11/03/2025
🇲🇾 মালয়েশিয়ার জনশক্তি রপ্তানির খাতে দুর্নীতির একটি
সংক্ষিপ্ত বিবরণী -
🇧🇩 বাংলাদেশ সরকারের বিএমইটি (BMET) খরচ ৫,৪০০ টাকা যেখানে সিন্ডিকেট করে ওরা নিয়েছে ১,৫২,০০০ টাকা।
👉 ২০০৬-২০০৮ এ কোনো মেডিকেল বাধ্যতামূলক ছিলো
না, তবে ২০২২ এ মেডিকেল এর স্লিপ (মাইগ্রাম)।
👉 ৩০০০ - ৩৫০০ টাকা মেডিকেল ফি,
কিন্তু ১১,০০০ টাকা করে নিয়েছে।
- মোট প্রায় ২০,০০,০০০ মেডিকেল করিয়েছে আর লোক গিয়েছে ৪,৭৪,০০০ এর মতো।
শুধুমাত্র মেডিকেলের নাম দিয়ে নিরীহ জনগণের কাছ থেকে লুটপাট করেছে -
২০,০০,০০০ - ৪,৭৪,০০০ = ১৫,২৬,০০০ জন কর্মী
* ১৫,২৬,০০০ × ১১,০০০ = ১৬,৭৮৬,০০০,০০০ টাকা।
লোক গিয়েছে মাত্র ৪,৭৪,০০০ জন কর্মী -
* ৪,৭৪,০০০ × ১,৫২,০০০ = ৭২,০৪৮,০০০,০০০ টাকা।
[ মেডিকেল এবং অতিরিক্ত ম্যানপাওয়ার এই দুটো খাতে আলাদা আলাদা ভাবে দুর্নীতির চিত্র ]
তবে ভিসা মেনপাওয়ার হবার পরও যেতে পারে নাই প্রায় ৫০,০০০ লোক/কর্মী এই সংখ্যা নিয়ে মত পার্থক্য রয়েছে, সিন্ডিকেটের সদস্যরা সংখ্যা আরো কম বলছে।
👉 সর্বস্ব হারিয়ে ৫,০০,০০০ থেকে ৬,০০,০০০ টাকা পর্যন্ত খরচ করে গরিব কর্মিরা এক রকম মানবেতর জীবনযাপন করলেও সরকারের তেমন কোনো পদক্ষেপ ছিলোনা।
👉 সিন্ডিকেটকে টাকা ফেরত দিতে আদেশ দিলেও তারা ৭০,০০০ টাকা বা তারও কম টাকা কিছু লোককে ফেরত দিয়েছে।
- যেখানে সরকারি মেনপাওয়ার করতে খরচ হয়েছে ৫,৪০০ টাকা। কিন্তু নিয়েছে ১ লক্ষ ৫২ হাজার টাকা।
👉 কেন নিয়েছে
👉 কি কারনে নিয়েছে
👉 কাদেরকে টাকাটা দিয়েছে
আমরা সাধারণ জনগণ জানতে চাই।।।
- শুধুমাত্র মেডিকেল ও সিন্ডিকেট ভিসা প্রসেসিং বাবদ প্রায় ২৪ হাজার কোটি টাকা এই চক্র হাতিয়ে নিয়েছে এবং টাকা পাচার করেছে।
চক্রের মূল বাংলাদেশ অংশে রুহুল আমিন স্বপন কেথারসিস ইন্টারন্যাশনাল এর মালিক সাথে আছে
👉 সালমান এফ রহমান,
👉 লোটাস কামাল,
👉 বেনজির আহমেদ,
👉 নিজাম হাজারি,
👉 লে:জে: মাসুদ উদ্দিন চৌধুরী,
👉 আলাউদ্দিন চৌধুরী নাসিম,
👉 কাজি মফিজুর রহমান,
👉 আবুল বাশার,
👉 নূর আলী
👉 কালা ফিরোজ
👉 মহি উদ্দিন মহি
👉 বাসেক কমিশনার
👉 সাবেক মন্ত্রী ইমরান আহমেদ ও
👉 সচিব মুনিরুছ সালেহীন সহ অনেকে।
NB: [এই সিন্ডিকেশনে যুক্ত আছে ১০০ লাইসেন্সের মালিক]
🇲🇾 আর মালয়েশিয়া অংশে বাংলাদেশ বংশভ্রুত আমিন নূর (দাতো শ্রী আমিন), প্রক্তন মন্ত্রী এম সারাভানান সহ অনেকে।
📱 এই সিন্ডিকেট পরিচালিত হয়েছে একটি সফটওয়্যারের মাধ্যমে যার নাম এফডব্লিউসিএমএস ( FWCMS- Foreign Workers Centralized Management System)।
যা মালয়শিয়া সরকার অন্যান্য দেশের ক্ষেত্রেও ব্যবহার করে তবে,এই সফটওয়্যার সার্ভিস প্রভাইডার কোম্পানি বেস্টিনেট এসডিএন বিএইচডি এর মালিকানায় রয়েছে আমিন নূর ও রুহুল আমিন স্বপন।
👉 যারা বাংলাদেশ সরকারের মাধ্যমে সম্পাদিত দু'দেশের সরকার মাঝে এমওইউ ( MOU) তে দেশের স্বার্থের বিরোধী কিছু স্বর্ত জুড়ে দিয়ে বাংলাদেশের এজেন্সির সিলেকশনের প্রক্রিয়া মালয়শিয়ার কতৃপক্ষের কাছে তুলে দেয়।
যাহা মালয়েশিয়ার সরকার অন্য কোনো দেশের ক্ষেত্রে করে না/ পূর্বে কখনো করেনি।।
বর্তমান প্রধান উপদেষ্টা কাছে আকুল আবেদন/ নিবেদন করছি -
👉 যেহেতু সালমান এফ রহমানসহ অনেকেই আপনাদের অধীনে আছে জিজ্ঞাসা করুন ভালোভাবে তদন্ত করুন এই টাকা কোথায় পাচার হয়েছে ? কে কে করেছে ??
তাদের উপযুক্ত বিচার সহ এদের লাইসেন্স ক্যান্সেল করার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা/ পদক্ষেপ নিতে মর্জি হয়।।
[ বিগত সরকারের আমলে হজ্জে দুর্নীতির কারণে অলরেডি ৫০ টি লাইসেন্স বর্তমান তত্ত্বাবধায়ক সরকার ক্যান্সেল সহ তাদের জামানত বাজেয়াপ্ত করেছেন ]।
NB: [এই সিন্ডিকেশনে যুক্ত আছে ১০০ লাইসেন্সের মালিক,
দুর্নীতির দায়ে এই ১০০ লাইসেন্স বাতিল করার জোর দাবি জানাচ্ছি]