Jotyes

Jotyes Jotyes is one of the best online women's Clothing and Jewellery store in Bangladesh. We have unique & exclusive items for women. Shop No 201, 202.

Also we offer gift items also.You'll get all exclusive & original products at your budget price. We offers the most fashionable clothes. Customer is always our first priority & also we concern about our products quality. We understand customers need.They want unique and special clothes. We try to make sure that our customer always will get good & quality products according to their expectations. S

o that's why we always add beautiful new styles to our collection. Please come and visit our page & shop regularly to see what we have updated. We have physical shop at Rongdhonu Shopping Complex, Pallabi, Mirpur 11.5 Busstand,.

12/08/2026

আজ আখেরি চাহার সোম্বা নবীজির রোগ মুক্তির দিন হে আল্লাহ এই দিনটি উপলক্ষে আমাদের সকলকে রোগ থেকে মুক্ত করে দিন আমিন 🤲

07/08/2026

1st Friday of August
May Allah make this month a month of answered dua's , forgive sins and abundant mercy (ameen) 💖❤️‍🩹

সবর মানে কি সবকিছু চুপচাপ সহ্য করা?আপনি অনেক দিন ধরে কষ্ট পাচ্ছেন। হয়তো ঘরের ভেতর অপমান করা হয়, আপনার কথা তুচ্ছ করা হয়, ...
02/08/2026

সবর মানে কি সবকিছু চুপচাপ সহ্য করা?

আপনি অনেক দিন ধরে কষ্ট পাচ্ছেন। হয়তো ঘরের ভেতর অপমান করা হয়, আপনার কথা তুচ্ছ করা হয়, ভয় দেখানো হয়, বিশ্বাস ভাঙা হয় কিংবা একই অন্যায় বারবার চলতেই থাকে। তবুও আপনি নিজেকে বোঝান, “আমি যদি মুখ খুলি, তাহলে কি অধৈর্য হয়ে যাব? একটু দূরে গেলে কি আল্লাহর ওপর ভরসা কমে যাবে? একজন মুমিন তো সবর করে…”

হয়তো আশপাশের মানুষও আপনাকে একই কথা বলেছে, “সংসারে এসব হয়। সবর করো। সময় গেলে ঠিক হয়ে যাবে।”

কিন্তু একটি প্রশ্ন কখনো করেছেন?

যে পরিস্থিতি প্রতিদিন আপনাকে ভেতর থেকে ভেঙে দিচ্ছে, সেখানে কোনো পরিবর্তনের চেষ্টা না করে পড়ে থাকাই কি সত্যিই সবর?

না। সবর মানে নিজেকে ধ্বংস হতে দেওয়া নয়। সবর মানে অন্যায়ের সঙ্গে অভ্যস্ত হয়ে যাওয়া নয়। সবর মানে ভয়, অপমান ও ক্ষতির মধ্যে থেকেও কাউকে আপনার ওপর সীমাহীন জুলুম করার অনুমতি দেওয়া নয়।

সবর হলো কষ্টের সময় আল্লাহর আনুগত্যে স্থির থাকা। রাগে হারাম প্রতিশোধ না নেওয়া, হতাশ হয়ে আল্লাহর রহমত থেকে নিরাশ না হওয়া, আবেগের বশে ভুল সিদ্ধান্ত না নেওয়া এবং সমস্যার সমাধানে বৈধ ও বুদ্ধিমান পদক্ষেপ গ্রহণ করা। কখনো সেই পদক্ষেপ সম্পর্ক সংশোধন করা, কখনো বিশ্বস্ত মানুষের সহায়তা নেওয়া, আবার কখনো নিজের নিরাপত্তার জন্য ক্ষতিকর পরিস্থিতি থেকে দূরে সরে যাওয়া।

আল্লাহ তাআলা বলেন,

“নিশ্চয়ই আল্লাহ ধৈর্যশীলদের সঙ্গে আছেন।”
সূরা আল-বাকারা, আয়াত ১৫৩।

আল্লাহ সবরকারীদের সঙ্গে আছেন। কিন্তু এই আয়াতের অর্থ কখনোই এমন নয় যে, কেউ আপনাকে জুলুম করতে থাকবে আর আপনি সাহায্য চাওয়ার অধিকারও হারিয়ে ফেলবেন। বরং আল্লাহর সঙ্গে থাকার অর্থ হলো, কষ্টের মাঝেও তাঁর সীমা অতিক্রম না করে সঠিক পথটি বেছে নেওয়া।

সব কষ্ট জুলুম নয়, আবার সব জুলুমও “পরীক্ষা” বলে সহ্য করার বিষয় নয়

জীবনে কষ্ট থাকবে। দাম্পত্যে মতের অমিল হবে, পরিবারের সদস্যদের ভুল হবে, কখনো কেউ রাগ করবে, কখনো দায়িত্ব পালনে দুর্বলতা দেখা দেবে। ছোটখাটো ভুল, সাময়িক অস্বস্তি কিংবা মানুষের স্বাভাবিক অপূর্ণতার কারণে প্রতিটি সম্পর্ক ছেড়ে দেওয়া সবর নয়।

কিন্তু এর বিপরীত দিকটিও বুঝতে হবে। নিয়মিত অপমান, শারীরিক আঘাত, ভয় দেখানো, অর্থনৈতিকভাবে নিয়ন্ত্রণ করা, ধারাবাহিক বিশ্বাসঘাতকতা, যৌন জবরদস্তি, চরিত্রহনন কিংবা এমন মানসিক নিপীড়ন, যার কারণে একজন মানুষ নিরাপত্তা ও স্বাভাবিক জীবন হারিয়ে ফেলছেন—এসবকে শুধু “সংসারের পরীক্ষা” বলে হালকা করে দেখা যায় না।

অনেক সময় যে মানুষটি জুলুম করছে, সে নিজেই আপনাকে সবরের কথা মনে করিয়ে দেয়। আপনার কান্নাকে দুর্বলতা বলে, প্রতিবাদকে অবাধ্যতা বলে এবং সাহায্য চাওয়াকে সংসার ভাঙার চেষ্টা বলে। অথচ নিজের আচরণ সংশোধনের কোনো দায়িত্ব সে অনুভব করে না।

একটু ভেবে দেখুন, সবরের কথা কি শুধু কষ্ট পাওয়া মানুষটির জন্য? কষ্ট দেওয়া মানুষটির কি আল্লাহকে ভয় করার কোনো দায়িত্ব নেই?

আল্লাহ সম্পর্ক রক্ষা চান, ক্ষতির বন্দিত্ব নয়

ইসলাম পরিবার রক্ষা করতে বলে। ভুল হলে সংশোধনের সুযোগ দিতে বলে। স্বামী-স্ত্রীকে পরস্পরের সঙ্গে সদ্ভাবে বসবাস করতে বলে। কিন্তু ইসলাম কাউকে এই অধিকার দেয়নি যে, সে সম্পর্কের নাম ব্যবহার করে অন্য মানুষকে প্রতিদিন আঘাত করবে।

আল্লাহ তাআলা বিবাহবিচ্ছেদের প্রসঙ্গে বলেন,

“তোমরা তাদের যথাযথভাবে রেখে দাও অথবা সুন্দরভাবে বিদায় দাও। ক্ষতি করার উদ্দেশ্যে তাদের আটকে রেখো না।”
সূরা আল-বাকারা, আয়াত ২৩১।

আয়াতটি আমাদের একটি গুরুত্বপূর্ণ সত্য শেখায়। কোনো সম্পর্ক টিকিয়ে রাখার নাম করে একজন মানুষকে ক্ষতির মধ্যে আটকে রাখা ইসলামসম্মত নয়। সম্পর্ক থাকলে তা সদ্ভাব, দায়িত্ব ও সম্মানের সঙ্গে থাকবে। আর তা সম্ভব না হলে জুলুমের মাধ্যমে আটকে রাখা যাবে না।

রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন,

“ক্ষতি করা যাবে না এবং ক্ষতির জবাবেও ক্ষতি করা যাবে না।”
সুনানে ইবন মাজাহ, হাদিস ২৩৪০।

তাই সবরের নামে অন্যায়কে স্বাভাবিক বানিয়ে ফেলা ঠিক নয়। আপনি কারও বিরুদ্ধে অন্যায় করবেন না, আবার নিজের ওপর চলমান অন্যায় থামানোর বৈধ চেষ্টাও ছেড়ে দেবেন না।

সাহায্য চাওয়া তাওয়াক্কুলের বিপরীত নয়

হয়তো আপনার মনে হয়, “আমি যদি কাউকে জানাই, তাহলে কি আল্লাহর ওপর ভরসা করা হলো না?”

কিন্তু অসুস্থ হলে চিকিৎসকের কাছে যাওয়া যেমন তাওয়াক্কুলের বিরোধী নয়, তেমনি বিপদে বিশ্বস্ত মানুষের সাহায্য চাওয়াও ঈমানের দুর্বলতা নয়। তাওয়াক্কুল মানে প্রয়োজনীয় উপায় গ্রহণ করে ফলাফল আল্লাহর হাতে ছেড়ে দেওয়া।

সমস্যা দাম্পত্যের হলে প্রথমে নিরাপদ পরিবেশে শান্তভাবে কথা বলা যেতে পারে। আচরণের সীমা পরিষ্কার করে বলা যেতে পারে, কোন বিষয়টি কষ্ট দিচ্ছে এবং কী পরিবর্তন প্রয়োজন। সম্ভব হলে উভয় পক্ষের বিচক্ষণ, ন্যায়পরায়ণ ও গোপনীয়তা রক্ষা করতে পারেন এমন ব্যক্তিদের মাধ্যমে মীমাংসার চেষ্টা করা যেতে পারে।

আল্লাহ তাআলা বলেন,

“তোমরা একজন সালিশ তার পরিবার থেকে এবং একজন সালিশ স্ত্রীর পরিবার থেকে নিযুক্ত করো। তারা যদি মীমাংসা চায়, আল্লাহ তাদের মধ্যে সমঝোতা সৃষ্টি করে দেবেন।”
সূরা আন-নিসা, আয়াত ৩৫।

প্রয়োজনে যোগ্য আলেম, মুসলিম কাউন্সেলর, মনোরোগ বিশেষজ্ঞ, আইনজীবী কিংবা সংশ্লিষ্ট সহায়তা প্রতিষ্ঠানের সাহায্য নেওয়া যায়। সহায়তা নেওয়া মানে ব্যর্থ হয়ে যাওয়া নয়। অনেক সময় এটিই নিজেকে এবং পরিবারকে আরও বড় ক্ষতি থেকে রক্ষার দায়িত্বশীল পদক্ষেপ।

সীমারেখা নির্ধারণ করা নিষ্ঠুরতা নয়

কখনো আপনাকে স্পষ্টভাবে বলতে হবে, “এই ভাষায় আমার সঙ্গে কথা বলা যাবে না।” কখনো বলতে হবে, “এই আচরণ আবার হলে আমি বিশ্বস্ত ব্যক্তিদের জানাব।” কখনো কিছু সময়ের জন্য আলাদা ও নিরাপদ জায়গায় থাকতে হতে পারে, যেন পরিস্থিতি শান্ত হয় এবং সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়া যায়।

সীমারেখা নির্ধারণ করা প্রতিশোধ নয়। এটি কাউকে অপমান করার চেষ্টা নয়। এটি বোঝানো যে সম্পর্কেরও আদব, দায়িত্ব ও সীমা রয়েছে।

অবশ্যই সীমারেখার নাম করে অহংকার, অযৌক্তিক দাবি কিংবা সামান্য মতবিরোধে সম্পর্ককে হুমকি দেওয়া ঠিক নয়। কিন্তু নিজের শরীর, সম্মান, ঈমান ও মানসিক নিরাপত্তা রক্ষা করা স্বার্থপরতা নয়।

আপনি আল্লাহর বান্দা। আপনার জীবনও তাঁর দেওয়া আমানত।

কখন দ্রুত নিরাপত্তার ব্যবস্থা নিতে হবে?

যদি শারীরিক আঘাত, হত্যার হুমকি, অস্ত্রের ভয়, জোরপূর্বক আটকে রাখা, সন্তানদের ক্ষতির আশঙ্কা কিংবা গুরুতর নির্যাতনের পরিস্থিতি থাকে, তখন শুধু একা বসে সংশোধনের অপেক্ষা করা নিরাপদ নাও হতে পারে। আগে নিজেকে এবং সন্তানদের নিরাপদ স্থানে নেওয়া জরুরি। এরপর বিশ্বস্ত পরিবার, দায়িত্বশীল ব্যক্তি, স্থানীয় জরুরি সেবা, পুলিশ কিংবা নির্যাতন প্রতিরোধে কাজ করা প্রতিষ্ঠানের সহায়তা নিতে হবে।

এমন বিপদে “মানুষ কী বলবে” ভেবে নীরব থাকবেন না। কারণ বাইরে থেকে একটি সংসার অক্ষত দেখালেও, ভেতরে যদি মানুষ নিরাপত্তাহীনতায় বেঁচে থাকে, সেটিকে শান্তির সংসার বলা যায় না।

তবে আবেগের মুহূর্তে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সবকিছু ছড়িয়ে দেওয়া, প্রতিশোধ নেওয়া কিংবা মিথ্যা অভিযোগ করাও ঠিক নয়। সত্য, নিরাপত্তা, প্রয়োজন এবং ন্যায়বিচার—এই চারটি বিষয় সামনে রেখে পদক্ষেপ নিতে হবে।

আপনি কি সবর করছেন, নাকি ভয়ে থেমে আছেন?

নিজের সঙ্গে খুব সৎ হয়ে কয়েকটি প্রশ্ন করুন।

আমি কি আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য শান্ত থেকে সমাধানের চেষ্টা করছি, নাকি মানুষ কী বলবে সেই ভয়ে চুপ আছি?

আমি কি তাকে সংশোধনের সুযোগ দিয়েছি, নাকি একই প্রতিশ্রুতি শুনে বছরের পর বছর কোনো বাস্তব পরিবর্তন ছাড়াই অপেক্ষা করছি?

এই সম্পর্ক কি আমাকে আল্লাহর আরও কাছাকাছি নিচ্ছে, নাকি প্রতিদিন আমার ঈমান, সম্মান ও স্বাভাবিক জীবনকে দুর্বল করছে?

আমি কি সত্যিই অসহায়, নাকি সাহায্য চাওয়ার সাহস পাচ্ছি না?

আমার নীরবতা কি পরিস্থিতি ভালো করছে, নাকি জুলুমকারীকে আরও নিশ্চিন্ত করছে?

এই প্রশ্নগুলোর উত্তর সবার জন্য এক হবে না। কারও ক্ষেত্রে সম্পর্ক ধৈর্য, পরামর্শ ও সময়ের মাধ্যমে সুন্দরভাবে ঠিক হয়ে যেতে পারে। আবার কারও ক্ষেত্রে নিরাপদ দূরত্ব, আইনি সুরক্ষা কিংবা বিচ্ছেদই বাস্তবসম্মত পথ হতে পারে। তাই বড় সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে নিজের পূর্ণ পরিস্থিতি একজন বিশ্বস্ত ও যোগ্য ব্যক্তির কাছে খুলে বলা জরুরি।

সবর মানে ভেঙে পড়েও আল্লাহকে না ছাড়া

হয়তো আজ আপনি এমন এক অবস্থায় আছেন, যেখানে কোন সিদ্ধান্তটি সঠিক তা বুঝতে পারছেন না। একদিকে সম্পর্কের স্মৃতি, সন্তান, পরিবার ও সমাজ; অন্যদিকে প্রতিদিনের কষ্ট। কখনো মনে হয় চলে যাবেন, আবার কিছুক্ষণ পর ভয় হয়, ভুল করে ফেলছেন না তো?

এই দ্বিধার জন্য নিজেকে দোষ দেবেন না। গভীর কষ্টের মধ্যে সিদ্ধান্ত নেওয়া সহজ নয়। আল্লাহর কাছে কাঁদুন, ইস্তিখারা করুন, বিশ্বস্ত মানুষের সঙ্গে কথা বলুন এবং তাড়াহুড়া না করে তথ্য ও বাস্তবতা বুঝে সিদ্ধান্ত নিন।

মনে রাখবেন, সবর মানে এই নয় যে আপনি কাঁদবেন না। সবর মানে কান্নার মধ্যেও হারাম পথে যাবেন না। সবর মানে এই নয় যে আপনি কোনো পদক্ষেপ নেবেন না। সবর মানে পদক্ষেপ নেওয়ার সময়ও আল্লাহর সীমা, ন্যায় ও হিকমাহ ধরে রাখবেন।

কখনো সবর হলো থেকে গিয়ে সম্পর্কটি সংশোধনের চেষ্টা করা। কখনো সবর হলো কিছু সময় দূরে থেকে পরিস্থিতি পরিষ্কারভাবে দেখা। কখনো সবর হলো বহু ভয় ও সামাজিক চাপের পরও জুলুম থেকে বেরিয়ে আসার বৈধ সাহস দেখানো।

আপনি নীরবে ধ্বংস হওয়ার জন্য সৃষ্টি হননি। আপনি আল্লাহর আনুগত্যে, সম্মানে এবং নিরাপত্তায় বাঁচার জন্য সৃষ্টি হয়েছেন।

তাই আজ আপনি কষ্টের মধ্যে থাকলে নিজেকে শুধু এই কথা বলবেন না, “আমাকে সহ্য করতেই হবে।” বরং বলুন, “আমি রাগে গুনাহ করব না, হতাশ হয়ে আল্লাহকে ছাড়ব না এবং জুলুমকেও স্বাভাবিক হতে দেব না। আল্লাহর ওপর ভরসা রেখে সঠিক ও বৈধ পথ খুঁজব।”

আল্লাহ তাআলা কষ্টে থাকা প্রতিটি মানুষকে নিরাপত্তা দিন। যেসব সম্পর্ক সংশোধনযোগ্য, সেখানে আন্তরিক তাওবা, দায়িত্ববোধ ও রহমত ফিরিয়ে দিন। আর যেসব পরিস্থিতি মানুষের দ্বীন, সম্মান ও জীবনকে ধ্বংস করছে, সেখান থেকে হিকমাহপূর্ণ ও নিরাপদ উত্তরণের পথ খুলে দিন। আমাদের সবরকে নীরব অসহায়ত্ব নয়, আল্লাহর আনুগত্যে দৃঢ়তা বানিয়ে দিন। আমিন।

━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━

📌 পোস্টটি শেয়ার করুন। হয়তো আপনার পরিচিত কেউ দীর্ঘদিন ধরে নীরবে কষ্ট পাচ্ছেন, কিন্তু সাহায্য চাওয়াকে ঈমানের দুর্বলতা মনে করছেন।

🌿 বাস্তব জীবনের প্রশ্ন, চিন্তা ও সমস্যার ইসলামিক সমাধান পেতে আমাদের পেজ NahWa Ad-Deen Follow করে রাখুন।

Ameen ❤️
31/07/2026

Ameen ❤️

28/07/2026

Gorgeous Gotta work 😍

26/07/2026
24/07/2026

Jumma Mubarak ❤️

খুবই লজ্জার বিষয় .. কোয়ার্টার ফাইনাল , সেমি ফাইনালে না হেরে ফাইনালে হারে কেউ?এক্কেরে বেজ্জুতি কর্ম কান্ড না!😪😷
21/07/2026

খুবই লজ্জার বিষয় .. কোয়ার্টার ফাইনাল , সেমি ফাইনালে না হেরে ফাইনালে হারে কেউ?
এক্কেরে বেজ্জুতি কর্ম কান্ড না!😪😷

19/07/2026

From Rosario to the world… 🇦🇷🐐

A boy who dreamed with a ball at his feet became the greatest footballer of all time.

You came so close once again, but this defeat changes nothing. You already gave Argentina everything a nation could dream of. You lifted the Copa América, won the Finalissima, and completed football by lifting the FIFA World Cup in 2022. Three World Cup finals. One unforgettable triumph. A legacy that no result can erase.

Thank you for every dribble that left us speechless, every impossible goal, every magical assist, and every moment that made us believe.

Football owes you nothing—you gave it everything.

Walk away with your head held high, Leo. You didn’t just win trophies; you won hearts across the world.

From Rosario to immortality.

Forever our No. 10. Forever the greatest of all time. 🇦🇷🤍🩵🐐

Address

Rongdhonu Shopping Complex, Pallabi, Mirpur
Dhaka
1216

Telephone

+8801717601149

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Jotyes posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Jotyes:

Shortcuts

Share