07/09/2025
অফলোড হলে যা করনীয় 👇
✈️ অযথা সন্দেহে বেআইনি অফলোড – জানুন আপনার অধিকার!
অনেক বাংলাদেশি নাগরিক বৈধ পাসপোর্ট, ভিসা ও টিকেট নিয়েও ইমিগ্রেশন থেকে অফলোডের শিকার হন। অথচ কোনো লিখিত কারণ বা সুনির্দিষ্ট আইনি ভিত্তি ছাড়া অফলোড করা সম্পূর্ণ বেআইনি এবং নাগরিক অধিকার লঙ্ঘন।
🛑 কেন এটি বেআইনি?
👉 বাংলাদেশ সংবিধানের Article 36 অনুযায়ী – প্রত্যেক নাগরিকের বিদেশ ভ্রমণের অধিকার আছে।
👉 Article 31 ও 32 – প্রত্যেকের আইনের আশ্রয় পাওয়ার অধিকার এবং ব্যক্তিস্বাধীনতা রক্ষা পাবে।
👉 বৈধ নথি থাকা সত্ত্বেও অফলোড করা হলে এটি সরাসরি Fundamental Rights Violation।
⚖️ আইন কী বলে?
🔹 দণ্ডবিধি ধারা 166 → কোনো সরকারি কর্মচারী ইচ্ছাকৃতভাবে আইন অমান্য করলে, এবং তাতে নাগরিক ক্ষতিগ্রস্ত হলে, সর্বোচ্চ ৩ বছর কারাদণ্ড বা জরিমানা হতে পারে।
🔹 দণ্ডবিধি ধারা 220 → বেআইনিভাবে আটকানো বা ভ্রমণ বাধা দিলে, সর্বোচ্চ ৭ বছর কারাদণ্ড + জরিমানা হতে পারে।
🔹 সংবিধানের Article 102 → নাগরিকরা সরাসরি High Court Division-এ রিট মামলা করতে পারেন। এর মাধ্যমে বেআইনি অফলোডকে অবৈধ ঘোষণা করা যায় এবং ক্ষতিপূরণ দাবি করা যায়।
🚨 নাগরিকের করণীয় (Step by Step)
1️⃣ প্রমাণ সংগ্রহ করুন – বোর্ডিং পাস, টিকেট, ভিসা, পাসপোর্টের কপি, দায়িত্বপ্রাপ্ত অফিসারের নাম, ডিউটি শিফট, এবং সম্ভব হলে সাক্ষীর তথ্য নিন।
2️⃣ অভিযোগ করুন –
ইমিগ্রেশন শিফট ইনচার্জ বা ডিউটি অফিসারকে লিখিত অভিযোগ দিন।
পাসপোর্ট অধিদপ্তর ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অভিযোগ সেলে লিখিত আবেদন করুন।
3️⃣ ফৌজদারি মামলা করুন –
ধারা 166 ও 220 অনুযায়ী ম্যাজিস্ট্রেট কোর্টে মামলা করা যায়।
4️⃣ হাইকোর্টে রিট করুন –
Article 102 অনুযায়ী Mandamus (বেআইনি কার্যক্রম বন্ধ), Certiorari (সিদ্ধান্ত বাতিল), Compensation (ক্ষতিপূরণ) দাবি করা যায়।
5️⃣ মানবাধিকার সংগঠন ও মিডিয়ার সহায়তা নিন –
যেমন ASK, BLAST, HRPB ইত্যাদি। এতে জনমত সৃষ্টি হবে এবং প্রশাসনের জবাবদিহি বাড়বে।
🏛️ বাস্তবে কী দাবি করা যায়?
✔️ বেআইনি অফলোডকে অবৈধ ঘোষণা করা।
✔️ ভবিষ্যতে এ ধরনের হয়রানি বন্ধে নীতিমালা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করা।
✔️ ক্ষতিগ্রস্ত যাত্রীদের জন্য আর্থিক ক্ষতিপূরণ আদায় করা।
✊ আমাদের দাবি
আমরা চাই –
🔸 ইমিগ্রেশনে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি
🔸 নাগরিক অধিকার রক্ষা
🔸 বেআইনি হয়রানির অবসান
কারণ, ইমিগ্রেশন আমাদের জন্য নিরাপত্তা, কিন্তু তা যেন কখনো হয়রানির জায়গা না হয়।
আমেরিকা, ইংল্যান্ড ও সেনজেনসহ অসংখ্য দেশ ট্রাভেল করার পরেও ২০২১ সালে বিদেশ ভ্রমণের সময় আমার পাসপোর্ট ১ ঘন্টার উপরে আটক রাখে বিমান থেকে লাগেজ নামিয়ে ফেলে। ঐ সময় এবং কোন কথা বলার সুযোগই দিচ্ছিল না আমাকে। অবশেষে ঘন্টাখানেক পরে আমি যখন বললাম কেন আটককালেন আমার পাসপোর্ট, আমি আমেরিকা ইংল্যান্ড ও সেনজেন সহ অসংখ্য দেশ ট্রাভেল করেছি। পরবর্তীতে যদিও আমার পাসপোর্ট দিয়ে দেয় ট্রাভেল করার জন্য কিন্তু দেশে ফিরত এসে দেখি মিথ্যা অভিযোগ দিয়ে আমার পাসপোর্ট ব্লক করে রাখে। আমার অসংখ্য কাস্টমারের অনেক ট্রাভেল থাকার পরেও তাদের পাসপোর্টও আটকে দেয় এবং ঘুষ দাবি করে কিন্তু ঘুষ না দেওয়ায় তাদের সকলের পাসপোর্ট অপলোড করা হয় এবং আমার বিরুদ্ধে সাক্ষী দেওয়ার জন্য চাপ দেওয়া হয়। আল্লাহপাকের অশেষ রহমতে একজন ও আমার বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দেয়নি। আল্লাহ এ সকল অসৎ অফিসারদের বিচার করুক, আমিন।