দাগনভূঞা ট্যুরিজম

দাগনভূঞা ট্যুরিজম Travel makes one modest. You see what a tiny place you occupy in the world.

News/ Sports/ Life Style | Health | Fashion & Beauty | Food & Drink | Shop | Homes & Gardens | Mother & Children | Wife & husband...

24/02/2024

Krung Thep Mahanakhon Amon Rattanakosin Mahinthara Ayuthaya Mahadilok Phop Noppharat Ratchathani Burirom Udomratchaniwet Mahasathan Amon Piman Awatan Sathit Sakkathattiya Witsanukam Prasit.

The Full name of Bangkok is recognized by Guinness World Record as the most longest name of the place..

সিকিম গ্যাংটক লাচুং ইয়ামথাং ভ্যালী ছাঙ্গু লেক ভ্রমণে বৃত্ত!
06/11/2019

সিকিম গ্যাংটক লাচুং ইয়ামথাং ভ্যালী ছাঙ্গু লেক ভ্রমণে বৃত্ত!

ঘুরে আসুন উত্তর সিকিমের ছোট্ট পাহাড়ি গ্রাম লাচুং থেকে
06/11/2019

ঘুরে আসুন উত্তর সিকিমের ছোট্ট পাহাড়ি গ্রাম লাচুং থেকে

ঘুরে আসুন উত্তর সিকিমের ছোট্ট পাহাড়ি গ্রাম লাচুং থেকে


ছোট্ট পাহাড়ি গ্রাম লাচুং উত্তর সিকিমের ৯৬০০ ফুট উঁচুতে অবস্থিত। এই জায়গাটি আপনার ভ্রমণের ঠিকানা হতে পারে দু’দিনের জন্য। যারা নির্জন জায়গা ভালোবাসের তাঁদের অল্প সময়েই প্রিয় হয়ে উঠবে লাচুং। সবুজের কোলে ছবির মতো ভেসে আছে এই পাহাড়ি গ্রামটি।

পাহাড়ের মধ্যে সাজানো ধুপীগাছের সারি। এখানে এলোমেলো ঘুরে বেড়ালে মনে আসবে প্রশান্তি। রয়েছে নানা রকমের রডোডেনড্রন। লাচেন নদী এবং লাচুং নদী দেখার মতো। এই দুই নদী তিস্তা নদীতে গিয়ে মিশেছে। রাজধানী গ্যাংটক থেকে এর দূরত্ব প্রায় ১২৫ কিলোমিটার। এখানে নেপালি, ভুটিয়া এবং লেপচা ভাষার চল বেশি।

লাচুং শব্দের অর্থ ‘ছোট গমনোপযোগী অঞ্চল’। রয়েছে একটি মনাস্ট্রি। কয়েক জন লামা থাকেন এখানে। লাচুঙে আছে একটি কার্পেট বুনন কেন্দ্র। লাচুং থেকে সহজেই যাওয়া যায় ইয়ুমথাং ভ্যালিতে। এখানে কাটানো প্রতিটা মুহূর্ত আপনার সারাজীবন মনে থাকবে। এই উপত্যকা শীতের সময় বরফে ঢেকে যায়। সেই সময় ইয়ুমথাং হয়ে ওঠে পর্যটনপ্রিয় বাঙালির মুক্ত বিচরণভূমি।

প্রচন্ড ঠান্ডার কারণে পর্যটকদের সতর্ক থাকা উচিৎ। পশমের পোশাক সব সময় গায়ে চাপানো থাকলে ঠান্ডা লাগার সম্ভাবনা কম। সারাবিশ্বের পর্যটক অক্টোবর থেকে মে মাস পর্যন্ত এখানে ঘুরতে আসেন। এই সময়টুকুই লাচুং ভ্রমণের পিক টাইম। মূলত ইয়ামথাং ভ্যালি, লাচুং মনাস্টেরি দেখার পথেই তাঁরা লাচুং আসেন। লাচুংয়ের অধিকাংশ অধিবাসীই লেপচা এবং তিব্বতীয়।

উত্তর সিকিমে যেতে হলে গ্যাংটক থেকে অনুমুতি নিতে হয় পর্যটকদের। ভারতীয়দের ক্ষেত্রে পরিচয়প্তের জেরক্স এবং দু’কপি ছবি দিয়ে আবেদন করতে হয়। সব ঠিক থাকলে অনুমতি পেয়ে অসুবিধে হয় না। ১৮৫৫ সালে বিখ্যাত ভ্রমণিক জোসেফ ডালটন হুকার দ্য হিমালয়ান জার্নালে লাচুংকে সিকিমের ‘ছবির মতো গ্রাম’ হিসেবে আখ্যা দেন। লাচুঙের কাছে ফুনিতে স্কিইং করার ব্যবস্থা আছে।

https://www.facebook.com/events/2475292556035461

সিকিমে যে ৫টি জায়গায় অবশ্যই যাবেন
28/10/2019

সিকিমে যে ৫টি জায়গায় অবশ্যই যাবেন

আমিরাতের ভিসা পেতে টাকা লাগবে না কিশোর-কিশোরীদের
22/10/2019

আমিরাতের ভিসা পেতে টাকা লাগবে না কিশোর-কিশোরীদের

আমিরাতের ভিসা পেতে টাকা লাগবে না কিশোর-কিশোরীদের

কিশোর পর্যটকদের সুখবর দিল আরব আমিরাত। দেশটির সরকার ১৮ বছরের কম বয়সী কিশোরদের জন্য বিনামূলো ভিসা দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন। আগামী ১৫ জুলাই থেকে এর কার্যক্রম শুরু হবে।

মধ্যপ্রাচ্যের সংবাদমাধ্যম খালিজ টাইমসের খবরে বলা হয়েছে, ১৮ বছরের কম বয়সী কিশোররা সংযুক্ত আরব আমিরাতের বিনামূল্যে পর্যটক ভিসা পাচ্ছেন। মধ্যপ্রাচ্যের এই দেশটির সরকার পর্যটক টানতে নতুন এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে। বাবা-মায়ের সাথে আমিরাত ঘুরতে যাওয়ার জন্য কিশোররা এখন থেকে বিনামূল্যের এই ভিসা পাবেন।

বুধবার আমিরাতের ফেডারেল অথরিটি আইডেন্টিটি অ্যান্ড সিটিজেনশিপ বিভাগ এ তথ্য জানিয়েছে। এর আগে গত বছরের জুলাইয়ে দেশটির মন্ত্রিসভার বৈঠকে কিশোরদের বিনামূল্যে ভিসা দেয়ার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। ১৮ বছরের নিচের কিশোররা এই ভিসা পাবেন মূলত প্রত্যেক বছরের ১৫ জুলাই থেকে ১৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত।

তবে বিনামূল্যে এই ভিসা পাওয়ার ক্ষেত্রে শর্ত জুড়ে দিয়েছে আমিরাত কর্তৃপক্ষ। তারা বলছে, ভিসা পাওয়ার জন্য ১৮ বছরের নিচের কিশোরদের সঙ্গে তাদের বাবা-মায়ের যে কোনো একজনকে থাকতে হবে। আর এজন্য বাবা অথবা মায়ের জন্য পর্যটক ভিসা, স্বল্প কিংবা দীর্ঘমেয়াদের ভিসা দরকার হবে।

এই ভিসা ফি মওকুফের মাধ্যমে পর্যটকরা লাভবান হয়ে আরো বেশি পর্যটককে আমিরাতে যেতে উদ্বুদ্ধ করবেন বলে আশা প্রকাশ করেছে কর্তৃপক্ষ। পররাষ্ট্র কল্যাণ ও বন্দর কর্তৃপক্ষের মহাপরিচালক মেজর জেনারেল সায়িদ রাকান রশীদি বলেছেন, স্মার্ট অ্যাপের মাধ্যমে পর্যটকরা এই ভিসার জন্য আবেদন করতে পারবেন। আমিরাতের এই ওয়েবসাইটের মাধ্যমেও (www.ica.gov.ae) ভিসার জন্য আবেদন করা যাবে।

সম্পদ নয়, ভ্রমণেই প্রকৃত সুখ!
22/10/2019

সম্পদ নয়, ভ্রমণেই প্রকৃত সুখ!

পর্যটন খাতে ৫ ধাপ এগিয়ে বাংলাদেশ
19/10/2019

পর্যটন খাতে ৫ ধাপ এগিয়ে বাংলাদেশ

ফ্রি ভিসা চালু করছে শ্রীলংকা
01/08/2019

ফ্রি ভিসা চালু করছে শ্রীলংকা

ফ্রি ভিসা চালু করছে শ্রীলংকা

পর্যটকদের জন্য বিনামূল্যে ‘অন অ্যারাইভাল’ বা ফ্রি ভিসা (বিমানবন্দর নামার পর ভিসা) চালু করছে শ্রীলংকা। ৫০টি দেশের নাগরিকরা এই ফ্রি ভিসার সুযোগ পাবেন বলে মঙ্গলবার সরকারি একটি নথিতে জানানো হয়েছে।

এর মধ্যে বাংলাদেশও আছে। চলতি বছর ইস্টার সানডের উৎসবকালে দেশটিতে ভয়াবহ সিরিজ বোমা হামলার ঘটনার পর পর্যটকদের সংখ্যা অনেক কমে গেছে।
পর্যটকদের টানতেই এমন উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে। দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে ইতিমধ্যে অন অ্যারাইভাল ভিসা চালু রয়েছে ভুটান, নেপাল ও ইন্দোনেশিয়ায়। খবর এশিয়া টাইমসের।

গত ২১ এপ্রিল শ্রীলংকার বেশ কিছু বিলাসবহুল হোটেল এবং গির্জায় ভয়াবহ বোমা হামলা চালানো হয়। এতে ২৫০ জনের বেশি মানুষ নিহত হয়। এদের মধ্যে ৪২ জনই বিদেশি নাগরিক।

ওই হামলার পর বিভিন্ন দেশ থেকে শ্রীলংকায় পর্যটকদের সংখ্যা কমে গেছে। কারণ ওই হামলাকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন দেশ তাদের নাগরিকদের শ্রীলংকা ভ্রমণের ওপর সতর্কতা জারি করে। এতে দেশটির পর্যটন খাতে ধস নামে।

কাশ্মীর
31/07/2019

কাশ্মীর

কাশ্মীর

ভূ-স্বর্গ নামে পরিচিত কাশ্মীর। এর রূপে এমনই মুগ্ধ হয়েছিলেন মোঘল বাদশাহ জাহাঙ্গীরযে কাশ্মীরকে স্বর্গের সাথে তুলনা করেছেন। কাশ্মীরের রূপের কথা নতুন করে বলার কিছু নাই। ঘুরে বেড়াতে পছন্দ করে এমন সবারই মনে সুপ্ত বাসনা থাকে জীবনে একবার হলেও কাশ্মীর ঘুরে আসার। প্রতি বছরই দেশের অনেক ভ্রমণ পিপাসুরা এই স্বর্গরাজ্য কাশ্মীরে ছুটে যায় এর অপার সৌন্দর্যে মুগ্ধ হতে।

কাশ্মীরের দর্শনীয় স্থান
কাশ্মীরের পুরো শহরটাই যেন স্বর্গ রাজ্য, দিগন্ত জোড়া উঁচু উঁচু পাহাড়ের মাঝে দেখা মিলে সাদা বরফের খেলা।রাজ্যের ভিতরে রয়েছে দেখার মতো নানা জায়গা। আর শহরের একটু বাইরে অপেক্ষা করছে আরেক সৌন্দর্য। তারপরও পর্যটকদের সুবিধার জন্য কিছু উল্লেখযোগ্য স্থানের নাম নিচে দেওয়া হলঃ

শ্রীনগর : শ্রীনগরে প্রথমেই চোখে পড়বে পাহাড়ের চূড়ায় বরফের মতো সাদা তুষার কনা। এখানে আছে মোঘল গার্ডেন, টিউলিপ গার্ডেন, হযরত বাল মসজিদ, ডাল লেক ও নাগিন লেক। গাড়ি ভাড়া করে সারাদিনের জন্য শ্রীনগর শহর টা দেখলে ভালো লাগবে। আরডাল লেকের ভাসমান শহরও ভালো লাগার মতো।

গুলমার্গ : শ্রীনগর থেকে মাত্র ৫২ কিলো দূরে সবুজ ঘাসে বিস্তৃত গুলমার্গ, যা সারা বছরই বরফে ঢাকা থাকে। এখানে দেখতে পারবেন গন্ডোলা, গলফ কোর্স, বাবা ঋষির মাজার, আফারওয়াত পিক, সেন্ট ম্যারি চার্চ। ক্যাবল কার ছাড়াও প্যারাগ্লাইডিং এর মজা পাবেন গুলমার্গে।

পেহেলগাম : শ্রীনগর থেকে ৯৭ কিলো দূরে ট্যাক্সি করে যেতে পারবেন পেহেলগামে। জুলাই থেকে অক্টোবরের মাঝে গেলে এখানে দেখা মিলবে রাস্তার দুধারের আপেল বাগান। আছে দেখার মতো অনেক কিছু। একটু সময় নিয়ে ঘুরলে ভালো ভাবে দেখতে পারবেন সবকিছু, যেমনঃ লিদার নদী, বেতাব ভ্যালি, চান্দেরওয়ারি, আরু ভ্যালি, ধাবিয়ান, কাশ্মীর ভ্যালী পয়েন্ট, কানিমার্গ। ঘোড়ায় বসে ঘুরে বেড়াবার মজা পাবেন পেগেলহাম ভিউ পয়েন্টে। এখানের মিনি সুইজারল্যান্ড হিসেবে পরিচিত বাইসারানে যেতে ভুলবেন না।

সোনামার্গ : শ্রীনগর থেকে ৪২ কিলো দূরে সুন্দর উপত্যকা ও ঝর্ণার দেখা মিলবে সোনামার্গে। এখানে আছে থাজিয়ান হিমবাহ। এছাড়াও দেখা মিলবে সিন্ধু নদীর। আছে স্লেজিং, স্নো বাইক ও ঘোড়ায় চড়ার সুযোগ।

এছাড়াও কাশ্মীরে কিছু জায়গা রয়েছে যা শহর থেকে একটু দূরে, হয়তোবা অনেকেরই অজানা, তবে ভালো লাগার মতো। যেমন – মার্তণ্ড মন্দির শ্রীনগর থেকে ৬৪ কিলো দূরে অন্যরকম স্থাপত্যে গড়ে উঠা এক হিন্দু মন্দির। এখানে “হায়দার” ছবির একটা বিখ্যাত গানের শুটিং হয়। ছোট্ট একটি শহর কোকেরনাগ , রয়েছে মাছ ধরার ব্যবস্থা। ছটপলে রয়েছে আছে কাঠ বাদাম ও আপেল বাগানের সমাহার। আরও যেতে পারেন নুব্রা উপাতাক্য ও দুধপতরির মতো জায়গায়।

কখন যাবেন কাশ্মীর
রূপে অন্যান্য কাশ্মীর যেকোনো সময়ই ভ্রমণ পিপাসুদের ভালো লাগার মতো একটি জায়গা। তবে কিছু বিশেষ সময়ে কাশ্মীরের সৌন্দর্য বিশেষ ভাবে ধরা পড়ে সবার চোখে।

বাংলাদেশের গ্রীষ্মকাল সেই হিসেবে ইংরেজি বছরের এপ্রিল থেকে মে, এই সময়টাকে কাশ্মীরে যাওয়ার জন্য সবচেয়ে ভালো সময় বলা হয়। এই সময় ফুলে ভরা থাকে চারদিক, বিশেষ করে টিউলিপ ফুল।

বাংলাদেশের শরৎকাল সেই হিসেবে সেপ্টেম্বর থেকে অক্টোবরের সময়টাতে বরফ কিছুটা কম থাকে। তবে নানা ধরনের ফল পাওয়া যায় এই সময়ে। বিশেষ করে আপেল আর চীনা বাদামের দেখা মিলবে এই সময়।

আর শীতকাল হিসেবে, ডিসেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারি মাসে, কাশ্মীরে চারিদিকে শুধু বরফ আর বরফ,সাথে স্নোফল। আর তাই এই সময় কাশ্মীরে গেলে চারপাশের এক অদ্ভুত সুন্দর দৃশ্য চোখে পড়বে। তবে শীতকালে ভ্রমণের ক্ষেত্রে বাড়তি সাবধানতার প্রয়োজন আছে।

কিভাবে যাবেন কাশ্মীর
কাশ্মীর যেতে পারেন প্লেনে, ট্রেনে বা বাসে। বিমানে যাওয়ার ক্ষেত্রে ঢাকা থেকে প্রথমে দিল্লি যেতে হবে, তারপর সেখান থেকে শ্রীনগর। তারপর শ্রীনগর থেকে গাড়ি করে পৌঁছে যাবেন কাশ্মীর।

আবার, ট্রেনে যাবার ক্ষেত্রে প্রথমে ঢাকা থেকে কলকাতা যেতে হবে। কলকাতা যাবার জন্য আছে মৈত্রী এক্সপ্রেস। ট্রেনে কলকাতা নামতে হবে তারপর ওখান থেকে ৩৫-৩৬ ঘণ্টা সফর করে ‘জম্বু’ যেতে হবে। কলকাতা থেকে জম্বু যাওয়ার জন্য “হিমগিরি” ও “জম্বু তাওয়াই” নামের দুইটি ট্রেন আছে। সপ্তাহে তিনদিন ( মঙ্গল, শুক্র আর শনিবার) রাত ১১.৫০ মিনিটে কলকাতার হাওড়া থেকে জম্বুর উদ্দ্যেশে রওনা দেয় হিমগিরি ট্রেন। আর তাওয়াই প্রতিদিনই যাতায়াত করে হাওরা টু জম্বু, তবে সময় বেশি লাগে। সেই ক্ষেত্রে তাড়াহুড়া না থাকলে হিমগিরিতে যাওয়াই ভালো। তারপর জম্বু থেকে ৮-১০ ঘণ্টার সফর শেষে শ্রীনগর যেতে হবে। শ্রীনগর থেকে গাড়ি করে পৌঁছে যাবেন স্বপ্নের শহর কাশ্মীরে।

বাসের ক্ষেত্রেও প্রথমে গ্রিনলাইন, সোহাগ বা শ্যামলি পরিবহনে কলকাতা থেকে জম্বু গিয়ে ওখান থেকে শ্রীনগরে পৌঁছে গাড়ি করে কাশ্মীরে যেতে হবে। ইচ্ছা হলে কলকাতা থেকে জম্বু অথবা শ্রীনগরে “ডোমেস্টিক বিমানে” ও যেতে পারেন। তবে সেই ক্ষেত্রে ভাড়া একটু বেশি হবে।

কাশ্মীর ভ্রমণ খরচ
ট্রেনে কলকাতা থেকে জম্বু পর্যন্ত নন এসি স্লিপারের ভাড়া ২২০০-২৫০০ টাকা আর এসির ক্ষেত্রে ভাড়া ৩৩০০- ৩৫০০ টাকা। তবে ৬-৮ জনের দল মিলে কাশ্মীর গেলে খরচ কিছুটা কম পড়ে। সেইক্ষেত্রে জম্বু থেকে শ্রীনগর যাওয়ার জনপ্রতি ভাড়া ৬০০-৮০০ টাকা পড়বে।

বিমানের ক্ষেত্রে কলকাতা থেকে শ্রীনগর পর্যন্ত ভাড়া ১২-২০ হাজার।

বাসে গেলে জনপ্রতি খরচ পড়বে ১৮০০-২০০০ টাকা, ঢাকা থেকে কলকাতা যাওয়ার জন্য।তবে খরচ কমানোর আরও একটা উপায় আছে যদি সীমান্ত পেরিয়ে যাওয়া যায় কাশ্মীর। সীমান্ত পেরিয়ে লোকাল বাসে কলকাতায় গিয়ে সেখান থেকে জম্বু, শ্রীনগর ও তারপর কাশ্মীর।

তবে সব মিলিয়ে যদি থাকার আর যাতায়াতের খরচ একটু কমানো যায় তাহলে ৩০-৩২ হাজারের মধ্যে কাশ্মীর ঘুরে আসতে পারবেন আর শপিং একটু ভালো ভাবে করতে পারবেন।

কোথায় থাকবেন
কাশ্মীরে বেশকিছু হোটেল পাবেন থাকার জন্য। ভাড়া পড়বে ১০০০- ১৫০০ রুপির মধ্যে। শ্রীনগর ও জম্বুতেও আছে থাকার জন্য বেশ কিছু হোটেল, রিসোর্ট ও হাউজ বোট। এর মধ্যে হোটেল জামরুদ, হোটেল জাহাঙ্গীর, গ্র্যান্ড হোটেল উল্লেখযোগ্য। রুম হিসেবে ভাড়া ১২০০- ২৫০০ রুপির মধ্যে দুই জনের জন্য।

তবে ভালো টুরিস্ট এরিয়ায় যদি থাকতে চান তাহলে শ্রীনগরেরে ডাল লেকের পাশে রয়েছে বেশ কিছু হাউস বোট। যেমন-প্রিন্স অফ ভ্যালে, ইয়ং মর্নিং স্টার, নিউজিল্যান্ড হাউস বোট । তবে সেই ক্ষেত্রে খরচ অন্যান্য হোটেলের চেয়ে প্রায় দ্বিগুণ হবে। আবার, পেহেলগামের কটেজে থাকলে যদি নিজেরা বাজার করে দেওয়া হয় তাহলে খরচ কম পড়বে।

তবে এই ক্ষেত্রে অনলাইনে বুকিং না দিয়ে কাশ্মীর গিয়ে আপনার যে শহরে থাকতে ইচ্ছে হয় সেই হিসেবে হোটেল বুকিং দিলে ভালো।

কোথায় কি খাবেন
কাশ্মীর গিয়ে নানা ধরনের তাজা ফলের স্বাদ নিতে ভুল করবেন না। এছাড়াও কাশ্মীরের মাটন বিরিয়ানি বিখ্যাত। এখানকার ওজওয়ান (নানা ধরনের খাবারের এক প্লেটার), কাশ্মীরি কাবাব, মাটন রোগান জোশ, ভেড়ার মাংস, পনির চামান,আলুর দম, টক বেগুন,নাদরু ইয়াখনি বিখ্যাত। আর রফিক ক্যাফেটেরিয়ার কাবাব আর কুলফির স্বাদও মুখে লেগে থাকার মতো।

কেনাকাটা
জম্বুতে কম দামে প্রচুর ড্রাই ফ্রুইটস পাওয়া যায়।আর এখানকার জাফরানও বিশেষ ভাবে বিখ্যাত। এছাড়া কেনাকাটার জন্য জম্বুর রঘুনাথ টেম্পল বেশ পরিচিত। এখানে কাশ্মীরি যাবতীয় জিনিস পাবেন। তবে কাশ্মীরের পশমিনা শাল কেনার ক্ষেত্রে দাম যাচাই করে দেখবেন। কারন ভালো পশমিনা সালের দাম সর্বনিম্ন হলেও ৩০০০রুপি। তাই কম দাম বলে অনেকে নকল ও খারাপ জিনিস দিয়ে দিতে পারে। পেহেলগামে থেকে মেয়েদের নানা জুয়েলারি, ব্যাগ, কয়েন বক্স ও শো-পিস কিনতে পারেন। আর কাশ্মীরে গেলে পাবেন নানা মশলারখোঁজ যা রন্ধন প্রেমীদের নিঃসন্দেহে কাজে লাগবে।

কাশ্মীর ভ্রমণ টিপস
ট্র্যাভেল এজেন্সির মাধ্যমে ১-২মাস আগে বিমানের টিকেট কাটলে খরচ কম পড়বে।
শীতকালে কাশ্মীর যাওয়ার ক্ষেত্রে অবশ্যই শীতের প্রস্তুতি নিয়ে যেতে হবে।
কাশ্মীরে ট্রিপে একটু সময় নিয়ে যাওয়া ভালো। সেই ক্ষেত্রে ৫-৬ দিনের সময় নিয়ে গেলে কাশ্মীর ট্রিপটা সার্থক হবে।
কাশ্মীরের টুরিস্ট স্পট গুলোতে ভ্রমণের মজা বাড়ানোর নানা কথা বলে ওপ্রলোভন দেখিয়ে টাকা হাতিয়ে নেয় বেশ কিছু চাটুকার লোকজন। তাই নিজে ভালো ভাবে আগে যাচাই করে টাকা খরচ করবেন।
একটা ভালো বুদ্ধি হলো সীমান্ত পার হয়ে কলকাতা গিয়ে তারপর কাশ্মীর যাওয়া, তাতে কলকাতাও দেখা হবে ও খরচও কম হবে। আবার সাথে ফেরার পথে চাইলে লাদাখ ও ঘুরে আসতে পারেন।
অনলাইনে টাকা ও রুপির রেট জেনে টাকা রুপিতে এক্সচেঞ্জ করে নিবেন আগেই।
যেকোনো জিনিস কেনার আগে দামাদামি করবেন কারন কাশ্মীরে সবকিছুর দাম বাইরের পর্যটকদের কাছে একটু বেশি চাওয়া হয়।
কাশ্মীরের খাবারে মশলা বেশি থাকে তাই একটু বুঝে শুনে খাবেন।
এখানে সাধারনত রাত ৮ টার পর সব দোকানপাট বন্ধ হয়ে যায়।
কাশ্মীর ভ্রমণের আগে ট্র্যাভেল ট্যাক্স ৫০০ টাকা সোনালি ব্যাংকের শাখায় জমা দিতে হবে।

ডেঙ্গুর কোন ভ্যাকসিন নেই! উপায়!
30/07/2019

ডেঙ্গুর কোন ভ্যাকসিন নেই! উপায়!

গুলিয়াখালী সমুদ্র সৈকত
27/07/2019

গুলিয়াখালী সমুদ্র সৈকত

গুলিয়াখালী সমুদ্র সৈকত

গুলিয়াখালী সমুদ্র সৈকত (Guliakhali Sea Beach) চট্টগ্রাম জেলার সীতাকুণ্ড উপজেলায় অবস্থিত। স্থানীয় মানুষের কাছে এই সৈকত ‘মুরাদপুর বীচ’ নামেও সুপরিচিত। সীতাকুণ্ড বাজার থেকে গুলিয়াখালি সি বীচের দূরত্ব মাত্র ৫ কিলোমিটার। অনিন্দ্য সুন্দর গুলিয়াখালি সী বিচ কে সাজাতে প্রকৃতি কোন কার্পন্য করেনি। একদিকে দিগন্তজোড়া সাগর জলরাশি আর অন্য দিকে কেওড়া বন এই সাগর সৈকতকে করেছে অনন্য। কেওড়া বনের মাঝ দিয়ে বয়ে যাওয়া খালের চারিদিকে কেওড়া গাছের শ্বাসমূল লক্ষ করা যায়, এই বন সমুদ্রের অনেকটা ভেতর পর্যন্ত চলে গেছে। এখানে পাওয়া যাবে সোয়াম্প ফরেস্ট ও ম্যানগ্রোভ বনের মত পরিবেশ। গুলিয়াখালি সৈকতকে ভিন্নতা দিয়েছে সবুজ গালিচার বিস্তৃত ঘাস। সাগরের পাশে সবুজ ঘাসের উন্মুক্ত প্রান্তর নিশ্চিতভাবেই আপনার চোখ জুড়াবে। বীচের পাশে সবুজ ঘাসের এই মাঠে প্রাকৃতিক ভাবেই জেগে উঠেছে আঁকা বাঁকা নালা। এইসব নালায় জোয়ারের সময় পানি ভরে উঠে। চারপাশে সবুজ ঘাস আর তারই মধ্যে ছোট ছোট নালায় পানি পূর্ণ এই দৃশ্য যে কাউকে মুগ্ধ করবে। অল্প পরিচিত এই সৈকতে মানুষজনের আনাগোনা কম বলে আপনি পাবেন নিরবিলি পরিবেশ। সাগরের এত ঢেউ বা গর্জন না থাকলেও এই নিরবিলি পরিবেশের গুলিয়াখালি সমুদ্র সৈকত আপনার কাছে ধরা দিবে ভিন্ন ভাবেই। চাইলে জেলেদের বোটে সমুদ্রে ঘুরে আসতে পারেন। এক্ষেত্রে বোট ঠিক করতে দরদাম করে করে নিতে হবে।

সীতাকুণ্ডের খুব কাছে হওয়ায়, গুলিয়াখালী সমুদ্র সৈকত যাওয়া আসা ও দেখার পরেও হাতে থাকবে অনেকটুকু যময়। এই সময়ে আপনি চাইলে সীতাকুণ্ডের আশেপাশের আরও অনেক দর্শনীয় স্থান ঘুরে দেখতে পারবেন। গুলিয়াখালীর আশেপাশে ভ্রমণ স্থান গুলোর মধ্যে আছে, বাঁশবাড়িয়া সমুদ্র সৈকত, সীতাকুণ্ড ইকো পার্ক, চন্দ্রনাথ মন্দির ও পাহাড়, ঝরঝরি ঝর্না, কমলদহ ঝর্ণা, কুমিরা সন্দ্বীপ ঘাট, মহামায়া লেক, খৈয়াছড়া ঝর্ণা, নাপিত্তাছড়া ঝর্ণা, সহস্রধারা ঝর্ণা ইত্যাদি। আপনার সময় ও কি দেখার ইচ্ছে সেই অনুযায়ী সাজিয়ে নিতে পারেন আপনার ভ্রমণ পরিকল্পনা।

গুলিয়াখালী বীচে যাবার উপায়
যেহেতু এই বীচ সীতাকুণ্ডে তাই দেশের যে কোন প্রান্ত থেকে প্রথমে আসতে হবে সীতাকুণ্ডে। বিভিন্ন উপায়ে ঢাকা বা চট্রগ্রাম থেকে সীতাকুণ্ডে আসতে পারবেন।

ঢাকা থেকে সীতাকুণ্ড
ঢাকা থেকে চট্রগ্রাম গামী যে কোন বাসে করেই যেতে পারবেন সীতাকুন্ড। এসি ও নন এসি এইসব বাসের ভাড়া ৪২০-১০০০ টাকা। প্রয়োজন হলে বাসের সুপারভাইজার কে আগেই বলে রাখবেন সীতাকুন্ড নামিয়ে দিতে। ঢাকা থেকে সীতাকুন্ড মেইল ট্রেনে করে জনপ্রতি ১২০ টাকা ভাড়া সীতাকুণ্ড আসতে পারেন। ঢাকা থেকে আন্তঃনগর ট্রেনে করে ফেনী যেতে পারবেন, শ্রেনী ভেদে ভাড়া ২৬৫-৮০০ টাকা। ফেনী থেকে লোকাল বাসে করে সীতাকুণ্ড যেতে পারেন। ফেনী থেকে লোকাল বাসে সীতাকুণ্ড যেতে ৫০ থেকে ৭০ টাকা ভাড়া লাগবে।

চট্রগ্রাম থেকে সীতাকুণ্ড
চট্রগ্রামের অলংকার মোড়, এঁকে খান মোড়, কদমতলী থেকে সীতাকুণ্ড যাবার বাস ও মেক্সি পাওয়া যায়। পছন্দ মতো জায়গা থেকে চলে আসতে পারবেন সীতাকুণ্ড বাজারে।

সীতাকুন্ড থেকে গুলিয়াখালী
সীতাকুন্ডের বাস স্ট্যান্ড ব্রীজের নিচ থেকে সরাসরি সিএনজি/অটো নিয়ে গুলিয়াখালি বীচের বাঁধ পর্যন্ত চলে যেতে পারবেন। গুলিয়াখালি বীচের বাঁধ পর্যন্ত জনপ্রতি অটো ভাড়া নিবে ৩০ টাকা, আর অটো রিজার্ভ নিয়ে যেতে চাইলে ভাড়া লাগবে ১৫০-২০০ টাকা। ভাড়ার পরিমাণ অবশ্যই দরদাম করে ঠিক করবেন। সীতাকুণ্ড ফিরে আসার জন্যে আগে থেকেই সিএনজি চালকের নাম্বার নিয়ে রাখতে পারেন। অথবা যাওয়া আসা সহ রিজার্ভ করে নিতে পারেন। সন্ধ্যা হয়ে গেলে অনেক সময় ফিরে আসার সময় সিএনজি/অটো পাওয়া যায় না।

থাকা ও খাওয়া
গুলিয়াখালি সি বিচে থাকা ও খাবার কোন ব্যবস্থা নেই। শুধুমাত্র সী-বিচে ছোট একটি দোকান আছে তাই প্রয়োজনে সীতাকুণ্ড বাজার থেকে সাথে খাবার নিয়ে নিন। থাকতে চাইলে সীতাকুণ্ড বাজারে সাইমুন এবং সৌদিয়া হোটেলে থাকতে পারবেন। সাইমুনে ৩০০ থেকে ৬০০ টাকায় রুম পাবেন আর সৌদিয়ায় রুম পেতে আপনাকে গুনতে হবে ৬০০ থেকে ১৬০০ টাকা।

Address

Dhaka
1230

Telephone

+8801678350025

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when দাগনভূঞা ট্যুরিজম posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to দাগনভূঞা ট্যুরিজম:

Share

Category