20/05/2026
পবিত্র হজ্ব পালন কালে
"পানির অপর নাম যে জীবন "
এটা সকল হাজী সাহেব'ই বুঝতে পারেন-
যদিওবা সৌদি গভার্নমেন্ট এবং সৌদি আরবের তায়েফ , জেদ্দা ও মক্কার স্থানীয় বাসিন্দাগন হাজী সাহেবদের জন্য পানি ও খাবার ব্যবস্থাপনায় ঐতিহাসিক খেদমত উপস্থাপন করে থাকেন বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে
রাস্তায় রাস্তায় প্রচুর পরিমানে ঠান্ডা পানি,জুস,চিকেন বিরিয়ানি, ফলমূল ইত্যাদি ফ্রী বিতরণ করেন
কিন্তু এরপরেও কিছু কিছু সময় কিছু কিছু পয়েন্টের ব্যাপারে হাজী সাহেবগন পূর্ব প্রস্তুতি মূলক নলেজ ও প্রস্তুতি রাখতে হবে-
আলহামদুলিল্লাহ আমি অধম বিগত বছর গুলোতে অনেক বার'ই বড় হজ্ব করার সুযোগ পেয়েছি ,
২০২৩ সালে করা হজ্বে আমার বড় মেয়ে মুনতাহা ও মেঝো মেয়ে মুকাররমা এবং আমার স্ত্রী সাথে ছিলো আরাফাতের ময়দানে হেঁটে হেঁটে প্রবেশ করতে হয়েছিল
যেন নিশ্চিত মৃত্যু থেকে ফিরে এসেছিলাম সেদিন,
বিরহমাতিল্লাহ।
আমার সেসব অভিজ্ঞতা ও বর্তমান পরিস্থিতির আলোকে আজ কিছু গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ দেয়ার চেষ্টা করবো, ইনশাআল্লাহ -
যেমন,
ত্বরিক মাশী কি?
( ত্বরিক মাশী হচ্ছে এমন রাস্তা যে
রাস্তা গুলো দিয়ে হাজী সাহেবগন পায়ে
হেঁটে যেতে হয়)
ত্বরিক মাশী কোথায়?
জ্বী,
বিশেষ করে আরাফাতের ময়দানে প্রবেশ করার সময়,বের হওয়ার সময় এবং মুজদালিফা থেকে মিনা
এরপর মিনা থেকে হাজীদের নিজ নিজ হোটেলে এসে পৌঁছা পর্যন্ত এ ধরনের রাস্তা রয়েছে যা প্রায় ২২ থেকে ৩০ কিলোমিটার পথ পর্যন্ত।
আমাদের বাংলাদেশের বেশিরভাগ হাজী সাহেবগন'ই আরাফার ময়দানে অবস্থান করার পর
মুজদালিফায়,মিনায় এসে পৌঁছতে হারামাইন ট্রেন,বড় বাস,মিনি বাসে আরোহণ করার সুযোগ
পায় না সে কন্ট্রাক্ট না থাকার কারণে
যাক তাই এ স্থান গুলো অতিক্রম করার সময় হাজী সাহেবদের প্রস্তুতি মূলক বা করণীয় কিছু ব্যাপার রয়েছে যা হাজীকে অনাকাঙ্ক্ষিত দুর্ঘটনা বা মছিবত
থেকে সেইভ করতে অনেক সাহায্য করবে
ইনশাআল্লাহ
সে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ের পরামর্শ গুলো হলো -
১/ প্রত্যেক হাজী সাহেব হজ্বের সকল কাজ শেষ করে নিজ হোটেলে ফিরে আসা পর্যন্ত অন্তত নূন্যতম দুই লিটার পানি সর্বক্ষণ সাথে রাখবেন পানি শেষ হয়ে গেলেই পুনরায় বোতল ভরে নিবেন
কারন হলো
যেদিন হাজী সাহেবগন মিনার তাঁবুতে যাবেন দেখবেন সব হাজীদের তাঁবুর সামনে সামনে কিন্তু বাস পৌঁছতে পারবে না,
রাস্তা ব্লক সহ বিভিন্ন কারণে হাজীদেরকে একটু দূরে নামাতে পারে সে জন্য
হাজী সাহেবগন সেখান থেকে নিজেদের তাঁবুতে কিছু পথ হেঁটে যেতে হবে
তখন প্রতি পনেরো বিশ মিনিট পর সাধারণত পানির পিপাসা লাগবেই ,
আমি কিন্তু ওই দিন গুলোতে আপনাদেরকে এক সাথে প্রচুর পরিমাণে পানি পান করতে বলবো না,
কারণ এক সাথে বেশী বেশী পানি পান করলে বারংবার টয়লেটে যাওয়ার প্রয়োজন হবে এতে বেশিরভাগ ইবাদতের সময় অপবিত্র থাকতে হবে
আপনাদের মাথায় রাখতে হবে আপনারা প্রায় পঁচিশ লাখ মানুষের ভিতরে আছেন সে জন্য সব গুলো জায়গায়ই সিরিয়াল ম্যান্টেইন ছাড়া কোন উপায় নাই,
আর বিশেষ করে বড় শয়তান বা জামারত কুবরাতে পাথর মেরে যারা মক্কায় আসবেন তারা রাস্তায় খাবার পানির সংকটে পড়বেন কারণ ওই সময়টা পানি ডিস্ট্রিবিউশন করার গাড়ি গুলো মূল জামারতের পয়েন্ট গুলোতে যাওয়ার অনুমতি পায় না এতে গাড়ির জ্যামে হাজীদের পিপাসার কষ্ট শুরু হয়ে যায়
তাই নিজেদের সাথে দেড় দুই লিটার পানি সব সময় রাখাই বেষ্ট
ওই সময় হাজীগন এক টানা পাঁচ দশ মাইল হাঁটার মধ্যেই থাকেন।
২/ একটা ছাতা অবশ্যই সাথে রাখবেন প্রচন্ড রোদে সে সময় একটা ছাতা ☔ হাজীদের অনেক উপকার করে নয়তো উত্তপ্ত রোদে হিট স্ট্রোক হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
৩/ একটি কালো চশমা 👓 সাথে রাখতে হবে এতে
হাঁটার বেগে রোদের হিট কম অনুভব হবে।
৪/ হাঁটতে আরাম ও একটু মজবুত টাইপের এক জোড়া জুতা জরুরি নয়তো পায়ে ফোসকা পড়ে অসুস্থ হওয়ার সম্ভাবনা থাকবে।
৫/ হাঁটার সময় প্রতি এক কিলোমিটার অন্তর অন্তর দশ বা পনেরো মিনিটের জন্য কোথাও স্থান খুঁজে
বসতে হবে+ সামান্য সামান্য পানি পান করতে হবে আর কোথাও বসার স্থান না পেলে রাস্তার এক পাশে ব্রেক নিতে হবে
পুলিশ যখন সরতে বলবে তখন সরে গেলেই চলবে এরমধ্যেই কিন্তু আপনাদের প্রয়োজনীয় রেষ্ট হয়ে যাবে।
*******************************************
✓ আর সন্মানীত মুয়াল্লিম ও গাইডগন হাজীদের খেদমতে হাজীদের মধ্যে থেকে দুই একজন শিক্ষিত সচেতন হাজী সাহেবের সাথে সমন্বয় করে গোটা গ্রুপে থাকা হাজীদের সম্পর্কে বিশেষভাবে খোঁজ খবর রাখবেন
বিশেষ করে হজ্বের পাঁচদিনের সম্পূর্ণ সিডিউল তথা হাজী সাহেবগন কখন বের হবেন,কখন কোথায় থাকবেন, কোথায় থেকে প্রস্থান করবেন, খাবার মেইনটেইন সহ ইত্যাদি ব্যাপার গুলো আলোচনা/পরামর্শ করে পূর্ব থেকেই প্রত্যেক হাজী সাহেবের নলেজে দিয়ে রাখবেন।
✓মহিলা হাজী সাহেবাদের তাঁবু থেকে তাদের স্বামী বা ছেলেদের মধ্য থেকে দুই একজনকে মহিলা হাজীদের এভরিথিং খোঁজ খবর ও খেদমতের জন্য দায়িত্ব দিয়ে রাখতে হবে,
হঠাৎ নিজেদের গ্রুপের সফর সঙ্গী পুরুষ বা কোন মহিলা হাজী অসুস্থ হয়ে গেলে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব আগে ওই অসুস্থ হাজীকে চিকিৎসা সেবা প্রদানের জন্য পাশাপাশি থাকা ক্লিনিক/ হসপিটালে অসুস্থ হাজীর তথ্য, অসুস্থ হাজীর দায়িত্বশীল মুয়াল্লিম বা গাইডের মোবাইল নং সহ নাম এন্ট্রি করে তার পর কাফেলা নিয়ে হাজীদের
বাকি কাজ গুলো শেষ করতে হবে
এ ক্ষেত্রে সকল হাজী সাহেব অবশ্যই একটু ধৈর্য ধরতে হবে মনে করতে হবে
অসুস্থ হাজী সাহেব বা হাজী সাহেবার জায়গায় যদি আমি হতাম!
তাহলে আমার কাফেলা আমাকে কোন দায়িত্বশীল ভূমিকায় হস্তান্তর না করে চলে গেলে আমার কাছে কেমন লাগতো?
ইনশাআল্লাহ
এ ধৈর্যের ছাওয়াব মহান আল্লাহ আপনাদেরকে ভিন্নভাবে প্রদান করবেন কারণ আপনারা এ পবিত্র ভূমিতে এসে পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ স্থানের সেরা আমলে আপনাদের একজন মু'মিন সফর সঙ্গী হাজী সাহেব/ হাজী সাহেবার খেদমতে সময় দিয়েছেন।
✓ হজ্বের ময়দান থেকে যেসকল হাজী অসুস্থ হয়ে মক্কা শরীফের বিভিন্ন ক্লিনিক বা হসপিটালে থাকবেন মুয়াল্লিম ও গাইডগন নিজেদের হজ্বের কাজ শেষ করেই ওই হসপিটালে এসে খোঁজ নিবেন এতে হাজী সাহেব অনেক শক্তি সাহস পাবেন কারণ হজ্বের বিভিন্ন কাজ অসমাপ্ত রেখেই তিনি হসপিটালে এসেছেন তাই একটা মানসিক যন্ত্রণায় তিনি থাকবেন, সে সময় হাজী সাহেবকে ভরসা দিতে হবে যে আলহামদুলিল্লাহ আপনার হজ্বের সবচেয়ে বড় কাজ গুলো হয়ে গেছে,নো টেনশন
বাকি থাকা জামারতে পাথর মারার কাজ আমরা করে দেবো আর কুরবানী বা ফিদিয়ার মাসয়ালা থাকলে বলবেন সেগুলো আদায় করলেই হয়ে যাবে
তখন অসুস্থ হাজী সাহেবগন প্রচুর মনোবল পাবেন।
× কিছু মুয়াল্লিম বা গাইডগন অসুস্থ হাজীকে কোন ক্লিনিক বা হসপিটালে ভর্তি করানোর সময়
নিজের সৌদি মোবাইল নং টা দেন না অথবা ভুলে যান
তাই ওই হাজীর চিকিৎসাধীন অবস্থায় হসপিটাল থেকে ডাক্তার বা হসপিটাল কর্তৃপক্ষ হাজীর খবর জানাতে কোন যোগাযোগ নং না পেয়ে
হাজী সাহেবদের বড় বা ছোট অপারেশন গুলো করে ফেলেন ( অথচ সে জটিল অবস্থায় হাজীদের দায়িত্বশীলদের সিগন্যাচার ও মতামত প্রয়োজন হয় সৌদি হসপিটাল সমূহে)
এবং ওই মোবাইল নং না দেয়ার কারণে হাজীদের মৃত্যু সংবাদ বা চিকিৎসায় উন্নত হয়ে সুস্থতা লাভ করলেও কাউকে জানাতে পারে না,
তখন হাজীকে হসপিটালে বিভিন্ন ধরনের কষ্ট পেতে হয়।
এ ক্ষেত্রে
অসুস্থ হাজীদের মুয়াল্লিম বা গাইড অথবা নিকটতম কোন ব্যক্তি/ সফর সঙ্গী হাজীর পরিচিত রুম মিটের নং টা খুবই জরুরি।
আমি বাংলাদেশ হজ্ব মিশন মক্কা অফিস কর্তৃক ২০১৫ সাল থেকে টানা ২০২৩ সাল পর্যন্ত হজ্বের বছর গুলো অনুবাদক হজ্ব কর্মি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছি
কিং আব্দুল আজিজ, কিং ফয়সাল, কিং আব্দুল্লাহ,
আন নূর ও আজইয়াদ হসপিটালে তাই এ ব্যাপার গুলোতে মোটামুটি অভিজ্ঞতা রয়েছে আমার।
বাংলাদেশ হজ্ব মিশন অফিস মক্কা শাখা আমাদের মক্কা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র ভাইদের মাধ্যমে সরকারি রেজিস্ট্রেশনে আসা হাজী সহ সকল হাজীদের 'ই প্রয়োজনীয় খেদমতে প্রচুর অবদান রাখছেন, আলহামদুলিল্লাহ
কিন্তু এরপরেও কিছু কিছু ক্ষেত্রে কিছু কিছু পরিবেশ ও কঠিন সময়ে একজন
অসুস্থ হাজী বা বিপদ গ্রস্থ/
পথ হারা হাজী সাহেবের জন্য অনেক বড় সাপোর্ট হচ্ছে সে হাজীর সাথে থাকা তার মুয়াল্লিম বা গাইড এর সৌদি মোবাইল নং
অথবা হাজী সাহেব নিকটতম কোন ব্যক্তি যদি মক্কায় থাকেন তার সৌদি মোবাইল নং
বা হাজী সাহেবের সফর সঙ্গী পরিচিত রুম মিটের সৌদি মোবাইল নং টা
কারণ
∆নিখোঁজ হাজীর তালাশে,
∆পথ হারা হাজীকে তার হোটেলে পৌঁছাতে,
∆কোন হাজীর ইমার্জেন্সি আইনি প্রবলেম সমাধানে ,
∆অপেন হার্ড সার্জারি সহ বিভিন্ন অপারেশনে,
∆কোন হাজী সাহেব এর মৃত্যু সংবাদ প্রদানে ,
∆জানাজাহ এর খবর প্রদানে তখন উক্ত যে কোন মোবাইল নং অত্যন্ত জরুরি হয়ে যায়।
@@@@@@@@@@@@@@@@@@@@@
২০১৯ হজ্ব মৌসুমে আমি বাংলাদেশ হজ্ব মিশন কর্তৃক
মক্কার লোকাল গাইড হিসেবে ৪০ জন হাজী সাহেবকে আরাফার ময়দানের ফরজ উকুফ বিল আরাফা শেষ করে
সেখান থেকে হজ্বের পতাকা হাতে নিয়ে তালবিয়া,তাকবীর,তাহমীদ ও তাছবীহ স্লোগানে
হেঁটে হেঁটেই মুজদালিফা পৌঁছি- মুজদালিফা থেকে জামারত তথা মিনা পর্যন্ত আমার হাজী গ্রুপকে পৌঁছিয়েছিলাম আমার সকল হাজী সাহেব সুস্থ ছিলেন,
আশ শুকরুলিল্লাহ ।
আসলো যে কোন ভালো
মুয়াল্লিম বা গাইড'ই সব সময় চায় মহান আল্লাহর সন্তুষ্টির লক্ষ্যে তার দায়িত্বে থাকা মহিলা ও পুরুষ হাজী সাহেবদেরকে নিজের প্রাণ বাজি রেখে হলেও খেদমত করতে
কিন্তু এর পাশাপাশি হাজী
সাহেবগন বিশেষভাবে সচেতন থাকতে হবে তাই অবশ্যই
৬/হাজী সাহেব তার হজ্বের নুসুক কার্ড
৭/হাজী সাহেবের দায়িত্ব গ্রহণকারী মুয়াল্লিম বা গাইডের সৌদি মোবাইল নং
৮/হাজী সাহেবের সফর সঙ্গী পরিচিত রুম মিটের সৌদি মোবাইল নং
৯/হাজী সাহেব যে হোটেলে উঠেছেন সে হোটেলের একটা ভিজিটিং কার্ড
১০/ বাংলাদেশ হজ্ব মিশন অফিস কার্ড
এ তিন টি কার্ডের সাথে আরো একটি ছোট কাগজে দু্ই টা মোবাইল নং লিখে এক সাথে গলায় রাখতে হবে, ইনশাআল্লাহ।
***********************************
হাজী ও হাজী সংশ্লিষ্ট সকলের সচেতনতায়
স্বীয় অভিজ্ঞতা শেয়ার+ পরামর্শ উপস্থাপনে-
হাফেজ মুহাম্মদ হাসান মানছুর আল-মাক্কী
অনুবাদক মুর্শিদ (গাইড) -
তাহত আল হাইয়াতুল হারামাইন বিইরশাদ মাকানী ওয়াল লুগাত-
মসজিদ আল হারাম, মক্কা আল মুকাররমাহ, সৌদি আরব।
বি: দ্র:
হারম শরীফ মক্কায় হারানো বা নিখোঁজ হাজী সংক্রান্ত খেদমত,
হাজীদের পাসপোর্ট,কমরের বেল্ট,নুসুক কার্ড, মোবাইল,হাজী ব্যাগ সহ জরুরী জিনিস পত্র হারিয়ে গেলে সেগুলো পেতে পরামর্শ নিতে বা
হাজী সাহেবদের পবিত্র উমরাহ, হজ্ব, চিকিৎসা বা আইনি সেবা সহ হাজী, উমরাহ, হজ্ব সংক্রান্ত
যে কোন পরামর্শ নিতে
আমার এ ফেইসবুক আইডির ম্যাসেঞ্জারে কিংবা নীচের হোয়াটসঅ্যাপ নং 00966536130881
0536130881
এ ভয়েস বা টেক্সট করতে পারবেন,
ইনশাআল্লাহ আমি সময় বের করে বিস্তারিত পরামর্শ দেবো।
# # # # # # # # # # # # # # # # # # # # # # # # # # # # # # #
বাংলাদেশী হাজী সাহেবদের খেদমতে এ ধরনের পোস্ট করতে যিনি সব সময় আমাকে সুপরামর্শ দিয়ে থাকেন -
মোঃ আবু নাছের ওয়াজেদ
যোগাযোগ:
+880 1911-456484
পরিচালক -
ঢাকা ন্যাশনাল ট্রাভেলস এজেন্সি হজ্ব ও উমরাহ কাফেলা, বাংলাদেশ
-------------------------------------
এ ধরনের পোস্টে উৎসাহ প্রদানের জন্য আমি যাদের কাছে কৃতজ্ঞ :
তারা হলেন আমার সকল ফেইসবুক বন্ধু ও ফেইসবুক বন্ধুদের বন্ধু
কারণ আপনাদের শেয়ার ও কমেন্টের কারণে এ পর্যন্ত সাত লাখ হাজী সাহেব এবং হাজী সাহেবদের রিলেটেড প্রিয় আত্বীয় স্বজনগন আমার হাজী সংক্রান্ত সব পোস্ট গুলো দেখেছেন এবং এ পর্যন্ত পবিত্র মক্কায় অনেকেই যোগাযোগ করে
বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ মূলক সেবা নিচ্ছেন, আলহামদুলিল্লাহ
اللهم تقبل خدمتنا لضيوفك........
وتقبل الله منا ومنكم صالح الأعمال.
কপি পোস্ট।