07/08/2025
আমাদের দেশের কিছু সংখ্যক ব্যাতিক্রম ছাড়া অধিকাংশ নারীই মানসিকভাবে দুর্বল। প্রেমকে এরা শুধুই একটা শারীরিক ব্যপার ভাবতে পারে না এই কারনেই। তারা একটা মানসিক সাপোর্ট চায়, একটা নির্ভরশীল জায়গা চায়, যেখানে তারা কিছুটা নিস্তার খোঁজে, প্রশান্তি খোঁজে৷
তারপর বিভিন্ন মানুষের সাথে কথাবার্তা পরিচয় হয়৷ বর্তমানে ফেসবুক ই একমাত্র যোগাযোগ মাধ্যম, বিচিত্র মানুষের সাথে কানেক্টেড হবার। দেখা গেলা কাউকে ভালো লাগলো। তার সাথে কিছু ব্যাক্তিগত সুখ দু:খের কথা শেয়ার করলো। আর ফেসবুকে বেশীরভাগ পুরুষই চুপা রুস্তম, দার্শনিক! এই বুঝিয়ে,সেই বুঝিয়ে, এই করেছ? সেই করেছে? এখনই ঘুমাও৷ এখনই খাও। শাসন মাসন হাবিজাবি ইত্যাদি রেগুলার কেয়ার টেয়ার দেখিয়ে হয়ে উঠে একদম মেয়েটার পুরুষ ন্যানি! পরে এই ন্যানি গুরু একদিন সুযোগ বুঝে ট্রেনিং ফি তুলে নেয়। গুরুর খাওয়া শেষ। গুরু ভেগে গেছে।
এ দেশে অনেক মেয়ে মানসিভাবে আসলেই অসহায়। এরা সম্পুর্ন অজানা মানুষকেও আপন ভেবে নিজের অনেক কিছুই শেয়ার করে বসে। বিশেষ করে ফেসবুকে যারা একটু জ্ঞানী গুনি সেলিব্রিটি ধাচের। এদের এরা অনেক কিছু মনে করে। আপন ভাবে। আপন মানে জামাই, প্রেমিক নয়। শিক্ষকের মতো আপন।
কিন্তু সব পরিচয় এক সময় গিয়ে ঠেকে বিছানায়।
শুরু হয় সালাম দিয়ে। শেষ হয় ন্যুড দিয়ে।🤣