31/05/2026
চীনা ভিসার সব ক্যাটাগরি ও বিস্তারিত জানুন
আপনি কি চীনা ভিসা নিয়ে বিভ্রান্ত? নিচে দেওয়া হলো প্রধান ভিসার ধরন ও তাদের ব্যবহার:
1. L ভিসা – ট্যুরিস্ট ভিসা
শুধু ভ্রমণ ও দর্শনার্থীদের জন্য। হোটেল বুকিং ও ভ্রমণ পরিকল্পনা দেখাতে হবে।
2. F ভিসা – আমন্ত্রণমূলক ভিসা
বাণিজ্য মেলা, গবেষণা বা সাংস্কৃতিক বিনিময়ের জন্য। চীনা কোম্পানি/সংস্থার আমন্ত্রণপত্র লাগে।
3. M ভিসা – কমার্শিয়াল ভিসা
ব্যবসা করতে আসা বিদেশীদের জন্য (যেমন পণ্য ক্রয়-বিক্রয়)। চীনা ট্রেড পার্টনারের চিঠি আবশ্যক।
4. Q1/Q2 ভিসা – পারিবারিক পুনর্মিলন
চীনা নাগরিক বা পার্মানেন্ট রেসিডেন্টের পরিবারের সদস্যদের জন্য। Q1 দীর্ঘমেয়াদি, Q2 স্বল্পমেয়াদি।
5. X1/X2 ভিসা – স্টুডেন্ট ভিসা
X1 (৬ মাসের বেশি পড়তে চাইলে), X2 (৬ মাসের কম)। বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তিপত্র ও JW202 ফর্ম লাগে।
6. Z ভিসা – ওয়ার্ক ভিসা
চীনে চাকরির জন্য বাধ্যতামূলক। ওয়ার্ক পারমিট ও আমন্ত্রণপত্র জমা দিতে হবে।
7. S1/S2 ভিসা – নির্ভরশীল ভিসা
যারা ওয়ার্ক বা স্টুডেন্ট ভিসাধারীদের সাথে যাচ্ছেন (স্ত্রী/সন্তান)।
8. C ভিসা – ক্রু সদস্য
বিমান, ট্রেন বা জাহাজের ক্রুদের জন্য।
9. G ভিসা – ট্রানজিট ভিসা
চীনের ভেতর দিয়ে অন্য দেশে যাওয়ার সময় (২৪-৭২ ঘণ্টা পর্যন্ত)।
10. R ভিসা – প্রতিভা ভিসা
অত্যন্ত দক্ষ পেশাদার বা গবেষকদের জন্য। বিশেষ অনুমোদন লাগে।
মনে রাখবেন:
· প্রতিটি ভিসার আবেদন প্রক্রিয়া ও কাগজপত্র ভিন্ন।
· ভিসার মেয়াদ ও স্টে-এর সময়সীমা আলাদা।
· বাংলাদেশ থেকে আবেদন করলে চীনা দূতাবাস বা ভিসা আবেদন কেন্দ্রের ওয়েবসাইট দেখুন।
সতর্কতা: অনলাইনে ভুয়া এজেন্টদের থেকে সাবধান! সরাসরি অথরিটি ছাড়া কেউ ভিসা দিতে পারে না।