Behind the Scenery of Media & Society

Behind the Scenery of  Media & Society আগে সিরিয়াস ছিলাম। এখন মজা করি।

এই ছবিটা ফিলিপাইনের। ফিলিপাইনে তেল সংকটের কারণে ইমার্জেন্সি ডিক্লেয়ার করা হয়েছে। তেলের অভাবে যানবাহন সংকট দেখা দিয়েছে, ফ...
28/03/2026

এই ছবিটা ফিলিপাইনের। ফিলিপাইনে তেল সংকটের কারণে ইমার্জেন্সি ডিক্লেয়ার করা হয়েছে। তেলের অভাবে যানবাহন সংকট দেখা দিয়েছে, ফলে মানুষ হেঁটে হেঁটে অফিসে যাচ্ছে।

পাকিস্তানে অকটেন এখন ৩২২ রুপি। যুদ্ধ শুরুর পর এক লাফে লিটারে ৫৫ রুপি দাম বাড়ানো হয়েছে। ভারতের বিভিন্ন প্রদেশে তেলের জন্য লম্বা লাইন দেখা যাচ্ছে। ভারতেও ২০ মার্চ তেলের দাম ২ থেকে আড়াই রুপি বাড়ানো হয়েছে।

এবারের পরিস্থিতি আনপ্রেসিডেন্টেড। কারণ এবার মিডল ইস্টের প্রতিটি দেশে যুদ্ধ ছড়িয়ে পড়েছে। মিডল ইস্ট সারা পৃথিবীর প্রায় ৩০% তেলের যোগান দেয়। বাংলাদেশ তার প্রায় শতভাগ তেল মিডল ইস্ট থেকে আমদানি করে।

মাত্র এই দুই সপ্তাহের যুদ্ধে এ বছর বাংলাদেশকে তেলের জন্য অতিরিক্ত ৬২ হাজার কোটি টাকা দিতে হবে। ইয়েস, ৬২ হাজার কোটি টাকা। এই যুদ্ধ যদি আরও দীর্ঘ হয়, তাহলে এই অঙ্ক আরও বাড়বে।

এই টাকা শেষ পর্যন্ত কে পরিশোধ করবে? আমি, আপনি—আমাদের ইনকাম, আমাদের সেভিংস থেকেই

পেট্রোল পাম্প মালিকরা বলছেন, আগে যেখানে দিনে সর্বোচ্চ ১০০০ লিটার তেল বিক্রি হতো, এখন ৫০০০-১০,০০০ লিটার তেল কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই শেষ হয়ে যাচ্ছে। বাংলাদেশে তেলের চাহিদা তো হুট করে বাড়েনি। তাহলে এই তেলগুলো কিনছে কারা?

পেট্রোল পাম্পে এত লম্বা লাইন কেন হচ্ছে? তেলগুলো যাচ্ছে কোথায়?

একটু আগে দেখলাম, একটি বাসা থেকে ৩০ হাজার লিটার তেল উদ্ধার করা হয়েছে। কোথাও ৫০০০ লিটার, কোথাও ১০,০০০ লিটার পাওয়া যাচ্ছে।

গতকাল ঢাকা-খুলনা হাইওয়ের একটি পাম্পে অকটেন দেখলাম না। কিন্তু কিছু জায়গায় বেশি দামে খোলা অকটেন বিক্রি হচ্ছে।

সরকার এখন পর্যন্ত তেলের দাম না বাড়ানো ছাড়া জনগণের সঙ্গে এ বিষয়ে তেমন কোনো কার্যকর যোগাযোগ করেনি। তারা যথেষ্ট কঠোর অবস্থানও নিচ্ছে না।

যে পাম্পগুলোতে বেশি ভিড় হচ্ছে, সেখানে মোবাইল কোর্ট পাঠানো উচিত। বাইক ও গাড়ির কাগজপত্র যাচাই করা প্রয়োজন। যে সিএনজি চালিত গাড়ির সারা মাসে ২ লিটার অকটেন লাগার কথা, সে কেন বারবার ট্যাংক ভর্তি করছে?

একই বাইক ঘুরে ঘুরে বিভিন্ন পাম্প থেকে কেন রিফিল করছে? এই তেলগুলো যাচ্ছে কোথায়?

রবিবার থেকে অফিস-স্কুল-কলেজ পুরোদমে খুলছে। তখন পরিস্থিতি কি দাঁড়াবে? এভাবে চলতে থাকলে লাখ লাখ লিটার তেল আমদানি করেও কি পরিস্থিতি সামাল দেওয়া সম্ভব?

শ্রীলঙ্কা ইতোমধ্যেই একটি অ্যাপ চালু করেছে। সেখানে গাড়ি বা বাইকের নম্বর দিয়ে রেজিস্ট্রেশন করে পাম্পে সিরিয়াল নিতে হয়, এবং প্রতিদিন একটি নির্দিষ্ট পরিমাণের বাইরে কাউকে তেল দেওয়া হচ্ছে না।

আপনি যদি এই ইমার্জেন্সি সংকট সামাল দিতে যথেষ্ট পরিমাণে আগ্রাসী, সিরিয়াস ও ইনোভেটিভ না হন, তাহলে সামনে পরিস্থিতি আরও খারাপ হবে।

সরকার সংশ্লিষ্ট সবাইকে অনুরোধ—দয়া করে সিরিয়াস এবং কঠোর হোন। অন্যথায় বাংলাদেশের সংকট আরও গভীর হবে।

নিজেদের দুর্নীতি, অযোগ্যতাকে ধর্মের ঘাড়ে চাপিয়ে দাও! ভাবখানা এমন যে, ধর্মের কারনে একটি ফিটনেস বিহীন বাস পদ্মায় ডুবে গেছে...
28/03/2026

নিজেদের দুর্নীতি, অযোগ্যতাকে ধর্মের ঘাড়ে চাপিয়ে দাও!

ভাবখানা এমন যে, ধর্মের কারনে একটি ফিটনেস বিহীন বাস পদ্মায় ডুবে গেছে। শুধুমাত্র ধর্মের করনেই দেশের অন্যতম প্রধান ফেরি পয়েন্টে কোন লাইফগার্ড বা রেসকিউ টিম রাখা যায়নি!

25/03/2026
সৌদিতে এবার ৩০ রমজানেও খালি চোখে চাঁদ দেখার সম্ভাবনা কম। কারন ১৯ তারিখে সৌদির আকাশে চাঁদের ভিজিবিলিটি থাকবে মাত্র ০.২% য...
07/03/2026

সৌদিতে এবার ৩০ রমজানেও খালি চোখে চাঁদ দেখার সম্ভাবনা কম। কারন ১৯ তারিখে সৌদির আকাশে চাঁদের ভিজিবিলিটি থাকবে মাত্র ০.২% যা খালি চোখে দেখতে পাওয়া প্রায় অসম্ভব। তবে শক্তিশালী টেলিস্কোপ দিয়ে দেখা সম্ভব।

সৌদি যেহেতু চাঁদ দেখার ক্ষেত্রে প্রযুক্তির ব্যবহার করে তাই সৌদি ১৯ তারিখে প্রযুক্তি ব্যবহার করেই চাঁদ দেখতে পারে। যদিও ৩০ রমজান পূর্ণ হলে ঈদ পালন করতে চাঁদ দেখার প্রয়োজন নেই। তবে ঈদের চাঁদ নিয়ে সবারই আগ্রহ থাকে। তাই সৌদির মানুষকে খালি চোখে চাঁদ দেখতে হলে ২০ তারিখ পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে। অর্থাৎ তারা ঈদের দিন সন্ধ্যায় বড় করে ঈদের চাঁদ খালি চোখেই দেখতে পারবে। এই গড়মিলের কারন হচ্ছে সৌদি এবার রমজানের নতুন চাঁদ সৃষ্টি হওয়ার মাত্র ৩ ঘন্টার মধ্যেই দেখে ফেলেছিলো। যা ছিলো বিশ্ববাসীর কাছে একটা স্বরণীয় ঘটনা।

তবে সৌদির হিসাব যাই হোক বাংলাদেশের আকাশে ৩০ রমজানেই অর্থাত ২০ তারিখ সন্ধ্যায় বড় করে ঈদের চাঁদ খালি চোখেই দেখা যাবে ইনশাআল্লাহ। এমনকি পৃথিবীর অধিকাংশ স্থানেই ২০ তারিখে চাঁদ দেখা যাবে। যদিও রোজা ৩০ টি পূর্ণ হলে চাঁদ দেখা গুরুত্বপূর্ণ নয়। তাই ঐদিন আবহাওয়া জনিত কারনে চাঁদ দেখা না গেলেও পরেরদিন ঈদ।

তবে এবার পৃথিবীর অধিকাংশ স্থানে ৩০ রোজা পূর্ণ হলেও যেসকল দেশে সৌদি ও বাংলাদেশের পাশাপাশি পৃথিবীর অধিকাংশ দেশের ১ দিন পরে রোজা শুরু হয়েছিলো, সেসব স্থানে আকাশ ক্লিয়ার থাকলে রোজা ২৯ টি হতেপারে। তারা ২৯ রমজানেই চাঁদ দেখতে পারে। নিউজিল্যান্ডে ২৯ রমজানে চাঁদের ভিজিবিলিটি থাকবে প্রায় ১.৫%। যা খালি চোখে দেখতে পাওয়া কিছুটা হলেও সম্ভব। যদি আকাশ একদম পরিষ্কার থাকে।

তারমানে কাহিনি হলো যদি এবার সৌদি ১ দিন আগে চাঁদ না দেখতো তাহলে হয়তো বা এবার একই দিনে পৃথিবীর সব জায়গায় ঈদ উৎযাপিত হতো 🥹
এত সময় নিয়ে মনোযোগ দিয়ে পোস্ট টি পড়ার জন্য ধন্যবাদ।।
Bangladesh weather observation team Ltd

আগেই বলে নিচ্ছি,-  এই ওয়ার আমেরিকা ও ইজরায়েল জয়ী হতে যাচ্ছে। আমেরিকা ইজরায়েল তাদের জন্যে এই ওয়ার জয়ী হতে যাচ্ছে, যারা মন...
03/03/2026

আগেই বলে নিচ্ছি,- এই ওয়ার আমেরিকা ও ইজরায়েল জয়ী হতে যাচ্ছে। আমেরিকা ইজরায়েল তাদের জন্যে এই ওয়ার জয়ী হতে যাচ্ছে, যারা মনে করে, যুদ্ধে যে বেশি মানুষ হত্যা করে, তারাই ওয়ার জিতে।

স্কুলে টার্গেট করে বাচ্চাদের হত্যা করা, হসপিটালে টার্গেট করে রোগীদের হত্যা করা, কার্পেট বোম্বিং করে সিভিলিয়ান হত্যা করা, এমনকি টপ লিডারশিপকে হত্যা করে যদি মৃতের সংখ্যা বাড়ানো যায়, তাহলেই ওয়ার জেতা যায়—এমনটা যারা মনে করেন, তাহলে ইউএস ও ইজরায়েল আপনাদের জন্যে ওয়ার জিত্তে চলেছে।

এছাড়া যতগুলো সাইন দেখা যাচ্ছে, সেটা বলছে—এই ওয়ার শুধু ইরানিয়ানদের ক্ষতি করছে না, বরং এই ওয়ার সারা বিশ্বের মানুষের জন্যেই বিপর্যয়ের কারণ হয়ে দাঁড়াচ্ছে।

ইরানিয়ানরা আগেই বলেছিল, আমাদের ওপর আঘাত এলে আমরা সম্পূর্ণ মিডলইস্টকে আনস্টেবল করে দেব। এখন ইরানিয়ানরা শুধু মিডলইস্টকে নয়, সম্পূর্ণ পৃথিবীকেই আনস্টেবল করে দিতে চলেছে।

তারা মিডলইস্টের সঙ্গে সারা পৃথিবীর যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করে দিয়েছে। দুবাই-কাতারের এয়ারপোর্ট যেখানে সম্পূর্ণ পৃথিবীর ট্রানজিট হাব। তারা সেই ট্রানজিট হাবটাই বন্ধ করে দিয়েছে। মিডলইস্টের প্রায় সবগুলো এয়ারপোর্ট বন্ধ, এয়ারস্পেস ক্লোজড। সব প্লেন গ্রাউন্ডেড। এটা কত বড় ফাইনান্সিয়াল লস, সেটা টাকার অংকে আপনি কল্পনাও করতে পারবেন না।

সৌদির অয়েল রিফাইনারি বন্ধ। কাতারের গ্যাস রিফাইনারি বন্ধ। হরমুজ প্রণালী বন্ধ করে দিয়েছে। অয়েল ট্যাংকারে আক্রমণ করে ভয় দেখিয়ে দিয়েছে। তার মানে সারা বিশ্বে এনার্জি ক্রাইসিস তৈরি হবে। এক সপ্তাহ পরে বুঝতে পারবেন ব্যাপারটা কতটা ভয়ানক। স্পেশালি থার্ডওয়ার্ল্ড কান্ট্রি ও ইউরোপের জন্যে।

ইউরোপের জন্যে রাশিয়ার এনার্জি নেই, আবার মিডলইস্টের এনার্জিও নেই। এখন আমেরিকা থেকে বেশি দামে কিনবে। ইউরোপের মার্কেটে ইমপ্যাক্ট পড়বে এটা ১০০% শিওর। আমাদের মতো গরিব দেশের জন্যে তো আরও ভয়াবহ হবে ব্যাপারটা।

এছাড়া ও ওয়ার সিনারিও বিশ্লেষণ করলে —ইজরায়েলে ইরানিয়ান মিসাইল হিট করছে। তার মানে ইজরায়েলের এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম প্রপারলি কাজ করছে না। অ্যারো থ্রি, ডেভিড স্লিং, আয়রন ডোম—সব ব্যর্থ। একটা মিসাইল ইন্টারসেপ্ট করতে ১০-১২টা ইন্টারসেপ্টর মিসাইল ছুঁড়তে হচ্ছে। আর যেগুলো ইন্টারসেপ্ট হচ্ছে, সেগুলোও থাড এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম ইন্টারসেপ্ট করছে। তাছাড়া ও ইন্টারসেপ্টর ধীরে ধীরে কমে আসছে। এগুলো মিডিয়াতে রিপোর্ট হচ্ছে প্রতিদিন।

যারা মনে করেন আমেরিকার ডিফেন্স ইন্ডাস্ট্রি বিশাল, তাদের মিসাইল কখনোই শেষ হবে না—তাদের জন্যে আমেরিকা এই ওয়ার জিত্তে চলেছে।

কিন্তু রিয়েলিটি হচ্ছে, আমেরিকার ওয়েপন প্রায় ২০% ইউজ হয়ে গেছে। ইরানের আশেপাশের কোনো বেইজ তারা ব্যবহার করতে পারছে না। তারা ব্যবহার করছে ইজরায়েলের বেইজ। অ্যাটাক লঞ্চ করছে ইজরায়েল থেকে।

ইরানিয়ান ওয়ার প্ল্যানারদের টপ প্রায়োরিটি থাকবে ইজরায়েলের এয়ার বেইজ ডেস্ট্রয় করা। হয়তো তারা কিছু ডেস্ট্রয় করেছে, কিংবা পুরোপুরি ডেস্ট্রয় না করতে পারলেও পুরোদমে অপারেশন চালানো যাচ্ছে না। আর এজন্যই এখন মিডিয়া রিপোর্ট অনুযায়ী তারা ইউজ করবে সাইপ্রাসের এয়ার বেইজ। ইউকে তাদের বেইজ ইউজ করার পারমিশন দিয়েছে, যেখানে শুরুতে তারা মানা করেছিল। যদি ইজরায়েলের সম্পূর্ণ বেইজ অক্ষত থাকত, তাহলে অন্য দেশের বেইজ ইউজ করার প্রয়োজন কেন পড়ল?

ইজরায়েল থেকে সরকারের পারমিশন ছাড়া কোনো রিপোর্ট বের হয় না। তাই সেখান থেকে মিলিটারি লসের কোনো খবর পাওয়া সম্ভব নয়।

এছাড়া ও ফ্রান্স তাদের এয়ারক্রাফট ক্যারিয়ার নিয়ে আসছে যুদ্ধে যোগ দেয়ার জন্যে। আমেরিকা ও ইজরায়েলের হাতে যদি আনলিমিটেড রিসোর্স থাকত, তাহলে এখন ফ্রান্সের দরকার পড়ল কেন?

অনেকেই ভাবছেন যে, ইরানের মিসাইল শেষ হয়ে গেলে কী করবে? রাশিয়া ও চায়না ডিরেক্টলি ওয়ারে না আসলেও, ওয়েপন দিয়ে সাপোর্ট তাদের দিতেই হবে।

আমেরিকার এই ওয়ার শুধু ইরানের সঙ্গে নয়—যত জিওপলিটিকাল অ্যানালিস্ট আছেন, সবাই মনে করেন, ইরানের পর টার্গেট রাশিয়া, তারপর চায়না। আমেরিকা তাদের সমকক্ষ কাউকেই হতে দিতে চায় না। রাশিয়াকে আটকে রেখেছে ইউক্রেনে, দুর্বল করছে, সুযোগমতো ঘাড় মটকে দিতে চাইবে। চায়নার সঙ্গে কয়েকদিন আগেও ট্যারিফ ওয়ার খেলেছে।

এখন চায়না ও রাশিয়া ইরানে আমেরিকাকে আটকানোর এই সুবর্ণ সুযোগ কেন মিস করবে? তারা ইরানের হার অ্যাফোর্ড করতে পারবে না। আমি পার্সোনালি মনে করি, তারা ওয়েপন দিয়ে ডেফিনিটলি হেল্প করবে, ইভেন এখনও করছে। শুধু ওয়েপন নয়, স্যাটেলাইট সহায়তা, মিসাইলের জন্যে জিপিএস টেকনোলজি—এসব চায়না ও রাশিয়া ছাড়া ইরানের পাওয়া পসিবল না।

আজ ট্রাম্প বলছে এই ওয়ার অনেক লম্বা হবে। সে ভেবেছিল টপ লিডারশিপকে হত্যা করলেই সরকার পতন হয়ে যাবে, হয়েছে আরও উল্টো। শিয়ারা তাদের সর্বোচ্চ নেতা ও ইমামকে হারিয়ে এখন প্রতিশোধের নেশায় আছে। তারা রাস্তায় নেমে এসেছে প্রতিবাদে।

ইরানিয়ানদের বাচ্চাদের হত্যা করে ট্রাম্প ভাবছে যে, ইরানিরা তাদের সরকারের বিরুদ্ধে চলে যাবে। হচ্ছে আরও উল্টো।

বাটপারেরা রেজিম চেঞ্জের প্ল্যান নিয়ে এসেছিল—এখন পিছু হটার চেষ্টা করছে।

আজ আমেরিকান ডিফেন্স সেক্রেটারি বলেছে, আমাদের অবজেক্টিভ হচ্ছে তাদের নিউক্লিয়ার এবং মিসাইল প্রজেক্ট ডেস্ট্রয় করা। 😄

শেষমেশ এটা ইরানের এক্সিস্টেন্সের লড়াই। তারা এখন এটাই ভাবছে—'হাম তো ডোবেঙ্গে সানাম, সারা দুনিয়া নিয়ে ডোবেঙ্গে।'

15/02/2026

NCP এর ৩০ জন প্রার্থী মোট ২১ লক্ষ ভোট পেয়েছে। যা সর্বমোট কাস্টিং ভোটের ৩.৩৫৯%।

আর আসন পেয়েছে ৬টি। যা ৩০০ আসনের ২%।

এখন যদি উচ্চকক্ষ "জুলাই সনদের" ভিত্তিতে গঠিত হয় তবে এনসিপি পাবে অন্তত ৩টি আসন আর যদি "বিএনপির ৩১ দফা" ভিত্তিতে গঠিত হয় তবে পাবে ২টি আসন।

একইভাবে ৩টি বা ২টি পাবে মহিলা সংরক্ষিত আসনের ক্ষেত্রেও।

তাহলে সংসদে NCP এর প্রতিনিধিত্ব হবে
৬+৩+৩= ১২ টি (জুলাই সনদের হিসেবে)
৬+২+২=১০টি (বিএনপির ৩১ দফা হিসেবে)

এখন দেখার বিষয় বিএনপি জুলাই সনদ বাস্তবায়ন করে কিনা। করলেও নোট অফ ডিসেন্ট যেগুলায় দিয়েছে সেগুলা withdraw করে কিনা!

আমার বিশ্বাস বিএনপি তা করবেনা। নোট অফ ডিসেন্ট যা দিয়েছে সেগুলা আগের মতই থাকবে।

তাই বিএনপি সরকার গঠন করুক চাইলেও চেয়েছি যাতে ২০০+ আসন বা ২/৩ আসন না পায়। ১৭০-১৯০ হলেও যাতে হয়।

২০০+ আসন পেয়ে যাওয়ায় এখন আর তাদের বাধা ধরা ও থাকবে না জুলাই সনদ বাস্তবায়ন করার যতই গনভোট এর হিসাব তোলা হোক ২০০+ আসনের ম্যান্ডেট দিয়ে তারা গনভোট এর ভিত্তি ওভাররুল করে দিবে।

দেখা যাক ছাত্রনেতারা সংসদে বিএনপিকে কতটা বাধ্য করতে পারে জুলাই সনদ বাস্তবায়ন করাতে।

★ হ্যাঁ সত্যি, পাটোয়ারী যাচ্ছেন সংসদে।★ “হে'রে গেলেও কিভাবে সংসদে যাওয়া যায়?”★ জি যাওয়া যায়,, এটা সম্ভব হয় যদি সংসদ নির্...
14/02/2026

★ হ্যাঁ সত্যি, পাটোয়ারী যাচ্ছেন সংসদে।
★ “হে'রে গেলেও কিভাবে সংসদে যাওয়া যায়?”
★ জি যাওয়া যায়,, এটা সম্ভব হয় যদি সংসদ নির্বাচনে PR (Proportional Representation) পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়।
★ PR (Proportional Representation) পদ্ধতি কী?
★ PR মানে হলো — দল যত শতাংশ ভোট পাবে, সংসদে তত শতাংশ আসন পাবে।
★ এখানে ব্যক্তিগতভাবে জেতা–হারার চেয়ে দলের মোট ভোটই বেশি গুরুত্বপূর্ণ।
★ 🗳️ কিভাবে হেরে গেলেও সংসদে যাওয়া যায়?
ধরুন:
• একটি উচ্চকক্ষে মোট আসন = ১০০টি
• একটি দল পেয়েছে = ২০% ভোট
• তাহলে সেই দল পাবে = ২০টি আসন
★ এখন দল আগে থেকেই একটি প্রার্থী তালিকা (Party List) দেয়।
★ সেই তালিকার ক্রমানুসারে প্রার্থীরা সংসদে যান।
★ নাসিরউদ্দীন পাটোয়ারী ব্যক্তিগতভাবে কোনো আসনে না জিতলেও, তার দল পর্যাপ্ত ভোট পেয়েছে এবং তিনি দলীয় তালিকায় উপরের দিকে আছে — তাই তিনি সংসদ সদস্য হতে পারেন।
★ PR পদ্ধতিতে:
• সরাসরি একজন ব্যক্তি নয়
• বরং দলীয় ভোটের ভিত্তিতে আসন বণ্টন হয়।
★ কোন কোন দেশে PR পদ্ধতি আছে?
• Germany
• Netherlands
• Sweden
• Nepal
★ এসব দেশে অনেকে সরাসরি আসনে না জিতেও দলীয় তালিকার মাধ্যমে সংসদে যান।
★ আরো যদি সংক্ষেপে বলি...
★ হেরে গেলেও সংসদে যাওয়া যায় যদি—
• নির্বাচন PR পদ্ধতিতে হয়
• দল পর্যাপ্ত ভোট পায়
• প্রার্থী দলীয় তালিকায় অগ্রাধিকার অবস্থানে থাকেন

আজকের রাত হলো ব্লাড মুন বা চন্দ্রগ্রহণ।ইতিহাস ও অভিজ্ঞতা বলে, চন্দ্রগ্রহণ কিংবা সূর্যগ্রহণ, আমাবস্যা বা বিশেষ রাত-দিনগুল...
07/09/2025

আজকের রাত হলো ব্লাড মুন বা চন্দ্রগ্রহণ।
ইতিহাস ও অভিজ্ঞতা বলে, চন্দ্রগ্রহণ কিংবা সূর্যগ্রহণ, আমাবস্যা বা বিশেষ রাত-দিনগুলোকে কেন্দ্র করে সমাজে নানা কুসংস্কার প্রচলিত রয়েছে।একইভাবে এই সময়গুলোকে ঘিরে জ্বীন ও যাদুবিদ্যার কার্যক্রম বৃদ্ধি পায়।
কেউ তাদের পুরনো যাদু রিনিউ করে,
কেউ নতুনভাবে যাদুচর্চায় তৎপর হয়,
আবার কেউ শয়তানকে খুশি করতে বলিদান দিয়ে থাকে।
জেনে রাখা দরকার, ইহুদী ও বহু যাদুকররা এই রাতকে উৎসব হিসেবে পালন করে।ফলে অনেক রোগী বা পেশেন্ট এই সময়গুলোতে বিশেষ সমস্যার সম্মুখীন হয়।

✅করণীয়

এ অবস্থায় আমাদের করণীয় হলো
1.নিজে নিজে সেল্ফ রুকইয়াহ করা।
2.বড়ই পাতার পানি দিয়ে গোসল করা।
3.রুকইয়াহর পড়া পানি পান করা।
4.ব্যথার স্থানে অলিভ অয়েল (যয়তুন তেল) মেসাজ করা।
5.আজুয়া খেজুর খাওয়া।
6.রুকইয়াহর পানি বাড়ির চারপাশে স্প্রে করা।
7.উচ্চস্বরে সূরা বাকারাহ তিলাওয়াত করা।
8.উচ্চস্বরে আজান দেওয়া।
9.প্রয়োজনে অভিজ্ঞ রাকির পরামর্শ নেওয়া।
10.অধিক ইস্তিগফার ও দু‘আর মাধ্যমে আল্লাহর কাছে সুরক্ষা প্রার্থনা করা।
11.সালাতুল কুসুফ (চন্দ্রগ্রহণের নামাজ) আদায় করা।
12.মনকে সাহসী রাখা এবং ভয় না পাওয়া।

সহীহ হাদিস থেকে শিক্ষা

আবূ মাসউদ (রাঃ) থেকে বর্ণিত:
রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন

حَدَّثَنَا شِهَابُ بْنُ عَبَّادٍ، حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ حُمَيْدٍ، عَنْ إِسْمَاعِيلَ، عَنْ قَيْسٍ، قَالَ سَمِعْتُ أَبَا مَسْعُودٍ، يَقُولُ قَالَ النَّبِيُّ ﷺ ‏"‏ إِنَّ الشَّمْسَ وَالْقَمَرَ لَا يَنْكَسِفَانِ لِمَوْتِ أَحَدٍ مِنَ النَّاسِ، وَلَكِنَّهُمَا آيَتَانِ مِنْ آيَاتِ اللَّهِ، فَإِذَا رَأَيْتُمُوهُمَا فَقُومُوا فَصَلُّوا ‏"‏

“সূর্য ও চন্দ্র কারো মৃত্যুর কারণে গ্রহণ করে না।বরং এগুলো আল্লাহর নিদর্শনসমূহের মধ্যে দুটি নিদর্শন।সুতরাং তোমরা যখন এগুলো দেখতে পাও, তখন দাঁড়িয়ে সালাত আদায় করো।”
(সহীহ বুখারী)

লেখাটি ভালো লাগলে শেয়ার করতে পারেন।
Copy post.

বিজ্ঞানের ইতিহাসে সবচেয়ে ভীতিকর পরীক্ষাগুলোর একটি হলো জন ক্যালহুনের 'ইউনিভার্স ২৫'। এই পরীক্ষার মাধ্যমে ইঁদুরদের আচরণ পর...
06/09/2025

বিজ্ঞানের ইতিহাসে সবচেয়ে ভীতিকর পরীক্ষাগুলোর একটি হলো জন ক্যালহুনের 'ইউনিভার্স ২৫'। এই পরীক্ষার মাধ্যমে ইঁদুরদের আচরণ পর্যবেক্ষণ করে মানবসমাজকে বোঝার চেষ্টা করা হয়েছিল।

এই পরীক্ষায় ইঁদুরদের জন্য বানানো হয় এক নিখুঁত পরিবেশ- অফুরন্ত খাবার, পানি, বাসা বানানোর উপকরণ, খেলার জায়গা- সবকিছু ছিল হাতের নাগালে। শুরুতে সবকিছু স্বাভাবিকভাবে চলল, আর জনসংখ্যা দ্রুত বাড়তে লাগল।

কিন্তু সংখ্যা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে দেখা দিল ভয়ানক পরিবর্তন। ইঁদুররা আক্রমণাত্মক হয়ে উঠল, একা হয়ে গেল, আর নিজেদের এলাকা নিয়ে লড়াই শুরু করল। মেয়ে ইঁদুররা ক্রমশ একা থাকতে শুরু করল, আক্রমণাত্মক আচরণ দেখাল এবং প্রজননে আগ্রহ হারাল। জন্মহার কমে গেল, আর ছোট ইঁদুরদের মৃত্যুহার বেড়ে গেল।

এরপর দেখা দিল নতুন এক শ্রেণী- সুন্দর ইঁদুর। এরা মেয়ে ইঁদুরদের সঙ্গে মেলামেশা করত না, লড়াই করত না, শুধু খেত আর ঘুমাত। শেষমেশ এদের সঙ্গেই যুক্ত হলো একা থাকা মেয়ে ইঁদুররা, আর তারা সংখ্যাগরিষ্ঠ হয়ে উঠল।

কালক্রমে শিশু ইঁদুরদের মৃত্যুহার পৌঁছায় ১০০%-এ, আর জন্মহার নেমে আসে শূন্যে। খাবারের কোনো অভাব না থাকা সত্ত্বেও শুরু হয় সমকামিতা ও স্বজাতি ভক্ষণ।

ক্যালহুন এই পরীক্ষা ২৫ বার করেছেন। প্রতিবারই ফলাফল একই- অতিরিক্ত ভিড়, ভেঙে পড়া সামাজিক কাঠামো, আর শেষমেশ বিলুপ্তি।

জন ক্যালহুন তার পরীক্ষার শেষে বলেছিলেন- যখন কোনো সমাজে মানুষের সংখ্যা সামাজিক ভূমিকাগুলোর চেয়ে বেশি হয়ে যায়, তখনই শুরু হয় সহিংসতা, বিশৃঙ্খলা ও ভাঙন।

আরও ভয়ংকর বিষয় হলো, ইঁদুরদের ভিড় থেকে সরিয়ে নিলেও তারা তাদের অস্বাভাবিক আচরণ বদলাতে পারেনি। যেন তাদের ভেতরেই পচন ধরে গিয়েছিল, যেখানে আর নতুন করে সমাজ গড়ে তোলার ক্ষমতাই ছিল না।

এই পরীক্ষাকে প্রায়ই এক সতর্কবার্তা হিসেবে ব্যবহার করা হয়- জনসংখ্যা বিস্ফোরণ ও এর ফলে সম্ভাব্য সামাজিক পতনের ঝুঁকি বোঝাতে।

তবে সমালোচকরা বলেন, এই ফলাফলকে সরাসরি মানবসমাজের সঙ্গে মেলানো যায় না। কারণ মানুষ ও ইঁদুরের মধ্যে সামাজিক কাঠামো, মানিয়ে নেওয়ার ক্ষমতা আর আচরণের ধরনে বিশাল পার্থক্য আছে।

ঘুমানোর পর শরীরে আসলে কী হয়?যখন মানুষ ঘুমিয়ে পড়ে, তখন শরীর বন্ধ হয়ে যায় না। বরং তখন শরীরের ভেতরে শুরু হয় কিছু গুরু...
05/09/2025

ঘুমানোর পর শরীরে আসলে কী হয়?

যখন মানুষ ঘুমিয়ে পড়ে, তখন শরীর বন্ধ হয়ে যায় না। বরং তখন শরীরের ভেতরে শুরু হয় কিছু গুরুত্বপূর্ণ ও জটিল প্রক্রিয়া, যা প্রতিদিন শরীর ও মস্তিষ্ককে ঠিক রাখে।

ঘুমের প্রথম পর্যায়ে মস্তিষ্ক ধীরে ধীরে বাইরের জগত থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। নিঃশ্বাস, হৃদস্পন্দন ও রক্তচাপ কমতে শুরু করে। শরীর এই সময়ে ধীরে ধীরে “মেরামতের” কাজে ব্যস্ত হয়ে পড়ে।

ঘুমের মাঝামাঝি সময়ে শরীরের কোষগুলো পুনরায় তৈরি হতে থাকে। টিস্যু মেরামত, হাড় ও পেশির বৃদ্ধি এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা পুনরুদ্ধার এই সময়ে ঘটে। এর জন্য দায়ী হরমোনগুলোও বেশি পরিমাণে নিঃসৃত হয় ঘুমের সময়।

ঘুমের গভীর পর্যায়ে মস্তিষ্ক তথ্যগুলোকে সাজিয়ে রাখে। কোন ঘটনা মনে রাখা হবে, আর কোনটা বাদ যাবে, তা ঠিক হয় এই সময়েই। এটা স্মৃতিশক্তি গঠনের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
রেম (REM) নামক এক বিশেষ ঘুমের পর্যায়ে মস্তিষ্ক অনেকটা সক্রিয় হয়ে ওঠে। এই পর্যায়েই মানুষ স্বপ্ন দেখে। রেম স্লিপ মানসিক স্বাস্থ্য, আবেগ নিয়ন্ত্রণ ও সৃজনশীলতা বাড়াতে ভূমিকা রাখে।

ঘুম না হলে শরীর এই সমস্ত কাজ করতে পারে না। ফলাফল হয় মেজাজ খারাপ, একাগ্রতা কমে যাওয়া, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা দুর্বল হয়ে পড়া, এবং দীর্ঘমেয়াদে হৃদরোগসহ বিভিন্ন জটিলতা।

প্রতিদিন ৬ থেকে ৮ ঘণ্টা ঘুম শরীরের জন্য প্রয়োজন নয়, বরং অপরিহার্য।

©

যদি কেউ AI বা ফটোশপ দিয়ে আপনার ছবি এডিট করে n**e ছবি তৈরি করে তাহলে আপনি https://stopncii.org/ এই এড্রেসে গিয়ে আসল ছবি আ...
18/08/2025

যদি কেউ AI বা ফটোশপ দিয়ে আপনার ছবি এডিট করে n**e ছবি তৈরি করে তাহলে আপনি https://stopncii.org/ এই এড্রেসে গিয়ে আসল ছবি আর এই এডিটেড ছবি জমা দিবেন, তাহলেই তারা ইন্টারনেট এর যত জায়গায় এই এডিটেড ছবি যেন আর না ছড়ায় সেই অনুযায়ী প্রিভেন্টেশন করে। এর জন্য আপনার কারো সাথে সরাসরি কথা ও বলা লাগবে না। নিজের পরিচয় ও গোপন থাকবে।

যদি কেউ আপনার ছবি এরকম ভাইরাল করে ব্যাপারটি তাৎক্ষণিক সাইবার নিরাপত্তা দল কে জানান, তাদের কাছে কেইস করে দিলে তাৎক্ষণিক ব্যবস্হা নিতে পারবে।

ধন্যবাদ

#পোস্ট - #সংগৃহীত

Address

Dhaka
00000

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Behind the Scenery of Media & Society posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category