Shreyosi Tours & Travels - yours traveling associate

Shreyosi Tours & Travels - yours traveling associate শ্রেয়সী ট্যুর (Shreyosi Tour's) - আপনার ভ্রমণের স?

প্রকৃতির রাজকন্যা বিছানাকান্দির দিকে নৌকা যতই এগোতে থাকবে, ততই চারপাশের সৌন্দর্যটা যেন উপচে পড়বে আপনার ওপর। মুগ্ধতা ততটা...
12/08/2018

প্রকৃতির রাজকন্যা বিছানাকান্দির দিকে নৌকা যতই এগোতে থাকবে, ততই চারপাশের সৌন্দর্যটা যেন উপচে পড়বে আপনার ওপর। মুগ্ধতা ততটাই বেড়ে যাবে। এ মুহূর্তগুলো পুরো ভ্রমণটাকে আরো স্মরণীয় করে রাখবে। একটু দূরের দুই পাশে মেঘে ঢাকা মেঘালয় পাহাড় যেন স্বাগত জানাবে আপনাকে। অবাক বিস্ময়ে বিছানাকান্দির রূপ দেখতে দেখতে এগোতে থাকবেন মূল স্পটের দিকে। গিয়ে এবার জলকেলিতে মেতে ওঠার পালা।

যাতায়াতঃ বিছানাকান্দি যেতে হলে সর্বপ্রথম আপনাকে নগরীর আম্বরখানা পয়েন্ট যেতে হবে। সেখানে বিমানবন্দর রোড দিকে সিএনজিযোগে ধরতে হবে বিছানাকান্দি আর পান্থমাইয়ের পথ। সিএনজি হাদারপার বাজার পর্যন্ত রিজার্ভ করে গেলে ভালো হয়। পাঁচজন মিলে ৪০০ টাকায় সাধারণত ভাড়া নেওয়া হয়। তবে এ লোকাল গেলে ভাড়া জনপ্রতি ১০০ টাকা। হাদারপার থেকে নৌকাযোগে বিছানাকান্দি ও পান্থমাই একসঙ্গে ঘুরতে ভাড়া গুনতে হবে এক হাজার ৫০০ থেকে দুই হাজার টাকা।

ছবি ও লেখাঃ সংগৃহীত

07/08/2018
কম খরচে সড়ক পথে ভুটান ভ্রমণধরুন আপনি একজন বাজেট ট্রাভেলার। স্বল্প বাজেটে বজ্র ড্রাগনের দেশ ভুটান ঘুরে দেখার খুব শখ। কিন্...
31/07/2018

কম খরচে সড়ক পথে ভুটান ভ্রমণ

ধরুন আপনি একজন বাজেট ট্রাভেলার। স্বল্প বাজেটে বজ্র ড্রাগনের দেশ ভুটান ঘুরে দেখার খুব শখ। কিন্তু, সঠিক তথ্যের অভাবে পরিকল্পনাটা ঠিক মতো দাঁড় করাতে পারছেন না। তাহলে আপনার জন্য এই পোস্ট। আসুন আহলে আজ আমরা জেনে নেই কম খরচে সড়ক পথে ভুটান ভ্রমণের বিস্তারিত—

সড়ক পথে ভুটান যেতে হলে আপনাকে প্রথমেই ভারতের ট্রানজিট ভিসা নিতে হবে। মনে রাখতে হবে, ভিসার মেয়াদ কিন্তু ১৪ দিন। অর্থাৎ আপনি যেদিন যাবেন তার কমপক্ষে ৮ থেকে ১০ দিন আগে আপনাকে ভারতীয় ভিসা সেন্টার গুলশানে আবেদন করতে হবে।

ভিসা জমা দিতে যা লাগবে:

১. অনলাইনে ফরম পূরণ করে তার প্রিন্ট কপি। ভিসা ফর্ম পূরণের সময় ভিসা টাইপ ট্রানজিট ও পোর্ট দিবেন বাই রোড চ্যাংরাবান্ধা/জয়গাঁও

২. সাদা ব্যাকগ্রাউন্ডযুক্ত দুই ইঞ্চি বাই দুই ইঞ্চি ছবি, ফরমের সাথে আঠা দিয়ে লাগিয়ে দিতে হবে।

৩. ন্যাশনাল আইডি বা জন্মসনদের ফটোকপি

৪. বর্তমান ঠিকানার সাম্প্রতিক বিদ্যুৎ বা গ্যাস বিল শেষ ৬ মাসের

৬. চাকরিজীবীদের ক্ষেত্রে এনওসি (নো অবজেকশন সার্টিফিকেট), ব্যবসায়ীদের ক্ষেত্রে ট্রেড লাইসেন্স এবং ছাত্রছাত্রীদের আইডি কার্ডের ফটোকপি।

৫. ডলার এন্ড্রোসমেন্টের (২০০ ডলার) কপি অথবা ব্যাংক স্টেটমেন্টের (১৫ হাজার টাকা থাকতে হবে) কপি।

৬. বর্তমানে ভুটানে হোটেল রিজার্ভেশনের কাগজও দেখতে চায় ভারতীয় হাইকমিশন,তাই ভুটানে যে হোটেল বুকিং দিয়েছেন, এর কাগজও জমা দিতে হবে।

৭. পাসপোর্ট ও পাসপোর্টের ফটোকপি (পাসপোর্টের মেয়াদ সর্বনিম্ন ছয় মাস থাকতে হবে)। আগে ইন্ডিয়ান ভিসা থাকলে তারও ফটোকপি লাগবে। পুরাতন পাসপোর্ট থাকলে সেটা জমা দিতে হবে।

৮. বাসে আসা যাওয়ার কনফার্ম টিকেট সেক্ষেত্রে শ্যামলী বা এসআর পরিবহন বা অন্য যেকোনো পরিবহনের বুড়িমারি বর্ডার-শিলিগুড়ি পর্যন্ত আসা যাওয়ার টিকেট। যেহেতু কনফার্ম টিকেট কাটবেন বাসের সেহেতু ভ্রমণ তারিখ ও হাইকমিশনে ভিসার আবেদন জমা দেয়ার তারিখের সাথে ১০-১২ দিন গ্যাপ রাখবেন। কারণ, জমা দেবার আট থেকে ১০ দিন পর ভিসা দেয়া হয়। তাই বাসের টিকেটের তারিখ এর পরে হতে হবে। বাসের টিকেটের ফটোকপিও জমা দিতে হবে অরজিনাল কপির সাথে।

যেভাবে যাবেন:

ট্রানজিট ভিসা নিয়ে সোজা চলে যান বুড়িমারি বর্ডারে। ঢাকা থেকে শ্যামলী, এসআর, মানিক আর নাবিলসহ কয়েকটি বাস ছাড়া হয়। ভাড়া ৮৫০ টাকা থেকে ১০০০ টাকা। রাত ৮টার মধ্যে এসব বাস ঢাকা থেকে ছেড়ে যায়। পরদিন সকালে অর্থাৎ ভোরে পৌঁছে যাবেন বুড়িমারি। মনে রাখবেন বাংলাদেশের এপাশের নাম বুড়িমারি আর ভারতের ওপাশের নাম চ্যাংড়াবান্ধা। আর বর্ডার খোলা হয় এখানে সকাল ৯টায়। এ সময়টুকু বসেই থাকতে হবে।

বাংলাদেশের ইমিগ্রেশনের কাজ সেরে চ্যাংড়াবান্ধা যেতে হবে। সেখানেও রয়েছে বেশকিছু ফর্মালিটি। ট্রাভেল ট্যাক্স ৫০০ টাকা ছাড়াও আরও ১০০ টাকা আপনাকে এখানে দিতে হবে। যদিও আমি জানি না এই টাকাটা কি জন্য প্রয়োজন। না দিলে এক ধরনের ঝামেলায় পড়তে হয়। এসব দেখার এখানে কেউই নেই। এবার দেশের বর্ডার পার হয়ে ওপারে যাবেন। সেখানেও দিতে হবে ১০০ টাকা জনপ্রতি। বাংলা ভাষায় ঘুষ। যেখানে দেশে এসব দেখার কেউ নেই অতএব ওই ভিনদেশেও কাউকে আশা করে লাভ নেই। এবার কাজ শেষ করে যাত্রার পালা।

এখানে অর্থাৎ চ্যাংড়াবান্ধায় আপনাকে ভারতীয় দালালরা জোর করবে টাকা অথবা ডলার ভাঙানোর জন্য। ওদেরকে বুঝতে দিবেন না আপনার কাছে কত টাকা আছে। অল্প কিছু ভাঙিয়ে কোনো মতে, এখান থেকে কেটে যাবার চিন্তা করবেন। চ্যাংড়াবান্ধা থেকে আপনাকে যেতে হবে জয়গাঁও বর্ডার। ট্যাক্সিতে চলে যেতে পারেন। সময় লাগবে সাড়ে তিন ঘণ্টার মতো। ট্যাক্সিতে ৪০০ রুপি মতো খরচ পড়বে জনপ্রতি। ৪ জন রিসার্ভ যেতে চাইলে সেটা হয়ে যাবে দেড় থেকে দুই হাজার রুপির মতো।

চাইলে বাসেও যেতে পারেন। সেক্ষেত্রে খরচ কমে আসবে অনেকটাই।
চ্যাংড়াবান্ধা জিরো পয়েন্ট থেকে বাসস্ট্যান্ড ভ্যানে যেতে লাগবে ১০ রুপি সময় লাগবে ১০ মিনিট।
বাসস্ট্যান্ড থেকে ময়নাগুড়ি বাস ১৫-২০ রুপি, সময় লাগবে ৩০ মিনিট।
ময়নাগুড়ি থেকে সোজা জয়গাঁও বাসে ভাড়া নেবে ৫০-৬৫ রুপি, সময় ৩ থেকে ৪ ঘণ্টা।
জয়গাঁও থেকে ভারতীয় ইমিগ্রেশন পয়েন্ট টেম্পোতে লাগবে ১০ রুপি সময় লাগবে ১৫ মিনিট।

ইমিগ্রেশনের কাজ সেরে আপনাকে হেঁটেই ঢুকতে হবে ভুটান। এটা ভুটানের প্রবেশ পথ। ফুন্টসোলিং।

জয়গাঁও এর ওপারেই ফুন্টসোলিং। এখানেই আপনাকে অন অ্যারাইভাল ভিসা দেবে ভুটান।

এবার নিশ্চিন্তে ভুটান ঘোরার পালা। চাইলে সেদিন ফুন্টসোলিং থেকে যেতে পারেন। মোটামুটি কম খরচেই মিলবে ভালো হোটেল। এক রুম ১ থেকে দেড় হাজার টাকায় থাকতে পারবেন দু’জন। সময় বেশি না থাকলে সেদিন ফুন্টসোলিং না থেকে চলে যান পারো অথবা থিম্পুতে।

ওইখানেই বাসস্ট্যান্ড। বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে শেষ বাস। পাহাড়ি আঁকাবাঁকা রাস্তা দিয়ে পারো কিংবা থিম্পু যেতে পারেন, ভাড়া নিবে ২৫০ রুপী, সময় লাগবে ৬ ঘণ্টা। তবে হাতে সময় থাকলে একদিন থেকে ছোট্ট শহর ফুন্টসোলিং ঘুরে দেখতে ভুলবেন না। সুন্দর সাজানো গোছানো শহরের পাশ দিয়ে রয়েছে চলেছে নদী।

কম খরচে পারো অথবা থিম্পু যেতে চাইলে বাসই ভরসা। সেক্ষেত্রে আগের দিন টিকিট করে রাখুন। ট্যাক্সি নিয়েও চলে যেতে পারেন। পারোতে থাকার খুব ভালো ব্যবস্থা রয়েছে। পারোতে গেলে টাইগার্স নেস্ট ও পারো জং দেখতে ভুলবেন না। পারো এয়ারপোর্টও মুগ্ধ করবে আপনাকে। পারো খুবই শান্ত ও আরামদায়ক একটি শহর।

পারো থেকে থিম্পু যেতে দুই ঘণ্টার মতো সময় লাগবে। বুদ্ধ পয়েন্ট, থিম্পু মনেস্ট্রি, রাজার বাড়িসহ বেশকিছু দৃষ্টিনন্দন জায়গা রয়েছে এখানে। থিম্পু ঘুরে দেখতে একদিনই যথেষ্ট।

ডিসেম্বরের দিকে ভুটান ভ্রমণের পরিকল্পনা থাকলে চেলালা পাস ও দোচালা পাস ঘুরে আসতে ভুলবেন না। ভাগ্য সহায় থাকলে এখানে পেয়ে যাবেন বরফ। ডিসেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারি-মার্চ পর্যন্ত বরফ পড়ে এখানে।

ফেরার সময় মনে রাখবেন বুড়িমারি থেকে মূলত বাস ছাড়ে সন্ধ্যায়। তাই ফুন্টসোলিং থেকে অবশ্যই ১২ টার মধ্যে বের হবার চেষ্টা করবেন। বের হবার সময় ঠিক আগের মতই সব ইমিগ্রেশন পয়েন্ট থেকে আপনার পাসপোর্টে এক্সিট সিল মারতে মারতে আসবেন একদম বুড়িমারি পর্যন্ত।

ভারতীয় ইমিগ্রেশন পয়েন্ট থেকে জয়গাঁও বাসস্ট্যান্ড টেম্পোতে যেতে ১০ রুপি আর সময় লাগবে ১৫ মিনিট।
জয়গাঁও থেকে ময়নাগুড়ি বাসট্যান্ড বা ৫০-৬৫ রুপি সময় লাগবে ৩ থেকে ৪ ঘণ্টা।
ময়নাগুড়ি থেকে চ্যাংড়াবান্ধা বাসস্ট্যান্ড পর্যন্ত বাসভাড়া পড়বে ১৫-২০ রুপি, সময় লাগবে ৩০ মিনিট।
চ্যাংড়াবান্ধা বাসস্ট্যান্ড থেকে চ্যাংড়াবান্ধা জিরো পয়েন্ট ভ্যানে ১০ রুপি এবং সময় লাগবে ১০ মিনিট।

যে বিষয়গুলো জেনে রাখবেন:

১. ভুটানের সড়ক পথের সৌন্দর্য অসাধারণ। তাই ফুন্টসোলিং থেকে পারো অথবা থিম্পু যেতে চাইলে দিনের আলো থাকতে থাকতেই চলে যান।

২. চ্যাংড়াবান্ধা বর্ডারে টাকা থেকে রুপি করে নিতে পারবেন। সঙ্গে ১ কপি পাসপোর্ট সাইজ ছবি ও পাসপোর্টের ফটোকপি রাখবেন।

৩. ট্রানজিট ভিসার ক্ষেত্রে আসা যাওয়ার সময় ভারতে প্রতিবার সর্বোচ্চ ৭২ ঘণ্টা পর্যন্ত অবস্থান করতে পারবেন। আর এ সুযোগে আপনি চাইলেই জলপাইগুড়ি কিংবা দার্জিলিং হয়ে একদিন কিংবা ২ দিন ঘুরে আসতে পারবেন।

৪. হোটেলের জন্য প্রতিদিন বাজেট ১ থেকে দেড় হাজার রুপি।

৫. খাওয়া প্রতি বেলা ১০০ থেকে ২০০ রুপি। যদিও খাওয়া নিয়ে অনেকেরই একটু কষ্ট হতে পারে। ভাত, সবজি, মুরগী আর লাল রুটি ছাড়া সবই ভুটানি খাবার।

৬. ভুটানের টাকার নাম নুলট্রাম। তবে সেখানে সব জায়গাতেই ভারতীয় রুপি চলে। তবে আসার আগে কোনো নুলট্রাম থাকলে চেষ্টা করবেন অবশ্যই তা সেখানেই শেষ করে আসতে। কারণ, এই নুলট্রাম আবার ভারতের বর্ডার এলাকা ছাড়া কোথাও চলে না।

৭. ভুটানে কোথাও সিগারেট খেতে পারবেন না। সেইসাথে যত্রতত্র থু থু ফেলা থেকে বিরত থাকার চেষ্টা করুন। রাস্তা পার হতে জেব্রা ক্রসিং ব্যবহার করুন।

সুত্রঃ Poriborton, The Daily Star

16/07/2018

আমাদের সেবাসমুহঃ

১) বাংলাদেশের যে কোন জায়গায় ট্যুর অপারেটর ।
২) বাস, বিমান, রেল টিকেট বুকিং ।
৩) বাংলাদেশের যে কোন জায়গায় হোটেল বুকিং ।
৪) ভারতে বাস, বিমান, রেল ও হোটেল বুকিং ।
৫) ঢাকায় কার, মাইক্রোবাস, বাস, এ্যাম্বুল্যান্স ভাড়া ।

মুপ্পাছড়া ট্রেইলঃরুটঃ কাপ্তাই/রাংগামাটি- বিলাইছড়ি- বাংগাল কাটা- মুপ্পাছড়াকাপ্তাই/রাংগামাটি থেকে প্রথমে বিলাইছড়ি আসতে হবে...
01/07/2018

মুপ্পাছড়া ট্রেইলঃ
রুটঃ কাপ্তাই/রাংগামাটি- বিলাইছড়ি- বাংগাল কাটা- মুপ্পাছড়া

কাপ্তাই/রাংগামাটি থেকে প্রথমে বিলাইছড়ি আসতে হবে( এখন বিলাইছড়ি বাজার এ কিছু বোর্ডিং ও আছে থাকার জন্যে)। ওখান থেকে বাংগাল কাটা ২০ মিনিট এর নৌ পথ। ওখানে নেমে একজন লোকাল গাইড নিয়ে পাহাড়ি ছড়া আর অনেকগুলো ছোট ছোট ঝর্ণা পার হয়ে অবশেষে ১ঃ৩০ ঘন্টায় পৌছে গিয়েছিলাম বহু আকাংখিত মুপ্পাছড়া ঝর্ণায় 😊😊😊। আসার সময় গাইডকে বলে রাখবেন যেন নকাটা ঝর্ণা ( ৩নং ছবি) হয়ে আসে। পুরো ট্রেইলটি আমার দেখা অন্যতম সুন্দর একটি ট্রেইল। ( বিঃদ্রঃ ছবিগুলো সম্পূর্ণ এডিটমুক্ত 😊)

টিপ্সঃ
১। সবাই অবশ্য ই ভোটার আইডি কার্ড এর কপি নিয়ে আসবেন।
২। বর্ষার সময় আসার চেষ্টা করবেন নতুবা এত কষ্ট করে ঝর্ণাতে গিয়ে পানি পাওয়ার সম্ভাবনা ক্ষীণ।
(এই ট্রেইল টি এখন ও খুব পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রয়েছে। তাই দয়া করে কোন প্রকার ময়লা ফেলবেন না)

সুত্রঃ Kantu Chakma Subilas

ভারত-চিনের মাঝে হিমালয়ের কোলে ছোট্ট দেশ ভুটান। ছবির পোস্টকার্ডের মতো ছিমছাম এই দেশে যাওয়ার উদ্দেশ্য শুধু মাত্র তার নৈসর্...
30/05/2018

ভারত-চিনের মাঝে হিমালয়ের কোলে ছোট্ট দেশ ভুটান। ছবির পোস্টকার্ডের মতো ছিমছাম এই দেশে যাওয়ার উদ্দেশ্য শুধু মাত্র তার নৈসর্গিক দৃশ্য উপভোগ করা নয়। দেশের রাজা থেকে সাধারণ মানুষ, সকলের একটাই উদ্দেশ্য। তা হল আনন্দে থাকা, সুখে থাকা।

আর পাহাড়ের চড়াই উতরাই ভাঙা নয়, বৌদ্ধমঠের ইতিহাস খুঁজে বেড়ানো নয়। হা-তে আসা শুধু মাত্র প্রকৃতির মাঝে বসে একটু বিশ্রাম নেওয়ার জন্য, আবার রোজকার জীবনে ফিরে যাওয়ার আগে।

শুধু প্রাকৃতিক দৃশ্য বা বৌদ্ধধর্ম নয়, ছোট্ট এই দেশ আমাদের শেখায় বেঁচে থাকার মানেও

এক দিনের সফর "মহেড়া জমিদার বাড়ী", টাংগাইল ।১৯৭১ সালের ১৪ই মে বাংলাদেশের মহান স্বাধীনতা যুদ্ধের সময়ে পাকবাহিনী মহেড়া জমিদ...
16/05/2018

এক দিনের সফর "মহেড়া জমিদার বাড়ী", টাংগাইল ।

১৯৭১ সালের ১৪ই মে বাংলাদেশের মহান স্বাধীনতা যুদ্ধের সময়ে পাকবাহিনী মহেড়া জমিদার বাড়ীতে হামলা করে এবং জমিদার বাড়ীর বধূ যোগমায়া রায় চৌধুরীসহ পাঁচজন গ্রামবাসীকে চৌধুরী লজের মন্দিরের পেছনে একত্রে দাঁড় করিয়ে নির্মমভাবে গুলি করে হত্যা করে। যে দেশের জন্য, যে দেশের মানুষের জন্য মহেড়া জমিদার পরিবার নিজেদের শত প্রাচুর্য ভুলে এলাকার উন্নয়নে সর্বক্ষণ ব্যস্ত থাকতেন, সেই এলাকার এই চরম হত্যাযজ্ঞে জমিদার পরিবার শুধু হতাশ হননি, শত বছরের সাজানো জমিদার বাড়ী আর কোটি টাকার সম্পদ ফেলে চরম ঘৃণা আর ক্ষোভ নিয়ে লৌহজং নদীর নৌপথে নৌকা যোগে চলে যান বাংলাদেশ ছেড়ে।

পুলিশের ট্রেনিং সেন্টার স্থাপন হওয়ায় ট্রেনিং পরিচালনার জন্য জমিদার বাড়ীটির যথাযথ রক্ষনাবেক্ষণসহ নতুন নতুন স্থাপনা তৈরী করার কারনে পুরানো স্থাপত্য কলার অপরুপ এই জমিদার বাড়ীটির সৌন্দর্য্য শুধু অক্ষত থাকেনি বরং তার কলেবর আরো বৃদ্ধি পেয়েছে।

যাত্রার তারিখ ও সময় : ১৮ মে সকাল ৭:০০ টায়।
ফেরার তারিখ ও সময় : ১৮ মে রাত ৮:০০ টায়।
যাতায়াত : মাইক্রোবাস (এসি), আসন : ১২ জন ।

ভ্রমণের বর্ণনাঃ
সকাল ৭ টায় আমাদের যাত্রা শুরু হবে । মহেরা জমিদার বাড়ির আশে পাশে আরও কিছু জমিদার বাড়ি আছে যেমন পাকুল্লা জমিদার বাড়ী, দেলদুয়ার জমিদার বাড়ি, করটিয়া জমিদার বাড়ি। সময় পেলে সব জমিদার বাড়িগুলো দেখবো । দুপুরের খাবার মহেড়া ক্যান্টিনে খাবো । সবাই মিলে মহেরা জমিদার বাড়ির সব জায়গা গুলো ঘুরে দেখবো আড্ডা দিবো সব শেষে বিকাল ৫ টায় আমরা গাড়িতে উঠে ঢাকার উদ্দেশ্য রওনা দিবো । আশাকরি রাত ৮ টায় মধ্যে ঢাকায় পৌঁছাবো ।

বরাবরই সিলেট আমার খুবই প্রিয়। সর্ব সাকুল্যে পাঁচ বারের যাত্রায় চোদ্দ দিন সিলেট ঘোরার সুযোগ হয়েছে। তবে সিলেটের সবটুকু দেখ...
31/03/2018

বরাবরই সিলেট আমার খুবই প্রিয়। সর্ব সাকুল্যে পাঁচ বারের যাত্রায় চোদ্দ দিন সিলেট ঘোরার সুযোগ হয়েছে। তবে সিলেটের সবটুকু দেখা শেষ হয়নি এখনো। তবে, ঘোরার জন্য বর্ষাকাল নিঃসেন্দহে উত্তম সময়। অফসিজনে হোটেল ভাড়া কম পড়বে। পাশাপাশি, পর্যটকদের আনাগোনা কম থাকে। তাই প্রকৃতির সান্নিধ্যে একান্তভাবে সময় কাটানোর সুযোগ বেশি। আর বর্ষাকালে প্রকৃতি যেন নবযৌবনা। আজকের লেখাটির উদ্দেশ্যে হচ্ছে দু'দিনের জন্য যদি সিলেট ভ্রমণে যেতে চান তবে আপনার জন্য এটা একটা সাধরণ গাইডলাইন হতে পারে।
রাতারগুল সোয়াম্প ফরেস্ট : প্রকৃতির ব্যতিক্রমী সৃষ্টি রাতারগুল সোয়াম্প ফরেস্ট একটি আকর্ষণীয় পর্যটন স্পট। বর্ষাকালে পানিতে নিমজ্জিত হিজল, খরচ, বেত, বরুনা আর মূর্তার ঘন ঝোপে আচ্ছাদিত থাকে উপমহাদেশের একমাত্র মিঠাপানির এই জলাবনটি। নিঃশব্দে নৌকাতে ঘুরে অপরূপ প্রকৃতির শীতল বাতাস আর পাখির কলতান আপনাকে বিমোহিত করবেই। সিলেটের গোয়াইনঘাট উপজেলার ফতেপুর ইউনিয়নে অবস্থিত এই জলাবনটি। সিলেট শহরের আম্বরখানা রোডের ইস্টার্ন প্লাজার সামনে থেকে লোকাল সিএনজিতে ভাড়া পড়বে জনপ্রতি 100 টাকার মতো। আর নৌকাতে ভাড়া পড়বে সাতশো থেকে আটশো টাকার মতো। তবে এক নৌকাতে চারজন ঘুরতে পারবেন অনায়াসে।
রাতারগুল ঘোরা শেষে বিসানাকান্দি যেতে হলে আপনাকে এরপর হাদারপার যেতে হবে।

বিসানাকান্দি : মেঘালয় রাজ্যের সাতটি সুউচ্চ পর্বতের মিলনস্থল হচ্ছে বিসানাকান্দি যেখানে অনেকগুলো ঝরণাধারার মিলিত প্রবাহ প্রবল বেগে আছড়ে পড়ে স্নিগ্ধ পিয়াইন নদীর বুকে। শীতল এই স্রোতধারার স্বর্গীয় পাথুরে বিছানায় পাবেন প্রকৃতির মনোরম লাবণ্যের স্পর্শ। পিয়াইন নদীর দুইটি শাখা। একটি পাহাড়ের নীচ দিয়ে গেছে ভোলাগঞ্জ অন্যটি পাংথুমাই হয়ে জাফলং। তবে, হাদারপার থেকে নৌকা ঠিক করার সময় সাধারণত তিনটি স্পটে র জন্য নৌকা ঠিক করা হয়। বড়হিল ঝর্ণা (পাংথুমাই ঝর্ণা), লক্ষণছড়া আর বিসানাকান্দি। তবে, বর্ষাকালে ইঞ্জিনচালিত বড় নৌকা ঠিক করবেন। কেননা, শান্ত পিয়াইন নদী তখন প্রবল স্রোতে অশান্ত হয়ে যায়। আর, এখানে লাইফ সেভিং জ্যাকেট বা এরকম কিছু না পাওয়ার সম্ভাবনা বেশি। অতঃপর ঘোরা শেষ হলে আবার সিলেট ফিরে আসবেন।

জাফলং : পাহাড় আর পাহাড়ি খরস্রোতা নদীর অপূর্ব মিলনে সৃষ্ট নয়নাভিরাম সৌন্দর্যের এক তীর্থ ভূমি জাফলং। ভারতের মেঘালয় সীমান্ত ঘেঁষা খাসিয়া-জৈন্তা পাহাড়ের পাদদেশে অবস্থিত জাফলং যা সিলেট শহর থেকে 62 কিলোমিটার দূরবর্তী। দূর থেকে দেখলে মনে হবে আকাশের গায়ে হেলান দিয়ে দাঁড়িয়ে আছে সব পাহাড়গুলো, তার বুক চিরে বয়ে চলেছে ঝর্ণা আর নরম তুলার মতো তার ভেসে বেড়াচ্ছে মেঘমালা। জাফলংয়ের বুক চিরে বয়ে গেছে দুইটি নদী - ধলাই ও পিয়াইন। জাফলং জিরো পয়েন্ট থেকে চোখে পড়বে ডাউকি ব্রীজ। নদী পার হলেই ওপারে খাসিয়াপুঞ্জি (খাসিয়াদের ভাষায় গ্রামকে পুঞ্জি বলে)। সংগ্রামপুঞ্জি যাওয়ার পথে দেশের প্রথম সমতল চা-বাগানটিও একফাকে দেখে নিতে পারেন। জাফলং শীত, বর্ষা দুই ঋতুতেই সুন্দর। তবে বর্ষাকালে পরিপূর্ণ, অন্তত আমর চোখে।

অতঃপর জাফলং থেকে সিলেট ফেরার পথে সারিঘাট নামবেন। এখান থেকে সিএনজি তে করেই সারি নদীর ঘাটে (লালাখাল) যাবেন।

লালাখাল : সিলেট শহর থেকে 35 কিলোমিটার দূরে জৈন্তাপুর উপজেলায় অবস্থিত লালাখাল। নাম যদিও "লালাখাল" কিন্তু এটা কোনো খাল নয়। এটা সারি নদী। ভারতের চেরাপুঞ্জির ঠিক নিচে লালাখালের অবস্থান। লালাখাল শীতকালে ই তার সবটুকু সৌন্দর্য নিয়ে হাজির হয়। সারি নদীর গভীরতা অনেক বেশি। তাই বর্ষাকালে নদীতে তীব্র স্রোত থাকে। পাশাপাশি লালাখালের বিশেষত্ব যে কারণে, সেই পানির বিভিন্ন রঙ (নীল, সবুজ, স্বচ্ছ পানি) বর্ষাকালে পাবেন না। প্রকৃতিকে খুব কাছ থেকে যদি আলিঙ্গন করতে চান তবে লালাখাল নিঃসেন্দহে আপনাকে বিমোহিত করবে এবং সেটি বর্ষাকালে।
#যেখানেই ঘুরতে যান না কেনো প্রকৃতিকে তার নিজস্ব রঙে রাঙাতে দিন। বাড়তি কোনো রঙ যোগ করে প্রকৃতিকে নষ্ট করবেন না। অনুগ্রহ করে প্লাস্টিক, পলিথিন জাতীয় জিনিস পত্র যথাস্থানে ফেলুন।

ছবি ও লেখাঃ Swikot Hossain https://www.facebook.com/swikot.hossain.9

১. কক্সবাজারবাংলাদেশ এবং বিশ্বের সবচেয়ে দীর্ঘ সমুদ্র সৈকতের নাম কক্সবাজার। ২. সেন্টমার্টিন দ্বীপকক্সবাজারের শেষ মাথায় টে...
18/03/2018

১. কক্সবাজার
বাংলাদেশ এবং বিশ্বের সবচেয়ে দীর্ঘ সমুদ্র সৈকতের নাম কক্সবাজার।
২. সেন্টমার্টিন দ্বীপ
কক্সবাজারের শেষ মাথায় টেকনাফ হতে জাহাজ যোগে সমুদ্রপথ পেরিয়ে যেতে হয় সেন্টমার্টিন দ্বীপে। প্রকৃতির অকৃত্রিম সৌন্দর্যে সাজানো এই দ্বীপ।
৩. সুন্দরবন
সুন্দরবনকে বলা হয়ে থাকে বিশ্বের বৃহৎ ম্যানগ্রোভ বন।
৪. বান্দরবন
চট্টগ্রাম বিভাগের একটি জেলা হলো বান্দরবন। বাংলাদেশের অন্যতম সুন্দর পর্যটন কেন্দ্র বান্দরবনের পাহাড় এবং ঝর্ণাগুলোকে কেন্দ্র করে বর্তমান সময়ে গড়ে উঠেছে।
৫. সিলেট
বাংলাদেশের উত্তর-পূর্ব এলাকা হলো সিলেট। সিলেট মূলত বিখ্যাত চা-বাগানের জন্য।
৬. বিরিশিরি
ঢাকা থেকে একটু উত্তরেই বৃহত্তর ময়মনসিংহ। প্রকৃতির অপরুপ সৌন্দর্যের এক অনন্য সমাহার এই বিরিশিরি।
৭. সাজেক
রাঙ্গামাটি জেলার অন্যতম প্রধান পর্যটন আকর্ষণ হলো সাজেক উপত্যকা। সাজেকের সূর্যদোয় এবং সূর্যাস্তের দৃশ্য সবার মন হরণ করে।

মহেড়া জমিদার বাড়ি । চমৎকার জায়গা । সে তুলনায় প্রচার নেই । নিঃসন্দেহে বাংলাদেশের সবচেয়ে সুন্দর জমিদার বাড়ী! এরচেয়ে আরো...
27/02/2018

মহেড়া জমিদার বাড়ি । চমৎকার জায়গা । সে তুলনায় প্রচার নেই । নিঃসন্দেহে বাংলাদেশের সবচেয়ে সুন্দর জমিদার বাড়ী! এরচেয়ে আরো অনেক বড় বড় আছে কিন্তু এত সুন্দর আর কোনটা দেখি নি। জমিদার বাড়ির পিছনের পাসরা পুকুরের পিছনে খুব সুন্দর একটা পার্ক তৈরি করেছে । বর্ণিল ফুলের বাগান, দেখার মত নানা ধরণের বেশ কিছু চেয়ার টেবিল আর চিলেকোঠার মত ছাউনি ,ঘাসের লন , ফুল বাগান ,পাথুরে ঝর্না বিশাল একুরিয়াম ইত্যাদি দিয়ে পুরো শুটিং স্পট বানিয়ে ফেলেছে। কোন পাবলিক প্লেস যে এত পরিষ্কার রাখা যায় , তা না দেখলে বিশ্বাস করা যায় না । পার্কের টয়লেট পর্যন্ত ঝকঝকে পরিষ্কার ।
১৮৯০ দশকের পূর্বে স্পেনের করডোভা নগরীর আদলে টাঙ্গাইলের মহেড়া জমিদার বাড়িটি প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। ১৯৭১ এ স্বাধীনতা যুদ্ধে পাকবাহিনী মহেড়া জমিদার বাড়ীতে হামলা করে এবং জমিদার বাড়ির কূলবধূ সহ পাঁচজন গ্রামবাসীকে নির্মমভাবে গুলি করে হত্যা করে। পরবর্তীতে তারা লৌহজং নদীর নৌপথে এ দেশ ত্যাগ করেন। এখানেই তখন মুক্তিবাহিনীর ক্যাম্প স্থাপন করা হয়েছিল। ১৯৭২ এ জমিদার বাড়ীটি পুলিশ ট্রেনিং স্কুল হিসেবে প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ গ্রহণ করা হয় এবং ১৯৯০ সালে পুলিশ ট্রেনিং স্কুলকে পুলিশ ট্রেনিং সেন্টারে উন্নীত করা হয়।
রুম ভাড়া নিয়ে রাতে থাকতে পারবেন । ভাড়া ৩০০০ ,৫০০০, ৮০০০ টাকা । থাকতে পারবেন জমিদার বাড়ির ভেতরে ।রুম ভাড়া নিলে আন্তর্জাতিক মানের সুইমিং পুল ব্যাবহার করতে পারবেন । পিকনিকে যেতে পারেন । যোগাযোগ ০১৯৩৩৯৯৬৬৯

কিভাবে যাবেনঃ
ঢাকার মহাখালী থেকে নিরালা বাস এ করে ১৬০টাকা ভাড়া তে ডুবাইল এর পুলিশ ট্রেনিং সেন্টার। আপনারা চাইলে টাঙ্গাইল গামী অন্য বাস ও যেতে পারবেন।
সেখান থেকে CNG তে করে প্রতিজন ১৫ টাকা অথবা রিজার্ভ ৭৫ টাকা দিয়ে মহেড়া জমিদার বাড়ি। ভিতরে প্রবেশ মূল্য ৫০ টাকা ।

কপিঃ মানস চাকমা পহেলঢাকা থেকে সিলেট হয়ে সুনামগঞ্জ অথবা ঢাকা থেকে সরাসরি সুনামগঞ্জ।ওখানে নতুন ব্রীজের উপর বাইক স্ট্যান্ড ...
26/02/2018

কপিঃ মানস চাকমা পহেল

ঢাকা থেকে সিলেট হয়ে সুনামগঞ্জ অথবা ঢাকা থেকে সরাসরি সুনামগঞ্জ।
ওখানে নতুন ব্রীজের উপর বাইক স্ট্যান্ড আছে, বাইকে তাহিরপুর । তাহিরপুর ঘাট থেকে বোট ভাড়া করে যেতে পারবেন টাংগুয়ার হাওরে। বাইক ছাড়া সিএনজি, লেগুনা দিয়েও যাওয়া যায়, ফ্যামিলি নিয়ে গেলে লেগুনা ভাল হয়, জনপ্রতি ৬০-৭০ এর মত ভাড়া। (দাম কম-বেশ ও হতে পারে)

PC : মানস চাকমা পহেল ও Shuvro Chakz

Address

Dhaka
1216

Opening Hours

Monday 09:00 - 17:00
Tuesday 09:00 - 17:00
Wednesday 09:00 - 17:00
Thursday 09:00 - 17:00
Saturday 09:00 - 17:00
Sunday 09:00 - 17:00

Telephone

01914221673

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Shreyosi Tours & Travels - yours traveling associate posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Shreyosi Tours & Travels - yours traveling associate:

Share

Category