Shoaib's Family Vlog

Shoaib's Family Vlog জীবন ডাইরি থেকে নেয়া ছেড়া কিছু পাতা।
(8)

টানা এক সপ্তাহ দুইটা কোটেশন রেডি করতে ১০০ এর বেশি মানুষের সাথে ঘন্টার পর ঘন্টা কথা বলা,  দুইদিন  মেয়েকে আপুর কাছে রেখে ম...
04/05/2026

টানা এক সপ্তাহ দুইটা কোটেশন রেডি করতে ১০০ এর বেশি মানুষের সাথে ঘন্টার পর ঘন্টা কথা বলা, দুইদিন মেয়েকে আপুর কাছে রেখে মার্কেটে কয়েক ঘন্টা হেটে, আর অনেকের সাথে বিনা স্বার্থে সরাসরি রিকোয়েস্ট করে হেল্প নিয়ে।

সোর্সদের সাথে ঘন্টার পর ঘন্টা কথা বলে, তাদেরকেও একই কাজ করতে হয়েছে এই দুই কোটেশনের জন্য। এরপর টানা কয়েক ঘন্টা হিসেব করে মিটিং করে যখন কোটেশন রেডি করলাম জমা দেয়ার জন্য তখন বলে ভাই এইটার সময় আর নেই, কারণ কক্সবাজার জমা দিতে হবে তাই ডেইটের একদিন আগেই পাঠাতে হয়। জমা দিয়েছি কাজ পেলে অবশ্যই আপনার সাথে যোগাযোগ করবো আর একটা সময়ের জন্য ডকুমেন্টস ঠিকঠাকভাবে জমা করতে পারিনি।

অসংখ্য টেন্ডারের মাঝে কিছু টেন্ডার থাকে ভালো কিন্তু এরেঞ্জ করা অনেক চ্যালেঞ্জিং এই জন্যই আমার জন্য ভালো ।
তবে আমি যেমন যানতামনা যে সময়ের একদিন আগে কোটেশন জমা দিতে হবে আবার কোটেশন রেডি করতে সময়ও কম দিতে পারছি নিজে।

আবার দেড় বছর পর সোর্সদের সাথে যোগাযোগ করে সময়মত তাদের পাওয়া যায়না। কেউ বিদেশ, কেউবা আগের কোম্পানি ছেড়ে দিয়েছে।

আবার আগের প্রসেসিং থাকলে প্রথম দিন থেকেই হয়তো জানতাম যে একদিন আগে জমা দিতে হবে।

সব কিছু একা করতে হচ্ছে তাই অফিস ওয়ার্কে ঘাটতি হয়ে যাচ্ছে এটাও অনেক বড় কারণ বা সবচেয়ে বড় কারণ।

যে পরিমাণ কোটেশন এখন সে পরিমাণ সময় ফ্রেস মাইন্ড নিয়ে দিতেও পারছিনা।

গত মাসে একটা কাজ পেয়েও হারিয়েছি ফ্যাক্টরির ছোট্ট অথছ গুরুতর ভুলে। আগের প্রসেসিং থাকলে হয়তো এমন হতো না।

কয়দিন একটানা আমানুষিক টেনশান নিয়ে কাজ করে, কিছু মানুষের মাঝে আশার সঞ্চার করে কোটেশন ঠিকভাবে ড্রপ করতে না পারার জন্য বড্ড বেশি অশান্তি লাগছে।

সবচেয়ে বড় সমস্যা হচ্ছে ভালো সোর্স ঠিক রাখা। ইম্পোর্টার আর হোলসেল মার্কেটের লোকজন তো প্রাইসের কথা বললেই সময় দিতে চায়না। ১০ জনের মাঝে একজন এরেঞ্জ করাই যুদ্ধের সামিল।

কাজ না পেলেও এর ১০০ ভাগের একভাগ হতাশা লাগেনা এবং লাগতোও না।

কাজের জন্য আমার পর্যাপ্ত সময় এবং শান্ত মন জরুরী অনেক কিন্তু এর কোনটাই নাই আমার।

পরশু কাজে যখন বাইরে ছিলাম তখন মা আমার ফোন দিয়ে ক্ষুদার কথা বলে কান্না করে দিয়েছে। কারন সকাল আর দুপুরের খাবার একসাথে খেলে বিকেলে আবার ভরপেট ক্ষুদা লাগে। আমার মার ক্ষেত্রেও তা হয়েছে। খাবারের অভাব নাই কিন্তু আমি খাওয়াতেও পারিনি। বাসে বসে বসে ক্ষুদার জন্য মেয়ের চোখের পানি দেখেছি নিজে কিছু না করতে পারার যন্ত্রনা নিয়ে।

গত দুই সপ্তাহ এইভাবেই কাজ করে যাচ্ছি।

অবশ্য দৃড় বিশ্বাস আল্লাহ যা করেন ভালোর জন্যই করেন।

 #এরশাদ শিকদারের ফাঁ*সীর জন্য তার মা দায়ী। অধিকাংশ কিশোরের মত আমারও রোম হর্ষক কাহিনী, দুর্ধর্ষ  ঘটনা সেটা যাই হোক, চরম ব...
28/04/2026

#এরশাদ শিকদারের ফাঁ*সীর জন্য তার মা দায়ী।

অধিকাংশ কিশোরের মত আমারও রোম হর্ষক কাহিনী, দুর্ধর্ষ ঘটনা সেটা যাই হোক, চরম বিপদজনক অবস্থা বা ঘটনায়ই অনেক বেশি আকর্ষণ করতো, এখনো করে ।

আমি যখন কৈশোরে পা দিয়েছি, যে বয়সে হিরোইজম, ক্ষপতা, পাওয়ার, একটু মা*স্তান মা*স্তান টাইপ, সবাই আমারে ডরায় এমন ভাবতেই শইলডায় একটা ভাব আইতো আরকি।

সেই সময় সারা দেশের দুর্ধর্ষ কিছু স*ন্ত্রাসী মাফিয়ার ঘটনা মানুষের মুখে মুখে। বিশেষ করে কিছু স*ন্ত্রাসীর কাহিনী যে কোন গল্প সিনেমা বা কল্প কাহিনীকেও হার মানিয়েছিল মানুষের মুখরোচক প্রচারণায়।

তাদের মাঝে সবচেয়ে ভয়ংকর খেতাব প্রাপ্তদের মাঝে ছিল, এরশাদ শিকদার,, জয়নাল হাজারী, কালা জাহাঙ্গীর, সুব্রত বাইন, বিকাশ-প্রকাশ, পিচ্চি হান্নান, ডেভিড,, ইমাম, জোসেফ বাকি গুলার নাম এই মুহুর্তে মনে আসছে না। শামীম ওসমান (গডফাদার, আগে থেকেই এর নাম )।

এদের অনেকেই জনমানুষের এবং আমার চিন্তা-চেতনায় দাগ কাটলেও দুই একজন তো সারা দেশের জনগণের মুখে মুখে ছড়িয়ে গিয়েছিল। এমনকি এদের স*ন্ত্রাসী কাহিনী নিয়ে চটি আকারে বইও বের হয়েছিল। মাইকিং করেও বিক্রি করতে দেখেছি।

তাদের মাঝে সবচেয়ে ভয়ংকর হয়তো বাস্তবে যতটা না তার চেয়ে মানুষের গাল গল্পে কল্পনার বিভৎস্যতাকেও হার মানিয়েছিল।

কত যে অদ্ভুত কাহিনী প্রচার হয়েছিল সে সময়। যেমন #এরশাদ শিকদার যদি কোনভাবে তার বাড়ির ভেতর একবার ঢুকতে পারতো তাহলেই নাকি পুলিশ আর তাকে খুজে পেতো না , এমনকি দরজায় পা দিতে পারলেও নাকি তাকে আর পুলিশ ধরতে পারবে না।

একবার নাকি একজনকে মে*রে রেখে এসে শুনে সেই লোক জীবিত হাসপাতালে ভর্তী। তারপর সে নাকি একা স্পিড বোট দিয়ে নদী পথে হাসপাতালের পিছন দিয়ে সিরি ছাড়া উপরে উঠে খু*ন করে দিব্যি চলে গিয়েছিল।

আর যাকে গাড়ী সহ খু*ন করতো তার লা*শ এবং গাড়ি দুটিই নদীতে ফেলে দিত।

যেই মেয়েকেই পছন্দ হতো তাকেই নাকি তার বাড়িতে দিয়ে যেতে বলতো। ইন্ডিয়া থেকে নায়িকা এনে রাত কাটাত।

মানুষ মে*রে টুকরা টুকরা করে মাগুর মাছকে খাওয়াত। প্রতিবার খু*নের পর দুধ দিয়ে গোসল করতো। পুলিশের হাতে ধরা পড়ার পর নাকি পুলিশ তার বাড়ির ৩ তলার বেশি নিচে যেতে পারেনি অনেক চেষ্টা করেও।

জেল খানায় নাকি গানও গেয়েছিল ছিনেমার মতো।

তো মূল ঘটনায় আসি, #এরশাদ শিকদারের ফাঁ*সী কার্যকরের দিন আমি আমার ফুফুর বাসায় ফুফার সাথে বসে লাইভ দেখছিলাম ইটিভিতে।

একের পর এক ঘটনা দেখাচ্ছিল আর আমি ভাবছিলাম আহারে ফাঁ*সীটাও যদি লাইভ দেখাত।

"খবর চলা অবস্থায় ফুফা বললেন #এরশাদ শিকদারের মা বেচে থাকলে এইবারও ধরা পড়তো না"।

আমি জিজ্ঞাসা করলাম কেন ফুফা, ফুফা বললেন সন্তান যেমনই হোক তার মা তার জন্য দোয়া করেন আর ওর মা তো নামাজ পড়ে ছেলের জন্য দোয়া করতেন।

বিপদে যিনি দোয়ায় রাখতেন, আল্লাহর কাছে চাইতেন সেই মা আমার তো দুনিয়ার সফর শেষ করেছেন বিশ্বাস ভঙ্গের ভয়ংকর যন্ত্রণা আর প্রতারণার কষ্ট বুকে নিয়ে।

হয়তো একারণেই বিপদ দেখলে আর ভরসা পাইনা আগের মত। আমার একান্ত বিশ্বাস ছিল মার দোয়া আছে ইনশাআল্লাহ কিচ্ছু হবে না। এখন তো আর সেটা নেই বিপদও সহজে কাটে না।

অনেক দিনের আবদার আজ পূড়ন হলো  #আরিশার। ছোট বেলায় যদিও ওকে নিয়ে অনেক যাওয়া হয়েছে।
21/04/2026

অনেক দিনের আবদার আজ পূড়ন হলো #আরিশার। ছোট বেলায় যদিও ওকে নিয়ে অনেক যাওয়া হয়েছে।

"গালিব" টাকাই নাকি সব সমস্যার সমাধান!টাকা না থাকলে সব হারিয়ে যায় ঠিকই, আপনজন এবং সম্মান সব। কিন্তু টাকা হলেই সব হয়না,সব ...
15/04/2026

"গালিব" টাকাই নাকি সব সমস্যার সমাধান!
টাকা না থাকলে সব হারিয়ে যায় ঠিকই,
আপনজন এবং সম্মান সব।
কিন্তু টাকা হলেই সব হয়না,
সব হারিয়েও এই বিশ্বাস আমার।

#শুভনববর্ষ #১৪৩৩

এক টুকরো সুখ।
14/04/2026

এক টুকরো সুখ।

গালিব" সে তো আমার থেকে মৃত্যু অবদি পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি নিয়েছিল। কিন্তু সে থাকবে কিনা " তার প্রতিশ্রুতি তো দেয়নি কোনদি...
12/04/2026

গালিব" সে তো আমার থেকে মৃত্যু অবদি
পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি নিয়েছিল।
কিন্তু সে থাকবে কিনা "
তার প্রতিশ্রুতি তো দেয়নি কোনদিন!

সময় ধরে রাখা যায়না, আর সময় হারালে তাকে আর ফেরানো ও যায়না। গালিব, আমি তার হতে চেয়েছিলাম, কিন্তু সে কোনদিন আমার হতে চায়নি।...
06/04/2026

সময় ধরে রাখা যায়না, আর সময় হারালে তাকে আর ফেরানো ও যায়না।

গালিব,

আমি তার হতে চেয়েছিলাম, কিন্তু সে কোনদিন আমার হতে চায়নি।

গালিব, তোমার জীবনটা ছিল তার নিকট একটি খোলা বইয়ের মতো।তাই হয়তো তোমার মূল্যই ছিলনা কোনকালে তার কাছে?

সবচেয়ে বিরিক্তিকর কাজ হচ্ছে নিজ হাতে খাবার নিয়ে খাওয়া। এমনকি পানি ঢেলে খেতেও পছন্দ নয় আমার।আবার এই আমি কিন্তু বানানি / ট...
02/04/2026

সবচেয়ে বিরিক্তিকর কাজ হচ্ছে নিজ হাতে খাবার নিয়ে খাওয়া। এমনকি পানি ঢেলে খেতেও পছন্দ নয় আমার।

আবার এই আমি কিন্তু বানানি / টক ভর্তা নিজেই বানিয়ে খাই। কাটাকুটি করতে বিরক্ত লাগে না।

আর সবচেয়ে বিরক্তিকর কাজ, আর কোন কিছুই না যেনে, কি কি দিতে হয় সেটাও জানতাম না আজকের আগে।

আপুর কাছে জিজ্ঞেস করে এই প্রথম রান্না করলাম, মেয়ের কাছে অনেক মজা হয়েছে আর আমার কাছে অনেক মজা না হলেও মজা হয়েছে।

জানিনা কেন প্রথম যেই কাজই করিনা কেন একবারে নতুন না জানা কিছুও কিভাবে যে ভাল হয়ে যায় বা পেরে যাই আমি জানিনা । প্রায় সবকিছুর ক্ষেত্রেই।

সকল দরজা বন্ধ হয়ে হয়ে গেলেও আল্লাহ তার দরজা ঠিকই খোলা রাখেন।

যখন ভাঙ্গা শুরু হয়, তখন একে একে সবই ভেঙ্গে যায়। যে অন্যের হাসিতে সুখ খুজে পায়, আজ সে তার কলিজার মুখেই হাসি ফুটাতে পারেনা...
01/04/2026

যখন ভাঙ্গা শুরু হয়, তখন একে একে সবই ভেঙ্গে যায়।

যে অন্যের হাসিতে সুখ খুজে পায়, আজ সে তার কলিজার মুখেই হাসি ফুটাতে পারেনা।

31/03/2026

"জীবন ডাইরির শেষ অধ্যায়ের শুরু "

তুই যাদের পরামর্শে আমার ভয়ংকর দু:স্বপ্নকে বাস্তবে রুপ দিলি। আমার কলিজা গুলারে অসহায় করলি।

তার পুরষ্কার তো তোর পাওনাই ছিল।
পুরষ্কার কিন্তু তোর পরামর্শকরা কেউই পায়নি শুধু তুই পাইলি।

আমাকে শিক্ষা দিতে চেয়ে একদল আমার অতীত, বর্তমান আর ভবিষ্যৎ খেয়েছে।

আর তুই কিনা আমাকেই শেষ করে দিলি।

আমি তো নিজেই আত্নবিদ্ধংসী। তুই কি আর আমাকে ধ্বংস করবি!

যা তুই যে জীবন বেচে নিয়েছিস সেই জীবনে আমি আর কাটা হয়ে থাকলাম না, তোর বেচে নেয়া জীবিনকে সহজ করে দিলাম।

১ দিন।

Address

Dhaka
1212

Telephone

+8801687608005

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Shoaib's Family Vlog posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Shoaib's Family Vlog:

Share