Easy Travel

Easy Travel We provide worldwide Air ticket, Tourist Visa, Tour package & Hotel booking.

20/03/2024

আপনাকে দিয়েও পসিবল, ইনশাআল্লাহ!

Did you know? 🤔 In 2022, the majority of participants in the Erasmus+ programme were learners and staff from higher educ...
20/03/2024

Did you know? 🤔
In 2022, the majority of participants in the Erasmus+ programme were learners and staff from higher education institutions! 🎓

In higher education, Erasmus+ and its predecessors have promoted student mobility for studying since 1987, a key benefit of EU membership. 🇪🇺

The top destinations for these Erasmus+ participants were: 🇪🇸 Spain, 🇮🇹 Italy, 🇩🇪 Germany, 🇫🇷 France, and 🇵🇹 Portugal!

Curious to know the statistics for your country?
You can find out more about Erasmus+ in higher education in the 2022 annual report here 👉 https://europa.eu/!Vmw9Vb

Do you know, Estonia Visa (C Type) Processing doesn't require looking for the Estonian Embassy anymore?The German Embass...
20/03/2024

Do you know, Estonia Visa (C Type) Processing doesn't require looking for the Estonian Embassy anymore?

The German Embassy, Dhaka is now processing Estonia Visa (C Type) along with German Visa itself.

 ে_জীবনে_একবার_হলেও_যাওয়া_উচিতসিএনবিসির নির্বাচিত সেরা ৫০ জন ভ্রমণ বিশেষজ্ঞ ও পর্যটকের মতে জীবনে সম্পূর্ণ সার্থকতা পেতে ...
20/03/2024

ে_জীবনে_একবার_হলেও_যাওয়া_উচিত

সিএনবিসির নির্বাচিত সেরা ৫০ জন ভ্রমণ বিশেষজ্ঞ ও পর্যটকের মতে জীবনে সম্পূর্ণ সার্থকতা পেতে পৃথিবীর কিছু শহরে বেঁচে থাকতে একবার হলেও যাওয়া উচিত।

জীবন সুন্দর। আর এই বেঁচে থাকার সৌন্দর্য উপভোগ করতে ভ্রমণের কোনো বিকল্প নেই। পৃথিবীর প্রতিটি দেশ, সে দেশের প্রাকৃতিক বৈশিষ্ট্য, মানুষের জীবন—এ সবকিছুই অত্যন্ত বৈচিত্র্যময়। ভ্রমণ করলে আমাদের চেনা পৃথিবীকে নতুন নতুন দৃষ্টিতে দেখার চোখ খুলে যায়। মানুষের মনের সংকীর্ণতা আর আত্মকেন্দ্রিক যাপনের মানসিকতার পরিবর্তন হয় ভ্রমণের মাধ্যমে। তবে প্রশ্ন হচ্ছে, কোথায় যাবেন ভ্রমণ করতে? ঘরের বাইরে দুই পা ফেলিয়া আর সেই সঙ্গে দেশের বাইরেও যে যতটুকু সুযোগ পাচ্ছেন, ঘুরে বেড়ানো তো হচ্ছেই অহরহ।বিশ্বের সেরা পর্যটক আর ভ্রমণ বিশেষজ্ঞদের সুচিন্তিত মতামত নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের বিখ্যাত সংবাদ সংস্থা সিএনবিসি একটি চমকপ্রদ প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। এখানে ৫০ জন বিশিষ্ট পর্যটকের মতামত অনুযায়ী পৃথিবীর যে শহরগুলোতে জীবনে একবার হলেও যাওয়া উচিত, তার এক তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। জেনে নেওয়া যাক তবে এ শহরগুলোর নাম আর কেনই বা এ নামগুলো এসেছে তালিকার শীর্ষে।

১. প্যারিস, ফ্রান্স

সবচেয়ে বেশিবার নাম এসেছে প্যারিসের। সিটি অব লাইটস নামে খ্যাত এই শহর মানেই আইফেল টাওয়ার নয়। এখানকার পরিবেশ, সংস্কৃতি আর সামগ্রিক রোমান্টিক ভাইব একদম আলাদা। শহরজুড়ে ক্রেপেস, ক্রোয়াসো আর কফির সুগন্ধে ভরপুর ক্যাফে তো আছেই। আর ফ্যাশনিস্তাদের স্বপ্নপুরী প্যারিসে আছে এক্সক্লুসিভ সব বুটিক আর ফ্যাশন-স্ট্রিট।

২. রোম, ইতালি

চিরন্তন আবেদনের এই রোম শহরের সুপ্রাচীন ইতিহাস আর কিংবদন্তিসম পুরাকীর্তি ছাড়াও এখানে আছে অনেক কিছু। ভ্যাটিক্যান বা সিস্টিন চ্যাপেল ঘুরে দেখা শেষে মনে হবে ইতালিয়ান ঐতিহ্যবাহী পিৎজারিয়া- গুলো যেন কাছে ডাকছে। পিৎজার মজা নিয়ে আবার চলে যাওয়া যায় মাটির নিচের শহরে। রোমের নিচে রয়েছে তিনটি প্রাচীন শহরের ধ্বংসাবশেষ।

৩. নিউইয়র্ক, যুক্তরাষ্ট্র

মার্কিন মুলুকের সবচেয়ে ঘটনাবহুল আর ব্যস্ত শহর নিউইয়র্ক। এখানে রয়েছে নিজস্ব বৈশিষ্ট্যপূর্ণ পিৎজা, ব্যাগেল, চিজকেক। কোনো না কোনো অনুষ্ঠান আর হইহুল্লোড় চলতেই থাকে নিউইয়র্কে। স্ট্যাচু অব লিবার্টি তো দেখতেই হবে। ৯/১১ মিউজিয়ামেও ঢুঁ মারা যায়। আর বইতে পড়া এমপায়ার্স স্টেট বিল্ডিং ও টাইমস স্কোয়ারও থাকবে তালিকায়। আর ফ্যাশন সচেতন মানুষ এখানকার মেট্রোপলিটন মিউজিয়াম অব আর্টস মিস করবেন না যেখানে মেট গালা আয়োজিত হয়।

৪. কেপটাউন, দক্ষিণ আফ্রিকা

একটু অ্যাডভেঞ্চার আর থ্রিল ভালোবাসেন যাঁরা, তাঁদের জন্য দক্ষিণ আফ্রিকার কেপ টাউন সেরা। পাহাড় থেকে পাহাড়ে ঝুলে হ্যাং গ্লাইডিং করা যায়। চ্যাপম্যান শৃঙ্গে গাড়ি চালানো যায় সরু পথ ধরে। আবার পাহাড়ের একেবারে প্রান্তে কোনো ভিলায় থাকা যায়। কেপ গুড হোপ ন্যাশনাল পার্কে গেলে এ শহরের সৌন্দর্য সবচেয়ে ভালো বোঝা যায়। কায়াক নৌকায়ও ঘোরা যায় এখানে।

৫. রিও ডি জেনিরো, ব্রাজিল

প্রাকৃতিক সৌন্দর্য, কসমোপলিটন গ্ল্যামার আর বৈচিত্র্যময় সব সুস্বাদু খাবারের পসরা নিয়ে রিও ডি জেনিরো সেরা শহরের তালিকায় উঠে এসেছে। সমুদ্রসৈকতের হলিডে আমেজ তো আছেই। আর রাতের রিও ডি জেনিরো মানে আরেক জাদু। বিশ্বের সবচেয়ে বড় মারাকানা স্টেডিয়ামটিও দেখার মতো। ভালো কথা হচ্ছে এখানে তুলনামূলকভাবে খরচ কম।

৬. টোকিও, জাপান

কসপ্লে ফ্যাশন, ভবিষ্যৎকামী প্রযুক্তি আর বৌদ্ধ মন্দিরের এক অনন্য সমন্বয় টোকিও। এই বর্ণিল শহরে রয়েছে বহু দেখার মতো জিনিস। ২০৮০ ফিট উঁচু টোকিও স্কাইট্রি দিয়ে শুরু করবেন, নাকি সেনসোজি মন্দির—সে আপনার ইচ্ছা। ঐতিহ্যবাহী সুশি বা চায়ের আয়োজনে অংশ নিতে পারেন এখানে।

৭. ইস্তাম্বুল, তুর্কিয়ে

হাজিয়া সোফিয়ার মতো কিংবদন্তি স্থাপনা, অটোমান খাদ্য সংস্কৃতি আর ৪০০০ দোকানের ঐতিহাসিক গ্র্যান্ড বাজারের মতো আকর্ষণ রয়েছে এখানে।

তথ্যসূত্র: সিএনবিসি

20/03/2024

Breaking News

*University of Hertfordshire 🇬🇧

Thrilled to share that UH is going to accept MOI from Bangladesh, and the approved university list is given below.

1. North South University (NSU)

2. BRAC University (BRAC)

3. East West University (EWU)

4. American International University—Bangladesh (AIUB)

5. Ahsanullah University of Science and Technology (AUST)

6. Shahjalal University of Science and Technology (SUST)

7. Independent University, Bangladesh (IUB)

8. United International University (UIU)

9. Daffodil International University (DIU)

Cgpa 2.50
Ielts 6/5.5
Oietc 6/5
7500 deposit

27/09/2019

বাংলাদেশ - ভারত স্থল বন্দর সমূহ

1. বেনাপোল Land Port.
B D side:বেনাপোল যশোর।
Indian side: Petrapole, Bongaon, 24-Parganas, West Bengal, India

2. বুড়িমারি Land Port.
B D side:বুড়িমারি,পাটগ্রাম, লালমনিরহাট।
Indian side: Changrabandha, Mekhaliganj, West Bengal, India

3. আখাউড়া Land Port.
B D side :.আখাউড়া ব্রাহ্মণবাড়িয়
Indian side: Ramnagar, Agartala, Tripura, India

4. ভোমরা Land Port.
B D side:ভোমরা,সাতক্ষীরা।
Indian side: Gojadanga, 24-Parganas, West Bengal, India

5. নকুগাঁও Land Port.
B D side: নালিতাবাড়ি শেরপুর।
Indian side: Dalu, Barangapara, Meghalaya, India

6. তামাবিল Land Port
B D side: তামাবিল,গোয়াইনঘাট,
সিলেট
Indian side: Dauki, Shillong, Meghalaya, India

7. দর্শনা Land Port.
B D side:দর্শনা ,চুয়াডাঙ্গা।
Indian side: Gede, Krishnanagar, West Benga, India

8. বেলনি Land Port.
B D side:বেলনি,পরশুরাম ফেনী
Indian side: Belonia, Tripura, India

9. গোবরাকুড়া Land Port.
B D side: হালুয়াঘাট ময়মনসিংহ।
Indian side: Gachhuapara, Tura, Meghalaya, India

10. রামগড় Land Port.
B D side: রামগড়, খাগড়াছড়ি
Indian side: Sabroom, Tripura, India.

11. সোনাহাট Land Port.
B D side: ভুরুঙ্গামারী কুড়িগ্রাম।
Indian side: Sonahat, Dhubri, Assam, India

12. Tegamukh. ভূষণছড়ি Land Port.
B D side: বরকল, রাঙামাটি।
Indian side: Demagri, Mizoram, India.

13. চিলাহাটি Land Port
B D side:চিলাহাটি,ডোবার নিলফামারী।
Indian side: Holdibari, Cooch Behar, West Bengal, India

14. সোনা মসজিদ Land Port.
B D side:সোনা মসজিদ,চাপাই নবাবগঞ্জ।ণ
Indian side: Mahadipur, Maldah, West Bengal, India

15. ধানুয়া Kamalpur Land Port.
B D side: বকশিগঞ্জ ,জামালপুর।
Indian side: Mohendragonj, Ampoti, Meghalaya, India

16. শিউলা Land Port.
B D side:শিউলা,বিয়ানীবাজার, সিলেট
Indian side: Sutarkandi, Karimganj, Assam

17. বেল্লা Land Port.
B D side: বেল্লা, চুনারুঘাট, হবিগঞ্জ
Indian side: Paharmura, Khoai, Tripura.

18. হিলি Land Port.
B D side: হিলি,হাকিমপুর,দিনাজপুর ।
Indian side: Hili, South Dinajpur, West Bengal, India

19. বাংলাবান্ধা Land Port.
B D side: তেতুলিয়া,পঞ্চগড়।
Indian side: Fulbari, Jalpaiguri, West Bengal, India

20. টেকনাফ Land Port.
B D side: Teknaf, Cox’s Bazar
Myanmar side: Mungdu, Myanmar

21. বিবিরবাজার Land Port.
B D side: Sadar Upazila, কুমিল্লা
Indian side: Srimantapur, Sunamura, Agartala, Tripura

22. বিরল Land Port.
B D side: বিরল,দিনাজপুর।
Indian side: Radhikapur (Goura), West Bengal, India

Proposed Land Ports

1. মুজিব নগর Land Customs Station
B D side: Mujibnagar, Meherpur
Indian side: Hridoypur, Chapra, Nadia, West Bengal

2. প্রাগপুর Land Customs Station
B D side: Daulatpur, Kushtia
Indian side: Shikarpur, Karimpur

এয়ার টিকেট করার সময় কয়েকটা জিনিষ খেয়াল করা খুবই জরুরি। আজকে সেগুলো নিয়েই লিখছি। *Flight Segments & Transit:বাংলাদেশ থেকে...
23/09/2019

এয়ার টিকেট করার সময় কয়েকটা জিনিষ খেয়াল করা খুবই জরুরি। আজকে সেগুলো নিয়েই লিখছি।

*Flight Segments & Transit:

বাংলাদেশ থেকে শুধু বিশ্বের কয়েকটা শহরেই সরাসরি ফ্লাইট আছে, তাও অনেক সময়ই দামের কথা চিন্তা করলে সেগুলা থাকে আমাদের নাগালের বাইরে। তাই ব্যাংকক, কুয়ালা লামপুর, সিঙ্গাপুর, কলকাতা আর মধ্য প্রাচ্চের কয়েকটা শহর ছাড়া বেশির ভাগ জায়গায় যাওয়ার জন্যই ট্রানজিট ফ্লাইট নিতে লাগে আমাদের।

ট্রানজিট ফ্লাইট নেওয়া যদিও সমস্যার কিছু না, তবে ট্রানজিটের জন্য আপনার ভিসা লাগবে কিনা, সেটা চেক করে খুবই জরুরি। মোটামুটি সব দেশের ইম্মিগ্রেশন আমাদের এক PNR এ(Passenger Name Record) আমাদের ফ্লাইট থাকলে আর কেও যদি ট্রানজিট এলাকাতেই থাকে, তাহলে ভিসা ছাড়াই আমাদের পরের ফ্লাইট ধরতে দেয় আর এয়ারলাইনও সেই ব্যাপারে সমস্যা করে না। তবে কিছু দেশ, যেমন USA, Canada, Australia, New Zealand, UK, Hong Kong সেই permission আমাদের দেয় না (বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই ঐ দেশের ভিসা না থাকলে আপনাকে বোর্ডিং পাস দিবে না, এমনকি কেও যদি এয়ারপোর্টের ট্রানজিট জোনেও থাকে), তাই ঐসব দেশের কোনো শহরে আপনার ট্রানজিট থাকলে, আপনার অবশ্যই আপনার এজেন্সির সাথে বা এয়ারলাইনের সাথে যোগাযোগ করে আগে থেকেই ঐ ব্যাপারে অবগত থাকা উচিৎ। ভালো কোনো এজেন্সি থেকে টিকেট করতে গেলে, এই ব্যাপারে আপনাকে আগে থেকেই জানাবে, কিন্তু অনেকেই যেহেতু এখন অনলাইনে টিকেট করে থাকেন, তাই নিজে নিজে IATA Travel Centre এর website থেকে চেক করে নিতে পারেন।

এছাড়াও কারো যদি একই দেশে ২ টা এয়ারপোর্টে ট্রানজিট থাকে, তাহলে সেই ক্ষেত্রে ঐ দেশের ভিসা থাকাটা আবশ্যক। যেমন কম খরচে চায়না থেকে বাংলাদেশ আসার জন্য, ইদানিং অনেকেই একটা অপশন দেখবেন, যেটা চায়নার কোনো শহর থেকে জোহর বারু হয়ে কুয়ালালামপুর হয়ে ঢাকা আসে। যায় ক্ষেত্রে আপনার একই PNR এ, ৩ টা ফ্লাইট হয়ে থাকলেও, আপনার মালয়েশিয়ার ভিসা লাগবেই।

কোনো টিকেটে যদি একটার বেশি ট্রানজিট থাকে, তাহলে যে দেশেই ট্রানজিট থাকুক না কেন, আগে থেকেই এয়ারলাইনের সাথে বা এজেন্সির সাথে কথা বলে ট্রানজিট ভিসা লাগবে কিনা সেই ব্যাপারে জেনে নেওয়া ভালো।

যেহেতু ফ্লাইট segments নিয়ে কথা বলছি, তাই আরেকটা তথ্যও share করছি। কেও যদি কোনো টিকেটের একটা segment মিস করেন বা বোর্ড না করে থাকেন যে কোনো কারনেই হোক না কেন, তার পরের সব segments ই automatic ক্যান্সেল হয়ে যায়। এই ক্ষেত্রে no show চার্জ বা reservation ফী দিয়ে, আবার নতুন করে টিকেট validate করতে লাগে। এইটা শুধু মাত্র একই PNR এ যে সব segments গুলা আছে, সেগুলার ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য।

Example: ধরুন আপনার তুর্কিশ এয়ারলাইনের টিকেট করা, ঢাকা থেকে ইস্তানবুল হয়ে রোম তারপর আবার রোম থেকে ইস্তানবুল হয়ে ঢাকা ফেরত আসার। মানে যেভাবে আমাদের রিটার্ন টিকেট করা হয়। কোনো কারনে, আপনি ঢাকা থেকে ইস্তাম্বুলের ফ্লাইটটা মিস করলেন, সেই ক্ষেত্রে পরের সবগুলা ফ্লাইট ও কিন্তু অটোমেটিক ক্যান্সেল হয়ে যাচ্ছে। আপনে যদি আলাদা একটা টিকেট করে ইস্তানবুলে গিয়ে, ১২ ঘন্টা পরের ইস্তানবুল থেকে রোমের ফ্লাইট ধরে যেতে চান, আপনাকে আলাদা করে বাকি সব segment এর reservation ফি দিয়ে কনফার্ম করতে হবে। তাই যদি কোনো একটা segment আপনার আগে থেকেই use না করার পরিকল্পনা থাকে, সেই ক্ষেত্রে ট্রাভেল ডেটের আগেই আপনার itinerary টা বদলে নেওয়াটাই উচিৎ।

*Refund Policy:

অনেকেই মনে করে থাকেন, যেকোনো ফ্লাইট ক্যান্সেল করলে আপনি টাকা ফেরত পাবেন। এইটা সম্পূর্ণ ভুল একটা idea। তাই আগে থেকেই এই ব্যাপারে জেনে নিবেন বা terms & conditions পড়ে নিবেন যদি নিজে টিকেট করতে চান।

*Date Change:

ইদানিং অনেক Low Fare টিকেটের ক্ষেত্রেই date change মানে ভ্রমণের তারিখ বদলানো যায়না বা গেলেও হয়তো আপনার টিকেটের দামের থেকে বা নতুন টিকেটের থেকে বেশি দাম দিতে হতে পারে। This is specially the case with Low Cost Carriers like Air Asia, Scoot, etc.

*আপনার টিকেট কে এবং কোন দেশ থেকে ইস্যু হচ্ছে:

অনেকেই অনলাইনে টিকেট করে (international OTAs like Expedia) বা কোনো এজেন্সির থেকে টিকেট করে, পরে এয়ারলাইন অফিসে যান ক্যান্সেল করতে বা ভ্রমণের তারিখ বদলানোর জন্য। অনেক ক্ষেত্রেই অনলাইনে আপনি যে টিকেট কিনছেন, সেটা ইস্যু হচ্ছে দেশের বাইরে থেকে। বাইরের ডোমেস্টিক টিকেটও বাংলাদেশের OTA গুলা থেকে কিনলে, অনেক ক্ষেত্রেই তা ইস্যু হয়ে থাকে দেশের বাইরে থেকে। এইসব ক্ষেত্রে দেশের এয়ারলাইনের অফিসে গেলেও আপনাকে তাঁরা সাহায্য করতে পারবে না (in most cases)। তাই কারো date change বা ক্যান্সেল করার বেপার থাকলে, আগে থেকে বুঝে শুনে টিকেট করাটাই ভালো।

*Baggage Fee:

অনেক এয়ারলাইনের ক্ষেত্রেই এখন baggage থাকে না বা খুবই কম থাকে। যদি baggage কিনতে লাগে বা extra weight কিনতে হয়, তাহলে টিকেট করার সময় বা আগে থেকেই Manage Booking অপশনে (এয়ারলাইনের website এ) গিয়ে baggage কিনে নেওয়া ভালো। এয়ারপোর্টে মোটামুটি সব এয়ারলাইন অনেক বেশি টাকা চার্জ করে থাকে।

*Using someone else's Credit Card:

আমাদের দেশে বেশিরভাগ লোকেরই ক্রেডিট কার্ড নেই আর সেই কারনে অনেক সময়ই আমরা আরেকজনের ক্রেডিট কার্ড দিয়ে টিকেট করে থাকি। আরেকজনের ক্রেডিট কার্ড দিয়ে যদি কেউ টিকেট কিনে থাকেন, তাহলে ক্রেডিট কার্ড হোল্ডারের থেকে একটা authorization letter নিয়ে নেওয়াটা ভালো, specially যদি টিকেটটা direct এয়ারলাইনের ওয়েবসাইটের থেকে কাটা হয়। মোটামুটি সব এয়ারলাইনের খেতেই ক্রেডিট কার্ড ভেরিফিকেশনের নিয়ম আছে। Third Party apps বা ওয়েবসাইটের থেকে কিনে থাকলে আবার তেমন সমস্যার সম্মুখীন হওয়ার chances অনেক কম থাকে। তাও যদি আরেকজনের ক্রেডিট কার্ড দিয়ে টিকেট করে থাকেন, একটা authorization letter নিয়ে নেয়াটাই বেটার।

*টিকেট করার ক্ষেত্রে পাসপোর্টের কপি ও ভিসা কপি দেওয়াটা mandatory কিনা?

বাংলাদেশ থেকে বেশির ভাগ টিকেটের ক্ষেত্রেই উপরের দুইটা জিনিষ এজেন্সিকে বা এয়ারলাইনকে দেওয়াটা sort of mandatory। তাই কোনো এজেন্সি বা এয়ারলাইন এইগুলা চাইলে, তাদেরকে সময় মতো দিয়ে দেয়াটাই ভালো। নাহলে বোর্ডিং পাস নেওয়ার সময় সমস্যা হতে পারে।

*আপনার ফ্লাইট কোন aircraft এ:

বেশিরভাগ মানুষই এই ব্যাপারে জানতে চায় না, কিন্তু একটা বড় journey এর ক্ষেত্রে, এইটা বেশ গুরুত্বপূর্ণ। একেকটা aircraft এর একেক রকম facilities থাকে একই এয়ারলাইন হয়ে থাকলেও। আপনি চাইলেই নিজে, কিংবা যেখান থেকেই টিকেট করছেন, তাদেরকে জিগ্যেস করে সেটা জেনে নিতে পারেন। Flying in a Boeing 787 or A 350 or A 380 or B 777 (double aisle aircrafts) is way more comfortable than flying in a B 737 or A 320 (single aisle aircraft).

আপনি চাইলে অন্যান্য সুযোগ সুবিধার কোথাও জানতে পারেন, যেমন পার্সোনাল এন্টারটেইনমেন্ট সিস্টেম আছে কিনা, ইত্যাদি।

*কোন এয়ারপোর্ট থেকে আপনি fly করবেন বা কোন এয়ারপোর্টে নামবেন?

বিশ্বের অনেক শহরেই এখন একটার বেশি এয়ারপোর্ট। একেকটা এয়ারপোর্টের facilities এবং শহরের থেকে দুরুত্ব একেক রকম। যেমন লন্ডন, প্যারিস, নিউইয়র্ক বা আরো অনেক শহরেই ৩ টার বেশি এয়ারপোর্ট। কোনটাতে আপনি নামবেন বা কোনটা থেকে উঠবেন, সেটা আগে থেকেই খেয়াল করে ভালো।

*কোন দিন বা তারিখে fly করবেন?

টিকেট করার ক্ষেত্রে একটু আগে পিছে করে তারিখ সিলেক্ট করলে হয়তো আপনি অনেক কম দামে টিকেট পেতে পারেন। আবার অনেক শহর থেকেই মঙ্গলবার থেকে বৃহস্পতিবার টিকেটের দাম কম পরতে পারে weekend এর থেকে। সেটাও টিকেট করার সময় খেয়াল রাখতে পারেন।

02/08/2019

ভিসা চেক করে নিন

আপনার ভিসা অরিজিনাল কিনা চেক করে নিন নিচের লিংক থেকে।

১। তানজানিয়াঃ http://www.tanzania.go.tz/
২। কাতারঃ https://portal.moi.gov.qa/wps/portal/en
৩। কুয়েতঃ http://www.moi.gov.kw/
৪। পাকিস্তানঃ http://www.moitt.gov.pk/
৫। সৌদি আরবঃ http://www.moi.gov.sa/
৬। দুবাই/আরব আমিরাতঃ https://www.moi.gov
৭। মিশরঃ http://www.moiegypt.gov.eg/english/​
৮। বাংলাদেশঃ http://www.moi.gov.bd/​
৯। সাইপ্রাসঃ http://www.moi.gov.cy/
১০। নেপালঃ http://www.moic.gov.np/en/​
১১। আলবেনিয়াঃ http://www.moi.gov.al/
১২। জামবিয়াঃ http://www.moi.gov.gm/
১৩। জর্দানঃ http://www.moi.gov.jo/
১৪। ইন্ডিয়াঃ http://labour.nic.in/
১৫। কেনিয়াঃ http://www.labour.go.ke/
১৬। ইটালীঃ https://www.visaservices.org.in/Italy-Bangladesh-Tracking/
১৭। সিংগাপুরঃ http://www.mom.gov.sg/
১৮। গ্রীসঃ http://www.mddsz.gov.si/en/
১৯। শ্রীলংকাঃ http://www.labourdept.gov.lk/
২০। দক্ষিণ আফ্রিকাঃ http://www.labour.gov.za/
২১। ইরানঃ http://www.irimlsa.ir/en
২২। ঘানাঃ http://www.ghana.gov.gh/
২৩। থাইল্যান্ডঃ http://www.mfa.go.th/
২৪। বাহরাইনঃ http://www.mol.gov.bh/
২৫। ভূটানঃ http://www.molhr.gov.bt/
২৬। কলমবিয়াঃ http://www2.gov.bc.ca/gov/
২৭। কানাডাঃ https://www.labour.gov.on.ca/english/
২৮। বারবাডোসঃ https://labour.gov.bb/
২৯। কোরিয়াঃ http://www.moel.go.kr/english/
৩০। জাপানঃ http://www.mhlw.go.jp/english/
৩১। সাইপ্রাসঃ http://www.mfa.gov.cy/
৩২। ভিয়েতনামঃ https://www.myvietnamvisa.com/
৩৩। নিউজিল্যান্ডঃ https://immigration.govt.nz/
৩৪। নামিবিয়াঃ http://www.mol.gov.na/​
৩৫। মালদ্বীপ ঃ On arrival
৩৬। মায়ানমারঃ http://www.mol.gov.mm/en/
৩৭। লেবাননঃ http://www.labor.gov.lb/
৩৮। পোল্যান্ডঃ http://www.mpips.gov.pl/en
৩৯। ইংল্যান্ডঃ https://www.gov.uk/
৪০। বুলগেরিয়াঃ http://www.mfa.bg/en/
৪১। আমেরিকাঃ https://travel.state.gov/
৪২। স্পেনঃ http://www.vfsglobal.com/spain
৪৩। ইউক্রেইনঃ http://www.mlsp.gov.ua/​
৪৪। উগান্ডাঃ http://www.mglsd.go.ug/​
৪৫। পেলেস্টাইনঃ http://www.pipa.ps/
৪৬। ব্রুনাইঃ http://www.labour.gov.bn/
৪৭। ইয়ামেনঃ https://yemen.travisa.com/
৪৮। নেদারল্যান্ডঃ http://www.vfsglobal.com/Netherl

Tovuti Kuu ya Serikali Imesanifiwa, imetengenezwa na inahifadhiwa na Wakala ya Serikali Mtandao. Taarifa zinasimamiwa na Wizara ya Habari, Utamaduni, Sanaa na Michezo. Lengo kuu la Tovuti Kuu hii ni kuwezesha upatikanaji wahuduma za umma kwa uwazi, urahisi na gharama nafuu kutoka Taasisi mbalimbali...

পর্তুগালে ইমিগ্রেশন : ইউরোপে অবৈধ বসবাসকারীদের বৈধ হওয়ার সুযোগ, পর্তুগালে।পর্তুগালের ইমিগ্রেশন সম্পর্কে একটা জিনিস বলে ...
09/07/2019

পর্তুগালে ইমিগ্রেশন : ইউরোপে অবৈধ বসবাসকারীদের বৈধ হওয়ার সুযোগ, পর্তুগালে।

পর্তুগালের ইমিগ্রেশন সম্পর্কে একটা জিনিস বলে রাখি, ইউরোপে যে সকল ভাইরা বর্তমানে অবৈধ অবস্থায় আছেন তাদের জন্য এই পোস্টটি অনেক সহায়ক হবে। তবে কিছু শর্তাবলী অবশ্যই জানতে হবে যে কিসের ভিত্তিতে আপনি পর্তুগালে বৈধতা পেতে পারেন। ২০০৭ সালের জুন মাস থেকে পর্তুগাল ইমিগ্রেশন থার্ড কান্ট্রি migrant দের জন্য একটি নতুন অভিবাসন আইন চালু করেছে।

ইমিগ্রেশন আর্টিকেল নম্বর ৮৮-২ ধারা তে আপনি পর্তুগালের বৈধতা পেতে পারেন তবে শর্ত হচ্ছে আপনাকে ইউরোপ বৈধ পথে এসেছেন তার প্রমান দেখাতে হবে। তার মানে আপনি ইউরোপ ভিসা নিয়ে এসেছেন , আপনার পাসপোর্ট এ ইমিগ্রেশন কর্তিপক্ষের সীল ( যেকোন এয়ারপোর্ট এর ) আছে ইত্যাদি প্রমানাদি দেখাতে হবে। মূলকথা হচ্ছে আপনাকে অবস্যই সেনজেন ভিসা আছে এমন পাসপোর্ট থাকতে হবে। তারপর পাসপোর্ট দিয়ে আপনি পর্তুগাল ট্যাক্স কর্তিপক্ষের কাছ থেকে ট্যাক্স নম্বর নিয়ে পর্তুগালের কোন মালিকের অধীনে কাজ দেখিয়ে সামাজিক নিরাপত্তা নম্বর নিতে হবে । Social Security Number . তারপর ৬ মাস ট্যাক্স প্রদান করতে হবে কমপক্ষে, ট্যাক্স এর পরিমান বেশি হলে ভালো হয় তবে নিয়ম হচ্ছে কমপক্ষে ৬ টি ট্যাক্স প্রদান করতে হয়। এরপর অন্যান্য দরকারী কাগজ পত্র এক সাথে করা। এর মধ্যে ৩-৪ টি ট্যাক্স দেয়ার পর আপনার ফাইল টি পর্তুগালের ইমিগ্রেশন পোর্টালে এন্ট্রি করাতে হবে এই ওয়েবসাইটে http://bit.ly/9vcAGC। ফাইল এন্ট্রি করার পরে ইমিগ্রেশন কর্তিপক্ষ আপনাকে ইন্টারভিউ এর জন্য ডাকবে। ফাইল তাদের ওয়েবসাইটে এন্ট্রি করার পর ইন্টারভিউ এর তারিখ দিতে ৩-৪ মাস সময় লাগে , কারো কারো ক্ষেত্রে ১ মাসের মধ্যে ডাকে। ইমিগ্রেশন ইন্টারভিউ ডাকলে আপনাকে সমস্ত ডকুমেন্টস নিয়ে যেতে হবে।

প্রশ্ন হলো আর কি কি ডকুমেন্টস দরকার ? এখন আপনাকে বলছি কি কি ডকুমেন্টস আপনাকে তাদের সামনে দেখাতে হবে।
শর্তাবলী:
১ # প্রাথমিক অবস্থায় আপনার পাসপোর্ট এ সেনজেন ভিসা থাকতে হবে (মেয়াদহীন ভিসা ) ।

২ # আপনার পর্তুগিজ ট্যাক্স নাম্বার। এটাকে NIF বলা হয়ে থাকে -Número de Indentificação Fiscal (NIF) ( যেটা আপনি পর্তুগালে যাওয়ার পর পাসপোর্ট শো করে ট্যাক্স অফিস থেকে নিতে পারবেন। ট্যাক্স নম্বর নিতে ১০ ইউরো খরচ হবে )।

৩ # পর্তুগিজ social security number যা সংক্ষেপে NISS বলা হয়ে থাকে (Número de Identificação de Segurança Social -NISS ) এটা আপনি যখন পর্তুগালে কোন মালিকের অধীনে কাজ করবেন তখন মালিক আপনার কাজের চুক্তি করলে এই নম্বর পাবেন। কিন্তু একটা জিনিস বলে রাখা দরকার পর্তুগালের সাধারণত কাজ পাওয়া ও সাথে কাজের কন্ট্রাক্ট পাওয়া একটু মুশকিল। যারা এ পর্তুগালের কাগজের আশায় যায় তারা বাঙালিদের কাজ থেকে বা আফ্রিকান পর্তুগিজদের কাজ থেকে টাকার বিনিময়ে কাজের কন্ট্রাক্ট নিয়ে থাকেন।কাজের কন্ট্রাক্ট কিনতে ২৫০০-৩০০০ ইউরো পর্যন্ত নেন অনেকে। এটা আসলে বাঙালিদের একটা ব্যবসায় পরিনত হয়ে গেছে, তাই বলে লাভ নাই।

৪ # কাজের কন্ট্রাক্ট বা চুক্তিনামা । কমপক্ষে ৬ মাস মেয়াদের।

৫ # বাংলাদেশী পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট। দেশে থেকে পররাষ্ট্র মন্ত্রলায় থেকে সত্যায়িত করে আনার পর পর্তুগিজ ভাষায় রূপান্তর করে বাংলাদেশ এম্বেসী অফ লিসবন থেকে সত্যায়িত করতে হবে।

৬ # পর্তুগাল এর পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট + ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন এর পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট। ২ টা সার্টিফিকেটই একই অফিস থেকে তুলতে হয়। পর্তুগালের লিসবনে Loja do cidadão নামে একটা অফিস আছে ওই অফিস থেকে ওই সার্টিফিকেট ২ টা তুলতে পারবেন। ২ তার জন্য ১২ ইউরো খরচ হবে।

৭ # আপনি যদি অন্য কোন দেশে ৬ মাসের বেশি অবস্থা করেন যেমন লন্ডন, সাইপ্রাস আয়ারল্যান্ড রোমানিয়া এই সকল দেশে ছাত্র ছিলেন পরে সেনজেন ভিসা নিয়ে ইউরোপ ডুকেছেন তাদের ক্ষেত্রে যে যেই দেশে অবস্থা করেছেন ওই ওই দেশের পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট লাগবে বাধ্যতামূলক, কিংবা ইতালিয়ান ভিসা নিয়ে ইতালি এসেছেন ৬ মাসের ও বেশি সময় ইতালি কাটিয়েছেন তাদের ক্ষেত্রে ও ইতালিয়ান পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট লাগবে। অন্য কোন ভাষায় হলে সেটা কে ট্রান্সলেট করে শুধু নোটারি করতে হবে।

৮ # আপনি ৬ টি ট্যাক্স প্রদান করেছেন সেটার সার্টিফিকেট . Social security office থেকে আপনি যতবার খুশি বিনা পয়সায় তুলতে পারবেন। তবে সেটার জন্য লম্বা লাইনে দাড়াতে হবে।

৯ # Proof of address . আপনি যে মিউনিসিপালিটি তে থাকেন সেখান থেকে এই সার্টিফিকেট তা নিতে হবে। junta de freguesia এই অফিস থেকে নিতে হবে। আপনি যে এরিয়া তে থাকেন ওই খানকার junta de ফ্রেগু এসিয়া থেকে নিতে ১০ ইউরো খরচ পড়বে। তবে ৩ দিন আগে আবেদন করতে হবে। এক দিনে ও নিতে পারেন তবে ৩০ ইউরো চার্জ নিবে।
আপনার ফাইল ইমিগ্রেশন পোর্টালে এন্ট্রি করার পর আপনাকে একটা আই ডি ও গোপন নম্বর দেয়া হবে। ওই নম্বর ও আইডি নির্দিষ্ট জায়গায় (http://bit.ly/9vcAGC ) প্রবেশ করে আপনি আপনার ফাইল চেক করতে পারবেন। এরা যদি আপনাকে ইন্টারভিউ এর তারিখ দেয় তাহলে ও আপনি দেখতে পাবেন। সাধারণত অনলাইন তারিখ প্রদানের পর ঠিক ওই দিন ই ইমিগ্রেশন থেকে আপনাকে কল করবে। ইন্টারভিউ এর তারিখ পাওয়ার পর উপরোক্ত ডকুমেন্টস সহ টাইম মত ইমিগ্রেশন অফিস এ হাজির হতে হবে। সেই ক্ষেত্রে আপনাকে টুক টাক পর্তুগিজ ভাষা রপ্ত করতে হবে যদি তারা আপনাকে প্রথমে পর্তুগিজে প্রশ্ন করবে , না বলতে পারলে ইংলিশ এ বলে দিবেন। তাছাড়া সমস্ত কাগজপত্র ইমিগ্রেশন এ এন্ট্রি কিংবা ইন্টারভিউ তারিখ দিতে দেরী হলে আপনি একজন এডভোকেট নিয়োগ করতে পারেন। পর্তুগালের খুব সস্তায় এডভোকেট পাওয়া যায়। মাত্র ২০০ ইউরো তে সব কিছুর কন্ট্রাক্ট ল’ইয়ার কে আপনি দিতে পারেন। সে ক্ষেত্রে ইন্টারভিউ এর দিন আপনি ইংলিশ বলতে না পারলে ও এডভোকেট আপনার হেল্প করবে সব কিছুর ব্যাপারে।

আরও একটা কথা যাদের পাসপোর্ট এ সেনজেন ভিসা আছে তারা ইউরোপের কোথাও কাগজ না করতে পারলেও পর্তুগালে যদি কাজের ব্যবস্থা করে ৬ মাস ট্যাক্স প্রদান করেন তাহলে কাগজ আপনার হবেই। পর্তুগালের প্রাথমিক ভাবে যেই রেসিডেন্ট পার্মিট তা দেয়া হয় সেটার মেয়াদ ১ বছর। মেয়ার বাড়লে ২ বছরের জন্য এই ভাবে ৫ বছর পর্তুগালে অবস্থানের পর আপনি পর্তুগালের নাগরিকত্ব পেতে পারেন। তবে আপনাকে পর্তুগিজ ভাষার দক্ষতা দেখাতে হবে কমপক্ষে ইউরোপিয়ান লেভেলে B2 .পর্তুগিজ ভাষা অনেক সহজ। খুব কম সময়ে আপনি আয়ত্ত করতে পারবেন চিন্তার কোন কারণ নাই। আর সবশেষে সেই সকল ভাই দের কে অনুরোধ করব যারা অবৈধ অবস্থায় আছেন কোথাও বসে না থেকে যদি আপনার পাসপোর্ট এ সেনজেন ভিসা থাকে তাহলে পর্তুগাল থেকে পেপারস টা বানিয়ে নিয়ে আসেন। স্টুডেন্ট ভিসায় (যাদের পাসপোর্ট এ স্টুডেন্ট ভিসা D টাইপ) যারা পর্তুগালে আগে ২০১১ সালে আবেদন করেছে তারা কাগজ পেয়েছে কিন্তু ২০১২ সাল থেকে একটু সমস্যা করতেছে পর্তুগাল ইমিগ্রেশন।

সেনজেন ভিসা সম্পর্কে একটু জেনে নেই।সেনজেন  চুক্তির আওতায় ইউরোপের ২৬টি দেশে আলাদা ভিসা ছাড়াও প্রবেশ করা ও বের হওয়া যাবে। ...
02/07/2019

সেনজেন ভিসা সম্পর্কে একটু জেনে নেই।

সেনজেন চুক্তির আওতায় ইউরোপের ২৬টি দেশে আলাদা ভিসা ছাড়াও প্রবেশ করা ও বের হওয়া যাবে। এই চুক্তির কারনে, সেনজেনভুক্ত কোন দেশ থেকে সেনজেন ভিসা পেলে আপনি সবগুলো দেশেই কোন ঝামেলা ছাড়া প্রবেশ ও বের হতে পারবেন। এই দেশগুলো হচ্ছে নেদারল্যান্ডস, স্পেন, ফিনল্যান্ড, ফ্রান্স, জার্মানি, পোল্যান্ড, পর্তুগাল, স্লোভাকিয়া, স্লোভেনিয়া, সুইডেন, সুইজারল্যান্ড, ডেনমার্ক, অস্ট্রিয়া, বেলজিয়াম, চেক প্রজাতন্ত্র, এস্তোনিয়া, গ্রীস, হাঙ্গেরি, আইসল্যান্ড, ইতালি, লাতভিয়া, লিত্ভা, লাক্সেমবার্গ, মাল্টা, নরওয়ে ও লিচেনস্টাইন।

যেসব কাগজপত্র জমা দিতে হয়:
=======================

১। সঠিকভাবে পূরণকৃত ভিসা এপ্লিকেশন ফর্ম ও ভিসা ফি।
২। কোম্পানির লেটারহেড প্যাডে একটা আবেদন পত্র। এখানে নিজের সম্পর্কে, কোম্পানির সম্পর্কে, ভ্রমনের উদ্দেশ্য, ভ্রমণের তালিকা ইত্যাদি সম্পর্কে বিবরণী দিতে হয়।
৩। ইনভাইটেশন লেটার ও ইনভাইটেশন সংক্রান্ত প্রমানাদির ডকুমেন্ট।
৪। সঠিক মাপের ১ কপি রঙ্গিন ছবি ভিসা এপ্লিকেশন ফর্মের সাথে এটাচ করা।
৫। ইংরেজিতে অনুবাদকৃত ট্রেড লাইসেন্স এর নোটারিকৃত কপি।
৬। ইউরোপের ভিসা আবেদনের সাথে অবশ্যই ট্রাভেল হেলথ ইনস্যুরেন্স লাগবে।
৭। বিবাহিত হলে ভিসা এপ্লিকেশন ফর্ম এর সাথে ইংরেজিতে অনুবাদকৃত নিকাহনামা / ম্যারিজ সার্টিফিকেট এর নোটারিকৃত কপি।
৮। বিজনেস কার্ড: ব্যবসায়ী হলে ব্যবসায় ব্যবহৃত নিজের বিজনেস কার্ড, চাকুরিজীবী হলে অফিসের ভিজিটিং কার্ড।
৯। ব্যক্তিগত ব্যাংক স্টেটমেন্ট ও ব্যাংক সলভেন্সি সার্টিফিকেট।
১০। একক মালিকানার প্রতিষ্ঠান হলে কোম্পানির ব্যাংক স্টেটমেন্ট ও ব্যাংক সলভেন্সি সার্টিফিকেট।
১১। সঠিকভাবে তৈরি করা ট্যুর আইটেনারি/প্ল্যান: আপনি কবে-কবে কোথায় যাবেন, কোথায় থাকবেন, কি কি করবেন সেটার একটা লিখিত পরিকল্পনা দিতে হয়।
১২। এসেট ভ্যালুয়েশন স্টেটমেন্ট (স্ট্যাম্পে কম্পোজকৃত) এর নোটারিকৃত কপি জমা দিতে হবে, যেখানে আপনার এই দেশে কি কি সম্পদ আছে তার বিবরণ দিতে হবে। যেসব এসেট উল্লেখ করা যাবে: বাড়ি, জমি, ফ্ল্যাট, গাড়ি, মূল্যবান কোন সম্পদ ইত্যাদি। এগুলোর সব একত্র করে একটা ভ্যালু তৈরি করতে হবে। স্ট্যাম্পে প্রিন্ট করে নোটারি করে জমা দিতে হয়।
১৩। হোটেল বুকিং কনফার্মেশন, ফ্লাইট টিকেট, ইন্টারনাল ট্রান্সপোর্ট টিকেট ইত্যাদির প্রিন্টেড কপিও ভিসা এপ্লিকেশনের সাথে জমা দিতে হয়।
১৪। ইনকাম ট্যাক্স সার্টিফিকেট ইংরেজিতে অনুবাদ করে নোটারি করে ভিসা এপ্লিকেশনের সাথে জমা দিতে হয়।

এবার আসুন বাংলাদেশিদের সেনজেন ভিসা এপ্লিকেশন কেন রিজেক্ট হয় এই কারণগুলো বলি:
◆ আবেদনকারী সঠিকভাবে ডকুমেন্টগুলো তৈরি করেনি।
◆ আবেদনকারীর ব্যাংক স্টেটমেন্ট এ ভ্যারিফাইড এবং স্টেবল কোন ইনকাম এর প্রমাণ নেই।
◆ আবেদনকারী এর আগে তেমন কোনো দেশ ভ্রমণ করেনি, সাদা পাসপোর্ট কিংবা দুই একটা দেশ ভ্রমণ করেই সেনজেন এর ভিসার আবেদন করে বসেছে।
◆ আবেদনকারীর দেশে না ফিরে আসার সম্ভবনা রয়েছে।

Address

18 Kemal Ataturk Avenue, Banani
Dhaka
1213

Opening Hours

Monday 10:00 - 18:00
Tuesday 10:00 - 18:00
Wednesday 10:00 - 18:00
Thursday 10:00 - 18:00
Saturday 10:00 - 18:00
Sunday 10:00 - 18:00

Telephone

+8801749490505

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Easy Travel posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Easy Travel:

Shortcuts

Share

Category