Haramain Hajj Umrah

Haramain Hajj Umrah This organization will serve the hajjis with best effort. This organization will serve the hajjis with best effort despite of its profit.

Objective :Prime objective of this venture is to make a organization or institution who will guide the potential Hajjis for performing the Hajj in accordance with the rules & regulation of Islam. Haramain Hajj Umrah Main Objective :

Prime objective of this venture is to make a organization or institution who will guide the potential Hajjis for performing the Hajj in accordance with the rules & regulation of Islam. Try to make all the Hajj kafela near to “Zero complain”.

16/05/2026

মক্কা জিয়ারা - ৩য় প্রিমিয়ার গ্রুপ - হজ ২০২৬ - হারামাইন হজ উমরাহ লিমিটেড
জিয়ারায় স্কলার গাইড় হিসাবে আছেন -

হারামাইন হজ উমরাহ লিমিটেডের শরীয়া স্কলার : শাইখ প্রফেসর ড. আবু বকর যাকারিয়া মাদানি

হারামাইন হজ উমরার সাথে ২০২৭ সালে হজে যেতে চাইলে আজই নিচের দেওয়া নাম্বারে কল করুন।
+৮৮০১৬১৬১২১১৩০, +৮৮০১৭১১২৮৯১২১
অথবা সরাসরি আমাদের অফিসে যোগাযোগ করতে পারেন-
আমাদের ঢাকা অফিসের ঠিকানা-
HARAMAIN HAJJ UMRAH LIMITED
JCX Business Tower, 4th Floor, Plot: 1136/A, Japan Street, Block # I, Bashundhara R/A, Dhaka-1229

15/05/2026

এখন তো হজ্ব মৌসুম!

বলুন তো! রাসূল (সা.) কতবার হজ্ব করেছেন?

জানাযার নামাযের নিয়মশাইখ আবদুল হালীম ইবন মুহাম্মাদ নাসসার আস-সালাফীঅনুবাদ : আবদুর রহমান ইবন আবু বকর মুহাম্মাদ যাকারিয়াসম...
15/05/2026

জানাযার নামাযের নিয়ম

শাইখ আবদুল হালীম ইবন মুহাম্মাদ নাসসার আস-সালাফী

অনুবাদ : আবদুর রহমান ইবন আবু বকর মুহাম্মাদ যাকারিয়া

সম্পাদনা : ড. আবু বকর মুহাম্মাদ যাকারিয়া

যাবতীয় প্রশংসা আল্লাহ্‌র। আর সালাত ও সালাম সর্বশেষ নবী ও রাসূল মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহিওয়া সাল্লামের উপর। পরকথা:—

প্রিয় মুসলিম ভাইয়েরা! যখন দেখলাম সঠিক পদ্ধতিতে জানাযার নামায আদায়ের নিয়ম জানা প্রয়োজন অনেকের, তাই আমি এ সংক্ষিপ্ত লেখাটি লিখলাম। আল্লাহ্‌র তাওফীক কামনা করে বলছি,

(১) মুসলিমদের জানাযার সাথে কাতারে দাঁড়াবেন, মনে মনে জানাযার নামাযের নিয়ত (দৃঢ়সংকল্প) করবেন।

(২) ইমামের পরপরই প্রথম তাকবীর দিবেন الله اكبر (আল্লাহু আকবার) “আল্লাহ সবচেয়ে বড়”। বলার সময়ে দু’হাত কাঁধের সমান উঠাবেন। তারপর হাত দুটি বুকের উপর রেখে পড়বেন ‘সুরা ফাতেহা’।

(৩) ইমামের পরপর দ্বিতীয় তাকবীর দিবেন, তারপর নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর উপর দরূদ পড়বেন এই বলে,

- «اللَّهُمَّ صَلِّ عَلَى مُحَمَّدٍ، وَعَلَى آلِ مُحَمَّدٍ، كَمَا صَلَّيتَ عَلَى إِبْرَاهِيمَ، وَعَلَى آلِ إِبْرَاهِيمَ، إِنَّكَ حَمِيدٌ مَجِيدٌ، اللَّهُمَّ بَارِكْ عَلَى مُحَمَّدٍ وَعَلَى آلِ مُحَمَّدٍ، كَمَا بَارَكْتَ عَلَى إِبْرَاهِيمَ وَعَلَى آلِ إِبْرَاهِيمَ، إِنَّكَ حَمِيدٌ مَجِيدٌ».

(আল্লা-হুম্মা সাল্লি ‘আলা মুহাম্মাদিউওয়া ‘আলা আ-লি মুহাম্মাদিন কামা সাল্লাইতা ‘আলা ইবরাহীমা ওয়া ‘আলা আ-লি ইব্রাহীমা ইন্নাকা হামীদুম মাজীদ। আল্লা-হুম্মা বারিক ‘আলা মুহাম্মাদিউওয়া ‘আলা আলি মুহাম্মাদিন, কামা বা-রাকতা ‘আলা ইব্রাহীমা ওয়া ‘আলা আ-লি ইব্রাহীমা ইন্নাকা হামীদুম্ মাজীদ)।

“হে আল্লাহ! আপনি (আপনার নিকটস্থ উচ্চসভায়) মুহাম্মাদকে সম্মানের সাথে স্মরণ করুন এবং তাঁর পরিবার-পরিজনকে, যেমন আপনি সম্মানের সাথে স্মরণ করেছেন ইবরাহীমকে ও তাঁর পরিবার-পরিজনদেরকে। নিশ্চয় আপনি অত্যন্ত প্রশংসিত ও মহামহিমান্বিত। হে আল্লাহ! আপনি মুহাম্মাদ ও তাঁর পরিবার পরিজনের উপর বরকত নাযিল করুন যেমন আপনি বরকত নাযিল করেছিলেন ইবরাহীম ও তাঁর পরিবার-পরিজনের উপর। নিশ্চয় আপনি অত্যন্ত প্রশংসিত ও মহামহিমান্বিত”।[1]

এছাড়া সুন্নায় বর্ণিত অন্য যে কোনো দরূদে-ইব্রাহীমীও পড়তে পারেন।

(৪) ইমামের পরপর তৃতীয় তাকবীর দিবেন। অতঃপর মৃত ব্যক্তির জন্য দো‘আ করবেন ঐকান্তিকতা ও ইখলাসের সাথে। নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম কর্তৃক পঠিত কিছু দো‘আ নিম্নে দেওয়া হলো:

- «اللَّهُمَّ اغْفِرْ لِحَيِّنَا وَمَيِّتِنَا، وَشَاهِدِنَا وَغَائِبِنَا، وَصَغِيرِنَا وَكَبيرِنَا، وَذَكَرِنَا وَأُنْثَانَا. اللَّهُمَّ مَنْ أَحْيَيْتَهُ مِنَّا فَأَحْيِهِ عَلَى الْإِسْلاَمِ، وَمَنْ تَوَفَّيْتَهُ مِنَّا فَتَوَفَّهُ عَلَى الإِيمَانِ، اللَّهُمَّ لاَ تَحْرِمْنَا أَجْرَهُ، وَلاَ تُضِلَّنَا بَعْدَهُ».

(আল্লা-হুম্মাগফির লিহায়্যিনা ওয়া মায়্যিতিনা ওয়া শা-হিদিনা ওয়া গা-য়িবিনা ওয়া সগীরিনা ওয়া কাবীরিনা ওয়া যাকারিনা ওয়া উনসা-না। আল্লা-হুম্মা মান আহ্ইয়াইতাহু মিন্না ফা’আহয়িহি ‘আলাল-ইসলাম। ওয়ামান তাওয়াফ্‌ফাইতাহু মিন্না ফাতাওয়াফফাহু ‘আলাল ঈমান। আল্লা-হুম্মা লা তাহরিমনা আজরাহু ওয়ালা তুদ্বিল্লান্না বা‘দাহু)।

“হে আল্লাহ! আমাদের জীবিত ও মৃত, উপস্থিত ও অনুপস্থিত, ছোট ও বড় এবং নর ও নারীদেরকে ক্ষমা করুন। হে আল্লাহ! আপনি আমাদের মধ্যে যাদের আপনি জীবিত রাখবেন তাদেরকে ইসলামের উপর জীবিত রাখুন এবং যাদেরকে মৃত্যু দান করবেন তাদেরকে ঈমানের সাথে মৃত্যু দান করুন। হে আল্লাহ! আমাদেরকে তার (মৃত্যুতে ধৈয্যধারণের) সওয়াব থেকে বঞ্চিত করবেন না এবং তার (মৃত্যুর) পর আমাদেরকে পথভ্রষ্ট করবেন না।”[2]

«اللَّهُمَّ اغْفِرْ لَهُ وَارْحَمْهُ، وَعَافِهِ، وَاعْفُ عَنْهُ، وَأَكْرِمْ نُزُلَهُ، وَوَسِّعْ مُدْخَلَهُ، وَاغْسِلْهُ بِالْمَاءِ وَالثَّلْجِ وَالْبَرَدِ، وَنَقِّهِ مِنَ الْخَطَايَا كَمَا نَقَّيْتَ الثَّوْبَ الأَبْيَضَ مِنَ الدَّنَسِ، وَأَبْدِلْهُ دَاراً خَيْراً مِنْ دَارِهِ، وَأَهْلاً خَيْراً مِنْ أَهْلِهِ، وَزَوْجَاً خَيْراً مِنْ زَوْجِهِ، وَأَدْخِلْهُ الْجَنَّةَ، وَأَعِذْهُ مِنْ عَذَابِ القَبْرِ [وَعَذَابِ النَّارِ]».

(আল্লা-হুম্মাগফির লাহু, ওয়ারহামহু, ওয়া ‘আ-ফিহি, ওয়া‘ফু ‘আনহু, ওয়া আকরিম নুযুলাহু, ওয়াওয়াসসি‘ মুদখালাহু, ওয়াগসিলহু বিলমা-য়ি ওয়াস্‌সালজি ওয়ালবারাদি, ওয়ানাক্বক্বিহি মিনাল খাতা-ইয়া কামা নাক্কাইতাস সাওবাল আবইয়াদা মিনাদদানাসি, ওয়া আবদিলহু দা-রান খাইরাম মিন দা-রিহি, ওয়া আহলান খাইরাম মিন আহলিহি, ওয়া যাওজান খাইরাম মিন যাওজিহি, ওয়া আদখিলহুল জান্নাতা, ওয়া আ‘য়িযহু মিন ‘আযা-বিল ক্বাবরি [ওয়া ‘আযাবিন্না-র])।

“হে আল্লাহ! আপনি তাকে ক্ষমা করুন, তাকে দয়া করুন, তাকে পূর্ণ নিরাপত্তায় রাখুন, তাকে মাফ করে দিন, তার মেহমানদারীকে মর্যাদাপূর্ণ করুন, তার প্রবেশস্থান কবরকে প্রশস্ত করে দিন। আর আপনি তাকে ধৌত করুন পানি, বরফ ও শিলা দিয়ে, আপনি তাকে গুনাহ থেকে এমনভাবে পরিষ্কার করুন যেমন সাদা কাপড়কে ময়লা থেকে পরিষ্কার করেছেন। আর তাকে তার ঘরের পরিবর্তে উত্তম ঘর, তার পরিবারের বদলে উত্তম পরিবার ও তার জোড়ের (স্ত্রী/স্বামীর) চেয়ে উত্তম জোড় প্রদান করুন। আর আপনি তাকে জান্নাতে প্রবেশ করান এবং তাকে কবরের আযাব [ও জাহান্নামের আযাব] থেকে রক্ষা করুন”[3]।

«اللَّهُمَّ عَبْدُكَ وَابْنُ أَمَتِكَ احْتَاجَ إِلَى رَحْمَتِكَ، وَأَنْتَ غَنِيٌّ عَنْ عَذَابِهِ، إِنْ كَانَ مُحْسِناً فَزِدْ فِي حَسَنَاتِهِ، وَإِنْ كَانَ مُسِيئاً فَتَجَاوَزْ عَنْهُ».

(আল্লা-হুম্মা ‘আবদুকা, ওয়াবনু আমাতিকা, এহতাজা ইলা রাহমাতিকা, ওয়া আনতা গানিয়্যুন ‘আন ‘আযা-বিহি, ইন কা-না মুহসিনান ফাযিদ ফী হাসানা-তিহি, ওয়া ইনকা-না মুসীআন ফা তাজা-ওয়ায ‘আনহু)

“হে আল্লাহ, আপনার এক দাস, আর এক দাসীর পুত্র, আপনার অনুগ্রহের মুখাপেক্ষী, আপনি তাকে শাস্তি দেওয়া থেকে অমুখাপেক্ষী। যদি সে নেককার বান্দা হয়, তবে তার সওয়াব আরও বাড়িয়ে দিন, আর যদি বদকার বান্দা হয়, তবে তার অপরাধকর্ম এড়িয়ে যান।”[4]

«اللَّهُمَّ إِنَّ فُلاَنَ بْنَ فُلاَنٍ فِي ذِمَّتِكَ، وَحَبْلِ جِوَارِكَ، فَقِهِ مِنْ فِتْنَةِ الْقَبْرِ، وَعَذَابِ النَّارِ، وَأَنْتَ أَهْلُ الْوَفَاءِ وَالْحَقِّ، فَاغْفِرْ لَهُ وَارْحَمْهُ إِنَّكَ أَنْتَ الغَفُورُ الرَّحيمُ».

(আল্লা-হুম্মা ইন্না ফুলানাবনা ফুলা-নিন ফী যিম্মাতিকা, ওয়া হাবলি জিওয়ারিকা, ফাক্বিহি মিন ফিতনাতিল ক্বাবরি ওয়া আযা-বিন না-রি, ওয়া আনতা আহলুল ওয়াফাই ওয়াল হাক্ক, ফাগফির লাহু ওয়ারহামহু, ইন্নাকা আনতাল গাফুরুর রাহীম)।

“হে আল্লাহ, অমুকের পুত্র অমুক আপনার যিম্মাদারীতে, আপনার প্রতিবেশিত্বের নিরাপত্তায়; সুতরাং আপনি তাকে কবরের পরীক্ষা থেকে এবং জাহান্নামের শাস্তি থেকে রক্ষা করুন। আর আপনি প্রতিশ্রুতি পূর্ণকারী এবং প্রকৃত সত্যের অধিকারী। অতএব, আপনি তাকে ক্ষমা করুন এবং তার উপর দয়া করুন। নিশ্চয় আপনি ক্ষমাশীল, দয়ালু।”[5]

-আর যদি মৃতব্যক্তি শিশু হয়, তবে বলুন,

«اللَّهُمَّ اجْعَلْهُ لَنَا فَرَطاً، وَسَلَفاً، وَأَجْراً».

(আল্লা-হুম্মাজ‘আলহু লানা ফারাত্বান ওয়া সালাফান ওয়া আজরান)

“হে আল্লাহ, আমাদের জন্য তাকে অগ্রগামী প্রতিনিধি, অগ্রিম পূণ্য এবং সওয়াব হিসেবে নির্ধারণ করে দিন।”[6]

(৫) ইমামের তাকবীরের পরপরই চতুর্থ তাকবীর দিবেন। প্রতি তাকবীরেই হাত তুলবেন, যেমনটি ইবনে উমার রাদিয়াল্লাহু ‘আনহুমা থেকে বর্ণনা এসেছে।

আর জানাযার নয়টি পর্যন্ত তাকবীর দেওয়া জায়েয, কিন্তু অধিকাংশ হাদীসেই চার তাকবীরের কথা এসেছে।

(৬) ইমামের পর সালাম ফিরাবেন এই বলে,

السلام عليكم ورحمة الله

‌‘আসসালামু আলাইকুম ওয়ারাহমাতুল্লাহ’

“আপনাদের উপর আল্লাহর সালাম ও তাঁর রহমত নাযিল হোক”।

আল্লাহ্‌র কাছে প্রার্থনা, তিনি যেন আমাদের আমলকে একান্তভাবে তাঁর জন্য এবং রাসুলে আমীনের সুন্নাত অনুযায়ী করে নেন।

আর সকল প্রসংশা আল্লাহ্‌র জন্য।

লিখেছে রবের ক্ষমার মুখাপেক্ষী

আব্দুল হালীম ইবন মুহাম্মাদ নাসসার আস-সালাফী

আপনার প্রয়োজন পুরো হলে লেখাটি এমন কাউকে দিন, যে এর দ্বারা উপকৃত হবে।

[1] বুখারী, (ফাতহুল বারীসহ) ৬/৪০৮, নং ৩৩৭০; মুসলিম, নং ৪০৬।

[2] আবূ দাঊদ, নং ৩২০১; তিরমিযী, নং ১০২৪; নাসাঈ, নং ১৯৮৫; ইবন মাজাহ, ১/৪৮০, নং ১৪৯৮; আহমাদ ২/৩৬৮, নং ৮৮০৯। আরও দেখুন, সহীহ ইবন মাজাহ্‌ ১/২৫১।

[3] মুসলিম ২/৬৬৩, নং ৯৬৩।

[4] হাদীসটি সংকলণ করেন, হাকেম তাঁর মুস্তাদরাকে এবং সহীহ বলেছেন, ১/৩৫৯; আর যাহাবী সেটা সমর্থন করেছেন। আরও দেখুন, আলবানী, আহকামুল জানায়েয, পৃ. ১২৫।

[5] ইবন মাজাহ্‌, নং ১৪৯৯। দেখুন, সহীহ ইবন মাজাহ ১/২৫১। তাছাড়া হাদীসটি আবূ দাউদও বর্ণনা করেছেন, ৩/২১১, নং ৩২০২।

[6] হাসান বসরী রাহেমাহুল্লাহ যখন ছোট শিশুদের জানাযা পড়তেন তখন তার উপর সূরা ফাতেহা পড়তেন এবং উপরোক্ত দো‘আ বলতেন। হাদীসটি ইমাম বাগভী তার শারহুস সুন্নাহ ৫/৩৫৭ এ বর্ণনা করেছেন। আরও বর্ণনা করেছেন, আব্দুর রায্‌যাক তার মুসান্নাফে, নং ৬৫ ৮৮। তাছাড়া ইমাম বুখারী, কিতাবুল জানায়েয এর, ৬৫, বাবু কিরাআতি ফাতিহাতিল কিতাব আলাল জানাযাত ২/১১৩; ১৩৩৫ নং হাদীসের পূর্বে এটাকে তা‘লীক বা সনদ ব্যতীত বর্ণনা করেছেন।

15/05/2026

হজ ২০২৬ প্রিমিয়াম প্যাকেজের মক্কার হজ্জের ক্লাস - সাফা টাওয়ার - ১

আলোচক - হারামাইন হজ উমরাহ লিমিটেডের শরীয়া স্কলার : শাইখ প্রফেসর ড. আবু বকর যাকারিয়া মাদানি

বিষয় : মক্কা ও কাবা ঘরের ইতিহাস

মসজিদুল হারামে প্রবেশের জন্য শতাধিক গেট রয়েছে, যার মধ্যে কিছু প্রধান ও ঐতিহাসিক গেট তীর্থযাত্রীদের জন্য বিশেষ গুরুত্বপূর...
15/05/2026

মসজিদুল হারামে প্রবেশের জন্য শতাধিক গেট রয়েছে, যার মধ্যে কিছু প্রধান ও ঐতিহাসিক গেট তীর্থযাত্রীদের জন্য বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ।

প্রধান গেটগুলোর মধ্যে অন্যতম হলো বাদশাহ আব্দুল আজিজ গেট (গেট-১),
বাবে সালাম, বাবে ফাতাহ (গেট-৪৫) এবং আধুনিক কিং আবদুল্লাহ বিন আব্দুল আজিজ গেট (গেট-১০০),

যা বর্তমানে বিশ্বের অন্যতম বৃহত্তম ও দীর্ঘতম গেট হিসেবে পরিচিত।

মসজিদুল হারামের গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি গেট:বাদশাহ আব্দুল আজিজ গেট (গেট-১): এটি হারাম শরীফের অন্যতম প্রধান এবং সুপরিচিত দক্ষিণমুখী প্রবেশদ্বার।

কিং আব্দুল্লাহ বিন আব্দুল আজিজ গেট (গেট-১০০): এটি সবচেয়ে বড় ও নতুন গেট, যা আধুনিক সম্প্রসারণ এলাকার সাথে সংযুক্ত।

বাবে সালাম: কাবা শরীফ তাওয়াফ শুরু করার জন্য একটি ঐতিহ্যবাহী ও গুরুত্বপূর্ণ গেট।

বাবে ফাতাহ (গেট-৪৫): ঐতিহাসিক গুরত্বপূর্ণ এই গেট দিয়ে নবী করীম (সা.) মক্কা বিজয়ের সময় প্রবেশ করেছিলেন বলে ধারণা করা হয়।

বাবে মালিক ফাহাদ (গেট-৭৯): এটিও আধুনিক অংশের প্রধান গেটগুলোর মধ্যে একটি।
জরুরি তথ্য:সালাত আদায়ের জন্য সাধারণত নামাজের ৪০-৪৫ মিনিট আগে প্রবেশ করা ভালো।
৭৯ নম্বর গেট দিয়ে সাধারণত ইহরাম পরিহিত যাত্রীরা প্রবেশ করেন।

মসজিদ আল হারামের গেটগুলোর নাম ইসলামের ইতিহাস, নবী-রাসূল এবং সৌদি শাসকদের নামে রাখা হয়েছে।

15/05/2026

তাওয়াফ কী? এটা কিভাবে করতে হয়?

এটি খুবই দূরূহ কাজ। সেক্ষেত্রে প্রতি চক্রেই হাজ্রে আসওয়াদের পাশে এসে এর দিকে মুখ করে ডান হাত উঠিয়ে ইশারা করবেন। ইশারাকৃত এ হাত চুম্বন করবেন না। ইশারা করার সময় একবার বলবেন بسم الله الله أكبر ‘বিসমিল্লাহি আল্লাহু আকবার’।

(৮) তাওয়াফরত অবস্থায় খুব বেশী বেশী যিক্র, দোয়া ও তাওবা করতে থাকবেন। কুরআন তিলাওয়াতও করা যায়। কিছু কিছু বইতে আছে প্রথম চক্রের দোয়া, ২য় চক্রের দোয়া ইত্যাদি। কুরআন হাদীসে এ ধরনের চক্রভিত্তিক দোয়ার কোন ভিত্তি নেই। যত পারেন একের পর এক দোয়া আপনি করতে থাকবেন। এ বইয়ের ২১ ও ২২ নং অধ্যায়ে কিছু দোয়া দেয়া আছে। এ দোয়াগুলো করতে পারেন। তাছাড়া আপনার নিজ ভাষায় আপনার মনের কথাগুলো আল্লাহর কাছে বলতে থাকবেন, মিনতি সহকারে চাইতে থাকবেন। দলবেঁধে সমস্বরে জোরে জোরে দোয়া করে অন্যদের দোয়ার মনোযোগ নষ্ট করবেন না। আরবীতে দোয়া করলে এগুলোর অর্থ জেনে নেয়ার চেষ্টা করবেন যাতে আল্লাহর সাথে আপনি কি বলছেন তা যেন হৃদয় দিয়ে অনুভব করতে পারেন।

(৯) তাওয়াফের ৭ চক্র শেষ হলে দু’কাঁধ এবং বাহু ইহরামের কাপড় দিয়ে আবার ঢেকে ফেলবেন এবং ‘‘মাকামে ইব্রাহীমের’’ কাছে গিয়ে পড়বেনঃ

وَاتَّخِذُوا مِنْ مَقَامِ إِبْرَاهِيمَ مُصَلّىً

অর্থঃ ইব্রাহীম (পয়গাম্বর)-এর দন্ডায়মানস্থলকে সালাত আদায়ের স্থান হিসেবে গ্রহণ করো।[2]

অতঃপর তাওয়াফ শেষে এ মাকামে ইব্রাহীমের পেছনে এসে দু’রাকআত সালাত আদায় করবেন। ভীড়ের কারণে এখানে জায়গা না পেলে মসজিদে হারামের যে কোন অংশে এ সালাত আদায় করা জায়েয আছে। মানুষকে কষ্ট দেবেন না, যে পথে মুসল্লীরা চলাফেরা করে সেখানে সালাতে দাঁড়াবেন না। সুন্নত হলো এ সালাতে সূরা ফাতিহা পড়ার পর প্রথম রাকআতে সূরা কাফিরূন এবং দ্বিতীয় রাকআতে সূরা ইখলাস পড়া।

(১০) এরপর যমযমের পানি পান করতে যাওয়া মুস্তাহাব। পান শেষে যমযমের কিছু পানি মাথার উপর ঢেলে দেয়া সুন্নাত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এমনটি করতেন। (আহমাদ)

(১১) মুস্তাহাব হলো পুনরায় হাজ্রে আসওয়াদের কাছে গিয়ে এটা স্পর্শ করা ও চুম্বন করা। সম্ভব হলে এটা করবেন। আর ভীড় বেশী থাকলে এ কাজটা করতে যাবেন না।

(১২) বেগানা পুরুষের সামনে মহিলারা হাজারে আসওয়াদ চুম্বনের সময় মুখ খোলা রাখবেন না। কাবার গা ঘেঁষে পুরুষদের মধ্যে না ঢুকে মেয়েদের একটু দূর দিয়ে তাওয়াফ করা উত্তম।

(১৩) তাওয়াফ করার সময় যদি জামা‘আতের ইকামত দিয়ে দেয় তখন সঙ্গে সঙ্গে তাওয়াফ বন্ধ করে দিয়ে নামাযের জামা‘আতে শরীক হবেন এবং ডান কাঁধ ও বাহু চাদর দিয়ে ঢেকে ফেলবেন। নামায রত অবস্থায় কাঁধ ও বাহু খোলা রাখা জায়েয না। সালাত শেষে তাওয়াফের বাকী অংশ পূর্ণ করবেন।

[1] (সূরা বাকারা ২০১)
[2](বাকারাঃ ১২৫

Daily Prayer Times in Haramain • 27 Dhul Qadah - 15 May •
14/05/2026

Daily Prayer Times in Haramain • 27 Dhul Qadah - 15 May •

14/05/2026

হারামাইন হজ উমরাহ লিমিটেডের হজ-২০২৬ এর *প্রিমিয়াম প্যাকেজ ৩য় ফ্লাইটের হাজিদের নিয়ে উমরাহ উদ্দেশ্যে, শরিয়া কনসাল্টেন্ট প্রফেসর শাইখ ড. আবু বকর মুহাম্মাদ যাকারিয়া মাদানী সহ পুরো গ্রুপের মাসজিদুল হারাম মক্কায় প্রবেশের মূহুর্ত।

হারামাইন হজ উমরাহ লিমিটেডের হজ-২০২৬ এর  *প্রিমিয়াম প্যাকেজ ৩য় ফ্লাইটের  হাজিদের  উমরাহ পূর্ব মুহূতে  প্রফেসর শাইখ ড. আবু...
14/05/2026

হারামাইন হজ উমরাহ লিমিটেডের হজ-২০২৬ এর *প্রিমিয়াম প্যাকেজ ৩য় ফ্লাইটের হাজিদের উমরাহ পূর্ব মুহূতে প্রফেসর শাইখ ড. আবু বকর মুহাম্মাদ যাকারিয়া মাদানীর গাইড প্রদান।

হারামাইন হজ উমরাহ লিমিটেড - হজ ২০২৬ এর হাজিদেররিয়াদুল জান্নাহ-এ প্রবেশ এবং সালাত আদায় স্কলার গাইড হিসাবে আছেন - হারামাইন...
13/05/2026

হারামাইন হজ উমরাহ লিমিটেড - হজ ২০২৬ এর হাজিদের
রিয়াদুল জান্নাহ-এ প্রবেশ এবং সালাত আদায়

স্কলার গাইড হিসাবে আছেন - হারামাইন হজ উমরাহ শরিয়া কনসাল্টটেন্ট শাইখ ড.মুকাররম বিন মহসিন মাদানি

হারামাইন হজ উমরার সাথে ২০২৭ সালে হজে যেতে চাইলে আজই নিচের দেওয়া নাম্বারে কল করুন।
+৮৮০১৬১৬১২১১৩০, +৮৮০১৭১১২৮৯১২১
অথবা সরাসরি আমাদের অফিসে যোগাযোগ করতে পারেন-
আমাদের ঢাকা অফিসের ঠিকানা-
HARAMAIN HAJJ UMRAH LIMITED
JCX Business Tower, 4th Floor, Plot: 1136/A, Japan Street, Block # I, Bashundhara R/A, Dhaka-1229

Address

BASHUNDHARA BARIDHARA, I Block, JCX Business Tower, 4th Floor, Plot: 1136/A, Japan Street, Bashundhara R/A
Dhaka
1229

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Haramain Hajj Umrah posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Haramain Hajj Umrah:

Share

Category