Syed Akhteruzzaman

Syed Akhteruzzaman Pain is inevitable; suffering is optional.

পৃথিবীর সবচেয়ে দীর্ঘ ঝর্ণার নাম এনজেল ফলস (Angel Falls)। এই ঝর্ণাটি দক্ষিণ আমেরিকার দেশ ভেনেজুয়েলার কানাইমা ন্যাশনাল পার...
23/02/2026

পৃথিবীর সবচেয়ে দীর্ঘ ঝর্ণার নাম এনজেল ফলস (Angel Falls)। এই ঝর্ণাটি দক্ষিণ আমেরিকার দেশ ভেনেজুয়েলার কানাইমা ন্যাশনাল পার্কে অবস্থিত।

ভেনেজুয়েলার গভীর অরণ্যের মাঝে দাঁড়িয়ে থাকা আকাশছোঁয়া মালভূমি Auyan-tepui-এর চূড়া থেকে এই অবিশ্বাস্য দীর্ঘ ঝর্ণার জল সোজা ২৬৪৮ ফুট নিচে এসে পড়ে—মাঝখানে কোথাও থামে না। ভাবতে পারেন, একটা প্রায় ২৫০ তলা বিল্ডিংয়ের ছাদ থেকে পানি পড়ছে! ঝর্ণাটির পুরো উচ্চতা ৩২১২ ফুট (বা ৯৭৯ মিটার)। এত উঁচু থেকে জল পড়ায় অধিকাংশ সময় আকাশে নজরকাড়া রঙধনু দেখা যায়।

এই ঝর্ণাটি আবিষ্কারের কাহিনীও বেশ রোমাঞ্চকর। ১৯৩৩ সালের নভেম্বর মাসের কথা। আমেরিকার বৈমানিক জিমি এন্জেল এই এলাকায় তার বিমান নিয়ে এসেছিলেন সোনার খনির খোঁজে। তখন এই অঞ্চলে সোনার খনি থাকার সম্ভাবনার কথা ছিলো মানুষের মুখে মুখে। খনি ব্যবসায়ীরা স্থলপথের কঠিন ও সময়সাপেক্ষ অনুসন্ধানের বদলে, একটু ব্যয়বহুল হলেও বৈমানিকদের ভাড়া করতেন—যাতে ওপর থেকে প্রাথমিক অনুসন্ধান চালানো যায়।

এমন এক অনুসন্ধানী উড়ানে জিমি এঞ্জেল এই অঞ্চলে আসেন এবং দুর্ঘটনায় পড়ে এই পাহাড়ের উপরের সমতল জায়গায় জরুরি অবতরণ করেন। তখন তিনি প্রথম ঝর্ণাটিকে দেখতে পান। সেই থেকেই সারা বিশ্ব জানতে পারে এই অবিশ্বাস্য উচ্চতার ঝর্ণার গল্প। আর ঝর্ণাটি “এঞ্জেল ফলস” নামেই সারা পৃথিবীতে পরিচিত হয়ে ওঠে।

তবে ২০০৯ সালে ভেনেজুয়েলা সরকার ঝর্ণাটির আসল ঐতিহ্য ও স্থানীয় পেমন জনগোষ্ঠীর সংস্কৃতিকে সম্মান জানিয়ে পুরনো নাম—কেরেপাকুপাই মেরু (Kerepakupai Meru)—পুনরায় স্বীকৃতি দেয়। যদিও বিশ্বে এটি এখনো এঞ্জেল ফলস নামেই বেশি পরিচিত।

যারা Up অ্যানিমেশন মুভিটি দেখেছেন, তারা নিশ্চয়ই “প্যারাডাইস ফলস”-এর কথা মনে করতে পারবেন। এই এঞ্জেল ফলস থেকেই অনুপ্রাণিত হয়ে সিনেমাটিতে ঝর্ণাটিকে তুলে ধরা হয়েছে।

এই ঝর্ণার ওপর অনেক ভিডিও ডকুমেন্টারি রয়েছে। যারা আগ্রহী, তারা জিমি এঞ্জেলের জীবনী Angel’s Flight – The Life of Jimmie Angel (লেখক: Karen Angel) বইটি পড়তে পারেন।

*কেন অবসরপ্রাপ্ত স্বামীরা তাদের স্ত্রীদের আর অর্থনীতিবিদদের চিন্তায় ফেলে দেন*==========================*অভিজিত ব্যানার্জ...
01/02/2026

*কেন অবসরপ্রাপ্ত স্বামীরা তাদের স্ত্রীদের আর অর্থনীতিবিদদের চিন্তায় ফেলে দেন*
==========================
*অভিজিত ব্যানার্জী*, অর্থনীতিতে নোবেলজয়ী ভারতীয় অর্থনীতিবিদ
==========================
এই মাসে আমার বয়স ৬৫ হলো। আমেরিকার সোশ্যাল সিকিউরিটির কর্মকর্তারা খুবই সতর্ক—তাই তারা আগেভাগেই আমাকে চিঠি পাঠিয়েছে। সেখানে লেখা আছে, আমি চাইলে এখনই অবসর নিতে পারি এবং সরকারের দেওয়া পেনশন পেতে পারি। তবে তারা বলছে, যদি আর পাঁচ বছর অপেক্ষা করি, তাহলে পেনশনের টাকা একটু বেশি পাবো।
আমার এখনই অবসর নেওয়ার কোনো পরিকল্পনা নেই। শরীর-স্বাস্থ্য ভালো থাকলে, সামনের কয়েক বছরও নয়। আমার আদর্শ এখনো অমর্ত্য সেন। আমার ধারণা, তিনি ৯৩ বছর বয়সে হার্ভার্ড থেকে অবসর নিচ্ছেন—তাও আবার প্রোব্যাবিলিটি থিওরির মতো জটিল বিষয় নিয়ে গবেষণা করতে করতেই।

সমস্যা হলো, আমি নিজেকে খুব তাড়াতাড়ি বোর করে ফেলি। একটানা অনেকক্ষণ কাজ করলে একটু বিরতি চাই। অফিসে সেটা সহজ। করিডোরে ঘুরে বেড়াই। কোনো ছাত্র বা সহকর্মীর সঙ্গে দু-চারটা কথা বলি। ভাগ্য ভালো হলে টেবিল টেনিস খেলায় ঢুকে পড়ি, বা ট্রাম্পের সাম্প্রতিক কাণ্ডকারখানা নিয়ে জমজমটা আড্ডায় নাক গলাই। কিছুক্ষণ পর আবার কাজে ফিরে আসি—মাথাটা ফ্রেশ লাগে।

কিন্তু বাড়িতে ব্যাপারটা আলাদা। মহামারির সময় এটা খুব বুঝেছি। যখন আমার একটু ডিস্ট্রাকশন দরকার হয়, তখন বাকিরা সবাই ব্যস্ত। তখন আমি এমন সব কাজ করতে শুরু করি যেগুলোর কোন দরকার নেই—যা পরিষ্কার, সেটাই আবার পরিষ্কার করি, কেউ একটু পরে তুলবে ভেবে রাখা কাপড় আগেভাগেই তুলে ফেলা—মোটকথা, নিজেই ঝামেলা তৈরি করি। একদিন তো এমন হলো, আমি কোভিডের জীবানু লেগে থাকতে পারে ভেবে সবজির ওপর লাইসল স্প্রে করছিলাম। তখনো জানতাম না যে, সারফেস থেকে কোভিড ছড়ায় না। উল্টো জীবানু মারার বিষাক্ত স্প্রেটাই হয়তো বেশি ক্ষতিকর ছিল।

জাপানিরা এই অবস্থার জন্য আলাদা একটা নাম দিয়েছে—রিটায়ার্ড হাজব্যান্ড সিনড্রোম। শোনা যায়, জাপানে অনেক নারী, স্বামীর অবসরগ্রহণ আসন্ন জেনে দুশ্চিন্তায় পড়ে যান। কেউ কেউ বিষণ্ণতায় ভোগেন, এমনকি উচ্চ রক্তচাপ, আলসার, চামড়ার সমস্যা পর্যন্ত দেখা দেয়।

এর পেছনে আছে জাপানের ‘স্যালারিম্যান’ সংস্কৃতি। এক সময় খুব কম নারীই বাড়ির বাইরে কাজ করতেন। পুরুষদের অফিস আর যাতায়াত—দুটোই ছিল দীর্ঘ। তাদের সামাজিক জীবনও সীমাবদ্ধ ছিল সহকর্মী আর পুরুষ বন্ধুদের মধ্যেই। ফলে স্বামী-স্ত্রীর একসঙ্গে সময় কাটানোর তেমন দরকারই পড়ত না। ঘরের মানুষটা কোন কোন ক্ষেত্রে অপিরিতের মতোই থেকে যেত। কিন্তু অবসর নেওয়ার পর ছোট জাপানি ফ্ল্যাটে সারাক্ষণ স্বামীর উপস্থিতি এড়িয়ে চলা কঠিন। স্ত্রী চায় ভালো ব্যবহার করতে, আন্তরিক থাকতে। কিন্তু ৩৫ বছরের ঘনিষ্ঠতার পরও, প্রায় অপরিচিত একজন মানুষের সঙ্গে আবার নতুন করে জীবন শুরু করা সহজ নয়। এতদিন লুকিয়ে থাকা দুজনের অভ্যাস আর খামখেয়াল এবার মুখোমুখি হয়। [বিষয়টা বাংলাদেশের বা ভারতের জন্যে স্বাভাবিক না হলেও জাপানের প্রেক্ষাপটে বেশ স্বাভাবিক]।

অবসর গ্রহণের ব্যাপারে আমার স্ত্রী অবশ্য কখনো কিছু বলবে না—সে খুবই ভদ্র। কিন্তু আমি নিশ্চিত, সে চাইবে না যে আমি এখনই অবসর নেই। বিশেষ করে যেহেতু সে বাড়ি থেকে কাজ করতে পছন্দ করে। তবে আমার নিজের ভয়টা আরও প্রকট।

আমি প্রথম আমার দাদুকে দেখি যখন আমার বয়স পাঁচ, আর তার বয়স ছিল ৬৫। তিনি তখন অবসরের দ্বারপ্রান্তে বলা চলে। দাদু একজন নামকরা শিক্ষক ছিলেন—আর একটু ভীতিকর মানুষও। অবসর নেওয়ার পর হঠাৎ তার করার মতো কিছু রইল না। তিনি বাগান করা শুরু করলেন। আমাদের ছাদ ভরে গেল লাল মাটির টবে। দু-এক সপ্তাহ পরপর নতুন গাছের চারা কিনতে যেতাম। সঙ্গে থাকত সরিষার তেল বের করার পর যে অবশিষ্টাংশ থাকে—বাংলায় যাকে খোল বলে—সেটা পচে গোটা ছাদে গন্ধ ছড়াত, তারপর টবের গাছে দেওয়া হতো। সন্ধ্যা নামলে দাদু ছাদে থাকতেন—কখনো মাটি কোপাচ্ছেন, কখনো পানি দিচ্ছেন – সে এক এলাহী ব্যাপার!

কিন্তু আমরা বুঝতে পারতাম, মনটা তার সায় দিত না। অনেক সময় দেখতাম, তিনি দূরে কোথাও তাকিয়ে আছেন। হাতে পানি দেওয়ার ক্যান, সেখান থেকে ফোঁটা ফোঁটা পানি পড়ছে। সেদিকে তার ভ্রূক্ষেপও নেই। কোন কোন সময় দেখতাম, পাশে পড়ে আছে জলখাবারের প্লেট—হয়তো প্রেসড স্যান্ডউইচ বা কচুরি—ঠান্ডা হয়ে গেছে। হয়তো তিনি আগেও বাইপোলার ছিলেন, কিন্তু অবসরের পর সেটা আরও বেড়ে যায়। দাদুর কথা মনে পড়লে আমি অবসরকে ভয় পাই।

ইদানিং খবরে দেখছি, ফ্রান্সে সবচেয়ে বড় রাজনৈতিক লড়াইটাই হচ্ছে কম বয়সে অবসর নেওয়ার অধিকার নিয়ে। প্রেসিডেন্ট ম্যাক্রোঁ অবসরের বয়স ৬২ থেকে ৬৪ করতে চেয়েছেন—এই নিয়ে এত তীব্র প্রতিবাদ হয়েছে যে এর মধ্যে পাঁচ পাঁচটা সরকারের পতন হয়ে গেছে। ফরাসিরা স্পষ্টতই আমার মতো অবসরকে ভয় পায় না।

একটা কথা পরিষ্কার করে বলি—আমি ভাগ্যবান। আমার চাকরিটা খুবই পছন্দের, শারীরিক পরিশ্রম প্রায় নেই। সবার কপালে এমন জোটে না। অনেক মানুষ কাজ করতে করতে ক্লান্ত, শরীর ব্যথায় ভরা, বিরক্তিকর একঘেয়ে কাজ আর করতে পারছেন না। আবার এমন মানুষও আছেন, যারা কাজ ভালোবাসেন, যেমন ভালোবাসেন ফ্রান্সের বাধ্যতামূলক অবসর আইন, অনেকটা ভারতের মতো।

তাই বলে আমি সেই দলে নই, যারা বলে কাজ করতে না চাওয়াই ফ্রান্সের সব সমস্যার মূল। তবে সমস্যা যেটা আছে, সেটা বিশাল। সমস্যার গোড়ায় আছে পুরোনো এক প্রতিশ্রুতি। ১৯৮১ সালে, যখন আজকের অনেক অবসরপ্রাপ্ত মানুষ কাজ শুরু করেছিলেন, তখন গড় আয়ু ছিল ৭৪ বছর। এখন সেটা ৮৩। ৬২ বছর বয়সে অবসর নিয়ে মানুষ আগে গড়ে ১২ বছর বাঁচত, এখন বাঁচে ২১ বছর। সুখবর বটে, কিন্তু তাতে পেনশনের সুবিধাভোগীর সংখ্যা অনেক বেড়ে গেছে। তার ওপর নারীরা এখন বেশি কাজ করছেন, এটাও সুখবরই বটে, এবং তারা পুরুষদের চেয়ে বেশি দিন বাঁচেন—ফলে পেনশনভোগীর সংখ্যা আরও বাড়ছে। তরুণদের, যারা কিনা আয় রোজগার করেন, তাদের আয়ের ওপর কেটে নেওয়া টাকা দিয়ে সরকার এই বিশাল পেনশন খরচ চালাতে পারছে না। এখানেই সংকট।

এই সমস্যা শুধু ফ্রান্সের নয়। প্রায় সব ধনী দেশেই জনসংখ্যা বুড়িয়ে যাচ্ছে, সন্তান কম জন্মাচ্ছে। তার মানে, ভবিষ্যতের উপার্জনকারীর সংখ্যা কমে যাচ্ছে। ইউরোপের অনেক দেশে, জাপানেও, এই সমস্যা ফ্রান্সের চেয়েও বড়। ডেনমার্কের মতো কিছু দেশ অবসরের বয়স ৭০ পর্যন্ত বাড়াচ্ছে। আধিকাংশরাই ফ্রান্সের দিকে তাকিয়ে আছে—ভাবছে, কবে তাদের পালা আসে।

অনেকে ভাবছেন, কৃত্রিম বুদ্ধমত্তা এসে সব ঠিক করে দেবে। ইলন মাস্কও তাই বলেন। কিন্তু উৎপাদনশীলতা বাড়লেও সেই টাকা পেনশনে যাবে কি না, তা পরিষ্কার নয়। একথা সত্যি, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা যখন অনেক কাজ অনায়সেই করে ফেলবে তখন বহু মানুষ চাকরি হারাবে। তাতে বাকিদের গড় আয় বাড়বে, কিন্তু মূলত ধনীরা আরও ধনী হবে। আর তারা কর দিতে চায় না।

সব মিলিয়ে, ধনী দেশগুলো তিনটা মারাত্মক সমস্যার মধ্যে ঘুরপাক খাচ্ছে—জনসংখ্যা বুড়িয়ে যাচ্ছে, কর্মক্ষম মানুষ কমছে, আর অভিবাসন দরকার হলেও বিদেশিবিদ্বেষ সেটা আটকে দিচ্ছে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা থেকে লাভ হলেও, ধনীদের ওপর কর না বসিয়ে পেনশন আর কল্যাণব্যবস্থা চালানো সম্ভব নয়। কিন্তু সেই রাজনৈতিক সাহসও নেই। (আন্দোলন বাড়লে সরকারের পতন হবে যে।)

ফ্রান্স, আমেরিকা—সবখানেই সরকারগুলো আজকের দিনটাকে শান্ত রেখে বিষয়টা ভবিষ্যতের দিকে ঠেলে দিচ্ছে। ফ্রান্সে বিলিয়নিয়ার ট্যাক্সের কথা উঠেছিল, যা পেনশনের ঘাটতি কমাতে পারত ঠিকই। কিন্তু শেষ মুহূর্তে ধনীদের চাপে সেটা বাদ দেওয়া হলো। এবার, যত দেরি হবে, তত বেশি মানুষ অবসর নেবে, তত বড় ঘাটতি মেটানো দরকার হবে, আর তত কঠিন হবে রাজনৈতিকভাবে সেটাকে সামাল দেয়া।
====================================

[আজকে ১লা ফেব্রুয়ারি (২০২৬) ভারতের টাইম অব ইন্ডিয়ায় প্রকাশিত নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ অভিজিত ব্যানার্জীর লেখাটা পড়ে ভীষণ ভালো লাগে। মজাদার লেখটাটির কয়েকটি জায়গা ছাড়া সর্বত্রই আক্ষরিক অনুবাদ অক্ষত রাখার চেষ্টা করেছি]

The judges of the Booker Prize 2026. মাঝে মাঝে খুব আগ্রহ জাগে, স্রেফ জানার জন্যে, যারা বুকার প্রাইজ নির্বাচন করে তারা কা...
12/01/2026

The judges of the Booker Prize 2026.
মাঝে মাঝে খুব আগ্রহ জাগে, স্রেফ জানার জন্যে, যারা বুকার প্রাইজ নির্বাচন করে তারা কারা।

অনেক অনেক দিন হলো বাংলা উপন্যাস পড়া হয়নি। আর বিদেশে আসার পর থেকে বাংলা বই হাতের কাছে পাওয়াও অনেক কঠিন হয়ে গেছে। কিন্তু হ...
02/01/2026

অনেক অনেক দিন হলো বাংলা উপন্যাস পড়া হয়নি। আর বিদেশে আসার পর থেকে বাংলা বই হাতের কাছে পাওয়াও অনেক কঠিন হয়ে গেছে। কিন্তু হঠাত করেই উপহার পেয়ে গেলাম সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের ১২টি উপনাস্যের একটি সংকলন। প্রথম উপন্যাসটি ফ্লাইটে বসেই পড়তে শুরু করলাম - সত্যের আড়ালে। বলতেই হবে, অত্যন্ত সুখপাঠ্য - যেমন সুনীলের লেখা হয়, স্বভাবতই। বইটি শেষ করে আমি এই উপসংহারে পৌঁছলাম যে, ফিকশন এখন আর আমাকে তেমন করে টানেনা যতটা স্কুল-কলেজ জীবনে টানতো - নেশার মতো, বুভুক্ষের মতো। এখন সুনির্বাচিত ফিকশন ছাড়া আর পড়তে পারি না - সনাতন, শ্যালো আর একঘেয়ে লাগে। মনে হতে থাকে, সময়টা অহেতুক খোয়ালাম। বুঝলাম - 'হাতের কাছে যা পাচ্ছি পড়ে নিচ্ছি' - এই দর্শনে আর চলবে না। বেছে পড়তে হবে - জীবন স্ফুলিঙ্গ মাত্র।

তুমুল ক্লাইমেক্স বা টান টান উত্তেজনার ছবি বলতে যা বোঝায় তার একটা দুর্দান্ত তালিকা বানাতে চাই। আপতত এই ক'টা মুভি এই তালিক...
27/07/2025

তুমুল ক্লাইমেক্স বা টান টান উত্তেজনার ছবি বলতে যা বোঝায় তার একটা দুর্দান্ত তালিকা বানাতে চাই। আপতত এই ক'টা মুভি এই তালিকায় স্থান দিলাম। আর কোন কোন মুভি এই তালিকায় স্থান পেতে পারে?

এই ডায়লগটা ভাল্লাগছে... "মে ইডলি খা রাহা থা, কিসিনে মুঝে ধাক্কা দিয়া, ইডলি গির গ্যয়ি, মেনে উসকো কাঁহা, সে সরি। উস্সে সরি...
07/06/2025

এই ডায়লগটা ভাল্লাগছে... "মে ইডলি খা রাহা থা, কিসিনে মুঝে ধাক্কা দিয়া, ইডলি গির গ্যয়ি, মেনে উসকো কাঁহা, সে সরি। উস্সে সরি নেহি কাঁহা। মেনে উসকো বহুত মারা... 😄
সানি দেওলের অভিনয়, জানিনা কেন, কোনদিনই খুব একটা ভালো লাগেনি, সব সময়ই মাঝারি মানের মনে হয়েছে। মানে কী যেন নেই, কী যেন নেই ..... কিন্তু জাট মুভিতে তার কাজ বেশ ভালো ছিলো। তারচেয়েও রানাতুঙ্গা চরিত্রে রনদীপ হুদার অভিনয় ছিলো অতিঅপূর্ব। রিয়েল ভিলেন যাকে বলে.... এছাড়া সমলু, রানাতুঙ্গার স্ত্রীর চরিত্রে ভারতি, এস আই বিজয়া লক্সমীর চরিত্রে সায়ামি খের... প্রায় প্রত্যেকের অভিনয়ই ভালো ছিলো। তেলেগু সিনেমার পরিচালক গোপিচাঁদ মালিনেনির পরিচালনা ভালো লেগেছে। গোছানো কাজ। রাম সুব্বা রেড্ডির চরিত্রে অজয় ঘোষকে দেখে হঠাত মনে হলো হারিহরণ অভিনয়ে নেমেছে নাকি!!! হারিহরণের বায়োপিক হলে অন্তত লকআলাইক হিসেবে অজয় ঘোষ বেশ মানানসই হবে। যাই হোক, সব মিলিয়ে সময় কাটানোর জন্যে ভালো ছবি।

07/04/2025
Time, be my witness—I lived here. Just behind me stands the world-famous concert hall, MEO Arena (formerly Pavilhão Atlâ...
05/04/2025

Time, be my witness—I lived here. Just behind me stands the world-famous concert hall, MEO Arena (formerly Pavilhão Atlântico), one of the largest conference venues in Europe. It’s where I go for my morning walk every day—right in my neighborhood.

হলভর্তি হাজারখানেক দর্শকের মধ্য থেকে ১৪ বছরের একটি ছেলে উঠে দাঁড়িয়ে ডেভিড গগিনসকে প্রশ্ন করলো, "ডেভিড, আমি সকালে ঘুম থেক...
04/04/2025

হলভর্তি হাজারখানেক দর্শকের মধ্য থেকে ১৪ বছরের একটি ছেলে উঠে দাঁড়িয়ে ডেভিড গগিনসকে প্রশ্ন করলো, "ডেভিড, আমি সকালে ঘুম থেকে উঠতে পারিনা। কিন্তু সুস্বাস্থ্যের গুরুত্ব যে কতখানি সেটা আমি হাড়ে হাড়ে বুঝি। কিন্তু কিছুতেই ঘুম থেকে উঠতে পারিনা। আমার জন্য তোমার পরামর্শ কি?" ডেভিড কিছুক্ষণ হতবিহ্বল থেকে উত্তর দিলেন, আমি কেন, তোমাকে ঈশ্বরও সাহায্য করতে পারবে না। ইচ্ছেটা তোমার, পথটাও তোমাকেই খুঁজে বার করতে হবে। আমি শুধু এটুকুই বলবো, তোমার মাইন্ডসেট বদলাতে হবে।

ডেভিড গগিনস-এর জগদ্বিখ্যাত বই 'নেভার ফিনিশড' প্রায় বছরখানেক ধরে পড়ছি। এক এক চাপটার পড়ি আবার কাজের মধ্যে ডুবে যাই। সময় করে এক নাগাড়ে পড়া হয়ে ওঠে না। ভীষণভাবে কানেক্ট করতে পারা একটা বই। শেষ পর্যন্ত এই ভরা বর্ষায়, বন্দি রুমের খোলার জানালার পাশে বসে গরম কফি খেতে খেতে বইটা পড়া হলো। প্রতিটি পৃষ্ঠায় যেন মনকথনের অনুরনণ ছড়িয়ে আছে।

সুবিধাবঞ্চিত পরিবার থেকে গায়ের রঙ কালো নিয়ে উঠে আসা একটা মানুষ কল্পনার সকল সীমাকে ছাড়িয়ে নিজের মাইলফলক বসিয়ে দিয়েছে। নেভি সিলের একজন কমান্ডোই শুধু নন, সেরাদের সেরা বলে ধরা হয় - 'Uncommon among the Uncommons'. ইস্পাত কঠিন মানসিকতার জলজ্যান্ত উদাহরণ ডেভিড গগিনস। জীবনের সামনে উঠে আসা সকল বাঁধাকে গুড়িয়ে দিয়ে যেখানে তিনি নিজেকে নিয়ে গেছেন সেটা পৃথিবীর অগণিত মানুষকে অনুপ্রাণিত করেছে। আমাদের অযুহাত-সমৃদ্ধ জীবনকে ডেভিড গগিনস বুড়ো আঙ্গুল দেখিয়ে বলেছেন - I'm not crazy, I'm just not you.

***
Some will be put off by your dedication and level of effort. Others will call you obsessed or think that you’ve gone crazy. When they do, smile and say, “I’m not crazy. I’m just not you.”
***
"Identity is a trap that will keep you in blinders if you let it. Sometimes, identity is what we are saddled with by society. Other times, it’s a category we claim. It can be empowering to associate yourself with a particular culture, group, job, or lifestyle, but it can also be limiting. If you stick with your own too closely, you will be susceptible to groupthink, and you may never learn who you really are or what you can accomplish."
- David Goggins / Never Finished.

04/04/2025

ডেভিড গগিনস-এর জগদ্বিখ্যাত বই 'নেভার ফিনিশড' পড়ছিলাম। কথাগুলো মনে ধরলো। ভেবে দেখবেন, সত্যিই তো!

"Identity is a trap that will keep you in blinders if you let it. Sometimes, identity is what we are saddled with by society. Other times, it’s a category we claim. It can be empowering to associate yourself with a particular culture, group, job, or lifestyle, but it can also be limiting. If you stick with your own too closely, you will be susceptible to groupthink, and you may never learn who you really are or what you can accomplish." - David Goggins / Never Finished.

04/04/2025

"Blogging is not writing, Its graffiti with punctuation"

- Contagion (2011 film)

Address

Dhaka
1219

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Syed Akhteruzzaman posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Syed Akhteruzzaman:

Share

Category