যে ড্রাগ ব্যবহার করেন সেগুলো হচ্ছে; এমলোডিপিন, লসার্টান (উচ্চরক্তচাপ কমানোর ড্রাগ), এটরভাসটাটিন (কোলেষ্টেরল কমানোর ড্রাগ,ফ্রুসেমাইড (শরীরের পানি কমানোর ড্রাগ)।

ক্রিয়াটিনিন কমানোর কোন ড্রাগ নেই। এটি পানিতে দ্রবনীয়। তাই অতিরিক্ত মুত্র নিঃসরনে এটি দেহ থেকে কিছুটা বেড় হয়ে যায়। সাথে অন্যান্য বর্জ্যও মুত্র দিয়ে বের হয়। কিন্তু কিডনি একেবারেই অকেজো হলে এ ড্রাগ ম্যানেজমেন্ট কাজ করেনা। তখন দেহ বর্জ্য অপসারনের জন্য ডায়ালাইসিস করতে হয়। ডায়ালাইসিস একটি যন্ত্র যা দেহের বাইরে কৃত্রিম কিডনি হিসাবে কাজ করে। ডায়ালাইসিস রোগীদের গড় আয়ু ৫ বৎসর।

কিডনি বিকল রোগীদের সবশেষ ব্যবস্থাপনা কিডনি ট্রান্সপ্ল্যান্ট। একটি কিডনি দেহে প্রতিস্থাপন করার নামই হচ্ছে কিডনি ট্রান্সপ্ল্যান্ট। এটি অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। কিডনি ট্রান্সপ্ল্যান্ট রোগীদের গড় আয়ু ১০ থেকে ১৫ বছর। মৃত্যুঅবধি ব্যবস্থাপনা খরছ অনেক।

উপরিউক্ত আলোচনা থেকে এটি পরিষ্কার যে, কিডনি অকেজো হলে অাধুনিক চিকিৎসায় কিছু সময় বেঁচে থাকা যায় সুস্থ হওয়া যায়না।

এখন আলোচনা করব প্রাকৃতিক ব্যবস্থাপনায় কিডনির সুস্থতা দেয়া যায় কিনা। এ অংশটুকুর আলোচনার গুরুত্ব অনেক।

কিডনির গঠন নিয়ে পূর্বের আলোচনায় জেনেছি এটি বিশেষায়িত কয়েক ধরনের কোষ দ্বারা নির্মিত। এ কোষগুলোর একটি বিশেষ ক্ষমতা রয়েছে। ক্ষমতাটি হচ্ছে রিপেয়ার, রিপ্লেইস এবং রিজেনারেট। বিজ্ঞানীরা নিশ্চিত করেছেন কিডনি সারা জীবনই রিপেয়ার, রিপ্লেইস ও রিজেনারেট করে।(https://med.stanford.edu/news/all-news/2014/06/adult-kidneys-constantly-grow.html)

কোষের নির্দিষ্ট খাদ্য পুষ্টি সরবরাহ করলে দেহ কোষের এ ক্ষমতার পুর্নবহাল করা সম্ভব হয়। কিডনি রোগীরা টানা ৬ মাস নিচের খাদ্য তালিকা অনুসরন করলে পুরো কিডনি নতুন ভাবে তৈরি হতে পারে।
♦ প্রোটিনের উৎস হিসাবে প্রানিজ আমিষ পরিহার করতে হবে। উদ্ভিজ্জ আমিষ যোগ করতে হবে। যেমন, স্পাইরুনিলা ও সয়াপ্রোটিন উদ্ভিজ্জ অামিষের সেরা উৎস। ৩০ গ্রাম সয়াপ্রোটিন ও ১৫ গ্রাম স্পাইরুনিলা প্রতিদিনের খাদ্যে রাখলে প্রোটিন চাহিদা পূর্ণ হবে।
♦পরিমিত পরিমান কার্বোহাইড্রেট (শাক সবজি, ফল ভাত রুটি) খেতে হবে যা সারা দিনে ৩০০ থেকে ৩৫০ গ্রামের বেশী না হয়।
♦চর্বির উৎস হিসাবে ওমেগা ৩ খেতে হবে দৈনিক ২০০০ মিলিগ্রাম।
♦এ টু জেড ভিটামিনস ও মিনারেলস খেতে হবে ১ টি করে টেবলেট বা ক্যাপসুল।
♦সব ধরনের তেলে ভাজা ও বেকারী খাবার বাদ দিতে হবে।
♦কিছু বিশেষায়িত প্রাকৃতিক ঔষধী খাদ্য খেতে হবে যেটি কোষ রিজেনারেটকে উদ্দীপিত করে।

Written by:
Dr.Shebendra karmakar
Honorary PhD IUM USA
PhD in Natural Medicine USA

Address

Rampura
Dhaka
1219

Telephone

+8801720528510

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Stem Cell Nutrition Therapy posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Stem Cell Nutrition Therapy:

Share