BD Tours & Event Management

BD Tours & Event Management Bangladesh

একটি তথ্য মুলক প্রতিবেদনঃকারও না কারও উপকারে আসতে পারে...তামিলনাড়ু রাজ্যে রয়েছে চারটি বিখ্যাত হাসপাতাল। চোখ বন্ধ করে এদে...
03/10/2021

একটি তথ্য মুলক প্রতিবেদনঃ

কারও না কারও উপকারে আসতে পারে...

তামিলনাড়ু রাজ্যে রয়েছে চারটি বিখ্যাত হাসপাতাল। চোখ বন্ধ করে এদের যেকোনো একটিতে চিকিৎসা করাতেই পারেন। কিন্তু কোন হাসপাতালে আপনার যাওয়া সঠিক হবে তা জানবেন কিভাবে? এটা জানতে পুরো প্রতিবেদনটি পড়ুন। কথা দিচ্ছি আপনি নিজেই ঠিক করে নিতে পারবেন কোন হাসপাতালে চিকিৎসা করাবেন।

১. অ্যাপোলো (Apollo Hospital) –
অ্যাপোলো হাসপাতাল চেন্নাইয়ের মধ্যে সবচেয়ে ভালো। এখানে রয়েছে সবচেয়ে উন্নত যন্ত্রপাতি এবং বিশ্বমানের ডাক্তার। কিন্তু এখানে খরচ দক্ষিন ভারতের মধ্যে সবচেয়ে বেশি। এখানে চিকিৎসা করাতে সময় লাগে দক্ষিন ভারতের অন্যান্য হাসপাতালের তুলনায় অনেক কম। সুতরাং কম সময়ে ভালো চিকিৎসা করাতে চাইলে এখানে চলে আসুন। তবে চিকিৎসার খরচ পড়বে অন্য হাসপাতালের থেকে অনেক বেশি। অবস্থান – অ্যাপোলো হাসপাতাল চেন্নাই সেন্ট্রাল রেলওয়ে স্টেশান থেকে মাত্র ৪ কিমি এবং চেন্নাই এগমোর রেল স্টেশান থেকে ৩ কিমি দূরে অবস্থিত। হাওড়া অথবা শিয়ালদা থেকে অনেক ট্রেন পেয়ে যাবেন। এই হাসপাতাল চেন্নাই এয়ারপোর্ট থেকে ১৫ কিমি দূরে অবস্থিত।

ঠিকানা –
Apollo Hospitals, Greams Road
21, Greams Lane
Off Greams Road
Chennai – 600006
ফোন – +91-44-28290200 / +91-44-28293333
+91-44-28294429

থাকা ও খাওয়া –
চেন্নাইয়ের অ্যাপোলোতে গেলে ভাষা নিয়ে একটু সমস্যা হলেও খাওয়া দাওয়া নিয়ে কোনো সমস্যা হবে না। ঠিক অ্যাপোলো হাসপাতালের পাশেই রয়েছে অনেকগুলি বাঙালী হোটেল। কম খরচে বাঙালীর মাছ-ভাত জুটে যাবে। তবে নিজেরা রান্না করেও খেতে পারবেন। তাঁর জন্য আলাদা হোটেল আছে। সেখানে থাকতে হবে। ওখান থেকে রান্না করার জন্য বাসন ভাড়া নিতে পারবেন। ভাষা নিয়েও খুব একটা সমস্যা হবে না। সমান্য হিন্দি বা ইংরাজীতে জ্ঞান থাকলেই চলে যাবে। থাকার জন্য রয়েছে দামী, কমদামী অনেক হোটেল। চেষ্টা করবেন হাসপাতালের সবচেয়ে কাছে থাকার। তাহলে প্রতিদিন হাসপাতালে যাওয়ার খরচ বেঁচে যাবে।

সময় –
১। টুকটাক ডাক্তার দেখানোর জন্য গেলে ৮ থেকে ১০ দিনের প্ল্যান করলেই চলবে।২। বড় মাপের চিকিৎসা অথবা অপারেশানের জন্য কমপক্ষে ২০ দিনের মতো সময় নিয়ে যেতে হবে।

রেজিস্ট্রেশান :
এ্যাপোলো হাসপাতালে ঢোকার মুখেই ডান দিকে প্রথমে যে বিল্ডিংটা রয়েছে তার নাম “সুন্দুরি ব্লক/Sundoori Block”। এই ব্লকেই হয় রেজিস্ট্রেশান।

২. শ্রী রামাচন্দ্র মেডিকেল সেন্টার (Sri Ramachandra Medical Centre) –
পকেটে টাকা কম থাকলে তাহলে আপনি চেন্নাইয়ের শ্রী রামাচন্দ্র মেডিকেল সেন্টারে চিকিৎসা করাত পারেন। তবে এখানে চিকিৎসার জন্য সময় লাগবে সি.এম.সি ভেলোরের তুলনায় অনেক কম। শ্রী রামাচন্দ্র মেডিকেল সেন্টারটি ১৯৮৫ সালে প্রতিষ্ঠা হয় চেন্নাই এর পোরুর নামক জায়গায়। তবে সেরকমভাবে এর পরিচিতি না থাকায় আমরা অনেকেই এই মেডিকেল সেন্টার সম্পর্কে কিছুই জানিনা। কিন্তু এখানে চিকিৎসা দানের পদ্ধতি অনেক ভালো আর খরচও বেশ কম। বিশেষ করে মেডিকেল সেন্টারটির পরিবেশ আর চিকিৎসার ব্যবস্থাপনা চোখে লাগার মতো।

ঠিকানা –
এই হাসপাতাল চেন্নাই সেন্ট্রাল রেলওয়ে স্টেশন থেকে ১৭ কিমি দূরে অবস্থিত।
Sri Ramachandra Medical Centre
No.1 Ramachandra Nagar, Porur
Chennai, Tamil Nadu,

৩. ভেলোরের সি.এম.সি হাসপাতাল –
কম খরচে ভালো মানের চিকিৎসার চিকিৎসার জন্য বিখ্যাত দক্ষিন ভারত। দক্ষিন ভারতের তামিলনাডু রাজ্যের ছোট এক জেলা শহর ভেলোর। সি.এম.সি হল ভারতের একেবারে প্রথম শ্রেনীর হাসপাতাল। এই হাসপাতাল ঘিরে গড়ে উঠেছে অসংখ্য হোটেল ও লজ। রুম ভাড়াও তুলনামূলক ভাবে অনেক কম। কম খরচে চিকিৎসা করাতে চাইলে সি.এম.সি সবচেয়ে ভালো। তবে অত্যধিক ভিড়ের জন্য এখানে চিকিৎসা করাতে সময় লাগে অনেক বেশি।

কেন ভেলোরে চিকিৎসা করবেন?
ভেলোরে রয়েছে ভারতের বিখ্যাত সিএমসি হাসপাতাল। এই হাসপাতালে পাবেন বিশ্বমানের চিকিৎসা তুলনামূলক ভাবে অনেক কম খরচে। কারণ এটি খ্রিস্টান মিশনারী পরিচালিত একটি অলাভজনক হাসপাতাল।

ঠিকানা –
এই হাসপাতেলে যেতে গেলে আপনাকে নামতে হবে কাটপাটি স্টেশনে। কোলকাতা থেকে কাটপাটি স্টেশনে অনেকগুলি ট্রেন দাঁড়ায়। কাটপাটি স্টেশন থেকে অনেক গাড়ি পেয়ে যাবেন।
Address :
Ida Scudder Road, Vellore, Tamil Nadu 632004
Phone: 0416 228 1000

কোথায় থাকবেন?
সিএমসি এর আশে পাশেই অসংখ্য হোটেল, লজ পাবেন। লজগুলোতে পাবেন রান্নার সুবিধা এবং রুম ভাড়াও তুলনামূলক ভাবে কম।

৪. শ্রী নারায়নী হাসপাতালে (Sri Narayani Hospital & Research Centre) –
অল্প খরচ এবং অল্প সময়ে ভালো চিকিৎসা পেতে হলে ভেলোরের শ্রী নারায়নী হাসপাতালে চিকিৎসা করাতে পারেন। সি.এম.সি ভেলোর হাসপাতাল থেকে এই শ্রী নারায়নী হাসপাতালের দূরত্ব মাত্র ৮ কিলোমিটার। ভেলোর একটি ছোট শহর হলেও এখানে রয়েছে দুটি বিশ্বমানের হাসপাতাল। কাটপাটি স্টেশন থেকে এই হাসপাতালের দূরত্ব হল ২৮ কিলোমিটার।

ঠিকানা –
Sri Narayani Hospital & Research Centre
Azad Road, Sripuram, Thirumalaikodi, Vellore, Tamil Nadu 632055
Phone: 0416 220 6301

৫. মানিপাল হাসপাতাল (Manipal Hospital) –
মনিপাল হাসপাতাল বেঙ্গালুরুর একটি প্রধান হাসপাতাল। এটি একটি ৬০০ বেড বিশিষ্ট একটি হাসপাতাল। আরো ৩০০ বেড এখানে শিগ্রই যুক্ত করার পরিকল্পনা চলছে। এখানে চিকিৎসার খরচ চেন্নাইএর অ্যাপোলোর তুলনায় অনেকটা কম।
এই হাসপাতালের অনেকগুলি ইউনিট আছে যেমন মনিপাল হার্ট ইনস্টিটিউট, মিনিপাল ইনস্টিটিউট অব নেফ্রোলজি অ্যান্ড ইউরোলজি, মনিপাল ইনস্টিটিউট অব নিউরোলজিকাল ডিসঅর্ডার, মনিপাল কম্পিভেনশিয়াল ক্যান্সার সেন্টার এবং মনিপাল ইনস্টিটিউট অব ক্যান্সার সেন্টার। এই সব সেন্টার গুলি সাফল্যের সাথে কাজ করে চলেছে।

ঠিকানা –
Manipal Hospital HAL Airport road
Manipal Hospital
98, HAL Airport road,
Bangalore – 560 017
Appointment Helpline: 1800 3001 4000
Enquiries: +91 80 40119000/2502 4444

কিন্তু যাদের সময় ও ধৈয্য আছে তারা চিকিৎসা করাবেন সি.এম.সি তে। সিএমসিতে চিকিৎসা বিশ্বমানের কিন্তু রোগীর আধিক্যের কারনে ডাক্তারের এ্যাপয়েন্টমেন্ট থেকে শুরু করে সব কিছুতেই সময় লাগবে বেশি। এখানে লাইনে দাড়াতে হবে, ওয়েটিং রুমে দীর্ঘ সময় বসে থাকতে হবে। যাদের সময় কিংবা ধৈয্য কম কিন্তু টাকা আছে তাদের সাজেস্ট করব চেন্নাই এ্যাপোলোতে চিকিৎসা করতে। আর যাদের সময়, ধৈয্য এবং টাকা সবই কম তাদের জন্য পরামর্শ দেব শ্রি রামচন্দ্র বা নারায়নী হাসপাতালে চিকিৎসা করতে। দুইটির মধ্যে শ্রি রামচন্দ্র হাসপাতাল কিছুটা হলেও এগিয়ে।

সাইরু হিল রিসোর্টসাইরু হিল রিসোর্ট (Sairu Hill Resort), অবস্থান ও সৌন্দর্যের কথা চিন্তা করলে বর্তমানে বাংলাদেশের সবচেয়ে ...
14/09/2021

সাইরু হিল রিসোর্ট
সাইরু হিল রিসোর্ট (Sairu Hill Resort), অবস্থান ও সৌন্দর্যের কথা চিন্তা করলে বর্তমানে বাংলাদেশের সবচেয়ে সুন্দর রিসোর্ট গুলোর একটি। বান্দরবান শহর থেকে ১৮ কিলোমিটার দূরে বান্দরবান-থানচি সড়কের চিম্বুক পাহড়ের আগে এর অবস্থান। প্রায় ১৮০০ ফুট উঁচু পাহাড় চূড়ায় নান্দনিক ডিজাইন, প্রকৃতির ছায়ায় সাজানো গুছানো পরিবেশ, চারপাশের সবুজ পাহাড় সারি, চোখের সামনে মেঘেদের আনাঘোনা, প্যানোরোমিক ভিউ এই সব কিছু আপনার সময়টুকু উপভোগ্য করে তুলবে। অত্যাধুনিক বিলাশবহুল এই রিসোর্টে আছে সকল ধরণের সুযোগ সুবিধা। আছে সুন্দর এক সুইমিংপুল। পরিবার, কাপল কিংবা হানিমুনের জন্যে আদর্শ হতে পারে সাইরু হিল রিসোর্ট।
সাইরু রিসোর্টে যাবার উপায়
সাইরুতে যেতে হলে প্রথমেই আপনাকে বান্দরবান যেতে হবে। বান্দরাবান থেকে তারপর সাইরু যেতে হবে। বান্দরবান যাওয়া যাবে কয়েকভাবেই।
বাস
ঢাকা টু বান্দরবান রুটে ঢাকার বিভিন্ন জায়গা থেকে এস. আলম, সৌদিয়া, ইউনিক, হানিফ, শ্যামলি, সেন্টমার্টিন পরিবহন, ডলফিন ইত্যাদি পরিবহনের বাস বান্দারবানের উদ্দেশ্যে ছেড়ে যায়। এসি ও ননএসি জনপ্রতি এসব বাসের ভাড়া ৫৫০ থেকে ১৫০০ টাকা। অথবা ঢাকা থেকে চট্রগ্রাম এসে তারপর চট্রগ্রামের বিআরটিসি টার্মিনাল বা দামপাড়া বাস স্ট্যান্ড থেকে ১০০-৩০০ টাকায় বাস ভাড়ায় বান্দরবান আসা যায়। চট্রগ্রাম থেকে প্রাইভেট কারে ২৫০০-৩৫০০ টাকায় বান্দরবান যেতে পারবেন।
ট্রেন
ঢাকা থেকে চট্রগ্রাম গামী সোনার বাংলা, সুবর্ণ এক্সপ্রেস, তূর্ণা নিশিতা, মহানগর প্রভাতি কিংবা মহানগর গোধূলি ট্রেনে করে চট্রগ্রাম আসা যায়। শ্রেণী ভেদে ট্রেন ভাড়া ৩৫০ থেকে ১৫০০ টাকা। চটগ্রাম এসে উপরে নিয়মে বান্দরবান যেতে পারবেন।
আকাশ পথ
এছাড়া বাংলাদেশ বিমান, নভোএয়ার, ইউএস বাংলা এবং রিজেন্ট এয়ারওয়েজের বেশকিছু বিমান ঢাকা থেকে সরাসরি চট্রগ্রাম ফ্লাইট পরিচালনা করে থাকে। আকাশপথে চট্রগ্রাম এসে সড়ক পথে উপরে উল্লেখিত উপায়ে বান্দরবান যেতে পারবেন।
বান্দরবান থেকে সাইরু যাবার উপায়ঃ
বান্দরবান শহর থেকে জীপ/চান্দের গাড়ি কিংবা সিএনজি দিয়ে সরাসরি সাইরু হিল রিসোর্টে যাওয়া যায়। ৪৫মিনিট থেকে ১ঘন্টার এই যাত্রার রিজার্ভ জীপ এর ভাড়া ২০০০-২৫০০ টাকা এবং সি এন জি ভাড়া ৮০০-১২০০ টাকা।

14/09/2021

Saudi Tourism Visa

1) Obtain A Tourism Visa @ https://visa.visitsaudi.com/

2) Registering on Muqeem must be completed within 72 hours prior to the flight @ https://muqeem.sa/ #/vaccine-registration/home

3) Meningitis Vaccine Certificate – The Vaccine must be at least 10 days before entry.

4) COVID Vaccine Certificate showing both doses –The Second Vaccine must not be less than 14 days prior to the flight.

5) A Negative PCR COVID-19 Test Certificate – The test must be done within 72 hours prior to flight

6) Purchase Saudi SIM Card

7) Download Tawakkalna

8) Download Eatmarna

 #সিনোফার্মের টিকা গ্রহণকারী বাংলাদেশিদের ওমরাহ হজ পালনে আর বাধা রইল না।সৌদি আরব করোনাভাইরাসের আরও দুটি টিকার অনুমোদন দি...
09/09/2021

#সিনোফার্মের টিকা গ্রহণকারী বাংলাদেশিদের ওমরাহ হজ পালনে আর বাধা রইল না।
সৌদি আরব করোনাভাইরাসের আরও দুটি টিকার অনুমোদন দিয়েছে। এই দুটি হলো চীনে তৈরি করোনার সিনোভ্যাক ও সিনোফার্মের টিকা।
আরব নিউজের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সৌদি আরবের কর্তৃপক্ষ সিনোভ্যাক ও সিনোফার্মের টিকার অনুমোদন দেয়। এ নিয়ে দেশটিতে করোনার মোট ৬টি টিকা অনুমোদন পেল।

🕋 ১৪ দিনের থ্রী স্টার ওমরা গ্রুপ প্যাকেজ

প্যাকেজে অন্তর্ভুক্ত : ওমরা ভিসা(মোফা), সৌদি বা বিমান বাংলাদেশের এয়ার টিকেট, থ্রী স্টার হোটেল, ৩ বেলা খাবার, ট্রান্সফার (মক্কা এয়ারপোর্ট-হোটেল -মদিনা হোটেল-এয়ারপোর্ট, সৌদির ২টি করোনা টেস্টের ফি, মোয়াল্মেম বা গাইড।

🕋 ওমরা ২০২১ এর জন্য শর্ত সমুহ..

🕋ভ্যাকসিন না নিয়ে কোন ওমরাহ নয় ( দুই ডোজ )
🕋 রাশিয়ান ভ্যাকসিন 'স্পুটনিক ভি' ছাড়া এখন পর্যন্ত সব ভ্যাকসিন অনুমােদন করা হয়েছে।
🕋 ভ্যাকসিনের দ্বিতীয় ডােজ পাওয়ার পর অবশ্যই 14 দিন অপেক্ষা করতে হবে যাতে আপনি কোয়ারেন্টাইন ছাড়া ওমরা করতে পারেন ।
🕋 উমরার জন্য বয়স অনুমােদিত ১৮ বছর থেকে তার উপরে।
🕋 রুমে থাকা যাবে সর্বোচ্চ ২ জন মাত্র ।
🕋 একটি বাসে যাত্রী থাকবে ২৫ জন মাত্র ।
🕋 সম্পূর্ন প্যাকেজ উমরাহ এজেন্ট থেকে নিতে হবে।
🕋 ভিসা হওয়ার আগেই হোটেল এবং টিকেট কনফার্ম করতে হবে।
🕋 সফটওয়্যার মাধ্যমে উমরাহ আদায়ের জন্য সিরিয়াল দিতে হবে।
🕋 এয়াপোর্ট ইমিগ্রেশন এর জন্য করোনা নেগেটিভ সার্টিফিকেট থাকতে হবে।
🕋 ৩ দিন মক্কায় হোটেল কোয়ারান্টাইন করতে হবে।
আল্লাহ আমাদের সকলকে উমরাহ পালন সহজ করে দিন! আমীন।

-যারা ই পাসপোর্ট করতে আগ্রহী এই পোষ্ট তাদের জন্য।-- "ই-পাসপোর্ট করার জন্য বিস্তারিত সকল তথ্যাদি"কিভাবে ই পাসপোর্ট করবেন?...
08/09/2021

-যারা ই পাসপোর্ট করতে আগ্রহী এই পোষ্ট তাদের জন্য।--

"ই-পাসপোর্ট করার জন্য বিস্তারিত সকল তথ্যাদি"

কিভাবে ই পাসপোর্ট করবেন? এর পূর্ণাঙ্গ তথ্য অনলাইনে স্টাডি করে আপনাদের জন্য সহজ এবং সুন্দরভাবে তুলে ধরার চেষ্টা করেছি, আশাকরি সকলেই উপকৃত হবেন। পুরোটা পড়বেন এবং প্রয়োজন মনে করলে টাইমলাইনে শেয়ার করে রাখতে পারেন।

📌📌 ⬛আবেদন
★অনলাইন আবেদনঃ ই-পাসপোর্ট করার জন্য প্রথমে আপনাকে অনলাইনে আবেদন করতে হবে। কোন তথ্য বা বানান যেন ভুল না হয় সেদিকে অবশ্যই নজর রাখবেন। ই-পাসপোর্ট ওয়েবসাইট লিংক- https://epassport.gov.bd/

°অনলাইনেই জমা দেওয়ার তারিখ পেয়ে যাবেন (এনরোলমেন্ট)।

★অফলাইন আবেদনঃ আপনি চাইলে অফলাইনেও আবেদন করতে পারবেন। সেক্ষেত্রে PDF ফর্ম ডাউনলোড করে PDF Editor এর মাধ্যমে কম্পিউটারে সরাসরি পূরণ করতে হবে। হাতে লেখা ফর্ম গ্রহণযোগ্য নয়। PDF ফর্ম ডাউনলোড লিংক- https://epassport.gov.bd/instructions/application-form
(অফলাইন সেবা এখনো চালু হয়নি; তবে খুব শীঘ্রই চালু হবে)

☑পরামর্শঃ অনলাইনেই সব কিছু করবেন। এতে আপনার ঝামেলা কম হবে এবং অনেক সময় বেঁচে যাবে।

📌📌 ⬛ফি পরিশোধ
★অনলাইন পরিশোধঃ সোনালী ব্যাংকের পেমেন্ট গেটওয়ের মাধ্যমে অনলাইনে ফি পরিশোধ করতে পারবেন। সেক্ষেত্রে MasterCard, Visa, Q-Cash, bkash, DBBL Nexus গ্রহণযোগ্য।

°আবেদন সম্পূর্ণ করার পর অনলাইন পেমেন্ট অপশনটা শুধুমাত্র একবার আসবে। সুতরাং সকল প্রস্তুতি আগেই নিয়ে রাখতে হবে।

°অনলাইনে পেমেন্ট করার জন্য আপনার ব্রাউজারের পপ-আপ ব্লকার অক্ষম করতে হবে ।

★অফলাইন পরিশোধঃ
যার অনলাইনে পরিশোধ করতে পারবেন না তাদের জন্য অফলাইনে তথা ব্যাংকের মাধ্যমে ফি পরিশোধ করার ব্যবস্থা রয়েছে। সোনালী ব্যাংক, ওয়ান ব্যাংক, প্রিমিয়ার ব্যাংক, ট্রাস্ট ব্যাংক, ব্যাংক এশিয়া এবং ঢাকা ব্যাংকে পাসপোর্ট ফি জমা দিতে পারবেন।

°ব্যাংক ফি পরিশোধ করার সময় পাসপোর্ট আবেদনপত্র সাথে রাখতে হবে।

°পেমেন্ট স্লিপ অবশ্যই বুঝে নিয়ে সংরক্ষণ করে রাখতে হবে।

★মেয়াদ ও পৃষ্ঠা অনুযায়ী পাসপোর্ট ফি (ভ্যাট সহ):

*৪৮ পৃষ্ঠা এবং ৫ বছর মেয়াদ সহ পাসপোর্ট-
➡২১ দিনের মধ্যে নিয়মিত বিতরণ: ৪০২৫ টাকা।
➡১০ দিনের মধ্যে জরুরী বিতরণ: ৬৩২৫ টাকা।
➡২ দিনের মধ্যে অতীব জরুরী বিতরণ: ৮৬২৫ টাকা।

*৪৮ পৃষ্ঠা এবং ১০ বছর মেয়াদ সহ পাসপোর্ট-
➡২১ দিনের মধ্যে নিয়মিত বিতরণ: ৫৭৫০ টাকা।
➡১০ দিনের মধ্যে জরুরী বিতরণ: ৮০৫০ টাকা।
➡২ দিনের মধ্যে অতীব জরুরী বিতরণ: ১০,৩৫০ টাকা।

*৬৪ পৃষ্ঠা এবং ৫ বছর মেয়াদ সহ পাসপোর্ট
➡২১ দিনের মধ্যে নিয়মিত বিতরণ: ৬৩২৫ টাকা।
➡১০ দিনের মধ্যে জরুরী বিতরণ: ৮৬২৫ টাকা।
➡২ দিনের মধ্যে অতীব জরুরী বিতরণ: ১২০৭৫ টাকা।

*৬৪ পৃষ্ঠা এবং ১০ বছর মেয়াদ সহ পাসপোর্ট
➡২১ দিনের মধ্যে নিয়মিত বিতরণ: ৮০৫০ টাকা।
➡১০ দিনের মধ্যে জরুরী বিতরণ: ১০৩৫০ টাকা।
➡২ দিনের মধ্যে অতীব জরুরী বিতরণ: ১৩৮০০ টাকা।

📌📌 ⬛পাসপোর্ট অফিসের কার্যক্রমঃ
বর্তমান ঠিকানা বা দেশ অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট পাসপোর্ট অফিস বা দূতাবাসে আবেদন করতে হবে। আগারগাঁও অফিসে ৪০১ নাম্বার রুমে অনলাইন আবেদন পত্র জমা দিবেন।

★ঢাকা বিভাগীয় ও আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসের অধীনস্থ থানা-

°আগারগাঁও অফিসঃ শেরে-বাংলা নগর, মিরপুর, পল্লবী, শাহ আলী, কাফরুল, ভাষানটেক, ঢাকা ক্যান্টমেন্ট, বনানী, গুলশান, শাহজাহানপুর, রামপুরা, তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল, শাহবাগ, রমনা, পল্টন, মতিঝিল, ঢাকা রেলওয়ে, নিউমার্কেট, ধানমন্ডি, মোহাম্মদপুর, আদাবর, হাজারীবাগ, কামরাঙ্গী চর, লালবাগ, চকবাজার, বংশাল, কেরানীগঞ্জ মডেল থানা, দারুসসালাম, সাভার, ধামরাই।

°উত্তরা পাসপোর্ট অফিসঃ উত্তরা, উত্তরখান, দক্ষিণখান, তুরাগ, বিমানবন্দর, খিলক্ষেত, ভাটারা, বাড্ডা, আশুলিয়া।

°যাত্রাবাড়ী পাসপোর্ট অফিসঃ যাত্রাবাড়ী, ডেমরা, সবুজবাগ, খিলগাঁও, মুগদা, শ্যামপুর, সূত্রাপুর, কদমতলী, কোতোয়ালী, গেন্ডারিয়া, ওয়ারী, নওয়াবগঞ্জ, কেরানীগঞ্জ দক্ষিণ থানা, দোহার।

★আবেদনের জন্য যা যা সাথে নিতে হবেঃ
০১। আবেদন ফর্ম।
০২। জাতীয় পরিচয়পত্র/স্মার্ট কার্ড কপি।
০৩। এপয়েন্টমেন্ট ডেট ইমেইল কপি।
০৪। ফি পরিশোধের স্লিপ।
০৫। জব আইডি বা স্টুডেন্ট আইডি কপি।
০৬। বর্তমান ঠিকানার বিদ্যুৎ বিলের কপি।
০৭। পুরাতন পাসপোর্ট কপি (যদি থাকে)।
০৮। স্মার্ট ফোন (মেইল দেখানোর জন্য)।
০৯। ১৮ বছরের নীচে আবেদনকারীদের ক্ষেত্রে অনলাইন জন্ম নিবন্ধন সনদ ও পিতা মাতার এন আই ডি কপি।
১০। ০৬ বছরের নীচে আবেদনকারীদের ক্ষেত্রে পাসপোর্ট সাইজ ও 3R সাইজ ছবি।
১১। ১৫ বছরের নীচে আবেদনকারীদের ক্ষেত্রে পিতা-মাতা অথবা বৈধ অভিভাবকের পাসপোর্ট সাইজের ছবি।

°এ ছাড়া যা যা প্রয়োজন মনে করবেন সাথে নিয়ে যাবেন।

°সব কিছুর মূল কপি অবশ্যই সাথে রাখবেন। দেখাতে হতে পারে।

★পাসপোর্ট অফিসের কাজঃ
১। কাগজপত্র ও ব্যক্তিগত তথ্য যাচাই।
২। পাসপোর্ট ফি পরিশোধ যাচাই।
৩। আবেদনকারীর ফটো তোলা।
৪। আঙ্গুলের ছাপ ও আইরিশের ছবি গ্রহণ।

°ছবি তোলার ক্ষেত্রে যা গ্রহণযোগ্য না-
সাদা এবং হালকা রঙের সকল পোশাক, টুপি, ক্যাপ, হিজাব (মুখমণ্ডল পূর্ণাঙ্গ পদর্শন করতে হবে), কপালে টিপ সহ ইত্যাদি যাবতীয় বিষয়।

°সব কাজ শেষ হলে ডেলিভারি স্লিপ বুঝে নিন এবং সতর্কতার সাথে তা সংরক্ষণ করুন। পাসপোর্ট সংগ্রহের সময় ডেলিভারি স্লিপ প্রর্দশন বাধ্যতামূলক।

📌📌 ⬛ঠিকানা ভেরিফিকেশনঃ
আবেদনের ৭/৮ দিনের মধ্যে থানার মাধ্যমে আপনার ঠিকানা ভেরিফাই করা হবে। যাদের বর্তমান এবং স্থায়ী ঠিকানা আলাদা তাদের আলাদা আলাদা ভেরিফিকেশন হবে।
★ভেরিফিকেশনের সময় যা যা প্রয়োজন হবে-
১। জাতীয় পরিচয়পত্র/জন্ম নিবন্ধন সনদ (কপি+মুল)
২। জব আইডি বা স্টুডেন্ট আইডি (কপি+মুল)
৩। বিদ্যুৎ বিল (কপি+মূল)
৪। এসএসসি/এইচএসসি সার্টিফিকেটের (কপি+মূল)
৫। পিতা-মাতার এনআইডি কার্ডের কপি।
৬। নাগরিক সনদপত্র
৭। বাড়ী/জমির দলিলের কপি (যদি থাকে)।

°পুলিশ যে সকল কাগজপত্র দেখতে চায় সেগুলো দেখাতে হবে।

📌📌 ⬛ই-পাসপোর্ট সংগ্রহঃ
আপনার পাসপোর্ট ডেলিভারির জন্য প্রস্তুত হয়ে গেলে মোবাইলে "এস এম এস" পাবেন। নির্দিষ্ট তারিখ অনুযায়ী পাসপোর্ট অফিসে স্ব শরীরে যেতে হবে (ফিঙ্গার ফ্রিন্ট পরীক্ষা করা হবে)। সাথে যা যা নিতে হবে-
১। ডেলিভারী স্লিপ।
২। সর্বশেষ পুরানো পাসপোর্ট (যদি থাকে)।

★বিশেষ ক্ষেত্রে উপযুক্ত বাহকের কাছে পাসপোর্ট প্রদান করা হতে পারে। তার জন্য যেসকল প্রমাণাদি উপস্থাপন করতে হবে-

১। ১১ বছরের কম বয়সী সন্তানের পিতামাতা অথবা বৈধ অভিভাবক নিজের জাতীয় পরিচয় পত্র, আবেদনকৃত পাসপোর্ট ডেলিভারি স্লিপ ও পূর্বের পাসপোর্ট (যদি থাকে) প্রদর্শন করে পাসপোর্ট সংগ্রহ করতে পারবেন ।

২।অসুস্থ ব্যক্তির ক্ষেত্রে ক্ষমতা হস্তান্তর পত্র, আবেদনকারীর জাতীয় পরিচয়পত্র, পুরাতন পাসপোর্ট (যদি থাকে) এবং ক্ষমতাপ্রাপ্ত ব্যক্তির জাতীয় পরিচয়পত্র, পুরাতন পাসপোর্ট (যদি থাকে) প্রদর্শন করে পাসপোর্ট সংগ্রহ করতে পারবেন।

°ডেলিভারি স্লিপ হারিয়ে গেলে নিকটস্থ থানায় জিডি করে তার কপি দিয়ে পাসপোর্ট সংগ্রহ করতে হবে।

☑পরামর্শঃ ডেলিভারি স্লিপ পাওয়ার সাথে সাথে মোবাইলে ছবি তুলে রাখুন।

📌📌 ⬛তথ্য পরিবর্তনঃ
স্থায়ী ঠিকানা, বৈবাহিক অবস্থা, পেশা বা অন্যান্য তথ্যাদি পরিবর্তনের ক্ষেত্রে পরিবর্তিত তথ্য সংশ্লিষ্ট যাবতীয় সকল প্রমাণাদি/কাগজপত্র দাখিল করতে হবে।

কালেক্টেড

ব্যস্ততার ভিড়ে একটু ছুটি মিললেই কোথায় ঘুরতে যাবেন তা নিয়ে পরিকল্পনার শেষ নেই । যানজট এড়িয়ে কম দূরত্বে যদি কোথাও যাওয়া যা...
26/08/2021

ব্যস্ততার ভিড়ে একটু ছুটি মিললেই কোথায় ঘুরতে যাবেন তা নিয়ে পরিকল্পনার শেষ নেই । যানজট এড়িয়ে কম দূরত্বে যদি কোথাও যাওয়া যায় তাহলে তো কথাই নেই । এ কারণে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে ঢাকার কাছের রিসোর্টগুলো ।
আজ জানাবো ঢাকার কাছে সেরা ১০ রিসোর্টের কথা । একদিন সময় নিয়ে পরিবার নিয়ে কমখরচে ঘুরে আসতে পারেন এসব রিসোর্ট থেকে । মিশে যেতে পারেন প্রকৃতির সঙ্গে ।

#ভাওয়ালরিসোর্ট
https://www.facebook.com/bhawalresortspa

শালবনের ভেতরে প্রাকৃতিক পরিবেশের সমন্বয়ে ছায়াঘেরা ভাওয়াল রিসোর্ট। গাজীপুরের মির্জাপুর ইউনিয়নের নলজানি গ্রামে প্রায় ৬৫ একর জমির উপর এই রিসোর্ট অবস্থিত । নীল পানির বিশাল সুইমিংপুলের জন্য ভাওয়াল রিসোর্ট আপনার পছন্দের তালিকায় থাকতে পারে । সুইমিংপুল ছাড়াও রয়েছে সাইক্লিং, টেনিস, ব্যাডমিন্টন, বিলিয়ার্ড, জিমনেশিয়াম, স্পা এবং বারবিকিউ জোন । বুকিং এর জন্য যোগাযোগ করতে পারেন ০১৮৭১০০৪০০৭ নাম্বারে ।

#সারাহরিসোর্ট
https://www.facebook.com/sarahresort

ঢাকার কাছে পরিবার নিয়ে আনন্দময় সময় কাটাতে পারেন সারাহ রিসোর্টে । গাজীপুরের রাজাবাড়িতে ২০০ বিঘাজুড়ে নির্মিত সারাহ রিসোর্টে আছে ৬টি বাংলো, ওয়াটার লজ, রাজা ভিউ টাওয়ার, সুইমিং পুল, ৯ডি মুভি থিয়েটার, ভিআর গেমস, মিনি বার, জিম, জাকোজি, মাড হাউস, কিডস জোন, ইনডোর ও আউটডোর গেম, কায়াকিং, বোট রাইডিং, সাইকেল রাইডিং, মিনি চিড়িয়াখানা ইত্যাদি। বুকিং এর জন্য যোগাযোগ করতে পারেন ০১৯৮০০০৩০০০ নাম্বারে ।

#নক্ষত্রবাড়িরিসোর্ট
https://www.facebook.com/nokkhottrobariltd

গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলার রাজাবাড়ি এলাকায় শিল্পীদম্পতি তৌকির-বিপাশা গড়ে তুলেছেন নক্ষত্রবাড়ি রিসোর্ট । প্রায় ২৫ বিঘার এই রিসোর্টে রয়েছে কনফারেন্স সেন্টার, রেস্তোরাঁ ও সুইমিংপুল । থাকার জন্য আবাসিক হলের পাশাপাশি রয়েছে বাঁশ এবং প্রাকৃতিক উপকরণ দিয়ে তৈরি ১১টি শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত কটেজ। বুকিং এর জন্য যোগাযোগ করতে পারেন ০১৭৭২২২৪২৮১ নাম্বারে ।

#ছুটিরিসোর্ট
https://www.facebook.com/chutiresort

গাজীপুরের ভাওয়াল জাতীয় উদ্যান ঘেঁষে প্রায় ৫০ বিঘা জায়গাজুড়ে সুকুন্দি গ্রামে ছুটি রিসোর্ট অবস্থিত । একটি সুন্দর দিন কাটাতে যা যা দরকার তার সবকিছুই রয়েছে এখানে। স্পোর্টস জোন, ইনডোর গেমস জোন এবং ছোটদের জন্য কিডস জোনও রয়েছে । এখানে সুইমিংপুল ছাড়াও পুকুরে নৌকা চালানোর ব্যবস্থা রয়েছে। বুকিং এর জন্য যোগাযোগ করতে পারেন ০১৭৭৭১১৪৪৮৮ নাম্বারে ।

#গ্রিনটেকরিসোর্ট
https://www.facebook.com/GreentechResort

ঢাকা থেকে প্রায় ৫৬ কিলোমিটার দূরে গাজীপুরের নিভৃত গ্রাম ভবানীপুরের গ্রামীণ পরিবেশে গড়ে তোলা হয়েছে গ্রিনটেক রিসোর্ট। এই রিসোর্টের বিশেষ আকর্ষণ হচ্ছে পানির উপর কাঠের মাচার কটেজ । সুইমিংপুল ছাড়াও রয়েছে পুকুরে মাছ ধরার ব্যবস্থা । বুকিং এর জন্য যোগাযোগ করতে পারেন ০১৭৭৭৭৩৭৩৫১ নাম্বারে ।

#রাজেন্দ্রইকোরিসোর্ট
https://www.facebook.com/rajendraecoresorts

গাজীপুরের শালবনের গহীনে প্রায় ৮০ বিঘা জমিতে ২৬টি কটেজ নিয়ে গড়ে তোলা হয়েছে রাজেন্দ্র ইকো রিসোর্ট । এখানে কয়েকটি মাটির ঘরও রয়েছে। চাইলে রিসোর্টের লেকে মাছ ধরতে এবং নৌকা চালাতে পারেন । সাইমিংপুলের পাশাপাশি সাইক্লিং করার ব্যবস্থাও রয়েছে। বুকিং এর জন্য যোগাযোগ করতে পারেন ০১৭৯৩৩১৩৬৬২ নাম্বারে ।

#দ্যাবেজক্যাম্পবাংলাদেশ
https://www.facebook.com/thebasecampbd

দ্যা বেজ ক্যাম্প বাংলাদেশের প্রথম আউটডোর অ্যাক্টিভিটি ক্যাম্প । ২০১৩ সালে এটি গড়ে তোলা হয় । অ্যাডভেঞ্চার প্রিয়দের জন্য দারুণ একটি জায়গা এটি। গরমে শীতলতা পাওয়ার জন্য রয়েছে সুইমিংপুল । শিশুদের জন্য রয়েছে স্পেশাল জোন । শালবনে ট্রেকিংসহ পুকুরে মাছ ধরারও ব্যবস্থা রয়েছে। চাইলে রাতে তাঁবুতে থাকতেও পারব্নে । বুকিং এর জন্য যোগাযোগ করতে পারেন ০১৯৫২৭৭৭৯৯৯ নাম্বারে ।

#জলওজঙ্গলেরকাব্য
https://www.facebook.com/jolojongolerkabbo

পূর্ণিমায় বিলের পাশে বসে জোসনা দেখার অন্যরকম অনুভূতি পেতে চাইলে যেতে পারেন জল ও জঙ্গলের কাব্য রিসোর্টে । পুরোপুরি গ্রামীণ পরিবেশে তৈরি করা হয়েছে জল ও জঙ্গলের কাব্য। ডে-টুরের জন্য এই রিসোর্ট জনপ্রিয় । চাইলে রাতে থাকার ব্যবস্থাও রয়েছে । রিসোর্টের পাশের বিলে নৌকা ভ্রমণেও সময় কাটাতে পারেন। বুকিং এর জন্য যোগাযোগ করতে পারেন ০১৮৮৫০০৭৭৭৭ নাম্বারে ।

#সুবর্ণভূমিরিসোর্ট
https://www.facebook.com/subarnabhumiresort

ঢাকা থেকে ৪৩ কিলোমিটার দূরে মুন্সিগঞ্জের গজারিয়া উপজেলার ইসমানী চরে সুবর্ণভূমি রিসোর্ট অবস্থিত । মেঘনা নদীর একেবারে কোল ঘেঁষেই গড়ে তোলা হয়েছে এই রিসোর্ট। চারপাশের কোলাহল থেকে নিজেকে সরিয়ে প্রকৃতি আর নদীর মাঝে কিছু সময় কাটাতে এই জায়গাটি বেশ জনপ্রিয় । খোলামেলা পরিবেশে এখানে রয়েছে খেলার সরঞ্জাম, দোলনা, সুইমিং পুলসহ থাকার ব্যবস্থাও রয়েছে । বুকিং এর জন্য যোগাযোগ করতে পারেন ০১৮৪১৯২১০৬৫ নাম্বারে ।

#রাঙামাটিওয়াটারফ্রন্টরিসোর্ট
https://www.facebook.com/Rangamati-Waterfront-Resort-107859147319464

রাঙামাটি ওয়াটার ফ্রন্ট রিসোর্ট গাজীপুরের চন্দ্রায় অবস্থিত । এখানে রয়েছে বনভোজন কেন্দ্র, লেকে মাছ ধরা ও বেড়ানোর ব্যবস্থা এবং কটেজে অবকাশ যাপনের ব্যবস্থা । শালগাছ ঘেরা এই রিসোর্টের লেকে নৌ-ভ্রমণের ব্যবস্থার সঙ্গে সুইমিং পুলও রয়েছে । বুকিং এর জন্য যোগাযোগ করতে পারেন ০১৮১১৪১৪০৭৪ নাম্বারে ।

বাংলাদেশী পিঠা
18/12/2018

বাংলাদেশী পিঠা

আহসান মঞ্জিলঃ.........নির্মিত:  ১৮৫৯-১৮৭২ ইংআহসান মঞ্জিল পুরনো ঢাকার ইসলামপুরের কুমারটুলী এলাকায় বুড়িগঙ্গা নদীর তীরে অ...
18/09/2018

আহসান মঞ্জিলঃ.........

নির্মিত: ১৮৫৯-১৮৭২ ইং

আহসান মঞ্জিল পুরনো ঢাকার ইসলামপুরের কুমারটুলী এলাকায় বুড়িগঙ্গা নদীর তীরে অবস্থিত। এটি পূর্বে ছিল ঢাকার নবাবদের আবাসিক প্রাসাদ ও জমিদারীর সদর কাচারি। বর্তমানে এটি জাদুঘর হিসাবে ব্যবহৃত হচ্ছে। এর প্রতিষ্ঠাতা নওয়াব আবদুল গনি।তিনি তার পুত্র খাজা আহসানুল্লাহ-র নামানুসারে এর নামকরণ করেন।১৮৫৯ খ্রিস্টাব্দে আহসান মঞ্জিলের নির্মাণ কাজ শুরু হয়ে ১৮৭২ খ্রিস্টাব্দে সমাপ্ত হয়। ১৯০৬ খ্রিস্টাব্দে এখানে এক অনুষ্ঠিত বৈঠকে মুসলিম লীগ প্রতিষ্ঠার সিদ্ধান্ত হয়। আহসান মঞ্জিল কয়েকবার সংস্কার করা হয়েছে। সর্বশেষ সংস্কার করা হয়েছে অতি সম্প্রতি। এখন এটি বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘর কর্তৃক পরিচালিত একটি জাদুঘর

সংক্ষেপে আহসান মঞ্জিলের ইতিহাস :

· ১৭২০- বর্তমান আহসান মঞ্জিল এলাকায় মোগল জমিদার শেখ ইনায়েতউল্লাহর বাগানবাড়ি
১৭৪০- ফরাসী বণিকগণ শেখ ইনায়েতউল্লাহর পুত্র শেখ মতিউল্লাহর নিকট থেকে এখানে বাণিজ্য কুঠি তৈরী করে।
১৭৫৭- পলাশী যুদ্ধের পর উক্ত ফরাসী কুঠিটি ইংরেজদের নিয়ন্ত্রণে চলে যায় এবং পরে তা ফেরত দেওয়া হয়।

· ১৮৩০- খাজা আলিমুল্লাহ ফরাসীদের নিকট থেকে কুঠিবাড়িটি ক্রয়পূর্বক নিজের বাসভবনোপযোগী করে সংস্কার করেন।

· ১৮৫৯- নওয়াব আবদুল গনি ফরাসী কুঠির পূর্ব পার্শ্বে নতুন প্রাসাদ নির্মাণ শুরু করেন, যা ১৯৬৯ সালে শেষ হয় এবং তিনি তাঁর পুত্র খাজা আহসানুল্লাহর নামে নামকরণ করেন ‘আহসান মঞ্জিল’।

· ৭ এপ্রিল, ১৮৮৮- প্রবল টর্নেডোর আঘাতে আহসান মঞ্জিলের ব্যাপক ক্ষতি হয়। নওয়াব আহসানুল্লাহ সংস্কার ও উন্নয়ন করেন। এ সময় রংমহলের উপরে সুদৃশ্য গম্বুজটি সযোজন করা হয়।

· ১২ জুন, ১৮৯৭- ভয়াবহ ভূমিকম্পে আহসান মঞ্জিলের কিছু ক্ষয়ক্ষতি হয় এবং নওয়াব আহসানুল্লাহ মেরামত করেন।

· ১৮-১৯ ফেব্রুয়ারি, ১৯০৪- ভাইসরয় লর্ড কার্জন বঙ্গ বিভাগের পক্ষে জনমত গঠনের লক্ষ্যে পূর্ববঙ্গ সফরে এসে আহসান মঞ্জিলে নওয়াব সলিমুল্লাহর অতিথি হিসেবে অবস্থান করেন।

· ৩ মার্চ, ১৯২০- কেন্দ্রীয় খেলাফত কমিটির নেতা মওলানা শওকত আলী ও মাওলানা আব্দুল কালাম আজাদের উপস্থিতিতে নওয়াব হাবিবুল্লাহ আহসান মঞ্জিল প্রাঙ্গণে এক বিরাট সভা করেন।

· ১৪ মার্চ, ১৯৫২- জমিদারী উচ্ছেদ আইনের আওতায় সরকার ঢাকা নওয়াব এস্টেট অধিগ্রহণ করে। তবে আহসান মঞ্জিলসহ নওয়াব বাগানবাড়িগুলো অধিগ্রহণের বাইরে থাকে।

· ১৯৬০- সংস্কারাভাবে আহসান মঞ্জিল জরাজীর্ণ হয় এবং এখানে থাকা মূল্যবান জিনিসপত্র নওয়াব পরিবারের সদস্যরা নিলামে কিনতে থাকে।

· ১৯৭৪- নওয়াব পরিবারের উত্তরাধিকারীগণ সংরক্ষণে অপারগ হয়ে আহসান মঞ্জিল নিলামে বিক্রি করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়।

· ২ নভেম্বর, ১৯৭৪- জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান আহসান মঞ্জিল নিলামে বিক্রির প্রস্তাব বাতিল করে দেন এবং সংস্কার পূর্বক এখানে জাদুঘর ও পর্যটন কেন্দ্র স্থাপনের নির্দেশ প্রদান করেন।

· ৩ নভেম্বর, ১৯৮৫- সরকার সামরিক বিধি জারির মাধ্যমে আহসান মঞ্জিল প্রাসাদ ও তৎসংলগ্ন ৫.৬৫ একর সম্পত্তি অধিগ্রহণ করে যার মধ্যে ৪.৯৬ একর জাদুঘরকে দেওয়া হয়।

· ৩ মার্চ, ১৯৮৬- সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় আহসান মঞ্জিল বাস্তবায়নের সার্বিক দায়িত্ব বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘরকে দেয়। তবে ভবনাদি সংস্কারের কাজ পি ডব্লিউ ডি করবে বলে জানানো হয়।

· ২০ সেপ্টেম্বর, ১৯৯২- প্রথম পর্যায়ের উন্নয়ন ও সংস্কারকাজ শেষে আহসান মঞ্জিল জাদুঘর দর্শকদের জন্য খুলে দেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া।

· ১৯৯৪- প্রথম পর্যায়ের সংস্কারের পর বিদ্যমান অবকাঠামোগত ত্রুটি বিচ্যুতিমুক্ত করার লক্ষ্যে সরকার উচ্চ পর্যায়ের একটি কমিটি গঠন করে।

· ১৯৯৮- কমিটির সুপারিশমতো ত্রুটিমুক্ত করার জন্য দ্বিতীয় পর্যায়ের সংস্কার উন্নয়ন কাজে পি ডব্লিউ ডিকে সম্পৃক্ত করা হয়।

· ২০০৫-২০০৬- দ্বিতীয় পর্যায়ের সংস্কার কাজ শুরু হয় এবং আংশিক কাজ বাকি রেখে ২০০৬ সালে তা শেষ হয়।

· ২০০৮- অসমাপ্ত কাজ কর্মসূচির মাধ্যমে রাজস্ব খাত থেকে সমাপ্ত করার এবং সংস্কারকৃত কক্ষগুলোতে গ্যালারী চালুর সিদ্ধান্ত।

· ১৩ নভেম্বর, ২০১০- সংস্কারকৃত গ্যালারী উদ্বোধন করেন সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী জনাব আবুল কালাম আজাদ।

ইতিহাসঃ

অষ্টাদশ শতাব্দীর মাঝামাঝি সময়ে জালালপুর পরগনার জমিদার শেখ ইনায়েতউল্লাহ আহসান মঞ্জিলের বর্তমান স্থান রংমহল নামে একটি প্রমোদভবন তৈরি করেন। পরবর্তীতে তাঁর পুত্র শেখ মতিউল্লাহ রংমহলটি ফরাসি বণিকদের কাছে বিক্রি করে দেন। বাণিজ্য কুঠি হিসাবে এটি দীর্ঘদিন পরিচিত ছিল। এরপরে ১৮৩০-এ বেগমবাজারে বসবাসকারী নওয়াব আবদুল গনির পিতা খাজা আলীমুল্লাহ এটি ক্রয় করে বসবাস শুরু করেন। এই বাসভবনকে কেন্দ্র করে খাজা আবদুল গনি মার্টিন অ্যান্ড কোম্পানী নামক একটি ইউরোপীয় নির্মাণ ও প্রকৌশল-প্রতিষ্ঠানকে দিয়ে একটি মাস্টারপ্ল্যান তৈরী করান, যার প্রধান ইমারত ছিল আহসান মঞ্জিল। ১৮৫৯ সালে নওয়াব আবদুল গনি প্রাসাদটি নির্মাণ শুরু করেন যা ১৮৭২ সালে সমাপ্ত হয়। তিনি তাঁর প্রিয় পুত্র খাজা আহসানুল্লাহর নামানুসারে এর নামকরণ করেন ‘আহসান মঞ্জিল’। ওই যুগে নবনির্মিত প্রাসাদ ভবনটি রংমহল ও পুরাতন ভবনটি অন্দরমহল নামে পরিচিত ছিল।

১৮৮৮ সালের ৭ এপ্রিল প্রবল ভূমিকম্পে পুরো আহসান মঞ্জিলের ব্যাপক ক্ষতি সাধিত হয়। ক্ষতিগ্রস্থ আহসান মঞ্জিল পুনর্নির্মাণের সময় বর্তমান উঁচু গম্বুজটি সংযোজন করা হয়। পুনর্নির্মাণ ও মেরামতের জন্য রাণীগঞ্জ থেকে উন্নতমানের ইট আনা হয়। মেরামতকর্ম পরিচালনা করেন প্রকৌশলী গোবিন্দ চন্দ্র রায়। সে আমলে ঢাকা শহরে আহসান মঞ্জিলের মতো এতো জাঁকালো ভবন আর ছিল না। এর প্রাসাদোপরি গম্বুজটি শহরের অন্যতম উঁচু চূড়া হওয়ায় তা বহুদূর থেকেও সবার দৃষ্টি আকর্ষণ করত।

১৮৯৭ সালে ১২ই জুন ঢাকায় ভূমিকম্প আঘাত হানলে আহসান মঞ্জিলের ব্যাপক ক্ষয়-ক্ষতি হয়। আহসান মঞ্জিলের দক্ষিণের বারান্দাসহ ইসলামপুর রোড সংলগ্ন নহবত খানাটি সম্পূর্ণ ভেঙ্গে পড়ে। পরবর্তীকালে নবাব আহসানুল্লাহ তা পুনঃনির্মাণ করেন।[১][৪]১৯৫২ সালে জমিদারী উচ্ছেদ আইনের আওতায় ঢাকা নওয়াব এস্টেট সরকার অধিগ্রহণ করে। কিন্তু নওয়াবদের আবাসিক ভবন আহসান মঞ্জিল এবং বাগানবাড়িসমূহ অধিগ্রহণের বাইরে থাকে। কালক্রমে অর্থাভাব ও নওয়াব পরিবারের প্রভাব প্রতিপত্তি ক্ষয়িষ্ণু হওয়ার ফলে আহসান মঞ্জিলের রক্ষণাবেক্ষণ দুরূহ হয়ে পড়ে। ১৯৬০’র দশকে এখানে থাকা মূল্যবান দ্রব্যাদি নওয়াব পরিবারের সদস্যরা নিলামে কিনে নেয়

স্থাপত্যশৈলীঃ

এই প্রাসাদের ছাদের উপর সুন্দর একটি গম্বুজ আছে। এক সময় এই গম্বুজের চূড়াটি ছিল ঢাকা শহরের সর্বোচ্চ। মূল ভবনের বাইরে ত্রি-তোরণবিশিষ্ট প্রবেশদ্বারও দেখতে সুন্দর। একইভাবে উপরে ওঠার সিঁড়িগুলোও সবার দৃষ্টি আকর্ষণ করে। পূর্ব ও পশ্চিম প্রান্তে দু’টি মনোরম খিলান আছে যা সবচেয়ে সুন্দর। আহসান মঞ্জিলের অভ্যন্তরে দু’টি অংশ আছে। বৈঠকখানা ও পাঠাগার আছে পূর্ব অংশে। পশ্চিম অংশে আছে নাচঘর ও অন্যান্য আবাসিক কক্ষ। নিচতলার দরবারগৃহ ও ভোজন কক্ষ রয়েছে।

১ মিটার উঁচু বেদির ওপর স্থাপিত দ্বিতল প্রাসাদ ভবনটির পরিমাপ ১২৫ দশমিক ৪ মিটার এবং ২৮ দশমিক ৭৫ মিটার। নিচতলায় মেঝে থেকে ছাদ পর্যন্ত উচ্চতা ৫ মিটার ও দোতলায় ৫ দশমিক ৮ মিটার। প্রাসাদের উত্তর ও দক্ষিণ দিকে একতলার সমান উঁচু করে গাড়ি বারান্দা। দক্ষিণ দিকের গাড়ি বারান্দার ওপর দিয়ে দোতলার বারান্দা থেকে একটি সুবৃহৎ খোলা সিঁড়ি সম্মুখের বাগান দিয়ে নদীরধার পর্যন্ত নেমে গেছে। সিঁড়ির সামনে বাগানে একটি ফোয়ারা ছিল, যা বর্তমানে নেই। প্রাসাদের উভয় তলার উত্তর ও দক্ষিণ দিকে রয়েছে অর্ধবৃত্তাকার খিলানসহযোগে প্রশস্ত বারান্দা। বারান্দা ও কক্ষগুলোর মেঝে মার্বেল পাথরে শোভিত।

আহসান মঞ্জিলের গম্বুজটি নির্মাণের জন্য প্রথমে নিচতলার বর্গাকার কক্ষটির চারকোণায় ইট দিয়ে ভরাট করে গোলাকার রূপ দেওয়া হয়েছে। এর ওপর দোতলায় নির্মিত অনুরূপ গোলাকার কক্ষের ঊর্ধ্বাংশে স্কুইঞ্চের মাধ্যমে ছাদের কাছে কক্ষটিকে অষ্টভূজাকৃতির করা হয়েছে। এই অষ্টকোণ কক্ষটিই ছাদের ওপর গম্বুজের পিপায় পরিণত হয়েছে। পরিশেষে অষ্টবাহুর সূচ্যগ্র মাথাগুলোকে কেন্দ্রের দিকে ক্রমে হেলিয়ে চূড়াতে নিয়ে কুমদ্র কলির আকারের গম্বুজটি তৈরী করা হয়েছে। ভূমি থেকে গম্বুজ শীর্ষের উচ্চতা ২৭ দশমিক ১৩ মিটার।

আহসান মঞ্জিল জাদুঘরের ইতিহাস
বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর অযত্ন ও অপব্যবহারে আহসান মঞ্জিল ধ্বংসপ্রাপ্তির দ্বারপ্রান্তে পৌঁছে। এমতাবস্থায় ১৯৭৪ সালে ঢাকা নওয়াব পরিবারের উত্তরসূরিরা আহসান মঞ্জিল প্রাসাদ নিলামে বিক্রির পরিকল্পনা করেন। সরকারের ভূমি প্রশাসন মন্ত্রণালয়ের পক্ষে নিলাম বিক্রির প্রস্তাবটি চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ মুজিবের কাছে পেশ করা হয়। কিন্তু শেখ মুজিব আহসান মঞ্জিলের স্থাপত্য সৌন্দর্য ও ঐতিহাসিক গুরুত্ব উপলব্ধি করে ১৯৭৪ সালের ২রা নভেম্বর এটি নিলামে বিক্রির প্রস্তাব নাকচ করে দেন।

‘আহসান মঞ্জিলের সংস্কার, সৌন্দর্যবর্ধন ও জাদুঘরে রুপান্তর’ শীর্ষক প্রকল্পের বাস্তবায়ন আরম্ভ হয় ১৯৮৬ সালের মার্চ মাসে।জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ ইতিহাস ও স্থাপত্য নিদর্শন সংরক্ষণের জন্য আহসান মঞ্জিল ভবনটি সংস্কার করে জাদুঘরে রুপান্তর ও প্রাসাদের সাথে সামঞ্জস্য রেখে ভবনটির পারিপার্শ্বিক এলাকার উন্নয়ন করা প্রকল্পটির মূল উদ্দেশ্য ছিল। সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অধীন এ প্রকল্পের নির্বাহী সংস্থা ছিল বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘর। তবে প্রকল্প বাস্তবায়নের দায়িত্ব বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘর ও গণপূর্ত অধিদপ্তরের ওপর যৌথ ভাবে ন্যস্ত ছিল। সংস্কার ও সংরক্ষণ কাজ গণপুর্ত অধিদপ্তর কর্তৃক সম্পাদিত হয়। নিদর্শন সংগ্রহ ও প্রদর্শনী উপস্থাপনের মাধ্যমে জাদুঘরে রুপান্তরের কাজ সম্পাদন করে বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘর। ১৯৮৫ সালের ৩ নভেম্বর আহসান মঞ্জিল প্রাসাদ ও তৎসংলগ্ন চত্বর সরকার অধিগ্রহণ করার মাধ্যমে সেখানে জাদুঘর তৈরীর কাজ শুরু হয়। ১৯৯২ সালের ২০ সেপ্টেম্বর আহসান মঞ্জিল জাদুঘরের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন ও জনসাধারণের পরিদর্শনের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়।

জাদুঘরের গ্যালারীসমুহ :

রংমহলের ৩১টি কক্ষের ২৩টিতে প্রদর্শনী উপস্থাপন করা হয়েছে। ৯টি কক্ষ লন্ডনের ইন্ডিয়া অফিস লাইব্রেরীতে প্রাপ্ত ও মি. ফ্রিৎজকাপ কর্তৃক ১৯০৪ সালে তোলা আলোকচিত্রের সাথে মিলিয়ে সাজানো হয়েছে। আহসান মঞ্জিলের তোষাখানা ও ক্রোকারীজ কক্ষে থাকা তৈজসপত্র ও নওয়াব এস্টেটের পুরোনো অফিস এডওয়ার্ড হাউজ থেকে প্রাপ্ত বিভিন্ন নিদর্শন সংরক্ষণ করে প্রদর্শনীতে দেওয়া হয়েছে। এছাড়া উক্ত আলোকচিত্রের সাথে মিলিয়ে বিভিন্ন আসবাবপত্র তৈরী ও সমসাময়িককালের সাদৃশ্যপূর্ণ নিদর্শনাদি ক্রয় ও সংগ্রহ করে গ্যালারীতে উপস্থাপন করা হয়েছে। আহসান মঞ্জিল জাদুঘরে এ যাবৎ সংগৃহীত নিদর্শন সংখ্যা মোট ৪০৭৭টি।

গ্যালারী ১: আহসান মঞ্জিল পরিচিতি (১)
আহসান মঞ্জিলের নিচ তলার পূর্বাংশে অবস্থিত কক্ষটিতে ভবনের সংক্ষিপ্ত ইতিহাস, সংস্কার-পূর্ব ও পরবর্তী আলোকচিত্র ও পেইন্টিং প্রদর্শিত হচ্ছে। এছাড়া আছে তারজালি কাজের তৈরী প্রাসাদের একটি মডেল।

গ্যালারী ২: আহসান মঞ্জিল পরিচিতি (২)
প্রাসাদ ভবনের সাথে জড়িত উল্লেখযোগ্য ঐতিহাসিক তথ্যাদি এখানে তুলে ধরা হয়েছে। ের আদি স্থাপত্য বৈশিষ্ট্য, বিবর্তিত রূপ আলোকচিত্রের মাধ্যমে প্রদর্শিত হয়েছে। এছাড়াও আছে প্রাসাদে ব্যবহৃত কাটগ্লাসের ঝাড়বাতি ও তৈজসপত্রের নমুনা।

গ্যালারী ৩: প্রাসাদ ডাইনিং রুম
নওয়াবদের আনুষ্ঠানিক ভোজন কক্ষ। লন্ডনের ইন্ডিয়া অফিস লাইব্রেরিতে সংরক্ষিত ১৯০৪ সালের ফ্রিৎজকাপের তোলা আলোকচিত্র অনুযায়ী কক্ষটি সাজানো হয়েছে। এই কক্ষে প্রদর্শিত চেয়ার, টেবিল, ফ্যান ও লাইট ফিটিংসগুলো মূলানুরূপে তৈরী অথবা সংগৃহীত হয়েছে। এখানে প্রদর্শিত বড় বড় আলমারী, আয়না, কাঁচ ও চীনামাটির তৈজসপত্রগুলো প্রায় সবই আহসান মঞ্জিলে প্রাপ্ত নওয়াবদের ব্যবহৃত মূল নিদর্শন।

গ্যালারী ৪: গোলঘর (নিচতলা)
আহসান মঞ্জিল প্রাসাদশীর্ষে দৃশ্যমান সুউচ্চ গম্বুজটি এই গোলাকার কক্ষের উপরেই নির্মিত। দক্ষিণ পোর্চের নিচে থেকে বারান্দা পেরিয়ে এই গোলাকার কক্ষ দিয়ে দোতলায় উঠা-নামার জন্য নির্মিত বৃহৎ কাঠের সিঁড়িতে যাওয়া যায়। হাতির মাথার কঙ্কালসহ এ কক্ষে প্রদর্শিত ঢাল- তরবারি, অলংকৃত কাঠের বেড়া ইত্যাদি আহসান মঞ্জিলে প্রাপ্ত নওয়াবদের ব্যভৃত মূল নিদর্শন।

গ্যালারী ৫: প্রধান সিঁড়িঘর (নিচতলা)
বাংলার স্থাপত্যে এরূপ বৈশিষ্ট্যমণ্ডিত কাঠের সিঁড়ি সাধারণত দেখা যায় না। ১৯০৪ সালে গৃহীত আলোকচিত্র অনুযায়ী সিঁড়িটি সংস্কার সাধন ও মূলানুরূপ নিদর্শন দিয়ে সজ্জিত করা হয়েছে। এখানে প্রদর্শিত বর্শা- বল্লম, ঢাল-তলোয়ারগুলো আহসান মঞ্জিলে প্রাপ্ত। নওয়াবদের আমলে এই সিঁড়িকক্ষে স্বর্ণমণ্ডিত ভিজিটর বুক রাখা হতো।

গ্যালারী ৬: আহসানুল্লাহ মেমোরিয়াল হাসপাতাল
নওয়াব আহসানুল্লাহর কন্যা নওয়াবজাদী আখতার বানু বেগম ঢাকার টিকাটুলিতে ‘স্যার আহসানুল্লাহ মেমোরিয়াল হসপিটাল’ নামে একটি হাসপাতাল প্রতিষ্ঠা করেন। ১৯৩৫ সালের ৯ জুলাই বাংলার তৎকালীন গভর্নর হাসপাতালটি উদ্বোধন করেন। কিন্তু ১৯৪০ সালে সেটা বন্ধ হয়ে যায়। আহসান মঞ্জিল অধিগ্রহণের সময় উক্ত হাসপাতালে ব্যবহৃত বেশকিছু সরঞ্জামাদি ও খাতাপত্র এখানে পাওয়া যায়, যার কিছু এই কক্ষে প্রদর্শন করা হয়েছে।

গ্যালারী ৭: মুসলিম লীগ কক্ষ
এই বৃহৎ কক্ষটি নওয়াবদের সময় দরবার হল হিসেবে ব্যবহৃত হতো। ঢাকার ঐতিহ্যবাহী পঞ্চায়েত প্রথানুযায়ী নওয়াবগণ এখানে বিচারকার্য পরিচালনা করতেন। নওয়াব সলিমুল্লাহ প্রতিষ্ঠিত ‘নিখিল ভারত মুসলিম লীগ’ ও ‘বঙ্গীয় প্রাদেশিক মুসলিম লীগ’ এর সাথে ভবনটি বিশেষভাবে জড়িত। এই প্রেক্ষিতে ‘নিখিল ভারত মুসলিম লীগ’ প্রতিষ্ঠার সংক্ষিপ্ত ইতিহাস এই গ্যালারীতে তুলে ধরা হয়েছে। ১৯০৬ সালে মুসলিম লীগ প্রতিষ্ঠাকালীন শাহবাগের সম্মেলনে আগত সর্বভারতীয় মুসলিম নেতৃবৃন্দের একটি বড় তৈলচিত্র এই গ্যালারীতে স্থান পেয়েছে। নওয়াবদের সময়কার কিছু তৈজসপত্র ও আনুষঙ্গিক নিদর্শন কয়েকটি শোকেসে প্রদর্শিত হচ্ছে। এছাড়া ইটালি থেকে দেওয়া ঢাকার নওয়াবদের উপহার একটি সুন্দর অষ্টকোণ টেবিল এখানে প্রদর্শিত হচ্ছে।

গ্যালারী ৮: বিলিয়ার্ড কক্ষ
১৯০৪ সালে তোলা আলোকচিত্র অনুযায়ী মূলানুরূপ বিলিয়ার্ড টেবিল, লাইট ফিটিংস, সোফা ইত্যাদি তৈরি করে কক্ষটি সাজানো হয়েছে। দেয়ালে প্রদর্শিত নওয়াবদের আমলের বিভিন্ন জীব-জন্তুর শিংগুলো এডওয়ার্ড হাউজ থেকে সংগৃহীত। আউটডোর খেলাধুলার পাশাপাশি ঢাকার নওয়াবরা ইনডোর খেলারও যে বিশেষ পৃষ্ঠপোষক ছিলেন, প্রাসাদ অভ্যন্তরের এই কক্ষটি তার প্রকৃষ্ট উদাহরণ।

গ্যালারী ৯: সিন্দুক কক্ষ
ঢাকার নওয়াবের কোষাগার হিসেবে ব্যবহৃত কক্ষটিকে তাঁদের প্রাচুর্যের সাথে সঙ্গতি রেখে সাজানো হয়েছে। বৃহদাকার লোহার সিন্দুকসহ এখানে থাকা সিন্দুক ও কাঠের আলমারীগুলো নওয়াবদের আমলের নিদর্শন।

গ্যালারী ১০: নওয়াব পরিচিতি
ঢাকার নওয়াব পরিবারের স্বনামধন্য ব্যক্তিদের পরিচিতি এই গ্যালারীতে স্থান পেয়েছে। প্রতিকৃতি ও লাইফ সাইজ তৈলচিত্র প্রদর্শনের পাশাপাশি তাঁদের সংক্ষিপ্ত জীবনী এখানে তুলে ধরা হয়েছে। এছাড়া এই গ্যালারীতে ঢাকার নওয়াবদের কাশ্মীরবাসী আদিপুরুষ থেকে সাম্প্রতিককাল পর্যন্ত বংশধরের বিভিন্ন শাখা প্রশাখা দেখিয়ে একটি বংশতালিকা প্রদর্শিত হয়েছে।

গ্যালারী ১০(ক): কোনার সিঁড়িঘর
এখানে নিচে এবং উপরে দু’টি কক্ষ ছিল। দর্শক চলাচলের সুবিধার্থে তা ভেঙ্গে কংক্রিটের সিঁড়ি তৈরি করা হয়েছে। এখানে থাকা বড় বড় আলমারী ও প্রদর্শিত তৈজসপত্রগুলো নওয়াবদের আমলের নিদর্শন।

গ্যালারী ১১: প্রতিকৃতি (১)
নানা কাজে ঢাকার খাজা পরিবারের লোকেরা সমসাময়িক কালের যেসব খ্যাতনামা ব্যক্তির সংস্পর্শে এসেছিলেন তাঁদেরকে দর্শকদের সামনে তুলে ধরাই এই গ্যালারীর পরিকল্পনার উদ্দেশ্য। এছাড়া নওয়াবদের সমসাময়িককালে দেশ বরেণ্য রাজনীতিবিদ, সমাজসেবী, ভূস্বামী, বুদ্ধিজীবি, সমাজ সংস্কারক, কবি, সাহিত্যিকদের প্রতিকৃতি এখানে রাখা হয়েছে।

গ্যালারী ১২: নওয়াব সলিমুল্লাহ স্মরণে
নওয়াব স্যার খাজা সলিমুল্লাহ বাহাদুরের প্রতি বিশেষ সম্মান দেখানোর উদ্দেশ্যে কক্ষটিকে ‘সলিমুল্লাহ স্মরণে’ গ্যালারী হিসেবে সাজানো হয়েছে। সলিমুল্লাহর ছোটবেলা থেকে বিভিন্ন সময়ের আলোকচিত্র ও তথ্যাদি দ্বারা এই গ্যালারী সাজানো হয়েছে। এছাড়া নওয়াব সলিমুল্লাহ ও নওয়াবদের ব্যক্তিগত/ অফসিয়ালি ব্যবহার্য দ্রব্যাদি এখানে প্রদর্শন করা হয়েছে।

গ্যালারী ১৩: প্রতিকৃতি (২)
এই কক্ষ দিয়ে নওয়াব পরিবারের সদস্যগণ আহসান মঞ্জিলের পূর্বাংশের রঙমহল থেকে গ্যাংওয়ের মাধ্যমে পশ্চিমাংশে যাতায়াত করতেন। গ্যালারী নং-১১ এর অনুরূপ নওয়াবদের সমসাময়িক বিশিষ্ট মনীষীদের প্রতিকৃতি দিয়ে এই কক্ষটি সাজানো হয়েছে। এছাড়া এই গ্যালারীর শো-কেসে প্রদর্শিত হাতির দাঁতের নিদর্শনগুলো আহসান মঞ্জিলে প্রাপ্ত নওয়াব পরিবারের ব্যবহৃত মূল নিদর্শন।

গ্যালারী ১৪: হিন্দুস্থানী কক্ষ
১৯০৪ সালে ফ্রিৎজকাপের তোলা আলোকচিত্রে কক্ষটিকে হিন্দুস্থানী রুম বলা হয়েছে। উক্ত আলোকচিত্রের সাথে মিলিয়ে কক্ষটি সাজানোর অপেক্ষায় আছে।

গ্যালারী ১৫: প্রধান সিঁড়িঘর (দোতলা)
প্রাসাদের নিচতলা থেকে উপর তলায় উঠানামার জন্য তৈরী কাঠের সিঁড়ির উপরাংশের দৃশ্য। ১৯০৪ সালে তোলা আলোকচিত্র অনুযায়ী সিঁড়িটি সংস্কার করা হয়েছে। সিঁড়ির রেলিঙ-এ ঢালাই লোহার তৈরী আঙ্গুর লতাগুচ্ছ নকশা সংবলিত বালুস্টারগুলি মূলানুরূপে তৈরি। ছাদে দৃশ্যমান কাঠের অলঙ্কৃত সিলিং নওয়াবদের আমলের মূল বৈশিষ্ট্য অনুযায়ী সংস্কার করা হয়ছে।

গ্যালারী ১৬: লাইব্রেরী কক্ষ
কক্ষটি ছিল নওয়াবদের ব্যক্তিগত প্রাসাদ লাইব্রেরী। ১৯০৪ খিস্টাব্দের আলোকচিত্র অনুযায়ী কক্ষটি সাজানো হবে। নওয়াবদের ব্যবহৃত আইন, বিচার, উপন্যাস ও ক্রীড়া বিষয়ক দুষ্প্রাপ্য গ্রন্থের এক বিশাল সংগ্রহ এখানে রয়েছে।

গ্যালারী ১৭: কার্ড রুম
ঢাকার নওয়াবদের তাস খেলার কক্ষ। ১৯০৪ সালে তোলা আলোকচিত্রের অনুকরণে মূলানুরূপে সাজানো হবে।

গ্যালারী ১৮: নওয়াবদের অবদান, ঢাকায় পানীয় জলের ব্যবস্থা
নওয়াবগণ কর্তৃক ঢাকায় পানীয় জল সরবরাহ বিষয়ক নিদর্শন ও তথ্যাদি দিয়ে গ্যালারীটি সাজানো হয়েছে। নওয়াবদের ব্যবস্থা গ্রহণের পূর্বে ঢাকায় ফিল্টার করা পানীয় জল ব্যবহারের কোনো সুযোগ ছিল না। জনকল্যাণমনা নওয়াব আবদুল গনি আড়াই লাখ টাকা ব্যয়ে ঢাকা শহরে ফিল্টার পানির কল স্থাপন করেন। পানীয় জলের সাথে সম্পৃক্ত বিভিন্ন প্রকারের যেসব নিদর্শন আহসান মঞ্জিলে এবং এডওয়ার্ড হাউজে পাওয়া গেছে সে সব নিদর্শন দিয়ে গ্যালারীটি সাজানো হয়েছে। ঢাকা ওয়াটার ওয়ার্কস-এর কয়েকটি দুষ্প্রাপ্য আলোকচিত্র এখানে প্রদর্শিত হচ্ছে।

গ্যালারী ১৯: স্টেট বেডরুম
বিশিষ্ট ও রাজকীয় অতিথিদের বিশ্রামের জন্য এ প্রাসাদে স্টেট বেডরুম নির্দিষ্ট থাকতো। এরূপ একটি মাত্র কক্ষের আলোকচিত্র পাওয়া গেছে এবং তার নমুনা প্রদর্শনের জন্য ছবির দৃশ্যানুযায়ী এই কক্ষটি সাজানো হয়েছে। এখানে প্রদর্শিত আসবাবপত্রগুলো মূলানুরূপে নতুনভাবে তৈরী।

গ্যালারী ২০: নওয়াবদের অবদান, ঢাকায় বিদ্যুৎ ব্যবস্থা
এই কক্ষটিতে নওয়াবগণ কর্তৃক ঢাকায় প্রথম বিদ্যুৎ ব্যবস্থা প্রবর্তন বিষয়ক নিদর্শন, তথ্য ও চিত্র দিয়ে সাজানো হয়েছে। ১৯০১ সালের পূর্বে ঢাকায় কোন বৈদ্যুতিক বাতির ব্যবস্থা ছিল না। সন্ধ্যা নামলে সারা ঢাকা শহর ভূতুড়ে অন্ধকারে ছেয়ে ফেলতো। নগরবাসীর দুর্দশা লাঘব, ঢাকার সৌন্দর্যবৃদ্ধি এবং আধুনিকায়নের জন্য নওয়াব আহসানুল্লাহ ১৯০১ সালের ৭ ডিসেম্বর প্রায় সাড়ে চার লাখ টাকা ব্যয় করে ঢাকায় প্রথম বিজলি বাতির ব্যবস্থা করেন। দেশে দেশে জনকল্যাণমূলক কাজে নওয়াবদের অর্থদানের একটি বিস্তারিত তালিকাও এই কক্ষে প্রদর্শিত হচ্ছে।

গ্যালারী ২১: প্রাসাদ ড্রয়িং রুম
প্রাসাদ ড্রয়িং রুমটি ১৯০৪ সালে তোলা আলোকচিত্র অনুযায়ী সাজানো হয়েছে। আহসান মঞ্জিলে আগত নওয়াবের বিশেষ অতথিবৃন্দকে এখানে অভ্যর্থনা জানানো হতো। দোতলায় এই কক্ষটির বৈশিষ্ট্য হচ্ছে- এর মেঝেটি কাঠের পাটাতনে তৈরী এবং ছাদে কাঠের তৈরী কারুকার্যম্য ভল্টেড সিলিং। সিলিং-এর সাথে লাগানো বৃহৎ বাটির ন্যায় কাটগ্লাসের ঝাড়বাতিগুলো নওয়াবদের সময়কার। তবে অন্যান্য আসবাবপত্র, ঝাড়বাতি ও লাইট ফিটিংসগুলো ছবির সাথে মিলিয়ে তৈরী করা হয়েছে। তৈজসপত্র ও ফুলদানীসহ এখানে প্রদর্শিত নিদর্শনের অধিকাংশই আহসান মঞ্জিল ও এডওয়ার্ড হাউজে প্রাপ্ত নওয়াবদের সময়কালের নিদর্শন।

গ্যালারী ২২: গোলঘর (দোতলা)
প্রাসাদের শীর্ষে দৃশ্যমান সুউচ্চ গম্বুজটি এই কক্ষের উপরেই নির্মিত। এ কক্ষটিকে কেন্দ্র করে পুরো রঙমহলকে দুটি সুষম অংশে বিভক্ত করা যায়। এখানে প্রদর্শিত অস্ত্রশস্ত্রগুলো আহসান মঞ্জিলে প্রাপ্ত। দোতলার এই কক্ষটির সম্মুখস্থ বারান্দা থেকেই প্রাসাদের দক্ষিণদিকের বৃহৎ খোলা সিঁড়িটি ধাপে ধাপে বুড়িগঙ্গার পাড়ে প্রাকৃতিক দৃশ্য সংবলিত মনোরম ও বিস্তৃত অঙ্গনে গিয়ে মিশেছে।

গ্যালারী ২৩: বলরুম (নাচঘর)
১৯০৪ সালে তোলা আলোকচিত্র অনুযায়ী মূলানুরূপে এ গ্যালারীটি সাজানো হয়েছে। উনিশ শতকে ঢাকা শহরে এত বড় ও জাঁকজমকপূর্ণ নাচঘরের দৃষ্টান্ত আর ছিল না। ঢাকার নওয়াবগণ ছিলেন প্রাচ্য ও পাশ্চাত্য উভয় প্রকার সংস্কৃতির সমঝদার। নওয়াব আবদুল গনি নাচ, জ্ঞান ও কবিতা চর্চার পৃষ্ঠপোষকতা করতেন। তাঁর পুত্র নওয়াব আহসানুল্লাহ নিজেই একজন উঁচুদরের সঙ্গীতজ্ঞ, বাদক ও কবি ছিলেন। নওয়াবদের মানসিকতার সাথে সামঞ্জস্য রেখে এই কক্ষে একত্রে পাশাপাশি প্রাচ্য ও পাশ্চাত্য উভয় প্রকার নাচ-গানের একশটি কাল্পনিক দৃশ্য বৃহদাকার তৈলচিত্রের মাধ্যমে দেখানো হয়েছে। এখানে প্রদর্শিত সিংহাসন ও ক্রিস্টাল চেয়ার- টেবিলগুলো নওয়াবদের আমলের মূল নিদর্শন। তবে অন্যান্য আসবাবপত্র ও আয়নাগুলো ছবিতে দৃশ্যমান আসবাবপত্রের অনুকরণে তৈরী।

Address

Mirpur
Dhaka
1216

Opening Hours

Monday 10:00 - 20:00
Tuesday 10:00 - 20:00
Wednesday 10:00 - 20:00
Thursday 10:00 - 20:00
Friday 10:00 - 20:00
Saturday 10:00 - 20:00
Sunday 10:00 - 20:00

Telephone

+8801714337285

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when BD Tours & Event Management posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to BD Tours & Event Management:

Share

Category