Travelers of Daffodil International University

Travelers of Daffodil International University চলুন জগৎটাকে দেখি , উন্মোচন করি আমাদের বদ্ধ মন।

21/10/2025

আরেকটি অনলাইন টিকেট এজেন্সি (OTA) Travel Business Portal জনগণের টাকা নিয়ে উধাও!
কি চলছে এই সেক্টরে!
দেখার কেউ নেই।

"স্মরণে নোয়াখালী গণহত্যা""কোজাগরী পূর্ণিমা উঁকি দেয়, আসে বারেবার। ৪৬ এর কোজাগরী, এসেছিলো একবার।।"🗞️ উৎসব সর্বদা আনন্দ কি...
11/10/2025

"স্মরণে নোয়াখালী গণহত্যা"

"কোজাগরী পূর্ণিমা উঁকি দেয়,
আসে বারেবার।
৪৬ এর কোজাগরী,
এসেছিলো একবার।।"

🗞️ উৎসব সর্বদা আনন্দ কিংবা ভাতৃত্বের সুবাতাস বয়ে নিয়ে আসে নাহ। কখনো কখনো নিয়ে আসে রক্তের সুনামি, হিংস্রতার অট্টহাসি, ধ্বংসের বার্তা। ১০ অক্টোবর, ১৯৪৬ সাল। প্রতিবারের ন্যায় গৃহে প্রদীপ প্রজ্বলন করে সমগ্র জগৎকে আলোকিত করার চেষ্টায় দাস বাড়ির গৃহবধূ। কিন্তু ভাগ্য সহায় ছিলো নাহ। যে প্রতিবেশীর সাথে তাহাদের এত হৃদ্যতাপূর্ণ সম্পর্ক। সে প্রতিবেশী কাশেম আজ হিন্দুনিধন এর উন্মত্ততায় মেতেছে। কাশেমের নিজস্ব বাহিনী দাস পরিবারের ১৯ জনকে নির্মমভাবে হত্যা করে এবং হত্যার পূর্বে নারীদের গণধর্ষণ করা হয়।

১৯৪৬ এর সে প্রদীপ ছিল কোজাগরী পূর্ণিমার। কিন্তু সে প্রদীপ নিভে গিয়ে বৃটিশ ভারতের অন্তর্গত নোয়াখালীর রাত্রিকে করে তোলে ভয়ঙ্কর ও নির্মম। সে নির্মমতার নাম "নোয়াখালী গণহত্যা"।

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শেষ হয়ে গিয়েছে। কিন্তু বৃটিশ ভারতের সংগ্রাম এখনো শেষ হয়নি। কারণ, অসাম্প্রদায়িক আদর্শের দেশবাসী ধর্মীয় বিভাজন উপর ভিত্তি করে গড়ে উঠা পাকিস্তান প্রস্তাব প্রত্যাখান করে। ফলস্বরূপ, দ্বিজাতিতত্ত্বের ভিত্তিতে পাকিস্তান গড়ার লক্ষ্যে জিন্নাহ সফলতা অর্জন হচ্ছিল নাহ। কিন্তু জিন্নাহ ও মুসলিম লীগ কোনো উপায়ন্তর না দেখে পাকিস্তান সৃষ্টির জন্য বেছে নেয় হিংসাত্মক তৎপরতা - "ডাইরেক্ট একশান ডে"। কলকাতার বুকে মুসলিম লীগের ক্যাডারদের আক্রমণ ও ধ্বংসাত্মক কর্মকাণ্ডে কলকাতার বুকে নেমে আসে শকুনের ছায়া। দীর্ঘ দুইদিন এই এক তরফা আক্রমণ চলে। কিন্তু তারপর কলকাতার সাহসী যুবকেরা গড়ে তোলে শক্ত প্রতিরোধ। জিন্নাহর কলকাতা দখলের স্বপ্ন দুঃস্বপ্নে পরিণত হয়। তবে এই প্রতিরোধের বিপরীতে কলকাতা থেকে বহু ক্রোশ দূরে নেমে আসে দুর্যোগের ঘনঘটা।

🔆 নোয়াখালী শান্ত ও সমৃদ্ধ এক জনপদ। তৎকালীন সময়ে নোয়াখালীর জনসংখ্যায় হিন্দুরা সংখ্যালঘু ছিল কিন্তু সম্পদ, অবস্থান এবং প্রভাবে হিন্দুরা ছিল অগ্রগণ্য। নোয়াখালী গণহত্যা ১০ অক্টোবর সংঘটিত হলেও এর সূচনা কলকাতার দাঙ্গা থেকে শুরু হয়। অতিরঞ্জিত খবর এবং গুজবে সয়লাব হয়ে পড়ে পূর্ববঙ্গ। সাম্প্রদায়িক গোষ্ঠী এই গুজবের সুযোগ নিয়ে নিজেদের কার্যসিদ্ধি করতে তৎপর হয়ে উঠে। তৎকালীন নোয়াখালীর দিয়ারা শরীফের বংশানুক্রমিক খাদিম মুসলিম পীর পরিবারের বংশধর গোলাম সরোয়ার হুসেইনী ছিলেন এই গণহত্যার প্ররোচক। কিন্তু দাঙ্গা সংঘটিত হওয়ার পূর্বে নোয়াখালীর দিয়ারা শরীফ হিন্দুদের নিকটও খুব শ্রদ্ধার ছিল। তবে সে শ্রদ্ধা সেদিন তাদের নিকট বিবেচ্য ছিল নাহ। কলকাতার দাঙ্গা সংঘটিত হওয়ার পর থেকেই হুসেইনী ও তার অনুসারীরা উসকানিমূলক মন্তব্য করতে থাকে এবং হিন্দু নিধনে উসকানি প্রদান করতে থাকে পাড়া-মহল্লায়। ফলস্বরূপ, বিভিন্ন এলাকায় হিন্দু দোকান-পাট থেকে দ্রব্যাদি কেনা থেকে বিরত থাকে। রামগঞ্জ ও বেগমগঞ্জ পুলিশ স্টেশনের আওতাধীন এলাকার নৌকার মাঝিরা হিন্দু যাত্রীদেরকে পারাপার করতে অস্বীকৃতি জানায়। সেপ্টেম্বরের প্রথম সপ্তাহ থেকে সাহাপুরের হিন্দু দোকান-পাট লুট শুরু করে এবং কলকাতা থেকে যে সকল হিন্দু তাদের গ্রামে দুর্গা পূজার ছুটি কাটাতে এসেছিল তারা হয়রানি, নির্যাতন ও নিগ্রহের শিকার হন। অক্টোবরের ২ তারিখ থেকে সুযোগ পেলেই হিন্দুদের সম্পদ লুট, হিন্দুদেরকে হত্যা ও নির্যাতন শুরু করে দেয়। কিন্তু পরিকল্পিত ধ্বংসযজ্ঞ শুরু হয়েছিলো অজ্ঞাত এক গুজব থেকে যে, রামগঞ্জের জমিদার রাজেন্দ্র লাল চৌধুরী তার বাড়ির পুজোয় এক মুসলিম বালককে বলি দিচ্ছেন ও শিখরা অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হচ্ছে। কিন্তু সে ঘটনা ছিল সম্পূর্ণ ভিন্ন। ভারত সেবাশ্রম সঙ্ঘের স্বামী ত্রেম্বকানন্দ অতিথি হিসেবে জমিদার রাজেন্দ্র লাল চৌধুরীর গৃহে। এই গুজবের ফলে, ধীরে ধীরে উন্মত্ত গোষ্ঠী দলবদ্ধ হয়ে সমবেত হতে থাকে দিয়ারা শরীফে। কিন্তু সত্য-মিথ্যা যাচাই এর পূর্বে দাঙ্গা শুরু হয়ে যায়। ঠিক যেন ২০২১ সালে রক্তাক্ত শারদ এর গদা ইকবাল এর ষড়যন্ত্র কিন্তু ভুক্তভোগী অসহায় হিন্দুরা।

গোলাম সরোয়ারের ব্যক্তিগত বাহিনী "মিঞার ফৌজ" ও মুসলিম লীগের নেতা "কাশেমের কাশেমের ফৌজ" সেদিন আবির্ভূত হয়েছিল নাৎসি সরকারের ওয়েহরমাখট (Wehrmacht) এর ভূমিকায়। যাদের একমাত্র লক্ষ্য, হিন্দু নিধন ও লুটপাট।

হুসেনি সাহাপুর বাজার আক্রমণ করতে নির্দেশ দেয় এবং পরবর্তীতে কাশেম নামের আরেকজন মুসলিম লীগের বাহিনী অস্ত্র হাতে যোগদান করে এই ধ্বংসাত্মক কর্মকাণ্ডে। নোয়াখালী প্রতিটি পরগণায় ধ্বংসাত্মক কর্মকাণ্ড চলতে থাকে। প্রাণ রক্ষার্থে থানায় দুইশত এর অধিক হিন্দু নর-নারী আশ্রয় নিলে। তাদের জোরপূর্বক ধর্মান্তরিত করা হয় এবং গোমাংস খাওয়ানো হয়। কিন্তু স্থানীয় খ্যাতনামা ব্যবসায়ী নবদ্বীপচন্দ্র নাথ থানা থেকে বের হতে শেষ পর্যন্ত অস্বীকৃতি জানালে তাকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয় এবং মৃতদেহ রশিতে বেঁধে টেনে নিয়ে যাওয়া হয়। কিন্তু হুসেনির মূল লক্ষ্য ছিল নোয়াখালী বার এ্যাসোসিয়েশন ও জেলা হিন্দু মহাসভার সভাপতি রাজেন্দ্রলাল রায়চৌধুরীর বসতবাড়ি। ১১ অক্টোবর তীব্র প্রতিরোধের মুখে ব্যর্থ হয়ে অধিক দাঙ্গাবাজ নিয়ে পরদিন পুনরায় আক্রমণ করে। রাজেন্দ্রলাল, তার অগ্রজ চিন্তাচরন এবং অনুজ সতীশসহ পরিবারের ২২ জন সদস্যকে হত্যা করা হয়। রাজেন্দ্রলাল রায় চৌধুরীর শরীর থেকে মস্তক বিচ্ছিন্ন করে একটি থালায় করে গোলাম সরোয়ার হুসেনির নিকট নিয়ে আসে তার বাহিনী। রাজেন্দ্রলালের বাড়ি থেকে তার দুই মেয়েকে অপহরণ করে নিয়ে আসে হুসেনির বাহিনী যাদেরকে হুসেনি তার দুই বিশ্বস্ত অনুচরকে গনিমতের মাল হিসেবে দেয়।

🔆 অক্টোবরের ১২ তারিখে রাইপুর থানার অন্তর্গত শায়েস্তাগঞ্জের চিত্তরঞ্জন দত্ত রায়চৌধুরীর বাড়িতে
আক্রমণকারী বাহিনী। কিন্তু তীব্র প্রতিরোধ সত্ত্বেও গোলাবারুদ তিনি তার পরিবারের সকল সদস্যদেরকে বাড়ির ছাদে তুলে দেন এবং নিজে ছাদ থেকে রাইফেল দিয়ে গুলি করে আত্মরক্ষার সর্বাত্মক প্রচেষ্টা করেন; কিন্তু আক্রমণ কারীদের সংখ্যা ছিল অনেক বেশি অপরদিকে তার গোলাবারুদ প্রায় শেষ হয়ে গিয়েছিল। তখন তিনি প্রতিরোধের জন্য আক্রমণকারীদের উপর জল কামান ব্যবহার করেন। অবশেষে নিরুপায় হয়ে তিনি তার বৃদ্ধ মা এবং বাচ্চাদেরকে নিজ হাতে গুলি করেন এবং সব শেষে নিজে আত্মহত্যা করেন। নোয়াখালা গ্রামের চৌধুরী পরিবারের ০৮ জন পুরুষ সদস্যকে হত্যা করা হয় ও গৃহবধূদের গণধর্ষণ করা হয়।গোবিন্দপুরের যশোদা পাল ও ভরত ভূঁইয়ার বাড়িতে আক্রমণ করে এবং ১৬ জন সদস্যকে দড়ি দিয়ে বেধে জীবন্ত অগ্নিদগ্ধ করে নির্মম ভাবে হত্যা করে ও নারীদের গণধর্ষণ করা হয়। আমিশাপাড়া এবং সাতঘরিয়ার মধ্যবর্তী এলাকার ভৌমিক এবং পাল পরিবারের ১৯ সদস্যের সকলকে আগুনে পুড়িয়ে হত্যা করা হয়। মিঞার ফৌজ নন্দীগ্রামের নাগ পরিবারের বাড়িঘর আগুনে পুড়িয়ে শুধু ক্ষান্ত হয়নি, রমনীকান্ত নাগের প্রতিষ্ঠিত পোস্ট অফিস ও বিদ্যালয় ভবনও পুড়িয়ে দেয়। পাশ্ববর্তী হিন্দু পরিবারগুলো জীবন রক্ষার্থে সে বাড়িতে আশ্রয় নেয় এবং পুলিশবাহিনী সরোয়ারের বাহিনীর বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে। ব্যর্থ হয়ে সমস্ত গ্রাম জুড়ে নির্বিচারে লুটপাটের তাণ্ডব চালায়। কুঞ্জ কুমার নামে বৃদ্ধকে জ্যান্ত পুড়িয়ে হত্যা করে দাঙ্গাকারীরা। ১৩ অক্টোবর চাঙ্গিরগাঁও এর হিন্দুদের আক্রমণ করে এবং ১,৫০০ মণ ধান পুড়িয়ে ভস্মে পরিণত করে দেয়। মন্দির গুড়িয়ে দিয়ে হিন্দু মহিলাদের শাঁখা ভেঙ্গে ফেলে, সিঁথির সিঁদুর মুছে দেয় আর হিন্দু পুরুষদের নামাজ পড়তে বাধ্য করে। সন্দীপে ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামী লালমোহন সেন হিন্দুদের রক্ষার চেষ্টা কালে তাকে নির্মম ভাবে হত্যা করা হয়। নোয়াখালী নউরির জমিদার যশোদা রঞ্জন দাসকে প্রকাশ্যে হত্যা করা হয়।

🔆 নোয়াখালী গণহত্যা ইতিহাসের অন্ধকারতম অধ্যায়৷ হিন্দু গণহত্যার এই যাত্রা চলেছে বহুদিন। হত্যাকান্ডের প্রকৃত সংখ্যা অগণিত ছিলো। সেদিন সে অসহায় হিন্দু জনগোষ্ঠীর আর্তনাদে নোয়াখালীর বাতাস বিষন্ন হয়ে উঠেছিল। কিন্তু কেউ ছিল না এগিয়ে আসার। স্বধর্ম ত্যাগ করতে বাধ্য করা, জোরপূর্বক গোমাংস খাওয়ানো কিংবা নারীদের গণধর্ষণ করে গণিমত এর মাল হিসেবে ভাগবাটোয়ারা করা - এ যেন মধ্যযুগের নৃশংসতা ফিরে এসেছিলো। গান্ধীবাদী অশোক গুপ্ত উল্লেখ করেছিলেন, কমপক্ষে ২,০০০ হিন্দুকে জোরপূর্বক ধর্মান্তরিত করা হয়েছিলো। ম্যুরিয়েল লেস্টার নামক একজন ম্যাজিস্ট্রেট নোয়াখালীর হিন্দু নারীদের অবর্ণনীয় নির্যাতন সম্পর্কে উল্লেখ করেন, সেখানে মেয়েদের অবস্থা নিকৃষ্টতম।তাদের অনেকেই নিজেদের স্বামীকে খুন হতে দেখেছে এবং স্বামীর হত্যাকারীরাই তাদেরকে ধর্মান্তরিত করে বিয়ে করেছে। ঐ সব নারীরা জীবন্মৃত অবস্থায়। পরিবারের পুরুষ সদস্যদেরকে হত্যা করে নারীদেরকে বিভিন্নজনের কাছে ভাগ করে দিত ঐ
দাঙ্গাবাজরা। কিন্তু আশ্চর্যজনক ভাবে এই কর্মকান্ডে সেসব দাঙ্গাবাজদের পরিবারের নারীরাও এসব অপহৃত ভাগ্যহত হিন্দু মেয়েদের ধর্ষণ করতে ও লুকিয়ে রাখতে সমানভাবে সাহায্য করত পুরুষ সদস্যদেরকে।সুচেতা কৃপালনি জেলাপ্রশাসক ম্যাক্লেন্নারীকে নিয়ে একটি মেয়েকে উদ্ধারে গেলে ভীতসন্ত্রস্ত মেয়েটি প্রথমে জানায়,সে স্বেচ্ছায় এসেছে। কিন্তু সুচেতার অনুরোধে ম্যাক্লেন্নারী একান্তে মেয়েটিকে জিজ্ঞেস করতেই সে তাকে উদ্ধার করতে আর্তনাদ করে ওঠে। এম.এ.খান এর মতে, নোয়াখালীর ৯৫ ভাগ হিন্দুদেরই জোরপূর্বক ধর্মান্তকরন করেছিল। বিচারপতি জি.ডি. খোসলা মনে করেন, নোয়াখালীর সমগ্র হিন্দু জনগোষ্ঠীর সর্বস্ব লুট করে নেয়া হয়েছিল এবং তাদের কে জোরপূর্বক ধর্মান্তরিত করা হয়েছিলো।

🗞️ কিন্তু এমন নারকীয় কর্মকাণ্ডের পরেও মুসলিম লীগের নেতারা এসকল ঘটনা অস্বীকার করতে থাকে। ধীরেন্দ্রনাথ দত্তের প্রশ্নের উত্তরে হোসেন শহীদ সোহ্‌রাওয়ার্দী বলেন শুধুমাত্র ত্রিপুরা জেলাতে ৯,৮৯৫ টি ধর্মান্তকরনের ঘটনা ঘটেছে। এডওয়ার্ড স্কিনার সিম্পসন তার রিপোর্টে কেবলমাত্র ত্রিপুরা জেলার তিনটি পুলিশ স্টেশন যথা ফরিদ্গঞ্জ,চাঁদপুর ও হাজীগঞ্জের অন্তর্ভুক্ত এলাকাতেই ২২,৫৫০ টি ধর্মান্তকরনের ঘটনা লিপিবদ্ধ করেন। ডঃ তাজ-উল-ইসলাম হাশমী মনে করেন, নোয়াখালী গণ হত্যায় যে পরিমান হিন্দুকে হত্যা করা হয়েছে তার কয়েকগুন বেশি হিন্দু মহিলাদের ধর্ষণ এবং ধর্মান্তকরন করা হয়েছে।

এমন নৃশংসতা সংগঠিত হওয়ার পরেও দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নিয়ে প্রাদেশিক মুখ্যমন্ত্রী হোসেন শহীদ সোহ্‌রাওয়ার্দীর হাজার হাজার হিন্দু মহিলাদের ঘৃণ্যভাবে ধর্ষিত ও নিগৃহীত হবার প্রসঙ্গে বলেন,হিন্দু মহিলারা প্রকৃতিগত ভাবেই মুসলিম মহিলাদের তুলানায় বেশি সুন্দর। সত্যি দায়িত্বশীল পদে অধিষ্ঠিত ব্যক্তির এমন মন্তব্য স্পষ্ট করে, এই দাঙ্গা আকস্মিক নাকি সুপরিকল্পিত ছিল।

🗞️ আর্থার হ্যান্ডারসন বাংলার প্রাদেশিক সরকার কর্তৃক প্রস্তুতকৃত নোয়াখালী দাঙ্গা সম্পর্কিত একটি প্রতিবেদন হাউস অফ কমেন্সে পাঠ করেন।প্রতিবেদনে বলা হয়, হতাহতের সংখ্যা তিন অঙ্কের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে। শরৎ চন্দ্র বসু হাউস অফ কমেন্সে এই অদ্ভুদ মিথ্যাচারপূর্ণ প্রতিবেদনের তীব্র সমালোচনা করে প্রত্যাখ্যান করেন। তিনি বিবৃতি দেন, জমিদার সুরেন্দ্রনাথ বসুর বসত বাড়ি এবং অফিসে আক্রমণের একটি ঘটনাতেই ৪০০ এর উপর হিন্দুকে নির্মম ভাবে হত্যা করা হয়।

🗞️ এই হিন্দু নিধন শুধুমাত্র নোয়াখালী জেলায় সীমাবদ্ধ ছিল নাহ। নোয়াখালী দাঙ্গা সংঘটিত হয়েছিলো মূলত পূর্ববঙ্গের নোয়াখালী ও ত্রিপুরা উভয় জেলায়। কিন্তু এই জেলা সমূহ ছাড়াও অন্যান্য স্থানেও সহিংসতা সংঘটিত হয়েছিলো। কংগ্রেস সভাপতি আচার্য্য কৃপালনির স্ত্রী সুচেতা কৃপালনি নোয়াখালীতে নারী উদ্ধার করতে আসলে দাঙ্গার খলনায়ক গোলাম সরোয়ার ফতোয়া দেয়, যে সুচেতাকে ধর্ষণ করতে পারবে তাকে বহু টাকা দেওয়া হবে এবং গাজী উপাধিতে ভূষিত করা হবে। সুচেতা সবসময় পটাশিয়াম সাইনাইড ক্যাপসুল গলায় ঝুলিয়ে রাখতেন। দাঙ্গা সংঘটিত হওয়ার পরে পরিস্থিতি শান্ত করতে কংগ্রেস, স্বেচ্ছাসেবী দল ও হিন্দু মহাসভা সহ রাজনৈতিক দল সমূহ এগিয়ে আসে।

🗞️ দাঙ্গা পরবর্তী সময়েও হিন্দুদের নিগৃহীত করার প্রবণতা বিদ্যমান থাকে। ফলস্বরূপ, বেঁচে যাওয়া ৫০০০০-৭৫০০০ হিন্দু জনগোষ্ঠী দেশত্যাগে বাধ্য হয়। হুসেনি হিন্দুদের উপর মধ্যযুগের আদলে জিজিয়া কর ধার্য করেছিলো এবং জোরপূর্বক ইসলামে ধর্মান্তরিতদের কাছ থেকে জোর করে লিখিত সাক্ষ্য রাখা হয়েছিল যেখানে লেখা ছিল তারা স্বেচ্ছায় ধর্মান্তরিত হয়েছে। তাদেরকে একটি নির্দিষ্ট বাড়িতে বা ঘরে আবদ্ধ করে রাখা হয় এবং যখন কোন আনুষ্ঠানিক পরিদর্শক দল পরিদর্শনে আসে তখন তাদেরকে ওই নির্দিষ্ট বাড়িতে যাবার অনুমতি দেয়া হত। স্বেচ্ছাসেবীদের ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় অপরাধের শিকার ব্যক্তিদের উদ্ধার করা সম্ভব হয়।

🔆 সময় বহু কেটে গিয়েছে। একটা আর্টিকেল কখনো যথেষ্ট নয় এই ধ্বংসাত্মক কর্মকাণ্ডের ইতিহাস বর্ননা করার জন্য। বহু ঘটনা সমূহ বর্ণনা করা সম্ভব হয়নি। কিন্তু এই হৃদয়বিদারক ইতিহাস আমাদের স্মরণ করা আবশ্যক। ইতিহাস হতে সত্যি আমরা কতটুকু শিক্ষা নিতে পেরেছি সত্যি প্রশ্নাতীত। এই আগ্রাসন চলতে থাকে, দেশবিভাগ পরবর্তী সময়ে বারংবার এই আগ্রাসন চলতে থাকে। এমনই এক ধ্বংসাত্মক কর্মকাণ্ডের ইতিহাস রচিত হয় ১৯৬৪ সালে। হিন্দু সংখ্যাগরিষ্ঠ খুলনা জেলায় রাতারাতি বাস্তুচ্যুত হয়ে সংখ্যালঘু হয়ে যায় হিন্দুরা। ১৯৭১ সালে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর লক্ষ্য হয়ে উঠে হিন্দু নিধন।

⚠️ বিঃদ্রঃ এই আর্টিকেল এর উদ্দেশ্য শুধুমাত্র ইতিহাস কেন্দ্রীয়। কারো প্রতি বিদ্বেষ প্রকাশ নয়। বরং, ইতিহাসের কালো অধ্যায় স্মরণে রেখে সে থেকে শিক্ষা নেওয়া। আমরা সনাতন ধর্মের আদর্শ পরমতসহিষ্ণুতায় বিশ্বাসী।

প্রকৃতি আমাদের শরীরের জন্য শুধু মনোরম পরিবেশ নয় এটি এক অসাধারণ চিকিৎসকও বটে। বিজ্ঞানীরা বলছেন, আপনি যদি মাত্র তিন দিন কো...
10/10/2025

প্রকৃতি আমাদের শরীরের জন্য শুধু মনোরম পরিবেশ নয় এটি এক অসাধারণ চিকিৎসকও বটে। বিজ্ঞানীরা বলছেন, আপনি যদি মাত্র তিন দিন কোনো বন বা প্রাকৃতিক পরিবেশে সময় কাটান, তাহলে আপনার শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বা ইমিউন সিস্টেম প্রায় ৮০% পর্যন্ত সক্রিয় হয়ে উঠতে পারে। শুনে অবিশ্বাস্য মনে হলেও, এটি এখন প্রমাণিত বৈজ্ঞানিক সত্য।

জাপানে এই প্রক্রিয়াটিকে বলা হয় শিনরিন-ইয়োকু যার অর্থ বনের গোসল। এটি কোনো শারীরিক গোসল নয়, বরং প্রকৃতির নীরবতা, সবুজ গাছের ছায়া, পাখির ডাক, ও বাতাসের স্পর্শকে গভীরভাবে অনুভব করা যেখানে শরীর ও মন উভয়ই বিশ্রাম নেয় এবং পুনর্জীবন পায়।

গবেষণায় দেখা গেছে, যারা জঙ্গলে কয়েকদিন কাটান, তাদের শরীরে natural killer (NK) cells নামের এক বিশেষ ধরণের শ্বেত রক্তকণিকা সক্রিয় হয়ে ওঠে। এই NK সেলগুলো হলো শরীরের প্রাকৃতিক প্রতিরক্ষাবাহিনী যারা ভাইরাস ও ক্যানসার কোষকে শনাক্ত করে ধ্বংস করে দেয়। অর্থাৎ এই কোষগুলোর কার্যক্ষমতা যত বেশি, আপনার শরীর তত ভালোভাবে রোগ প্রতিরোধ করতে পারে।

গবেষণায় দেখা গেছে, মাত্র তিন দিনের বনভ্রমণের পর NK সেলের কার্যক্ষমতা প্রায় ৮০% পর্যন্ত বেড়ে যায় এবং আশ্চর্যজনকভাবে এই প্রভাব কয়েক সপ্তাহ পর্যন্ত স্থায়ী থাকে। বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, এই প্রভাবের পেছনে কাজ করে phytoncides নামের এক ধরনের প্রাকৃতিক রাসায়নিক যৌগ, যা গাছপালা বায়ুতে নির্গত করে। গাছের এই ফাইটোনসাইড বাতাসের সঙ্গে মিশে আমাদের ফুসফুসে প্রবেশ করে এবং শরীরের ইমিউন সিস্টেমকে উদ্দীপ্ত করে।

প্রকৃতির আরেকটি উপকার হলো মানসিক প্রশান্তি। বনের নীরবতা, পাখির গান, ঠাণ্ডা বাতাস ও সবুজ পরিবেশ আমাদের শরীরে থাকা cortisol নামের স্ট্রেস হরমোন কমিয়ে দেয়। এর ফলে মানসিক চাপ হ্রাস পায়, ঘুম ভালো হয় এবং শরীরের রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা আরও শক্তিশালী হয়ে ওঠে।

এই কারণেই বন বা প্রাকৃতিক পরিবেশে সময় কাটানো এখন শুধু বিনোদন নয় বরং একধরনের বৈজ্ঞানিকভাবে প্রমাণিত প্রাকৃতিক থেরাপি। শহরের কোলাহল, দূষণ ও মানসিক চাপের মধ্যে বসবাসকারী মানুষদের জন্য এটি বিশেষভাবে উপকারী।

আপনি যদি নিয়মিত প্রকৃতির সংস্পর্শে থাকতে পারেন যেমন সপ্তাহান্তে কোনো বনে ক্যাম্পিং করা, কিংবা প্রতিদিন কাছের পার্কে কিছুক্ষণ হাঁটা তাহলে তা আপনার শরীরের ইমিউন সিস্টেমকে পুনরুজ্জীবিত করতে সাহায্য করবে।

অতএব, প্রকৃতির সঙ্গে পুনঃসংযোগ শুধু মন ভালো করার উপায় নয়, বরং এটি আপনার স্বাস্থ্য, দীর্ঘায়ু ও মানসিক শান্তির বৈজ্ঞানিক চাবিকাঠি।

© Science Galaxy

08/10/2025

✈️Dhk - Kualalampur - Dhk
Only 52,665 BDT

৯০ দশকের একটি রাস্তার মোড় 🌿স্থান : ডলফিন মোড়, কক্সবাজার।
30/09/2025

৯০ দশকের একটি রাস্তার মোড় 🌿
স্থান : ডলফিন মোড়, কক্সবাজার।

আদি ঐতিহ্য উঁচু পায়খানা –মূলতঃ বর্ষাকালের পানিতে ডুবে যাওয়ার হাত থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য এ ধরণের পায়খানা বানানোর রেওয়াজ অ...
30/09/2025

আদি ঐতিহ্য উঁচু পায়খানা –
মূলতঃ বর্ষাকালের পানিতে ডুবে যাওয়ার হাত থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য এ ধরণের পায়খানা বানানোর রেওয়াজ অতিতে ছিল। অপেক্ষাকৃত অবস্থাপন্নরা এ রকম ডাবল কেবিনযুক্ত ল্যাট্রিন বানাতো। এখন থেকে ৫০/৬০ বছর আগেও এ চিত্র দেখা যেতো। দখিণা বাতাসে দূর্গন্ধ যাতে না ছড়ায় পায়খানা বাড়ির উত্তর দিকেই বসানো হত। খড়ালিকালে (শুস্ক মৌসুমে) পালাক্রমে চুলার ছাই ফেলে তলদেশের বর্জ্য ঢেকে রাখা হত। প্রতি বর্ষায় ধুঁয়েমুছে সাফ হয়ে যেতো, বিষয়টি স্বাস্থ্যসম্মত না হলেও বিকল্প তখনো চালু হয়নি। নিচে বর্ষার পানি এলে হরেক রকমের মাছের খেলা দেখা যেতো। গৃহস্থবাড়ির একটি সুন্দর পরিপাটি পায়খানা ও মাঁচা বিছানো নৌকা দিয়ে একটি পরিবারের আভিজাত্য প্রকাশ পেতো। বিয়ের জন্য বর ও কনের বাড়ি যাচাইকালে এগুলোও বাছবিচারে বিবেচিত হতো। এ ধরণের কোন ছবি হাতে না থাকায় আমার অনুরোধে শিল্পি Sohel Riajul মনের কল্পনায় অবিকল এটি এঁকে আমাকে দিয়েছিলেন ছয় বছর আগে। আমাদের বাড়িতেও এ রকম ডাবল কেবিনের একটি ল্যাট্রিন ছিল।

© আব্দুর রশিদ খান

🏖️ মালদ্বীপ ও শ্রীলঙ্কা প্যাকেজ ০৭ দিন ৬ রাত 🏖️👉 (হুলহোমালে + কলম্বো + ক্যান্ডি + নুরা-এলিয়া ডে ট্রিপ, ক্যান্ডি ও কলম্বো...
23/09/2025

🏖️ মালদ্বীপ ও শ্রীলঙ্কা প্যাকেজ ০৭ দিন ৬ রাত 🏖️
👉 (হুলহোমালে + কলম্বো + ক্যান্ডি + নুরা-এলিয়া ডে ট্রিপ, ক্যান্ডি ও কলম্বো সিটি ট্যুর)

২২ অক্টোবর-২৮ অক্টোবর
৮৯,৯০০/=

Available Seats: 18

✅ Hotel Names:
Hulhumale- Beach Arena Inn
Kandy- Hotel Devon or Travellers Nest
Colombo- Berjaya colombo or Hotel Sapphire.

✅ Inclusions:
1. Return Air Tickets by Fits Air
2. Airport pick & drop
3. 3* Standard Hotel
4. Daily Breakfast
5. Imuga processing
6. All Taxes

✅ Inclusions in Sri Lanka
1. 2 nights stay at Kandy
2. 1 night stay at Colombo
3. Airport Pick & Drop
4. Daily Breakfast
5. Full day Nuwyara Elliya tour
6. Kandy city tour
7. Colombo city tour
8. Taxes & service charge
9. English speaking guide

✅ Exclusions:
1. Sri Lanka ETA (2550 BDT)
2. Lunch & Dinner
3. Entry fees
4. Personal expenses

📱wa.me/+8801955770545
📱wa.me/+8801841770545

21/09/2025

পূজার ছুটিতে কে কোথায় ঘুরতে যাচ্ছেন?

নভেম্বর ২০২৫, উমরাহ প্যাকেজের বুকিং চলছে আগ্রহীরা যোগাযোগ করুন:  wa.me/+8801955770545wa.me/+8801841770545---------------...
18/09/2025

নভেম্বর ২০২৫, উমরাহ প্যাকেজের বুকিং চলছে আগ্রহীরা যোগাযোগ করুন:
wa.me/+8801955770545
wa.me/+8801841770545
-----------------------------

📌 প্যাকেজের মূল বৈশিষ্ট্য:
🕓 সময়কাল: ১৩ রাত/১৪ দিন
সম্ভাব্য ভ্রমন তারিখ: ১২ নভেম্বর
-----------------------------

✅ প্যাকেজে অন্তর্ভুক্ত সুবিধাসমূহ:
✔️ এয়ার টিকিট (ডিরেক্ট ফ্লাইট)
✔️ উমরাহ ভিসা ও স্বাস্থ্য বিমা
✔️ সাপোর্ট স্টাফ
✔️ ২৪*৭ ঘন্টা অনলাইন সাপোর্ট টীম
✔️ সম্পূর্ণ গ্রাউন্ড ট্রান্সপোর্ট
✔️ অভিজ্ঞ মুয়াল্লিম ও সার্বক্ষণিক গাইড
✔️ দর্শনীয় স্থানসমূহ ভ্রমণ (মক্কা ও মদিনা)
✔️ ২টি জুম’আ: মদিনা এবং মক্কায়
------------------------------

💰 প্যাকেজ মূল্য:
জনপ্রতি ১,৫৫,০০০/- টাকা থেকে শুরু
সৌদি এয়ারলাইন্স ডিরেক্ট ফ্লাইট
------------------------------

❌ প্যাকেজে অন্তর্ভুক্ত নয়:
- খাবার
- পানি ও জমজমের পানি
- ব্যক্তিগত টিপস ও রুম সার্ভিস
- প্যাকেজে উল্লেখিত নয় এমন খরচ
- ব্যক্তিগত জিয়ারা

🌿✨ ৩ দিন ২ রাতের সুন্দরবন এক্সপ্লোরেশন ✨🌿🔁 খুলনা ↔ খুলনা | 🚢 শিপ-ভিত্তিক গাইডেড ট্যুর---🛳 যাত্রা সময়সূচী⏰ যাত্রা শুরু: স...
16/09/2025

🌿✨ ৩ দিন ২ রাতের সুন্দরবন এক্সপ্লোরেশন ✨🌿
🔁 খুলনা ↔ খুলনা |
🚢 শিপ-ভিত্তিক গাইডেড ট্যুর
---
🛳 যাত্রা সময়সূচী
⏰ যাত্রা শুরু: সকাল ০৭:০০ (📍 খুলনা জেলখানা ঘাট)
⏰ যাত্রা শেষ: সন্ধ্যা ০৬:০০ (📍 খুলনা)
---
🏝 প্যাকেজ ক্যাটাগরি ও ভাড়া (প্রতি ব্যক্তি)

🚢 Non-AC Vessel
🛏️ Bunker / Triple Bed (Non Attached) – 💰 ৳৯,০০০
🛏️ Couple / Twin Bed (Non Attached) – 💰 ৳১০,০০০
🚿 Triple Bed (Attached) – 💰 ৳১১,০০০
🚿 Couple / Twin Bed (Attached) – 💰 ৳১২,০০০

👉 Ship: MV Forest Cruise, MV Rainbow, Bengal Adventure, Rezab Cruise, Jolforing, Sea Pearl 03 or Similar

❄️ Economy AC Vessel
🛏️ Non Attached Washroom Cabin (2/3/4 Person Shared) – 💰 ৳১৩,০০০
🚿 Attached Washroom Cabin – 💰 ৳১৪,০০০–১৬,০০০

👉 Ship: MV Banusampan, Utshab, Aboshar, Silver Cruise, Sunway, Everline, Jol Safari or Similar

✨ Deluxe Premium AC Vessel
🚿 Attached Washroom Cabin (2/3/4 Person Shared) – 💰 ৳১৭,০০০–২০,০০০

👉 Ship: MV Aral Sea Cruise, MV Bunohash , The Wave , The Explorer, The River Cruise

👑 Premium AC Vessel
🚿 Attached Washroom Cabin (2/3/4 Person Shared) – 💰 ৳২২,০০০–২৫,০০০

👉 Ship: MV The Al Aska, Glory , Coastal Cruise, The Crown

💎 Luxury AC Vessel
🚿 Attached Washroom Cabin (2/3/4 Person Shared) – 💰 ৳২৫,০০০–৩০,০০০

👉 Ship: Symphony of The Wave (Wave 02)
---
📌 বুকিং শর্তাবলি
✅ ন্যূনতম ৮০% অগ্রিমে কনফার্মেশন
❌ বুকিং মানি ফেরতযোগ্য নয়
🚢 ভ্যাসেল অনুসারে প্যাকেজ ভিন্ন হয়ে থাকে
---
🌳 ঘুরে দেখবেন
🌲 হাড়বাড়িয়া / আন্ধারমানিক
🏝 জামতলা সমুদ্রসৈকত
🏡 কটকা অফিস পাড়া
🐅 টাইগার পয়েন্ট
🦌 হিরণ পয়েন্ট / কচিখালি
🐊 করমজল (কুমির প্রজনন কেন্দ্র)
🐚 দুবলার চর / ডিমের চর
🚤 সুন্দরী, কটকা ও কচিখালি ক্যানেল ক্রুজিং
---
📦 প্যাকেজে অন্তর্ভুক্ত
🛶 ডিঙ্গি নৌকা
🛏️ ২ রাত শিপে থাকা
🍲 ৩ দিনে ৮ বেলার খাবার
🥐 ৬ টি নাস্তা
☕ আনলিমিটেড চা/কফি
🪪 ফরেস্ট রেভিনিউ, ফি ও গার্ড
👨‍✈️ অভিজ্ঞ গাইড ও ট্যুর হোস্ট

❌ অন্তর্ভুক্ত নয়:
💊 ব্যক্তিগত খরচ ও ওষুধ
🚌 খুলনা আসার ট্রান্সপোর্ট
---
🎒 সঙ্গে যা রাখবেন
💊 প্রয়োজনীয় ওষুধ
🪥 টুথব্রাশ/পেস্ট
🧢 ক্যাপ, 🕶️ সানগ্লাস, 🌞 সানস্ক্রিন
📷 ক্যামেরা, 💾 মেমোরি কার্ড, 🔋 পাওয়ার ব্যাংক
📱 টেলিটক সিম, ☔ রেইন কোট/ছাতা
🎒 হালকা ব্যাগ ও ব্যক্তিগত সরঞ্জাম
---
🗓 ভ্রমণসূচি
📍 দিন ১
🚢 খুলনা → হাড়বাড়িয়া ইকো-ট্যুরিজম 🌲
🚶‍♂️ বন ট্রেইল হাঁটা
🏡 কটকা অভয়ারণ্যের পথে যাত্রা
🥗 ৫ বেলার খাবার
🌌 শিপে রাত্রি যাপন

📍 দিন ২
🌅 ভোরে ক্যানেল ক্রুজিং
🏖️ জামতলা বিচে হাঁটা
🐅 টাইগার টিলা, 🌳 কচিখালি ও 🐚 ডিমের চর ভ্রমণ
🥗 ৫ বেলার খাবার
🌌 শিপে রাত্রি যাপন

📍 দিন ৩
🐊 করমজল (কুমির প্রজনন কেন্দ্র)
🐒 বানর ও 🦌 হরিণ দেখা
🚢 দুপুরে খুলনার উদ্দেশ্যে যাত্রা
🥗 ৪ বেলার খাবার
🏁 সুন্দর স্মৃতি নিয়ে বিদায়
---
🛡 নিরাপত্তা ব্যবস্থা
🔫 বনবিভাগের ২ জন সশস্ত্র নিরাপত্তাকর্মী
⚓ Coast Guard ও Navy সহায়তা
📢 গাইডের নির্দেশনা অনুযায়ী সর্বোচ্চ সতর্কতা
---
⚠️ ভ্রমণের করণীয়
👕 গাঢ় রঙের ঢিলেঢালা পোশাক
🚫 পারফিউম/সুগন্ধি ব্যবহার নিষেধ
🌿 পরিবেশবান্ধব আচরণ
🤫 উঁচু স্বরে কথা নয়
👮 গাইডের নির্দেশনা মেনে চলা
👥 গ্রুপে থাকা, দলছুট না হওয়া
📶 নেটওয়ার্ক: টেলিটক ছাড়া সীমিত

Contact:
wa.me/+8801955770545
wa.me/+8801841770545

Address

Shukrabad
Dhaka
1207

Telephone

+8801955770545

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Travelers of Daffodil International University posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Travelers of Daffodil International University:

Share

Category

রিলাক্স ট্রিপ - সেইন্ট মার্টিন ও ছেঁড়াদ্বীপ ভ্রমণ (ToD)

সেইন্ট মার্টিন এবং ছেঁড়া দ্বীপ ভ্রমণ নভেম্বর-২০২০। এটি টিওডি(ToD)-এর একটি ইভেন্ট। গ্রুপ লিঙ্কঃ https://www.facebook.com/groups/BDTravelersDIU/ এবং https://www.facebook.com/groups/tod.com.bd/ স্টুডেন্ট প্যাকেজ জনপ্রতি মাত্র ৬০০০/- টাকা। ****#NOTE: সিঙ্গেল ব্যাতিত ট্যুরের প্যাকেজ পরিবর্তিত।**** বুকিংমানি ৩০০০/- (বিকাশ পাঠালে ৩০৬০ টাকা)। বিকাশঃ ০১৯৫৫৭৭০৫৪৫(পার্সোনাল)। ***** #NOTE: Bkash এ টাকা দিয়ে অবশ্যই এই ফরমটি পুরন করতে হবে।**** https://forms.gle/XDn9P8kdiymU9EKZ6 *যাত্রার তারিখঃ ১৪/১১/২০২০ ইং রাতে। *ফেরার তারিখঃ ১৮/১১/২০২০ ইং ভোরে। 🔰 আমরা ১৪ তারিখ রাত ৯.০০ টায় ঢাকা থেকে বাসে করে টেকনাফ এর উদ্দেশ্যে রওনা দিব। ১৫ তারিখ সকালে আমরা টেকনাফ নেমে সকালের নাস্তা সেরে জাহাজ ঘাটে যাবো। জাহাজে করে সেইন্টমার্টিনের উদ্দেশ্যে রওনা দিব। আনুমানিক ৩ ঘন্টার সমুদ্র, নাফ নদী আর গাঙ্গচিল দর্শন করতে করতে আমরা পৌঁছে যাব সেইন্ট মার্টিন। দুপুরে সেইন্টমার্টিনে হোটেলে চেকইন করে দুপুরের খাবার খেয়ে কিছুক্ষণ বিশ্রাম নিয়ে সকলে মিলে শেষ বিকেলে সমুদ্র তীরে বসে সূর্যাস্ত দেখবো।রাতে সমুদ্রের কিনারায় বেঞ্চিতে বসে অনূভব করব সমুদ্রের গর্জন। তারপর রাতে খাবার খেয়ে বিশ্রাম গ্রহণ। ১৬ তারিখ খুব ভোরে ঘুম থেকে উঠে সূর্যোদ্বয় দেখব, তারপর নাস্তা পর্ব শেষ করে সমুদ্র তীরে নেমে পরব ফুটবল নিয়ে। তীরে খেলা-ধুলা ও গোসল শেষে হোটেলে ফিরে ফ্রেশ হয়ে দুপুরের খাবার খেয়ে একটু বিশ্রাম নিয়ে বিকেলে সাইকেলে করে সেইন্ট মার্টিন দ্বীপে ঘোরাঘুরি করব। বিকেলে সূর্যাস্ত উপভোগ করব। তারপর সমুদ্র তীরে সবাই একত্রে বসে আড্ডা দিব, গান গাইব। রাতের খাবারে সকলের জন্য থাকবে বার্বিকিউ এর ব্যবস্থা। খাওয়া শেষে হোটেলে ফিরে বিশ্রাম গ্রহণ। ১৭ তারিখ সকালে ঘুম থেকে উঠে সূর্যোদয় উপভোগ করে নাস্তা পর্ব শেষ করব। তারপর রিজার্ভ ট্রলার নিয়ে ছেঁড়া দ্বীপের উদ্দেশ্যে রওনা দিব। দুপুর পর্যন্ত ছেঁড়া দ্বীপে ঘুরব, ছেঁড়াদ্বীপের সৌন্দর্য উপভোগ করে সেইন্ট মার্টিন ফিরে দুপুরের খাবার খেয়ে বিকেল ৩ টার জাহাজে করে টেকনাফ ফিরে সন্ধ্যা ৬.৩০ টার বাসে করে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা দিব। ১৮ তারিখ সকাল ৬.৩০ টা নাগাদ ইনশাল্লাহ ঢাকা পৌঁছাব। সকালে ঢাকায় ফিরে আসবো ইনশাল্লাহ। ** যা যা থাকছে এর মধ্যে** - ৮ বেলা খাবার। - নন এসি বাসে ঢাকা-টেকনাফ যাতায়াত খরচ। - জাহাজ যাতায়াত খরচ। - রিসোর্টে থাকার খরচ। - ছেড়াদ্বীপ ভ্রমণের খরচ। ** যা থাকছেনা ** -কোন ব্যক্তিগত খরচ -কোন ঔষধ -প্যাকেজের বাইরে কোন খাবার খেলে বা অন্যকোন খরচ করলে **যা সাথে নেওয়া উচিত** - ভ্রমণের সময় যত কম জিনিস নেয়া যায় ততই আরামদায়ক হবে ভ্রমণ। - গামছা নিবেন যেন রোদে মাথায় ঢেকে হাঁটা যায় - সানগ্লাস, হ্যাট, সানক্রিম (যদি অতিরিক্ত ত্বক সচেতন হন) - ব্রাশ ,প্রয়োজনীয় ঔষধ - ক্যমেরা এবং এর এক্সট্রা ব্যাটারি - যেকোন সময় চার্জ দেবার জন্য পাওয়ার ব্যাংক। কনফার্ম করার আগে যে ব্যাপারগুলো অবশ্যই বিবেচনা করতে হবেঃ * যেহেতু গ্রুপ ট্রিপ, সবকিছুতে সেক্রিফাইজিং মাইন্ড থাকতে হবে, একে অন্যকে সহায়তা করতে হবে। * এখানে একরুমে ৪ জন করে মিলে-মিশে থাকতে হবে, ছেলেদের এবং মেয়েদের আলাদা রুম হবে। * কেও আলাদা রুম নিতে চাইলে সেইক্ষেত্রে কথা বলতে হবে আর জানাতে হবে আগে থেকেই সম্ভব হলে করা হবে।অন্যথায় মেয়েরা আলাদারুমে, ছেলেরা আলাদারুমে থাকার ব্যবস্থা করা হবে। * আগামি ১০ নভেম্বর এর মধ্যে আমাদের কনফার্ম করতে হবে। * টাকা পেমেন্ট ছাড়া কোন ধরনের বুকিং রাখা হবে না । * আগে টাকা পাঠানোর ভিত্তিতে আসন আগে পাবেন। ***বিঃদ্রঃ কোনো প্রকার স্বজন প্রীতি করতে বাধ্য করবেন না।*** ★★টাকা পাঠিয়ে নিচের বিষয়গুলি উল্লেখ্য করে ম্যানেজারের নাম্বারে এস.এম.এস করে দিতেহবে। **আপনার নাম **ইভেন্টের নাম এবং তারিখ **মোবাইল নাম্বার **টাকার পরিমান **টি-শার্ট সাইজ **যে নাম্বার থেকে টাকা পাঠিয়েছেন তার লাস্ট ৪ ডিজিট ইভেন্টের হোস্টের কাছেও জমা দিতে পারেন। এছাড়া টাকা পাঠিয়ে নিন্মক্ত ফর্মটি পূরণ করতে পারেন https://forms.gle/XDn9P8kdiymU9EKZ6 ** শর্তসমুহঃ ১- প্রথমেই একটি ভ্রমণ পিপাসু মন থাকতে হবে। ২- ভ্রমণকালীন যেকোন সমস্যা নিজেরা আলোচনা করে সমাধান করতে হবে। ৩- ভ্রমণ সুন্দর মত পরিচালনা করার জন্য সবাই আমাদের কে সর্বাত্মক সহায়তা করতে হবে। ৪- আমরা শালিন তার মধ্যে থেকে সর্বোচ্য আনন্দ উপভোগ করব। ৫- প্রতিটি জায়গাই আমাদের নিজেদের, তাই তার সৌন্দর্য রক্ষা করা আমাদের দায়িত্ব। কোনভাবেই কোন স্থান ময়লা করা যাবেনা। যেন টুরিসম এরকোন ক্ষতি নাহয়, সেটা প্রাধান্য দিতে হবে। ৬- অবস্থার পরিপ্রেক্ষিতে যেকোন সময়সিদ্ধান্ত বদলাতে পারে, যেটা আমরা সকলে মিলে ই ঠিক করব। ৭- স্থানীয়দের সাথে কোন রকম বিরূপ আচরণ করা যাবেনা। নতুন কারো সাথে কথা বলার ক্ষেত্রে প্রয়োজনে ট্রিপহোস্টের সহায়তা নিতে হবে। ৮- কোন ভাবেই কোন প্রকার মাদক সেবন বাসা থে বহন করা যাবেনা। সাথে পাওয়া গেলে তাকে বা তাদেরকে তৎক্ষণাৎ ট্রিপ থেকে বহিষ্কার করা হতে পারে গ্রুপের অন্য সবার সাথে স্বীদ্ধান্ত নিয়ে। ৯- দুর্ঘটনা বলেকয়ে আসেনা তাই যেকোন প্রকার দুর্ঘটনা সকলে মিলে মোকাবেলা করতে হবে। ১০- এই গ্রুপ সম্পূর্ণ ভ্রমণ পিপাসুদের গ্রুপ। এখানে কোন প্রকার অশ্লীলতা র কোন রকম সুযোগ নেই। কোন রকম অসৎ উদ্দেশ্যে যদিকে ও আমাদের সাথে ভ্রমণে যান, সেটি বুঝে যেতে আমাদের খুব বেশি সময় লাগেনা। এবং সেই মোতাবেক আমরা ব্যবস্থা নিবো। ছেলে/ মেয়ে সকলেই যেতে পারবেন। • আমাদের পেজের ঠিকানাঃ https://www.facebook.com/tod.com.bd/ এবং https://www.facebook.com/BDTravelersDIU/ **ট্রিপের বিস্তারিত, ট্রিপ এর সকল তথ্য পড়েও কোন জিজ্ঞাসা বা কনফিউশন থাকলে নিম্নোক্ত নাম্বারে যোগাযোগ করতে পারবেন এবংকনফার্ম করতে এই ০১৯৫৫৭৭০৫৪৫ (Pritom Adhikary) ০১৭১৫৪১৮৮৮১ (Mahfuz Ahmed) নাম্বার গুলোতে যোগাযোগ করুন। [ বিঃ দ্রঃ "ToD" এর আকর্ষনীয় টিশার্ট পেতে এক্সট্রা ১৫০ টাকা জমা দিতে হবে ।। ]