24/05/2026
#গল্পের_মত_হলেও_সত্যি
আমার বড় ছেলে ফজলে রাব্বি'কে বিদেশ পাঠাতে গিয়ে যা করতে হলো।
— মো. সহিদ মিয়া
“আমার ছেলে ফজলে রাব্বি’র ১৭ বছর ৩ মাস বয়সে পাসপোর্ট করতে গিয়ে জানতে পারলাম, ২১ বছর দেখিয়ে পাসপোর্ট করতে হবে। তখন জন্মনিবন্ধন নতুন করে সংশোধন করতে হয়। যারা করবে, তাদের জিজ্ঞেস করলাম কত টাকা লাগবে। বললো ৬ হাজার টাকা। তবে এটা জালিয়াতির মতো হবে। আবার তারা বললো, এক বছর অপেক্ষা করলে ভালো হবে।
এরপর বিদেশ বিষয়ে অভিজ্ঞ কয়েকজন ব্যক্তির সঙ্গে পরামর্শ করলাম। তারা বললো, ইউরোপের কোনো দেশে যেতে হলে ১৮ বছর হলেই হবে, আর এশিয়ার দেশে যেতে হলে ২১ বছর লাগবে। তাদের এসব কথা শুনে জন্মনিবন্ধন সংশোধনের কাজ স্থগিত রাখলাম। এর আগে ২ হাজার টাকাও দিয়েছিলাম।
যথারীতি ১৮ বছর পূর্ণ হলো। পাসপোর্ট করাতে দিলাম। এদিকে সুনামগঞ্জে বড় মেয়ের বিয়ের আলোচনা নিয়ে অনেক ব্যস্ততার মধ্যে দিন কাটতে লাগলো। পাশাপাশি অনেক অর্থ ব্যয় করে বড় মেয়েকে বিয়ে দিলাম। একপর্যায়ে টাকা বলতে কিছুই রইলো না। তবুও বাবা হিসেবে সাহস নিয়ে বিভিন্ন মানুষের সঙ্গে পরামর্শ করতে থাকলাম।
এর মধ্যে বাল্যবন্ধু শামসুজ্জামান মাল, ছোট ভাই মারুফ, ছোট ভগ্নিপতি সেলিম, ভাগ্নে গিলমান, ছোট ভাই মুশাহিদসহ অনেক সহচরের পরামর্শক্রমে সিদ্ধান্ত নিলাম। কিন্তু টাকা ছাড়া সিদ্ধান্ত অনেক সময় হতাশায় ভুগায়। ভাবতাম, তবে কি আমি ব্যর্থ বাবা?
একদিন হঠাৎ মনে হলো, ফেসবুকে একটা পোস্ট করি। লিখলাম—
আমি আমার ছেলেকে ইউরোপের কোনো সেনজেন অথবা নন-সেনজেন দেশে ওয়ার্ক পারমিট ভিসায় পাঠাতে চাই। যদি কোনো ভালো মানুষ ভালোভাবে নিতে পারেন, জানাবেন।
এই পোস্ট দেওয়ার পর অনেক বন্ধু-বান্ধব, আত্মীয়-স্বজন, পাড়া-প্রতিবেশী টিটকারি-মশকরা করে মেসেঞ্জারে কথা বলেছে। অনেক মন্তব্যও করেছে, যা আমাকে নার্ভাস করে তুলেছিল। তবুও আমি শত অপমান উপেক্ষা করে পিছনে ফিরে তাকাইনি।
দুই দিনের মাথায় আমার এক বন্ধু মহিউদ্দিন, যার বাড়ি কুমিল্লা, সে আমাকে ফোন দিল। বললো, “বন্ধু, আপনার ছেলে কি আসলেই বড় হয়েছে? বিদেশ যাওয়ার উপযুক্ত?” আমি বললাম, “হ্যাঁ।” সে বললো, “পাসপোর্ট থাকলে আমার কাছে দাও, আমি ভালো কোনো দেশে পাঠিয়ে দেব।”
আমি জিজ্ঞেস করলাম, কোন দেশে সহজে যাওয়া যাবে? সে বললো, অস্ট্রেলিয়া মহাদেশের একটি দেশ আছে—ফিজি। সেখানে সহজে পাঠাতে পারবে। কথা বলতে বলতে একপর্যায়ে সব ফাইনাল হলো। হঠাৎ সে বয়স জিজ্ঞেস করলো। আমি বললাম, এখনো ১৯ হয়নি। তখন সে বললো, “হবে না, এক বছর অপেক্ষা করতে হবে। কারণ ২০ বছর ছাড়া ফিজি হয় না।”
আমি বললাম, এই বছরের ভেতরেই পাঠাতে হবে। তখন সে বললো, “ইউক্রেনে পাঠিয়ে দেই।” আমি কিছু সময় নিলাম। তখন ইউক্রেন-রাশিয়ার যুদ্ধ চলছিল। দুই দিন পর না করে দিলাম।
এরপর সে বললো, “ইউরোপের নন-সেনজেনভুক্ত দেশ নর্থ মেসিডোনিয়ায় পাঠিয়ে দেই।” জিজ্ঞেস করলাম, কত টাকা লাগবে? সে বললো, মোট ১৪ লক্ষ টাকা লাগবে। আমি তখন না করে দিলাম।
সে আবার বললো, “রাশিয়ায় পাঠিয়ে দেই।” আমি জিজ্ঞেস করলাম, সেখানে কত টাকা লাগবে? সে বললো, “টাকা লাগবে না, বরং ৮ থেকে ১০ লক্ষ টাকা দেবে।” আমি জিজ্ঞেস করলাম, “কারণ কী?” সে বললো, “যদি যুদ্ধে নিয়ে যায়, তাহলে এমন হবে।”
আমি তাকে বললাম, “এমন টাকা আমার দরকার নেই,” বলে ফোন কেটে দিলাম।
দুই দিন পর আবার তাকে বললাম, “বন্ধু, নর্থ মেসিডোনিয়ায় পাঠিয়ে দাও আমার ছেলেকে। তবে একটা শর্ত—তোদের এখান থেকে যারা যায়, তাদের দেখে আমি টাকা জমা দেব।”
সে একদিন বললো, “আগামী বৃহস্পতিবারে আমাদের অফিস থেকে পাঁচজন ফ্লাইট করবে। এসে দেখে যেতে পারো।” আমি ঠিক সময়মতো গেলাম। তাদের দেখলাম, তারা অফিস থেকে নর্থ মেসিডোনিয়ার উদ্দেশ্যে রওনা দিল। তখন আমি নিশ্চিত হয়ে বাড়িতে এসে আমার পাঁচ লক্ষ টাকার সাটারিং দেড় লক্ষ টাকায় বিক্রি করি। আরও কিছু ফার্নিচার বিক্রি করে ছেলেকে নিয়ে সরাসরি অফিসে গিয়ে মেডিকেল করাই। পুলিশ ক্লিয়ারেন্সসহ সব কাগজ চার দিনের মধ্যে সংগ্রহ করে জমা দিলাম।
এরপর ছেলেকে ঢাকার আশুলিয়ায় ভেকু মেশিন চালানোর প্রশিক্ষণের জন্য এক মাসের ট্রেনিংয়ে ভর্তি করিয়ে ২২ হাজার টাকা দিয়ে আসি। সব মিলিয়ে এখানে ৫০ হাজার, ফাইল জমা দিতে ৫০ হাজার, এবং এজেন্সিতে দেড় লক্ষ টাকা জমা দিয়ে বাড়িতে ফিরলাম।
সাবমিট করার ৪২ দিনের মাথায় ওয়ার্ক পারমিট এলো। বন্ধু মহিউদ্দিন হোয়াটসঅ্যাপে পাঠিয়ে দিল। আমাদের সমাজের বাঁশতলা ও গাছতলায় বসা কয়েকজন পণ্ডিতকে দেখালাম। তারা এটাকে জাল কাগজ বলে টিটকারি করলো।
আমি মহিউদ্দিনকে জিজ্ঞেস করলাম। সে বললো, “এমন মানুষের কথা কানে নিলে আপনার ছেলে বিদেশ পাঠাতে পারবেন না।” আমি তার কথা বিশ্বাস করে আর কারো সঙ্গে কিছু শেয়ার করিনি।
এরপর আরও ৩৭ দিনের মাথায় অ্যাপ্রুভাল চলে এলো। আমি আশপাশের মানুষের সঙ্গে আলোচনা না করে কয়েকজন উচ্চশিক্ষিত মানুষের সঙ্গে পরামর্শ করলাম। দুইজন বললো খারাপ, আর পাঁচজন বললো অরিজিনাল। কিন্তু আশপাশের সবাই টাকা দিতে নিষেধ করলো।
তখন শুভাকাঙ্ক্ষী কয়েকজন প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী টাকা দিলেন। আমি কারো কথা না শুনে আরও আড়াই লক্ষ টাকা জমা দিলাম। মোট ৪ লক্ষ টাকা দিলাম।
এরপর আরও ৪০ দিনের মাথায় ভারত থেকে স্টিকার ভিসা এলো। তখন আবার টাকা চাওয়া হলো। আমি আর টাকা দিলাম না। তখন বন্ধু মহিউদ্দিন তার স্ত্রীর গায়ের স্বর্ণ বন্ধক রেখে টাকা এনে এজেন্সিতে জমা দিল।
এরপর বিএমইটি অফিস, আগারগাঁওয়ে মেইন পাওয়ারের জন্য ফাইল জমা দেওয়া হলো। কিন্তু “আজ হবে, কাল হবে” করতে করতে ৩৬ দিন পার হয়ে গেল। একসময় মহিউদ্দিনকে পাঠালাম, গিয়ে দেখো টাকা লাগলে টাকা দিয়ে কাজ করিয়ে আনো। টাকা দেওয়া হলো, কিন্তু কোনো কাজ হলো না।
আমি ভাবতে লাগলাম—আল্লাহ জানেন, ভিসা আসল না নকল! নিশ্চিত হতে পারছিলাম না। রাগের মাথায় মহিউদ্দিনকে অনেক কথা বলেছি। কিন্তু সে একবারও রাগ করেনি। শুধু বলেছে, “বন্ধু, শান্ত থাকো। আপনার ছেলের ভিসা অরিজিনাল। আমার প্রতি বিশ্বাস রাখো।”
আমি মহান আল্লাহর কাছে সারা রাত জেগে দোয়া করেছি—
“হে আল্লাহ, আমার আশা কবুল করুন। আমাকে নিরাশ করবেন না।”
এদিকে ভিসা আসার পর অনেক টাকার প্রয়োজন হলো। তখন চাচাদের ডাকলাম, আব্বার সঙ্গে বসার জন্য। সব খুলে বললাম। এখন ভিসা হয়ে গেছে, কিন্তু আরও পাঁচ লক্ষ টাকার প্রয়োজন।
বিভিন্ন কথা কাটাকাটির পর আব্বা বললেন, “আমার হাতে টাকা নেই। তবে যদি সত্যি যেতে পারে, তাহলে নৌকাখালির হাওরের দেড় বিঘা জমি আমার নাতিকে দান করে দিলাম।”
এরপর ছোট চাচা সাইদুল আমিন, তার শ্বশুর, জাবেদ চাচা ও রাসনগরের মুজাম্মেল ভাইকে নিয়ে বসে জমি বিক্রির ব্যবস্থা করলাম। সাদা কাগজে সাক্ষী রেখে ৮০ হাজার টাকা বায়না নিয়ে রাতে বাড়ি ফিরলাম।
ছয় দিন পর, ২৩ তারিখে, বন্ধু মহিউদ্দিন বললো—
“২১ তারিখ ঢাকায় চলে আসবেন। ২৩ তারিখ ফ্লাইট।”
আমি বললাম, “মেইন পাওয়ার হাতে না নিয়ে ঢাকায় যাব না।”
সে বললো, “ঠিক আছে।”
২০ তারিখ আবার ফোন দিয়ে বললো—
“বন্ধু, যদি ছেলেকে বিদেশ পাঠাতে চাও, তাহলে ২১ তারিখই চলে আসতে হবে। মেইন পাওয়ার ছাড়া ফ্লাইট হবে না, কিন্তু ফ্লাইট মিস করলে জীবন নষ্ট হয়ে যাবে।”
শেষ পর্যন্ত তার কথায় রাজি হলাম। আমি তখন পাগলা কুকুরের মতো ছোটাছুটি করতে লাগলাম। মোটামুটি টাকা সংগ্রহ করলাম। অবশিষ্ট সাড়ে তিন লক্ষ টাকা রাসনগরের জাহিদ দেবে—এই দায়িত্ব বাবা, ভাই ও চাচাদের দিয়ে মঙ্গলবার রাতে ছেলেকে নিয়ে বাড়ি থেকে বের হলাম।
বড় বোনের বাসায় গিয়ে উঠলাম। আমার মনে আতঙ্ক, কিন্তু ছেলের মুখে উজ্জ্বল ভবিষ্যতের স্বপ্ন। তার বন্ধুরা প্রায় ২৫ জন তাকে এগিয়ে দিতে এসেছিল।
সেই রাতে আমার বড় বোন আমাকে কিছু টাকা গোপনে দিলেন। বললেন, “কাউকে বলবি না।” আমি সেই টাকা ছেলে রাহির হাতে দিলাম, মায়ের কাছে জমা রাখার জন্য।
এদিকে আবার কয়েকদিন পূর্বে ছেলের মাকে যখন জিজ্ঞেস করি টাকা সংগ্রহ করি কিভাবে তখন সহজ সরল মানুষ ইয়াসমিন তিনি বলছিলেন আমার স্বর্ণ গুলি বিক্রি করলে ২ লক্ষ টাকার মত পাবো এ টাকা গুলি কাজে লাগিয়ে নিবেন, তখন আমি ঠিক দেড় লক্ষ টাকার স্বর্ণ তার মায়ের বিক্রি করে এখানে সংগ্রহ করে রাখছিলাম।
রাতে এনা বাসে মহাখালীর উদ্দেশ্যে রওনা দিলাম। সকাল সাড়ে ছয়টায় মহাখালী পৌঁছালাম। ছেলে ফজলে রাব্বি, ছোট ভাই আরিফ আহমদ এবং বন্ধু মহিউদ্দিন সকাল সাড়ে নয়টার দিকে বনানীতে তার বাসায় নিয়ে গেল।
বুধবার সারাদিন অপেক্ষা করলাম। মেইন পাওয়ার তখনো আসেনি। এক বিভীষিকাময় সময় পার করছিলাম। এদিকে জাহিদের কাছ থেকে সাড়ে তিন লক্ষ টাকাও আসছিল না। চারদিক অন্ধকার হয়ে আসছিল।
বিকাল চারটার দিকে হঠাৎ বড় ভাইকে ফোন দিলাম। বললাম, “ভাইসাব, কিছু টাকার জন্য আমার ছেলের ফ্লাইট মিস হতে পারে।” তিনি সঙ্গে সঙ্গে বিকাশে ৫০ হাজার টাকা পাঠিয়ে দিলেন।
রাত হয়ে গেল। মেইন পাওয়ার তখনো আসেনি। এদিকে ছোট ভাই আলী আহমদ দুই লক্ষ টাকা নিয়ে বাড়ি পৌঁছেছে। পরদিন বৃহস্পতিবার সকাল ১১টার দিকে সেই টাকা ঢাকার ডাচ-বাংলা ব্যাংকে জমা দেওয়া হলো।
এরই মধ্যে মেইন পাওয়ারও চলে এলো। কয়েকজন দেখে বললো নকল, কিন্তু বিএমইটি অফিসের কর্মকর্তা এবং অভিজ্ঞ লোকেরা বললেন, “এটা সঠিক।”
বেলা তখন ১২টা। ছেলে ১টার মধ্যে বিমানবন্দরে যাবে। কিন্তু ব্যাংকে তখনো টাকা ঢোকেনি। আল্লাহ সহায়ক।
রোকন ভাইকে আগেই বলেছিলাম, “ভাই, আপনি এসে আমার ছেলেকে বিদায় করে দেবেন।” তিনি এলেন। সঙ্গে খালেদ সাইফুল্লাহ চাচাও ছিলেন।
রোকন ভাইয়ের ডাচ-বাংলা ব্যাংকের চেকবই এনে চেক কাটলাম। কিন্তু সিলে সমস্যা হওয়ায় চেক আটকে গেল। তখন ম্যানেজার সাহেবের কাছে গিয়ে হাতজোড় করে বললাম, “স্যার, আমার ছেলের ফ্লাইট মিস হয়ে যাবে।”
তিনি আমাদের মুখের দিকে তাকিয়ে দয়া করে স্বাক্ষর করে দিলেন। এদিকে এজেন্সি থেকে একের পর এক ফোন আসছে—
“দ্রুত বিমানবন্দরে যেতে হবে!”
অবশেষে ক্যাশিয়ার টাকা বুঝিয়ে দিলেন। আমি ব্যাগে টাকা ভরে সাততলার অফিসে দৌড়ে উঠলাম। গিয়ে দেখলাম, তারা আমার ছেলেকে নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে।
আমার ছেলে ফজলে রাব্বি পায়ে হাত দিয়ে সালাম করতে চেয়েছিল। কিন্তু আমি শান্ত মাথায় তাকে বিদায়ও দিতে পারিনি। সে চলে গেল, আর আমি টাকা গুনতে ব্যস্ত রইলাম।
সব শেষ করে নিচে নেমে একটি রেস্টুরেন্টে গিয়ে একের পর এক সাত গ্লাস পানি পান করলাম।”
এর পরে মহান আল্লাহর কাছে সঁপে দিলাম, হে আল্লাহ তুমি আমার ছেলেকে তার আশা পূরণ করিও এবং ঐদিন আসরের নামাজ পড়ে আল্লাহর কাছে মোনাজাত করলাম, আর কখনো তোমার কৃতজ্ঞতার অস্বীকার করব না, এবং পাঁচ অক্ত নামাজ পড়ার তৌফিক দিও আমিন
রীতিমতো আমার ছেলেটা তার গন্তব্যস্থানে পৌঁছালো এবং মালিক সাহেব থাকে এয়ারপোর্ট থেকে রিসিভ করে ডিনার গাড়িতে করে নিয়ে গেলেন এখন আমার ছেলেটা ভালো আছে কাজ করতেছি টিআরচি পেয়েছে শুকরিয়া মহান রাব্বুল আলামিনের কাছে,
অনেক কথা ছিল সেইগুলি আর বললাম না অনেকজনে তুচ্ছ তাচ্ছিল্য করছিলেন এই দেব সেই দেব এই করবো সেই করবো ধমক দিয়েছেন আল্লাহ তাদের ভাল রাখুন আমিন
আবার কিছু কিছু মানুষে অর্থ দিয়ে সাহায্য করছেন, যা গায়ের চামড়া দিয়ে তাদের গায়ের পোশাক বানিয়ে দিলেও ঋণ সুদ হবে না, এমন মানুষকে আল্লাহ যুগে-যুগে প্রেরণ করুন আমিন।