Nijhumdwip tours

Nijhumdwip tours A peaceful journey

৪০ সেকেন্ডের  ভূমিকম্পের আগে লোকটি ৩ টি বাড়ির মালিক ছিলো।আর সেই লোক ৪০ সেকেন্ড পর তিনটি  রুটিরও মালিক না। অন্যের দেওয়া ...
09/02/2023

৪০ সেকেন্ডের ভূমিকম্পের আগে লোকটি ৩ টি বাড়ির মালিক ছিলো।আর সেই লোক ৪০ সেকেন্ড পর তিনটি রুটিরও মালিক না। অন্যের দেওয়া রুটি নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে সে। তাই কখনো টাকা পয়সা ধন সম্পদ এর অহংকার করবেন না কারো সাথে। সময়ের সাথে সব ঘুরে যেতে পারে। আল্লাহ চাইলে ১ সেকেন্ডে সব কিছু পরিবর্তন করে দিতে পারেন।

থাকার ব্যবস্থা সম্পর্কিত কিছু তথ্যনিঝুম ড্রীম ল্যান্ড রিসোর্টঃমনোরম পরিবেশে রাত কাটাতে নিঝুমদ্বীপের অন্যতম আকর্ষণ নিঝুম ...
12/12/2016

থাকার ব্যবস্থা সম্পর্কিত কিছু তথ্য
নিঝুম ড্রীম ল্যান্ড রিসোর্টঃ
মনোরম পরিবেশে রাত কাটাতে নিঝুমদ্বীপের অন্যতম আকর্ষণ নিঝুম ড্রীমল্যান্ড রিসোর্ট।থাকার জন্য আধুনিক সকল ব্যবস্থা এখানে রয়েছে। কোন প্রকার ঝামেলা ছাড়াই নির্বিঘ্নে রাত্রীযাপনের জন্য থাকতে পারেন এই রিসোর্টে। ফ্যামিলি ও এক্সিকিউটিব রুমগুলো এর বিভিন্ন প্রকার সুযোগ সুবিধার সাথে সামঞ্জস্য রেখে ভাড়া দেওয়া হয়।
চাইলে নিঝুমদ্বীপে ঘুরার জন্য হোটেল কর্তৃপক্ষ গাইডের ব্যবস্থা করে দিবে।
যোগাযোগের বিস্তারিতঃ
ঢাকা বুকিং অফিসঃ ০১৮৪৮১০৭২৭৩

08/12/2016
22/09/2016
প্রাকৃতিক সৌন্দর্য্যের অভয়ারণ্য হাতিয়া এবংনিঝুমদ্বীপের প্রতি পর্যটকদের আকর্ষণ দীর্ঘদিনের।রুপবৈচিত্র্যের এই লীলাভূমিতে দি...
21/08/2016

প্রাকৃতিক সৌন্দর্য্যের অভয়ারণ্য হাতিয়া এবং
নিঝুমদ্বীপের প্রতি পর্যটকদের আকর্ষণ দীর্ঘদিনের।
রুপবৈচিত্র্যের এই লীলাভূমিতে দিন দিন বেড়েই চলেছে ভ্রমণ পিপাসুদের আগমন। তবে অনেক সময় নিঝুম দ্বীপে কিভাবে আসবে ও কোথায় থাকবে সেই ব্যাপারে ধারনা না থাকার কারনে হিমসিম খেতে হয় ভ্রমনকারীদের।আসুন জেনে নিই কোথায় থাকবেন এই স্বপ্নের নিঝুমদ্বীপে........
নিঝুম নিবাস: পর্ব - ০৩
#) নিঝুম রিসোর্ট (অবকাশ হোটেল):
এটা অবকাশ পর্যটন লিমিটেড এর একটা রিসোর্ট। নামার বাজার সী বীচ এর কাছে অবস্থিত। নিঝুম রিসোর্ট নিঝুমদ্বীপে থাকার জন্য একটি ভালো মানের রিসোর্ট।
ভাড়া ও সুযোগ সুবিধা :
২(দুই) বেড এর ভিআইপি রুম ভাড়া ৩০০০ টাকা, ২(দুই) বেড এর এক্সিকিউটিভ রুম ভাড়া ২৫০০ টাকা, ৩(তিন) বেড এর এক্সিকিউটিভ রুম ভাড়া ২৮০০ টাকা, ৪(চার) বেড এর এক্সিকিউটিব রুম ভাড়া ৩০০০ টাকা, ৫(পাঁচ) বেড এর ফ্যামিলি রুম ভাড়া ৩০০০ টাকা, ৫(পাঁচ) বেড এর ডরমেটরি রুম ভাড়া ২৮০০ টাকা এবং ১২(বার) বেড এর ডরমেটরি রুম ভাড়া ৪০০০ টাকা।
** সব গুলো রুমের সাথে বাথরুম এটাস্ট।
** ডরমেটরি রুমে এক্সট্রা প্রতি জন থাকলে ২০০ টাকা করে দিতে হবে।
** নিজস্ব জেনারেটর ও সৌরবিদ্যুতের ব্যবস্থা আছে।
যোগাযোগঃ
01848107273 -01746886160

http://www.banglanews24.com/tourism/news/502779/%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A6%9D%E0%A7%81%E0%A6%AE-%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%A...
18/07/2016

http://www.banglanews24.com/tourism/news/502779/%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A6%9D%E0%A7%81%E0%A6%AE-%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A7%80%E0%A6%AA%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%85%E0%A6%9A%E0%A7%87%E0%A6%A8%E0%A6%BE-%E0%A6%B8%E0%A7%88%E0%A6%95%E0%A6%A4 01848107273

পায়ের নিচে উত্তাল তরঙ্গের আছড়ে পড়া, শীতল স্পর্শ। মাথার উপরে নীল আকাশে মেঘের ভেলা। ফুরফুরে বাতাসে এলোকেশের ওড়াওড়ি। মেঘে ঢাকা নীল আকাশ যেন এখানে উত্তাল ঢেউ তোলা ফেনীল পানিতে মিশে তৈরি করেছে এক নৈসর্গিক দৃশ্য।

নোয়াখালী’র হাতিয়া নিঝুম দ্বীপ যেন আরেকটি বাংলাদেশের হাতছানিনিঝুম দ্বীপ বাংলাদেশের একটি ছোট্ট দ্বীপ। নোয়াখালী জেলার হাতি...
23/06/2016

নোয়াখালী’র হাতিয়া নিঝুম দ্বীপ যেন আরেকটি বাংলাদেশের হাতছানি
নিঝুম দ্বীপ বাংলাদেশের একটি ছোট্ট দ্বীপ। নোয়াখালী জেলার হাতিয়া উপজেলার অর্ন্তগত নিঝুম দ্বীপ। একে ‘দ্বীপ’ বলা হলেও এটি মূলত একটি ‘চর’। নিঝুম দ্বীপের পূর্ব নাম ছিলো চর-ওসমান। ওসমান নামের একজন বাথানিয়া তার মহিষের বাথান নিয়ে প্রথম নিঝুম দ্বীপে বসত গড়েন। তখন এই নামেই এর নামকরণ হয়েছিলো। পরে হাতিয়ার সাংসদ আমিরুল ইসলাম কালাম এই নাম বদলে নিঝুম দ্বীপ নামকরণ করেন।[তথ্যসূত্র প্রয়োজন] মূলত বল্লারচর, চর ওসমান, কামলার চর এবং চুর মুরি- এই চারটি চর মিলিয়ে নিঝুম দ্বীপ। প্রায় ১৪,০৫০ একরের দ্বীপটি ১৯৫০ খ্রিস্টাব্দের দিকে জেগে ওঠে।
১৯৭০ খ্রিস্টাব্দের আগ পর্যন্ত কোনো লোকবসতি ছিলো না, তাই দ্বীপটি নিঝুমই ছিলো।[১] বাংলাদেশের বনবিভাগ ৭০-এর দশকে বন বিভাগের কার্যক্রম শুরু করে। প্রথমে পরীক্ষামূলকভাবে চার জোড়া হরিণ ছাড়ে। নিঝুম দ্বীপ এখন হরিণের অভয়ারণ্য। ১৯৯৬ খ্রিস্টাব্দের হরিণশুমারি অনুযায়ী হরিণের সংখ্যা ২২,০০০। নোনা পানিতে বেষ্টিত নিঝুম দ্বীপ কেওড়া গাছের অভয়ারণ্য। ম্যানগ্রোভ বনের মধ্যে সুন্দরবনের পরে নিঝুম দ্বীপকে বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ বন বলে অনেকে দাবী করেন। আয়তন ও জনসংখ্যা নিঝুম দ্বীপে ৯টি গুচ্ছ গ্রাম রয়েছে। এই গুচ্ছ গ্রাম ছাড়াও বিভিন্ন জায়গায় ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে ছোটখাটো ঝুপড়ি ঘর।
১৯৯৬ সালের হিসাব অনুযায়ী নিঝুম দ্বীপ ৩৬৯৭০.৪৫৪ হেক্টর এলাকা জুড়ে অবস্থিত। মাছ, পশু, পাখি ও উদ্ভিদ নিঝুম দ্বীপে হরিণ এবং মহিষ ছাড়া অন্য কোনো হিংস্র প্রাণী নেই। হরিণের সংখ্যা প্রায় ২২,০০০ (প্রেক্ষাপট ১৯৯৬ খ্রিস্টাব্দ)। নিঝুম দ্বীপে রয়েছে প্রায় ৩৫ প্রজাতির পাখি। এছাড়াও শীতের মৌসুমে অজস্র প্রজাতির অতিথির পাখির অভয়ারণ্যে পরিণত হয় নিঝুম দ্বীপ। নিঝুম দ্বীপে বিশাল এলাকা পলিমাটির চর। জোয়ারের পানিতে ডুবে এবং ভাটা পড়লে শুঁকোয়। এই স্থানগুলোতে রয়েছে বিভিন্ন প্রজাতির পাখিদের বসবাস। জোয়ারের পানিতে বয়ে আসা বিভিন্ন প্রজাতির মাছ এদের একমাত্র খাবার। এখানে রয়েছে মারসৃপারি নামে একধরনের মাছ যাদেরকে উভচর প্রাণী বলা হয়।
৫ বছর পর্যন্ত বাঁচে এই মারসৃপার, ৬-৯ ইঞ্চি লম্বা হয়। বর্ষা মৌসুমে ইলিশের জন্য নিঝুম দ্বীপ বিখ্যাত। এই সময় ঢাকাসহ বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলের পাইকাররা নিঝুম দ্বীপে মাছ কিনতে আসে।। এছাড়া শীত কিংবা শীতের পরবর্তী মৌসুমে নিঝুম দ্বীপ চেঁউয়া মাছের জন্য বিখ্যাত। জেলেরা এই মাছ ধরে শুঁটকি তৈরি করেন। এই শুঁটকি মাছ ঢাকা, চট্টগ্রাম, চাঁদপুরসহ বিভিন্ন অঞ্চলের পাইকারদের কাছে বিক্রি হয় ৩০-৩৫ টাকা কেজি দরে। আবার এই শুঁটকি হাঁস-মুরগীর খাবারেও ব্যবহার করা হয়। নিঝুম দ্বীপে রয়েছে কেওড়া গাছ। ইদানিং বনবিভাগ কিছু নোনা ঝাউও রোপন করছে। এছাড়াও রয়েছে প্রায় ৪৩ প্রজাতির লতাগুল্ম এবং ২১ প্রজাতির অন্যান্য গাছ।
ঘূর্ণিঝড় আইলা পরবর্তী বিদ্ধস্ত নিঝুম দ্বীপ যাতায়াত ব্যবস্থা অন্যান্য অঞ্চলের সাথে যোগাযোগ করতে হলে জোয়ার ভাটার উপর নির্ভর করতে হয় নিঝুম দ্বীপের মানুষদের। হাতিয়া, ভোলা কিংবা ঢাকার সাথে যোগাযোগ করতে হলে তাদেরকে পুরোপুরি জোয়ার ভাটা মেনে চলতে হয়। ঢাকায় যেতে হলে তাদেরকে সকাল ৯ টার (জোয়ার আসার)পর হাতিয়ার উদ্দেশ্য যাত্রা করতে হয়। প্রায় ২-৩ ঘণ্টা সময় পর ট্রলার হাতিয়া পৌঁছায়। অতঃপর পাওয়া যায় ঢাকাগামী লঞ্চ, যেটি প্রতিদিন একবেলা ঢাকার উদ্দ্যেশ্যে যাত্রা করে। এই লঞ্চটি বরিশাল এবং ভোলা হয়ে ঢাকায় পৌঁছায় বিধায় নিঝুম দ্বীপের মানুষজন ভোলা কিংবা বরিশালে যেতে পারেন এই লঞ্চে করেই।
এছাড়া হাতিয়া কিংবা ঢাকায় আসার জন্য রয়েছে বিকল্প পথ। বন্দরটিলা থেকে নদী পার হয়ে হাতিয়ায় পৌঁছতে হয়। সেখান থেকে বিভিন্ন যানবাহন পার করে প্রথমে হাতিয়া শহরে তারপর লঞ্চে পার হয়ে মাইজদি অতঃপর ঢাকায় পৌঁছতে হয়। শিক্ষাব্যবস্থা নিঝুম দ্বীপে রয়েছে ৩টি প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং একটি উচ্চ-মাধ্যমিক বিদ্যালয়। প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলো সাইক্লোন শেল্টারে অবস্থিত। বনবিভাগের কার্যক্রম বনবিভাগ নিঝুম দ্বীপের উন্নয়নের জন্য বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়েছেন, বন্যপ্রাণী (হরিণ) নিধনে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছেন।

বনবিভাগের পদক্ষেপে নতুন জেগে উঠা চরে লাগানো হচ্ছে কেওড়া গাছের চারা। বনবিভাগ এটিকে ন্যাশনাল পার্ক করার পরিকল্পনা শুরু করেছে। এছাড়াও বনবিভাগ এই অঞ্চলে আগে লাগানো কেওড়া বন রক্ষায় স্থানীয়দের সাথে মিলেমিশে কাজ করছে। পর্যটন নিবাস নিঝুম দ্বীপে পর্যটকদের জন্য রয়েছে অবকাশের নিঝুম রির্সোট। যেখানে রয়েছে সাপ্লাই পানি এবং জেনারেটরের মাধ্যমে বিদ্যুতের ব্যবস্থা। খাবারের জন্য রয়েছে স্থানীয় হোটেল। স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত চাল, মাছ, মুরগী, ডিম ইত্যাদিই খাবারের একমাত্র ভরসা। তবে বর্ষার মৌসুমে রয়েছে ইলিশের জয়জয়কার।

নিঝুমদ্বীপে রাত্রী যাপনের জন্য মানসম্মত আরেকটি হোটেল হলো শাহীন হোটেল।
05/06/2016

নিঝুমদ্বীপে রাত্রী যাপনের জন্য মানসম্মত আরেকটি হোটেল হলো শাহীন হোটেল।

নোয়াখালী’র হাতিয়া নিঝুম দ্বীপ যেন আরেকটি বাংলাদেশের হাতছানিমে ১৮, ২০১৬দৈনিক নোয়াখালী সংবাদ : নিঝুম দ্বীপ বাংলাদেশের একটি...
20/05/2016

নোয়াখালী’র হাতিয়া নিঝুম দ্বীপ যেন আরেকটি বাংলাদেশের হাতছানি
মে ১৮, ২০১৬

দৈনিক নোয়াখালী সংবাদ : নিঝুম দ্বীপ বাংলাদেশের একটি ছোট্ট দ্বীপ। নোয়াখালী জেলার হাতিয়া উপজেলার অর্ন্তগত নিঝুম দ্বীপ। একে ‘দ্বীপ’ বলা হলেও এটি মূলত একটি ‘চর’। নিঝুম দ্বীপের পূর্ব নাম ছিলো চর-ওসমান। ওসমান নামের একজন বাথানিয়া তার মহিষের বাথান নিয়ে প্রথম নিঝুম দ্বীপে বসত গড়েন। তখন এই নামেই এর নামকরণ হয়েছিলো। পরে হাতিয়ার সাংসদ আমিরুল ইসলাম কালাম এই নাম বদলে নিঝুম দ্বীপ নামকরণ করেন।[তথ্যসূত্র প্রয়োজন] মূলত বল্লারচর, চর ওসমান, কামলার চর এবং চুর মুরি- এই চারটি চর মিলিয়ে নিঝুম দ্বীপ। প্রায় ১৪,০৫০ একরের দ্বীপটি ১৯৫০ খ্রিস্টাব্দের দিকে জেগে ওঠে।

১৯৭০ খ্রিস্টাব্দের আগ পর্যন্ত কোনো লোকবসতি ছিলো না, তাই দ্বীপটি নিঝুমই ছিলো।[১] বাংলাদেশের বনবিভাগ ৭০-এর দশকে বন বিভাগের কার্যক্রম শুরু করে। প্রথমে পরীক্ষামূলকভাবে চার জোড়া হরিণ ছাড়ে। নিঝুম দ্বীপ এখন হরিণের অভয়ারণ্য। ১৯৯৬ খ্রিস্টাব্দের হরিণশুমারি অনুযায়ী হরিণের সংখ্যা ২২,০০০। নোনা পানিতে বেষ্টিত নিঝুম দ্বীপ কেওড়া গাছের অভয়ারণ্য। ম্যানগ্রোভ বনের মধ্যে সুন্দরবনের পরে নিঝুম দ্বীপকে বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ বন বলে অনেকে দাবী করেন। আয়তন ও জনসংখ্যা নিঝুম দ্বীপে ৯টি গুচ্ছ গ্রাম রয়েছে। এই গুচ্ছ গ্রাম ছাড়াও বিভিন্ন জায়গায় ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে ছোটখাটো ঝুপড়ি ঘর।

l

১৯৯৬ সালের হিসাব অনুযায়ী নিঝুম দ্বীপ ৩৬৯৭০.৪৫৪ হেক্টর এলাকা জুড়ে অবস্থিত। মাছ, পশু, পাখি ও উদ্ভিদ নিঝুম দ্বীপে হরিণ এবং মহিষ ছাড়া অন্য কোনো হিংস্র প্রাণী নেই। হরিণের সংখ্যা প্রায় ২২,০০০ (প্রেক্ষাপট ১৯৯৬ খ্রিস্টাব্দ)। নিঝুম দ্বীপে রয়েছে প্রায় ৩৫ প্রজাতির পাখি। এছাড়াও শীতের মৌসুমে অজস্র প্রজাতির অতিথির পাখির অভয়ারণ্যে পরিণত হয় নিঝুম দ্বীপ। নিঝুম দ্বীপে বিশাল এলাকা পলিমাটির চর। জোয়ারের পানিতে ডুবে এবং ভাটা পড়লে শুঁকোয়। এই স্থানগুলোতে রয়েছে বিভিন্ন প্রজাতির পাখিদের বসবাস। জোয়ারের পানিতে বয়ে আসা বিভিন্ন প্রজাতির মাছ এদের একমাত্র খাবার। এখানে রয়েছে মারসৃপারি নামে একধরনের মাছ যাদেরকে উভচর প্রাণী বলা হয়।

Address

Dhaka
3800

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Nijhumdwip tours posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category