Capital visa center

Capital visa center সঠিক নিয়ম মেনে আবেদন করলে আপনিও যেতে পারবেন আপনার স্বপ্নের দেশে!

ঈদ মুবারাক 🌙 তাক্বব্বালাল্লাহু মিন্না ওয়া মিনকুম।আল্লাহ তা'আলা আমাদের সকল ইবাদত, রোজা ও দু'আ কবুল করুন। বিশ্ববাসীর জন্য ...
30/03/2025

ঈদ মুবারাক 🌙

তাক্বব্বালাল্লাহু মিন্না ওয়া মিনকুম।
আল্লাহ তা'আলা আমাদের সকল ইবাদত, রোজা ও দু'আ কবুল করুন। বিশ্ববাসীর জন্য শান্তি, সমৃদ্ধি ও রহমতের দরজা উন্মুক্ত করে দিন। ঈদ হোক সবার জন্য আনন্দময় ও কল্যাণময়।❤️

শুভেচ্ছানতে
Capital visa center

সবাইকে জানাই ইংরেজি নববর্ষ ২০২৫ এর আন্তরিক শুভেচ্ছা । নতুন বছর আপনাদের সবার জন্য বয়ে আনুক অনাবিল আনন্দ, সুখ, শান্তি ও সু...
01/01/2025

সবাইকে জানাই ইংরেজি নববর্ষ ২০২৫ এর আন্তরিক শুভেচ্ছা । নতুন বছর আপনাদের সবার জন্য বয়ে আনুক অনাবিল আনন্দ, সুখ, শান্তি ও সুস্বাস্থ্য। সুন্দর একটা বছর এবং সুন্দর হোক প্রতিটি দিন প্রতিটি মুহূর্ত!

"Another chance
To make a difference
A good new year
"

সবাইকে ইংরেজী নববর্ষের শুভেচ্ছা রইল। নতুন ছন্দে নতুনত্বের আরম্ভ হোক।Capital visa center
হ্যাপি নিউ ইয়ার ২০২৫!!

আলহামদুলিল্লাহ😍
29/11/2024

আলহামদুলিল্লাহ😍

ইউরোপ মহাদেশের সুন্দর একটি দেশ পর্তুগাল।সারা বিশ্ব থেকে অসংখ্য লোক প্রতি বছর পর্তুগালে বিভিন্ন কাজের উদ্দেশ্যে এসে থাকেন...
12/11/2024

ইউরোপ মহাদেশের সুন্দর একটি দেশ পর্তুগাল।সারা বিশ্ব থেকে অসংখ্য লোক প্রতি বছর পর্তুগালে বিভিন্ন কাজের উদ্দেশ্যে এসে থাকেন। পর্তুগাল দেশটির প্রাকৃতিক সৌন্দর্য এবং এর ইতিহাস ঐতিহ্য বরাবরই সকলকে মুগ্ধ করে। পর্তুগালে যদি বৈধভাবে ভ্রমণ করতে হয় তাহলে অবশ্যই পর্তুগাল ভিসার প্রয়োজন হবে।

পর্তুগাল ভিসা ব্যতীত কোন ব্যক্তি বৈধভাবে পর্তুগাল ভ্রমণ করতে পারবেন না। তবে অনেকেই বলে থাকেন পর্তুগাল ভিসা পাওয়ার প্রক্রিয়া অনেকটা জটিল অর্থাৎ পর্তুগাল ভিসা কিভাবে করতে হয় সহজ প্রসেস সম্পর্কে অনেকেই জানেন না।

তাই আজকের পোস্টটি পড়ার মাধ্যমে পর্তুগাল যাওয়ার সহজ উপায় বা কিভাবে পর্তুগাল ভিসা পাওয়া যায় সুস্পষ্ট ধারণা পেয়ে যাবেন।

পর্তুগাল ভিসা পাওয়ার উপায়?
পর্তুগালে কাজের বেতন অনেক বেশি হওয়ায় এবং সেখানে কাজ করার অনেক সুযোগ-সুবিধা থাকায় পর্তুগালে ওয়ার্ক পারমিট ভিসায় লোক নিয়োগ দিলেই পর্তুগাল যাওয়ার জন্য অনেকেই ভিসা আবেদন করে থাকেন।

বাংলাদেশ থেকে পর্তুগালে যাওয়া অনেকটা জটিল একটি প্রক্রিয়া।কেননা ইউরোপের দেশগুলোতে যাওয়ার জন্য সবথেকে নিরাপদ উপায় হচ্ছে এম্বাসির মাধ্যমে ভিসা নেওয়া। কিন্তু বাংলাদেশে পর্তুগালের কোন ভিসা এম্বাসি নেই।

অর্থাৎ বাংলাদেশ থেকে যদি কেউ পর্তুগাল ওয়ার্ক পারমিট ভিসায় আবেদন করতে চান তাহলে তাকে সরাসরি অনলাইনের মাধ্যমে আবেদন করতে হবে। তবে অনলাইনের মাধ্যমে ভিসা আবেদন করে ভিসা হাতে পাওয়াটা অনেকটা জটিল একটি প্রক্রিয়া।

তাছাড়া কেউ চাইলে সরাসরি ভারতীয় এম্বাসি থেকে আবেদন করতে পারেন। নিচে কিভাবে এম্বাসি থেকে আবেদন করবেন তা তুলে ধরা হলোঃ
ধাপ ১ঃপর্তুগাল ভিসার জন্য আবেদন করতে হলে নিকটস্থ vfs global center এ চলে যেতে হবে। তারপরে প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট প্রদান করে নির্দিষ্ট ক্যাটাগরির কাজের ভিসার জন্য সরাসরি আবেদন করতে হবে। আবেদন করার পর আপনার সকল ডকুমেন্ট সেখানে স্ক্যান করে জমা রাখা হবে। তাছাড়া সেখানে ফিঙ্গারপ্রিন্ট, ছবি গ্রহণ ও সাক্ষাৎকার নেওয়া হবে।

ধাপ ২ঃআবেদন করা হয়ে গেলে ভিসা প্রসেসিং করার জন্য ৪৫ দিন থেকে সর্বোচ্চ ৯০ দিন পর্যন্ত সময় নেওয়া হবে।তবে এই সময়টাতে যদি কেউ বাংলাদেশে ফিরে আসতে চাই তাহলে তাকে পাসপোর্ট দিয়ে দেওয়া হবে তখন সে চাইলে দেশে ফিরে আসতে পারবে। কেননা আপনি ভারতীয় ভিজিট ভিসার মাধ্যমে ভারতে অবস্থান করছেন তাই সেখানে ৯০ দিনের বেশি কখনোই থাকতে পারবেন না।

ধাপ ৩ঃভিসা প্রসেসিং সম্পূর্ণ হয়ে গেলে ইমেইলের মাধ্যমে জানিয়ে দেওয়া হবে। পরবর্তীতে নব্বই দিন পর কেউ চাইলে পুনরায় ভারতে গিয়ে এম্বাসি থেকে ভিসা সংগ্রহ করতে পারবেন। এভাবে যারা এম্বাসি থেকে নিরাপদে ভিসা পেতে চান তারা এই পদ্ধতিটি অনুসরণ করতে পারেন।নিচে অনলাইনের মাধ্যমে কিভাবে পর্তুগাল ভিসার জন্য আবেদন করা যায় তা নিয়ে আলোচনা করা হলোঃ

অনলাইনে পর্তুগাল ভিসা আবেদন?
অনলাইনের মাধ্যমে পর্তুগাল ভিসার জন্য আবেদন করা যায়। যোগ্যতা ও দক্ষতা ভেদে যেকোনো ব্যক্তি চাইলে অনলাইনের মাধ্যমে আবেদন করতে পারবেন।

=> অনলাইনের মাধ্যমে আবেদন করতে হলে প্রথমে আবেদনের জন্য ওয়েবসাইটে চলে যেতে হবে।
=> তারপরে আপনার দক্ষতা ও পছন্দের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ কাজের নাম লিখে সার্চ করতে হবে। তাহলে সেখানে বেশ কিছু কাজের তালিকা দেখতে পারবেন।
=> আপনার পছন্দের চাকরিতে আবেদনের জন্য আপনার তথ্যবহুল সিভিটি সাবমিট করতে হবে। পরবর্তীতে যদি আপনার আবেদনটি
=> গ্রহণযোগ্য হয়ে থাকে তাহলে ইমেইলের মাধ্যমে ম্যানপাওয়ার ও ভিসা সংক্রান্ত তথ্য প্রেরণ করা হবে।
=> তারপরে ভারতের সরাসরি গিয়ে পর্তুগাল এমবাসির মাধ্যমে ভিসা প্রসেসিং সম্পূর্ণ করতে হবে।

পর্তুগাল টুরিস্ট ভিসা পাওয়ার উপায়?
=> পর্তুগাল ভিজিট ভিসা পেতে হলে ভারতের এম্বাসি থেকে সরাসরি আবেদন করতে হবে। বাংলাদেশ থেকে কোনভাবেই বৈধভাবে পর্তুগাল টুরিস্ট ভিসা পাওয়া যাবে না। তাছাড়া আপনি যদি অন্য কোন দেশের প্রবাসী হয়ে থাকেন সৌদি আরব, কাতার, দুবাই তাহলে সেখানে পর্তুগাল এম্বাসি থেকে ভিসা সংগ্রহ করতে পারবেন।

সেখানে পর্তুগাল ভিজিট ভিসা পাওয়ার জন্য কিছু গুরুত্বপূর্ণ ডকুমেন্ট লাগবে। নিচে পর্তুগাল ভিজিট ভিসার জন্য যে সকল কাগজপত্র লাগবে তা উল্লেখ করা হলোঃ
=> সর্বনিম্ন ৬ মাস মেয়াদী একটি ভ্যালিড পাসপোর্ট লাগবে।
=> আবেদনপত্রের ফটোকপি লাগবে।
=> ব্যাংক স্টেটমেন্ট লাগবে এবং ব্যাংকে সর্বনিম্ন তিন থেকে চার লক্ষ টাকা থাকা লাগবে।
=> ট্রাভেল মেডিকেল ইন্সুরেন্স লাগবে।
=> ব্যাংক সলভেন্সি সার্টিফিকেট লাগবে।
=> আয়ের উৎসের বর্ণনা দিতে হবে।
=> পর্তুগাল যাওয়ার কারণ ব্যাখ্যা করে একটি কভার লেটার দিতে হবে ও => এয়ার টিকিটের কপি দিতে হবে।
=> হোটেল বুকিং কপি দিতে হবে।
=> ব্যবসার জন্য যেতে চাইলে ট্রেড লাইসেন্স ও ভিজিটিং কার্ড দিতে হবে।

পর্তুগাল ভিসা পেতে কি কি লাগে?
পর্তুগাল কাজের ভিসা বা পর্তুগাল ওয়ার্ক পারমিট ভিসা পেতে কিছু কাগজপত্র বা ডকুমেন্টের প্রয়োজন হয়ে থাকে।নিচে পর্তুগাল ওয়ার্ক পারমিট ভিসা করার জন্য প্রয়োজনীয় যে সকল ডকুমেন্ট লাগবে তা উল্লেখ করা হলোঃ
=> সর্বনিম্ন দুই বছর মেয়াদ সম্পূর্ণ একটি বৈধ পাসপোর্ট লাগবে।
=> নিজের যোগ্যতা ও দক্ষতা অনুযায়ী সিভি লাগবে।
=> শিক্ষাগত যোগ্যতা অবশ্যই থাকতে হবে এবং যারা ইংরেজি ও পর্তুগিজ ভাষায় পারদর্শি তাদেরকে বেশি অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।
ব্যাংক স্টেটমেন্ট দরকার হবে।

এই সকল ডকুমেন্টগুলো সরাসরি এম্বাসিতে প্রদান করে পরবর্তীতে বিএমইটি রেজিস্ট্রেশন,মেডিকেল রিপোর্ট, পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট সংগ্রহ করার মাধ্যমে পর্তুগাল ওয়ার্ক পারমিট ভিসায় পর্তুগাল যাওয়া যাবে।

বাংলাদেশে পর্তুগাল ভিসা এজেন্সি |পর্তুগাল এম্বাসি বাংলাদেশ
অনেকেই বাংলাদেশ থেকে পর্তুগাল যাওয়ার জন্য এমব্যাসির সন্ধান করে থাকেন। অর্থাৎ পর্তুগাল এম্বাসি থেকে সরাসরি কাগজপত্র জমা দেওয়ার মাধ্যমে পর্তুগাল ভিসা আবেদন করতে চান। কিন্তু বাংলাদেশে পর্তুগালের কোন ভিসা এম্বাসি এখনো চালু হয়নি।

তবে কেউ যদি চায় তাহলে ভারত থেকে পর্তুগালের ভিসা এম্বাসি vfs global থেকে পর্তুগাল ভিসার জন্য আবেদন করতে পারবেন।
পর্তুগাল যেতে কত টাকা লাগে | পর্তুগাল ভিসা কত টাকা
পর্তুগাল যাওয়ার জন্য যেহেতু অনেক ধরনের ভিসা পাওয়া যায় তাই ভিসার ধরণভেদে খরচের পরিমাণ কম বেশি হয়ে থাকে। তবে কোন এজেন্সির মাধ্যমে যদি কেউ পর্তুগাল ভিসা করে থাকেন তাহলে তার মোট খরচ হতে পারে ৮ থেকে ১০ লক্ষ টাকার মত।

তবে যদি কেউ সরকারিভাবে পর্তুগাল যেতে চান তাহলে তার খরচ আসতে পারে ছয় থেকে সাত লক্ষ টাকার মতো। তবে কখনোই কোন দালালের হাত দিয়ে ভিসা করবেন না তাহলে পরবর্তীতে ভোগান্তির কারণ হতে পারে।
পর্তুগালে কোন কাজের চাহিদা বেশি?
পর্তুগালে কোন কাজের চাহিদা বেশি বা কোন কাজগুলোর উপরে দক্ষতা থাকলে পর্তুগালে গিয়ে খুব সহজেই কাজ পাওয়া যাবে এই নিয়ে অনেকের জানার আগ্রহ রয়েছে। বর্তমানে পর্তুগালে কনস্ট্রাকশন কোম্পানি, ফুড প্যাকেজিং, ইলেকট্রিক্যাল, হোটেল কর্মী, সিকিউরিটি কর্মী, ক্লিনিং ম্যান, কেয়ারিং ম্যান, গবাদি পশুপালন, এই সকল কাজগুলোর প্রচুর পরিমাণে চাহিদা রয়েছে।

এই কাজগুলোতে বেতন অনেক বেশি হয়ে থাকে তাই যদি কেউ পর্তুগাল যেতে চান তাহলে অবশ্যই এই কাজগুলোর মধ্য থেকে যেকোনো একটিকে টার্গেট করতে পারেন।
পর্তুগালে কাজের বেতন কত?
পর্তুগালে বর্তমানে কাজের সর্বনিম্ন বেতন হচ্ছে ৯০০ ইউরো। তবে পর্তুগালে যারা ইলেকট্রিক্যাল কাজ করে থাকেন ও ভালো রেস্টুরেন্টে কাজ পেয়ে থাকেন তাদের মাসিক সর্বনিম্ন বেতন হচ্ছে ১২০০ থেকে ১৪০০ ইউরো।

যা সাধারণত বাংলাদেশি টাকায় ১ লাখ ৩০ হাজার থেকে ১ লাখ ৫০ হাজার টাকার মধ্যে। তাছাড়া এখানে মূল কাজের সাথে অন্যান্য কাজ ওভারটাইমে করার সুযোগ রয়েছে। যার ফলে পর্তুগালে কাজের বেতন অনেক বেশি হয়ে থাকে।

শেষ কথা, আশা করি পোস্টটি যারা মনোযোগ সহকারে পড়েছেন তারা পর্তুগাল যাওয়ার সহজ উপায়, পর্তুগাল ভিসার দাম কত ও পর্তুগালে কোন কাজের চাহিদা বেশি এই বিষয়ে মোটামুটি ধারণা পেয়েছেন। তারপরে যদি এই নিয়ে কোন ধরনের প্রশ্ন থেকে থাকে তাহলে অবশ্যই কমেন্ট করে জানাতে পারেন।

ধন্যবাদ।

কানাডা ফেডারেল স্কিলড ওয়ার্কার প্রোগ্রাম হল সেই সব কর্মীদের জন্য কানাডায় বসতি স্থাপনের সবচেয়ে সহজ প্রক্রিয়া যাদের পে...
12/11/2024

কানাডা ফেডারেল স্কিলড ওয়ার্কার প্রোগ্রাম হল সেই সব কর্মীদের জন্য কানাডায় বসতি স্থাপনের সবচেয়ে সহজ প্রক্রিয়া যাদের পেশা দক্ষ পেশার তালিকার অধীনে পড়ে। কানাডা প্রতিভাবান কর্মীদের অভাবের সম্মুখীন এবং এটি আপনার জন্য উপযুক্ত সময় কানাডিয়ান পিআর-এর জন্য আবেদন করার। ফেডারেল স্কিলড ওয়ার্কার প্রোগ্রাম একটি পয়েন্ট-ভিত্তিক মূল্যায়ন পদ্ধতি অনুসরণ করে যা অভিবাসন প্রক্রিয়াকে স্ট্রিমলাইন করে। আপনার ন্যূনতম 67/100 পয়েন্ট প্রয়োজন এবং তারপরে আপনার অভিবাসন যাত্রার পরবর্তী ধাপে অগ্রসর হতে পারেন। Y-Axis-এর কাছে জ্ঞান এবং অভিজ্ঞতা রয়েছে যাতে আপনি প্রতিটি পদক্ষেপে সঠিক কল করেন। একটি মসৃণ, চাপমুক্ত অভিবাসন যাত্রা নিশ্চিত করতে আমাদের দলগুলি আপনার সাথে কাজ করবে।

কানাডা ফেডারেল স্কিলড ওয়ার্কার প্রোগ্রামের বিশদ বিবরণঃ

ফেডারেল স্কিলড ওয়ার্কার প্রোগ্রাম আপনাকে ক্যুবেক ব্যতীত কানাডায় যেকোন জায়গায় বসবাস করতে, কাজ করতে এবং বসতি স্থাপন করতে দেয়।

=> এটি একটি অনলাইন প্রোগ্রাম যাতে সফল আবেদনকারীদের সংখ্যার কোন ক্যাপ নেই
=> আপনাকে অবশ্যই একটি এক্সপ্রেশন অফ ইন্টারেস্ট জমা দিতে হবে এবং যেকোনো ধরনের পেশার অধীনে একজন আবেদনকারী হিসেবে আবেদন করতে হবে কানাডার বেশিরভাগ ওয়েবপেজে TEER 0, 1, 2, 3-এ তালিকাভুক্ত হতে হবে।
=> আপনার প্রোফাইল পয়েন্টের উপর ভিত্তি করে মূল্যায়ন করা হবে এবং আবেদনকারী পুলে স্থাপন করা হবে
=> কানাডিয়ান প্রদেশ এবং নিয়োগকর্তারা এই পুল অ্যাক্সেস করবে এবং তাদের চাহিদা মেটানোর জন্য প্রতিভা খুঁজে পাবে
=> সর্বোচ্চ পয়েন্টধারীদের পিআর-এর জন্য আবেদন করার জন্য একটি আমন্ত্রণ পাঠানো হয়
=> বার্ষিক অভিবাসন স্তরের উপর ভিত্তি করে জারি করা ITA-এর সংখ্যা

ফেডারেল স্কিলড ওয়ার্কার প্রোগ্রামের জন্য যোগ্যতা:

কানাডা ফেডারেল স্কিলড ওয়ার্কার প্রোগ্রামটি কানাডায় কাজ করতে এবং বসতি স্থাপনের জন্য চাহিদাযুক্ত পেশাদারদের আকৃষ্ট করার জন্য ডিজাইন করা হয়েছে। একজন আবেদনকারী হিসাবে, আপনাকে পয়েন্ট-ভিত্তিক স্কেলে মূল্যায়ন করা হবে এবং আপনাকে অবশ্যই ন্যূনতম 67 পয়েন্ট স্কোর করতে হবে। মূল্যায়ন নিম্নলিখিত পরামিতিগুলির উপর হবে:

=> বয়স
=> শিক্ষার সর্বোচ্চ স্তর
=> ভাষা দক্ষতা
=> কর্মদক্ষতা
=> অন্যান্য কারণের

অতিরিক্তভাবে, আপনাকে অবশ্যই প্রদর্শন করতে হবে:

=> আপনার ইংরেজি বা ফরাসি ভাষায় পর্যাপ্ত ভাষা দক্ষতা আছে
তালিকায় একটি পেশায় গত 1 বছরে আপনার কমপক্ষে 10 বছরের
অবিচ্ছিন্ন পূর্ণ-সময় কাজের অভিজ্ঞতা রয়েছে
=> আপনি একটি বৈধ কানাডিয়ান সমতুল্য একটি শিক্ষা আছে
কিভাবে Y-Axis আপনাকে সাহায্য করতে পারে?

কানাডিয়ান ইমিগ্রেশনে আমাদের বিশাল অভিজ্ঞতার সাথে, Y-Axis সাফল্যের সর্বোচ্চ সম্ভাবনা সহ একটি আবেদন ফাইল করার জন্য আপনার সেরা বাজি। আমাদের দল আপনাকে সাহায্য করবে:

=> ইমিগ্রেশন ডকুমেন্ট চেকলিস্ট
=> সম্পূর্ণ আবেদন প্রক্রিয়াকরণ
=> ফর্ম, ডকুমেন্টেশন এবং পিটিশন ফাইলিং
=> আপডেট এবং ফলো-আপ
=> চাকরির সন্ধান পরিষেবা

কানাডায় স্থানান্তর এবং সেটেল ডাউন সমর্থন
কানাডা ফেডারেল স্কিলড ওয়ার্কার প্রোগ্রাম দক্ষ ব্যক্তিদের বিদেশে নতুন জীবন গড়ার জন্য একটি আশ্চর্যজনক বিকল্প। আপনি আবেদন করার যোগ্য কিনা তা মূল্যায়ন করতে আপনার Y-Axis পরামর্শদাতার সাথে কথা বলুন।

ধন্যবাদ!

সারা বিশ্বের মধ্যে জীবন মানের বিবেচনায় কানাডা অবস্থান রয়েছে শীর্ষ তিনে। কানাডা বিশ্বের অভিবাসিদের এক নম্বর পছন্দনীয় দেশ...
12/11/2024

সারা বিশ্বের মধ্যে জীবন মানের বিবেচনায় কানাডা অবস্থান রয়েছে শীর্ষ তিনে। কানাডা বিশ্বের অভিবাসিদের এক নম্বর পছন্দনীয় দেশ হিসেবে এরই মধ্যে ব্যাপক পরিচিতি লাভ করেছে।

উন্নত জীবনযাপন, চাকরি বা পড়াশোনার জন্য কানাডা বিশ্বের অন্যতম জনপ্রিয় দেশ। শুধু বাংলাদেশ নয়, পৃথিবীর প্রায় সব দেশের শিক্ষার্থীদের উচ্চ শিক্ষার ক্ষেত্রে প্রথম পছন্দ কানাডা। এছাড়া অনেকে ভ্রমণের জন্য কানাডায় যেতে চায়।

ভ্রমণ প্রিয় মানুষদের পছন্দের একটি দেশ হচ্ছে ম্যাপেল পাতার দেশ কানাডা। নায়াগ্রা জলপ্রপাত কিংবা ব্যানফ ন্যাশনাল পার্কের মতো পপুলার ট্যুরিস্ট স্পটগুলোর জন্য এটি সর্বদাই ভ্রমণ প্রিয় মানুষদের পছন্দের শীর্ষে থাকে।

অত্যাধুনিক সুযোগ-সুবিধার কেন্দ্রস্থল হিসেবে কানাডার শহরগুলোর রয়েছে আলাদা আবেদন, বিশেষ করে টরন্টো, কুইবেক, ভ্যানকুভার ইত্যাদি শহরের পপুলারিটি প্রায় সবারই চোখে পড়ে।

কী কী ধরনের ভিসা দেয় কানাডা?

কানাডার সরকারের বিভিন্ন ধরনের অভিবাসন কর্মসূচি রয়েছে। যেমন,
=> ভ্রমণ ভিসা
=> শিক্ষার্থী ভিসা
=> কর্ম ভিসা
=> স্থায়ী বসবাসের ভিসা

ভ্রমণ ভিসাঃ

ভিজিটর ভিসা অস্থায়ী আবাসিক ভিসা নামেও পরিচিত। ভ্রমণ ভিসায় কানাডা যাওয়া সহজ। তবে ভিসা পাওয়া একটু কঠিন। ছুটি কাটাতে বা ভ্রমণ করতে যারা কানাডা যেতে চান তাদের ভিসা দিয়ে থাকে। এক্ষেত্রে ভিসা প্রার্থীর কাছে জিজ্ঞেস করা কেন যেতে চান। দূতাবাসের যে কর্মকর্তা আপনার সাক্ষাৎকার নেবেন তার কাছে যদি মনে হয় ভিসার মেয়াদ শেষ হলেও আপনার না ফেরার আশঙ্কা রয়েছে তাহলে আপনাকে ভিসা দেয়া হবে না।

অনলাইনে কানাডার ভিসার জন্য আবেদন করা যায়। কানাডা সরকারের অভিবাসন এবং নাগরিকত্ববিষয়ক পোর্টালে দেশটির ভিসার জন্য আবেদন করতে পারবেন। তবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, মেক্সিকো এবং উচ্চ-আয়ের বেশির ভাগ দেশের নাগরিকদের কানাডায় যাওয়ার জন্য ভিসার প্রয়োজন হয় না।

কানাডার ভ্রমণ ভিসা পাবেন যেভাবেঃ

১.অনলাইনে ভিসা ফরমে আপনার নিজের পেশাগত, ভ্রমণ সংক্রান্ত, পরিবারের তথ্যসমূহ সঠিকভাবে দিতে হবে।

২. আপনি যদি প্রথমবারের মতো কানাডার ভিসার জন্য আবেদন করেন তাহলে আপনাকে অবশ্যই বায়োমেট্রিক জমা দিতে হবে। কানাডা ভিসা-র জন্য বায়োমেট্রিক দেয়া বাধ্যতামূলক। বাংলাদেশে কানাডা-র বায়োমেট্রিক পার্টনার VFS গ্লোবালের ঢাকা, সিলেট এবং চট্টগ্রামের অফিসের গিয়ে আপনাকে ছবি তোলা ও আঙ্গুলের ছাপ দিতে হবে।

৩. আবেদনের পর সাধারণত ভ্রমণ ভিসার জন্য ১ থেকে ২ মাস এবং অভিবাসী ভিসার জন্য ৬ মাস থেকে ২ বছর পর্যন্ত সময় লাগতে পারে। তবে অভিবাসী ভিসার অনেক রিকোয়ারমেন্ট রয়েছে, সেগুলো অবশ‍্যই আপনাকে পূরণ করতে হবে। ভ্রমণ ভিসার জন্য কঠিন কোন শর্ত সাধারণত নেই।

৪. ভিসা এপ্রুভ হলে আপনি ইমেইলেই নোটিফিকেশন পাবেন। এরপর ভিসা অ্যাপ্রুভাল লেটারসহ ভিএফএস গ্লোবালে পাসপোর্ট জমা দিতে হবে। ১০ দিন পর ভিসা সহ পাসপোর্ট ফেরৎ পাবেন। ভ্রমণ ভিসা সাধারণত ১০ বছরের জন্য ইস্যু করা হয়।

অন্যান্য দেশের বেশিরভাগ বিদেশিকে কানাডার সরকারের ওয়েবসাইট থেকে অবশ্যই একটি ইলেক্ট্রনিক ট্রাভেল অথরাইজেশন (ইটিএ) সংগ্রহ করতে হবে। যা আপনি অনলাইনে আবেদন করার পর কর্তৃপক্ষের অনুমোদন সাপেক্ষে পেতে পারেন।কানাডা ভ্রমণে যাওয়ার জন্য আপনার ভিসার প্রয়োজন আছে কিনা তা জানতে ক্লিক করুন

কানাডার ভ্রমণ ভিসা পাওয়ার জন্য আপনাকে যা দেখাতে হবে
=> ভ্রমণের পুরো সময়জুড়ে আপনার ব্যয় নির্বাহ করার সক্ষমতা।
=> ভ্রমণ শেষে কানাডা ত্যাগ করার নিশ্চয়তা।

কানাডায় ভ্রমণ ভিসার জন্য কী কী যোগ্যতা লাগে?

কানাডা ভ্রমণ ভিসার প্রার্থীর ইতিপূর্বে বেশ কয়েকটি দেশে ভ্রমণ থাকলে ভালো। পাশাপাশি আপনার পেশাগত, সামাজিক এবং পারিবারিক টাই থাকতে হবে। এ ছাড়াও একজন আবেদনকারীকে তার অর্থনৈতিক সক্ষমতাও প্রমাণ করতে হয়, তাই আপনার ব্যাংক অ্যাকাউন্টে নিয়মিত লেনদেন খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

কানাডায় স্থায়ী বসবাসের সুযোগ পাওয়ার উপায় কী?

আপনি যদি কানাডায় স্থায়ীভাবে বসবাস করতে চান, তাহলে কানাডিয়ান কর্তৃপক্ষকে আপনার কাজের অভিজ্ঞতা এবং শিক্ষাগত যোগ্যতার মাধ্যমে কীভাবে তারা উপকৃত হবে, সেটি উপস্থাপন করতে হবে। তাছাড়া আপনার পরিবারের কোনও সদস্য যদি আগে থেকেই কানাডায় বসবাস করে থাকে, তাহলে তা স্থায়ী বসবাসের অনুমতির আবেদন করতে পারেন। আপনি যদি কানাডায় স্থায়ীভাবে বসবাসের যোগ্য হন, তাহলে দেশটির সরকার আপনাকে একটি কার্ড দেবে। যা পার্মানেন্ট রেসিডেন্ট বা পিআর কার্ড নামে পরিচিত। আর এই কার্ড পাওয়ার পর আপনি যখন কানাডায় যাবেন, তখন সেখানকার কর্মকর্তাদের কাছে আপনাকে এই কার্ড ও পাসপোর্ট প্রদর্শন করতে হবে।

কানডা ভ্রমণের সঠিক সময় কোনটি?

কানাডা শীত প্রধান দেশ। বছরের একটা বড় সময়ই তাই ঠান্ডা এবং বরফে ঢাকা থাকে। কানাডা ভ্রমণের জন্য উত্তম সময় এপ্রিলের মাঝামাঝি থেকে নভেম্বরের মাঝামাঝি পর্যন্ত। বাকি সময়ও আপনি কানাডা ভ্রমণে যেতে পারেন, তবে তখন কেবল শীতকালীন অ‍্যাকটিভিটি এনজয় করতে হবে। কানাডা ভ্রমণ ভিসা পাওয়া যেহেতু বেশ সময়সাপেক্ষ, তাই আগামী বছর কানাডা ঘুরতে যেতে চাইলে প্রস্তুতি নিতে হবে এখনই।

বিদেশি যারা কানাডায় পর্যটক ভিসায় আছেন এবং যাদের বৈধ কাজের অফার আছে, তারা কানাডার মধ্যে থেকেই কাজের অনুমোদনের আবেদন করতে পারবেন।

নর্থ আমেরিকার দেশ কানাডা মূলত শীত প্রধান একটি দেশ এবং পৃথিবীর দ্বিতীয় বৃহত্তম দেশ। এই দেশের আয়তন ৯.৯৮ মিলিয়ন বর্গকিলোমিটার আর জনসংখ্যা ৩,৭৯,৭১,০২০ জন। এই দেশের অফিসিয়াল ভাষা ফ্রেঞ্চ ও ইংরেজী এবং মুদ্রা কানাডিয়ান ডলার। এই দেশের জিডিপি $১.৮১২ ট্রিলিয়ন আর পার কাপিটা জিডিপি হল ৪৯,৯৩১ ডলার। এই দেশের রাজধানী অটোয়া আর সর্ববৃহৎ শহর টরেন্টো।

বাংলাদেশ থেকে যারা থাইল্যান্ড ভিসা নিয়ে যেতে চান? তারা আমাদের আজকের এই আর্টিকেলে, জানতে পারবেন।কিভাবে থাইল্যান্ড ভিসা আ...
12/11/2024

বাংলাদেশ থেকে যারা থাইল্যান্ড ভিসা নিয়ে যেতে চান? তারা আমাদের আজকের এই আর্টিকেলে, জানতে পারবেন।

কিভাবে থাইল্যান্ড ভিসা আবেদন করতে হয়।

বিশেষ করে, থাইল্যান্ড যেতে কি কি কাগজপত্র লাগবে। কোন মাধ্যমে আবেদন করবেন। সে বিষয়ে বিস্তারিত জানতে, আমাদের লেখা আর্টিকেলটি শেষ পর্যন্ত মনোযোগ দিয়ে পড়ুন।

থাইল্যান্ড ভিসাঃ

থাইল্যান্ড টুরিস্ট ভিসা সাধারণত সিঙ্গেল এন্ট্রি তিন মাস এবং মাল্টিপল এন্ট্রি ৬ মাসের হয়ে থাকে। এ পচা গুলোর প্রতি এন্ট্রি তে থাইল্যান্ডে আপনি সর্বোচ্চ 60 দিন অবস্থান করতে পারবেন।

আগে সময়গুলোতে ডাবল এন্ট্রি ছয় মাসের ভিসা পাওয়া যেত, কিন্তু বর্তমানে এই সার্ভিসটি আর নেই। থাইল্যান্ড টুরিস্ট ভিসার টাইপ হচ্ছে টিআর। এছাড়া ট্রানজিট, মেডিকেল এবং বিজনেস ইত্যাদি ভিসা রয়েছে।

থাইল্যান্ড ভিসা কোন মাধ্যমে করবেন ?

এখন কথা হচ্ছে আপনারা থাইল্যান্ড যে, ভিসা নিয়ে যেতে চান না কেন? থাইল্যান্ড ভিসা আপনারা চাইলে নিজে নিজে করতে পারবেন। আবার কোন এজেন্সি দিয়েও করাতে পারবেন।

এখন কোন প্রক্রিয়াতে থাইল্যান্ড ভিসা করবেন। সেটি আপনার ওপর নির্ভর করছে। আপনি যদি ভিসা কার্যক্রম ঝামেলা মনে করেন।

সেই ক্ষেত্রে কোন দিকে দায়িত্ব দিয়ে, থাইল্যান্ড টুরিস্ট ভিসা সম্পন্ন করে নিতে পারেন।

থাইল্যান্ড ভিসা আবেদনের ধাপ গুলো কি কি ?

আপনি যদি থাইল্যান্ড ভিসা আবেদন করতে চান? তাহলে কিছু ধার আপনাকে পূরণ করতে হবে। তো কি কি ধাপ পূরণ করতে হবে।

সেগুলো হচ্ছে-

=> আপনার প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সংগ্রহ করতে হবে
=> থাইল্যান্ড ভিসা ফরম পূরণ করতে হবে
=> ভিসা আবেদনপত্র জমা দিতে হবে
=> পাসপোর্ট সংগ্রহ করা

তো আপনারা যারা নিজের দেশ থেকে থাইল্যান্ড টুরিস্ট ভিসা নিয়ে যেতে চান? তারা উপরোক্ত ধাপগুলো পূরণ করে, তারপর আবেদন করতে পারবেন।

থাইল্যান্ড টুরিস্ট ভিসা আবেদনের জন্য প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট
থাইল্যান্ড ভিসা আবেদনের প্রথম ধাপ হল আবেদন জমা দেওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট সংগ্রহ করা। তো থাইল্যান্ড যাতে কি কি কাগজপত্র সংগ্রহ করতে হবে সেগুলো জানতে নিচের তথ্য গুলো অনুসরণ করুন।

=> থাইল্যান্ড ভিসা আবেদন ফরম
=> পাসপোর্ট
=> পাসপোর্ট সাইজের দুই কপি ছবি
=> ব্যাংক স্টেটমেন্ট
=> কাজের প্রমাণপত্র
=> ভিসা রিকুয়েস্ট লেটার
=> এয়ার টিকেট বুকিং
=> হোটেল বুকিং
=> ভ্রমণের পরিকল্পনা
=> পাসপোর্টের ডাটা পেজ ফটোকপি
=> জাতীয় পরিচয় পত্র
=> বিবাহিত হলে বিবাহিত সনদপত্র
=> 18 বছরের কম বয়সী হলে অভিভাবকের সম্মতি

উপরোক্ত অংশে যে, কাগজপত্র গুলো সম্পর্কে জানতে পারলেন। সেগুলো অবশ্যই ইংরেজিতে তৈরি করতে হবে। কোন ডকুমেন্ট যদি বাংলায় হয় সে ক্ষেত্রে আপনারা ইংরেজিতে লটারি করে নিতে হবে।

থাইল্যান্ড টুরিস্ট ভিসা আবেদন ফরমঃ

আপনারা থাইল্যান্ড যাওয়ার জন্য উপরোক্ত সকল কাগজপত্র সংগ্রহ করার পর, থাইল্যান্ড টুরিস্ট ভিসার আবেদন ফরম পূরণ করতে পারবেন।

থাইল্যান্ড ভিসা ফরম খুবই সংক্ষিপ্ত আকারে তৈরি করা হয়েছে যা এক পাতার মধ্যে। তাই খুব সহজে সেটি পূরণ করতে পারবেন। ভিসা ফরম পূরণ করার জন্য আপনাকে ফরমটি ডাউনলোড করতে হবে।

উপরোক্ত আবেদন ফরম সঠিকভাবে পূরণ করে, থাইল্যান্ড ভিসা অফিসে জমা দিতে হবে। তাহলে আপনার কাজ শেষ। আপনার সকল তথ্য যদি ঠিকঠাক থাকে তাহলে, থাইল্যান্ড ভিসা আপনাকে কয়েকদিনের মধ্যে প্রদান করবে।

থাইল্যান্ড ভিসা খরচ কত?

থাইল্যান্ড টিচার ধরন এবং এন্ট্রির ওপর ভিত্তি করে থাইল্যান্ড ভিসা খরচ কম বেশি হতে পারে। আমরা এখানে শুধুমাত্র বাংলাদেশিদের জন্য থাইল্যান্ড টুরিস্ট ভিসা এবং ট্রানজিট ভিসা খরচ কত হবে তা জানিয়ে দিয়েছেন।

উপরোক্ত ঈসা খরচ বাদ দিয়ে ভিসা আবেদন গ্রহণকারীদের সার্ভিস চার্জ প্রদান করতে হবে। থাইল্যান্ড ভিসা প্রসেঞ্থে ১২৬০ টাকা।

শেষ কথাঃ
তো বন্ধুরা আপনার যারা বাংলাদেশ থেকে কিভাবে থাইল্যান্ড ভিসা আবেদন করবেন? তারা উপরোক্ত আলোচনা অনুসরণ করে, প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সংগ্রহ করে, ভিসার খরচ পরিশোধ করে, আবেদন ফরম পূরণ করে, সাহসে জমা দেয়ার পর খুব দ্রুত বিচার সম্পন্ন করে নিতে পারে।

তো থাইল্যান্ড ভিসা সম্পর্কে আপনার যদি কোন প্রশ্ন থাকে। তবে অবশ্যই কমেন্ট করে জানাতে পারেন।

ধন্যবাদ!

বর্তমান সময়ে বাংলাদেশিদের কাছে লিথুনিয়া কাজে ভিসা অনেক বেশি জনপ্রিয়। আজকে জানাবো নিথুনিয়া ওয়ার্ক পারমিট ভিসা পাওয়ার ন...
12/11/2024

বর্তমান সময়ে বাংলাদেশিদের কাছে লিথুনিয়া কাজে ভিসা অনেক বেশি জনপ্রিয়। আজকে জানাবো নিথুনিয়া ওয়ার্ক পারমিট ভিসা পাওয়ার নিয়ম ও কি কি লাগবে ভিসা পেতে-

লিথুনিয়া কাজের ভিসাঃ

লিথুনিয়ার বিভিন্ন ভিসার মধ্যে কাজের ভিসা বা ওয়ার্ক পারমিট ভিসা অন্যতম। দীর্ঘদিন লিথুনিয়ায় থেকে বিভিন্ন ধরনের কাজ বা চাকরি করার জন্য লিথুনিয়া কাজের ভিসা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

লিথুনিয়ায় বিভিন্ন ধরনের কাজের ভিসা রয়েছে যেমনঃ

=> দক্ষ কর্মীদের জন্য কাজের ভিসা বা EU Blue Card
=> ইন্ট্রা কোম্পানি ট্রান্সফার ভিসা
=> সাধারণ কর্মীদের জন্য ওয়ার্ক পারমিট ভিসা
=> সিজনাল ওয়ার্ড ভিসা বা কাজের ভিসা
=> লিথুনিয়াতে EU Blue Card নিয়ে কাজের ভিসা পাওয়ার জন্য অবশ্যই আপনাকে একজন উচ্চ দক্ষতা ও অভিজ্ঞতা সম্পন্ন কর্মী হতে হবে।

EU/ EEA কার্ড প্রাপ্ত কর্মীরা লিথুনিয়াতে অবাধে কাজ করতে পারে তবে প্রতি তিন মাস পর পর তাদের নিবন্ধন আপডেট করতে হয়।

EU blue card পাওয়ার যোগ্যতা প্রমাণ করতে পারলে আপনি লিথুনিয়াতে কাজ করার পাশাপাশি অস্থায়ীভাবে দুই বছরের জন্য বসবাসের অনুমতি পাবেন।

কাজের ধরন এবং নিয়োগকর্তার উপর ভিত্তি করে আপনি এই কাজের ভিসাগুলোর মধ্যে যেকোন একটি ভিসা নিয়ে লিথুনিয়াতে কাজ করতে পারবেন।

লিথুনিয়াতে ওয়ার্ক পারমিট কাজ করার উদ্দেশ্যে সেখানে অবস্থান করার জন্য আপনাকে অবশ্যই জাতীয় ডি ভিসার জন্য আবেদন করতে হবে এবং এই ডি ভিসা নিয়ে আপনি ১ বছর পর্যন্ত লিথুনিয়ায় অবস্থান করতে পারবেন।

এছাড়াও আপনি লিথুনিয়ায় সিজনাল ওয়ার্ক পারমিট ভিসা নিয়ে কিছু সময়ের জন্য অবস্থান করেও কাজ করতে পারবেন।

লিথুনিয়ার যে কোম্পানিতে বা যে স্থানে আপনি কাজ করবেন সেখানের নিয়োগকর্তা আপনার সকল ডকুমেন্টস দেখে কাজে নিয়োগ দিলে আপনি খুব সহজে যেকোনো দেশ থেকে লিথুনিয়া কাজের ভিসা নিয়ে কাজ করতে যেতে পারবেন।

লিথুনিয়া কাজের ভিসার জন্য কি কি লাগেঃ

লিথুনিয়াতে কাজের ভিসায় যাওয়ার জন্য অবশ্যই আপনাকে প্রয়োজনীয় ডকুমেন্টসহ কাজের ভিসার জন্য আবেদন করতে হবে।

আবেদনকারীর বৈধ পাসপোর্ট, ওয়ার্ক পারমিট, ব্যাংক স্টেটমেন্ট ইত্যাদি আরো বিভিন্ন প্রয়োজনীয় ডকুমেন্টস এর দরকার হয়।

লিথুনিয়া কাজের ভিসায় আবেদনের জন্য যে সকল প্রয়োজনীয় ডকুমেন্টস লাগবে তা হলো –

=> কমপক্ষে ৬ মাস মেয়াদি বৈধ পাসপোর্ট যার অন্তত দুটি পৃষ্ঠা ফাঁকা থাকতে হবে
=> আবেদনকারীর পাসপোর্ট সাইজের রঙিন ছবি
=> লিথুনিয়ান নিয়োগকর্তার দেয়া আমন্ত্রণপত্র বা চিঠি
=> আবেদনকারীর ব্যাংক স্টেটমেন্ট এর কপি
=> লিথুনিয়ান লেবার এক্সচেঞ্জ দ্বারা জারি করা ওয়ার্ক পারমিট
=> আবেদনকারীর আয়ের উৎসের প্রমাণপত্র
=> মেডিকেল রিপোর্ট
=> নির্দিষ্ট কাজের দক্ষতার বৈধ প্রমাণপত্র।
=> লিথুনিয়া কাজের ভিসায় আবেদনের জন্য উক্ত প্রয়োজনীয় কাগজপত্র গুলো অবশ্যই ইংরেজি অথবা লিথুনিয়ান ভাষায় অনুবাদ করে => অ্যাপোস্টিল স্ট্যাম্প সহ জমা দিতে হবে।

লিথুনিয়া কাজের ভিসা পাওয়ার উপায়ঃ

লিথুনিয়া কাজের ভিসা পাওয়ার উপায় খুব একটা জটিল নয়। ওয়ার্ক পারমিট ইস্যু করা, এম্বাসিতে যোগাযোগ করা, আবেদন ফরম পূরণ করে সকল প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দেয়া, অ্যাপোয়েন্টমেন্ট নেওয়া, ভিসা প্রসেসিং এর জন্য অপেক্ষা করা ইত্যাদি নির্ধারিত পদক্ষেপ গ্রহণের মাধ্যমে কাজের ভিসা পাওয়া যায়।

এখন আমরা লিথুনিয়া কাজের ভিসা পাওয়ার উপায় সম্পর্কে ধাপে ধাপে আলোচনা করব।

ধাপ ১ – লিথুনিয়া ওয়ার্ক পারমিট সংগ্রহ করুনঃ

লিথুনিয়ায় কাজের ভিসা পাওয়ার জন্য সর্বপ্রথম আপনাকে লেবার এক্সচেঞ্জ ওয়ার্ক পারমিট সংগ্রহ করতে হবে।

আপনার নিয়োগ কর্তার কাছ থেকে কাজের অনুমতি পাওয়ার আগে অবশ্যই আপনাকে নির্দিষ্ট ডকুমেন্টস প্রদান করে ওয়ার্ক পারমিট ইস্যু করতে হবে।

লিথুনিয়া কাজের ভিসার ধরনের উপর নির্ভর করে অনেক সময় ওয়ার্ক পারমিট এর প্রয়োজন হয় না।

ধাপ ২ – নিকটতম লিথুনিয়ান এম্বাসিতে যোগাযোগ করুনঃ

লিথুনিয়া কাজের ভিসা পাওয়ার জন্য এরপর আপনাকে আপনার নিকটতম লিথুনিয়ান এম্বাসিতে যোগাযোগ করতে হবে।

লিথুনিয়ান এম্বাসিতে কাজের ভিসার জন্য যোগাযোগ করে ভিসার আবেদন করা, প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দেয়া, ভিসার প্রসেসিং ইত্যাদি সকল পদক্ষেপ সম্পর্কে জেনে নিতে হবে।

ধাপ ৩ – আবেদন ফরম পূরণ করুনঃ

বাংলাদেশে অবস্থিত লিথুনিয়া কনস্যুলেটে যোগাযোগ করলে আপনাকে সেখান থেকে অথবা তাদের অনলাইন ওয়েবসাইট থেকে Visa Application Form ভিসা আবেদন ফরম সংগ্রহ করতে হবে।

আবেদন ফরম সংগ্রহ করে অথবা তাদের অনলাইন ওয়েবসাইটের মাধ্যমে আপনার সকল তথ্য সঠিক ও নির্ভুলভাবে দিয়ে আবেদন ফরম পূরণ করতে হবে।

আবেদন ফরম পূরণ করার সময় অবশ্যই আপনার Visa Type (ভিসার ধরণ) উল্লেখ করতে হবে।

ধাপ ৪ – প্রয়োজনীয় ডকুমেন্টস জমা দিনঃ

এরপর কাজের ভিসা আবেদনের জন্য আপনার বৈধ পাসপোর্ট, জাতীয় পরিচয়পত্র, পাসপোর্ট সাইজের রঙিন ছবি, মেডিকেল রিপোর্ট, ব্যাংক স্টেটমেন্টের কপি, নিয়োগকর্তার আমন্ত্রণপত্র ইত্যাদি নির্ধারিত ডকুমেন্টস একত্রে আবেদন ফরমের সাথে জমা দিতে হবে।

ধাপ ৫ – অ্যাপয়েন্টমেন্ট গ্রহণ করুনঃ

কাজের ভিসার আবেদন ফরম পূরণ করে এবং সকল কাগজপত্র একত্র করে এম্বাসিতে জমা দেওয়ার জন্য তাদের সাথে যোগাযোগ করে অ্যাপয়েন্টমেন্ট গ্রহণ করতে হবে।

একটি নির্দিষ্ট তারিখে অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিয়ে আপনার ভিসার আবেদন ফরম ও সকল কাগজপত্র একত্রে এম্বাসিতে জমা দিতে হবে।

ধাপ ৬ – ভিসা প্রসেসিং এর জন্য অপেক্ষা করুনঃ

সকল কাগজপত্র জমা দেয়া হয়ে গেলে এবার আপনাকে ভিসা প্রসেসিং এর জন্য অপেক্ষা করতে হবে। সাধারণত লিথুনিয়া কাজের ভিসা প্রসেসিং এর জন্য ৭ থেকে ১৪ দিন সময় লেগে থাকে।

তবে আপনার কোন তথ্য বা কাগজপত্রে জটিলতা দেখা দিলে ভিসা প্রসেসিং এর সময় আরো বেশিও লাগতে পারে।

এভাবে উপরোক্ত ধাপগুলো অনুসরণ করে খুব সহজেই লিথুনিয়া কাজের ভিসা পাওয়া সম্ভব।

লিথুনিয়া কাজের ভিসার দাম কতঃ

লিথুনিয়ায় কাজের ভিসায় যাওয়ার জন্য ভিসার ফি হিসেবে ১২০ ইউরো বা বাংলাদেশী টাকায় ১৮ হাজার টাকা জমা দিতে হয়।

এই ভিসা ফি আপনি নিজেই অনলাইনে অথবা লিথুনিয়ান এজেন্সির মাধ্যমে জমা দিতে পারবেন।

বাংলাদেশ থেকে লিথুনিয়ায় কাজের ভিসায় যাওয়ার জন্য প্রায় ৭ লক্ষ থেকে ৮ লক্ষ টাকা পর্যন্ত খরচ হয়ে থাকে।

লিথুনিয়া কাজের ভিসার দাম এবং লিথুনিয়ায় যাওয়ার খরচ বিভিন্ন এজেন্সির উপর ভিত্তি করে কম বেশি হতে পারে।

লিথুনিয়ায় কাজের বেতন কতঃ

লিথুনিয়ায় কাজের ধরন,দক্ষতা, অভিজ্ঞতা ইত্যাদির উপর ভিত্তি করে শ্রমিকদের বেতন কম বেশি হয়ে থাকে।

কাজের প্রথম অবস্থায় অর্থাৎ নতুন শ্রমিকদের বেতন ৫০০ ইউরো থেকে ৬০০ ইউরো পর্যন্ত হয়ে থাকে যা বাংলাদেশী টাকায় প্রায় ৬০ হাজার থেকে ৭০ হাজার টাকা।

তবে দক্ষতা ও অভিজ্ঞতা বৃদ্ধির সাথে সাথে শ্রমিকদের বেতন ও বৃদ্ধি পায়।

লিথুনিয়ায় কর্মরত একজন শ্রমিক মাসে ৮ থেকে ১০ ঘন্টা কাজ করে প্রায় ৬০০ ইউরো থেকে ৭০০ ইউরো পর্যন্ত আয় করতে পারে যা বাংলাদেশী টাকায় প্রায় ৭১ হাজার টাকা থেকে ৮৩ হাজার টাকা।

এছাড়াও ওভারটাইম করে অর্থাৎ ১২ থেকে ১৪ ঘন্টা কাজ করে আরও বেশি আয় করা সম্ভব।

লিথুনিয়া নিয়ে কমন কিছু প্রশ্ন এবং তার উত্তরঃ

=> লিথুনিয়ায় কাজের ভিসায় যাওয়ার খরচ কত?

বাংলাদেশ থেকে লিথুনিয়ান এজেন্সির মাধ্যমে কাজের ভিসায় যাওয়ার জন্য একজন শ্রমিকের প্রায় ৭ থেকে ৮ লক্ষ টাকা খরচ হয়ে থাকে। তবে অনলাইনে নিজেই ভিসার জন্য আবেদন করলে বা এজেন্সি ভেদে লিথুনিয়ায় কাজের ভিসায় যাওয়ার খরচ কম বেশি হয়ে থাকে।

=> লিথুনিয়া কাজের ভিসার মেয়াদ কতদিন?

লিথুনিয়া কাজের ভিসার মেয়াদ সর্বোচ্চ ১ বছর। আবার কোনো শ্রমিকের EU blue card থাকলে ২ বছর পর্যন্ত মেয়াদ বৃদ্ধি পায়। তবে এক্ষেত্রে তিন মাস পর পর নিবন্ধন আপডেট করতে হয়।

=> লিথুনিয়া কাজের ভিসা প্রসেসিং হতে কত সময় লাগে?

আপনার সকল তথ্য ও কাগজপত্র সঠিক ও নির্ভুল হলে ৭ থেকে ১৪ দিনের মধ্যে কাজের ভিসার প্রসেসিং হয়ে যায়। তবে কাগজপত্রে কোন জটিলতা থাকলে সময় আরো বেশি লাগতে পারে।

=> লিথুনিয়া একজন শ্রমিক দৈনিক কত ঘন্টা কাজ করতে পারে?

লিথুনিয়া কাজের ভিসায় যেয়ে একজন শ্রমিক দৈনিক ৮-১০ ঘন্টা কাজ করতে পারে। তবে ওভারটাইম করলে ১২-১৪ ঘন্টা কাজ করতে পারবে।

=> লিথুলিয়া কাজের জন্য কোন দেশগুলোর ভিসা প্রয়োজন নেই?

ইউরোপীয় ইউনিয়ন ভক্ত দেশগুলোর জন্য লিথুনিয়া ভিসার প্রয়োজন নেই।

=> লিথুলিয়া কাজের ভিসার মেয়াদ বাড়ানো সম্ভব?

হ্যাঁ, লিথুনিয়া ওয়ার্ক পারমিট বা কাজের ভিসার মেয়াদ বাড়ানো সম্ভব।

আমরা অনেকেই বিভিন্ন কাজে অথবা বিদেশ যাওয়ার জন্য বিমানে যাতায়াত করি। বা করতে হয়, কিন্তু আপনি চাইলেই অন্য সকল যানবাহনের মত...
12/11/2024

আমরা অনেকেই বিভিন্ন কাজে অথবা বিদেশ যাওয়ার জন্য বিমানে যাতায়াত করি। বা করতে হয়, কিন্তু আপনি চাইলেই অন্য সকল যানবাহনের মত সকল কাজ সহজেই করতে পারবেন না। আজকে তেমনই কিছু বিষয় আপনাদের সাথে শেয়ার করবো। বিমানে কোন কাজ করা যাবে না- তাহলে চলুন শুরু করি-

বিমানের শৌচাগারের ব্যবহারঃ

বিমানের শৌচাগারে বেশি সময় না নেওয়াই ভালো। এ ছাড়া বাসার শৌচাগারের মতো নোংরা অবস্থায় রেখে আসা উচিত নয়। আপনার স্বাস্থ্যের কথা ভেবে বিমানের ময়লা শৌচাগারে যেকোনো ধরনের যৌনাচার থেকে বিরত থাকা উচিত।

তীব্র গন্ধযুক্ত কিছু নিয়ে বিমানে না ওঠাঃ

মনে রাখবেন, তীব্র গন্ধযুক্ত কোনো আতর বা পারফিউম মেখে বিমান ভ্রমণ না করাই ভালো। এতে আপনার জন্য অন্য যাত্রীরা অসুবিধার সম্মুখীন হতে পারেন। এ ছাড়া বিমানে এমন খাবার নিয়ে ওঠা উচিত নয়, যা তীব্র গন্ধ ছড়ায়।

নিজের সন্তানদের দেখে রাখুনঃ

বিমানে ওঠার আগে নানা ধরনের নিয়ম-কানুন মানতে গিয়ে হয়তো আপনি ক্লান্ত হয়ে পড়েছেন; কিন্তু সন্তানকে দেখে রাখা আপনার দায়িত্বের মধ্যে পড়ে। তেমনি অন্য বাচ্চারা দুষ্টুমি করলে আপনার উচিত তাদের বাবা-মাকে বিষয়টি জানানো। বিমানে অন্য কারো বাচ্চাকে ধমক দেওয়ার সঠিক জায়গা নয়।

ভেবে রাখুন বিমানে কীভাবে ঘুমাবেনঃ

বিমানে উঠে ঘুমানোর জন্য আপনি একটি নেক পিলো (ঘুমানোর জন্য বিশেষ এক বালিশ, যা ঘাড়ে জড়িয়ে নেওয়া যায়) চাইতেই পারেন। নেক পিলোর বিশেষ সুবিধা হলো ঘুমের মধ্যে আপনার মাথা অন্য কারো ঘাড়ে চলে যাবে না। মনে রাখবেন যদি আপনি বিমানের মাঝখানের আসন পান তাহলে ট্রে টেবিলে মাথা রেখে ঘুমানো উচিত নয়। এতে করে আপনার দুই পাশের যাত্রীর চলাচলে বিঘ্ন ঘটতে পারে।

মাঝখানের আসনের যাত্রীর আর্মরেস্টের অধিকার বেশিঃ

বিমানের আসনের সঙ্গে লাগানো হাত রাখার জায়গাকে আর্মরেস্ট বলা হয়। বিমানের জানালার পাশের আসন বা করিডরের পাশের আসনের মতো হাত-পা ছড়ানোর সুযোগ মাঝখানের আসনের যাত্রীর কম। তাই তাকে আর্মরেস্টের জায়গা ছেড়ে দেওয়ার পাশাপাশি তার সঙ্গে বেশি কথা না বলে তাঁকে মানসিক জায়গাও দেওয়া উচিত।

সঠিক সময়ে আসন থেকে উঠুনঃ

বাথরুমে যাওয়ার জন্য আসন ছাড়ার আগে আরেকবার ভেবে দেখুন, যদি দেখেন বিমানের আসনের মধ্যবর্তী পথে বিমানবালার হাতে খাবারের ট্রে, তাহলে আপনার আসনে বসে থাকা উচিত। বিমানবালার হাত থেকে খাবার সংগ্রহ না করে আসন ছাড়া ঠিক নয়।

মালপত্র ঠিক জায়গায় রাখুনঃ

বিমানে মাথার ওপর মালপত্র রাখাকে ‘বিন’ বলা হয়। আর বিমানের প্রতিটি ব্যাগের জন্যই মূল্য দিতে হয়। তাই প্রতিটি ‘বিন’ই মূল্যবান। আনুভূমিকভাবে নিজের ব্যাগ বিনে রেখে অন্যের জায়গা দখল করা উচিত নয়। ব্যাগগুলো উল্লম্বভাবে রাখুন। যদি আপনার কাছে দুটি ব্যাগ থাকে, তাহলে একটি ব্যাগ আপনার পায়ের কাছে রাখুন।

বিমানে হেলান দেয়ার ক্ষেত্রে সতর্ক থাকুনঃ

বিমানে আপনি চাইলে আধশোয়া হয়ে ঘুমাতে পারবেন। সে ক্ষেত্রে আসনটিকে আধশোয়া করে শোয়ার উপযুক্ত করে নিতে হবে। আর সেটি করার সময় আপনার পেছনের যাত্রীর দিকে খেয়াল রাখুন। আপনার আসনটি আধশোয়ার উপযুক্ত করতে গিয়ে সেটি যেন আবার তার পানীয়, ল্যাপটপ বা পায়ের সঙ্গে না লেগে যায়। তাই আসনটি বাঁকা করার আগে আপনার পেছনের যাত্রীকেও একবার সতর্ক করুন।

ফোন ও ল্যাপটপ ব্যবহারঃ

বিমানে ওঠার পরপরই আপনার মোবাইল ফোনটিকে অ্যারোপ্লেন মুডে করে নিন। বিমানে সময় কাটানোর জন্য অনেক যাত্রীই তার ফোনে বা ল্যাপটপে গান শোনেন। এ সময় হেডফোন ব্যবহার করুন।

বিমানবালাদের সঙ্গে ভালো আচরণ করুনঃ

বিমানবালাদের অন্যতম কাজ হচ্ছে বিমানের সব নিয়ম-কানুন আপনাকে বুঝিয়ে দেওয়া। সিটবেল্ট বাঁধা, খাবার দেওয়া, বিমান অবতরণের আগে আরেকবার সিটবেল্ট বেঁধে নেওয়ার পরামর্শ ইত্যাদি ক্ষেত্রে বিমানবালা যাত্রীদের সহযোগিতা করেন। কাজেই তাদের সঙ্গে খারাপ আচরণের ফলে তারা বিরক্ত হতে পারেন এবং এতে করে বিমান উড্ডয়নের ক্ষেত্রে দেরি হয়ে যেতে পারে।

শেষ কথাঃ
আজকে খুব গুরুত্বপূর্ণ বিষয় আপনাদের সাথে শেয়ার করা হয়েছে। বিমানে ভ্রমনের সময় অবশ্যই এই নিয়মগুলো সবার মেনে চলা উচিত।

শেষ পর্যন্ত পড়ার জন্য ধন্যবাদ!
Capital visa center

ইতালির সিজনাল ভিসার খুঁটিনাটি বিষয়াদি, যা আপনার অবশ্যই জানা উচিত! আজকের এই পোস্টে আশা করছি আপনার অনেক প্রশ্নের উত্তর পেয়...
12/11/2024

ইতালির সিজনাল ভিসার খুঁটিনাটি বিষয়াদি, যা আপনার অবশ্যই জানা উচিত! আজকের এই পোস্টে আশা করছি আপনার অনেক প্রশ্নের উত্তর পেয়ে জাবেন।

১. ইতালিতে নতুন সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে কিনা?
উত্তরঃ জি সৃষ্টি হয়েছে। এতদিন সিজনাল ভিসায় বাংলাদেশিরা যেতে পারতেন না। এখন থেকে যেতে পারবেন।

২. কোন কোন সেক্টরে লোক যেতে পারবে?
উত্তরঃ কৃষি এবং ট্যুরিজম সেক্টরে লোক জেতে পারবে। অর্থাৎ যারা বিভিন্ন ধরনের কৃষিপণ্য উৎপাদন বিপণন ব্যবসার সাথে জড়িত তারা লোক নিতে পারবেন। তেমনি ভাবে ট্যুরিজম বলতে হোটেল রেস্টুরেন্ট সহ টুরিস্ট কেন্দ্রিক যে ব্যবসা গুলো আছে সেগুলোর সাথে জড়িত যেকোনো ব্যবসায়ী এই ভিসায় লোক নিতে পারবেন।

৩. এর জন্য আবেদনের প্রক্রিয়া কি?
উত্তরঃ যার লোক লাগবে তিনি ইমিগ্রেশন অফিসে লোক নেবার জন্য অনুমতির আবেদন করবেন অর্থাৎ সিজনাল ওয়ার্ক পারমিটের জন্য আবেদন করবেন। অনুমতি পত্র পেলে বাংলাদেশে অবস্থিত ইতালি এম্বাসি তে ভিসার জন্য আবেদন করতে হবে।

৪. এই ভিসার সুবিধা কি?
উত্তরঃ এই ভিসার কোন সুবিধা নেই বরং অসুবিধাই বেশি। এই ভিসা গুলো ইস্যু হয় ৬০ দিন থেকে সর্বোচ্চ ০৬ মাসের জন্য। এখন ০৬ মাস পরে আপনি কি করবেন এটা একটি প্রশ্ন। আইন অনুযায়ী আপনাকে ০৬ মাস পরে দেশে ফেরত আসতে হবে। যদি দেশে ফেরত না আসেন তাহলে আপনি অবৈধ হয়ে যাবেন।
ইতোপূর্বে যারা এই ভিসায় গিয়েছিলেন তারা অনেকেই এখন পর্যন্ত অবৈধভাবে আছেন। কেউ কেউ রাজনৈতিক আশ্রয় বা আরেকটি জব কনট্রাক এর মাধ্যমে সৌজন্য কার্ড বা রেসিডেন্ট কার্ড পেয়েছেন।

৫. এই প্রক্রিয়ায় খরচ কত হতে পারে?
উত্তরঃ এটি নির্ভর করবে যিনি আপনার জন্য আবেদন করছেন তার উপর। কোনো ব্যবসায়ী অর্থাৎ যার লোক লাগবে যদি নিজে নিজেই আবেদন করেন অর্থাৎ কোনো ল’ইয়ারের শরণাপন্ন না হন তাহলে তেমন কোন খরচ নেই। তবে তিনি যদি কোনো লইয়ার নিয়োগ করেন তাহলে সেই লইয়ারের ফি কমপক্ষে আড়াই হাজার ইউরো। বাংলাদেশি টাকায় কমবেশি আড়াই লক্ষ টাকা।

৬. আপনারা আমার কাজ করে দিতে পারবেন কিনা?
উত্তরঃ হচ্ছে আপনি চাইলে আমরা চেষ্টা করে দেখতে পারি তবে আমাদের পরামর্শ ও পথে পা না বাড়ানোই আপনার জন্য ভালো।

৭. এটির ভিসা রেশিও কেমন হবে?
উত্তরঃ আসল প্রশ্ন টি এখানেই আপনি অনেক দৌড়াদৌড়ি করে টাকা পয়সা খরচ করে পারমিট নিয়ে আসলেন তারপর বাংলাদেশে ইতালি এম্বাসি আপনার ভিসা রিফিউজ করে দিল। সুতরাং ভিসা রেশিও খুব ভালো হওয়ার কোন সম্ভাবনা নেই।

৮. এ বিষয়ে বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ কি?
উত্তরঃ ইতালির সিজনাল ০৬ মাসের ভিসার বিষয়ে পরামর্শ হচ্ছে আপনার এভাবে না যাওয়াই ভালো। যদি যেতেই হয় তবে লম্বা সময় যেনো থাকতে পারেন এমন ভিসায় যাবেন।

ধন্যবাদ!

Address

30/4, East Hazipara, DIT Road, Rampura, Bangladesh, 1212
Dhaka
1219

Opening Hours

Monday 10:00 - 05:00
Tuesday 10:00 - 05:00
Wednesday 10:00 - 05:00
Thursday 10:00 - 05:00
Friday 10:00 - 05:00
Sunday 10:00 - 05:00

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Capital visa center posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category