NABA Travels & Tours

NABA Travels & Tours Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from NABA Travels & Tours, Travel Agency, Banani, Chairman Bari, Air port Road, Dhaka.

NABA Travels & Tours4 mins · সৌদি আরবে আবাসিক হোটেলে জরুরী নিয়োগডেলিগেট ইন্টার্ভিউ: ৪ঠা এপ্রিল, ২০১৯হটলাইন: 01867811484১...
01/04/2019

NABA Travels & Tours
4 mins ·
সৌদি আরবে আবাসিক হোটেলে জরুরী নিয়োগ
ডেলিগেট ইন্টার্ভিউ: ৪ঠা এপ্রিল, ২০১৯

হটলাইন:
01867811484

১. WAITER
২. STEWARD
৩. ROOM BOY
৪. KITCHEN HELPER

(মক্কা, মদিনা, জেদ্দাতে হাজীগণ এই হোটেলে অবস্থান করেন, তাদের সেবা/সার্ভিসের জন্য উপরোক্ত পদে কর্মী নিয়োগ করা হবে )

বেসিক= (১,০০০+ফুড ২০০)= ১,২০০ সৌদি রিয়াল+ওটি
বাসস্থান+আকামা=কোম্পানি
বেসিক ডিউটি- ৮ ঘণ্টা

বয়সসীমা: ২১ থেকে ৩৫ বছর
জব কন্ট্রাক্ট: ২ বছর (রিনিউএবল)
[প্রার্থীকে বেসিক ইংরেজি অথবা আরবি জানতে হবে]

কোম্পানির নাম: কাওয়াদার প্রো
জব লোকেশন: মক্কা, মদিনা, জেদ্দা

ডকুমেন্ট: পাসপোর্ট+১০ কপি পি.পি সাইজ ছবি (সাদা ব্যাকগ্রাউন্ড)+শিক্ষা/অভিজ্ঞতা সনদ

আবেদনের নিয়ম: ডেলিগেট ইন্টার্ভিউতে অংশগ্রহন করতে প্রকৃত আগ্রহী প্রার্থীগণ এখনই হটলাইনে ডায়াল করে সিরিয়াল গ্রহন করুন। অত:পর নির্দিষ্ট দিনে উপরে উল্লেখিত ডকুমেন্টসহ উপস্থিত হতে হবে। ইন্টার্ভিউতে পাশ করে মেডিকেল ও পুলিশ ক্লিয়ারেন্স রেডি হলে অতি দ্রুত ভিসা ইস্যু হবে।

NABA TRAVELS & TOURS
ট্রাভেল এজেন্সী লাইসেন্স নং: 6630

ভ্রমণ ভিসায় আমিরাতে এসে বিপাকে বহু বাংলাদেশিদীর্ঘ সাত বছর ধরে সংযুক্ত আরব আমিরাতে বাংলাদেশের শ্রমবাজার বন্ধ রয়েছে। দ্বিত...
20/03/2019

ভ্রমণ ভিসায় আমিরাতে এসে বিপাকে বহু বাংলাদেশি

দীর্ঘ সাত বছর ধরে সংযুক্ত আরব আমিরাতে বাংলাদেশের শ্রমবাজার বন্ধ রয়েছে। দ্বিতীয় বৃহৎ এই বাজারে সরাসরি শ্রম ভিসা বন্ধ থাকলেও চালু রয়েছে প্রায় অন্য সব ধরনের ভিসা। অন্যদিকে বিগত এক বছরে দেশটির সরকার ভিজিট বা ভ্রমণ ভিসা অনেকটা সহজ করায় সেই সুযোগ নিয়ে বহু বাংলাদেশি এসেছে দেশটিতে। কিন্তু কাজের উদ্দেশে ভিজিট ভিসা নিয়ে আমিরাতে আসলেও তাদের অনেকের ভিসার মেয়াদ শেষ হয়ে গেলেও দেশে ফিরে যাননি। যে কারণে এসব বাংলাদেশিরা আতঙ্কিত হয়ে রয়েছেন দেশটিতে।

আমিরাত সরকারের দেওয়া ভ্রমণ ভিসা নিয়ে অনেক বাংলাদেশি দেশটিতে এসে ‘ইনভেস্টর ভিসা’ বা বিনিয়োগকারীর ভিসা নিয়ে বৈধ হলেও, অনেকে তা পারেননি। এরই মধ্যে সম্প্রতি আমিরাত সরকার দেশটিতে অবৈধদের জায়গা দিলে মালিকদের মোটা অঙ্কের জরিমানা, এমনকি কারাদণ্ড দেওয়ার ঘোষণা দেওয়ায় আতঙ্কিত হয়ে পড়েছেন ভিজিট ভিসাধারীরা।

আমিরাতের আইন অনুযায়ী ভিজিট ভিসায় কেউ দেশটিতে প্রবেশ করে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ফিরে না গেলে তারা অবৈধ হিসেবে চিহ্নিত হবেন।

এছাড়া যারা সরকারের দেওয়া সাধারণ ক্ষমা গ্রহণ করে দেশটিতে ‘জব সিকার’ ভিসা গ্রহণ করে দেশটিতে বৈধ হননি কিংবা নিজ দেশে ফিরে যাননি তাদের বিরুদ্ধেও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে। দু’য়ে মিলে সরকারের এমন কঠোর সিদ্ধান্তে গ্রেপ্তার এবং জরিমানার আতঙ্কে রয়েছেন বাংলাদেশি প্রবাসীরা।

ইতিমধ্যে একটি প্রতিষ্ঠান আইন অমান্য করে স্পন্সরশিপ ছাড়া একজন শ্রমিককে কাজে নেওয়ার অপরাধে চলতি মাসের প্রথম সপ্তাহে আবুধাবির সুপ্রিম কোর্ট ওই প্রতিষ্ঠানকে ৫০ হাজার দিরহাম (প্রায় ১২ লাখ টাকা) জরিমানা করে এবং অবৈধভাবে বসবাসকারী কর্মীকে ২ মাসের জেল ও দেশ ত্যাগের নির্দেশ দেয়।

প্রতিষ্ঠানটির জরিমানা ও শ্রমিকের জেল হওয়ার সংবাদটি স্থানীয় ইংরেজি গণমাধ্যমে প্রচার হওয়ার পর থেকে এখানকার বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান এবং ভ্রমণ ভিসায় এসে যারা অবৈধভাবে দেশটিতে কাজ করছেন তাদের মধ্যে আতঙ্ক আরও বেড়ে গেছে।

আমিরাতের দুবাইয়ে কর্মরত বেশ কিছু বাংলাদেশি নাম না জানানোর শর্তে বলেন, ‘কাজের জন্য ৮ মাস আগে দুবাইয়ে এসেছিলাম ভিজিট ভিসায়, আমাদের অনেকে ইনভেস্টর ভিসা লাগিয়ে কাগজপত্র সম্পন্ন করে বৈধ হয়েছে, কিন্তু আমরা পারিনি।’

ওই বাংলাদেশি আরও বলেন, ‘ভিজিট ভিসায় কিংবা অবৈধদের দেশে এখন আর কেউ কাজ দেয় না। আমিরাত সরকার অবৈধ প্রবাসীদের বিষয়ে কঠোর অবস্থানে থাকায় আগে অনেকেই কাজ পরিবর্তন করে এদেশে থাকতে পারলেও এখন আর সে সুযোগ নেই।’

প্রসঙ্গত, ২০১৮ সালের আগস্ট মাস থেকে ডিসেম্বরের ৩১ তারিখ পর্যন্ত সকল অবৈধ অভিবাসীদের বৈধতার সুযোগ করে দিয়েছিল আমিরাত সরকার। ২০১৯ সালের শুরু থেকে আমিরাতে অবৈধভাবে বসবাসকারীদের কাজ না দেওয়ার জন্য সকল প্রতিষ্ঠানকে জানিয়ে দেওয়া হয়।

উল্লেখ্য, সংযুক্ত আরব আমিরাত বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম শ্রমবাজার। দেশটিতে প্রায় সাড়ে সাত লাখ বাংলাদেশি রয়েছে। ২০১২ সাল থেকে বাংলাদেশিদের জন্য শ্রম ভিসা বন্ধ করে দেওয়ায় শ্রমিক রপ্তানি বন্ধ রয়েছে দেশটিতে। কিন্তু অন্য ভিসা লাগিয়ে বহু বাংলাদেশি দেশটিতে আসলেও,ভিসা ট্রান্সফারের সুযোগ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় বিপাকে পড়েছেন অনেকেই। সাধারণ ক্ষমার আওতায় এসব বাংলাদেশিদের অনেকে দেশে ফিরলেও কাজের আশায় যারা দেশটিতে থেকে গেছেন তাদের অনেকে এখন গ্রেপ্তার আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন.

বিনা খরচে হোটেল ও পর্যটন সেক্টরে দক্ষতা উন্নয়ন প্রশিক্ষণ দেবে সেইপ।।হোটেল ও পর্যটন সেক্টরে দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য বিনামূল্য...
28/02/2019

বিনা খরচে হোটেল ও পর্যটন সেক্টরে দক্ষতা উন্নয়ন প্রশিক্ষণ দেবে সেইপ
।
।
হোটেল ও পর্যটন সেক্টরে দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য বিনামূল্যে সম্পূর্ণ সরকারি খরচে প্রশিক্ষন দিবে ইন্ড্রাস্ট্রি স্কিল কাউন্সিল ফর ট্যুরিজম এন্ড হসপিটালিটি (আইএসসিটিএইচ)। বাংলাদেশ সরকারের অর্থ মন্ত্রনালয়ের আর্থিক সহায়তায় ‘স্কিলস ফর এমপ্লয়মেন্ট ইনভেস্টমেন্ট প্রোগ্রাম (সেইপ)’ প্রকল্পের অধীন আইএসসিটিএইচের তত্ত্বাবধানে এ প্রশিক্ষণ দেয়া হবে।

প্রশিক্ষণের কোর্সসমূহ হচ্ছে:
• ফুড এন্ড বেভারেজ প্রোডাকশন
• ফুড এন্ড বেভারেজ সার্ভিস
• হাউজ কিপিং
৪ মাস (৫০০ ঘন্টা) মেয়াদী এই প্রশিক্ষণ কোর্সসমূহে ভর্তিতে আগ্রহীদের অবশ্যই এসএসসি ও সমমান পাস হতে হবে। মহিলা ও পুরুষ উভয় প্রার্থীই আবেদন করতে পারবে।

প্রশিক্ষণকালীন প্রশিক্ষনার্থীদের টিফিন ও যাতায়াত ভাতা দেয়া হবে। এছাড়া প্রশিক্ষণ শেষে উত্তীর্ণদের সনদ প্রদান করা হবে। উত্তীর্ণ প্রশিক্ষনার্থীদের প্রশিক্ষণ শেষে দেশে এবং বিদেশে চাকরির ব্যবস্থা করা হবে।

ভর্তির জন্য বাংলদেশ হোটেল ম্যানেজমেন্ট এন্ড ট্যুরিজম ট্রেনিং ইনস্টিটিউটে (hotelmanagementbd.com) অথবা ০১৭১২-১৬৮১৯০ যোগাযোগ করতে হবে। আবেদনের শেষ সময়: ১০ মার্চ, ২০১৯।

এ কোর্স সমূহের ভর্তি পরীক্ষা আগামী ৩০ মার্চ, ২০১৯ অনুষ্ঠিত হবে।

সম্পূর্ণ সরকারি খরচে ড্রাইভিং প্রশিক্ষণ ও ভাতা দেবে সরকার।।বিআরটিসিবিআরটিসিবিনামূল্যে সম্পূর্ণ সরকারি খরচে মোটরযান ড্রাই...
22/02/2019

সম্পূর্ণ সরকারি খরচে ড্রাইভিং প্রশিক্ষণ ও ভাতা দেবে সরকার
।
।

বিআরটিসি
বিআরটিসি

বিনামূল্যে সম্পূর্ণ সরকারি খরচে মোটরযান ড্রাইভিং ও রক্ষণাবেক্ষন (হালকা ও ভারী) প্রশিক্ষণ দেবে বিআরটিসি ট্রেনিং ইনস্টিটিউট। অর্থমন্ত্রনালয়ের ‘স্কিল ফর এমপ্লয়েমেন্ট ইনভেস্টমেন্ট প্রোগ্রাম’র আওতায় রাজধানীর তেজগাঁওয়ে অবস্থিত বিআরটিসির প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে এ প্রশিক্ষণ দেয়া হবে।

৪ মাস মেয়াদী এ প্রশিক্ষণ কোর্স দুটিতে আবেদনের জন্য প্রার্থীকে সর্বনিম্ন ৮ম শ্রেণী পাস হতে হবে। হালকা মোটরযান ড্রাইভিং ও রক্ষণাবেক্ষন প্রশিক্ষণ কোর্সে আবেদনের ক্ষেত্রে আবেদনকারীর বয়স ২০ থেকে ৩৫ বছরের মধ্যে হতে হবে। এছাড়া ভারী মোটরযান ড্রাইভিং ও রক্ষণাবেক্ষন প্রশিক্ষণ কোর্সে আবেদনের ক্ষেত্রে আবেদনকারীর বয়স ২০ থেকে ৪৫ বছরের মধ্যে হতে হবে। প্রার্থীর অবশ্যই জাতীয় পরিচয় পত্র থাকতে হবে এবং প্রার্থীকে অবশ্যই শারীরিকভাবে সুস্থ থাকতে হবে। সুবিধাবঞ্চিত গোষ্ঠী, নারী, দরিদ্র এবং উপজাতি প্রশিক্ষণের সুযোগ দানে প্রার্থীদের অগ্রাধিকার প্রদান করা হবে।
।
।
নির্বাচিত প্রশিক্ষণার্থীদের উপস্থিতির ভিত্তিতে দৈনিক ১০০ টাকা হারে যাতায়াত ভাতা প্রদান করা হবে। এছাড়া প্রশিক্ষণ শেষে দেশে ও বিদেশে কর্মসংস্থান প্রাপ্তিতে সহায়তা করা হবে। এছাড়া ইংরেজী ও আরবী ভাষায় প্রশিক্ষণ প্রদান করা হবে। প্রশিক্ষণ শেষে প্রত্যেক প্রশিক্ষনার্থীকে মূল্যায়নের ভিত্তিতে সনদ প্রদান করা হবে।

প্রশিক্ষণের জন্য প্রার্থীকে আগামী ০৩ মার্চ, ২০১৯ মধ্যে স্ব শরীরে বিআরটিসি ট্রেনিং ইনস্টিটিউটে উপস্থিত হয়ে আবেদন করতে হবে।
আগামী ০৭ মার্চ, ২০১৯ হতে ক্লাস শুরু হবে।

প্রশিক্ষণ সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য ০১৯২৬৮৫০৭২৮ নম্বরে ফোন করে অথবা সরাসরি রাজধানীর তেজগাঁও-এ অবস্থিত প্রশিক্ষণ কেন্দ্র থেকে জানা যাবে।

20/02/2019

আবারও চালু হচ্ছে আমিরাতের শ্রমবাজার
দীর্ঘদিন বন্ধ থাকা সংযুক্ত আরব আমিরাতের শ্রমবাজার আবারও চালু হতে যাচ্ছে। ভিসা চালুর ক্ষেত্রে আনুষ্ঠানিক কিছু প্রক্রিয়া শেষ হলেই আমিরাতের শ্রমবাজার উন্মুক্ত হবে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন ।

সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রধানমন্ত্রী ও উপ-রাষ্ট্রপতি, দুবাইয়ের শাসক শেখ মোহাম্মদ বিন রাশিদ আল মাকতুমের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দ্বিপাক্ষিক বৈঠক শেষে তিনি এসব কথা বলেন।

রাজধানী আবুধাবি ন্যাশনাল এক্সিবিশন সেন্টারে সোমবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) স্থানীয় সময় বিকেলে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে দুবাইয়ের ক্রাউন প্রিন্স শেখ হামদান বিন মোহাম্মাদ বিন রশিদ আল মাকতুম, আমিরাতের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সাইফ বিন জায়েদ, পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্দুল্লাহ বিন জায়েদ, বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আবদুল মোমেন, প্রবাসীকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ইমরান আহেমদ, প্রেস সচিব ইহসানুল করিম ও প্রধানমন্ত্রীর কন্যা সায়মা ওয়াজেদ হোসেন পুতুল উপস্থিত ছিলেন।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আমিরাতের সফর সফল উল্লেখ করে বলেন, তার (শেখ হাসিনা) একান্ত প্রচেষ্টার সুফল হিসেবে আমিরাতে আবারও শ্রমবাজার উন্মুক্ত হতে যাচ্ছে।

এর আগে আমিরাতের স্থানীয় সময় বিকেল ৪টায় আবুধাবির যুবরাজ শেখ মোহাম্মদ বিন জায়েদ বিন সুলতান আল নাহিয়ানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এছাড়া দেশটির প্রতিষ্ঠাতা প্রেসিডেন্ট প্রয়াত শেখ জায়েদ বিন সুলতান আল নাহিয়ানের সহধর্মিণী শাইখা ফাহিমা বিনতে মুবারক আল কেতবির সঙ্গে দুপুরের মধ্যাহ্নভোজে অংশ নেন তিনি।

আইইএলটিএস` হচ্ছে ইংরেজি ভাষায় দক্ষতার সনদ, যা আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত।IELTS (The International English Language Testing ...
12/02/2019

আইইএলটিএস` হচ্ছে ইংরেজি ভাষায় দক্ষতার সনদ, যা আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত।IELTS (The International English Language Testing System)। যাদের মাতৃভাষা ইংরেজি নয় তাদের অনেক দেশে উচ্চশিক্ষা কিংবা ভিসার আবেদন করতে ভালো আইইএলটিএস স্কোর থাকতে হয়। আইইএলটিএস পরীক্ষাপদ্ধতি দুই ধরনের, ‘একাডেমিক’ ও ‘জেনারেল’। উচ্চশিক্ষায় বিদেশে যেতে ইচ্ছুক পরীক্ষার্থীদের ‘একাডেমিক আইইএলটিএস’ টেস্টে অংশ নিতে হয়। যে কেউ এ পরীক্ষায় অংশ নিতে পারে। এ জন্য কোনো শিক্ষাগত যোগ্যতার প্রয়োজন নেই।

গ্রহণযোগ্যতা বিশ্বজুড়ে
ইউনিভার্সিটি অব ক্যামব্রিজ সূত্রে জানা যায়, ১৪ লাখের বেশি শিক্ষার্থী ও পেশাজীবী উচ্চশিক্ষা ও চাকরির লক্ষ্যে প্রতিবছর আইইএলটিএস পরীক্ষায় অংশ নেন। ব্রিটিশ কাউন্সিল বাংলাদেশের এক্সামিনেশনস ডাইরেক্টর পিটার এশটন জানান, উচ্চশিক্ষা ছাড়াও অস্ট্রেলিয়া, কানাডা, যুক্তরাজ্যসহ অনেক দেশে ইমিগ্রেশনের ক্ষেত্রে আইইএলটিএস স্কোর থাকা বাধ্যতামূলক। গ্রহণযোগ্যতার ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিকভাবে টোফেলের চেয়ে অনেক এগিয়ে আইইএলটিএস।

পরীক্ষা পরিচালনা
ইউনিভার্সিটি অব ক্যামব্রিজ, ব্রিটিশ কাউন্সিল ও আইডিপি অস্ট্রেলিয়া যৌথভাবে পরিচালনা করে আইইএলটিএস পরীক্ষা। এ পরীক্ষায় নীতি নির্ধারক কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয় হলেও বিশ্বব্যাপরী পরীক্ষা পরিচালনা ও শিক্ষার্থীদের কাছে তথ্য পৌছে দেওয়ার মূল ভূমিকা পালন করছে বিট্রিশ কাউন্সিল ও আইডিপি অস্ট্রেলিয়া। সারা বিশ্বে একই প্রশ্নপত্র ও অভিন্ন নিয়মে পরিচালিত হয়।

কিছু ভুল ধারণা
অনেকেই মনে করেন আইইএলটিএস অনেক কঠিন একটি পরীক্ষা। আসলে এটি ভুল ধারণা। ব্রিটিশ কাউন্সিল সূত্র মতে, ইংরেজিতে মোটামুটি দক্ষ হয়েও এ পরীক্ষায় ভালো স্কোর সম্ভব। যদিও যুক্তরাজ্য, অস্ট্রেলিয়া কিংবা পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতে যেভাবে আইইএলটিএস পরীক্ষা পরিচালিত হয় বাংলাদেশেও এর ব্যতিক্রম নয়।

পরীক্ষা পদ্ধতি
দুটি মডিউলে আইইএলটিএস পরীক্ষা দেওয়া যায়। একাডেমিক এবং জেনারেল ট্রেনিং। স্নাতক, স্নাতকোত্তর অথবা পিএইচডি পর্যায়ে পড়াশোনার জন্য একাডেমিক মডিউলে পরীক্ষা দিতে হয়। কোনো কারিগরি বিষয় বা প্রশিক্ষণে অংশ নিতে হলে সাধারণত জেনারেল ট্রেনিং মডিউলে পরীক্ষা দিতে হয়। এ ছাড়া সেকেন্ডারি স্কুলে ভর্তি এবং ইমিগ্রেশনের জন্য জেনারেল ট্রেনিং মডিউলে পরীক্ষা দিতে হবে। আইইএলটিএস পরীক্ষায় বসার আগে জেনে নিন কোন মডিউলে আপনাকে পরীক্ষা দিতে হবে। দুটো পদ্ধতিতে পার্থক্য খুব সামান্য। আইইএলটিএস পরীক্ষায় দুই ধরনের মডিউলেই চারটি অংশ থাকে। Listening, Reading, Writing ও Speaking।

লিসেনিং (Listening)
কথোপকথন শুনে বোঝার ক্ষমতা যাচাই করা হয় এ অংশে। চারটি বিভাগে মোট ৪০টি প্রশ্নের উত্তর দিতে হয়। আপনাকে একটা প্যাসেজ ইংরেজিতে বাজিয়ে শোনানো হবে, আর সামনে থাকবে প্রশ্নপত্র, ঐ শোনার ভিত্তিতে আপনাকে উত্তর করতে হবে, কী বোঝানো হয়েছে ঐ অডিও টেপে। মোটামুটি ৩০ মিনিটের পরীক্ষা হয়। শেষ ১০ মিনিটে উত্তরপত্রে উত্তর লিখতে হয়। একটি বিষয় কেবল একবারই বাজিয়ে শোনানো হয়। কোনো অংশ শুনে না বুঝতে পারলে সেটা নিয়ে আর মাথা না ঘামানোই ভালো। কারণ, এতে পরবর্তী প্রশ্নগুলোর উত্তর বুঝতে না পারার ঝুঁকি থাকে। সঠিক উত্তর বেছে নেওয়া, সংক্ষিপ্ত উত্তর, বাক্য পূরণ ইত্যাদি নানা ধরনের প্রশ্ন থাকতে পারে।

রিডিং (Reading)
অধিকাংশ শিক্ষার্থীদের মতে IELTS এর সবগুলো পার্টের মধ্যে এটি কঠিন মনে হয়। এখানে তিনটি বিভাগে ৪০টি প্রশ্নের উত্তর দিতে হয়। সময় এক ঘণ্টা। Reading-এ টেস্ট করা হয় একটা প্যাসেজ পড়ে বোঝার ক্ষমতা। আপনাকে বিশাল বিশাল তিন-চারটা প্যারাগ্রাফ দেয়া হবে, তার থেকে আপনাকে অত্যন্ত সিম্পল সিম্পল উত্তর দিতে হবে। কিন্তু ঐ সিম্পল সিম্পল উত্তরগুলো আপনি সহজে পারবেন না, যদি না আপনি প্যাসেজটা ঠিকমতো বুঝতে পারেন। প্যাসেজটা আপনি ঠিকমতো বুঝতে হলে আপনাকে প্রচুর সময় ব্যয় করতে হবে, আর তাহলে বাকি প্যাসেজে সময় কমে আসবে। এভাবেই এই সহজ পরীক্ষাটা সব পরীক্ষার্থীর জন্য কঠিন হয়ে দাঁড়ায়। অর্থাৎ এই পরীক্ষায় আপনি যদি কিছু কৌশল রপ্ত না করে চলে যান, তাহলে সময়ের সাথে পাল্লা দিয়ে পারবেন না, সে আপনি যতই কনফিডেন্ট হোন না কেন? ইংরেজি মিডিয়ামের শিক্ষার্থীরা এক্ষেত্রে ব্যতিক্রম হতে পারেন। এখানেও বাক্য পূরণ, সংক্ষিপ্ত উত্তর, সঠিক উত্তর খুঁজে বের করা ইত্যাদি প্রশ্ন থাকবে। পড়ার সময় গুরুত্বপূর্ণ অংশগুলোয় দাগ দিয়ে রাখুন। উত্তর খুঁজে পেতে সুবিধা হবে।

রাইটিং (Writing)
এখানে যাচাই করা হয় আপনি কতটুকু কল্পনাশক্তি খাটাতে পারেন এবং একটা বিষয়ের উপরে লিখতে পারেন। এক ঘণ্টায় দুটি প্রশ্নের উত্তর লিখতে হবে। দ্বিতীয় প্রশ্নটিতে প্রথম প্রশ্নের চেয়ে দ্বিগুণ নম্বর থাকে। এজন্য শুরুতেই দ্বিতীয় প্রশ্নটির উত্তর ভালোভাবে লিখতে পারেন। প্রথম প্রশ্নটিতে মোটামুটি ২০ মিনিট সময় দিতে পারেন। অন্তত ১৫০ শব্দের উত্তর লিখতে হবে। দ্বিতীয় প্রশ্নটির উত্তর দিতে ৪০ মিনিট নিতে পারেন। অন্তত ২৫০ শব্দ লিখতে হবে। শব্দসংখ্যা একটু বেশি হলে ক্ষতি নেই। কিন্তু কম হলে নম্বর কমে যাবে। প্রথম প্রশ্নটিতে সাধারণত কোনো চার্ট, ডায়াগ্রাম থাকে। এ থেকে নিজের কথায় বিশ্লেষণধর্মী উত্তর লিখতে হয়। দ্বিতীয় প্রশ্নটিতে সাধারণত কোনো বিষয়ের পক্ষে, বিপক্ষে মত বা যুক্তি উপস্থাপন করতে হয়।

স্পিকিং (Speaking)
এখানে কোনো লেখালেখী নেই। আপনাকে নির্দিষ্ট দিনে পরীক্ষাস্থলে (সাধারণত ব্রিটিশ কাউন্সিলে) যেতে হবে। সেখানে দু-তিনজন পরীক্ষকের সামনে আপনাকে বসতে হবে। তাঁরা আপনাকে বিভিন্নভাবে ইংরেজিতে প্রশ্ন করবেন, আপনি তাঁর উত্তর দিবেন। তিনটি অংশে মোটামুটি ১১ থেকে ১৪ মিনিটের পরীক্ষা হয়। প্রথম অংশে পরীক্ষার্থীকে কিছু সাধারণ প্রশ্ন করা হয়, যেমন - পরিবার, পড়াশোনা, কাজ, বন্ধু ইত্যাদি। চার থেকে পাঁচ মিনিটের মধ্যে উত্তর দিতে হয়। দ্বিতীয় অংশে একটি নির্দিষ্ট বিষয়ে এবং দুই মিনিট কথা বলতে হয়। এর আগে চিন্তা করার জন্য এক মিনিট সময় দেওয়া হয়। তৃতীয় অংশে চার থেকে পাঁচ মিনিটের জন্য পরীক্ষকের সঙ্গে কোনো নির্দিষ্ট বিষয়ে কথোপকথন চালাতে হয়।

প্রস্তুতি
আইইএলটিএস পরীক্ষা নিয়ে উতৎকণ্ঠার কিছু নেই। নিয়মিত প্রস্তুতি নিয়ে যথেষ্ট ভালো স্কোর করা সম্ভব। শুরুতেই আপনার লক্ষ্য ঠিক করে নিন। তবে ইংরেজিতে আপনার এত দিনকার যা দক্ষতা, সে অনুযায়ীই লক্ষ্য ঠিক করবেন। রাতারাতি ভালো স্কোর করা সম্ভব নয়। আবার ইংরেজিতে আপনি যথেষ্ট দক্ষ হলেও কোনো প্রস্তুতি ছাড়া পরীক্ষা দিয়ে আশানুরূপ স্কোর করা সম্ভব নয়। রোজকার কাজের মধ্যেই অন্তত ৩০ মিনিট সময় বরাদ্দ রাখুন এ জন্য। কত দিন ধরে প্রস্তুতি নেবেন, এটা আপনার দক্ষতার ওপর নির্ভর করে। অন্তত তিন মাস সময় হাতে রাখা ভালো। প্রশ্নপত্র সমাধান করাটা প্রস্তুতির জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ। ঘড়ি ধরে প্রশ্নপত্র সমাধান করুন। সম্ভব হলে পরীক্ষার পরিবেশে একসঙ্গে সব অংশের পরীক্ষা দিন।

কেমব্রিজ থেকে প্রকাশিত আইইএলটিএস পরীক্ষার প্রশ্নপত্র নীলক্ষেতে কিনতে পাওয়া যায়। এগুলো সমাধান করুন। বাজারে অসংখ্য বই পাবেন। তবে সবই নির্ভরযোগ্য এ কথা বলা যায় না। এ পরীক্ষার জন্য কোচিং করবেন কি না এটা সম্পূর্ণ আপনার সিদ্ধান্ত। তবে যা-ই করুন বাড়িতে নিজে পড়াশোনা করতে হবে। আইইএলটিএস নিবন্ধনের সময় প্রস্তুতির জন্য দুটি ছোট বই দেওয়া হয়। এগুলো ভালোমতো পড়ুন ও সমাধান করুন। ব্যাকরণের অনেক খুঁটিনাটি জানতে পারবেন। আবার এমন অনেক বিষয়, যা স্কুল-কলেজে পড়েছেন কিন্তু এখন মনে নেই, তা ঝালিয়ে নিতে পারবেন। এ পরীক্ষা নিয়ে অনেকের কাছ থেকে অনেক রকম কথা শুনতে পাবেন। এতে দ্বিধা বা উত্কণ্ঠায় ভুগবেন না। আইইএলটিএস সম্পর্কে যেকোনো তথ্য পেতে সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য মাধ্যম হলো ব্রিটিশ কাউন্সিল এবং আইডিপি, বাংলাদেশ। ব্রিটিশ কাউন্সিলের লাইব্রেরিতে প্রস্তুতির জন্য প্রচুর ভালো বই পাবেন। তবে এগুলো ব্যবহারের জন্য লাইব্রেরির সদস্য হতে হবে। নীলক্ষেত থেকে যেনতেন বই কিনে অর্থ ও সময় নষ্ট না করাই ভালো। কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়, আইডিপি অস্ট্রেলিয়া এবং ব্রিটিশ কাউন্সিলের সরাসরি তত্ত্বাবধানেই আইইএলটিএস হয়। তাদের কাছ থেকেই যখন সরাসরি তথ্য পাচ্ছেন, তখন অন্য কোথাও যাওয়াটা মোটেও বুদ্ধিমানের কাজ নয়।

বই পরিচিতি
Listening: লিসেনিং-এর জন্য Cambridge-এর সিরিজ আছে। খুব ভালো। তবে প্রথম দুটো (মানে 1 এবং 2 খুব সাধারণ মানের)। ভালো কিছু শেখা যাবে 3, 4, 5, 6 -এই বইগুলো থেকে। এই বইগুলো CD-সহ কিনতে হবে। অথবা কারো থেকে পেনড্রাইভে সফ্‌ট কপিও সংগ্রহ করে নিতে পারেন।
Reading: অধিকাংশ শিক্ষার্থীদের মতে রিডিং-এর জন্য Saifur’s-এর বইটা সহজ এবং বোধগম্য।
Writing: রাইটিং-এর জন্য ভালো বই হচ্ছে Moniruzzaman’s IELTS Writing বইটি।
Speaking: স্পীকিং-এর জন্য Khan’s Cue-Card 1 এবং 2 বেশ কার্যকরী।

18/12/2018

সবচেয়ে কম দামে সকল দেশের এয়ার টিকেট
NABA TRAVELS & TOURS

Address

Banani, Chairman Bari, Air Port Road
Dhaka
1207

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when NABA Travels & Tours posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

Category