A to Z Tour & Consultancy

A to Z Tour & Consultancy Tour Package, Air Ticket, Visa Consultancy

02/08/2026
Today Successfully got C1 Tourist Visa of Indonesia one of our Client
29/07/2026

Today Successfully got C1 Tourist Visa of Indonesia one of our Client

থাইল্যান্ডের একদম দক্ষিণে, মালয়েশিয়া সীমান্তের কাছাকাছি আন্দামান সাগরে লুকিয়ে থাকা এক টুকরো স্বর্গের নাম কোহ লিপে (Koh L...
08/07/2026

থাইল্যান্ডের একদম দক্ষিণে, মালয়েশিয়া সীমান্তের কাছাকাছি আন্দামান সাগরে লুকিয়ে থাকা এক টুকরো স্বর্গের নাম কোহ লিপে (Koh Lipe)।
থাই ভাষায় একে ভালোবেসে মালদ্বীপের সাথে তুলনা করে বলা হয় "থাইল্যান্ডের মালদ্বীপ"। আপনি যদি ফুকেটের কোলাহল বা পাতং চড়া মিউজিক থেকে দূরে গিয়ে কাঁচের মতো স্বচ্ছ নীল পানি আর ধবধবে সাদা বালুর সৈকতে হারিয়ে যেতে চান, তবে কোহ লিপে আপনার জন্য পারফেক্ট জায়গা।

একদম সহজ ভাষায় এই চমৎকার দ্বীপটির একটি বাস্তব গাইডলাইন নিচে দেওয়া হলো:

🏝️ কোহ লিপের প্রধান ৩টি সৈকত (কোনটি কেমন ভাইব?)
এই পুরো দ্বীপটি এতই ছোট যে আপনি চাইলে হেঁটে হেঁটেই পুরোটা ঘুরে শেষ করতে পারবেন। এখানে মূলত ৩টি প্রধান সৈকত আছে:

পাতায়া বিচ (Pattaya Beach): দ্বীপের সবচেয়ে বড় ও প্রাণবন্ত সৈকত। আপনি যখন মেইনল্যান্ড থেকে স্পিডবোটে করে দ্বীপে নামবেন, এই সৈকতটাই আপনাকে প্রথম স্বাগত জানাবে। এখানে নরম বালু, চমৎকার সব রিসোর্ট আর রাতে বিচ-বারগুলোতে ফায়ার শো (Fire Show) দেখার দারুণ ব্যবস্থা আছে।

সানরাইজ বিচ (Sunrise Beach): শান্ত স্বভাবের মানুষদের জন্য এটি সেরা। সকালবেলা ঘুম থেকে উঠে সমুদ্রের বুক চিরে সূর্য ওঠার দৃশ্য দেখার অনুভূতি ভাষায় প্রকাশ করার মতো না। এখানকার পানি কাঁচের চেয়েও স্বচ্ছ, আর একদম শান্ত।

সানসেট বিচ (Sunset Beach): এটি বেশ ছোট আর নিরিবিলি। বিকেলবেলা এখানে বসে ঠান্ডা কোনো ড্রিংকস হাতে নিয়ে দিগন্তে সূর্য ডুবে যাওয়া দেখার চেয়ে আরামদায়ক আর কিছু হতে পারে না।

🚶 ওয়াকিং স্ট্রিট: দ্বীপের প্রাণকেন্দ্র
বিকেলের পর যখন রোদ কমে আসে, দ্বীপের সব পর্যটক এসে জড়ো হয় 'ওয়াকিং স্ট্রিট' (Walking Street)-এ। পাতায়া বিচ আর সানরাইজ বিচকে জোড়া দেওয়া এই সরু গলিটি চমৎকার সব লোকাল সি-ফুড রেস্তোরাঁ, ক্যাফে, ম্যাসাজ শপ আর স্যুভেনির দোকানে জমজমাট থাকে। এখানকার তাজা মাছ বারবিকিউ করে খাওয়ার স্বাদ মুখে লেগে থাকার মতো।
🐠 পানির নিচের এক অন্য জগৎ (স্নরকেলিং)
কোহ লিপের আসল সৌন্দর্য কিন্তু মাটির ওপরে নয়, পানির নিচে। এটি তারুতাও ন্যাশনাল মেরিন পার্ক-এর অংশ হওয়ায় এখানকার প্রবাল প্রাচীর (Coral Reefs) থাইল্যান্ডের মধ্যে অন্যতম সেরা ও সুরক্ষিত। একটা ডে-ট্রিপের বোট ভাড়া করে চলে যেতে পারেন আশেপাশের ছোট দ্বীপে। স্নরকেলিং করার সময় মনে হবে আপনি কোনো রঙিন অ্যাকোডিয়ামের ভেতরে সাঁতার কাটছেন—চোখের সামনে ঘুরে বেড়াবে নিমো ফিশ, কচ্ছপ আর নানা রঙের অদ্ভুত সব সামুদ্রিক জীব।
⛴️ কীভাবে যাবেন? (একটু দুর্গম, কিন্তু মূল্যবান)
কোহ লিপে পৌঁছানো ফুকেটের মতো সহজ নয়, আর ঠিক এই কারণেই দ্বীপটির সৌন্দর্য এখনও এত আদিম রয়ে গেছে।

সেরা উপায়: ব্যাংকক থেকে ফ্লাইটে প্রথমে হ্যাট ইয়াই (Hat Yai) এয়ারপোর্টে নামতে হয়। সেখান থেকে গাড়িতে প্রায় ২ ঘণ্টা গিয়ে পৌঁছাতে হয় পাকবারা পিয়ার (Pakbara Pier)। এই পিয়ার থেকে স্পিডবোটে করে আরও ১.৫ থেকে ২ ঘণ্টা সমুদ্র পাড়ি দিলেই দেখা মিলবে কোহ লিপের পান্না সবুজ পানির।

বিকল্প উপায়: লংকাউই (মালয়েশিয়া) থেকেও সরাসরি ফেরিতে করে এখানে আসা যায় (খুবই কাছাকাছি)। তবে বাংলাদেশীরা আসতে পারে কিনা আমি শিউর না। যদি কারো অভিজ্ঞতা থাকে মন্তব্যে জানাবেন।

💡 কিছু প্র্যাক্টিক্যাল টিপস (যা আগে জানা দরকার)


জুতা ছাড়া ঘোরার আনন্দ: এই দ্বীপে কোনো বড় গাড়ি নেই, শুধু কিছু মোটরবাইক ট্যাক্সি আছে। পুরো দ্বীপে আপনি খালি পায়ে বা শুধু একটা স্যান্ডেল পরেই পুরো ছুটি কাটিয়ে দিতে পারবেন।

প্লাস্টিক নিয়ে সতর্কতা: পরিবেশ রক্ষায় দ্বীপে প্লাস্টিক ব্যাগ বা বোতল ব্যবহারের ওপর কড়া নজরদারি থাকে।

আপনি কি কোনো বিশেষ ছুটির দিন কাটানোর জন্য কোহ লিপেকে বেছে নিচ্ছেন? Akerio আপনাকে একটি আনন্দদায়াক ভ্রমন প্লান করতে সহযোগিতা করতে পারবে। আরও বিস্তারিত জানতে পেইজে ইনবক্স করুন।

আপনি থাইল্যান্ডের কোন টুরিস্ট স্পট টি নিয়ে লেখা চান মন্ত্যবে জানাবেন। আমি চেস্টা করব বিস্তারিত তুলে ধরতে।

06/07/2026

চীনের চিজিয়াং (Zhejiang) প্রদেশে অবস্থিত ইইউ (Yiwu) শহরটি আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের জন্য এক বিস্ময়। এটি সাংহাই থেকে দক্ষিণ-পশ্চিমে প্রায় ৩০০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত (বুলেট ট্রেন বা হাই-স্পিড ট্রেনে সাংহাই থেকে এখানে আসতে মাত্র ১.৫ থেকে ২ ঘন্টা সময় লাগে)।

সহজ কথায়, ক্যান্টন ফেয়ারে যেখানে বড় বড় ইন্ডাস্ট্রিয়াল বা লাক্সারি প্রোডাক্ট বেশি ফোকাস করা হয়, ইইউ হলো প্রতিদিনের ব্যবহার্য ছোটখাটো সব পণ্যের বৈশ্বিক রাজধানী। জাতিসংঘের রিপোর্ট অনুযায়ী, এটি বিশ্বের বৃহত্তম পাইকারি বাজার।

এই শহরের মূল জেম এবং আপনার সোর্সিংয়ের জন্য যা যা জানা জরুরি, তা নিচে ডিটেইলসে দেওয়া হলো:

১. ওয়াইউ ইন্টারন্যাশনাল ট্রেড সিটি (Yiwu International Trade City / Futian Market):
এটিই ইইউ-এর মূল প্রাণকেন্দ্র, যা স্থানীয়ভাবে ফুটিয়ান মার্কেট নামে পরিচিত। এটি বিশাল ৫টি ডিস্ট্রিক্ট বা জোনে বিভক্ত এবং এর আয়তন এতটাই বড় যে আপনি যদি প্রতিটি স্টলে মাত্র ১ মিনিট করেও সময় দেন, তবে পুরো মার্কেট শেষ করতে আপনার প্রায় ১ বছরের বেশি সময় লাগবে!

-ডিস্ট্রিক্ট ১ (District 1): খেলনা (Toys), কৃত্রিম ফুল ও গাছপালা, জুয়েলারি এবং হেয়ার এক্সেসরিজ।

-ডিস্ট্রিক্ট ২ (District 2): ব্যাগ ও লাগেজ, ছাতা, ঘড়ি, ইলেকট্রনিক্স ও গ্যাজেট, হার্ডওয়্যার টুলস এবং কিচেন অ্যাপ্লায়েন্স।

-ডিস্ট্রিক্ট ৩ (District 3): কসমেটিকস ও বিউটি প্রোডাক্ট, পেন, খাতা ও স্টেশনারি আইটেম, চশমা (Eyewear) এবং জিপার-বোতামের মতো গার্মেন্টস এক্সেসরিজ।

-ডিস্ট্রিক্ট ৪ (District 4): মোজা, আন্ডারগার্মেন্টস, গ্লাভস, টুপি, বেল্ট, সুতা এবং সব ধরনের টেক্সটাইল ও হোসিয়ারি আইটেম।

-ডিস্ট্রিক্ট ৫ (District 5): আমদানিকৃত পণ্য (Imported Goods), বেডিং আইটেম, পর্দার কাপড়, অটো পার্টস এবং কার এক্সেসরিজ।

২. ছোট ব্যবসায়ীদের জন্য ইইউ কেন সেরা? (The Biggest Advantages):

-কম MOQ (Minimum Order Quantity): ক্যান্টন ফেয়ার বা আলিবাবাতে অনেক সময় ১টি প্রোডাক্ট হাজার হাজার পিস অর্ডার করতে হয়। কিন্তু ইইউ-তে আপনি চাইলে মাত্র ১ কার্টন (যেমন: ৬০ বা ১২০ পিস) পণ্যও পাইকারি দামে কিনতে পারবেন। ফলে কম পুঁজিতে অনেক বেশি ভ্যারাইটির ব্যবসা করা যায়।

-সরাসরি স্টক পণ্য: এখানকার সাপ্লায়ারদের কাছে প্রায় সব পণ্যেরই রেডি স্টক থাকে। অর্ডারের পর ম্যানুফ্যাকচারিংয়ের জন্য মাসের পর মাস অপেক্ষা করতে হয় না।

-এক ছাদের নিচে সব: গুয়াংজুতে একেকটা প্রোডাক্টের জন্য একেকটা আলাদা মার্কেটে যেতে হয়। কিন্তু ইইউ-তে আপনি একই ছাদের নিচে সব পেয়ে যাবেন, যা যাতায়াত খরচ ও সময় বাঁচায়।

৩. কীভাবে কাজ করে এবং কীভাবে যাবেন?

-কখন যাবেন: এই মার্কেটটি ক্যান্টন ফেয়ারের মতো সাময়িক কোনো মেলা নয়। এটি বছরের ৩৬৫ দিনই খোলা থাকে (শুধুমাত্র চাইনিজ নিউ ইয়ারের সময় ১৫-২০ দিন বন্ধ থাকে)। তাই আপনার সুবিধাজনক যেকোনো সময় যেতে পারেন।

-কমিউনিকেশন ও এজেন্ট: ইইউ-তে বেশিরভাগ ছোট দোকানদার ইংরেজি বলতে পারেন না। তাই সেখানে সোর্সিং করতে গেলে একজন লোকাল চাইনিজ ট্রান্সলেটর বা 'সোর্সিং এজেন্ট' সাথে নেওয়া ভালো। তারা দরদাম করতে, কোয়ালিটি চেক করতে এবং গুদাম থেকে বাংলাদেশে শিপমেন্টের কন্টেইনার রেডি করতে সাহায্য করে।

-যাতায়াত: আপনি বাংলাদেশ থেকে সরাসরি সাংহাই চলে যেতে পারেন, সেখান থেকে বুলেট ট্রেনে ইইউ। অথবা গুয়াংজু হয়ে ডোমেস্টিক ফ্লাইট বা ট্রেনেও ইইউ পৌঁছানো সম্ভব।

বাংলাদেশি ই-কমার্স ব্যবসায়ী, ফেসবুক পেজ ওনার কিংবা চকবাজারের হোলসেলারদের সিংহভাগ কসমেটিকস, খেলনা আর গ্যাজেট কিন্তু সরাসরি এই ইইউ মার্কেট থেকেই সোর্সিং হয়ে আসে।

🚀 চায়না ট্যুর বা বিজনেস সোর্সিংয়ে গাইডলাইন খুঁজছেন?

প্রথমবার চীন ভ্রমণ কিংবা সরাসরি ইইউ (Yiwu) ও গুয়াংজুর পাইকারি মার্কেটগুলো থেকে সোর্সিং করার প্ল্যান থাকলে সব ধরনের লজিস্টিক সাপোর্ট দিতে প্রস্তুত Fly Over BD। আপনার চায়না বিজনেস প্যাকেজ, এয়ার টিকিট বুকিং, হোটেল রিজার্ভেশন কিংবা ভিসা প্রসেসিং সংক্রান্ত যেকোনো প্রয়োজনে বা পরামর্শের জন্য আজই যোগাযোগ করুন আমাদের সাথে।

02/07/2026

একটা বিষয় খেয়াল করেছেন?

অনেকেই মনে করেন, হালাল মানেই শুধু মাংস।

আসলে এটি বিশ্বের সবচেয়ে বড় এবং দ্রুত বর্ধনশীল ভোক্তা বাজারগুলোর একটি।

এটি শুধু খাবার নয়।

এটি পর্যটন।

এটি কসমেটিকস।

এটি ওষুধ।

এটি ফ্যাশন।

এটি ব্যাংকিং।

এটি হোটেল।

এটি এয়ারলাইন।

এটি ই-কমার্স।

অর্থাৎ একটি পূর্ণাঙ্গ অর্থনৈতিক ব্যবস্থা।

আজ পৃথিবীতে প্রায় ২০০ কোটিরও বেশি মুসলিম রয়েছে। এই বিশাল জনগোষ্ঠীর চাহিদাকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছে বহু ট্রিলিয়ন ডলারের বৈশ্বিক হালাল অর্থনীতি। যে দেশ এই বাজারকে গুরুত্ব দিচ্ছে, সেই দেশ বিনিয়োগ, রপ্তানি এবং পর্যটনে এগিয়ে যাচ্ছে।

এর সবচেয়ে বড় উদাহরণগুলোর একটি হলো ইন্দোনেশিয়া।

অনেকেই শুধু বালির নাম জানেন। কিন্তু বাস্তবে ইন্দোনেশিয়া গত এক দশকে হালাল ইকোনমি গড়ে তোলার জন্য ধারাবাহিকভাবে কাজ করেছে।

হালাল পর্যটনে বিশ্বের সেরাদের মধ্যে

২০২৬ সালের Global Muslim Travel Index অনুযায়ী, মালয়েশিয়া প্রথম হলেও ইন্দোনেশিয়া যৌথভাবে দ্বিতীয় স্থান অর্জন করেছে।

এটা কাকতালীয় নয়।

সরকার, বেসরকারি খাত এবং পর্যটন শিল্প একসঙ্গে এমন একটি পরিবেশ তৈরি করেছে যেখানে একজন মুসলিম পর্যটক খুব সহজেই নিজের ধর্মীয় অনুশীলন বজায় রেখে ভ্রমণ করতে পারেন।

আপনি যদি জাকার্তা, যোগ্যাকার্তা, লোম্বক, আচেহ বা পশ্চিম সুমাত্রায় যান, দেখবেন:

✔ হালাল রেস্টুরেন্ট সহজেই পাওয়া যায়।

✔ প্রায় প্রতিটি বড় শপিং মলেই নামাজের জায়গা (মুশোলা) রয়েছে।

✔ বিমানবন্দর, অফিস, বিশ্ববিদ্যালয়, এমনকি অনেক পর্যটন এলাকাতেও নামাজের ব্যবস্থা রয়েছে।

✔ অনেক হোটেলে কিবলার দিক নির্দেশনা, নামাজের জায়নামাজ এবং হালাল খাবারের ব্যবস্থা থাকে।

✔ রমজান ও ঈদকে কেন্দ্র করে বিশেষ পর্যটন প্যাকেজও চালু করা হয়।

হালাল কসমেটিকসে ইন্দোনেশিয়ার বিশ্বসাফল্য

অনেকেই জানেন না, ইন্দোনেশিয়ার কয়েকটি কসমেটিক ব্র্যান্ড শুধু দেশেই নয়, আন্তর্জাতিক বাজারেও জনপ্রিয়।

এর মধ্যে রয়েছে:

* Wardah
* Make Over
* Emina
* Kahf

বিশেষ করে Wardah বিশ্বের অন্যতম পরিচিত হালাল কসমেটিকস ব্র্যান্ড হিসেবে পরিচিত। শুধু ইন্দোনেশিয়াতেই নয়, মালয়েশিয়া, ব্রুনেই, সিঙ্গাপুর এবং মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন বাজারেও তাদের পণ্য বিক্রি হয়।

আজ অনেক আন্তর্জাতিক ক্রেতা “Halal Certified Cosmetics” খুঁজেই পণ্য কেনেন।

হালাল খাবারে বিশাল শিল্প

ইন্দোনেশিয়ার জনপ্রিয় খাবারের মধ্যে রয়েছে:

* Rendang
* Sate
* Nasi Goreng
* Soto Ayam
* Bakso
* Gado-Gado

এসব খাবারের বিশাল অংশই হালাল মান বজায় রেখে পরিবেশন করা হয় এবং দেশজুড়ে হালাল সার্টিফিকেশন ব্যবস্থা ক্রমশ শক্তিশালী হয়েছে।

বিশ্বের সবচেয়ে বড় হালাল সার্টিফিকেশন বাজারগুলোর একটি

ইন্দোনেশিয়ায় এখন খাদ্য, পানীয়, কসমেটিকস, ওষুধ এবং বিভিন্ন ভোক্তা পণ্যের জন্য হালাল সার্টিফিকেশন দ্রুত সম্প্রসারিত হয়েছে।

শুধু দেশীয় বাজারের জন্য নয়, আন্তর্জাতিক রপ্তানির জন্যও এটি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

ইসলামিক ফ্যাশনেও এগিয়ে

হিজাব, মুসলিম পোশাক এবং মডেস্ট ফ্যাশনে ইন্দোনেশিয়া বিশ্বের অন্যতম বড় বাজার।

প্রতি বছর জাকার্তায় আন্তর্জাতিক মানের মুসলিম ফ্যাশন প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে বিভিন্ন দেশের ক্রেতা অংশ নেন।

ইসলামিক ব্যাংকিং

ইন্দোনেশিয়ায় শরিয়াহভিত্তিক ব্যাংকিং দ্রুত সম্প্রসারিত হয়েছে।

দেশটির বড় বড় ব্যাংকের শরিয়াহ বিভাগ রয়েছে এবং ইসলামিক ফাইন্যান্সকে ভবিষ্যৎ অর্থনীতির একটি গুরুত্বপূর্ণ খাত হিসেবে দেখা হয়।

তাহলে বাংলাদেশ?

বাংলাদেশের জনসংখ্যার প্রায় ৯০ শতাংশই মুসলিম।

আমাদের রয়েছে:

• বিশ্বমানের তৈরি পোশাক শিল্প।

• আন্তর্জাতিক মানের ওষুধ শিল্প।

• চামড়া ও জুতা শিল্প।

• কৃষিপণ্য।

• সামুদ্রিক খাদ্য।

• প্রাকৃতিক পর্যটন।

• বিশ্বের দীর্ঘতম প্রাকৃতিক সমুদ্রসৈকত।

• সুন্দরবনের মতো বিশ্ব ঐতিহ্য।

অর্থাৎ সম্ভাবনার অভাব নেই।

যার অভাব, তা হলো দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা, আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ডিং এবং বৈশ্বিক হালাল বাজারকে লক্ষ্য করে কৌশলগত বিনিয়োগ।

আজ ইন্দোনেশিয়া শুধু মুসলিম দেশ বলেই এগিয়ে যায়নি।

তারা হালালকে একটি অর্থনৈতিক কৌশলে পরিণত করেছে।

তারা বুঝেছে, একজন মুসলিম পর্যটক শুধু একটি হোটেল বুক করেন না। তিনি বিমানে ওঠেন, হোটেলে থাকেন, রেস্টুরেন্টে খান, প্রসাধনী কেনেন, স্থানীয় পণ্য কেনেন, পরিবহন ব্যবহার করেন। অর্থাৎ একজন পর্যটকের ব্যয় পুরো অর্থনীতিতে ছড়িয়ে পড়ে।

এটাই হালাল ইন্ডাস্ট্রির আসল শক্তি।

প্রশ্ন হলো, বাংলাদেশ কি এখনই এই বৈশ্বিক বাজারে নিজেদের শক্ত অবস্থান তৈরি করার পরিকল্পনা করবে, নাকি আমরা শুধু দেখেই যাব অন্য দেশগুলো কীভাবে এই খাত থেকে প্রতি বছর বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার আয় করছে?

27/06/2026

*🚨 ইন্ডিয়ান ভিসা নতুন নিয়ম ২০২৬: নিজের নাম্বার ছাড়া আবেদন বাতিল! দালালের দিন শেষ 🚨*
*📅 গুরুত্বপূর্ণ আপডেট: ১৯ জুন, ২০২৬*
সম্মানিত আবেদনকারী ভাই-বোন, ইন্ডিয়ান ভিসা আবেদনে *বড় পরিবর্তন* এসেছে। IVAC এখন থেকে *নিজের মোবাইল + ই-মেইল* ছাড়া কোনো ফাইল জমা নেবে না। দালাল বা এজেন্টের নাম্বার দিয়ে স্লট বুক করার দিন শেষ।

# # # *🔥 ৩টা নতুন নিয়ম যা এখনই জানতে হবে:*

*১. নিজের নাম্বার, নিজের ই-মেইল বাধ্যতামূলক*
ভিসা ফরম পূরণ থেকে শুরু করে স্লট বুকিং — সবখানে *আবেদনকারীর নিজস্ব মোবাইল নম্বর ও ই-মেইল* ব্যবহার করতে হবে। বাবা, ভাই, এজেন্ট বা দোকানের নাম্বার দিলে ফাইল সরাসরি বাতিল।

*২. এক নাম্বার, এক ই-মেইল = একটাই স্লট*
যে নাম্বার ও ই-মেইল দিয়ে রেজিস্ট্রেশন করবেন, *সেটা দিয়েই স্লট কনফার্ম* করতে হবে। পরে ফাইল এডিট করে অন্য নাম্বার বসিয়ে স্লট নেওয়ার সুযোগ নাই। সিস্টেম ধরেই ফেলবে।

*৩. নিয়ম না মানলে ফাইল জমাই নিবে না*
এই নির্দেশনা *আগামীকাল থেকেই কঠোরভাবে কার্যকর*। ভুল নাম্বার দিলে IVAC কাউন্টার থেকেই ফাইল ফেরত দিয়ে দেবে। সময়, টাকা দুইটাই নষ্ট।

# # # *❗ কেন এই কড়াকড়ি? আপনার লাভ কী?*

*১. দালাল সিন্ডিকেট বন্ধ:* এতদিন এজেন্টরা এক নাম্বার দিয়ে ১০০টা ফাইল বুক করে স্লট ব্লক করে রাখতো। এখন সেটা বন্ধ। *আসল আবেদনকারী স্লট পাবে*।

*২. OTP আপনার ফোনে:* ভিসা স্ট্যাটাস, অ্যাপয়েন্টমেন্ট, সব আপডেট *সরাসরি আপনার মোবাইলে* আসবে। কারো হাতে জিম্মি থাকতে হবে না।

*৩. প্রতারণা কমবে:* “স্লট দিছি, ৫ হাজার দেন” — এই ধান্দা বন্ধ। নিজের কাজ নিজে করবেন, *বাড়তি টাকা বাঁচবে*।

# # # *✅ আপনার করণীয়: ৪টা স্টেপে সেফ থাকুন*

*স্টেপ ১:* একটা *পার্মানেন্ট জিমেইল* খুলুন। নামটা প্রফেশনাল রাখুন: `[email protected]`
*স্টেপ ২:* *নিজের NID দিয়ে রেজিস্টার করা সিম* ব্যবহার করুন। বন্ধ সিম বা অন্যের নামে সিম না।
*স্টেপ ৩:* IVAC এর *অফিসিয়াল ওয়েবসাইট* `indianvisaonline.gov.in` ছাড়া কোথাও ফরম পূরণ করবেন না।
*স্টেপ ৪:* স্লট বুকের পর *OTP, অ্যাপয়েন্টমেন্ট মেইল* স্ক্রিনশট নিয়ে রাখুন।

*🙋 কমেন্টে জানান:* ইন্ডিয়ান ভিসার স্লট পেতে আগে কত টাকা ঘুষ দিছেন? নতুন নিয়মে কি সুবিধা হবে মনে করেন?

*“INDIA VISA”* লিখে কমেন্ট করুন। *EURO ASIA* এর ইনবক্সে আমরা আপনাকে *ফ্রি ভিসা ফরম পূরণের চেকলিস্ট + IVAC এর নতুন নিয়মের PDF* পাঠিয়ে দেব।

*শেয়ার করুন* এই পোস্টটা। আপনার একটা শেয়ার আরেকজনের ১০ হাজার টাকা আর ২ মাস সময় বাঁচায় দিতে পারে।

Europe Of Dream'sツ
আমরা দালালের বিরুদ্ধে, আপনার পক্ষে। ভিসা হবে বৈধ পথে, খরচ হবে সরকারি ফি তে।

#ইন্ডিয়ান_ভিসা #ভিসা_আপডেট #দাল_বিরোধী #প্রবাস_সংবাদ #ভিসা_তথ্য #ভারত_ভ্রমণ

25/06/2026

অবশেষে সুখবর এলো! এখন থেকে ভারতীয় ভিসার জন্য আপনি আবেদন করতে পারবেন যেটা দীর্ঘদিন বন্ধ ছিল এবং আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হবে এই মাসের ২৮ জুন থেকে। সম্প্রতি দেশের শীর্ষস্থানীয় বেশ কিছু গণমাধ্যমের খবরে এমনটা জানা গেছে।

04/05/2026

🇮🇩 Indonesia Visa নিয়ে চিন্তিত?
এখনই যোগাযোগ করুন আমাদের সাথে!

✈️ C1 Tourist Visa & 💼 D2 Business Visa
এখন খুব সহজ প্রক্রিয়ায় করা যাচ্ছে আমাদের মাধ্যমে.

💼 D2 Business Visa (Multiple Entry – 1 Year)
যারা নিয়মিত Indonesia–Bangladesh business travel করেন, তাদের জন্য এটি সবচেয়ে সুবিধাজনক ভিসা।
এখন সহজ প্রক্রিয়ায় আবেদন করা যাচ্ছে।

🔹 ১ বছরের ভ্যালিডিটি
🔹 প্রতি ভিজিটে ৬০ দিন থাকা যাবে
🔹 ৫–৭ Working Days Processing

✔️ Multiple Entry সুবিধা
✔️ Business Meeting / Company Visit / Market Survey
✔️ No Hassle, Fast Process
✔️ Official E-Visa,

🌴 C1 Tourist Visa (Single Entry – 60 Days)
যারা Indonesia ভ্রমণে আসতে চান তাদের জন্য সুখবর!

🔹 Stay: সর্বোচ্চ ৬০ দিন
🔹 Processing: ৫–৭ Working Days

✔️ Travel / Tour / Family Visit
✔️ Easy & Fast Processing
✔️ Official E-Visa
✔️ Smooth Entry

✅ No Visa, No Fee
📩 Inbox / WhatsApp Now to Apply

🏢 A To Z Tour
📍 Uttara, Dhaka
📱 WhatsApp: +88 01787793450
📧 Email: [email protected]

Address

Topkhana Road
Dhaka
1000

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when A to Z Tour & Consultancy posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

Category