09/01/2025
🇭🇷 ক্রোয়েশিয়ার নতুন এপ্লিকেশন নিয়ে কিছু গুরুত্বপূর্ণ কথা:
---
👇
যারা ২০২৫ সালে ক্রোয়েশিয়া এপ্লাই করতে চাচ্ছেন, দয়া করে ভেবে নেবেন না যে এখন আবেদন করলেই দ্রুত ওয়ার্ক পারমিট চলে আসবে বা ভিএফএস সেন্টারে ফাইল জমা দিতে পারবেন। পুরো প্রক্রিয়াটি দীর্ঘ এবং ধৈর্যের পরীক্ষা। এটি সম্পন্ন করতে কিছু ধাপ অনুসরণ করতে হবে। নিচে ধাপে ধাপে বিস্তারিত তুলে ধরা হলো:
---
ক্রোয়েশিয়ায় যাওয়ার ধাপসমূহ:
১. পুলিশ ক্লিয়ারেন্স:
প্রথমে একটি পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট তৈরি করতে হবে।
এটি পেতে সাধারণত ১-২ সপ্তাহ সময় লাগে।
২. অ্যাটেস্টেশন:
পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেটটি DHL-এর মাধ্যমে দিল্লিতে প্রেরণ করতে হবে।
দিল্লিতে অবস্থিত বাংলাদেশ এম্বাসি এবং ক্রোয়েশিয়া এম্বাসি থেকে এটেস্টেশন করাতে হবে।
এই ধাপে সময় লাগে ১৫-২০ দিন।
৩. কোম্পানির ভেকেন্সি অনুযায়ী ফাইল প্রেরণ:
কোম্পানির চাহিদা অনুযায়ী আপনার ফাইল প্রস্তুত করে ক্রোয়েশিয়া প্রেরণ করা হবে।
৪. HZZ অনলাইন প্রসেস:
ক্রোয়েশিয়ার কাজের অনুমতি বিষয়ক সংস্থা HZZ-এ আপনার ফাইল প্রক্রিয়া করা হবে।
এটি সাধারণত ১ মাস লাগে। তবে বেশি ফাইল থাকলে ২-৩ মাস বা তার বেশি সময় লাগতে পারে।
৫. পারমিট ইস্যু:
অনলাইন অনুমোদনের পর পারমিট ইস্যু হতে সাধারণত ২-৬ মাস লাগে।
কিছু ক্ষেত্রে এই সময় কম-বেশি হতে পারে।
৬. এম্বাসি প্রসেস:
পারমিট পাওয়ার পর এম্বাসিতে জমা দেওয়ার কাজ এবং ভিসা ডেলিভারির প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে আরও ২-৩ মাস সময় লাগে।
৭. ভিসা এবং ফ্লাইট:
ভিসা ইস্যু হলে আলহামদুলিল্লাহ! এরপর ম্যানপাওয়ার ট্রেনিং এবং ফ্লাইটের জন্য ১ মাসের প্রস্তুতি সময় লাগবে।
যদি ভিসা রিজেক্ট হয়, তবে এই পর্যন্ত সময়, শ্রম, এবং অর্থ নষ্ট।
---
সময়সীমার বাস্তবতা:
পুরো প্রক্রিয়া সম্পন্ন হতে ১ বছর বা তার বেশি সময় লেগে যেতে পারে।
কোনো কোনো ক্ষেত্রে কাজ দ্রুত সম্পন্ন হলেও, কিছু ক্ষেত্রে ১ বছরেও কাজ শেষ নাও হতে পারে।
---
কেন দ্রুত বা ধীরগতিতে কাজ হয়?
১. সৌভাগ্যের বিষয়:
কিছু কোম্পানির পারমিট সৌভাগ্যক্রমে দ্রুত ইস্যু হলে, পুরো প্রক্রিয়া দ্রুত সম্পন্ন হয়।
২. দুর্ভাগ্যের বিষয়:
পারমিট দেরিতে ইস্যু হলে পুরো প্রক্রিয়া দীর্ঘ হয়ে যায়।
শহরভেদেও পারমিট ইস্যুর সময় কম-বেশি হতে পারে।
---
পরামর্শ:
ইউরোপের যেকোনো দেশেই আবেদন করার আগে ১ বছর সময় ধরে পরিকল্পনা করুন।
এজেন্সি যা-ই বলুক, ধৈর্য ধরে অপেক্ষা করতে হবে।
মনে রাখবেন, ওয়ার্ক পারমিট ইস্যু নাও হতে পারে বা ভিসা নাও পেতে পারেন। এই বাস্তবতাও মেনে নিতে হবে।
---
শেষ কথা:
১০ বার ভেবে-চিন্তে ফাইল জমা দিন।
এটি একটি দীর্ঘ প্রক্রিয়া। কাজ হলে খুশি, না হলে লস ধরে রাখবেন।
হুজুগে না গিয়ে সঠিক তথ্য এবং সঠিক পরিকল্পনার ভিত্তিতে কাজ করুন।
ইমিডিয়েট ওভারসিজ।
Email-
[email protected]
+8801704-747102
+91 96352 09778
+8801613-034537
রোকেয়া মেনশন (লেভেল ৬), পুরানা পল্টন ঢাকা!