Haramain Hajj Umrah

Haramain Hajj Umrah This organization will serve the hajjis with best effort. This organization will serve the hajjis with best effort despite of its profit.

Objective :Prime objective of this venture is to make a organization or institution who will guide the potential Hajjis for performing the Hajj in accordance with the rules & regulation of Islam. Haramain Hajj Umrah Main Objective :

Prime objective of this venture is to make a organization or institution who will guide the potential Hajjis for performing the Hajj in accordance with the rules & regulation of Islam. Try to make all the Hajj kafela near to “Zero complain”.

Jumuah Khateebs in Haramain this week 21 August 2026Sheikh Abdul Rahman al Sudais, Masjid al HaramSheikh Ahmed al Hudhai...
19/08/2026

Jumuah Khateebs in Haramain this week
21 August 2026

Sheikh Abdul Rahman al Sudais, Masjid al Haram
Sheikh Ahmed al Hudhaify, Masjid al Nabawi

হজ্জ ২০২৫ কাফেলার তায়েফ জিয়ারার কিছু স্মরণীয় মুহূর্ত। আপনি কি ২০২৭ সালে হজ করার প্লান করছেন?হজ ২০২৭ – হারামাইন হজ উমর...
19/08/2026

হজ্জ ২০২৫ কাফেলার তায়েফ জিয়ারার কিছু স্মরণীয় মুহূর্ত।
আপনি কি ২০২৭ সালে হজ করার প্লান করছেন?
হজ ২০২৭ – হারামাইন হজ উমরাহ্‌'র ওরিয়েন্টেশন প্রোগ্রাম - সবার জন্য উন্মুক্ত।
রেজিস্ট্রেশন লিংক:
https://forms.gle/7nSER6b5eUy4FpXW8
আলহামদুলিল্লাহ, যারা প্রথম , দ্বিতীয় ও তৃতীয় ওরিয়েন্টেশন প্রোগ্রামে অংশগ্রহণ করতে পারেননি, তাদের জন্য আবারও আয়োজন করা হয়েছে হজ ২০২৭ – ওরিয়েন্টেশন প্রোগ্রাম।

হজের প্রস্তুতি, প্রি-রেজিস্ট্রেশন, মাসয়ালা-মাসায়েল এবং প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা সম্পর্কে জানতে আপনাকে আমন্ত্রণ।
ওরিয়েন্টেশনে যা থাকছে—
✅ হজ ২০২৭-এর প্রস্তুতি ও পরিকল্পনা
✅ প্রি-রেজিস্ট্রেশন গাইডলাইন
✅ হজের মাসয়ালা-মাসায়েল
✅ ফ্রি হজ গাইড বুক
✅ প্রশ্নোত্তর পর্ব
🎙️ আলোচক:
শাইখ ড. মুকাররম বিন মহসিন মাদানি
শরিয়াহ কনসালট্যান্ট, হারামাইন হজ উমরাহ লিমিটেড
এরশাদ উল্লাহ জুয়েল
চেয়ারম্যান, হারামাইন হজ উমরাহ লিমিটেড

📅 তারিখ:২১ আগস্ট ২০২৬ ( শুক্রবার )
🕔 সময়: বিকাল ৩:০০ টা
📍 স্থান: JCX Business Tower (Lift-4), বসুন্ধরা আই ব্লক, ঢাকা
আপনার আসন নিশ্চিত করতে এখনই রেজিস্ট্রেশন করুন।
হেল্প লাইন : 01616-121130, 8801711289121

19/08/2026

মদিনায় জিয়ারত

মক্কার ন্যায় মদিনাও পবিত্র নগরী। মদিনার পবিত্রতা রাসূলুল্লাহ (ﷺ)স্বয়ং ঘোষণা করেছেন। হাদিসে এসেছে, ‘হে আল্লাহ! ইব্রাহীম মক্কাকে পবিত্র হওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন, আর আমি এই দুই পাহাড়ের মাঝখানের জায়গা (মদিনা) পবিত্র বলে ঘোষণা করছি।’ [1] মদিনা ইসলামের আশ্রয়ের স্থল, রাসূলুল্লাহ (ﷺ)ও তাঁর সাহাবাদের হিজরতের জায়গা। রাসূলুল্লাহ ও তাঁর সাহাবায়ে কেরামের ত্যাগ ও কোরবানির ইতিহাস মিশে আছে মদিনার ধুলো-কণায়। পবিত্র কুরআনের অর্ধেক নাযিল হয়েছে মদিনায়। অধিকাংশ হাদিসের উৎসও মাদানি জীবনের নানা ঘটনা-অনুঘটনা। সে হিসেবে যিয়ারতে মদিনা ইতিহাসের দিকে ফিরে তাকাতে আমাদেরকে সাহায্য করতে পারে। মজবুত করতে পারে আমাদের বিশ্বাসের ভিত। আর হজ্জের সফর যেহেতু মদিনায় যাওয়ার একটা বিরাট সুযোগ এনে দেয়- বিশেষ করে যারা বহির্বিশ্ব থেকে আসে তাদের জন্য- তাই এ সুযোগের সদ্ব্যবহার করাটাই বাঞ্ছনীয়। তবে যিয়ারতে মদিনা যাতে সুন্নত তরিকায় হয় এবং কোনো ক্ষেত্রেই রাসূলুল্লাহ (ﷺ)এর অনুমোদন ও ইজাযতের বাইরে না যায় সে বিষয়টি ভালোভাবে নজরে রাখতে হবে। এ ক্ষেত্রে প্রথম প্রশ্নটি আসবে মদিনা গমনের উদ্দেশ্য নিয়ে।

কবর যিয়ারতের উদ্দেশ্যে কোথাও সফর করা যাবে না, এ মর্মে হাদিসে স্পষ্ট নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। বুখারি ও মুসলিম শরীফে এসেছে,

لا تشدوا الرحال إلا إلى ثلاثة مساجد ، المسجد الحرام ، مسجدي هذا والمسجد الأقصى

-তিনটি মসজিদ ব্যতীত অন্য কোনো স্থানের উদ্দেশ্যে সফর করো না। মসজিদুল হারাম, আমার এই মসজিদ (মসজিদে নববি) ও মসজিদুল আকসা।[2] প্রখ্যাত মুহাদ্দিস শাহ ওয়ালিউল্লাহ দেহলভি (রহ.) উক্ত হাদিসের ব্যাখ্যায় বলেন, জাহেলি যুগের মানুষেরা তাদের নিজস্ব ধারণা মতে বিশেষ-বিশেষ মর্যাদাপূর্ণ স্থানে গিয়ে নানা রকম প্রথা চালু করেছিল। তারা সে সব স্থানের জিয়ারতকে পুণ্যের কাজ মনে করত। মুসলমানরা যাতে উক্ত জাহেলি প্রথার অনুকরণ না করে সেজন্য রাসূলুল্লাহ (ﷺ)কেবল তিনটি মসজিদ ব্যতীত অন্য কোনো স্থানের উদ্দেশ্যে সফর করা নিষেধ করে দিয়েছেন।[3] শুধু তাই নয় বরং কবর কেন্দ্রিক সকল উরস-উৎসব কঠিনভাবে নিষেধ করে দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, ‘এবং আমার কবরকে তোমরা উৎসবে পরিণত করো না।’[4] উৎসবে পরিণত করার অর্থ, কবর-কেন্দ্রিক নানা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা যার মধ্যে কবরকে উদ্দেশ্য করে সফর করাও শামিল।

‘তিন মসজিদ ব্যতীত অন্য কোনো জায়গার উদ্দেশ্যে সফর করো না’ এ হাদিসের ওপর ভিত্তি করে অধিকাংশ মুহাক্কিক ওলামাগণ রাসূলুল্লাহ (ﷺ)এর কবর যিয়ারতের উদ্দেশ্যে মদিনায় সফর করাকে অবৈধ বলেছেন। তাঁদের মধ্যে বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য শাহ ওয়ালিউল্লাহ মুহাদ্দিসে দেহলভি, আনোয়ার শাহ কাশ্মীরি, ইমাম ইবনে তাইমিয়াহ, আবু মুহাম্মদ আল জনী, কাজী আয়াজ কাজী হুসাইন প্রমুখ। ফতোয়ায়ে রশীদিয়াতেও একই অভিমত ব্যক্ত হয়েছে।[5] সে হিসেবে মদিনা গমনের উদ্দেশ্য, কবর যিয়ারত হলে, তা শুদ্ধ হবে না। নিয়ত করতে হবে মসজিদে নববি যিয়ারতের। কেননা রাসূলুল্লাহ (ﷺ)মসজিদে নববিতে সালাত আদায় বিষয়ে উৎসাহিত করেছেন। এক হাদিসে এসেছে, ‘আমার এই মসজিদে সালাত অন্য মসজিদে এক হাজার সালাত থেকেও উত্তম। তবে মসজিদুল হারাম ব্যতীত।[6] অন্য এক হাদিসে এসেছে, ‘আমার এই মসজিদে সালাত অন্য মসজিদে এক হাজার সালাত থেকে উত্তম। তবে মসজিদুল হারাম ব্যতীত। আর মসজিদুল হারামে সালাত অন্য মসজিদে এক লক্ষ সালাতের চেয়েও উত্তম।[7] শুধু এতটুকই নয় বরং মসজিদে নববির একটি অংশ জান্নাতের বাগানসমূহের একটি বাগান বলে ব্যক্ত করেছেন। বুখারি শরীফে এসেছে, ‘আমার ঘর ও মেম্বারের মাঝখানের জায়গা জান্নাতের বাগানসমূহের একটি বাগান।[8] আর আমার মিম্বারটি আমার হাউজের ওপর।’[9] সে হিসেবে মসজিদে নববি যিয়ারতের উদ্দেশ্যে মদিনায় সফর করার নিয়ত করাটাই শরিয়ত-সিদ্ধ।

19/08/2026

শায়খ ড. ইয়াসির বিন রশিদ আদ-দৌসারি (ইংরেজি: Yasser Al-Dosari) হলেন পবিত্র মক্কার [মসজিদুল হারামের (কাবা শরীফ) বিশিষ্ট ইমাম ও খতিব]। তিনি [১৯৮০ সালের ৬ আগস্ট সৌদি আরবের আল-খারিজ অঞ্চলে জন্মগ্রহণ করেন]।

তাঁর মনকাড়া ও আবেগঘন কুরআন তিলাওয়াত পুরো মুসলিম বিশ্বে অত্যন্ত জনপ্রিয়।সংক্ষিপ্ত পরিচিতি ও শিক্ষাজন্ম ও বয়স: তিনি ৬ আগস্ট ১৯৮০ সালে জন্মগ্রহণ করেন।

তিনি মাত্র ১৫ বছর বয়সের আগেই সম্পূর্ণ কুরআন হিফজ করেন।উচ্চশিক্ষা: তিনি রিয়াদের [ইমাম মুহাম্মাদ বিন সৌদ ইসলামিক বিশ্ববিদ্যালয়]-এর শরিয়া কলেজ থেকে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন।

এরপর একই বিশ্ববিদ্যালয়ের হায়ার জুডিশিয়াল ইনস্টিটিউট থেকে তুলনামূলক ফিকহ বিষয়ে মাস্টার্স ও পিএইচডি (ডক্টোরেট) ডিগ্রি লাভ করেন।প্রখ্যাত ওস্তাদগণ: তিনি সৌদি আরবের গ্র্যান্ড মুফতি শায়খ আবদুল আজিজ আল-শাইখ, শায়খ সালেহ আল-ফাওজান ও শায়খ আবদুল্লাহ ইবনে জিবরিনের মতো প্রখ্যাত আলেমদের নিকট শিক্ষা গ্রহণ করেছেন।

এ ছাড়া বিখ্যাত ক্বারী বাকরি আত-তাবারাবিশি ও ইবরাহিম আল-আখদারের কাছে কিরাত ও তিলাওয়াতের সনদ নেন।দায়িত্ব ও কর্মজীবনইমামতি: তিনি ২০১৫ সাল থেকে মসজিদুল হারামে তারাবি ও তাহাজ্জুদ নামাজ পড়াচ্ছেন।

পরবর্তীতে ২০১৯ সালের অক্টোবর মাসে তাঁকে আনুষ্ঠানিকভাবে মসজিদুল হারামের স্থায়ী ইমাম ও খতিব হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়।অন্যান্য অবদান: তিনি বিভিন্ন আন্তর্জাতিক কুরআন প্রতিযোগিতায় বিচারকের দায়িত্ব পালন করেছেন।

এছাড়াও তিনি বিভিন্ন ইসলামি সম্মেলন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং টিভি-রেডিও চ্যানেলে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে চলেছেন।

হজ্জ ২০২৫  কাফেলার মক্কায় হজ বিষয়ক ক্লাসের কিছু বিশেষ মুহূর্ত। আপনি কি ২০২৭ সালে হজ করার প্লান করছেন?হজ ২০২৭ – হারামাই...
19/08/2026

হজ্জ ২০২৫ কাফেলার মক্কায় হজ বিষয়ক ক্লাসের কিছু বিশেষ মুহূর্ত।
আপনি কি ২০২৭ সালে হজ করার প্লান করছেন?

হজ ২০২৭ – হারামাইন হজ উমরাহ্‌'র ওরিয়েন্টেশন প্রোগ্রাম - সবার জন্য উন্মুক্ত।
রেজিস্ট্রেশন লিংক:
https://forms.gle/7nSER6b5eUy4FpXW8
আলহামদুলিল্লাহ, যারা প্রথম , দ্বিতীয় ও তৃতীয় ওরিয়েন্টেশন প্রোগ্রামে অংশগ্রহণ করতে পারেননি, তাদের জন্য আবারও আয়োজন করা হয়েছে হজ ২০২৭ – ওরিয়েন্টেশন প্রোগ্রাম।

হজের প্রস্তুতি, প্রি-রেজিস্ট্রেশন, মাসয়ালা-মাসায়েল এবং প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা সম্পর্কে জানতে আপনাকে আমন্ত্রণ।
ওরিয়েন্টেশনে যা থাকছে—
✅ হজ ২০২৭-এর প্রস্তুতি ও পরিকল্পনা
✅ প্রি-রেজিস্ট্রেশন গাইডলাইন
✅ হজের মাসয়ালা-মাসায়েল
✅ ফ্রি হজ গাইড বুক
✅ প্রশ্নোত্তর পর্ব
🎙️ আলোচক:
শাইখ ড. মুকাররম বিন মহসিন মাদানি
শরিয়াহ কনসালট্যান্ট, হারামাইন হজ উমরাহ লিমিটেড
এরশাদ উল্লাহ জুয়েল
চেয়ারম্যান, হারামাইন হজ উমরাহ লিমিটেড

📅 তারিখ:২১ আগস্ট ২০২৬ ( শুক্রবার )
🕔 সময়: বিকাল ৩:০০ টা
📍 স্থান: JCX Business Tower (Lift-4), বসুন্ধরা আই ব্লক, ঢাকা
আপনার আসন নিশ্চিত করতে এখনই রেজিস্ট্রেশন করুন।
হেল্প লাইন : 01616-121130, 8801711289121

19/08/2026

This is the real city that never sleeps | Makkah, The Holy city

তাওয়াফ কী? এটা কিভাবে করতে হয়?তাওয়াফ হল কাবা ঘরের চারপাশে ৭ বার প্রদক্ষিণ করা। এ তাওয়াফ করার নিয়মাবলী নীচে উল্লেখ করা হল...
19/08/2026

তাওয়াফ কী? এটা কিভাবে করতে হয়?

তাওয়াফ হল কাবা ঘরের চারপাশে ৭ বার প্রদক্ষিণ করা। এ তাওয়াফ করার নিয়মাবলী নীচে উল্লেখ করা হলঃ

(১) তাওয়াফ শুরু করার পূর্বেই তালবিয়াহ পাঠ বন্ধ করে দেয়া। এরপর মনে মনে তাওয়াফের নিয়ত করা। নিয়ত না করলে তাওয়াফ শুদ্ধ হবে না। নিয়ম হল প্রথমে ‘হাজারে আসওয়াদ (কাল পাথরের) কাছে যাওয়া, ‘‘বিসমিল্লাহি আল্লাহু আকবার’’ বলে এ পাথরকে চুমু দিয়ে তাওয়াফ কার্য শুরু করা। কিন্তু রমাযান ও হজ্জের মৌসুমে প্রচন্ড ভীড় থাকে। বয়স্ক, বৃদ্ধ ও মহিলাদের জন্য পাথর চুম্বনের কাজটি প্রায় অসম্ভব হয়ে দাঁড়ায়। এ ধরনের ভীড় দেখলে ধাক্কাধাক্কি করে নিজেকে ও অন্য হাজীকে কষ্ট না দিয়ে পাথর চুমু দেয়া ছাড়াই ‘‘হাজরে আসওয়াদ’’ থেকে তাওয়াফ শুরু করে দিবেন। কাবাঘরের ‘‘হাজরে আসওয়াদ’’ কোণ থেকে মসজিদে হারামের দেয়াল ঘেষে সবুজ বাতি দেয়া আছে। এ রেখা বরাবর থেকে তাওয়াফ শুরু করে আবার এখানে আসলে তাওয়াফের এক চক্র শেষ হবে। এভাবে ৭ চক্র পূর্ণ করতে হবে। ভীড়ের পরিমাণ যদি আরো বেশী দেখতে পান এবং গ্রাউন্ড ফ্লোরে তাওয়াফ করা কঠিন মনে করেন তাহলে দু’তলা বা ছাদের উপর দিয়েও তাওয়াফ করতে পারেন। সেক্ষেত্রে সময় একটু বেশী লাগলেও ভীড়ের চাপ থেকে রেহাই পাবেন। ছাদের উপর তাওয়াফ করলে দিনের প্রখর রৌদ্রতাপ ও প্রচন্ড গরমে না গিয়ে রাতের বেলায় করবেন। বেশী ভীড়ের মধ্যে ঢুকে মানুষকে কষ্ট দেবেন না। দিলে ইবাদত ক্ষতিগ্রস্ত হবে।

(২) কাবাঘরকে বামপাশে রেখে তাওয়াফ করতে হয়। তাওয়াফের প্রথম চক্রে ‘‘বিসমিল্লাহি আল্লাহু আকবার’’ বলে নীচের দোয়াটি পড়তে পারলে ভাল হয়। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এমনটি করতেন। দোয়াটি হলঃ

اَللَّهُمَّ إِيْمَانًا بِكَ وَتَصْدِيْقًا بِكِتَابِكَ وَوَفَاءً بِعَهْدِكَ وَاتِّبَاعًا لِسُنَّةِ نَبِيِّكَ مَحَمَّدٍ -صلى الله عليه وسلم-

অর্থঃ হে আল্লাহ! তোমার প্রতি ঈমান এনে, তোমার কিতাবের প্রতি বিশ্বাস স্থাপন করে, তোমার সাথে কৃত অঙ্গীকার পূরণের জন্য তোমার নবী মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সুন্নাতের অনুসরণ করে এ তাওয়াফ কার্যটি করছি।

(৩) প্রথম তিন চক্রে পুরুষগণ ছোট ছোট পদক্ষেপে দৌড়ের ভঙ্গিতে সামান্য একটু দ্রুত গতিতে চলতে চেষ্টা করবেন। আরবীতে এটাকে ‘রম্ল’ বলা হয়। বাকী চার চক্র সাধারণ হাঁটার গতিতে চলবেন। মক্কায় প্রবেশ করে প্রথম যে তাওয়াফটি করতে হয় শুধু এটাতেই প্রথম তিন চক্রের রম্লের এ বিধান। এরপর যতবার তাওয়াফ করবেন সেগুলোতে আর ‘‘রমল’’ করতে হবে না। মহিলাদের রমল করতে হয় না।

(৪) পুরুষেরা ইহরামের গায়ের কাপড়টির একমাথা ডান বগলের নীচ দিয়ে এমনভাবে পেঁচিয়ে দেবেন যাতে ডান কাঁধ, বাহু ও হাত খোলা থাকে। কাপড়ের বাকী অংশ ও উভয় মাথা দিয়ে বাম কাঁধ ও বাহু ঢেকে ফেলবেন। এ নিয়মটাকে আরবীতেও اضطباع (ইয্তিবা) বলা হয়। এটা শুধুমাত্র প্রথম তাওয়াফে করতে হয়। পরবর্তী তাওয়াফগুলোতে এ নিয়ম নেই, অর্থাৎ ডান কাঁধ ও বাহু খোলা রাখতে হয় না।

(৫) কাবাঘরের চারটি কোণের মধ্যে একটি কোণের নাম হল ‘‘রুকনে ইয়ামানী’’। হাজরে আসওয়াদ-এর কোণটিকে প্রথম কোণ ধরে তাওয়াফ শুরু করে আসলে ‘‘রুকনে ইয়ামানী’’ হবে চতুর্থ কোণ। এ ‘‘রুকনে ইয়ামানী’’র পাশে এসে পৌঁছলে ভীড় না হলে এ কোণকে ডান হাত দিয়ে ছুইতে চেষ্টা করবেন। কিন্তু সাবধান, এ রুকনে ইয়ামেনীকে চুমু দেবেন না, এর পাশে এসে হাত উঠিয়ে ইশারাও করবেন না এবং সেখানে ‘আল্লাহু আকবার’ও বলবেন না। ‘আল্লাহু আকবার’ বলবেন হাজরে আসওয়াদে পৌঁছে। তাওয়াফ শুরু করবেন ‘‘হাজরে আওয়াদ’’ থেকে এবং শেষও করবেন সেখানে গিয়েই।

(৬) রুকনে ইয়ামেনী ও হাজরে আসওয়াদের মধ্যবর্তী স্থানে নিম্নের এ দোয়াটি পড়া মুস্তাহাবঃ

رَبَّنَا آتِنَا فِي الدُّنْيَا حَسَنَةً وَّفِي الآخِرَةِ حَسَنَةً وَّقِنَا عَذَابَ النَّارِ

অর্থঃ হে আমাদের রব! আমাদেরকে তুমি দুনিয়ায় সুখ দাও, আখেরাতেও আমাদেরকে সুখী কর এবং আগুনের আযাব থেকে আমাদেরকে বাঁচাও।[1]

(৭) তাওয়াফের প্রত্যেক চক্রেই হাজরে আসওয়াদ ছুঁয়া ও চুমু দেয়া উত্তম। কিন্তু প্রচন্ড ভীড়ের কারণে এটি খুবই দূরূহ কাজ। সেক্ষেত্রে প্রতি চক্রেই হাজ্রে আসওয়াদের পাশে এসে এর দিকে মুখ করে ডান হাত উঠিয়ে ইশারা করবেন। ইশারাকৃত এ হাত চুম্বন করবেন না। ইশারা করার সময় একবার বলবেন بسم الله الله أكبر ‘বিসমিল্লাহি আল্লাহু আকবার’।

(৮) তাওয়াফরত অবস্থায় খুব বেশী বেশী যিক্র, দোয়া ও তাওবা করতে থাকবেন। কুরআন তিলাওয়াতও করা যায়। কিছু কিছু বইতে আছে প্রথম চক্রের দোয়া, ২য় চক্রের দোয়া ইত্যাদি। কুরআন হাদীসে এ ধরনের চক্রভিত্তিক দোয়ার কোন ভিত্তি নেই। যত পারেন একের পর এক দোয়া আপনি করতে থাকবেন। এ বইয়ের ২১ ও ২২ নং অধ্যায়ে কিছু দোয়া দেয়া আছে। এ দোয়াগুলো করতে পারেন। তাছাড়া আপনার নিজ ভাষায় আপনার মনের কথাগুলো আল্লাহর কাছে বলতে থাকবেন, মিনতি সহকারে চাইতে থাকবেন। দলবেঁধে সমস্বরে জোরে জোরে দোয়া করে অন্যদের দোয়ার মনোযোগ নষ্ট করবেন না। আরবীতে দোয়া করলে এগুলোর অর্থ জেনে নেয়ার চেষ্টা করবেন যাতে আল্লাহর সাথে আপনি কি বলছেন তা যেন হৃদয় দিয়ে অনুভব করতে পারেন।

(৯) তাওয়াফের ৭ চক্র শেষ হলে দু’কাঁধ এবং বাহু ইহরামের কাপড় দিয়ে আবার ঢেকে ফেলবেন এবং ‘‘মাকামে ইব্রাহীমের’’ কাছে গিয়ে পড়বেনঃ

وَاتَّخِذُوا مِنْ مَقَامِ إِبْرَاهِيمَ مُصَلّىً

অর্থঃ ইব্রাহীম (পয়গাম্বর)-এর দন্ডায়মানস্থলকে সালাত আদায়ের স্থান হিসেবে গ্রহণ করো।[2]

অতঃপর তাওয়াফ শেষে এ মাকামে ইব্রাহীমের পেছনে এসে দু’রাকআত সালাত আদায় করবেন। ভীড়ের কারণে এখানে জায়গা না পেলে মসজিদে হারামের যে কোন অংশে এ সালাত আদায় করা জায়েয আছে। মানুষকে কষ্ট দেবেন না, যে পথে মুসল্লীরা চলাফেরা করে সেখানে সালাতে দাঁড়াবেন না। সুন্নত হলো এ সালাতে সূরা ফাতিহা পড়ার পর প্রথম রাকআতে সূরা কাফিরূন এবং দ্বিতীয় রাকআতে সূরা ইখলাস পড়া।

(১০) এরপর যমযমের পানি পান করতে যাওয়া মুস্তাহাব। পান শেষে যমযমের কিছু পানি মাথার উপর ঢেলে দেয়া সুন্নাত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এমনটি করতেন। (আহমাদ)

(১১) মুস্তাহাব হলো পুনরায় হাজ্রে আসওয়াদের কাছে গিয়ে এটা স্পর্শ করা ও চুম্বন করা। সম্ভব হলে এটা করবেন। আর ভীড় বেশী থাকলে এ কাজটা করতে যাবেন না।

(১২) বেগানা পুরুষের সামনে মহিলারা হাজারে আসওয়াদ চুম্বনের সময় মুখ খোলা রাখবেন না। কাবার গা ঘেঁষে পুরুষদের মধ্যে না ঢুকে মেয়েদের একটু দূর দিয়ে তাওয়াফ করা উত্তম।

(১৩) তাওয়াফ করার সময় যদি জামা‘আতের ইকামত দিয়ে দেয় তখন সঙ্গে সঙ্গে তাওয়াফ বন্ধ করে দিয়ে নামাযের জামা‘আতে শরীক হবেন এবং ডান কাঁধ ও বাহু চাদর দিয়ে ঢেকে ফেলবেন। নামায রত অবস্থায় কাঁধ ও বাহু খোলা রাখা জায়েয না। সালাত শেষে তাওয়াফের বাকী অংশ পূর্ণ করবেন।

[1] (সূরা বাকারা ২০১)
[2](বাকারাঃ ১২৫

Saudi Arabia now requires Umrah travel programs from Egypt, India, Pakistan and Bangladesh to include meals in their pac...
19/08/2026

Saudi Arabia now requires Umrah travel programs from Egypt, India, Pakistan and Bangladesh to include meals in their packages, starting August 14, 2026. A Madinah Chamber official says budget hotels lack kitchens and licenses, and wants a citywide meal standard to control prices and quality. Saudi Arabia's catering market is projected to reach SR47.8 billion by 2030.

হজ্জ ২০২৫ কাফেলার মিনায় অবস্থান এবং মিনার তাঁবুতে হজ বিষয়ক ক্লাসের কিছু বিশেষ মুহূর্ত।আপনি কি ২০২৭ সালে হজ করার প্লান ...
19/08/2026

হজ্জ ২০২৫ কাফেলার মিনায় অবস্থান এবং মিনার তাঁবুতে হজ বিষয়ক ক্লাসের কিছু বিশেষ মুহূর্ত।

আপনি কি ২০২৭ সালে হজ করার প্লান করছেন?
হজ ২০২৭ – হারামাইন হজ উমরাহ্‌'র ওরিয়েন্টেশন প্রোগ্রাম - সবার জন্য উন্মুক্ত।
রেজিস্ট্রেশন লিংক:
https://forms.gle/7nSER6b5eUy4FpXW8
আলহামদুলিল্লাহ, যারা প্রথম , দ্বিতীয় ও তৃতীয় ওরিয়েন্টেশন প্রোগ্রামে অংশগ্রহণ করতে পারেননি, তাদের জন্য আবারও আয়োজন করা হয়েছে হজ ২০২৭ – ওরিয়েন্টেশন প্রোগ্রাম।

হজের প্রস্তুতি, প্রি-রেজিস্ট্রেশন, মাসয়ালা-মাসায়েল এবং প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা সম্পর্কে জানতে আপনাকে আমন্ত্রণ।
ওরিয়েন্টেশনে যা থাকছে—
✅ হজ ২০২৭-এর প্রস্তুতি ও পরিকল্পনা
✅ প্রি-রেজিস্ট্রেশন গাইডলাইন
✅ হজের মাসয়ালা-মাসায়েল
✅ ফ্রি হজ গাইড বুক
✅ প্রশ্নোত্তর পর্ব
🎙️ আলোচক:
শাইখ ড. মুকাররম বিন মহসিন মাদানি
শরিয়াহ কনসালট্যান্ট, হারামাইন হজ উমরাহ লিমিটেড
এরশাদ উল্লাহ জুয়েল
চেয়ারম্যান, হারামাইন হজ উমরাহ লিমিটেড

📅 তারিখ:২১ আগস্ট ২০২৬ ( শুক্রবার )
🕔 সময়: বিকাল ৩:০০ টা
📍 স্থান: JCX Business Tower (Lift-4), বসুন্ধরা আই ব্লক, ঢাকা
আপনার আসন নিশ্চিত করতে এখনই রেজিস্ট্রেশন করুন।
হেল্প লাইন : 01616-121130, 8801711289121

* ২০২৬ সালের স্পেশাল উমরাহ্ বুকিং চলছে- স্পেশাল উমরাহ্ প্যকেজ ২০২৬ - হারামাইন হজ উমরাহ্ লিমিটেড।* *সরাসরি ফ্লাইট সহ -  ১...
19/08/2026

* ২০২৬ সালের স্পেশাল উমরাহ্ বুকিং চলছে- স্পেশাল উমরাহ্ প্যকেজ ২০২৬ - হারামাইন হজ উমরাহ্ লিমিটেড।*

*সরাসরি ফ্লাইট সহ - ১৩ দিনের স্পেশাল ইকোনমি, স্ট্যান্ডার্ড , ভি আই পি প্যাকেজ সমূহ*

আপনি কবে উমরাহ্‌ সফরে যাওয়ার পরিকল্পনা করছেন?

অনুগ্রহ করে সম্ভাব্য ভ্রমণের তারিখ এবং কতজন সফরে যাবেন তা আমাদের জানালে, আমরা আপনাকে সর্বোত্তম প্যাকেজের পরামর্শ দিতে পারবো, ইনশাআল্লাহ

উমরাহ্‌ ও হজ্জের সার্ভিসের বিস্তারিত জানতে কল করুন এই নাম্বারে : +8801616121130, +8801711289121

আপনাকে ধন্যবাদ "হারামাইন হজ্জ উমরাহ্‌ লিমিটেডের" সাথে থাকার জন্য

২০২৬ উমরাহ্ প্যাকেজর বিস্তারিত জানতে ওয়েবসাইট ভিজিট করুন - https://haramainbd.com/umrah

২০২৬ সালের স্পেশাল উমরাহ্ বুকিং চলছে- স্পেশাল উমরাহ্ প্যকেজ ২০২৬ - হারামাইন হজ উমরাহ্ লিমিটেড

*সরাসরি ফ্লাইট সহ - ১৩ দিনের স্পেশাল ইকোনমি, স্ট্যান্ডার্ড , ভি আই পি প্যাকেজ সমূহ*

✈️ সৌদিয়া এয়ারলাইন্সে বিশেষ ছাড়ের সুযোগ!
যারা সেপ্টেম্বর, অক্টোবর অথবা নভেম্বর মাসে ওমরাহ পালনের পরিকল্পনা করছেন এবং যাদের পাসপোর্ট প্রস্তুত আছে, তাদের অনুরোধ করছি—

✈️ আজকের মধ্যেই আপনার পাসপোর্ট আমাদের কাছে পাঠিয়ে দিন।
সৌদিয়ার চলমান বিশেষ অফারের আওতায় সীমিত সময়ের জন্য আকর্ষণীয় এয়ার টিকিট ভাড়ার সুযোগ রয়েছে।

✈️ বিশেষ করে যারা কাস্টমাইজড ওমরাহ প্যাকেজে যেতে চান, তাদের জন্য এটি একটি ভালো সুযোগ হতে পারে।
তবে বিষয়টি সিট/ফেয়ার অ্যাভেইলেবিলিটি ও অন্যান্য শর্তের ওপর নির্ভরশীল—নিশ্চিতভাবে সবার জন্য অফারটি পাওয়া যাবে এমন নয়। তারপরও চেষ্টা করে দেখতে তো আপত্তি নেই!

⏰ তাই দেরি না করে আজই পাসপোর্ট পাঠান।

📌আপনার উমরাহ্ বুকিং করতে বা কনফার্ম করতো আমাদের ম্যানেজারের সাথে কথা বলুন।

📍 🕋 HARAMAIN HAJJ UMRAH LIMITED

BASHUNDHARA BARIDHARA OFFICE
4th Floor, JCX Business Tower, Plot: 1136/A, Japan Street, Block # I, Bashundhara R/A, Dhaka-1229

🌎 GOOGLE MAP LOCATION - https://maps.app.goo.gl/gvwXj2yta6KtuAyX7

📲 +8801616121130 +8801877773481 +8801711289121 (Whatsapp & IMO Available)

Address

BASHUNDHARA BARIDHARA, Block I, JCX Business Tower, 4th Floor, Plot: 1136/A, Japan Street, Bashundhara R/A
Dhaka
1229

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Haramain Hajj Umrah posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Haramain Hajj Umrah:

Shortcuts

Share

Category