04/04/2026
মোংলা সমুদ্র বন্দর ও সুন্দরবন ভ্রমণে আসা পর্যটকদের জন্য মোংলায় বেশ কিছু আবাসিক হোটেল ও রিসোর্ট রয়েছে। আপনার সুবিধার্থে উল্লেখযোগ্য কিছু হোটেলের বিস্তারিত নিচে দেওয়া হলো:
১. হোটেল পশুর (বাংলাদেশ পর্যটন কর্পোরেশন)
এটি মোংলার সবচেয়ে পরিচিত এবং সরকারি মালিকানাধীন হোটেল। এটি মোংলা পোর্ট এলাকায় পশুর নদীর একদম তীরে অবস্থিত।
* সুবিধা: এসি ও নন-এসি রুম, নিজস্ব রেস্টুরেন্ট, কনফারেন্স হল এবং নদীর চমৎকার ভিউ। সুন্দরবন ভ্রমণের জন্য এখান থেকে সহজে ট্রলার বা বোট পাওয়া যায়।
* যোগাযোগ: ০১৭৭৩০৪৪৪৭০, ০১৯৯১১৩৯০৩৬।
২. ইকো রিসোর্টসমূহ (সুন্দরবন সংলগ্ন)
প্রকৃতিপ্রেমীদের জন্য মোংলা ও দাকোপ এলাকায় বেশ কিছু মানসম্মত ইকো রিসোর্ট গড়ে উঠেছে:
* বনলতা ইকো কটেজ (Bonolota Eco Cottage): মোংলা থেকে কিছুটা দূরে অবস্থিত, নিরিবিলি পরিবেশের জন্য পরিচিত।
* গোল কানন ইকো লজ (Gol Kanon Eco Lodge): মোংলা পোর্ট থেকে প্রায় আধা ঘণ্টার দূরত্বে ঢাংমারীতে অবস্থিত। পশুর নদীর পাড়ে সুন্দরবনের খুব কাছে থাকার অভিজ্ঞতা দেয় এটি।
* সুন্দরবন ম্যানগ্রোভ রিসোর্ট (Junglebari): এটি একটি স্পেশালিটি রিসোর্ট, যা মোংলা শহর থেকে প্রায় ৪.৪ মাইল দূরে।
৩. অন্যান্য আবাসিক হোটেল (বাজেট ফ্রেন্ডলি)
মোংলা বাস স্ট্যান্ড ও পোর্ট এলাকায় সাধারণ মানের বেশ কিছু বেসরকারি আবাসিক হোটেল রয়েছে যা বাজেট ট্রাভেলারদের জন্য উপযুক্ত:
* হোটেল টাইগার গার্ডেন: শহরের ভেতরে সাধারণ মানের আবাসন।
* হোটেল মোংলা: স্থানীয় বাজারের কাছে অবস্থিত।
* হোটেল সিঙ্গাপুর: স্বল্প খরচে থাকার জন্য পরিচিত।
৪. মোংলার কাছাকাছি উন্নত হোটেল (খুলনা শহর)
যদি আপনি আরও লাক্সারি বা উন্নত সুবিধা চান, তবে খুলনা শহরে থাকতে পারেন (মোংলা থেকে গাড়িতে ১.৫-২ ঘণ্টার দূরত্ব):
* হোটেল সিটি ইন (Hotel City Inn)
* হোটেল ক্যাসেল সালাম (Hotel Castle Salam)
* হোটেল রয়্যাল ইন্টারন্যাশনাল (Hotel Royal International)
পরামর্শ:
* সুন্দরবন ভ্রমণের সিজনে (নভেম্বর থেকে মার্চ) পর্যটকদের ভিড় বেশি থাকে, তাই আগে থেকে বুকিং করে রাখা ভালো।
* পশুর নদীর পাড়ের হোটেলগুলো থেকে সুন্দরবনের করমজল পর্যটন কেন্দ্র খুব কাছে।
আপনার যদি নির্দিষ্ট কোনো বাজেট বা বিশেষ সুবিধার (যেমন এসি বা সুইমিং পুল) প্রয়োজন থাকে, তবে জানাবেন, আমি আরও সুনির্দিষ্ট তথ্য দিতে পারব।যোগাযোগ : ০১৭২০_৯৫৯২৬৭ হোয়াটসঅ্যাপ