23/05/2026
৩০ মে মধ্য রাতে ঠিক এখানেই বসবে জোৎস্না উৎসব। পাহাড় হুল্লোড়ে নয় অনুভবে যাপিত হয়।
ঈদের ছুটির মধ্যেই ভ্রমণ পরিকল্পনা, তাদের জন্য যাদের ভ্রমণের জন্য আলাদাভাবে ছুটির আয়োজন করা ভার।
পরিবার পরিজন কিম্বা নিসর্গ প্রেমি বন্ধুটিকে সাথে নিয়েই একটি রাত সাজেকে কাটাতে চান কিন্তু এই ভীড়েও আবার মন খুজে ফেরে কোলাহল মুক্ত একটা পাহাড়। যেখানে ভীষণ হৈ-হুল্লোড় কিম্বা সাউন্ড বক্সের ভীষণ রকম শব্দ অথবা রেস্তোরাঁয় আধুনিক যন্ত্রে কাস্টমার টানার জন্য মিনি কনসার্ট এর মেকি কোলাহল থাকবেনা। হ্যা আপনাদের জন্যই আমরা বেছে নিয়েছি কংলাক চূড়ায় একটা পাশের মনোরম রিসোর্ট। যেখানেই পাবেন সূর্যোদয় এবং সূর্যাস্তের দেখা। দৌড়ে ছুুুটতে হবে না দূরে কোথাও। সেখানেও হয়তো অন্য অতিথিদের নিজস্ব উদযাপনে মন ভরে পূর্ণিমা রাত উপভোগ করার ক্ষেত্রে কিঞ্চিৎ বিঘ্ন হতেও পারে । তাই আমরা রাতের আহার শেষে চলে যাবো কংলাপাড়াটার আরেক প্রান্তে যেখানে সারাদিন হাজারো পায়ের ছাপ ফেলে পরিব্রাজকেরা ফিরে গিয়েছে রুই লুই পাড়ায়। হ্যা ঠিক ১২ টার সময় আমরা বসবো ছবিতে দৃশ্যমান চূড়ায় জোৎস্নার সাথে নিজস্ব আলাপে। মন চাইলে গলা ছেড়ে গেয়ে উঠবেন রবীন্দ্রনাথ সুরে কিম্বা বেসুরে। কন্ঠ ছেড়ে ভীষন আবেগে উচ্চারণ করে উঠবেন জীবনানন্দের পছন্দের পঙক্তি। অথবা চুপটি করে কথা বলবেন জৈষ্ঠ্যের পূর্ণ চাঁদের সাথে।
প্রকৃতিতে লীন হয়ে গল্পকথা চলবে প্রিয়জন অথবা অচেনা জনের সঙ্গে নিজস্ব আবেগে।
যেখানে সূত্রধর চাঁদ কিম্বা পাহাড়ের ঝিঁঝিপোকা।
ঢাকা থেকে যাত্রা শুরু: ২৯ মে রাত ১১ টা।
সাজেকে অবস্থান: ৩০ মে রাতে।
ঢাকায় ফিরবো: ১ জুন খুব সকালে।
উড়ো সংযোগ: ০১৮৮১০২০২০৩