Foreign Visa Centre

Foreign Visa Centre আমরা আপনার স্বপ্নপূরণে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ

🟥 ইনপুট 🟥আলোচনা চলাকালীন যেকোন সময়ে ইরানে হামলা? কিভাবে ভেতর ভেতর মিলিটারি মুভমেন্ট চলমান? ট্যাকটিকাল অবজারবেশন কি বলছে?...
07/02/2026

🟥 ইনপুট 🟥

আলোচনা চলাকালীন যেকোন সময়ে ইরানে হামলা? কিভাবে ভেতর ভেতর মিলিটারি মুভমেন্ট চলমান? ট্যাকটিকাল অবজারবেশন কি বলছে?

যুক্তরাষ্ট্র ইসরায়েলকে সঙ্গে নিয়ে ইরানের বিরুদ্ধে দীর্ঘমেয়াদি একটি সামরিক অভিযান পরিকল্পনা করছে। এই পরিকল্পনার ভিত্তি হলো, ইরান পাল্টা জবাবে ইসরায়েল এবং মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে থাকা মার্কিন ঘাঁটিগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করবে।

এই মুহূর্তে পুরো অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের অন্তত ১৯টি বড় সামরিক ঘাঁটি ও কৌশলগত কমান্ড সেন্টার রয়েছে। এর মধ্যে আছে কাতারের আল উদেইদ বিমানঘাঁটি, যা সেন্টকমের সদর দপ্তর। বাহরাইনে মার্কিন পঞ্চম নৌবহরের সদর দপ্তর। কুয়েতে ক্যাম্প আরিফজান। পাশাপাশি সিরিয়া, জর্ডান, ইরাক এবং বিভিন্ন উপসাগরীয় দেশেও মার্কিন ঘাঁটি রয়েছে।

সমস্যার জায়গাটা হলো, এসব ঘাঁটির সবকটিতে স্থায়ী আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা নেই। অনেক ঘাঁটিতে কেবল স্বল্প পাল্লার প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা আছে, যা ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের বিরুদ্ধে প্রায় অকার্যকর।

এই কারণেই থাড ও প্যাট্রিয়ট প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ব্যাপক হারে মোতায়েন করা হচ্ছে। এতে বোঝা যাচ্ছে, যুক্তরাষ্ট্র প্রায় সব ঘাঁটির জন্য ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা কাভার তৈরি করতে চাইছে।

অন্যদিকে ধারণা করা হচ্ছে, ইউএসএস আব্রাহাম লিংকন বিমানবাহী রণতরীটি ওমানের উপকূলের কাছে অবস্থান নেবে। সেটিকে সুরক্ষিত রাখতে সংযুক্ত আরব আমিরাতেও আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা বসানো হয়েছে।

জর্ডানে থাকা এফ–১৫ যুদ্ধবিমান এবং সাইপ্রাসে অবস্থানরত ব্রিটিশ এফ–৩৫ গুলো আক্রমণাত্মক মিশনের জন্য প্রস্তুত নয়। তাদের মূল কাজ হলো ইরানের শাহেদ–১৩১ ও শাহেদ–১৩৬ ধরনের লয়টারিং মিউনিশনের হাত থেকে ইসরায়েলকে রক্ষা করা।

এখানে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়টি হলো—এত বড় একটি প্রতিরক্ষা নেটওয়ার্কের রসদ সরবরাহ, সমন্বয় এবং প্রযুক্তিগত সংযোগ করতে অনেক সময় লাগে। আর সেই প্রক্রিয়াটি এখনো চলমান।

এই দেরির মানে এই নয় যে ট্রাম্প সিদ্ধান্ত বদলেছেন, যেমনটা অনেক বিশ্লেষক, গণমাধ্যম আর কথিত বিশেষজ্ঞ বোঝাতে চাইছেন।

বাস্তবতা হলো, পুরো ধাঁধার ছবিটা এখনো জোড়া লাগানো শেষ হয়নি।

শুধু জানুয়ারি মাসেই প্রবাসীরা ৩.১৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন, যা দিয়ে প্রায় ৩৫টি F-35 যুদ্ধবিমান ক্...
02/02/2026

শুধু জানুয়ারি মাসেই প্রবাসীরা ৩.১৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন, যা দিয়ে প্রায় ৩৫টি F-35 যুদ্ধবিমান ক্রয় করা সম্ভব।
দেশের এই সংকটময় রাজনৈতিক পরিস্থিতিতেও প্রবাসীরা তাদের রেমিট্যান্স প্রবাহ ঠিক রেখেছেন, যা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তারা শুধু তাদের পরিবারকে অর্থনৈতিকভাবে সাহায্য করছেন তা নয়, বরং দেশের অর্থনীতিকে দেউলিয়া হওয়া থেকে টেনে ধরে রেখেছেন।
বাংলাদেশে বিপুল পরিমাণ বাণিজ্য ঘাটতি রয়েছে—অর্থাৎ রপ্তানির তুলনায় আমদানি বেশি। ফলে দেশের ডলার সংকটে পড়ার কথা থাকলেও বাস্তবে তা প্রবাসীদের পাঠানো ডলারের কারণে হচ্ছে না।

প্রবাসীদের পাঠানো ডলার ব্যবহার করেই আমরা বিদেশ থেকে চাল, ডাল, গম, তেল ইত্যাদি আমদানি করছি, যার ফলে অর্থনীতি অতিরিক্ত চাপে পড়ছে না।
অবশেষে, একজন দেশপ্রেমিক হিসেবে প্রবাসীদের প্রতি রইল সালাম।

সৌদির এক মন্ত্রী বলছে, ট্রাম্প যদি ইরানে হামলা না করে তাহলে নাকি ইরান আরো বেপরোয়া হয়ে পড়বে!!আপনারা অনেকেই ভাবছেন, ইজ*রাই...
01/02/2026

সৌদির এক মন্ত্রী বলছে, ট্রাম্প যদি ইরানে হামলা না করে তাহলে নাকি ইরান আরো বেপরোয়া হয়ে পড়বে!!

আপনারা অনেকেই ভাবছেন, ইজ*রাইলের অনেক পয়সা খরচ হয় মুসলিম দেশের সাথে লাগতে গিয়া!

আসলে ইজ*রাইলের এক পয়সাও খরচ হয় না!
ওদের সকল যুদ্ধের খরচ এবং অস্ত্রের খরচ যোগায় আমে*রিকা।

এবার হয়তো ভাবছেন ,আমেরিকা নিজের পকেট থেকে বছরের পর বছর বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার দেয়।
জ্বি না ভাই! সেটাও না!!

আমে*রিকাও এক পয়সা নিজের পকেট থেকে দেয় না।

ইজ*রাইলের অস্ত্র থেকে শুরু করে ওদের ডাইপার কেনার পয়সা সৌদি ,কাতার আর দুবাই দেয় ।

এবার ট্রাম্প জেতার পর প্রথম রাষ্ট্রীয় সফর ছিল মিডেলইস্টে।

প্রতি চার বছর পর পর আমে*রিকার নতুন প্রেসিডেন্ট যেই আসুক সে এই তিন দেশে ভ্রমণ করে।

এবং এই তিন দেশ আগের চার বছরে তেল বেঁচে যে পয়সা কামায়, তার অর্ধেক আমেরি*কা এসে খাজনা হিসেবে নিয়ে যায়।

তবে আমে*রিকা এই টাকা পুরোটা একা খায় না।
সে এখান থেকে ৩০/৪০ % টাকা প্রতি বছর ইজ*রাইলকে ডোনেশন হিসেবে দেয়।

মধ্য প্রাচ্যের এই তিন গা*ন্ডু নামে মুসলিম রাষ্ট্র, সরাসরি ইজ*রায়েলকে টাকা দিতে পারেনা ,কারণ শরম লাগে।

তাই এই টাকা আমে*রিয়াকর প্রেসিডেন্টের মাধ্যমে চাঁদাবাজি দেখিয়ে ইজ*রায়েলে পাঠায়।

খেয়াল করে দেখেন ,গত ৭০ বছর যাবৎ ইজ*রায়েল ফিলিস্তিনে এবং অন্যান্য দেশে বো*মা মেরে যে ক্ষতি করে আসছে।

এগুলো পুনরায় তৈরী করার জন্য ঐ তিন দেশ সবসময় টাকা দেয়। এবারও দিবে গা*জাতে বড় বড় বিল্ডিং করতে।

রক্ত চোষা শেষ এখন'গরু মেরে জুতা দান'

ইজ*রায়েল ৪/৫ বছর পর পর আবার বো*মা মেরে সেগুলো সব ধ্বংস করবে! সৌদিরা আবার টাকা দিয়ে সেগুলো তৈরী করে দেয়।

ঐ তিন দেশ জীবনেও কোনদিন একটি গুলিও ছুড়ে প্রতিবাদ করে না কিন্তু প্রত্যেকবার টাকা দেয় নতুন করে বিল্ডিং করার জন্য।

এভাবেই ঐ তিন ইত*র নামে মুসলিম দেশ, ইজ*রায়েলের যুদ্ধের খরচ বহন করে আসছে।

এবার ট্রাম্প সৌদি থেকে ১ ট্রিলিয়ন ,কাতার এবং দুবাই থেকে ১.৪ ট্রিলিয়ন করে ২.৮ ট্রিলিয়ন চাঁদাবাজির খাজনা নিছে।

মোট ৩.৮ ট্রিলিয়ন তেল বেচার টাকা নিয়ে গেছে ট্রাম্প।

এক ট্রিলিয়নে কয়টা শূন্য বসে এগুলো আমাদের মতো আমজনতার মাথায় ধরবে না। কত টাকা হতে পারে তা হিসাব করে বের করা সম্ভব না।

চীন বাংলাদেশের মতো একটি দেশকে এক বিলিয়ন দিলেই খবরের কাগজে বিশাল হেডলাইন হয়।

সেখানে এবার ট্রাম্পের ইহুদি মেয়ের জামাই জেরার্ডের কোম্পানিকে সৌদি ২ বিলিয়ন দিয়েছে ডোনেশন হিসেবে। আর সেই টাকা দিয়া গা*জাতে বড় বড় বাড়ি বানাবে।

জেরার্ডের সেই কোম্পানি আবার একটি অস্ত্র কোম্পানিতে ইনভেস্ট করে, যেটার মালিক ইজর**লের ইহুদী গোষ্ঠী।

মূলত সৌদি টাকায় ইজরা*য়েল অস্ত্র বানায় আর সেগুলো লিবিয়া, সিরিয়া ,ইরাক,লেবাননের বিরুদ্ধে এবং এবার ইরানের বিরুদ্ধে ব্যবহার করবে।

তাহলে কিছু বুঝলেন ,ইজরা*য়েল সকল অস্ত্রের টাকা কোথা থেকে আসে!?

বাংলাদেশের গরিব কৃষক গনি মিয়া সারা জীবন না খেয়ে তিল তিল করে টাকা জমায় শেষ জীবনে হজ্জ্ব করার জন্য। এছাড়া তার মনে আর কোন ইচ্ছা কাজ করে না।

সে কোনদিন কক্সেসবাজারে হলিডে করতে যায়না, শহরে কোনদিন যায় না, চিকিৎসার প্রয়োজন না হলে।

পরিবার নিয়ে কোনদিন উপজেলাতে গিয়ে কোন রেস্টুরেন্টে ভালমন্দ খায় না কারণ সে হজ্জের জন্য টাকা জমাচ্ছে।

তার সারা জীবনের কঠোর পরিশ্রমের কয়েক লক্ষ টাকা জমিয়ে শেষ পর্যন্ত গনি মিয়া সৌদি গিয়ে হজ্জ্ব করে ঠিকই।

কিন্তু সেই গনি মিয়া জানে না ,তার হজ্জের খরচের ৬-৭ লক্ষ টাকার মধ্য থেকে কিছু অংশ সৌদি সরকার আমেরিকাকে দিয়ে দেয়।

এবং সেখান থেকে আমেরিকা সরাসরি টাকা অথবা অস্ত্র কিনে ইজরায়ে*লকে দেয় মুসলিম দেশের উপর হামলা করে নিরীহ মুসলমানদের মারার জন্য! (বি.দ্র. হজ্জ করতে নিষেধ করছি না)

আহারে মুসলিম! নামে মাত্র মুসলিম কাজ কর্মে........

ট্রাম্প বলছে যে এই সব সামরিক জমায়েত শুধুমাত্র ইরানকে হুমকি দেওয়ার জন্য এবং তাদেরকে আলোচনায় বাধ্য করার জন্য, কিন্তু ইস...
31/01/2026

ট্রাম্প বলছে যে এই সব সামরিক জমায়েত শুধুমাত্র ইরানকে হুমকি দেওয়ার জন্য এবং তাদেরকে আলোচনায় বাধ্য করার জন্য, কিন্তু ইসরায়েলি মিডিয়া সবাই নিশ্চিত করছে যে সে যুদ্ধের সিদ্ধান্ত নিয়ে নিয়েছে এবং আসলে কয়েক ঘণ্টার মধ্যে একটা আঘাত আসছে, এবং সবকিছু ইসরায়েলের সাথে সম্পূর্ণ গোয়েন্দা এবং সামরিক সমন্বয়ে হচ্ছে... কে মিথ্যা বলছে?!

অন্যদিকে, ইহুদি সাংবাদিক "ইডি কোহেন" কয়েকদিন আগে একটা গুরুতর কথা লিখেছে যে ইসরায়েল সৌদি আরবের সাথে স্বাভাবিকীকরণ প্রকল্প ব্যর্থ হওয়ার পর; আমেরিকাকে সব শক্তি দিয়ে চাপ দিচ্ছে যাতে ইরানের শাসনকে যেকোনো মূল্যে উল্টে দেয়, এমনকি যদি তার জন্য তারা তাদের শহরগুলোতে শত শত ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত গ্রহণ করে... এবং এটা যাতে তারা ইরানের নেতৃত্বকে তাদের অনুগত একটা শাসন দিয়ে প্রতিস্থাপিত করে, যাতে মধ্যপ্রাচ্যে সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করে এবং আরবদের পূর্ব এবং পশ্চিম থেকে ঘিরে ফেলে!

তাহলে এই দুটো বিষয়ের মধ্যে কী সম্পর্ক, এবং কেন আমেরিকান সেনাবাহিনী ইরানের উপকূলের কাছে বিশাল সামরিক মহড়া করছে ঠিক সেই মুহূর্তে যখন ইরান চীন এবং রাশিয়ার সাথে বিপরীত সামুদ্রিক মহড়া শুরু করার ঘোষণা করেছে? এসব কি সব কাকতালীয়, নাকি দুই পক্ষ থেকে পুরো বিশ্বের উপর একটা বড় খেলা খেলা হচ্ছে?

চলো এটাকে একটা একটা করে নিই কারণ বিষয়টা বড় এবং জটিল...

শোনো, যা এখন যুক্তরাষ্ট্র এবং ইরানের মধ্যে হচ্ছে তা যুদ্ধ নয়, এবং একই সাথে শান্তিও নয়... বরং এটা ঠিক দুটোর মাঝামাঝি অবস্থানে... সর্বোচ্চ চাপ এবং সর্বোচ্চ মাত্রায় উত্তেজনা সৃষ্টির পর্যায় যা চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের আগে...

দুই দেশের প্রত্যেক পক্ষ এখন চেষ্টা করছে সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছানোর যাতে খাদে পড়ে না যায়... এবং এসব কেন?! কারণ তারা চায় যদি তাদের মধ্যে আলোচনার সভা হয় তাহলে সর্বোচ্চ লাভ এবং সুবিধা অর্জন করতে...

আমেরিকা ইরাক এবং উপসাগর যুদ্ধের পর থেকে অঞ্চলে সবচেয়ে বড় শক্তি জমায়েত করেছে, নৌবহর, যুদ্ধজাহাজ, অদৃশ্য বিমান, পরমাণু বোমারু বিমান; এসব যাতে ইরানকে দেখাতে পারে যে তারা একটা বিস্তৃত আঘাত করতে সক্ষম যা তারা থেকে উঠে দাঁড়াতে পারবে না...

অন্যদিকে ইরান উত্তেজিত হচ্ছে এবং বলছে যদি কেউ আমাদের উপর একটা ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়ে, তাহলে সরাসরি উত্তর হবে যে পুরো মধ্যপ্রাচ্য জ্বলে উঠবে এবং কোনো দেশ এর ফলাফল থেকে বাঁচতে পারবে না, আমরা হরমুজ প্রণালী বন্ধ করে দেব এবং এটাকে বিশ্বযুদ্ধে পরিণত করব এবং কেউ কারো থেকে ভালো থাকবে না...

তাহলে কেন দুই পক্ষ এমন করছে, এবং কেন ট্রাম্প এখনো ইরানকে আঘাত করার সিদ্ধান্ত নেয়নি, যদিও অঞ্চলে সব সূচক এবং সামরিক জমায়েত আছে?

কারণ, বন্ধু, স্পষ্ট যে গত কয়েকদিনে, পটভূমিতে অনেক উন্নয়ন এবং বড় উত্তেজনা হয়েছে বিভিন্ন পক্ষ থেকে, যা ইরানের সাথে নতুন যুদ্ধে প্রবেশের ধারণাকে অপ্রিয় ফলাফলের সিদ্ধান্ত করে, এবং যদিও স্বল্পমেয়াদে লাভ আছে, কিন্তু এটা আমেরিকার অঞ্চলীয় স্বার্থে অসাধারণ ক্ষতি ঘটাতে পারে...

তাহলে পটভূমির এই পক্ষগুলো কারা?

এই পক্ষগুলো হলো চীন এবং রাশিয়া... এবং আমাকে তোমাকে বিষয়টা ব্যাখ্যা করতে দাও...

যদি তুমি না জানো, তাহলে গত কয়েক ঘণ্টায়, আমেরিকান সেনাবাহিনীর কেন্দ্রীয় কমান্ড (CENTCOM) মধ্যপ্রাচ্য এবং আরব সাগরে সামরিক এবং বিমান মহড়া শুরুর ঘোষণা করেছে... এবং এই মহড়ায় যুদ্ধবিমান, সাবমেরিন, জাহাজ, সেনা এবং যা কল্পনা করা যায় সবকিছু অংশগ্রহণ করছে, একটা বিশাল শক্তি প্রদর্শন যা ইরানের উপকূলের কাছে চালানো হচ্ছে...

এবং এর সরাসরি উত্তর হলো যে ইরানী নৌবাহিনী আগামী দিনগুলোতে ওমান সাগর এবং ভারত মহাসাগরে চীন এবং রাশিয়ার সাথে বিশাল মহড়া শুরুর ঘোষণা করেছে, আল জাজিরা চ্যানেল অনুসারে, এবং তারপর সরাসরি রাশিয়ান কাজান নেটওয়ার্ক খবর প্রকাশ করেছে যে রাশিয়ান নৌবাহিনীর ফ্লিট থেকে ৬০টা যুদ্ধজাহাজ উপসাগরের দিকে অগ্রসর হয়েছে... স্বাভাবিকভাবে যাতে তারা যাকে "মহড়া" বলে তাতে অংশগ্রহণ করে...

এছাড়া অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস এজেন্সি অনুসারে, ইরান ঘোষণা করেছে যে তারা আগামী দু'দিনে হরমুজ প্রণালীতে জীবন্ত গোলাবারুদ দিয়ে মহড়া করবে, এবং এটা বিশ্বের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক পথগুলোর একটায় যানচলাচল ব্যাহত করতে পারে... এবং স্বাভাবিকভাবে তুমি বুঝতে পারছ এর উদ্দেশ্য কী... একটা চাপের কার্ড যা দিয়ে তারা আমেরিকা এবং ইসরায়েলকে বলছে যে আমরা পুরো বিশ্বের চলাচলকে অক্ষম করে দিতে সক্ষম যদি তোমরা সত্যিই আমাদের উপর আঘাত করার চিন্তা করো...

এবং এর সমান্তরালে, ইয়েমেনের হুতি এবং ইরাকের হেজবোল্লাহ ঘোষণা করেছে যে তারা ইরানের পাশে যুদ্ধে প্রবেশের জন্য সম্পূর্ণ প্রস্তুত, এবং তারা আমেরিকানদের হুমকি দিচ্ছে যে এটা অস্তিত্বের যুদ্ধ এবং যদি আঘাত শুরু হয় তাহলে তাদের লক্ষ্য হবে মধ্যপ্রাচ্যে আমেরিকান উপস্থিতির সব অঞ্চলকে ব্যতিক্রম ছাড়াই আঘাত করা.. এছাড়া ইরানী নেতার সাধারণ জিহাদ ঘোষণার সম্ভাবনা, যার প্রভাব আমেরিকা এবং ইসরায়েলের স্বার্থে বিশ্বের সব জায়গায় খুবই গুরুতর হবে...

তাহলে এসবের অর্থ কী?

অর্থ যেমন আমি তোমাকে বলেছি... দুই পক্ষ উত্তেজিত হচ্ছে যাতে দেখাতে পারে যে তারা ভয় পায় না... কিন্তু বাস্তবে তারা খুবই ভয় পাচ্ছে যাতে এই যুদ্ধের ধাপে পা না দেয়, যা পুরো অঞ্চলকে একটা বড় সমস্যায় ফেলে দিতে পারে যা পুরো বিশ্বের অর্থনীতিতে প্রভাব ফেলবে... তাই এসব উত্তেজনা হচ্ছে যাতে তারা এতে লাভ করে বিষয়টা আলোচনায় শেষ করে, এবং এটাই ট্রাম্প কিছুক্ষণ আগে বলেছে...

ব্রিটিশ টেলিগ্রাফ পত্রিকার একটা রিপোর্ট অনুসারে, এবং ট্রাম্পের কাছের সূত্র থেকে উদ্ধৃত করে, সে ইরানের সাথে যুদ্ধে না গিয়ে কূটনৈতিক সমাধানে পৌঁছানোর চেষ্টা করছে, এবং সে স্পষ্ট বলেছে যে তেহরানের বিরুদ্ধে সামরিক শক্তি ব্যবহারের হুমকি চূড়ান্ত বিকল্প নয়, বরং এটা রাজনৈতিক চাপের একটা হাতিয়ার যার উদ্দেশ্য ইরানী নেতৃত্বকে গুরুতর আলোচনায় বাধ্য করা যাতে পরমাণু প্রোগ্রাম এবং ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রোগ্রাম ভেঙে ফেলা যায় যাতে ইসরায়েলের নিরাপত্তা রক্ষা করা যায়...

কিন্তু অন্যদিকে, ইসরায়েল চায় না যে বিষয়টা আলোচনায় শেষ হোক...

অনেক হিব্রু পত্রিকা এবং রিপোর্ট অনুসারে, ইহুদিরা স্বাভাবিকভাবে প্রস্তুত যে কোনো আঘাত সহ্য করতে, এমনকি যদি তাদের উপর শত শত ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে বোমা ফেলা হয়, যাতে ইরানী শাসনকে উল্টে দেয়...

তাহলে কেন তারা ইরানী শাসনকে এতটা উল্টে দিতে চায়?!

কারণ, বন্ধু, সৌদির সাথে স্বাভাবিকীকরণ থেমে গেছে... সুযোগ তাদের হাতছাড়া হয়েছে, এবং সৌদি এখন ইসরায়েলের স্বার্থের বিরুদ্ধে সরাসরি অগ্রসর হচ্ছে একাধিক ফাইলে, যেমন ইয়েমেনে ইমারাতের সাথে যা করেছে, অথবা তুরস্ক, পাকিস্তান এবং মিশরের সাথে জোটে যোগ দেওয়ার মাধ্যমে... তাই ইসরায়েল এবং সৌদির মধ্যে সম্পর্ক খুব খারাপ হয়েছে, এবং একাধিক ইসরায়েলি কর্মকর্তা গত কয়েকদিনে বলেছে যে তারা সৌদিকে "শিক্ষা" দিতে চায়...

এবং তারা এটা কীভাবে করবে?

ইরানী শাসনকে উল্টে দিয়ে, যাতে তারা এটাকে পূর্ববর্তী শাহের ছেলে "রেজা পাহলভী" দিয়ে প্রতিস্থাপিত করে, যে তাদের সাথে সম্পূর্ণ অনুগত এবং তাদের জন্য যেকোনো কিছু করতে প্রস্তুত যার মধ্যে পরমাণু প্রোগ্রাম ভেঙে ফেলা এবং জেরুজালেমকে ইসরায়েলের রাজধানী হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া... এবং যদি সে বা তার মতো কেউ ক্ষমতায় আসে, তাহলে এর অর্থ হবে যে ইরান তাদের সাথে হয়ে গেছে এবং তারা এটাকে সরাসরি আরবদের ঘিরে ফেলার জন্য ব্যবহার করবে!

এবং এই কথা "ইডি কোহেন" নিজেই কয়েকদিনের বিবৃতিতে বলেছে... অর্থাৎ এটা আমার কথা নয়, এবং ব্যক্তিগত মতামত নয়, বরং এটা ইহুদি প্রতিষ্ঠানের ভিতরে একটা বড় প্রবাহের স্পষ্ট দিক...

তাহলে বিষয়টা কীভাবে স্থির হবে, ওহ উল্লাম?!

এই ফাইলে সর্বশেষ উন্নয়ন হলো যে ইউরোপ গতকাল ইরানী বিপ্লবী গার্ডকে সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে শ্রেণীবদ্ধ করেছে... এবং এটা রাজনৈতিক চেনাশোনায় দেখা হচ্ছে যে এটা সম্ভাব্য আঘাতের জন্য একটা অজুহাত এবং প্রস্তুতি; যাতে যখন ইরানকে আঘাত করা হবে তাহলে এটা ন্যায়সঙ্গত এবং আন্তর্জাতিক আইনের অধীনে একটা কারণ থাকবে...

এবং এটা ঠিক যেমন ১২ দিনের যুদ্ধের আগে হয়েছিল, যখন ইউরোপীয় দেশগুলো একটা যৌথ বিবৃতি জারি করেছিল যে ইরানের পরমাণু প্রকল্প শান্তিপূর্ণ উদ্দেশ্য অতিক্রম করেছে এবং এটা মধ্যপ্রাচ্য এবং বিশ্বের জন্য বিপদে পরিণত হয়েছে... এবং তার ৪৮ ঘণ্টা পর আমেরিকা ইরানের পরমাণু সাইটগুলোকে আঘাত করেছে...

তাই সারাংশে দুটো সম্ভাবনা...

১. প্রথম সম্ভাবনা যে ট্রাম্প সত্যিই উত্তেজিত হচ্ছে শুধুমাত্র যাতে ইরানের সাথে কূটনৈতিক চুক্তিতে পৌঁছায়, এবং খুব সম্ভব যে সে এই উত্তপ্ত পরিস্থিতিকে ব্যবহার করছে যাতে বড় দেশগুলো, কেন্দ্রীয় ব্যাঙ্কগুলো এবং এমনকি সাধারণ মানুষকে সোনা কেনার জন্য চাপ দেয় যাতে তার দাম বাড়ায় এবং তারপর সে তার কাছে থাকা সোনা বিক্রি করে অসাধারণ লাভ করে... এবং এটাই আমরা আজ দেখেছি সোনার দামে সংশোধনের তরঙ্গ যা গত দিনগুলোতে ৫৩০০ ডলার প্রতি আউন্সে পৌঁছেছিল...

২. দ্বিতীয় সম্ভাবনা যে এসব যা হচ্ছে তা শুধুমাত্র ছদ্মবেশ... একটা কৌশলগত প্রতারণা পরিকল্পনা যা বিস্তৃত এবং বড় স্কেলে চালানো হচ্ছে, যাতে পুরো বিশ্বকে বিভ্রান্ত করে এবং কেউ কিছু অনুমান করতে বা আশা করতে না পারে, যাতে মানুষ ক্লান্ত হয়ে ঘুমায়, এবং ইরানীরা নিজেরাই বিশ্বাস করে যে আমেরিকা আলোচনা চায়, এবং তারপর আঘাত হঠাৎ আসে... যেমন ভেনেজুয়েলায় হয়েছে... এবং যেমন ইরান এবং ইসরায়েলের মধ্যে ১২ দিনের যুদ্ধে হয়েছে...

আমার মতে দুটো সম্ভাবনা সমান, এবং বর্তমানে আমি সত্যি বলতে পারছি না কোনটা বেশি সম্ভাব্য কারণ এই কমলা পাগল যার সাথে কেউ স্বাভাবিক মানুষের মতো আচরণ করতে পারে না এবং সে অন্যান্য মানুষের মতো যুক্তিযুক্তভাবে চিন্তা করে না... কিন্তু আমরা অনুসরণ করছি এবং অপেক্ষা করছি যাতে দেখি আগামী ঘণ্টাগুলোতে কী হয়...

শেষে আমি তোমাকে সবসময়ের মতো রিপোর্ট এবং বিবৃতির সূত্রগুলো প্রথম কমেন্টে রাখব, এবং যদি তুমি এখানে পৌঁছাও তাহলে শেয়ার করতে ভুলো না যাতে বিষয়টা অন্যদের কাছে পৌঁছে এবং তারা উন্নয়নগুলো বুঝতে পারে।

أخذت عن محمود علام مصري

🚨 সচেতনতা পোস্ট | মরিশাস 🇲🇺 ভি*সা চেক করার সঠিক নিয়ম (২৯/০১/২০২৬ইং)না জেনে টাকা দিলে প্রতারিত হওয়ার ঝুঁকি আছেবর্তমানে মর...
30/01/2026

🚨 সচেতনতা পোস্ট | মরিশাস 🇲🇺 ভি*সা চেক করার সঠিক নিয়ম (২৯/০১/২০২৬ইং)

না জেনে টাকা দিলে প্রতারিত হওয়ার ঝুঁকি আছে
বর্তমানে মরিশাস যাওয়ার নামে
❌ টুরিস্ট ভি*সায় কাজ
❌ নকল Work Permit
❌ ভুয়া Approval Letter
দিয়ে অনেক মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন।
👉 এই পোস্টটি পড়লে আপনি নিজেই ভি*সা সঠিক কিনা যাচাই করতে পারবেন ⬇️

✅ মরিশাসে কাজ করতে হলে বাধ্যতামূলক কী?
✔️ Company Sponsored Work Permit Approval Letter
❌ Tourist / Visit Vi*sa
❌ Arrival Vi*sa
👉 এগুলো দিয়ে কাজ করা আইনত অপরাধ

🔍 ধাপ–১: আপনার হাতে কোন কাগজ আছে বুঝুন
ভি*সা নাম দিয়ে সাধারণত ৩টি জিনিস দেখানো হয় ⬇️
✔️ Work Permit Approval Letter ✅ (সঠিক)
⚠️ Entry Permission / Entry Letter (সহায়ক)
❌ Tourist Vi*sa (কাজের জন্য ভুল)
👉 Work Permit Approval ছাড়া সব ঝুঁকিপূর্ণ

🔎 ধাপ–২: Work Permit Approval Letter চেক করার নিয়ম
Approval Letter-এ অবশ্যই থাকতে হবে 👇
✔️ Mauritius Government Logo
✔️ Issuing Authority
(EDB / Ministry of Labour)
✔️ Employer / Company Name
✔️ Worker Full Name
(Passport অনুযায়ী হুবহু)
✔️ Passport Number
✔️ Job Title
✔️ Contract Duration
✔️ Validity Date
✔️ Reference / File Number
⚠️ যেকোনো একটি না থাকলে
➡️ ভি*সা সন্দেহজনক

🧾 ধাপ–৩: নাম ও পাসপোর্ট মিলিয়ে দেখুন (সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ)
নিজে নিজে মিলান ⬇️
🔍 বানান
🔍 পাসপোর্ট নাম্বার
🔍 জন্ম তারিখ
🔍 মেয়াদ
❗ ১টি অক্ষর ভুল থাকলেও ভবিষ্যতে ভিসা বাতিল হতে পারে

🌐 ধাপ–৪: কোম্পানি সত্য কিনা যাচাই করুন
✔️ Company Name Google-এ সার্চ
✔️ অফিসিয়াল Website আছে কিনা
✔️ অফিসিয়াল Email (ক*মে*ন্টে)
✔️ Written Job Offer / Contract
❌ শুধু WhatsApp / Facebook Screenshot = বড় ঝুঁকি

⏳ ধাপ–৫: প্রসেসিং সময় মিলিয়ে দেখুন
🕒 মরিশাস Work Permit সাধারণ সময়
➡️ ৪–৮ সপ্তাহ
❌ “৩–৫ দিনে ভি*সা”
❌ “১০০% গ্যারান্টি”
👉 এগুলো প্রতারনার স্পষ্ট লক্ষণ

🚫 গুরুত্বপূর্ণ বাস্তব তথ্য (অনেকে জানেন না)
❌ মরিশাসে Public Online Vi*sa Check / QR System নেই
❌ QR Code, Fake Stamp দেখিয়ে অনেকেই ধোঁকা দেয়
✔️ Official Work Permit Approval Letter-ই একমাত্র আসল প্রমাণ
⚠️ ভুল ভিসায় গেলে কী হতে পারে?
➡️ Airport থেকে ফেরত
➡️ Detention
➡️ Deport
➡️ Blacklist
➡️ ভবিষ্যৎ সব ভি*সা ঝুঁকিতে

✅ নিরাপদ থাকার ৫টি গোল্ডেন রুল
✔️ Work Permit Approval আগে দেখুন
✔️ নাম–পাসপোর্ট নিজে মিলান
✔️ বাস্তবসম্মত বেতন যাচাই করুন
✔️ লিখিত অফার ছাড়া টাকা দেবেন না
✔️ তাড়াহুড়ো নয় — সময় নিয়ে প্রসেস করুন

📌 এই পোস্টটি শেয়ার করুন
👉 একজন মানুষও যদি প্রতারিত হওয়া থেকে বাঁচে, সেটাই সাফল্য

💬📢 গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা
এই পোস্টটি শুধুমাত্র তথ্য ও সচেতনতার উদ্দেশ্যে প্রকাশ করা হয়েছে। আগ্রহীরা নিজ দায়িত্বে অফিসে এসে
সব কাগজপত্র ও তথ্য যাচাই করবেন।

🔹ছবি প্রতীকি






লেজ গুটিয়ে পালানোর লজ্জা থেকে বাঁচার জন্য "সীমিত আঘাত" এর প্রস্তাব দিয়েছে আমেরিকা, ইরান প্রত্যাখ্যান করেছে।ইরানের এসএনএস...
30/01/2026

লেজ গুটিয়ে পালানোর লজ্জা থেকে বাঁচার জন্য "সীমিত আঘাত" এর প্রস্তাব দিয়েছে আমেরিকা, ইরান প্রত্যাখ্যান করেছে।

ইরানের এসএনএসসির সাবেক সেক্রেটারি এবং আয়াতুল্লাহ খামেনির উচ্চপদস্থ কৌশলগত উপদেষ্টা আলী শামখানি বলেছেন:

"'সীমিত আঘাত' ধারণাটি একটি ভ্রান্তি। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের যেকোনো স্থান থেকে এবং যেকোনো স্তরে কোনো সামরিক পদক্ষেপকে যুদ্ধের শুরু হিসেবে বিবেচনা করা হবে।"

প্রতিক্রিয়া হবে তাৎক্ষণিক, সম্পূর্ণ এবং অভূতপূর্ব, যা তেল আভিভের হৃদয়, আক্রমণকারী [মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র] এবং তাদের সমর্থনকারী সকলকে লক্ষ্যবস্তু করবে।

ইরানের একজন সাবেক উচ্চপদস্থ সামরিক কমান্ডারের উপদেষ্টা দাবি করেছেন যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং ইসরায়েল উভয়ই সম্প্রতি ইরানকে সংযমের আহ্বান জানিয়ে বার্তা পাঠিয়েছে, যা তেহরান দৃঢ়ভাবে প্রত্যাখ্যান করেছে।

ইরান বিশ্লষক মোস্তফা নাজাফির মতে, গত দুই সপ্তাহের মধ্যে ইরানে দুটি উল্লেখযোগ্য বার্তা পৌঁছেছে। একটি ওয়াশিংটন থেকে আসা, অন্যটি তেল আভিভ থেকে।

নাজাফি বলেছেন যে মার্কিন বার্তায় সীমিত আঘাতের প্রস্তাব করা হয়েছে, যাতে ইরানকে এটি সহ্য করতে এবং শুধুমাত্র প্রতীকীভাবে প্রতিক্রিয়া জানাতে পরামর্শ দেয়া হয়েছে। তেহরান এটি সরাসরি প্রত্যাখ্যান করেছে বলে জানা গেছে, ওয়াশিংটনকে জানিয়েছে যে তারা তাদের যুদ্ধের নিয়মগুলো পুনরায় সংজ্ঞায়িত করেছে, এবং যেকোনো আক্রমণকে এখন পূর্ণমাত্রার যুদ্ধের শুরু হিসেবে বিবেচনা করা হবে।

পৃথকভাবে, ইসরায়েল মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে জানিয়েছে যে তারা মার্কিন অপারেশনে সরাসরি অংশগ্রহণ করবে না, যখন ইরানকে অনুরোধ করেছে যাতে কোনো প্রতিশোধ থেকে ইসরায়েলকে বাদ দেয়া হয়। নাজাফির মতে, ইরানের প্রতিক্রিয়া ছিল স্পষ্ট: যেকোনো মার্কিন সামরিক পদক্ষেপ স্বয়ংক্রিয়ভাবে ইসরায়েলকে ইরানী প্রতিশোধের সুযোগের মধ্যে নিয়ে আসবে। প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহুর সাম্প্রতিক বিবৃতিগুলো এই বিনিময়ের সাথে যুক্ত বলে জানা গেছে।

একই সাথে, ইরান আঞ্চলিক রাষ্ট্রগুলোকে—বাকু থেকে রিয়াদ পর্যন্ত—সতর্ক করেছে যে আক্রমণের জন্য তাদের আকাশসীমা বা ভূখণ্ড ব্যবহারের অনুমতি দিলে তারা বৈধ লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হবে।

নাজাফি দাবি করেছেন যে এই সতর্কতাগুলো এই মাসের শুরুতে পরিকল্পিত মার্কিন আঘাতের শেষ মুহূর্তে বাতিলের পিছনে একটি মূল কারণ ছিল। পরিবর্তে, ওয়াশিংটন পদক্ষেপ স্থগিত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে যখন অঞ্চলে আক্রমণাত্মক এবং প্রতিরক্ষামূলক সম্পদগুলোকে উল্লেখযোগ্যভাবে শক্তিশালী করেছে, যার লক্ষ্য প্রতিরোধকে শক্তিশালী করা, সম্ভাব্য ইরানী প্রতিক্রিয়া পরিচালনা করা এবং প্রয়োজনে বিস্তৃত সংঘর্ষের জন্য প্রস্তুতি নেয়া।

উপসংহারে, নাজাফি দাবি করেছেন যে ইরান কোনো আগ্রাসনের কেবলমাত্র জোরালো প্রতিক্রিয়া দেবে না, বরং যদি সংঘর্ষ উদ্ভূত হয় তাহলে ইসরায়েলি লক্ষ্যবস্তু এবং মধ্যপ্রাচ্য জুড়ে মার্কিন সামরিক ইনস্টলেশনগুলোর বিরুদ্ধে বিস্তৃত প্রতিশোধ শুরু করবে।

ইরানের বিরুদ্ধে হুমকির সর্বশেষ পরিস্থিতি ⚡1️⃣ যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক মোতায়েন বাড়াচ্ছে, যদিও যুদ্ধের জন্য ...
28/01/2026

ইরানের বিরুদ্ধে হুমকির সর্বশেষ পরিস্থিতি ⚡

1️⃣ যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক মোতায়েন বাড়াচ্ছে, যদিও যুদ্ধের জন্য এখনো প্রয়োজনীয় মাত্রায় প্রস্তুত নয়।
2️⃣ এই সময়ে ফ্রান্স ও যুক্তরাজ্য সীমিত পরিসরে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যুক্ত রয়েছে।
3️⃣ অঞ্চলের অন্যান্য দেশ—জর্ডান, বাকু (আজারবাইজান), সংযুক্ত আরব আমিরাত এবং ইরাকের কুর্দিস্তান—যুক্তরাষ্ট্রকে সহায়তা করছে।
4️⃣ যুক্তরাষ্ট্রের আকাশপথে উপস্থিতি ব্যাপক নয় এবং দৃশ্যত তারা সীমিত অভিযানের দিকেই ঝুঁকছে।
5️⃣ ট্রাম্প ইরানের ওপর সীমিত হামলার সিদ্ধান্ত নিয়ে রেখেছেন; যদি তিনি নিশ্চিত হন যে ইরানের প্রতিক্রিয়া সীমিত থাকবে, তবে তিনি এ পদক্ষেপ নেবেন।
6️⃣ তবে ট্রাম্প এখনো দ্বিধায় আছেন, কারণ ইরান তাকে বার্তা দিয়েছে—প্রত্যেকটি সীমিত হামলার জবাব হবে সীমাহীন।
7️⃣ ইসরায়েলি লবি ট্রাম্পকে ইরানের সঙ্গে বৃহৎ যুদ্ধে ঠেলে দেওয়ার চেষ্টা করছে।
8️⃣ ইরানও যে কোনো মার্কিন উসকানির জবাব দিতে ব্যাপক সামরিক প্রস্তুতি নিচ্ছে।
9️⃣ যদি ট্রাম্প নিশ্চিত হন যে ইরানের সঙ্গে সংঘাতে যুক্তরাষ্ট্রের বড় ক্ষতি হবে, তবে তিনি পিছু হটবেন।

IRAN اردو

🔴 নতুন: যুক্তরাষ্ট্রের বাহিনীর সঙ্গে সংঘাত হলে ইসলামী প্রজাতন্ত্র ও আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির পক্ষে লড়াইয়ের জন্য ইরাকের কাত...
28/01/2026

🔴 নতুন: যুক্তরাষ্ট্রের বাহিনীর সঙ্গে সংঘাত হলে ইসলামী প্রজাতন্ত্র ও আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির পক্ষে লড়াইয়ের জন্য ইরাকের কাতায়েব হিজবুল্লাহর শত শত সদস্য ‘শহীদানা অভিযানে’ অংশ নিতে নাম নিবন্ধন করছেন।

শহীদানা অভিযান বলতে এমন অপারেশন বোঝানো হয়, যেখানে অংশগ্রহণকারীরা শুরু থেকেই শাহাদতের জন্য প্রস্তুত থাকেন। এখানে নিবন্ধনের অর্থ হলো—একটি আনুষ্ঠানিক ফর্মে নিজের নাম অন্তর্ভুক্ত করা, যার পর যেকোনো সময় ডাকা হলে তাৎক্ষণিকভাবে জিহাদের ময়দানে উপস্থিত থাকা বাধ্যতামূলক। এসব মিশন অত্যন্ত কঠিন, যেখানে ফিরে আসার সম্ভাবনা খুবই কম।

এই কারণেই নিবন্ধনের সময় কাতায়েব হিজবুল্লাহর সদস্যরা কাফনের কাপড় পরিধান করে এসেছেন—যার প্রকৃত অর্থ, আমরা শাহাদতের জন্য প্রস্তুত।
-------
আল-মনিটর–এর রিপোর্ট অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্র ১৪ জানুয়ারি ইরানের ওপর হামলার পরিকল্পনা করেছিল। এ কারণেই সেদিন মধ্যপ্রাচ্যের আকাশপথে সব ফ্লাইট সাময়িকভাবে বন্ধ করে দেওয়া হয়। তবে শেষ মুহূর্তে আমেরিকানরা সেই পরিকল্পনা থেকে সরে আসে। কারণ তাদের মূল্যায়নে দেখা যায়—এবার ইরান অনেক বেশি প্রস্তুত এবং অনেক বেশি দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। যেকোনো হামলার জবাব এবার হবে কঠোর ও বিস্তৃত।

তাদের নিজস্ব হিসাব অনুযায়ী, ইরানকে কার্যকরভাবে মোকাবিলা করার মতো পর্যাপ্ত রিসোর্স বর্তমানে তাদের হাতে নেই। এ কারণেই তারা ইরানের আশপাশে দুটি এয়ারক্রাফট ক্যারিয়ার মোতায়েনের প্রস্তুতি নিচ্ছে।

কিন্তু প্রশ্ন হলো, আমেরিকা কি এবারও সঠিক হিসাব করেছে?
উত্তর একটাই—'না।'

এই বস্তুবাদী জানোয়ারদের পক্ষে ইরানের প্রকৃত শক্তি পরিমাপ করা কখনোই সম্ভব নয়। প্রায় ৫০ বছর ধরে নিষেধাজ্ঞা, ৪ হাজারেরও বেশি অর্থনৈতিক অবরোধ, একটি সিংহকে খাঁচায় বন্দি করে ক্ষুধার্ত রাখার পরও—আজ তারা সেই সিংহের সামনে দাঁড়াতে ভয় পাচ্ছে, সমস্ত মিত্র ও সামরিক শক্তি নিয়েও।

তাহলে ইরানের কাছে কী আছে?
না আছে ট্রিলিয়ন ডলারের বাজেট,
না আছে সারিবদ্ধ সুপারপাওয়ার মিত্র—
তবু কী আছে, যা আমেরিকার সব হিসাব বারবার উল্টে দিচ্ছে?

১২ দিনে দুই হাজার শহীদ, তারপর দাঙ্গা উসকে দিয়ে আরও তিন হাজার হত্যা— এরপরও কীভাবে তারা বারবার ঘুরে দাঁড়ায়? কীভাবে?

এর উত্তর লুকিয়ে আছে ইমাম আলী (আ.)–এর সেই চিরন্তন বাণীতে, যেখানে তিনি বিজয়ের সূত্র শিখিয়েছেন, “সত্যিকারের বিজয় আল্লাহর সান্নিধ্যে; সংখ্যাধিক্য বা সমর্থকের ভিড়ে নয়।”

যে জাতি বিশ্বাস করে এই দুনিয়াই শেষ নয়,
যে জাতি বিশ্বাস করে শাহাদাত সর্বশ্রেষ্ঠ খোদায়ি উপহার,
যে জাতির মায়েরা নিজের সন্তানের ও স্বামীর কপালে শাহাদাতের স্লোগান লিখে যুদ্ধক্ষেত্রে পাঠায়— সেই জাতি জাগ্রত।

আর সেই জাতিই বিজয়ী। এ জাতির রয়েছে এক মহান নেতা। এ জাতির রয়েছে এক মহান ব্যবস্থাপনা যেখানে সমাজের মার্জারাই তাদের কেন্দ্র, সমাজের মসজিদগুলোই তাদের শক্তি। আর এই শক্তি, এই ভালোবাসা, এই প্রেম ও এই আশিকিকে এই বস্তুবাদীরা কখনোই পরিমাপ করতে পারবে না।

নিঃসন্দেহে, ইরানের ওপর হামলা হলে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হবে। অসংখ্য প্রাণ যাবে, হাজারে হাজারে মানুষ শহীদ হবে, শীর্ষ নেতারাও শাহাদাত বরণ করতে পারেন। কিন্তু তারপরও—ইরান বিজয়ী হবে।

গত ৪০ বছর ধরে তারা শুধু হিসাবই কষছে—ইরান কখন সবচেয়ে দুর্বল হবে, যাতে তাকে শেষ করা যায়। কিন্তু এই বোকারা এটাই বোঝে না যে, ১৯৭৯ সালের ইসলামী বিপ্লবের পর থেকেই আমেরিকা নিজেই ক্রমাগত দুর্বল হয়ে পড়ছে। এই বিপ্লব তাদের সব সূত্র, সব হিসাব-নিকাশ ভেঙে দিয়েছে।

আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির ভাষায়— “আমাদের শত্রুরা ইরানকে চিনত না, তাই তারা আমাদের বিরুদ্ধে ভুল পরিকল্পনা করেছিল। আজও তারা ইরানকে চেনে না এবং এখনও ভুল পরিকল্পনাই করছে। সেদিন তারা তাদের ভুল পরিকল্পনার কারণেই পরাজিত হয়েছিল, আর আজও আমেরিকা তার ভুল পরিকল্পনার কারণেই পরাজিত হবে।”

🟨 আপডেট 🟨ইরানের দক্ষিণ উপকূলজুড়ে আজ নীরব কিন্তু ভারী এক প্রস্তুতি চলছে। বিপ্লবী গার্ড বাহিনী সমুদ্রের দিকে মুখ করে তাদের...
27/01/2026

🟨 আপডেট 🟨

ইরানের দক্ষিণ উপকূলজুড়ে আজ নীরব কিন্তু ভারী এক প্রস্তুতি চলছে। বিপ্লবী গার্ড বাহিনী সমুদ্রের দিকে মুখ করে তাদের জাহাজ বিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্রগুলো সাজিয়ে রেখেছে, অনেকটা নিঃশব্দ প্রহরীর মতো।

খবর বলছে, গত কয়েক ঘণ্টায় ইরানের ভূগর্ভের গভীর গোপন ঘাঁটি থেকে একের পর এক লঞ্চার বের করে এনে বসানো হয়েছে কৌশলগত জায়গাগুলোতে। এখন সেগুলো শুধু অপেক্ষায় আছে কোনো সংকেতের।

এই ক্ষেপণাস্ত্রগুলোর ক্ষমতা এমন যে চাইলে তারা উত্তর ভারত মহাসাগরের বিস্তীর্ণ এলাকাকেই নিজেদের পরিসরে এনে ফেলতে পারে।
কথা কম, ইঙ্গিত স্পষ্ট। সমুদ্রের দিকেও এবার ইরান চোখ রেখে দাঁড়িয়ে আছে।

নীরবতা ভেঙে হঠাৎই ঘোষণা এলো 🇦🇪আবুধাবি থেকে। 🇦🇪 সংযুক্ত আরব আমিরাতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় স্পষ্ট জানিয়ে দিলো, তাদের আকাশস...
27/01/2026

নীরবতা ভেঙে হঠাৎই ঘোষণা এলো 🇦🇪আবুধাবি থেকে। 🇦🇪 সংযুক্ত আরব আমিরাতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় স্পষ্ট জানিয়ে দিলো, তাদের আকাশসীমা নয়, তাদের ভূমি নয়, তাদের সমুদ্রপথও নয় 🇮🇷 ইরানের বিরুদ্ধে কোনো সামরিক হামলার জন্য ইউএই ব্যবহার হতে দেবে না।

এক কথায়, এটা পরিষ্কার মেসেজ ছিলো। এটা শুধু কূটনৈতিক বিবৃতি ছিলো না, এটা এক ধরনের স্ট্রাটিজিক রেড লাইন ছিলো। আরব ভূখণ্ডকে যুদ্ধের লঞ্চপ্যাড ভাবার দিন শেষ। 🇸🇦 সৌদি আরব হোক বা 🇦🇪 আমিরাত তারা বুঝিয়ে দিলো, অন্য কারও যুদ্ধে আরবের মাটি আর আকাশকে ব্যবহার করতে দিতে তারা রাজি না !!

✍️ MF

‘নির্ধারিত সময়ের মধ্যে এজেন্সির যে সংখ্যক হজযাত্রীর বাড়ি ভাড়া হবে না, সে সংখ্যক হজযাত্রী হজ পালন করতে পারবে না।’
27/01/2026

‘নির্ধারিত সময়ের মধ্যে এজেন্সির যে সংখ্যক হজযাত্রীর বাড়ি ভাড়া হবে না, সে সংখ্যক হজযাত্রী হজ পালন করতে পারবে না।’

ঈদে বাড়ি ফেরার প্রস্তুতি শুরু হোক এখনই! 🇧🇩আসন্ন মার্চেই পবিত্র ঈদুল ফিতর! 🌙 পরিবারের সাথে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করতে অনেক ...
27/01/2026

ঈদে বাড়ি ফেরার প্রস্তুতি শুরু হোক এখনই! 🇧🇩

আসন্ন মার্চেই পবিত্র ঈদুল ফিতর! 🌙 পরিবারের সাথে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করতে অনেক প্রবাসী ভাই-বোন দেশে ফেরার পরিকল্পনা করছেন। 🏠 আপনি কি তাদের একজন? তবে আপনার জন্য বাংলা এভিয়েশনের কিছু জরুরি পরামর্শ

📍 টিকিট বুকিং এখনই করুন! 🎟️

ফ্লাইটের টিকিটের দাম কখনোই স্থির থাকে না। 📈 মনে রাখবেন, যাত্রার তারিখ থেকে যত আগে টিকিট কাটবেন, তত সাশ্রয়ী মূল্যে টিকিট পাবেন। 💰 শেষ মুহূর্তের জন্য অপেক্ষা করলে গুণতে হতে পারে দ্বিগুণ ভাড়া! 💸

📍 লাগেজ নিয়ে সতর্ক থাকুন 🧳
আপনি যদি সাথে মালামাল বা লাগেজ নেওয়ার পরিকল্পনা করেন, তবে বাজেট এয়ারলাইন্স (যেমন: এয়ার এরাবিয়া, ফ্লাই দুবাই, জাজিরা, সালাম এয়ার, ফ্লাই নাস, ইন্ডিগো বা বাতিক এয়ার) এড়িয়ে চলাই ভালো। এই এয়ারলাইনগুলোর ভাড়া কম কারণ তারা সাধারণত লাগেজ সুবিধা কম দেয়। 🚫

✨ সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়:
আপনি মোট কত কেজি লাগেজ নিতে পারবেন এবং কয়টি ব্যাগ বহন করতে পারবেন, তা টিকিট কাটার সময় অবশ্যই নিশ্চিত হয়ে নিবেন। 🧐 অনেক সময় ব্যাগের সংখ্যার ওপরও সীমাবদ্ধতা থাকে, তাই আগেভাগেই জেনে নেওয়া বুদ্ধিমানের কাজ। 📦✅

তাই বুঝেশুনে এখনই আপনার ফ্লাইটের টিকিট কনফার্ম করুন এবং দুশ্চিন্তামুক্ত ঈদ ভ্রমণ নিশ্চিত করুন। 🤝✨

✈️ 🌙
#বাংলাএভিয়েশন #বাংলা_প্রবাস #বাংলাপ্রবাস #বাংলা_এভিয়েশন

Address

Banani
Dhaka
1213

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Foreign Visa Centre posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Foreign Visa Centre:

Share

Category

OUR MISSION

Your Dream,We Design