18/04/2026
🌍 ইউরোপ ওয়ার্ক পারমিট ও ভিসা প্রসেসিং (২০২৬)
বিদেশে ক্যারিয়ার গড়ার লক্ষ্যে যারা ইউরোপের দেশগুলোতে যেতে আগ্রহী, তাদের জন্য বিস্তারিত রোডম্যাপ নিচে দেওয়া হলো:
🇲🇩 মলদোভা (Moldova)
মলদোভা বর্তমানে বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য ই-ভিসা এবং স্টিকার ভিসা—উভয় পদ্ধতিতেই সুযোগ দিচ্ছে।
• ভিসার ধরন ও খরচ:
o ই-ভিসা (Type C): ভিজিট বা ট্যুরিস্ট ভিসা। খরচ: ১০,৫০,০০০ টাকা। (সময়কাল: ১৫-৩০ দিন)।
o স্টিকার ভিসা (Type D): লং-স্টে কাজের ভিসা। খরচ: ১২,০০,০০০ টাকা। (সময়কাল: ৩-৪ মাস)।
• প্রসেসিং ধাপ:
1. ডকুমেন্টেশন: পাসপোর্ট, পুলিশ ক্লিয়ারেন্স ও ছবি জমা।
2. ওয়ার্ক পারমিট: নিয়োগকর্তার মাধ্যমে মলদোভা ইমিগ্রেশন থেকে ইনভাইটেশন বা পারমিট সংগ্রহ।
3. ভিসা প্রাপ্তি: ই-ভিসার ক্ষেত্রে অনলাইন প্রসেস এবং স্টিকার ভিসার ক্ষেত্রে দিল্লি দূতাবাস থেকে ইন্টারভিউ (প্রয়োজন সাপেক্ষে)।
• বিশেষ দ্রষ্টব্য: কাজের জন্য ই-ভিসার ক্ষেত্রে অতিরিক্ত ৫০০ ডলার প্রয়োজন হতে পারে। পেমেন্ট ব্রেকডাউন চুক্তি অনুযায়ী কয়েক ধাপে সম্পন্ন হবে।
________________________________________
🇧🇾 বেলারুশ (Belarus)
পাসপোর্ট জমা থেকে ফ্লাই করা পর্যন্ত সম্পূর্ণ স্বচ্ছ আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে এই ধাপগুলো সম্পন্ন হবে।
• কাজের ক্ষেত্র: গরুর খামার, মুরগির খামার, প্লাম্বার ও প্যাকেজিং।
• বেতন: ৫০০ - ৭০০ ইউরো (ওভারটাইম বাদে)।
• মোট খরচ: ১০,৫০,০০০ টাকা (সাধারণ প্রসেস) | ১৪,৫০,০০০ টাকা (রিচ পেমেন্ট - সময় ১ মাস, ব্যাংক গ্যারান্টি প্রয়োজন)।
• প্রসেসিং টাইমলাইন:
o ১ম ধাপ: অরিজিনাল পাসপোর্ট ও ছবিসহ ১,০০,০০০ টাকা জমা এবং ৩০০ টাকার স্ট্যাম্পে আইনি চুক্তি।
o ২য় ধাপ: ২ মাসের মধ্যে বেলারুশ থেকে টেলেক্স পেপার (ইনভাইটেশন) আসবে। পেপার যাচাই করে ২,০০,০০০ টাকা পেমেন্ট।
o ৩য় ধাপ: দিল্লি থেকে ভিসা স্ট্যাম্পিং এবং সরকারি নিয়ম অনুযায়ী ম্যানপাওয়ার (BMET) কার্ড সম্পন্ন করে ২,০০,০০০ টাকা জমা।
o ৪র্থ ধাপ: ফ্লাইট টিকিট বুকিং এবং ফ্লাইটের আগে অবশিষ্ট ৫,৫০,০০০ টাকা পরিশোধ।
• সুবিধা: থাকা কোম্পানির দায়িত্বে।
________________________________________
🏗️ নর্থ মেসিডোনিয়া (North Macedonia)
নির্মাণ শ্রমিক বা কনস্ট্রাকশন সেক্টরে কাজ করতে আগ্রহীদের জন্য এটি একটি চমৎকার সুযোগ।
• কাজের ধরন: কনস্ট্রাকশন (নির্মাণ শ্রমিক)।
• বেতন: ৫০০ - ৬০০ ইউরো।
• মোট খরচ: ১০,৫০,০০০ টাকা।
• প্রসেসিং ধাপ:
1. প্রাথমিক: পাসপোর্ট ও পুলিশ ক্লিয়ারেন্স জমা এবং ৩০০ টাকার স্ট্যাম্পে আইনি এগ্রিমেন্ট। শুরুতে ১,০০,০০০ টাকা জমা।
2. এপ্রুভাল (সময় ২ মাস): সরকারি ওয়ার্ক পারমিট বা এপ্রুভাল আসার পর সেটি অনলাইন থেকে যাচাই করে ৩,০০,০০০ টাকা জমা।
3. ভিসা স্ট্যাম্পিং: এপ্রুভাল পাওয়ার পর ইন্ডিয়াতে পাসপোর্ট পাঠানো হবে (আপনার যাওয়ার প্রয়োজন নেই)। ভিসা হওয়ার পর অবশিষ্ট টাকা পরিশোধ করতে হবে।
4. অতিরিক্ত সুবিধা: সেখানে যাওয়ার ১ থেকে ৩ মাসের মধ্যে TRC (Temporary Residence Card) কার্ড পাওয়া যাবে।
• সুবিধা: থাকা কোম্পানির দায়িত্বে।
________________________________________
📝 প্রয়োজনীয় তথ্য ও সতর্কতা:
• সকল পেমেন্ট নির্দিষ্ট ধাপ (পাসপোর্ট জমা, পারমিট প্রাপ্তি এবং ভিসা স্ট্যাম্পিং) অনুযায়ী পরিশোধযোগ্য।
• নিরাপত্তার স্বার্থে প্রতিটি দেশেই ৩০০ টাকার স্ট্যাম্পে আইনি চুক্তি সম্পন্ন করা হবে।
📍 সরাসরি আমাদের অফিসে এসে কথা বলুন:
ঠিকানা: ১৮৭, মধ্য বাড্ডা (ইসলামী ব্যাংকের পাশে ), ঢাকা-১২১২।
🕒 অফিস সময়: প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা (শুক্রবার ও সরকারি ছুটির দিন ব্যতীত)।
📞 বিস্তারিত জানতে হোয়াটসঅ্যাপ করুন: +৮৮০১৮০৫৪৮৬৩২৮