Apollo Tours & Travel

Apollo Tours & Travel We provide best abroad Travel Service solution in Bangladesh. Air-Ticket
Tour - Package
Visa -Process
Holiday- Package
Hotel-Booking

আমরা এ্যাপোলো ট্যুরস এন্ড ট্রাভেল, আমরাই একমাত্র ইউরোপ আমেরিকা ঘুরার জন্য সঠিক গাইডলাইন দিয়ে থাকি । তাই আপনার সপ্নের দেশ...
16/10/2024

আমরা এ্যাপোলো ট্যুরস এন্ড ট্রাভেল, আমরাই একমাত্র ইউরোপ আমেরিকা ঘুরার জন্য সঠিক গাইডলাইন দিয়ে থাকি । তাই আপনার সপ্নের দেশটি ঘুরার ইচ্ছা থাকলে আজই আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন!
আমাদের ঠিকানাঃ-
☛ APOLLO TOURS AND TRAVEL
মোবাইলঃ-
☎️ 01886-862428 (WhatsApp)
☎️ 01874-423062 (WhatsApp)
অফিস: - গ ৯৯/৫; ৮ম রহিমা টাওয়ার, বাটা শোরুম , মধ্য বাড্ডা ( লিংক রোড এর পাশে ), ঢাকা-১২১২
✦ অফিসের কার্যদিবস: শনিবার থেকে বৃহস্পতিবার, প্রতিদিন সকাল ১০:০০ হইতে বিকাল ০৫:০০।

উচ্চশিক্ষার জন্য বিদেশে যেতে চান অনেকে। যাঁরা ইউরোপে পড়তে যেতে চান, তাঁদের পছন্দের তালিকায় থাকতে পারে ফিনল্যান্ড। ফিনল...
14/10/2024

উচ্চশিক্ষার জন্য বিদেশে যেতে চান অনেকে। যাঁরা ইউরোপে পড়তে যেতে চান, তাঁদের পছন্দের তালিকায় থাকতে পারে ফিনল্যান্ড। ফিনল্যান্ডের বিশ্ববিদ্যালয়গুলো তাদের বিশ্বমানের শিক্ষাদান এবং সাশ্রয়ী মূল্যের জন্য সুপরিচিত। এই বিশ্ববিদ্যালয়গুলো স্নাতক ও স্নাতকোত্তর অধ্যয়নের জন্য আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের জন্য বিভিন্ন ধরনের বৃত্তিও প্রদান করে থাকে। এ বৃত্তিগুলো ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) বাইরের এবং ইউরোপিয়ান ইকোনমিক এরিয়ার (ইইএ) শিক্ষার্থীদের আর্থিক সহায়তার জন্য প্রদান করা হয়।

স্নাতকোত্তরে ফিনল্যান্ডের বৃত্তিঃ

ফিনল্যান্ডের স্কলারশিপগুলো, বিশেষ করে ইউরোপীয় ইউনিয়নের বাইরের ও ইউরোপিয়ান ইকোনমিক এরিয়ার মেধাবী শিক্ষার্থীদের টিউশন ফি প্রদান করে। প্রথম বছরের টিউশন ফি মেলে বৃত্তি পেলে। এর আওতায় কমপক্ষে ৫০০০ ইউরোর ভাতা পাবেন শিক্ষার্থীরা। অনেক বিশ্ববিদ্যালয় মাস্টার্সের দ্বিতীয় বছরের জন্য অতিরিক্ত বৃত্তি ও সুযোগ দিয়ে থাকে শিক্ষার্থীদের।

ফিনল্যান্ড ডক্টরাল ফেলোশিপঃ

ফিনল্যান্ড ডক্টরাল ফেলোশিপ দেয় দেশটির গবেষণা এবং কলাসংক্রান্ত বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে। ইইউর বাইরের বা ইইউএর গবেষকদের জন্য এ ডক্টরাল ফেলোশিপ। ফিনল্যান্ড ফেলোশিপে শিক্ষার্থীরা ভাতা পান। এর বাইরে এ ফেলোশিপের আওতায় ২০০০ ইউরো মেলে।

কীভাবে পাবেন এ বৃত্তিঃ

ফিনল্যান্ড ডক্টরাল ফেলোশিপ পেতে Studyinfo.fi পোর্টালে ঢুঁ মারতে হবে। আবেদনের সময়সীমা, আপনার পছন্দের বিশ্ববিদ্যালয়ে আবেদনের নিয়মাবলিসহ বিস্তারিত তথ্য সেখানে পাবেন।

ফিনল্যান্ডের যে বিশ্ববিদ্যালয়গুলো স্কলারশিপ দেয়;

* আল্টো বিশ্ববিদ্যালয়

* হেলসিংকি বিশ্ববিদ্যালয়

* ইউনিভার্সিটি অব ইস্টার্ন ফিনল্যান্ড

* জাইভাস্কিলা ইউনিভার্সিটি

* ল্যাপল্যান্ড ইউনিভার্সিটি

* এলইউটি ইউনিভার্সিটি

* ইউনিভার্সিটি অব ওলু

* হ্যাঙ্কেন স্কুল অব ইকোনমিকস

* ইউনিভার্সিটি অব আর্টস হেলসিংকি

* ট্যাম্পারে বিশ্ববিদ্যালয়

* তুর্কু বিশ্ববিদ্যালয়

* ভাসা বিশ্ববিদ্যালয়

* আবো একাডেমি বিশ্ববিদ্যালয়।

পরিশেষেঃ
ফিনল্যান্ডে যারা পড়াশোনার জন্য যেতে চাচ্ছেন তাদের জন্য আজকের এই পোস্ট টা তথ্যবহুল ছিলো বলে মনে করি। আপনার মনে যদি আরো প্রশ্ন থেকে থাকে তবে কমেন্টে আপনার মন্তব্য জানান। আপনার প্রশ্নের উপর ভিত্তি করে নতুন পোস্ট দেয়া হবে।

ধন্যবাদ!

ভ্রমণের জন্য ইন্ডিয়ার পর আমাদের দেশের বেশিরভাগ মানুষের প্রথম পছন্দ থাইল্যান্ড। আমি করোনার আগে ২০১৯ সালের অক্টোবরে থাইল্য...
12/10/2024

ভ্রমণের জন্য ইন্ডিয়ার পর আমাদের দেশের বেশিরভাগ মানুষের প্রথম পছন্দ থাইল্যান্ড। আমি করোনার আগে ২০১৯ সালের অক্টোবরে থাইল্যান্ডে ১০ দিনের সলো ট্যুর দিয়েছিলাম। আমার সব ট্যুর শুরু হয় ট্যুরের প্লান করা থেকেই। সে হিসেবে ভিসা করাটাও আমার জন্য একটা চমৎকার অভিজ্ঞতা সব সময়। আর আমার থাইল্যান্ডের টুরিস্ট ভিসা আমি নিজেই করেছিলাম। এছাড়া এর আগের বছর আমার মেজ ভাই দুইবার ট্রাভেল এজেন্সির মাধ্যমে থাইল্যান্ডের ভিসা আবেদন করে VL খেয়েছিল, মানে ভিসা পায়নি। পরের বার আমি সব রেডি করে দিলে ভিসা পেয়েছিল। তাই আমি মনে করি থাইল্যান্ড ভিসা নিয়ে লিখার অথোরিটি আমার আছে। তাই এবার আমি আপনাদের সুবিধার্থে লিখছি থাইল্যান্ড ভিসা প্রসেসিং এর বিস্তারিত যার মাঝে থাকবে কাগজপত্র, খরচ, ভিসা ফি, আবেদন জমা দেয়া থেকে শুরু করে সব কিছু। তাই মনোযোগ দিয়ে পড়ুন পুরো পোস্টটি।

থাইল্যান্ড ভিসাঃ

থাইল্যান্ড টুরিস্ট ভিসা বা থাইল্যান্ড ভ্রমণ ভিসা সাধারনত সিঙ্গেল এন্ট্রি ৩ মাসের ও মাল্টিপল এন্ট্রি ৬ মাসের মেয়াদের হয়। উভয় ভিসাতেই প্রতি এন্ট্রিতে থাইল্যান্ডে আপনি সর্বোচ্চ ৬০ দিন থাকতে পারবেন। আগে ডাবল এন্ট্রি ৬ মাসের ভিসা ছিল, এখন মনে হচ্ছে সেটা নেই। টুরিস্ট ভিসার টাইপ হল “TR”। এছাড়া ট্রানজিট, মেডিকেল, বিজনেস ইত্যাদি ভিসাও আছে।

=> থাইল্যান্ড ভিসা প্রসেসিং নিজে করবেন না এজেন্সি দিয়ে করাবেন?

থাইল্যান্ড ভিসা প্রসেসিং আপনি নিজে নিজে করতে পারেন অথবা চাইলে এজেন্সি দিয়েও করাতে পারেন। এখন আপনি কিভাবে ডিসিশন নিবেন যে নিজে করবেন না এজেন্সি দিয়ে করাবেন?

=> এজেন্সি দিয়ে করানোর কারন সমুহঃ

প্রথম কথা যদি আপনি এত কিছু ভাল না বুঝে থাকেন তাহলে এজেন্সি দিয়ে করানো ভাল হবে। এছাড়া এজেন্সি ফরম পুরন থেকে শুরু করে ভিসা আবেদন জমা করে আপনার কাছে পাসপোর্ট ফেরত দিবে। এতে আপনার কোন ঝামেলা হবে না। অনেক সময় বাচবে। আর ওরা মূল চার্জের পরে যে ফি নেয় তা অনেক কম। ১ হাজার টাকের চেয়েও কম। কিন্তু সব ঠিক আছে। আপনি যদি চাকুরীজীবী হন বা প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়ী হন বা অন্য কোন প্রফেশনে ভাল অবস্থানে থাকনে তাহলে এজেন্সি বেস্ট অপশন হবে আপনার জন্য।

=> নিজে নিজে ভিসা করার কারন সমুহঃ

কিন্তু আপনি যদি আপনার কাগজপত্র নিয়ে কনফিডেন্ট না হন বা আপনার পেশা যদি প্রচলিত ধাঁচের না হয় অথবা আপনি চান আপনার আবেদন ইউনিক হউক তাহলে নিজে করাই ভাল হবে। যেমন আমি একজন ফ্রিল্যান্সার। এখন আমার পেশার কি প্রমাণ বা কাগজ দিব সেটা সম্পর্কে ট্রাভেল এজেন্সির আইডিয়া কম। এছাড়া আমি চেয়েছিলাম আমার ভিসা আবেদন লেটার ও আইটেনারি ইউনিক হউক। এজেন্সি সবার জন্যই প্রায় একই ফরম্যাটে সব জমা দেয়। সেজন্য আমি নিজে করেছিলাম। নিজে করলে যে খরচ সেইভ হয় অনেক সেরকম কিন্তু না।

এখন সিদ্ধান্ত আপনার যে আপনি থাই ভিসা প্রসেসিং নিজে করবেন নাকি এজেন্সি দিয়ে করাবেন।

* শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত ধাপগুলো কি কিঃ

প্রথমেই সংক্ষেপে দেখে নিই থাইল্যান্ড ভিসা আবেদনের ধাপগুলো কি কি। এতে আপনি পুরো প্রক্রিয়াটা সম্পর্কে একটা ধারনা পাবেন।

=> প্রয়োজনীয় কাগজপত্রাদি সংগ্রহ করা
=> থাইল্যান্ড ভিসা আবেদন ফর্ম পুরন করা
=> ভিসা আবেদন জমা দেয়া
=> পাসপোর্ট সংগ্রহ বা ফেরত নেয়া
ধাপগুলো তো জানা হল। এবার চলুন জেনে নেই এগুলোর বিস্তারিত।

১. থাইল্যান্ড টুরিস্ট ভিসা আবেদনের প্রয়োজনীয় কাগজপত্র

থাইল্যান্ড টুরিস্ট ভিসা বা থাইল্যান্ড ভ্রমণ ভিসা আবেদনের প্রথম ধাপ হচ্ছে আবেদন জমা দেয়ার জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্রাদি সংগ্রহ করা। তো চলুন দেখে নেই কি কি কাগজপত্র লাগে থাইল্যান্ড ভিসা পেতে।

=> থাইল্যান্ড ভিসা আবেদনের ফরম
পাসপোর্ট
> ২ কপি পাসপোর্ট সাইজের ছবি (৩.৫ সে.মি.* ৪.৫ সে.মি. মাপের)
ব্যাংক স্টেটমেন্ট
> ব্যাংক সলভেন্সি সার্টিফিকেট (মোট ব্যালেন্স উল্লেখ থাকা ভাল তবে আবশ্যক না)
> পেশার প্রমাণপত্র (ট্রেড লাইসেন্স, NOC, স্টুডেন্ট আইডি ইত্যাদি)
> ভিসা রিকুয়েস্ট লেটার
> এয়ার টিকেট বুকিং
> হোটেল বুকিং
> ট্রাভেল আইটেনারি বা ভ্রমণ পরিকল্পনা
> পাসপোর্ট এর ডাটা পেইজের ফটোকপি (ছবির পাতা)
> জাতীয় পরিচয়পত্রের কপি
> সর্বশেষ থাই ভিসা কপি (যদি থাকে)
> ম্যারেজ সার্টিফিকেট (যদি স্বামী স্ত্রী আবেদন করেন)
> ১৮ বছরের নিচে হলে অভিভাবকের সম্মতিপত্র
উপরে উল্লিখিত সকল ডোকুমেন্টস ইংরেজিতে হতে হবে। কোনটা যদি বাংলা বা অন্য ভাষায় থাকে তাহলে ইংরেজিতে নোটারি করে নিতে হবে।

২. ভিসা আবেদনের ডকুমেন্টগুলোর বিস্তারিত গাইডলাইনঃ

থাইল্যান্ড ভিসা আবেদনের জন্য যে সব কাগজপত্র পাসপোর্ট ও ফর্মের সাথে দিতে হবে তা উপরে সংক্ষেপে বলা হয়েছে। এখন এখানে বিস্তারিত তুলে ধরা হল যাতে আপনি বুঝতে পারেন যে কোন বিষয়গুলো খেয়াল রাখতে হবে।

৩। থাইল্যান্ড ভিসা আবেদনের ফরমঃ

ভিসা আবেদন করার জন্য সবচেয়ে জরুরি বিষয় হল সঠিকভাবে ও নির্ভুলভাবে ভিসা আবেদন ফরমটি পুরন করা। তারপর কোন পিডিএফ রিডার বা এডিটর দিয়ে সঠিকভাবে পূরন করে নিন।

৪। পাসপোর্ট
বিদেশ ভ্রমণ করতে হলে অবশ্যই সবার আগে পাসপোর্ট লাগবে। তাই পাসপোর্ট না আগে থাকলে পাসপোর্ট করে নিন। থাইল্যান্ড ভিসা আবেদনের জন্য পাসপোর্ট সম্পর্কে কিছু বিষয় খেয়াল রাখতে হবে সেগুলো হচ্ছে-

=> পাসপোর্টের মেয়াদ কমপক্ষে ৬ মাস থাকতে হবে
=> পাসপোর্টে কমপক্ষে দুটি ফাঁকা পাতা থাকতে হবে ভিসা ও ইমিগ্রেশন সিলের জন্য
=> পুরোনো পাসপোর্ট যদি থেকে থাকে তাহলে অবশ্যই সেইগুলোও নতুন পাসপোর্ট এর সাথে দিতে হবে।

৫। ছবিঃ

ভিসা আবেদনের জন্য ২ কপি পাসপোর্ট সাইজের (৩.৫ সে.মি.* ৪.৫ সে.মি.) ল্যাব প্রিন্ট ছবি লাগবে। ছবির ব্যাকগ্রাউন্ড হতে হবে সাদা। আর ছবি গত ৬ মাসের মধ্যে তোলা হতে হবে।

৬। ব্যাংক স্টেটমেন্টঃ
থাইল্যান্ড ভিসার গত ৬ মাসের ব্যাংক স্টেটমেন্ট জমা দিতে হবে। এবং একাউন্টে কারেন্ট ব্যালেন্স কমপক্ষে ২০,০০০ থাই বাথ বা বাংলাদেশি টাকায় ৬০,০০০ টাকা থাকতে হবে। আর ফ্যামিলি হিসেবে আবেদন করলে কমপক্ষে .৪০,০০০ থাই বাথ বা বাংলাদেশি টাকায় ১,২০,০০০ টাকা থাকতে হবে একাউন্টে।

আমার ব্যাংক একাউন্টে মেবি ব্যালেন্স ছিল ১ লাখ+। আসলে এই ব্যালেন্স অনেক বেশি কমে কিছু আসে যায় না। কারো থেকে ধার করে টাকা জমা রেখে ব্যাংক স্টেটমেন্ট নিলে লাভ হবে না। কারণ সবাই দেখে আপনার একাউন্টে কত টাকা আসে, কখন আসে, কত খরচ হয় এসব। মানে আমার পয়েন্ট হল শুধু কারেন্ট ব্যালেন্সে কিছু আসে যায় না।

৭। ব্যাংক সলভেন্সি সার্টিফিকেটঃ
থাইল্যান্ড ভিসার জন্য শুধু ব্যাংক স্টেটমেন্টেই হবে না সাথে ব্যাংক সলভেন্সি সার্টিফিকেট/লেটার ও লাগবে। ব্যাংক সলভেন্সীতে কারেন্ট ব্যালেন্স উল্লেখ থাকা ভাল, যদিও এটা বাধ্যতামূলক না।

আর ব্যাংক স্টেটমেন্ট ও ব্যাংক সলভেন্সি দুটোই অরিজিনাল কপি জমা দিতে হবে।

৮। পেশার প্রমাণপত্রঃ

যেকোন দেশের ভিসা আবেদনের জন্য পেশার প্রমাণ একটা গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। এখানে আমি প্রধান কয়েকটি পেশার মানুষের জন্য কি ডকুমেন্টস দিতে হবে পেশার প্রমাণ হিসেবে তা উল্লেখ করছি।

৯। ফ্রিল্যান্সারঃ
আমি যেহেতু ফ্রিল্যান্সার তাই ফ্রিল্যান্সারদের টাই আগে বলি। ফ্রিল্যান্সার হলে যে প্লাটফর্মে কাজ করেন সেখান থেকে কিছু দিতে পারেন প্রমাণ হিসেবে। যেমন ধরুন প্রোফাইলের প্রিন্ট, আর্নিং হিস্টোরি। আর যারা Upwork এর কাজ করেন তারা ‘Certificate of Earnings’ দিতে পারেন। যেকোন দেশের ভিসা আবেদনে ইহা ওষুধের মত কাজ করে। 😀

এছাড়া আপনি রিমোট জব করলে তার কন্ট্রাক্ট, এপয়েনমেন্ট লেটারও দিতে পারেন।

আমি দিয়েছিলাম Upwork এর প্রোফাইলের স্ক্রিনশট। আর সাথে দিয়েছিলাম গত অর্থবছরের রেমিটেন্স সার্টিফিকেট।

১০ঃ ছাত্র/স্টুডেন্টঃ
ছাত্র হলে সাধারণত স্টুডেন্ট আইডির কপি দিলেই হয়। তবে আমি করোনার সময় দেখেছিলাম ওরা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ফোন করে কনফার্ম হতে। ওদের ভাষায় a recommendation letter from the school/university or student card/evidence of school/university enrolment.

১১। চাকুরিজীবিঃ
আপনি চাকুরিজীবী হলে আপনাকে NOC বা নো অবজেকশন সার্টিফিকেট দিতে হবে। NOC অবশ্যই আপনার কোম্পানির অফিসিয়াল প্যাডে হতে হবে। এখানে আপনার নাম, পাসপোর্ট নাম্বার উল্লেখ থাকতে হবে। আর প্যাডে আপনার কোম্পানির যোগাযোগের তথ্য থাকতে হবে কারণ ভিসা অফিসার আপনার অফিসে ফোন দিবে আপনার ব্যাপারে জানতে।

চাকুরীজীবীদের জন্য স্যালারি ব্যাংক স্টেটমেন্ট প্রিফারেবল। এছাড়া চাকুরীজীবীদের পে স্লিপ বা স্যালারি সার্টিফিকেট দিতে হবে। তবে স্যালারি সার্টিফিকেট না থাকলে বেতন সংক্রান্ত তথ্য NOC তে মেনশন করতে হবে।

১২। ব্যবসায়ী
আপনি ব্যবসায়ী হলে আপনাকে ট্রেড লাইসেন্সের কপি দিতে হবে। আর ট্রেড লাইসেন্সে আপনার নাম উল্লেখ থাকতে হবে। আর লিমিটেড কোম্পানি হলে ট্রেড লাইসেন্সের সাথে মেমোরেন্ডাম অব আর্টিকেলের কপি দিতে হবে। ভিজিটিং কার্ডও দিতে পারেন চাইলে।

১৩। ডাক্তার/আইনজীবী
ডাক্তার হলে হাসপাতাল থেকে NOC অথবা BMDC সার্টিফিকেট লাগবে। আর আইনজীবী হলে বার কাউন্সিল সনদ বা আপনার ল ফার্মের NOC/letter.

১৪। অন্যান্য
উপরের কোনটাতেই যদি আপনার পেশা কভার না করে তাহলে আপনার মাথা খাটিয়ে পেশার প্রমাণ দিন। শেষমেশ কিছু না থাকলে সাদা কাগজে আপনার কি করেন, কত আয় করেন বা কিভাবে আপনার ভ্রমণ ব্যয় নির্বাহ করবেন তার বর্ণনা দিন।
১৫। ভিসা রিকুয়েস্ট লেটার
সকল আবেদনকারীদের ভিসা অফিসারকে এড্রেস করে ভিসা এপ্লিকেশন লেটার দিতে হবে।

আমি আমার ভিসা এপ্লিকেশন লেটারের স্যাম্পল দিব এখানে পরে।

১৬। এয়ার টিকেট বুকিং
আপনাকে বাংলাদেশ-থাইল্যান্ড-বাংলাদেশ এর এয়ার টিকেটের বুকিং বা কনফার্ম এয়ার টিকেট দিতে হবে। আপনি চাইলে বিভিন্ন এয়ারলাইন্স এ পেমেন্ট না করেই এই বুকিং কপি পেতে পারেন। যেমন ইউএসবাংলা, বিমান ইত্যাদি। এছাড়া অনেক বুকিং প্লাটফর্মও পে না করেই নির্দিষ্ট সময়ের জন্য বুকিং দিয়ে থাকে। আর না পারলে শেষ ভরসা হল ট্রাভেল এজেন্ট।

১৮। হোটেল বুকিং
হোটেল বুকিংও দিতে হবে। ফ্রি হোটেল বুকিং করতে পারেন Agoda বা Booking.com থেকে। এটা মেন্ডেটরি না তবে চায় অনেক সময়। আর আমি রিকমেন্ড করি আপনাদের হোটেল বুকিং দিতে। আমার বেলায় আমি হোটেল বুকিং দেই নি। তবে ট্রাভেল আইটেনারি দিয়েছিলাম।

১৯। ট্রাভেল আইটেনারি বা ভ্রমণ পরিকল্পনা
এটা হল আপনি থাইল্যান্ডে কতদিন থাকতে চান ও কোথায় কোথায় যেতে চান তার একটা সংক্ষিপ্ত বিবরণ। এটা আপনি চাইলে নিজে নিজে বানিয়ে দিতে পারেন অথবা অনলাইন থেকে ফরম্যাট খুঁজে দিতে পারেন।

২০। অন্যান্য
এছাড়া আবেদনের উপর ভিত্তি করে কিছু কাগজ লাগতে পারেন যেমন।

ম্যারেজ সার্টিফিকেট লাগবে যদি স্বামী স্ত্রী একসাথে আবেদন করেন
১৮ বছরের নিচে হলে অভিভাবকের সম্মপতিপত্র

নোটারাইজেশনঃ

উপরে উল্লিখিত সকল ডকুমেন্টস ইংরেজিতে হতে হবে। কোনটা যদি বাংলা বা অন্য ভাষায় থাকে তাহলে ইংরেজিতে নোটারি করে নিতে হবে।

থাইল্যান্ড ভিসা ফি/থাইল্যান্ড ভিসা খরচঃ

থাইল্যান্ড ভিসার প্রকার ও এন্ট্রির উপর ভিত্তি করে থাইল্যান্ড ভিসা ফি বা থাইল্যান্ড ভিসা খরচ কম বেশি হয়। আমি এখানে শুধু বাংলাদেশিদের জন্য জনপ্রিয় থাইল্যান্ড টুরিস্ট ভিসা ও ট্রানজিট ভিসার ফির লিস্ট এখানে দিচ্ছি।

টুরিস্ট ভিসা ৩৫০০ সিঙ্গেল ৩ মাস
টুরিস্ট ভিসা ১৭০০০ মাল্টিপল ৬ মাস
ট্রানজিট ভিসা ৩০০০ সিঙ্গেল ৩ মাস
ট্রানজিট ভিসা ৫৫০০ ডাবল ৬ মাস

এই ভিসা ফি বাদেও ভিসা আবেদন গ্রহণকারীদের (ভিএফএস, সাইমন ইত্যাদি) এদের সার্ভিস চার্জ দিতে হবে। প্রসেসিং ফি ১২৬০ টাকা। মানে আপনি ৩ মাস মেয়াদী সিঙ্গেল এন্ট্রি টুরিস্ট ভিসা আবেদন করতে খরচ হবে ৩৫০০+১২৬০=৪৭৬০ টাকা।

৭. সচরাচর জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন ও উত্তর
থাইল্যান্ড ভিসা খরচ কত?
থাইল্যান্ড ভিসা খরচ সম্পর্কে জানতে উপরের থাইল্যান্ড ভিসা ফি সেকশন দেখুন। ৩ মাস মেয়াদী সিঙ্গেল এন্ট্রি টুরিস্ট ভিসা আবেদন করতে খরচ হবে ৩০০০+১২৬০=৪২৬০ টাকা।

থাইল্যান্ড ভিসা ওপেন ফর বাংলাদেশী?
হ্যা এখন বাংলাদেশীদের জন্য থাইল্যান্ড ভিসা ওপেন।

ভিসা পেতে কত সময় লাগে?
সাধারণত ১ সপ্তাহেই পাসপোর্ট ফেরত দেয়। তবে অনেক সময় সময় নিতে পারে।

আশা করি থাইল্যান্ড ভিসা প্রসেসিং সম্পর্কে আপনাদের সকল প্রশ্নের উত্তর দিতে পেরেছি। আর আপনার কাছে যদি আপডেট তথ্য থাকে অথবা কোন তথ্য ভুল মনে হয় তাহলে অনুগ্রহ করে কমেন্ট করে জানান, আমি আপডেট করব।

ধন্যবাদ।

08/10/2024

কানাডা ভিজিট ভিসা সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য জানার পর। অবশ্যই ভিসা আবেদন করার পূর্বে আপনার সকল ধরনের বৈধ কাগজপত্র গুলো ঠিক আছে কিনা তা যাচাই করে নিবেন। আপনি যদি নিজের মাধ্যমে আবেদন প্রক্রিয়া করতে না পারেন, তাহলে অবশ্যই কোন এজেন্সির সহযোগিতা নিবেন।

বিদেশ ভ্রমণ আমাদের বাংলাদেশিদের কাছে অনেক জনপ্রিয় একটি রিক্রিয়েশন গেটওয়ে। আর এর মধ্যে সবচেয়ে জনপ্রিয় টুরিস্ট ডেস্টিনেশা...
07/10/2024

বিদেশ ভ্রমণ আমাদের বাংলাদেশিদের কাছে অনেক জনপ্রিয় একটি রিক্রিয়েশন গেটওয়ে। আর এর মধ্যে সবচেয়ে জনপ্রিয় টুরিস্ট ডেস্টিনেশান হল থাইল্যান্ড। থাইল্যান্ড ইমিগ্রেশান এর তথ্য অনুযায়ী, বিগত কয়েক বছরে প্রায় ১৩৯,৬২২ জন বাংলাদেশি পর্যটক থাইল্যান্ড-এ ট্রাভেল করেছেন। এতেই বুঝা যায় থাইল্যান্ড কতটা জনপ্রিয় । আর হবেই বা না কেন? নৈসর্গিক আইল্যান্ড এবং বিচ, হরেক রকম ওয়াটার অ্যাক্টিভিটি থেকে শুরু করে ব্যাংকক এর অসংখ্য দর্শনীয় স্থান, ঐতিহাসিক মন্দির আর স্থাপত্য, নানারকম প্রদর্শণীয় গ্যালারি, ভাসমান বাজার কিংবা শপিং মল, কি নেই এখানে? এই সব কিছুর কারণে মানুষ সময় পেলেই পরিবার কিংবা গ্রুপ ভিত্তিক থাইল্যান্ড টুর প্ল্যান করে থাকেন। তবে থাইল্যান্ড ঘুরতে যাওয়ার প্ল্যান করার শুরুতেই যে বিষয়টি সবাই চিন্তা করে তা হল কিভাবে থাই ভিসা পাব, কোথা থেকে এপ্লাই করব, কী কী ডকুমেন্টস লাগবে অর্থাৎ ভিসা প্রসেসিং। তাই সকলের কনফিউশান ক্লিয়ার করতে আর থাই ভিসা পাওয়ার একটি কমপ্লিট গাইডলাইন দিতেই আমাদের আজকে থাইল্যান্ড ভিসা গাইড ব্লগটি সাজানো হয়েছে।
**কি কি প্রকারের থাইল্যান্ড ভিসা হয়ে থাকে?
বাংলাদেশে অবস্থিত রয়েল থাই এম্বাসি থেকে কয়েক ক্যাটাগরির ভিসা পাওয়া যায়। এগুলো হচ্ছেঃ
* টুরিস্ট ভিসা
* মেডিকেল ভিসা
* বিজনেস ভিসা
* ট্রান্সিট ভিসা ইত্যাদি।
আমরা এ্যাপোলো ট্যুরস এন্ড ট্রাভেল, আমরাই একমাত্র ইউরোপ,আমেরিকা,কানাডা ,থাইল্যান্ড ঘুরার জন্য সঠিক গাইডলাইন দিয়ে থাকি । তাই আপনার সপ্নের দেশটি ঘুরার ইচ্ছা থাকলে আজই আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন!
আমাদের ঠিকানাঃ-
☛ APOLLO TOURS AND TRAVEL
মোবাইলঃ-
☎️ 01886-862428 (WhatsApp)
অফিস: - গ ৯৯/৫; ৮ম রহিমা টাওয়ার, বাটা শোরুম , মধ্য বাড্ডা ( লিংক রোড এর পাশে ), ঢাকা-১২১২
✦ অফিসের কার্যদিবস: শনিবার থেকে বৃহস্পতিবার, প্রতিদিন সকাল ১০:০০ হইতে বিকাল ০৫:০০।

06/10/2024

যারা একদমই নতুন কিন্তু মনে মনে ভাবছে উন্নত দেশে যাবেন- তাদের জন্যেও সু-খবর দিলো! কানাডা, অস্ট্রেলিয়া এবং ইউরোপের দেশ!

উন্নত ধরনের জীবনযাপন, পড়াশোনা ও অর্থনৈতিক দিক থেকে কানাডা অনেক বেশি এগিয়ে। এছাড়া ভ্রমণ প্রিয় মানুষের জন্য কানাডায় র...
05/10/2024

উন্নত ধরনের জীবনযাপন, পড়াশোনা ও অর্থনৈতিক দিক থেকে কানাডা অনেক বেশি এগিয়ে। এছাড়া ভ্রমণ প্রিয় মানুষের জন্য কানাডায় রয়েছে বিশেষ করে টরন্টো, কুইবেক, ভ্যানকুভার ইত্যাদি শহরের মতো অনেক পর্যটন কেন্দ্র।তবে কানাডা ভ্রমণ করা সহজ হলেও কানাডা ভ্রমণ ভিসা পাওয়া একটু কঠিন। তাই বলে আপনি যে কানাডা ভ্রমণ করতে পারবেন না তা কিন্তু নয়।আপনার যদি কানাডা ভিজিট ভিসার যোগ্যতা থাকে তাহলে অবশ্যই আপনি ভ্রমন ভিসা পাবেন।আমরা এ্যাপোলো ট্যুরস এন্ড ট্রাভেল, আমরাই একমাত্র ইউরোপ,আমেরিকা,কানাডা ঘুরার জন্য সঠিক গাইডলাইন দিয়ে থাকি । তাই আপনার সপ্নের দেশটি ঘুরার ইচ্ছা থাকলে আজই আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন!
আমাদের ঠিকানাঃ-
☛ APOLLO TOURS AND TRAVEL
মোবাইলঃ-
☎️ 01886-862428 (WhatsApp)
অফিস: - গ ৯৯/৫; ৮ম রহিমা টাওয়ার, বাটা শোরুম , মধ্য বাড্ডা ( লিংক রোড এর পাশে ), ঢাকা-১২১২
✦ অফিসের কার্যদিবস: শনিবার থেকে বৃহস্পতিবার, প্রতিদিন সকাল ১০:০০ হইতে বিকাল ০৫:০০।

30/09/2024

বিশ্বের অন্যতম সমৃদ্ধশালী দেশ কানাডা। এছাড়া ভ্রমন প্রিয় মানুষের কাছে কানাডা খুবই জনপ্রিয় একটি দেশ। শুধু বাংলাদেশ নয়, পৃথিবীর প্রায় সকল দেশের মানুষ কানাডা ভ্রমণ করার জন্য যাচ্ছে। কিন্তু অবশ্যই কানাডা ভিজিট করতে হলে প্রথমে আপনাকে একটি ভিজিট ভিসা পেতে হবে। এজন্য আপনি নিশ্চই কানাডা ভিজিট ভিসা পাওয়ার নিয়ম অবগত হতে বা জানতে চাচ্ছেন।তবে আমরা অনেকেই কানাডা ভ্রমণ ভিসা বিস্তারিত জানি না। তাই আজকের এই লেখায় কানাডা ভিজিট ভিসা সম্পর্কে বিস্তারিত জানাবো। আপনি যদি ভালো কোন এজেন্সির মাধ্যমে সঠিকভাবে আপনার ভিসা আবেদন করে থাকেন তাহলে খুব সহজেই আপনার কানাডা ভিজিট ভিসা পেয়ে যেতে পারেন।
1.কানাডা ভিজিট ভিসা ২০২৪
2.কানাডা ভিজিট ভিসা পাওয়ার নিয়ম
3.কানাডা ভিজিট ভিসার জন্য কী কী যোগ্যতা লাগে?
4.কানাডা ভিজিট ভিসা করতে কি কি ডকুমেন্টস লাগে?
5.কানাডা ভিজিট ভিসা খরচ কত?
6.কানাডা ভিজিট ভিসা আবেদনের নিয়ম
7.কানাডা ভিজিট ভিসা আবেদন ফরম ২০২৪
8.কানাডা ভ্রমণ ভিসা আবেদন কেন্দ্র কোথায়?
9.কানাডা ভিজিট ভিসা প্রসেসিং টাইম
এসকল তথ্য সম্পর্কে জানতে আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন,আমরাই বিস্বস্ত।
আমাদের ঠিকানাঃ-
☛ APOLLO TOURS AND TRAVEL
মোবাইলঃ-
☎️ 01886-862428 (WhatsApp)
☎️ 01874-423062 (WhatsApp)
অফিস: - গ ৯৯/৫; ৮ম রহিমা টাওয়ার, বাটা শোরুম , মধ্য বাড্ডা ( লিংক রোড এর পাশে ), ঢাকা-১২১২
✦ অফিসের কার্যদিবস: শনিবার থেকে বৃহস্পতিবার, প্রতিদিন সকাল ১০:০০ হইতে বিকাল ০৫:০০।

Address

Ga-99/5. Rahima Tower. Middle Badda
Dhaka
1212

Opening Hours

Monday 10:00 - 06:00
Tuesday 10:00 - 06:00
Wednesday 10:00 - 05:45
Thursday 10:00 - 06:00
Saturday 10:00 - 06:00
Sunday 10:00 - 06:00

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Apollo Tours & Travel posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category