Radio Love Express

Radio Love Express Radio Love Express is an Online Radio Station. Our slogan is - " Expression of Emotional Life". Welcome to the Radio Love Express.

Radio Love Express is an Online Bangla Radio Station. Our Slogan is- "Expression of Emotional Life". It’s communication system is associated with human hearts. All of you are cordially invited to share your feelings, thought, emotional event, affection and so more. We hope, all of you are enjoy here through sharing your memorable event of emotional life. Radio Love Express represent the definition

of Radio in a emotional way which enriched the human relation. For details, Please, visit our site: http://www.radiolovexpress.com/

মেয়েটি অষ্টম শ্রেনীতে পড়তো,আর ছেলেটি দশম শ্রেনীতে পড়তোতখনই তাদের রিলেশন হয়,দুইবছর যাবত সম্পর্ক খুব গভীরহয়ে ওঠে,এর পর মেয়...
06/09/2017

মেয়েটি অষ্টম শ্রেনীতে পড়তো,
আর ছেলেটি দশম শ্রেনীতে পড়তো
তখনই তাদের রিলেশন হয়,
দুইবছর যাবত সম্পর্ক খুব গভীর
হয়ে ওঠে,
এর পর মেয়েটি যখন দশম শ্রেনীতে
উর্ত্তীর্ন হয় তখন মেয়েটির মা-বাবা মেয়েটিকে বিয়ে দেওয়ার সিদ্বান্ত নেয়,
কথাটি মেয়েটি ছেলেটিকে বলে
এখন কি করবা করো,
আমি তোমাকে ছাড়া বাঁচবো না,
ছেলেটি ও মেয়েটিকে সত্যিই ভালোবাসতো,
ছেলেটি কি করবে.?
ছেলেটির বড় ভাই একটা আছে সে ও
বিয়ে করে নাই,
এখন ছেলেটি বিয়ে করার প্রস্তাব দিবে ক্যাম্নে..?
মা-বাবা কে বলবে ক্যাম্নে,
চরম টেনশনে পড়ে গেলো,
'
ছেলেটি নিজের মান-সম্মানের দিকে
না তাকিয়ে
মা-বাবা কে কান্না করে,
আকুতি-মিনতি করে বল্লো
মেয়েটি ও আমাকে ভালোবাসে,
আমি ও তাকে ভালোবাসি,
যদি আপনারা মেনে না নেন
আমাদের দুটি প্রান অকালে ঝরে যাবে,
আমরা আত্মহত্যা করবো,
এমন অবস্থা দেখে ছেলেটির
বাবা মা রাজি হলো,
ছেলেটির বাবা-মা ও এলাকার মেম্বার কে
নিয়ে বিয়ের প্রস্তাব নিয়ে
মেয়েদের বাড়িতে যায়,
মেয়েটির বাবা কোন ভাবেই রাজি নই,
পরবর্তী তে থ্রেড দেয়
দ্বিতীবার বিয়ের কথা বল্লে আমি মামলা
করতে বাধ্য হবো,
সবার সামনে অপমান করে
ছেলেটির বাবা মা কে,
কয়েকদিন পর মেয়েটিকে
সৌদিআরব প্রবাসী একটা ছেলের
কাছে বিয়ে দিয়ে দেয়,
সুন্দরভাবে চলছে মেয়েটির সংসার,
মেয়েটির স্বামীর বিয়ের ৩মাস পর
ছুটি শেষ,
আবার সৌদিআরব চলে যায়,
যখন স্বামী বিদেশ যাচ্ছে তখন
মেয়েটির পেটে ২মাস ১৫দিন
দিনের সন্তানের গর্ভবতী মেয়েটি,
স্বামী সৌদিআরব যাওয়ার ১৫দিন পর
ওখানে স্বামী মারা যায়,,
একটি সড়ক দুর্ঘটনায়,
এ কি আর্তনাদ মেয়েটির,
একি হাহাকার,
স্বামীর মৃত্যুর ৪৫দিন
পর আগের সেই প্রিয়জনের সাথে দেখা
হলো,
মেয়েটি কাঁদতে কাঁদতে ছেলেটিকে কথাটি
বল্লো,
ছেলেটি ও কাঁদতে লাগলো কথা গুলো শুনে,
মেয়েটি ছেলেটিকে বল্লো তুমি কি
এখন ও আমায় মেনে নিবে আমায়.?
আমি ৫মাসের গর্ভবতী,
'
ছেলেটি কিছুক্ষণ চুপ করে উত্তর দিলো
তুমি ১টা সন্তান কেন ১০টা সন্তানের মা
হলেও আমি তোমাকে মেনে নিবো,
আমি তোমাকেই ভালোবাসি...
'
একেই বলে ভালোবাসা
একেই বলে কাছে আসা,

দৈয্য সহকারে পুরোটা পড়ার জন্য ধন্যবাদ,
গল্পটি কেমন লাগলো অবশ্যই জানাবেন,
আপনাদের মন্তব্য পেলে
গল্প লিখতে উৎসাহ পাই,

এক মেয়ে বিচারকের কাছে বিচার নিয়ে গেল,মহিলা বলল!একটি ছেলে জোর করে আমার ইজ্জত কেড়ে নিয়েছে।বিচারী ছেলেটিকে তলব করল।ছেলেটি ব...
27/08/2017

এক মেয়ে বিচারকের কাছে বিচার নিয়ে গেল,
মহিলা বলল!
একটি ছেলে জোর করে আমার ইজ্জত কেড়ে নিয়েছে।
বিচারী ছেলেটিকে তলব করল।
ছেলেটি বলল, সে আমি কোন জোর করি নি।
আজ দীর্ঘদিন ধরে ওর সাথে আমার সম্পর্ক।
বিচারক একটু সমস্যায় পড়ে গেল,
কারণ ঘটনা ছেলেটির একতরফা ছিল না দু জনের সম্মতি
ছিল?
বিচারক একটা কৌশল আবিষ্কার করে মেয়েটিকে
একটি নতুন 500 টাকার নোট দিয়ে বলল, এক সপ্তাহ পরে
তুমি যদি বরাবর এই নোটটি আমাকে এনে দিত পার,তবে
তুমি দোষী হবেনা।
মেয়েটি 500টাকার নোট নিয়ে বাড়ীতে চলে গেল।
এবার বিচারক ছেলেটাকে ডেকে বলল, তুমি যেভাবে
পার এই মেয়ে থেকে 500 টাকার নোটটি নিয়ে আসবে।
ছেলেটি মেয়ের কাছে গিয়ে এই 500 টাকার নোটের
জন্য অনেক কাকুতি মিনতি করল,
কাজ হয়নি।
শেষ পর্যন্ত 500 টাকার নোট দুই হাজার টাকার ক্রয়
করতে চাইল।
কাজ হয়নি।
পরে ছেলেটি মেয়েটিকে জোর করে ধরে শরীরে আঘাত
করে টাকা নিতে চাইল।
কোন কাজ হয়নি।
এক সপ্তাহ পর দুই জন বিচারকের কাছে আসল,
মেয়েটি অভিযোগ করল, মহামান্য বিচারক,
সে আমার বাড়ীতে গিয়ে জোর করে এই নোট আনতে
চেয়েছিল। শেষ পর্যন্ত আমার শরীরে আঘাত করে,
তাতেও আমি দিয়নি।
বিচারক বলল, আমার বুঝতে আর বাকি নেই।
500 টাকার নোট যেভাবে রক্ষা করেছ, তুমি চাইলে
তোমার ইজ্জত সেভাবে রক্ষা করতে পারতে।
দুজ�ন সমান অপরাধী।
আমি সব বোনকে বলছিনা।
কিছু বোনকে বলতেছি। কেউ রাগ করবেন না।
বোন আপনি আপনাকে কতটুকু চিনেন?
আপনি জানেন আপনার পায়ের নীচে জান্নাত।
আপনি জানেন,ইসলামের সর্বপ্রথম শহীদ মহিলা।
আপনি কি জানেন? সর্বপ্রথম বিশ্ব নবীকে নবী হিসেবে
বিশ্বাস করেছিল একজন মহিলা।
আপনি কি জানেন? সর্বপ্রথম ইসলাম কবুল করেছিল
একজন মহিলা।
আপনি কি জানেন? আল্লাহ একজন মানুষকে সালাম
দিয়েছিল, তিনি ছিলেন একজন মহিলা।
আপনি কি জানেন? ডেলিভারীতে আপনার মৃত্যু হলে,
আপনি শহীদ হবেন।
কেন এই সামান্য জিন্দেগীতে আল্লাহর নাফরমানী
করছেন?
বোন,
,৫০০০টাকা দিয়ে চুলে সিল্ক করতে পারিস,
কিন্তু ৫ টাকা দিয়ে ব্যান্ডকিনে চুল বাধতে
পারিস না?
৪০০০ টাকা দিয়ে দামি জামা কিনতে পারিস,
কিন্তু ১০০টাকা দিয়ে উড়নাকিনে বুকটা
ডাকতে পারিসনা?
১০০ টাকা দিয়ে মেহেদী লাগতে পারিস
কিন্তু ২ টাকা দিয়ে ব্লেড কিনে হাতের
নখ গুলা কাটতে পারিস না?
তিন হাজার টাকা জিন্সের প্যন্ট কিনতে পারিস,
500টাকা দিয়ে একটি বোরকা কিনতে পারিস না।
হে বোন যারা আজকে তোমাকে সমান অধিকার দেওয়ার নামে তোমাকে রাস্তায় বের করে এনেছে, মনে রেখো কেয়ামতের দিন এরাই তোমাকে জাহান্নামে টেনে নিয়ে যাবে। সময় থাকতে সাবধান হও।

বুদ্ধি থাকলে ভাতের অভাব হয় না।কি বলেন?
16/08/2017

বুদ্ধি থাকলে ভাতের অভাব হয় না।
কি বলেন?

ঢাকাই চলচ্চিত্রের রাজকুমার সালমান শাহ। মৃত্যুর দুই দশক পেরিয়েও এতটুকু কমেনি তার জনপ্রিয়তা। এখনো তিনি নায়কদের প্রিয় নায়ক,...
07/08/2017

ঢাকাই চলচ্চিত্রের রাজকুমার সালমান শাহ। মৃত্যুর দুই দশক পেরিয়েও এতটুকু কমেনি তার জনপ্রিয়তা। এখনো তিনি নায়কদের প্রিয় নায়ক, দর্শকদের বিরাট এক আক্ষেপের নাম। বাংলা চলচ্চিত্রের সর্বকালের ব্যবসা সফল সেরা ১০ চলচ্চিত্রের দুই, তিন ও চার নম্বরে আছে সালমান শাহ অভিনীত সিনেমা।

ক্যারিয়ারের তুঙ্গে থাকা অবস্থায় ১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর তার রহস্যজনক মৃত্যু হয়। মৃত অবস্থায় তার লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। ধারণা করা হয় তিনি আত্মহত্যা করেছেন। কিন্তু সালমান শাহের পরিবারের দাবি তাদের সন্তানকে খুন করা হয়েছে।
এই মৃত্যুকে কেন্দ্র করে মামলাও হয়েছে। সালমান ভক্তরাও তাদের প্রিয় নায়ককে খুন করা হয়েছে দাবি করে আন্দোলন করে খুনিদের শনাক্ত করে তাদের শাস্তি দেয়ার দাবি জানিয়ে আসছেন। কিন্তু কোনো কিনারা পাওয়া যায়নি আজ অবধি। এরইমাঝে বোমা ফাটালেন রাবেয়া সুলতানা রুবি নামের এক আমেরিকা প্রবাসী এক বাংলাদেশি।

অনলাইনে একটি ভিডিও বার্তা ছেড়ে তিনি দাবি করেছেন, সালমান শাহকে খুন করা হয়েছে। সেই খুনের সঙ্গে জড়িত ছিলেন তারই স্বামী। চীনাদেরকে দিয়ে এই খুন করানো হয়। এতে জড়িত ছিলেন সালমান শাহের স্ত্রী সামিরার পরিবারও।

এই তথ্য সম্বলিত ভিডিওটি ভিডিওটি এরইমধ্যে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ভাইরাল হয়ে গেছে। ভিডিওতে রাবেয়া সুলতানা রুবি সালমান শাহের মা নীলা চৌধুরীকে উদ্দেশ্য করে কাতর কণ্ঠে বলেন, ‘এই খুনের বিষয়ে আমি সব জানি। যেভাবেই হোক, আবার যেন মামলা তদন্তের ব্যবস্থা করা হয়। আমি যেমন করেই হোক আদালতে সাক্ষী দেবো।’

রুবি তার ভিডিওতে সালমানের মাকে উদ্দেশ্য করে বারবার বলেছেন, ‘সালমান শাহ আত্মহত্যা করে নাই, তাকে খুন করা হইছে। প্লিজ কিছু একটা করেন, কিছু একটা করেন।’

রুবি বলেন, ‘সালমান শাহ আত্মহত্যা করে নাই, সালমান শাহ খুন হইছে। আমার হাসব্যান্ড এইটা করাইছে আমার ভাইরে দিয়ে। আমার হাসব্যান্ড করাইছে, এইটা সামিরার ফ্যামিলি করাইছে আমার হাজব্যান্ডরে দিয়ে, সবাইরে দিয়ে, সব চাইনিজ মানুষ ছিলো। সালমান শাহ আত্মহত্যা করে নাই, শালমান শাহ খুন হইছে।’

নিজের নাম প্রকাশ করে ভিডিওতে তিনি বলেন, ‘আমি রুবি, এখানে ভেগে আসছি, আমি ভেগে আসছি, এই কেস যেন না শেষ হয়। আমি যেভাবে পারি, ঠিকমত যেন আমি সাক্ষী দিতে পারি। আপনারা আমার জন্য দোয়া করেন।’

তাকেও খুন করার চেষ্টা করা হচ্ছে জানিয়ে রুবি বলেন, ‘আমারেও খুন করার চেষ্টা করা হচ্ছে, দয়া করে আমার জন্য দোয়া করেন। আমি ভালো নাই, আমি কী করবো আমি জানি না, এতটুক জানি যে সালমান শাহ ইমন আত্মহত্যা করে নাই। ইমনরে সামিরা, আমার হাজব্যান্ড ও সামিরার সমস্ত ফ্যামিলির সবাই মিলে খুন করছে। প্লিজ দয়া করে কিছু করেন।’
তিনি আরও বলেন, ‘এরা কী মানুষ, পুরা চাইনিজ কমিউনিটি আপনারা জানেন না। আমি পুরা ভেগে আসছি এখানে, কোনো রকমে। দয়া করে একটুখানি কারোরে জানান। কারোরে জানান যে, এটা আত্মহত্যা না, এটা খুন। খুন হইছে। আমার ছোট ভাই রুমিরে দিয়া খুন করানো হইছে। রুমিরেও খুন করা হইছে। আমি জানি না রুমির কবর কোথায় আছে। রুমির লাশ যদি কবর থেকে তুলে ঠিকমত আবার পোস্টমর্টেম করে, তাহলে দেখা যাবে যে ওরা গলা টিপে মাইরা ফেলছে।

রুবি আরও কয়েকজন এই খুনের সঙ্গে জড়িত আছেন দাবি করে বলেন, ‘এর মধ্যে আমার খালু মুন্তাজ হাসান আছে, আমার খালাত ভাই জুম্মান থাকতে পারে, আমার হাজব্যান্ড চ্যাং লিং চ্যাং, জন চ্যাং নামে বাংলাদেশে পরিচিত ছিলো। সাংহাই চাইনিজ রেস্টুরেন্টের মালিক ছিল ধানমন্ডি ২৭ নম্বর রোডে। দয়া করে কাউরে জানান।’

‘আমি ভেগে আসছি আমার জানের ওপর মায়ার জন্য। আমি লাস্ট মানুষ যে কি না জানে যে, এটা খুন। আমি এটা প্রমাণ করতে পারব ইনশাআল্লাহ।’

‘দয়া করে একটু সাহায্য করেন, একটু সাহায্য করেন। সাংঘাতিক অবস্থা, এরা আমারে বাসার মধ্যে খুন করার প্ল্যান করছিল। আশেপাশে সমস্ত, সুযোগ পায় নাই। আমার জামাইরে আমি জিজ্ঞাস করেছিলাম যে, তুমি আমারে খুন করতে চাও, তাই না? ও বলেছে যে, খুন করলে তো তোরে আমি কবেই খুন করে ফেলতাম।’

‘এইটা তো আমি জানি। এখন আবার খুন করতে চায়, কারণ এখন আবার কেইস ওপেন হইছে। প্লিজ দয়া করে কিছু করেন, দয়া করে জানান।’

সালমান শাহের মা নীলা চৌধুরীকে উদ্দেশ্য করে ভিডিওতে বলা হয়, ‘ভাবি, আপনার ছেলেরে খুন করা হইছে। আমার যা করার আমি করব, আমি ভেগে আছি ভাবি, নাইলে আমারেও মেরে ফেলত এরা সবাই মিলে। লুসি, আমার হাসব্যান্ড জন, সবাই মিলে আমার বাচ্চাটা, আমার বাচ্চা রিকি আর আমার জানের ওপর অনেক জিনিস আছে ভাবি। দয়া করে কিছু করেন ভাবি, কিছু করেন, কিছু করেন। যেখানেই যান ইনভেস্টিগেশন করেন। এটা খুন ছিল, ইমন আত্মহত্যা করে নাই। সালমান শাহ আত্মহত্যা করে নাই, সালমান শাহ আত্মহত্যা করে নাই ভাবি, সালমান শাহ আত্মহত্যা করে নাই। আপনার ছেলে আত্মহত্যা করে নাই, আপনার ছেলেরে খুন করানো হইছে। আমার বাপরেও মনে হয় মাইরা ফেলছে ভাবি, আমি জানি না, আমার ভাইটারেও মাইরা ফেলছে মনে হয়।’
‘দয়া করেন, আল্লাহ, আপনি দয়া করেন, কিছু করেন। আসসালামো আলাইকুম আবার। আল্লাহ হাফেজ, বেঁচে থাকলে ইনশাআল্লাহ দেখা হবে’-বলে শেষ করেন রুবি।’

প্রসঙ্গত, ১৯৯২ সালে ‘কেয়ামত থেকে কেয়ামত’ ছবি দিয়ে সালমান শাহের রূপালী মর্দায় যাত্রা শুরু। চার বছরের ক্যারিয়ারে তিনি মোট ২৭টি চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন। এর প্রতিটিই দর্শকপ্রিয়তা পায়।

সালমান শাহ মৃত্যুর পেছনে তার মা নীলা চৌধুরী শুরু থেকেই সালমান শাহের স্ত্রী সামিরাকে দায়ী করে আসছিলেন। তিন ১১ জনের বিরুদ্ধে মামলাও করেছিলেন। এতে সামিরা ছাড়াও আসামি ছিলেন চলচ্চিত্র প্রযোজক আজিজ মোহাম্মদ ভাই। সেখানে একজন ছিলেন এই ভিডিও বার্তা প্রচারকারী রাবেয়া সুলতানা রুবির নামও রয়েছে। তিনি এই মামলার ৭ নম্বর আসামী।

সালমান শাহের মৃত্যুর পর তার স্ত্রী সামিরা পরে মুস্তাক ওয়াইজ নামে এক ব্যবসায়ীকে বিয়ে করে সংসার করছেন থাইল্যান্ডে। তাদের সংসারে তিনটি সন্তানও রয়েছে। আর রুবি তার স্বামীর সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের পেনসিলভানিয়াতে অবস্থান করছিলেন।

বাংলা চলচ্চিত্রে তোলপাড় ফেলা নায়ক সালমান শাহ ১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর মারা যান। তিনি আত্মহত্যা করেছেন বলে পুলিশকে জানান তার স্ত্রী সামিরা। কিন্তু সালমান শাহের পরিবার একে হত্যা বলে আসছিল।

তবে গত দুই দশকেও এই মামলার রহস্য উদঘাটন হয়নি। পুলিশ দুই দফা ময়নাতদন্ত করে একে আত্মহত্যাই বলেছিল। কিন্তু নারাজি আবেদন করেছে সালমান শাহের পরিবার। মামলাটির বিচারবিভাগীয় তদন্তও হয়েছিল। এখন মামলাটি পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন-পিবিআইয়ে রয়েছে।

সম্প্রতি মামলাটি আবার পুনরুজ্জীবিত করা হয়েছে। এবং এই মুহূর্তে রাবেয়া সুলতানা রুবি নামের ওই নারীর দুই মিনিট ৫৯ সেকেন্ডের ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়েছে। যা এই খুন ও মামলাকে নতুন করে আলোচনায় নিয়ে এলো।

তবে এই ভিডিওটির বিষয়ে সালমান শাহের মায়ের মতামত জানতে যোগাযোগ করতে গিয়ে জানা গেল, নীলা চৌধুরী বর্তমানে লন্ডনে রয়েছে। সেখানে তার ছোট পুত্র সাহরাতের বাসায় আছেন তিনি। তবে এই ভিডিও প্রকাশের পর সালমানের আত্মীয়রা নীলা চৌধুরীর সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করছেন।

ভিডিও বার্তাকারী রুবিকে রাজসাক্ষী করে আবারও সালমান খুনের মামলার তদন্ত পুনরায় খতিয়ে দেখার পরামর্শ দিচ্ছেন।

সালমান শাহের মা নীলা চৌধুরীকে উদ্দেশ্য করে ভিডিওতে বলা হয়, ‘ভাবি, আপনার ছেলেরে খুন করা হইছে। আমার যা করার আমি...

বনের ভেতর, এক হরিনীর সময় হলো সন্তান জন্ম দেয়ার।তাই সে বনের ধারে যেয়ে নদীর পাশে ঘাসজমিতে সুন্দর একটি জায়গা খুজে বের করে ন...
01/08/2017

বনের ভেতর, এক হরিনীর সময় হলো সন্তান জন্ম দেয়ার।
তাই সে বনের ধারে যেয়ে নদীর পাশে ঘাসজমিতে সুন্দর একটি জায়গা খুজে বের করে নিলো সন্তান জন্ম দেয়ার জন্য। সময় কিছু পার হলো, তার প্রসব বেদনাও উঠলো।
কিন্তু বিধি বাম। এসময় হরিনীটির চারপাশে শুরু হলো বিপদ।
হরিনীটি যখন উপরে তাকালো, দেখলো ঘন মেঘে আকাশ ছেয়ে যাচ্ছে। সে যখন জংগলের দিকে তাকালো, দেখলো ঘন জংগলে হঠাৎ দাবানল শুরু হয়েছে। এর মাঝে সে টের পেলো তার সামনে এক ক্ষুধার্ত সিংহ তার দিকে এগিয়ে আসছে। আর পেছনে ফিরে দেখলো এক শিকারী তার দিকে তীর নিশানা করে আছে।
এখন সে কি করবে?
দিশেহারা সময়টিতে দাবানল, নদীর স্রোত, ক্ষুধার্থ সিংহ আর নির্দয় শিকারী দিয়ে চারদিক দিয়ে ঘিরে থাকা হরিনীটি তাই চুপচাপ কিছুক্ষন চোখ বন্ধ করে ভাবলো। তারপর সে তার সব বিপদ আপদ অগ্রাহ্য করে সিদ্ধান্ত নিলো সে তার সন্তান জন্ম দিবে। বিপদ আপদ যদি ঘটে ঘটুক। সেটির দায়িত্ব সে বিশ্বাসী মনে চোখ বুজে সৃষ্ঠিকর্তার হাতে ছেড়ে দিলো।
সাথে সাথে কিছু মিরাকল ঘটলোঃ
- কালো মেঘে ঢাকা আকাশে তুমুল ঝড় বৃস্টি শুরু হলো। সেই সাথে প্রচন্ড বজ্রপাতে শিকারীর চোখ অন্ধ হয়ে গেলো।
- অন্ধ শিকারী তীর ছুড়ে দিলো। সেই তীর হরিনীর পাশ কেটে সিংহের মাথায় আঘাত করলো।
- তুমুল বৃস্টির জলে জংগলের আগুন নিভে শান্ত হয়ে গেলো।
- হরিনীটি একটি সুস্থ ও সুন্দর শাবকের জন্ম দিলো।
আমাদের জীবনেও এরকম কিছু সময় আসে। চারদিক থেকে বিপদ, নিন্দা, হতাশা আর অসহযোগিতা চেপে ধরে আমাদের। কখনো কখনো এই খারাপ সময় এত শক্তিশালী মনে হয় যে আমরা পরিস্থিতির কাছে হার মেনে যাই। আত্নহত্যার কথাও চিন্তা করি।
অথচ এটি ভুল। আর সেটা আমরা এই হরিনের গল্প থেকেই শিখে নিতে পারি।
যখন হরিনীটির চারপাশে এত বিপদ ছিলো, তবু জীবন মৃত্যু যাই আসুক, সে বিপদের আশংকায় নিজের লক্ষ্য থেকে একবিন্দু সরে যায়নি। সে তার কাজ, অর্থাৎ সন্তান জন্ম দেয়াতেই নিজের সব মনযোগ দিয়েছে। আর তখন বাকী সব বিপদ আপদ সৃস্টিকর্তা নিজে সমাধান করে দিয়েছেন।
যখন হতাশা গ্রাস করে, নিজের উপর বিশ্বাস উঠে যায়, তখনো সৃস্টিকর্তার প্রতি অগাথ বিশ্বাস রাখবেন। জীবনের লক্ষ্যে স্থির থাকবেন। আর কখনো লক্ষ্য থেকে একবিন্দু পিছপা হবেন না।
মনে রাখবেন, আপনি যত বড় ঝড়ের মাঝেই থাকুন, যত নিঃসঙ্গই আপনি নিজেকে ভাবুন না কেন, সৃস্টিকর্তা কখনো আপনাকে ছেড়ে যাননি, সর্বদা আপনার কাছেই আছেন।
সংগৃহীত

18/07/2017

LCK Summer Split Week 6 2017 Jin Air GreenWings vs. SK telecom T1 bbq OLIVERS vs. Afreeca Freecs Watch all matches of the split here from all of ...

06/07/2017
প্রথমে লাইক দিন তারপরে লিখুনMআর দেখুন ম্যাজিক।ভয় পাইলে আমি দায়ী নাই।
16/06/2017

প্রথমে লাইক দিন তারপরে লিখুন
M
আর দেখুন ম্যাজিক।
ভয় পাইলে আমি দায়ী নাই।

সাাপের কামড় নিয়ে কিছু কথা। """""""""""""""""অনেকের ধারণা সাপকে কিছুটা আঘাত করে চলে গেলে সাপ লোকটাকে চিনে রাখে এবং রাতে স...
09/06/2017

সাাপের কামড় নিয়ে কিছু কথা।
"""""""""""""""""
অনেকের ধারণা সাপকে কিছুটা আঘাত করে চলে গেলে সাপ লোকটাকে চিনে রাখে এবং রাতে সাপ ওই আঘাতকারী লোকের বাড়ি গিয়ে দংশন করে। মুলত সাপের স্মৃতি শক্তি খুবই কম এবং ঘরে গিয়ে দংশন করার প্রশ্নই আসে না।

কোথায়ও সাপকে দেখলে তাকে তাকে চলে যেতে সুযোগ দিন, কোন সমস্যা হবে না।

ঘরে সাপ থাকার সম্ভাবনা থাকলে বিশেষ করে ইদুরের গর্ত থাকলে শুকনা মরিচ আগুনে পোড়া দিন। তাছাড়া বাজারে কার্বোলিক এসিড আছে, এগুলি বাড়িতে এনে বোতলসহ ঘরের মধ্যে রাখুন, সাপ চলে যাবে।

কাউকে সাপে দংশন করলে ওঝা বা বুদ্ধের কাছে না গিয়ে ১০০০ টাকা দিয়ে সাপের এন্টিভ্যানম ইনজেকশন দিন। সুস্থ্য হবে নিশ্চিত।
দংশিত ব্যাক্তির জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হল সাহস দেয়া। প্রয়োজনীয় সাহস না দিতে পারলে, রোগী হার্ট এটাকে মারা যাবে।

সাপে দংশন করার পর ৭/৮ ঘন্টা পর্যন্ত রোগী বেঁচে থাকে, তাই ধৈর্য্য ধারণ করে দ্রুত ইনজেকশনের ব্যবস্থা করতে হবে।

কোন সাপে কামড় দিয়েছে সেটার পরিচয় জানা গেলে চিকিৎসায় কিছুটা সুবিধা হয়, তবে খেয়াল রাখতে হবে এতে যেন বেশী সময় নষ্ট না হয়।

বাংলাদেশের বিষাক্ত প্রায় সকল সাপের বিষ নষ্ট করার ইনজেকশন আবিস্কার হয়েছে। শুধুমাত্র রাসেল ভাইপার বা শংখচুড় সাপের টিকা আবিস্কারের চেষ্টা চলছে। আর এই সাপ বাংলাদেশের রাজশাহী ছাড়া আর কোথাও দেখা যায় না।

মনে রাখতে হবে, ওঝা বৈদ্য নয় সচেতনতাই পারে অনেকের জীবন বাঁচাতে।

এ মূহুর্তে সাপেরা ঠান্ডা বাতাসের জন্য বেশী বিচরণ করবে, তাই এ সময়ে মানুষ বেশী দংশিত হয়।

আমার এ পোস্টটি যে কোনভাবে মানুষদের জানিয়ে দিন। হতে পারে এভাবেই একটি মানুষ সচেতন হবে, এমনকি কেহ বেঁচেও যাবে। আরিফ

Writing the answer
08/06/2017

Writing the answer

  :) ইচ্ছা থাকলেই উপায় হয় ("Where there's a will, there's a way.") অনুপ্রেরণার গল্প১৯৭৪ সালের কথা ।ব্রুকলিন, নিউ ইয়র্ক ।...
03/06/2017

:)
ইচ্ছা থাকলেই উপায় হয় ("Where there's a will, there's a way.") অনুপ্রেরণার গল্প
১৯৭৪ সালের কথা ।ব্রুকলিন, নিউ ইয়র্ক । কুখ্যাত বস্তিতে বাস করে ১৩ বছরের কিশোর মাইকেল । বর্ণবৈষম্য থেকে আমেরিকা পুরোপুরি বের হতে পারেনি তখনো , চাকুরী পাওয়া দুষ্কর কালোদের জন্য । তার উপরে চার ভাইবোন, সংসার চালাতে হিমসিম খেতে হয় মাইকেলের বাবাকে ।
মাইকেল নিজেও তার ভবিষ্যত নিয়ে চিন্তিত, পড়াশোনা ভালো লাগে না একদম। সময় পেলেই তাই মাইকেল টিলার উপরে গিয়ে আনমনে সূর্যাস্ত দেখে, সূর্য ডোবার সময় কেমন যেন নীরব হয়ে যায় শহরটা, ভালো লাগে তার ।
একদিন মাইকেলের বাবা তাকে একটা পুরনো টিশার্ট দিলেন । বললেন, ‘ সর্বোচ্চ কতো দাম হতে পারে এটার ?’
মাইকেল অনেক ভেবেচিন্তে উত্তর দিলো – ‘ সর্বোচ্চ এক ডলার’
মাইকেলের বাবা তার কনিষ্ঠ পুত্রকে তখন একটা কাজ দিলেন – ‘ চেষ্টা করো, কিভাবে এই টিশার্টটি দুই ডলারে বিক্রি করা যায়। আমার আর তোমার মা’র পক্ষে সংসার চালানো কষ্ট হয়ে যাচ্ছে খুব। অনেক সাহায্য হবে এই দুই ডলার পেলে।‘
মাইকেল বসে বসে ভাবতে লাগলো । তারপর মাইকেল পুরনো টিশার্টটিকে ধুয়ে পরিষ্কার করলো, রোদে শুকালো । বাসায় ইস্ত্রি নেই, পুরনো কাপড়ের স্তুপে চাপা দিয়ে সমান করলো টিশার্টটা । তারপর, ছয় ঘন্টা ধরে চেষ্টার পর, মাইকেল টিশার্টটা বিক্রি করতে পারলো পাতাল রেলের এক যাত্রীর কাছে , দুই ডলারে।
‘রেখে দাও‘ – সহাস্যে বললেন মাইকেলের বাবা । ‘ওটা তোমার উপার্জন ।‘
পরদিন সকালে মাইকেলের বাবা তাকে আর একটি পুরনো টিশার্ট এনে দিলেন । বললেন, ‘ এটা বিশ ডলারে বিক্রি করতে পারবে ? ‘
মাইকেল হেসে ফেললো এবার – ‘ অসম্ভব, কে কিনবে বিশ ডলারে এই শার্ট ?’
বাবা বললেন , ‘ সম্ভব, চেষ্টা করে দেখো তুমি ।‘
মাইকেল চিন্তায় বসলো কিভাবে এই ময়লা শার্টকে বিশ ডলারে বিক্রি করা যায় । আগেরবারের মতই সে শার্ট পরিষ্কার করলো, ইস্ত্রি করলো । তারপর তার মাথায় চমৎকার একটা বুদ্ধি আসলো ।
মাইকেলের এক বন্ধু চমৎকার ছবি আঁকতো । মাইকেল আগের দুই ডলার দিয়ে রং আর তুলি কিনে, সেটা দিয়ে টিশার্টে বন্ধুকে দিয়ে মিকি মাউস একেঁ ফেললো । তারপর টিশার্ট নিয়ে ব্রুকলিনের ধনী শিশুদের এক কিন্ডারগার্টেনে বিক্রির চেষ্টা ।
প্রায় সারাদিন চেষ্টার পর, এক অবস্থাসম্পন্ন শিশুর খুব পছন্দ হয়ে গেল টিশার্টটা । সে তার বাবার কাছে জিদ ধরলো সেটা কেনার জন্য । ভদ্রলোক বিশ ডলার দিয়ে শুধু কিনলেনই না, মাইকেলকে পাঁচ ডলার বখশিশও দিলেন।
‘২৫ ডলার !!’ – মাইকেলের পরিবারের পুরো সপ্তাহের উপার্জন !!
তারপরদিন সকালে মাইকেলের বাবা মাইকেলকে আর একটা পুরনো টিশার্ট এনে দিলেন । বললেন, ‘ এবার চেষ্টা করো, ২০০ ডলারে এই টিশার্ট বিক্রি করার ।‘
মাইকেল কিন্তু এবার হাসলোনা । বরং টিশার্ট নিয়ে চিন্তা করতে বসলো কিভাবে এটাকে ২০০ ডলারে বিক্রি করা যায় ।
আমেরিকায় তখন ‘চার্লিস এন্জেলস্’ মুভি জনপ্রিয়তার তুঙ্গে । মুভির বিখ্যাত অভিনেত্রি ফারাহ্ ফওলার সিনেমার প্রোমোশনের কাজে আসলেন নিউইয়র্কে । প্রেস কনফারেন্স শেষে জনস্রোত সামলে অভিনেত্রি যখন গ্রীণরুমে পৌছালেন, দেখলেন, সেখানে ১৩ বছর বয়সের একটি ফুটফুটে কালো কিশোর একটি টিশার্ট নিয়ে দাড়িয়ে ।
‘ম্যা’ম, আমি আপনার একজন অন্ধভক্ত । আপনি কি আমাকে দয়াকরে একটি অটোগ্রাফ দেবেন, আমার এই টিশার্টে ?’
হেসে ফেললেন অভিনেত্রী, এমন সুন্দর শিশুকে না করার প্রশ্নই ওঠে না ।
এর একসপ্তাহ পরে, ব্রুকলিনের নিলামঘরে দেখা গেল এক কালো কিশোরকে । সে মিস ফারাহ্ ফাওলারের নিজের হাতে অটোগ্রাফ দেয়া একটা টিশার্ট নিলাম করতে এসেছে ।
নিলামশেষে টিশার্টটি ১২৫০ ডলার দিয়ে কিনে নিলেন এক ব্যবসায়ী ।
সেদিন রাতে বাবার পাশে ঘুমাবার সময় মাইকেলের বাবা বললেন, ‘ মাইকেল, এই টিশার্ট বিক্রি থেকে তুমি কি শিখলে ?’
মাইকেল গম্ভীর হয়ে উত্তর দেয়, "Where there's a will, there's a way."
মাথা নাড়লেন মাইকেলের বাবা । ‘দেখ, ছেলে, তুমি যা বলেছ, তা সত্যি । কিন্তু আমি তোমাকে শুধু এটাই শেখাতে চেয়েছিলাম যে, সামান্য পুরনো টিশার্টও অনেক টাকায় বিক্রি হতে পারে, যদি তুমি চাও । ঈশ্বর আমাদের জন্ম দিয়েছেন এই বস্তিতে, এই অভাবের সংসারে, তার মানে এই নয়, এখানে আমাদের সারা জীবন কাটাতে হবে । নিজের চেষ্টায়, পরিশ্রমে একদিন আমরাও পারি সফল হতে । হতাশ হলে চলবেনা তোমার, মাইকেল ; বরং জীবনকে ভিন্নভাবে দেখতে শেখো।‘
এই ঘটনার বিশবছর পরে ফোর্বস ম্যাগাজিন, বিশ্বের সর্বোচ্চ উপার্জনকারী খেলোয়াড়টির একটি সাক্ষাৎকার নেয় । ভদ্রলোক বাস্কেটবলের জীবন্ত কিংবদন্তী, যার বাৎসরিক আয় ৪০ মিলিয়নের বেশি, নাইকিসহ হাজার হাজার ব্রান্ডে যার নাম। তিনি বিশ্বের প্রথম বিলিওনিয়ার খেলোয়াড় , বিশ্বের তৃতীয় সবোর্চ্চ আফ্রিকান–আমেরিকান ধনকুবের । সাক্ষাৎকারে তাকে তার সাফল্যের রহস্য জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি আবারও বলেন, "Where there's a will, there's a way."
ভদ্রলোকের নাম মাইকেল জর্ডান ।

Address

Dhaka
1216

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Radio Love Express posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share