Unicom Travel Services

Unicom Travel Services Unicom Travel Services is a trusted Travel agency in Bangladesh serve world wide Air Tickets

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে যাত্রীদের সেবা নিশ্চিত করা, যেকোনো অপরাধ প্রতিরোধ এবং সার্বিক অধিকার সুরক্ষায় নতু...
26/09/2026

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে যাত্রীদের সেবা নিশ্চিত করা, যেকোনো অপরাধ প্রতিরোধ এবং সার্বিক অধিকার সুরক্ষায় নতুন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

বিমানবন্দরে যেকোনো ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি, অহেতুক হয়রানি বা আইনি অধিকার লঙ্ঘনের ঘটনা ঘটলে যাত্রীরা সরাসরি আইনি সহায়তা পেতে পারেন।
​যাত্রীদের তাৎক্ষণিক সেবা দিতে বিমানবন্দরে ২৪ ঘণ্টা (২৪/৭) শিফট অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছেন চারজন এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট।

​অভিযোগ জানানোর সহজ উপায়সমূহ:

​সরাসরি আদালত:
যেকোনো সমস্যার সম্মুখীন হলে ১ নম্বর টার্মিনালের ১ নম্বর গেটের কাছে অবস্থিত 'এয়ারপোর্ট এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে' সরাসরি গিয়ে অভিযোগ জানানোর সুযোগ রয়েছে।

​ফোন ও হোয়াটসঅ্যাপ:
জরুরি প্রয়োজনে সরাসরি যোগাযোগ করা যাবে +৮৮০১৩০৪০৫০৬০৩ নম্বরটিতে। চাইলে এই একই নম্বরে হোয়াটসঅ্যাপ মেসেজ দিয়েও অভিযোগ পাঠানো সম্ভব।

​ইমেইল: লিখিত অভিযোগ বা তথ্য পাঠাতে ইমেইল করতে পারেন এই ঠিকানায়: airport. magistrate. bd@ gmail. com

​বিমানবন্দরে নিরাপদ চলাচল, সঠিক সেবা লাভ এবং যাত্রীদের অধিকার বজায় রাখতে ম্যাজিস্ট্রেট টিম সার্বক্ষণিক তৎপর রয়েছে।

মক্কায় গিয়ে আমরা জমজমের পানি পান করি।কিন্তু যে কূপ থেকে এই পানি আসে সেটি ঠিক কোথায়?আপনি হয়তো জানেন, জমজমের কূপ মসজিদুল হ...
27/08/2026

মক্কায় গিয়ে আমরা জমজমের পানি পান করি।
কিন্তু যে কূপ থেকে এই পানি আসে সেটি ঠিক কোথায়?

আপনি হয়তো জানেন, জমজমের কূপ মসজিদুল হারামের ভেতরেই।

কিন্তু ঠিক কোথায়?
কাবা শরিফের কোন পাশে?
কতটা কাছে?

আর সবচেয়ে আশ্চর্যের বিষয়,
মসজিদুল হারামে দাঁড়িয়ে আমরা কেন সেই ঐতিহাসিক কূপটি দেখতে পাই না?

চলুন, একটু কাছে যাওয়া যাক।

📍 কোথায় সেই জমজম কূপ?

বীর জমজম বা জমজম কূপ মসজিদুল হারামের মাতাফ এলাকার নিচে অবস্থিত।
কাবা শরিফের পূর্বদিকে, কাবা থেকে প্রায় ২০–২১ মিটার, এবং মুলতাযামের বরাবর।

অর্থাৎ, যে জায়গায় দাঁড়িয়ে হাজিরা কাবা শরিফকে ঘিরে তাওয়াফ করেন, সেই মাতাফের একেবারে নিচেই রয়েছে সেই কূপ, যার পানি আমরা আজও পান করি।

কিন্তু আজ সেখানে গিয়ে আপনি কূপের মুখ দেখতে পাবেন না।

কেন?

এর পেছনেও রয়েছে মসজিদুল হারামের সম্প্রসারণ ও হাজিদের চলাচল সহজ করার ইতিহাস।

একসময় জমজম কূপের কাছে গিয়ে সরাসরি পানি পান করার ব্যবস্থা ছিল। কূপকে ঘিরে তৈরি হয়েছিল একটি ভূগর্ভস্থ ব্যবস্থা; জমজম বেসমেন্ট।

২০০৩ সালের আগে পর্যন্ত হাজি ও উমরাহকারীরা সেই বেসমেন্টে প্রবেশ করতে পারতেন।

মাতাফ থেকে সিঁড়িপথে সেই বেসমেন্টে প্রবেশ করা যেত।
ভেতরে ছিল নারী ও পুরুষের জন্য দুটি পৃথক অংশ।
সেখানে নির্দিষ্ট পাত্র ও কাপের মাধ্যমে জমজমের পানি পান করার ব্যবস্থা ছিল।

আর সবচেয়ে আশ্চর্যের বিষয়?

জমজমের কূপটিও সেই ভূগর্ভস্থ কক্ষের মধ্যেই ছিল।

অর্থাৎ, তখন হাজিরা শুধু মাতাফের পাশে কোনো dispenser থেকে জমজম পান করতেন না, তাঁরা সিঁড়ি দিয়ে নিচে নেমে সেই ভূগর্ভস্থ ব্যবস্থার মাধ্যমে কূপের কাছাকাছি থেকেই জমজম পান করার সুযোগ পেতেন।

কিন্তু সময়ের সঙ্গে হাজি ও উমরাহকারীর সংখ্যা বাড়তে থাকে।

মাতাফে তাওয়াফকারীদের চলাচল আরও সহজ ও নির্বিঘ্ন করার পাশাপাশি তাওয়াফের জায়গার ধারণক্ষমতা বাড়ানোর প্রয়োজন হয়।

তাই ১৪২৪ হিজরি / ২০০৩ সালে জমজম বেসমেন্টে প্রবেশের পথ বন্ধ করে দেওয়া হয়।

বেসমেন্টের প্রবেশপথ বন্ধ হলেও জমজমের পানি কিন্তু হাজিদের কাছ থেকে দূরে সরে যায়নি। বরং পান করার ফোয়ারা ও অন্যান্য সরবরাহের ব্যবস্থা মাতাফের বিভিন্ন পাশে সরিয়ে নেওয়া হয়, যাতে হাজিরা তাওয়াফের জায়গা ছেড়ে বেসমেন্টে না নেমেও সহজে জমজম পান করতে পারেন।

কূপটি বন্ধ হয়ে যায়নি।
বন্ধ হয়েছে মানুষের সেখানে যাওয়ার পথ।

আজ সেই জমজম কূপ ও পুরোনো বেসমেন্ট মাতাফের পৃষ্ঠের নিচেই রয়েছে মার্বেলের আড়ালে।

কিন্তু জমজমের পানি?

আজ আধুনিক ব্যবস্থায় কূপ থেকে জমজমের পানি পাম্প করে নেওয়া হয়। এরপর তা সংরক্ষণ, পরিশোধন ও জীবাণুমুক্ত করার প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে হাজি ও উমরাহকারীদের কাছে পৌঁছে দেওয়া হয়।

ভাবুন একবার,

আজ আপনি মাতাফে দাঁড়িয়ে কাবা শরিফের দিকে তাকিয়ে আছেন।
আপনার পায়ের নিচেই রয়েছে সেই ঐতিহাসিক কূপ।
আপনি তার মুখ দেখতে পাচ্ছেন না।
সেই পুরোনো বেসমেন্টে নামার সিঁড়িও নেই।
নারী ও পুরুষের পৃথক সেই পুরোনো পান করার স্থানও নেই।

কিন্তু সেই কূপের পানি এখনো আপনার হাতের কাপটিতে।

হাজার হাজার বছর আগে হাজেরা (আ.) তাঁর শিশু ইসমাঈল (আ.)-এর জন্য পানির সন্ধানে সাফা ও মারওয়ার মাঝে ছুটেছিলেন।

আর আল্লাহর রহমতে সেখান থেকেই প্রকাশ পেয়েছিল জমজমের পানি।
আজ সময় বদলেছে।
ব্যবস্থা বদলেছে।
মাতাফ বদলেছে।
জমজম পৌঁছে দেওয়ার পদ্ধতিও বদলেছে।

কিন্তু জমজমের কূপটি আজও সেই মক্কার মাটির নিচেই।

তাই পরেরবার যখন মসজিদুল হারামে জমজমের পানি হাতে নেবেন, একবার মনে করুন

“এই পানির উৎসটা তো এখানেই…
আমার এত কাছে।
শুধু আমার চোখের আড়ালে।”

একটি কূপ।
একটি দীর্ঘ ইতিহাস।
আর আজও লাখো মানুষের হাতে পৌঁছে যাওয়া সেই বরকতময় পানি।

জমজমের গল্প এখানেই শেষ নয়।

কীভাবে যুগে যুগে এই কূপের ব্যবস্থাপনা বদলেছে, কীভাবে আধুনিক প্রযুক্তিতে জমজমের পানি সংরক্ষণ ও সরবরাহ করা হয় সেটিও জানার মতো এক বিস্ময়কর ইতিহাস।
# কপি পেস্ট

✈️  থাইল্যান্ড থেকে অন্য দেশে যাচ্ছেন, আবার ফিরবেন? Re-Entry Permit ভিসা কিভাবে নিবেন ? Bangkok Suvarnabhumi Internation...
26/07/2026

✈️ থাইল্যান্ড থেকে অন্য দেশে যাচ্ছেন, আবার ফিরবেন? Re-Entry Permit ভিসা কিভাবে নিবেন ?

Bangkok Suvarnabhumi International Airport (BKK) থেকেই ফেরার সময় আপনি চাইলে ইমিগ্রেশনের আগেও এবং ইমিগ্রেশনের পরে যে কোনো টাইমেই আপনি Re-Entry Permit করতে পারবেন। অনেকে মনে করে ইমিগ্রেশনের আগে করা যায় না আবার কেউ মনে করে ইমিগ্রেশন করলে আর করতে পারবেন না। এমনটা ভাবার দরকার নেই ইমিগ্রেশনের আগে বা পরে যে কোনো সময় করা যাবে এবং খরচ পরবে ১২০০ বাথ Single Re-Entry Permit। সেক্ষেত্রে আপনার শুধু পাসপোর্ট নিয়ে গেলেই হবে বাকি কাজ তারা করে দেবে। আর যদি ১০০০ থাই বাতে করতে চান তাহলে আপনাকে TM.8 আবেদনপত্র পূরণ, ৪×৬ সেন্টিমিটার পাসপোর্ট সাইজ ছবি এবং প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সঙ্গে নিয়ে যেতে হবে। বাকিটা চলুন বিস্তারিত লেখায় পড়ি-

অনেক বাংলাদেশি পর্যটক থাইল্যান্ডকে শুধু একটি গন্তব্য হিসেবে নয়, বরং দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার অন্য দেশগুলো ঘোরার একটি হাব হিসেবে ব্যবহার করেন। যেমন- ঢাকা থেকে ব্যাংকক, তারপর কম্বোডিয়া, লাওস, ভিয়েতনাম বা মালয়েশিয়া ঘুরে আবার ব্যাংককে ফিরে বাংলাদেশে ফেরা। পরিকল্পনাটা শুনতে যত সহজ, বাস্তবে একটি ছোট ভুলের কারণে পুরো ট্রিপই এলোমেলো হয়ে যেতে পারে। সেই ভুলটির নাম Re-Entry Permit। অনেকেই মনে করেন, থাই ভিসা থাকলেই যতবার খুশি থাইল্যান্ডে ঢোকা যাবে। কিন্তু বাস্তবতা হলো, আপনার ভিসার ধরন এবং থাকার অনুমতির ওপর নির্ভর করে দেশ ছাড়ার সঙ্গে সঙ্গেই সেই অনুমতি বাতিল হয়ে যেতে পারে। তাই আপনি যদি থাইল্যান্ড ভ্রমণের পাশাপাশি আশপাশের আরও এক বা একাধিক দেশ ঘোরার পরিকল্পনা করেন, তাহলে Re-Entry Permit সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা থাকা অত্যন্ত জরুরি।

বর্তমানে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় ভ্রমণকারীদের মধ্যে একটি জনপ্রিয় রুট হলো- থাইল্যান্ড, কম্বোডিয়া, লাওস, ভিয়েতনাম কিংবা মালয়েশিয়া একসঙ্গে ঘুরে দেখা। অনেকেই ব্যাংককে কয়েকদিন থেকে সড়কপথ বা বিমানে অন্য দেশে যান এবং পরে আবার থাইল্যান্ডে ফিরে এসে দেশে ফেরেন। কিন্তু এখানেই অনেকের ভুল হয়। তারা মনে করেন, ভিসার মেয়াদ শেষ না হওয়া পর্যন্ত সেটি কার্যকর থাকবে। অথচ অনেক ক্ষেত্রে থাইল্যান্ড থেকে বের হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই সেই অনুমতির কার্যকারিতা শেষ হয়ে যায়। ফলে আবার প্রবেশ করতে গেলে নতুন ভিসা বা নতুন Entry Permission-এর প্রয়োজন হতে পারে।

সহজ ভাষায় বলতে গেলে, Re-Entry Permit হলো এমন একটি অনুমতি, যা আপনার বর্তমান থাই ভিসা বা Permission to Stay-কে থাইল্যান্ডের বাইরে গিয়েও বৈধ রাখে। অর্থাৎ, আপনি সাময়িকভাবে অন্য দেশে ঘুরে আবার নির্ধারিত সময়ের মধ্যে থাইল্যান্ডে ফিরলে আগের অনুমতিটিই ব্যবহার করতে পারবেন। এটি নতুন ভিসা নয়; বরং আপনার বিদ্যমান থাকার অনুমতিকে সংরক্ষণ করার একটি ব্যবস্থা।

তবে এখানে একটি বিষয় অবশ্যই মনে রাখতে হবে সব ভিসাধারীর জন্য Re-Entry Permit বাধ্যতামূলক নয়। এটি মূলত নির্ভর করে আপনার ভিসার ধরন এবং ইমিগ্রেশন থেকে পাওয়া থাকার অনুমতির ওপর। তাই ভ্রমণের আগে নিজের ভিসার শর্ত ভালোভাবে পড়ে নেয়া এবং প্রয়োজনে সংশ্লিষ্ট থাই ইমিগ্রেশন বা দূতাবাস থেকে নিশ্চিত হওয়া সবচেয়ে নিরাপদ সিদ্ধান্ত।

Re-Entry Permit সাধারণত দুই ধরনের হয়। Single Re-Entry Permit এবং Multiple Re-Entry Permit। যদি আপনি শুধুমাত্র একবার থাইল্যান্ড ছেড়ে আবার একবার ফিরে আসেন, তাহলে Single Re-Entry Permit-ই যথেষ্ট। কিন্তু যদি একই ট্রিপে দুই বা তার বেশি বার থাইল্যান্ডের বাইরে যাওয়ার পরিকল্পনা থাকে, তাহলে Multiple Re-Entry Permit নেওয়া বেশি সুবিধাজনক। ভ্রমণ পরিকল্পনা অনুযায়ী সঠিক অপশন বেছে নিলে অপ্রয়োজনীয় ঝামেলা ও অতিরিক্ত খরচদুটিই এড়ানো যায়।

অনেকেই মনে করেন, Re-Entry Permit করার জন্য অবশ্যই ব্যাংককের ইমিগ্রেশন অফিসে যেতে হবে। বাস্তবে বিষয়টি আরও সহজ। আপনি চাইলে Bangkok Suvarnabhumi International Airport (BKK) থেকেই যাত্রার দিন Re-Entry Permit সংগ্রহ করতে পারবেন। আন্তর্জাতিক ফ্লাইটের চেক-ইন সম্পন্ন করার পর, Security Check পার হয়ে কিন্তু Passport Control-এর আগে, Departure Hall 2-এর ইমিগ্রেশন এলাকায় Re-Entry Permit Counter রয়েছে। এস্কেলেটর দিয়ে নিচে নেমে ডান পাশে গেলেই কাউন্টারটি দেখতে পাবেন। সবচেয়ে ভালো বিষয় হলো, এই কাউন্টার ২৪ ঘণ্টাই খোলা থাকে। তবে ফ্লাইট ধরার তাড়াহুড়ো এড়াতে অন্তত ১ থেকে ২ ঘণ্টা অতিরিক্ত সময় হাতে নিয়ে বিমানবন্দরে পৌঁছানো উচিত।

বর্তমানে সরকারি ফি Single Re-Entry Permit-এর জন্য ১,০০০ থাই বাত এবং Multiple Re-Entry Permit-এর জন্য ৩,৮০০ থাই বাত। যদি আগে থেকেই TM.8 আবেদনপত্র পূরণ করা থাকে, ৪×৬ সেন্টিমিটার পাসপোর্ট সাইজ ছবি এবং প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সঙ্গে নিয়ে যান, তাহলে শুধু সরকারি ফিই দিতে হবে। তবে বিমানবন্দরে ছবি তোলা বা ফর্ম পূরণের সহায়তা নিলে অতিরিক্ত প্রায় ২০০ থাই বাত সার্ভিস চার্জ লাগে। তাই সম্ভব হলে আগে থেকেই সব কাগজপত্র প্রস্তুত করে নেয়াই সবচেয়ে ভালো।

Re-Entry Permit করার সময় সাধারণত সঙ্গে রাখতে হবে আপনার পাসপোর্ট, পূরণ করা TM.8 আবেদনপত্র, একটি ৪×৬ সেমি পাসপোর্ট সাইজ ছবি এবং সরকারি ফি পরিশোধের জন্য থাই বাত। অনেক সময় কাউন্টারে শুধুমাত্র ক্যাশ গ্রহণ করা হয়, তাই আগে থেকেই কিছু থাই বাত সঙ্গে রাখাই নিরাপদ।

আমি ব্যক্তিগতভাবে সব সময় একটি পরামর্শ দিই, যদি আপনার থাইল্যান্ড ভ্রমণের সঙ্গে কম্বোডিয়া, লাওস, ভিয়েতনাম, মালয়েশিয়া বা অন্য কোনো দেশের সফর যুক্ত থাকে, তাহলে টিকিট বুক করার আগেই নিজের ভিসার ধরন এবং প্রবেশের শর্ত যাচাই করে নিন। কারণ বিমানবন্দরে পৌঁছে বুঝতে পারা যে আপনার Re-Entry Permit লাগবে, সেটি ভ্রমণের সবচেয়ে অস্বস্তিকর অভিজ্ঞতাগুলোর একটি হতে পারে। অনেক সময় অতিরিক্ত খরচ, সময় নষ্ট, এমনকি পুরো ভ্রমণ পরিকল্পনাও পরিবর্তন করতে হয়।

ভ্রমণের আনন্দ শুধু সুন্দর গন্তব্যে নয়, বরং ঝামেলামুক্ত যাত্রাতেও। আর সেই ঝামেলামুক্ত ভ্রমণের জন্য ছোট ছোট নিয়মগুলো জানা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। Re-Entry Permit হয়তো খুব বড় কোনো বিষয় মনে হবে না, কিন্তু সঠিক সময়ে এটি আপনার পুরো ট্রিপকে সহজ করে দিতে পারে। তাই আপনি যদি থাইল্যান্ডকে কেন্দ্র করে একাধিক দেশ ঘোরার স্বপ্ন দেখেন, তাহলে এই বিষয়টি কখনোই অবহেলা করবেন না। একটু সচেতনতা, সঠিক পরিকল্পনা এবং প্রয়োজনীয় কাগজপত্র প্রস্তুত রাখলেই আপনার পুরো দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া ভ্রমণ হবে আরও নিশ্চিন্ত, আরও উপভোগ্য। ✈️🧳

# copy paste

*** মসজিদে কুবা যেতে বাগি (গলফ কার্ট) ব্যবহার করবেন? আগে এটি জেনে নিন।অনেক হাজী ও ওমরাহ যাত্রী মসজিদে কুবায় হেঁটে যান, ...
12/07/2026

*** মসজিদে কুবা যেতে বাগি (গলফ কার্ট) ব্যবহার করবেন? আগে এটি জেনে নিন।
অনেক হাজী ও ওমরাহ যাত্রী মসজিদে কুবায় হেঁটে যান, আবার কেউ বাস বা ট্যাক্সি ব্যবহার করেন।
কিন্তু জানেন কি?
কুবা ওয়াকওয়ে দিয়ে বাগি (Golf Cart)-এ করেও আরামদায়কভাবে মসজিদে কুবায় যেতে পারবেন। পথে মদিনার সুন্দর পরিবেশও উপভোগ করতে পারবেন।
📍 বাগি কোথায় পাবেন?• গেট ৩৩৩• গেট ৩১০• মসজিদ আল-গামামাহর পাশে (Elaf Al Taqwa Hotel-এর সামনে)
💰 ভাড়া (একদিকে):সাধারণত ১০–২০ সৌদি রিয়াল (প্রতি ব্যক্তি)
সাম্প্রতিক তথ্য অনুযায়ী—• গেট ৩১০ / মসজিদ আল-গামামাহ এলাকা: প্রায় ১০ রিয়াল• গেট ৩৩৩ এলাকা: প্রায় ২০ রিয়াল
⚠️ ভাড়া সময় ও পরিস্থিতি অনুযায়ী পরিবর্তিত হতে পারে। তাই ওঠার আগে ভাড়া নিশ্চিত করে নিন।
💳 পেমেন্ট:বেশিরভাগ বাগিতে নগদ অর্থের পাশাপাশি ডেবিট/ক্রেডিট কার্ডেও পেমেন্ট করা যায়।
⏱ সময় লাগে:প্রায় ১০–১৫ মিনিট, ভিড়ের ওপর নির্ভর করে।
🔄 ফিরে আসবেন কীভাবে?মসজিদে কুবা জিয়ারত শেষে একই ড্রপ-অফ পয়েন্ট থেকে আবার বাগিতে করে মসজিদে নববীতে ফিরে আসতে পারবেন।
🔸 একটি গুরুত্বপূর্ণ সুন্নাহসম্ভব হলে অজু করে মসজিদে কুবায় যান। রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন, যে ব্যক্তি পবিত্রতা অর্জন করে (অজু করে) মসজিদে কুবায় এসে দুই রাকাত সালাত আদায় করে, সে একটি উমরাহর সমপরিমাণ সওয়াব লাভ করে।
🔹 আপনার পরবর্তী মদিনা সফরের জন্য পোস্টটি সংরক্ষণ করুন এবং অন্যদেরও জানার সুযোগ করে দিন।

🕋 মক্কার হারাম এরিয়া: সীমানা ও ফজিলতআল্লাহ তাআলা মক্কা নগরীকে বিশেষ মর্যাদা ও নিরাপত্তা দান করেছেন। মক্কার চারপাশে নির্ধ...
25/06/2026

🕋 মক্কার হারাম এরিয়া: সীমানা ও ফজিলত
আল্লাহ তাআলা মক্কা নগরীকে বিশেষ মর্যাদা ও নিরাপত্তা দান করেছেন। মক্কার চারপাশে নির্ধারিত পবিত্র সীমারেখাকে হারাম এরিয়া বলা হয়। এই সীমানাগুলো রাসূল ﷺ-এর যুগ থেকে চিহ্নিত রয়েছে।
📍 হারাম এরিয়ার প্রধান সীমানা ও মসজিদুল হারাম থেকে আনুমানিক দূরত্ব:
🔹 তানঈম (মসজিদে আয়েশা) — প্রায় ৭ কিমি
🔹 জিরানা — প্রায় ১৬ কিমি
🔹 হুদাইবিয়া (শুমাইসি) — প্রায় ২২ কিমি
🔹 আদাত লিবন (ইয়েমেনের দিক) — প্রায় ১২ কিমি
🔹 জাবাল নামিরা (আরাফাতের দিক) — প্রায় ২০ কিমি
🔹 ওয়াদি নাখলা (ইরাকের দিক) — প্রায় ১৪ কিমি
🌿 হারাম এলাকার বিশেষ বিধান ✅ গাছপালা কাটা নিষিদ্ধ
✅ বন্য প্রাণী শিকার নিষিদ্ধ
✅ কুড়িয়ে পাওয়া জিনিস মালিকের সন্ধান ছাড়া রাখা নিষিদ্ধ
✅ অন্যায়, জুলুম ও রক্তপাত কঠোরভাবে নিষিদ্ধ
🤲 হারাম এলাকার ফজিলত • এটি পৃথিবীর সর্বশ্রেষ্ঠ ও সবচেয়ে পবিত্র ভূমি।
• এখানে ইবাদত ও নেক আমলের মর্যাদা অনেক বেশি।
• এক লাখ গুণ নামাজের ফজিলত সম্পর্কে আলেমদের মধ্যে মতভেদ রয়েছে—এটি বিশেষভাবে মসজিদুল হারামের জন্য, নাকি পুরো হারাম এলাকার জন্য; উভয় মতই বিদ্যমান।
📖 আল্লাহ তাআলা বলেন:
"আর যে এতে (হারামে) প্রবেশ করে, সে নিরাপদ হয়ে যায়।"
— সূরা আলে ইমরান, ৩:৯৭
🕋 মক্কার হারাম এরিয়া শুধু একটি সীমারেখা নয়; এটি আল্লাহর পক্ষ থেকে সম্মানিত, নিরাপদ ও বরকতময় এক পবিত্র অঞ্চল।

** কপি পেস্ট

পরিবর্তন হয়েছে ফ্যামিলি ভিসা প্রসেসিং....সৌদি ফ্যামিলি ভিজিট ভিসা আবেদন ও প্রসেসিং নিয়মাবলি (১৪৪৮ হিজরি)সৌদি আরবের ফ্যাম...
18/06/2026

পরিবর্তন হয়েছে ফ্যামিলি ভিসা প্রসেসিং....
সৌদি ফ্যামিলি ভিজিট ভিসা আবেদন ও প্রসেসিং নিয়মাবলি (১৪৪৮ হিজরি)
সৌদি আরবের ফ্যামিলি ভিজিট ভিসার ক্ষেত্রে নতুন নিয়মাবলি সংযুক্ত করা হয়েছে। আবেদন ও প্রসেসিংয়ের বিস্তারিত ধাপ নিচে দেওয়া হলো:

১. ভিসা আবেদন প্রক্রিয়া
ইকামার মেয়াদ: ইকামার মেয়াদ অন্তত ৩ মাস থাকা আবশ্যক।
MOFA আবেদন: MOFA (Ministry of Foreign Affairs) থেকে ভিসার আবেদন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে।
চেম্বার: আবেদন নাম্বারের ওপর ভিত্তি করে কফিল বা কোম্পানির মাধ্যমে ভিসা চেম্বার করতে হবে।
সময়কাল: চেম্বার হওয়ার পর ভিসা পেতে সাধারণত ৭ থেকে ১৫ দিন সময় লাগে।
প্রসেসিং সময়: ভিসা পাওয়ার পর থেকে ১ মাস সময়ের মধ্যে ভিসা প্রসেসিং সম্পন্ন করতে হবে।

২. প্রয়োজনীয় নথিপত্র (ডকুমেন্টস)
ক. সৌদি প্রবাসীর জন্য (সৌদিতে অবস্থানরত):
পাসপোর্টের রঙিন ফটোকপি।
আকামার রঙিন ফটোকপি।
ভোটার আইডি কার্ড অথবা জন্ম নিবন্ধনের রঙিন ফটোকপি।

খ. বাংলাদেশ থেকে ভ্রমণকারী যাত্রীর জন্য:
পাসপোর্টের রঙিন ফটোকপি।
ভোটার আইডি কার্ডের রঙিন ফটোকপি।
জন্ম নিবন্ধনের রঙিন ফটোকপি (অবশ্যই অনলাইন থাকতে হবে)।
অরিজিনাল কাবিননামা (অবশ্যই অনলাইনে ভেরিফাইড হতে হবে)।
পাসপোর্ট সাইজের ছবি – ৪ কপি (ল্যাব প্রিন্ট, সাদা ব্যাকগ্রাউন্ড)।

গ. পরিবারের অন্য সদস্য সাথে থাকলে (বাবা-মা, শ্বশুর-শাশুড়ি, ভাই-বোন):
রিলেশনশিপ অ্যাফিডেভিট (৩০০ টাকার স্ট্যাম্পে)।
জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের মাধ্যমে এটেস্টেশন (সত্যায়ন)।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় (MOFA) কর্তৃক সত্যায়ন।
নোট: স্বামী-স্ত্রী হলে উপরের ৩টি ডকুমেন্টের প্রয়োজন নেই।

৩. কাবিননামা অনলাইন করার নিয়ম
বর্তমানে ভিসা প্রসেসিংয়ের জন্য কাবিননামা অনলাইন থাকা বাধ্যতামূলক, নতুবা ফাইল বাতিল হয়ে যাবে।
১. কাবিননামা জেনুইন বা আসল হতে হবে।
২. জেলা রেজিস্ট্রারের কার্যালয়ে কাবিননামা অনলাইনের জন্য আবেদন করতে হবে।
৩. আবেদন যাচাইয়ের সময় বিয়ে সম্পাদনকারী কাজীর কাছে ভেরিফিকেশন কল যাবে। কাজীর কল রিসিভ ও ভেরিফিকেশন সম্পন্ন হলে ২-৩ দিনের মধ্যে কাবিননামা অনলাইনে সাবমিট হয়ে যাবে।
(পরামর্শ: কাজীকে আগে থেকে অবগত করে রাখুন, যেন তিনি ফোন রিসিভ করেন।)

৪. গুরুত্বপূর্ণ আপডেট: ই-অ্যাপোস্টিল (e-Apostille)
ভিসা সংক্রান্ত সকল ডকুমেন্ট অবশ্যই ই-অ্যাপোস্টিল করতে হবে।
ই-অ্যাপোস্টিল ছাড়া তাশির সেন্টার (Tasheer Center) ফাইল গ্রহণ করবে না।
ভিসা বাতিলের ঝুঁকি এড়াতে অবশ্যই ১০০% অরিজিনাল বা জেনুইন ই-অ্যাপোস্টিল জমা দিতে হবে। ডুপ্লিকেট বা ক্লোন কপি গ্রহণযোগ্য নয়।

৫. তাশির সেন্টারে ভিসা প্রসেসিং (ধাপসমূহ)
১. সকল অরিজিনাল ডকুমেন্ট সংগ্রহ করুন।
২. নির্ধারিত তাশির সেন্টারে সশরীরে উপস্থিত হয়ে ডকুমেন্ট জমা দিন।
৩. ভিসা ফি (বয়সভেদে ১৬,৫০০ টাকা থেকে ৩০,০০০ টাকা) নিজ দায়িত্বে জমা দিন।
৪. সেন্টারে ফিঙ্গারপ্রিন্ট সম্পন্ন করুন।
৫. ভিসা ইস্যু হলে নিজ দায়িত্বে এয়ার টিকিট সংগ্রহ করুন।

বিঃদ্রঃ ভিসা প্রসেসিংয়ের সাধারণ সময় ১৫ কর্মদিবস (পরিবর্তনশীল)। ভিসা পাওয়া সম্পূর্ণ সৌদি সরকারের সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভরশীল। বর্তমানে কফিল চেম্বার ছাড়া আউট চেম্বারের ভিসা কার্যক্রম বন্ধ থাকায় গ্রাহকদের অপেক্ষা করার অনুরোধ জানাচ্ছি।
**সংগৃহীত

থাইল্যান্ড ভ্রমণকারীদের জন্য নতুন নিয়ম।
08/06/2026

থাইল্যান্ড ভ্রমণকারীদের জন্য নতুন নিয়ম।

05/06/2026

Masha allah,very good initiative

জীবনের সবচেয়ে বড় পরীক্ষা কেন্দ্র... আরাফা।খুব ভয় লাগছিল ৭ই জিলহাজ। তাবুতে চলে যাবার জন্য হোটেলে প্রস্তুতি নিচ্ছিলাম, ...
23/05/2026

জীবনের সবচেয়ে বড় পরীক্ষা কেন্দ্র... আরাফা।

খুব ভয় লাগছিল ৭ই জিলহাজ। তাবুতে চলে যাবার জন্য হোটেলে প্রস্তুতি নিচ্ছিলাম, হজের নিয়মের বইটা দেখছিলাম। আগে যেমন পরীক্ষার আগের রাতে টেনশন নিয়ে পড়তাম সে রকমই মনে হচ্ছিল।জীবনের সবচেয়ে বড় পরীক্ষা স্থলে যাচ্ছি।

নবীজি বলেছেন আরাফাতের দিনের দোয়াই সর্বোত্তম দোয়া কিন্তু অনেক হাজীগণ দোয়ায় গাফিলতি করেন। পরীক্ষা কেন্দ্রে যখন আমরা পরীক্ষা দিতাম আমরা কিন্তু আশেপাশের চেয়ার টেবিল, টিচার কি ড্রেস পরল, পাশের রুমে কি হচ্ছে সেসব নিয়ে চিন্তিত থাকতাম না অথচ আরাফায় অবস্থানকালে শয়তানের ওয়াস ওয়াসা আর নফসের ধোঁকায় অনেকেই খাবার নিয়ে হুড়াহুড়ি /ঝগড়া/ঘুমিয়ে/ কথা বলে/ বাথরুমে গোসল করার লাইন ধরতে ব্যস্ত থাকেন। দুয়া করাটা যে একটা ইবাদাত, যে কারণে আরাফায় আসা এটাই অনেকে ভুলে যান। অনেকেই দুয়া লিস্ট তৈরি করে আনে না যেখানে উচিত যেন টানা তিন চার ঘন্টা দোয়া করা যায় এরকম এক্সটেনসিভ দুয়ালিস্ট তৈরি করা। নিজের দোয়া নিজে লেখা অথবা হিসনুল মুসলিম/ যেকোনো ভালো দুয়ার বই থেকে দুয়া করা। জীবনের কোন দোয়া যেন বাদ না যায়। নিজের জন্য, নিজের সমস্ত পরিচিতজনদের জন্য, দেশের জন্য, মুসলিম উম্মাহর জন্য, অমুসলিমদের হেদায়েতের জন্য। অনুপস্থিত ভাই-বোনদের জন্য দোয়া করলে ফেরেশতারাও তার সাথে আমিন বলেন। নবীজি (সা.) বলেছেন, "শ্রেষ্ঠ দোয়া হলো আরাফার দিনের দোয়া এবং আমি ও আমার পূর্ববর্তী নবীরা সর্বোত্তম যে দোয়াটি পড়েছি তা হলো-"লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াহদাহু লা শারিকালাহু, লাহুল মুলকু ওয়া লাহুল হামদু, ওয়াহুয়া আলা কুল্লি শাইয়িন কাদির।"

অনেকে কিবলামুখী হয়ে দোয়া করার পরিবর্তে জাবালে আরাফার দিকে মুখ করে দোয়া করাকে বেশি ফজিলতপূর্ণ মনে করেন এবং জাবালে আরাফায় যাওয়া এবং তার উপর উঠাকে অনেক সওয়াবের মনে করেন। আরেকটি ভুল হচ্ছে একাকী দোয়া না করে কারো পিছনে মোনাজাত ধরে দোয়া করাকে অনেকেই পছন্দ করেন। কিন্তু সুন্নাহ হচ্ছে আরাফার ময়দানে লম্বা সময় একাকী দোয়া করা। কারণ নবীজি এটা করেছেন। বিদায় হজের দিন জোহরের নামাজের পর থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত নবীজি (সা.) তাঁর উটনীতে বসা অবস্থায়/ দাঁড়িয়ে দুই হাত তুলে অত্যন্ত বিনীতভাবে এবং ক্রন্দনরত অবস্থায় আল্লাহর দরবারে প্রার্থনা করেছিলেন।

নবীজি (সা.)-কে জিজ্ঞেস করা হলো, "সর্বোত্তম আমল কোনটি?" তিনি বললেন, "আল্লাহ ও তাঁর রাসুলের প্রতি ঈমান আনা।" জিজ্ঞেস করা হলো, "এরপর কোনটি?" তিনি বললেন, "আল্লাহর রাস্তায় জিহাদ।" এরপর জিজ্ঞেস করা হলো, "তারপর কোনটি?" তিনি বললেন, "মাবরুর (কবুল হওয়া) হজ।" (সহিহ বুখারি ও মুসলিম)। সুসংবাদ তাদের জন্য যারা হজেও আছেন আবার জিহাদেও আছেন। হজ বৃদ্ধ, অল্প বয়স্ক, দুর্বল এবং নারীদের জন্য জিহাদ।

আরাফার দিনের প্রধান কাজ হজের খুতবা শোনা, জোহর এবং আসরের সালাত কসর-জমা করে আদায় করা এবং তারপর বাকি সময় দোয়ায় ব্যস্ত হয়ে যাওয়া, বেশি বেশি তালবিয়া পড়া। "আরাফাহ দিবসের তুলনায় এমন কোন দিন নেই, যেদিন আল্লাহ তাআলা সর্বাধিক লোককে জাহান্নামের আগুন থেকে মুক্তি দান করেন। আল্লাহ তা'আলা নিকটবর্তী হন, অতঃপর বান্দাদের নিয়ে ফেরেশতাদের সামনে গৌরব প্রকাশ করেন এবং বলেন, তারা কি চায়?" (সহীহ মুসলিম) আরাফাতে অবস্থানকারীদেরকে সেদিন মরুভূমির বালুকণার পরিমাণ, দুনিয়ার সকল দিনের সমান অথবা আকাশের বৃষ্টির ফোটার সংখ্যার সমান গুনাহ ও আল্লাহ ক্ষমা করে দেন। (মুসান্নাফে আব্দুর রাজ্জাক)। আরাফাতে আগমনকারীদের জন্য এ ক্ষমা প্রদর্শন কিয়ামত পর্যন্ত চালু থাকবে।(তারগীব)

*আরাফার তাবুতে এসে নিশ্চিত হয়ে নেবেন আপনাদেরকে খুতবা শোনানো হবে কিনা।স্পিকারে খুতবা শোনার ব্যবস্থা আছে কিনা। ব্যবস্থা না থাকলে ফোনে শুনে নিবেন। ঘুমাতে চাইলে জোহরের আগের সময় রেস্ট নিয়ে নিবেন। জোহরের পর আর এক মুহূর্ত সময় নষ্ট করবেন না। সম্ভব হলে তাবুর বাইরে চলে যাওয়া ভালো কারণ আকাশের দিকে তাকিয়ে দু হাত তুলে দোয়া করা সুন্নাহ। একটু পরপরই তাবুতে বিভিন্ন রকম খাবার আসতে থাকে। সে খাবার পাবার জন্য হুরাহুরি করা ঠিক না। জীবনে অনেক খাবার আমরা খেয়েছি একটা দিন একটু কম খেয়ে থাকি না। আরাফার দিনে গোসল করাটা খুব বেশি জরুরী না।গোসল করতে যেয়ে টয়লেট কে সাগর বানিয়ে অন্যের কষ্টের কারণ হওয়া ঠিক না। অনেকেই মনে করেন জাবালে আরাফাই হচ্ছে আরাফার ময়দান। বলতে শোনা যায় যে আমাদেরকে কখন আরাফায় নেয়া হবে? আরাফার দিনে আরো বিশেষভাবে খেয়াল রাখতে হবে আরাফা মনে করে আরাফার ময়দানের বাহিরে কোনভাবেই অবস্থান করা যাবে না এবং সূর্যাস্তের পূর্বেই আরাফা ত্যাগ করা যাবে না। সব এজেন্সি গুলোকে সচেতন হতে হবে হাজীদেরকে বাধ্যতামূলক ট্রেনিং দেয়ার ব্যাপারে। আগে থেকেই জানা থাকলে হজ করা সহজ হয়ে যায়। অনেকে জানতে চান কিভাবে বুঝব কোন এজেন্সি ভালো? সে ক্ষেত্রে পূর্বের হাজীদের ফিডব্যাক নেয়া জরুরী। এজেন্সির ট্রেনিং ব্যবস্থা আছে কিনা, আকিদা সহিহ কিনা, ব্যবহার ভালো ছিল কিনা, কথা কাজের মিল ছিল কিনা ইত্যাদি।

এই একটা দিনের জন্যই কত স্বপ্ন, কত ত্যাগ, কত দুয়া, কত আয়োজন...

ইয়া হাজ্জি আল্লাহ আপনাদের পরীক্ষা সফল করুন, হজকে কবুল করুন।
** সংগৃহীত

বদলি হজের বিধান ও আদায়ের পদ্ধতিঃহজের আভিধানিক অর্থ ইচ্ছা করা ও সফর করা। আর্থিক ও শারীরিকভাবে সমর্থ পুরুষ ও নারীর ওপর হজ ...
21/05/2026

বদলি হজের বিধান ও আদায়ের পদ্ধতিঃ
হজের আভিধানিক অর্থ ইচ্ছা করা ও সফর করা। আর্থিক ও শারীরিকভাবে সমর্থ পুরুষ ও নারীর ওপর হজ ফরজ।
আল্লাহ–তাআলা বলেন, ‘আল্লাহর তরফ থেকে সেসব মানুষের জন্য হজ ফরজ করা হয়েছে, যারা তা আদায়ের সামর্থ্য রাখে।’ (সুরা-৩ আলে ইমরান; আয়াত: ৯৭)

📌বদলি হজ্জ কী?

যে ব্যক্তি নিজে হজ্জ করতে অক্ষম—যেমন খুব বৃদ্ধ, স্থায়ীভাবে অসুস্থ, বা মৃত্যুবরণ করেছেন—তার পক্ষ থেকে অন্য কাউকে দিয়ে হজ্জ করানোকে “বদলি হজ্জ” বলা হয়। ইসলামে এটি জায়েজ।

পরিভাষায় হজ হলো নির্দিষ্ট সময়ে নির্ধারিত স্থানে বিশেষ কিছু কর্ম সম্পাদন করা।
হজের নির্দিষ্ট সময় হলো আশহুরে হুরুম বা হারাম মাসসমূহ, অর্থাৎ শাওয়াল, জিলকদ ও জিলহজ; বিশেষভাবে ৮ জিলহজ থেকে ১২ জিলহজ পর্যন্ত পাঁচ দিন।
হজের নির্ধারিত স্থান হলো মক্কা শরিফে—খানায়ে কাবা, সাফা-মারওয়া, মিনা, আরাফা, মুজদালিফা ইত্যাদি এবং মদিনা শরিফে রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর রওজা শরিফ জিয়ারত করা।
হজের বিশেষ আমল হলো ইহরাম, তাওয়াফ ও সাঈ, অকুফে আরাফা, অকুফে মুজদালিফা, অকুফে মিনা, হাদি বা দমে শোকর (শোকরানা কোরবানি), হলক ও কসর এবং জিয়ারতে মদিনা-রওজাতুন নবী (সা.) ইত্যাদি।
রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘হজ মানুষকে নিষ্পাপ করে দেয়, যেভাবে লোহার ওপর থেকে মরিচা দূর করা হয়।’ (তিরমিজি) ‘যে ব্যক্তি যথাযথভাবে হজ পালন করে, সে পূর্বেকার পাপ থেকে এমন নিষ্পাপ হয়ে যায়, যেরূপ সে মাতৃগর্ভ থেকে ভূমিষ্ঠ হওয়ার দিন ছিল।’ (বুখারি)

জীবনে একবার হজ করা ফরজ। সামর্থ্যবানদের জন্য প্রতি পাঁচ বছর অন্তর হজ করা সুন্নত। সুযোগ থাকলে বারবার বা প্রতিবছর হজ করাতে কোনো বাধা নেই। যেকোনো ব্যক্তির অর্থ দ্বারা হজ সম্পাদন করা যাবে। হাদিয়া বা অনুদানের টাকা দিয়েও হজ করলে তা আদায় হবে। চাকরি বা কোনো প্রতিষ্ঠানের দায়িত্বশীল হিসেবে কর্তব্যকাজের সুবাদে হজ করলেও হজ আদায় হবে। এটি বদলি হজ না হলে নিজের ফরজ হজ আদায় হবে; আর যদি ফরজ হজ পূর্বেই আদায় করা থাকে, তবে এটি নফল হবে। নফল হজ অন্য কারও বদলি হজের নিয়তে আদায় করলেও তা আদায় হবে। (ফাতাওয়া শামী ও আলমগীরী)

হজ সম্পাদনে শারীরিকভাবে অক্ষম হলে অন্য কাউকে দিয়ে বদলি হজ করানো জরুরি অথবা বদলি হজের জন্য অসিয়ত করে যাওয়া আবশ্যক। বদলি হজ যিনি সম্পাদন করেন, যিনি অর্থ প্রদান করেন এবং যাঁর জন্য করা হয়, সবাই পূর্ণ হজের সওয়াব পাবেন। অসিয়তকৃত বদলি হজ অসিয়তকারীর সম্পদ বণ্টনের পূর্বে প্রতিপালন করা বা সম্পাদন করানো ওয়ারিশদের জন্য ওয়াজিব। অসিয়ত না করে গেলেও সব ওয়ারিশ সম্মিলিতভাবে বা কোনো ওয়ারিশ নিজ উদ্যোগে বা ব্যক্তিগতভাবে তা আদায় করতে বা করাতে পারবেন। এতেও মৃত ব্যক্তি দায়মুক্তি পাবেন এবং বদলি হজ সম্পাদনকারী ও করনেওয়ালা—উভয়েই হজের সওয়াবের অধিকারী হবেন।

জীবিত বা মৃত—যেকোনো ব্যক্তির জন্য বদলি হজ করানো যায়। আত্মীয়স্বজন, বন্ধুবান্ধব কিংবা পরিচিত-অপরিচিত যে কেউ যে কারও পক্ষ থেকে বদলি হজ করতে বা করাতে পারেন। বদলি হজ আদায় করতে বা করাতে যাঁর জন্য করা হবে, তাঁর অনুমতি বা অবগতি আবশ্যক নয়; তবে সম্ভব হলে তা উত্তম।

পূর্বে হজ আদায় করা বদলি হজ সম্পাদনের জন্য শর্ত নয়; বরং নতুনদের দ্বারা বদলি হজ করালে তাঁদের নিষ্ঠা, আন্তরিকতা, আবেগ ও অনুরাগ বেশি থাকে। তবে যাঁর নিজের হজ ফরজ হয়ে অনাদায়ি রয়েছে, তাঁকে দিয়ে বদলি হজ করানো যাবে না।

বদলি হজ আত্মীয়-অনাত্মীয়, নারী-পুরুষ যে কেউ করতে পারেন; তবে বিজ্ঞ ও পরহেজগার ব্যক্তি হওয়া শ্রেয়।
বদলি হজের সব নিয়মকানুন সাধারণ হজের মতোই; শুধু ইহরামের নিয়ত করার সময় ‘অমুকের পক্ষ থেকে’—এই কথা বলতে হবে বা মনে করতে হবে। বদলি হজে ‘ইফরাদ’ হজ করতে হবে—এমনটা জরুরি নয়; সুবিধামতো ‘কিরান’ অথবা ‘তামাত্তু’ হজ করা যাবে। ‘ইফরাদ’ হজে দমে শোকর বা কোরবানি প্রয়োজন হয় না; ‘কিরান’ও ‘তামাত্তু’ হজে দমে শোকর বা কোরবানি দিতে হয়।

এ ক্ষেত্রে বদলি হজ করানেওয়ালা এই কোরবানির অর্থ দিতে বাধ্য নন। এমন অবস্থায় হজ সম্পাদনকারীকে নিজের পক্ষ থেকে কোরবানি আদায় করতে হবে; সামর্থ্য না থাকলে বিকল্প হিসেবে ১০টি রোজা রাখলেও হবে। তবে যদি বদলি হজ করানেওয়ালা কোরবানির অর্থও দিয়ে দেন, তাহলে তা উত্তম।

📌📌বদলি হজ্জ করার শর্ত

যার পক্ষ থেকে হজ্জ করা হবে

তার ওপর হজ্জ ফরজ হয়ে থাকতে হবে।

তিনি নিজে হজ্জ করতে স্থায়ীভাবে অক্ষম হতে পারেন।

অথবা তিনি মৃত্যুবরণ করেছেন।

যে বদলি হজ্জ করবে

তাকে আগে নিজের ফরজ হজ্জ আদায় করতে হবে।

নিয়তের সময় নির্দিষ্ট ব্যক্তির পক্ষ থেকে হজ্জের নিয়ত করতে হবে।

বদলি হজ্জের নিয়ম

১. ইহরাম বাঁধার সময় নিয়ত

মীকাত থেকে ইহরাম বাঁধার সময় বলতে হবে—
বদলি হজ্বে তালবিয়ার নিয়ম:
১. নিয়ত বা সংকল্প: মীকাত থেকে ইহরাম বাঁধার সময় মনে মনে বা মুখে যার বদলি হজ্ব করছেন, তার নাম উল্লেখ করে নিয়ত করতে হবে। যেমন: "হে আল্লাহ! আমি অমুক ব্যক্তির পক্ষ থেকে হজ্বের ইহরাম বাঁধছি, তা কবুল করুন।" তালবিয়া পাঠ: নিয়ত করার পরপরই উচ্চৈঃস্বরে (পুরুষরা) অথবা নিচুস্বরে (নারীরা) তালবিয়া পাঠ করতে হবে。

২. হজ্জের সব কাজ আদায় করা

বদলি হজ্জকারীকে স্বাভাবিক হজ্জের মতোই সব কাজ করতে হবে—

তাওয়াফ

সাঈ

মিনায় অবস্থান

আরাফায় অবস্থান

মুজদালিফায় রাত যাপন

কংকর নিক্ষেপ

কুরবানি (যদি প্রয়োজন হয়)

সব আমল সেই ব্যক্তির পক্ষ থেকেই আদায় হবে।

৩. দোয়া করা

হজ্জের সময় বেশি বেশি দোয়া করতে হবে যেন আল্লাহ ওই ব্যক্তির হজ্জ কবুল করেন এবং তাকে ক্ষমা করেন।

📌📌গুরুত্বপূর্ণ কিছু মাসআলা

একজন ব্যক্তি এক সফরে শুধু একজনের পক্ষ থেকে ফরজ বদলি হজ্জ করতে পারে।

জীবিত ব্যক্তির অনুমতি ছাড়া তার পক্ষ থেকে বদলি হজ্জ করা ঠিক নয়।

মৃত ব্যক্তির জন্য সন্তান, আত্মীয় বা অন্য কেউ বদলি হজ্জ করতে পারে।

বদলি হজ্জের খরচ সাধারণত যার পক্ষ থেকে হজ্জ করা হয় তার সম্পদ থেকে দেওয়া হয়।
❤️❤ আল্লাহ সবাইকে হজ্জ করার তাওফিক দেন
আমিন লিখতে ভুলবেন না।
সবাই পেইজটি ফলো করবেন

Address

64/4, Saba Complex (2nd Floor), Naya Paltan
Dhaka
1000

Opening Hours

Monday 10:00 - 19:00
Tuesday 10:00 - 19:00
Wednesday 10:00 - 19:00
Thursday 10:00 - 19:00
Saturday 10:00 - 19:00
Sunday 10:00 - 19:00

Telephone

+8801911408741

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Unicom Travel Services posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Unicom Travel Services:

Shortcuts

Share

Category