Jungle In Bangladesh-JIBD

Jungle In Bangladesh-JIBD Jungle of Bangladesh

30/09/2024

Save Jungle

15/12/2022

রামসাগর জাতীয় উদ্যান 💙
দিনাজপুর শহরের কেন্দ্রথেকে ৮কিমি দক্ষিণে আউলিয়াপুর ইউনিয়নে অবস্থিত দিনাজপুরের মহারাজদের অন্যতম কীর্তি রামসাগরদিঘি। এর চারদিকে সবুজ প্রান্তর। ধূসর ছোট ছোট মাটির টিলারপাড় দ্বারা বেষ্টিত গ্রামীণ উদাস প্রকৃতির মধ্যে একখন্ড লাল গৈরিকও স্ফীতিময়খিয়ার মাটির উপর এক অপরূপ মনোমুগ্ধকর পরিবেশে এই সাগরোপমদিঘী অবস্থিত।পাড়ভূমি সহ দিঘির মোট আয়তন ৪,৩৭,৪৯২ বর্গমিটার। জলভাগের দৈর্ঘ্য ১০৩১ মিটার, প্রস্থ ৩৬৪মিটার। গভীরতা গড়ে প্রায় ৯ মিটার। সর্বোচ্চ পাড়ের উচ্চতা প্রায় ১৩.৫০মিটার। সেচ সুবিধা, প্রজাদের পানির কষ্টদূরীকরণ এবং দূর্ভিক্ষ পীড়িত প্রজাদের কাজের বিনিময়ে খাদ্যের সংস্থান হিসেবেই রাজা রামনাথের আমলে এ দিঘি খনন করা হয়।তার নামানুসারে এর নামকরণ করা হয়।দিঘিটি খনন করতে তৎকালীন প্রায় ৩০,০০০টাকা এবং ১৫লক্ষ শ্রমিকের প্রয়োজন হয়েছিল। দিঘির পাড়ের উচ্চ টিলার উপর অবস্থিত মনোরম বাংলোটিদেশী-বিদেশী অসংখ্য কৌতূহলী পর্যটকের নিকট যেমন প্রতিনিয়ত স্বপ্নিল আকর্ষণ, তেমনটি প্রমোদবিহারীদের জন্য নিভৃত নিকেতনও বটে।

10/12/2022

সেগুন বাগানে বানরের কিচিরমিচির 💙💙💙

08/12/2022

লাঠিটিলা ইকো পার্কের সেগুনবাগান, জুড়ী, মৌলভীবাজার 💙💙💙

03/12/2022

টেকনাফ গেম রিজার্ভ

কক্সবাজার শহর থেকে ৮৮ কিলোমিটার দক্ষিণে এবং টেকনাফ হতে উত্তর দিকে ১৫ কিলোমিটার দূরত্বে দমদমিয়া এলাকায় মুছনী গ্রামে অবস্থিত দেশের একমাত্র গেম রিজার্ভেরটি। এ বনের আশপাশে রাখাইন, মারমা ও চাকমা আদিবাসীদের বসবাস। এটি বাংলাদেশের তৃতীয় বৃহত্তম সংরক্ষিত বনাঞ্চল। সুন্দরবন ও পাবলাখালী সংরক্ষিত বনাঞ্চলের পরেই এর স্থান। কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার পাঁচটি ইউনিয়ন জুড়ে এর বিস্তৃতী; এ ইউনিয়ন গুলো হল - বাহারছড়া, হ্নীলা, সুবরাং, টেকনাফ এবং হোয়াইক্যং। কক্সবাজার (দক্ষিণ) বন বিভাগের তিনটি ফরেষ্ট রেঞ্জঃ হোয়াইক্যং, শীলখালী এবং টেকনাফ এর ১০ টি ব্লক এ গেম রিজার্ভের অন্তর্ভুক্ত। এই গেম রিজার্ভের পূর্ব পাশ দিয়ে বয়ে গেছে নাফ নদী; এর ঠিক পরপরই মায়ানমার সীমান্ত এবং পশ্চিম দিকে বঙ্গোপসাগর।এ-বনের ভূ-প্রকৃতি, জীববৈচিত্র এককথায় অনন্য৷ সবুজ এই পাহাড়ি অঞ্চলে ভঙ্গিল পর্বতের নমুনা, মনোমুগ্ধকর প্রাকৃতিক ঝরনা, উষ্ণম-লীয় চিরসবুজ বন পর্যটকবৃন্দকে রোমাঞ্চের বহুবিধ স্বাদ উপভোগের সুযোগ করে দেবে৷ এই গেমরিজার্ভের মধ্যবতর্ী স্থানে লম্বা ও সরু পাহাড়ের শ্রেণী দক্ষিণ দিক হতে উত্তরে বিসতৃত৷ বন্য হাতীর আক্রমন থেকে রক্ষা পাবার জন্য ১৯৮৩ সালে এই গেম রিজার্ভটি প্রতিষ্ঠিত করা হয়েছিল।এটি বন্য এশীয় হাতির অভয়ারণ্য . কক্সবাজার বন বিভাগ এই গেম রিজার্ভটির দেখাশুনা ও রক্ষনাবেক্ষন করে থাকে। পথে কক্সবাজার শহর থেকে সেখানে যেতে সময় লাগে প্রায় দেড় ঘণ্টা। বিশাল এই গেম রিজার্ভ ঘুরে আপনি প্রকৃতি, বন্য পশুপাখি, গাছপালা, ফল-ফুলসহ নানা দুর্লভ দৃশ্য উপভোগ করতে পারেন। সবাই টেকনাফে আসেন সমুদ্র কিংবা নাফ নদীর দৃশ্য উপভোগ করতে। তবে এখানকার সবুজ বনানী আর প্রাকৃতিক পরিবেশের আকর্ষণও কম নয়। এখানে আছে হেঁটে ঘুরে দেখার মতো বেশ কিছু জায়গা। গেম রিজাভের্ শত শত জানা অজানা গাছের সজ্জা, পাখির কলতান, পশুর বিচরন সব কিছু আপনাকে মোহিত করবে। ভ্রমনের মাঝে যারা ভিন্নতা চান, প্রকৃতির মাঝে নিজেকে হারাতে চান তাদের জন্য এটি একটি চমৎকার স্থান।

টেকনাফের প্রধান সড়কের পাশে মাথা উচু করে দাড়িয়ে আছে সবুজ পাহাড়গুলো। এই পাহাড়ের নিচে বিশাল গর্জন গাছের সারি। সড়কের পূর্ব পাশে নাফ নদী বয়ে চলেছে আপন মনে। নদীর ওপারে তাকালেই চোখে পরবে মিয়ানমার সীমান্ত। নীল জলের শান্ত নাফ নদীতে পালতোলা নৌকা আর জেলেদের মাছ ধরার প্রতিযোগিতা, পাহাড়ের পাশে নির্জন সবুজ বনে ঘুরে বেড়ানো , সব কিছু মিলিয়ে এ এক রোমাঞ্চকর অনুভূতি। এ রকম আনন্দ উপভোগ করতে হলে আপনাকে আসতেই হবে দেশের সর্বদক্ষিনে সীমান্ত শহর টেকনাফের এই গেম রিজার্ভে।

গেমরিজার্ভের সবের্াচ্চ চূড়া ‘তৈঙ্গা’ নামে পরিচিত৷ তৈঙ্গা পাহাড়ের উচ্চতা সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ১০০০ ফুট৷ ১৯৮৩ সনে এই বন সংরক্ষিত গেমরিজার্ভ ঘোষিত হয়৷ এই গেমরিজার্ভের আয়তন ১১,৬১৫ হেক্টর৷ বিসতৃত ।টেকনাফ গেম রিজার্ভ একটি সরল পাহাড় শ্রেনীর অংশ, যার সর্বোচ্চ উচ্চতা ৭০০ মিটার। এই গেম রিজার্ভের দৈর্ঘ্য উত্তর-দক্ষিণে ২৮ কিলোমিটার এবং প্রস্থ পূর্ব-পশ্চিমে ৩ থেকে ৫ কিলোমিটার।এই গেমরিজার্ভের রোমাঞ্চকর স্পটগুলোর মধ্যে নাইটং পাহাড়, তৈঙ্গা পাহাড়, তৈঙ্গা ঝরনা, কুদুম গুহা অন্যতম৷ টেকনাফ গেমরিজার্ভ ইকোটু্যরিজমের অন্যতম আকর্ষণসমূহ নিম্নে বর্ণিত হলো :

জীব-বৈচিত্র :

এই গেমরিজার্ভ দেশের সবের্াচ্চ জীববৈচিত্রপূর্ণ৷ বিশেষজ্ঞ জরিপে এখানে প্রায় ৩০০ প্রজাতির বৃক্ষরাজি, ২৮৬ প্রজাতির পাখি, ৫৫ প্রজাতির স্তন্যপায়ী, ১৩ প্রজাতির উভচর, ৫৬ প্রজাতির সরীসৃপ পাওয়া গেছে৷।বিভিন্ন ধরণের গাছের মধ্যে আছে চাপালিশ (Artocarpus chaplasha), তেলি গর্জন (Dipterocarpus turbinatus), জলপাই (Elaeocarpus floribundaas), হরগজা (Dillenia pentagyna), আম চুন্দল (Swintonia floribunda), বুনো অশোক (Saraca asoca), জারুল প্রভৃতি। পাখির মধ্যে আছে ছোট কানাকুবো, নীলকান বসন্তবাউরি, বড়হলদেঝুঁটি কাঠকুড়ালী, এশীয় দাগি কুঁটি পেঁচা, কালাগলা টুনটুনি, লালমৌটুসী ইত্যাদি।
বুনোহাতির সবচেয়ে বড় দলটি (১৬টি) এই গেমরিজার্ভে অবস্থান কওে, যা দেশের মোট হাতির প্রায় এক তৃতীয়াংশ৷ এছাড়া বনে বিলুপ্তপ্রায় বুনোকুকুর, উল্লুক, সাম্বার হরিণ, উডুক্ক কাঠবিড়ালি, শজারু প্রভৃতি প্রাণীর দেখা মেলার সম্ভাবনা রয়েছে৷ ১৯৮২ সনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণীবিজ্ঞান বিভাগ পরিচালিত জরিপে দুর্লভ প্রজাতির স্ট্যাম্প-টেইলড্ ম্যাকাক বা খাটো লেজি বানর এবং কাঁকড়াভূক বানর বা প্যারাইল্লা বানর-এর একটি দল দেখার রেকর্ড রয়েছে৷

২০০৪ সাল থেকে বাংলাদেশের বন বিভাগের সঙ্গে যুক্ত হয়ে এ বনের সংরক্ষণে ও নৈসর্গিক অবকাঠামো নির্মাণে কাজ করে যাচ্ছে ‘নিসর্গ নেটওয়ার্ক’।

মাথিনের কূপঃ

টেকনাফ শহরের প্রান কেন্দ্রে নাফ নদীর পাশে টেকনাফ পুলিশ ফাঁড়ির চত্তরে এই মাথিনের কূপ। ঐতিহাসিক কারনে এটি আজ দর্শনীয় স্থানে পরিনত হয়েছে। এই কুপের পেছনে রয়েছে একটি মর্মান্তিক প্রেম কাহিনী।

আঠার দশকের শেষের কথা। সেই সময় টেকনাফে সুপেয় পানির খুব অভাব ছিল। টেকনাফ থানা প্রাঙ্গনে একটি মিষ্টি পানির কুপ ছিল। এটিই ছিল সমগ্র টেকনাফে একটি মাত্র কূয়া। প্রতিদিন তরুনীরা পাতকূয়ায় জল নিতে আসতেন। ধীরাজ ভট্টাচার্য কোলকাতা হতে এখানে বদলি হয়ে আসেন। এটি ছিল রাখাইন উপজাতী এলাকা। অন্যান্য রাখাইন তরুনীদের সাথে রাখাইন জমিদার কন্যা মাথিন ও জল নিতে আসতো। এভাবে জতেল আনার ছলে এক সময় ধীরাজের সাথে মাথিনের প্রেমের সম্পর্ক তৈরি হয়। দুজনে বিয়ে করারও সিদ্ধান্ত নেয়। কিন্তু হঠাৎ করে কোলকাতা থেকে চিঠি আসে ধীরাজের কাছে যে তার বাবা অসুস্থ। তাকে যেতে হবে। কিন্তু মাথিন তাতে রাজি ছিলো না । তার ধারনা ছিল পরদেশী বাবু চলে গেলে আর হয়তো ফিরে আসবে না। কিন্তু ধীরাজকে যেতে হবে। তাই সে মাথিনকে না জানিয়ে কোলকাতা চলে যায়। মাথিন ভীষন কষ্ট পায় এবং নাওয়া খাওয়া ছেড়ে দেয়। কোন ভাবেই তাকে বোঝানো যাচ্ছিল না। এক সময় সে মৃত্যুর কোলো ঢলে পড়ে।

পরবতীর্তে তাদের প্রেমের আত্বত্যাগের নিদর্শন হিসেবে পুলিশ প্রশাসন এই জায়গাটি সংরক্ষন করে এটিকে “মাথিনের কূপ” হিসেবে নাম করন করেন। ২০০৬ সালে ধীরাজ-মাথিনের ইতিহাসের প্রায় ৮০ বছর পর, টেকনাফ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জনাব খালেদ হোসেন, সাংবাদিক আব্দুল কুদ্দুস রানা কে সাথে নিয়ে এই কূপটির সংস্কার করেন এবং এটিকে একটি দর্শনীয় স্থান হিসেবে পরিচিতি দেন।

নাইটং পাহাড় :
টেকনাফ শহরের ঠিক পাশেই নাইটং পাহাড়ের অবস্থান ৷ প্রায় ৭০০ ফুট এই পাহাড়ে উঠতে ঘন্টাখানেক সময় লাগবে৷ কষ্ট করে উপরে উঠলে পুরো টেকনাফ শহর, দূরে বঙ্গপোসাগর, নাফ চ্যানেল, মিয়ানমার পাহাড় শ্রেণী, শীলখালি প্রাকৃতিক গর্জন বন, টেকনাফ গেমরিজার্ভের সবুজ পাহাড়শ্রেণী প্রাণ ভরে উপভোগ করার দুর্লভ সুযোগ মিলবে৷ ভাগ্য সুপ্রসন্ন হলে বুনো হাতির দলটির সাক্ষাত্‍ পেতেও পারেন৷ তবে হাতি দেখতে সতর্ক থাকুন কেন না এই বুনো হাতির দল বিরক্ত হলে মানুষ মারতে দ্বিধাবোধ করে না ! সতর্কতা হিসেবে সাথে অবশ্যই প্রশিক্ষিত গাইড নিতে হবে৷

কুঠি বা ভঙ্গিল পাহাড় :
বিশেষজ্ঞগণের মতে অতীতে এই পাহাড়শ্রেণী বঙ্গোপসাগরের তলদেশে ছিল৷ লক্ষ লক্ষ বছরের বিবর্তনের ফলে বর্তমানের এই অবস্থা৷ ভালোভাবে পর্যবেক্ষণ করলে দেখা যায় এই কুঠির শিলাস্তরে শামুক-ঝিনুকের জীবাষ্ম বা ফসিল এবং সল্টক্রিক বা লবণাধার৷ কুঠির সল্টক্রিক বুনো প্রাণীর লবণের অভাব মেটায়৷ রাতে বুনোপ্রাণী সল্টক্রিক চেটে শরীরে লবণের চাহিদা পূরণ করে৷

তৈঙ্গা ঝর্ণা ও ঝিরি :
কুঠির আনুমানিক ২০০ ফুট পশ্চিমে প্রবাহিত তৈঙ্গাঝিরি৷ ঝিরির পানি স্ফটিক স্বচ্ছ এবং জলজ প্রাণী-বৈচিত্র্যে ভরপুর৷ প্রায় ৭০০ ফুট উচ্চতা থেকে শিলাময় পাহাড়ের ধাপে ধাপে এই ঝরনা ক্রমান্বয়ে ঝিরি ধরে প্রবাহিত হয়েছে৷ ঝিরির পানি বন্যপ্রাণীদের জলের প্রয়োজন মেটায়৷

তৈঙ্গা চূড়া :
গেমরিজার্ভের অন্যতম আকর্ষণ হলো তৈঙ্গা চুড়া৷ এ-চূড়া অত্যন্ত খাড়া এবং ট্রেকারদের জন্য আদর্শ৷ তৈঙ্গা চূড়া হতে দূরে বঙ্গোপসাগর, নাফ নদী, মায়ানমার সীমানার পাহাড়শ্রেণী এবং গেম রিজার্ভের এরিয়েল ভিউ অবলোকন বাস্তবেই এক অপার্থিব অনুভূতি৷

কুদুম গুহা :

টেকনাফ গেম রিজার্ভের কয়েকটি প্রধান আকর্ষণের মধ্যে অন্যতম হচ্ছে কুদুম গুহা। জানামতে এটি বাংলাদেশের একমাত্র বালু-মাটির গুহা। কুদুম গুহায় প্রচুর বাদুর বাস করে, তাই এটি Bat Cave বা বাদুর গুহা নামেও পরিচিত। কুদুম গুহায় দুই প্রজাতির বাদুর থাকে। শুধু তাই নয়, বাদুর ছাড়াও এই গুহায় বাস করে ৪ প্রজাতির শামুক, গুহার ভেতর দিয়ে বয়ে যাওয়া ঝিরিতে থাকে ৪ প্রজাতির মাছ আর আছে তিন প্রজাতির মাকড়শা। গুহার বাইরে থেকে পাখিদের এসে গুহার শামুক খেতে দেখা গেছে। প্রকৃতি প্রেমীদের কাছে আকষর্ণীয় ইকোট্যুরিজমের স্থান হিসাবে কুদুম গুহার গুরূত্ব ব্যাপক।

হোয়াইক্যং বাজার হতে শাপলাপুর অভিমূখে ৪ কিলোমিটার যাবার পর বাম দিকে পাহাড়ি ঝিরিপথ ধরে আরো ২ কিলোমিটার অগ্রসর হলে রোমাঞ্চকর এই গুহায় পৌঁছনো যাবে৷ আনুমানিক ৫০০ ফুৃট দীর্ঘ এই গুহায় প্রবেশ করতে হলে হাঁটুজল কাদা মাড়িয়ে ভ্যাপসা গন্ধ উপেক্ষা করে যেতে গা ছমছম করা আঁধারে চামচিকার কিচিরমিচির ডাক ও ইতস্তত: ওড়াউড়ি এবং পানিতে নানা জাতের মাছের আনাগোনা হৃদযে শিহরণ জাগাবে৷ সাথে হেডলাইট ও আত্মরক্ষামূলক লাঠি অবশ্যই নিতে হবে৷ কারণ এই গুহায় পাহাড়ি অজগর চামচিকা শিকারের জন্য আসে৷দুর্গম পাহাড় অতিক্রম করে কুদুম গুহায় যেতে হলে অবশ্যই বনপ্রহরী সঙ্গে নিতে হবে।

শাহপরীর দ্বীপঃ
সাবরাং ইউনিয়নের একটি গ্রামের নাম। পূর্বে এটি একটি বিচ্ছিন্ন দ্বীপ ছিল, কালক্রমে মূল ভূখন্ডের সাথে সম্পৃক্ত হয়ে যায়। উপজেলা সদর এর দূরত্ব প্রায় ১০ মাইল। এর নামকরন সম্পর্কে কেউ বলেন শাহ সুজার স্ত্রী পরীবানু ও শাহ সুজার ‘শাহ’ শব্দ যুক্ত হয়ে শাহপরী হয়েছে, কারো মতে ‘শাহ ফরিদ’ আউলিয়ার নামে দ্বীপের নাম করণ হয়েছে। অপরদিকে অষ্টাদশ শতাব্দীর কবি সা’বারিদ খাঁ’র ‘হানিফা ও কয়রাপরী’ কাব্য গ্রন্থের অন্যতম চরিত্র ‘শাহপরী’। রোখাম রাজ্যের রাণী কয়রাপরীর মেয়ে শাহপরীর নামেই দ্বীপের নামকরণ হয়েছে বলেও অনেকে বলেন।

কালো রাজার সুরঙ্গঃ
এটি টেকনাফে অবস্থিত রহস্যময় একটি গুহা। বর্তমানে মানুষের আগ্রহের কারনে এই গুহা একটি ভাল মানের পর্যটন কেন্দ্রে পরিনত হয়েছে। এখানে যেতে হলে আপনাকে বাসে করে হেইখং বাজারে নামতে হবে। তার পর পায়ে হেঁটে যেতে হবে প্রায় ৬ কিলোমিটার পথ। এখানে বনবিভাগের তৈরি ৪ কিলোমিটার দীর্ঘ পথ পাড়ি দেবার পর কাঁচা রাস্তায় হাটতে হবে আরো ২ কিরোমিটার। এটি মূলত ঝিরি বা পাহাড়ী নালা পার হয়ে পৌছতে হবে কালো রাজার গুহায়।
চাকমা গ্রাম :
কুদুম গুহার ধারে-কাছেই ডইঙ্গাকাটা গ্রামে চাকমা সমপ্রদায়ের বসবাস৷ নিসর্গ সাপোর্ট প্রোগ্রামের গাইডের সহায়তায় পাড়া-প্রধানের অনুমতি নিয়ে চাকমা সমপ্রদায়ের কৃষ্টি কালচার প্রত্যক্ষ করার ব্যবস্থা করা যেতে পারে৷

শীলখালী প্রাকৃতিক গর্জনবন :
টেকনাফ গেমরিজার্ভের সবুজ পাহাড়শ্রেণী ও সুনীল বঙ্গপোসাগরের মাঝে শতবছরের পুরনো এই প্রাকৃতিক গর্জনবন ভ্রমণের স্মৃতি বনানি-প্রেমিক পর্যটকের মনে নিশ্চিত অম্লান থাকবে৷ বনে নানা পাখির কাকলি, উত্তাল সাগরের প্রমত্তা ঢেউয়ের শব্দে মন আকূল হ
বে৷ পাখিপ্রেমিকদের জন্য স্থানটি আদর্শ৷

/
গেম রিজার্ভে তিনটি বিশেষ দ্রষ্টব্য এলাকা আছে। কুদুং গুহা ট্রেইল হোয়াইখিয়ং বাজার থেকে প্রায় সাড়ে চার কিলোমিটার পশ্চিমে হরিখোলায় কুদুং গুহা ট্রেইল অবস্থিত। ট্রেইলের শুরুতে গাড়ি রেখে পাহাড়ি পথে সামনে দুই কিলোমিটার হেঁটে গেলে দেখা মিলবে বিশাল একটি গুহা। উঁচু পাহাড়ের গায়ে বড় আকৃতির এ গুহাটির নাম কুদুং গুহা। এর আরেক নাম বাদুর গুহা। এর অভ্যন্তরে গেলে হাজারো বাদুড়ের কিচিড় মিচির শোনা যাবে। গুহার ভেতরটা কিন্তু বেশ অন্ধকার। এর বেশি ভেতরে না যাওয়াই ভালো। তৈংগা পাহাড় ট্রেইল প্রায় ৪০০ ফুট উচ্চতায় তৈংগা টেকনাফের সবচেয়ে উঁচু পাহাড়। এ পাহাড়ের চূড়া থেকে একদিকে নাফ নদী আরেক দিকে দেখা মেলে বঙ্গোপসাগরের। টেকনাফের বিভিন্ন জায়গা থেকে এই ট্রেইলে ভ্রমণ করা যায়। এর সবচেয়ে বড় ট্রেইলটি ধরে টেকনাফের হ্নীলা থেকে শাপলাপুর সমুদ্র সৈকতে চলে যাওয়া যায়। তবে পাহাড়ি পথটি খুবই দুর্গম আর যেতে সময় লাগে পুরো দিন।

02/12/2022

Baccaurea motleyana tree is the host plant of Grey Count Butterfly. 💙💙💙

14/09/2022
পাবলাখালী বণ্যপ্রাণী অভয়ারণ্য ভিতরে বিশাল আকারের এই বট গাছটি পেলাম,ছবির মধ্যে দেখে ওই ফিল টা পাওয়া যাবে না,যা আমি নিজ চো...
04/01/2018

পাবলাখালী বণ্যপ্রাণী অভয়ারণ্য ভিতরে বিশাল আকারের এই বট গাছটি পেলাম,ছবির মধ্যে দেখে ওই ফিল টা পাওয়া যাবে না,যা আমি নিজ চোঁখে দেখলাম :) গভীরে দেখে এখনো প্রকৃতির মাঝে মাথা উঁচু করে বেঁচে আছে এই আদি বট গাছটি,শত শত বছর বেঁচে থাকুক বট গাছটি এই প্রত্যাশা

19/08/2017

Address

Garib E Newaz Avenew
Dhaka

Telephone

01686664268

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Jungle In Bangladesh-JIBD posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Jungle In Bangladesh-JIBD:

Share

Category