21/05/2019
জাতীর শ্রেষ্ট সন্তান বীর মুক্তি যোদ্ধা" নাজমুল হুসাইন বাবুল"চলে গেলেন না ফেরার দেশে! যিনি দ্বীপ বন্ধু সন্দ্বীপ সমিতির সভাপতি থাকাকালিন,দুই দুবার সমিতির, অতি সফল ভাবে সাধারন সম্পাদকের দ্বায়িত্ব পালন করে ছিলেন। হাই কোটের নিষেধজ্ঞার ফলশ্রতিতে, ১৩ বছর, সমিতির কার্য্যক্রম বন্ধ ছিল। ২০১৩ সালে নাজবুল হুসাইন বাবুল/খায়রুল মোস্তফা/ হেলাল উদ্দিন/ হেদায়েতুল ইসলাম মিন্টুর, অক্লান্ত পরিশ্রমের ফলে, সমিতির কার্য্যক্রম ফিরে পায়। সে সময়ে, নাজমুল হুসাইন বাবুল কে সভাপতি, হেদায়েতুল ইসলাম মিন্টুকে সাধারন সম্প্দক করে একটি কমিটি, সমাজ কল্যান অফিসে জমা দেওয়ার পুর্ব মুহুর্তে বিশেষ কারন বঃশত, উনাকে বাদ দিয়ে, ইন্জিনিয়ার আবদুল মতিনকে সভাপতি করে, সমাজ কল্যান অধিদপ্তর হইতে অনুমোদন নেওয়া হয়। নাজমুল হুসাইন বাবুল সে সময়ে আমেরিকায় ছিলেন। ফিরে এসে আমাকে একটি কথা বলেছিলেন, মামা' আমার সাথে এ গাদ্দারিটা কেন করলেন! সেদিন প্রশ্নের জবাব দিতে পারিনি!সেই যে অভিমান করে, সহজ সরল মানুষটি, সামাজিক সকল কার্য্যক্রম থেকে নিজকে গুটিয়ে নিয়েছিলেন।তাঁকে আর সমাজে বিচরন করতে দেখিনি, এমনকি আমার সাথেও অভিমান করে দেখা দেয়নি।উনার পরিবারের সাথে আমার গভীর সম্পর্ক ছিল।আমাকে মামা বলেই ডাকতেন। ইউনাইটেড হাসপাতালের মর্গে তার নিথর দেহখানি দেখে, সেই কথাটি শুধু কানে আঘাৎ হানছিল, (গাদ্দার, গাদ্দার)তখন চোখের পানি ধরে রাখতে পারিনি! মনে হচ্ছিল তাঁর এ অভিমান করে চলে যাওয়ার জন্য আমিই দায়ী। তাই নিজকে কেমন জানি অপরাধি ভাবছি! আল্লাহ তালা যেন উনাকে বেহস্ত নসীব করেন, এ দোয়া করি।।