Nature Tour Group of Bangladesh

Nature Tour Group of Bangladesh if u like travel then join us...we arrange event......

 #সিলেট এর দর্শনীয় ও ভ্রমন পিপাসূদের জন্য আকর্ষনীয় স্থান সমূহ :১) মাধবকুন্ড ঝর্না২) হামহাম ঝর্না৩) লাউয়াছড়া+মাধবকুন্ড লে...
19/06/2017

#সিলেট এর দর্শনীয় ও ভ্রমন পিপাসূদের জন্য আকর্ষনীয় স্থান সমূহ :

১) মাধবকুন্ড ঝর্না
২) হামহাম ঝর্না
৩) লাউয়াছড়া+মাধবকুন্ড লেক+ চা বাগান
৪)জাফলং + তামাবিল
৫)বিছনাকান্দি+পান্তুমাই+লালাখাল+রাতারগুল
৬) নীলাদ্রি+বারেকেরটিলা+জাদুকাটা নদী+ হাসন রাজার বাড়ী
৭) টাঙ্গুয়ার হাওর + বিলাই ছড়ী হাওড়
৮) শাহজালাল মাঝার+ শাহপরান মাঝার +মিলনছড়ী চা বাগান+ শাহজালাল ইউনিভার্সিটি+ জিন্দাবাজার পার্ক + পাচভাই রেস্টুরেন্ট(Must try)
৯) দিনের বেলা কালনী/জয়ন্তিকা ট্রেনে চড়ে ঢাকা-সিলেট যাতায়াত করা, শ্রীমঙ্গল এর ফিনলে চা বাগানের মাঝখান দিয়ে যাতায়াতের দৃশ্য হল বাংলাদেশ রেলওয়ের জার্নি র সেরা দৃশ্য ;)
by: সাজিব ভাই

কখন যাবেন:সেন্টমারটিন/নারিকেল জিনজিরা দেখার উপযুক্ত সময় হচ্ছে শীতকাল । এ সময় পানির রঙ একদম ছবির মত নীল দেখায় । কক্সবাজার...
19/06/2017

কখন যাবেন:
সেন্টমারটিন/নারিকেল জিনজিরা দেখার উপযুক্ত সময় হচ্ছে শীতকাল । এ সময় পানির রঙ একদম ছবির মত নীল দেখায় ।
কক্সবাজারের পীক সিজন বলে অক্টোবর থেকে মার্চ। এ সময়টায় বৃষ্টি কম হওয়ায় বেশী ট্যুরিস্ট আসে। এ ছাড়াও শীত থাকাতে বীচগুলো বেশী উপভোগ্য লাগে, কিন্তু ভীড়টাও বেশী থাকে। অফপিক সীজন থাকলেও দুই ঈদের পরে এবং তিন দিনের বন্ধে অনেক ট্যুরিস্ট থাকে। এ সময়টায় বুকিং না দিয়ে যাওয়াটা ঠিক নয়। অফসিজনে হোটেলগুলো ৩০% থেকে ৬০% পর্যন্ত ছাড় দিয়ে থাকে। এ ছাড়াও বর্ষার সময়টা ঢেউ গুলো অনেক বড় থাকে। সেন্টমার্টিনের জাহাজ চলে সাধারণত অক্টোবর থেকে এপ্রিল। সেন্টমার্টিন জাহাজে যাবার ইচ্ছা থাকলে ওই সময়টায় যেতে পারেন।

যেভাবে যাবেন:
যাতায়াত ও ভাড়া :যারা ঢাকা থেকে সরাসরি কক্সবাজার যেতে চান তারা ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম হয়ে কক্সবাজার অথবা সরাসির বাসে কক্সবাজারে যেতে পারে। ঢাকার ফকিরাপুল, আরামবাগ, মতিঝিলসহ বেশ কয়েকটি স্থানে সরাসরি কক্সবাজারের উদ্দেশে বাস ছেড়ে যায়।এসি ও নন এসি, ডিলাক্স ও সাধারণ এসব সরাসরি বাস পরিবহনের ভাড়া পড়বে ৪০০-১২০০ টাকা পর্যন্ত। সোহাগ, গ্রীন লাইন ছাড়াও ঈগল ও অন্যান্য পরিবহনের বাস চলাচল করে। এছাড়া ঢাকা থেকে ট্রেনে বা বাসে প্রথমে চট্টগ্রাম এবং পরে চট্টগ্রাম থেকে সরাসরি কক্সবাজারে যাওয়া যায়। ঢাকার কমলাপুর থেকে প্রতিদিন ট্রেন বা বাস ছেড়ে যায়। তবে টিকেট বুকিং আগেভাগেই করে রাখা ভালো।

কক্সবাজার তো গেলেন তারপর বাসে ২৫-৩০ টাকা, ট্যাক্সিতে ৩০-৪০ টাকা অথবা রিজার্ভ মাইক্রোবাসে সেন্টমার্টিন যেতে ভাড়া লাগবে ৫০০-১০০০ টাকা (৮-১০ সিট)। প্রতিদিন সকাল থেকে কক্সবাজার-টেকনাফ রুটে চলাচল করে এসব গাড়ি।
টেকনাফ থেকে সেন্টমার্টিনে প্রতিদিন সকাল থেকে আসা-যাওয়া করে সি-ট্রাক, কেয়ারি সিন্দাবাদ এবং নাফসি জাহাজ। চমৎকার এসব জাহাজের পাশাপাশি ট্রলার ও চলাচল করে এই সমুদ্র রুটে। পছন্দসই বাহনে যেতে পারেন। তবে নিরাপদ জলযান হিসেবে কেয়ারি সিন্দাবাদ ও নাফসি জাহাজই নির্ভরযোগ্য।

এসব জাহাজে টেকনাফ থেকে সেন্টমার্টিন যেতে সময় লাগে দুই ঘণ্টা। অন্যদিকে প্রতিদিনই বিকাল ৩টায় এসব সাহাজ সেন্টমার্টিন ছেড়ে আসে। শীত মৌসুমে সমুদ্র শান্ত থাকে এবং গ্রীষ্ম-বর্ষা মৌসুমে সমুদ্র উত্তাল থাকে, তখন চলাচল ঝুঁকিপূর্ণ।

থাকবেন কোথায়: সেন্টমার্টিনে থাকার জন্য বেশ উন্নতমানের কয়েকটি হোটেল ও কটেজ রয়েছে। অনেক বাড়িতেও আছে পর্যটকদের জন্য থাকার ব্যবস্থা। ভাড়া পড়বে ২০০-২৫০ টাকা
সংগৃহিত

সন্ধ্যায় গোধুলী আলো,নদীর জলে রূপালী চাদের প্রতিচ্ছবি কিংবা ভোরের আকাশে কুয়াশার চাদর গায়ে জেগে উঠা সোনালী সূ্র্য। এমন একট...
14/06/2017

সন্ধ্যায় গোধুলী আলো,নদীর জলে রূপালী চাদের প্রতিচ্ছবি কিংবা ভোরের আকাশে কুয়াশার চাদর গায়ে জেগে উঠা সোনালী সূ্র্য। এমন একটি রাত কাটাতে চান অনেকেই।
তাই এই গ্রুপে বিভিন্ন সময় যাদের প্রশ্ন ছিল কোথায় যাবেন, কিভাবে যাবেন তাদের জন্য সুন্দর ও উপভোগ্য সময় কাটাতে আমার এই পরামর্শ। আশাকরি খুবই ভাল লাগবে।

সারা দিনের ব্যাস্ততা শেষ করে কোন এক বৃহস্পতিবার বিকেলে চলে আসুন সদরঘাট এর ১৩নং পন্টুনে,এখানে ৪'৩০ থেকে আপনার জন্য অপেক্ষা করবে নদী পথের সবচেয়ে নিরাপদ,আধুনিক জাহাজ রকেট সার্ভিস, এম ভি মধুমতি।
আগে থেকে টিকেট না করে থাকলে ঘাটেই কাউন্টার থেকে টিকেট সংগ্রহ করে উঠে পরুন। তবে পারলে যতদুর সম্ভভ আগে টিকেট করে নিবেন, কারন আপনার মত অনেকেরই প্রথম পছন্দ মধুমতী জাহাজ তাই ঘাটে প্রথম শ্রেনীর টিকেট নাও পেতে পারেন,আর হ্যা মনে রাখবেন এই জাহাজটির টিকেট মূল্য সরকার নির্ধারিত তাই অতিরিক্ত টাকা দিয়েও টিকেট প্রাপ্তির আকাঙ্ক্ষা পূরন করা যাবেনা।
এবার চলে আসুন জাহাজের ৩য় তলায় পেছনে, ওপেন ডেকে সাজানো চেয়ারে কিংবা কোলাহল এড়াতে জাহাজের ২য় তলায় সামনের অংশে নিরিবিলি বসতে পারেন,সাথে গরম গরম ফ্রেঞ্চ ফ্রাই আর কোরাল ফিস ফ্রাই শেষ হতে না হতেই ধুমাইত চা নিয়ে হাজির হবে মেরুন পোশাকে সজ্জিত ষ্টুয়ার্ড বা সার্ভিস বয়।
ইট পাথরের ঢাকা শহরেও পশ্চিমের হেলে পড়া সূর্যটা বূড়িগঙা নদীতে সোনালী আলোর দারুন আবহ তৈরি করে,ঢেউ উপর চক চকে প্রতিচ্ছবি মাড়িয়ে ৈবঠা টানা পারাপারের নৌকা গুলো ঠিকই আপনাকে রোমাঞ্চিত করবে।
ঠিক ৬ঃ৩০মিনিটে ব্যাস্ত শহর ঢাকাকে পেছনে ফেলে এগিয়ে যাবে জাহাজ।আপনার পাশ দিয়ে চলে যেতে পারে দু একটি লঞ্চ কিন্তু সেদিকে ভ্রুক্ষেপ নেই সূষম গতিতে চলা মধুমতীর।ঢাকা,নারায়ণগঞ্জ কিংবা মুন্সিগঞ্জ শহরের বাতাস ঠেলে বুড়িগঙ্গা, ধলেশ্বরী,শীতলক্ষা পার হয়ে আপনি চলে আসবেন মেঘনায়।
দূর গায়ের গাছ গাছালির ফাকে যদি তখনো চাঁদ উকি না দেয় তাহলে একটু আগে ভাগেই রাতের খাবার খেয়ে নিতে পারেন।সাদা ভাত, ৮/১০ রকমের ভর্তা,ডাল,সবজি আর সাথে ইলিশ বা কোরাল যদি পছন্দ না হয় তবে ভূনা খিচুরি ইলিশ ভাজা বা ডিম আর মুরগির সাথে জলপাই আচার।
এবার এক কাপ গরম চা নিয়ে বসে পরতে পারেন চাঁদ দেখতে।বিশাল মেঘনায় হিমেল হাওয়া আর মৃদু ঢেউ আপনাকে নিয়ে যাবে এক ভিন্ন জগতে।আকাশে রূপালী চাঁদ আর নদীতে তার প্রতিচ্ছবিতে দেখবেন বাংলা মায়ের আসল রুপ।জেলেদের নৌকায় মাছ ধরা আর ঢেউ এর উপর আছরে পরা চাদের আলো আপনাকে বিমোহিত করবে।চলতে চলতে মেঘনা ছেড়ে ডাকাতিয়া নদিতে প্রবেশ করবেন।কখনযে ঘড়ির কাটা রাত ১০টা পার করেছে বুজতেই পারবেন না।
এবার আপনার চাদপুর নামার পালা।আগেই যদি রিটার্ন টিকেট না করে থাকেন তাহলে ঘাটের কাউন্টার থেকে টিকেট সংগ্রহ করুন।
একটু এগিয়ে চলে যান বাজারের দিকে।ভাবছেন এত রাতে বাজার!হ্যা ঠিকই বলছি বাজারে গিয়ে দেখতে পাবেন ইলিশ আর ইলিশ দেশের সবচেয়ে বড় ইলিশের বাজার থেকে নিয়ে আসতে পারেন গোটা কয়েক, তরতাজা ইলিশ, আর দামেও কম পাবেন।বড় বড় ইলিশ দেখিয়ে বাড়িতে রেখে আশা প্রিয়জনদের তাক লাগিয়ে দিতে পারেন।
এবার ফেরার পালা।রকেট ঘাটে আপনার জন্য অপেক্ষা করছে শতবর্ষী প্যাডেল ষ্টীমার।বিশ্ব জোড়া যার খ্যাতি।এই প্যাডেল ষ্টীমার দেখতেই সারা বিশ্ব থেকে অগনিত পর্যটক বাংলাদেশে আসেন হাজার হাজার ডলার পাউন্ড খরচ করে।একবার ভাবুনত বিশ্বের নামি দামি ব্যাক্তি বর্গ,রাষ্ট্র নায়ক কিংবা ভ্রমন পিপাসীদের যে ষ্টীমার স্বাগতম জানিয়েছে আজ সে আপ্নাকেও স্বাগতম জানাচ্ছে।একদিন হয়ত কালের গর্ভে হারিয়ে যাবে বয়সের ভারে ন্যুজ হয়ে যাওয়া প্যাডেল জাহাজ গুলো কিন্তু সেই ইতিহাসের অংশ হয়ে সাক্ষি থাকবেন আপনিও।
উঠে পরুন,চলে যান ২য় তলায় সামনের অংশে,বসে পড়ুন চেয়ারে যেখানে বসেছিলেন মহারাণী ভিক্টোরিয়া থেকে শুরু করে হাল আমলের ক্লিনটন এর মত হাজারো রথী মহারথী গন।
ডাকাতিয়া নদী থেকে বের হয়ে ষ্টীমার যখন মেঘনায় আসবে, দুই পাসের প্যাডেল এর ছলাত ছলাত শব্দে আপনি হারিয়ে যাবেন ভিন্ন জগতে।ছন্দ পতনহীন ছন্দের তালে তালে এক কাপ গরম চা আপনাকে নিয়ে যাবে আপনার সেরা ভ্রমনের স্মৃতির পাতায় নতুন করে কিছু লেখার ভাবনায়।ভাবনার জগত থেকে ফিরে আসার আগেই সকালের সূর্য উকি দিবে দূরে পল্লব ঘেরা কোন এক গায়।পুবের আকাশে সোনালী আলোর বর্নিল আবহ আপনাকে অভিবাদন জানাবে নতুন একটি দিনে।নদীতে বসে সূর্যোদয় দেখার অভিজ্ঞতাটা আপনাকে নিয়ে যেতে পারে বন্ধুদের আড্ডার কেন্দ্র বিন্দুতে।
সকালে ঘড়ির কাটা যখন ৬টা ছুই ছুই ষ্টীমার তখন সেই কোলাহল মুখর ঢাকার সদরঘাটে।
এবার আপনার নামার পালা,কিন্তু একটা কাজ বাকী, চেয়ে নিন ভিজিটরস বুক,লিখে ফেলুন আপনার অভিজ্ঞতা বা পরামর্শ। সাথে ষ্টীমারে তুলে নিতে পারেন আপনার দু একটি ছবি।আপনার এই ছবিই একদিন কথা বলবে শব্দ ছাড়া,আপনার এই ছবিই একদিন মনে করিয়ে দিবে আপনি ইতিহাসের একজন।

ছবি ও লেখাঃ মীর আব্দুল খলিল।

বাংলাদেশ এর কোন ট্যুরিস্ট স্পটে কোন সময় এ গেলে আপনার ভ্রমণটা পারফেক্ট হবে দেখে নিন-সাজেক - জুলাই থেকে নভেম্বর । কারনমেঘে...
14/06/2017

বাংলাদেশ এর কোন ট্যুরিস্ট স্পটে কোন সময় এ গেলে আপনার ভ্রমণটা পারফেক্ট হবে
দেখে নিন-

সাজেক - জুলাই থেকে নভেম্বর । কারন
মেঘের খেলা এই সময়ই ভালো দেখা
যায় ।

সুন্দরবন - নভেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারি

বান্দরবন - অনেকেই জুলাই আগস্ট এ
যান , কিন্তু আমার হিসেবে আবহাওয়া
এর কারনে নভেম্বর এ যাওয়া সবচেয়ে
উত্তম । কারন তাপমাত্রা সহনীয় থাকে
, আর ঝর্না গুলোতে তখনও পানি ভালোই
স্রোত থাকে , সাথে আকাশে মেঘ পাবেন
। কিন্তু সেটা একেবারে শীতকালে
ডিসেম্বর - জানুয়ারি তে গেলে
ফ্যাকাসে পাহাড় পাবেন । আবার
বর্ষাকালে গেলে পাহাড় এ একটা সতেজ
ভাব থাকে , কিন্তু ট্রেকিং করাটা
কষ্টসাধ্য হয় ।

রাঙ্গামাটি - কাপ্তাই লেক এ
বর্ষাকালে গিয়ে ঘুরে এসে দেখুন,
উদ্ভুত সুন্দর লাগবে

সেন্টমার্টিন - নভেম্বর থেকে মার্চ

টেকনাফ - কক্সবাজার - সবাই
শীতকালে দৌড় মারেন , কিন্তু একবার
বর্ষাকালে অর্থাৎ জুলাই-আগস্ট এ ঘুরে
আসুন , দেখবেন অনেক ভালো লাগবে । আর
আমার হিসেবে টেকনাফ বিচ
বাংলাদেশ এর অন্যতম সুন্দর বিচ ।

নিঝুম দ্বীপ - মনপুরা - নভেম্বর থেকে
মার্চ

উত্তর বঙ্গ - নভেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারি

কুয়াকাটা - আগস্ট থেকে অক্টোবর

সন্দ্বীপ - নভেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারি

সিলেট - জুলাই থেকে আগস্ট ( বর্ষার
সিলেট খোদার অপূর্ব সৃষ্টি মনে হয় )
সুনামগঞ্জ ও অন্য হাওর এলাকা - জুলাই
থেকে আগস্ট এক রকম সুন্দর , ডিসেম্বর
থেকে ফেব্রুয়ারি আরেক রকম সুন্দর
( অতিথি পাখিদের জন্যে )
শীমঙ্গল - জুলাই থেকে ফেব্রুয়ারি
যেই সময় এ যাবেন না কেন ভালো
লাগবে ।

নেত্রকোনা ( বিরিশিরি )- আগস্ট থেকে
নভেম্বর

বরিশাল - পিরোজপুর - ঝালকাঠি -
ব্যাক ওয়াটার ক্যানেল - জুলাই থেকে
আগস্ট
এছাড়া বাংলাদেশ এর পশ্চিমাঞ্চল
অর্থাৎ - ফরিদপুর , কুষ্টিয়া , মেহেরপুর
,
নড়াইল - যশোর , ঝিনাইদাহ ,
চুয়াডাঙ্গা এসব অঞ্চলে গেলে
শরতকালে অর্থাৎ আগস্ট থেকে শুরু করে
শীতকাল পর্যন্ত যেতে পারেন । কিন্তু
শরৎকাল উত্তম ।

আর ঢাকার আশে পাশে ভ্রমণ এর জন্য
আমার কাছে শরৎকাল আর হেমন্তকাল
উত্তম মনে হয় ।
সময় বুঝে ভ্রমণ করলে আপনার ভ্রমণ
আরো মানাইসই হবে এটা আপনি এসব
সময়ে গেলেই বুঝতে পারবেন ।
ধন্যবাদ ।
পোস্টটা আপনার ভ্রমনপ্রিয় বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন, ভ্রমণকে আরও সহজ ও উপভোগ্য করে তুলতে সহায়ক হবে ।

অজানার উদ্দেশ্যে বেরিয়ে পড়ার আগে ঠিকঠাক প্রস্তুতি নিতে ভুলবেন না। দেখা যায় বেড়াতে যাওয়ার বেশ কিছুদিন আগে থেকেই হয়তো শুরু...
06/06/2017

অজানার উদ্দেশ্যে বেরিয়ে পড়ার আগে ঠিকঠাক প্রস্তুতি নিতে ভুলবেন না। দেখা যায় বেড়াতে যাওয়ার বেশ কিছুদিন আগে থেকেই হয়তো শুরু করে দিয়েছেন গোছগাছ। অথচ শেষ সময় এসে খুঁজে পাচ্ছেন না টিকিট বা পাসপোর্টের মতো গুরুত্বপূর্ণ জিনিস। আবার ঘুরতে যাওয়ার পর দেখলেন তাড়াহুড়ো করতে গিয়ে আনা হয়নি দরকারি কোনো সরঞ্জাম। এ ধরনের অস্বস্তিকর অবস্থা এড়াতে বেড়ানোর পরিকল্পনা, প্রস্তুতি, গোছগাছ সবকিছুতেই চাই বাড়তি সতর্কতা। নজর রাখা দরকার ভ্রমণের টুকিটাকি বিষয়গুলোর প্রতিও।

কোথায় যাচ্ছেন

পাহাড় নাকি সমুদ্র? কোথায় ঘুরতে যাওয়া হবে এটি নিয়ে অনেক সময় আমরা দ্বিধায় পড়ে যাই। কোথায় যাচ্ছেন এবং কতদিনের জন্য যাচ্ছেন সেটি ঠিক করে ফেলুন শুরুতেই। দেশ বা দেশের বাইরে যেখানেই যান না কেন, জায়গাটি সম্পর্কে ভালোভাবে জেনে নেওয়া কিন্তু আপনার প্রস্তুতিরই একটি অংশ। সঙ্গে যাতায়াত ও থাকা-খাওয়ার সুব্যবস্থা সম্পর্কে নিশ্চিত হয়ে নিন। হোটেলে থাকতে হলে আগে থেকেই বুকিং দিয়ে রাখুন। বুকিং দেওয়ার আগে কোনো নিরাপত্তাজনিত ঝুঁকি রয়েছে কিনা তা খতিয়ে দেখতে ভুলবেন না। বাস বা ট্রেনের অগ্রিম টিকিটের ব্যবস্থাও করে ফেলতে হবে চটজলদি। দেশের বাইরে যেতে চাইলে পাসপোর্ট, ভিসা ও প্লেনের টিকিট নিশ্চিত করুন। প্রাথমিক পরিকল্পনা মোটামুটি হলে ঠিক করে ফেলুন বাজেটও। কত টাকা খরচ হবে থাকা-খাওয়া ও যাওয়া-আসায় হিসাব করে নিন।

গুছিয়ে নিন লাগেজ

গোছগাছের জন্য বেশ খানিকটা সময় রাখবেন হাতে, যাতে প্রয়োজনীয় কোনো জিনিস বাদ না পড়ে যায়। পোশাক নেওয়ার ক্ষেত্রে জায়গা বুঝে পোশাক নির্বাচন করুন। যেমন কক্সবাজার কিংবা কুয়াকাটার সমুদ্রসৈকতে বেড়াতে যেতে চাইলে সমুদ্রের পানিতে নামার উপযোগী পোশাক নিন। এখন যেহেতু শীতের সময়, সেহেতু পর্যাপ্ত পরিমাণ গরম কাপড় নিয়ে নিন। পাহাড়ে রাত কাটাতে চাইলে তাঁবু ও রাতযাপনের আনুসাঙ্গিক জিনিসপত্র গুছিয়ে নিন। আবার দেশের বাইরে যেতে চাইলে তার জন্য দরকার বাড়তি ও দীর্ঘমেয়াদি প্রস্তুতি। সাবান, শ্যাম্পু, পেস্ট, ব্রাশ, বডি স্প্রে, পারফিউম, মোজা, মোবাইলের চার্জার ইত্যাদি গুছিয়ে নিন সচেতনভাবে। ভ্রমণের আনুষঙ্গিক জিনিসপত্র যেমন বাইনোকুলার, ক্যামেরা, ম্যাপ, সানগ্গ্নাস, ছাতা, টুপি, বুট জুতা ইত্যাদি যেন বাদ না পড়ে যায়। সম্ভব হলে গোছগাছের সরঞ্জামগুলোর একটি তালিকা তৈরি করে ফেলুন। তারপর সে তালিকা অনুযায়ী গোছগাছ করুন। এতে ঝক্কি কমবে। বহন করার ব্যাগটি টেকসই কিনা তা যাচাই করে নিন। শপিং করার পরিকল্পনা থাকলে অবশ্যই অতিরিক্ত জিনিস বহনের ব্যবস্থা রাখবেন।

প্রয়োজনীয় কাগজপত্র থাকুক সুরক্ষিত

বাস, ট্রেন বা প্লেনের টিকিট, পাসপোর্ট, ভিসা ইত্যাদি প্রয়োজনীয় কাগজপত্র কাপড়-চোপড়ের সঙ্গে একই ব্যাগে না রেখে আলাদা জায়গায় রাখুন। সুটকেসের পকেট বা ছোট পার্সে রাখতে পারেন। যেন চট করে খুঁজে পাওয়া যায়। সাবধানতার জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র একটি করে ফটোকপি করে রাখতে পারেন। এছাড়া টাকা-পয়সা, এটিএম কার্ড, চেকবই, ক্রেডিট কার্ড ইত্যাদি সুরক্ষিত কোনো স্থানে রাখুন।

সঙ্গে রাখুন প্রাথমিক চিকিৎসা বক্স

যেখানেই যান না কেন সঙ্গে অবশ্যই প্রাথমিক চিকিৎসার একটি বক্স রাখবেন। সেখানে থাকতে পারে অ্যান্টিসেপটিক মলম, অ্যান্টিসেপটিক লোশন, গজ ও ব্যান্ডেজ, কাঁচি, কয়েক প্যাকেট খাবার স্যালাইন, জ্বর ও ব্যথার জন্য এসপিরিন বা প্যারাসিটামল ট্যাবলেট, এসিডিটির জন্য এন্টাসিড ট্যাবলেট, বমির জন্য এভোমিন বা ইনারজিন ট্যাবলেট, সর্দি, কাশি বা এলার্জির জন্য অ্যান্টি-হিস্টাসিন জাতীয় ওষুধ। স্বাস্থ্য বিষয়ক যে কোনো জিজ্ঞাসার জন্য ফ্যামিলি ডাক্তারের ফোন নম্বর কাছেই রাখুন।

শিশুর জন্য প্রস্তুতি

পরিবারে যদি থাকে শিশু তবে তার গোছগাছে বাড়তি মনোযোগ দিন। কারণ সংসারে যে মানুষটি সবচেয়ে ছোট, দেখা যায় তার জিনিসপত্রই সবচেয়ে বেশি। এমনিতেই পরিচিত পরিবেশ ছেড়ে শিশু অস্বস্তিবোধ করে। তাই সম্ভব হলে প্রয়োজনীয় জিনিসের পাশাপাশি শিশুর বালিশ, লেপ, খেলনা সঙ্গে নিয়ে নিন। শিশুর জন্য আলাদা একটি ব্যাগ নিতে পারলে সবচেয়ে ভালো হয়।

(Collected from #বাংলাট্রিবিউন )

চন্দ্রমহল ইকো পার্কঅবস্থিত আছে বাগেরহাট     চন্দ্রমহল নামে একটি ভবনকে কেন্দ্র করে বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলায় রঞ্জিতপুর ...
05/06/2017

চন্দ্রমহল ইকো পার্ক
অবস্থিত আছে বাগেরহাট
চন্দ্রমহল নামে একটি ভবনকে কেন্দ্র করে বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলায় রঞ্জিতপুর গ্রামের কাছে একটি পিকনিক স্পট রয়েছে। এটি আসলে একটি চমৎকার শিল্প নিদর্শন। তাজমহলের আদলে তৈরি চন্দ্রমহল। ২০০২ সালে চন্দ্রমহলের প্রতিষ্ঠাতা সেলিম হুদা তার স্ত্রী নাসিমা হুদা চন্দ্রার নামানুসারে প্রায় ৩০ একর জমির উপরে এই ইকোপার্কটি তৈরী করেন। চন্দ্রমহলের সৌন্দর্য দেখে যে কোন পর্যটক মুগ্ধ হবেন। বিশেষ করে প্রখর রোদের আলো যখন মহলের উপরি অংশের সোনালী অংশে পরে তখন এটি দেখে মনে হয় দামী ধাতব পদার্থে নির্মিত হয়েছে মহলটি। মহলটি পানি দ্বারা বেষ্টিত। মহলে পৌছানোর জন্য পানির নিচ থেকেই নেয়া হয়েছে পাকা রাস্তা। রাস্তার মাঝপথে গেলেই দর্শণার্থীদের চোখে পরবে পুরু কাঁচের উল্টো পাশের বড় বড় মাছ। স্থানীয় লোকদের ধারনা শীত মৌসুমে সুন্দরবন দেখতে লাখ লাখ মানুষের আগমন ঘটে। আর সুন্দরবন যাওয়ার পথে চন্দ্র মহলের অবস্থান বিধায় সুন্দরবনের দর্শণার্থীদের একটি বড় অংশ চন্দ্র মহল দেখতে আসেন। যে কারনে অন্যান্য পার্কের তুলনায় চন্দ্রমহলে পর্যটকদের ভীর কিছুটা বেশি।

পর্যটকদের জন্য এখানে নির্মান করা হয়েছে নানান প্রস্তর শিল্প, মৃত্তিকা শিল্প, বাশ ও বেত শিল্পের মানুষ ও প্রাণীর মূর্তি। মাটি দ্বারা নির্মিত হয়েছে পল্লী সংস্কৃতির নানান স্মৃতিকথা, গ্রামীণ নারীর জীবনযাত্রার বিমূর্ত ছবি ফুটে উঠেছে এ শিল্পে। জেলে, কৃষক, ধোপা ইত্যাকার নানান পেশাজীবী গ্রামীণ মানুষের মধ্যযুগের জীবনযাত্রা কেমন ছিল তার ধারনা দিতেই নির্মিত হয়েছে এ মাটির শিল্প। এখানে রয়েছে পানির উপর বাঁশের তৈরি কুটির ও রেস্তরা, ছোট ছোট দিঘীগুলোতে রয়েছে মাছ চাষ, পুকুরের মধ্যে ইট-সিমেন্টের তৈরি কাকড়া ও ঝিনুক, পানসী নৌকা, ১৯৭১ সালের রাজাকারের জন্য কৃত্তিম ফাঁসির মঞ্চ, ডাইনোসরের মূর্তি, কৃত্তিম রেল লাইন, বাঘ-ঘোড়া-হরিণের মূর্তি। পর্যটকদের জন্য রয়েছে পিকনিক স্পট। একটি কাঠের তৈরি বড় ঘর ও তার পাশে রয়েছে রান্নার সকল ব্যাবস্থা। দর্শণার্থীরা নিজেদের মত করে যাতে পিকনিক করতে পারে সে বিবেচনা করেই এ ব্যাবস্থা রাখা হয়েছে। ইকোপার্কের প্রায় সর্বত্রই ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে নানান প্রকারের সবজি চাষ, প্রচুর ফলজ বৃক্ষও রোপন করা হয়েছে। রয়েছে বিভিন্ন প্রজাতির আম চাষ। পার্কের চারধারে লাগানো হয়েছে অসংখ্য নারিকেল গাছ। আর এই বিভিন্ন প্রকারের গাছ ও সবজি চাষই ইকোপার্কের মধ্যে প্রাকৃতিক পরিবেশ তৈরি করে দিয়েছে।

বণ্য প্রাণীদের সাথে পরিচয় করানোর জন্য এখানে আনা হয়েছে অনেক প্রজাতির পশু-পাখি। এদের মধ্যে বানর, বনবিড়াল, হরিণ, তিতপাখি, তুর্কী মুরগী, সাদা ময়ূর, বক, বিভিন্ন প্রজাতির কুকুর ঈগল, মদন টাক পাখি, সাদা ঘুঘু-হাস পাখি, পেঁচা, বেজী, কবুতর, কোয়েল, কুমির ইত্যাদির নাম উল্লেখযোগ্য। পার্কের মূল মহলের মধ্যে রাখা হয়েছে নানান প্রত্নতত্ব। এদের মধ্যে বিশেষ করে দেশী-বিদেশী পুরনো মুদ্রা, ডাক টিকিট, যুদ্ধের অস্ত্র, বহুকাল আগের তৈরি ঘড়ি, প্রার্থণার অলংকার, ধর্মীয় পুরাকীর্তি, সিঁদুর দানী, পাথরের আসবাবপত্র, বিভিন্ন রঙের পাথর, শত বছরের পুরনো কলেরগান, সবচেয়ে ছোট গ্রামোফোন, বিরল পান্ডুলিপি, বাঁশ পোকা, বিভিন্ন প্রজাতির মৃৎ শিল্প, বিভিন্ন প্রকার ক্ষুদ্র পতঙ্গ, পাতা পোকা, ১৭০০-১৮০০ সালের পিতলের চুলের কাটা, রুপার চায়ের পাত্র, পৃথিবীর ক্ষুদ্রতম কোরআন শরীফ, আড় বাঁশি ইত্যাদির নাম উল্লেখযোগ্য।

সময়সূচীঃ

প্রতিদিন সকাল ৭টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত চন্দ্রমহল ইকোপার্কটি খোলা থাকে।

টিকেট মূল্যঃ

প্রবেশের জন্য ৪০ টাকা মূল্যের টিকিট কাটতে হবে।

খাওয়া দাওয়াঃ

পর্যটকদের চাহিদা পূরনের জন্য ইকোপার্কের মধ্যেই গড়ে উঠেছে ৮-১০টি বিভিন্ন প্রকারের রেস্তরা।

কিভাবে যাবেনঃ
ঢাকার সায়দাবাদ থেকে প্রতিদিন সকাল ৬টা থেকে ১০টা পর্যন্ত এবং সন্ধা ৭ টা থেকে রাত ১০ টা পর্যন্ত অনেকগুলা গাড়ী ছেড়ে যায় – মেঘনা (০১৭১৭১৭৩৮৮৫৫৩), বনফূল, পর্যটক (০১৭১১১৩১০৭৮), ফাল্গুনী, আরা, বলেশ্বর, হামিম ও দোলা।

এছাড়া গাবতলী থেকে সোহাগ (০১৭১৮৬৭৯৩০২), শাকুরা (০১৭১১০১০৪৫০), হানিফ ও ইগল পরিবহন ছেড়ে যায়। ভাড়া ৩০০ থেকে ৪০০ টাকা। যাতায়াতে সময় লাগে প্রায় ৭ ঘন্টা।

আন্তঃনগর ট্রেন সুন্দরবন এক্সপ্রেসে খুলনা গিয়ে এরপর বাস ধরে বাগেরহাটে যেতে পারেন। রূপসা থেকে বাগেরহাটে যেতে প্রায় ৪০ মিনিট লাগে।

খুলনা-মংলা মহাসড়কের পাশে রঞ্জিতপুর গ্রামে চন্দ্রমহল অবস্থিত। বাসে করে ভ্রমন করলে আপনি এই গ্রামের কাছে নেমে যেতে পারেন। চন্দ্র মহলের কথা বললেই আপনাকে বাস চালক ঠিক জায়গায় নামিয়ে দেবে। এছাড়া বাগেরহাট শহর থেকে আসা যাওয়ার জন্য ব্যাটারি চালিত বাহন ভাড়া করতে পারেন। অথবা বাগেরহাট থেকে খুলনায় চলাচলকারী বাসে চেপে আপনি চন্দ্রমহলে যেতে পারেন।

কোথায় থাকবেনঃ
বাগেরহাট সদরে বিভিন্ন হোটেল আছে । এছাড়াও সরকারি গেস্টহাউস আছে। এখানে রেল রোডে অবস্থিত মমতাজ হোটেলে থাকতে পারেন। এই হোটেলটিতে সুযোগ সুবিধা কম থাকলেও সেবার মান মোটামোটি ভাল এবং খরচও একটু বেশি। এছাড়া এই হোটেলের আশেপাশে থাকার জন্য আরো কিছু হোটেল রয়েছে। তাছাড়া খান জাহান আলীর মাজারের সামনে মেইন হাইওয়েতে থাকতে পারবেন “হোটেল অভি”-তে । ভাড়া ৪০০ টাকা। ফোন: ০১৮৩৩৭৪২৬২৩।

এছাড়া বাগেরহাটে থাকার জন্যে হোটেলের মধ্যে কেন্দ্রীয় বাস স্টেশন সংলগ্ন হোটেল আল আমিন (০৪৬৮-৬৩১৬৮, ০১৭১৮৬৯২৭৩৭, এসি দ্বৈত কক্ষ ১ হাজার টাকা, নন এসি কক্ষ ১শ’ থেকে ৪শ’ টাকা) এবং কর্মকার পট্টিতে হোটেল মোহনা (০৪৬৮-৬৩০৭৫, ০১৭২২৮৫৮৩১৩, ১শ’ থেকে ৪শ’ টাকায় নন এসি কক্ষ) আছে।

খুলনা থেকে বাগেরহাটে আসতে সময় ১ ঘণ্টা লাগার কারনে খুলনাতেও থাকা যায়।
(তথ্য ও ছবি সংরোহিত)

05/06/2017

আবাসিক হোটেল
বিভিন্ন স্থানের গুরুত্বপূর্ণ আবাসিক হোটেল নম্বরসমূহ -

ঢাকা শহরের আবাসিক হোটেলগুলোর রুম ট্যারিফসহ ফোন নম্বরগুলো -

১. হোটেল ভিকটরী : ৩০/এ, ভিআইপি রোড, নয়াপল্টন, ঢাকা-১০০০। ফোন: ৯৩৫৩৯৫৫, ৯৩৫৩০৮৮
রুম ট্যারিফ (৪০% ডিসকাউন্ট+৫% সার্ভিস চার্জ+১৫% ভ্যাটসহ, আপডেট ৯ সেপ্টেম্বর, ২০১১ পর্যন্ত)
ক. প্রিমিয়ার সিঙ্গল: ২১১৬ টাকা
খ. ডিলাক্স কাপল: ৩১৭৩ টাকা
গ. প্রিমিয়ার টুইন: ৩৭০৩ টাকা
ঘ. ডিলাক্স টুইন: ৪২৩১ টাকা
ঙ. সুপার ডিলাক্স টুইন: ৪৭৬০ টাকা
চ. ডিলাক্স ফ্যামিলি রুম: ৫২৮৯ টাকা
ছ. ভিক্টরী এক্সেকিউটিভ সুইট: ৫৮১৮ টাকা
২. হোটেল লেক ব্রীজ : বাসা: ১৫, রোড ৪২, গুলশান ২, ঢাকা-১২১২, বাংলাদেশ। ফোন: ৮৮০-২-৮৮২৮১৪৬, ৮৮২৮১৪৭, ৮৮৩২৬০৭, ৮৮০-২-৮৮৩৩৯৬০ (ফ্যাক্স)
রুম ট্যারিফ: (আপডেট ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০১১ পর্যন্ত)
ডিলাক্স সিঙ্গেল: ৬০ ইউএসডি
সুপার ডিলাক্স টুইন: ১০০ ইউএসডি
সুপার ডিলাক্স কাপল: ১০০ ইউএসডি
ডিপ্লোম্যাটিক স্যুট: ১৫০ ইউএসডি

৩. হোটেল জাকারিয়া ইন্টারন্যশনাল লি: ৩৫, বীর উত্তম এ.কে. খন্দকার রোড (মহাখালী ওয়্যারলেসের মোড়, ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের সন্নিকটে), মহাখালী কমার্শিয়াল এলাকা, ঢাকা-১২১২। ফোন: +৮৮ ০২ ৮৮২৫০০৩, ৮৮২৫০০৪, ৮৮৩১৮৫৪, ০১৭৩২৯৮৯০৯০

কক্সবাজার -

১. হোটেল কোরাল রীফ (কলাতলী): ০১৯২৬৬৯৬৩১০ (জনাব ফজলুল কাদের, অপারেশন ম্যানেজার), ০৩৪১-৬৪৪৬৯, ৫১০৭৭, ০১৮১৮০৮৬৫১, ০১৭৩০৭২৫২৬৮
২. হোটেল কল্লোল (সী বীচ রোড): ০১৭২৭৬১৩২৫৮, ০১৮১৯৫৪৮৪৩৪
৩. ইউনি রিসোর্ট লি (কলাতলী): ০৩৪১-৬৩১৮১, ৬৩১৯১, ০১৭৩১৪৫৬১৭৩
৪. বীচ ভিউ রিসোর্ট (কলাতলী): ০৩৪১-৫১২৮১, ০১৮১৪২৮৬০৫০
৫. হোটেল অভিসার (৩ স্টার) (কলাতলী): ০৩৪১-৬৩০৬১, ০১৮১৯৮২১৭৭৪
৬. হোটেল মেডিয়া ইন্টারন্যাশনাল লি (সী বীচ রোড): ০৩৪১-৬২৮৮১, ০১৭১১৩৪১১৬৪, ০১৮১৯৫১৯৭১৯
৭. নিটোল বে রিসোর্ট (কলাতলি বীচ রোড): ০৩৪১-৬৪২৭৮, ৬৩৬৭৭, ০১১৯৯৭৪১০৯০, ০১৮১৬০৫৫৩৬৩, ০১৮১৬৬১৪৩৪১
৮. হোটেল সী ক্রাউন (মেরিন ড্রাইভ, কলাতলি নতুন বীচ): ০৩৪১-৬৪৭৯৫, ৬৪৪৭৪, ০১৮১৭০৮৯৪২০
৯. হোটেল প্রাসাদ প্যারাডাইস (নতুন বীচ রোড): ০৩৪১-৬৪৪০৩, ০১৫৫৬৩৪৭৭১১, ০১৭২৬০৭০১৪৮
১০. বসতি বে রিসোর্ট (কলাতলি রোড): ০৩৪১-৫২১৮১, ০১৮২৬৯৮১৯৮১
**হোটেল সী-গাল: +৮৮ ০৩৪১ ৬২৪৮০-৯০
**হোটেল লং বীচ: (জনাব রিয়াদ) ০১৮১৬২৫২০৬৭
**সান এণ্ড সি হলিডেস: বাড়ি ১৬, ব্লক এ, কলাতলি মেইন রোড, কক্সবাজার, ফোন ০১৭২৭৩৬৮৫৮৯, ০১৭১৩৪৪১৩৬৪
**কক্সবাজার পৌঁছে হোটেল না পেয়ে যদি বিপদে পড়েন, তাহলে হাজেরা গেস্ট হাউজে ট্রাই করতে পারেন। অন্তত: মাথা গোঁজার ঠাঁইটাতো মিলবে। ফোন: ০১৫৫৩৭৯০৭৬৩, ০১৯৭৪৬৭৬৭৬৭, ০১৮২৫২৫২৭৫৩

কক্সবাজারে থাকার জন্য এখন প্রচুর হোটেল রয়েছে ধরন অনুযায়ী এ সব হোটেলের প্রতি দিনের কক্ষ ভাড়া ৫০০-২০,০০০ টাকা। পাঠকদের সুবিধার জন্য নিচে কয়েকটি হোটেলের ফোন নম্বর দেওয়া হলো।
কক্সবাজারে বাংলাদেশ পর্যটন কর্পোরেশনের রয়েছে হোটেল শৈবাল, ফোন : ৬৩২৭৪
মোটেল উপল, ফোন : ৬৪২৫৮
মোটেল প্রবাল, ফোন : ৬৩২১১
মোটেল লাবনী, ফোন : ৬৪৭০৩
পর্যটন কর্পোরেশনের ঢাকাস’ হেড অফিস থেকেও এসব হোটেলের বুকিং দেওয়া যায়। যোগাযোগ : ৮৩-৮৮, মহাখালী বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা, ফোন : ৯৮৯৯২৮৮-৯১। এ ছাড়া অন্যান্য হোটেল হলো-
হোটেল সি গাল (পাঁচ তারা), ফোন : ৬২৪৮০-৯১, ঢাকা অফিস-৮৩২২৯৭৩-৬
লংবিচ হোটেল (পাঁচ তারা), ফোন : ৫১৮৪৩-৬
হোটেল কক্স-টুডে (পাঁচ তারা), ফোন : ৫২৪১০-২২
হোটেল ওশান প্যারাডাইস (পাঁচ তারা), ফোন : ৫২৭৩০
হোটেল সি কুইন, ফোন : ৬৩৭৮৯, ৬৩৮৭৮
হোটেল সি প্যালেস, ফোন : ৬৩৬৯২, ৬৩৭৯২
হোটেল সাগর গাঁও লি. ফোন : ৬৩৪৪৫, ৬৩৪২৮
সুগন্ধা গেষ্ট হাউস, ফোন : ৬২৪৬৬
জিয়া গেষ্ট ইন, ফোন : ৬৩৯২৫
হোটেল সি হার্ট, ফোন : ৬২২৯৮
হোটেল ডায়মন্ড প্লেস এন্ড গেষ্ট হাউস, ফোন : ৬৩৬৪২
গেষ্ট কেয়ার লি., ফোন : ৬৩৯৩০
হোটেল প্যানওয়া লি., ফোন : ৬৪৪৩০
কক্সবাজারের এনডব্লিউডি কোড-০৩৪১

নিচের প্রয়োজনীয় নাম-ঠিকানা ও নম্বরগুলো টুকে নিতে পারেন -

# ফোর স্টার হোটেল (বান্দরবান): ০৩-৬২৪৬৬, ০১৫৫৩ ৪২১০৮৯, ০১৮১৩ ২৭৮ ৭৩১
# হোটেল হিলবার্ড (বান্দরবান): ০১৮২৩ ৩৪৬৩৮২
# হোটেল পূর্বাণী (বান্দরবান): ০১৫৫৮ ৬৪২ ৭৪৩
# রয়্যাল হোটেল (বান্দরবান): ০৩৬১ ৬২৯২৬
# হিলসাইড রিসোর্ট (বান্দরবান): ০১৭৩০০৪৫০৮৩ বুকিং, ঢাকা অফিস, ০১৭১১২৯৮০০০ (খোকন সাহেব, মালিক)
# হোটেল ঢাকা (বান্দরবান শহরে খাবার ভাল দোকান): ০৩৬১ ৬৩৩৫৪, ০১৫৫৬ ৫৩৪ ০৯১, ০১৫৫৩ ৪০২ ১৮৯
# হেটেল হিলটন (রুমা): ০১৮২৩ ৯২২ ৬৯১
# আল মামুন হোটেল (রুমাতে খাবার ভাল দোকান): ০১৫৫২ ৩৫৮৭৮৩, ০১৫৫২ ৩৮৫১৫৬
# সিয়াম দিদির রিসোর্ট (বগা লেক): ০১৫৫৩ ১০৮ ৫২৭, ০১৮৪০ ১৫৮ ৭৫৭
# গাইড জামাল (রুমা): ০১৫৫৩ ৭৪৮ ৫১১, ০১৮২৩ ৯৬৮ ৮৫০
# জনাব বক্কর (রুমাতে চান্দের গাড়ির লাইন ম্যান): ০১৫৫৩ ১০৩ ৪৫৪
# বান্দরবান থেকে রোয়াংছড়ি হয়ে রুমা যাওয়ার জন্য রিজার্ভ ল্যান্ড ক্রুজার গাড়ির ড্রাইভার মো: জাহিদ: ০১৮৪০ ১৫৮ ৭৬৪
# শ্যামলী বাস কাউন্টার (সায়েদাবাদ): ৭৫৪০৯৯৩, ৭৫৪০৯৯১, ৭৫৫০০৭১, ৭৫৪১০১৯

# লামাতে থাকার ব্যবস্থা বলতে একটি মাত্র ভালো মানের হোটেল রয়েছে। নাম ’হোটেল মিরিঞ্জা’। এখানে নন এ.সি রুমসহ ৭০০ টাকার এ.সি রুমও রয়েছে। ফোন নম্বর: ০১৫৫৩ ২৪৪৮২৬, ০১৫৫৩ ৭৫৭৪৭৫, ০১৫৫৩ ৬৫৫০৯৪, ০১৫৫৬ ৬২৪৪৮৩
# লামাতে খাওয়া দাওয়া করার জন্য মোটামুটি মানের হোটেল জব্বারিয়া এবং হোটেল মেহমান।

# শেরপুর শহরে থাকার ভালো হোটেল: হোটেল সম্পদ: ফোন: ০১৭১৮ ২৯০ ৪৪৭।
এসি/নন এসি গাড়ির প্রয়োজন হলে ফোন করতে পারেন: হযরত ড্রাইভার -০১৭১৪৯৯০৩৪৭, সুমন-০১৭৩৪১৮৩০৩৫
শহর অথবা এর আশেপাশে ঘোরার জন্যে সিএনজি প্রয়োজন হলে: বাচ্চু ড্রাইভার – ০১৯১৪৯১৯৬৩৮

বাস সার্ভিস:
১. বাগদাদ এক্সপ্রেস (কক্সবাজার): ০৩৪১-৫১১৬১, ৬৪৭৪৮, ০১৭৩০০৪৬০৬০, ০১৭৩০০৪৬০৭০
২. সাউদিয়া এস. আলম (কক্সবাজার): ০১১৯৭০১৫৬২৪, ০১১৯৭০১৫৬২৭, ০১১৯৭০১৫৬১০ (চট্রগ্রাম), ০১১৯৭০১৫৬৩২ (ঢাকা)
৩. গ্রীন লাইন পরিবহন (রাজারবাগ, ঢাকা): ৯৩৪২৫৮০, ৯৩৩৯৬২৩, ০১৯৭০০৬০০০৪, ০১৯৭০০৬০০৭০ (কক্সবাজার), ০৩৪১-৬৩৭৪৭ (কক্সবাজার)
৪. সোহাগ পরিবহন (কক্সবাজার): ৬৪৩৬১, ০১৭১১৪০০২২২, ৯৩৪৪৪৭৭ (মালিবাগ), ০১৭১১৬১২৪৩৩ (মালিবাগ)

কেয়ারী সিন্দবাদ: ০১৮১৭২১০৪২১, ০৩৪১-৬২৮১২, ৮১২৫৮৮১
(কেয়ারী সিন্দবাদের জাহাজ ছাড়ার সময়সূচী: টেকনাফ থেকে সকাল ৯.৩০ এবং সেন্টমার্টিন থেকে বিকাল ৩ টা)



**হোটেল সী-গাল: +৮৮ ০৩৪১ ৬২৪৮০-৯০
**হোটেল লং বীচ: (জনাব রিয়াদ) ০১৮১৬২৫২০৬৭
**সান এণ্ড সি হলিডেস: বাড়ি ১৬, ব্লক এ, কলাতলি মেইন রোড, কক্সবাজার, ফোন ০১৭২৭৩৬৮৫৮৯, ০১৭১৩৪৪১৩৬৪
**কক্সবাজার পৌঁছে হোটেল না পেয়ে যদি বিপদে পড়েন, তাহলে হাজেরা গেস্ট হাউজে ট্রাই করতে পারেন। অন্তত: মাথা গোঁজার ঠাঁইটাতো মিলবে। ফোন: ০১৫৫৩৭৯০৭৬৩, ০১৯৭৪৬৭৬৭৬৭, ০১৮২৫২৫২৭৫৩

সেন্টমার্টিনের রিসর্টের নাম ও টেলিফোন নম্বর….
ব্লু মেরিন: ০১৮১৯০৬৩৪১৮, ০১৭২২৪৭৩৬১৩, ০১৮১৯০৬৩৪২৫
অবকাশ: ০২৮৩৫৮৪৮৫, ৯৩৪২৩৫১,৯৩৫৯২৩০ (ঢাকা থেকে বুকিং দিতে হবে)
প্যাসিফিক রিসর্ট: ০১৭৩২৪৩৪২৬৪ (সেন্টমার্টিন্স), ০১৭১২৬৪৩৬৯৪, ০১৭২০৯৩৯০৯০ (ঢাকা)
শৈবাল: ০১৮১৫০১৪৬৬৪
হোটেল স্বপ্ন প্রবাল : ০১৮১৪২৭৪৪০৯, ০১৭২২৫৪৫৮৭২
(সেন্টমার্টিন্স) ০২৮৬১১৪২৮, ০১৭১১-১১০৯১৯ (ঢাকা)
সমুদ্র বিলাস : ০১৮১৩০১৯৮৩৯ (মং), (কক্সবাজার শাখা হোটেল নিদমহল : ০১৭১১৯৬৯৮৩৩, ০১৮১২৬১১৪২৭, ০১৮১৮১৪৩০১২)
পালিনি রিসর্ট : ০১৭২৭৩৬৮২৮২
সীমানা পেড়িয়ে রিসর্ট : ০১৮১৯০১৮০২৭, ০১৮১৭০৪২০২০ (সেন্টমার্টিন্স ), ০১৮১৯৪৬৬০৫৯, ০১৮১৯৪৭৮৪৩৪, ০১৯১১১২১২৯২, ০১৭১১৩৪৪৪৫১ ( ঢাকা)
নীল দিগন্তে রিসর্ট: ০১৭৩০০৫১০০৪ (সেন্টমার্টিন্স), ০২-৮৬৫২৬৭১, ৮৬৫২৩৭৪, ০১৭৩০০৫১০০৫ (ঢাকা)
**ঢাকা থেকেই ঈগল / কুতুবদিয়ার সিট বুকিং দিয়ে রাখতে পারেন। ঈগলের ফোন নাম্বার ০১৭১৩১৪৫৫৮৪, ০১১৯০১২৪১২৭।

সুনামগঞ্জ শহরে থাকতে হলে আরেকটি ভালো জায়গা হলো:
সি.এন.আর.এস (একটি এনজিও-এর নিজস্ব গেস্টহাউজ); জনাব আলমের সাথে যোগাযোগ করুন:০১৬৮১৩০৮১৭৪

সুনামগঞ্জের শাল্লা উপজেলা ডাকবাংলোতে (সুরঞ্জিত সেন গুপ্তের) থাকার জন্যে:
জনাব তাহের, ০১১৯০৯১২৯৫৮

সুনামগঞ্জের তাহিরপুরে থাকতে হলে:
১. উপজেলা ডাকবাংলোর কেয়ারটেকার কৃপেশ দাস: 01724968161
২. উপজেলা গেস্টহাউজের জন্য উপজেলা চেয়ারম্যান জনাব আনিসুল হক কে অনুরোধ করতে হবে: 01715172238
ট্রলার ভাড়া করতে হলে আলী নূরকে ফোন দিন: ০১৯২২০৫৬৭৩০
সুনামগঞ্জের দেরাই উপজেলায় থাকার হোটেল:
১. হোটেল জাকারিয়া: ০১৭১২৭১৫৯১৬

সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলায় থাকার হোটেল:
১. হোটেল সানলাইট: ০১৭৩১৬৯৭৮৭০

বান্দরবানের আলীকদম উপজেলাতে থাকার জন্য
জেলা পরিষদ রেস্ট হাউজের কেয়ারটেকার খালেদ সাহেবের ফোন নম্বর: ০১৫৫৮ ৬০৪০৭৫
হবিগঞ্জ শহরে থাকার ভালো হোটেল:
১. হোটেল আমির চাঁদ (হোটেল আমাদ): ০১৭৩২৫২১১৫২
২. হোটেল সোনার তরী: ০১৭১১২৩৩৩৩২

কিশোরগঞ্জ শহরে থাকার ভালো হোটেল:
১. হোটেল গাঙচিল: ০১৭২৪২৪৫১৫৫, ০১৭১২৭০০৫৮৫
২. ‘পপি’ এনজিও -এর নিজস্ব আবাসিক ব্যবস্থা ‘পার্ট’-এ থাকতে হলে যোগাযোগ করুন: ০১৭১৬৯৫৮৬০৫ (জনাব কাজী মুজাহিদ), ০১৭১০৭৫৪৩৯৯ (সুমন), ০১৭১১৬৮৩১৮২ (মো: শাহাবউদ্দিন, কো-অর্ডিনেটর, পার্ট)

শেরপুর জেলার নালিতাবাড়ি উপজেলায় থাকার ভালো হোটেল:
১. এম.এন প্লাজা: ০১৭১১৪৪১৮৮৯

কুড়িগ্রাম শহরে থাকার ভালো হোটেল:
১. হোটেল মেহেদী: ০১৭১১৩৪৮৯১০

শ্রীমঙ্গল বি টি আর আই চা-বাগানের রিসোর্টে থাকতে হলে:
অরুন বাবু (ম্যানেজার): ০১৭১২০১৬০০১
জনাব রফিকুল হক (অ্যাসিস্টেন্ট ডেভলপমেন্ট অফিসার): 01712071502, 01711303777

গোপালগঞ্জ শহরে থাকার ভালো হোটেল:
১. পলাশ গেস্টহাউজ (মোসলেমউদ্দিন প্লাজা): ০১৭১১১২৬২৮৭, ০১৯২৪৮৭৮০০৮, ০৬৬৮৬১৪৬৫
২. হোটেল জিমি (আবাসিক): ১০৯ ডি, সি রোড, কালীবাড়ি সংলগ্ন, গোপালগঞ্জ, ফোন: ০২-৬৬৮-৫৭৯৭, ০১১৯১৬২০৫৫৭

নেত্রকোণার বিরিশিরি-দূর্গাপুরে থাকার ব্যবস্থা:
১. ওয়াই ডব্লিউ সি এ: জনাব মিল্টন: ০১৭২১৩৯৪৩২০
২. ওয়াই ডব্লিউ সি এ: বেবী দিদি: ০১৭১২০৪২৯১৬

নেত্রকোণার খালিয়াজুড়ি উপজেলা ডাকবাংলোতে থাকতে হলে ইউ এন ও কে ফোন দিয়ে অনুরোধ করতে পারেন: ০১৭১৬৩১৮৩১১

নেত্রকোণার মোহনগঞ্জ এবং বারহাট্টাতে থাকার তেমন কোন ব্যবস্থা নেই। তবে জনাব সজীবকে ফোন করে অনুরোধ করতে পারেন। তিনি একটা ব্যবস্থা করে দিতে পারেন: ০১৭১৪৫৮২৮৯১, ০১৯২২৬১১২৪৪
মোহনগঞ্জে ‘শাপলা গেস্ট হাউজ’-এর অবস্থা খুবই খারাপ।

চট্টগ্রাম শহরে থাকার হোটেল:
১. হোটেল সিলমুন
১৩৪/এ, সিডিএ এভিনিউ (ওয়াসা মোড়), দামপাড়া, চট্টগ্রাম, ফোন: ০১৮২৩২৮৭৪৬৪, ০৩১-৬২৮৩০২, ২৮৬০৭৫৫
২. হোটেল লর্ডস ইন
হোসনা কালাম কমপ্লেক্স (সানমার ওশান সিটির উল্টা দিকে)
সি,ডি,এ এভিনিউ, ইস্ট নাসিরাবাদ, চট্টগ্রাম
ফোন: ৮৮০-৩১-২৫৫২৬৭১-৪
৩. হোটেল ওয়েল প্যালেস (আবাসিক)
১০৭১, রহমান সেন্টার, বহদ্দারহাট, চট্টগ্রাম। ফোন: ০৩১-২৫৫৬০৬৮, ০১৮২২৬২২৬৬২

খুলনা শহরে থাকার ভালো মানের হোটেল:
১. হোটেল রয়্যাল ইন্টারন্যাশনাল: 01190-856013, 01718-679900
২. হোটেল টাইগার গার্ডেন: +880 88041721108
৩. হোটেল ক্যাসেল সালাম: 01711-397607, 880-41-720160, 880-41-730725

ভারত-
ভারতের পশ্চিমবঙ্গের দার্জিলিং শহরে থাকার সুলভ মূল্যের ভালো হোটেল:
১. হোটেল ব্রডওয়ে: ৪, কোচ বিহার রোড, দার্জিলিং, ০৩৫৪-২২৫৩২৪৮, ২২৫৬২৭০, ৯৭৩৩০-২২২০৮

ভারতের পশ্চিমবঙ্গের কালিমপং শহরে থাকার সুলভ মূল্যের ভালো হোটেল:
১. মনোকামনা লজ (এস ডি বি গিরি রোড, কালিমপং-৭৩৪৩০১): ফোন: ৯৮৩২৪৭৮৫৯০ (সুদীপ প্রধান), ০৩৫৫২-২৫৫৩৯৮

ভারতের পশ্চিমবঙ্গের লাভাতে (কালিমপং) থাকার সুলভ মূল্যের ভালো হোটেল:
– হোটেল ইউনিক: ৯৮৩২০৬১২২০
– মিস আনিতা: ৮০১৬৪৮৯০০২

কোলকাতা শহরে থাকার ভালো হোটেল:
১. দ্যা অশোকা হোটেল: পি-২৪ ডবসন লেন, হাওড়া-৭১১১০১, ফোন: ৬৬৬-৪২১২/৪৩৪৩/৪৩৩৩/৪২২১/৫২২২/৪৪২০

দিল্লী শহরে থাকার ভালো হোটেল:
১. হোটেল সিয়াল: ৪৩, আরাকাশান রোড, রাম নগর, নিউ দিল্লী-১১০০৫৫, ফোন: ৩৬১০০৯১

ভারতের আসাম এবং মেঘালয় রাজ্যে ঘোরাঘুরির জন্যে:
১. টাই (ওরফে পিটার), ডাউকি বর্ডারের ট্যাক্সি ড্রাইভার: ৯৮৬৩৫৮৮২৬৩
২. সুজিত শীল (শিলং-এর ট্যাক্সি ড্রাইভার): ৯৮৬৩১২৭৭৪০
৩. আব্দুল কাইয়ুম (শিলং/গৌহাটির ট্যাক্সি ড্রাইভার): ৯৮৫৪৭৪৮১৪৭
৪. পিঙ্কু হাজারিকা (ন’গাঁও থেকে কাজিরাঙ্গা সাফারী পার্ক যাবার ট্যাক্সি ড্রাইভার): ৯৮৫৪৫২০৪৬১
৫. হোটেল পায়েল, পুলিশ বাজার, থানা রোড, শিলং, মেঘালয়: ০৩৬৪-২২২২০৮৭, ২২২৭১৬১
৬. হোটেল সিংহাসন, ধরমনালা রোড, ডিফু, কারবি অংলং, ফোন: ০৩৬৭১-২৭১৪৫৮
৭. হোটেল মহালক্ষ্মী, পল্টন বাজার, জি.এস রোড, গৌহাটি, আসাম। ফোন: ৯৮৫৪০৩১৭২৬, ৯৪৩৫১৪৩০৬৩
বাস সার্ভিস:
১. সায়েদাবাদ থেকে হবিগঞ্জে যাবার জন্যে:
– ‘অগ্রদূত’ এ.সি বাস সার্ভিস। ফোন: ০১৭১৮৬০০৫৫১
– দিগন্ত পরিবহন: ০১৭১৫৫৩৯৮০৯
২. শেরপুর শহরে যাবার জন্য এ.সি বাস: ০১৭৩৪১৯০৬৬৫
৩. বাগদাদ এক্সপ্রেস (কক্সবাজার): ০৩৪১-৫১১৬১, ৬৪৭৪৮, ০১৭৩০০৪৬০৬০, ০১৭৩০০৪৬০৭০
৪. সাউদিয়া এস. আলম (কক্সবাজার): ০১১৯৭০১৫৬২৪, ০১১৯৭০১৫৬২৭, ০১১৯৭০১৫৬১০ (চট্রগ্রাম), ০১১৯৭০১৫৬৩২ (ঢাকা)
৫. গ্রীন লাইন পরিবহন (রাজারবাগ, ঢাকা): ৯৩৪২৫৮০, ৯৩৩৯৬২৩, ০১৯৭০০৬০০০৪, ০১৯৭০০৬০০৭০ (কক্সবাজার), ০৩৪১-৬৩৭৪৭ (কক্সবাজার)
৬. সোহাগ পরিবহন (কক্সবাজার): ৬৪৩৬১, ০১৭১১৪০০২২২, ৯৩৪৪৪৭৭ (মালিবাগ), ০১৭১১৬১২৪৩৩ (মালিবাগ)
৭. টি.আর ট্র্যাভেলস: ০১১৯১৮৬৩৬৭৬ (চট্রগ্রাম), ০১১৯১৮৬৩৬৭৩ (আরামবাগ, ঢাকা), ০১১৯১৮৬৩৬৮০ (কক্সবাজার), ০১১৯১৮৬৩৬৮১ (কক্সবাজার)
৮. হানিফ এন্টারপ্রাইজ: ০১৭১৩৪০২৬৬৩, ০১৭১৩৪০২৬৬৪, ০১৭১৩৪০২৬৬৫, ০১৭১৩৪০২৬৬৭ (চট্রগ্রাম), ০১৭১৩৪০২৬৭১ (আরামবাগ, ঢাকা)
৯. সিল্কলাইন: ০১৭১৪০৮৭৫৬২ (চট্রগ্রাম), ০১৭১৪০৮৭৫৬৩ (ঢাকা)

রেন্ট-এ-কার
১. হবিগঞ্জ শহরে রেন্ট-এ-কার এর জন্য যোগাযোগ করুন:
জনাব হুমায়ূন: ০১৭২২৯০১০৮০
২. সিলেট শহরে রেন্ট-এ-কার এর জন্য যোগাযোগ করুন:
– সিরাজী ০১৭২৩৩৬৫৬৫৪
– আইয়ুব ০১৭১২৭৯৫৯৫২
– কবির ০১৭১২৩১৬৭৩২
– নেবু ০১৭১২৩২৫৮৭৬
– শামিম ০১৭১৪৭৭০১৫৫
– ০১৭১১৩৯৯৪৬৬
– ০১৭১১৪৭৯৫০৩
৩. চট্রগ্রাম শহরে রেন্ট-এ-কার এর জন্য যোগাযোগ করুন:
– জনাব মাহবুব: ০১৭১৫০৭৫৭৭২
– জনাব দুলাল: ০১৭১৬৩৯১১৮১
৪. সুনামগঞ্জ শহরে রেন্ট-এ-কার এর জন্য যোগাযোগ করুন:
– জনাব আসাদ: ০১৭১৮২৮৩০১১
– জনাব খোরশেদ: ০১১৯৬১৬৫৩৮৯
– জনাব রাজু: ০১৭১৬৩৯৫৩১৫
৫. শেরপুর শহরে রেন্ট-এ-কার এর জন্য যোগাযোগ করুন:
– জনাব হজরত: ০১৭১৪৯৯০৩৪৭
– জনাব সুমন: ০১৭৩৪১৮৩০৩৫
– জনাব শাহীন: ০১৯১৩৯১১৯১৯
৬. নেত্রকোণার বারহাট্টায় রেন্ট-এ-কার এর জন্য যোগাযোগ করুন:
– জনাব কালাম: ০১৭১২৫৯২৭৪৩
– জনাব সুমন: ০১৭১৬৬৩০৮৮২

রেস্টুরেন্ট:
১. ময়মনসিংহ শহরে খাবার ভালো রেস্টুরেন্ট: সারিন্দা: ০১৭১২১২১৪৩৪
২. চট্টগ্রাম শহরে খাবার ভালো রেস্টুরেন্ট: হাঁড়ি (সাউথ ইণ্ডিয়ান খাবারের জন্যে): ৮০৫/ ডি, সিডিএ এভিনিউ (জিইসি মোড় থেকে দামপাড়ার দিকে যাবার পথে), ফোন: ০১৮১৯৬৩৮০১৩, ০১৯১৯৬৩৮০১৩, ০১৭৩৩০০১১৮৮
৩. সিলেট শহরে খাবার ভালো রেস্টুরেন্ট:
**উনদাল, পূর্ব জিন্দাবাজার, সিলেট, ফোন: ০৮২১-২৮৩২১৯৭, ০১৭১৭০২০৫০৫
**এক্সোটিকা রেস্টুরেন্ট, হোটেল সুপ্রীম, জাফলং রোড, মিরাবাজার, সিলেট-৩১০০, মোবাইল: ০১৭১১১৯৭০১২, ফোন: ৮৮-০৮২১-৭২০৭৫১, ৮১৩১৬৯, ৮১৩১৭২, ৮১৩১৭৩, ৮১৩১৬৮

বিখ্যাত মিষ্টির দোকান:
১. বাগাট ঘোষ মিষ্টান্ন ভাণ্ডার, ভাঙ্গা রাস্তার মোড়, পুরাতন বাসস্ট্যাণ্ড, ফরিদপুর, ফোন: ০১৭৩১৮৯৯৭৯০
২. দত্ত মিষ্টান্ন ভাণ্ডার, গোপালগঞ্জ, ফোন: ০১৭৩৬৯২৩১১১
৩. সানন্দা: মালদহ পট্টি, দিনাজপুর, ফোন: ০৫৩১-৬৪২৪৯

ট্রাভেল এজেন্সী:
ওয়েলকাম ট্রাভেলস (জনাব মেরাজ): ০১৭১৩০৬৬৬৪৪

এয়ারওয়েজ:
১. রিজেন্ট এয়ারওয়েজ: +৮৮-০২-৮৯৫৩০০৩
২. জিএমজি (যশোর): ০১৭১১৮৯০০৭১
৩. জিএমজি (সিলেট): ০১৭১১৮৯০০৭৫
৪. ইউনাইটেড এয়ারওয়েজ (বিডি) লি: ফোন: ৮৮০২৮৯৩৩২৭১, +৮৮০২৮৯৫০৭৫৮, +৮৮০১৭১৩৪৮৬৬৫১, +৮৮০১৭৩০৩১৫৭৯১-৩, ০১৭৩০৩১৫৭৯৪ (উত্তরা, ঢাকা), ০১৭১৩৪৮৬৬৬৩ (নাসিরাবাদ, চট্টগ্রাম), ০১৭১৩৪৮৬৬৫৪ (সিলেট), ০১৭১৩৪৮৬৬৫২ (কক্সবাজার), ০১৭১৩৩৯৮৭৮১ (যশোর), ০১৭১৩৩৯৮৭৮৪ (খুলনা), ০১৭১৩৩৬৫০৯৫ (বরিশাল)



কিছু প্রয়োজনীয় তথ্য:
ঢাকা থেকে সুনামগঞ্জ কিভাবে যাবেন: শ্যামলী নন এ.সি বাসে সরাসরি ঢাকা টু সুনামগঞ্জ যেতে পারেন। ঢাকা থেকে সুনামগঞ্জ পর্যন্ত শ্যামলীতে ৩৩০ টাকা নেবে। অথবা ভালো হয়, যদি ঢাকা থেকে গ্রীন লাইন বা সোহাগ (ঢাকা-সিলেট রুটে সোহাগের সার্ভিস চরম হতাশাজনক) এসি বাসে ৫৮০ টাকা দিয়ে টিকেট কেটে আনুমানিক ৫ ঘন্টায় সিলেট হুমায়ূন রশিদ চত্ত্বরে নামবেন। সেখান থেকে বিশ টাকা দিয়ে একটা রিক্সা ভাড়া করে কীন ব্রীজ পার হবেন। তারপর শেয়ার/রিজার্ভ সিএনজিতে কুমারগাঁও বাস স্ট্যাণ্ড। সেখান থেকে ৭০ টাকা দিয়ে ‘বিরতিহীন’ বাসের টিকেট কেটে বাসে উঠে হালকা ঝাঁকি খেতে খেতে ২ ঘন্টায় সুনামগঞ্জ। ফেরার পথেও একইভাবে ফিরতে পারেন। আর নন এ.সি নাইট কোচ শ্যামলীতে ঢাকা ফিরতে ৩০০ টাকা নেবে।

কোথায় থাকবেন:

হোটেল প্যালেস: নাই মামার থেকে কানা মামা টাইপ একটাই মোটামুটি মানের হোটেল সুনামগঞ্জ-এ রয়েছে। এখানে আবার একটি এ.সি. রুম-ও আছে, যার এ.সি. অনেক আগে আমি যখন ছিলাম, কোনভাবেই কাজ করেনি। ফোন নম্বর: ০৮৭১-৫৫৩৪১ (ল্যাণ্ড লাইন), ০১৭১-৯০৪৮২৮২ (জনাব মনোজ কান্তি, ম্যানেজার)।

সানক্রেড (এন জি ও): ঠিকানা: হাছন নগর, সুনামগঞ্জ। ফোন: জনাব রেমা: ০১৭১৮৫২৩২০৪

ওয়ার্ল্ড ফিশ: ঠিকানা: ষোলঘর, আলীপাড়া, সুনামগঞ্জ। সরাসরি হালিম ভাইয়ের সাথে রুম এর ব্যাপারে কথা বলতে পারেন (তার অনুমতি সাপেক্ষে ফোন নম্বর দিয়ে দিচ্ছি): ০১৯১৮-২৭৩৪৮৫। আর ০৮৭১ ৫৬২০১ নম্বরে ওয়ার্ল্ড ফিশ, সুনামগঞ্জ-তেও কথা বলতে পারেন।



সিলেট শহরে থাকার আবাসিক হোটেল:
১. হোটেল মেট্রো ইন্টারন্যাশনাল (বন্দর, শিশুপার্কের কাছে): ০১৭৩১৫৩৩৭৩৩, +৮৮০৮২১২৮৩৩৪০৪
২. হোটেল নির্ভানা ইন (রামের দিঘির পাড়, মির্জা জাঙ্গাল, সিলেট): +৮৮০৮২১২৮৩০৫৭৬, ০১৭৩০০৮৩৭৯০, ০১৯১১৭২০২১৩, ০১৭১১৩৩৬৭৬১
৩. হোটেল স্টার প্যাসিফিক (ইস্ট দরগাহ গেইট): ০১৭১৩৬৭৪০০৯, ০১৯৩৭৭৭৬৬৩৩, ০৮২১-২৮৩৩০৯১
৪. হোটেল অনুরাগ (ধোপা দীঘি নর্থ): ৭১৫৭১৭, ৭১৪৪৮৯, ০১৭১২০৯৩০৩৯
৫. হোটেল সুপ্রীম, জাফলং রোড, মিরাবাজার, সিলেট-৩১০০, মোবাইল: ০১৭১১১৯৭০১২, ফোন: ৮৮-০৮২১-৭২০৭৫১, ৮১৩১৬৯, ৮১৩১৭২, ৮১৩১৭৩, ৮১৩১৬৮
৬. হোটেল সানফ্লাওয়ার (বন্দর, শিশুপার্কের কাছে): ফোন:৮৮-০৮২১-৭১৩৯১৪
৭. হোটেল এশিয়া (বন্দরবাজার): ০১৯২২৫৯৫৮৪১, ০১৯২২৫৯৫৮৪০
৮. সুরমা ভ্যালি গেস্ট হাউস (জেলা প্রশাসক/পুলিশ সুপারের কার্যালয়ের পাশে): ০১৭১৬০৯৫৮৩৬
৯. হোটেল সিলেট ইন (মিরবক্সটুলা): ফোন: ৮৮-০৮২১-৮১১৯৪৫
১০. হোটেল আল-আরব: হযরত শাহজালাল (র: ) মাজার শরীফ পূর্ব দরগাহ্ হেইট, সিলেট, ফোন: ০৮২১-৭২৪০৫৯, ০১৭২১৮১২৬৬২
১১. হোটেল উর্মি: হযরত শাহজালাল (র: ) মাজার শরীফ পূর্ব দরগাহ্ হেইট, সিলেট, ফোন: ০৮২১-৭১৪৫৬৩, ০১৭৩৩১৫৩৮০৫

রেন্ট-এ-কার এর জন্য যোগাযোগ করুন:
– জনাব রাজ্জাক: ০১৭১৫৬০০৫৮০
– জনাব সিরাজী ০১৭২৩৩৬৫৬৫৪
– জনাব আইয়ুব ০১৭১২৭৯৫৯৫২
– জনাব কবির ০১৭১২৩১৬৭৩২
– জনাব নেবু ০১৭১২৩২৫৮৭৬
– জনাব শামিম ০১৭১৪৭৭০১৫৫
– ০১৭১১৩৯৯৪৬৬
– ০১৭১১৪৭৯৫০৩

খাবার ভালো রেস্টুরেন্ট:
১. উনদাল, পূর্ব জিন্দাবাজার, সিলেট, ফোন: ০৮২১-২৮৩২১৯৭, ০১৭১৭০২০৫০৫
২. এক্সোটিকা রেস্টুরেন্ট, হোটেল সুপ্রীম, জাফলং রোড, মিরাবাজার, সিলেট-৩১০০, মোবাইল: ০১৭১১১৯৭০১২, ফোন: ৮৮-০৮২১-৭২০৭৫১, ৮১৩১৬৯, ৮১৩১৭২, ৮১৩১৭৩, ৮১৩১৬৮
৩. আলপাইন রেস্টুরেন্ট: চৌহাট্টা, সিলেট। ফোন: ০১৭১৫১৯৫৫৫০
৪. হোটেল মেট্রো ইন্টারন্যাশনাল (বন্দর, শিশুপার্কের কাছে): ০১৭৩১৫৩৩৭৩৩, +৮৮০৮২১২৮৩৩৪০৪

বাস সার্ভিস:
গ্রীনলাইন (সিলেট): ০১৭৩০০৬০০৩৬ (সোবহানীঘাট), ০৮২১-৭২০১৬১ (সোবহানীঘাট)

এয়ারওয়েজ:
১. জিএমজি (সিলেট): ০১৭১১৮৯০০৭৫
২. ইউনাইটেড এয়ারওয়েজ (বিডি লি: ): ০৮২১-২৮৩০৬১২, ০১৭১৩৪৮৬৬৫৩, ০৮২১-২৮৩০৫৯৬, ০৮২১-২৮৩০৫৯৭, ০১৭১৩৪৮৬৬৫৪



দিনাজপুর শহরে কোথায় থেকেছি?
শুরুতে ভেবেছিলাম, হোটেল ডায়মণ্ডে উঠবো। অনেক পুরনো কিন্তু নামকরা হোটেল। কিন্তু নিমতলায় নতুন একটি ভালো হোটেলের সন্ধান পেলাম, নাম ’’ইউনিক’’। ইউনিকের রুমগুলো চমৎকার, সার্ভিসও দুর্দান্ত। হোটেল ইউনিকের ফোন নম্বর: ০৫৩১-৫২২০৩, ০১৭৩৬৩৩৫২৬৪।

দিনাজপুর শহরে খাবার ভালো হোটেল কোনটি?
দিনাজপুর শহর এবং এর আশেপাশে যেখানেই দুপুর কিংবা রাতের খাবার খেয়েছি, প্রতিটি আইটেমই ছিল অসম্ভব লবণ দেওয়া। প্রথম দু’একদিন শহরের মাইক্রোস্ট্যাণ্ডের কাছে হোটেল রুস্তমে খেয়েছি। কিন্তু পরের দিকে বালুবাড়ি শাহী মসজিদের কাছে ‘’ভিন্নতা ফুডসে’র’ ভিন্ন স্বাদের খাওয়া আসলেই ভালো লেগেছে।

দিনাজপুর শহরে গাড়ি ভাড়া করতে হলে যোগাযোগ করতে পারেন: জনাব হাবিব, ফোন: ০১৭১২৮৫৪৪১৫।

সুনামগঞ্জ শহরে থাকতে হলে আরেকটি ভালো জায়গা হলো:
সি.এন.আর.এস (একটি এনজিও-এর নিজস্ব গেস্টহাউজ); জনাব আলমের সাথে যোগাযোগ করুন:০১৬৮১৩০৮১৭৪

সুনামগঞ্জের শাল্লা উপজেলা ডাকবাংলোতে (সুরঞ্জিত সেন গুপ্তের) থাকার জন্যে:
জনাব তাহের, ০১১৯০৯১২৯৫৮

সুনামগঞ্জের তাহিরপুরে থাকতে হলে:
১. উপজেলা ডাকবাংলোর কেয়ারটেকার কৃপেশ দাস: 01724968161
২. উপজেলা গেস্টহাউজের জন্য উপজেলা চেয়ারম্যান জনাব আনিসুল হক কে অনুরোধ করতে হবে: 01715172238

সুনামগঞ্জের দেরাই উপজেলায় থাকার হোটেল:
১. হোটেল জাকারিয়া: ০১৭১২৭১৫৯১৬

সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলায় থাকার হোটেল:
১. হোটেল সানলাইট: ০১৭৩১৬৯৭৮৭০

বান্দরবানের আলীকদম উপজেলাতে থাকার জন্য
জেলা পরিষদ রেস্ট হাউজের কেয়ারটেকার খালেদ সাহেবের ফোন নম্বর: ০১৫৫৮ ৬০৪০৭৫
হবিগঞ্জ শহরে থাকার ভালো হোটেল:
১. হোটেল আমির চাঁদ (হোটেল আমাদ): ০১৭৩২৫২১১৫২
২. হোটেল সোনার তরী: ০১৭১১২৩৩৩৩২

কিশোরগঞ্জ শহরে থাকার ভালো হোটেল:
১. হোটেল গাঙচিল: ০১৭২৪২৪৫১৫৫, ০১৭১২৭০০৫৮৫
২. ‘পপি’ এনজিও -এর নিজস্ব আবাসিক ব্যবস্থা ‘পার্ট’-এ থাকতে হলে যোগাযোগ করুন: ০১৭১৬৯৫৮৬০৫ (জনাব কাজী মুজাহিদ), ০১৭১০৭৫৪৩৯৯ (সুমন), ০১৭১১৬৮৩১৮২ (মো: শাহাবউদ্দিন, কো-অর্ডিনেটর, পার্ট)
শেরপুর জেলার নালিতাবাড়ি উপজেলায় থাকার ভালো হোটেল:
১. এম.এন প্লাজা: ০১৭১১৪৪১৮৮৯

কুড়িগ্রাম শহরে থাকার ভালো হোটেল:
১. হোটেল মেহেদী: ০১৭১১৩৪৮৯১০

শ্রীমঙ্গল বি টি আর আই চা-বাগানের রিসোর্টে থাকতে হলে:
অরুন বাবু (ম্যানেজার): ০১৭১২০১৬০০১
জনাব রফিকুল হক (অ্যাসিস্টেন্ট ডেভলপমেন্ট অফিসার): 01712071502, 01711303777

গোপালগঞ্জ শহরে থাকার ভালো হোটেল:
১. পলাশ গেস্টহাউজ (মোসলেমউদ্দিন প্লাজা): ০১৭১১১২৬২৮৭, ০১৯২৪৮৭৮০০৮, ০৬৬৮৬১৪৬৫
২. হোটেল জিমি (আবাসিক): ১০৯ ডি, সি রোড, কালীবাড়ি সংলগ্ন, গোপালগঞ্জ, ফোন: ০২-৬৬৮-৫৭৯৭, ০১১৯১৬২০৫৫৭

নেত্রকোণার বিরিশিরি-দূর্গাপুরে থাকার ব্যবস্থা:
১. ওয়াই ডব্লিউ সি এ: জনাব মিল্টন: ০১৭২১৩৯৪৩২০
২. ওয়াই ডব্লিউ সি এ: বেবী দিদি: ০১৭১২০৪২৯১৬

নেত্রকোণার খালিয়াজুড়ি উপজেলা ডাকবাংলোতে থাকতে হলে ইউ এন ও কে ফোন দিয়ে অনুরোধ করতে পারেন: ০১৭১৬৩১৮৩১১

নেত্রকোণার মোহনগঞ্জ এবং বারহাট্টাতে থাকার তেমন কোন ব্যবস্থা নেই। তবে জনাব সজীবকে ফোন করে অনুরোধ করতে পারেন। তিনি একটা ব্যবস্থা করে দিতে পারেন: ০১৭১৪৫৮২৮৯১, ০১৯২২৬১১২৪৪
মোহনগঞ্জে ‘শাপলা গেস্ট হাউজ’-এর অবস্থা খুবই খারাপ।

বগুড়া শহরে থাকার জন্য:
হোটেল নাজ গার্ডেন 01715 – 205343, 01913 – 801122

চট্টগ্রাম শহরে থাকার হোটেল:
১. হোটেল সিলমুন
১৩৪/এ, সিডিএ এভিনিউ (ওয়াসা মোড়), দামপাড়া, চট্টগ্রাম, ফোন: ০১৮২৩২৮৭৪৬৪, ০৩১-৬২৮৩০২, ২৮৬০৭৫৫
২. হোটেল লর্ডস ইন
হোসনা কালাম কমপ্লেক্স (সানমার ওশান সিটির উল্টা দিকে)
সি,ডি,এ এভিনিউ, ইস্ট নাসিরাবাদ, চট্টগ্রাম
ফোন: ৮৮০-৩১-২৫৫২৬৭১-৪
৩. হোটেল ওয়েল প্যালেস (আবাসিক)
১০৭১, রহমান সেন্টার, বহদ্দারহাট, চট্টগ্রাম। ফোন: ০৩১-২৫৫৬০৬৮, ০১৮২২৬২২৬৬২

খুলনা শহরে থাকার ভালো মানের হোটেল:
১. হোটেল রয়্যাল ইন্টারন্যাশনাল: 01190-856013, 01718-679900
২. হোটেল টাইগার গার্ডেন: +880 88041721108
৩. হোটেল ক্যাসেল সালাম: 01711-397607, 880-41-720160, 880-41-730725

দিনাজপুর শহরে থাকার ভালো হোটেল:

ভারতের পশ্চিমবঙ্গের দার্জিলিং শহরে থাকার সুলভ মূল্যের ভালো হোটেল:
১. হোটেল ব্রডওয়ে: ৪, কোচ বিহার রোড, দার্জিলিং, ০৩৫৪-২২৫৩২৪৮, ২২৫৬২৭০, ৯৭৩৩০-২২২০৮

ভারতের পশ্চিমবঙ্গের কালিমপং শহরে থাকার সুলভ মূল্যের ভালো হোটেল:
১. মনোকামনা লজ (এস ডি বি গিরি রোড, কালিমপং-৭৩৪৩০১): ফোন: ৯৮৩২৪৭৮৫৯০ (সুদীপ প্রধান), ০৩৫৫২-২৫৫৩৯৮

ভারতের পশ্চিমবঙ্গের লাভাতে (কালিমপং) থাকার সুলভ মূল্যের ভালো হোটেল:
– হোটেল ইউনিক: ৯৮৩২০৬১২২০
– মিস আনিতা: ৮০১৬৪৮৯০০২

কোলকাতা শহরে থাকার ভালো হোটেল:
১. দ্যা অশোকা হোটেল: পি-২৪ ডবসন লেন, হাওড়া-৭১১১০১, ফোন: ৬৬৬-৪২১২/৪৩৪৩/৪৩৩৩/৪২২১/৫২২২/৪৪২০

দিল্লী শহরে থাকার ভালো হোটেল:
১. হোটেল সিয়াল: ৪৩, আরাকাশান রোড, রাম নগর, নিউ দিল্লী-১১০০৫৫, ফোন: ৩৬১০০৯১

ভারতের আসাম এবং মেঘালয় রাজ্যে ঘোরাঘুরির জন্যে:
১. টাই (ওরফে পিটার), ডাউকি বর্ডারের ট্যাক্সি ড্রাইভার: ৯৮৬৩৫৮৮২৬৩
২. সুজিত শীল (শিলং-এর ট্যাক্সি ড্রাইভার): ৯৮৬৩১২৭৭৪০
৩. আব্দুল কাইয়ুম (শিলং/গৌহাটির ট্যাক্সি ড্রাইভার): ৯৮৫৪৭৪৮১৪৭
৪. পিঙ্কু হাজারিকা (ন’গাঁও থেকে কাজিরাঙ্গা সাফারী পার্ক যাবার ট্যাক্সি ড্রাইভার): ৯৮৫৪৫২০৪৬১
৫. হোটেল পায়েল, পুলিশ বাজার, থানা রোড, শিলং, মেঘালয়: ০৩৬৪-২২২২০৮৭, ২২২৭১৬১
৬. হোটেল সিংহাসন, ধরমনালা রোড, ডিফু, কারবি অংলং, ফোন: ০৩৬৭১-২৭১৪৫৮
৭. হোটেল মহালক্ষ্মী, পল্টন বাজার, জি.এস রোড, গৌহাটি, আসাম। ফোন: ৯৮৫৪০৩১৭২৬, ৯৪৩৫১৪৩০৬৩

Address

Dhaka. Bangladesh
Dhaka

Telephone

+8801925445542

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Nature Tour Group of Bangladesh posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share