23/02/2020
এটি টুর গ্রুপ Twilight Tours BD এর একটি ইভেন্ট। এই গ্রুপের সব ইভেন্ট সম্পর্কে জানতে চাইলে গ্রুপের লিঙ্ক এ ক্লিক করে এড হয়ে থাকেন। সব আপডেট পাবেন আর জানতে পারবেন দেশের অজানা সব সৌন্দর্যের গল্প। https://www.facebook.com/groups/240336229383583/
***ভ্রমণ বিস্তারিত:
সময়কাল : ২৫ মার্চ ১০টা থেকে ২৯ মার্চ ভোর ৬ টা পর্যন্ত
যাত্রা শুরুর স্থান : সায়দাবাদ বাস টার্মিনাল
ভ্রমণের খরচ : ৬৮০০ টাকা জনপ্রতি
***এই ভ্রমন খরচে যা যা থাকছে :
# ঢাকা - বান্দরবান - ঢাকা নন এসি বাসে যাওয়া আসা।
# বান্দরবন – থানচি - বান্দরবান চাঁন্দের গাড়িতে যাওয়া আসা।
# থানচি - রেমাক্রি - থানচি নৌকায় যাওয়া আসা।
# সকল প্রকার লোকাল ট্রান্সপোর্ট খরচ।
# আমিয়াখুম, ভেলাখুম, নাইক্ষংমুখ, থুইসাপাড়া, নাফাকুম, রেমাক্রি, জিনাপাড়া, বড়পাথর, রাজাপাথর,তিন্দু, চিম্বুক পাহাড় ঘুরে দেখা।
# স্থানীয়দের পাড়ার মধ্যে শেয়ার বেসিসে রাত্রিযাপন।
# ৩ দিনের সকালের নাস্তা, দুপুরের খাবার ও রাতের খাবার
# সকল ধরনের গাইড খরচ।
*** যা যা থাকছেনা :
# শুকনো খাবার ( বিস্কুট, চকোলেট, খেজুর, পানি)
# কোনো ধরণের ব্যক্তিগত খরচ।
# মধ্যরাতের হাইওয়ে বিরতিতে কোন খাবার।
# ব্যাক্তিগত ঔষধ।
ভ্রমন বিস্তারিত :
দিন-০
# সায়দাবাদ থেকে রাতের বাসে যাত্রা শুরু ।
# হাইওয়েতে যাত্রা বিরতি।
দিন-১
# বান্দরবন নেমে সকালের নাস্তা করে সোজা থানচি চলে যাবো। থানচি
নেমে দুপুরের খাবার শেষ করে পুলিশের ফর্মালিটিজ সেরে বিজিবির অনুমতি ও গাইড নিয়ে ইঞ্জিন চালিত নৌকা ঠিক করে চলে যাব রেমাক্রি মুখ। রেমাক্রি মুখ থেকে ৬-৭ ঘন্টার হাটা পথ। আমরা দ্রুত পা ফেলে হেটে চলে যাব জিনা পাড়া। সবাই সাথে পানির বোতল, শুকনো খাবার ও চকোলেট আর খেজুর রাখবো। গভীর রাতে প্রায় ১২টা বাজে জিনা পাড়ায় পৌছেই রাতের খাবার খেয়ে দিব ঘুম। পর দিন সকাল ৬টায় উঠতে হবে।
দিন-২
সকালের ভাত খেয়েই জিনাপাড়া থেকে সকাল ৭টায় বের হয়ে দেবতা পাহাড় পাড়ি দিয়ে যেতে হবে আমিয়াখুম, ভেলাখুম নাইক্ষংমুখ। এই জায়গা গুলো অসাধারণ। দুই পাশের আঁকাবাঁকা পাহাড়ী পথের মাঝে বাঁশের ভেলায় চড়ে ভেসে যেতে হয়। ভেলাখুম ধরে আগালে নাইক্ষংমুখ। এই দিন দুপুরের খাবার খেতে প্রায় সন্ধ্যা হয়ে যাবে যদিও সারাদিনের জন্য আমরা শুকনো খাবার নিয়ে নিব। ঐদিন রাতে জিনাপাড়াতেই থাকবো। সন্ধ্যায় বসবে আমাদের গানের আসর আর আমরা উদযাপন করবো স্বাধীনতা দিবসের ছুটি । ১১টার মদ্ধে রাতের খাবার খেয়েই ঘুমিয়ে যাব কারন পরদিন খুব ভোরে উঠতে হবে।
দিন-৩
খুব ভোরে উঠে খেয়েই নাফাখুমের উদ্দেশ্যে রওনা দিব। নাফাখুম ঘুরে রেমাক্রি চলে আসবো। রেমাক্রি দুপুরের খাবার খেয়ে আবারো থানচির উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু করবো। থানচি থেকে চান্দের গাড়িতে করে বান্দরবানের উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু করব। বান্দরবন নেমেই রাতের খাবার খেয়ে নিব এরপর বান্দরবন থেকে রাতের বাসে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা দিব।
# হাইওয়েতে যাত্রা বিরতি।
দিন-৪
# সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে, আশা করি, ভোর ৬টা নাগাদ আমরা ঢাকায় পৌঁছে যাবো।
***যা যা সাথে নিতে হবে :
# জাতীয় পরিচয় পত্র অথবা পাসপোর্ট এর ফটোকপি অবশ্যই সাথে রাখতে হবে।
# একেবারেই হালকা একটি কাঁধে ঝোলানো ব্যাগ। ওজন কোন ভাবেই ৪ কেজির বেশি হওয়া যাবে না।
# ৩দিন পড়ার মতো হালকা জামা কাপড়। (কাপড় যত কম নেওয়া যায় তত ভাল,কারন ট্রেকিং এর সময় আপনাকেই ব্যাগ বহন করতে হবে)
# গামছা, শর্ট প্যান্ট, মাথার ক্যাপ, সানগ্লাস।
# ট্রেকিং উপযোগী হালকা ধরণের প্লাষ্টিকের জুতা অথবা স্যান্ডেল।
# ৫০০ মিলি পানির বোতল বা পট।
# এংলেট, নি-গার্ড, হ্যান্ড গ্লোভস।
# হালকা খাবার (চকোলেট, কাজুবাদাম, বিস্কুট)
# ক্যামেরা এবং এর বাড়তি ব্যাটারি।
# বাড়তি চার্জের জন্য পাওয়ার ব্যাংক।
# পলিব্যাগ (ক্যামেরা, মোবাইল পানি থেকে বাঁচানোর জন্য। ভেজা কাপড় রাখার প্রয়োজনে লাগতে পারে)
# নিজের জন্য প্রয়োজনীয় মেডিসিন (পেইন কিলার, মাসেল রিল্যাক্সেন্ট, ম্যালেরিয়ার প্রতিষেধক, ওরস্যালাইন)
# মশার হাত থেকে বাঁচার জন্য অডোমস ক্রিম নিতে হবে।
# সাঁতার না জানলে লাইফ জ্যাকেট সাথে নিবেন।
***কনফার্ম করার শেষ সময়: ১৯ মার্চ
কনফার্ম করার জন্য নির্ধারিত তারিখের মধ্যে ৩০০০ টাকা জমা দিতে হবে। (অফেরতযোগ্য)
কনর্ফামের টাকা বিকাশের মাধ্যমে পাঠাতে পারেন অথবা হাতে হাতে দিতে পারেন। বিকাশে পাঠানোর ক্ষেত্রে অবশ্যই খরচসহ ৩০৬০ টাকা বিকাশ করবেন। বিকাশ করার সময় ফোন দিয়ে অথবা মেসেজ দিয়ে কনফার্ম হয়ে নিবেন। *** বিকাশ নাম্বার : ০১৮৬৯২২৪৯৫৯ (পার্সোনাল)
# # # # বান্দরবান জেলার থানচি উপজেলার রেমাক্রি স্থানটি সাঙ্গু নদীর উজানে একটি মারমা বসতী। মারমা ভাষায় ‘খুম’ মানে হচ্ছে জলপ্রপাত। মারমা ভাষায় খুম মানে হল জলপ্রপাত। পাহাড়ী নদী সাঙ্গু তার বয়ে চলার পথে অজস্রে স্থানে ছোট ছোট জলপ্রাপাতের সৃষ্টি করেছে তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে রেমাক্রিখুম, নাফাখুম, আমিয়াখুম, সাতভাইখুম, মাথাভারাখুম,সাতভাইখুম।
# # # রেমাক্রি থেকে তিন ঘন্টার হাঁটা পথ পাড়ি দিয়ে যেতে হয় আশ্চর্য সুন্দর নাফাখুম জলপ্রপাতে। রেমাক্রি খালের পানি প্রবাহই এই নাফাখুম। নাফাখুমে এসে বাঁক খেয়ে নেমে গেছে প্রায় ২৫-৩০ ফুট, প্রকৃতির খেয়ালে সৃষ্টি হয়েছে চমৎকার এক জলপ্রপাত! সূর্যের আলোয় যেখানে নিত্য খেলা করে বর্ণিল রংধনু! ভরা বর্ষায় রেমাক্রি খালের জলপ্রবাহ নিতান্ত কম নয়। প্রায় যেন উজানের সাঙ্গু নদীর মতই। পানি প্রবাহের ভলিউমের দিক থেকে নাফাখুম-ই বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় জলপ্রপাত।
# # # আমিয়াখুম বান্দরবানের অসাধারণ একটি জলপ্রপাত বা ঝর্ণা। পাথর আর সবুজে ঘেরা পাহাড়ের মধ্য দিয়ে প্রবল বেগে নেমে আসছে জলধারা। দুধসাদা রঙের ফেনা ছড়িয়ে তা বয়ে চলেছে পাথরের গা বেয়ে। নিমেষেই ভিজিয়ে দিচ্ছে পাশের পাথুরে চাতাল। সঙ্গে অবিরাম চলছে জলধারার পতন আর প্রবাহের শব্দতরঙ্গ। লোকালয় ছেড়ে গহিন পাহাড়ের মাঝে এমন দৃশ্য—একবার দেখলে মনের গভীরে গেঁথে থাকবে আজীবন। প্রকৃতি এমন অপার সৌন্দর্যের ডালা সাজিয়ে বসে আছে আমাদের এই সবুজ শ্যামল বাংলায় – বান্দরবানে। বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্তের পাশে আমিয়াখুম জলপ্রপাতকে দেখা হচ্ছে বাংলার ভূস্বর্গ হিসেবে। কারো কারো মতে এটা বাংলাদেশের সবচেয়ে সুন্দর জলপ্রপাত। এর অবস্থান বান্দরবানের থানচি উপজেলার দুর্গম নাক্ষিয়ং নামক স্থানে। বাংলাদেশে এমন ঐশ্বর্যের অবস্থান যারাই দেখে তারাই বিমোহিত হয়ে তাকিয়ে থাকে। পাথুরে পাহাড়ের মাঝে এমন দৃশ্যের সামনে দাঁড়িয়ে সবাই যেন কথা হারিয়ে ফেলে। সেই সঙ্গে হারিয়ে যায় শতকষ্ট স্বীকার করে এখানে আসার সব ক্লান্তি, অবসাদ। বর্ষায় টগবগে যৌবন ফিরে পায় আমিয়াখুম। সুবিশাল জলধারা প্রবল গতিতে নেমে যায়। পাথর কেটে তীব্র বেগে ছুটে চলে নিচের দিকে।
# # # এটি একটি এক্সট্রিম ট্রেকিং ট্রিপ, সেক্ষেত্রে আপনাকে অনেক কিছুই মানিয়ে নিতে হবে। এডভেঞ্চার প্রেমীদের জন্য মূলত আমাদের এই টুরটি করা। আপনার এর আগে এমন কোন অভিযান না করে থাকলেও আপনি অংশগ্রহন করতে পারবেন। তবে মনে রাখতে হবে, যাদের কষ্ট করার মত শারীরিক বা মানসিক দৃঢ়তা নেই, তেমন কোন কষ্ট সহিঞ্ছুতা নেই তাদের না আসার জন্য অনুরোধ করা হচ্ছে। ঝর্না - পাহাড়ের পথ কখনই আরামের হয় না, আর ট্রেকিং মানেই তো কষ্ট। অনেক কিছুই মেনে নিতে হতে পারে সেখানে , যেমন- থাকার সমস্যা, খাবারের কষ্ট, দূর্গম পথ ইত্যাদি। এই ভ্রমনে আরাম আয়েশের তেমন কোনো সম্ভাবনাই নাই। গড়ে প্রায় প্রতিদিনই ৭-৮ ঘন্টার মতো হাটতে হতে পারে। তাই যারাই আমাদের সাথে এই ট্রিপে যেতে আগ্রহী, তারা অবশ্যই ইভেন্ট এ গোয়িং দেয়ার পূর্বে এই বিষয়গুলো আরো একবার ভেবে দেখবেন।
***বিশেষ দ্রষ্টব্য :
# পরিস্থিতির পরিপ্রেক্ষিতে যে কোনো সময় ভ্রমণ পরিকল্পনার যে কোনো কিছু পরিবর্তিত বা পরিমার্জিত হতে পারে। এটি যেহেতু একটি ট্রেকিং ট্রিপ তাই অবশ্যই নিজের মধ্যে মানিয়ে নেয়ার মন মানসিকতা থাকাটা অতীব জরুরি।
# গ্রুপের কারো সম্মানহানি এমন কোনো আচরন করা যাবে না।
# যেখানে সেখানে ময়লা, শুকনো খাবারের প্যাকেট, পাস্টিক বোতল/জার, কলার খোসা, ইত্যাদি ফেলা কঠোরভাবে নিষিদ্ধ।
যেকোন ধরনের পরামর্শের জন্য যোগাযোগ করুন
ইভেন্ট হোস্ট Wajib Dipu এর সাথে
০১৭৬০৪৯৯০৮৮
০১৮৪২৪৯৯০৮৮