Travel 24

Travel 24 We organize tours in such a way that ensures maximum comfort to our travelers. Travel 24 : A Travel Group of Bd24live.com.

We love to organize travel events for our online readers, friends & well wishers to build a strong a communication all over the world.

আসসালামু আলাইকুম। আপনারা সকলেই জানেন, খুনী হাসিনা তার ক্ষমতার মসনদ টিকিয়ে রাখার জন্য গত ১৬ বছর যাবত বহু আলেম উলামা, ইসলা...
13/08/2024

আসসালামু আলাইকুম। আপনারা সকলেই জানেন, খুনী হাসিনা তার ক্ষমতার মসনদ টিকিয়ে রাখার জন্য গত ১৬ বছর যাবত বহু আলেম উলামা, ইসলামী একটিভিস্ট, নিরীহ সাধারণ মানুষ ও রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বকে গুম, খুনের পাশাপাশি অনেককে বছরের পর বছর কারাগারে, আয়নাঘরে, নানাবিধ টর্চার সেলে অন্যায়ভাবে আটকে রেখে নির্যাতন করেছে।

বৈষম্যবিরোধী গণ অভ্যুত্থানের ফলে খুনি হাসিনা পালিয়ে গেলেও পুলিশ, র‍্যাব, বিডিআর, ডিজিএফআই, এনএসআইতে রয়ে গেছে তার প্রেতাত্মারা। তার প্রমান পাওয়া যায় দেশের বিভিন্ন কারাগারে। বন্দী পলায়নের নাটক সাজিয়ে একদিকে তারা বিভিন্ন ফৌজদারি অপরাধে আটককৃত ছাত্রলীগ, যুবলীগের নেতাদের কারাগার থেকে পলায়নের সুযোগ করে দিচ্ছে। অন্যদিকে স্বৈরাচার বিরোধী আলেম উলামাকে জেলের ভেতর গুলি করে হত্যা করছে। কাশিমপুর কারাগারের জেল সুপার বিপ্লব কুমার বালার নির্দেশে ৩২ জন আলেমকে হত্যার খবর পাওয়া যায়। তার মধ্যে ৬ জন আলেম ও ইসলামপন্থী ভাইয়ের লাশ গাজিপুর সদর হাসপাতালে তারা ফেলে রেখে যায়।

নবগঠিত সরকার দায়িত্বভার গ্রহণের পূর্বেই ঘোষণা দিয়েছে : রাজনৈতিক কারণে গ্রেফতারকৃত সকল বন্দীকে অতিসত্ত্বর মুক্তি দেয়া হবে। এই ঘোষণার ফলশ্রুতিতে আমরা শাইখ Harun Izhar'এর নেতৃত্বে কারাবন্দী মজলুম আলেম ও ভাইদের মুক্ত করার জন্য জোর প্রচেষ্টা চালাচ্ছি। এবং এই মানবিক কাজে আপনাদের সকলের সাধ্যমতো আর্থিক সহযোগিতা ও দু'আ কামনা করছি।

অনেকে মনে করছেন, সরকার যেহেতু বন্দী মুক্তির ঘোষণা দিয়েছে, সুতরাং আবেদন করা মাত্রই বুঝি বিনা খরচে, বিনা শর্তে বন্দীদের মুক্তি দিয়ে দিচ্ছে। বাস্তবে প্রক্রিয়াটা এত সরল নয়। সম্পূর্ণ আইনী প্রক্রিয়া অনুসরণ করার পরেও হাজার হাজার আলেম ও ইসলামপন্থী ভাই এখনো কারাগারে আটকে আছেন।

তাই এই কাজে আপনারা নিজেরা সাদাকাহ ও যাকাতের অর্থ প্রদানের পাশাপাশি আপনাদের নিকটজনদের কাছে এই মানবিক সাহায্যের আবেদনটি পৌছে দিতে পারেন।

আর্থিক সহায়তা পাঠানোর ঠিকানা :

১। ব্যাংক ইনফরমেশন :
A/C Holder : Aziz Uddin.
A/C No. 2050 288 0215 83913
Dewanhat Branch, Chittagong.
Islami Bank Bangladesh Ltd.
Routing No. 125152446

২। নগদ / রকেট / বিকাশ :
01881908138 (পারসোনাল)।

তাকে বলা হয় বাংলাদেশের অ্যাডভেঞ্চার গুরু,আসুন জেনে নেই এই কীর্তিমান মানুষটির সমন্ধে ...বাংলা চ্যানেলের আবিষ্কারক, কীর্তি...
18/09/2020

তাকে বলা হয় বাংলাদেশের অ্যাডভেঞ্চার গুরু,আসুন জেনে নেই এই কীর্তিমান মানুষটির সমন্ধে ...

বাংলা চ্যানেলের আবিষ্কারক, কীর্তিমান আণ্ডারওয়াটার ফটোগ্রাফার ও বরেণ্য স্কুবা ডাইভার কাজী হামিদুল হক।

সেই যে যৌবনে সাগর টেনেছিল কাজী হামিদুল হককে, সেই টান ছিল আমৃত্যু। দেশে ফেরার পর ছুটে যান সমুদ্রে। চষে বেড়িয়েছেন কক্সবাজার, টেকনাফ, সেন্ট মার্টিন এলাকার বঙ্গোপসাগর। বঙ্গোপসাগরের এই পথে নৌকায় ঘুরে বেড়াতে বেড়াতে তাঁর মাথায় খেলা করে সাঁতারে সাগর পাড়ি দেওয়ার একটা রুট। সঙ্গে ছিলেন কামাল আনোয়ার। কামাল বললেন, ‘টেকনাফের শাহপরীর দ্বীপ থেকে ভাটার সময় সেন্ট মার্টিন পর্যন্ত সাঁতরে পার হওয়া যাবে, এটা হামিদ ভাই বের করলেন। কখন কোথায় স্রোত কোন দিকে যায়, তা-ও আমরা বের করে ফেলি বিভিন্ন রঙের বোতল ভাসিয়ে। এই পথে স্রোতের দুটি ধারা আছে, এর একটা যায় আরাকানের দিকে। হামিদ ভাই সঠিক রুটটা বের করে ফেলেন।’

নৌকা চালিয়ে সেন্ট মার্টিনে যাওয়ার পরই সাঁতারের এই রুট বের করার দিকে মন দেন তিনি। ‘ওরা যেমন ইংলিশ চ্যানেল পাড়ি দেয়, আমরাও এমন একটা সাঁতার চালু করতে পারি।’ বলতেন কাজী হামিদুল হক।

২০০৬ সালে প্রথম সাঁতারের আয়োজন করা হয়। সে দলে সাঁতারু হিসেবে ছিলেন লিপটন সরকার, ফজলুল কবির ও সালমান সাইদ। দলে বয়সে সবচেয়ে ছোট সালমান সাইদ। তিনি বলেন, ‘দলে আমিই ছিলাম অনভিজ্ঞ সাঁতারু। কিন্তু হামিদ ভাই মানসিকভাবে এত শক্তি জোগাতেন যে কোনো ভয়ই লাগেনি।’

২০০৬ সালের জানুয়ারির মাঝামাঝি এই দলটি শাহপরীর দ্বীপ থেকে বঙ্গোপসাগরে ১৪ দশমিক ৪ কিলোমিটার সাঁতার কেটে পৌঁছায় সেন্ট মার্টিনে। তখনো সাঁতারের এ পথের নামকরণ হয়নি। পরে ঢাকায় কাজী হামিদুল হক এর নাম দেন বাংলা চ্যানেল।

২০০৪ সালের ডিসেম্বরের শেষ সপ্তাহ। বুড়িগঙ্গা নদী থেকে একটি নৌকা পাড়ি জমায় বঙ্গোপসাগরের উদ্দেশে। শুনলে অবাকই হতে হয়, নৌকাটি দৈর্ঘ্যে মাত্র ২১ ফুট আর প্রস্থে নয় ফুট। সেই নৌকায় ছিল না কোনো স্নানঘর বা রান্নাঘর। স্টোভ জ্বালিয়ে রান্নার ব্যবস্থা। কাজী হামিদুল হকের নেতৃত্বে এই নৌকায় অভিযাত্রী ছিলেন ১৩ জন। সে যাত্রায় অংশ নেন বাংলাদেশের পর্বতারোহী মুসা ইব্রাহীম। তাঁর কাছ থেকে জানা যায় সেই যাত্রার বৃত্তান্ত।

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডের জাহাজ ভাঙার জায়গা থেকে একটা লাইফ বোট (বড় জাহাজের সঙ্গে এগুলো বাঁধা থাকে) কিনে আনেন। এরপর ঢাকায় নিয়ে এসে সেটায় ইঞ্জিন লাগানো হয়। নৌকাকে নদী-সমুদ্রে চলাচলের উপযোগী করতে নানা কারিগরি ফলানো হয়। এসব কাজ নিজেই করেন হামিদুল হক।

রাতে বুড়িগঙ্গা থেকে নৌকা ছাড়ার কথা, কিন্তু যাত্রা শুরু হলো ভোরে। এই অভিযাত্রায় সে সময় অংশ নিয়েছিলেন হামিদুল হক, মুসা ইব্রাহীম, ইমরান, ফজলুল কবির, কামাল আনোয়ার, রফিক, রবিউল হুসাইন, একুশে টিভির দুই সাংবাদিক এবং আরও কয়েকজন। রুট চেনার কারণে সারেং আনা হয়েছিল সীতাকুণ্ড থেকে।

মুসা বলছিলেন, ‘ভোরে রওনা দিয়ে সেদিনই পৌঁছাই চাঁদপুরে। আমাদের হিসাব ছিল দুই দিনে সেন্ট মার্টিনে যাব। কিন্তু দেখা গেল, সন্দ্বীপ পর্যন্ত পৌঁছাতেই লেগে গেল পাঁচ-ছয় দিন। কারণ, নৌকার গতি ছিল খুব ধীর। সন্দ্বীপ থেকে পরের দিন যাচ্ছিলাম চট্টগ্রামের দিকে। কর্ণফুলীতে নৌকা যখন পৌঁছাল, তখন দেখি কর্ণফুলী চ্যানেল থেকে সব জাহাজ মিছিল করে গভীর সমুদ্রে যাচ্ছে। আমাদের নৌকায় জিপিএস, কম্পাস ছিল, কিন্তু রেডিও ছিল না। তাই আমরা কোনো খবরই পাচ্ছিলাম না। কিছুক্ষণের মধ্যে দেখি সমুদ্র পুরো উত্তাল। ১৫ থেকে ২০ ফুট উঁচু একেকটা ঢেউ। হামিদ ভাই সবাইকে নৌকার পেছনে জড়ো হয়ে থাকতে বললেন। নিজেদের জান হাতে নিয়ে আমরা তা-ই করলাম।’

সমুদ্রের তাণ্ডব থামার পর কাজী হামিদুল হকের নৌকা কর্ণফুলী জেটিতে পৌঁছাল। তখন জানা গেল, সেই দিনটিতে ইন্দোনেশিয়ায় ভারত মহাসাগরে ঘটে প্রলয়ংকরী সুনামি।

চট্টগ্রামে গিয়ে সারেং তাঁর বাড়িতে ঘুরতে যান, কিন্তু তিনি আর ফেরেননি। হামিদুল হক নিজে আবার সীতাকুণ্ডে গিয়ে আরেকজন সারেং নিয়ে আসেন। এরপর মহেশখালী হয়ে টেকনাফ, তারপর সেন্ট মার্টিনে পৌঁছায় হামিদুল হকের নৌকা। হামিদুল হক ও আরও কয়েকজন নৌকা চালিয়েই আবার ফিরে আসেন ঢাকা।

সত্তরের দশকের মাঝামাঝি সময়ে নিউইয়র্কে এক প্রবীণ স্কুবা ডাইভারের (ডুবুরি) সঙ্গে পরিচয় ঘটে কাজী হামিদুল হকের। তাঁর কাছেই হাতেখড়ি ডুবসাঁতারে। এরপর তাঁর আগ্রহ তৈরি হয় অতল জলের বিচিত্র-বর্ণিল জগতের প্রতি। এ সময়টাতেই জলের নিচে ছবি তোলার কৌশল শিখে ফেলেন। ডুব দেওয়া আর জলের নিচে ছবি তোলাই হয়ে ওঠে হামিদের পেশা। তিনি সাগরের ২০০ ফুট নিচ পর্যন্ত ডুব দেওয়ার জন্য লাইসেন্সধারী ছিলেন।

১৯৪৯ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর আসামে জন্মগ্রহণ করেছিলেন কাজী হামিদুল হক।

গতকাল ছিলো বাংলাদেশের অ্যাডভেঞ্চারের মহারথীর জন্মদিন। ট্রাভেল ২৪-এর পক্ষ থেকে তার প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা এবং অকৃত্রিম ভালোবাসা রইলো।

16/02/2019

যাবেন নাকি ?

06/02/2019

২০, ২১ ফেব্রুয়ারি সুন্দরবন যাবেন কেউ? স্পটঃ দুবলার চর, হিরণপয়েন্ট, কটকা, কচিখালি। এডভেঞ্চার ট্যুর। আগ্রহীগণ ইনবক্সে যোগাযোগ করুন। বিস্তারিত দেয়া হবে।

Send a message to learn more

06/02/2019

সুবহানাল্লাজি সাখখারা লানা হা-জা ওয়ামা কুননা লাহু মুক্বরিনীন, ওয়া ইন্না ইলা রাব্বিনা লামুনক্বালিবুন। (সুরা যুখরূফ : আয়াত ১৩-১৪)। অর্থ : মহান পবিত্র তিনি, যিনি আমাদের জন্য এটাকে অধীন-নিয়ন্ত্রিত বানিয়ে দিয়েছেন, নতুবা আমরাতো এটাকে বশ করতে সক্ষম ছিলাম না। একদিন আমাদেরকে আমাদের প্রভুর নিকট অবশ্যই ফিরে যেতে হবে।
-
রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম থেকে বর্ণিত, তিনি সাওয়ারীতে বসার সময় এই দোয়া পাঠ করতেন। উক্ত দোয়া পশু ও যান্ত্রিক যানবাহনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। মুমিনের উচিত সফরের সময় পরকালীন কঠিন সফরের (মৃত্যু) কথা স্মরণ করা। যা অবশ্যই সংঘটিত হবে।
-
যানবাহনে আরোহনের সময় প্রাসঙ্গিক সুন্নাতঃ
ক. আরোহনের সময় ‘বিসমিল্লাহ’ বলে পা রাখা (তিরমিজি)।
খ. যানবাহনের উঠার পর স্থির হলে বা বসার পর ‘আলহামদুলিল্লাহ’ বলা তারপর আরোহনের দোয়াটি পড়া। (তিরমিজি)
গ. দোয়া পড়ার পর তিনবার ‘আলহামদুলিল্লাহ’ এবং তিনবার ‘আল্লাহু আকবার’ বলা। (তিরমিজি)
-
"সুবহানাল্লাযি সাখখারালানা হা-জা ওমা কুন্না লাহু মুক্বরীনিন, ওয়া ইন্না ইলা রাব্বিনা লামুন ক্বালীবুন।"

22/01/2019

নিঝুমদ্বীপ ভ্রমন [Nijhumdip Motovlog] বঙ্গোপসাগরের কোলে উত্তর ও পশ্চিমে মেঘনার শাখা নদী, আর দক্ষিণ এবং পূর্বে সৈকত ও সমুদ্র বা...

16/01/2019

যারা ট্যুরে যেতে চান কিন্তু
লাইফ জ্যাকেট ক্যারি করতে চান না,
তাদের জন্য ভিডিওটা কার্যকরী হতে পারে 🤨

হবে নাকি একটা ইভেন্ট ভূতের বাড়িতে? ;)
15/01/2019

হবে নাকি একটা ইভেন্ট ভূতের বাড়িতে? ;)

সাখাওয়াত হোসেন জুম্মা, শেরপুর (বগুড়া) প্রতিনিধি- একবিংশ শতাব্দির এ যুগে পৃথিবী যখন এগিয়ে যাচ্ছে দুর্বার গতিতে, বিশ...

বাংলাদেশ রেলওয়ের  ই-টিকেট নিয়ে কিছু প্রশ্ন ও উত্তরঃ-১) অনলাইনে কত শতাংশ টিকেট বরাদ্দ থাকে?উত্তরঃ মোট টিকেটের ২৫%-২) অনল...
01/01/2019

বাংলাদেশ রেলওয়ের ই-টিকেট নিয়ে কিছু প্রশ্ন ও উত্তরঃ
-
১) অনলাইনে কত শতাংশ টিকেট বরাদ্দ থাকে?
উত্তরঃ মোট টিকেটের ২৫%
-
২) অনলাইন টিকেটিং টাইম কখন?
উত্তরঃ সকাল ৮:০০ হতে রাত ১০:০০
-
৩) কতদিন অাগে অনলাইনে টিকেট পাওয়া যায়?
উত্তরঃ ট্রেনের যাত্রা শুরুর স্টেশন হতে শেষ স্টেশন পর্যন্ত করতে চাইলে যাত্রার দিন সহ ১০ দিন অাগে এবং মাঝের স্টেশন হলে যাত্রার অার ৫ দিন/১২০ ঘন্টা অাছে এমন সময়ে।
-
৪) অনলাইন সাইটের ঠিকানা কি?
উত্তরঃ www.esheba.cnsbd.com
-
৫) অটো সিলেকশন ও সিট সিলেকশন কি?
উত্তরঃ অটো সিলেকশনঃ অাপনার গন্তব্য বা অাপনার সোর্স স্টেশন যদি মধ্যবর্তী কোন স্টেশন হয় তবে অাপনার সিট চয়েসের কোন সুযোগ নেই। সিএনএস সার্ভার যে টিকেট দেবে সেটাই মাথা পেতে নিতে হবে। এটাই অটো সিলেকশন।
-
সিট সিলেকশনঃ অাপনার গন্তব্য যদি ট্রেনের একেবারে শেষ স্টেশন হয় তবে অাপনি যাত্রার ১০ দিন পূর্ব হতে নিজের পছন্দমতো সিট চয়েস করতে পারবেন। তবে যাত্রার অার ৫ দিন/১২০ ঘন্টা অাছে এমন সময়ে কিন্তু এ নিয়ম প্রযোজ্য হবে না, হোক সেটা শেষ স্টেশন। তখন অটো সিলেকশন প্রযোজ্য হবে।
-
৬) পেমেন্ট করবো কি করে?
উত্তরঃ সকল ভিসা, মাস্টার, ডিবিবিএল নেটওয়ার্কের কার্ড। রকেট দিয়েও পেমেন্ট করতে পারবেন।
-
৭) জিপে এপ দিয়ে কি টিকেট করা যায়?
উত্তরঃ যায়। https://m.youtube.com/watch?v=jmjbWw57Rm8
-
৮) মোবাইলের এস এম এস দিয়ে কি টিকেট করা যায়?
উত্তরঃ যায় (জিপি ও রবি)
-
৯) এসএমএস দিয়ে টিকেট করলে পেমেন্ট করবো কিভাবে?
উত্তরঃ গ্রামীনের ক্ষেত্রে মোবিক্যাশ, রবির ক্ষেত্রে ই ফ্লট।
-
১০) অনলাইনে টিকেট করলে টিকেট হাতে পাবো কি করে?
উত্তরঃ ওয়েব থেকে করলে সিট নম্বর সহ টিকেটের পিডিএফ কপি চলে যাবে অাপনার মেইলে। এস এম এস দিয়ে করলে টিকেটের বিস্তারিত বর্ণনা সম্বলিত মেসেজ চলে যাবে অাপনার মোবাইলে।
-
১১) অনলাইন টিকেট দিয়ে কি ভ্রমণ করা যায়?
উত্তরঃ আপনি নিজে যদি ভ্রমণ করেন তবে মেইলে প্রদত্ত টিকেটের পিডিএফ কপি প্রিন্ট করেই ভ্রমণ করতে পারবেন। আর যদি অন্য কেউ ভ্রমণ করে তবে পিডিএফ কপি দেখিয়ে স্টেশন হতে মূল টিকেট প্রিন্ট করিয়ে নিতে হবে।
-
১২) অনলাইন টিকেট কোথা থেকে এবং কোন সময়ের মধ্যে প্রিন্ট করে নিতে হবে?
উত্তরঃ বাংলাদেশের যে কোন কম্পিউটারাইজড স্টেশন হতে পিডিএফ কপি দেখিয়ে অনলাইন টিকেট প্রিন্ট করে নিতে পারবেন। তবে লক্ষ্য রাখতে হবে ট্রেন ছাড়ার অন্ততঃ ১৫ মিনিট পূর্বে যেন প্রিন্ট করে নেওয়ার কাজটি করে নিতে পারেন।
-
১৩) এস এম এস টিকেট দিয়ে কিভাবে ভ্রমণ করবো?
উত্তরঃ আপনার মোবাইলে প্রদত্ত এস এম এস টি অনলাইন বেজড কাউন্টারে দেখান অথবা এসএমএসে প্রদত্ত পিন নম্বর ও আপনার মোবাইল নম্বর একটা সাদা কাগজে লিখে কাউন্টারে জমা দিলেই টিকেট প্রিন্ট করে দেবে।
-
১৪) অনলাইনে টিকেট করলে কত টাকা এক্সট্রা দিতে হয়?
উত্তরঃ প্রতি সিট ২০ টাকা করে অনলাইন চার্জ প্রযোজ্য।
-
১৫) অনলাইন টিকেট কি ফেরত দেওয়া যায়?
উত্তরঃ যায়। তবে তার আগে মূল টিকেট কাউন্টার হতে প্রিন্ট করে নিতে হবে, এরপরে ফেরত কাউন্টারে ফেরত দিতে হবে। মনে রাখতে হবে ঈদের টিকেট কোনভাবেই ফেরতযোগ্য নয়।
-
১৬) এক একাউন্ট (মেইল বা পেমেন্ট গেটওয়ে) দিয়ে কতবার ও কতটি টিকেট করা যায়?
উত্তরঃ একটি মেইল একাউন্ট দিয়ে আপ বা ডাউনে প্রতি সপ্তাহে দু’বারে সর্বমোট ৮ টি টিকেট করতে পারবেন। এভাবে মাসে ৪ বারে মোট ৩২ টি টিকেট করতে পারবেন। পেমেন্ট এর ক্ষেত্রেও একই কথা প্রযোজ্য। অর্থাৎ পেমেন্ট গেটওয়ে সপ্তাহে দুবার ব্যবহার করা যাবে। তবে রকেট দিয়ে অজস্রবার পেমেন্ট করতে পারবেন।
-
১৭) টাকা কেটে নিয়েছে, সাকসেসফুল পারচেজ দেখিয়েছে কিন্তু কোন টিকেট পেরাম না কেন?
উত্তরঃ যদি সাকসেসফুল পারচেজ দেখায় তবে ধৈর্য ধরে অপেক্ষা করুন আপনার মেইলে টিকেটের মেইল যাবে। হয়তো একটু দেরী হতে পারে তবে টিকেট পাবেন। অনেক সময় স্প্যাম মেসেজেও পিডিএফ কপি যেতে পারে। তাই ঘাবড়ানোর কিছু নাই। মেইলে টিকেট না গেলে আপনার একাউন্ট এর ড্যাশবোর্ডে লক্ষ্য করবেন। সেখানে ই টিকেট নম্বর পাবেন। ই টিকেট নম্বর ও মোবাইল নম্বর কাগজে লিখে কাউন্টারে দিলেই টিকেট পেয়ে যাবেন।
-
১৮) ফেইলড পারচেজ হলে টাকা ফেরত পাবো কত দিনে?
উত্তরঃ পরবর্তী ৮ কর্ম দিবসের মধ্যে আপনার একাউন্টে টাকা চলে আসবে। এ জন্য কোথাও অভিযোগ করা লাগবে না। তবে যদি একান্তই টাকা ফেরত না পান তবে সংশ্লিষ্ট ব্যাংকের সাথে যোগাযোগ করবে।
-
১৯) অনলাইনে কিভাবে টিকেট করে?
উত্তরঃ https://www.facebook.com/download/preview/1001131160030913
-
২০) এসএমএস দিয়ে কিভাবে টিকেট করবো?
উত্তরঃ https://www.facebook.com/download/preview/447667342076837
-
২১) সিট সিলেকশনে কি দেখে বুঝবো সিট আছে কি না?
উত্তরঃ সিট সিলেকশন অপশনে গেলে আপনার সামনে সংশ্লিষ্ট শ্রেণির সিটপ্ল্যান আসবে। যে সিটগুলির কালার সবুজ থাকবে বুঝবেন সেগুলি অনলাইনে বিক্রির টিকেট। যেগুলো হলুদ দেখবে বুঝবেন অনলাইন টিকেট কিন্তু কেউ বুকিং করেছে। গোলাপী কালারের সিটগুলি অনলাইনের জন্য বরাদ্দ ছিল কিন্তু আপনার আগেই কেউ কেটে নিয়েছে। অ্যাশ কালারেরগুলো কাউন্টার টিকেট।
-
# অাজ ০১ জানুয়ারী ২০১৯ হ‌তে সোনারবাংলার টি‌কেট করার জন্য নতুন ক‌রে রে‌জি‌স্ট্রেশন কর‌তে হ‌বে।

Bangladesh Railway, e-Ticket, CNS, Rail, Internet Tickets

Address

Dhaka

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Travel 24 posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share