Behind the Scenery of Media & Society

Behind the Scenery of  Media & Society আগে সিরিয়াস ছিলাম। এখন মজা করি।

07/07/2026

End of an era. 💔⚽️
​It’s hard to put into words, but this 2026 FIFA World Cup feels deeply emotional for so many of us because this tournament marks the final World Cup chapters for the legends we grew up with: Lionel Messi, Cristiano Ronaldo, Neymar Jr, and Luka Modrić.
​We are the incredibly lucky generation that got to witness their greatness from the very beginning. From staying up late to watch their matches, celebrating their breathtaking goals, to crying with them in their moments of heartbreak. Our childhoods and youth are completely woven into their careers. They didn't just play football; they defined our love for the beautiful game.
​It’s going to feel incredibly strange watching future World Cups without seeing these names on the team sheets. But before the final whistle blows on this era, all we can say is thank you for the magic, the rivalries, the passion, and the endless memories.
​Wishing these absolute kings the very best of luck and thanks again for giving us pleasure through your magic with football. ⚽❤️💕💔💖

আমাদেরকে বুঝ দেওয়া হয়েছিল বিটকয়েন মানেই হলো মুক্ত দুনিয়ার স্বাধীন মুদ্রা,কিন্তু বিশ্বের সবচেয়ে বড় সম্পদ ব্যবস্থাপক প্র...
06/07/2026

আমাদেরকে বুঝ দেওয়া হয়েছিল বিটকয়েন মানেই হলো মুক্ত দুনিয়ার স্বাধীন মুদ্রা,কিন্তু বিশ্বের সবচেয়ে বড় সম্পদ ব্যবস্থাপক প্রতিষ্ঠান ‘ব্ল্যাকরক’ সম্প্রতি বিটকয়েনের বাজারে এমন এক জোরালো ঝাঁকুনি দিয়েছে, যা এক লহমায় পরিষ্কার করে দিয়েছে যে,--

- এই ক্রিপ্টোর আসল রিমোট কন্ট্রোলটা এখন আসলে কার হাতে।

আমরা দেখলাম, আমেরিকার স্পট বিটকয়েন এক্সচেঞ্জ ফান্ড থেকে হঠাৎ করে বিপুল পরিমাণ টাকা তুলে নেওয়ার একটা হিড়িক পড়ে গেল।

আর তার ধাক্কায়, ২০২৪ সালের পর ইতিহাসে এই প্রথমবার বিটকয়েনের দাম সাময়িকভাবে এক ধাক্কায় ৬০,০০০ ডলারের নিচে নেমে গেল।

এখানে একটা বিষয় একটু ভালো করে বুঝিয়ে নেওয়া যাক।

এই যে ‘স্পট বিটকয়েন ইটিএফ’ জিনিসটা কী?

এটা হলো এমন একটা ব্যবস্থা, যার মাধ্যমে সাধারণ মানুষকে সরাসরি ক্রিপ্টো এক্সচেঞ্জে গিয়ে বিটকয়েন কিনতে হয় না। তারা শেয়ার বাজারের মতোই ব্রোকারের মাধ্যমে বিটকয়েনের ফান্ডে ইনভেস্ট করতে পারে।

আর এই ইটিএফ বাজারের সবচেয়ে বড় ডন হলো ব্ল্যাকরকের ‘আইশেয়ার্স বিটকয়েন ট্রাস্ট’। এই ট্রাস্টটি শুধু একদিনেই প্রায় ৪৪৫ মিলিয়ন ডলারের নিট বিক্রির একটা রেকর্ড করে ফেলেছে।

তবে এখানে একটু সূক্ষ্ম টুইস্ট আছে,

ব্ল্যাকরক কিন্তু নিজে থেকে শখ করে বাজারে বিটকয়েন ডাম্প বা বিক্রি করে দেয়নি। আসল খেলাটা হয়েছে অন্য জায়গায়। যখন সাধারণ বিনিয়োগকারীরা প্যানিক করে আইশেয়ার্স বিটকয়েন ট্রাস্ট থেকে নিজেদের টাকা তুলে নেওয়া শুরু করল,

তখন নিয়ম অনুযায়ী ওই ইটিএফ বা ফান্ডটি বাধ্য হলো তাদের শেয়ারের মূল্য পরিশোধ করতে। আর সেই ক্যাশ টাকা জোগাড় করতে গিয়ে তারা নিজেদের ভল্টে থাকা বিটকয়েনের মজুত বাজারে বিক্রি করতে বাধ্য হলো।

এর মানে কি জানেন?

ওয়াল স্ট্রিটের একটা মাত্র ফান্ডের বিনিয়োগকারীরা ঘরে বসে কী সিদ্ধান্ত নিচ্ছে, তার ওপর ভিত্তি করে পুরো পৃথিবীর ক্রিপ্টো বাজার কাঁপতে পারে!

এই পুরো সিনারিওটা আসলে একটা নির্মম পরিহাস। একটু ফ্ল্যাশব্যাকে যাওয়া যাক,২০০৮ সালের সেই ভয়াবহ বৈশ্বিক মন্দার কথা পড়েছেন নিশ্চয়?

যখন বড় বড় ব্যাংকিং জায়ান্টগুলোর লোভের কারণে সাধারণ মানুষের পকেট কাটা গিয়েছিল, ঠিক তখনই তাদের বিকল্প হিসেবে, করপোরেট দুনিয়ার খাঁচামুক্ত একটা স্বাধীন মুদ্রা হিসেবে জন্ম নিয়েছিল এই বিটকয়েন।

অথচ আজ ২৬ সালের দুনিয়ায় এসে দেখা যাচ্ছে, সেই ব্ল্যাকরকের নেতৃত্বে মাত্র হাতেগোনা কয়েকটি বড় প্রতিষ্ঠান এখন পুরো ক্রিপ্টো বাজারের মুড, তারল্য আর দাম নির্ধারণ করছে।

বিশ্বের বৃহত্তম এই ফাইনান্সিয়াল হাঙরটি এখন এমন একটা সম্পদের ঘাড় ধরে বসে আছে, যা আসলে তৈরিই হয়েছিল ওদের মতো প্রতিষ্ঠানের কবল থেকে মুক্ত থাকার জন্য।কি নির্মম পরিহাস!

অবশ্য ব্ল্যাকরক যে ইচ্ছা করে বাজার কারসাজি বা ম্যানিপুলেশন করছে, তার কোনো ডিরেক্ট আইনি প্রমাণ কিন্তু নেই।

কিন্তু আমরা জানি, এরা চাইলে দুনিয়ার বড় বড় করপোরেট বোর্ডের চেয়ার ওলটপালট করে দিতে পারে, বিশ্বের জ্বালানি খাতের বিলিয়ন বিলিয়ন ডলারের ইনভেস্টমেন্টের মোড় এক তুড়িতে ঘুরিয়ে দিতে পারে।

তাহলে বিটকয়েন -যা জন্মলগ্ন থেকেই একটা প্রতিষ্ঠান-বিরোধী বা অ্যান্টি-করপোরেট আবেগের সাথে যুক্ত সম্পদ -সেটা কেন এদের এই ক্ষমতার নিয়মের বাইরে থাকবে বলো?

দিনশেষে, বিটকয়েনের এই রূপান্তর আমাদের এক নির্মম বাস্তবতার মুখোমুখি দাঁড় করায়। যে স্বাধীন কারেন্সি জন্ম নিয়েছিল ওয়াল স্ট্রিটের করপোরেট একাধিপত্যকে ভেঙে গুঁড়িয়ে দেওয়ার জন্য, আজ সময়ের ব্যবধানে সেই ওয়াল স্ট্রিটের হাঙরদের তহবিলই তার ভাগ্য নির্ধারণ করছে।

ক্রিপ্টোকে তারা নিষিদ্ধ করেনি, বরং নিজেদের কোটি কোটি ডলারের পুঁজিতে এমনভাবে হাতে নিয়েছে, মুক্ত দুনিয়ার সেই বিদ্রোহী মুদ্রা আজ ট্র্যাডিশনাল ফাইনান্সিয়াল সিস্টেমেরই একটা অংশে পরিণত হয়েছে।

পুঁজিবাদের এই চেনা খেলায় সিস্টেমের বাইরে যাওয়ার কোনো সুযোগ নেই; কারণ আপনি যে অস্ত্র দিয়ে সিস্টেমকে ভাঙতে চাইবেন, দিনশেষে সেই অস্ত্রটাই হয়তো মোটা অঙ্কের চেকে কিনে নেবে কোনো ব্ল্যাকরক!

চীন বাংলাদেশ কোনো সামরিক চুক্তি হয়নাই। এটা নিয়ে অনেকে আপসেট। তবে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ২+২ এমন এক ডায়ালগ চালু করে এস...
02/07/2026

চীন বাংলাদেশ কোনো সামরিক চুক্তি হয়নাই। এটা নিয়ে অনেকে আপসেট। তবে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ২+২ এমন এক ডায়ালগ চালু করে এসেছেন যেটা পারমানবিক বোমার চেয়ে কম না।

ভারত এমনি এমনি কোনো মন্ত্রীকে বাংলাদেশে দূত করে পাঠায়নি।

তিস্তা প্রজেক্ট এবং এটা নিয়ে চীন ভারতের গ্যাঞ্জাম নিয়ে ঘাটাঘাটি করতে গিয়ে কিছু ইন্টারেস্টিং জিনিস খুজে পাইলাম।

টাইম থাকলে পুরাটা পড়বেন, সাসপেন্সটা টের পাবেন তাহলে।

প্রথমত তিস্তা নদীর উৎপত্তি সিকিমে যেটা বাংলাদেশে এসে ব্রহ্মপুত্র নদের সাথে মিলিত হয়েছে। এই ব্রহ্মপুত্রের আবার উৎপত্তি চীনের তিব্বতে যা অরুনাচল আর আসাম হয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে।

এবার একটা ইতিহাস বলি। এই সিকিম এবং অরুনাচল দুই জায়গাতেই চায়নিজ মিলিটারি ব্যাপকভাবে অ্যাক্টিভ এবং ইনভলভড।

১৯৬০ সাল থেকেই সিকিম নিয়ে চীন ভারতের কনফ্লিক্ট শুরু হয়। ১৯৬৭ সালে নাথু লা এবং চোলা গিরিপথে ভারতীয় সেনাবাহিনীর সাথে চীনের ভয়ংকর সংঘর্ষ হয়।

ইভেন রিসেন্ট ২০১৭ তে ডোকলাম সংঘর্ষ এবং ২০২১ সালে নাকু লা পাস এলাকায় চীন ও ভারতীয় সেনাবাহিনীর মাঝে এক রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ ঘটে।

এবার আসি অরুনাচলে। অরুনাচলকে চীন সরাসরি দক্ষিণ তিব্বত মনে করে। যেটা চীনের অংশ। ৬২ সালে যুদ্ধের পর থেকেই অরুনাচলে চীনের স্থায়ী সামরিক অবস্থান তৈরী হয়।

এবার একটু টাইমলাইনটা গুছাই। খেয়াল করবেন।

২০১৯ সালে চীনের রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান পাওয়ার চায়না তিস্তা প্রকল্পের জন্য একটি বিশদ টেকনিক্যাল এবং অর্থনৈতিক সম্ভাব্যতা সমীক্ষা শুরু করে। ২০২০ সালেই ফিসিবিলিটি সম্পন্ন হয়।

ঠিক এই ২০২০ সালেই তিস্তার উৎপত্তিস্থল সিকিমে চীন ভারত সংঘর্ষ বাধে এবং চায়নিজ মিলিটারি সিকিমের আরও দক্ষিণে বাংলাদেশ সীমান্তের কাছে মুভ করা শুরু করে।

নাকু লা পাস থেকে বাংলাদেশ সীমান্ত মাত্র ১৬৫ কিলোমিটার দূরে। ম্যাপে লাল রঙ দিয়ে চিহ্নিত করা আছে দেখলেই বুঝতে পারবেন এটা বাংলাদেশ সীমান্ত থেকে কতটা কাছে।

আবার তিস্তার মিলনস্থল ব্রহ্মপুত্রের উৎপত্তি চীনের দক্ষিণ তিব্বতে অরুনাচল হয়ে। রিসেন্ট চায়নিজ মিলিটারি বিগত ২/৩ বছরে অরুনাচলে অত্যন্ত ভেতরে প্রবেশ করেছে।

এবার বুঝলেন তিস্তা নিয়ে রাজনীতিটা কি? মেইন কথা চীন অরুনাচল আর সিকিম চায়। এই দুইটাই সেভেন সিস্টার্সের এন্ট্রি এবং এক্সিট।

এই দুইটা কারো প্রভাববলয়ে থাকার অর্থ সমগ্র সেভেন সিস্টার্স এলাকা তাদের ডি ফ্যাক্টো নিয়ন্ত্রণে। আরেকটা এজেন্ডা হচ্ছে চীন চায় এইসব এলাকার পানি নিয়ন্ত্রণ করতে। এই অঞ্চলের নদীগুলোর ওপর ভারতীয় প্রভাব কমাতে চীন অনেক দিন থেকেই কাজ করে যাচ্ছে।

এবার আসি আসল পয়েন্টে। এবার চীন সফরে তারেক রহমান চীনের সাথে ২+২ ডায়ালগ চালু করে এসছেন। এই ২+২ ডায়ালগ আসলে কি?

আন্তর্জাতিক কূটনীতিতে ২+২ (Two Plus Two) সংলাপ বলতে এমন একটি উচ্চ-পর্যায়ের দ্বিপাক্ষিক বৈঠককে বোঝায়, যেখানে দুটি দেশের পররাষ্ট্র এবং প্রতিরক্ষা এই দুটি গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়ের শীর্ষ নেতৃত্ব একসাথে বসেন।

এবার এই ডায়ালগ পয়েন্ট থেকে যে যে সুবিধা বাংলাদেশ পাবে -

১. যুদ্ধের সময় চীন বাংলাদেশকে রিয়েল-টাইম মিলিটারি ইন্টেলিজেন্স যেমন শত্রুপক্ষের সৈন্য বা যুদ্ধজাহাজের অবস্থান, তাদের গতিবিধি ইত্যাদি দিয়ে সাহায্য করতে পারবে।

২. সাইবার নিরাপত্তা এবং শত্রুর সাইবার হামলা প্রতিরোধেও চীনের প্রযুক্তিগত সহায়তা দ্রুত পাওয়া সম্ভব হবে।

৩. ​২+২ মেকানিজম সচল থাকলে যুদ্ধের জরুরি পরিস্থিতিতে চীন থেকে খুব দ্রুত ও সরাসরি লাইভ সাপ্লাই বা জরুরি সামরিক সরঞ্জাম নিশ্চিত করা সম্ভব হবে, যা এই মেকানিজম না থাকলে আমলাতান্ত্রিক জটিলতায় আটকে যেতে পারত।

৪. ​কোনো যুদ্ধ শুরু হলে আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে বা জাতিসংঘে যদি বাংলাদেশের স্বার্থবিরোধী কোনো প্রস্তাব বা স্যাংশন দেয়ার চেষ্টা করা হয়, তবে চীন সেখানে ভেটো দিয়ে তা আটকে দিতে পারবে।

এই চুক্তি ভারতের জন্য পরমাণু বোমার চেয়ে কম না। চীন তাদের পুরাতন অ্যাম্বিশন নিয়ে আবারও আগাচ্ছে। অরুনাচল এবং সিকিম চীনের বহুত আগ্রহের যায়গা।

এই সিকিমেই তিস্তার উৎপত্তি এবং চায়নিজ বর্ডার থেকে মাত্র ১৬০ কিমির মধ্যে তিস্তা প্রজেক্ট, এবং তিস্তার অপজিটে ইন্ডিয়া যেন মিলিটারি ইনভলভমেন্টে না জড়ায় তার জন্য ২+২।

আবার রিসেন্ট অরুনাচলে চায়নিজ সেনাবাহিনীর প্রবেশ তাও তারেক রহমানের চীন সফরের কয়েকদিনের আগে ও পড়ের ঘটনা।

চীন মুলত ভারতকে বার্তা দিয়ে রেখেছে, বেশি লম্ফঝম্প চলবেনা।

সব মিলিয়ে ভারত যে দক্ষিণ-পুর্ব এশিয়ায় চীন ও বাংলাদেশকে নিয়ে ব্যপক বিপদে আছে এ ব্যাপারে কোনো সন্দেহ নাই। ১৯৬২ এবং ১৯৬৫ সালের স্মৃতি তাদের ভয়ংকর ভাবেই তাড়া করছে।

যার জন্যই তিস্তা মহাপরিকল্পনা নিয়ে এত বেশি উত্তেজনা।

.

বান্দরবানের দুর্গম পাহাড়ে সেনাবাহিনীর বড় সাফল্য!গতকাল বান্দরবানের অত্যন্ত দুর্গম 'রেতলাং' এলাকায় কেএনএফ এবং ইউপিডিএফ (মূ...
02/07/2026

বান্দরবানের দুর্গম পাহাড়ে সেনাবাহিনীর বড় সাফল্য!
গতকাল বান্দরবানের অত্যন্ত দুর্গম 'রেতলাং' এলাকায় কেএনএফ এবং ইউপিডিএফ (মূল) দলের একটি যৌথ ঘাঁটিতে আঘাত হেনেছে আমাদের বীর সেনানিরা।

দুর্গম পাহাড়ি আস্তানায় সেনাবাহিনী পৌঁছালে প্রায় ৩ ঘণ্টা ধরে উভয় পক্ষের মধ্যে তীব্র গোলাগুলি চলে। পার্বত্য অঞ্চলে কেএনএফ এবং ইউপিডিএফ-এর যৌথ ঘাঁটির সন্ধান ও সেখানে অভিযান চালানোর ঘটনা এটিই প্রথম। দীর্ঘ সংঘাতের পর সেনাবাহিনী ঘাঁটিটির পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ নিয়েছে এবং সেখান থেকে বেশ কিছু অস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধার করেছে। বীরত্বপূর্ণ এই অভিযানে আল্লাহর অশেষ রহমতে আমাদের কোনো সেনাসদস্য আহত হননি।

প্রাথমিক ও অনানুষ্ঠানিক সূত্র (DRF) মতে, অভিযানে ৮ জন সন্ত্রাসী নিহত হয়েছে এবং বাকিরা টিকতে না পেরে আস্তানা ছেড়ে সীমান্ত অতিক্রম করে পালিয়ে গেছে। রাঙামাটির সাউথ ক্যাম্প থেকে দ্রুত রিইনফোর্সমেন্ট পাঠিয়ে পরিস্থিতি সম্পূর্ণ নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নেয় সেনাবাহিনী।

[বি.দ্র: ঘটনাটি অনানুষ্ঠানিক প্রতিরক্ষা সূত্র থেকে প্রাপ্ত। বিস্তারিত ও চূড়ান্ত তথ্যের জন্য ISPR-এর আনুষ্ঠানিক প্রেস রিলিজের দিকে নজর রাখতে হবে।]

দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় বীর সেনাবাহিনীর এই ত্যাগ ও বীরত্বকে সালাম।

এটা সরকারি বেতন ভাতা ধ্বংস করা একজন ঘুষখোর অপদার্থের ছবি। টাঙ্গাইল পাসপোর্ট অফিসে উনি সহকারি পরিচালক পদে কর্মরত। প্রতিদি...
02/07/2026

এটা সরকারি বেতন ভাতা ধ্বংস করা একজন ঘুষখোর অপদার্থের ছবি। টাঙ্গাইল পাসপোর্ট অফিসে উনি সহকারি পরিচালক পদে কর্মরত। প্রতিদিনের মত একজন পাসপোর্ট সেবা প্রার্থী উনার কাছে সেবার জন্য গেলে উনি ইংরেজি 'Johora' বানানের বাংলা 'জোহরা' নাকি 'জহরা' নাকি 'জহুরা' হবে সেটা নিয়ে ইচ্ছাকৃতভাবে একটা ক্লিন ফাইল কে নিয়ে একটা ঘোলাটে পরিস্থিতি তৈরি করে যেন লোকটা টাকার বিনিময়ে জিনিসটা সঠিক করিয়ে নিতে বাধ্য হয়। সেবাগ্রহীতা ভদ্রলোকের সার্টিফিকেট, ভোটার আইডি সবখানে নামের বানান ঠিক থাকলেও এই লোক বাংলা 'জোহরা' বানান কি হওইয়া উচিত এটা নিয়ে বাড়তি কথা বলে সেই ফাইলে খুঁত ধরার চেষ্টা করে। আপনার নামের বানান যদি আপনি 'ঝোহূড়া' ও লিখেন কারও সাধ্য নেই আপনাকে নামের বানান ঠিক করতে বলার যদি সেটা সবখানে একই রকম হয়। ট্রাভেলিং শুরু করতে যাওয়া প্রায় প্রতিটা মানুষের পাসপোর্ট করা থেকেই এই ধরনের অপদার্থ ঘুষখোরদের ফেইস করে সামনে আগাতে হয়। এরা হজ করতে যাওয়া লোকদেরও ছাড় দেয়না, নামাজ পড়ে এসে ঘুষের টাকা ছেপ দিয়ে গুনে হিসাব করে ভাগ নিয়ে বাসায় যায়! আমার আপনার কস্টের ট্যাক্স এর টাকায় বেতন পাওয়া এইসব কুশিক্ষিতদের কখনো চাকরিও যায়না। অভিযোগ পেলে শুধু এদের জায়গাটা পরিবর্তন হয়।

এই ছবিটা ফিলিপাইনের। ফিলিপাইনে তেল সংকটের কারণে ইমার্জেন্সি ডিক্লেয়ার করা হয়েছে। তেলের অভাবে যানবাহন সংকট দেখা দিয়েছে, ফ...
28/03/2026

এই ছবিটা ফিলিপাইনের। ফিলিপাইনে তেল সংকটের কারণে ইমার্জেন্সি ডিক্লেয়ার করা হয়েছে। তেলের অভাবে যানবাহন সংকট দেখা দিয়েছে, ফলে মানুষ হেঁটে হেঁটে অফিসে যাচ্ছে।

পাকিস্তানে অকটেন এখন ৩২২ রুপি। যুদ্ধ শুরুর পর এক লাফে লিটারে ৫৫ রুপি দাম বাড়ানো হয়েছে। ভারতের বিভিন্ন প্রদেশে তেলের জন্য লম্বা লাইন দেখা যাচ্ছে। ভারতেও ২০ মার্চ তেলের দাম ২ থেকে আড়াই রুপি বাড়ানো হয়েছে।

এবারের পরিস্থিতি আনপ্রেসিডেন্টেড। কারণ এবার মিডল ইস্টের প্রতিটি দেশে যুদ্ধ ছড়িয়ে পড়েছে। মিডল ইস্ট সারা পৃথিবীর প্রায় ৩০% তেলের যোগান দেয়। বাংলাদেশ তার প্রায় শতভাগ তেল মিডল ইস্ট থেকে আমদানি করে।

মাত্র এই দুই সপ্তাহের যুদ্ধে এ বছর বাংলাদেশকে তেলের জন্য অতিরিক্ত ৬২ হাজার কোটি টাকা দিতে হবে। ইয়েস, ৬২ হাজার কোটি টাকা। এই যুদ্ধ যদি আরও দীর্ঘ হয়, তাহলে এই অঙ্ক আরও বাড়বে।

এই টাকা শেষ পর্যন্ত কে পরিশোধ করবে? আমি, আপনি—আমাদের ইনকাম, আমাদের সেভিংস থেকেই

পেট্রোল পাম্প মালিকরা বলছেন, আগে যেখানে দিনে সর্বোচ্চ ১০০০ লিটার তেল বিক্রি হতো, এখন ৫০০০-১০,০০০ লিটার তেল কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই শেষ হয়ে যাচ্ছে। বাংলাদেশে তেলের চাহিদা তো হুট করে বাড়েনি। তাহলে এই তেলগুলো কিনছে কারা?

পেট্রোল পাম্পে এত লম্বা লাইন কেন হচ্ছে? তেলগুলো যাচ্ছে কোথায়?

একটু আগে দেখলাম, একটি বাসা থেকে ৩০ হাজার লিটার তেল উদ্ধার করা হয়েছে। কোথাও ৫০০০ লিটার, কোথাও ১০,০০০ লিটার পাওয়া যাচ্ছে।

গতকাল ঢাকা-খুলনা হাইওয়ের একটি পাম্পে অকটেন দেখলাম না। কিন্তু কিছু জায়গায় বেশি দামে খোলা অকটেন বিক্রি হচ্ছে।

সরকার এখন পর্যন্ত তেলের দাম না বাড়ানো ছাড়া জনগণের সঙ্গে এ বিষয়ে তেমন কোনো কার্যকর যোগাযোগ করেনি। তারা যথেষ্ট কঠোর অবস্থানও নিচ্ছে না।

যে পাম্পগুলোতে বেশি ভিড় হচ্ছে, সেখানে মোবাইল কোর্ট পাঠানো উচিত। বাইক ও গাড়ির কাগজপত্র যাচাই করা প্রয়োজন। যে সিএনজি চালিত গাড়ির সারা মাসে ২ লিটার অকটেন লাগার কথা, সে কেন বারবার ট্যাংক ভর্তি করছে?

একই বাইক ঘুরে ঘুরে বিভিন্ন পাম্প থেকে কেন রিফিল করছে? এই তেলগুলো যাচ্ছে কোথায়?

রবিবার থেকে অফিস-স্কুল-কলেজ পুরোদমে খুলছে। তখন পরিস্থিতি কি দাঁড়াবে? এভাবে চলতে থাকলে লাখ লাখ লিটার তেল আমদানি করেও কি পরিস্থিতি সামাল দেওয়া সম্ভব?

শ্রীলঙ্কা ইতোমধ্যেই একটি অ্যাপ চালু করেছে। সেখানে গাড়ি বা বাইকের নম্বর দিয়ে রেজিস্ট্রেশন করে পাম্পে সিরিয়াল নিতে হয়, এবং প্রতিদিন একটি নির্দিষ্ট পরিমাণের বাইরে কাউকে তেল দেওয়া হচ্ছে না।

আপনি যদি এই ইমার্জেন্সি সংকট সামাল দিতে যথেষ্ট পরিমাণে আগ্রাসী, সিরিয়াস ও ইনোভেটিভ না হন, তাহলে সামনে পরিস্থিতি আরও খারাপ হবে।

সরকার সংশ্লিষ্ট সবাইকে অনুরোধ—দয়া করে সিরিয়াস এবং কঠোর হোন। অন্যথায় বাংলাদেশের সংকট আরও গভীর হবে।

নিজেদের দুর্নীতি, অযোগ্যতাকে ধর্মের ঘাড়ে চাপিয়ে দাও! ভাবখানা এমন যে, ধর্মের কারনে একটি ফিটনেস বিহীন বাস পদ্মায় ডুবে গেছে...
28/03/2026

নিজেদের দুর্নীতি, অযোগ্যতাকে ধর্মের ঘাড়ে চাপিয়ে দাও!

ভাবখানা এমন যে, ধর্মের কারনে একটি ফিটনেস বিহীন বাস পদ্মায় ডুবে গেছে। শুধুমাত্র ধর্মের করনেই দেশের অন্যতম প্রধান ফেরি পয়েন্টে কোন লাইফগার্ড বা রেসকিউ টিম রাখা যায়নি!

25/03/2026
সৌদিতে এবার ৩০ রমজানেও খালি চোখে চাঁদ দেখার সম্ভাবনা কম। কারন ১৯ তারিখে সৌদির আকাশে চাঁদের ভিজিবিলিটি থাকবে মাত্র ০.২% য...
07/03/2026

সৌদিতে এবার ৩০ রমজানেও খালি চোখে চাঁদ দেখার সম্ভাবনা কম। কারন ১৯ তারিখে সৌদির আকাশে চাঁদের ভিজিবিলিটি থাকবে মাত্র ০.২% যা খালি চোখে দেখতে পাওয়া প্রায় অসম্ভব। তবে শক্তিশালী টেলিস্কোপ দিয়ে দেখা সম্ভব।

সৌদি যেহেতু চাঁদ দেখার ক্ষেত্রে প্রযুক্তির ব্যবহার করে তাই সৌদি ১৯ তারিখে প্রযুক্তি ব্যবহার করেই চাঁদ দেখতে পারে। যদিও ৩০ রমজান পূর্ণ হলে ঈদ পালন করতে চাঁদ দেখার প্রয়োজন নেই। তবে ঈদের চাঁদ নিয়ে সবারই আগ্রহ থাকে। তাই সৌদির মানুষকে খালি চোখে চাঁদ দেখতে হলে ২০ তারিখ পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে। অর্থাৎ তারা ঈদের দিন সন্ধ্যায় বড় করে ঈদের চাঁদ খালি চোখেই দেখতে পারবে। এই গড়মিলের কারন হচ্ছে সৌদি এবার রমজানের নতুন চাঁদ সৃষ্টি হওয়ার মাত্র ৩ ঘন্টার মধ্যেই দেখে ফেলেছিলো। যা ছিলো বিশ্ববাসীর কাছে একটা স্বরণীয় ঘটনা।

তবে সৌদির হিসাব যাই হোক বাংলাদেশের আকাশে ৩০ রমজানেই অর্থাত ২০ তারিখ সন্ধ্যায় বড় করে ঈদের চাঁদ খালি চোখেই দেখা যাবে ইনশাআল্লাহ। এমনকি পৃথিবীর অধিকাংশ স্থানেই ২০ তারিখে চাঁদ দেখা যাবে। যদিও রোজা ৩০ টি পূর্ণ হলে চাঁদ দেখা গুরুত্বপূর্ণ নয়। তাই ঐদিন আবহাওয়া জনিত কারনে চাঁদ দেখা না গেলেও পরেরদিন ঈদ।

তবে এবার পৃথিবীর অধিকাংশ স্থানে ৩০ রোজা পূর্ণ হলেও যেসকল দেশে সৌদি ও বাংলাদেশের পাশাপাশি পৃথিবীর অধিকাংশ দেশের ১ দিন পরে রোজা শুরু হয়েছিলো, সেসব স্থানে আকাশ ক্লিয়ার থাকলে রোজা ২৯ টি হতেপারে। তারা ২৯ রমজানেই চাঁদ দেখতে পারে। নিউজিল্যান্ডে ২৯ রমজানে চাঁদের ভিজিবিলিটি থাকবে প্রায় ১.৫%। যা খালি চোখে দেখতে পাওয়া কিছুটা হলেও সম্ভব। যদি আকাশ একদম পরিষ্কার থাকে।

তারমানে কাহিনি হলো যদি এবার সৌদি ১ দিন আগে চাঁদ না দেখতো তাহলে হয়তো বা এবার একই দিনে পৃথিবীর সব জায়গায় ঈদ উৎযাপিত হতো 🥹
এত সময় নিয়ে মনোযোগ দিয়ে পোস্ট টি পড়ার জন্য ধন্যবাদ।।
Bangladesh weather observation team Ltd

Address

Dhaka
00000

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Behind the Scenery of Media & Society posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

Category