Tour Planner Bangladesh-TPB

Tour Planner Bangladesh-TPB We are providing you the best tour plan in Bangladesh.We love Bangladesh so we proud to present it to you proudly.We are going to make your tour enjoyable.

27/09/2024
⭕ একবার এক পর্যটক মেক্সিকোয় গেলেন; জেলেদের মাছের খুব প্রশংসা করলেন। তারপর বললেন,“আচ্ছা, মাছ ধরতে আপনাদের কত সময় লাগে?”“ব...
29/11/2023

⭕ একবার এক পর্যটক মেক্সিকোয় গেলেন; জেলেদের মাছের খুব প্রশংসা করলেন। তারপর বললেন,
“আচ্ছা, মাছ ধরতে আপনাদের কত সময় লাগে?”
“বেশিক্ষণ না” জেলেদের এক কথার উত্তর।

“তাহলে আপনারা আরও বেশি সময় দিয়ে আরও বেশি মাছ ধরেন না কেন?” লোকটা প্রশ্ন করেন। জেলেরা বলেন, "আমরা যে মাছ ধরি তাতে আমাদের প্রয়োজন মিটে যায়"।
“তাহলে মাছ ধরার পর বাকি সময়টা আপনারা কী করেন?” লোকটা জিজ্ঞাসা করে। জেলেরা জবাব দেয়,
“আমরা ঘুমাই, মাছ ধরি, বাচ্চাদের সাথে খেলা করি, বৌয়ের সাথে খাই, সন্ধ্যায় বন্ধুদের সাথে আড্ডা দেই, মজা করি, হাসি, গলা ছেড়ে গান গাই…”। পর্যটক তাদেরকে থামিয়ে বলেন,“আমি হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এমবিএ করেছি। আমি আপনাদেরকে বুদ্ধি দিয়ে সাহায্য করতে পারি। আপনাদেরকে আরও বেশি সময় দিয়ে মাছ ধরতে হবে, বাড়তি মাছগুলো বিক্রি করে মাছ ধরার বড় নৌকা কিনতে হবে। ”

“তারপর?” জেলেদের প্রশ্ন।
“আপনারা বড় নৌকার সাহায্যে বেশি মাছ ধরবেন, বেশি আয় করবেন। সেটা দিয়ে আরও বড় দুটা, তিনটা বা আরও বেশি নৌকা কিনবেন। একসময় মাছ ধরার নৌবহর বানিয়ে ফেলবেন। তখন মধ্যসত্ত্বভোগী ব্যবসায়ীদের কাছে মাছ বিক্রি না করে, সরাসরি মাছ প্রসেসিং ফ্যাক্টরির সাথে বেচাকেনা করবেন। এক সময় নিজেরাই মাছ প্রসেসিং ফ্যাক্টরি খুলে বসবেন। তারপর অনেক ধনী হয়ে গ্রাম ছেড়ে মেক্সিকোর রাজধানী, আমেরিকার লসএঞ্জেলেস বা নিউ ইয়র্কে চলে যাবেন। সেখান থেকে আপনারা মেগা প্রজেক্ট চালু করবেন। ”

“এসব করতে কত সময় লাগবে?” জেলেদের প্রশ্ন।
“কুড়ি/পঁচিশ বছর তো লাগবেই।” জবাব দেয় পর্যটক।
“তারপর” জেলেরা প্রশ্ন করে।
লোকটা হেসে জবাব দেয়, “ব্যবসায় যখন আরও বড় হবে তখন আপনারা শেয়ার বাজারে যাবেন, মিলিয়ন মিলিয়ন ডলার আয় করবেন।”

“মিলিয়র ডলার! ধরুন পেলাম মিলিয়ন ডলার। কিন্তু, তারপর?” জেলেরা সবিস্ময়ে প্রশ্ন করে। পর্যটক তখন জবাব দেন, “আপনারা তখন অবসরে যাবেন। শান্ত গ্রামে ফিরে এসে সমুদ্রের ধারে ঘুমাবেন, বাচ্চাদের সাথে খেলা করবেন, বৌয়ের সাথে খাবার খাবেন, সন্ধ্যায় বন্ধুদের সাথে আড্ডা দিবেন, মজা করবেন…,”। তখন জেলেরা বলেন,
“সেই কাজটাই তো আমরা এখন করছি। তাহলে এই বিশ/পঁচিশ বছরের এই কষ্টের জীবনের মানে কী?”

(সংগৃহীত ও অনূদিত)

চায়না বাঁধ, সিরাজগঞ্জ। ভাবুন তো একবার, আপনি বসে আছেন সবুজ ঘাসের উপর, আর দুইপাশে নদী। না, এটা নদীর বুকে জেগে উঠা কোন চর ন...
28/09/2018

চায়না বাঁধ, সিরাজগঞ্জ।

ভাবুন তো একবার, আপনি বসে আছেন সবুজ ঘাসের উপর, আর দুইপাশে নদী। না, এটা নদীর বুকে জেগে উঠা কোন চর নয়! জায়গাটার নাম চায়না বাঁধ, যা সিরাজগঞ্জ জেলায় অবস্থিত।
এবার ছবিটা গুলো দেখুন। ছবিগুলো সরকারি ভাবে বাঁধের জন্য তোলা হয়েছিল উপর থেকে (ছবিগুলো তুলেছেন সাদাত মোস্তফা সাদাফ)। এটা কোন ফটোশপ নয়। অসাধারণ একটা বিকেল কাটাতে চাইলে ঘুরে আসতে পারেন সিরাজগঞ্জের চায়না বাঁধ থেকে।

সিরাজগঞ্জের এই জায়গাটিতে ঘুরে আসুন যে কোনো এক ছুটির দিনে। যাওয়ার পথটিও সহজ।

অবস্থানঃ
জায়গাটিকে বলা হয় চায়না বাঁধ। ক্রসবার ৩ ও বলা হয় অবশ্য। সিরাজগঞ্জ শহরের সাথেই এই চায়না বাঁধ। যমুনা নদীর এই বাঁধে প্রতিদিন অসংখ্য মানুষ বেড়াতে আসে। বাঁধে বসে থাকতে ভালো লাগবে, ভালো লাগবে আশেপাশের পরিবেশ উপভোগ করতে। আর নদীতে নৌকা ভ্রমণের অভিজ্ঞতা তো এক কথায় অসাধারণ!

যেভাবে যাবেনঃ
সিরাজগঞ্জ যাওয়ার জন্য মহাখালী বাসস্ট্যান্ড থেকে সকাল ৭টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত প্রতি ৩০ মিনিট পরপর অভি এবং এসআই এই কোম্পানির বাস ছাড়ে। ভাড়া ২৫০ টাকা জনপ্রতি। তবে যারা এসি বাসে যেতে চান তারা মিরপুর ২ এ চলে যাবেন। ওখান থেকে ঢাকা লাইন/ এস আই কোম্পানির এসি বাস ছাড়ে। ভাড়া ৩৫০ টাকা। এছাড়া আপনি উওরবঙের যেকোন বাসেই যেতে পারেন, তবে আপনাকে নামতে হবে কড্ডার মোড়ে অথবা সিরাজগঞ্জ রোডে। ট্রেনে আসতে চাইলে ক্যাপ্টেন মনসুর আলী স্টেশনে নামবেন। তারপর সিএনজি নিয়ে সিরাজগঞ্জ শহরের বাজার স্টেশন আসবেন। ওখান থেকে চায়না বাঁধের রিক্সা ভাড়া ২৫/৩০ টাকা। (সিরাজগঞ্জ এক্সপ্রেস ট্রেনের কথা লিখলাম না, কারণ ওটা বিকেল ৫ টায় ঢাকা থেকে ছেড়ে রাত ১০.৩০ এ সিরাজগঞ্জ আসে)

এবং ঢাকায় ফেরা : এরপর আপনি চাইলে সিরাজগঞ্জ শহরটা ঘুরে দেখতে পারেন। ছোট শহর। ব্যাটারি চালিত রিক্সায় ১ ঘন্টাতেই শেষ করতে পারবেন। তবে মনে রাখবেন সিরাজগঞ্জ থেকে ঢাকার উদ্দেশে শেষ বাস ছাড়ে সন্ধ্যা ৭ টায়। অবশ্য আপনি চাইলে কড্ডার মোড়ে গিয়ে ঢাকাগামী যেকোন বাসে করেই ঢাকায় ফিরতে পারবেন।

একাকী ভ্রমণে দারুণ কিছু পরামর্শএকাকী ভ্রমণের বেশ কিছু সুবিধা রয়েছে। আমেরিকান দার্শনিক ও কবি হেনরি ডেভিড থোরাও বলেছিলেন, ...
01/09/2017

একাকী ভ্রমণে দারুণ কিছু পরামর্শ

একাকী ভ্রমণের বেশ কিছু সুবিধা রয়েছে। আমেরিকান দার্শনিক ও কবি হেনরি ডেভিড থোরাও বলেছিলেন, যে মানুষ একাকী যাবেন, তিনি আজই যাত্রা শুরু করতে পারেন। আর যিনি অন্য কারো সঙ্গে ভ্রমণ করেন, তাকে অপরের প্রস্তুতির অপেক্ষায় থাকতে হবে।

তাই একাকী ভ্রমণ এক ভিন্ন অভিজ্ঞতা ও অনুভূতি এনে দেবে। আপনি ঠিক যা করতে চাইছেন, তাই করতে পারবেন। এর চেয়ে মজার ঘোরাঘুরি আসলে আর হয় না। কোনো ধরনের বাধা আর আপনার ওপর কাজ করবে না। নিজের পছন্দমতো স্থানে, পছন্দসই উপায়ে থেকে-খেয়ে আপনি দিব্যি ভ্রমণ করে আসতে পারবেন। একাকী ভ্রমণই সবচেয় বেশি রোমাঞ্চকর, উত্তেজনাপূর্ণ ও চ্যালেঞ্জিং। তাই একাকী ভ্রমণপিপাসুদের জন্য বিশেষ কিছু পরামর্শ দরকার। এখানে তাই তুলে ধরেছেন বিশেষজ্ঞরা।

১. ঠিক করুন কোথায় যাবেন?
নিজের ভেতরটাকে শান্তিতে পূর্ণ করে তোলার প্রধান উপায় সম্ভবত একাকী ভ্রমণ। ব্যক্তিত্বের সর্বোচ্চ পর্যায় দেখার এটাই সুযোগ। নতুন স্থান আবিষ্কারের মতোই নিজেকে আবিষ্কারের সুযোগ মিলবে এখানেই। তাই এমন একটি স্থান নির্বাচন করুন যেখানে খুব কম মানুষ যায়। প্রকৃতির মাঝে নিজেকে একা করে ফেলুন। জনপ্রিয় পর্যটকপূর্ণ অঞ্চলে না যাওয়াই ভালো।

২. গাইড বুক সঙ্গে নিন
যেখানে যাচ্ছেন সেখানে আপনার কোনো সঙ্গী নেই। কাজেই সবকিছু একাই করতে হবে। ওই স্থান সম্পকে যাবতীয় তথ্য আগে থেকেই সংগ্রহ করুন। একটি মানচিত্র নিন। ইন্টারনেট ঘাঁটুন আর ওই স্থান সম্পর্কে বিভিন্ন ব্লগ পড়ুন। পরিষ্কার ধারণা নিয়ে নিন।

৩. পরিবারকে বোঝান
আমাদের অঞ্চলে একাকী ভ্রমণ খুব বেশি জনপ্রিয় নয়। সবাই পরিবার বা বন্ধুদের নিয়েই ঘুরতে যান। তাই আপনার পরিবার হয়তো একাকী যেতে দিতে চাইবে না আপনাকে। এ ক্ষেত্রে তাদের রাজি করান। গোটা পরিকল্পনা আর নিরাপত্তার বিষয়টি নিশ্চিত করুন তাদের কাছে। নয়তো তাদের দুশ্চিন্তা যাবে না। এ অবস্থায় আপনিও ভ্রমণ করে মজা পাবেন না।

৪. যোগাযোগ রাখুন
যেখানেই যান না কেন, পরিবার ও স্বজনদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখুন। তাহলে তারা আপনাকে নিয়ে দুশ্চিন্তায় থাকবেন না।

৫. অগ্রিম থাকার ব্যবস্থা করুন
যেখানে যাবেন সেখানে থাকার ব্যবস্থা আগে থেকেই করুন। কোন হোটেলে থাকবেন এবং কী ধরনের কক্ষে থাকবেন তার হিসাব আগে থেকেই করুন। বিভিন্ন ভ্রমণ বিষয়ক সাইটের মাধ্যমে অগ্রিম কক্ষ ভাড়া নেওয়ার ব্যবস্থা রয়েছে। এ সেবা নিন। আগে থেকেই থাকার স্থানটা ঠিকঠাক করে ফেলুন। তাহলে আর কোনো ধরনের বিড়ম্বনায় পড়বেন না।

৬. সহনীয় ব্যাকপ্যাক
আপনি যে কয়দিনের জন্য যাচ্ছেন তার জন্য প্রয়োজনীয় জিনিস অবশ্যই সঙ্গে নিতে হবে। তবে তা যেন নূন্যতম ওজনদার হয়ে ওঠে সেদিকে খেয়াল রাখবেন। সহজে বহনযোগ্য হতে হবে আপনার ব্যাকপ্যাকটি। অপ্রয়োজনীয় জিনিসে পূর্ণ করে নেবেন না। একঘেয়ে সময় কাটানোর জন্য কোনো বই নিতে পারেন। ভ্রমণের রেকর্ড রাখার জন্য কোনো জার্নাল সঙ্গে নিন।

৭. চলাচলে গণপরিবহন
চলাফেরার জন্য ওই স্থানের পাবলিক ট্রান্সপোর্ট ব্যবহার করুন। কিংবা অন্যদের সঙ্গে কোনো বাহন শেয়ার করুন। এতে যেমন নিরাপত্তা মিলবে, তেমনই কম খরচে ভ্রমণ করতে পারবেন। তা ছাড়া এই উপায়ে ভ্রমণের আলাদা অভিজ্ঞতাও লাভ হবে।

৮. নতুন মুখের সঙ্গে কথা বলুন
স্থানীয় মানুষদের সঙ্গে কথা বলুন। অনেক কিছু জানতে পারবেন। আপনার জ্ঞান বাড়বে। নতুন স্থান সম্পর্কেও অনেক তথ্য জানতে পারবেন। সবার সঙ্গে বন্ধুসুলভ আচরণ করুন। তাদের সঙ্গে মিশে যান।

৯. সকাল সকাল শুরু করুন
সেখানে যাওয়ার পর বিশ্রাম নিন। পরদিন সকাল সকাল আপনার অভিযান শুরু করুন। এতে করে গোটা দিন পাবেন ভ্রমণের জন্য। সকাল নাস্তার পেছনে অলস সময় দিন। সকাল সকাল শুরু করলে সব কাজই আরাম-আয়েশের সঙ্গে সারতে পারবেন।

১০. সবার আগে নিরাপত্তা
কী ধরনের বিপদ আসতে পারে তা বুঝতে মনের অনুভূতির ওপর বিশ্বাস রাখুন। আবহাওয়া বা অন্যান্য বিপদ সম্পর্কে এমনিতেই তথ্য সংগ্রহ করতে পারবেন। সবার আগে ভ্রমণে নিজের নিরাপত্তাব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে। দুঃখ প্রকাশ করার আগে তাই সাবধান হওয়া উত্তম।

ভ্রমণ সংক্রান্ত যে কোন সহায়তার জন্য যোগাযোগ করুনঃ
Tour Planner Bangladesh-TPB

পর্যটক হিসেবে বাংলাদেশের সাধারণ মানুষ আগে থেকে ভিসা না নিয়ে ঢুকতে পারে বিশ্বের মাত্র পাঁচটি দেশে। দেশগুলো এশিয়া মহাদেশের...
15/07/2017

পর্যটক হিসেবে বাংলাদেশের সাধারণ মানুষ আগে থেকে ভিসা না নিয়ে ঢুকতে পারে বিশ্বের মাত্র পাঁচটি দেশে। দেশগুলো এশিয়া মহাদেশের।

পাঁচ দেশের মধ্যে আবার শ্রীলঙ্কা, নেপাল, ভুটান ও মালদ্বীপ—এই চারটিই হচ্ছে নিকটতম প্রতিবেশী, দক্ষিণ এশিয়ার এবং সার্কের সদস্য। বাকি দেশটি ইন্দোনেশিয়া।
দ্বিপক্ষীয় ভিসা চুক্তির আওতায় কূটনৈতিক ও অফিশিয়াল পাসপোর্টধারী বাংলাদেশিরা যেতে পারেন মোট ২১টি দেশে (পাঁচটিসহ)। বেশির ভাগই এশিয়া মহাদেশের। দেশগুলো হচ্ছে ভারত, ভুটান, নেপাল, মালদ্বীপ, শ্রীলঙ্কা, মিয়ানমার, চীন, সিঙ্গাপুর, ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া, ফিলিপাইন, লাওস, ভিয়েতনাম, কম্বোডিয়া, দক্ষিণ কোরিয়া, তুরস্ক, বেলারুশ, কুয়েত, রাশিয়া, জাপান ও চিলি।

কূটনৈতিক ও অফিশিয়াল পাসপোর্টধারী বাংলাদেশিদের ভিসা ছাড়া ঢুকতে দেওয়া দেশগুলোর মধ্যে ইউরোপের রয়েছে মোট তিনটি দেশ—রাশিয়া, বেলারুশ ও তুরস্ক। দক্ষিণ আমেরিকায় রয়েছে একমাত্র দেশ চিলি। এর মধ্যে রাশিয়া ৩০ দিন ও অন্য তিন দেশ সর্বোচ্চ ৯০ দিনের আগমনী ভিসা দেয়। জাপান অফিশিয়াল পাসপোর্টধারীদের ঢুকতে দেয় না, তবে ৯০ দিনের জন্য ঢুকতে দেয় শুধু কূটনৈতিক পাসপোর্টধারী বাংলাদেশিদের।

বাংলাদেশ যখন মধ্যম আয়ের দেশের দিকে যাওয়ার যাত্রা শুরু করেছে, তখনো বিশ্ববাসীর কাছে এ দেশের পাসপোর্টের দাম খুবই কম। পর্যটক হিসেবে বাংলাদেশের সাধারণ মানুষ আগে থেকে ভিসা না নিয়ে ঢুকতে পারে বিশ্বের মাত্র পাঁচটি দেশে। দেশগুলো এশিয়া মহাদেশের। পাঁচ দেশের মধ্যে আবার শ্রীলঙ্কা, নেপাল, ভুটান ও...

Holiday means Relaxing. Why not somewhere else but close to Dhaka.
08/07/2017

Holiday means Relaxing. Why not somewhere else but close to Dhaka.

Find all resorts information near dhaka, that's helpfull for plan your holidays, Also find best offer on resort from tripsilo.com

সীতাকুণ্ডের চন্দ্রনাথ পাহাড়ে একদিনউড়ুউড়ু মন ওড়ার আকাঙ্খায় বহুদিন ধরেই পরিকল্পনা করে আসছে। কোথাও তো যেতেই হবে অশান্ত মনকে...
07/07/2017

সীতাকুণ্ডের চন্দ্রনাথ পাহাড়ে একদিন

উড়ুউড়ু মন ওড়ার আকাঙ্খায় বহুদিন ধরেই পরিকল্পনা করে আসছে। কোথাও তো যেতেই হবে অশান্ত মনকে শান্ত করার জন্য। ঢাকার আশেপাশে অনেক ঘোরা হয়েছে। এবার ঢাকার বাইরে যেতে চাই। কিন্তু সময়ও যে অল্প, কী করা যায়? এর উপর আবার পাহাড় ডেকে বেড়াচ্ছে আমাকে।

বাংলাদেশের সীতাকুন্ডের নিকটে চন্দ্রনাথ পাহাড়ের উপরে অবস্থিত চন্দ্রনাথ মন্দির অন্যতম বিখ্যাত শক্তিপীঠ। সীতাকুণ্ড অপরূপ প্রাকৃতিক সৌর্ন্দয্যের লীলাভূমি। এ এলাকাকে হিন্দুদের বড় তীর্থস্থান বলাই ভালো। এখানের সর্বোচ্চ পাহাড় চূড়ায় অবস্থিত চন্দ্রনাথ মন্দির। সীতাকুন্ডের চন্দ্রনাথ মন্দির তীর্থযাত্রীদের জন্য এক পবিত্র স্থান। এর পুরনো নাম ছিলো “সীতার কুন্ড মন্দির”।

বিভিন্ন তথ্য অনুসারে এখানের ইতিহাস সম্পর্কে নানা ধরনের তথ্য জানা যায়। প্রাচীন নব্যপ্রস্তর যুগে সীতাকুণ্ডে মানুষের বসবাস শুরু হয় বলে ধারণা করা হয়। এখান থেকে আবিষ্কৃত প্রস্তর যুগের আসামিয় জনগোষ্ঠীর হাতিয়ারগুলো তারই স্বাক্ষর বহন করে। ইতিহাস থেকে যতটুকু জানা যায়, ৬ষ্ঠ ও ৭ম শতাব্দীতে সম্পূর্ণ চট্টগ্রাম অঞ্চল আরাকান রাজ্যের অধীনে ছিল। এই মন্দিরে প্রতি বছর শিবরাত্রি তথা শিব চর্তুদশী তিথিতে বিশেষ পূজা হয়; এই পূজাকে কেন্দ্র করে সীতাকুণ্ডে বিশাল মেলা হয়। সীতাকুন্ডের চন্দ্রনাথ পাহাড় এলাকায় বসবাসকারী হিন্দু ধর্মাবলম্বীরা প্রতি বছর বাংলা ফাল্গুন মাসে (ইংরেজী ফেব্রুয়ারী-মার্চ মাস) বড় ধরনের একটি মেলার আয়োজন করে থাকে, যেটি শিব চর্তুদর্শী মেলা নামে পরিচিত। এই মেলায় বাংলাদেশসহ পৃথিবীর বিভিন্ন দেশ থেকে অসংখ্য সাধু এবং নারী-পুরুষ যোগদান করেন।

আগের থেকেই সবধরনের পড়ালেখা করে রেখেছিলাম। তাই মনে সাহস এবং উৎসাহ নিয়ে চিটাগং পৌঁছানোর অপেক্ষা করছিলাম। যেকোনো ট্রিপে আমি সব সময় আশে পাশের সবকিছু পর্যবেক্ষণ করি। আর ঘুম? সে তো একাই গায়েব হয়ে যায়! অনেক ঘুমানো যাবে, কিন্তু এই সময়টা তো বারবার আসবে না। কিন্তু আমার সঙ্গীসাথীরা সবাই ঘুমিয়ে পড়লো। রাত তখন তিনটা বাজে, বাস এসে থামলো কুমিল্লা। আমরা সবাই নেমে ফ্রেশ হয়ে আবার বাসে উঠে গেলাম।

এরপর ধীরগতিতে সকাল হওয়া দেখলাম আর মুগ্ধ হয়ে বললাম, জীবনটা আসলে খারাপ না। ফেনীর পথে অনেক ট্রাফিকের জন্য আমাদের চিটাগং পৌঁছাতে একটু দেরী হয়েছিল। কারণ ফেনীর পথটি আগে টু ওয়ে ছিল, এখন ওয়ান ওয়ে হয়ে গেছে রাস্তায় কাজ চলছিলো বিধায়। যা-ই হোক, ততক্ষণে আমি ঘুমিয়ে নিলাম। সকাল যখন আঁটটা বাজে, তখন আমরা দূরের পাহাড় দেখতে শুরু করে দিয়েছিলাম। এ এক অদ্ভুত অনুভূতি। বিশাল পাহাড় দেখে হৃদয় পিঞ্জিরে মধুর বাশির সুর করে ডাকতে লাগলো।

নয়টায় আমরা নামলাম সীতাকুণ্ড। নেমেই চিটাগং এর স্থানীয় গান শুনে বলে ফেললাম বদ্দা চলে আসছি! নেমেই ভোজন নামের এক দোকানে সকালের নাস্তাটা সেরে নিলাম। এরপর আমরা একটা সিএনজি ঠিক করলাম পাহাড়ের গোরায় যাওয়ার জন্য। সিএনজিওয়ালা মামা খুবই ভালো ছিল। তাই আমরা উনার ফোন নাম্বার নিয়ে রাখলাম।

চন্দ্রনাথ পাহাড়- বাংলাদেশের সীতাকুন্ডে অবস্থিত প্রকৃতির এক অপরূপ লীলাভূমি। চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড বাজার থেকে ৪ কি.মি. পূর্বে চন্দ্রনাথ পাহাড় অবস্থিত। সীতাকুণ্ডের পূর্বদিকে চন্দ্রনাথ পাহাড় আর পশ্চিমে সুবিশাল সমুদ্র ।

কথিত আছে যে, নেপালের একজন রাজা স্বপ্নে আদিষ্ট হয়ে বিশ্বের পাঁচ কোণে পাঁচটি শিবমন্দির নির্মাণ করেন। এগুলো হলো নেপালের পশুপতিনাথ, কাশিতে বিশ্বনাথ, পাকিস্তানে ভূতনাথ, মহেশখালীর আদিনাথ আর সীতাকুন্ডে চন্দ্রনাথ।

প্রাচীন ধর্মগ্রন্থ ও ইতিহাস ঘাঁটলে জানা যায় প্রাচীনকালে এখানে মহামুনি ভার্গব বসবাস করতেন। অযোদ্ধার রাজা দশরথের পুত্র রামচন্দ্র তার বনবাসের সময় এখানে এসেছিলেন। মহামুনি ভার্গব তাঁরা আসবেন জানতে পেরে তাঁদের স্নানের জন্য তিনটি কুণ্ড সৃষ্টি করেন এবং রামচন্দ্রের এখানে ভ্রমণ কালে তাঁর স্ত্রী সীতা এই কুণ্ডে স্নান করেন। এই কারণেই এখানকার নাম সীতাকুণ্ড বলে অনেকে ধারণা করেন।

বাংলাদেশে বসবাসকারী হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের তীর্থস্থান হিসেবে খ্যাত চট্টগ্রাম জেলার সীতাকুন্ড। শুধু তাই-ই নয়, এই স্থানটি বর্তমানে পর্যটক আকর্ষণেও অনেকটা এগিয়ে। বিশেষত সীতাকুন্ডের অপরূপ প্রাকৃতিক সৌন্দর্য্য যেকোনো ভ্রমণকারীকে আপন করে নিতে সক্ষম।

চিটাগং এর মানুষ নিয়ে আমার খুব একটা ভালো ধারণা ছিল না। কিন্তু বলতেই হচ্ছে, আমার ধারণা চিটাগং গিয়ে বদলে গিয়েছে। পাহাড় উঠার শুরুর পথেই আমাদের সাথে পরিচয় হলো সেখানকার স্থানীয় কিছু ছেলেদের সাথে। ওরা নিজ ইচ্ছায় আমাদের সঙ্গে পাহাড়ে উঠার আগ্রহ প্রকাশ করলো এবং আমরাও সঙ্গে নিলাম। বয়সে সবাই ছিল আমাদের ছোট, তাই নিজেদের ছোটভাই বলছিল।

পাহাড়ের ভিতরের দিকে স্থানীয় নৃতাত্বিক জনগোষ্ঠীর জনগণ জুম ও ফুলের চাষ করে। স্থানীয় নৃতাত্ত্বিক জনগোষ্ঠী ত্রিপুরা নামে পরিচিত। সীতাকুন্ড থেকে চন্দ্রনাথ পাহাড়ে যাওয়ার পথে যে জিনিসটি পর্যটকদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে থাকে সেটি হলো পথিমধ্যে থাকা ছোট ছোট ঝর্নাগুলো। যাওয়ার পথে প্রথম যে ঝর্নাটি পড়বে সেখান থেকেই চন্দ্রনাথ পাহাড়ে উঠার রাস্তা দু-ভাগে ভাগ হয়ে গেছে। যারা সহজ উপায়ে সরাসরি পাহাড়ে উঠতে চান, তারা ডানদিকের সিড়িওয়ালা রাস্তাটি দিয়ে উপরে উঠতে পারেন এবং যারা পাহাড়ি পথ ডিঙিয়ে রোমাঞ্চের সাথে পাহাড়ে উঠতে চান, তারা বামদিকের পাহাড়ি পথ দিয়ে উপরে উঠতে পারেন। আমরা ডানদিকের পথটি দিয়েই উঠলাম। কারণ আমাদের সঙ্গে থাকা ছোটভাইরা বলল বাম পাশের রাস্তাটি অনেক পুরনো এবং বিপদজনক। ওদের কথাই শুনলাম আমরা, যেহেতু ওরা স্থানীয় এর আগেও এই পাহাড়ে উঠেছে এবং পুরোটি রাস্তায় ওরা আমাদের সঙ্গ দিবে।

গ্রীষ্মকালে এই পাহাড় রুক্ষ থাকলেও বর্ষাকালে বৃষ্টিস্নাত হয়ে পাহাড়ের গাছ, লতা, পাতা সবকিছু ধুয়ে মুছে পরিষ্কার সতেজ হয়ে পর্যটকদের মন প্রাণ ভরিয়ে তোলে। উল্লেখ্য, বর্ষাকালে পাহাড়ে ওঠার সময় অতিরিক্ত সতর্কতা অবলম্বন করতে হয়। এ সময় পাহাড়ি পথ ব্যবহার না করে সিড়ি পথটিই ব্যবহার করা সুবিধাজনক। পাহাড়ের সবকিছুই ভিন্ন। পাহাড়ি গাছপালা, জীব-জন্তু, পাহাড়ি পিঁপড়াও দেখতে ভিন্ন। যারা উদ্ভিদবিজ্ঞান নিয়ে পড়াশোনা করেন, তাদের জন্য সীতাকুন্ডের চন্দ্রনাথ পাহাড় গবেষণার জন্য একটি উপযুক্ত স্থান। এখানে রয়েছে অসংখ্য পাহাড়ি গাছ-গাছরা, লতা-পাতা, গুল্ম জাতীয় উদ্ভিদ।

চন্দ্রনাথ পাহাড়ের উচ্চতা খুব বেশি না হলেও এর চূড়ায় ওঠার পথটি বেশ সরু এবং দুর্গম। এর সর্বোচ্চ চূড়াটির উচ্চতা প্রায় ৩৬৫ মিটার বা ১৩০০+ ফুট প্রায় এবং প্রায় ২,২০০ সিঁড়ি। তবে পাহাড় কেঁটে বানানো সিঁড়িগুলোর একেকটি ধাপের উচ্চতা এতো বেশি যে, একটু উঠলেই হাঁপিয়ে যেতে হয়। আমরা বিশ্রাম নিয়ে নিয়ে উপরে উঠছিলাম। যদি আপনি শিব মেলার সময় আসেন, তাহলে অতিরিক্ত সাবধানতা অবলম্বন করতে হবে। শিব মেলার সময় ভক্তদের ভিড় থাকে বলে বেশ চাপাচাপি করে এ পথে উঠতে হয়। কেউ তাড়াহুড়া করে পাহাড়ে ওঠার চেষ্টা করবেন না। তাতে যেকোনো রকম বড় দুর্ঘটনা হতে পারে। তাছাড়া পাহাড়ে উঠতে, নামতে নির্দিষ্ট পথ অনুসরণ করুন। উল্টো পথে কখনো উঠতে কিংবা নামতে চেষ্টা করবেন না।

আমাদের পাহাড় বাওয়া চলছে ধীরগতিতে। যেতে যেতে পথে একটি ঝর্না দেখলাম। ঝর্নার পানিতে নিজেদের সতেজ করে নিলাম। সুন্দর ঝর্না, কিন্তু বর্তমানে সেখানে একটা বিশাল পাইপ লাগিয়ে দেওয়া হয়েছে মন্দিরে খাবার পানির জন্য। এই ঝর্নার পাশেই একটা ছোট দোকান আর বসার খুব সুন্দর একটা ছাউনি আছে। চারপাশে দৃশ্য এতো সুন্দর যা লিখায় প্রকাশ করা অসম্ভব। এখনো আমরা যাত্রা শুরুই করিনি, কিন্তু প্রকৃতির মাঝে এখনই হারিয়ে গেলাম। পাহাড়ের উপর বাতাস খেতে খেতে ভুলেই গেলাম যে আমাদের আরো অনেক সিঁড়ি উঠতে হবে। অদ্ভুত অদ্ভুত রাস্তা দিয়ে আমরা উঠতে লাগলাম। কোথাও খাড়া পাহাড়, তো কোথাও ভাঙা সিঁড়ি। আবার কোথাও কোনো এক অন্যরকম পাথর খন্ডের পাশ দিয়ে রাস্তা। উঠতে উঠতে খেয়াল করলাম পাহাড়ের গা কেটে অনেক অমুক + তমুক নাম লেখা। এটা দেখে খুব খারাপ লাগলো। আমরা প্রকৃতিতে এসে মানুষ থেকে অমানুষে পরিণত হয়ে যাই। এই কাজগুলো করবেন না। কারণ আমাদের গায়ে একটা আঁচর লাগলে যেমন আমরা ব্যথা পাই, প্রকৃতিও তেমনি ব্যথা পায়; শুধু মুখ ফুটে বলতে পারে না।

সীতাকুণ্ড ইকোপার্কের রাস্তায় এসে দেখলাম এখান থেকে মাত্র ৫-৬ মিনিট লাগবে চন্দ্রনাথে উঠতে। সীতাকুণ্ড ইকোপার্কটি বেশ নির্জন জায়গা। আশপাশের এলাকা জনবহুল হলেও এখানটি বেশ নির্জন। তবে পর্যটনকেন্দ্র হওয়ায় সারা বছরই পর্যটকদের আনাগোনা থাকে সবুজ-পাহাড়ের সীতাকুণ্ডে। এখানে ঝর্নাগুলোর আশপাশ ও ঝিরি পথ বেশ শ্যাওলাযুক্ত। জায়গাগুলোতে তাই সাবধানে চলতে হবে। বর্ষাকালে যেকোনো সময় বৃষ্টির সম্ভাবনা থাকে।

ইকোপার্কের রাস্তা থেকে একদম সোজা উঠে গেছে চন্দ্রনাথ মন্দিরের সিঁড়ি। মন্দিরের পাশেই একটা পুলিশ ফাঁড়ি, যারা এখানে আসে তাদের নিরাপত্তার জন্য থাকে। আমরা পানি পান করে আর বিশ্রাম না নিয়ে উঠে গেলাম একদম পাহাড়ের চূড়ায়। পাহাড়ের চূড়ায় উঠে নিজেকে রাজা মনে হলো। আমার পাহাড়ের উঠে মন্দিরে কিছুক্ষণ বিশ্রাম নিলাম। এরপর যখন আশেপাশে তাকালাম, চারপাশে শুধু পাহাড় আর পাহাড়। এই অনুভূতি ভাষায় প্রকাশ করা কঠিন। খানিকটা দূরে তাকালেই দেখা যায় সন্দ্বীপ। আবার অন্য পাশ থেকে বঙ্গোপসাগর। এই স্মৃতি আজীবন সাথে রাখার জন্য ছবি তুলে নিলাম।

চারজন নিয়ে যাত্রা শুরু যেখানে সেখানে কিভাবে যে আমরা চৌদ্দজন হয়ে গিয়েছিলাম টেরই পাইনি। উঠতে সময় লেগেছিল দুই ঘণ্টা। প্রচণ্ড তাপে অনেক কষ্ট হয়েছে। কিন্তু একবারের জন্যও মনে হয়নি যে আর পারবো না। যত উপরে উঠেছি, ততই মনোবল আরও দৃঢ় হয়েছে, আমি উঠবোই। নামার সময় মাত্র আধা ঘণ্টার মধ্যে আমরা নেমে গেলাম। নেমেই বারবার মনে প্রশ্ন জাগছিল, আচ্ছা, আমরা কিভাবে এত উপরে উঠলাম? উত্তর ছিল- কোনো কাজই অসম্ভব নয়। শুধু দরকার দৃঢ় ইচ্ছা ও সাহস।

পথে চলতে আশেপাশে অনেক মন্দিরের দেখা পাবেন। যে মন্দির সব চাইতে বেশী মন কেড়েছে তা হলো বীরুপক্ষ মন্দির যা চন্দ্রনাথ মন্দিরের নিচে দেখতে পাওয়া যায়। আমরা উপর থেকেই দেখেছি। সুন্দর জিনিস আসলে দূর থেকেই দেখতে হয়।

পাহাড় থেকে নেমে আমরা সেই সিএনজি ওয়ালা মামাকে ফোন দিলাম। উনি পনেরো মিনিটের মধ্যে চলে আসলেন আমাদের নিতে। যেতে যেতে বিদায় জানাতে হয়েছে সেই ছোট ভাইদের। মন তো মানে না, তবু বিদায় যে দিতেই হয়। তবে আশ্বাস দিয়ে এসেছি, এরপর আবার দেখা হবে। বড় ভালো মানুষ ছিল ওরা। ওদের দেখেই বুঝলাম চট্টগ্রামের মানুষ আসলে অনেক অতিথিপরায়ণ হয়।

পর্যটকদের থাকার জন্য সীতাকুন্ডে আসলে তেমন কোনো ভালো হোটেল নেই। পর্যটকরা চাইলে এখানে অবস্থিত মন্দিরগুলোতে অনুমতি নিয়ে থাকতে পারেন। তবে সবচাইতে ভালো রাতে সীতাকুন্ড না থেকে চট্টগ্রামে যাওয়া অথবা ঢাকায় চলে আসা। আমাদের হাতে যেহেতু সময় কম, ঢাকায় আসার ইচ্ছা যদিও ছিল না, তবু আমরা ঢাকায় চলে আসলাম। আবার দেখা হবে অন্য পথে…

ভ্রমণ সংক্রান্ত যে কোন সহায়তার জন্য যোগাযোগ করুনঃ 01689173503

আমরা সবাই কম-বেশি ঘুরতে পছন্দ করি।কিন্তু অনেকে আবার ইচ্ছা থাকা সত্ত্বেও নিজের জেলার দর্শনীয় স্থানে যেতে পারেন না এমনকি ...
14/06/2017

আমরা সবাই কম-বেশি ঘুরতে পছন্দ করি।
কিন্তু অনেকে আবার ইচ্ছা থাকা সত্ত্বেও নিজের জেলার দর্শনীয় স্থানে যেতে পারেন না এমনকি নামও জানেন না! তাদের জন্য খুব সংক্ষিপ্ত করে বাংলাদেশের প্রত্যেকটি জেলার দর্শনীয় স্থানের তালিকা দেওয়া হলো।
ঘুরতে যাওয়া না হোক, নামগুলো তো জানা হলো।
দেখুন আপনার জেলায় কোন কোন দর্শনীয় স্থান রয়েছে ?
ভালো লাগলে মন্তব্য করবেন আর কোন নাম বাদ পরলে তা

#ঢাকা বিভাগ:
ঢাকা:
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান স্মৃতি জাদুঘর, আহছান মঞ্জিল, বায়তুল মোকাররম মসজিদ, রাস্ট্রীয় অতিথি ভবন পদ্মা/মেঘনা, ঢাকেশ্বরী মন্দির, কাজী নজরুল ইসলামের মাজার, বিমানবন্দর,সোনারগাঁও, বিজয় সরণি ফোয়ারা,বসুন্ধরা সিটি, বাকল্যান্ড বাঁধ,বলধা গার্ডেন, অপরাজেয় বাংলা ভাস্কর্য, জাতীয় ঈদগাহ ময়দান, শাহআলী বোগদাদির মাজার, ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তন, জাতীয় জাদুঘর,ক্রিসেন্ট লেক, শিশুপার্ক,বাংলাদেশ-জাপান মৈত্রী সেতু-১,
বাংলাদেশ-জাপান মৈত্রী সেতু-২,বাংলাদেশ-জাপান সেতু,
বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সেতু,কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার,বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়াম,হোটেল সোনারগাঁও, কবিভবন, সোহরাওয়ার্দী উদ্যান, শাহী মসজিদ,জয়কালী মন্দির,আসাদ গেট, বড় কাটারা,শাপলা চত্বর ফোয়ারা, ঢাকা শহররক্ষা বাঁধ, স্বোপার্জিত স্বাধীনতা ভাস্কর্য, পল্টন ময়দান, অস্ত্র তৈরির কারখানা, শিল্পকলা একাডেমী মিলনায়তন, লোকশিল্প জাদুঘর,গুলশান লেক,ওসমানী উদ্যান,গণভবন,জাতীয় সংসদ ভবন,জাতীয় স্মৃতিসৌধ,বাংলাদেশ আর্মি স্টেডিয়াম, হোটেল শেরাটন, বাংলাদেশ টেলিভিশন ভবন, ধানমন্ডি ঈদগাহ, কমলাপুর বৌদ্ধবিহার-কমলাপুর, সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনাল, ঢাকা তোরণ,বাংলা একাডেমী গ্রন্থাগার, ছোট কাটারা-চকবাজারের দক্ষিণে, কদম ফোয়ারা, বিমাবন্দর রক্ষাবাঁধ,জাগ্রত মুক্তিযোদ্ধা ভাস্কর্য, স্বাধীনতা জাতীয় স্কোয়ার,মেশিন টুলস ফ্যাক্টরি,বাংলাদেশ বিজ্ঞান জাদুঘর,রমনা লেক-রমনা পার্ক, যমুনা ভবন,তিন নেতার স্মৃতিসৌধ,
মিরপুর স্টেডিয়াম,হোটেল পূর্বাণী-মতিঝিল, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়,গুলিস্তান পার্ক, বিনত বিবির মসজিদ,শাক্যমুনি বৌদ্ধবিহার, খ্রিস্টান কবরস্থান, বিমানবাহিনীর সদর দফতর গেট,আওরঙ্গবাদ দুর্গ-লালবাগ, সার্ক ফোয়ারা, দুরন্ত ভাস্কর্য-শিশু একাডেমী, বিশ্ব ইজতেমা ময়দান-টঙ্গী, ধানমন্ডি লেক-ধানমন্ডি, বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধ, প্রকৌশলী বিশ্ববিদ্যালয়, চক মসজিদ,গুরুদুয়ারা নানক শাহী, হোসনি দালান, বলাকা ভাস্কর্য, মহানগর নাট্যমঞ্চ, সামরিক জাদুঘর, রাজারবাগ শহীদ স্মৃতিসৌধ, শিখা অনির্বাণ, সাত গম্বুজ মসজিদ, কাকরাইল চার্চ, দোয়েলচত্বর ভাস্কর্য, মহিলা সমিতি মঞ্চ, হাইকোর্ট ভবন, মহাকাশবিজ্ঞান ভবন, নভোথিয়েটার,তারা মসজিদ,লালবাগ দুর্গ, বাহাদুর শাহ পার্ক, পুলিশ মিউজিয়াম, বোটানিক্যাল গার্ডেন, জাতীয় আর্কাইভস, রাজউক, ফ্যান্টাসি কিংডম, নন্দন পার্ক, ওয়ান্ডারল্যান্ড, শিশুপার্ক, শ্যামলী শিশুমেলা।

ফরিদপুর:
গেরদা মসজিদ,পাতরাইল মসজিদ ও দীঘি,বাসদেব মন্দির,পল্লীকবি জসীমউদ্দীনের বাড়ি ও কবরস্থান,নদী গবেষণা ইনস্টিটিউট,জগদ্বন্ধু সুন্দরের আশ্রম,সাতৈর মসজিদ, ফাতেহাবাদ টাকশাল মথুরাপুর দেউল,বাইশ রশি জমিদার বাড়ি,জেলা জজ কোর্ট ভবন ,ভাঙা মুন্সেফ কোর্ট ভবন,বীরশ্রেষ্ঠ মুন্সী আবদুর রউফ জাদুঘর।

গাজীপুর:
জাগ্রত চৌরঙ্গী,ছয়দানা দীঘি ও যুদ্ধক্ষেত্র,উনিশে স্মারক ভাস্কর্য,আনসার-ভিডিপি একাডেমী স্মারক ভাস্কর্য, মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতি কর্নার,উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়,রাজবাড়ি শ্মশান,শৈলাট ,ইন্দ্রাকপুর,
কপালেশ্বর, রাজা শিশুপালের রাজধানী,একডালা দুর্গ (প্রাচীন ও ধ্বংসপ্রাপ্ত),মীর জুমলার সেতু,সাকাশ্বর স্তম্ভ,বঙ্গতাজ তাজউদ্দিনের বাড়ি,বিজ্ঞানী মেঘনাথ সাহার বাড়ি, রবীন্দ্র স্মৃতিবিজড়িত কাওরাইদ বাংলো,ভাওয়াল রাজবাড়ি,বলধার জমিদারবাড়ি,পূবাইল জমিদার বাড়ি,বলিয়াদী জমিদার বাড়ি,কাশিমপুরজমিদারবাড়ি,দত্তপাড়া জমিদারবাড়ি, হায়দ্রাবাদ দীঘি, ভাওয়াল কলেজ দীঘি,রাহাপাড়া দীঘি,টেংরা দীঘি,তেলিহাটী দীঘি, সিঙ্গার দীঘি (পালরাজাদের রাজধানী নগরী),সিঙ্গার দীঘি,কাউছি টিহর,কর্ণপুর দীঘি,
চৌড়াদীঘি, মাওনা দীঘি,ঢোলসমুদ্র দীঘি ও পুরাকীর্তি,রাজবিলাসী দীঘি,কোটামুনির ডিবি ও পুকুর, মনই বিবি-রওশন বিবির দীঘি (চান্দরা),মকেশ্বর বিল,বিল বেলাই,উষ্ণোৎস, গঙ্গা (সরোবর) তীর্থক্ষেত্র,ভাওয়াল রাজশ্মশানেশ্বরী, টোক বাদশাহী মসজিদ, সমাধিক্ষেত্র(কবরস্থান), চৌড়া,কালীগঞ্জ সাকেশ্বর আশোকামলের বৌদ্ধস্তম্ভ (ধর্মরাজিকা), পানজোড়া গির্জা, ব্রাহ্মমন্দির, সমাধিক্ষেত্র,গুপ্ত পরিবার,সেন্ট নিকোলাস (চার্চ),বক্তারপুর,ঈশা খাঁর মাজার,তিমুলিয়া গির্জা।

গোপালগঞ্জ:
বঙ্গবন্ধুর সমাধিসৌধ,চন্দ্রভর্ম ফোর্ট (কোটাল দুর্গ),মুকসুদপুরের ঐতিহাসিক নিদর্শন,বহলতলী মসজিদ,ধর্মরায়ের বাড়ি,থানাপাড়া জামে মসজিদ,খাগাইল গায়েবি মসজিদ,কোর্ট মসজিদ, সেন্ট মথুরানাথ এজি চার্চ,সর্বজনীন কালীমন্দির,বিলরুট ক্যানেল,আড়পাড়া মুন্সীবাড়ি,শুকদেবের আশ্রম,খানার পাড় দীঘি,উলপুর জমিদারবাড়ি,
’৭১-এর বধ্যভূমি স্মৃতিসৌধ (স্মৃতিস্তম্ভ)।
জামালপুর:
হজরত শাহ জামালের (রহ.)মাজার,হজরত শাহ কামালের (রহ.) মাজার,পাঁচ গম্বুজবিশিষ্ট রসপাল জামে মসজিদ (উনবিংশ শতাব্দী), নরপাড়া দুর্গ (ষোড়শ শতাব্দী),গান্ধী আশ্রম,দয়াময়ী মন্দির, দেওয়ানগঞ্জের সুগার মিলস, লাউচাপড়া পিকনিক স্পট।

কিশোরগঞ্জ:
ঈশা খাঁর জঙ্গলবাড়ি,এগারসিন্ধুর দুর্গ,কবি চন্দ্রাবতীর শিব মন্দির,দিল্লির আখড়া,শোলাকিয়া ঈদগাহ,পাগলা মসজিদ,ভৈরব সেতু,হাওরাঞ্চল,সুকুমার রায়ের বাড়ি, জহুরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ, দুর্জয় স্মৃতি ভাস্কর্য।

মাদারীপুর:
হজরত শাহ মাদারের দরগাহ,আলগী কাজিবাড়ি মসজিদ, রাজা রামমন্দির ঝাউদিগিরি, আউলিয়াপুর নীলকুঠি, মিঠাপুর জমিদারবাড়ি,প্রণব মঠ, বাজিতপুর, মঠের বাজার মঠ,
খোয়াজপুর, খালিয়া শান্তি কেন্দ্র, পর্বতের বাগান, শকুনী লেক, সেনাপতির দীঘি।

মানিকগঞ্জ:
বালিয়াটি প্রাসাদ,তেওতা জমিদারবাড়ি,তেওতা নবরত্ন মঠ, মানিকগঞ্জের মত্তের মঠ, রামকৃষ্ণ মিশন সেবাশ্রম,
শিব সিদ্ধেশ্বরী মন্দির, শ্রী শ্রী আনন্দময়ী কালীবাড়ি, গৌরাঙ্গ মঠ, নারায়ণ সাধুর আশ্রম, মাচাইন গ্রামের ঐতিহাসিক মাজার ও পুরনো মসজিদ,বাঠইমুড়ি মাজার।

মুন্সীগঞ্জ:
বল্লাল সেনের দীঘি, হরিশ্চন্দ্র রাজার দীঘি, রাজা শ্রীনাথের বাড়ি,রামপাল দীঘি, কোদাল ধোয়া দীঘি, শ্রীনগরের শ্যামসিদ্ধির মঠ, সোনারংয়ের জোড়া মঠ, হাসারার দরগাহ, ভাগ্যকূল রাজবাড়ি,
রাঢ়ীখালে জগদীশচন্দ্র বসুর বাড়ি,কুসুমপুরে তালুকদার বাড়ি মসজিদ,তাজপুর মসজিদ,পাথরঘাটা মসজিদ, কাজীশাহ মসজিদ,পোলঘাটার ব্রিজ,পাঁচ পীরের দরগাহ,সুখবাসপুর দীঘি,
শিকদার সাহেবের মাজার,বার আউলিয়ার মাজার,শহীদ বাবা আদমের মসজিদ,ইদ্রাকপুর কেল্লা,অতীশ দীপঙ্করের পন্ডিতভিটা,
হরগঙ্গা কলেজ গ্রন্থাগারে কলেজের প্রতিষ্ঠাতা আশুতোষ গাঙ্গুলীর আবক্ষ মার্বেল মূর্তি।

ময়মনসিংহ:
শশী লজ,গৌরীপুর লজ,আলেকজান্ডার ক্যাসেল,শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিন সংগ্রহশালা, স্বাধীনতাস্তম্ভ, ব্রহ্মপুত্র নদের তীরবর্তী পার্ক,ময়মনসিংহ জাদুঘর,বোটানিক্যাল গার্ডেন, নজরুল স্মৃতি কেন্দ্র,মুক্তাগাছা জমিদারবাড়ি,মহারাজ সূর্যকান্তের বাড়ি,গৌরীপুর রাজবাড়ি, বীরাঙ্গনা সখিনার মাজার,রামগোপাল জমিদার বাড়ি,ফুলবাড়িয়া অর্কিড বাগান,চীনা মাটির টিলা, আবদুল জববার স্মৃতি জাদুঘর,কুমিরের খামার,তেপান্তর ফিল্ম সিটি।

নারায়ণগঞ্জ:
লোক ও কারুশিল্প ফাউন্ডেশন,হাজীগঞ্জে ঈশা খাঁর কেল্লা,কদমরসুল দরগাহ,পাঁচ পীরের দরগাহ, ইপিজেড আদমজী,মেরিন একাডেমী,লাঙ্গলবন্দ,সুলতান গিয়াসউদ্দিন আজম শাহের সমাধি,
সোনাকান্দা দুর্গ,সালেহ বাবার মাজার,গোয়ালদী মসজিদ,সুলতান জালাল উদ্দিন ফতেহ শাহের এক গম্বুজবিশিষ্ট মসজিদ,
পাগলা ব্রিজ,বন্দর শাহী মসজিদ,মেরী এন্ডারসন (ভাসমান রেস্তোরাঁ), বিবি মরিয়মের মাজার,রাসেল পার্ক,জিন্দাপার্ক।

নরসিংদী:
উয়ারী বটেশ্বর,বীরশ্রেষ্ঠ মতিউর রহমান জাদুঘর,সোনাইমুড়ি টেক,আশ্রাবপুর মসজিদ,ইরানি মাজার,দেওয়ান শরীফ মসজিদ, গিরিশ চন্দ্র সেনের বাস্ত্তভিটা।

নেত্রকোনা:
উপজাতীয় কালচারাল একাডেমী, বিজয়পুর পাহাড়ে চিনামাটির নৈসর্গিক দৃশ্য, রানীখং মিশন,টংক শহীদ স্মৃতিসৌধ,রানীমাতা রাশমণি স্মৃতিসৌধ,কমলা রানী দীঘির ইতিহাস,
নইদ্যা ঠাকুরের (নদের চাঁদ) লোক-কাহিনী, সাত শহীদের মাজার, হজরত শাহ সুলতান কমরউদ্দিন রুমির (রহ.) মাজার, রোয়াইলবাড়ি কেন্দুয়া।

রাজবাড়ী:
চাঁদ সওদাগরের ঢিবি (মনসামঙ্গল কাব্যের প্রধান চরিত্র চাঁদ সওদাগরের স্মৃতিচিহ্ন), মথুরাপুর প্রাচীন দেউল,শাহ পাহলোয়ানের মাজার,দাদ্শী মাজার,জামাই পাগলের মাজার, নলিয়া জোডা বাংলা মন্দির,সমাধিনগর মঠ (অনাদি আশ্রম),রথখোলা সানমঞ্চ, নীলকুঠি,মীর মশাররফ হোসেন স্মৃতি কেন্দ্র,দৌলতদিয়া ঘাট।

শরীয়তপুর:
মগর,মহিষারের দীঘি,রাজনগর,কুরাশি,বুড়ির হাটের মসজিদ,হাটুরিয়া জমিদারবাড়ি,রুদ্রকর মঠ,রাম সাধুর আশ্রম,জমিদারবাড়ি,মানসিংহের বাড়ি,শিবলিঙ্গ,সুরেশ্বর দরবার,পন্ডিতসার, ধানুকার মনসাবাড়ি।

শেরপুর:
গড় জরিপার দুর্গ ,দরবেশ জরিপ শাহের মাজার,বারদুয়ারী মসজিদ,হযরত শাহ কামালের মাজার, শের আলী গাজীর মাজার,কসবার মুগল মসজিদ,ঘাঘরা লস্কর বাড়ী মসজিদ,মাইসাহেবা মসজিদ, নয়আনী জমিদারের নাট মন্দির,আড়াই আনী জমিদার বাড়ি,পৌনে তিন আনী জমিদার বাড়ি,গজনী অবকাশ কেন্দ্র।

টাঙ্গাইল:
আতিয়া মসজিদ,শাহ্ আদম কাশ্মিরির মাজার,পরীর দালান,খামারপাড়া মসজিদ ও মাজার, ঝরোকা, সাগরদীঘি, গুপ্তবৃন্দাবন,পাকুটিয়া আশ্রম,ভারতেশ্বরী হোমস, মহেড়া জমিদারবাড়ি/পুলিশ ট্রেনিং সেন্টার,মির্জাপুর ক্যাডেট কলেজ,পাকুল্লা মসজিদ, কুমুদিনী নার্সিং স্কুল/কলেজ,নাগরপুরজমিদার বাড়ি, পুন্ডরীকাক্ষ হাসপাতাল,উপেন্দ্র সরোব,গয়হাটার মঠ, তেবাড়িয়া জামে মসজিদ,পাকুটিয়া জমিদারবাড়ি,বঙ্গবন্ধু সেতু,এলেঙ্গা রিসোর্ট,
যমুনা রিসোর্ট,কাদিমহামজানি মসজিদ,ঐতিহ্যবাহী পোড়াবাড়ি, সন্তোষ, করটিয়া সা’দত কলেজ, কুমুদিনী সরকারি কলেজ, বিন্দুবাসিনী বিদ্যালয়,মধুপুর জাতীয় উদ্যান,দোখলা ভিআইপ রেস্ট হাউস,পীরগাছা রাবারবাগান,ভূঞাপুরের নীলকুঠি,শিয়ালকোল বন্দর,
ধনবাড়ি মসজিদ ও নবাব প্যালেস,নথখোলা স্মৃতিসৌধ, বাসুলিয়া, রায়বাড়ী, কোকিলা পাবর স্মৃতিসৌধ,মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতিস্তম্ভ।

#রাজশাহী বিভাগ
বগুড়া:
মহাস্থানগড়,ভাসু-বিহার,গোকুল মেধ,শাহ্ সুলতান বলখি মাহী সাওয়ারের মাজার,ভবানীপুর শিবমন্দির,ভবানী মন্দির,খেড়ুয়া মসজিদ,মোহাম্মদ আলী প্যালেস মিউজিয়াম,গ্রায়েন বাঁধ, ওয়ান্ডারল্যান্ড,মহাস্থান প্রত্নতাত্ত্বিক জাদুঘর।

চাঁপাইনবাবগঞ্জ:
ছোট সোনা মসজিদ,বীরশ্রেষ্ঠ ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীরের সমাধি,দারসবাড়ী মসজিদ ও মাদ্রাসা,দারসবাড়ী মসজিদের প্রস্তরলিপি,খঞ্জনদীঘির মসজিদ, ধনাইচকের মসজিদ,চামচিকা মসজিদ,তিন গম্বুজ মসজিদ ও তাহখানা,তাহখানা কমপ্লেক্স,শাহ্ নেয়ামতউল্লাহ (রহ.)মাজার,শাহ নেয়ামতউল্লাহর সমাধি, কোতোয়ালি দরওয়াজা, দাফেউলবালা, বালিয়াদীঘি, খঞ্জনদীঘি, কানসাটের জমিদারবাড়ি,তরতীপুর,চাঁপাই জামে মসজিদ, মহারাজপুর জামে মসজিদ, মাঝপাড়া জামে মসজিদ,হজরত বুলন শাহর(রহ.)মাজার,সর্ববৃহৎ দুর্গাপূজা,মহারাজপুর মঞ্চ,বারঘরিয়া মঞ্চ,জোড়া মঠ।

জয়পুরহাট:
আছরাঙ্গা দীঘি,নান্দাইল দীঘি,লকমা রাজবাড়ি,পাথরঘাটা নিমাই পীরের মাজার, গোপীনাথপুর মন্দির,দুওয়ানী ঘাট,বারশিবালয় মন্দির,হিন্দা-কসবা শাহী জামে মসজিদ, পাগলা দেওয়ান বধ্যভূমি, কড়ই কাদিপুর বধ্যভূমি,সেভেনথ ডে অ্যাডভেন্টিস মারানাথা সেমিনার খনজনপুর খ্রিস্টান মিশনারি স্মৃতিস্তম্ভ-৭১,শিশু উদ্যান।

পাবনা:
ভাঁড়ারা শাহী মসজিদ,জোড়বাংলার মন্দির,তাড়াশ বিল্ডিং,পাবনা ক্যাডেট কলেজ,প্রশান্তি ভুবন বিনোদন পার্ক, অনুকূল ঠাকুর টেম্পল,পাবনা মানসিক হাসপাতাল, সমন্বিত লাগসই কৃষি প্রযুক্তি জাদুঘর,চাটমোহর শাহী মসজিদ,সমাজ শাহী মসজিদ, হান্ডিয়াল জগন্নাথ মন্দির,হরিপুর জমিদারবাড়ি পুকুর,মথুরাপুর মিশন,চলনবিলের সূর্যাস্ত, বড়াল ব্রিজ রেলসেতু,বৃদ্ধমরিচ শাহী মসজিদ,জমিদার রানীর পুকুরঘাট, শেখ শাহ্ ফরিদ (রহ.)মসজিদ,লর্ড হার্ডিঞ্জ রেল সেতু,লালন শাহ সেতু,ঈশ্বরদী রেলজংশন,ঈশ্বরদী ইপিজেড, ঈশ্বরদী বিমানবন্দর,কৃষি গবেষণা ইন্সটিটিউট,শহীদনগর স্মৃতিস্তম্ভ,বেঙ্গল মিট, সুজানগর আজিম চৌধুরীর জমিদারবাড়ি,গাজনার বিল,হজরত মাহতাব উদ্দিন শাহ আউলিয়ার মাজার, তাঁতীবন্দ জমিদারবাড়ি,নাজিরগঞ্জ ফেরিঘাট,কৈটোলা নিষ্কাশন পাম্প হাউস,বেড়া পাম্প হাউস ও স্লুইসগেট, হুরাসাগর নদীর তীরে বেড়া পোর্ট।

নওগাঁ:
কুশুম্বা মসজিদ,পাহাড়পুর বৌদ্ধবিহার,পতিসর রবীন্দ্র কাচারিবাড়ি, দিব্যক জয়সত্মম্ভ, মাহি সমেত্মাষ,বলিহার রাজবাড়ি, আলতাদীঘি, জগদলবাড়ি, হলুদবিহার, দুবলহাটি জমিদারবাড়ি।

নাটোর:
উত্তরা গণভবন,রানী ভবানী রাজবাড়ি,লুর্দের রানী ধর্মপল্লী,বোর্নি মারিয়াবাদ ধর্মপল্লী।

রাজশাহী:
হজরত শাহ মখদুম রূপোষের (রহ.)দরগা,পুঠিয়া রাজবাড়ি,পুঠিয়া বড় আহ্নিক মন্দির, পুঠিয়া বড় শিবমন্দির,পুঠিয়া দোলমন্দির,পুঠিয়া গোবিন্দ মন্দির,বাঘা মসজিদ, দুই গম্বুজবিশিষ্ট কিসমত মাড়িয়া মসজিদ,এক গম্বুজবিশিষ্ট রুইপাড়া(দুর্গাপুর)জামে মসজিদ,বাগধানী মসজিদ(পবা), তিন গম্বুজবিশিষ্ট ভাগনা (তানোর)জামে মসজিদ,
হজরত শাহ্ সুলতান (র.)-এর মাজার,চতুর্দশ শতাব্দী),দেওপাড়া প্রশস্তি, বড়কুঠি(অষ্টাদশ শতাব্দী),তালোন্দ শিব মন্দির,রাজশাহী বড়কুঠি,বরেন্দ্র গবেষণা জাদুঘর, রাজশাহী কলেজ,বাংলাদেশ পুলিশ একাডেমী, রাজশাহী।

সিরাজগঞ্জ:
বঙ্গবন্ধু যমুনা বহুমুখী সেতু, মখদুম শাহের মাজার,রবীন্দ্র কাচারিবাড়ি,চলনবিল,যাদব চক্রবর্তী নিবাস,ইলিয়ট ব্রিজ,শাহজাদপুর মসজিদ,জয়সাগর দীঘি,নবরত্ন মন্দির, ছয়আনি পাড়া দুই গম্বুজ মসজিদ,ভিক্টোরিয়া স্কুল,হার্ড পয়েন্ট, ইকো পার্ক,মিল্কভিটা,রাউতারা বাঁধ ও স্লুইসগেট,বাঘাবাড়ি নদীবন্দর।

#রংপুর বিভাগ:
দিনাজপুর:
দিনাজপুর রাজবাড়ি, চেহেলগাজি মসজিদ ও মাজার,কান্তজিউর মন্দির,ঘোডাঘাট দুর্গ,সীতাকোট বিহার, সুরা মসজিদ, নয়াবাদ মসজিদ, রামসাগর, স্বপ্নপুরী, স্টেশন ক্লাব,কালেক্টরেট ভবন, সার্কিট হাউস ও জুলুমসাগর, দিনাজপুর ভবন, সিংড়া ফরেস্ট, হিলি স্থলবন্দর,বিরল স্থলবন্দর।

গাইবান্ধা:
বর্ধনকুঠি,নলডাঙ্গার জমিদারবাড়ি,বামনডাঙ্গার জমিদারবাড়ি, ভতরখালীর কাষ্ঠ কালী,রাজা বিরাট, ভবানীগঞ্জ পোস্ট অফিস ও বাগুড়িয়া তহশিল অফিস।

কুড়িগ্রাম:
চান্দামারী মসজিদ, শাহী মসজিদ, চন্ডীমন্দির, দোলমঞ্চ মন্দির, ভেতরবন্দ জমিদারবাড়ি,পাঙ্গা জমিদারবাড়ি ধ্বংসাবশেষ,
সিন্দুরমতি দীঘি, চিলমারী বন্দর,শহীদ মিনার, স্বাধীনতার বিজয়স্তম্ভ, মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিফলক, পাঙ্গা জমিদারবাড়ির কামান, বঙ্গ সোনাহাট ব্রিজ,মুন্সিবাড়ি।

লালমনিরহাট:
তিন বিঘা করিডোর ও দহগ্রাম-আঙ্গরপোতা ছিটমহল, তিস্তা ব্যারাজ ও অবসর রেস্ট হাউস, বুড়িমারী স্থলবন্দর, শেখ ফজলল করিমের বাড়ি ও কবর, তুষভান্ডার জমিদারবাড়ি, কাকিনা জমিদারবাড়ি, নিদাড়িয়া মসজিদ, হারানো মসজিদ, সিন্দুরমতি দীঘি, কালীবাড়ি মন্দির ও মসজিদ, বিমানঘাঁটি, তিস্তা রেলসেতু, হালা বটের তল, লালমনিরহাট জেলা জাদুঘর, দালাইলামা ছড়া সমন্বিত খামার প্রকল্প।

নীলফামারী:
ধর্মপালের রাজবাড়ি, ময়নামতি দুর্গ, ভীমের মায়ের চুলা, হরিশচন্দ্রের পাঠ, সৈয়দপুরের চিনি মসজিদ, তিস্তা ব্যারাজ প্রকল্প, নীলফামারী জাদুঘর, কুন্দুপুকুর মাজার, দুন্দিবাড়ী স্লুইসগেট, বাসার গেট, স্মৃতি অম্লান।

পঞ্চগড়:
ভিতরগড়, মহারাজার দীঘি, বদেশ্বরী মহাপীঠ মন্দির, সমতলভূমিতে সম্প্রতি প্রতিষ্ঠিত চা-বাগান, মির্জাপুর শাহী মসজিদ, বার আউলিয়ার মাজার, গোলকধাম মন্দির, তেঁতুলিয়া ডাকবাংলো, তেঁতুলিয়া পিকনিক কর্নার, বাংলাবান্ধা জিরো পয়েন্ট ও বাংলাবান্ধা স্থলবন্দর,রকস্ মিউজিয়াম।

রংপুর:
পায়রাবন্দ,তাজহাট জমিদারবাড়ি,কেরামতিয়া মসজিদ ও মাজার,ভিন্ন জগৎ,ঝাড়বিশলা।

ঠাকুরগাঁও:
জামালপুর জমিদারবাড়ি জামে মসজিদ,বালিয়াডাঙ্গী সূর্যপুরী আমগাছ, ফান সিটি অ্যামিউজমেন্ট পার্ক অ্যান্ড ট্যুরিজম লি.,রাজভিটা,রাজা টংকনাথের রাজবাড়ি,হরিপুর রাজবাড়ি,
জগদল রাজবাড়ি, প্রাচীন রাজধানীর চিহ্ন নেকমরদ,পীর শাহ নেকমরদের মাজার,মহালবাড়ি মসজিদ,শালবাড়ি মসজিদ ও ইমামবাড়া,সনগাঁ শাহী মসজিদ, ফতেহপুর মসজিদ,মেদিনীসাগর জামে মসজিদ,গেদুড়া মসজিদ,গোরক্ষনাথ মন্দির,কূপ ও শিলালিপি,হরিণমারী শিবমন্দির,হরিপুর রাজবাড়ি শিবমন্দির, গোবিন্দনগর মন্দির,ঢোলরহাট মন্দির,ভেমটিয়া শিবমন্দির,মালদুয়ার দুর্গ,গড়গ্রাম দুর্গ,বাংলা গড়,গড় ভবানীপুর,
গড়খাঁড়ি, কোরমখান গড়, সাপটি বুরুজ,দীঘি।

#সিলেট বিভাগ:
হবিগঞ্জ:
বিথঙ্গল আখড়া, বানিয়াচং প্রাচীন রাজবাড়ির ধংসাবশেষ, বানিয়াচং পুরানবাগ মসজিদ, সাগরদীঘি,হব্যা গোমার দারা গুটি, নাগুড়া ফার্ম,
সাতছড়ি রিজার্ভ ফরেস্ট, কালেঙ্গা রিজার্ভ ফরেস্ট, রাবারবাগান, ফরুটসভ্যালি, সিপাহসালার হজরত শাহ সৈয়দ নাসির উদ্দিনের (রহ.)মাজার,লালচান্দ চা-বাগান, দেউন্দি চা-বাগান, লস্করপুর চা-বাগান, চন্ডীছড়া চা-বাগান, চাকলাপুঞ্জি চা-বাগান, চান্দপুর চা-বাগান, নালুয়া চা-বাগান,আমু চা-বাগান, রেমা চা-বাগান, দারাগাঁও চা-বাগান, শ্রীবাড়ী চা-বাগান, পারকুল চা-বাগান, সাতছড়ি চা-বাগান।

মৌলভীবাজার:
চা-বাগান, মাধবকুন্ড ইকো পার্ক, পরিকুন্ড, সিতেস বাবুর চিড়িয়াখানা, মাধবপুর লেক, বর্ষিজোড়া ইকো পার্ক, হাকালুকি হাওর, হজরত শাহ মোস্তফার (রহ.)মাজার, বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ সিপাহি হামিদুর রহমান স্মৃতিসৌধ।

সুনামগঞ্জ:
টাঙ্গুগুয়ার হাওর,হাছনরাজা মিউজিয়াম,লাউড়ের গড়,ডলুরা শহীদদের সমাধিসৌধ,টেকেরঘাট চুনাপাথর খনি প্রকল্প।
বাগবাড়ি টিলা, সেলবরষ জামে মসজিদ, সুখাইড় কালীবাড়ি মন্দির, কাহালা কালীবাড়ি, মহেষখলা কালীবাড়ি,
তাহিরপুর উপজেলার উত্তর বড়দল ইউনিয়নে হলহলিয়া গ্রামে রাজা বিজয় সিংহের বাসস্থানের ধ্বংসাশেষ।

সিলেট:
জাফলং, ভোলাগঞ্জ, লালাখাল, তামাবিল, হাকালুকি হাওর, ক্বীন ব্রিজ, হজরত শাহজালাল (রহ.) ও শাহ পরানের (রহ.)মাজার,
মহাপ্রভু শ্রী চৈতন্যদেবের বাড়ি, হাছনরাজার মিউজিয়াম, মালনীছড়া চা-বাগান, এমএজি ওসমানী বিমানবন্দর, পর্যটন মোটেল, জাকারিয়া সিটি, ড্রিমল্যান্ড পার্ক, আলী আমজাদের ঘড়ি, জিতু মিয়ার বাড়ি, মণিপুরী রাজবাড়ি, মণিপুরী মিউজিয়াম, শাহী ঈদগাহ, ওসমানী শিশুপার্ক।

#বরিশাল বিভাগ:
বরগুনা:
বিবিচিনি শাহী মসজিদ, সোনারচর, লালদিয়ার বন ও সমুদ্র সৈকত, হরিণঘাটা, রাখাইন এলাকা, বৌদ্ধ মন্দির ও বৌদ্ধ একাডেমি।

বরিশাল:
দুর্গাসাগর, কালেক্টরেট ভবন, চাখার প্রত্নতাত্ত্বিক জাদুঘর, রামমোহনের সমাধি মন্দির, সুজাবাদের কেল্লা,সংগ্রাম কেল্লা, শারকলের দুর্গ,গির্জামহল্লা, বেলস পার্ক, এবাদুল্লা মসজিদ,কসাই মসজিদ, অক্সফোর্ড গির্জা, শংকর মঠ, মুকুন্দ দাসের কালীবাড়ি,
ভাটিখানার জোড়া মসজিদ, অশ্বিনী কুমার টাউন হল, চরকিল্লা, এক গম্বুজ মসজিদ, সাড়ে তিন মণ ওজনের পিতলের মনসা।

ভোলা:
চরকুকরিমুকরি, বীরশ্রেষ্ঠ মোস্তফা কামাল স্মৃতি জাদুঘর, ওয়ান্ডার কিংডম, মনপুরা দ্বীপ।

ঝালকাঠি:
সুজাবাদের কেল্লা,ঘোষাল রাজ বাড়ির ধ্বংসাবশেষ,নুরুল্লাপুর মঠ,সিভিল কোর্ট ভবন,সাতুরিয়া জমিদারবাড়ি, জীবনানন্দ দাশের মামাবাড়ি, কীর্তিপাশা জমিদারবাড়ি, গাবখান সেতু, ধানসিঁড়ি নদী, রূপসা খাল, নেছারাবাদ কমপ্লেক্স, পোনাবালিয়া মন্দির, সিদ্ধকাঠি জমিদারবাড়ি, নলছিটি পৌরভবন, মার্চেন্টস্ স্কুল, চায়না কবর, কামিনী রায়ের বাড়ি,কুলকাঠি মসজিদ, সুরিচোড়া জামে মসজিদ, শিবমন্দির,নাদোরের মসজিদ।

পটুয়াখালী:
কুয়াকাটা বৌদ্ধবিহার,শ্রীরামপুর মিয়াবাড়ি মসজিদ,মিঠাপুকুর,কানাইবালাই দীঘি,কমলা রানীর দীঘি,
সুলতান ফকিরের মাজার,নুরাইনপুর রাজবাড়ি, শাহী মসজিদ।

পিরোজপুর:
রায়েরকাঠি জমিদারবাড়ি, মঠবাড়িয়ার সাপলেজা কুঠিবাড়ি, প্রাচীন মসজিদ, মঠবাড়িয়ার মমিন মসজিদ,শ্রীরামকাঠি প্রণব মঠ সেবাশ্রম,
গোপালকৃষ্ণ টাউন ক্লাব, শেরেবাংলা পাবলিক লাইব্রেরি, মাঝের চর মঠবাড়িয়া, পাড়েরহাট জমিদারবাড়ি,বলেশ্বরঘাট শহীদ স্মৃতিস্তম্ভ।

#চট্টগ্রাম বিভাগ:
বান্দরবান:
মেঘলা পর্যটন কেন্দ্র, নীলাচল পর্যটন কমপ্লেক্স, চিম্বুক, শৈলপ্রপাত, বগালেক,স্বর্ণমন্দির, কেওক্রাডং, নীলগিরি, প্রান্তিক লেক, ঋজুক জলপ্রপাত, মিরিঞ্জা কমপ্লেক্স।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া:
কালভৈরব, সৌধ হীরণ্ময়,হাতিরপুল, কেল্লা শহীদ মাজার, গঙ্গাসাগর দীঘি, উলচাপাড়া মসজিদ,কাজী মাহমুদ শাহ (রহ.)মাজার,ছতুরা শরীফ, নাটঘর মন্দির, বিদ্যাকুট সতীদাহ মন্দির।

চাঁদপুর:
শ্রী শ্রী জগন্নাথ মন্দির,মনসামুড়া,দোয়াটি,সাহারপাড়ের দীঘি,
উজানীতে বেহুলার পাটা,তুলাতলি মঠ,সাহেবগঞ্জ নীলকুঠি,
লোহাগড় মঠ,রূপসা জমিদারবাড়ি,হাজীগঞ্জ ঐতিহাসিক বড় মসজিদ,হজরত মাদ্দা খাঁ (রহ.)মসজিদ, বলাখাল জমিদারবাড়ি,নাসিরকোর্ট শহীদ মুক্তিযোদ্ধা সমাধিস্থল,নাগরাজাদের বাড়ি,মঠ ও দীঘি,মঠ,নাওড়া,শাহরাস্তির (রহ.)মাজার,
তিন গম্বুজ মসজিদ ও প্রাচীন কবর।

চট্টগ্রাম:
ফয়স লেক,চট্টগ্রাম চিড়িয়াখানা,চট্টগ্রাম শিশুপার্ক,জাতিতাত্ত্বিক জাদুঘর,আগ্রাবাদ,বাটালি হিল,ডিসি অফিস(পরীর পাহাড়),
কোর্ট বিল্ডিং,ওয়ার সিমেট্রি (কমনওয়েলথ যুদ্ধসমাধি),ডিসি হিল,কদম মোবারক মসজিদ,শাহ্ আমানতের (রহ.)দরগা,
বদর আউলিয়ার (রহ.)দরগা,বায়েজিদ বোস্তামির (রহ.)মাজার,শেখ ফরিদের চশমা,ওলি খাঁর মসজিদ,আন্দরকিল্লা শাহী জামে মসজিদ,হামজার মসজিদ,হামজারবাগ,পাথরঘাটা রোমান ক্যাথলিক গির্জা,চট্টগ্রাম বৌদ্ধবিহার,নন্দনকানন, কৈবল্যধাম, চন্দ্রনাথ পাহাড় ও মন্দির,সীতাকুন্ড, বাঁশখালী ইকোপার্ক, সীতাকুন্ড ইকোপার্ক।

কুমিল্লা:
শালবন বিহার ও প্রত্নতাত্ত্বিক জাদুঘর,দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে নিহত সৈনিকদের সমাধিক্ষেত্র ময়নামতি ওয়ার সিমেট্রি,
বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন একাডেমি (বার্ড)শাহ সুজা মসজিদ,জগন্নাথ মন্দির,ধর্মসাগর, বৌদ্ধবিহারের ধ্বংসাবশেষ, রূপবানমুড়া ও কুটিলামুড়া, বার্ডসংলগ্ন জোড়কানন দীঘি, জগন্নাথ দীঘি, বীরচন্দ্র গণপাঠাগার ও নগর মিলনায়তন,শ্রী শ্রী রামঠাকুরের আশ্রম, রামমালা পাঠাগার ও নাটমন্দির, লাকসাম রোড, নবাব ফয়জুন্নেছার বাড়ি, সঙ্গীতজ্ঞ শচীনদেব বর্মণের বাড়ি, রাজেশপুর বন বিভাগের পিকনিক স্পট,গোমতি নদী, পুরাতন অভয়াশ্রম (কেটিসিসিএ লি.), বাখরাবাদ গ্যাস ফিল্ড, কবি কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম স্ত্রী বেগম নার্গিসের বাড়ি, নবাব ফয়জুন্নেছার পৈতৃক বাড়ি।

কক্সবাজার:
সমুদ্র সৈকত, হিমছড়ি, অগে্গ্মধা ক্যাং, আদিনাথ মন্দির, সোনাদিয়া দ্বীপ, রামকোর্ট,লামারপাড়া ক্যাং, ইনানী, প্রবালদ্বীপ সেন্টমার্টিন, মাথিনের কূপ, বঙ্গবন্ধু সাফারি পার্ক।

ফেনী:
সোনাগাজী মুহুরি সেচ প্রকল্প,পাগলা মিয়ার মাজার,শিলুয়ার শীল পাথর,রাজাঝির দীঘি,মোহাম্মদ আলী চৌধুরী মসজিদ ও বাসভবন,
চাঁদগাজী মসজিদ,ফেনী সরকারি কলেজ ভবন,মহিপালের বিজয় সিংহ দীঘি।

খাগড়াছড়ি:
আলুটিলা,আলুটিলার সুড়ঙ্গ বা রহস্যময় গুহা, দেবতার পুকুর, ভগবানটিলা,দুই টিলা ও তিন টিলা,আলুটিলার ঝরনা, পর্যটন মোটেল,খাগড়াছড়ি, পাহাড়ি কৃষি গবেষণা কেন্দ্র, মহালছড়ি হ্রদ,শতায়ু বটগাছ।

লক্ষ্মীপুর:
দালালবাজার জমিদারবাড়ি,কামানখোলা জমিদারবাড়ি,তিতা খাঁ জামে মসজিদ,জিনের মসজিদ,

Address

Uttara
Dhaka
1230

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Tour Planner Bangladesh-TPB posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share